Archives for category: Uncategorized

শীতের সকাল । আমি ছাদে মাদুর পেতে বসে রোদ পোয়াচ্ছি । হঠাত গালে একজোড়া ঠাণ্ডা কনকনে হাতের স্পর্শ পেলাম । সঙ্গে বোনের খুকখুক হাসি । তাকিয়ে দেখি সদ্য স্নান সেরে বোন আমার পিছনে এসে দাড়িয়েছে । ঠান্ডা জলে স্নান করে ওর হাত দুটো কনকনে ঠান্ডা হয়ে গেছে । সেই ঠান্ডা হাত দুটো আমার গালে ঠেকিয়ে আমার ক্লাস ৮এ পড়া বোন বলল ,
– দ্যাখ দাদা , স্নান করে হাত দুটো কি ঠান্ডা হয়ে গেছে । তোর গালে ঘষে একটু গরম করে নি । এই বলে ও আমার গালে ওর হাতদুটো ঘষে গরম করতে লাগ্ল ।
– কয়েকদিন ধরে কেন জানিনা , বোনের কাছ থেকে কষ্ট পেতে খুব ভাল লাগছে আমার । আমি চুপচাপ বোনকে আমার গালে হাত ঘষে গরম করতে দিলাম । এতে বোনের আরাম হচ্ছে , আর আমার কষ্ট , এই অনুভুতিটা খুব ভাল লাগতে লাগল আমার ।
– হাত গরম করা হয়ে গেলে বোন আমার গাল টিপে দিয়ে বলল,
– এই তো , এই জন্যেই তোকে আমি এত্ত ভালবাসি । তোর মোবাইলটা দে এবার ।
– আমি মোবাইলে চ্যাট করছিলাম , অফ করে মোবাইলটা বোনের হাতে তুলে দিলাম ।
– বোন ছাদের কোন থেকে একটা চেয়ার টেনে এনে বসল আমার ঠিক সামনে । চটি খুলে পা দুটো তুলে দিল আমার কোলে । আমার হাতে একটা পা ঘষে বলল
– দ্যাখ দাদা, পা দুটোও হাতের মত ঠান্ডা হয়ে গেছে ।
– আমি বললাম , দে আমি ঘষে তোর পা গরম করে দিচ্ছি । তুই গেম খেল ।
– এই বলে আমি বোনের পা দুটো হাত দিয়ে আসতে আসতে ঘষতে লাগলাম । বোন আমার নাকটা ডান হাতে ধরে আমার মাথাটা এপাশ থেকে ওপাশে নাড়িয়ে বলল ,
– – ওয়াহ, বেশ আরাম লাগছে । তুই আমার পা টেপ , আমি তোর মোবাইলে একটু গেম খেলি ।
– আমি আমার ৪ বছরের ছোট ক্লাস ৮ এ পড়া ফর্শা , সুন্দরী বোনের পা দুটো আসতে আসতে টিপতে লাগ্লাম ওর পায়ের কাছে বসে । আর আমার বোন আমার কোলের ওপর ওর পা দুটো রেখে আমার মোবাইলে গেম খেলতে খেলতে আমার সেবা নিতে লাগল । উল্টোদিকের ফ্ল্যাটের ছাদ থেকে বোনের বয়সী একটা মেয়ে চোখ বড় বড় করে আমাদের দেখতে লাগল ।
– বেশ কিছুক্ষণ বোনের ডান পাটা টেপার পর বোন ওর বাঁ পাটা আমার হাতে তুলে দিয়ে বলল ,
– -এবার এই পা টা টেপ । এই বলে ডান পাটা তুলে নিয়ে চটিটা পরে নিল পায়ে । তারপর চটি পরা ডান পা টা আমার কাঁধে তুলে দিল । উল্টোদিকের ফ্ল্যাটের ছাদে দাঁড়িয়ে থাকা মেয়েটার মুখ হাঁ হয়ে গেল তাই দেখে । বোন এমনভাবে ওর চটি পরা ডান পা আমার কাধে রেখে গেম খেলতে লাগল যেন এটা ভীষণ স্বাভাবিক । ওর ঠোঁটের কোনে লেগে থাকা আলতো হাসি বুঝিয়ে দিচ্ছিল ও ভীষণ উপভোগ করছে এই ঘটনা ।
– আমি মাথা নিচু করে বোনের বাঁ পাটা টিপতে লাগলাম।
– তোরা কি করছিস ? হঠাত ছাদের দরজার মুখ থেকে মায়ের গলার আওয়াজে আমরা দুজনেই চমকে উঠলাম । মা কখন এসে দরজার সামনে দাড়িয়েছে কেউ লক্ষ করিনি ।
– স্নান করে পা দুটো ঠান্ডা হয়ে গেছে মা , তাই দাদাকে দিয়ে একটু পা টেপাচ্ছিলাম। বোন বলল ।
– আর অন্য পাটা দাদার কাধে রেখেছিস কেন ?
– আমার কি দোষ , দাদাই তো রাখতে বলল । বোন ঠোঁট উলটে বলল । মা অবাক চোখে আমার দিকে তাকাল ।
– বোন এখন আমার কাঁধে চটি পরা ডান পাটা রেখে বসে আছে । মায়ের সামনে বোনের পায়ের তলায় বসে থাকতে কেন জানিনা আর বেশী ভাল লাগছিল আমার ।
– বোনের এভাবে বসতে আরাম হবে ,তাই বলেছিলাম । আমি বললাম মাকে ।
– তুই যেভাবে বসে ওর পা টিপছিস , দেখে মনে হচ্ছে ও তোর বোন না , মনিব । আর তুই ওর চাকর । তোর কিছুদিন থেকে কি হয়েছে বলতো ? বোন যা বলে তাই শুনছিস , নিজের সব জিনিস ওকে দিয়ে দিচ্ছিস । ব্যাপার টা কি তোর ?
– বা রে , ও আমার একমাত্র আদরের ছোট বোন , ওকে দেব না তো কাকে দেব ? এই বলে মায়ের সামনেই বোনের লাল চটি পরা ডান পাটা ধরে মুখের সামনে এনে বোনের পায়ের পাতায় একটা চুমু খাই ।
– নাহ , তোদের সামলানো আমার কম্ম না , তোদের বাবাকে বলতে হবে । এই বলে মা হাল ছেড়ে দিয়ে ছাদে কাপড় মেলতে লাগল । মায়ের সামনেই আমি বোনের ডান পা কাধে নিয়ে ওর বাঁ পাটা টিপতে লাগলাম ।
মা কাপড় মেলে নিচে চলে গেল । আমি বোনের পা টিপে যেতে লাগলাম । প্রায় একঘন্টা পর বোন উঠে পড়ল আমার কোলের উপর থেকে পা সরিয়ে ।
-নিচে আয় দাদা , এই বলে বোন নিচে চলে গেল । আমিও আমার ‘মালকিন’ এর আদেশ পালন করে নিচে নেমে এলাম ।
নিচে নামতে বোন চোখ পাকিয়ে বলল
– যা , চান করে নিয়ে পড়তে বস ভাল ছেলের মত । আমার তখন ইচ্ছা করছিল বোনের পা টিপে ওর সেবা করতে । কিন্তু বোন আমাকে হুকুম করছে , এটাও বেশ ভাল লাগল ।
– যাচ্ছি বোন , বলে আমি চান করতে চলে গেলাম । চান করে এসে বোনকে ঘরে দেখতে পেলাম না । আমার পড়তে ইচ্ছা করছিল না , তাই টিভি খুলে বসলাম ।
– তোর সামনে h.s., আর তুই বসে বসে টিভি দেখছিস ? মা রাগ দেখিয়ে বলল ।
– একটু দেখি মা , তারপর পড়তে বসছি । আমি বললাম । যদিও আমার পড়তে বসার কোন ইচ্ছা ছিল না । আমি টিভি দেখে যেতে লাগলাম ।
– ২০ মিনিট পর বাইরে থেকে বোন ঘরে ঢুকল । মা বোনকে ঘরে ঢুকতে দেখে বলল
– – তোর দাদা তো এখন আর কার কথা শোনে না , তোর কথা ছাড়া । দেখ তো টিভি ছেড়ে ওকে পড়তে পাঠাতে পারিস কিনা ?
– এটা আবার একটা ব্যাপার হল ? এই বলে বোন আমার দিকে এগিয়ে এল । ওর মুখে আলতো হাসি । আমার পাশে এসে আমার কান ধরে আলতো মোচড় দিল বোন ,
– – এই ছেলে , তোর না সামনে h.s.? আর তুই এখন টিভি দেখছিস ? যা পড়তে বস গিয়ে । আমি টিভি দেখব এখন ।
এই বলে বোন আমার কানে বেশ জোরে একটা মোচড় দিল ।
– সরি বোন, আমি যাচ্ছি পড়তে ।
– এই বলে আমি উঠে পড়লাম । আর বোন চেয়ারটা দখল করে ওর পছন্দের চ্যানেল চালিয়ে দিল ।
মা অবাক হয়ে ব্যাপারটা হজম করার চেস্টা করতে লাগল । কি হচ্ছে বলতো তোদের মধ্যে ? তুই ৪ বছরের বড় দাদার কানমুলে ওকে পড়তে যেতে বললি , আর ও তোকে সরি বলে পড়তে চলে গেল ? আশ্চর্য তো !
বোন মুচকি হাসতে লাগল মায়ের কথা শুনে , কোন উত্তর দিল না।
আমি পাশের ঘরে পড়তে চলে গেলাম । পড়তে ভাল না লাগলেও আমার ৪ বছরের ছোট বোনের হুকুমে পড়তে বসেছি এই অনুভূতিটা খুব ভাল লাগছিল আমার ।
ঘন্টা দুয়েক পড়ার পর মা খেতে ডাকল । আমি খাওয়া হয়ে গেলে আবার ভুল করে টিভি ঘরে গিয়ে টিভি খুলে ফেললাম । মা আর বোন তখন পাশের ঘরে খাচ্ছে । মা পাশের ঘর থেকেই চেঁচিয়ে বলল ,
-তুই আবার টিভি খুলেছিস ?
– আমি বললাম , প্লিজ , একটু দেখি মা । অনেকক্ষন তো পরলাম ।
মা হতাশ হয়ে বোনকে বলল , দ্যাখ , তুই যদি কিছু করতে পারিস ।
– আমি বোনের গলা শুনতে পেলাম , চল মা , আমি দেখছি ।
– বোন এই ঘরে ঢুকে আমার দিকে এগিয়ে এল , পিছনে মা । ও এসেই ওর এঠো ডান হাত দিয়ে সজোরে আমার বাঁ গালে একটা থাপ্পর মারল । আমি ভেবাচেকা খেয়ে গালে হাত বোলাতে বোলাতে বোনের মুখের দিকে তাকালাম । ওর মুখে আলতো হাসি বুঝিয়ে দিচ্ছিল ও ব্যাপারটা খুব উপভোগ করছে ।
– তুই আবার টিভি খুলেছিস ? বোন রাগী ভাব ফোটাল গলায় ।
– সরি বোন ।
– বারবার ভুল হয় কেন? এবার শুধু সরিতে হবেনা , ক্ষমা চাইতে হবে ।
– কিভাবে বোন ? আমি জিজ্ঞাসা করি । মায়ের সামনে ছোট বোনের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে ভেবে বেশ আনন্দ হতে থাকে আমার ।
– মা আর আমার দুজনের কাছেই ক্ষমা চা । যেভাবে চাওয়া তোর ঠিক মনে হয় সেভাবে ।
– আমি প্রথমে মায়ের দিকে এগিয়ে যাই । মায়ের পায়ের কাছে হাটুগেরে বসে মাকে বলি ,
– আমি সরি মা , এরকম ভুল আর হবে না । এই বলে মায়ের পায়ে হাত দিয়ে প্রনাম করি ।
– ঠিক আছে , এরকম ভুল যেন আর না হয় । এই বলে মা আমার মাথায় হাত রেখে আশীর্বাদ করে । আমি উঠে একইভাবে বোনের কাছে ক্ষমা চাওয়ার জন্যে ওরদিকে এগিয়ে যাই । ওর লাল চটি পরা পায়ের কাছে হাটুগেরে বসে হাতজোড় করে বলি ,
– আমার ভুল হয়ে গেছে বোন , আমাকে ক্ষমা করে দে ।
– এই বলে ওর পায়ে হাত দিয়ে প্রনাম করব ভেবেছিলাম , কিন্তু কেন জানিনা তার বদলে নিজের মাথাটা বোনের চটি পরা পায়ের উপর নামিয়ে দিলাম। ওর পায়ের উপর নিজের কপালটা ঘষতে ঘষতে বারবার ওর কাছে ক্ষমা চাইতে থাকি । মা বেশ বড় বড় চোখ করে আমাদের কান্ড দেখতে থাকে ।
– একটু পরে বোন ওর লাল চটি পরা ডান পা আমার মাথার উপর রেখে বলে , যা ক্ষমা করে দিলাম এবারের মত । গিয়ে পড়তে বস । আমি যা বলি সেভাবে চল , তোরই ভাল হবে দাদা ।
– আমি ওর পায়ে আলতো একটা চুমু খেয়ে বলি ,
– -সেটা আমি জানি বোন । এখন থেকে আমি তোর সব কথা শুনব । এই বলে আমি উঠে পড়তে চলে যাই । মা আর বোন খুশী মনে আবার খেতে যায় ।
– যা হল এক্ষুনি আমার কিছুতেই বিশ্বাস হচ্ছিল না । সত্যি আমি মায়ের সামনে নিজের ছোট বোনের চটি পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করলাম ? ভাবতেই দারুন ভাল লাগছিল আমার ।
– সন্ধ্যা ৬ টায় মা টিফিন করতে ডাকল । টানা ৪ ঘন্টা পড়ে আমি উঠলাম। মন ভাল থাকলে পড়া যে সত্যি ভাল হয় সেটা আজ বুঝতে পারছিলাম। আজ ৪ ঘন্টায় আমি যা পড়েছি অন্যদিন ৪০ ঘণ্টায়ও তা পড়া হয়না আমার । বোন আমার মাথায় চটি পরা পা রেখে আশীর্বাদ করাতেই আমার এত উন্নতি হয়েছে , মনে মনে এটাই ভাবছিলাম , আর মন খুশিতে ভরে উঠছিল ।
– টিভির ঘরে খাটে বাবা বসে আর মেঝেতে চেয়ারে বোন । বাবা যে কখন অফিস থেকে ফিরেছে খেয়ালই করিনি আমি । মা সবার হাতে টিফিন দিল । আমি নিজে থেকেই বোনের পায়ের কাছে মেঝেতে বসে পরলাম । ওর পরনে ছাই রঙের জ্যাকেট , কালো প্যান্ট , পায়ে লাল চটি । ফরসা মুখে হাসি ঝুলিয়ে বাঁ পায়ের উপর ডান পা তুলে বসে ছিল আমার বোন রিয়া , যাকে দেখলেই প্রভু বলে ডাক ছেড়ে পা জড়িয়ে ধরতে ইচ্ছা করে আমার ।
– তোকে এভাবে মন দিয়ে পড়তে দেখে খুব ভাল লাগল । এভাবে পড়লে দেখবি h.s এ খুব ভাল রেসাল্ট করবি । বাবা বলল ।
– এর ক্রেডিটটা কিন্তু তোমার মেয়ে রিয়ারই পাওয়া উচিত । আজকেও খাওয়ার পর টিভি খুলেছিল রাজু । আমি বললাম , রাজু শুনল না । রিয়া গিয়ে থাপ্পর মারতে কাজ হয়েছে । সেই থেকে টানা ৪ ঘন্টা পরেছে ও । বললে বিশ্বাস করবে না , রিয়া রাজুকে নিজের পায়ে মাথা রেখে ক্ষমাও চাইয়েছে । এখন বুঝছি ভালই করেছে , মা বলল বাবাকে ।
– বাবার মুখ দেখে বুঝলাম, যা শুনছে, বিশ্বাস করতে পারছে না । অফিস থেকে ফিরে এসে যদি কোন বাবা শোনে তার ছেলে ছোট বোনকে প্রনাম করে একদম ভাল ছেলে হয়ে গেছে , কারই বা বিশ্বাস হবে?
– যাক গে , ও ঠিক ঠাক পড়ছে , এটাই বড় কথা । রিয়া , তোর দাদা যখন তোর কথা শোনে , তখন ও না পরলে এখন থেকে তোর যা ইচ্ছা শাস্তি দিবি তুই ওকে ।
– বোনের মুখে হাসি ফুটে উঠল বাবার কথা শুনে ।
– সে তো দেবই বাবা । ছেলেদের মানুষ করতে হলে একটু শাস্তি দিতে হয় । ওর কথা শুনে আমার মনে হল যেন ও আমার ৪ বছরের বড় দিদি ।
– দাদা, আমার পা টিপে দে তোএকটু খেতে খেতে । এই বলে বোন ওর চটি পরা পা দিয়ে আমাকে একটু খোচা দিল ।
– আমি ঘুরে বসলাম বোনের পায়ের কাছে । বোন চটি খুলল না , চটি পরা পা দুটোই আমার কোলে তুলে দিল ।
– মা বাবাকে বলল , এদের ব্যাপারটা কি তুমি একটু বোঝার চেস্টা কর তো? রাজু হঠাত রিয়ার এত বাধ্য হয়ে গেল কেন ?
– আমি বোনের লাল চটি পরা পা দুটো বেশ মন দিয়ে টিপতে লাগলাম । বাবা , মা ভুরু কুচকে দেখতে লাগল আমাদের ।
– আর একটু জোরে টেপ দাদা , বেশ আরাম হচ্ছে ।
– বোনের কথায় আমি আরো মন দিয়ে ওর পা টিপতে লাগলাম , আর মাঝে মাঝে ওর পা থেকে হাত সরিয়ে পাশে রাখা থালা থেকে টিফিন খেতে লাগলাম । ফলে বোনের চটির তলার ময়লা আমার হাত থেকে লুচি তরকারিতে লেগে যেতে লাগল । আমি বোনের চটির তলার ময়লা মেশা খাবার খাচ্ছি, এই অনুভূতি টাও দারুন ভাল লাগতে লাগল।
– বোন হঠাত ওর চটি পরা ডান পাটা আমার কোল থেকে তুলে আমার কাঁধে রাখল ।
– মন দিয়ে আমার সেবা কর দাদা , এতে তোর মনঃসংযোগ বাড়বে , আরো ভাল পড়া মনে রাখতে পারবি ।
– বোনের লাল চটি পরা ডান পা আমার কাধে রাখা, আর আমি ওর বাঁ পা টা মন দিয়ে টিপছি , বাবা মায়ের সামনেই ।
– তোদের ব্যাপারটা কি বলতো ? বাবা ভুরু কুচকে আমাকে জিজ্ঞাসা করল ।
– কিছু না বাবা , আমার সেবা করলে দাদার পড়ায় মন বসে , তাই না দাদা ? রিয়া আমার দিকে তাকিয়ে প্রশ্ন করল ।
– আমি রিয়ার চটি পরা পা টিপতে টিপতে উত্তর দিলাম ,
– হ্যাঁ বাবা ।
– বেশ , এতে তো খারাপ কিছু নেই । এতে তোর পড়াশোনায় উন্নতি হলে তো ভালই । কিন্তু ব্যাপারটা বড় অদ্ভুত লাগছে । বাবা বলল ।
– আমি কোন উত্তর দিলাম না । বোন ওর চটি পরা বাঁ পাটা আমার কাধে তুলে দিয়েছে এখন । আর আমি ওর ডান পাটা টিপে দিচ্ছি । আমি বোনের লাল চটি পরা ডান পাটা নিজের বুকের মাঝখানে চেপে ধরে মন দিয়ে টিপতে লাগলাম । বোন ঠোটের কোনে হাসি ঝুলিয়ে আমার সেবা নিতে নিতে টিভি দেখতে লাগল । আর বাবা মা আশ্চর্য হয়ে আমাদের অদ্ভুত কান্ড দেখে যেতে লাগল ।
প্রায় ৩০ মিনিট বোনের পা টেপার পর বোন ওর চটি পরা ডান পাটা আমার মুখে রাখল । আমি অবাক হয়ে বোনের দিকে তাকালাম । আলতো করে একটা চুমুও খেলাম ওর লাল চটির তলায় । বোন ওর চটির তলাটা আমার মুখে একটু ঘষল , তারপর আমার মুখটা চটি পরা পায়ের তলা দিয়ে ঠেলে বলল,
এই ছেলে , এবার গিয়ে পড়তে বস । মন দিয়ে পড়বি , নাহলে কিন্তু মার খাবি আমার কাছে ।
আমি বোনের চটি পরা পাদুটো দুহাতে ধরলাম । তারপর নিজের মাথাটা নামিয়ে দিলাম ওর পায়ের উপর । ওর পায়ের পাতায় নিজের মাথা ঠেকিয়ে বললাম ,
আমার মাথায় পা রেখে একবার আমাকে আশীর্বাদ করে দে বোন, আমার পড়া খুব ভাল হয় তোর আশীর্বাদ পেলে । তারপরও যদি তোর যদি মনে হয় আমি মন দিয়ে পরছি না তুই আমাকে যত খুশি মারতে পারিস ।
– বোন মুখে হাসি ফুটিয়ে ওর চটি পরা ডান পাটা আমার মাথার উপর রাখল,
– ভাল করে পড় দাদা , আমার আশীর্বাদ তোর সাথে রইল ।
– বাবা মা চোখ বড় বড় করে আমাদের দেখতে লাগল । হয়তো আমাদের বাধা দিত অন্য সময়ে , কিন্তু যেহেতু এই আচরণের মাধ্যমে বোন আমাকে পড়তে পাঠাচ্ছে , তাই আর কিছু বলল না বাবা মা ।
– আমি নিজের ঘরে গিয়ে পড়তে বসলাম । মন আজ অসম্ভব খুশি । নিজেকে বোঝাতে লাগলাম যেভাবেই হোক ভাল রেসাল্ট করতে হবে । আমার ছোট বোন আমার মাথায় চটি পরা পা রেখে আমাকে আশীর্বাদ করেছে । এই আশীর্বাদ বৃথা হতে দেওয়া যায়না । আর রেসাল্ট ভাল হলে চিরদিন এভাবে বাবা মায়ের সামনে ছোট বোনের সেবা করতে পারব । বোনের সেবা করে আমার উন্নতি হচ্ছে বুঝতে পারলে বাবা মা আমাকে কিছু বলবে না বুঝতে পারছিলাম ।
– আমি বেশ মন দিয়ে পড়ছিলাম । হঠাত চুলে টান পড়ায় তাকিয়ে দেখি আমার বোন রিয়া আমার পাশে দাঁড়িয়ে বাঁ হাত দিয়ে আমার চুল মুঠো করে ধরে টানছে । আমার বেশ ব্যাথা লাগছিল , তবু কিছু বললাম না বোনকে । আমার উপর অত্যাচার চালিয়ে যেতে দিলাম ওকে ।
– বেশ কিছুক্ষণ আমার চুল টেনে যেতে লাগল বোন । একটু পড়ে খুব ব্যাথা লাগতে তাকিয়ে দেখি আমার মাথা থেকে অনেকটা চুল ছিঁড়ে বোনের হাতে চলে গেছে ।
– বোন চোখ বড় বড় করে বলল , তোর এতগুল চুল টেনে ছিড়ে দিলাম, তুই কিছু বললি না ? তোর কি ব্যাথাও লাগে না ?
– বোন খাটের পাশে দাঁড়িয়ে ছিল । আমি খাট থেকে উঠে ওর পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে পড়লাম । ওর সামনে হাত জোড় করে বললাম , সে তো লাগেই । কিন্তু তুমি আমার মালকিন, আমার প্রভু । তুমি আমাকে যত খুশি ব্যাথা দিতে পার । আমার কোন অধিকার নেই তোমাকে বাধা দেওয়ার ।
– শুনে বোন খাটে বসে পরে হো হো করে হাসতে লাগল । আমি ওর পা দুটো দুহাতে ধরে আবার নিজের মাথাটা ওর পায়ের উপর নামিয়ে দিলাম ।
– একটু পরে বোন হাসি থামিয়ে চটি পরা বাঁ পাটা আমার মাথায় বোলাতে বোলাতে বলল ,
– ওরে বুদ্ধু , আমি তোর প্রভু হতে যাব কেন ? তুই আমার দাদা ,আমি তোর ছোট বোন । অন্য বোনেরা বড় দাদাদের ভয় পায় ,আর তুই আমার পায়ে মাথা ঘষিস । তোর মাথাটা একদম গেছে রে দাদা ।
– আমি ওর চোখের দিকে কাতর দৃষ্টিতে তাকাই । প্লিজ বোন ,আমার খুব ভাল লাগে তোকে নিজের মনিব বলে ভাবতে , তোর সেবা করতে । প্লিজ বোন ,আমাকে তোর সেবা করতে দিস রোজ এভাবে । তোর সেবা করতে পেলে আমি জীবনে সব করতে পারব । প্লিজ বোন , আমার উপর একটু দয়া কর ।
– এই বলে আমি বোনের পায়ে একের পর এক চুমু খেতে থাকি । বোন বাধা দেয়না । আমার মাথায় অন্য পাটা বোলাতে বোলাতে বলে ,
– আমার তো ভালই লাগছে রে দাদা । সবার সামনে বড় দাদাকে এভাবে কন্ট্রোল করার মজাই আলাদা ।
– আমি বোনের পায়ের তলায় শুয়ে পরি । ওর চটি পরা পা দুটো নিজের মুখের উপর তুলে নিয়ে ওর চটির তলায় চুম্বন করতে করতে বলি থ্যাঙ্ক ইউ বোন । তোকে আমি খুব ভালবাসি । আমি ওর পা টিপতে টিপতে আসতে আসতে চুমু খেতে থাকি ওর চটির তলায় ।
– আমিও তোকে খুব ভালবাসি দাদা , বোন বলে , আমার মুখের উপর ওর লাল চটির তলা ঘষতে ঘষতে ।
– আমি মন দিয়ে বোনের পা টিপতে টিপতে ওর চটি পরা পায়ের আদর খেতে থাকি ,আর চুমু খেতে থাকি ওর চটির তলায় । মাঝে মাঝে জিভ বার করে আসতে আসতে চাটতে থাকি ওর চটির তলা । জবাবে বোন আমার মুখে আলতো করে একটা লাথি মেরে আমার দিকে তাকিয়ে মিটিমিটি হাসতে থাকে ।
– হঠাত দেখি আমার ঘরের দরজা ঠেলে বাবা ঘরে ঢোকে । আমি তখন নিজের ঘরে খাটে বসা বোনের পায়ের তলায় শুয়ে বোনের চটির তলায় চুমু খেতে খেতে ওর পা টিপে দিচ্ছি ।
– আমাদের এই অবস্থায় দেখে বাবার চোখ কপালে উঠে যায় ।
– এসব কি করছিস তোরা ? বাবা একটু সামলে নিয়ে প্রশ্ন করে ।
– কিছু না বাবা , এএ… আমার ঠোঁট জোড়া বোন চটি পরা ডান পা দিয়ে চেপে ধরায় আমার উত্তর আটকে যায় । বাবার সামনেই বোন আমার ঠোঁট দুটো চটি পরা ডান পা দিয়ে ঘষতে থাকে । আমার ঠোঁট দুটো বোন চটি পরা পা দিয়ে একবার বাঁদিকে , একবার ডানদিকে ঘষতে থাকে । এক তীব্র আনন্দ আমার সাড়া শরীরে যেন ঝঙ্কার তুলতে থাকে । বাবার সামনেই আমার ছোট বোন আমার কপাল আর ঠোঁট চটি পরা পা দিয়ে ঘষতে থাকে । বাবা যেন কথা বলার শক্তি হারিয়ে ফেলেছে । চুপ করে এক দৃষ্টিতে দেখতে থাকে আমাদের ।
– কিছু না বাবা , দাদার মুখে পা রেখে একটু আশীর্বাদ করছি দাদাকে । এভাবে রোজ আমার আশীর্বাদ পেলে দেখবে ও খুব ভাল রেসাল্ট করবে ।
– তুই তো রাজুর থেকে ছোট , তোর আশীর্বাদে ওর কি করে এত ভাল হবে ? বাবা প্রশ্ন করে ।
– আমি ছোট তো কি হয়েছে ? মেয়ে তো । খারাপ ছেলেরা মেয়েদের পায়ের আশীর্বাদ পেলে খুব ভাল হয়ে যায় । দেখছ না দাদা আজ কি সুন্দর পড়াশোনা করছে ? বোন ভুরু নাচিয়ে বলে বাবাকে , ওর ডান চটির তলা আমার ঠোঁট দুটোকে নিয়ে খেলা চালিয়ে যায় । আমিও বোনের পা টিপতে টিপতে ওর চটির তলায় আসতে আসতে চুমু খেতে থাকি আমাদের বাবার সামনেই ।
– তাই তো দেখছি । কি জানি , কি যে হচ্ছে, আমার মাথায় কিছু ঢুকছে না । বাবা হতাশ গলায় বলে ।
– তুমি ছেলেকে ইঞ্জিনিয়ার বানাতে চাওনা ? দেখবে , আমার সেবা করে কিরকম ও ইঞ্জিনিয়ারিঙে চান্স পেয়ে যাবে ।
– তাহলে তো খুবই ভাল হয় । কিন্তু রাজুর পড়াশোনার যা অবস্থা ! ও কি পারবে ?
– তুমি শুধু দেখে যাও বাবা । না পেলে আমাকে বল । এখন থেকে ওর সাথে আমার আশীর্বাদ থাকবে । ও এখন সব পারবে ।
– এই বলে বোন আমার মুখে আলতো করে একটা লাথি মারল চটি পরা পা দিয়ে ,
– কি রে গাধা , পারবি না?
– আমি আমার বোন রিয়ার চটি পরা পায়ের তলায় চুমু খেয়ে উত্তর দিলাম,
– তোমার আশীর্বাদ সাথে থাকলে আমি সব পারব প্রভু ।
– যা , একটা বাটি আর জল নিয়ে এসে আমার পা ধুয়ে জল খা এখন । মা কেও ডেকে আন , মাও দেখুক কি করে তার ছেলের উন্নতি হচ্ছে । বোন মুখে হাসি ঝুলিয়ে বলে ।
– যো হুকুম মালকিন , বলে আমি বোনের অন্য চটির তলায় একটা চুমু খেয়ে উঠে পড়ি বোনের পা ধুয়ে জল খাওয়ার জন্য বাটি আর জল আনতে । আমার বুকের মধ্যে তখন যেন কেউ হাজারটা ঢাক পেটাচ্ছে একসাথে ! উফফ, কি যে আনন্দ হচ্ছে আমার !!
– আমি বাটি আর জল নিয়ে মাকে ডাকতে গেলাম ।
– মা, একটু আমার ঘরে এস প্লিজ ।
– কেন ? মা রান্না করতে করতে আমার দিকে না তাকিয়েই প্রশ্ন করল ।
– আমি বোনের পা ধুয়ে জল খাব । বাবা মায়ের সামনে ছোট বোনের পা ধুয়ে জল খেলে ছেলেদের পড়াশোনার উন্নতি হয় ,তাই । আমি বললাম ।
– মা আমার দিকে ফিরে জবাব দিল , আজ সকাল থেকে তুই কি শুরু করেছিস বলতো? পাগল হয়ে গেলি নাকি তুই ?
– মা , তুমি তো দেখছ বোনের সেবা করে আজ সকাল থেকে কি সুন্দর টানা পড়ে যাচ্ছি আমি । পড়া খুব ভাল মনে থাকছে বোনের সেবা করে । ছোট বোনের সেবা করলে সত্যি খারাপ ছেলেদের উন্নতি হয় মা । রোজ এভাবে বোনের সেবা করতে পেলে আমি ঠিক ইঞ্জিনিয়ারিঙে চান্স পেয়ে যাব , তুমি দেখে নিও ।
– ঠিক আছে , বোনের সেবা করলে যদি তোর উন্নতি হয় তাহলে তাই কর । চল । এই বলে মা আমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিল একবার ।
– আমি মাকে নিয়ে আমার ঘরে ঢুকলাম । বোন এখন একটা চেয়ার টেনে টেবিলের পাশে বসেছে । বাবা বসে আছে খাটে । মাও গিয়ে বাবার পাশে বসল । আমি গিয়ে আমার ছোট বোন রিয়ার পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসলাম ।
– বোন চটি পরা পা দুটো আমার মুখের উপর তুলে দিয়ে চটির তলা দুটো আমার সারামুখে ঘষতে ঘষতে বলল ,
– বাটিটা আমার পায়ের কাছে রেখে জল দিয়ে আমার পা দুটো ধুয়ে দে । আমি বাটিটা বোনের পায়ের কাছে রাখলাম । তারপর বোনের পা দুটো দুহাত দিয়ে ধরে সযত্নে ওর চটি দুটো খুলে রাখলাম । এরপর আসতে আসতে ভক্তিভরে ছোট বোনের পা ধুয়ে দিতে লাগলাম বাটিতে থাকা জল দিয়ে । পা ধুয়ে দিয়ে গামছা দিয়ে সযত্নে ওর পা মুছিয়ে দিলাম । তারপর ওর পায়ে মুখ দিয়ে চটি পরিয়ে দিলাম ।
– বোন হাসিমুখে বলল , এবার আমার পা ধোয়া জলটা খেয়ে নে । এখন থেকে রোজ তুই আমার পা ধুয়ে জল খাবি । এতে তোর উন্নতি হবে । এই বলে বোন ওর চটি পরা পাদুটো আমার কাধে তুলে দিল ।
– আমি বাবা মার দিকে তাকালাম । ওরা গভীর মনোযোগ দিয়ে আমাদের কান্ড দেখছে । কতজন ছেলের সৌভাগ্য হয় বাবা মার সামনে ছোট বোনের পা ধুয়ে জল খাওয়ার ? ভাবতেই প্রবল আনন্দে আমার মনটা ভরে উঠল ।
– কি হল , দেরী করছিস কেন ? ছোট বোনের পা ধোয়া জল খেতে লজ্জা করছে নাকি তোর ? বোন ওর চটি পরা ডান পা দিয়ে আমার নাক আর ঠোটের উপর একটা লাথি মেরে জিজ্ঞাসা করল ।
– না প্রভু , তোমার পা ধোয়া জল খাব , এ তো আমার চরম সৌভাগ্য। আমি বোনের চটির তলায় চুমু খেয়ে বললাম ।
– বোন আবার ওর ডান পাটা আমার বাঁ কাঁধে তুলে দিল । আর আমি ওর পা ধোয়া জলটা মুখের সামনে তুলে এক চুমুকে পুরোটা খেয়ে নিলাম । মনে হল এত সুস্বাদু পানীয় আমি জীবনে কখন খাইনি ।
– আমি বাটিটা নিচে নামিয়ে রাখলাম । বোন চটি পরা পা দিয়ে আমার কাধ দুটো ঝাকাতে ঝাকাতে বলল , গুড বয় । এবার আবার আমার পায়ের তলায় শুয়ে পরতো ভাল ছেলের মত ।
– আমি তাই করলাম । আমার ছোট বোন , আমার প্রভুর পায়ের তলায় শুয়ে পড়লাম বাবা মার সামনেই । বোন ওর লাল চটি পরা পা দুটো আমার মুখের উপর রেখে বলল , এবার জিভটা বার করে দে তো ভাল দাদার মত ।
– আমি তাই করলাম । বাবা মায়ের অবাক দৃষ্টির সামনে আমার ছোট বোন রিয়া আমার বার করে দেওয়া জিভে নিজের ডান চটির তলা নামিয়ে দিল । এটা ঘরে পরার চটি হলেও মাঝে মাঝেই এটা পরে বোন বাইরে চলে যায় । ফলে , চটির তলায় বেশ ময়লা লেগে আছে । বোন সেই ময়লা চটির তলা আমার বার করে দেওয়া জিভের উপর মুচ্ছিল । বাবা মা অবাক হয়ে দেখছিল আমাদের । আর আমি পুজোর প্রসাদের মত ভক্তি করে ছোট বোনের চটির তলার ময়লা গিলে খাচ্ছিলাম । আমার মুখজুড়ে নোংরার স্বাদ , কিন্তু প্রানে এক অদ্ভুত আনন্দ । বোন আমার জিভের উপর ওর চটির তলা একটানা ঘষে চলল । একটু পরে ডান চটির তলা নতুনের মত পরিষ্কার হয়ে গেলে বোন ওর বাঁ চটির তলাটা আমার জিভের উপর নামিয়ে দিল ।
– বাবা মায়ের সামনে আমি নিজের ৪ বছরের ছোট বোন রিয়ার চটির তলা স্বেচ্ছায় চাটতে লাগলাম ।

(অনেকদিন গল্প পোস্ট করা হয়না টাইমের অভাবে । একটা ছোট ইংরেজি ফেমডম গল্প তাই অনুবাদ করে পোস্ট করলাম । প্রথম কমেন্টে অরিজিনাল গল্প টা দিলাম ।
original english – jay.
translated by khoka. )

আমরা যখন ছোট , তখন থেকেই আমার দিদি আমার মুখটাকে ওর পা রাখার জন্যে ব্যাবহার করে । আমার দিদি আমার থেকে ২ বছরের বড় , আর খুব সুন্দরী । যেহেতু খুব ছোট থেকেই দিদি আমার মুখে পা রাখে , বাড়ির কেউ এতে কিছু মনে করে না । দিদি সবসময় আমার মুখের উপর পা রাখতে পছন্দ করে । দিদির পায়ে জুতো বা চটি পরা থাক , মোজা পরা থাক বা খালি পা থাক , দিদি সবসময় ওর পা রাখে আমার মুখের ঊপর , সবার সামনেই ।

দিদি বাইরে থেকে ফিরলে চেয়ারে বসে আমাকে

ডাকে , আমি দিদিকে এক গ্লাস জুস দিই , টিভি খুলে রিমোট টা দিদির হাতে দিই । তারপর নিজের মাথা দিদির জুতো পরা পায়ে ঠেকিয়ে দিদিকে প্রনাম করি । দিদি তখন সবার সামনে আমার মাথার উপর জুতো পরা পা রেখে আমাকে আশীর্বাদ করে । এটা আমার খুব ভাল লাগে । আমি দিদির জুতোর উপর চুম্বন করে দিদিকে ধন্যবাদ দিই , তারপর শুয়ে পরি দিদির জুতো পরা পায়ের তলায় । দিদি ওর জুতো পরা পা দুটো রাখে ঠিক আমার মুখের উপর । আমার মুখটা জুতোর তলা দিয়ে ঘষতে ঘষতে টিভি দেখতে থাকে । আমি দিদির জুতোর তলায় চুম্বন করতে করতে দিদির পা দুটো টিপতে থাকি । শুধু সবার সামনে কোনদিন দিদির  জুতোর তলা জিভ দিয়ে চেটে পরিষ্কার করিনি । ওটা করি যখন শুধু আমরা দুজন থাকি । তবে আমার ইচ্ছা করে খুব সবার সামনে দিদির জুতোর তলা জিভ দিয়ে চেটে পরিষ্কার করে দিতে । আমার কেন যে দিদির সেবা করতে এত ভাল লাগে আমি জানিনা । আমার বয়েস এখন ১৫ , দিদির ১৭ ।
গত ১০ বছর ধরে আমি এভাবেই দিদির সেবা করে আসছি ।

 সকাল হলেই আমি দিদির জন্যে টিফিন বানিয়ে দিদির পায়ে চুমু খেয়ে দিদির ঘুম ভাঙ্গাই । তারপর দিদি ফ্রেশ হয়ে এসে আমার মুখে চটি পরা পা দুটো রেখে তিফিন খায় আর আমি ওর পা টিপতে থাকি । এরপর আমি দিদির জামা কাচি , জুতো পরিষ্কার করি । ঘর ঝাঁট দিয়ে দিই । তারপর বই খাতা নিয়ে দিদির পায়ে কাছে পড়তে বসি । দিদি চেয়ারে বসে পড়ে । আমি ওর পায়ের কাছে বসে পড়তে পড়তে ওর পা টিপে দিই । আমার নিজেকে দিদির চাকর ভাবতে খুব ভাল লাগে । আশা করি , সারাজীবন এভাবেই দিদির সেবা করতে পারব আমি ।

Amar tokhon sobe class 12 er porikha sesh hoyeche. Tai ami free. Amar dadur barir samne, amar arek mamar bari chilo. Sekhane thakto mama, mami aar tader ek meye. Bon er boyesh oi amar thek ek bochorer choto. Oi 16-17 bochor hobe.
Ami aar saraswati di ekdin bikel belay oi mamar bari jai. Kintu barite keu chilo na..mama office gechilo aar mami gaan sekhate gechilo. Ghore chilo sudhu pampa,,,maane amar bon i.e mamar meye.
Sondha hoye gelo.
Ami bichanay boshe chilam. Pampa bichanay sue chilo aar saraswati di pashe chair e boshe chilo. Amra golpo korchilam. Pampa amar kole pa rekhe sotang sue chilo. Ami bon er pa dhore boshe chilam.
Meyeder payer proti amar barabari ektu weekness ache. Tai sujog pelei pampar pa dhortam, emon ki sujog pele chattam o.
Bon bollo, dada ektu joler bottle ta niye ashbi.
Ami joler bottle ante uthlam. Ami uthtei, hotath electricity chole jai..aar sob andhokar hoye jai. Ami khub jore chair er konay dhakka khai. Aar laglo to laglo thik amar bichi te.
Ami bethay chot pot korte korte mati te boshe pori.
Saraswati – Ki holo re bisu…pore geli naki
Pampa – Ki holo dada…dara torch light ta dekhi.
Pampa torch light niye eshe dekhe ami matite boshe achi. Chokhe jol eshe geche bethay.
Pampa – Ki hoyeche bol na dada
Ami lojja e chup kore roilam
Saraswati – Ki hoyeche bolbi to naki?
Bisu – Saraswati di, (ashte ashte bollam)amar nunu bichite khub legeche
Saraswati – Ki bolish re..chol dekhi..kichu holo naki
Pampa – Ki hoyeche go saraswati di…dada ki bollo?
Bisu – Pls saraswati di tumi pampa ke kichu bolo na
Saraswati – Er modhe na bolar ki ache…bon ke bolte ki lojja kore naki?
Bisu – Ki je bolo tumi…to lojja korbe na.
Pampa – Emon ki hoyeche dadar je amake bolte lojja korche?
Saraswati – Kichu na pampa, jehetu o or nunute chot peyeche..sei jonne kichu bolte chaiche na
Pampa – Oh dada tui na aar ki bolbo
Saraswati di aar pampa amar kono moto dhore bichanay soyalo.
Saraswati – Ne bisu..ebar ektu pant ta khol…dekhi beshi kichu holo na to
Bisu – Na na..ami pampar samne khulbo na
Saraswati – Ei bisu..son tui aar pampa sudhu ek bochorer choto boro. O to toke anekbar langto dekheche. O to aajke abar lojja hoyar nakamo marchis keno?
Bisu – Seto chotobelai..ami ki boro hoye or samne langto hoyechi naki?
Pampa – Ne dada beshi lojja tojja koris na. Ami to tor bon. Kichu bochor ageo to jokhon tor haather operation hoyechilo, takhon mone ache ma toke snan koriye dito. Takhan to amar samneo langto thaktis. Aar tokhon tui tokhom choto o chili na. Tokhon tui class nine e portish, tai na.
Bisu – Hain kintu…
Pampa – Kono kintu noy…tin bochor aage amar samne langto hote perecho..aar aajke lojja? Keno tor to aar kono physical change hoyni. Tokhon ja chilo tai to ache..Tor joto nakamo.
Ami chup kore roilam. Saraswati di ashte ashte amar pant ta khule dilo.
Ami langto hoye shuye roilam. Saraswati di amar nunu aar bichi dhore dekhte laglo. Tarpor pampa o amar nunu bichi dekhte laglo.
Thik sei somoy ami kader golar awaz pelam. Ami taratari pant ta tule nilam.
Saraswati – Oi dekho..ei chelete kemon jeno. Thik moto dekhteo dilo na.
Tarpor dekhi Mami aar pasher barir ek boudi eseche. Boudi peshaey doctor…gynaecologist. Mami ashtei, pampa mami ke sob bollo.
Pampa – Dekho na ma…dada khub jor chot peyeche nijer bichite, kintu amader ke thik moto dekhte diche na. Kichu holo kina bujhte parchi na. Or naki lojja korche. Ki kori bolo to
Mami – Ki re bisu..ki holo…dekhi kothay legeche?
Bisu – Na na thik achi
Mami – Thik achi maane…Mami ke o dekhabi na..Amar kacheo lojja naki?
Mami r boyesh around 40.
Mami – Acha thik ache…ei boudi ke to dekha. Tor kono chinta neyi. Ei boudi doctor. Doctor ke to aar na kora jay na
Bisu – Hoon!
Oi doctor boudir boyesh hobe around 27-28. Boudir naam chilo Dr. Ipsita Chakraborty (Gynaecologist).
Amar tokhon o betha korche
Ipsita – Nao dekhi bisu..pant ta kholo..ektu dekhi
Ami kichui korlam na
Saraswati – Ki re bisu..khol
Saraswati jor kore amar pant ta namiye dilo. Ami abar puro langto hoye sobar samne shuye roila.
Dr. Ipsita amar bichita dekhte arambho korlo.
Dr. Ipsita – Pampa ektu dadar nunu ta dhoro to. Ami thik bhabe dekhte parchi na
Pampa taratari amar nunu ta haathe dhore rakhlo. Dr. Ipsita amar bichita ashte ashte tipte arombho korlo.
Dr. Ipsita – Ami alpo alpo kore tipchi. Bisu tumi bolbe tomar kotha beshi betha lagche.
Ami khali bhabchi..je pampa amar nunu dhore boshe ache kintu mami r taate kono bhrukhep i neyi.
Dr. Ipsita, tarpor amar mami ke bollo – Didi tumi ektu dekho..ekhane ekta lobe moto mone hoche. Ektu dhore dekho.
Mami tokhon amar bichita dhore oi jaigay tipe tipe dekhlo.
Mami – Thik bolecho ipsita..ekta kemon jeno lobe mone hoche
Tarpor dekhi saraswati di o amar bichi tipe dekhlo.
Pampa – Saraswat di..tumi dadar nunu ta ektu dhoro. Ami dekhi ki hoyeche
Saraswati amar nunu ta dhorlo. Aar pampa o amar bichi tipe sei lobe ta dekhlo.
Dr. Ipsita – Amar mone ok ekta testicular ultrasound korate hobe.
Mami – Thik ache..
Tarpor doctor prescription likhe chole gelo.
Pampa – Ma..eta abar ki dhoroner test
Mami – Dadar bichite ultrasound kore dekhbe je oi lobe ta ki
Pampa – Acha…
Bisu – Mami …amar khub lojja korche. Tomra sobai amar sob dekhe nile..emon ki pampa o
Mami – O amar lajuk chele re. Tui koto aar boro. Sobe to 18 bochor hoyeche. Aar mami r samne lojja korchis. Tin bochor ageo to mamir kache snan kortis. Mamir samne langto thaktis.
Bisu – Na tomar kotha bolchi na..
Mami – O bujhte perechi, tui pampa aar saraswatir kotha bolchis
Bisu – Hain
Mami – Ore boka..amra sobai to ghorer i lok. Tachara Saraswati to anek bochor dhore kaaj korche. Oo to toke kotobar langto dekheche..emon ki snan o koriyeche..to ki mone neyi? Pampa tor bon hoy…o to aar parar kono meye noi. Er ageo to pampar samne langto thaktis..o shob niye oto bhabis na.

Porer din sakale amar testicular ultrasound korte jaoar kotha. Kintu Mami saathe jete parbe na kenona mamir kichu kaaj ache. Tai mami pampa ke amar saathe jete bollo.
Pampa – Ma, Ami eka dada bhaiyer songe jabo na. Marina di ke niye jayi.
Mami – Acha thik ache niye ja. Dujon thakle suvidha asubidhay bhalo hobe.
Jai hok amra tin jon clinic er uddeshe roauna dilam.
Clinic e pouche pampa, Dr. Ipsitar lekha prescription ta reception e joma dilo.
Receptionist – Testicular ultrasound?
Pampa – Hain.
Receptionist – (Amake deke bollo), tomar nicher chul sob porishkar ache to?
Bisu – Na….ami to eshob jani na
Receptionist – Thik ache kono problem nei. Apni oi dan diker ghore chole jaan. Ami lok pathiye dichi, apnar okhane shave korte hobe
Ei shune ami, pampa aar marina di oi ghorer dike gelam. Pampa aar marina di baireyi boshlo aar ami ghorer bhetore. Kichukhon por dekhi ekjon boyoshko mahile elen. Pechone arek jon mahila elen.
Dekhe bujhlam dujonei ayah. Borojoner naam Sima aar choto joner naam barnali.
Sima di boyesh hobe around 45. Aar barnali hobe 35 moton.
Sima – Na bacha. Tumi ebar jama pant chere ei table e eshe shuye poro
Bisu – Jama pant sob charte hobe?
Sima – O re bacha…tomar nunur okhaner chul gulo shave korte hobe to. Seta to aar pant pore hobe na
Barnali – Nao bhai..taratari koro…amader kache lojjar kichu nei. Amra roj I patient der eshob kore thaki.. Tachara tumi ekta choto chele.
Ami ashte ashte sob jama pant khule ek jaigay rekhe dilam. Tarpor giye table shuye porlam.
Sima – Tomar saathe keu eseche.?
Bisu – Hain amar choto bon aar amar ek didi eseche
Sima – Nao barnali …taratari tumi cream ta or okhane lagiye dao
Barnali di omni amake cream lagate shuru korlo. Bina kono didhay amar nunu, bichi sob jaigay cream lagalo. Amar jeno kirokom laagche, jokhon barnali di amar nunu tene tene cream lagachilo. Tarpor dekhlam Sima aunty ekta rajor niye elo, amar chul gulo shave korbe bole.
Bisu – Ki aunty…rajor diye….
Sima – Kichu hobe na re babu..amra roj i kore thaki. Barnali…cheler nunu ta ektu dhoro to…ami or bichi ta aage porishkar kore di
Barnali di amar nunu ta tene dhore rakhlo,,aar Sima aunty amake ashte ashte shave kore dilo.
Shaving hoye jaoar por, barnali di amake porishkar korte laglo.
Thik sei somoy dekhi sheyi receptionist ta (Sunita) ghore dhuke elo. Ami tokhon puro langto. Ami songe amar sob haath diye dheke dilam.
Barnali – Ki holo ki haath ta sorao…ami porishkar korbo kemon kore
Bisu – Na uni chole jak tarpor e
Sunita – Ei tuku chele, abar lojja. Sono bhai…amra medical line er lok. Amra roj erokom koto patient kei langto dekhi ba dekhte hoy. Amader kache lojjar kichu neyi.
Barnali – Nao hath sorao
Ami haath soriye nilam. Deklam Sunita di (boyesh around 24-25) amar okhane ekbar takalo. Kintu kono reaction dilo na
Sunita – Ki go Sima di…aar kotokhon lagbe. Doctor wait korche
Sima – Eito hoye geche….ekhuni jache
Ami tarpor abar jama pant pore ghor theke beriye elam.
Receptionist – Ki sob ready to..
Bisu – Hain..
Receptionist – Tahole cholo lab e jai ebar. Acha tomra Jodi chao, patient er saathe bhetore jete paro. Kintu nijer slippers baire khule jete hobe.
Pampa – Thik ache ma’am.
Amra tin jon ultrasound lab e dhuklam. Lab e dhuke deklam abar dujon mahila. Bujhte parlam na kije hoche amar saathe.
Prothom mahila agiye eshe amake bollo – Hello…Ami Dr. Abha Sengupta (Technical Assistant). Tarpor arekjon mahila ke dekhiye bollo – Uni hochen Dr. Shobha Banerjee (Sonologist). Uni apnar test ta korben. Aar ami computer e thakbo.
Dr. Abha – Apni ek kaaj korun. Apni oi pordar odike giye, dress ta change kore nin. Ei Jama pant chere, okhane ekta gown jholano ache, ota pore ashun.
Ami giye tai korlam. Tarpor abar Dr. Abha r samne elam.
Dr. Abha – Thik ache apni shuye porun. Amake kichu check korte hobe before testing.
(Dr. Abha hobe around 25-26 bochor boyesh. Aar Dr. Shobha hobe around 40)
Ami jathariti testing table e shuye porlam.
Tarpor Doctor amar gown ta khule dilen. Ami puro udum langto hoye charjon mahila r samne shuye roilam. Okhane chilo Pampa, dujon mahila doctor aar Marina di. Marina di ei prothom amake puro langto dekhlo. Bujhte parlam muchke muchke hashche. Kintu pampa r mukhe kono kichu. Bon puro normal.
Dr. Abha nijer haath diye amar nunu, tarpor amar bichi bhalo kore tipe tipe dekhlo. Amar tokhon ja obostha. Lojja aar tension, nunu to puro shuye ache.
Dr. Shobha – Dr. Abha..tumi computer e jao. Amakeo ektu check korte dao.
Dr. Shobha o amar sob check korlen thik Dr. Abha r moton. Tarpor bollen —-
Dr. Shobha – Kintu ei je bhai..test er jonno tomake tomar nunu ta ke erect korate hobe..
Bisu – Maane doctor…ami ki kore korbo
Dr. Shobha – Ami bujhte parchi..kintu eta proyojon..nayile test kora jabe na
Tarpor Dr. Shobha amar bon pampa ke deke oi eki kotha bollen, je amar erection na ele test kora jabe na.
Pampa – Ei Marina di…eta abar ki bipod…dada r abar nunu erection ki kore hobe?
Marina di – Kora jai, kintu tar jonne toke Bisur nunu ta dhorte hobe.
Pampa – Maane…dhorlei ki erect hoye jabe naki?
Marina di – Na..re baba…orokom noy…toke ki kore je bojhai pampa
Pampa – Thik ache..tumi jokhon jano…tumi koro na
Marina di – Ami….na na…
Dr. Shobha – Nin apnara taratari korun…
Marina di ektu hesitate korei amar kache eshe, amar nunu ta nijer haathe dhore nilo. Tarpor ashte ashte stroke dite laglo. Pampa dekhi khub mon diye sob dekhche. Ami to lojja te nijer much dheke rakhlam.
Ashte ashte dekhi Marina di stroke jore jore dite laglo. Amar tokhon nunu khara hote shuru koreche.
Pampa – Bah! Marina di. Eto byapak jinish. Tumi koto sahaj bhabe dadar nunku ta erect kore dicho.
Dr. Shobha – Dekhben onar jeno birjopath na hoy.
Amar nunu tokhon puro erect hoye geche.
Dr. Shobha – (Marina di ke bollo) – Ebar apni chere din.
Ei bole Dr. Shobha amar penis ta dhore rakhlen aar stroke ashte ashte continue rakhlen, jate amar erection loose n ahoy. Aar arek haath diye ekta machine amar bichite bolate thaklen.
Kichukhoner modheyi test over hoye gelo.
Amra tin jon i bari phire elam.
Barite tokhon Mami chilo na. Sudhu saraswati di kaaj korchilo. Pampa Marina di r saathe niche theke gelo, aar ami opore uthe elam. Eshe chup kore boshe roilam.
Saraswati – Ki re bisu..ki hoyeche..chup kore boshe achis keno?
Bisu – Na kichu na…
Tarpor saraswati di dekhlo je ami amar nunu te haath bolachi, pant er opor theke.
Saraswati – E ki korchis..okhane haath diye achis keno.
Bisu – Na emni, kichu na
Saraswati – Haath sora dekhi…….
Ei bole saraswati amar hath soriye dilo aar amar nunu ta pant er opor theke dhore nilo
Saraswati – E ki re…tor nunu to puro khara hoye ache…
Bisu – Ki korbo didi bolo…sokal theke ja sob hoche amar saathe….ami aar parchi na. Tarpor Marina di amake lab e stroke diyeche…kintu amake release korte deyni.
Saraswati – Bujhte parlam.
Ei bole saraswati di niche chole gelo. Kichukhon por dekhi saraswati dir saathe Marina di aar Pampa opore elo.
Marina di – Ki re bisu…tokhon puro hoyni bole,,asubidhe hoche?
Ami kichu bolte parlam na.
Thik sei muhurte…niche theke Rekha uthe elo. Rekha hoche Marina di der kaajer meye. Oi boyesh hobe 12-13.
Esheyi amar payer opor dariye porlo. Choto to tai ektu chotpote chilo. Kichukhon por kemon jeno athke uthe neme porlo.
Saraswati – Ki holo re rekha…eto bhoy peli keno?
Rekha – Na ami jokhon dadar paye dariye chilam, tokhon amar paye ki jeno ekta sokto moto laglo..kemon gorom gorom.
Saraswati – Chol rekha tui o aajke dekhbi je ota ki chilo
Bisu – Ei saraswati di..ki bolcho ki…o ekta bacha.
Rekha – Na na dada bhai. Ami dekhbo
Ami matha dhore boshe porlam.
Saraswati – Ne Pampa…dadar pant ta khol
Bisu – Na na..eki …
Saraswati – Acha bisu..tui ekta kotha bol..ekhane emon keu ache..jader samne tui aage langto hoshni..tahole natok korchis keno.
Bisu – Kintu rekha..
Saraswati – Rekha ekta bacha meye…O Jodi kichu serokom jigesh kore…ami samle nebo.
Rekha – Emma…dadar pant khulle to dada puro langto hoye jabe….chi chi hi hi
Saraswati – Dekh na rekha..toke ekta notun jinish dekhabo….Pampa ne khol dadar pant ta
Pampa jhot pot eshe amar pant ta khule dilo. Khuleyi sobai obak. Amar nunu ta puro khara hoye dariye ache.
Pampa – Eki re dada …tor nunu ta erokom shakto hoye ache keno? Sheyi lab er moton. Tokhon to Marina di ota dhore chilo…tai bujhte parlam.. Ekhon keno erokom hoye ache?
Saraswati – Tui oto bujhbi na pampa….tui aar rekha sudhu dekhte thak.
Rekha hotath eshe amar nunu ta pa diye tipte laglo. Kintu bar bar nunu sotang hoye dariye porchilo.
Saraswati – Ne bisu..ekbar amar pa ta ektu chaat to
Ami saraswati dir pa chatte laglam.
Rekha – Dada bhai amar pa ta o ektu chato na.
Ami abar rekha r pa chatlam…
Saraswati – Ne ebar pampa r pa chat…..
Pampa omni nijer pa ta amar mukher samne rekhe dilo. Ami pran bhore boner pa chatlam. Ei bhabe Marina di r pa o chete nilam.
Saraswati – Nao marina di…ebar oke release kore dao
Marina di – Hoon! O aar parche na. bujhte perechi
Aeyi bole Marina di amar nunu ta dhore nilo. Aaar jore jore stroke dite laglo.
Marina di – Pampa tor pa ta bisur bichite dhore rakh
Pampa nijer pa ta amar bichir opore rakhlo.
Rekha – Ami ektu dhorbo..dada bhaiyer nunu ta
Aeyi bole rekha o amar nunu dhore narrate laglo.
Bisu – Marina di tumi koro na pls…ami chokh bondo kore bollam.
Marina di abar amake stroke dite laglo. Kichukhon por amar birjopath hoye gelo. Sob maal pampa r payer opor porlo.
Pampa – E ki holo….eshob ki
Marina di – Eta hoche cheleder maal.
Rekha – Ki moja….dada bhai hishu koreche….
Saraswati – Hain..rekha thik tai..tui ebar ja…..niche giye kaaj kor
Tarpor ami bathroom giye snan e dhuklam.
E je ki anubhuti ta aar bojhano jabe na. Sudhu du dine koto gulo meye aar mahila amar nunu dekhlo. Saraswati, Pampa, Mami, Dr. Ipsita, Sunita (Receptionist), Barnali, Sima, Dr. Abha, Dr. Sobha, Rekha.

শীতের সকাল । আমি ছাদে মাদুর পেতে বসে রোদ পোয়াচ্ছি । হঠাত গালে একজোড়া ঠাণ্ডা কনকনে হাতের স্পর্শ পেলাম । সঙ্গে বোনের খুকখুক হাসি । তাকিয়ে দেখি সদ্য স্নান সেরে বোন আমার পিছনে এসে দাড়িয়েছে । ঠান্ডা জলে স্নান করে ওর হাতদুটো কনকনে ঠান্ডা হয়ে গেছে । সেই ঠান্ডা হাতদুটো আমার গালে ঠেকিয়ে আমার ক্লাস ৮এ পড়া বোন বলল ,
– দ্যাখ দাদা , স্নান করে হাতদুটো কি ঠান্ডা হয়ে গেছে । তোর গালে ঘষে একটু গরম করে নি । এই বলে ও আমার গালে ওর হাতদুটো ঘষে গরম করতে লাগ্ল ।
– কয়েকদিন ধরে কেন জানিনা , বোনের কাছ থেকে কষ্ট পেতে খুব ভাল লাগছে আমার । আমি চুপচাপ বোনকে আমার গালে হাত ঘষে গরম করতে দিলাম । এতে বোনের আরাম হচ্ছে , আর আমার কষ্ট , এই অনুভুতিটা খুব ভাল লাগতে লাগল আমার ।
– হাত গরম করা হয়ে গেলে বোন আমার গাল টিপে দিয়ে বলল,
– এই তো , এই জন্যেই তোকে আমি এত্ত ভালবাসি । তোর মোবাইলটা দে এবার ।
– আমি মোবাইলে চ্যাট করছিলাম , অফ করে মোবাইলটা বোনের হাতে তুলে দিলাম ।
– বোন ছাদের কোন থেকে একটা চেয়ার টেনে এনে বসল আমার ঠিক সামনে । চটি খুলে পা দুটো তুলে দিল আমার কোলে । আমার হাতে একটা পা ঘষে বলল,
– দ্যাখ দাদা, পা দুটোও হাতের মত ঠান্ডা হয়ে গেছে ।
– আমি বললাম , দে আমি ঘষে তোর পা গরম করে দিচ্ছি । তুই গেম খেল ।
– এই বলে আমি বোনের পা দুটো হাত দিয়ে আসতে আসতে ঘষতে লাগলাম । বোন ডান পাটা তুলে আমার নাকটা পায়ের বুড়ো আঙ্গুল আর তার পাশের আঙ্গুলের মাঝে চেপে ধরে আমার মাথাটা এপাশ থেকে ওপাশে নাড়িয়ে বলল ,
– – ওয়াহ, বেশ আরাম লাগছে । তুই আমার পা টেপ , আমি তোর মোবাইলে একটু গেম খেলি ।
– আমি আমার ৪ বছরের ছোট ক্লাস ৮ এ পড়া ফর্শা , সুন্দরী বোনের পা দুটো আসতে আসতে টিপতে লাগলাম ওর পায়ের কাছে বসে । আর আমার বোন আমার কোলের ওপর ওর পা দুটো রেখে আমার মোবাইলে গেম খেলতে খেলতে আমার সেবা নিতে লাগল । উল্টোদিকের ফ্ল্যাটের ছাদ থেকে বোনের বয়সী একটা মেয়ে চোখ বড় বড় করে আমাদের দেখতে লাগল ।
– বেশ কিছুক্ষণ বোনের ডান পাটা টেপার পর বোন ওর বাঁ পাটা আমার হাতে তুলে দিয়ে বলল ,
– -এবার এই পা টা টেপ । তার আগে আমার পায়ে মোজা দুটো পরিয়ে দে তো । খুব ঠান্ডা লাগছে নাহলে ।
এই বলে বোন ওর পকেট থেকে দুটো নীল মজা বার করে আমার হাতে দিল। মোজা দুটো বোন সারাদিন ঘরে পরে থাকে , রবারের চটির সাথে । তাই মোজা দুটোয় ওর পা আর চটির সেন্ট মিশে অদ্ভুত এক গন্ধ তৈরি করেছে ।
-আমার মোজাটায় খুব গন্ধ হয়েছে , না রে দাদা ? বোন গেম খেলতে খেলতে জিজ্ঞাসা করল ।
আমি মাথা নেড়ে বললাম ,
– না তো বোন ।
– ও নিজের দুটো মোজা পরা পাই আমার মুখের উপর তুলে দিল জবাবে ।
– এবার দেখ , এখন বলবি গন্ধ নেই ?
– খোলা ছাদে বোন ওর পা দুটো আমার মুখের উপরে তুলে দিয়েছে ! আমি জোরে নিশ্বাস নিলাম বোনের মোজা পরা পায়ের ভিতর দিয়ে । ওর মোজা থেকে ওর পায়ের গন্ধ এসে আমার বুক ভরিয়ে দিল । এ যেন পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ গন্ধ , মনে হল আমার ।
– বেশ সুন্দর গন্ধ রে বোন , আমি প্রানভরে বোনের মোজার গন্ধ বুকে নিতে নিতে বললাম।
– হা হা , তুই একটা পাগল দাদা । নাহলে বোনের মোজা পরা পায়ের গন্ধ কারো ভাল লাগে ? এই বলে বোন ওর নীল মোজা পরা ডান পাটা আমার কাধে তুলে দিল । আর বাঁ পাটা আবার আমার কোলে নামিয়ে দিল । আমার পদসেবা নেওয়ার জন্যে ।
উল্টোদিকের ফ্ল্যাটের ছাদে দাঁড়িয়ে থাকা মেয়েটার দিকে তাকিয়ে দেখি ওর মুখ হাঁ হয়ে গেছে আমাদের কান্ড দেখে । বোন এমনভাবে ওর মোজা পরা ডান পা আমার কাধে রেখে গেম খেলতে লাগল যেন এটা ভীষণ স্বাভাবিক । ওর ঠোঁটের কোনে লেগে থাকা আলতো হাসি বুঝিয়ে দিচ্ছিল ও ভীষণ উপভোগ করছে এই ঘটনা ।
– আমি মাথা নিচু করে বোনের বাঁ পাটা টিপতে লাগলাম।
– তোরা কি করছিস ? হঠাত ছাদের দরজার মুখ থেকে মায়ের গলার আওয়াজে আমরা দুজনেই চমকে উঠলাম । মা কখন এসে দরজার সামনে দাড়িয়েছে কেউ লক্ষ করিনি ।
– স্নান করে পা দুটো ঠান্ডা হয়ে গেছে মা , তাই দাদাকে দিয়ে একটু পা টেপাচ্ছিলাম। বোন বলল ।
– আর অন্য পাটা দাদার কাধে রেখেছিস কেন ?
– আমার কি দোষ , দাদাই তো রাখতে বলল । বোন ঠোঁট উলটে বলল । মা অবাক চোখে আমার দিকে তাকাল ।
– বোন এখন আমার কাঁধে মোজা পরা ডান পাটা রেখে বসে আছে । মায়ের সামনে বোনের পায়ের তলায় বসে থাকতে কেন জানিনা আর বেশী ভাল লাগছিল আমার ।
– বোনের এভাবে বসতে আরাম হবে ,তাই বলেছিলাম । আমি বললাম মাকে ।
– তুই যেভাবে বসে ওর পা টিপছিস , দেখে মনে হচ্ছে ও তোর বোন না , মনিব । আর তুই ওর চাকর । তোর কিছুদিন থেকে কি হয়েছে বলতো ? বোন যা বলে তাই শুনছিস , নিজের সব জিনিস ওকে দিয়ে দিচ্ছিস । ব্যাপার টা কি তোর ?
– বা রে , ও আমার একমাত্র আদরের ছোট বোন , ওকে দেব না তো কাকে দেব ? এই বলে মায়ের সামনেই বোনের নীল মোজা পরা ডান পাটা ধরে মুখের সামনে এনে বোনের পায়ের পাতায় একটা চুমু খেলাম ।
– নাহ , তোদের সামলানো আমার কম্ম না , তোদের বাবাকে বলতে হবে । এই বলে মা হাল ছেড়ে দিয়ে ছাদে কাপড় মেলতে লাগল । মায়ের সামনেই আমি বোনের ডান পা কাধে নিয়ে ওর বাঁ পাটা টিপতে লাগলাম ।
মা কাপড় মেলে নিচে চলে গেল । আমি বোনের পা টিপে যেতে লাগলাম । প্রায় একঘন্টা পর বোন উঠে পড়ল আমার কোলের উপর থেকে পা সরিয়ে ।
-নিচে আয় দাদা , এই বলে বোন নিচে চলে গেল । আমিও আমার ‘মালকিন’ এর আদেশ পালন করে নিচে নেমে এলাম ।
নিচে নামতে বোন চোখ পাকিয়ে বলল
– যা , চান করে নিয়ে পড়তে বস ভাল ছেলের মত । আমার তখন ইচ্ছা করছিল বোনের পা টিপে ওর সেবা করতে । কিন্তু বোন আমাকে হুকুম করছে , এটাও বেশ ভাল লাগল ।
– যাচ্ছি বোন , বলে আমি চান করতে চলে গেলাম । চান করে এসে বোনকে ঘরে দেখতে পেলাম না । আমার পড়তে ইচ্ছা করছিল না , তাই টিভি খুলে বসলাম ।
– তোর সামনে h.s., আর তুই বসে বসে টিভি দেখছিস ? মা রাগ দেখিয়ে বলল ।
– একটু দেখি মা , তারপর পড়তে বসছি । আমি বললাম । যদিও আমার পড়তে বসার কোন ইচ্ছা ছিল না । আমি টিভি দেখে যেতে লাগলাম ।
– ২০ মিনিট পর বাইরে থেকে বোন ঘরে ঢুকল । মা বোনকে ঘরে ঢুকতে দেখে বলল
– – তোর দাদা তো এখন আর কার কথা শোনে না , তোর কথা ছাড়া । দেখ তো টিভি ছেড়ে ওকে পড়তে পাঠাতে পারিস কিনা ?
– এটা আবার একটা ব্যাপার হল ? এই বলে বোন আমার দিকে এগিয়ে এল । ওর মুখে আলতো হাসি । আমার পাশে এসে আমার কান ধরে আলতো মোচড় দিল বোন ,
– – এই ছেলে , তোর না সামনে h.s.? আর তুই এখন টিভি দেখছিস ? যা পড়তে বস গিয়ে । আমি টিভি দেখব এখন ।
এই বলে বোন আমার কানে বেশ জোরে একটা মোচড় দিল ।
– সরি বোন, আমি যাচ্ছি পড়তে ।
– এই বলে আমি উঠে পড়লাম । আর বোন চেয়ারটা দখল করে ওর পছন্দের চ্যানেল চালিয়ে দিল ।
মা অবাক হয়ে ব্যাপারটা হজম করার চেস্টা করতে লাগল । কি হচ্ছে বলতো তোদের মধ্যে ? তুই ৪ বছরের বড় দাদার কানমুলে ওকে পড়তে যেতে বললি , আর ও তোকে সরি বলে পড়তে চলে গেল ? আশ্চর্য তো !
বোন মুচকি হাসতে লাগল মায়ের কথা শুনে , কোন উত্তর দিল না।
আমি পাশের ঘরে পড়তে চলে গেলাম । পড়তে ভাল না লাগলেও আমার ৪ বছরের ছোট বোনের হুকুমে পড়তে বসেছি এই অনুভূতিটা খুব ভাল লাগছিল আমার ।
ঘন্টা দুয়েক পড়ার পর মা খেতে ডাকল । আমি খাওয়া হয়ে গেলে আবার ভুল করে টিভি ঘরে গিয়ে টিভি খুলে ফেললাম । মা আর বোন তখন পাশের ঘরে খাচ্ছে । মা পাশের ঘর থেকেই চেঁচিয়ে বলল ,
-তুই আবার টিভি খুলেছিস ?
– আমি বললাম , প্লিজ , একটু দেখি মা । অনেকক্ষন তো পরলাম ।
মা হতাশ হয়ে বোনকে বলল , দ্যাখ , তুই যদি কিছু করতে পারিস ।
– আমি বোনের গলা শুনতে পেলাম , চল মা , আমি দেখছি ।
– বোন এই ঘরে ঢুকে আমার দিকে এগিয়ে এল , পিছনে মা । ও এসেই ওর এঠো ডান হাত দিয়ে সজোরে আমার বাঁ গালে একটা থাপ্পর মারল । আমি ভেবাচেকা খেয়ে গালে হাত বোলাতে বোলাতে বোনের মুখের দিকে তাকালাম । ওর মুখে আলতো হাসি বুঝিয়ে দিচ্ছিল ও ব্যাপারটা খুব উপভোগ করছে ।
– তুই আবার টিভি খুলেছিস ? বোন রাগী ভাব ফোটাল গলায় ।
– সরি বোন ।
– বারবার ভুল হয় কেন? এবার শুধু সরিতে হবেনা , ক্ষমা চাইতে হবে ।
– কিভাবে বোন ? আমি জিজ্ঞাসা করি । মায়ের সামনে ছোট বোনের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে ভেবে বেশ আনন্দ হতে থাকে আমার ।
– মা আর আমার দুজনের কাছেই ক্ষমা চা । যেভাবে চাওয়া তোর ঠিক মনে হয় সেভাবে ।
– আমি প্রথমে মায়ের দিকে এগিয়ে যাই । মায়ের পায়ের কাছে হাটুগেরে বসে মাকে বলি ,
– আমি সরি মা , এরকম ভুল আর হবে না । এই বলে মায়ের পায়ে হাত দিয়ে প্রনাম করি ।
– ঠিক আছে , এরকম ভুল যেন আর না হয় । এই বলে মা আমার মাথায় হাত রেখে আশীর্বাদ করে । আমি উঠে একইভাবে বোনের কাছে ক্ষমা চাওয়ার জন্যে ওরদিকে এগিয়ে যাই । ওর পায়ের কাছে হাটুগেরে বসে হাতজোড় করে বলি ,
– আমার ভুল হয়ে গেছে বোন , আমাকে ক্ষমা করে দে ।
– এই বলে ওর পায়ে হাত দিয়ে প্রনাম করব ভাবেছিলাম , কিন্তু কেন জানিনা তার বদলে নিজের মাথাটা বোনের খালি পায়ের উপর নামিয়ে দিলাম। ওর পায়ের উপর নিজের কপালটা ঘষতে ঘষতে বারবার ওর কাছে ক্ষমা চাইতে থাকি । মা বেশ বড় বড় চোখ করে আমাদের কান্ড দেখতে থাকে ।
– একটু পরে বোন ওর খালি পা আমার মাথার উপর রেখে বলে , যা ক্ষমা করে দিলাম এবারের মত । গিয়ে পড়তে বস । আমি যা বলি সেভাবে চল , তোরই ভাল হবে দাদা ।
– আমি ওর পায়ে আলতো একটা চুমু খেয়ে বলি ,
– -সেটা আমি জানি বোন । এখন থেকে আমি তোর সব কথা শুনব । এই বলে আমি উঠে পড়তে চলে যাই । মা আর বোন খুশী মনে আবার খেতে যায় ।
– যা হল এক্ষুনি আমার কিছুতেই বিশ্বাস হচ্ছিল না । সত্যি আমি মায়ের সামনে নিজের ছোট বোনের পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করলাম ? ভাবতেই দারুন ভাল লাগছিল আমার ।
– সন্ধ্যা ৬ টায় মা টিফিন করতে ডাকল । টানা ৪ ঘন্টা পড়ে আমি উঠলাম। মন ভাল থাকলে পড়া যে সত্যি ভাল হয় সেটা আজ বুঝতে পারছিলাম। আজ ৪ ঘন্টায় আমি যা পড়েছি অন্যদিন ৪০ ঘণ্টায়ও তা পড়া হয়না আমার । বোন আমার মাথায় পা রেখে আশীর্বাদ করাতেই আমার এত উন্নতি হয়েছে , মনে মনে এটাই ভাবছিলাম , আর মন খুশিতে ভরে উঠছিল ।
– টিভির ঘরে খাটে বাবা বসে আর মেঝেতে চেয়ারে বোন । বাবা যে কখন অফিস থেকে ফিরেছে খেয়ালই করিনি আমি । মা সবার হাতে টিফিন দিল । আমি নিজে থেকেই বোনের পায়ের কাছে মেঝেতে বসে পরলাম ।
– তোকে এভাবে মন দিয়ে পড়তে দেখে খুব ভাল লাগল । এভাবে পড়লে দেখবি h.s এ খুব ভাল রেসাল্ট করবি । বাবা বলল ।
– এর ক্রেডিটটা কিন্তু তোমার মেয়ে রিয়ারই পাওয়া উচিত । আজকেও খাওয়ার পর টিভি খুলেছিল রাজু । আমি বললাম , রাজু শুনল না । রিয়া গিয়ে থাপ্পর মারতে কাজ হয়েছে । সেই থেকে টানা ৪ ঘন্টা পরেছে ও । বললে বিশ্বাস করবে না , রিয়া রাজুকে নিজের পায়ে মাথা রেখে ক্ষমাও চাইয়েছে । এখন বুঝছি ভালই করেছে ।
– বাবার মুখ দেখে বুঝলাম, যা শুনছে, বিশ্বাস করতে পারছে না । অফিস থেকে ফিরে এসে যদি কোন বাবা শোনে তার ছেলে ছোট বোনকে প্রনাম করে একদম ভাল ছেলে হয়ে গেছে , কারই বা বিশ্বাস হবে?
– যাক গে , ও ঠিক ঠাক পড়ছে , এটাই বড় কথা । রিয়া , তোর দাদা যখন তোর কথা শোনে , তখন ও না পরলে এখন থেকে তোর যা ইচ্ছা শাস্তি দিবি তুই ওকে ।
– বোনের মুখে হাসি ফুটে উঠল বাবার কথা শুনে ।
– সে তো দেবই বাবা । ছেলেদের মানুষ করতে হলে একটু শাস্তি দিতে হয় । ওর কথা শুনে আমার মনে হল যেন ও আমার ৪ বছরের বড় দিদি ।
– দাদা, আমার পা টিপে দে তোএকটু খেতে খেতে । এই বলে বোন ওর চটি পরা পা দিয়ে আমাকে একটু খোচা দিল ।
– আমি ঘুরে বসলাম বোনের পায়ের কাছে । বোন চটি খুলে ওর খালি পা দুটো আমার কোলে তুলে দিল ।
– মা বাবাকে বলল , এদের ব্যাপারটা কি তুমি একটু বোঝার চেস্টা কর তো? রাজু হঠাত রিয়ার এত বাধ্য হয়ে গেল কেন ?
– আমি বোনের পা দুটো বেশ মন দিয়ে টিপতে লাগলাম । বাবা , মা ভুরু কুচকে দেখতে লাগল আমাদের ।
– আর একটু জোরে টেপ দাদা , বেশ আরাম হচ্ছে ।
– বোনের কথায় আমি আরো মন দিয়ে ওর পা টিপতে লাগলাম , আর মাঝে মাঝে ওর পা থেকে হাত সরিয়ে পাশে রাখা থালা থেকে টিফিন খেতে লাগলাম ।
– বোন হঠাত ওর ডান পাটা আমার কোল থেকে তুলে আমার কাঁধে রাখল ।
– মন দিয়ে আমার সেবা কর দাদা , এতে তোর মনঃসংযোগ বাড়বে , আরো ভাল পড়া মনে রাখতে পারবি ।
– বোনের ডান খালি পা আমার কাধে রাখা, আর আমি ওর বাঁ পা টা মন দিয়ে টিপছি , বাবা মায়ের সামনেই ।
– তোদের ব্যাপারটা কি বলতো ? বাবা ভুরু কুচকে আমাকে জিজ্ঞাসা করল ।
– কিছু না বাবা , আমার সেবা করলে দাদার পড়ায় মন বসে , তাই না দাদা ? রিয়া আমার দিকে তাকিয়ে প্রশ্ন করল ।
– আমি রিয়ার পা টিপতে টিপতে উত্তর দিলাম ,
– হ্যাঁ বাবা ।
– বেশ , এতে তো খারাপ কিছু নেই । এতে তোর পড়াশোনায় উন্নতি হলে তো ভালই । কিন্তু ব্যাপারটা বড় অদ্ভুত লাগছে । বাবা বলল ।
– আমি কোন উত্তর দিলাম না । বোন ওর বাঁ পাটা আমার কাধে তুলে দিয়েছে এখন । আর আমি ওর ডান পাটা টিপে দিচ্ছি । আমি বোনের ডান পাটা নিজের বুকের মাঝখানে চেপে ধরে মন দিয়ে টিপতে লাগলাম । বোন ঠোটের কোনে হাসি ঝুলিয়ে আমার সেবা নিতে নিতে টিভি দেখতে লাগল । আর বাবা মা আশ্চর্য হয়ে আমাদের অদ্ভুত কান্ড দেখে যেতে লাগল ।
প্রায় ৩০ মিনিট বোনের পা টেপার পর বোন ওর খালি ডান পাটা আমার মুখে রাখল । আমি অবাক হয়ে বোনের দিকে তাকালাম । আলতো করে একটা চুমুও খেলাম ওর পায়ের তলায় । বোন ওর পায়ের তলাটা আমার মুখে একটু ঘষল , তারপর আমার মুখটা পায়ের তলা দিয়ে ঠেলে বলল,
এই ছেলে , এবার গিয়ে পড়তে বস । মন দিয়ে পড়বি , নাহলে কিন্তু মার খাবি আমার কাছে ।
আমি বোনের খালি পাদুটো দুহাতে ধরলাম । তারপর নিজের মাথাটা নামিয়ে দিলাম ওর পায়ের উপর । ওর পায়ের পাতায় নিজের মাথা ঠেকিয়ে বললাম ,
আমার মাথায় পা রেখে একবার আমাকে আশীর্বাদ করে দে বোন, আমার পড়া খুব ভাল হয় তোর আশীর্বাদ পেলে । তারপরও যদি তোর যদি মনে হয় আমি মন দিয়ে পরছি না তুই আমাকে যত খুশি মারতে পারিস ।
– বোন মুখে হাসি ফুটিয়ে ওর ডান পাটা আমার মাথার উপর রাখল
– ভাল করে পড় দাদা , আমার আশীর্বাদ তোর সাথে রইল ।
– বাবা মা চোখ বড় বড় করে আমাদের দেখতে লাগল । হয়তো আমাদের বাধা দিত অন্য সময়ে , কিন্তু যেহেতু এই আচরণের মাধ্যমে বোন আমাকে পড়তে পাঠাচ্ছে , তাই আর কিছু বলল না বাবা মা ।
– আমি নিজের ঘরে গিয়ে পড়তে বসলাম । মন আজ অসম্ভব খুশি । নিজেকে বোঝাতে লাগলাম যেভাবেই হোক ভাল রেসাল্ট করতে হবে । আমার ছোট বোন আমার মাথায় ওর পা রেখে আমাকে আশীর্বাদ করেছে । এই আশীর্বাদ বৃথা হতে দেওয়া যায়না । আর রেসাল্ট ভাল হলে চিরদিন এভাবে বাবা মায়ের সামনে ছোট বোনের সেবা করতে পারব । বোনের সেবা করে আমার উন্নতি হচ্ছে বুঝতে পারলে বাবা মা আমাকে কিছু বলবে না বুঝতে পারছিলাম ।
– আমি বেশ মন দিয়ে পড়ছিলাম । হঠাত চুলে টান পড়ায় তাকিয়ে দেখি আমার বোন রিয়া আমার পাশে দাঁড়িয়ে বাঁ হাত দিয়ে আমার চুল মুঠো করে ধরে টানছে । আমার বেশ ব্যাথা লাগছিল , তবু কিছু বললাম না বোনকে । আমার উপর অত্যাচার চালিয়ে যেতে দিলাম ওকে ।
– বেশ কিছুক্ষণ আমার চুল টেনে যেতে লাগল বোন । একটু পড়ে খুব ব্যাথা লাগতে তাকিয়ে দেখি আমার মাথা থেকে অনেকটা চুল ছিঁড়ে বোনের হাতে চলে গেছে ।
– বোন চোখ বড় বড় করে বলল , তোর এতগুল চুল টেনে ছিড়ে দিলাম, তুই কিছু বললি না ? তোর কি ব্যাথাও লাগে না ?
– বোন খাটের পাশে দাঁড়িয়ে ছিল । আমি খাট থেকে উঠে ওর পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে পড়লাম । ওর সামনে হাত জোড় করে বললাম , সে তো লাগেই । কিন্তু আমার ছোট্ট বোনটা আমার উপর অত্যাচার করে একটু মজা নিচ্ছে । আমার কি অধিকার আছে এতে বাধা দেওয়ার ?
– শুনে বোন খাটে বসে পরে হো হো করে হাসতে লাগল । আমি ওর পা দুটো দুহাতে ধরে আবার নিজের মাথাটা ওর পায়ের উপর নামিয়ে দিলাম ।
– একটু পরে বোন হাসি থামিয়ে চটি পরা বাঁ পাটা আমার মাথায় বোলাতে বোলাতে বলল ,
– ওরে বুদ্ধু , তুই ব্যাথা পাচ্ছিস আর তোর বাধা দেওয়ার অধিকার নেই ? তুই আমার দাদা ,আমি তোর ছোট বোন । অন্য বোনেরা বড় দাদাদের ভয় পায় ,আর তুই আমার পায়ে মাথা ঘষিস । তোর মাথাটা একদম গেছে রে দাদা । যদি আমি তোকে পিটিয়ে মেরে ফেলতে যাই , তাও আমাকে বাধা দিবি না ?
– আমি ওর চোখের দিকে দুষ্টুমি ভরা দৃষ্টিতে তাকাই ।
– তুই আমার মনিব , আমি তোকে বাধা দিতে পারি ? তুই মেরেই দেখ।
– বোনের পায়ে এখন সকালের নীল মোজাটা পরা , মোজা পরা পায়ে ও পা তুলে আমার মুখে পরপর লাথি মারতে থাকে ।
– আমি বলি, প্লিজ বোন , তোর যত খুশি লাথি মার আমার মুখে । আমার খুব ভাল লাগে তোকে নিজের মনিব বলে ভাবতে , তোর সেবা করতে, তোর লাথি খেতে । প্লিজ বোন ,আমাকে তোর সেবা করতে দিস রোজ এভাবে । তোর সেবা করতে পেলে আমি জীবনে সব করতে পারব । প্লিজ বোন , আমার উপর একটু দয়া কর ।
– এই বলে আমি বোনের পায়ে একের পর এক চুমু খেতে থাকি । বোন বাধা দেয়না । আমার মাথায় অন্য পাটা বোলাতে বোলাতে বলে ,
– আমার তো ভালই লাগছে রে দাদা । সবার সামনে বড় দাদাকে এভাবে কন্ট্রোল করার মজাই আলাদা ।
– আমি বোনের পায়ের তলায় শুয়ে পরি । ওর নীল মোজা পরা পা দুটো নিজের মুখের উপর তুলে নিয়ে ওর মোজার তলায় চুম্বন করতে করতে বলি থ্যাঙ্ক ইউ বোন । তোকে আমি খুব ভালবাসি । আমি ওর পা টিপতে টিপতে আসতে আসতে চুমু খেতে থাকি ওর মোজা পরা পায়ের তলায় ।
– আমিও তোকে খুব ভালবাসি দাদা , বোন বলে , আমার মুখের উপর ওর নীল মোজার তলা ঘষতে ঘষতে ।
– আমি মন দিয়ে বোনের পা টিপতে টিপতে ওর মোজা পরা পায়ের আদর খেতে থাকি ,আর চুমু খেতে থাকি ওর মোজার তলায় । মাঝে মাঝে জিভ বার করে আসতে আসতে চাটতে থাকি ওর মোজার তলা । জবাবে বোন আমার মুখে আলতো করে একটা লাথি মেরে আমার দিকে তাকিয়ে মিটিমিটি হাসতে থাকে । তারপর ওর বাঁ পাটা ঠিক আমার নাকে উপর চেপে ধরে । আমি ওর মোজা পরা পায়ের মধ্যে দিয়ে নিশ্বাস নিতে থাকি । ওর পায়ের গন্ধ , ওর মোজাতে লেগে থাকা ঘামের গন্ধ আমার নিশ্বাসের সাথে আমার ফুসফুসে গিয়ে মিশতে থাকে । সেখান থেকে সেই মোহময় গন্ধ গিয়ে মিশতে থাকে আমার হৃদয়ে । আমি প্রাণভরে বড় বড় শ্বাস নিতে থাকি বোনের মোজা পরা পায়ের মধ্যে দিয়ে ।
– হঠাত দেখি আমার ঘরের দরজা ঠেলে বাবা ঘরে ঢোকে । আমি তখন নিজের ঘরে খাটে বসা বোনের পায়ের তলায় শুয়ে বোনের মোজা পরা পায়ের তলায় চুমু খেতে খেতে ওর পা টিপে দিচ্ছি ।
– আমাদের এই অবস্থায় দেখে বাবার চোখ কপালে উঠে যায় ।
– এসব কি করছিস তোরা ? বাবা একটু সামলে নিয়ে প্রশ্ন করে ।
– কিছু না বাবা , এএ… আমার ঠোঁট জোড়া বোন নীল মোজা পরা ডান পা দিয়ে চেপে ধরায় আমার উত্তর আটকে যায় । বাবার সামনেই বোন আমার ঠোঁট দুটো মোজা পরা ডান পা দিয়ে ঘষতে থাকে । আমার ঠোঁট দুটো বোন মোজা পরা পা দিয়ে একবার বাঁদিকে , একবার ডানদিকে ঘষতে থাকে । এক তীব্র আনন্দ আমার সাড়া শরীরে যেন ঝঙ্কার তুলতে থাকে । বাবার সামনেই আমার ছোট বোন আমার কপাল আর ঠোঁট পা দিয়ে ঘষতে থাকে । বাবা যেন কথা বলার শক্তি হারিয়ে ফেলেছে । চুপ করে এক দৃষ্টিতে দেখতে থাকে আমাদের ।
– কিছু না বাবা , দাদার মুখে পা রেখে একটু আশীর্বাদ করছি দাদাকে । এভাবে রোজ আমার আশীর্বাদ পেলে দেখবে ও খুব ভাল রেসাল্ট করবে ।
– তুই তো রাজুর থেকে ছোট , তোর আশীর্বাদে ওর কি করে এত ভাল হবে ? বাবা প্রশ্ন করে ।
– আমি ছোট তো কি হয়েছে ? মেয়ে তো । খারাপ ছেলেরা মেয়েদের পায়ের আশীর্বাদ পেলে খুব ভাল হয়ে যায় । দেখছ না দাদা আজ কি সুন্দর পড়াশোনা করছে ? বোন ভুরু নাচিয়ে বলে বাবাকে , ওর ডান মোজা পরা পায়ের তলা আমার ঠোঁট দুটোকে নিয়ে খেলা চালিয়ে যায় । আমিও বোনের পা টিপতে টিপতে ওর পায়ের তলায় আসতে আসতে চুমু খেতে থাকি আমাদের বাবার সামনেই ।
– তাই তো দেখছি । কি জানি , কি যে হচ্ছে, আমার মাথায় কিছু ঢুকছে না । বাবা হতাশ গলায় বলে ।
– তুমি ছেলেকে ইঞ্জিনিয়ার বানাতে চাওনা ? দেখবে , আমার সেবা করে কিরকম ও ইঞ্জিনিয়ারিঙে চান্স পেয়ে যাবে ।
– তাহলে তো খুবই ভাল হয় । কিন্তু রাজুর পড়াশোনার যা অবস্থা ! ও কি পারবে ?
– তুমি শুধু দেখে যাও বাবা । না পেলে আমাকে বল । এখন থেকে ওর সাথে আমার আশীর্বাদ থাকবে । ও এখন সব পারবে ।
– এই বলে বোন আমার মুখে আলতো করে একটা লাথি মারল মোজা পরা পা দিয়ে ,
– কি রে গাধা , পারবি না?
– আমি আমার বোন রিয়ার মোজা পরা পায়ের তলায় চুমু খেয়ে উত্তর দিলাম,
– তোমার আশীর্বাদ সাথে থাকলে আমি সব পারব প্রভু ।
– যা , একটা বাটি আর জল নিয়ে এসে আমার পা ধুয়ে জল খা এখন । মা কেও ডেকে আন , মাও দেখুক কি করে তার ছেলের উন্নতি হচ্ছে । বোন মুখে হাসি ঝুলিয়ে বলে ।
– যো হুকুম মালকিন , বলে আমি বোনের অন্য পায়ের তলায় একটা চুমু খেয়ে উঠে পড়ি বোনের পা ধুয়ে জল খাওয়ার জন্য বাটি আর জল আনতে । আমার বুকের মধ্যে তখন যেন কেউ হাজারটা ঢাক পেটাচ্ছে একসাথে ! উফফ, কি যে আনন্দ হচ্ছে আমার !!
– আমি বাটি আর জল নিয়ে মাকে ডাকতে গেলাম ।
– মা, একটু আমার ঘরে এস প্লিজ ।
– কেন ? মা রান্না করতে করতে আমার দিকে না তাকিয়েই প্রশ্ন করল ।
– আমি বোনের পা ধুয়ে জল খাব । বাবা মায়ের সামনে ছোট বোনের পা ধুয়ে জল খেলে ছেলেদের পড়াশোনার উন্নতি হয় ,তাই । আমি বললাম ।
– মা আমার দিকে ফিরে জবাব দিল , আজ সকাল থেকে তুই কি শুরু করেছিস বলতো? পাগল হয়ে গেলি নাকি তুই ?
– মা , তুমি তো দেখছ বোনের সেবা করে আজ সকাল থেকে কি সুন্দর টানা পড়ে যাচ্ছি আমি । পড়া খুব ভাল মনে থাকছে বোনের সেবা করে । ছোট বোনের সেবা করলে সত্যি খারাপ ছেলেদের উন্নতি হয় মা । রোজ এভাবে বোনের সেবা করতে পেলে আমি ঠিক ইঞ্জিনিয়ারিঙে চান্স পেয়ে যাব , তুমি দেখে নিও ।
– ঠিক আছে , বোনের সেবা করলে যদি তোর উন্নতি হয় তাহলে তাই কর । চল । এই বলে মা আমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিল একবার ।
– আমি মাকে নিয়ে আমার ঘরে ঢুকলাম । বোন এখন একটা চেয়ার টেনে টেবিলের পাশে বসেছে । বাবা বসে আছে খাটে । মাও গিয়ে বাবার পাশে বসল । আমি গিয়ে আমার ছোট বোন রিয়ার পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসলাম ।
– বোন মোজা পরা পা দুটো আমার মুখের উপর তুলে দিয়ে মোজার তলা দুটো আমার সারামুখে ঘষতে ঘষতে বলল ,
– বাটিটা আমার পায়ের কাছে রেখে জল দিয়ে আমার পা দুটো ধুয়ে দে । আমি বাটিটা বোনের পায়ের কাছে রাখলাম । তারপর বোনের পা দুটো দুহাত দিয়ে ধরে সযত্নে ওর্পা থেকে মোজা দুটো খুলে রাখলাম । এরপর আসতে আসতে ভক্তিভরে ছোট বোনের পা ধুয়ে দিতে লাগলাম বাটিতে থাকা জল দিয়ে । পা ধুয়ে দিয়ে গামছা দিয়ে সযত্নে ওর পা মুছিয়ে দিলাম । তারপর ওর পা দুটো নিজের কোলের উপর রাখলাম ।
– বোন হাসিমুখে বলল , এবার আমার পা ধোয়া জলটা খেয়ে নে । এখন থেকে রোজ তুই আমার পা ধুয়ে জল খাবি । এতে তোর উন্নতি হবে । এই বলে বোন ওর খালি পাদুটো আমার কোল থেকে কাধে তুলে দিল ।
– আমি বাবা মার দিকে তাকালাম । ওরা গভীর মনোযোগ দিয়ে আমাদের কান্ড দেখছে । কতজন ছেলের সৌভাগ্য হয় বাবা মার সামনে ছোট বোনের পা ধুয়ে জল খাওয়ার ? ভাবতেই প্রবল আনন্দে আমার মনটা ভরে উঠল ।
– কি হল , দেরী করছিস কেন ? ছোট বোনের পা ধোয়া জল খেতে লজ্জা করছে নাকি তোর ? বোন ওর খালি ডান পা দিয়ে আমার নাক আর ঠোটের উপর একটা লাথি মেরে জিজ্ঞাসা করল ।
– না প্রভু , তোমার পা ধোয়া জল খাব , এ তো আমার চরম সৌভাগ্য। আমি বোনের পায়ের তলায় চুমু খেয়ে বললাম ।
– বোন আবার ওর ডান পাটা আমার বাঁ কাঁধে তুলে দিল । আর আমি ওর পা ধোয়া জলটা মুখের সামনে তুলে এক চুমুকে পুরোটা খেয়ে নিলাম । মনে হল এত সুস্বাদু পানীয় আমি জীবনে কখন খাইনি ।
– আমি বাটিটা নিচে নামিয়ে রাখলাম । বোন দুপা দিয়ে আমার কাধ দুটো ঝাকাতে ঝাকাতে বলল , গুড বয় । এবার আবার আমার পায়ের তলায় শুয়ে পরতো ভাল ছেলের মত ।
– আমি তাই করলাম । আমার ছোট বোন , আমার প্রভুর পায়ের তলায় শুয়ে পড়লাম বাবা মার সামনেই । বোন ওর খালি পা দুটো আমার মুখের উপর রেখে বলল , এবার জিভটা বার করে দে তো ভাল দাদার মত ।
– আমি তাই করলাম । বাবা মায়ের অবাক দৃষ্টির সামনে আমার ছোট বোন রিয়া আমার বার করে দেওয়া জিভে নিজের খালি ডান পায়ের তলা নামিয়ে দিল । একটু আগেই আমি ওর পা ধুয়ে জল খেয়েছি। তাই পা দুটো একদম পরিষ্কার।
– বোন ওর পরিষ্কার ডান পায়ের তলা আমার বার করে দেওয়া জিভের উপর মুচ্ছিল । বাবা মা অবাক হয়ে দেখছিল আমাদের । আর আমি পুজোর প্রসাদের মত ভক্তি করে ছোট বোনের পায়ের তলা চেটে খাচ্ছিলাম । আমার প্রানে এক অদ্ভুত আনন্দ তখন । বোন আমার জিভের উপর ওর পায়ের তলা একটানা ঘষে চলল । একটু পরে ডান পায়ের তলা
-
– আমার কপালের উপর রেখে বোন ওর বাঁ পায়ের তলাটা আমার জিভের উপর নামিয়ে দিল ।
বাবা মায়ের সামনে আমি নিজের ৪ বছরের ছোট বোন রিয়ার পায়ের তলা স্বেচ্ছায় চাটতে লাগলাম ।

-

আমি তখন 1st ইয়ারে পড়ি । আমাদের পাশের বাড়িতে একটা মেয়ে থাকত । মেয়েতার নাম রাখি । ক্লাস ৯ এ পড়ত , খুব সুন্দরী দেখতে । কিন্তু পড়াশোনায় ভাল না । ওর মা বলল আমি যেন ওকে একটু পড়িয়ে দি ।
আমি রাজি হয়ে গেলাম । সুন্দরী মেয়েকে পড়ানোর সুযোগ কেই বা হাতছাড়া করে ?
তা ও পড়তে এলে ওকে চেয়ারে বসিয়ে আমি ওর পায়ের কাছে বসে পড়াতে লাগলাম। আমার পড়ার ঘরে আর কেউ ঢোকে না, তাই সেদিক থেকে নিশ্চিন্ত । অ একটু অবাক হলেও আমাকে কিছু বলল না। প্রথম কয়েকদিন আমি বিশেষ কিছু করলাম না। শুধু মাঝে মাঝে ওর পায়ের উপর আলতো করে হাত বলানো ছাড়া ।
একমাস পর ও আমার ওর পায়ের কাছে বসাতে মোটামুটি অভ্যস্ত হয়ে গেল । আমি ঠিক করলাম এবার একটু এগোতে হবে । ও পড়তে এলে ওকে একটু পরালাম । তারপর ওকে বললাম , – আমার ডান হাতটায় জিম করে খুব ব্যাথা হয়েছে । তুই তোর পা দুটো আমার হাতের ওপর একটু রাখবি প্লিজ ? চাপ লাগলে একটু আরাম পাবো । এই বলে আমি ওর পায়ের কাছে ডান হাতটা রেখে শুয়ে পরলাম।
রাখি একবার আমার চোখের দিকে তাকাল, তারপর নিজে থেকেই ওর পা দুটো তুলে আমার ডান হাতের বাইসেপ এর উপরে রাখল ।
পা দিয়ে আমার হাতটা একটু ঘষে দিবি প্লিজ ? রাখিকে অনুরোধ করলাম আমি।
ও আমার হাতের বাইসেপটা ওর দুপায়ের তলায় আসতে আসতে ঘষতে লাগল । ওর মুখে হালকা হাসি ফুটে উঠেছে দেখলাম ।
১০- ১৫ মিনিট পর ওর পাদুটো টেনে আমার হাত আর বুকের সংযোগস্থলে রাখলাম।
-এবার এখানে একটু চাপ দে প্লিজ ।
ওর মুখের হাসি যেন আরেকটু চওড়া হল । মুখে হাসি ঝুলিয়ে আমার কাঁধ আর বুকের সংযোগস্থলে চাপ দিতে লাগল ।

আমি ওর বাঁ পাটা ধরে বললাম – এই পা টা দিয়ে একটু জোরে চাপ দে প্লিজ ।
এই বলে আমি ওর ডান পাটা সরিয়ে ঠিক আমার বুকের মাঝখানে রাখলাম । রাখি বাঁ পা দিয়ে আমার কাধে চাপ দিতে লাগল । আর আমি আমার সুন্দরী ছাত্রীর পায়ের তলায় শুয়ে ওর ডান পাটা দুহাত দিয়ে বুকের সাথে চেপে ধরলাম ।

আমাদের বাড়ি ঢাকায় । আমাদের বাসায় আমরা ৪ জন থাকি । ভাইয়া, ভাবি, ভাতিজি, আর আমি । আমার আব্বু , আম্মা দেশের বাড়িতে থাকে ।>আমার ১৩ বছরের ভাতিজি বৃষ্টির বার্ষিক পরীক্ষা শেষ হতে  ও বায়না ধরল কম্পিউটার শিখবে । আমিও কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তাম । আমার একটা কম্পিউটার দরকার ছিল । তাই ভাইয়া টাকা দিল কম্পিউটার কেনার । আমি কিনে আনলাম ।

ভাইয়া অফিস নিয়ে সারাদিন ব্যাস্ত থাকে। তাই ভাতিজি কে কম্পিউটার শেখানর দায়িত্ব পড়ল আমার উপর ।

বৃষ্টির সাথে আমার সম্পর্ক খুব ভাল । ওর সব আবদার আমার কাছে । আমিও ওকে খুব ভালবাসি। ওর সব আবদার পূর্ণ করি আমি।

কম্পিউটার আসতে ওকে শেখাতে শুরু করলাম । ২-৩ দিনেই সব শিখে নিজে নিজেই এটা ওটা ঘাটা শুরু করে দিল ও । বুদ্ধি করে একটা চেয়ার খাওয়ার ঘরে পাঠিয়ে দিলাম এরপর । এখন

কম্পিউটার এর ঘরে এক্টাই চেয়ার । ফলে ও চেয়ার এ বসে । আমি ওর পায়ের কাছে মেঝেতে । আমি গত কয়েক্দিন থেকেই বৃষ্টির পা টিপছি ।  ও আপত্তি করেনি ।  ও কম্পিউটার নিয়ে মেতে আছে নিজের মনে ।আমি ওর পায়ের কাসে বসে প্রথমে ওর চটি পরা পা দুটো কোলের উপরে তুলে নিসিলাম ।  ও আরচোখে দেখেছিল শুধু, কিসু বলেনি আমাকে । আমি আস্তে আস্তে টিপ্তে শুরু করেছিলাম ওর পা । ও কিছু বলেনি একবারও । নিজের চাচার কোলের উপর চটি পরা পা রেখে চাচার সেবা নিচ্ছিল ।

৩ দিন আগে ভাবি দেখে আমাকে বলেছিল তুই একটা চেয়ার নিয়ে আয় না পাশের ঘর থেকে ? আর বৃষ্টি , তুই চাচার কোলে পা রেখেছিস কেন ?

আমি বলেছিলাম , আমার নিচে বসতেই বেশি ভাল লাগে ভাবি । আর বৃষ্টির পায়ে ব্যাথা করছে বলে আমি ওর পা টিপে দিচ্ছি একটু ।  এই বলে আমি বৃষ্টির পা দুটো তিপতে থাকি ভাবির সামনেই । বৃষ্টি আমার কপালে হাত বুলিয়ে ভুরু নাচিয়ে ওর মা কে বলে ,- দেখেছ , আমার চাচাটা কত্ত ভাল । ভাবি বলে – তোরা পারিস ও বটে । এই বলে চলে গিয়েছিল ভাবি ।

পরশু ও চেয়ারে বসতে আমি নিজে থেকেই মেঝেতে বসে বৃষ্টির চটি পরা পা দুটো নিজের কোলে তুলে নিয়েছিলাম । আসতে আসতে টিপতে শুরু করেছিলাম ওর পা দুটো । বৃষ্টি আমার চুল টেনে বলেছিল, – খুব সেবা করা হচ্ছে না ভাতিজির ?

আমি ওর ডান পায়ের পাতায় একটা চুমু খেয়ে বলেছিলাম , – আমার তো মোটে একটা ভাতিজি । তার সেবা করব না তো কার করব ?

বৃষ্টি দুস্টু হাসি হেসে বলেছিল – আমাকে কিন্তু আজ একটা বড় চকলেট খাওয়াতে হবে ।  

আমি ওর পা টিপতে টিপতে অল্প হেসে বলেছিলাম – যো হুকুম মাল্কিন ।  

ও শুনে আমার গালে আলতো একটা চড় মেরে বলেছিল – খুব দুস্টুমি হচ্ছে না ভাতিজির সাথে ?

সেই থেকে গত কয়েকদিন এভাবেই কেটেছে আমাদের । আমার আদরের ভাতিজি চেয়ারে বসে কম্পিউটার শিখছে , আর আমি ওর পায়ের কাছে বসে ওর পা টিপতে টিপতে ওকে কম্পিউটার শেখাচ্ছি ।

এখন রাত ১২ টা বাজে । আমি ওকে তাড়া দিলাম , – এবার শুতে যাবি চল । কাল আবার শিখবি । ও আলতো করে আমার কানটা মুলে দিল মুখে মিস্টি হাসি ঝুলিয়ে । যেতে চাইলে তুমি যাও । আমি যাবনা ।

-      তুই না গেলে আমিও যাবনা । এখানেই শুই একটু । এই বলে আমি ভাতিজির পায়ের কাছে শুয়ে পরলাম । ওর চটি পরা পা দুটো বুকের উপরে রেখে আসতে আসতে টিপতে থাকলাম ওর পা ।

-      কাল কি খাওয়াবে আমাকে ? ঠোঁটে হাসি ঝুলিয়ে জিজ্ঞাসা করল বৃষ্টি ।

-      তুই যা বলবি । বলে আমি ওর ডান পাটা মুখের উপর টেনে নিয়ে ওর চটির তলায় একটা গাঢ় চুম্বন করলাম। ও পা টা আমার ঠোঁটের উপর থেকে সরাল না । আমার ঠোঁট দুটো বরং ওর চটির তলা দিয়ে ঘসতে ঘসতে বলল –  কাল বিকেলে রেস্টুরেন্টে নিয়ে যাবে আমাকে । যেখানে বলব । আমি ওর চটির তলায় চুমু খেয়ে বললাম – যো হুকুম । বৃষ্টি ওর চটি পরা বাঁ পাটাও আমার মুখে তুলে আমার কপালটা ওর চটির তলায় চেপে ধরে বলল – আবার ইয়ারকি আমার সাথে ?

-      আমি ওর পা টিপতে টিপতে ওর চটির তলায় আবার চুমু খেয়ে বললাম , – তুই আমার মাল্কিন । তোর সাথে আমি ইয়ার্কি করতে পারি ?

-      দাড়াও, তোমার মার হচ্ছে, এই বলে বৃষ্টি পা তুলে আসতে আসতে কয়েকটা লাথি মারল আমার মুখে ।

-      আমি জবাবে পরপর অনেকগুলো চুমু খেলাম ওর চতির তলায় ।

-      বৃষ্টি , কেন জানিনা , তোর সেবা করতে ভীষণ ভাল লাগে আমার । প্লিজ , এভাবে সারাজীবন তোর সেবা করতে দিস আমাকে ।

-      তুমি একটা বদ্ধ পাগল চাচা ।

-       তুই রাগ করলি ?

-      রাগ করব কেন ? তুমি পাগল হতে পার , কিন্তু ভীষন ভাল চাচা ।

-      এভাবে তোর পা মুখের উপর রেখে রোজ তোর পা টিপে সেবা করব তোর । ওর পা টিপতে টিপতে বলি আমি ।

-      বাবা , মা যদি দেখে তোমাকে সোজা পাগলা গারদে ভর্তি করে দেবে  চাচা । বৃষ্টি হাসতে হাসতে বলে ।

-      দেখা যাক , যেভাবেই হোক , আমি সবার সামনেই তোর সেবা করব এখন থেকে । তুই আমাকে প্লিজ হুকুম করিস ভাইয়া- ভাবির সামনে । তোর যা ইচ্ছা ।

-      হম্মম্ম, দেখা যাক । চল , এখন ওঠা যাক । রাত হল । এবার মা এসে চেঁচাবে । এই বলে ও কম্পিউটার অফ করে আমার মুখের ওপর থেকে ওর চটি পরা পা সরাল । তারপর কান ধরে টেনে তুলল আমাকে হাসিমুখে । আমি আবার ওর সামনে হাটুগেরে বসে ওর পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করলাম । তারপর গিয়ে শুয়ে পরলাম দুজনে নিজের নিজের ঘরে । কিভাবে কাল থেকে সবার সামনে ৭ বছরের ছোট ভাতিজির সেবা করা যায় সেই চিন্তাই ঘুরতে লাগল আমার মাথায় ।

 

সজল

রিমার সাথে শুটিং করতে এসে এরকম অভিজ্ঞতা হবে ভাবতে পারেনি সজল ।
ইংল্যান্ডে পড়তে এসে খরচ চালাতে খুব অসুবিধা হচ্ছিল সজলের । বাড়ি থেকে পাঠান টাকায় এখানে পাউন্ডে খরচ চালান খুবি মুস্কিল । অনেক কষ্টে ওয়ারক পারমিট যোগাড় করার পর রিমাই বলেছিল অর সাথে শর্ট ফিল্ম এ অভিনয় করতে নেমে পড়তে । ওদের ক্লাস্ মেট সারাও ওদের সাথে অভিনয় করবে । কিন্তু সে শর্ট ফিল্ম যে ফেমডম শর্ট ফিল্ম সেটা ও কি করে বুঝবে ?
শুটিং করতে তারা একটা পুরন বাড়িতে ঢুকল ঠিক সকাল ১০ টায় । পরিচালক তাকে গল্প বুঝিয়ে দিল , সে গল্পে রিমার দাদা আর সারা রিমার ক্লাস মেট । সে একটা খেলায় হেরে যাবে রিমার কাছে । আর খেলার শর্ত মত রিমা আর সারা তাকে যা বলবে তাই করতে হবে সারাদিন ।
রিমা হাসিমুখে ওকে বলল , – দাদা, আজ সারাদিন তুই আমার চাকর, আমি তোর মনিব । আমার পায়ের তলায় শুয়ে পর । ব্যাপারটা অপমানজনক বোঝার পর ও সজল ২০০ পাউন্ডের লোভ ছাড়তে পারল না । সে রিমার কথা মত ওর পায়ের তলায় শুয়ে পরল । রিমা ওর পাম্প সু পরা পা দুটো সজলের মুখের ওপর রেখে বলল , এবার ভাল দাদার মত বোনের পা টেপ । সজলের কেন যেন ভাল লাগতে শুরু করেছিল সুন্দরী বান্ধবীর কাছে অপমান । সে আসতে আসতে রিমার পা টিপতে লাগল আর রিমা ওর মুখে জুতোর তলা ঘষতে লাগল । তখনি ঘরে ঢুকল সারা । সজলের মুখের ওপর নিজের সাদা জুতো পরা ডান পা রেখে দাঁড়াল । সোনালি চুলের শ্বেতাঙ্গ বান্ধবীর কাছে এই অপমান দারুন ভাল লাগতে শুরু করেছিল সজলের । সে নিজে থেকেই চুমু খেল সারার জুতোর তলায় । সারা হেসে বলল তোকে আমাদের পায়ের তলাতে থাকলেই মানায় । নিজের বাঁ পা সজলের বুকের ওপর রেখে জুতো পরা ডান পা সজলের মুখের ওপর রেখে সে মাথার সুন্দর সোনালী চুলে হাত দিয়ে ফ্যাশন শো করার কায়দায় দাঁড়াল । রিমার জুতো পরা ডান পা তখন সজলের কপালের ওপর আর বা পা ওর বুকে ।
এবার আমরা একটা খেলা খেলব । তুই চোখ বন্ধ করে জিভ বার করে শুয়ে থাকবি আর আমরা একজন তোর বের করা জিভে আমাদের এক পায়ের জুতোর তলা মুছবো । কে, কোন জুতোর তলা মুচেছে ঠিক করে বলতে পারলে তোকে সেই জুতোর তলায় চুমু খেতে দেব । আর না পারলে সেই জুতো পরা পায়ের লাথি খেতে হবে মুখে ।
সজল এমন ভাবে মাথা নেড়ে রাজি হয়ে গেল যেন এটা খুব স্বাভাবিক খেলা । সে জিভ বার করে চোখ বন্ধ করে শুয়ে পরল দুই বান্ধবীর পায়ের তলায় । রিমা আর সারা হাসিমুখে সজলের বের করা জিভে ওদের জুতোর তলা বলাতে লাগল । সজল আন্দাজে বলার চেস্টা করতে লাগল কার কোন পা তার জিভ স্পর্শ করেছে । বেশীরভাগ সময়ে তার উত্তর ভুল হচ্ছিল । ফলে হাসিমুখে তার মুখে লাথি মারছিল তার দুই বান্ধবী । আর তার উত্তর ঠিক হলে সে গাঢ় চুম্বন করছিল বান্ধবীদের জুতোর তলায় । সবার সামনে এভাবে বান্ধবীদের পায়ের তলায় অপমানিত হতে খুব ভাল লাগছিল তার । এখন থেকে কলেজেও সে এভাবে সবার সামনে সারা আর রিমার সেবা করবে , ওদের লাথি মুখে খেতে খেতে এই স্বপ্নই দেখতে লাগল সজল ।

Follow

Get every new post delivered to your Inbox.