Archives for category: Uncategorized

মেয়েরা আমার প্রভু

সেদিনের কলেজ এর ক্লাস সবে শেষ হয়েছে। নেহা, লিপি, দেবরুপা রা ক্লাস থেকে বেরিয়ে ক্লাস রোম এর বাইরে দাঁড়িয়ে গল্প কর্ছিল। আমি অন্য দিনের মতই ওদের দিকে আড়চোখে তাকিয়ে ছিলাম। আমার চোখ সবথেকে বেশি যেত নেহার দিকে। যদিও জানতাম ও আমাকে কখনই পাত্তা দেবে না, তবু ওর দিকে না তাকিয়ে পার্তাম না। অত সুন্দর কোন মেয়ে কি করে হয় বুঝতে পার্তাম না আমি। ওর সুন্দর মুখের দিকে বেশিক্ষন তাকানর সাহষ হত না, আপনা থেকেই আমার চোখ ওর পায়ের দিকে নেমে যেত। হঠাৎ আমার ভাব্নায় ছেদ পর্ল নেহার গলার আওয়াজে।“ এই ছেলে শোন। “ নেহা বল্ল আমার দিকে তাকিয়ে। আমি হতভম্ব হয়ে গেলাম। আমাকে ডাকছো ?? ভেবাচেকা খেয়ে ওকে জিগ্গাশা কর্লাম কাপা গলায়। ‘ হা, তকেই ডাকছে কুত্তা।এদিকে আয়।’ লিপি বল্ল আমাকে। লিপি আমাকে কুত্তা বলে ডাক্ল ? নিজের কানকেই বিশ্বাস হচ্ছিল না আমার। লিপি চেচিয়ে উঠলো এবার, ‘ কি রে কুত্তা, কথা কানে যাচ্ছে না ? কান ধরে নিয়ে আস্তে হবে ?’ আমি ওদের দিকে এগিয়ে গেলাম। লিপির কথায় আমি কিরকম কুঁকড়ে গিয়েছিলাম ভয়ে। হাতজোর করে ওদের বল্লাম ‘বল, কি বল্বে আমাকে।নেহা এগিয়ে এল আমার দিকে। কোন কথা না বলেই আমার ডান গালে সপাটে চড় মার্ল এক্টা। ১স্ট ইয়ার থেকে দেখে আস্ছি, রোজ তুই আমার দিকে তাকিয়ে থাকিস। কি ভাবিস তুই নিজেকে? আমার বয়ফ্রেন্ড হওয়ার স্বপ্ন দেখিস ?
আমি জবাবে কোন কথা বললাম না । ওদের পায়ের কাছে হাটুগেরে বসে পড়লাম । ওদের ৩ জনের দিকে তাকালাম, ওদের পায়ের কাছে হাতজোর করে হাটুগেরে বসা অবস্থায়। ওদের ৩ জনের মুখেই আমাকে এই অবস্থায় দেখে হাসি ফুটে উঠেছে। মুখ্ভরা সুন্দর হাসি ওদের ৩ জনের সৌন্দর্যই বারিয়ে তুলেছে। নেহার পরনে কালো টপ, নীল জিন্স, পায়ে সাদা স্নিকার। ৫’৩” এর ফর্শা মেয়েটাকে এই সাধারন পোশাক এও দারুন সুন্দর লাগ্ছে। লিপির পরনে ন
নীল শার্ট, সাদা প্যান্ট, পায়ে চামড়ার কাল বুট জুত। ৫’৬” এর লিপির গায়ের রং মাঝারি, কিন্তু কলেজ এর মদ্ধ্যে সবচেয়ে বেশি ছেলে ওর জন্নে ফিদা। দেবরুপার পরনে চুরিদার, পায়ে কাল স্নিকার, ওকেও বাকি দুজনের মত অপরুপ সুন্দরী মনে হছ্ছিল। ঘর ভাংলো পেটে হঠাৎ প্রবল আঘাতে । লিপি আমার পেটে প্রবল জোরে লাথি মেরেছে। কিছু বোঝার আগেই দেবরুপা পাশ থেকে মাথার পাশে লাথি মার্ল। আমি উল্টে পরে গেলাম মাটিতে। নেহা এগি্যে এল আমার দিকে। আমার বুকের ওপর ওর সাদা স্নিকার পরা ডান পাটা তুলে দি্যে দাড়াল। তার্পর মুখ নিচু করে থুতু ছেটাল আমার মুখে। একরাশ থুতু আমার মুখটা ভিজিয়ে দিল। বেশ বুঝতে পারলাম মাঠভরা ছেলে মেয়ে হাসছে আমাকে দেখে। অরা কেউ আমার সহপাঠী, কেউ জুনিয়র। আমাকে এই অবস্থায় পরে থাকতে দেখে ওরা হাসিতে ফেটে পরেছে। আমারো কেন জানিনা খুব একটা খারাপ লাগ্ছিল না। কিরকম একটা অদ্ভুত নেশার মধ্যে ছিলাম আমি। নেহার হাতে অপমানিত হয়ে খারাপ লাগ্ছিল যতটা, তার চেয়ে অনেক বেশি ভাল লাগছিল নেহার স্পর্শ পেয়ে, সেটা ওর জুত পরা পা বা থুতু হওয়া সত্তেও সেই স্পর্শই আমাকে অদ্ভুত ভাবে উত্তেজিত করে তুলছিল। নেহা অর ডান পাটা আমার বুকের অপর থেকে তুলে আমার মুখের অপর রাখলো। আমার মুখজুড়ে পরে থাকা ওর থুতুটা ও সারামুখে ঘশে দিতে লাগ্ল ওর জুতর তলা দিয়ে। ওর মুখে এক অদ্ভুত মিস্টি হাসি। ওর জুতোর তলা আমার সারা মুখে ঘুর্তে লাগ্ল। ‘ এটাই তোর যোগ্য স্থান ।আমার পায়ের তলায়। বুঝলি জানোয়ার?’ মুখে হাসি ঝুলিয়ে বল্ল নেহা। আমি নেশাচ্ছন্নের মত গোটা কলেজ এর সামনে ওর জুতোর তলায় ‘ চুম্বন করে বল্লাম, ‘ হ্যাঁ প্রভু । “
নেহা আমার সারামুখে ওর জুতোর তলা ঘষতে লাগল । আমি নিজে থেকেই কেন জানিনা আসতে আসতে চুম্বন করছিলাম অর জুতোর তলায় । নেহা হঠাত বেশ জোরে একটা লাথি মারল আমার নাকের ওপর , ওর জুতো পরা ডান পা দিয়ে । “ জিভটা বার কর কুত্তা, আমি জুতোর তলাটা পরিস্কার করে নিই । আমি আমার জিভটা জতটা সম্ভব বার করে দিলাম । আমার বার করা জিভে গোটা কলেজের সামনে জুতোর তলা মুছতে লাগল আমার প্রভু নেহা ।

১০ বছর আগের একটা শীতের সন্ধ্যা । আমি তখন ক্লাস ৯ এ পড়ি । বাবা , মা আর আমার ক্লাস ১১ এ পড়া দিদি টিভি তে ইংলিশ মুভি দেখছিল।  বাবা আর মা বসে ছিল খাটে ।  দিদি একটা চেয়ারে ।  আমি দিদির পায়ের কাছে মেঝেতে শুয়েছিলাম । দিদির পরনে ছিল ছাই রঙের জ্যাকেট আর কালো প্যান্ট । পায়ে নীল চটি । সবাই মন দিয়ে সিনেমা দেখছিল ।

আমি ইংলিশ ভাল বুঝতাম না বলে বারবার প্রশ্ন করে ওদের বিরক্ত করছিলাম । দিদি রেগে গিএ শেষে বললো, পড়াশোনা না করলে ইংলিশ বুঝবি কি করে ? তোকে সিনেমা দেখতে হবে না । পড়াশোনা কর গিয়ে । আমি তখন বললাম, “ সরি দিদি , ভুল হয়ে গেছে । আর প্রশ্ন করব না “।
দিদি মুচকি হেসে বলল  ”আবার প্রশ্ন করলে তোকে কিভাবে চুপ করাতে হবে আমার জানা আছে ।

একটু পরে পুরন কথা ভুলে আমি আবার প্রশ্ন করে ফেললাম ।  আমি উত্তরের জন্য দিদির দিকে তাকিয়েছিলাম । দিদি আমার দিকে তাকিয়ে হেসে বলল “ তোকে কিভাবে থামাতে হয় আমার জানা আছে।

এই বলে দিদি অর চটি পরা ডান পা টা বাবা মায়ের সাম্নেই আমার মুখের ওপর তুলে দিয়ে হেসে বলল, “ দেখি , এবার তুই কিভাবে কথা বলিস। “  বাবা মা দিদিকে কিছুই বলল না । মন দিয়ে এভাবে সিনেমা দেখে যেতে লাগলো যেন কিছুই হয়নি । দিদি মিনিট দুয়েক পরে চটি পরা বাঁ পা টাও আমার মুখের ওপর তুলে দিয়ে চটি পরা ডান পা দিয়ে আমার মুখের ওপরে একটা আলতো লাথি মেরে বলল, “ চুপচাপ শুয়ে না থেকে বরং আমার পা দুটো একটু টিপে দে ।

বাবা মায়ের সামনেই দিদি আমার মুখের ওপর চটি পরা পা রেখে বসে আমার মুখে লাথি মেরে আমাকে পা টিপতে হুকুম করছে ! এতদিন এভাবে দিদির সেবা শুধু স্বপ্নেই করেছি ! কেন জানিনা , দিদির সেবা করছি এই চিন্তা আমাকে অদ্ভুত আনন্দ দেয় চিরকাল । আর আজ আমার সেই স্বপ্ন সত্যি হতে চলেছে !

আমি হাত বারিয়ে দিদির পা দুটো টিপতে লাগলাম । আর দিদি আমার মুখে অর চটির তলা দুটো আসতে আসতে ঘষতে লাগ্ল । আমার ঠোঁট দুটোকে ডান চটির তলায়, আর কপালটা বাঁ চটির তলায় ঘষে খেলতে লাগ্ল দিদি। আমি দিদির পা দুটো পালা করে টিপতে লাগলাম। আর মাঝে মাঝে আলতো চুম্বন করতে লাগলাম দিদির ডান চটির তলায় ।

একটু পরে অ্যাড দিল টিভি তে । মা দিদিকে বলল, “ তুই ভাইয়ের মুখে চটি পরা পা রেখে বসে অকে দিয়ে পা টেপাচ্ছিস তাও ও কিছু বলছে না ! কি আশ্চর্য !

দিদি আমার মুখে ডান পা দিয়ে একটা লাথি মেরে বলল “ ভাইেয়ের মুখে দিদি পা রেখেছে এটা তো ভাইয়ের কাছে গর্বের ব্যাপার । দেখবে ও আমাকে কত শ্রদ্ধা করে ? এই বলে দিদি ওর চটি পরা ডান পা টা আমার মুখের একটু ওপরে ধরে বলল , আমার চটির তলায় চুমু খা তো ভাই । আমি একবার বাবা মায়ের দিকে দেখলাম । ওরা আগ্রহ ভরে দেখছে আমি দিদির কথা শুনি কিনা ।  আমি তারপর দিদির মুখের দিকে তাকালাম । ফর্সা সুন্দরী দিদি আমার মুখের দিকে তাকিয়ে অপেক্ষা করছে কখন আমি ওর চটি পরা পায়ের তলায় চুমু খাব আমাদের বাবা মায়ের সামনে ।  আমি দেরি করলাম না । আমার মাথাটা তুলে ঠোঁটজোড়া ছোঁয়ালাম দিদির চটির তলায় । গাঢ় চুম্বন করলাম দিদির চটির তলায় । পরপর তিনবার । দিদি ডান পা টা আমার গলার ওপর রেখে বাঁ পাটা আমার ঠোঁটের ওপর ধরল । আমি একিরকম আবেগের সঙ্গে দিদির বাঁ চটির তলাতেও চুম্বন করলাম । পরপর ৩ বার । দিদি চটি পরা পা আমার চুলের ওপর বুলিয়ে আমাকে আদর করতে করতে বলল “ এবার ভাল ভাইয়ের মত দিদির চটির তলা মোছার জন্য জিভটা বার করে দে তো । আমি মন্ত্রমুগ্ধ পুতুলের মত আমার প্রভু দিদির আদেশ পালন করলাম। দিদির চটির তলা মোছার জন্য যতটা সম্ভব বার করে দিলাম আমার জিভটা । আর দিদি বাবা মায়ের সামনে ওর চটি পরা ডান পায়ের তলাটা আমার জিভের ওপরে নামিয়ে দিল। আমার জিভের ওপর ঘষে পরিস্কার করতে লাগল নিজের চটির তলা । আমি নিজের বাবা মায়ের সামনে নিজের দিদির চটির তলার ময়লা গিলে খেতে লাগলাম পরম ভক্তিতে ।    

আমার জীবনের একটা অভিজ্ঞতা আজ সবার সাথে শেয়ার করব। আমি তখন ক্লাস ৮ এ পড়ি। আমাদের পাড়ায় একটা মেয়ে এল, ওর নাম সায়নী। ফর্শা, অপরুপ সুন্দরী। ও আমাদের বন্ধু হয়ে যায়। বর্শা কালে মাঠে জল জমে যাওয়ায় আমরা একটা বড় পুরন ভাঙ্গা বাড়িতে লুকোচুরি খেলতাম। একদিন আমি একটা দেওয়ালের পাশে ভাঙ্গা ধ্বংসস্তুপের মধ্যে শরীর ঢুকিয়ে লুকিয়েছিলাম, শুধু মুখটা বাইরে। একটু পরে সায়নীও ওই রুম এ লুকাতে এল। ঘর অন্ধকার হওয়ায় আমার মুখ দেখতে পাচ্ছিল না ও। ও দেওয়াল ঘেশে আমার পাশেই একটা ভাঙ্গা ইটের স্তুপের ওপরে বসল। ওর জুতো পরা পা দুটো ঠিক আমার মাথার পাশে। অন্ধকারে এটা যে কারো মাথা ও বুঝতে পারেনি।
একটু পরে ও পা বুলিয়ে বোঝার চেষ্টা করল এটা কি পরে আছে ওর পায়ের কাছে । ও পা বুলিয়ে বুঝতে চাইছিল এটা কি আর এটার ওপরে পা রাখা যায় কিনা। ওর সাদা স্নিকারের তলা আমার কপাল ছুলো আর তারপর আমার কপালের ওপর কয়েকবার ওর জুতোর তলা বোলাল ও। ও বোধহয় আমার মুখটাকে পরে থাকা ইটের স্তুপ ভাবল, নিশ্চিত হয়ে ওর জুতো পরা পা দুটো তুলে দিল আমার মুখের ওপর। উফফফফফ, আমি ভাবতে পারছিলাম না আমি সত্যি আমার স্বপ্নের দেবীর পায়ের তলায়। আমার স্বপ্নের দেবী আমার মুখে জুতো পরা পা রেখে বসে আছে। সায়নী কে যবে থেকে দেখেছি তবে থেকে শুধু ওর কথাই ভাবতাম আমি।
প্রতিমুহুর্তে আমি অনুভব করতাম ওর তুলনায় আমি কত সাধারন, নগন্য। মনে মনে ওকে দেবী রুপে কল্পনা করে ওকে পুজো করতাম। আর আজ ওর ওজান্তেই আমার স্বপ্ন অনেকটা সফল হল। আমার স্বপ্নের দেবী ওর জুতো পরা পা দুটো আমার মুখে রেখে বসে আছে। ওর বা পাটা আমার কপালের ওপর। আর ডান পা তা আমার মুখের ওপর রেখেছে ও।
বর্শাকাল হওয়ায় ওর জুতোর তলায় পুরু কাদার স্তর জমে আছে। ও বোধহয় প্ল্যান করে এসেছিল কোন নির্জন জায়গায় লুকিয়ে চুপি চুপি গান শুনবে। কানে হেডফোন লাগিয়ে আইপডে গান চালিয়ে শুনতে লাগল সায়নী। আমার মুখের ওপর রাখা জুতো পরা পা দিয়ে গানের সাথে তাল মেলাতে লাগল ও । ফলে আমি সারা মুখে কখন আসতে ,কখন জোরে আমার দেবী সায়নীর লাথি খেতে লাগলাম। জিভ বার করে আস্তে আস্তে সাবধানে ওর জুতোর তলা চাটতে লাগলাম।
ওহ, সায়নীর কাছে আমার মুখটা এখন পরে থাকা নির্জীব জড় পদার্থের বেশী কিছু না। তাই ও আমার মুখের ওপর ওর জুতো পরা পা রেখে গানের সাথে তাল মেলাচ্ছে, আমার দিকে তাকিয়েও দেখছে না। আমি যে ওর সুন্দর জুতোর তলার ময়লা আমার জিভ দিয়ে চেটে পরিস্কার করছি তাতেও ওর কিছু যায় আসে না ।
যত এসব ভাবতে লাগলাম , ততই নিজেকে ওর তুলনায় ক্ষুদ্র কীটসম জীব বলে মনে হতে লাগল। একটু পরে ও উঠে দাড়াল, আমার মুখের ওপর দাঁড়িয়ে ঘরের দরজার দিকে উঁকি মেরে দেখতে লাগল কেউ ঘরে ঢুকছে কিনা। ও এখন জুতো পরা পায়ে সম্পূর্ণ আমার মুখের ওপর দাঁড়িয়ে। আমার মাথা যন্ত্রনায় ফেটে যেতে লাগল, যেন সায়নীর পায়ের চাপে আমার মাথা শক্ত মেঝেতে চেপ্টা হয়ে মিশে যাবে। আমি তবু টুঁ শব্দটি করলাম না। নিজেকে বোঝাতে লাগ্লাম সায়নী আমার মুখের ওপর জুতো পরা পায়ে উঠে দাঁড়িয়েছে, এর চেয়ে বড় সৌভাগ্য আমার কাছে আর কিছু হতে পারেনা।
১ মিনিট পর কেউ আসছে না দেখে সায়নী আবার বসে পরে নিশ্চিন্তে গান শুনতে লাগল। আমি ওর জুতোর তলায় চুমু খেয়ে মনে মনে ওকে ধন্যবাদ দিলাম আমার মুখটাকে ওর ফুটরেস্ট হিসাবে ব্যবহার করার জন্য । ও আমার মুখের ওপর পা রেখে গানের সাথে তাল দিতে লাগল । পায়ের হিল টা আমার মুখে রেখে পায়ের পাতাটা ও গানের তালে ওঠাচ্ছিল আর নামাচ্ছিল, ফলে আমি মুখে মৃদু পদাঘাত পাছ্ছিলাম আমার দেবীর।
মাঝে মাঝে ও ওর জুতোর তলাটা আমার মুখের ওপর আস্তে আস্তে ঘষছিল। ও প্রায় ১ ঘন্টা আমার মুখটাকে ফুটরেস্ট হিসাবে ইউস করল। তারপর খেলা শেষ হওয়ার সময় হলে উঠে দাড়াল আমার মুখে, আমার মুখটা পা দিয়ে মাড়িয়ে ঘর থেকে বেড়িয়ে গেল। আমিও তারপর ঘর থেকে বেড়িয়ে এলাম। ভাঙ্গা বাড়িটার বাইরে আমার দেবী সায়নীর সাথে দেখা হল। তখন অন্ধকার হয়ে এসেছিল। তবু সায়নী বুঝতে পারল আমার মুখটা কাদায় ভর্তি। আমায় দেখে হাসতে হাসতে বলল “তোর মুখে এত কাদা কেন ? কাদায় মুখ লুকিয়ে বসে ছিলি নাকি?”
আমি কি বলব ভাবার আগেই ও চোখ বড় বড় করে ও অবাক গলায় বলল, “ এ মা, তোর মুখে এটা কার পায়ের ছাপ?”
আমি লজ্জা মেশান গলায় বল্লাম, “ আমি ভাঙ্গাচোরার মধ্যে লুকিয়ে শুয়েছিলাম, “কেউ একজন দেখতে না পেয়ে আমার মুখ পা দিয়ে মাড়িয়ে দিয়েছে।”
কেন জানিনা লজ্জা পেলেও ওকে একথা বলতে ভাল লাগছিল আমার। সায়নী জিজ্ঞাশা করল, ” কোথায় লুকিয়েছিলি তুই?” আমি বললাম “দোতলার দক্ষিনদিকের ওই ভাঙ্গা ঘরটায়, যেটায় ভয়ে কেউ ঢুকতে চায় না।”
শুনে সায়নী বলল, “ এ মা, আজ আমিও ওই ঘরে লুকিয়েছিলাম। তার মানে তোর মুখে ওটা আমার জুতোর ছাপ ! আর তোর মুখের ওই কাদা আমার জুতোর তলার কাদা ! হি হি !!”
এই বলে সায়নী হো হো করে খুব হাসতে লাগল। আমি আস্তে করে বলার চেষ্টা করলাম, ” আমার মুখে তোর জুতোর ছাপ, এতে হাসার কি আছে?” আমি এমন ভাবে বললাম যেন আমার মুখে সায়নীর জুতোর ছাপ পরা খুবই স্বাভাবিক। সে কথা সুনে সায়নী আর জোরে হো হো করে হাসতে লাগল। বাড়ি ফেরার সময় পু্রো রাস্তায় আমাকে ও ভেঙ্গিয়ে গেল, “ এ মা, তোর মুখে আমার জুতোর ছাপ। ”
আমার যে কি ভাল লাগ্ছিল ওর কথা শুনতে সায়নি যদি জানত!
সেদিন সারারাত আনন্দে ঘুমাতে পারলাম না ।, মনে শুধু স্বর্গীয় সেই ২ ঘন্টার স্মৃতি ভাসতে লাগল ,যখন সায়নী আমার মুখকে ফুটরেস্ট হিসাবে ব্যবহার করছিল। তখন কি আর জানতাম ,দেবী পুজো আর স্বর্গীয় সুখের সে শুধু সুচনা মাত্র ?
পরদিন সকাল থেকেই ঝিরিঝিরি বৃষ্টি হছ্ছিল। স্কুল থেকে ফিরেই আমি ছুটলাম সেই ভাঙ্গা বাড়িতে , লুকোচুরি খেলতে। আমরা মোট ৮ জন ছিলাম, ৫ জন ছেলে আর ৩ জন মেয়ে।
আমরা সবাই লুকিয়ে পরার ৫ মিনিট পর চোর হওয়া তিতলি আমাদের খুজতে বেরবে। আমার অবশ্য সেদিন খেলায় মন ছিলনা। মনে শুধু একটাই চিন্তা ঘুরছিল । আগের দিনের মত ওই ভাঙ্গা ঘরটায় ঠিক একই জায়গায় আমি শুয়ে পরব ঠিক করে রেখেছিলাম। কিন্তু সায়নী আসবে তো ?

খেলা শুরু হতেই আমি ওই ঘরে ঢুকে আগের দিনের মত একি ভাবে মেঝেতে শুয়ে পরলাম, ধ্বংসস্তুপের মধ্যে শরীর ঢুকিয়ে। শুধু মুখটা বেড়িয়ে রইল বাইরে। তারপর অধীর অপেক্ষা। এক একটা সেকেন্ডকে এক এক ঘন্টা লম্বা মনে হতে লাগল। অবশেষে প্রতীক্ষার অবশান। ঘরের মধ্যে ঢুকে কেউ আমার দিকেই এগিয়ে এল। ঘরের আধো আলো আধো অন্ধকারেও বুঝতে অসুবিধা হল না, এই আমার আরাধ্য দেবী, সায়নী। সাদা সার্ট আর নীল জিন্স পরে আছে ও, পায়ে সাদা স্নিকার। আমার ঠিক মুখের সামনে এসে দারাল ও। ওর সুন্দর ফর্শা মুখে এক অদ্ভুত হাসি ফুটিয়ে বলল,
“ তুই আজ এখানে লুকিয়েছিস ?” আমার মুখ দিয়ে কেন জানিনা কোন আওয়াজ বেরল না। ঘাড় নেড়ে হ্যাঁ বল্লাম।
সায়নী ওর জুতো পরা ডান পা টা তুলে আলতো করে রাখলো আমার বুকের উপরে। “ ভালই করেছিস। তোকে নিয়ে একটু মজা করতে পারব । একা একা বসে থাকতে বোর লাগে । এখন আমার ফুটরেস্ট তুই।” ,
এই বলে সায়নী আমার বুকের উপরে রাখা ডান পায়ের উপরে ভর দিয়ে উঠে দাড়াল, আর ওর জুতো পরা বা পা তাকে নামিয়ে দিল আমার মুখের ওপরে।
নিজের সৌভাগ্যকে বিশ্বাস হছ্ছিল না আমার। আমার মুখের ওপরে জুতো পরা পা রেখে হাসি মুখে দাঁড়িয়ে আছে আমার আরাধ্য দেবী সায়নী !! গভীর আবেগে দু হাত দিয়ে ওর জুতো পরা পাটা আমার মুখের সাথে চেপে ধরে ওর জুতোর তলায় চুম্বন করলাম আমি। সায়নী মুখে হাসি ঝুলিয়ে দেখল আমাকে, তারপর বসে পরল ভাঙ্গা ইটগুলোর ওপরে, ঠিক কালকের মত। ওর জুতো পরা দুটো পাই আমার মুখের ওপরে রেখে কানে হেডফোন লাগিয়ে কালকের মত গান শুনতে লাগল ।

আমার মুখের ওপর জুতো পরা পা দিয়ে আস্তে আস্তে তাল মেলাতে লাগল ও গানের সাথে। আমি দুহাত দিয়ে ভক্তিভরে আমার আরাধ্য দেবীর পা টিপতে লাগলাম। সায়নী কোন রিয়াক্ট করল না, নিজের মনে এমন ভাবে গান শুনে জেতে লাগল যেন ওর জুতো পরা পায়ের তলায় শুয়ে ওর পা টেপা আমার ডিউটি !
একটু পরে আমি জিভ বার করে ওর জুতোর তলা দুটো পরিস্কার করায় মন দিলাম। ওর জুতোর তলা বর্শাকালের কাদায় ভর্তি। আমি আস্তে আস্তে জিভ দিয়ে ওর জুতোর তলা থেকে কাদার স্তর মুখগহ্বরে টেনে নিছ্ছিলাম। সায়নীর জুতোর তলার ময়্লা গিলে খাছ্ছিলাম ভক্তিভরে। তারপর আমার জিভ আবার একইভাবে ফিরে যাছ্ছিল সায়নীর জুতোর তলা পরিস্কারের কাজে।

আমি পাগলের মত চাটছিলাম সায়নীর জুতোর তলা। হঠাত হুশ ফিরল ঘরে টর্চ এর আলো পরায়। সঙ্গে তিতলির গলার আওয়াজ পেলাম। “
কি রে সায়নী, দাদা কোথায় ?” তিতলি আমার খুড়তুতো বোন, আমার চেয়ে ১ বছরের ছোট, ক্লাস ৭ এ পরে। ওকে দেখে আমি তাড়াতাড়ি সায়নীর পায়ের তলা থেকে উঠতে গেলাম মুখ থেকে ওর পা দুটো সরিয়ে। কিন্তু ওঠার আগেই সায়নী খুব জোরে লাথি মারল আমার মুখে। আমি উলটে পরে গেলাম আবার। বোন ততক্ষনে একদম আমার কাছে এসে দাঁড়িয়েছে । টর্চ এর আলোটা আমার মুখের ওপর ফেলে তিতলি ওর জুতো পরা বা পা তা আমার বুকের ওপর তুলে দিয়ে বলল
, “আমাকে দেখে লজ্জা পাছ্ছিস কেন? ফালতু ফালতু মুখে এতজোরে একটা লাথি খেলি।”
আমি তিতলির দিকে তাকিয়ে বললাম, “তুই এ ঘরে ঢোকার আগেই কি করে জানলি যে আমি আর সায়নী এ ঘরে আছি?”
শুনে সায়নী আর তিতলি হাসিতে ফেটে পরলো।
তারপর তিতলি ওর জুতো পরা ডান পা টা আমার মুখের ওপরে তুলে আমার ঠোঁট দুটো ওর কালো স্নিকার এর তলায় ঘষতে ঘষতে বলল, “ আমরা আজ আগে থেকেই তোকে নিয়ে অনেক মজা করার প্ল্যান করেছি রে বুদ্ধু।”
নিজের খুড়তুতো বোনের কাছে অপমানিত হতেও কেন জানিনা খুব ভাল লাগ্ছিল আমার। ওরা আগে থেকে প্ল্যান করে আমাকে নিয়ে মজা করবে ঠিক করেছে জেনেও আমার খারাপ লাগল না, বরং বোনের জুতোর তলায় গাঢ় চুম্বন করে বল্লাম , “ ধন্যবাদ তিতলি। আমাকে নিয়ে যা খুশী করতে পারিস তোরা। “
বোন আমার মুখে লাথি মেরে বলল “ জিভটা লম্বা করে বার করে দে। আগে আমার জুতোর তলাটা পরিস্কার করে নিই। “
আমি আমার জিভটা লম্বা করে বার করে দিলাম। আর বোন আমার বার করে দেওয়া জিভে ওর ডান জুতোর তলাটা ঘষে পরিস্কার করতে লাগল। আর তখনি দরজার কাছে হাসির শব্দ পেলাম। আমি জিভ সরানোর চেষ্টা করলাম না এবার । জিভে বোনের জুতোর তলার স্বাদ নিতে নিতেই তাকিয়ে দেখলাম দরজা দিয়ে ঘরে ঢুকল ইশা। আমাদের স্কুলেই আমার সাথে ক্লাস ৮ এ পরে ও। ও খুব ফর্শা আর সুন্দরী, আর মজা করতে খুব ভালবাসে। আমাদের দেখে ও হেসে বলে উঠল, “ ইশ, সবার সামনে দাদার জিভে জুতোর তলা মুচ্ছে ছোট বোন। ঈশ, কি অবস্থা দাদার ! “

গোটা ঘর তখন অন্ধকার। অন্ধকার ঘরে তিতলির হাতে ধরা টর্চটা ও আমার মুখে ফোকাস করেছিল। ও সায়নী আর ইশা কে ফোকাস করে দেখাচ্ছে ওর জুতোর তলায় আমার হিউমিলিয়েশন। আমার একটু একটু ভয় ভয় করতে শুরু করেছিল ।
কি হবে যদি সবাই আমার এই অবস্থার কথা জেনে যায় ? আমি চোখ বন্ধ করে কিছুক্ষন ভাবলাম। তারপর আবার চোখ খুললাম। সারা ঘরে এখন শুধু আমার মুখ, বোনের পা, আর ওর মুখের কিছুটা ভাল করে দেখা যাচ্ছে ।
বোন ততক্ষনে ডান জুতোর তলা আমার জিভে ঘশে পরিস্কার করে বাঁ জুতোর তলা আমার বের করে দেওয়া জিভে মুচছে। বোনের পায়ের তলা থেকে অস্পষ্ট আলোয় কেন জানিনা বোনকে কোন স্বর্গের দেবী বলে মনে হতে লাগল। আমার মুখজুড়ে ওর জুতোর তলার কাদাকে কোন এক অজ্ঞাত কারনে মনে হতে লাগল অমৃত ।
আমি পাগলের মত চাটতে লাগলাম বোনের জুতোর তলা । বোন মাঝে মাঝে পা তুলে আসতে আসতে লাথি মারতে লাগল আমার মুখে ।
সায়নী ততক্ষনে আমার বুকে ওর জুতো পরা ডান পা তুলে দাঁড়িয়েছে। আর ইশা আমার কপালে জুতো পরা ডান পা বুলিয়ে আমাকে আদর করছে । ঠিক করলাম, সবার সামনে যত অপমানই করুক, আমি তাই করব যা আমার ৩ প্রভু , সায়নী, তিতলি আর ইশা বলবে। ওদের কোন কথার প্রতিবাদ করব না কখনো ।

Aj theke pray 50 bochor ager kotha, gramer name Modhupur . Ei grame  tara mayer ekta boro mondir chilo, sobai bolto ei mondir er ma jagroto. Sei mondire debkonna hisebe ekjon er agomon ghote, meyeti mondirer voirobi pade adhistiti holo. Meyetir asol name Bijaya. Gram er loker biswas meyetir onek doibo( god power) shakti ache, montro- tontro jane, home -joggo -jadu toona bidhya parodorshi. Kichu diner modde tar tin char jon sisso jute jay, jara voirobi ke somosto kaje sahajjo korto o bishram er somoy voirobi Bijaya ke seba korto. Gram er manus ra bole voirobi Bijayar moto rup tara er age dekheni, boyes 22-23 hobe  purno joubone vora. Bijaya ke gram er sobai vokti shradha r sathe sathe voy o korto. Tar ekagro chitto, nistha, ek oisorik tej  ja take driro sonkolpe otut rake. Gram er murkho gorib manus ra take ma bole dake r gram er jubok theke suru kore bridho porjonto sobai Bijayar payer dhulo mathay nite sonkoch korto na.

Sob manus soman noy, gram er jamidar r tar kichu mosaheb ache jara moja kore bolto gram er buroder buro boyes e vimroti dhoreche na hole buro boyes e kochi sundoori meye deke tar paye nijeke somorpon kore, sobai jeno voirobir pada seba korte parle nijeke punni mone kore.

Jamidar  Vobotosh Chowdhury bolto tora kew voirobir otit somporke kichu Janis kotha theke eseche age ki korto . Mosaheb ra bolto seta janar kono upay nei jamidar babu . onake age kothay kew dekhe ni. bivinno loker vinno montobbo,  kew bole uni onno desh theke ei  gram er udhar korte eseche, kew bole uni himalaya topossa korten, kew thik thak kichu jane na.  Mosaheb der modde Prafullo bollo tobe jamidar babu onar modde ekta alada jyoti ache, onar choker dike takale nijeke kemon durbol mone hoy, onar govir dristi jeno ogni tej e purno .

Onnoder sathe  jamidar hese bollo ki Prafullo tumi o ki voirobir rupe moje gecho. tomar dekhchi bipod asonno .

Prafullo voirobir proti purno shradha diye bollo amake khoma korben jamidar babu onek to onnay korlam, take niye oneke onek ku kotha bole kintu keno jani na gram er manus er moto tar upor amar o purno vokti jonmeche tar payer ektu dhulo neber amar o khub icha kintu tar samone jabar amar kono upay nei, voirobi o janen amra apner mosaheb, tar obortomane take niye onek ninde kori.

Jamider moja kore bollo Prafullo tumi ek kaj koro sandhar ondhokare ga dhaka diye voirobir cholar pothe khop kore thakrun er ek mutho payer dhulo niye gile phelo Jodi ete tomar mosaheb er oporadh kome.  

Jamider er kotha ta aro ektu oti ronjito moja korar jonno Suken name ek jon mosaheb bollo  Prafullo bhai tumi aro ek kaj korte paro parle somoy moto voirobir chotir tola chete kheye dekhte paro, hoyto tomar mathey kichuta buddi o barte pare .

Sobai ha ha ha ha haaa kore hese uthlo r jamidar bollo ektu besi bara bari hoye jache, tomra Prafullo ke niye eto moja korcho keno .

Prafullo bollo ami bujhte parchi amake niye tomra besh moja korcho kintu onar moto dharmik toposhini nistaban meye ase pase dosta gram e khuje o pabe na. onar chotir tola chete khele Jodi amar buddh hoyi, amar atma samman ektu bare, ami nichoi ek bar keno bar bar onar chotir tola chete dektam .

Jamidar bollo tahole Prafullo tumi tahole voirobi thakrun er pa chata kutta hoye jao.   

Bhola bollo janen Jamidar babu Sagar r Susanta dujone to voirobir pa chata kutta. vairobi ja bolbe ora tai sunbe, ora dujone voirobir jonno nijeder pran o dite pare, salara valo mondo bojhar kono khomota nei. Voirobi oder puro bosh kore niyeche,  voirobi Jodi salpatai thutu fele bole eta ma chamdir prosad oi dui sala kono protibad na kore salpata chete voirobir thutu prosad mone kore kheye nebe .

Jamidar bollo onek aje baje kotha hoyeche ekhon sobai bari jao ekhon ami uthi.

Kichu din por Prafullo ek din dupure Bijaya r kutire gelo. tokhon voirobi bishram korchilo .

Bijaya – ekhane ki chas beta.

Prafullo – apner kache amar kichu kotha nibedon ache.

Bijaya -  tui jamidar er lok na !

Prafullo – amake r lojja debena na. aj porjonto onek mittha bolechi onek pap korechi, apnar paye nijeke somorpon korte chai, pap er pryaschitir korte chai .

Bijaya -  botso ei poth besh kothin sobar jonno noi .

Prafullo – jotoi kothin hok ami apner sisso hoye jibon katate icha kori.

Bijaya -  toke sansar tag korte hobe, sansar er moho muche felte hobe.

Prafullo – amar sansar er proti kono moho nei r amar kono poribar o nai.

Bijaya  – amar sisso hote hole amake seba korte hobe, amar kotha mene cholte hobe, tui purus hoye meye manus er seba korte lajja pabi na.

Prafullo – tumi to sadaran meye noy.  Tumi topossini, ma chandir voirobi.

Bijaya – Maa chandir voirobi holeo ami to meye manus. Tui kota din vebe dekh, Jodi mono stir korte paris tahole samoner mongol bar raat dui prohore amar kutire asbi toke ami montro diye dikha debo .

Prafullo du hat joro kore pronam kore voirobir kutir theke beriye gelo. Prafullor mon khusi te vore gelo voirobi take nijer sisso kore nite raji hoyeche r kono din bad Jamidar er mosahebi kore din katate hobe na,  mosahebi kore kore nijer proti ghrina dhore geche,  tar theke vogobaner sebai nijeke utsorgo kore jibon ta katiye dite parbo .

Mongol bar raat dui prohore Prafullo voirobir kutire ese hajir holo. voirobir kutir mondir songlogno. Voirobi lal pere goroder saree pore kopale lal boro sindur er tip, chul sob khola boro boro lal chok, paye deoar hawai chappol jora pashe khule rakha. bhagro(tiger)  charmo er upor bose, pase ekt boro trisul, samone ogni projjolito kore ek mone home korchilo.

Prafullo besh kichu khon voirobir home er samone dariye chilo, tarpor voirobir joggo ses hole Prafullo ke dekhe pase boste bollo .

voirobi – tui tahole monostir korechis maa chandir sebai jibon utsorgo korbi.

Prafullo – ha

voirobi – pase ghor e geruya bostro ache. ei bostro tag kore geruya bostro pore ai.

Prafullo  uthe giye pase ghor theke geruya bostro pore ese voirobir samone boslo.

 Voirobi Prafullor  gaye ganga jol chitanor por kane montro dilo,  aber sara gaye montro put jol chitiye dilo, kopale ekta boro lal tilok poriye dilo.

Voirobi – aj theke tui ei mondirer sebok. prothoho vore snan  korar somoy ei montro mone mone bolbi,  mondirer onnano niym sob dhire dhire jante parbi .

Bijaya pase rakha ekta jol chouki er upor boslo,hawai chappol pora pa duto matite sporsho kore ache.

Bijaya – ei muhurto theke tui amake maa ba debi bole dakbi .

Voirobir pa duto saree dara abrito chilo, pa theke saree ta   ektu tullo. Prafullo dekhlo pa duto toktoke forsa .

Bijaya pa duto Prafullor samne egiye diye bollo  toke ekhon amar sebok banabo, amar paye matha thekiye pronam kor.

 Prafullo nijer matha voirobir choti pora payer upor rekhe pronam korlo r voirobi or mathar opor choti pora dan pa rekhe oke ashirbad korlo.

Voirobi ghorer kone ekta tak dekhiye diye bollo oi pitol er thala ta niye ai r ekta patro dekhiye bollo oi joler patro ta niye ese amar payer kache rakh.

Prafullo pitol er thala r joler patro ta niye ese voirobir payer samne rakhlo. Voirobi tar chappol pora forsa pa duto thalar upor tule bollo botso amar pa duto valo kore jol diye dhuye dao .

Prafullo Bijayar paye dhire dhire jol  dhele nijer hat diye chappol pora pa duto valo kore dhuye dite laglo.chotir faak diye haat golie payer pata dhuye dilo. Tarpor chotir tolao haat diye ghoshe dhuye dilo.

Bijaya – mati te hat duto pat.

Prafullo mati te hat duto rakhlo r Bijaya tar duto vije choti pora pa Prafullor duto hater upor rakhlo  r bollo tor pancho indriyo amar paye somorpon korte hobe. tabai amar sisso hoya tor sompurno hobe.

Prafullo – maa tumi ja bolbe ami tai korbo .

Bijaya – amar paye tor chokkhu sporsho kor.

Prafullo matha nichu kore voirobir paye chok sporsho korlo. tar por voirobir kotha moto nasika niye maa er paye sporcho korlo .

Bijaya – amar podo jugol jihwa dwara sporsho kor.

Prafullo o khub icha hochilo Voirobir forsa norom pa duto ekbar mukh sporsho korar, Voirobir kotha sune matha nichu kore jiv diye Bijayar podo jora  lehon suru korlo. Bijayar payer proti angul Prafullo Prafullo alada vabe chumbon korlo. Payer patay garho vabe chumbon korte laglo tarpor. Sisso r vokti dekhe voirobi khub khusi holo . 

Bijaya nijer pa duto Prafullor hat er upor theke soriye niye bollo botso amar podotole sojja grohon koro. Profullo suye porlo bijayar payer tolay. Profullor mukher opor choti pora pa duto rekhe  bijaya bollo , amar padukar tolodesh jihwa diye sporsho kor. Porom voktivore bijayar chotir tola jiv diye chatte laglo profullo. Bijayar chotir tola besh moyla chilo. Tate bindumatro vukhrep na kore prothome bijayar dan chotir tola, tarpor ba chotir tola chete notuner moto chokchoke kore dilo profullo. Bijaya khub khusi holo vokter voktite.

Bijaya- patro theke amar charonamrito pan kor . Prafullo voirobir pa dhoya jol pan korlo .

Bijaya  – tui ekhon theke sompurno maa chandir sebok hoye geli . ei mondir tor ihokal porokal eta mone rakhbi.

Prafullo  matha nere sammoti janalo .

Voirobi bollo ekhon tui paser ghore bishram nite ja. Kal sokal theke abar amar seba korbi.

Ek din khub vore Prafullo ghum venge gelo, sedin chilo Purnima,  hotat sunte pelo  ekjon voirobir ghor er dorjar samone ese ma ma bole chapa sware dakche. Ei majh rate ke dakche dekhar jonno ondhokare Prafullo paser ghor theke aste aste dorja ta khullo,  dekhlo Sagar darjar samone dariye ache. Voirobi dorja khullo, purnimar alo voirobir mukhe pore ek opurbo rup shristi koreche . voirobir porone sudhu ekta geruya saree, saree ta voirobir komore koik bar pechano ache, ar paye hawai chappol. Sagar nata janu hoye voirobir paye matha thekie pronam korlo, tarpor Voirobi dorjay sikol ta tule dite sagar voirobir payer kache haat duto pete dilo. Voirobi sagarer duto hater opor pa rekhe uthe daralo. Sagar mejhete sute voirobi choti pora dan pa ta tule sagar hat theke mukher opor rakhlo. Sagar ba hat ta pete dilo samne voirobir pa rakhar jonno. Prafullo obak hoye dekhlo evabe sagar dui haat ar mukher opor pa rekhe bijaya pukure snan korte choleche. ghor er pase ghono jongole ghera pukur jekhane sadharonoto manus ra jaina sei pukur er dike egiye chollo sagar, ar or mukh ar haater opor pa rekhe cholte laglo voirobi. prafullo oder pichon pichon jete thake obak bismoye.Jara jadu tantra bidya sidho hoy tader onek bipod thake, tantrik tantrik er sotru hoy, tai sob tantrik ke onek kichu niyom mene cholte hoy. Amabassa ar purnima te vor haoar purbe voirobi je sthane podosporsho korbe sekhane keu montro pore rakhle ta theke voirobir oloukik sokti dhongsho hote pare .

Ei bepar sadharan manus er bojhar baire. Sagar voirobir ekonisto sebok tachara voirobi Sagar ke onek bipod theke rokkha koreche tai Sagar voirobi ke kono bipoder mukhe kokhonoi porte debe na. tai se sechchay atota poth voirobike tar haat ar mukher opor choti pora pa rekhe aste dieche. Sagar proti amabassa r purnima te Bijayake evabei sesh raate snan korte nie ase tahole? Prafullo vabte thake , tar o ki souvaggo hobe evabe voirobir seba korar ? tar vabnay ched pore voirobike snan sere uthe aste dekhe. Vije bostre pukur theke ebar sagar er pither opor uthe bose se. sagar er chuler muthi sokto kore dhore thake voirobi. Ar sagar prokito vokter moto tar araddho debir bahon seje debike pithe kore mondire ferot nie chole.  ….  

 

 

 

 

 

অপ্সরা ( লাড্ডু )

৩ বছর আগের কথা । কিছু বিকৃতি বাদ দিলে আমি তখন ছিলাম আর ৫ জনের মত স্বাভাবিক এক মানুষ আমি কলেজে পড়তাম , ১ম বর্ষে । থাকতাম কলেজের হস্টেলে ।

এক ঘরে ৩ জন করে থাকতে হত । আমার রুম মেট হস্টেল ছেড়ে দেওয়ায় আমার সুবিধাই হয়েছিল । একা থাকার জন্য পেয়ে গিয়েছিলাম আলাদা ঘর । আমি কোন দিনই খুব সামাজিক ছিলাম না । বন্ধুদের সাথেও মেলামেশা কম করতাম। ক্লাসে যেতাম হয়ত মাসে একদিন । সারাদিন কাটত আমার সাধের মোবাইল এ ইন্তারনেট এর মাধ্যমে খুজে পাওয়া এক অলীক , বিক্রিত জগতে । আমি আমার হোস্টেল এর পুরন ভাঙ্গা ঘরে বসে রছনা করেছিলাম ফেমডম এর এক অলীক সাম্রাজ্য । যেখানে আমিই ছিলাম রাজা , আবার একি সঙ্গে ক্রীতদাস ও ।
প্রথম দিকে আমি জানলা বড় একটা খুলতাম না । আমার অলীক সাম্রাজ্যের রাজকুমারী যে থিক জানালার ওপারেই রয়েছে সেটা প্রথম কয়েক মাশ বুঝতে পারিনি তাই।

সেটা আমার ১ম বর্ষের নভেম্বর মাসের এক দুপুর । আমি জানালা খুলেছিলাম বহুদিন ধরে ছেঁড়া কাগজে জমান আমার বীর্যকে ঘর থেকে বাইরে ফেলার জন্য । হঠাত চোখ গেল জানালার ঠিক উলটো দিকে । আমার জানালার উলটো দিকেও একটা জানালা , পাশের বাড়ির । আর তার খোলা কপাটের ওপাশে দেখা যাচ্ছে একটা মেয়েকে । অপূর্ব সুন্দরী । ফরসা মুখটা এত সুন্দর , একবার চোখ গেলে চোখ ফেরান যায়না । বয়েস ১৪ – ১৫ হবে ।

আমি একদৃষ্টে চেয়ে রইলাম মেয়েটার দিকে । মেয়েটা একবার তাকাল , তারপর চোখ ফিরিয়ে নিল আমার দিক থেকে । আমি পারলাম না । নেশাচ্ছন্নের মত তাকিয়ে রইলাম কাঙ্খিত নেশাদ্রব্যের দিকে।

আমার রুটিন একটু বদলে গেল তখন থেকে । ফেমডম পড়ার সাথে যুক্ত হল মেয়েটার দিকে ঘন্টার পর ঘন্টা চেয়ে থাকা । লক্ষ করলাম মেয়েটা স্কুল যাওয়া ছাড়া বাড়ি থেকে বেরয় না একদম । ওর বাড়ি থেকে বেরতে দেয় না বধহয় । শুধু মাঝে মাঝে পাশের বাড়ির ওরই সমবয়েসী একটা মেয়ে আসে ওর ঘরে । ওকে দেখার পর ১০ – ১২ দিন কেটে গেল । একদিন সন্ধ্যা বেলা মোবাইলে একটা ফেমডম গল্প পড়তে পড়তে হস্তমৈথুন করছিলাম । আমার প্যান্ট এর চেন খোলা , বাঁ হাতের তালুতে উত্তেজিত মহারাজ , আর ডানহাতে মোবাইল ধরা । হঠাত লক্ষ করলাম খোলা জানালার ওপাশে এসে দারিইয়েছে আমার স্বপ্নের রাজকুমারী । ওর হাতে ধরা একটা নীল চটি । আমি জানালা বন্ধ করতে ভূলে গেছি । আমার যৌনাঙ্গ মেয়েটা পরিস্কার দেখতে পাচ্ছে , আমার থেকে ৩ -৪ বছরের ছোট মেয়েটির সামনে আমি সম্পূর্ণ উলঙ্গ । আর সেই অবস্থায় মেয়েটি আমাকে ওর চটি দেখাচ্ছে । অপমান বোধ জেগে উঠল মনে , আর যৌন উত্তেজনাও নিওন্ত্রনহীন হয়ে পড়ল একি সাথে । প্রবল বেগে বীর্য রাশি বেরিয়ে এল আমার উত্তেজিত যৌনাঙ্গ থেকে । উফফফফ , কি আরাম !!

আমার যৌনাঙ্গ আসতে আসতে শান্ত হয়ে এল । লজ্জা পেয়ে ছোট্ট হয়ে যেন মুখ লুকাল আমার হাতের তালুতে । লজ্জা বোধ ফিরে এল আমার মধ্যেও । মেয়েটা তখন গম্ভীর মুখে তাকিয়ে আছে আমার দিকে । আমি প্যান্টের চেন লাগিয়ে জানালার দিকে এগিয়ে গেলাম । ঠিক জানালার সামনে গিয়ে গাল বাড়িয়ে ইঙ্গিত করে মেয়েটাকে বললাম আমার গালে ওর হাতে থাকা চটিটা দিয়ে মারতে । তারপর দুইহাতে কান ধরে উঠবস করতে লাগলাম । মুখে ফুটে উঠল ক্ষমা চাওয়ার ভাব । মেয়েটার মুখে হাসি ফুটে উঠল । গভীর আগ্রহ নিয়ে আমার হিউমিলিয়েশন দেখতে লাগল । কি এক অজানা আনন্দ আমাকে তখন গ্রাস করেছে । নিজের ওপর তখন আর নিওন্ত্রন নেই আমার । কোন মহাজাগতিক শক্তির অঙ্গুলিহেলনে তখন যেন নিওন্ত্রিত হচ্ছি আমি । এক অদম্য আনন্দে আমি নিজের অপমান চালিয়ে জেতে লাগলাম এই ওপরূপ অপ্সরার সামনে । হায় , তখন যদি জানতাম এর পরিনতি কি হতে চলেছে !

‘ কি রে , তোকে প্যান্ট খুল্তে বললাম না? কথা কানে যাচ্ছে না ? প্যান্ট খুলে লেংটু হয়ে কান ধরে দাঁড়া।’ আমি ভয়ে ভয়ে সিমাদির দিকে তাকিয়ে বল্লাম,’ প্লিজ সিমাদি, আমি কান ধরে দারাচ্ছি, কিন্তু প্লিজ আমাকে ল্যাংটো হতে বল না। বোন এখুনি ঘরে চলে আসবে।’
সিমাদি আমার গালে ডান হাত দিয়ে একটা চড় মেরে মুখে হাসি ফুটিয়ে বল্ল, ‘ আস্লে ত ভালই হবে। দেখবে তার ফেল্টু দাদা পড়া না করে কিভাবে লেংতু হয়ে শাস্তি পাচ্ছে।’ আমি আমার জ্যাঠতুতো দিদি সিমার পা জড়িয়ে ধর্লাম ভয়ে। দিদির চটি পরা পায়ের ওপর নিজের মাথা ঠেকিয়ে বল্লাম ‘ প্লিজ সিমাদি, এরকম কোরনা। এখন থেকে রোজ পরা করবো। তুমি দেখে নিও ।’
সিমাদি বাঁ পায়ের ওপর ডান পা রেখে চেয়ারে বসে ছিল। আমার মাথার ওপর চটি পরা ডান পা টা বলাতে বলাতে বল্ল ,’ পরা করলে শাস্তি পাবিনা। আজ পরা করিস্নি ,আজ তোকে শাস্তি পেতেই হবে। শাস্তি না দিলে তুই কোনদিন পরা করবি না । আমি কাকুকে কথা দিয়েছি তোকে ভাল ছাত্র বানিয়ে ছারবো।’ আমি অসহায় হয়ে সিমাদির বাঁ পায়ের ওপর নিজের মাথা তা ঘস্তে ঘস্তে বল্লাম,’ প্লিজ সিমাদি, এরকম করনা। আর যা খুসি কর, আমাকে ল্যাংটো কর না প্লিজ।’ আর তখনি পিঠের ওপর অন্য কার পায়ের স্পর্শ পেলাম। তাকিয়ে দেখি আমার ছোট বোন রিমা।
আমার পিঠের ওপর চটি পরা ডান পা রেখে আমার দিকে তাকিয়ে হাস্ছিল। আমাকে তাকাতে দেখে মুখে হাসি ফুটিয়ে বল্ল, ‘ কিরে গাধা, তোর লেংটু হতে এত লজ্জা কিসের ?’ আমি বোন এর দিকে চোখ পাকিয়ে বল্লাম, ‘ তুই আবার আমাকে গাধা বল্ছিস?’ বলে ওর পা টা পিঠ থেকে সরিয়ে দিলাম। বোন গলায় অবাক হওআর ভাব ফুটিয়ে বল্ল,’ কেন রে? তোকে গাধা বল্লে গাধা দের অপমানিত লাগবে বুঝি ?’ আমি সোজা হয়ে সুলাম বোনকে রিপ্লাই দেব বলে। সংগে সংগে বোন ওর চটি পরা ডান পা টা আমার বুকের ওপর তুলে দিল। আর সিমাদি ওর চটি পরা পা দুটো আমার কপালে বুলিয়ে আমাকে আদর করতে লাগলো। আমি কি বলবো ভেবে উঠতে পারলাম না। সিমাদি আমার মাথায় পা বলাতে বলাতে বোনকে বল্ল ‘ বিশু আজকে পরা করেনি। তাই আমি ঠিক করেছি ওকে ল্যাংটো করে শাস্তি দেব। কেমন হবে রে রিমা ? ‘ একথা সুনে বোন হো হো করে হাসতে লাগল। অনেক্ষন পর হাসি থামিয়ে ওর চটি পরা ডান পা টা আমার বুক থেকে তুলে আমার মুখের ওপর রাখলো । আমার ঠোঁট দুটো ওর চটি পরা পায়ের তলায় ঘস্তে ঘস্তে বল্ল ‘ দারুন হবে। লেংটু গাধা টাকে নিয়ে আজ আমরা অনেক মজা করবো ।’ আমি বোন এর চটির তলায় একটা গাঢ় চুম্বন করে বল্লাম ‘ প্লিজ বোন, আমাকে ল্যাংটো করিস না। আমি তোর দাদা হই। তুই যা বলবি তাই সুনবো। শুধু আমাকে ল্যাংটো করিস না।’ বোন চোখ পাকিয়ে বল্ল, ‘ আমি যা বলবো তাই করবি ?’ আমি ওর চটির তলায় আবার চুমুখেয়ে বল্লাম ‘ হা, করবো ‘ ।
বোন একটা চেয়ার টেনে নিয়ে বসে পরে আমার মুখের ওপর ওর চটি পরা পা দুটো রেখে বল্ল,’ আমার দুই পায়ের তলায় চুমু খেতে খেতে ১০০ বার বলতে হবে তুই একটা গাধা আর আমি তর মালকিন ‘ । আমি বোন এর ডান চটির তলায় একটা গাঢ় চুম্বন করে বল্লাম ‘ তুমি আমার মাল্কিন, আমি তোমার পোষা গাধা ‘ বলে ওর মুখের দিকে তাকালাম। বোন আমার মুখে বেশ জরে একটা লাথি মেরে বল্ল , ‘এই জন্নেই তোকে গাধা বলি। কোন কথা বুঝতে পারিস না। তোকে ১০০ বার চুমু খেতে বলেছি আমার চটির তলায় ‘ । রিমা আর সিমাদির হাতে অপমানিত হতে সবসময়ি আমার কিরকম জান ভাল লাগে । তবে ওদের সামনে সেটা অন্য সময় বুঝতে দিইনা। আজ অতিরিক্ত অপমানে সেই নিয়ন্ত্রন টা যেন হারিয়ে ফেলেছিলাম। খুব ভাল লাগতে শুরু করেছিল ওদের হাতে এই অপমান। আমি বোন এর চটির তলায় চুমু খেতে খেতে বলতে লাগ্লাম ,’ তুমি আমার মাল্কিন, আমি তোমার পোষা গাধা।’ বোন জোরে জোরে গুনতে লাগল। ৫০ বার হলে ও পা বদল করে বাঁ চটি পরা পা আমার মুখের ওপর রাখলো। আমি একইরকম ভক্তিভরে বোন এর বাঁ চটির তলায় চুমু খেতে লাগলাম।
বোন এর চটির তলায় ১০০ তা চুমু খাওয়া হলে বোন আমার মুখের ওপর থেকে পা সরিয়ে আমার বুকের ওপর রাখলো। আর সিমাদি ওর চটি পরা পা দুত আমার মুখের ওপর ধরে বল্ল ‘ এবার আমার চটির তলায় ১০০ বার চুমু খেয়ে একি কথা বল ।’ আমি দুহাত দিয়ে সিমাদির চটি পরা পা দুটো ধরলাম। তারপর সেচ্ছায় দুটো চটির তলায় চুমু খেতে খেতে বলতে লাগলাম, ‘ তুমি আমার প্রভু, আমি তমার পোষা গাধা ।’ আমি এক্বার সিমাদির বাঁ পায়ের তলায় চুমু খাছ্ছিলাম, এক্বার ডান চটির তলায়। কএক বার চুমুখাওআর পর বোন চেয়ার থেকে উঠে আমার পেটের কাছে দাড়ালো। আমার জউনাংগের ওপর পা রেখে চটির তলা দিয়ে আমার নুনু ঘস্তে ঘস্তে বল্ল, ‘ সিমাদি, গাধার টুনটুনি তা ত খাঁচা থেকে ছারা পাওআর জন্নে খুব ছটফট কর্ছে।’ এই বলে রিমা আমার নুনু তা পায়ের তলা দিয়ে ঘস্তে ঘস্তে হি হি করে হাস্তে লাগ্ল।
ওদের হাতে অপমান আমার ভীশন ভাল লাগ্তে শুরু করেছিল। আমি সিমাদির চটির তলায় গাঢ় চুম্বন করতে করতে মনে মনে বল্লাম, ‘ আমাকে যত খুসি অপমান কর বোন। আমি তোর পোষা গাধা হওআর যোগ্য ও নই। আমি তোর সম্পত্তি, তুই আমাকে নিয়ে জা খুসি কর।’ সিমাদি বল্ল, ‘ অত কষ্ট দিছ্ছিস কেন টুনটুনি টাকে ? আর কতদিন ও বন্দি হয়ে থাকবে খাছায়? ওকে একটু বাইরের হাওয়া বাতাস খেতে দে।’ বোন চটি খুলে পায়ের আংগুল দিয়ে আমার প্যান্ট এর চেন তা ধর্ল, আর আস্তে আস্তে তেনে আমার প্যান্ট এর চেন তা খুলে দিল। আমি তখন সিমাদির চটির তলায় চুম্বন করে চলেছি। আমার চোখ সিমাদির পায়ের তলায় ধাকা। তবে বেশ বুঝ্তে পার্লাম আমার উত্তেজিত জউনাংগ প্যান্ট এর চেন এর ফাক দিয়ে বেরিএ এসেছে, আর আমার বোন নুনু তাআকে খালি পা বুলিএ আদর কর্ছে। ১০০ বার চুমুখাওয়া সেশ হতে সিমাদি ওর পা দুটো সরিএ নিল। আমি তবু চোখ বুজে রইলাম। বোন টোন কেতে বল্ল ‘ কি রে গাধা, প্রভুদের সামনে লেংটু হতে লজ্জা কর্ছে নাকি তোর?’
লজ্জায় আমি চুপ করে রইলাম। কোন জবাব দিলাম না। সিমাদি রিমাকে বল্ল, ‘ টুনটুনি তা বেশ বড়ই মনে হচ্ছে , তাই না রে?’ আমার বোন রিমা হেসে বল্ল ‘ হা দিদি। আমার মাথায় একটা বুধ্ধি এসেছে । চল, একটা মজা করি টুনটুনি টাকে নিয়ে।’ এই বলে বোন আমার পেটে একটা লাথি মেরে বল্ল ‘ গাধা, জা ত, আমার ঘরের টেবিল এর ওপর থেকে আমার স্কেলটা নিয়ে আয়।’ আমি চোখ খুলে তাকিয়ে দেখি দুস্তুমিতে বোন এর চোখ দুটো চকচক করছে। ওরা কি আমাকে স্কেল দিয়ে মারবে নাকি ? ছোট বোন এর হাতে স্কেল দিয়ে মার খাব ভাবতেও আস্চর্য ভাবে ভিশন ভাল লাগ্ছিল আমার। আমি উঠে গেলাম স্কেলটা আনার জন্নে। উঠতেই বোন ভিশন জোরে পর পর দুত চর মার্ল আমার দুই গালে। ‘
গাধা রা কবে থেকে দুই পায়ে হাটছে? ভাল গাধার মত প্রভুকে পিঠে বসিয়ে ৪ পায়ে ছল ।’ আমি বোন এর হাতে চড় খেয়েও বিন্দুমাত্র প্রতিবাদ কর্লাম না। আমি ওর পোষা গাধার মতই ৪ হাত পায়ে দারালাম। বোন আমার পিঠের দুপাশে পা ঝুলিয়ে বসে ডান পা দিয়ে আমার পেটে খোঁচা দিয়ে বল্ল ,’চল গাধা, হ্যাট হাট।’ আমি পোষা গাধার মতই প্রভু রিমাকে পিঠে নিয়ে চল্তে লাগ্লাম । প্রভু আমার মাথার চুল ২ হাতে মুঠো করে ধরে দিক নিওন্ত্রন করতে লাগ্ল আমার। আর মাঝে মাঝে পা দিয়ে আমার পেটে খোচা মার্তে লাগ্ল। আমি পাশের ঘরে জেতে প্রভু রিমা ওর টেবিল থেকে স্কেলটা নিয়ে আমার মুখে গুজে দিয়ে বল্ল,’ উলটো দিকে চল গাধা, হাট হাট।’ আমি বাধ্য গাধার মত বোনকে পিঠে নিয়ে আমার পরার ঘরে ফিরে এলাম। বোন আমার পিঠ থেকে নেমে আমাকে বল্ল,’ লেংটু, আবার শুয়ে পর আমাদের পায়ের কাছে।’
আমি তাই করলাম। বোন আমার মুখ থেকে স্কেলটা নিয়ে আমার টুনটুনি মাপতে লাগ্ল। মাপা হলে দিদিকে বল্ল, ‘ দিদি, টুনটুনি টা পাক্কা ৭ ইন্ছি লম্বা।’ সিমাদি চোখ কপালে তুলে বল্ল,’ বাপ রে ! এটা, টুনটুনি না, কেউটে সাপ ! সাপ জে এত নিরিহ হতে পারে ভাবাই জায়্না ! বোন হেসে বল্ল ,’ আসল মজা এখন বাকি আছে দিদি। তুই স্কেলটা একটু ধর। জখন বলবো আবার মাপবি সাপ টাকে।’ এই বলে বোন আমার মুখের সামনে এসে দাড়ালো। দিদি স্কেলটা নিয়ে আমার পেটের পাশে দাড়ালো। বোন চটি পরা ডান পা তা আমার মুখের ওপর রেখে আস্তে আস্তে আমার মুখে ঘস্তে লাগ্ল ওর চটির তলা। উফফফফ্, কি যে সুখ বোন এর হাতে অপমানিত হতে !

হঠাত বোন চটি পরা ডান পা টা তুলে নিল আমার মুখ থেকে, তারপরেই বুম শব্দে প্রবল জোরে সেটা আমার মুখের ওপর আঘাত করলো । পা টা প্রবল জোরে আছড়ে পরলো আমার ঠোঁটের ওপর। আমাকে সামলে নেওয়ার বিন্দুমাত্র সুযোগ না দিয়ে বোন আবার ওর চটি পরা ডান পা টা তুলে বেশ জোরে লাথি মারলো আমার নাকে্র ওপর।
কয়েক মুহুর্তের জন্য দু চোখে অন্ধকার দেখলাম আমি। বোন কিনতু লাথি মারা থামাল না, একের পর এক লাথি মারা চালিয়ে গেল আমার মুখে। ব্যাথা আর অসম্ভব ভাল লাগার মিশ্র অনুভুতি তখন আমার মনে। ১০ টা লাথি মেরে বোন যখন থামলো তখন আমি গভীর আবেগে ওর চটির তলায় চুম্বন করতে করতে ওকে আমার মুখে লাথি মারার জন্য ধন্যবাদ দিতে লাগ্লাম। বোন আবার একটা লাথি মারলো আমার মুখে আর বল্ল, ‘ জিভটা বার কর এবার কুত্তা। ” আমি সত্যি প্রভু ভক্ত কুকুরের মত জিভটা লম্বা করে বার করে দিলাম। বোন আমার বার করা জিভের ওপর ওর চটির তলা মুছ্তে সুরু করলো।
বোন আমার জিভে ওর চটির তলা মুচছে ভাবতেই প্রবল আনন্দে আমার মন ভরে উঠল। ওর চটির তলার সব ধুলো ময়্লা গিলে খেতে লাগ্লাম আমি। মনে মনে বোনকে বলতে লাগ্লাম, “প্রভু, এখন থেকে তুমি রোজ সবার সামনে আমার জিভে তোমার জুতোর তলা মুছে পরিস্কার কর। ” বোন ডান চটির তলা মুছে পরিস্কার করে বাঁ চটির তলাও আমার জিভে মুছতে লাগল। আর তখন দেখলাম সিমাদি আমার কেউটের পাশে বসে স্কেল দিয়ে ওটাকে মাপছে। উত্তেজনায় ওটা তখন থরথর করে কাপছে। সিমাদি বিস্মিত গলায় বললো ” কেউটে সাপ এখন পাক্কা ৯ ইঞ্চি লম্বা রে রিমা ! এত বড় ও হয় নাকি কেউটে সাপ ?” বোন আমার বার করা জিভে ওর বাঁ চটির তলা ঘসে আমাকে আদর করতে করতে বললো , ” কেউটে টা আরো ২ ইঞ্চি বাড়লো কি করে লেংটু ? আমার চটির তলার ময়্লা খেয়ে ও রাগে ফুঁসছে নাকি ?” আমি ওর চটির তলায় গাঢ় চুম্বন করে বললাম, ” না প্রভু। ও খুশি হলেই এরকম লম্বা হয়ে যায় আনন্দে।

সেদিন ছিল বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনাল। আমি ফুটবল দেখ্তে খুব ভালবাসতাম। সারাদিন অপেক্ষা করেছিলাম কখন খেলা শুরু হবে। কিন্তু খেলা শুরু হওয়ার সময় হলেও আমার ৩ বছরের ছোট বোন আর মা tv তে সিনেমা দেখতে লাগলো । মা খাটে আর বোন চেয়ারে বসে ছিল। আমি আমার ক্লাস ৮ এ পরা বোনের পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে হাতজোড় করে বললাম “বোন, প্লিজ আজ এক্টু খেলা দেখতে দিবি আমাকে?” এক্জন বড় দাদা হিসাবে ছোট বোনের কাছে অনুরোধ ছাড়া আর কি করতে পারি আমি ? বোন কিছু বল্লো না, TV দেখে যেতে লাগ্লো। আমি আমার সুন্দরী বোনের লাল চটি পরা সুন্দর পায়ের ওপর মাথা নামিয়ে ঘস্তে থাকলাম, “প্লিজ বোন, এক্টা দিন, আমার অপর এক্টু দয়া কর আজ।” অনেক্ষণ ওর পায়ে মাথা ঘসার পর বোন মুখে হাসি ঝুলিয়ে বল্ল, “ একটু পা টিপে দে আমার , তার পর দেব।” আমি বোনের সুন্দর পা দুটো কোলে তুলে যত্ন করে টিপ্তে থাকলাম। ৩০ মিনিট পর বোনকে বল্লাম,”বোন, প্লিজ এবার এক্টু দে, ৩০ মিনিট খেলা হয়ে গেল। দাদার ওপর এক্টু দয়া কর আজ।” বোন ওর চটি পরা ডান পা তুলে আমার মুখে সজোরে লাথি মার্লো এক্টা। “ বোনের কিভাবে সেবা কর্তে হয় জানিস না জানোয়ার ? এভাবে উদাসীন হয়ে পা টিপবি আর তার জন্য তোকে খেলা দেখ্তে দিতে হবে ? ভাল করে ভক্তি ভরে পা টেপ, এমন ভাবে যেন মনে হয় তুই তোর প্রভুর পা টিপছিস। ” আমি বোনের পায়ে মাথা ঠেকিয়ে বলি, “নিস্চয় বোন, তুই তো আমার প্রভুই।” আমি বোনের পায়ের তলায় শুয়ে পরি, বোন বিনা দ্বিধায় আমাদের মায়ের সাম্নেই আমার মুখের ওপর ওর লাল চটি পরা পা দুটো তুলে দেয়। মা বলে, “ ভাল দাদার মত ছোট বোনের সেবা কর।” আমি বলি “করছি মা।” বোন ওর চটি পরা ডান পা টা রাখে আমার ঠোঁটের ওপর, আমার ঠোঁটজোড়া নিয়ে খেল্তে থাকে ওর চটির তলা দিয়ে। আর ওর চটি পরা বাঁ পায়ের তলাটা ঘস্তে থাকে আমার চোখ আর কপালের ওপর। আমি বোনের পা বেশ মন দিয়ে টিপ্তে থাকি। বোন খেল্তে থাকে আমার ঠোঁটজোড়া নিয়ে, ওর চটি পরা পায়ের তলা দিয়ে । ওর চটির তলাটা বেশ ময়্লা। আমার ঠোঁটের ফাক দিয়ে বোনের চটির তলার ময়্লা মুখে ঢুকে যেতে থাকে। আমার কেনো জানিনা অদ্ভুত ভাল লাগ্তে থাকে মায়ের সাম্নে এভাবে বোনের সেবা করতে। আমি আরো মন দিয়ে টিপতে থাকি বোনের পা, আর চুম্বন করতে থাকি বোনের ডান চটি পরা পায়ের তলায়। ঠিক সেই সময় টিভির আওয়াজ শুনে বুঝ্তে পারি বোন খেলা দিয়েছে, কিন্তু বোনের বাঁ পা টা ঠিক আমার চোখের ওপরে থাকায় আমি কিছু দেখতে পাইনা। ওর দয়া পাওয়ার আশায় আরো মন দিয়ে ওর পা টিপতে থাকি, ওর ডান চটির তলায় আর গভীর ভাবে চুম্বন কর্তে থাকি। বোন খেলা দেখ্তে দেখ্তে আমার মুখ নিয়ে খেল্তে থাকে ওর চটি পরা পায়ের তলা দিয়ে। হঠাৎ এভাবে বোনের সেবা কর্তে পারার জন্য কেমন এক্টা অদ্ভুত ভালোলাগা ঘিরে ধরে আমাকে। আমার সামনের টিভি তে আমার প্রিয় দল স্পেন ওয়াল্ড কাপ খেল্ছে, কিন্তু আমি দেখ্তে পারছি না, কারন আমার ৩ বছরের ছোট বোন ওর চটি পরা পা দিয়ে আমার চোখ ঢেকে রেখেছে, আর ওর অন্য পা দিয়ে খেল্ছে আমার ঠোঁট নিয়ে । একথা ভাবতেই এক অপূর্ব আনন্দে মন ভরে যায়, পরম ভক্তিতে বোনের পা টিপ্তে থাকি আমি। বোন ওর ডান পা দিয়ে আমার ঠোঁট টা খুব জোরে ঘস্তে থাকে। আমার বোন ওর চটির তলা দিয়ে একবার আমার ঠোঁট একদিকে বেঁকাতে থাকে, আর তারপর অন্যদিকে। আমার এই খেলা দেখ্তে না পাওয়া আর সেই অবস্থায় এভাবে বোনের সেবা কর্তে কেন জানিনা অপুর্ব লাগ্তে থাকে। এই না পাওয়ার মধ্যেই কি এক অনন্ত পাওয়াকে আবিস্কার করি আমি। মা বলে বোনকে, ” tv র ছেয়ে তুই দাদার মাথাকে বল বানিয়ে তোর পা দিয়ে যেই ফুটবলটা খেলছিস, সেটা দেখ্তে অনেক বেশী ভালো লাগ্ছে। বোন বলে, আমি ওদের চেয়ে অনেক ভাল ফুটবলার, দেখ্বে কেমন কিক মারবো এই বলটায় ? এই বলে বোন ওর ডান পা তুলে আমার গালের ওপর সজোরে এক্টা কিক মারে, ঠিক এমন ভাবে যেন ও ফুটবলার দের মত বলে কিক কর্ছে।
মা হেসে ওঠে বোনকে আমার মুখে কিক মারতে দেখে। আমার বোন আমার মুখ নিয়ে ফুটবল খেলা চালিয়ে যেতে থাকে। কানে শুনতে পাই টিভির football কমে্ট্রি, কিন্তু চোখে দেখতে পাই আমার মুখকে বল বানিয়ে বোনের ফুটবল খেলা। আমার মুখ আর মাথার সর্বত্র বোন লাথি মার্তে থাকে জোরে জোরে, আমি খেলার কমেন্ট্রির সাথে শুনতে পাই মা আর বোনের হাসি। একটু পরে মা বলে কিন্তু খেলোয়াড়রা তো চটি পরে খেলে না, জুতো পরে খেলে। বোন বলে, “তাই তো।” তারপর আমার মাথার ওপর লাথি মেরে বলে, “যা, আমার জুতোটা নিয়ে আয়।” আমার মন তখন বোনের হাতে অপমানিত হওয়ার আনন্দে পরিপুর্ন, আমি বোনের পায়ে মাথা ঠেকিয়ে বোনকে প্রনাম করি। তারপর ৪ হাত পায়ে গিয়ে জুতোর তাক থেকে বোনর সাদা স্নিকার টা মুখে করে নিয়ে আসি। আমাকে ৪ হাত পায়ে বোনের জুতো মুখে করে আন্তে দেখে মা আর বোন হাসিতে ফেটে পরে। আমি বোনের পায়ের সাম্নে হাটুগেড়ে বসতে বোন আমার মুখে লাথি মেরে বলে “আমার পায়ে জুতো পরিয়ে দে।” আমি মাথা নিচু করে বোনের পায়ে জুতো পরিয়ে দি। “আগের মত শুয়ে পর আমার পায়ের তলায়। এখন তুই ফুটবল আর আমি ফুটবলার। এখুনি world cup final শুরু হবে।” এক অদ্ভুত আনন্দ আমার দেহ মনকে ঘিরে ধরলো । আমি বোনের জুতো পরা পায়ের তলায় শুয়ে পরলাম । বোন আমার মুখে জুতো পরা
ডান পা টা রেখে জুতোর তলাটা আমার মুখে ঘস্তে ঘস্তে বলে, “মা, তুমি কমেন্ট্রী দাও ।” মা কমেন্ট্রী দিতে থাকে, আপনারা দেখছেন বিশ্ব কাপ ফুটবলের ফাইনাল ম্যাচ, এখুনি খেলা শুরু হবে। আপনারা দেখতে পাচ্ছেন বিশ্বের শ্রেষ্ঠ খেলোয়ার সহেলি(আমার বোনের নাম ) তার জুতো পরা ডান পা তটা বলের ওপর রেখে দাড়িয়ে আছেন আর বলের ওপর নিজের জুতোর তলাটা ঘসছেন। আমরা অনুভব করতে পারি বলটা নিজেকে কত ভাগ্যবান ভাবছে। প্রিথিবীতে বোধহয় এমন কোন ছেলে নেই যে ওই বলটার জায়্গায় থাক্লে খুশী হত না।” মায়ের কমেন্ট্রী চলতে থাকে। বোন ওর জুতোর তলা আমার মুখের সর্বত্র ঘস্তে থাকে। হঠাত বোন পা তুলে আমার মাথার একপাশে লাথি মারে। শুনতে পাই মা কমেন্ট্রী কর্ছে , “দেখ্তে দেখ্তে খেলা শুরু , বলে লাথি মেরে খেলা শুরু করলেন প্রিথিবীর শ্রেষ্ঠ খেলোয়ার সহেলী। বলটা এক মেয়ের পা থেকে আরেক মেয়ের পায়ে ঘুরছে। অনবদ্য পাসিং আর কিকিং আমরা দেখ্তে পাচ্ছি খেলার শুরু থেকেই। আজি প্রিথিবীর প্রথম ম্যাচ যেখানে মেয়েরা বলের বদলে একটা জীবন্ত ছেলেকে ফুটবল হিসাবে ব্যাবহার করছে। মানতেই হবে এই খেলা অনেক বেশী আকর্ষনীয় । ” মায়ের কমেন্ট্রী চলতে থাকে আর বোনের স্নিকার পরা দুই পাই আমার মুখ আর মাথার সর্বত্র আছড়ে পরতে লাগ্লো। আমার নাক, মুখ, ঠোঁট ,গাল, কপাল, চোখ সর্বত্র লাথি মার্তে লাগ্লো আমার বোন জোরে জোরে, ওর জুতো পরা পা দিয়ে, এমন ভাবে যেন সত্যিই ও আমাকে বল বানিয়ে football খেল্ছে। ব্যাথা লাগা সত্যেও আমি মোহিত হয়ে গেলাম এই খেলায়, বুঝলাম মেয়েরা যখন ছেলেদের মুখ্কে বল বানিয়ে ওদের পবিত্র পা দিয়ে ছেলেদের মুখে লাথি মেরে খেলে, সেটাই আসল ফুটবল খেলা।
বোনের পা আমার মুখের সর্বত্র আছড়ে পর্তে লাগ্লো আর এক গভীর ভাল লাগা আমাকে আচ্ছন্ন করে তুল্লো। এক্টু পরে বোন চেয়ারে বসে পরলো, মা বল্তে লাগ্লো ‘ এখন হাফ টাইম । সব মেয়ে খেলোয়াড়ের জুতো খেল্তে খেল্তে নোংরা হয়ে গেছে। তাই এই জিবন্ত বল এখন চেটে পরিস্কার করে দেবে মেয়েদের জুতো।” বোন আমার মুখে লাথি মেরে বল্লো “ জিভ বার কর কুত্তা ।” আমার বুঝতে অসুবিধা হলনা কেন বোন আমাকে জিভ বার কর্তে বল্ছে। আমি যতটা সম্ভব বার করে দিলাম আমার জিভ। বোনে ওর ডান জুতোর তলাটা নামিয়ে দিল আমার সম্পুর্ন বার করে দেওয়া জিভের ওপর, জুতোর তলাতা ঘস্তে লাগ্লো আমার জিভের ওপরে। বোন অর ডান জুতোর তলাটা ঘষে চললো আমার জিভে, একবার বোনের জুতোর হীল আমার জিভ স্পর্শ করছিল , পরমুহুর্তেই ওর জুতোর সামনের অংশ আমার জিভ ছুচ্ছিল। এই জুতো পরে বোন স্কুলে যায়, মাঠে খেলে। জুতোর তলাটা কাদা, আর মাটিতে ভরা। মুখ জুড়ে কাদা আর মাটির অস্বস্তিকর স্বাদ পাচ্ছিলাম আমি, কিন্তু সেটা আমার পবিত্র দেবীসম বোনের জুতোর তলা থেকে আস্ছে এই চিন্তা ওই স্বাদকেই অমৃত করে তুলেছিল আমার কাছে। বোনের জুতর তলা থেকে ওই ময়্লায় আমার মুখ ভরে যেতে লাগ্লো, আর নিজের বোনের জুতোর তলার ময়্লা পরম আনন্দে গিলে খেতে থাকলাম আমি। শুনলাম মা কমেন্ট্রী কর্ছে , আপনারা দেখ্তে পাচ্ছেন জীবন্ত এই চরম ভাগ্যবান বলের জিভে নিজের জুতোর তলা মুছে পরিস্কার করছেন বিশ্বের শ্রেষ্ঠ খেলোয়ার সহেলি। দেখুন কিভাবে বলের জিভ্টা লাল থেকে পুরো কালো হয়ে যাচ্ছে আর সহেলির জুতোর তলা কালো থেকে হয়ে উঠছে চকচকে সাদা। আমাদের স্বীকার করতেই হবে এই বলটা অতি সৌভাগ্যবান যে তার অতি তুচ্ছ জিভে নিজের জুতোর তলা মুচ্ছেন সহেলির মত খেলোয়ার।”
মায়ের কমেন্ট্রী চলতে লাগ্লো । আর ডান জুতো পরিস্কার হয়ে গেলে বোন ওর বাঁ জুতোর তলাও আমার জিভে ঘষে পরিস্কার কর্তে লাগ্লো। আমি চেটে খেতে লাগলাম বোনের জুতোর তলার ময়্লা, পুজোর প্রসাদের মত ভক্তি করে। মেয়েদের হাতে অপমানিত হতে এত মজা আগে বুঝিনি কেন আমি ? আমার জিভে বোন ওর পবিত্র জুতোর তলা ঘষে চললো আর টিভির কমেন্ট্রীতে অস্পষ্ট শুনতে পেলাম খেলার শেষ মুহুর্তে গোল কর্লো স্পেন। কিন্তু ওই খেলায় তখন আমার আর কোন আগ্রহ নেই। আমি জেনে গেছি আসল ফুটবল খেলা সেটাই যেটা বোনে আমাকে বল বানিয়ে খেলছে।

সেটা ছিল একটা শীতের সন্ধ্যা । আমার আদরের বোন অনন্যা ঘরে বসে টিভি দেখছিল । ওর পরনে ছাই রং এর জ্যাকেট আর কালো প্যান্ট, পায়ে নীল চটি । একটু আগে আমার করা টিফিন শেষ করে ও এখন পায়ের ওপর পা তুলে চেয়ার এ বসে টিভি দেখছে। আমি ওর স্কুলের জুতো পরিস্কার করে এখন ওর স্কুল ড্রেস আয়রন করছিলাম। হঠাৎ বোন ডাকলো , “দাদা, শোন।” আমি ওর কাছে গিয়ে বল্লাম, “বলো”। এমন না যে সবসময় আমি ওকে “তুমি “ বলে সম্বোধন করি। তবে ও আমার ৪ বছরের ছোট আদরের বোন, ভালবেসে ওর সব কাজ করে দিই আমি। ওর জন্য টিফিন করি, ওর জামা কাচি,আয়রন করি,ঘর ঝাট দিই,জুতো পরিস্কার করে দিই । অতিরিক্ত ভালবাসাতেই ওকে বেসিরভাগ সময়ে “তুমি” বলে ডেকে ফেলি। বোন কিন্তু সব সময়ে আমাকে তুই বলেই ডাকে।
“দাদা,পায়ে খুব ব্যাথা করছে, একটু টিপে দে না রে ।” মুখে হাসি ঝুলিয়ে বললো বোন। বোন যখন হাসে ওর গালে টোল পরে, ফলে ওর সুন্দর ফরসা মুখটা আরো সুন্দর দেখায়। আমি ওর পায়ের কাছে বসে পরলাম। বোন ওর চটি পরা পা দুটো আমার কোলে তুলে দিলে আমি যত্ন করে আমার আদরের বোনের পা দুটৌ টিপতে লাগ্লাম। এমন না যে আজি প্রথম বোনের পা টিপছি আমি। বোন এই “অনুরোধ” টা প্রায় রোজই করে, আর আমি ভাল দাদার মত ওর পায়ের কাছে বসে ওর পা টিপে দি। বন পা থেকে চটি খোলেনি, চটির ওপর দিয়েই ওর পা টিপে দিচ্ছিলাম। চটি পরা পায়ের পাতা থেকে ওর প্যান্টের ওপর দিয়ে ওর কাফ পর্যন্ত টিপছিলাম,আবার নেমে আসছিলাম ওর চটি পরা পায়ের পাতায় । মাঝে মাঝে ওর চটির ফাক দিয়ে হাত ঢুকিয়ে ওর খালি পায়ের পাতা টিপছিলাম । ছোট বোনের সেবা করতে কেন জানিনা ভীষন ভাল লাগে আমার। ওকে ভাল টিফিন করে খাওয়ানোই হোক,ওর জামা জুতো পরিস্কার করাই হোক, বা ওর পায়ের কাছে বসে মন দিয়ে ওর পা টেপাই হোক, আমাকে এক অদ্ভুত আনন্দ দেয়।
“দাদা,তোকে একটা কথা বলবো ? রাগ করবি না তো ?” আমি ওর ডান পা টা তুলে ওর পায়ের পাতায় চুমু খেয়ে বল্লাম, আমি কখনো তোমার ওপরে রাগ করেছি?” বোন মুখটা বিসন্ন করে বল্ল, “না দাদা,বন্ধুদের সাথে মজা করতে গিয়ে আমি একটা ভুল করে ফেলেছি।” বোনের মুখে বিশাদের ছায়া দেখে আমার মনট খারাপ হয়ে গেল। আমি ওর বাঁ পা তুলে ওর চটির তলায় চুম্বন করে বল্লাম, “কি ভুল বোন?” । “তোর আর আমার ব্যাপারে বারিয়ে বলে ফেলেছিলাম বন্ধুদের। তুই আমার কতটা সেবা করিস সেটা অনেক বারিয়ে বলে ফেলেছি। এখন ওরা বাজি ধরেছে আমার সাথে। আমি যা বলেছি সেতা সত্যি না দেখাতে পারলে ওদের কাছে আমি ছোট হয়ে যাব।” আমি বোনের পা টিপতে টিপতে বল্লাম,” তাতে কি হয়েছে বোন? তোমার বন্ধুদের সাম্নে আমি সেভাবেই তোমার সেবা করবো ,জেভাবে সেবা করার কথা তোমার বন্ধুদের বলেছ তুমি।” “না রে দাদা,আমি ত মজা করে খুব বারিয়ে বলেছিলাম। ওভাবে আমার সেবা কর্লে তোর সম্মান থাকবে না।”,বোন করুন মুখ করে বল্ল।
আমি বোনের ডান চটির তলায় চুম্বন করে বল্লাম,”বোনের সেবা করাতেই তো দাদার সম্মান। বোনের সেবা করলে দাদার আসম্মান হয় নাকি কখন? আমি ঠিক সেভাবেই তোমার সেবা করবো বোন যেভাবে তুমি বন্ধুদের বলেছ। ঠিক কি বলেছ তুমি ওদের?”
“বলছি, তার আগে কথা দে ঠিক ওভাবেই আমার বান্ধবীদের সামনে আমার সেবা করে আমার সম্মান রাখবি?” “হ্যাঁ বোন, আমি কথা দিচ্ছি। তুমি বল।” বোনের পা টিপতে টিপ্তে বলি আমি। “আমার ৩ বান্ধবি, রাই,সুচেতনা আর লিপি কে আমি বলেছি আমি স্কুল থেকে ফেরার আগে তুই আমার জন্নে টিফিন করে রাখিস। আমি বাড়ি ফিরলে তুই দরজার সামনে আমার পায়ের কাছে শুয়ে পরিস।আমি তোর বুকে উঠে দাড়িয়ে তোর শার্ট এ আমার জুতোর তলা মুছতে ঘরে ঢুকি। ঘরে ঢুকে আমি সোফায় বসি,আর তুই দরজা লক করে আমার জুতো পরা পায়ে মাথা রেখে আমাকে প্রনাম করিস। তারপর তুই শুয়ে পরিস আমার পায়ের তলায়।আমি তোর বুকের ওপর পা তুলে, পায়ের ওপর পা রেখে বসি। ওপরে থাকা পা টা তোর মুখের মাত্র ২ ইন্চি অপরে দোলাতে থাকি,আর তুই আমার অন্য পা টিপতেথাকিস। আমার দোলাতে থাকা পা তা মাঝে মাঝে তোর মুখে ,থতে লাগে,তুই কিছু বলিসনা তবু।আমার পা থেকে জুতো মোজা খুলে তুই এর্পর আমার পায়ে চটি পরিয়ে দিস। আমাকে সুস্সাদু টিফিন খেতে দিস এর্পর আর আমি টিভি দেখতে দেখতে টিফিন খাই। তুই গামলায় করে জল এনে আমার পা ধুয়ে দিস,আমার পা মুছে দিস। আমার জুতো পরিস্কার করে জত্ন করে তুলে রাখিস তুই, তারপরআমার পায়ের কাছে বসে আমার পা টিপিস। পা টেপা বা টিফিন ভাল নাহলে আমি তোকে থাপ্পর আর লাথি মারি। তুই কিছু বলিস্না, বরং আমার পায়ে মাথা রেখে ক্ষমা চেয়ে আর ভাল ভাবে পা টিপতে থাকিস। ঐ গল্প শুনে ওরা বিস্সাস করতে চায়নি। আমি ভুল করে শেষে চ্যালেন্জ করে ফেলি।ওরা ৩ জন কাল স্কুলের পর আমাদের বারি আসবে বলেছে। এখন তুই যদি এভাবে সেবা করতে না চাস ওরা আমাকে মিথ্যুক বলবে,আমাকে নিয়ে হাসাহাসি করবে।” বলতে বলতে বোনের মুখ আর করুণ হয়ে গেল,অর চোখ দিয়ে জল পরতে লাগলো।” আমি বোনের চটি পরা পা দুটো ২ হাতে ধরে তার ওপর নিজের মাথা টা নামিয়ে দিলাম। আমার দেবীর মত সুন্দরী বোনের পায়ে মাথা ঘষতে ঘষতেবল্লাম, “এভাবে বোনের সেবা করা ত যেকোন দাদার স্বপ্ন। বোনের সেবা করার জন্নেই তো দাদারা বেঁচে থাকে। তুমি কেঁদনা প্লিজ বোন। ঐভাবে তোমার সেবা করতে পারলে আমার জীবন ধন্য হয়ে যাবে।” বোন হাতের তালু দিয়ে চোখের জল মুছে বল্ল, “সত্তি বল্ছিস দাদা তুই রাজি? আমার বান্ধবিদের সামনে জদি তোর জামায় জুতোর ময়্লা মুছি বা তোর মুখে লাথি মারি তাও কিছু বলবি না তুই?” “না বোন, যতবার আমার মুখে লাথি মারবে তুমি ততবার তোমার পায়ে মাথা ঠেকিয়ে তোমাকে ধন্যবাদ জানাব।”
“আমার বান্ধবীরা কিন্তু বলেছে ওরাও তোর সাথে আমার মত আচরন কর্বে। ওরা লাথি মারলেও তুই কিছু মনে করবি না?” লিপি,রাই আর সুচেতনা কে চিনি আমি। ৩ জন এ আমার বোনের মতই সুন্দরী। আত সুন্দর ৪ জন মেয়ের সেবা করা তো ভাগ্যের ব্যাপার। “না প্রভু, মেয়েদের লাথি খাওয়া তো ছেলেদের কাছে চরম সৌভাগ্যের ব্যাপার।” আমি অনন্যার পায়ে মাথা ঘষতে ঘষতেবল্লাম। বোনের মুখে আবার হাসি ফিরে এল,আমার মাথায় আলতো করে একটা লাথি মেরে বল্ল, “কি বলে ডাকলি আমাকে?” “প্রভু বলে,তুমি তো আমার প্রভূই, আমার মালকিন,আমার আরাধ্য দেবী । তোমার সেবা করার চেয়ে বড় সৌভাগ্য আর কি হতে পারে আমার জীবনে?”
“শুয়ে পর দাদা, তোর বুকে পা রেখে বসে একটু টিভি দেখি।” আমি আমার প্রভুর পায়ের তলায় শুয়ে পরলাম। বোন ওর চটি পরা বাঁ পা টা রাখ্ল আমার গলার কাছে, আর বাঁ পায়ের ওপরে রাখা ওর ডানপা টা আমার মুখের ১ ইঞ্চি ওপরে দোলাতে লাগলো। আমি ভাল দাদার মত যত্ন করে বোনের বাঁ পা টা টিপতে লাগলাম। আর বোন ওর ডানপা দোলাতে লাগলো আমার মুখের ওপর, ওর চটির তলা বারবার আমার ঠোঁট স্পর্শ করতে লাগলো। আমি স্বপ্নেও ভাবিনি কখন এভাবে আমার বোনের সেবা করতে পারবো । যতবার ওর চটির তলা আমার ঠোঁট স্পর্শ করছিল ততবার আমি ওর চটির তলায় একে দিচ্ছিলাম গাঢ় চুম্বন। একটু পরে বোন ওর ডানপা টা আমার মুখের ওপর নামিয়ে দিল। আমার মুখ নিয়ে খেলতে লাগলো চটির তলা দিয়ে। আর আমি বাধ্য চাকরের মত ওর বাঁ পা টিপে চল্লাম। একটু পরে বোন ওর দুটো পাই আমার মুখে নামিয়ে দিল। আস্তে আস্তে ঘষতে লাগলো আমার মুখ, ওর চটির তলা দিয়ে। আর আমি ওর পা দুটো মন দিয়ে টিপে চললাম……………………………
পরদিন বিকেল ৪ টে ।আমি কলেজে যাইনি আজ। সারা দুপুর বোন আর তার বান্ধবীদের জন্য অনেক ভাল আইটেম রান্না করেছি, ঘর সাজিয়ে রেখেছি। আর এখন দরজার সামনে হাঁটুগেরে বসে আমার প্রভুদের জন্য অপেক্ষা করছি। অবশেষে অপেক্ষার অবসান হল। ওরা ৪ বান্ধবী ঘরে ঢুকলো। ঘরে ঢুকেই বোন দরজা লক করে দিল। ওরা ৪ জন ক্লাস ৯ এ পরে। ওদের পরনে স্কুলের সাদা শার্ট, সবুজ স্কার্ট, পায়ে মোজা আর জুতো। আমার বোন আর লিপির পায়ে সাদা স্নিকার আর রাই আর সুচেতনার পায়ে কালো মেরি জেন সু । আমি ওদের সবার পায়ে মাথা ঠেকিয়ে ভক্তিভরে প্রনাম করলাম। ওরা ৪ জন ই এত সুন্দর দেখতে যে ওদের দেখলেই আপনা আপনি মনে ভক্তি জেগে ওঠে ।
তারপর বোনের পায়ের কাছে শুয়ে পরলাম। বোন আমার বুকে উঠে দাঁড়াল। আমি আশা করেছিলাম আমার জামার ওপর বোন ওর জুতোর তলা মুছবে, কিন্তু ও আমার মুখের ওপর ওর জুতো পরা ডান পা টা রাখলো ।তারপরআস্তে আস্তে আমার মুখের ওপর ঘষতে লাগলো ওর ডান জুতোর তলা। এই জুতো পরেই বোন রাস্তা দিয়ে হেটে স্কুলে গেছে, স্কুল থেকে ফিরেছে। আর এখন রাস্তার ধুলো ময়্লা লাগা সেই জুতোর তলা বোন আমার সারা মুখে আমন ভাবে ঘসছে যেন এটা ওর দাদার মুখ না, কোন পাপোশ ! আমি অবাক হয়ে তাকিয়ে দেখতে লাগ্লাম আমার সুন্দরী বোন অনন্যা আমার বুকে জুতো পড়া পায়ে দাড়িয়ে,ওর বা পা আমার বুকে রাখা,আর ডানপা তুলে জুতোর তলার ময়্লা ওর নিজের দাদার মুখে ঘশে পরিস্কার করছে !!
আমার কপাল,নাক গাল,ঠোঁট, সর্বত্র ঘশে চলেছে ওর জুতোর তলা। ডান জুতোর তলা পরিস্কার হয়ে গেলে ডানপা টা আমার বুকে নামিয়ে রাখ্ল অনন্যা ,আর আমার মুখে বাঁ পা রেখে বাঁ পায়ের জুতোর তলা আমার মুখে ঘশে পরিস্কার করতে লাগলো। বোনের জুতোর তলার ময়্লা লেগে জেতে লাগ্ল আমার মুখের সর্বত্র। ঐকটু পরে আমার কপালের ওপর ওর বাঁ পা রেখে আমার চোখে চোখ রাখলো বোন, “সবার সামনে বের করতে লজ্জা পাচ্ছিস?”
“কি বার করবো প্রভু?”,আমি বল্লাম। “যেটা রোজ বার করিস”, বলে বোন মুখে হাসি ঝুলিয়ে জিভ বার করে দেখাল। আমি বুঝতে পারছিলাম না বোন কি চাইছে। আমি আমার জিভটা যতটা সম্ভব বার করে দিলাম, আর অবাক হয়ে দেখলাম বোন আমার জিভে ওর জুতোর তলা মুছতে শুরু করেছে !!! ও আমার জিভের ওপর এমন ভাবে ওর বা জুতোর তলা ঘসছে যেন এটা ভীষন নর্মাল ব্যাপার। ওর বন্ধুরা অবাক হয়ে দেখছে আমাদের। বাঁ জুতোর তলা আমার জিভে ঘশে নতুনের মত চকচকে করে ফেললো আমার বোন। জিভ শুকিয়ে গেলে আমি জিভটা মুখে ঢুকিয়ে ভিজিয়ে নিচ্ছিলাম আর বোনের জুতোর তলার “পবিত্র” ময়্লা গিলে খেয়ে নিচ্ছিলাম। তারপরবোনের জুতোর তলা মোছার জন্য আবার বার করে দিছ্ছিলাম আমার জিভ। বাঁ জুতোর তলা পরিস্কার হয়ে গেলে বোন ওর ডানজুতোর তলাও আমার জিভে ঘশে পরিস্কার করে ফেললো।
এরপর বোন নেমে দাড়াল আমার বুক থেকে আর রাই উঠে দারাল আমার বুকে।মুহুর্তের মধ্যে ওর ব্ল্যাক স্কুল জুতোর তলা আমার মুখ স্পর্শ করলো।আমার মুখের সর্বত্র ঘষতে লাগলো ওর জুতোর তলা। হঠাৎ আমার নাকের ওপর প্রবল জোরে লাথি মারলো প্রভু রাই, আমার চোখ ঝাপশা হয়ে গেল, কানে অস্পষ্ট শুনলাম “জিভ বার কর কুত্তা”। আমি পোষা কুকুরের মতই জিভ বার করে দিলাম, আর আমার ৪ বছরের ছোট বোনের বান্ধবী আমার জিভে ওর জুতোর তলার ময়লা মুছতে লাগলো। আমার কিনতু একটুও অপমানিত লাগছিল না, ওদের মত সুন্দরী মেয়ের সেবা করতে পেরে নিজের জীবন ধন্য মনে হচ্ছিল আমার।
সুচেতনা এরপর ওর বাঁ জুতোর তলাও আমার মুখে আর জিভে ঘশে পরিস্কার করে ফেললো ।তারপরআমার মুখের ওপর থুতু ফেলে ও নেমে দারালে সুচেতনা আমার বুকে উঠে দাড়াল। আমার মুখ আর জিভ কে এক ই ভাবে পাপোশের মত ইউস করে ও যখন নেমে দাড়াল তখন ওর কাল জুতো নতুনের মত চকচক করছে । এরপর লিপিও ওর সাদা স্নিকার এক ই ভাবে পরিস্কার করে নিল। পরিস্কার করা হয়ে গেলেও ও নেমে দাড়াল না, ওর বাঁ পা টা আমার নাকের ওপর রেখে চাপ দিল আর একই সাথে ওর ডানপা আমার গলার ওপরে রাখলো। আমার নিস্সাস বন্ধ হওয়ার উপক্রম হল, বুকটা হাপরের মত ওঠা নামা করতে লাগলো। আর আমার প্রভু লিপি আমাকে ওর্ডার দিল “পা টেপ”। ণিজের সব কষ্ট উপেক্ষা করে আমি লিপির বাঁ পা টা টিপতে লাগলাম। লিপি ওর বাঁ পা এমন ভাবে আমার নাকের ওপর চেপে ধরে আছে যাতে আমি নিষ্সাস না নিতে পারি, আর সেই অবস্থায় বাধ্য চাকরের মত আমি লিপির বাঁ পা টা টিপে চলেছি। আক্সিজেন এর অভাবে আমার জ্ঞান হারাবার উপক্রম হল, তবু আমি মনের সব জোর একত্রিত করে প্রভু লিপির পা টিপে চল্লাম।কতক্ষন টিপলাম মনে নেই,আস্তে আস্তে হাত অবশ হয়ে এল,আমি জ্ঞান হারিয় ফেল্লাম।
যখন জ্ঞান ফিরলো তখন দেখলাম আমি বাইরের ঘর থেকে টিভি রুম এ চলে এসেছি। আমার গলায় একটা ডগ কলার বাঁধা। ষেটা বোনের একহাতে ধরা, আর বোন ওর জুতো পরা পা ২ টো আমার মুখে রেখে টিভি দেখছে। লিপি,রাই আর সুচেতনা আমার বুকে আর পেটে জুতো পরা পা রেখে বসে আছে। ওরা ৪ জন নিজেদের মধ্যে গল্প করতে করতে টিভি দেখছে।
আমার জ্ঞান এসেছে বুঝতে পেরে বোন ওর জুতো পরা ডানপা দিয়ে সজরে আমার নাকের ওপর একটা লাথি মেরে বললো,”কি রে কুত্তা,প্রভুদের সেবা করতে কেমন লাগছে?” বোন এতজোরে লাথিটা মেরেছিল যে আমার আবার জ্ঞান হারানোর উপক্রম হল। তবু আমি বোনের ডানজুতোর তলায় গাঢ় চুম্বন করে বললাম “খুব ভাল লাগছে প্রভু,এভাবে তোমাদের সেবা করতে দেবার জন্য ধন্যবাদ।” বোন এবার বাঁ পা দিয়ে আমার কপালে লাথি মেরে বললো, ”যা ,এবার আমাদের জন্য খাবার নিয়ে আয়।”আমি ৪ প্রভুর পায়ে চুম্বন করে বল্লাম,”যথা আজ্ঞা প্রভু”। আমি উঠে গিয়ে ওদের জন্য খাবার এনে পরিবেশন করলাম ওদের। ওরা যখন খেতে লাগলো আমি ওদের পায়ে পরপর চুমু খেয়ে চললাম।ওরা ৪ জন পরপর বসে খাচ্ছিল আর আমি ওদের প্রত্যেকের প্রতি জুতো পরা পায়ের ওপর ৩ বার করে চুম্বন করছিলাম।সবার পায়ে চুম্বন করা শেষ হলে আবার প্রথম থেকে শুরু করছিলাম। প্রভুদের খাওয়া হয়ে গেলে ওরা ওদের প্লেট নামিয়ে রাখলো মেঝেতে। ”নে কুত্তা,যা পরে আছে খেয়ে নে”,সুচেতনা বললো । ওরা সবাই প্লেটে থুতু ফেললো,তারপর জুতো পরা পা থালার ওপর তুলে দিল।
আমি হাত দিয়ে খেতে গেলে রাই আমার গালে থাপ্পর মেরে বল্ল, ”কুত্তা রা হাত দিয়ে খায়্না,মুখ দিয়ে খা। আমি “ভোউ ভোউ” বলে জবাব দিলাম আর কুকুরের মত প্রভুদের পা রাখা থালা থেকে ওদের আধ খাওয়া খাবার খেতে লাগলাম। আমার গলার ডগ কলার ধরে লিপি মাঝে মাঝে টান্তে লাগ্ল। খাওয়া হয়ে গেলে আমি প্লেট তুলে ধুয়ে রাখলাম। প্লেট ধোয়া হলে ওদের পায়ের কাছে হাঁটু গেরে বসে বল্লাম “এবার কি করবো প্রভু?” বোন গালে চড় মেরে বললো সোফার তলায় শুয়ে পর। আমি শুয়ে পরলাম। আমি ভেবেছিলাম প্রভুরা আমার মুখে বুকে পা রেখে টিভি দেখবে ।কিন্তু বোন সোফার ওপরে উঠে দাড়াল,আর তারপর…… আমার মুখের ওপর……। লাফিএ পরলো সোফা থেকে !!! ওর বাঁ জুতোর তলাটা পরলো আমার কপাল আর চোখের ওপর আর ডান জুতোর তলাটা আমার নাক আর মুখের ওপর। আমার মনে হল আমার নাকটা বুঝি ভেঙ্গে গেছে।কিছু বোঝার আগেই রাই আমার নাকের ওপর পা রেখে সোফায় উঠে দাড়াল, আর লাফ দিয়ে নামলো আমার মুখে। ততক্ষনে সুচেতনা,লিপি আর বোন ও আমার বুকে পা দিয়ে সোফায় উঠে দাড়িয়েছে। আমাকে সামলে নেওয়ার বিন্দুমাত্র সময় না দিয়ে সুচেতনা,লিপি আর বোন আমার মুখের ওপর জুতো পরা পা দিয়ে লাফিয়ে নামলো। ওদের এই লাফ দেওয়া চক্রাকারে চলতেই থাকলো। আমাকে পায়ের তলায় মারিয়ে ওরা উঠে যাচ্ছিল সোফায় আর আমার বুকে,মুখে গলায় নির্বিচারে লাফিয়ে নামছিল। আমার কষ্ট হচ্ছিল ভীষন কিনতু জে প্রবল আনন্দ পাচ্ছিলাম তার কাছে কষ্টটা কিছুই না।
১ ঘন্টা ধরে ওদের এই খেলা চল্লো । তারপর ওরা হাফিয়ে গেলে আমি উঠে সোফাটা মুছে পরিস্কার করে দিলাম। আমার ৪ প্রভু বসলে ওদের ৪ জনের পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করলাম,ওদের জুতো পরা পায়ে চুম্বন করে ধন্যবাদ দিলাম আমার মত এক ক্ষুদ্র জীব কে ওদের পবিত্র পায়ের তলায় স্থান দেওয়ার জন্য। এরপর আমি হাতজোর করে ওদের পায়ের সামনে হাঁটু গেরে বসলাম আর ওরা আমার মুখে লাথি মারতে লাগলো । ৮ টা বাজলে রাই,সুচেতনা আর লিপি উঠে পরলো বাড়ি যাওয়ার জন্য । আমার বাবা মা র অফিস থেকে ফিরতে তখন ১ ঘনটা দেরি। আমি ওদের জুতো পরা পায়ে চুম্বন করে বিদায় জানালাম।ওরা বললো এখন থেকে রোজ বিকেলে ওরা আসবে “আমাকে নিয়ে খেলতে।” শুনে আনন্দে আমার ২ চোখ জলে ভিজে গেল। ওরা চলে যেতে বোন দরজা লক করে আমার কলার ধরে টানতে টানতে আমাকে ভিতরের ঘরে নিয়ে এল। আমি ৪ হাত পায়ে বোনের জুতোয় চুম্বন করতে করতে টিভি রুমে ফিরে এলাম। বন সোফায় বসে টিভি চালাল আর আমি ওর পায়ের ওপর উপুড় হয়ে ওর জুতোর ওপর চুম্বন করতে লাগলাম। বোন আমার মাথায় জুতো পরা পা বোলাতে বোলাতে বললো , “কাল তোকে যা বলেছিলাম সব বানানো গল্প রে কুত্তা। আমরা ৪ বন্ধু মিলে তোকে আমাদের কুকুর বানানোর প্ল্যান করেছিলাম। আমি জানতাম তুই আমাকে কতটা ভালবাসিস, আমার কোন অনুরোধ তুই ফেরাতে পারবি না। তাই এই প্লান করেছিলাম।” আমি বোনের জুতোয় চুমু খেতে খেতে বল্লাম “ঠিক করেছ প্রভু। আমার জায়গা তোমাদের জুতোর তলাতেই ।”

। আমি কলকাতা থেকে রাত এর ট্রেনে শিলিগুড়ি তে আমার বাড়ি ফিরছিলাম। রাতে খেয়ে সবাই শুয়ে পর্লো। আমার সীট নিচে। উল্টো দিকের সীটে আমাদের কলেজের একটা জুনিয়র মেয়ের সীট পরেছিল, অর নাম অপরুপা। নামের মতই অপরুপ দেখ্তে ওকে, সারা কলেজের ড্রিম গার্ল। আমি একবার কথা বলার চেষ্টা কর্লাম, ও পাত্তা দিল না, শুয়ে পর্লো। আমিও শুয়ে পরেছিলাম। একটু পরে এক station থেকে 3 টে মেয়ে উঠলো ।দেখে মনে হয় ১৮ মত বয়েস ওদের। ৩ জনের এ পরনে টপ ,জিন্স আর টেনিস শু । ওরা আমাকে উঠিয়ে দিয়ে বল্ল ওরা বস্বে ওই সীটে । আমি অবাক হয়ে বল্লাম- এটা আমার সীট। আমি তোমাদের সীট ছেড়ে দিলে আমি বসব কোথায় ? একটা মেয়ে হাসি মুখে মেঝের দিকে আঙ্গুল দেখিয়ে বল্ল- কেন, নিচেই তো শুতে পারিস। আমার অপরিচিত ৩ তে মেয়ে, আমার চেয়ে ছোট, আমাকে তুই বল্ছে? আমার কি যে হল, আমি আমার বিছানা নিচে মেঝেতে নামিয়ে দিয়ে ওদের বল্লাম, ঠিক আছে, তোমরা মেয়ে, তোমরা বস। আমি নিচে শুয়ে পর্ছি। ওরা ৩ জনেই গল্প কর্তে কর্তে বসে পর্লো। আমাকে এক্বার thanx ও বল্ল না। আমি অদের ৩ জনের ঠিক পায়ের কাছে বিছানা করে সুয়ে পর্লাম মেয়ে ৩ টের পায়ের কাছে শুয়ে এক্টু ঘুমিয়ে পরেছিলাম। ঘুম ভাঙ্গল বুক আর পেটে কিছুর স্পর্শে। তাকিয়ে দেখি ওদের মদ্ধে ২ জন মেয়ে আমার পেটে আর বুকে নিজেদের জুতো পরা পা দুটো তুলে বসে গল্প কর্ছে। ওরা আমাকে তাকাতে দেখে হাস্লো . যে মেয়েটা আমার বুকে পা রেখে বসেছিল সে বল্ল – তুই যখন আমাদের পায়ের কাছেই সুয়ে আছিস তখন ভাব্লাম তোকে footrest হিসাবে ব্যবহার করি। জানালার পাশে যে মেয়েটা বসেছিল সে পা দুটো রেখেছিল আমার মাথার পাশে। সে আমার চোখে চোখ রেখে বল্ল, – আমিও তোর মুখে পা রাখ্বো ভাব্ছি। তুই তো এখন আমাদের ফুটরেস্ট। আমি বাধা দিতে চাইছিলাম। কিন্তু কি যে হল, মেয়েটার সুন্দর মুখের দিকে তাকিয়ে আমার মুখ থেকে বেরিয়ে এল – নিষ্চয় প্রভু। আমার মুখে তুমি পা রাখ্বে এ তো আমার পরম সৌভাগ্য। আমার মুখে প্রভু ডাক শুনে ওরা হাসিতে ফেটে পর্লো। তারপর আমার প্রভু র ২ টো পাই আমার মুখের অপর রেখে ওর জুতোর তলা দুটো আমার সারামুখে ঘস্তে লাগ্ল। আশ্চর্যের ব্যাপার, খারাপ লাগার বদলে এক দারুন ভাল লাগায় মন ভরে গেল।প্রভু কিছুক্ষন পর আমার মুখে জুতোর তলা ঘসা থামিয়ে আমার মুখে এক্টা লাথি মেরে বল্ল, প্রভুর জুতোর তলায় ময়্লা লাগ্লে পোষা কুকুর কিভাবে পরিস্কার করে জানিস ? আমি মুখে কিছু না বলে জিভ টা লম্বা করে বার করে দিলাম। ওপরে হাসির রোল উঠলো আর আমার প্রভু আমার জিভে জুতোর তলা ঘসে পরিস্কার কর্তে লাগ্ল। যেটা আমার জিভ, সেটা আমার অপরিচিত এই মেয়েটির কাছে পাপোশের বেশি কিছু না। ও আমার জিভে ঘশে নিজের ২ টো জুতোর তলাই পরিস্কার করে ফেল্ল। তারপর অন্য ২ টো মেয়েও এক এক করে ওর সাথে জায়্গা বদল করে আমার জিভ আর মুখ কে পাপোশ হিসাবে ব্যাবহার কর্লো। সকাল হতে ওরা মাল্দা তে নেমে গেল। আমাকে যাওয়ার আগে বল্ল্ল,- গুড বাই ডগি , তারপর পা দিয়ে আমার মাথা ঘষে আদর করে চলে গেল ওরা ৩ জনে। আমি এই ঘটনার ঘোর কাটিয়ে উঠে বস্তে যাব আমার সীটে ,
দেখি ঘুম ভেঙ্গে উথে অপরুপা আমার দিকে তাকিয়ে আছে। আমাকে ওর দিকে তাকাতে দেখে গম্ভীর গলায় বল্লো, উঠে কোথায় যা্চ্ছিস কুত্তা, আমার ফুটরেস্ট দর্কার। আমার কি যে হল, হামাগুড়ি দিয়ে অপরুপার কাছে গিয়ে ওর জুতোর অপর চুমু খেতে লাগ্লাম। ওর পরনে টপ আর জিন্স , পায়ে মিলিটারী স্টাইলের কালো বুট জুতো। আমি আমার কলেজের জুনিয়র মেয়ে অপরুপার একটা বুটের ওপর চুম্বন কর্তে লাগ্লাম, ও অন্য বুট জুতো পরা পা টা আমার মাথায় ঘষে আমায় আদর কর্তে লাগ্লো। এক্টু পরে অপরুপা হুকুম কর্লো– সোজা হয়ে শো। আমি সোজা হয়ে অপরুপ সুন্দরী অপরুপার পায়ের তলায় শুলাম আর জিভ্টা বার করে দিলাম জতটা সম্ভব। অপরুপা আমার মুখ আর জিভে বু জুতোর তলা বুলিয়ে আদর কর্তে লাগ্লো। আমার প্রভু অপরুপার জুতোর তলা, জুতোর তলার প্রতিটা খাজ ও আমার জিভের সাহায্যে চেটে নতুনের চেয়েও বেশি পরিস্কার করে দিলাম। আমার গলায় train এ ব্যাগ বাধার লোহার চেন টা পরিয়ে দিয়ে বল্লো অপরুপা, আজ থেকে তুই আমার পোষা কুত্তা। সব্সময় আমার পায়ের কাছে থাক্বি, এমনকি কলেজে ফিরেও। নিজের সৌভাগ্যকে বিষ্বাস হচ্ছিল না আমার। যে মেয়ের পাশে বসার সৌভা্গ্য কতো ব্রিল্লিআন্ট ছেলের ও পুরন হয় না, আমি এখন থেকে রোজ তার পায়ের স্পর্শ পাব ? আমি আনন্দে ডাক ছারলাম, ভঊউ।ত ট্রেন স্টেসনে এ পৌছালে অপরুপা আমার গলার চেন ধরে টান্তে টানতে নিয়ে চললো। পিছনে ওর সব মাল বইতে বইতে চললাম আমি, ওর গর্বীত ক্রীতদাস।

দিদির সেবা

সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর থেকেই মন দিয়ে দিদির সেবা করছিল অজয় ।
রোজি করে । আজ সকাল ৬টায় ঘুম থেকে উঠে প্রথমে দিদির জন্যে ব্রেক্ফাসস্ট বানায় ও , সঙ্গে চা । তারপর দিদির ঘরে গিয়ে দিদির পায়ে চুম্বন করে ঘুম ভাঙ্গায় দিদির। মুখে হাসি ঝুলিয়ে উঠে দাড়ায় ওর দিদি সীমা । ও দিদির পায়ের কাছে হাটুগেরে বসে দিদির পায়ে লাল চটি পরিয়ে দেয় । সীমা বাথ্রুমে চলে যায় ফ্রেশ হতে । ফিরে এসে সীমা আরাম করে গদি মোড়া চেয়ারে বসে টিভি দেখতে দেখতে খেতে থাকে । ওর ২ বছরের ছোট ভাই অজয় ওর পায়ের কাছে বসে মন দিয়ে ওর ২ টো পা টিপ্তে থাকে । এক্টু পরে হঠাত ওজয়ের মুখে সজরে লাথি মারে সীমা । অজয় উল্টে পরে যায় । “ মন কোথায় থাকে তোর ? চায়ে চিনি কম কেন ? অজয় ভয় পেয়ে যায় । উঠে দিদির পায়ে চুমু খেয়ে ক্ষমা চাইতে থাকে । সীমা লাথি মেরে ওকে সোজা করে দেয় । তারপর ওর ব্ঁ হাতের তালুর ওপর ডান পা রেখে উঠে দাড়ায় । বাঁ পা টা রাখে নিজের ২ বছরের ছোট ভাই অজয়ের মুখের ওপর । ভাই এর মুখটা পায়ের তলা দিয়ে ঘষতে থাকে। ওজয় দিদির পায়ের তলায় চুমু খেয়ে ক্ষমা চাইতে থাকে দিদির কাছে । একটু পরে সীমা ভাইয়ের মুখটা বাঁ পা দিয়ে চেপে ধরে । অজয়ের নাকের ফুটো বন্ধ হয়ে যায় , বাতাসের অভাবে ওর দমবন্ধ হয়ে আসে । তবু ওর বড় ভাল লাগে তার ওপর দিদির এই অত্যাচার । দিদির পায়ের তলায় চুম্বন করে দিদিকে ধন্যবাদ দিয়ে যেতে থাকে ও ।

Follow

Get every new post delivered to your Inbox.