Archives for posts with tag: FEMDOM

( অবশেষে আবার হ্যাক হয়ে যাওয়া ব্লগ ফিরে পেয়েছি । সিকিউরিটির স্বার্থে আর কাউকে password দেওয়া সম্ভব হবে না । একমাত্র অ্যাডমিন হওয়ায় কারো পাঠানো গল্প পোস্ট করতে টাইম লাগতে পারে । কেউ গল্প না পাঠালে নতুন পোস্ট দিতেও হয়তো আগের চেয়ে বেশী টাইম লাগবে ।
এই সাইটে পোস্ট করা কোন গল্প বা ফটো সম্পর্কে কারো কোন আপত্তি থাকলে কমেন্ট করে বা ইমেইলে জানাবেন । বৈধ কারন থাকলে অবশ্যই সেই গল্প বা ফটো ডিলিট করে দেব , বিশেষ করে কারো ফটো তার অনুমতি ছাড়া প্রকাশ করা হয়ে থাকলে। )

বাংলার সবচেয়ে বড় ফেমডম্ সাইটে আপনাকে স্বাগত । এই সাইটের গল্পগুলো সবই কাল্পনিক । পড়ুন , আর উপভোগ করুন ।
বাস্তবে কেউ এর প্রয়োগ করতে যাবেন না ।

 

এই সাইটে female superiority আর female domination নিয়ে অনেক গল্প পাবেন। ফ্যামিলি ফেমডম গল্প  ও পাবেন অনেক। কার কাছে ভাল কোন টপিক থাকলে জানাতে পারেন,আমি গল্প লিখে পোস্ট করব। আর কেউ নিজে গল্প লিখতে চাইলে আমাকে etaami11@gmail.com  এ গল্প পাঠিয়ে দেবেন।

 এখানকার অনেক গল্প অনেকের হাস্যকর বা কুরুচিকর মনে হতে পারে। তাদের বলব, প্লিজ আ্পনার ভাল না লাগলে পড়বেন না ।গল্পগুলো ফ্যান্টাসি ছাড়া আর কিছুই না । আমরা কেউ বাস্তব জগতে এর প্রয়োগ করতে যাচ্ছি না। কোন গল্পকে আকর্ষণীয় করতে সত্যি ঘটনা বলে দাবি করা হতে পারে, তাই ভুমিকাতেই বলে রাখি এখানে পোস্ট করা সব গল্পই ফ্যান্টাসি ।

 HOME

 

প্রভু সোহিনী…

 

আমার প্রভু সোহিনী কলেজে আমার ৩ বছরের জুনিয়র । ওকে প্রথম যেদিন দেখি সেদিন থেকেই ওর সেবা করতে  চাওয়ার বেশী কিছু  আমি চাইনি  । আমি অন্তর্মুখী হওয়া সত্যেও আশ্চর্যজনক ভাবে ওর সাথে আমার বেশ ভাব হয়ে যায় । আমি কলেজে টেবিল টেনিসে চ্যাম্পিয়ন ছিলাম ।

একদিন ও আমার সঙ্গে খেলতে এলে আমি বলি, “তোর সঙ্গে আর কি খেলব ? তুই তো এমনিই হারবি।”  

সোহিনী বলে “ ঠিক আছে , চ্যালেঞ্জ । তুমি জিতলে আমি আর কোনদিন কলেজে টি টি খেলব না । আর আমি জিতলে তুমি কি করবে”?

আমি বলি “ তুই যেখানে বলবি সেখানে নিয়ে গিয়ে খাওয়াব তোকে” ।

ও ভুরু কুঁচকে বলে “আর কিছু না?”

আমি হেসে বলি , “ঠিক আছে , তোর পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রণাম করব তুই জিতলে”।

সোহিনী হেসে বলে – চল , খেলা শুরু করি ।

ও খুব একটা ভাল খেলেনা , আমি ইচ্ছা করলেই জিতে যেতাম । কিন্তু সোহিনীর পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রণাম করার সুযোগ কে হারাতে চায় ? আমি ইচ্ছা করেই হেরে গেলাম । সোহিনী ভুরু নাচিয়ে বলল – আজ বিকেলে পার্কে গিয়ে সবার সামনে আমাকে প্রণাম করবে । তারপর বিকেলে মুভি দেখিয়ে রাতে খাইয়ে তবে তোমার ছুটি । উফফ, আমার যে কি আনন্দ হচ্ছিল !

সেটা ছিল জানুয়ারি মাস , সোহিনীর পরনে সাদা  জ্যাকেট , ছাই রঙের জিন্স , আর পায়ে সাদা স্নিকার । আমার ইচ্ছা করছিল রাস্তাতেই ওর পায়ে লুটিয়ে পরতে ।

পার্কে পৌঁছে ও সুন্দর ভঙ্গীতে গালে হাত দিয়ে বসল এক জায়গায় । আমাকে বলল একটা ফটো তুলতে । আমি তুললাম । ও মুখে হাসি ফুটিয়ে বলল – এবার তোমার আমাকে প্রণাম করার পালা ।

তখন বিকেল ৫ টা । পার্ক ভর্তি অনেক লোক ।  তাদের সামনেই আমি এগিয়ে গিয়ে সোহিনীর পায়ের সামনে হাটুগেরে বসলাম । সোহিনী একটা সিঁড়ির উপরের ধাপে বসে ছিল। ওর জুতো পরা বাঁ পা ও যেই সিড়িতে বসে তার নিচের ধাপে রাখা । ডান পা রাখা তার আরও একধাপ নিচে । আমি সোহিনীর সামনে হাটুগেরে বসায় অনেকেই কৌতূহলী দৃষ্টিতে আমাদের দেখতে লাগল । আমার ভীষণ ভাল লাগছিল এত লোকের সামনে সোহিনীকে প্রণাম করব ভেবে । আমি আসতে আসতে নিজের মাথাটা সোহিনীর জুতো পরা ডান পায়ের উপর রাখলাম । হাত বাড়িয়ে সোহিনীর পা টা জড়িয়ে ধরে ওর জুতোর উপর মাথা ঘসতে লাগলাম ।

একটা অপরিচিত মেয়ে কৌতূহলী হয়ে এগিয়ে এসে সোহিনী কে জিজ্ঞাসা করল – ও তোমাকে প্রণাম করছে কেন ?

সোহিনী ওকে আমাদের বেটের কথা বলে মেয়েটাকে বলল – ও আমাকে প্রণাম করছে এই অবস্থার একটা ভিডিও তুলে দেবে তুমি , প্লিজ ?

মেয়েটা বলল –  ঠিক আছে, দিচ্ছি । কিন্তু ওকে আমাকেও প্রণাম করতে হবে এরপর ।

সোহিনী হেসে বলল – ওকে, নো প্রব্লেম । এই বলে ও মেয়েটির দিকে নিজের স্মার্ট ফোনটা বাড়িয়ে দিল ছবি তোলার জন্য । আমি তখন সোহিনীর জুতো পরা ডান পায়ের উপর পরম ভক্তিতে মাথা ঘষে চলেছি । অপরিচিত মেয়েটি আমাদের ভিডিও তুলতে লাগল । আর সোহিনী নিজের জুতো পরা বাঁ পাটা  আমার মাথার উপর রেখে ওর জুতোর তলাটা আমার মাথায় ঘসতে ঘসতে বলল, – এই তো , আরো ভক্তিভরে প্রণাম কর আমাকে ।

সোহিনী আমার মাথার উপর ওর বাঁ জুতোর তলা ঘষতে লাগল, আরআমিপরম ভক্তিভরে ওর ডান জুতোর উপর নিজের মাথা ঘসতে লাগলাম।মাঝে মাঝে চুম্বন করতে লাগলাম ওরডান জুতোর উপর ।
পার্ক ভর্তি লোক অবাক হয়ে আমাদের দেখতে লাগল।
কেউ কেউ আমাকে নিয়ে হাসাহাসি শুরু করল । সোহিনী ওর বাঁ পাটা আমার মাথার উপর স্থির করে বলল– নে তোকে আশীর্বাদ করছি , আর কখন পরীক্ষায় ফেল করবি না তুই। ওঠএবার।

আমি ওর দুটো পা দুই হাতে ধরে ওর জুতোর উপর চুম্বন করে বললাম , – থ্যাঙ্ক ইউ সোহিনী । তারপর উঠে দাড়ালাম । যে মেয়েটা এতক্ষণ ভিডিও তুলছিল সে ফোনটা সোহিনীর হাতে দিয়ে বলল , এবার আমাকে প্রণাম করার পালা । মেয়েটা গিয়ে সোহিনীর পাশে বসে পরল । আমি তাকিয়ে দেখলাম মেয়েটা ফরসা আর খুব সুন্দরী । আমি ওর সামনে হাটুগেরে বসে নিজের মাথাটা মেয়েটার পিঙ্ক স্নিকার পরা পায়ের উপর নামিয়ে দিলাম । নিজের মাথাটা ঘসতে লাগলাম অপরিচিত এই মেয়েটার জুতো পরা পায়ে ।

সেদিন ওদের দুজনকে মাল্টিপ্লেক্স এ সিনেমা দেখিয়ে রেস্টুরেন্টে খাইয়ে তবে ছাড়া পেলাম আমি । অন্য মেয়েটির নাম জাগ্রীতি, ইঞ্জিনিয়ারিং এর স্টুডেন্ট । সোহিনী আমাকে বলল , এবার থেকে যখনি আমরা বলব , আমাদের খাওয়াতে বা সিনেমা দেখাতে , তখনি নিয়ে যেতে হবে । আর রোজ আমাদের পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রণাম করতে হবে । আমরা টায়ার্ড হলে আমাদের পা টিপে দিতে হবে । নাহলে তোমার প্রণাম করার ভিডিও ফেসবুকে আপলোড করে দেব ।  আমি রাস্তার মাঝখানে ওদের পায়ে মাথা ঠেকিয়ে বললাম , এখন থেকে তোমরা যা বলবে , আমি তাই করব । 

পুনেতে গোলামি…

 

Ami Bisu….Amar boyesh ekhon 37
Office kaajer sutre, 2 masher jonne amake Maharashtra r Pune te jete hoy.
Ami as per reporting date, office giye hajir holam.
Tarpor jatharithi nijer kaaj shuru korlam
Office beshi lok chilo na. Kichu field executive chilo aar tin jon MIS executive chilo. MIS executive ra tin joni meye.
Tin jon meye holo – Heta, Bhumika, Harsha
Field executive ra maximum baireyi thakto. Office thaktam sudhu ami aar oi tin jon MIS er meye ra.
Meye tin ter modhem bhumika ta chilo khub chebla. Heta chilo khub sundor aar nijer kaj niye beshto thakto. Harsha chilo bibahito kintu khub frank.
Jai hok kaaj korte korte ek saptaher modhe amar sobar songe besh bhalo terms hoye gelo.
Ei boli ashol kotha….
Kaajer chape ekbar MIS er meyeder sunday ashte bola holo. Being their boss, amakeo jete holo.
Sunday giye office kaaj shuru korlam.
Dekhlam bhumika ekta knee height skirt pore eseche. Ek paye abar ekta anklet. Pa gulo sundor pedicure kore eseche with proper nail enamel.
Ami – Kyu hua bhumika, aaj bahut saj dhaj ke ai ho? Oh ho…payon mei anklet.
Ei bole ami or paye hath dilam anklet dekhar jonne.
Bhumka – Acha to aapko anklet acha laga. Lo to achi tarah dekho.
Ei bole bhumika nijer pa ta amar thigh er opore rekhe dilo.
Ami bhalo kore or paye hath buliye dilam. tarpor o pa shoriye nilo.
Kichukhon por dekhi o table e matha nichu kore shuye ache.
Ami – Kya hua bhumika…r u alright?
Bhumika – Nehi Sir. Payon mein bahut dard kar raha hai
Ami – Ek kaam karo…sofa pe let jao.
Bhumika omni giye sofa te shuye porlo.
Ami or payer samne giye boshlam.
Ami – Bhumika, thora feet massage kar doon, shayed tumhe aram lage
Bhumika – Kya Sir…aap mera payon dabaoge?
Ami – Haan..to kya hua
Bhumika – Thik hain
Ami ashte bhumika pa tipte rakhlam
Paas theke Heta aar Harsha dekhe obak
Harsha – Kya Sir….humse koi dushmani hai? Hamara bhi to itna kaam hai…we are also stressed. Humara bhi to stress relief kar do.
Bhumika pa tepa hoye gele, ami harshar pa tipte shuru korlam.

-Harsha – Bah Sir. Aap to bahut acha payon dabate hon.
Bahut aram mil raha hai.
Heta – Aur Sir main?
Ami – Aree tum to mere khaas hon…how do i miss u?
Heta – Ha Ha Ha
Heta r pa gulo eto sundor je mone hochilo kole niye pujo kori.
Jai hok ebar heta r pa tipte shuru korlam.
Heta to aram peye chair e boshe ghumiyei porlo.
Tarpor dekhi bhumika sofa te shuye royeche aar harsha o nijer kaaje beshto.
Ami heta r pa tipte tipte or pa duto chatte shuru korlam. Kintu tobu heta kichu bujhte pare ni.
Ami moner anande or pa chatchi….ki mishti laagche.
Thik sei somoy….
Harsha – Areeee Sir! Yeh aap kya kar rahe hon?
Ei bole chechiye uthlo.
Heta aar bhumika harsha jor gola peye uthe gelo
Bhumika – Kya hua harsha….kiyun chilla rahi hai
Harsha – Aree bhumika…Sir Heta ka payon chaat rahe the
Heta – Kya?
Heta – Sir…aap mere payon kyun chat rahe the
Amar kono jobab chilo na deoar
Harsh & Bhumika – To Sir….humara bhi thora seba karo….humbhi to gulam rakhne ka maaja le
Harsha – Chaliye Sir…shuru kijiye…mere dahine payon se.
Ami harsha dan pa chat te shuru korlam. Tarpor ba pa chatlam.
Erpor bhumika r pa gulo mukhe niye chatlam.

Ei korte korte…amar pant er nich nunu ta almost khara hochilo.

Harsha ei ta lokho kore…ebon heta ke kaane kaane bole.

Tarpor pechon theke eshe soja amar panter opor theke nunu hath dey
Harsha – Yeh kiya Sir…Aapka halat bahut kharap hain kya?
Ami – Nehi kyun
Bhumika – Tu aisa kyun kah rahi Sir ko?
Harsha omni bhumika hath ta niye amar pant er opore rekhe dey
Bhumika pant er opore amar nunur sporsho peye…jore jore hashte thake
Bhumika – Sir…you are already aroused
Ami – Yes Ma’am
Harsha – Koi baat nehi Sir.. We will help you
Ami – Matlab?
Heta – Aree Sir..kyun ghabra rahe hon?…hum sab to aapke apne log hain…
Ami – Tum kiya bol rahe hon heta…mujhe kuch samajh mein nehi a raha
Harsha – Kuch samajhne ki jarurat nehi..
Ei bole harsha amar pant khulte gelo
Ami – Ei yeh kya kar rahe hon?
Harsha – Kya humare samne sharam kaisa…
Ei bole bhumika aar heta amake sofa te shuyiey dilo. Tarpor Heta amar hath aar bhumika amar pa jore dhore rakhlo. Aar harsha ashte amar pant ta khule dilo.
Ami puro udum langta hoye gelam.
Sei dekhe….tin joner ki hashi….
Harsha omni nir didhaye amar nunu niye khelte laglo.
Bhumika nijer pa diye amar nunu ta narate laglo.
Heta – Kya Sir…maja a raha hai?
Ami — hhhhh
Harsh nijer pa ta abar amar mukhe dhukiye dilo.
Bhumika nijer pa diye amar buke bolate laglo
Heta nijer dui pa diye amar nunu narate laglo.
Er por harsha amar nunu nariye diye release koriye dey.

Er por theke protidin amake oder golami korte hoy .

 

Ami amar jibone besh koekbar femdom er obhiggota labh korechi.amar prothom exprence amar jokhon age 14.ami tokhon ninth standard.ami ekbar ek dorkar e chillam jethimar barite.besh koekdiner jonno pray ek maas chilam okhane.sei somoy jethima r tar meye j amar theke 4 Bochorer choto.ami jama kapor pack kore chole elam thakte.amar exam sesh hoe gachilo.tai esei khela suru korlam.prothome kichu na bolleo pore jethima birokto holo ar ghorer modhe khelte na korlo.ami na suneo khelchikam.takhon baddho hoe jethima chade gie khelte bollo.kintu jhamela holo porpor tin bar paser barite ball jaoate r sesh bar janlar kach bhanglo.songe songe paser barir mohila elen r bujhlen j doshta amar e.erpor nijera thik korlen j amake shasti die kacher dam tulben.ami bhablam j mar khete hobe.thik holo porer din sokale suru hobe punisment.
Ami porer din jethima r boner sathe gelam oder bari.oder barite boner bandhobi r 12 bochorer kajer meye chilo.sobai motamuti regei chilo.ebar sobai sofa te boslo r jethima bolllo j ne ebar tui sobar samne jama kapor khule fel.ami to sune pray pagol hoe gelam.eta ki kore sombhob.jethima r paser barir jethima bollo je, ha etai sasti. toke amra marbona but onno rokom bhabe treat korbo.takhon bomma bollo j haa tor lojja paoar kichu nei.karon ami toke onekbar langto kore snan koriechi.toke tor bon o to du ek bar langto dekheche.r sobai to ghorer lok tai kiser lojja.ami er por ar kichu na bhabte pere jama r pant namie dilam r bon sob nie gelo r bomma bollo j ei ek mass tui langto hoye dui barir kaj korbi.arthat puro chakor hoe gelam.

Jethi erpor bollo amader sobaike pronam kor. Ami prothome jethi ar paser barir kakimar paye hat die pronam korlam . erpor bonke pronam korte gele bon bollo or paye matha thekie pronam korte . jethi bollo, bon ja bolche son. Ami bon, or bandhobi ar oder kajer meyekeo paye matha thekie pronam korlam.
Er por boner bondhu hotath bollo er naam ki deoa jay.takhon sobai thik korlo amay lengtu bole dakbe. sobai haste laglo.tarpor jethima bollo j ja tui ekhon sob bason meje fel. er por langto hoei lojjay amar ek din katlo.porer din sokale bomma bollo j ja langto hoye paser barite ja.

ami khub bhoy pelam karon rastar lok dekhbe.bomma bollo tor abar lojja kiser re.tui to lengtu tor to lojja nei.ei bole jor kore barir baire ber korlo r ami bohu koste pouchalam jodio rastay tinjon mohila amay dekhe khub haslo.oi barite gie prothome sob ghoroa kaj korlam tar por boner bandhobi r kajer meyer paa chatte suru korlam oder kothay. karon jethimar aadesh oder adesh palon korar. Ektu pore bon ese amake die or chotir tola chatalo . tarpor amar mukhe lathi marte laglo bon..ei bhabe ek soptaho katlo.tar por amar lojja onek komlo.kintu erpor suru holo onno khela.bon or bandhobi der o ante laglo r eke eke sokole amay langto dekhlo.parar sob meye Kakima jethima boudi amay langto dekhlo.ami okhane pray famous hoye gelam lengtu hisebe. dekhte dekhte ek maas katlo r amar bari jaoar somoy elo bt takhon eto tai obhas hoeche j amar jama pant porar ichao kome gechilo.ar meyeder seba korteo vishon valo lagte suru korechilo.but sesh porjonto onek lojja bhoy sojjho kore onek kaj sikhe bari firlam.r asar somoy etao promiss kore elam j ami er por theke eka ele langto hoei thakbo ar meyeder seba korbo.

 

মেয়েদের স্কুলের সামনে দিয়ে যাচ্ছিলাম। আমার একটু সামনে ৪ জন ক্লাস ১১-১২ এর সুন্দরী মেয়ে স্কুলে ঢুকছিল। হঠাৎ আমার ঠিক পাশ থেকে কে একজন জোরে সিটি দিয়ে উঠলো। ‘কে রে?’ বলে মেয়েরা একসাথে ঘুরে দাড়ালো। আমি ভয়ে থতমত খেয়ে গেলাম। একটা মেয়ে আমার দিকে আঙ্গুল তুলে বলল, এই ছেলেটাই সিটি দিয়েছে। দুটো মেয়ে একসাথে এগিয়ে এল আমার দিকে। কিছু বোঝার আগেই একজন আমার চুলের মুঠি ধরলো। অন্যজন খুব জোরে চড় মারল আমার বাঁ গালে। মেয়েদের দেখলেই অসভ্যতা করতে ইচ্ছা করে তোর, না রে জানোয়ার ? তোর মত জানোয়ার কে কি করে মানুষ করতে হয় আমার জানা আছে। একটা মেয়ে বলল। তারপর এগিয়ে এসে আমার গালে একের পর এক চড় মারতে লাগলো। আমার চোখে জল এসে গেল। লজ্জায় আর অপমানে। মার তবু সহ্যকরা যায়, কিন্তু এই অপমান ? আমি তো কিছুই করিনি, মেয়েদের আমি খুব সম্মান করি। মেয়েদের সাথে এরকম অসভ্যতা করার কথা আমি স্বপ্নেওভাবতে পারিনা। কিন্তু ওরা ধরেই নিয়েছে সিটি আমি মেরেছি। একের পর একচড়মেরে চলেছে ফরশা, সুন্দরি মেয়েটা আমার গালে। আর পাশ থেকে একজন পিঠে, বুকে লাথি মারছে জুতো পরা পা দিয়ে। আরেকজন শক্ত করে আমার চুলের মুঠি ধরে রেখেছে।

একটা মেয়ে ততক্ষণে আমার প্যান্ট থেকে বেলটটা খুলে নিয়েছে। আমার হাত দুটো পিছমোড়া করে বেলট দিয়ে শক্ত করে বেধে দিল সে। তারপর অন্য মেয়েদের বলল,  ওকে স্কুল এর গেট এর মুখে মাটিতে ফেলে গেটের সাথে বেধে রাখি। সব মেয়ে ওকে পায়ের তলায় মারিয়ে স্কুলে ঢুকবে। আর  ওর মুখে যতখুশিলাথি মারবে। রাস্তার সব লোক দেখুক eveteasing এর শাস্তি কি হয়। বাকি মেয়েরাও রাজি হয়ে গেল। আমাকে স্কুলের গেটের সামনে মেঝেতে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিল  ওরা। ততক্ষনেআমাদের চারিদিকে অনেক স্কুল এর মেয়ে জমে গেছে। রাস্তার লোকেরাও মজা নিচ্ছে। একটা মেয়ে অনেকটা দড়ি এগিয়ে দিল। মেয়েরা মিলে আমার হাত ,পা গেট এর সাথে শক্ত করে বাঁধলো। যে মেয়েটা আমাকে এতক্ষণচড়মারছিল সে এসে আমার মুখের উপর জু্তো পরা ডান পা টারেখে বলল, সবাই যত খুশি লাথি মার এটাকে। ওর মুখ, নাক, দাঁত, লাথি মেরে ভেঙ্গে দে। ওর মুখে, জিভে ঘসে জুতোর তলা পরিষ্কার কর। যা খুশি কর জন্তু টাকে নিয়ে। সবাই দেখুক eveteasing এর শাস্তি কি হয়। মেয়েটা বলতে বলতে ওর সাদা স্নিকারপরা ডান পা দিয়ে বেশ জোরে জোরে লাথি মারতে লাগলো আমার মুখের সর্বত্র। আমার নাক, ঠোট, কপালে একের পর এক আছরে পরতে লাগলো  ওর জুতো পরা পা। অন্য মেয়েরাও উৎসাহ নিয়ে এগিয়ে এল। আমার মাথায়, বুকে, পেটে লাথি মারতে লাগলো সবাই মিলে। প্রবল ব্যাথায় আচ্ছন্ন হয়ে আমি ভাবতে লাগলাম একটু পরে যখন আমার নিজের ছো্ট বোন, যে এই স্কুলেই  ৯ এ পরে, এসে আমায় এই অবস্থায় দেখবে, তখন আমার কি হবে ? আর যাকে দেখার জন্য আমি রোজ এসে দাড়িয়ে থাকি? আমার ড্রিম গার্ল, ক্লাস ১১ এর ঐশী ? ও আমাকে এই অবস্থায়দেখে কি ভাববে ?

আমার ভাবনা বেশী দূর এগোতে পারল না । মুখে প্রবল জোরে এক আঘাতে আবার বাস্তব জগতে ফিরে এলাম আমি । আমার মুখে যে মেয়েটা লাথি মেরেছে সে আমার বোনের বন্ধু । ক্লাস ৯ এ পড়ে । ফরশা , সুন্দর দেখতে । ওর নাম সুনন্দা । আমাকে চিনতে পারেনি বুঝতে পারছি । আমার বুকে বাঁ পা রেখে দাঁড়িয়ে জুতো পরা ডান পা দিয়ে আমার মুখে লাথি মারছে । আমার নাক টাকেই ও বেশি করে টারগেট করেছে । ওর কালো জুতো পরা পা দিয়ে একের পর এক লাথি মারছে আমার নাকে । ওর মুখে মিষ্টি হাসি , বোঝা যাচ্ছে ও বেশ এঞ্জয় করছে ।

ও শুধু একা মারছে না । আমার মুখে লাথি মারার জন্য মেয়েদের মধ্যে বেশ হুড়োহুড়ি পরে গেছে । অন্তত ৮ থেকে ১০ জন এখন লাথি মারছে আমার মুখ আর মাথায় । আরো অনেকে লাথি মারছে আমার বুকে , পেটে । একজন একটা পোস্টার লিখে গেটের কাছে সাঁটিয়ে দিয়েছে , ইভ টিজার কে লাথি মেরে উপযুক্ত শাস্তি দাও মেয়েরা ।

আমার সারা শরীরে এতজন মেয়ের পায়ের আঘাত আর সহ্য হচ্ছিল না আমার । বিশেষ করে সুনন্দা একের পর এক লাথি মেরে চলেছে আমার নাকের উপর । আমার মনে হচ্ছিল নাকটা বুঝি ভেঙ্গে কয়েক টুকরো হয়ে যাবে । আমি আর পারলাম না । হাতজোর করে মেয়েদের বললাম , “ আমাকে ছেরে দাও প্রভু , আমি কিছু করিনি । সিটিটা আমি মারিনি , বিশ্বাস কর” ।

আমার মুখে প্রভু ডাক শুনে মেয়েরা হো হো করে হাসতে লাগল । সুনন্দা আমার মুখে জুতোর তলা ঘসতে ঘসতে বলল , – দেখ সবাই , ৫ মিনিট লাথি খেয়েই ইভ টিজার মেয়েদের প্রভু বলে ডাকছে । ৫ ঘন্টা লাথি খেলে ও সারাজীবন সব মেয়েকে প্রভু বলে ডাকবে ।

এই বলে আমার মুখের উপর ডান জুতোর তলাটা ধরে বলল , – নে কুত্তা , তোর প্রভুর জুতোর তলায় চুমু খা ।

আমি বিনা প্রতিবাদে আমার থেকে ৫ বছরের ছোট , আমার ছোট বোনের বান্ধবী সুনন্দার জুতোর তলায় চুম্বন করলাম । সুনন্দার শক্ত জুতোর তলায় আমার ঠোঁট জোড়া ঠেকালাম , তারপর চোখ বন্ধ করে ছুমু খেলাম । সুনন্দা তখন আমার ঠোঁট জোড়া ওর জুতোর তলা দিয়ে একটু ঘসে বলল , -এই তো ভাল কুত্তার মতো চুমু খেলি । নে , পর পর চুমু খেতে থাক তোর প্রভুর জুতোর তলায় । 

স্কুলের কয়েক শ মেয়ে , রাস্তার লোক সবাই সুনন্দার কাছে আমার অপমান দেখতে লাগল । আমি একের পর এক চুম্বন করতে লাগলাম ওর জুতোর তলায় । কেন জানিনা আমার মনে হচ্ছিল সুনন্দা আমার থেকে অনেক সুপিরিওর , ওর জুতোর তলায় চুমু খাওয়া টাকেও কেন জানিনা আমার সৌভাগ্য বলে মনে হচ্ছিল । আমি বেশ আবেগের সাথে সুনন্দার জুতোর তলায় চুম্বন করছিলাম ।

সুনন্দা এরপর আমার মুখে ওর জুতোর তলা দুটো ঘসে পরিষ্কার করতে লাগল । ওর জুতোর তলার ময়লা ওর জুতোর তলা থেকে আমার মুখে লেগে যেতে লাগল । তারপর আবার আমার মুখে লাথি মেরে সুনন্দা বলল , -এবার তোর জিভটা বার কর কুত্তা। তোর প্রভু জুতোর তলা মুছবে ।

আমি যতটা সম্ভব বার করে দিলাম আমার জিভ । আর সুনন্দা আমার বার করে দেওয়া জিভে ওর কালো জুতোর তলা ঘসে পরিষ্কার করতে লাগল । প্রথমে বাঁ জুতোর তলা , তারপর ডান জুতোর তলা আমার জিভে ঘসে পরিষ্কার করে ফেলল আমার প্রভু সুনন্দা ।

এরপর সুনন্দা আমার বুক থেকে নেমে দাড়ালে অন্য মেয়েরা আমাকে ব্যবহার করার জন্য হুড়োহুড়ি জুড়ে দিল । একসঙ্গে ৩,৪ জন মেয়ে আমার মুখে জুতোর তলা ঘসতে লাগল , আর একজন আমার বার করা জিভে জুতোর তলা মুছতে লাগল । কয়েকটা নিচু ক্লাসের মেয়ে আমার বুকে , পেটে উঠে আমার গায়ের উপর লাফাতে লাগল জুতো পরা পায়ে ।

আমার মুখের ভিতর টা কাদা মাটিতে ভরে গেল কিছুক্ষনের মধ্যেই । আমার জিভটা পরিষ্কার করার জন্য মুখের ভিতর ঢোকালেই আমার প্রভুরা অধৈর্য হয়ে আমার মুখে লাথি মারতে শুরু করছিল । আমি জিভটা ভিজিয়েই আবার বার করে আনছিলাম যাতে প্রভু আবার জুতোর তলা মুছতে পারে । প্রভুদের জুতোর তলার ঘর্ষণে আমার জিভ শুকিয়ে যাচ্ছিল প্রথমে , তারপর শুকনো জিভ ঘর্ষণের ফলে কেটে যাচ্ছিল । তবু আমি চেষ্টা করছিলাম যাতে আমার প্রভুরা বেশ শান্তিতে আমার জিভের উপর জুতোর তলা মুছতে পারে ।

সবাই আমার জিভে জুতোর তলা ঘসার সুযোগ পাচ্ছিল না । ফলে তারা আমার মুখ আর চুলের উপর জোরে জোরে জুতোর তলা ঘসে জুতোর তলা পরিষ্কার করার চেষ্টা করছিল । এতক্ষণে আমার মুখের উপর কাদা আর মাটির পুরু স্তর পরে গেছে বুঝতে পারছিলাম । ঐশী কেন , আমার ছোট বোন সঞ্চারী এলেও হয়তো আমাকে চিনতে পারবে না আর ।

একটু পরে দেখতে পেলাম ঐশী আসছে । ও এসে গেটে ঝোলান নোটিস টা পরল , তারপর আমার বুকের উপর বাঁ পা টা রেখে ডান পা টা নামিয়ে দিল আমার মুখের উপর । আমাকে পায়ের তলায় পাড়িয়ে ঢুকে গেল স্কুলের ভিতর । একবার ফিরেও তাকাল না । বুঝলাম ওর জীবনে আমার অবস্থান টা এরকমই , ওর পায়ের তলায় পরে থাকা ধুলোর মতো , যারদিকে ও কখনো ফিরেও তাকাবেনা ।

স্কুলের প্রার্থনার ঘন্টা পরে যাওয়ার পর ঢুকল আমার বোন সঞ্চারী । তখন বেশীরভাগ মেয়ে স্কুলে ঢুকে গেছে । শুধু অল্প কয়েকটা মেয়ে আমাকে ঘিরে ধরে আমার মুখে লাথি মারছে । সুনন্দা তাদের একজন । বোনকে দেখে সুনন্দা বলল , – তুই এত দেরী করে এসে অনেক মজা মিস করলি । এই রেপিস্ট টা আজ স্কুলের সামনে ধরা পরেছে । আমি এক ঘন্টা ধরে এটার মুখে লাথি মারছি । আমাকে দেখে বোন চিনতে পারেনি দেখে হাফ ছেড়ে বাচলাম । আমার মুখের কাদা মাটিতে যে অবস্থা হয়েছে, আর মেয়েদের লাথি খেয়ে ফুলে , বেঁকে মুখের এমন অবস্থা হয়েছে যে চেনার কথাও না ।

আমার নিজের ৫ বছরের ছোট বোন সঞ্চারী আমার মুখের উপর ওর জুতো পরা ডান পা টা রেখে আমার মুখের উপর জুতোর তলা ঘসতে ঘসতে বলল , এই রেপিস্ট গুলোর জ্বালায় আমরা ঘর থেকে বেরতে পারিনা । এটাকে এমন শাস্তি দিতে হবে যেন সাড়া জীবন মনে থাকে ।

সুনন্দা হাসিমুখে বলল , অলরেডি এমন শাস্তি পেয়েছে যে সব মেয়েকেই প্রভু বলে ডাকছে ।

শুনে আমার বোন আমার মুখের উপর আলতো করে একটা লাথি মেরে বলল , -এই কুত্তা , আমি তোর কে হই ?

আমি প্রবল আবেগের সঙ্গে আমার ফরসা ছোট বোন সঞ্চারীর জুতোর তলায় চুমু খেয়ে বললাম , -তুমি আমার প্রভু ।

শুনে বোন হো হো করে হাসতে লাগল । তারপর সুনন্দা কে বলল , দাড়া , রেপিস্ট টার মুখে কয়েকটা লাথি মেরে নিই । এই বলে আমার বোন ওর জুতো পরা দু পা দিয়েই আমার মুখে একের পর এক লাথি মারতে লাগল । আমি চুপ করে নিজের বোনের জুতো পরা পায়ের লাথি খেতে লাগলাম।

প্রায় ৩০ টা লাথি মেরে আমার বোন থামল । আমার মুখে জুতোর তলা ঘসে পরিষ্কার করতে লাগল । আমার ঠোঁট দুটো জুতোর তলা দিয়ে ঘষে খেলতে লাগল আমার বোন ।

সুনন্দা বোনকে বলল ,- কুত্তাটার জিভে ঘসে তোর জুতো দুটো পরিষ্কার করে নে ।

- ঠিক বলেছিস । এই কুত্তা , জিভ বার কর । বোন বলল ।

 আমি নিজের জিভটা স্বেচ্ছায় বার করে দিলাম যাতে আমার ছোট বোন আমার জিভের উপর ঘসে ওর জুতোর তলা মুছতে পারে । বোন প্রথমে ওর বাঁ জুতোর তলা তারপর ডান জুতোর তলা আমার জিভের উপর ঘসে পরিষ্কার করে ফেলল । আমি বোনের সাদা স্নিকারের প্রতিটা খাঁজের ফাকে জিভ ঢুকিয়ে চেটে পরিষ্কার করে দিলাম । আর বোন আমার বার করা জিভে আসতে আসতে ঘসতে থাকল ওর পবিত্র জুতোর তলা। বোনের জুতোর তলার ময়লা স্বেচ্ছায় গিলে খেতে লাগলাম আমি ।

-চল ,  কুত্তা টাকে ক্লাসে নিয়ে গিয়ে মজা করি । এই বলে বোন গেটে বাঁধা আমার হাত দুটো খুলে দিল । তারপর আমার হাত বাঁধা ছিল যে বেল্ট টা দিয়ে সেতা খুলে আমার গলায় বেধে দিয়ে বলল ,- কুত্তা , চল , তোর প্রভুদের পিঠে করে ক্লাসে নিয়ে চল ।

 আমি বিনা প্রতিবাদে প্রভুদের আদেশ পালন করলাম । আমি ৪ হাত পায়ে উঠে দাঁড়ালে আমার পিথে প্রথমে সঞ্চারী , তারপর সুনন্দা উঠে বসল । বোন পা দিয়ে আমার হাতে লাথি মেরে বলল , চল কুত্তা , হ্যাট , হ্যাট । আমার গলায় বাঁধা বেল্ট টেনে বোন আমার দিক নির্ণয় করতে লাগল । আমি আমার দুই প্রভুকে পিঠে বসিয়ে সিঁড়ি দিয়ে উঠে দোতলায় ওদের ক্লাস রুমে নিয়ে গেলাম । আমার পিঠে ২ জোন মেয়ে উঠেছে দেখে গোটা স্কুল হাসিতে ফেটে পরল ।

ওদের ক্লাস রুমে পৌঁছানোর পর ওরা আমার পিঠ থেকে নেমে বেঞ্চে বসল । আমি ওদের পায়ের সামনে চার হাত পায়ে দাঁড়িয়ে রইলাম । বোন আমার মুখে জুতো পরা পায়ে লাথি মেরে বলল , – আমাদের পায়ের  তলায় শুয়ে পর ।

আমি তাই করলাম । আমার ছোট বোন সঞ্চারী আমার মুখের উপর ওর জুতো পরা পা দুটো তুলে দিয়ে জুতোর তলা দিয়ে আমার ঠোঁট দুটো ঘসে খেলতে লাগল । আমার খুব ভাল লাগতে লাগল গোটা স্কুলের সামনে নিজের ছোট বোনের জুতো পরা পায়ের তলায় শুয়ে বোনকে আমার মুখ নিয়ে ওর জুতো পরা পা দিয়ে খেলতে দেখে । সুনন্দা ওর জুতো পরা পা দুটো আমার বুকের উপর তুলে দিয়ে আমার বুকে লাথি মেরে বলল , – আমাদের পা টিপে দে জানোয়ার ।

আমি তাই করলাম । গোটা ক্লাসের সামনে পালা করে টিপতে লাগলাম ছোট বোন আর তার বান্ধবীর পা । আর ওরা আমার মুখে আর বুকে জুতো পরা পা রেখে ক্লাস করতে লাগল ।

 

অনেকগুলো ছোট গল্প পোস্ট করলাম …

বউদির বাড়িতে ( লাড্ডু )

আমি বউদির পা টিপছিলাম বউদির পায়ের কাছে বসে। বউদি মানে আমাদের পাশের বাড়ির দাদার বউ মানালি বউদি । বয়েশ ৩০- ৩২ হবে । খুব সুন্দরী । আমি মাঝে মাঝেই বউদিদের বাড়ি যাই । বউদির ফাই ফরমাশ খেটে দিই । বউদির ক্লাস ৮ এ পড়া মেয়েও মাঝে মাঝে এটা ওটা কাজ করায় আমাকে দিয়ে । ও খুব ছোট হওয়ায় আমার একটু অস্বস্তি হয় ।
বউদির পা দুটো রাখা আমার কোলের উপর । আমি বউদির পা টিপছি আর বউদির পা দুটো আমার নুনুর উপর ঘষা খাচ্ছে । আমার মনে হতে লাগলো বউদি ইচ্ছা করেই আমার নুনুর উপর পা ঘসছে । আমার খুব ভাল লাগছিল নুনুর উপর বউদির খালি পায়ের স্পরশ । আমি এমন মন দিয়ে বউদির পদ সেবা করছিলাম কখন বউদির মেয়ে অঙ্গনা ঘরে ঢুকেছে আমি খেয়ালি করি নি । ও স্কুল থেকে ফিরেছে সবে। ও এসেই একটা চেয়ার টেনে নিয়ে আমার পিঠের উপর জুতো পরা পা দুটো তুলে দিয়ে বসে পড়ল । আমার পিঠে জুতোর তলা ঘষতে ঘষতে বলল ,
শুধু মায়ের সেবা করলেই চলবে ? মেয়ের সেবা কে করবে ?
আমি বললাম , আমি তো তোমাদের দুজনেরই চাকর । তোমরা দু জনই যা বলবে , তাই করব আমি ।

শুনে মা মেয়ে দুজনেই খুশী হল । অঙ্গনা আমার পিঠে একটা লাথি মেরে বলল আমাদের পায়ের তলায় শুয়ে পর । আমি তাই করলাম । অঙ্গনা আমার মুখের উপর জুতো পরা পা দুটো তুলে দিল । আর বউদি ওর খালি পা দুটো রাখল আমার নুনুর উপর । আমার মুখে জুতোর তলা ঘষতে ঘষতে অঙ্গনা বলল আমার পা টিপে দে এবার । আমি মহানন্দে অঙ্গনার জুতোর তলায় চুমু খেতে খেতে ওর পা টিপতে লাগলাম । মাঝে মাঝে জিভ বার করে চাটতে লাগলাম ওর জুতোর তলা । আর অঙ্গনা মাঝে মাঝে আমার মুখে জুতো পরা পা দিয়ে লাথি মারতে লাগল । আর বউদি ওদিকে পা দিয়ে খেলতে লাগল আমার নুনু নিয়ে ।

 

ল্যাংটা দাদা( লাড্ডু )

ওটা বের কর ? আবার ঢুকিয়েছিস কেন ? বোন কোমরে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে বলে ।

আমি হাত জোর করে বলি প্লিজ বোন, বিকেল হয়ে গেছে , যেকোনো সময়ে ঘরে অন্য কেউ ঢুকবে ।

আমার অনুরোধে বোন গলে না , মুখ গম্ভীর করে আমার ক্লাস ৯ এ পরা ফরসা সুন্দরী বোন বলে, এলে দেখবে তুই লেংটু হয়ে শাস্তি পাচ্ছিস।  প্যান্ট খোল, আর কান ধর ।

আমি বাধ্য হয়ে প্যান্ট এর চেন খুলে আমার নুনু টা বার করি , তারপর কান ধরে ৩ বছরের ছোট বোনের সামনে নিল ডাউন হই আবার । আমার নুনুটা কেন জানিনা শক্ত হয়ে ওঠে উত্তেজনায় ।

বোন এসে আমার সামনে দাড়ায় , পা তুলে চটির তলাটা আমার নুনুর উপর বলায় একটু , তারপর বলে, এই তো ভাল ছেলে । এরকম ল্যাংটু হয়ে নিল ডাউন হয়ে থাক । আমি লজ্জায় লাল হয়ে যাচ্ছিলাম । বোন আমার নুনুর উপর থেকে পা নামাতে আমি নিজের মাথাটা নামিয়ে দিই বোনের পায়ের উপরে । মাথাটা বোনের চটি পরা পায়ের উপর ঘস্তে ঘস্তে বলি , এবারের মতো ক্ষমা করে দে বোন । আর কখনো এরকম ভুল করব না ।

বোন কিছু বলে না । আমাকে ওর পায়ে মাথা ঘসা চালিয়ে যেতে দেয় । একটু পরে আমি ওর পায়ের উপর চুম্বন করতে করতে কাতর ভাবে অনুরোধ করে যেতে থাকি ।

একটু পরে বোন ওর চটি পরা ডান পা টা তুলে আমার মাথার উপর বোলাতে বোলাতে বলে , ঠিক আছে এখন প্যান্ট পরতে পারিস । কিন্তু আর কোনদিন সিগারেট খেতে দেখলে রাস্তায় নিয়ে গিয়ে ল্যাংটো করব তোকে । এখন থেকে আমি যা বলব তাই করবি । এখন বাবা মা না ফেরা অব্দি আমার পায়ের কাছে বসে পা টিপতে থাক । আমি বোনের পায়ে চুমু খেয়ে ওকে ধন্যবাদ দিই। তারপর উঠে দুজনে টিভি রুমে যাই । বোন টিভি দেখতে থাকে । আর আমি বোনের পা কোলে নিয়ে মন দিয়ে টিপতে থাকি । বোন আমার সেবা নিতে নিতে ওর পা দিয়ে আমার প্যান্টের মধ্যে থাকা নুনুটা ঘস্তে থাকে ।

 

 

ল্যাংটা খোকা…

 

Lyangta khoka…

 

 

Ami amar jibone besh koekbar femdom er obhiggota labh korechi.amar prothom exprence amar jokhon age 14.ami tokhon ninth standard.ami ekbar ek dorkar e chillam jethimar barite.besh koekdiner jonno pray ek maas chilam okhane.sei somoy jethima r tar meye j amar theke 4 Bochorer choto.ami jama kapor pack kore chole elam thakte.amar xam sesh hoe gachilo.tai esei khela suru korlam.prothome kichu na bolleo pore jethima birokto holo r ghorer modhe khelte na korlo.ami na suneo khelchikam.takhon baddho hoe jethima chade gie khelte bollo.kintu jhamela holo porpor tin bar paser barite ball jaoate r srsh bar janlar kach bhanglo.songe songe paser arir mohila elen r bujhlen j doshta amar e.erpor nijera thij korlen j amake shasti die kacher dam tulben.ami bhablam j msr khete hobe.thik holo porer din sokale suru hobe punisment.
Ami porer din jethima r boner sathe gelam oder bari.oder barite boner bandhobi r 12 bochorer kajer meye chilo.sobai motamuti regei chilo.ebar sobai sofa te boslo r jethima bolllo j ne ebar tui sobar samne jama kapor khule fel.ami to sune pray pagol hoe gelam.eta ki kore sombhob.jethima r paser narir jethima bollo j haa etai sasti.toke amra marbona but onnp rokom bhabe treat korbo.takhon bomma bollo j haa tor lojja paoar kichu nei.karon ami toke onekbar langto kore snan koriechi.toke tor bon o to du ek bar langto dekheche.r sobai to ghorer lok tai kiser lojja.ami er por ar kichu na bhabte pere jama r pant namie dilam r bon sob nie gelo r bomma bollo j ei ek mass tui langto hoye dui barir kaj korbi.arthat puro chkor hoe gelam.
Er por boner bondhu hotath bollo er naam ki deoa jay.takhon sobai thik korlo amay lengtu bole dakbe.sobai haste laglo.tarpor jethima bollo j ja tui ekhon sob bason meje fel.er por langto hoei lojjay amar ek din katlo.ppret din sokale bomma bollo j ja langto hoye paser barite ja.ami khub bhoy pelam karon rastar lok dekhbe.bomma bollo tor abar lojja kiser re.tui to lengtu tor to lojja nei.ei bole jor kore barir baire ber korlo r ami bohu koste pouchalam jodio rastay tinjon mohila amay dekhe khub haslo.oi barite gie prothome sob ghoroa kaj korlam tar por boner bandhobi r kajer meyer paa chatte suru korlam karon jethimar aadesh.ei bhabe ek soptaho katlo.tar por amar lojja onek komlo.kintu erpor suru holo onno khela.bon or bandhobi der o ante laglo r eke eke sokole amay langto dekhlo.parar sob meye Kakima jethima boudi amay langto dekhlo.ami okhane pray famous hoe gelam lengtu hisebe.dekhte dekhte ek maas katlo r amar bari jaoar somoy elo bt takhon eto tai obhas hoeche j amar jama pant porar ichao kome gechilo.bt sesh porjonto onek lojja bhoy sojjho kore onek kaj sikhe bari firlam.r asar somoy etao promiss kore elam j ami er por theke eka ele langto hoei thakbo.

 

 

 

Boudir valobasha..

বৌদির ভালবাসা…

 

 

 

Boudi rich familyr meye. Amar dada valo government service korar jonno boudir baba amader familyr sathe somporko Kore. Dadar biye hoyeche pray four months hoye geche. Ami Soumen, college e 1st year pori, mane bujhtei parcho hat khoroch er jonno ektu besi takar darker, ei proyojon metanor jonno ek matro astro amar Dipa boudi.

Boudir sathe amar somporko ta khub valo jaigai niye esechi, tai amar puro hat khoroch er taka boudir dara mite jai. Tachara amar theke two years er boro ruposi Dipa boudir valobasa paowa ta to kom kotha noy. Boudir saririk goton somporke besi kichu bolar nei onek top class model ke ek sathe punch korle amar Dipa boudi. fal swarup ei boudir ador ar sneho paowa mane amar moto ekta middle class oti sadharon cheler vagger ki poriborton.     

Boudir biyer por din theke ek matro debor hisebe nijer position ta besh upojukto vabe gore tulte thaki. Boudir tuki taki kaj ami nijei egiye ese korar chesta kori, besh valo o lage boudir hater kaj korte.

Majhe majhe dupur bela boudir sathe golpo kore somoy kete jeto, dujone koto mojar mojar golpo hasi thatta kori thik bondhur moto. Boudi ke ami khub shradha o kori.   

Boudi ke boltam tomar moto meyer dadar moto ekta kabla cheler sathe biye kora uchit e hoyni, boudi o moja kore bolto tomar dada ke biye kore tomar moto moja dar debor je free te pelam seta ba kom kiser. Boudir mukhe ei kotha sune nijer khub valo lagto.

Amar jokhon takar dorkar hoto boudir pichone ghur ghur kortam, boudike nana vabe tel martam, Majhe majhe boudi ke boltam tomar pa tipe debo.

Boudi amar kotha sune khub hasto r bolto hotat amar pa tepe debar icha holo keno! takar darkar naki ?

Ami chup kore thaktam, boudi uthe almirah khule amar hat khorchar taka dito. boudi o mota muti bujhei niye chilo jokhon ami boudir pa tipe debar kotha boltam, mane amar takar darkar.

Ek din dupure abar bollam boudi tomar pa tipe debo, boudi bollo ki bepar eto ghono ghono takar darkar? Prem trem korcho naki?

Ami bollam moteo prem korchi na, tachara aj amar takar darkar nei. Sobsomoy tomar kach theke taka nie, tomake o to amar seba kora uchit.

Boudi amar dike miti miti choke takiye haslo, tar kichu por bose thakte thakte chit hoye bed e suye porlo r pa duto soja kore bollo nao pa tepo.

Ami o boudir payer kache bose chilam, boudir pa duto amar kole tule nilam.

Boudi hese bollo emni tiplei hobe na, aber pa duto kole niye tipte hobe!

- seba sobsomoy jotner sathe kora uchit.

- acha tai naki! Koro jotno kore koro, nijer mone kore koro.

- tumi ki amar por, tumi amar ekanto apnar jon.

Boudi amar kotha sune hese fello. ami boudir paye hat bulalam.   Pa duto ki noron jeno sponge, dhob dhobe forsa pa duto besh valo kore tipchi. boudir payer protita angul sundoor kore tanchilam, boudi suye suye amake dekhchilo, ami tipte tipte hatu porjonto gelam, boudi bollo ei porjonto thak. Amar sorir er rokto tokhon gorom hoye geche, boudir payer talay hat bulate bulate bollam tomar payer tola eto thanda keno?

- thanda thakle ami ki korbo, tumi gorom kore dao.

Dipa boudir dan pa ektu uchu kore mukher samone niye ese payer toaly fu diye gorom hawa dilam r hat ghoschilam, gorom hawa dite dite boudir payer tolay ekta kiss dilam. Boudi tara tari pa ta tene nichilo kintu ami pa ta tene dhore chilam r bollam ki holo pa tancho keno? tomar payer tola gorom korchi na.

- eta gorom kora! Tumi amar payer talay chum khele keno?

- debir charone vokto tar mon pran utsorgo na korle pujo sompurno hobe kemone.

- “tumi tahole amar vokto,” bolei hasi suru korlo.

Boudir ei sundoor mukher madhur hasi dekhlei amar mon vore jai. Amio boudir dike ek dristite takiye chilam.

- emon vabe amake ki dekhcho ?

- tomar mukher hasi dekhte amar khub valo lage.

- acha onek dekhecho, ekhon kaje mon dao.

Ami abar boudir bam pa tule seba suru korlam. Ami kokhon je boudir payer vokto hoye gechi nijei jani na. Meyeder pa amar sobsomoy khub valo lagto kintu boudir pa duto kache peye sei paye je emon vabe mon pran dite parbo seta vabtei pari ni. Boudir pa tipte tipte kokhon je bikal hoye geche bujhte parlam na.

Boudi hotat bollo  Soumen tomar tution jabar somoy hoye geche, jao ready hoye nao.

Aj amar tution jabar icha na thakle o badho hoye uthte holo .

 

Next day, ekta new plan korlam, dupure boudi ghore suyechilo ami boudir ghore hajir holam.

Boudi hese bollo aj aber ki motlab.

Boudir kache giye boudir hat dhore tene tullam.

- abar ki holo ektu bishram nite debe na.

- tomar bishram nite ami mana korechi, tumi bed theke uthe sofay bose valo kore aram koro.

- suye thakte thakte hotat boste jabo keno?

- tumi boro besi kotha bolo.

Ami jorkore  Boudi ke sofay bosiye diye bollam rajranir moto bose thako.

- aj abar amar pa duto niye ki kotbe? 

ami hese bollam kete khabo. 2 min. boso dekhte pabe. ami kitchen theke ekta plastic  gamlay halka usno jol niye boudir ghore elam. Boudir payer kache gamla ta rekhe bollam tomay diye ami pedicure practical suru korbo, tumi amar prothom teacher cum customar. Gamlar jole kichuta golap jol dhallam r boudike bollam oto boro boro chok kore ki dekhcho gamlay pa dobao bolai ami nijei boudir pa duto tule gamlar jole dubiye dilam. boudike jigasa korlam jole pa dubiye aram lagche.

Boudi hese bollo ha ha aram lagche.

Ami o aro khusi hoye bollam tobe sob kaje eto prosno koro keno; chupti kore bose dekho. Ami  gamlay du hat dubiye boudir duto pa valo kore ghoslam, boudir ek ekta pa amar bam hater upor rekhe, dan hat net diye pa soft vabe ghoslam. Boudir pa duto aro besi soft clean and clear hoye glassy hoyeche.

Boudi ke bollam dekho tomar pa duto koto sundoor lagche, je kono purus  tomar payer preme pore jabe; payer jotno nite sekho.

Boudi hese bollo amar ar chintar ki ache, tumi to acho, amar payer jotno nebar daityo aj theke tomar.

boudir kotha sune amio hate chand peye gelam, eto boro sujog je eto sohoje pabo vebei pai ni. Amar hatru upor ekta towel rekhe tar upor boudir ekta ekta pa tule valo kore towel diye pa duto  chepe chepe muchiye dilam. Boudi sofar upor pa tule boslo. Eto sundoor pa dekhe r nijeke samlate parlam na, boudir payer kache floor e bose payer upor kiss korlam. boudi kichu ekta bolte jachilo, boudike chup thakte bole bollam ekhono amar treatment ses hoyni. Boudir du paye continue  kiss korlam, tarpor payer tola jiv diye chata surukorlam.

Amar eto ta bara bari boudi mone hoy vabtai pare ni, besh boro boro chok kore dekhchilo ar bollo chi chi tumi ki nongra .

Boudir kothay kan na diye payer payer protita angul mukhe niye chuslam. besh mojar pelam, ki je valo lagche ….. Eber towel diye pa duto valo kore ses barer moto muchiye dilam.

Boudi bollo amar pa niye tomar sokh puron hoyeche, tahole ekhon sute jai.

Ami bollam sokh ki r eto sohoje puron hoy, tobe ajker moto puron hoyeche.

Boudi sofa chere uthte jachilo ami badha diye bollam tomar ei sundoor pa aber floor e rakhbe, seta hobe na nongra hoye jabe.Boudi kichu bolar agai boudir duto hatur vitor ekta hat dhukiye r kandhe ekta hat diye boudir noron dehota kole tuke nilam.

Boudi obak hoye gelo r lajja  peye bollo eta ki holo! Charo, amake nabao .

Ami bollam tomake bed e suye debo. Debir etokhon seba korar por ei tuku seba na korlei je noy.

Boudi ke bed e suye diye bollam tumi ekhon ghumao. Ami gamlar jol tar ekta babosta kori.

Boudi suye suye moja kore bollo charanamrit khabe na phele debe.

Ami bollam tomar adesh hole charanamrit o khete pari.

boudi ek dristi te obak hoye amar dike takiye theke hotat hese uthlo  r bollo tomake joto dekhchi totoi obak hoye jachi,  tumi ja chele sob paro. Tobe doya kore amar charanamrit  r kheye dekhate hobe na .        

 

chakor bihari…

চাকর বিহারি…

Soniar ma kobe mara geche tar valo kore mone o pore na, tokhon theke Behari chotto maye Soniar somosto dekha sunar var ney . Soniar theke Behari ontoto 30 bochor er boro . Soniar baba business er kaje besir vag somoy barir baire thake desh bidesh kore somoy katai. Chotto Sonia baba ke kache na peye  Beharir sathe khub vab hoye jai. Chelebela theke  Sonia Beharir kadhe pithe chore kokhon je dhire dhire boro hoyeche Behari setai vule geche .

Sonia jokhon class eight e pore ekdin school theke barite ese  onno diner moto sofate boslo r behari tar payer kache bose school er juto moja khule dito, aj o Behari tar didimonir juto moja khulte khulte bollo. Behari soniar payer kache bose rojkar moto soniar juto pora pa duto kole tule nilo. Kalo school shoe dutor opor ekbar kore chumbon kore soniar pa theke or juto, moja khule dilo. Tarpor bollo,  didimoni  tumi onek din amar kadhe othoni . 

Sonia bollo ami ki ekhono sei chotto achi je tomar kadhe pithe uthe ghurbo,  amar school er bondhura sunle ki bolbe !!

Behari ektu dukko kore bollo tumi to amar kache sei chotto acho kono din boro hobe na .

Sonia bollo acha thik ache kintu sobdin ami tomar kandr uthbo na sudhu ajker din.

Behari bollo acha acha thik ache ekhon to kadhe otho. Behari  tar didimonir payer kache bose chilo, Sonia sofa chere uthe dariye  Beharir kadhar upor dudike pa jhuliye chepe boslo.  Behari take kadhe chapiye niye puro bari ghurite ghurite Soniar bedroome ese namiye dilo .

Behari nije hate tar didimonir jama kapor kachte posondo korto . jokhon Sonia chotto chilo tokhon theke Behari tar didimonir school er dress change kore barir posak  porato, kintu Sonia ektu boro hole tokhon r beharir hate dress change korto  na,  ghore dhuke nijei dress change kore tar babohrito posak Behari ke dito kachar jonno.

Beharir kotha moto aj jokhon Sonia tar kadhe uthechilo tokhon Beharir  sorir er modhe ek odhbhut anondo sihoron uttejona jege uthlo. Behari Sonia ke namiye diye moner anonde bollo didimoni aj ami tomar dress change kore debo?

Sonia bollo na, tumi ghor theke baire giye wait koro, ami school er dress change kore tomake kachar jonno dichi.  

Behari mukh nichu kore ghor theke beriye gelo.

Sonia dress change kore posak gulo ghar theke baire chure dilo, Behari dekhlo School er dress er sathe tar didimonir moja nei.

Behari didimonir kache ese bollo tumi moja dite vule gecho .

Sonia lajjar sathe bollo amar moja te ghamer gondho hoyeche. Ami nijei keche debo.

Behari moja ta hate niye dekhlo tar didimonir  moja ta ghame vije geche, nake lagiye dekhlo ghamer gondho berochche. Beharir khub valo laglo tar malkiner mojar gondho . pagoler moto chokh bondho kore malkiner mojar gondho sukte laglo se.

Ki korcho ki tumi ? Sonia rege giye bollo behari ke.

Behari ei khoniker uttejona bose je kormo koreche tar theke lajjay more gelo r sathe sathe Soniar payer upor matha rekhe bollo amay khoma kore dao didimoni, e ami ki korlam .  Behari Soniar paye matha thukche tokhon Sonia kichu bollo na, tar chakor behari ke tar paye matha thuke khoma chaite dilo.

Behari bollo amake tumi sasti doa didimoni, kothin sasti  dao, e ami ki korlam. Sonia chup kore dariye chilo ebar khate upor bose porlo kintu Behari tar pa  duto joriye dhore ache . amake emon sasti dao ja ami na jibone vulte pari. 

Sonia bollo ekhon tumi jao……  

 

Kichu bochor kete gelo Sonia ekhon college pore, Sonia marketing e jabar jonno ready hoye Behari ke ghore daklo, behari matha nichu kore ghore dhuklo . Sonia silker saree pore  chilo, behari tar payer kache bose paye matha thekiye pronam korlo r  Soniar duto payer upor chumu khelo r jiv diye payer dhulo nilo. Sonia kichu bollo na, se jane Behari tar krito kormer saja nijei palon korche,  r kichu bolle o sunbe na.

Sonia Behari ek bar bollo, Behari ami tomake daklei tumi kache esei amar paye matha thekiye pronam koro keno, tumi jano na ami tomar theke koto choto, amar pap hobe na.  

Behari bollo ami chakor r tumi amar monib tomake somman na dekhale hobe, monib to chakar er probhu, tumi o amar probhu.  Ekhon tumi boro hoyecho tomar podotole to amake thakte hobe.

 

“কি গো , তুমি বাড়িতে একা নাকি ? আর কেউ নেই ?” ঈশা সোফায় বসতে বসতে বললো । ঈশা আমার বাবার বন্ধুর মেয়ে, ক্লাস ১২ এ পড়ে । আমার থেকে ৬ বছরের ছোট ।

“ না রে , একটু বেরিয়েছে বাবা মা , ঘন্টা দুয়েক এর মধ্যেই ফিরে আসবে” । আমি বললাম ।

“উফফ, যা গরম পরেছে , খুব টায়ারড লাগছে গো দাদা” । ঈশা বললো মুখে একটা মিষ্টি হাসি ফুটিয়ে ।

ঈশার হাতে একগ্লাস ঠান্ডা কোল্ডড্রিঙ্কস দিয়ে আমি ওর পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে পড়লাম ।

“ দে আমি তোর জুতো খুলে দি” । আমি বললাম ।

“আমার মোজায় যা গন্ধ হবে , সহ্য করতে পারবে না দাদা” । ঈশা মুখে হাসি ফুটিয়ে বলল ।

আমি মেঝেতে বসে ঈশার জুতো পরা পা দুটো নিজের কোলে তুলে নিয়ে মুখে হাসি ফুটিয়ে  বললাম , “দেখা যাক, তোর মোজার মিষ্টি গন্ধ আমার ভালো লাগে কিনা ?”

“ মিষ্টি? তুমি ৩০ সেকেন্ড ও ওই গন্ধ সহ্য করতে পারবে না , চ্যালেঞ্জ” ।

“৩০ সেকেন্ড কেন ৩০ মিনিট ও সহ্য করতে পারবো” । আমি ঈশার পা থেকে ওর সাদা স্নিকার খুলতে খুলতে বলি ।

“ওকে, দেখা যাক । ৩০ মিনিট সহ্য করতে পারলে তুমি যা চাও তাই দেব । আর না পারলে ?” ঈশা মুখে হাসি ফুটিয়ে বলে ।

“ তুই যা চাস তাই দেব , প্রমিস” । আমি ঈশার জুতো খুলে মেঝেতে রাখতে রাখতে বলি । ওর মোজা পায়ের ঘামে ভিজে গেছে । মোজা আর ঘামের উগ্র গন্ধে ঘর ভরে ওঠে ।

“ কি গো , কেমন লাগছে মোজার গন্ধ ? সেন্টের মতো মিষ্টি নাকি ?” ঈশা বলতে বলতে আমার কোলে রাখা ওর বাঁ পায়ের উপর ডান পা টা তুলে দেয় , ওর মোজা পরা ডান পা টা এখন আমার মুখের উপর থেকে মাত্র কয়েক ইঞ্চি দূরে ।

আমি নিজের নাকটা নিয়ে গিয়ে ঈশার মোজা পরা পায়ের তলায় ঠেকাই । বুক ভরে নিশ্বাস নিয়ে বলি , “ এত ভাল সেন্ট আমি আগে কখন শুকিনি । অপূর্ব গন্ধ রে”।

“ভাল করে আমার পায়ের তলায় শুয়ে ৩০ মিনিট শোঁক , তাহলেই বুঝতে পারবে কত ভাল সেন্ট”। ঈশা বলে ওর সুন্দর ফর্সা মুখে হাসি ঝুলিয়ে ।

আমি ঈশার পায়ের তলায় শুতে ঈশা ওর মোজা পরা পা দুটো আমার মুখের উপর তুলে দিল । ওর মোজা পরা বাঁ পাটা এখন আমার কপালের উপর আর মোজা পরা ডান পাটা আমার ঠোঁটের উপর । আমি আর পারলাম না । প্রবল আবেগে আমার প্রভু ঈশার মোজা পরা পায়ের তলায় একটা চুম্বন করলাম ।

 

ঈশা ওর বাঁ পাটা তুলে ঠিক আমার নাকের উপর রাখল । ডান পা দিয়ে আমার ঠোঁট জোড়া ঘষতে ঘষতে বলল , মুখ দিয়ে নিশ্বাস নিতে পারবে না । শুধু নাক দিয়ে নিশ্বাস নাও ।

আমার মনে হচ্ছিল আমি বুঝি স্বর্গে চলে এসেছি । আমার প্রভু ঈশার মোজা পরা ডান পায়ের তলায় চুমু খেতে খেতে মোজা পরা বাঁ পায়ের গন্ধ শুঁকতে লাগলাম প্রান ভরে । ঈশা ওর পা দুটো আমার মুখের উপর আসতে আসতে ঘষতে লাগল ।

ওর মোজার তীব্র গন্ধ আমার কাছে কোন স্বর্গীয় গন্ধ বলে মনে হচ্ছিল । আমি প্রবল আবেগে ঈশার মোজার তলার গন্ধ শুঁকতে শুঁকতে ওর মোজা পরা পায়ের তলায় চুমু খাচ্ছিলাম ।

একটু পরে আমার প্রভু ঈশা ওর মোজা পরা ডান পায়ের আঙ্গুল দিয়ে আমার মুখে চাপ দিতে দিতে আদুরে গলায় বলল , “ হবে না , তুমি চিটিং করে মুখ দিয়ে নিশ্বাস নিচ্ছ । তোমার মুখটা বন্ধ করতে হবে । হাঁ কর” ।

আমি বুঝতে পারলাম আমার মালকিন কি চাইছে । আমি মুখ খুলতেই আমার প্রভু ঈশা ওর মোজা পরা পা টা যতটা সম্ভব ঢুকিয়ে দিল আমার মুখে ।

“ এবার আর মুখ দিয়ে নিশ্বাস নিতে পারবে না । আমার মোজার সেন্ট নাক দিয়ে নিতে হবে । সাথে মুখ দিয়েও টেস্ট করতে পারবে” । আমার প্রভু আমাকে টিজ করে বলল ।

আমি ঈশার মোজা পরা বাঁ পায়ের গন্ধ শুঁকতে শুঁকতে আমার মুখে ঢোকানো ওর মোজা পরা ডান পায়ের তলায় জিভ বোলাতে লাগলাম । প্রভু আমার মুখে ওর পা এতদূর ঢুকিয়ে দিয়েছে যে আমি গলার কাছেও প্রভুর পায়ের স্পর্শ পাচ্ছিলাম । ঈশা এমন ভাবে আমার মুখের ভিতর পা ঢুকিয়ে বসেছিল যেন এটা অত্যন্ত স্বাভাবিক ।  ওর এই ডমিন্যান্ট আচরনে প্রতি মুহূর্তে ওর প্রতি ভক্তি বেড়ে উঠছিল আমার ।

একটু পরে ঈশা আমার মুখের ভিতর থেকে ওর মোজা পরা ডান পা টা বের করে নিল ।আমার লালা লেগে থাকা পা দিয়ে আমার মুখে আলতো করে একটা লাথি মেরে বলল , “ জিভটা বার করে শুয়ে থাক এবার” । আমাকে প্রভু জীবনে প্রথমবার তুমির বদলে তুই সম্বধন করায় খুব ভাল লাগল আমার । আমি জিভটা যতটা সম্ভব বার করে দিলাম মুখের বাইরে । আমার প্রভু আমার বের করে দেওয়া জিভে মোজা পরা পায়ের তলা বোলাতে বোলাতে বলল , “ তোর মতো ছেলেকে আমার পায়ের তলাতেই মানায় । আমার চাকর হিসাবে”।

আমি প্রভুর মোজা পরা পায়ের তলায় চুমু খেতে খেতে বললাম , “ তোমার চাকর হওয়ার যোগ্যতা আমার নেই প্রভু । আমি তোমার ক্রীতদাস । প্রভু ঈশা মুখে হাসি ফুটিয়ে বেশ জোরে আমার মুখে একটা লাথি মেরে বলল , ঠিক বলেছিস । তুই আমার ক্রীতদাস, আমার পোশা কুত্তা । নে , আমার পায়ে আমার জুতোটা পরিয়ে দিয়ে জুতোর তলাটা চেটে পরিষ্কার করে দে” । প্রভুর কথায় প্রবল খুশিতে আমার মন ভরে উঠল । প্রভুর সাদা স্নিকার জোড়া প্রভুর পায়ে পরিয়ে দিলাম আমি । তারপর প্রভুর দুটো জুতোর উপরের দিক ভাল করে চেটে পরিষ্কার করে দিলাম উপুড় হয়ে শুয়ে । তারপর আবার সোজা হয়ে শুতে প্রভু ঈশা ওর জুটো পরা পা দুটো আমার মুখের উপরে তুলে দিয়ে বলল, নে কুত্তা। প্রভুর জুতোর তলা চাট ।

প্রভুর সাদা জুতোর তলা ময়লা লেগে প্রায় কাল হয়ে গিয়েছিল । প্রভু প্রথমে ওর ডান জুতোর তলা আমার ঠোঁটের উপরে রাখল । আমি প্রবল ভক্তিভরে আমার প্রভুর জুতোর তলা চাটতে লাগলাম।  প্রভুর জুতোর তলার ময়লা ভক্তিভরে গিলে খেতে লাগলাম আমি। আমি জিভটা যতটা সম্ভব বের করে জুতোর হিল থেকে টো পর্যন্ত একবারে লম্বালম্বি চাটছিলাম । তারপর জিভটা মুখে ঢুকিয়ে প্রভুর জুতোর তলার ময়লা গিলে ফেলে আবার আগের চাটা অংশের একটু পাশে একি ভাবে লম্বালম্বি চাটছিলাম।  একটু পরে জুতোর তলা মোটামুটি পরিস্কার হয়ে গেলে জুতোর তলার প্রতিটা খাজে জিভ ঢুকিয়ে চেটে পরিষ্কার করতে লাগলাম। যখন থামলাম তখন প্রভুর ডান জুতোর তলা নতুনের মতো চকচক করছে । প্রভু ঈশা তখন ওর বাঁ জুতোর তলা আমার ঠোটের উপর রাখতে একইরকম ভক্তিভরে প্রভুর বাঁ জুতোর তলা চেটে পরিষ্কার করে দিলাম।

প্রভুর দুটো জুতোর তলাই চেটে নতুনের মতো পরিষ্কার করে দেওয়ার পর আমি প্রভুর জুতো পরা পায়ের উপর মাথা রেখে উপুর হয়ে শুলাম । প্রভুর জুতোর উপর চুম্বন করতে করতে বারবার বলতে লাগলাম “ তুমি আমার প্রভু, আমি তমার ক্রীতদাস” ।

তারপর প্রভু আমাকে হাটুগেড়ে ওর পায়ের কাছে হাতজোর কর বসতে বলে আমার মুখে জুতো পরা পা দিয়ে জোরে জরে লাথি মারতে লাগল । আমার যতো ব্যাথা লাগছিল প্রভু তত মজা পাচ্ছিল । আরো বেশী জোরে প্রভু লাথি মারছিল আমার মুখে । প্রভুর প্রতি প্রবল ভক্তিতে আমার মন ভরে উঠেছিল। লাথি মারা শেষ হতে প্রভু আমাকে আবার ওর পায়ের তলায় শুতে বলল । তারপর টেবিল থেকে লাইটার নিয়ে জ্বালিয়ে নিজের ডান জুতোর তলাটা গরম করল । তারপর সেই প্রবল গরম জুতোর তলা আমার কপালে চেপে ধরল । প্রবল ব্যথা স্বত্তেও আমি কোন প্রতিবাদ করলাম না। প্রভু একটু পরে পা তুলে আমার কপালটা দেখল । তারপর পুরে যাওয়া জায়গাটার উপর জুতোর তলা বোলাতে বোলাতে বলল , তোর কপালে আমার জুতোর ছাপ পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে । তুই যে আমার ক্রীতদাস এটা তার প্রতীক । জবাবে আমি আবার প্রভুর জুতোর তলায় চুম্বন করতে করতে প্রভুকে ধন্যবাদ দিতে লাগলাম।   

 

 

  

ক্লাস ১১ এর প্রথম দিন । প্রথম পিরিয়ড চলছিল । নতুন স্কুলে আমার প্রথম পিরিয়ড । আমি বসেছিলাম ফার্স্ট বেঞ্চের ঠিক নিচে মেঝেতে । হ্যাঁ , মেঝেতেই । ক্লাস শুরু হওয়ার পর ও মেয়েরা একের পর এক ঢুকছিল । ম্যাডাম কিছুই বলছিল না তাদের । অথচ ক্লাস শুরু হওয়ার মাত্র ২ মিনিট পর একটা ছেলে ঢুকেছিল , ম্যাডাম তাকে কান ধরে দাড় করিয়ে রেখেছেন ।
ক্লাস শুরুর প্রায় ৩০ মিনিট পর যে মেয়েটা ঢুকল তাকে দেখে আমি চমকে গেলাম । ওর নাম সোনালী । সার্থক নাম । ওর গায়ের রঙ সত্যিই সোনালী । বেশ লম্বা , একমাথা কালো চুল , চোখের মণি নীল । আজ ৬ বছর পর ওকে দেখছি । তাও চিনতে অসুবিধা হল না । আমার খুব ইচ্ছা করতে লাগল ক্লাসের সবার সামনে ছুটে গিয়ে ওর কালো জুতো পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রণাম করতে ।
ও এসে ফার্স্ট বেঞ্চেই বসল , আমি এখন ঠিক ওর পায়ের কাছে বসে ।
এতক্ষন ফার্স্ট বেঞ্চ ৩ টে মেয়ে দখল করে বসেছিল । সব বেঞ্চই অবশ্য মেয়েরা এভাবে দখল করে বসেছিল । ছেলেরা সবাই তাই মেঝেতে বসতে বাধ্য হচ্ছিল । কোন মেয়ে ক্লাসে ঢুকলে অবশ্য তার বসার জায়গার অভাব হচ্ছিল না ।
আমরা অবশ্য মানসিক ভাবে এর জন্য প্রস্তুত হয়েই এসেছিলাম । এটা আগে একটা গার্লস স্কুল ছিল , ক্লাস ১০ পর্যন্ত । ৩ বছর আগে এখানে উচ্চ মাধ্যমিক চালু হয় । তখন থেকে ১১ আর ১২ এ ১০ % সীটে ছেলেদের নেওয়া হয় । ১১ আর ১২ মিলিয়ে সায়েন্স ও আর্টস এ মোট ৩৪ টা ছেলে । আর স্কুলে মেয়েদের সংখ্যা ১২০০ এর বেশী ।
ভর্তির দিন আমাদের ভর্তি করার আগে হেডমিস্ট্রেস আমাদের ডেকে বলেছিলেন , দ্যাখো , এই স্কুলে মেয়েদের সংখ্যা অনেক বেশী হওয়ায় ওরা তোমাদের ছেলেদের অল্প র্যা গিং করতে পারে । খুব বেশী কিছু হলে আমাদের অবশ্যই বলতে পার । কিন্তু একটু আধটু র্যা গিং সহ্য করতে হবে এটা মেনে নিয়েই ভর্তি হতে হবে এখানে । বাইরের পৃথিবীতে তো মেয়েরা সবসময়ই র্যাহগিং সহ্য করছে । এখানে তাই উল্টো নিয়ম । সহ্য করতে পারবে না মনে হলে এখানে ভর্তি হবে না । তবে তোমরাও যদি মেয়েদের মত এই র্যামগিং এঞ্জয় করার চেষ্টা কর , দেখবে ছেলে হয়ে মেয়েদের হাতে র্যাএগড হওয়ার মজাই আলাদা ।
আমি তো শুধু মেয়েদের হাতে র্যাহগড হওয়ার জন্যেই অন্য ভাল স্কুল ছেড়ে এখানে পড়তে এসেছি । আমার এসব শুনে খুব ভাল লেগেছিল । অন্য ছেলেরাও কেউ এসব শুনে স্কুল ছাড়ল না । প্রায় সবাই ভর্তি হয়ে গিয়েছিল ।
আমি পিঠে হঠাত কিসের যেন স্পর্শ পেলাম । তাকিয়ে দেখি সোনালী ওর জুতো পরা পা দুটো আমার কাঁধে তুলে দিয়েছে গোটা স্কুলের সামনে । ও কি আমাকে চিনতে পেরেছে । স্কুলের সাদা শার্ট , নীল স্কার্ট , সাদা মোজা আর কালো জুতো তেও ওকে অপরূপ সুন্দরী লাগছে । ও আমার কাঁধে জুতো পরা পা রেখে বসে খুব স্বাভাবিক ভাবে ক্লাস করতে লাগল । ম্যাডাম পড়াতে পড়াতে মাঝে মাঝে সোনালীর দিকে তাকিয়ে হাসতে লাগল । সোনালী মাঝে মাঝে ওর জুতোর তলা দুটো আমার গালে ঘষছিল । উফ , আমার স্বপ্নের দেবী সোনালী এতদিন পর আবার গোটা স্কুলের সামনে আমার কাঁধে জুতো পরা পা রেখে বসে ! এক অদম্য আনন্দে আমার মন ভরে উঠল , আমি গোটা ক্লাসের সামনেই মাঝে মাঝে সোনালীর জুতো পরা পায়ের উপর চুম্বন করতে লাগলাম । তাকিয়ে দেখলাম সোনালীর দেখাদেখি ফার্স্ট বেঞ্চের অন্য মেয়েরাও তাদের পায়ের কাছে বসা ছেলেদের কাঁধে জুতো পরা পা তুলে দিয়েছে । ক্লাসে আমরা ৬ জন ছেলে এমন ভাবে মেয়েদের পায়ের তলায় এমন ভাবে বসে আছি যেন এটা অত্যন্ত স্বাভাবিক ।
আমার মন স্মৃতির সিঁড়ি বেয়ে চলে গেল পুরন দিনে । সেই প্রাইমারী স্কুল জীবনে , যখন প্রথম আমার দেবী সোনালীর সেবা করার সুযোগ হয় আমার ।
তখন আমাদের ক্লাস ৪ । আমাদের প্রাইমারী স্কুলটা ছিল একটা গার্লস হাই স্কুলের লাগোয়া , ওখানেও তাই গার্লস স্টুডেন্ট অনেক বেশী ছিল । আমাদের ক্লাসে আমরা মোট ৮ জন ছেলে আর ৩৩ জন মেয়ে ছিলাম । ক্লাস ৪ এ কয়েক মাস পর থেকে খুব কম স্টুডেন্ট ক্লাসে যেত , বাড়িতে থেকে ক্লাস ৫ এর অ্যাডমিশন টেস্টের প্রস্তুতি নিত সবাই । রোজ ২-৩ জন ছেলে আর ১৪-১৫ জন মেয়ে আসত ।
সোনালী ছিল স্কুলের সেকেন্ড গার্ল , আমি ফার্স্ট হতাম বরাবর । সোনালী আমাকে এজন্য হিংসা করত বুঝতে পারতাম । তবে আমার কখন ওকে হারাতে ভাল লাগত না । মনে মনে রোজ হাজার বার ক্ষমা চাইতাম ওর কাছে ।
সেদিন স্কুলে ছেলেদের মধ্যে আমি ছাড়া কেউ যায়নি । মেয়ে এসেছে ৮ জন । টিফিন টাইমে ছেলে আর মেয়েরা আলাদা খেলতাম । ফলে মেয়েরা সেদিন খেলছিল । আমি একা একা মনমরা হয়ে বসেছিলাম ।
হঠাত সায়নী নামে একটা মেয়ে আমাকে ডাকল
– এই রাজু , আমাদের সাথে খেলবি ?
– আমি ঘাড় নাড়লাম, হ্যাঁ ।
– আয় তাহলে ।
– আমি গেলাম ওর সাথে । সোনালী বলল , আমরা রানি রানি খেলছি । আমি রানি হয়েছি । ওরা কেউ মন্ত্রি , কেউ সেনাপতি , কেউ রাজকন্যা । কিন্তু রানির চাকর সাজার কাউকে পাওয়া যাচ্ছে না । তুই চাকর সাজ ।
– এক অদ্ভুত আনন্দে আমার মন ভরে উঠল । নিজেকে সোনালীর চাকর ভেবে এক অদ্ভুত আনন্দ পেলাম আমি ।
– আমি ঘাড় নেড়ে বললাম , ঠিক আছে , তুমি রানি , আমি তোমার চাকর ।
এই বলে আমি ঠিক ওর পায়ের কাছে মেঝেতে বসে পড়লাম ।
আমার পা টিপে দে । সোনালী হুকুম করল । আমি ওর জুতো পরা পা দুটো নিজের কোলের উপর তুলে টিপতে লাগলাম । আমার নীল প্যান্ট ওর জুতোর ধুলোয় প্রায় সাদা হয়ে গেল । সোনালী একটা পা আমার কাঁধে রাখল । আমি ওর অন্য পা টা টিপতে লাগলাম ।
একটু পরে সোনালী গম্ভীর মুখে হুকুম করল , -এবার আমি রাজসভায় যাব , আমার জুতো পরিষ্কার করে দে ।
আমি পকেট থেকে আমার সাদা রুমাল টা বার করে সোনালীর জুতো পরিষ্কার করতে লাগলাম । আমার ইচ্ছা করছিল জিভ দিয়ে চেটে সবার সামনে আমার প্রভুর জুতো পরিষ্কার করে দিই । কিন্তু সাহস হল না ।
রাজসভায় পৌঁছে সোনালী বলল , রাজসভায় রানি সিঙ্ঘাসনে বসেছে , কিন্তু রানির পায়ের কাছে পাদানি নেই কেন ? রানি কি মেঝেতে পা রাখবে না কি ?
-না প্রভু , এই যে আপনার পাদানি । এই বলে আমি সবার সামনে সোনালীর জুতো পরা পায়ের তলায় নিজের বুক পেতে শুয়ে পড়লাম ।
সোনালী আমার বুকের উপর নিজের জুতো পরা পা দুটো তুলে দিয়ে বলল , -আমি যতক্ষন রাজসভায় আছি , আমার পা টিপতে থাক ।
সোনালী আমার বুকের উপর বাঁ পায়ের উপর ডান পা রেখে বসে আছে । ওর ডান পা টা আমার মুখের থেকে মাত্র কয়েক ইঞ্চি ওপরে । আমি প্রবল ভক্তিভরে সোনালীর পা দুটো টিপছি । আর ক্লাসের সব মেয়ে আমার দিকে তাকিয়ে হাসছে ।
সোনালী ওর জুতো পরা ডান পা টা আসতে আসতে আমার ঠোঁটের দিকে নামাচ্ছিল । একটু পরেই ওর জুতোর তলা আমার ঠোঁট স্পর্শ করল । সবার সামনেই আমার ঠোঁটজোড়া নিয়ে জুতোর তলা দিয়ে খেলতে লাগল সোনালী । আমি সম্মোহিতের মতো আমার জিভটা বার করে দিলাম । আমার বার কা জিভে সবার সামনে জুতোর তলা মুছতে লাগল আমার প্রভু সোনালী । ওর জুতোর তলার ময়লা প্রবল ভক্তিভরে গিলে খেতে লাগলাম আমি ।
( চলবে… )

আমি তখন 1st ইয়ারে পড়ি । আমাদের পাশের বাড়িতে একটা মেয়ে থাকত । মেয়েতার নাম রাখি । ক্লাস ৯ এ পড়ত , খুব সুন্দরী দেখতে । কিন্তু পড়াশোনায় ভাল না । ওর মা বলল আমি যেন ওকে একটু পড়িয়ে দি ।
আমি রাজি হয়ে গেলাম । সুন্দরী মেয়েকে পড়ানোর সুযোগ কেই বা হাতছাড়া করে ?
তা ও পড়তে এলে ওকে চেয়ারে বসিয়ে আমি ওর পায়ের কাছে বসে পড়াতে লাগলাম। আমার পড়ার ঘরে আর কেউ ঢোকে না, তাই সেদিক থেকে নিশ্চিন্ত । অ একটু অবাক হলেও আমাকে কিছু বলল না। প্রথম কয়েকদিন আমি বিশেষ কিছু করলাম না। শুধু মাঝে মাঝে ওর পায়ের উপর আলতো করে হাত বলানো ছাড়া ।
একমাস পর ও আমার ওর পায়ের কাছে বসাতে মোটামুটি অভ্যস্ত হয়ে গেল । আমি ঠিক করলাম এবার একটু এগোতে হবে । ও পড়তে এলে ওকে একটু পরালাম । তারপর ওকে বললাম , – আমার ডান হাতটায় জিম করে খুব ব্যাথা হয়েছে । তুই তোর পা দুটো আমার হাতের ওপর একটু রাখবি প্লিজ ? চাপ লাগলে একটু আরাম পাবো । এই বলে আমি ওর পায়ের কাছে ডান হাতটা রেখে শুয়ে পরলাম।
রাখি একবার আমার চোখের দিকে তাকাল, তারপর নিজে থেকেই ওর পা দুটো তুলে আমার ডান হাতের বাইসেপ এর উপরে রাখল ।
পা দিয়ে আমার হাতটা একটু ঘষে দিবি প্লিজ ? রাখিকে অনুরোধ করলাম আমি।
ও আমার হাতের বাইসেপটা ওর দুপায়ের তলায় আসতে আসতে ঘষতে লাগল । ওর মুখে হালকা হাসি ফুটে উঠেছে দেখলাম ।
১০- ১৫ মিনিট পর ওর পাদুটো টেনে আমার হাত আর বুকের সংযোগস্থলে রাখলাম।
-এবার এখানে একটু চাপ দে প্লিজ ।
ওর মুখের হাসি যেন আরেকটু চওড়া হল । মুখে হাসি ঝুলিয়ে আমার কাঁধ আর বুকের সংযোগস্থলে চাপ দিতে লাগল ।

আমি ওর বাঁ পাটা ধরে বললাম – এই পা টা দিয়ে একটু জোরে চাপ দে প্লিজ ।
এই বলে আমি ওর ডান পাটা সরিয়ে ঠিক আমার বুকের মাঝখানে রাখলাম । রাখি বাঁ পা দিয়ে আমার কাধে চাপ দিতে লাগল । আর আমি আমার সুন্দরী ছাত্রীর পায়ের তলায় শুয়ে ওর ডান পাটা দুহাত দিয়ে বুকের সাথে চেপে ধরলাম ।

সজল

রিমার সাথে শুটিং করতে এসে এরকম অভিজ্ঞতা হবে ভাবতে পারেনি সজল ।
ইংল্যান্ডে পড়তে এসে খরচ চালাতে খুব অসুবিধা হচ্ছিল সজলের । বাড়ি থেকে পাঠান টাকায় এখানে পাউন্ডে খরচ চালান খুবি মুস্কিল । অনেক কষ্টে ওয়ারক পারমিট যোগাড় করার পর রিমাই বলেছিল অর সাথে শর্ট ফিল্ম এ অভিনয় করতে নেমে পড়তে । ওদের ক্লাস্ মেট সারাও ওদের সাথে অভিনয় করবে । কিন্তু সে শর্ট ফিল্ম যে ফেমডম শর্ট ফিল্ম সেটা ও কি করে বুঝবে ?
শুটিং করতে তারা একটা পুরন বাড়িতে ঢুকল ঠিক সকাল ১০ টায় । পরিচালক তাকে গল্প বুঝিয়ে দিল , সে গল্পে রিমার দাদা আর সারা রিমার ক্লাস মেট । সে একটা খেলায় হেরে যাবে রিমার কাছে । আর খেলার শর্ত মত রিমা আর সারা তাকে যা বলবে তাই করতে হবে সারাদিন ।
রিমা হাসিমুখে ওকে বলল , – দাদা, আজ সারাদিন তুই আমার চাকর, আমি তোর মনিব । আমার পায়ের তলায় শুয়ে পর । ব্যাপারটা অপমানজনক বোঝার পর ও সজল ২০০ পাউন্ডের লোভ ছাড়তে পারল না । সে রিমার কথা মত ওর পায়ের তলায় শুয়ে পরল । রিমা ওর পাম্প সু পরা পা দুটো সজলের মুখের ওপর রেখে বলল , এবার ভাল দাদার মত বোনের পা টেপ । সজলের কেন যেন ভাল লাগতে শুরু করেছিল সুন্দরী বান্ধবীর কাছে অপমান । সে আসতে আসতে রিমার পা টিপতে লাগল আর রিমা ওর মুখে জুতোর তলা ঘষতে লাগল । তখনি ঘরে ঢুকল সারা । সজলের মুখের ওপর নিজের সাদা জুতো পরা ডান পা রেখে দাঁড়াল । সোনালি চুলের শ্বেতাঙ্গ বান্ধবীর কাছে এই অপমান দারুন ভাল লাগতে শুরু করেছিল সজলের । সে নিজে থেকেই চুমু খেল সারার জুতোর তলায় । সারা হেসে বলল তোকে আমাদের পায়ের তলাতে থাকলেই মানায় । নিজের বাঁ পা সজলের বুকের ওপর রেখে জুতো পরা ডান পা সজলের মুখের ওপর রেখে সে মাথার সুন্দর সোনালী চুলে হাত দিয়ে ফ্যাশন শো করার কায়দায় দাঁড়াল । রিমার জুতো পরা ডান পা তখন সজলের কপালের ওপর আর বা পা ওর বুকে ।
এবার আমরা একটা খেলা খেলব । তুই চোখ বন্ধ করে জিভ বার করে শুয়ে থাকবি আর আমরা একজন তোর বের করা জিভে আমাদের এক পায়ের জুতোর তলা মুছবো । কে, কোন জুতোর তলা মুচেছে ঠিক করে বলতে পারলে তোকে সেই জুতোর তলায় চুমু খেতে দেব । আর না পারলে সেই জুতো পরা পায়ের লাথি খেতে হবে মুখে ।
সজল এমন ভাবে মাথা নেড়ে রাজি হয়ে গেল যেন এটা খুব স্বাভাবিক খেলা । সে জিভ বার করে চোখ বন্ধ করে শুয়ে পরল দুই বান্ধবীর পায়ের তলায় । রিমা আর সারা হাসিমুখে সজলের বের করা জিভে ওদের জুতোর তলা বলাতে লাগল । সজল আন্দাজে বলার চেস্টা করতে লাগল কার কোন পা তার জিভ স্পর্শ করেছে । বেশীরভাগ সময়ে তার উত্তর ভুল হচ্ছিল । ফলে হাসিমুখে তার মুখে লাথি মারছিল তার দুই বান্ধবী । আর তার উত্তর ঠিক হলে সে গাঢ় চুম্বন করছিল বান্ধবীদের জুতোর তলায় । সবার সামনে এভাবে বান্ধবীদের পায়ের তলায় অপমানিত হতে খুব ভাল লাগছিল তার । এখন থেকে কলেজেও সে এভাবে সবার সামনে সারা আর রিমার সেবা করবে , ওদের লাথি মুখে খেতে খেতে এই স্বপ্নই দেখতে লাগল সজল ।

Follow

Get every new post delivered to your Inbox.