Introduction ;

( This is a fantasy story site containing female domination stories .

THIS IS A STRICTLY ADULT BLOG ONLY FOR ADULT (18+) PEOPLE though there is no sex related subject present in this blog . Minor male nudity may be present in some stories with warning .

This blog is a femdom fantasy blog for those adult people who can differentiate between fantasy and reality . we neither encouraging nor discouraging anyone about femdom relationship between consentual adult but strongly discouraging any type of femdom / sexual relation with any minor .

Each and every stories and comment of this site/ blog is a reflection of our femdom fantasy . we are not encouraging anyone in any kind of femdom / Violent activities.

We will be not responsible for your action. )

ভূমিকা ;

( ভূমিকা না পরে কেউ ব্লগে ঢুকবেন না । সম্পুর্ন ভূমিকা পড়ে তবেই গল্প, কমেন্ট পড়বেন বা নিজে কমেন্ট করবেন । অন্যথায় , আপনার কোন ভুল ধারনার জন্য আমি/ আমরা দায়ী থাকব না । )

শুধুমাত্র প্রাপ্তবয়স্ক ( ১৮ +) ও প্রাপ্তমনস্ক ব্যক্তিদের জন্য , যদিও এই ব্লগের কোন গল্পই যৌনতামূলক নয় ।

অপ্রাপ্তবয়স্ক ( ১৮ বছরের কম বয়সী ), অপ্রাপ্তমনস্ক ( যারা প্রাপ্ত বয়স্ক হয়েও ফ্যান্টাসি আর বাস্তবের পার্থক্য বোঝেন না ) ও  যাদের শুধুমাত্র ফ্যান্টাসি হিসাবে লেখা ফেমডম গল্প নিয়েও সিরিয়াস সমস্যা আছে তাদের প্রবেশ সম্পুর্ন নিষেধ ।

এই সাইটের যেকোন গল্পের উপর বা কমেন্টে তাকে  আকর্ষনীয় করে তুলতে যতবার খুশী তাকে সত্যি বলে দাবী করা হতে পারে । সেটাকে সিরিয়াসলি নেওয়ার কিছু নেই । ভূতের গল্পের শুরুতে লেখক যেমন গল্পকে আকর্ষনীয় করে তুলতে সেটাকে সত্যি বলে দাবী করেন এখানেও ঠিক তাই করা হয়েছে । এই ব্লগের এডমিন ও অন্যান্য নিয়মিত পাঠকেরা অনেক গল্পেই গল্প ও পরবর্তী কমেন্ট এমনভাবে করেছে যাতে সেটা অনেকটা সত্যি মনে করানো যায় , যেটা ফ্যান্টাসির মাত্রা বাড়াতেই শুধু করা হয়েছে ।

আপনি যদি এই সাইটের যাবতীয় গল্প ও প্রতিটি কমেন্টকে শুধু ফ্যান্টাসি হিসাবে নিতে পারেন শুধুমাত্র তাহলেই সাইটে প্রবেশ করবেন ।

আমরা পারস্পরিক সম্মতিতে হওয়া প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে ফেমডম সম্পর্কে উতসাহিত বা নিরুতসাহিত কোনটাই করছি না । আপনি প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি হিসাবে , আরেকজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির সম্মতিতে যা করবেন নিজেদের ইচ্ছায়, নিজেদের বুদ্ধিতে করবেন ।

বাস্তব জীবনে যে কোন অপ্রাপ্তবয়স্কর ( ১৮ বছরের কম বয়সী )  সাথে কোনরকম ফেমডম / যৌনতামুলক সম্পর্ককে আমরা চুড়ান্ত ঘৃনা করি । কোন সুস্থ সমাজেই তা গ্রহনযোগ্য না । আমাদের সাইটে ফ্যান্টাসি গল্প হিসাবে টিন এজ ছেলে / মেয়েদের মধ্যে ফেমডম কিছু ক্ষেত্রে রয়েছে । ফ্যান্টাসি আর বাস্তবের পার্থক্য না জানলে আপনি এই ব্লগ এখনই পরিত্যাগ করুন । আপনি কোন অপ্রাপ্তবয়স্ক /  সম্মতি না নিয়ে কোন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির সাথে বিকৃত কোন আচরন করলে আমরা কোনভাবেই দায়ী হব না ।

১। এই ব্লগে খুব সামান্য কিছু গল্পে মেল নুডিটি / পুরুষের নগ্নতা রয়েছে ( CFNM ) , যা শুধু ছেলেদের হিউমিলিয়েশনের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে , সরাসরি যৌনতামুলক কিছুর জন্য না । CFNM যুক্ত গল্পের শুরুতেই ওয়ার্নিং ও দেওয়া আছে । ফিমেল নুডিটি ( নারী – নগ্নতা )কোন গল্পেই নেই ।  নারীদের যৌনভাবে উপস্থাপনও কোন গল্পেই করা হয়নি ।

২। কোন গল্পেই স্টুল ফেটিশ, ইউরিন ফেটিশ ইত্যাদি এক্সট্রিম কিছু নেই ।

৩। এই ব্লগের বেশিরভাগ গল্পের মুল চরিত্ররা বন্ধু-বান্ধবী , স্কুল কলেজের সিনিয়র জুনিয়র অথবা এক পরিবারের সদস্য ( দিদি- ভাই , দাদা- বোন, বাবা – মেয়ে,  দেওর- বৌদি  ইত্যাদি ) ।

৪। বেশিরভাগ গল্পে ফিমেল ডমিনেশন হিসাবে উঠে এসেছে মেয়েটির মানসিকভাবে ছেলেটিকে সম্পুর্ন নিয়ন্ত্রন, তাকে দিয়ে নিজের যাবতীয় কাজ করানো , তার টাকায় ফুর্তি করা । ছেলেটিকে দিয়ে দেবী হিসাবে নিজের পুজো করানো , মুখে থাপ্পর মারা ,  মুখে লাথি মারা , মুখের উপর পা রেখে বসে পা টেপানো, জিভে জুতোর তলা মোছা ইত্যাদি আচরন । নায়িকার পায়ে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে জুতো বা চটি পরা আছে । মেয়েদের প্রায় সব জায়গায় সুন্দরী বলে বর্ননা করা হয়েছে । বেশিরভাগ গল্পে নায়িকা মেক আপ হীন ।  বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ছেলেরা স্বেচ্ছায় মেয়েটির কাছে নিজেকে সাবমিট করেছে ও মেয়েটিকে অনেক সুপিরিয়র ভেবে স্বেচ্ছায় তার সেবা করেছে, তার হাতে অত্যাচারিত হয়েছে ।

বাংলার সবচেয়ে বড় ফেমডম্ সাইটে আপনাকে স্বাগত । এই সাইটের গল্পগুলো সবই কাল্পনিক । পড়ুন , আর উপভোগ করুন ।
বাস্তবে কেউ এর প্রয়োগ করতে যাবেন না ।

এই সাইটে female superiority আর female domination নিয়ে অনেক গল্প পাবেন। ফ্যামিলি ফেমডম গল্প  ও পাবেন অনেক। কার কাছে ভাল কোন টপিক থাকলে জানাতে পারেন,আমি গল্প লিখে পোস্ট করব। আর কেউ নিজে গল্প লিখতে চাইলে আমাকে etaami11@gmail.com  এ গল্প পাঠিয়ে দেবেন।

এখানকার অনেক গল্প অনেকের হাস্যকর বা কুরুচিকর মনে হতে পারে। তাদের বলব, প্লিজ আ্পনার ভাল না লাগলে পড়বেন না ।গল্পগুলো ফ্যান্টাসি ছাড়া আর কিছুই না । আমরা কেউ বাস্তব জগতে এর প্রয়োগ করতে যাচ্ছি না। কোন গল্পকে আকর্ষণীয় করতে সত্যি ঘটনা বলে দাবি করা হতে পারে, তাই ভুমিকাতেই বলে রাখি এখানে পোস্ট করা সব গল্পই ফ্যান্টাসি ।

বাংলায় দুর্দান্ত ফেমডম গল্প পড়ার অভিজ্ঞতার জন্য ভিজিট করতে থাকুন,

http://www.banglafemdom.wordpress.com ( হিন্দি, ইংরেজি গল্প সহ বাংলা ও ইংরেজি হরফে বাংলা গল্পের জন্য)
and
http://www.banglafemdoms.blogspot.com ( শুধু বাংলা হরফে বাংলা গল্পের জন্য । )
http://www.facebook.com/familyfemdom ( for family femdom stories in english )

 

Thank you .

( ডিটেইলসে কিছু কথা বলছি শেষে । এটা আপনি নাও পড়তে পারেন ।  ধরুন আমি , এই ব্লগের এডমিন, নিজের জীবনে খুব বেশি চাপ না থাকলে গড়ে সপ্তাহে ৩ থেকে ৪ ঘন্টা সময় আমার একমাত্র ফ্যান্টাসি ফেমডমের কাল্পনিক দুনিয়ায় কাটাই । ধরুন , প্রতি সপ্তাহে শনিবার রাত ৯ টা থেকে ১ টা আমি ফেমডম ফ্যান্টাসি জগতে কাটাই । আমার ফেমডম গল্প পড়া , লেখা, কমেন্ট করা , ফেমডম ছবি ও ভিডিও দেখা সবই এই সময়ে । এই সময় টুকু নিজের ফ্যান্টাসি, ও কিছুটা ইরোটিক ফিলিং বাড়াতে বেশ কিছু গল্পকে আমি (ও আমরা, এই ব্লগের অন্যান্য নিয়মিত পাঠকেরা ) সত্যি হিসাবে ভাবার চেষ্টা করি। যদিও এই ফ্যান্টাসির জগতে ঢুকি এটাকে মাত্র কয়েক ঘন্টা স্থায়ী করার উদ্দেশ্যেই ।  কয়েক ঘন্টার ইরোটিক ফ্যান্টাসির জগতে কাটিয়ে আমি পরদিন সকালে দেহ – মনে সম্পুর্ন সুস্থতা নিয়ে বাস্তব জগতে ফিরে আসি , যেখানে এই হাস্যকর ফ্যান্টাসি কে কখনই বাস্তবের সাথে গুলিয়ে ফেলি না । এই পার্থক্যটা বুঝে নেওয়া খুব জরুরি । ফেমডম ফ্যান্টাসি আমাদের সপ্তাহের শেষে কয়েক ঘন্টা ইরোটিক দুনিয়ায় কাটাতে সাহায্য করে , টেস্টোস্টেরন লেভেল বাড়িয়ে দেহে এক অসাধারন অনুভুতি এনে দেয় । সঠিক মাত্রায় খাদ্য গ্রহন , শরীরচর্চা, ঘুম  ইত্যাদির সাথে পরিমিত মাত্রায়  ফেমডম ফ্যান্টাসি কখনই ক্ষতিকর নয়, বরং সুস্থ্য দেহ ও মনে বেঁচে থাকার পক্ষে খুবই জরুরি । আর আমার মতো যাদের ছোটবেলা থেকেই জীবনের চাপ কমাতে ডিফেন্স মেকানিসম ফেমডম ফ্যান্টাসির সাহায্য নিয়ে আসছে, তাদের জন্য সপ্তাহ শেষে মানসিক চাপ কাটিয়ে স্বাভাবিক হয়ে ওঠার জন্যও খুবই প্রয়োজনীয় এই ফেমডম ফ্যান্টাসি ।

শুধু একটা কথাই বলছি ফেমডম ফ্যান্টাসির জন্য মনে অকারনে কোন পাপ বোধ নেবেন না । আপনার যদি এই ফ্যান্টাসি থেকে বেড়িয়ে আসার ক্ষমতা থাকে তাহলে খুবই ভাল । নাহলেও অকারনে মনে চাপ নেবেন না । পরিমিত মাত্রায় বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে নিজের মানসিকতা ও চাহিদা বুঝে, অন্যের কোন ক্ষতি না করে দিব্যি আপনি নিজের জীবনের আর পাঁচটা গুরুত্বপুর্ন বিষয়ের সঙ্গে মিশিয়ে নিরাপদেই এই ফ্যান্টাসি প্র্যাক্টিস করতে পারেন । তবে চেষ্টা করবেন সম্পুর্ন একা থাকার সময়ে  এই ফ্যান্টাসি জগতে কাটানোর জন্য । আর প্রতি সপ্তাহে সর্বোচ্চ কতটা সময় এর পিছনে দেবেন , সেটাও ঠিক করে রাখা খুব গুরুত্বপুর্ন । এটা পারলেই আপনার ফেমডম ফ্যান্টাসি কখনই নিয়ন্ত্রনহীন নেশায় পরিনত হবে না ।

কষ্ট করে ভূমিকা সম্পুর্ন পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ । ফেমডম ফ্যান্টাসি কোন সমস্যা না, হোক নির্মল আনন্দের উৎস ।  )

রাই আর রাজা…. ( পার্ট ২ )

আমি যেন নিজের কানকেই বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। রাইয়ের মুখে বহুদিন পর চওড়া হাসি দেখে আমার মনটা অসম্ভব ভাল হয়ে যাচ্ছিল। উফ, তাহলে রাজার অবচেতন মনও চায় ওর যমজ বোনের ক্রীতদাস হতে? তাহলে আমি আর কার জন্য এত লড়ে আমার আদরের মেয়েটাকে কষ্ট দিচ্ছি এত , সেই সাথে নিজেকেও বঞ্চিত করছি এক আদিম সর্বগ্রাসী নেশা থেকে?
সীমা ভিডিওটা শেষ করে আমার মুখের দিকে তাকিয়ে বলল, “ এটাই ওর ভিতরের অবচেতন মনের কথা, যেটা এখনও ও লজ্জায় বলতে পারে না। কিন্তু এটাই ওর অবচেতন মনের ইচ্ছা, যেটা সাধারন অবস্থায় ওর চেতন মনও জানে না। আর যাদের মধ্যে এরকম চেতন ও অবচেতন মনের লড়াই চলে, তারা ভয়ানক কষ্টে থাকে, জীবন হয় উদ্দেশ্যহীন, কষ্টকর। ওকে এরথেকে মুক্তি দেওয়ার একমাত্র উপায়, যেটা ওর অবচেতন মনে আছে, যেটা রাজার চেতন মন এখনও জানে না, সেটাকে সত্যি করার ব্যাবস্থা করা। আমার মতে আমাদের উচিত এখন রাজাকে রাইয়ের হাতে তুলে দেওয়া ওর সম্পত্তির মতো, ওর ক্রীতদাস হিসাবে। সেটা রাইতো চায়ই, রাজার অবচেতন মনও তাই চায়। রাই রাজাকে নিয়ে কি করবে সেটা ওর সিদ্ধান্ত হওয়া উচিত। এমনকি রাই রাজার মুখে জুতো পরা পায়ে লাথি মারতে মারতে ওকে আজকেই মেরে ফেললেও আমি ওর পাশে আছি, ডাক্তার ও সাইকোলজিস্ট হিসাবে কি করে অন্য ব্যাখ্যা করে ওকে বাঁচাব সেটা আমার দায়িত্ব। তবে রাই বুদ্ধিমতী, ও এতটা করবে বলে মনে হয় না। রাজা তো ও চাইলেই ওর সারাজীবনের স্লেভ হবে। সারাজীবন নিজে খেটে নিজের রোজকার প্রভু যমজ বোনের হাতে তুলে দেবে রাজা, আর রাই তার বদলে ওর উপরে নিজের ইচ্ছামত অকথ্য অত্যাচার করতে পারবে সবার সামনে। আর টিনা, তুমিও আর রাজার ভাল মন্দ নিয়ে মাথা ঘামিও না। এতে রাই খুশি, রাজাও আসলে এতেই খুশি হবে। তুমিও মনে মনে সিদ্ধান্ত নাও, এখন থেকে তোমার একটাই সন্তান, তোমার মেয়ে রাই। রাজা শুধু তোমার মেয়ের ক্রীতদাস, আর কিছু না। আর এই চিন্তা তোমার দেহের কোষে কোষে যে সুখের ঝড় তোলে সেটাকে এখন থেকে এঞ্জয় কর”।
“আমারও অনেকবার মনে হয়েছে রাজার ভিতর থেকে একটা অংশ যেন চায় আমার হাতে মার খেতে, আমার সেবা করতে। ওর ভিতরে যেন একটা লড়াই চলে। আচ্ছা আন্টি, ওর ওই চেতন মন কি কখনও ওর ওই অবচেতন মনের কথা বুঝতে পারবে? ও কি কখন চেতন মন দিয়ে একইভাবে আমার স্লেভ হয়ে আমার সেবা করতে চাইবে? উফ , দারুন হবে তাহলে!” রাইকে এতক্ষন পরে কথা বলতে শুনলাম।
রাইয়ের দিকে তাকিয়ে মিষ্টি করে হাসল সীমা, তারপর বলল, “ সম্ভবত পারবে। তার জন্য টিনার সাহায্য দরকার। বাড়িতে ওকে প্রতি মুহুর্তে বুঝিয়ে দিতে হবে পুরুষ জাতির সৃষ্টিই হয়েছে মেয়েদের সেবা করার জন্য। ওর জীবনের একমাত্র লক্ষ্য যে তোর সেবা করা, বোনের লাথি খেয়ে মরে গেলেও যে ভাইদের পুন্য হয় সেটা ওর মাথায় গেঁথে দিতে হবে। তুই ইচ্ছা করলে আজ থেকেই আবার রাজার উপর অকথ্য অত্যাচার করা শুরু করতে পারিস। ”।
“হঠাত করে আবার ভয়ানক অত্যাচার শুরু করলে কি রাজা মানসিকভাবে ভেঙ্গে পরবে না?” , রাই জিজ্ঞাসা করল।
“ ও আজ হোক বা কাল ঠিকই বুঝবে ওর জীবনের একমাত্র উদ্দেশ্য তোর সেবা করা। ততদিন তোর ইচ্ছা হলে অল্প , বেশি বাঁ ভয়ানক বেশি, যেরকম খুশি ডমিনেট করতে পারিস ওকে। ও এখন তোর ক্রীতদাস, তোর সম্পত্তি। ও সারা জীবন তোর ক্রীতদাস হয়ে থাকবে, চাকরি করে অর্থ রোজকার করে তোর পায়ে সমর্পন করবে। তাই ওকে যত খুশি মার, তবে একটু খেয়াল রেখে। যাতে তোর এই দামী সম্পত্তিটা পার্মানেন্টলি ড্যামেজ না হয়ে যায়”।
আমার মনটা ভয়ানক খুশি হয়ে উঠলো সীমার কথায়, আমি যেন হাফ ছেড়ে বাঁচলাম রাইকে আর রাজার উপর অত্যাচার করা থেকে আটকাতে হবে না ভেবে। সেই সাথে নিজের ছেলেকে নিজেরই মেয়ের হাতে ক্রীতদাস হতে দেখব, এই উত্তেজনায় আমি যেন ভিতরে ভিতরে ফুটছিলাম।
“ আজ তাহলে আসি সীমা, তুমি পারলে এই সপ্তাহে একবার যেও আমাদের বাড়ি”, আমি বললাম।
“ হ্যাঁ, অবশ্যই যাব। আর একটু দাঁড়াও, ড্রাইভারকে বলছি গাড়ি করে পৌঁছে দেবে। আমাদের রাই তো এখন একজন দেবী, স্লেভ অউনার। ওকে কি সাধারন বাসে যেতে দেওয়া যায়?”
ড্রাইভার গাড়ি নিয়েও আসতে আমরা উঠে পরলাম গাড়িতে। সীমা হেসে বলল, “ রাই, এরপরের রবিবার তোরা সবাই আসিস দুপুরে, নিমন্ত্রন রইল”।
গাড়িতে উঠতেই রাই আমাকে জড়িয়ে ধরে বলল, “ মা, কি আনন্দ হচ্ছে আমার তুমি বিশ্বাস করতে পারবে না। আমি কিন্তু সত্যিই রাজাকে স্লেভ বানাবো এবার। এটা তো আসলে রাজাও চায়। তুমি এবার আর বাধা দেবে না কিন্তু”।
আমি আমার আদরের মেয়ের কপালে চুম্বন এঁকে দিয়ে বললাম, “ না রে, সীমা যা বলল আমি সেভাবেই চলব। এখন থেকে রাজাকে রোজ বুঝিয়ে দেব তুই ওর চেয়ে অনেক সুপিরিয়ার। তারপর আসতে আসতে একদিন ও তোর পুরো স্লেভই হয়ে যাবে”।
উফ, রাইকে কি করে বোঝাই আমি রাজাকে ওর স্লেভ হতে দেখব ভাবলেই যেই নেশায় আচ্ছন্ন হই আমি তার সাথে ড্রাগেরও তুলনা চলে না। সে নেশা তুলনাহীন, অদম্য!!
সাত……
“ মা!!!”, রাই আমাকে জড়িয়ে ধরে আদুরে গলায় বলল।
“ কি রে?”, আমিও আমার ১৩ বছর বয়সী ফর্শা, সুন্দরী, মিষ্টি মেয়ের কপালে হাত বুলিয়ে দিতে দিতে বললাম।
“ চল না, বাড়ি ফেরার আগে একটু শপিং এ যাই। আজ মন খুব খুশি। একটু শপিং এ যেতে ইচ্ছা করছে”।
আমি মনে মনে ভাবছিলাম রাই আর রাজার ভবিষ্যত সম্পর্কের কথা। রাজা সারাজীবনের জন্য নিজের যমজ বোনের ক্রীতদাস হতে যাচ্ছে আজ থেকে। মা হয়েও এতে আমার দুঃখ তো নেই, বরং মন উথলে উঠছে আনন্দে। আর আমি মনে মনে ভাবছি রাই যাতে আরও সুখ স্বাচ্ছন্দে দিন কাটাতে পারে সেটা নিশ্চিত করতে হবে। ওর মতো একটা দেবী, ক্রীতদাসের মালিক পাবলিক ট্রান্সপোর্টে ঘুরবে এটা সত্যিই মানা যায় না। এখন যেরকম এসি গাড়ির নরম গদিতে হেলান দিয়ে বসে যাচ্ছে, এটাই মানায় ওকে। আমি ঠিক করলাম, এই মাসেই রাইকে একটা গাড়ি গিফট দিতে হবে। আমি ড্রাইভিং জানি, তাই অসুবিধা হবে না। আর ওরা বড় হলে রাইয়ের ক্রীতদাস রাজা তো থাকবেই ওকে ড্রাইভ করে নিয়ে যাওয়ার জন্য।
আমি নিজের ভাবনায় হারিয়ে গিয়েছিলাম। রাইয়ের প্রতি প্রবল ভালবাসায় মন ভরে উঠেছিল আমার। রাই আমার মেয়ে, আমার নিজের রক্ত। ওকে আমি কিছুতেই জীবনে আমার মতো কষ্ট করতে দেব না। ও রাজকন্যার মতো আরামে বড় হবে। তার জন্য নিজের ছেলে রাজাকে ক্রীতদাসের কষ্টকর জীবনে ঠেলে দিতে আমার একটুও কষ্ট হবে না। অবশ্য কষ্টই বা কিসের? রাজার অবদমিত মনই যেখানে চায় নিজের সুন্দরী যমজ বোন রাইয়ের ক্রীতদাস হতে!
“ কি হল মা, যাবে না? তুমি আমাকে এইটুকুও ভালবাস না?” মুখে মিষ্টি হাসি ঝুলিয়ে রাই জিজ্ঞাসা করল।
“ নিশ্চয়ই যাব, সেটা আবার জিজ্ঞাসা করতে হয় নাকি?”
ড্রাইভারকে রাইয়ের প্রিয় শপিং মলের সামনে দাঁড়াতে বললাম। রাই প্রথমে জামা- প্যান্ট কিনল কয়েক জোড়া। আমিও দুটো চুড়িদার কিনলাম। তারপর জুতোর দোকানে ঢুকল। ঘরে পরার ৩-৪ টে চটি, দু জোড়া স্নিকারের সাথে একটা কালো চামড়ার মোটা সোলওয়ালা জুতোও কিনল রাই। এটা পরে রাই যখন রাজার মুখে জোরে জোরে লাথি মারবে তখন কত ভাল লাগবে দেখতে সেটা ভাবতেও ভাল লাগছিল আমার। এরপর সে শপিং মলের যেদিকে ঢুকল সেদিকে আগে কখনও যাইনি আমি। প্রথমে দুটো চামড়ার দামী চাবুক কিনল রাই, তারপর দুটো সুন্দর ডগ কলার। রাই কি ওর ভাইকে এখন থেকে গলায় ডগ কলার পরিয়ে রাখবে? মুখে বুট জুতো পরা পায়ে লাথি মারার সাথে সাথে ওর পিঠে যখন খুশি বেল্টের বারি মারবে? এই ১৩ বছর বয়সেই রাইয়ের ডমিনেটিং চিন্তা দেখে আমি মোহিত হয়ে গেলাম।
শপিং সেরে আমরা একটা ভাল রেস্টুরেন্টে খেতে ঢুকলাম। রাই অনেক আইটেম অর্ডার করল। বহুদিন পর রাইকে এত আগ্রহ নিয়ে ডিনার সারতে দেখে দারুন ভাল লাগছিল আমার।
কেনাকাটা আর খাওয়া সেরে আবার গাড়িতে এসে বসলাম আমরা। ড্রাইভার গাড়ি চালাতে শুরু করল। থাক, এখন আর জিজ্ঞাসা করে লাভ নেই রাইকে, একটু সাস্পেন্স থাকা ভাল। বাড়ি ফিরে রাই ঠিক কি ব্যবহার করবে রাজার সাথে জানার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতে লাগলাম গাড়িতে।



বাড়িতে পৌঁছলাম ঠিক রাত সাড়ে দশটায় । ড্রাইভার আমাদের নামিয়ে দিয়ে চলে গেল। আমি ঘরের সামনে দাঁড়িয়ে বেল বাজালাম।
রাজা প্রায় সাথে সাথেই দরজা খুলে দিল। রাই রাজার হাতে শপিঙের ব্যাগ গুলো ধরিয়ে বলল, “ যা, ভিতরে রেখে আয়”।
রাজা বিনা তর্কে সেগুলো হাতে নিয়ে ভিতরের ঘরে রাখতে গেল। রাই ওর সাথে স্বাভাবিকভাবে কথা বলায় ওকে বেশ খুশি দেখাচ্ছিল। ও যখন জানবে রাই এখন থেকে ওর সাথে কিরকম ব্যবহার করবে , তখন এই হাসি কিভাবে মিলিয়ে যাবে ভেবে এক তীব্র উত্তেজনায় আমি ভাসতে লাগলাম।
রাই ভিতরে ঢুকে টিভির ঘরে নরম সোফায় গা এলিয়ে দিয়ে বসল। আমিও ওর পাশে এসে বসলাম। রাজা টিভির ঘরে এসে টিভির রিমোট দুটো এনে রাইয়ের হাতে দিল। তারপর রাইয়ের ঠিক পায়ের কাছে মেঝেতে বসে পরে উতসুক দৃষ্টিতে আমাকে জিজ্ঞাসা করল, “ সীমা আন্টি ফাইনালি কি ডিশিসন নিল মা?”
আমি মুখ খোলার আগেই রাই রাজার বাঁ গালে বেশ জোরে একটা থাপ্পর মেরে বলল, “ যখন সময় হবে ঠিকই বুঝতে পারবি কি ডিশিসন নিয়েছে। এখন আমার পা ধোয়ার জল আর ঘরে পরার চটিটা নিয়ে আয় যা। আমার জুতো খুলে পা ধুয়ে দিবি”।
রাজা অবাক হয়ে একবার রাইয়ের দিকে আর একবার আমার দিকে তাকালো। তারপর আর কোন প্রশ্ন না করেই রাইয়ের হুকুম পালন করার জন্য উঠে চলে গেল।
একটু পরেই রাজা ফিরে এল আবার। সাথে গামলায় জল, তোয়ালে আর রাইয়ের ঘরে পরার নীল চটিটা। রাজা ঠিক রাইয়ের পায়ের কাছে বসল এসে, গামলা আর তোয়ালেটা পাশে রেখে রাইয়ের পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে ওর পা থেকে জুতো খুলতে গেল। আর সঙ্গে সঙ্গেই রাইয়ের সাদা স্নিকার পরা ডান পায়ের তলা প্রবল জোরে আছড়ে পরল রাজার নাক আর ঠোঁটের উপরে। রাজা একেবারেই প্রস্তুত ছিল না মুখে লাথি খাওয়ার জন্য, তাই টাল সামলাতে না পেরে উল্টে পরে গেল। আর আমি অনুভব করলাম আমার দেহের সর্বত্র যেন বিদ্যুতের স্রোত খেলে বেড়াচ্ছে!
রাজা মেঝেতে চিত হয়ে উল্টে পরেছিল, ওর চোখদুটো ছিল ছাদের দিকে । রাই সোফা থেকে উঠে ঠিক রাজার মাথার কাছে দাঁড়াল, তারপর জুতো পরা ডান পা টা তুলে দিল রাজার মুখের উপর । নিজের সাদা স্নিকারের তলাটা রাজার ঠোঁট আর নাকের উপর ঘষতে ঘষতে বলল “আমি তোর কে হই?”
“ দ্দিদি!!!!!!!!”, রাইয়ের জুতোর তলায় চাপা পরা রাজার ঠোঁটের ফাঁক থেকে অস্ফুট স্বরে কথাটা বেরিয়ে এল।
“ জন্মসুত্রে আমি তোর যমজ বোন । আর মনে রাখিস, বোন মানেই ভাইদের কাছে প্রভু। আমি তোর প্রভু হই এই কথা যেন জীবনে কখনও না ভুলিস তুই”, রাজার নাক আর ঠোঁটের উপর জুতো পরা ডান পায়ে আরেকটা লাথি মেরে বলল রাই।
রাজা অবিশ্বাস্য চোখে রাইয়ের জুতোর তলা থেকে আমার দিকে চাইছিল। ওর চোখ বলছিল ও কিছুতেই বিশ্বাস করতে পারছে না রাই আবার ওকে এইভাবে ক্রীতদাসের মতো ব্যবহার করছে, তাও ওদের মায়ের সামনেই। ওর কাতর চোখ আমাকে অনুরোধ করছিল যেন রাইকে আমি ওর উপরে অত্যাচার করা বন্ধ করতে বলি। কিন্তু যাবতীয় সংশয় আমি অনেক আগেই ঝেড়ে ফেলেছি মন থেকে, নিজের ছেলেকে মেয়ের কাছে দাসত্ব করতে দেখে তাই এক সুখময় উত্তেজনা আমার দেহের কোষে কোষে ছড়িয়ে পরতে লাগল। আর আমি রাজার উদ্দেশ্যে ঘোষনা করলাম, “ এখন থেকে তুই রাইয়ের ক্রীতদাস, রাই তোর প্রভু। রাই তোর মুখে জুতো পরা পায়ে লাথি মারতে মারতে তোকে মেরে ফেললেও যেন তোকে বাধা দিতে না দেখি কোনদিন। বাধা দিলে ফল ভয়ংকর হবে মনে রাখিস”।
রাজা আর কোন বাধা দেওয়ার সাহস পেল না আমার কথা শোনার পর। শুধু ওর চোখে মুখে এক ভয়ানক আতঙ্কের আভাস ফুটে উঠল আমার কথা শুনে। য়ার রাই ওর সুন্দর মুখে আরো সুন্দর একটা মিষ্টি হাসি ফুটিয়ে রাইয়্বের মুখের উপর নিজের ডান জুতোর তলাটা ঘষতে লাগল। এই স্নিকার পরে ও বাইরে থেকে ফিরেছে এখনই , ফলে তলাটায় বেশ নোংরা লেগে আছে আন্দাজ করতে পারছিলাম। রাই সেই নোংরা স্নিকারের তলা রাজার মুখের সর্বত্র ঘষতে লাগল মুখে হাসি ঝুলিয়ে। রাজার ফর্শা মুখটা কালো হয়ে গেল নিজের সুন্দরী যমজ বোন রাইয়ের জুতোর তলার ময়লায়। একটু পরে রাজার ঠিক নাকের উপরে জুতো পরা ডান পা দিয়ে একটা লাথি মেরে রাই অর্ডার দিল, “ জিভটা বার করে দে কুত্তা। তোর প্রভু জুতোর তলা মুছবে”।
রাজা একবারের জন্যও আপত্তি জানানোর সাহস পেল না । নিজের সুন্দরী যমজ বোন রাইয়ের জুতোর তলা মোছার জন্য লম্বা করে বার করে দিল নিজের জিভটা। চোখের সামনে আমার আদরের মেয়ে নিজের নোংরা জুতোর তলা নিজের যমজ ভাইয়ের জিভের উপরে মুছে পরিষ্কার করবে ভাবতেই আমার দেহের প্রতিটা কোষে এড্রিনালিনের স্রোত উন্মত্তের মতো দাপাদাপি করতে লাগল। আমার সীমার কথা মনে পরে গেল। আমার দায়িত্ব প্রতি মুহুর্তে রাজাকে স্মরন করিয়ে দেওয়া ছেলে মাত্রই মেয়েদের ক্রীতদাস, বোন মানেই ভাইদের প্রভু। রাজা যে রাইয়ের সম্পত্তি ছাড়া আর কিছু না সেটা ভাবতেই প্রবল সুখের নেশায় আমি আচ্ছন্ন হয়ে পরতে লাগলাম।
“ সীমা আন্টি কি ডিশিসন নিয়েছে তুই জানতে চাইছিলি না রাজা? ও সেই ডিশিসনই নিয়েছে যেটা ঠিক, যেটা আমার নিজেরই নেওয়া উচিত ছিল। ছেলেদের জন্মই হয়ে যাতে তারা মেয়েদের সেবা করে তাদের জীবন সহজ করে তুলতে পারে। তারা মেয়েদের সম্পত্তি , ক্রীতদাস আর কিছু না। ভাই মাত্রেই তার বোনের ক্রীতদাস। আজ থেকে তুই রাইয়ের সম্পত্তি, রাই তোর প্রভু, মালকিন। তোর জীবনের একমাত্র উদ্দেশ্য রাইকে খুশি রাখা। রাইয়ের লাথি খেয়ে তোর নাক মুখ ভাঙ্গুক , আর তুই মরেই যা, যেন কখনও তোকে বাধা দিতে না দেখি। রাইয়ের প্রতি তোর ভক্তিতে যেন অভাব না হয় কখনো। রাইয়ের সব জুতো জিভ দিয়ে পালিশ করতে যদি ভুলে যাস কখনও, তোর জন্য কি ভয়ানক শাস্তি অপেক্ষা করছে, তুই কল্পনাও করতে পারবি না”।
আমার কথা শেষ করার অনেক আগেই রাই রাজার বার করে দেওয়া জিভের উপরে নিজের ডান জুতোর তলা নামিয়ে দিয়েছে। নিজের নোংরা জুতোর তলা এমন স্বাভাবিক ভঙ্গিতে যমজ ভাইয়ের জিভের উপরে ঘষছে অতি সুন্দরী রাই, যেন ও পাপোষের উপরে ঘষে জুতোর তলা পরিষ্কার করছে! রাজার জিভটা বারবার কালো হয়ে যাচ্ছে রাইয়ের জুতোর তলার ময়লায়, রাজা জিভটা মুখের ভিতরে ঢুকিয়ে রাইয়ের জুতোর তলার ময়লাটা গিলে আবার জিভটা বার করে দিচ্ছে রাইয়ের জুতোর তলা মোছার জন্য! উফ, আদর্শ ভাই বোনের সম্পর্ক তো এরকমই হওয়া উচিত! যেখানে ভাই ক্রীতদাস আর বোন তার প্রভু!!
রাই মুখে হাসি ঝুলিয়ে প্রায় ৫ মিনিট নিজের নোংরা জুতোর তলাটা রাজার জিভের উপরে ঘষে নিজের জুতোর তলা নতুনের মতো চকচকে করে নিল। তারপর রাজার নাকের উপর জুতো পরা ডান পা দিয়ে একটা প্রবল জোরে লাথি মেরে বলল, “ আমি তোর প্রভু, পুজনীয় দেবী। আমার জুতোর তলার ময়লা মানে তোর কাছে পুজোর প্রসাদ। প্রসাদ পুরোটা গিলে খাবি, বাইরে ফেলতে দেখলে আজকেই লাথি মারতে মারতে তোকে মেরে ফেলব”।
রাজার চোখে মুখে আতঙ্কের ছায়া ভাসছিল। রাইয়ের কথা শেষ হওয়ার আগেই ও রাইয়ের ডান জুতোর তলায় গাঢ় চুম্বন করতে করতে বলতে লাগল, “ না প্রভু, তুমি আমার জিভে জুতোর তলা মুছেছ এ তো আমার সৌভাগ্য। আমার সৌভাগ্য যে আমি দেবী রাইয়ের জুতোর তলার ময়লা গিলে খাওয়ার সুযোগ পাচ্ছি”।
রাজার আতঙ্কিত হাবভাব রাইয়ের মুখে দারুন একটা হাসি ফুটিয়ে তুলল। রাই এবার ডান পা নামিয়ে জুতো পরা বাঁ পায়ের তলাটা রাজার বার করা জিভের উপরে নামিয়ে দিল। তারপর একইভাবে রাজার জিভের উপরে নিজের বাঁ জুতোর তলা মুছে যেতে লাগল রাই। আর রাজা মাঝে মাঝেই জিভটা মুখের ভিতরে ঢুকিয়ে ওর প্রভু রাইয়ের জুতোর তলার ময়লাটা গিলে ফেলে আবার পরিষ্কার জিভটা বার করে দিতে লাগল রাইয়ের জুতোর তলা মোছার জন্য।
রাই প্রায় ৫ মিনিট ধরে ওর বাঁ জুতোর তলাটা রাজার জিভে ঘষে পরিষ্কার করে ফেলল। তারপর হঠাতই জুতো পরা বাঁ পা টা তুলে রাজার কপালের উপরে প্রবল জোরে একটা লাথি মারল রাই। রাজাকে সামলে নেওয়ার কোন সুযোগ না দিয়েই রাজার মুখ আর মাথার সর্বত্র জুতো পরা দুই পায়ে রাই একের পর এক সজোরে লাথি মারতে লাগল। উফ, কি যে অকল্পনীয় সুখ মেয়ের হাতে ছেলেকে অত্যাচারিত হতে দেখে! আমি রাইকে বাধা দেওয়া তো দূর, পাশের ঘর থেকে নতুন কেনা চাবুক আর ডগ কলারটা নিয়ে এলাম রাইয়ের জন্য। রাজার মুখের সর্বত্র তখনও একইভাবে লাথি মেরে চলেছে রাই, ওর সুন্দর মুখে ফুটে উঠেছে এক নিষ্ঠুর হাসি। রাজার নাক দিয়ে রক্ত পরছে, চোখ দিয়ে জল ঝরছে। তবু ও সাহস পাচ্ছে না রাইকে ওর মুখে লাথি মারা থামানোর অনুরোধ করতে। শুধু অসহায় মুখে রাইয়ের দিকে হাতজোড় করে শুয়ে মুখে একের পর এক রাইয়ের জুতো পরা পায়ের লাথি খেয়ে চলেছে রাজা!
আমি এগিয়ে গিয়ে চাবুক আর ডগ কলারটা রাইয়ের হাতে দিলাম। রাই আমাকে জড়িয়ে ধরে “ থ্যাংক ইউ মা” বলে আমার হাত থেকে জিনিস দুটো নিল। তারপর ডান হাতে চামড়ার চাবুকটা নিয়ে জুতো পরা ডান পা টা ভাইয়ের মুখের উপরে তুলে দিয়ে ভাইয়ের বুকে একের পর এক চাবুকের বারি মারতে লাগল। রাজার জামা চিড়ে গিয়ে ওর বুকে একের পর এক বেল্টের লাল দাগ বসে যেতে লাগল। আর রাইয়ের ভয়ানক অত্যাচারী রুপ দেখে এক অনিয়ন্ত্রিত নেশার জগতে আমি নিজেকে হারিয়ে ফেলতে লাগলাম।
প্রায় ৫ মিনিট রাজার বুকে চাবুক মেরে রাই রাজার মুখের উপরে জুতো পরা দুই পায়ে উঠে দাড়ালো। আমি পাশে দাঁড়িয়ে ওর হাত দুটো ধরলাম যাতে ওর ব্যালেন্সে সুবিধা হয়। আর রাই আমার হাত ধরে জুতো পরা পায়ে রাজার মুখের উপরে দাঁড়িয়ে লাফাতে শুরু করল! ও যতটা পারে উঁচুতে লাফাচ্ছিল, আর জুতো পরা পায়ে ল্যান্ড করছিল ভাইয়ের মুখে। আর আমি ওদের মা হয়ে আমার মেয়ের হাত ধরে সাহায্য করছিলাম যাতে ও আমারই ছেলের মুখের উপর এইভাবে জুতো পরা পায়ে লাফাতে পারে! উফ, কি যে আনন্দ এতে! রাজা যদি আজ রাইয়ের কাছে মার খেতে খেতে মরেই যায় তাহলেই যেন আমি সবচেয়ে খুশি হব!!
প্রায় ১০ মিনিট রাজার মুখের উপরে জুতো পরা পায়ে লাফালো রাই। আর রাজার মুখ থেকে অব্যক্ত এক গোঙ্গানীর শব্দ ভেসে আসতে লাগল শুধু। শেষে রাই যখন নেমে দাড়ালো তখন রাজার নাক আর ঠোঁট দিয়ে গলদল করে রক্ত বেরোচ্ছে, মুখ ফুলে আর রাইয়ের জুতোর তলার কাদায় এমন চেহারা হয়েছে যে চেনা তো দূর , ও মানুষ না অন্য প্রানী সেটাই সন্দেহ হচ্ছে! রাই নেমে দাড়াতেও রাজা লাশের মতো নিঃসাড় হয়ে পরে রইল। সত্যিই কি রাজা মরে গেল নাকি?
আমি সাথে সাথে রাজার নাকের কাছে হাত দিয়ে দেখলাম। হালকা নিঃশ্বাস অনুভব করতে পারলাম। যাক, তাহলে শুধু অচেতন হয়ে পরেছে! এখনও বেঁচে আছে আমার মেয়ের ক্রীতদাস!
আমার মনে একটুও মায়া জাগল না নিজের ছেলেকে এই অবস্থায় দেখে। বরং মনে মনে বললাম, আমার কোন ছেলে নেই, শুধু একটা আদরের মেয়ে আছে, রাই। আর রাজা হল সেই আদরের মিষ্টি মেয়ের ক্রীতদাস। রাইয়ের লাথি খেয়ে সে যদি মরেও যায় সেটা আমার কাছে উপভোগের বিষয়!
রাই সেই অবস্থাতেই রাজার গায়ে লাথি মারতে মারতে ওকে সোফার পায়ের কাছে নিয়ে এল। তারপর রাজার গলায় ডগ কলারটা পরিয়ে দিয়ে সেটা ধরে সোফায় বসল রাজার মুখের উপরে জুতো পরা পা দুটো তুলে দিয়ে। রাজার অচেতন দেহের উপরে জুতোর তলা ঘষতে ঘসতে ও টিভির চ্যানেল সার্ফ করতে লাগল। আমিও রাইয়ের পাশে সোফায় বসে টিভি দেখতে দেখতে আড়চোখে মেয়ের মুখের হাসি লক্ষ্য করে আনন্দে ভাসতে লাগলাম।
“ মা, তুমিও ক্রীতদাসের গায়ের উপরে পা তুলে দাওনা আমার মতো প্লিজ?”
আমার আদরের মেয়ের অনুরোধ উপেক্ষা করতে পারলাম না আমি। আমার চটি পরা পা দুটো অচেতন রাজার বুকের উপরে তুলে দিয়ে বসলাম আমিও। রাই আমাকে জড়িয়ে ধরে আমার কাঁধে মাথা রেখে ওর যমজ ভাই, ওর ক্রীতদাস রাজার মুখের উপর জুতোর তলা ঘষতে ঘষতে টিভি দেখতে লাগল। আর আমি রাইয়ের প্রতি প্রবল ভালবাসায় ওর কপালে এঁকে দিলাম স্নেহচুম্বন।

রঞ্জনবাবুর অভিজ্ঞতা।

আমার ছেলে রানার বয়স ১৫। আমি অনেকবার লক্ষ্য করেছি ও নিজের ৩ বছরের ছোট বোন রিমির পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করে। মেয়েও দাদার মাথার উপর চটি পরা পা রেখে আশির্বাদ করে। জিজ্ঞাসা করলে ছেলে বলে ছোট বোনকে ভক্তিভরে প্রনাম করলে ওর পড়াশোনায় মন বসে। আমি বা ওদের মা তাই বাধা দিই না।
ছোটবেলায় ওরা ভাই বোনে মাঝে মাঝে ঝগড়া করত ঠিকই। কিন্তু একটা জিনিস দেখেছি, মেয়ে দোষ করলেও ছেলে সবসময় বোনের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিত। ছেলের বয়স বাড়তে থাকলে ও আসতে আসতে বোনের সব কথাই মেনে নিতে থাকে। ছেলের বয়স ১১-১২ হওয়ার পর ওকে আর বোনের সাথে কখনও ঝগড়া করতে দেখিনি। বোন যা বলত, তাই মেনে নিত ও। ওর বোন আসতে আসতে কথায় কথায় ওকে হুকুম করা শুরু করে। ও সেটাও হাসিমুখে মেনে নিতে থাকে। ছেলের বয়স যখন ১৩ আর মেয়ের ১০, তখন প্রথম দেখি ছেলে ওর বোনকে প্রনাম করছে। এখন রোজ সকালে বিকালে রাতে নিয়ম করে বোনের পায়ে মাথা রেখে প্রনাম করে ও। আর মেয়ে ওর মাথায় চটি পরা পা রেখে আশির্বাদ করে ওকে। আরো অনেক ভাবে বোনের সেবা করে ও।
প্রথম প্রথম আমাদের অবাক লাগত। ছেলেকে অবাক হয়ে জিজ্ঞাসা করেছি ছোট বোনকে প্রনাম করে কেন? ও বলত বোনকে দেখলে ওর মনে ভক্তি জাগে, ওকে প্রনাম করলে প্রানে শান্তি পায়। এখন বুঝি কোন কারনে সত্যিই ও নিজের ছোট বোনকে ভিশন ভক্তি করে। মেয়ে মাঝে মাঝেই কারনে অকারনে ওর দাদাকে মারে, ছেলে কখনো বাধা দেয় না। আমার মনে হয় ওদের কাছে যদি এটাই স্বাভাবিক সম্পর্ক হয় তো তাই থাক। ওরা দুজনেই যখন এতে খুশি আমরা কেন বাধা দিতে যাব? তাই ছেলেকে বলেছি তোর যেভাবে খুশি ছোট বোনের সেবা কর, আমরা কিছু বলব না।
.
.
.

আজ অফিস থেকে ফিরে যেমন দেখলাম আমার ১২ বছর বয়সী মেয়ে রিমা তার দাদা রানাকে দিয়ে পা টেপাচ্ছে। রানা বোনের পায়ের তলায় শুয়ে মন দিয়ে বোনের পা দুটো ভক্তিভরে টিপে যাচ্ছে।
.
.
.
মাঝে মাঝেই দাদাকে দিয়ে পা টেপানোর সময় আমার মেয়ে নিজের চটি বা জুতো পরা পা দাদার মুখের উপর রেখে বসে। ১২ বছরের একটা মেয়ে নিজের চটি বা জুতো পরা পা ৩ বছরের বড় দাদার মুখের উপরে রেখে দাদাকে দিয়ে পা টেপাচ্ছে, আর দাদা সেই অবস্থায় ভক্তিভরে ছোট বোনের পা টিপে যাচ্ছে, দেখতেও অবাক লাগে আমাদের।
.
.
.

আমার মেয়ে ওর দাদার মুখের উপর চটি পরা পা রেখে বসে কখনও ১ বা ২ঘন্টা, কখনও টানা ৩,৪ বা ৫ ঘন্টা ধরে পা টেপায়। ওর দাদা ওর পা টিপে দেয় ভক্তিভরে, আর ও যখন খুশি ইচ্ছামত দাদার মুখে চটি পরা পায়ে লাথি মারে দাদার সেবা নিতে নিতে। জবাবে ছেলে ওর বোনের চটির তলায় চুম্বন করে ওকে ধন্যবাদ দেয় ওর মুখে লাথি মারার জন্য। মেয়ে সারাদিন চাকরের মত অর্ডার করে ওর দাদাকে। আর ছেলে বাধ্য চাকরের মত ছোট বোনের সব অর্ডার পালন করে।

কালকে আমার চোখের সামনে আমার মেয়ে ওর দাদাকে ভিশন মারল।

আমার ছেলে প্রায় চাকরের মতো সেবা করে ওর ছোট বোনের। রোজ সকালে আমার মেয়ে রিমি ৮ টার দিকে ঘুম থেকে ওঠে। রানা বোনের ব্রেকফাস্ট আর চা বা কফি রেডি করে ওর পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে বোনের পায়ে হাত দিয়ে নরম স্বরে ডেকে ওকে ঘুম থেকে তোলে। তবে মাসে ২-৩ বার আমার মেয়ে সকাল ৫.৩০-৬.০০ টায় মর্নিং ওয়াকে যায়। কবে ওর যাওয়ার ইচ্ছা হবে কেউ জানে না। আমার মেয়ে শোয় দোতলার বড় ঘরের খাটে। আর ওর দাদা রানা এখন রাতে ওই ঘরের মেঝেতে বিছানা করে শোয়, যাতে রাতে বোন কিছু অর্ডার করলে সাথে সাথে ও এনে দিতে পারে।
কাল রাতেও রানা বোনের ঘরের মেঝেতে তোষক পেতে শুয়েছিল। ভোর ৬ টার একটু আগে রিমিকে উঁচু স্বরে
চিৎকার করতে শুনে আমি ওদের ঘরে ঢুকে দেখি রিমি ওর লাল চটি পরা ডান পা টা দাদার মুখের উপর রেখে দাঁড়িয়ে আছে আর দাদার মুখের উপর একটানা চটি পরা পায়ে বেশ জোরে জোরে লাথি মারতে মারতে বলছে, ” তোর হুঁশ থাকে না চাকর যে তোর প্রভু সকালে মর্নিং ওয়াকে যাবে? তুই কি আশা করিস প্রভু নিজে হাতে পায়ে জুতো পরবে আর ফিরে এসে নিজে জুতো মোজা খুলে চা আর টিফিন বানিয়ে খাবে? তোর মতো চাকর থাকার চেয়ে না থাকা ভাল।”
রিমি কথা গুলো বলছিল আর টানা চটি পরা পায়ে দাদার মুখে লাথি মেরে যাচ্ছিল। আমি অবাক হয়ে গেলাম রিমি নিজের দাদাকে চাকর বলছে আর নিজেকে দাদার প্রভু বলছে। রানা কিন্তু এমনভাবে মুখে বোনের চটি পরা পায়ের লাথি খেতে খেতে বোনের চটির তলায় চুম্বন করে ওর কাছে ক্ষমা চাইছিল যেন রিমি সত্যিই ওর প্রভু। আর আরো আশ্চর্য লাগল যখন পরে শুনলাম রিমি যে সেদিন মর্নিং ওয়াকে যাবে সেটাও আগে বলেনি রানাকে। অকারনে ও শুধু মজা নেওয়ার জন্য দাদার মুখে ওইভাবে চটি পরা পায়ে লাথি মারছিল।

অঙ্কুশের কাহিনী…
আমি ক্লাস ১০ এ পড়ি। আমার বোন অন্মেষা পড়ে ৮ এ। কখনও কখনও বোনের সাথে ঝগড়া হয় আমার। ও ছোট, মেয়ে আর দেখতে ভাল বলে বাবা মা ওকে আমার চেয়ে বেশি ভালবাসে। আমার সেটা খারাপ লাগে। আবার যেন ভিতরে ভিতরে একটু ভালও লাগে। আমি ঠিক বুঝতে পারি না কেন এরকম হয়। বোন আমাকে কিছু অর্ডার করলে আমি চিৎকার করি, করতে পারব না বলি, তবু প্রায় সবসময়ই সেটা করে দিই। দেখাতে না চাইলেও কিরকম যেন ভাল লাগে ভিতরে ভিতরে। গত কিছু দিন হল একটা ছোট্ট ঘটনার পর এটা আরো বেশি হচ্ছে।
আমি এবছর মাধ্যমিক দেব। আমি ২ সপ্তাহ আগে আমার টেস্ট পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর বাবা মাকে বলেছিলাম- মাধ্যমিকের পর কোথাও বেড়াতে গেলে হয় না?
বাবা -মা গম্ভীর মুখে বলেছিল – এখন ওসব ভাবতে হবে না। এখন শুধু মন দিয়ে পড়, পরে দেখা যাবে।
অথচ পরের সপ্তাহেই আমার বোন অন্মেষা আর আমার কাজিন বোন অনামিকা মিলে যেই দার্জিলিং ঘুরতে যাওয়ার কথা বলল, বাবা মা এক কথায় রাজি হয়ে গেল।
অনামিকা আমার ডবল কাজিন, আমার কাকু আর মাসির মেয়ে, আমার চেয়ে মাত্র ৪ দিনের বড়। তবু ও আর বাবা মা জোর করে ওকে দিদি বলে ডাকতে বাধ্য করে। আগে আমাদের জয়েন্ট ফ্যামিলি ছিল। ছোটবেলায় আমরা একসাথে থাকতাম। দিদি একটু ডমিনেন্ট টাইপ ছিল, আমাকে হুকুম করতে ভালবাসত। ওকে দেখে বোনও একই জিনিস করার চেষ্টা করত। বাবা মা কাকু মাসি সবাই দিদি আর বোনকে আমার চেয়ে বেশি ভালবাসে ওরা সুন্দরী আর মেয়ে বলে। তাই আমাকে প্রায়ই বাধ্য করত বোন আর দিদির কথা মানতে। আমি বেশিরভাগ সময় মানতে চাইতাম না, রেগে যেতাম। তবু মাঝে মাঝে সেই হুকুম করাটাই কেন জানি না ভাল লাগত বেশ। যত বড় হতে লাগলাম এটা বাড়তে লাগল। তবু ইগোর জন্য ভাব দেখাতাম যে ভাল লাগছে না ওদের হুকুম।
আমি আর দিদি যখন ক্লাস ৬ এ পড়ি তখন কাকুর শিলিগুড়িতে বদলি হওয়ায় সেখানে চলে যায়। কিন্ত বোন আগের মত হুকুম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতে থাকে। আমি যদিও পাত্তা দিতাম না ইগোর জন্য, সে যতই সেটা ভাল লাগুক কিছুটা। তবে মা বাবা মাঝে মাঝে ওর কথা শুনতে বাধ্য করত। ওকে অনেক বেশি আদর আর গিফট দিত আমার থেকে। আমার অল্প হিংসা হত, তবু কেন জানিনা তারচেয়ে বেশি ভাল লাগত আমার সুন্দরী বোন আমার চেয়ে বেশি আদর আর সুযোগ পাচ্ছে বলে, যেটা আমি চেপে যেতাম।
বোন আর দিদি মিলে চ্যাটে ঠিক করল দার্জিলিং যাবে আর যে বাবা মা আমার ঘুরতে যাওয়ার কথা উড়িয়ে দিয়েছিল সেই বাবা মাই সাথে সাথে রাজি হয়ে গেল! কাকুর কাজের চাপ থাকায় যেতে পারবে না, দিদি আমাদের সাথে যাবে। কবে যাব, কোথায় থাকব ঠিক করার জন্য দিদির সাথে ভিডিও চ্যাটে বাবা মা কথা বলতে গেল। বাকি ডিটেইলসের সাথে কথা উঠল কটা রুম ভাড়া নিতে হবে আমাদের ৫ জনের জন্য। দিদি বলে দিল দুটো ডবল রুমের ঘর ভাড়া নিলেই হবে। মা বলল, একটায় তো আমরা দুজন থাকব, বাকি রুমে তোদের ৩ জনের হবে? দিদি বলে দিল- হ্যাঁ হয়ে যাবে। অংকুশ ঠিক মেঝেতে শুয়ে পরবে।
বোন আর দিদি খাটের নরম গদিতে লেপ মুড়ি দিয়ে শোবে আর আমি ঠান্ডা মেঝেতে শুনেও কিরকম একটা ভাল লাগছিল আমার। কিন্তু আমি প্রতিবাদ করে সাথে সাথে বললাম- দার্জিলিং এর ঠান্ডায় আমি মেঝেতে শুতে পারব না।
শুনে বোন পাশ থেকে বলল, – তাতেও অসুবিধা নেই। দাদা ঠিক আমাদের পায়ের নিচে শুয়ে পরবে।
দিদি শুনে লাফিয়ে বলল- ব্যাস, সমস্যা মিটে গেল! মা বাবাও শুনে আপত্তি করা তো দূর, হাসিমুখে রাজি হয়ে গেল এতে। আর আমার ইগো বলছিল যে আবার প্রতিবাদ করতে, কিন্তু এক দারুন ভাললাগায় যেন আমার মুখ আটকে দিল। বোন আর দিদির কাছে অপমানে, ওদের তুলনায় আমাকে ছোট করলে আমার রাগের থেকে ভাল লাগা কেন বেশি হয় এটা আমিও ঠিক বুঝি না। আমি চুপ করে রইলাম এই ভাললাগার কারনে।
বোন উতসাহ পেয়ে পাশ থেকে আবার বলল, – ভালই হবে। সারাদিন হেঁটে হেঁটে ঘুরে পায়ে ব্যাথা হয়ে যাবে। দাদা পায়ের তলায় শুলে দাদাকে দিয়ে আমরা পা টেপাতে পারব। কি রে দাদা, আমাদের পা টিপে দিবি না তুই?
আমার লজ্জায় যেন কান লাল হয়ে যাচ্ছিল। শুধু কোনরকমে বললাম, – সে তখন দেখা যাবে।
বাবা মা সত্যিই দুটো রুমই রিজার্ভ করে রাখবে নেক্সট মাসে। আমাকে বোন আর দিদির পায়ের তলায় শুতে হবে প্রায় ১০ দিন!
এই ঘটনার পর থেকে বোন বা দিদি হুকুম করবে ভাবলে কোন ইগোই প্রায় কাজ করছে না। ওরা আমাকে যা খুশি হুকুম করবে, চাকরের মত কাজ করাবে, পা টেপাবে ভাবতে এক অদ্ভুত ভাল লাগছে। বোন তারপর থেকে হুকুম করা আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। প্রায়ই অর্ডার করে – জলের বোতল এনে দে, খাট ঝেড়ে দে, এটা এনে দে, ওটা এনে দে। আমি সেগুলো সবই করে দিই, কি অদ্ভুত একটা ভাল লাগে। ও মাঝে মাঝে পা টিপতেও বলছে মজা করে। আমি সেটা এড়িয়ে যাচ্ছি এখনো, যদিও জানি বাবা মার সামনে চাকরের মত ছোট বোনের পা টিপতে দারুন ভাল লাগবে। তখন বোন বলছে- ঠিক আছে, মাধ্যমিক আছে সামনে, তাই এখন ছেড়ে দিলাম। কিন্তু মনে রাখিস, পরীক্ষার পর দার্জিলিং যাওয়ার পর থেকেই রোজ আমার পা টিপতে হবে তোকে। মা শুনে বোনকে বাধা না দিয়ে বরং একদিন বলল, – একদম ঠিক।
সত্যি বলতে আমার মনে হয় ওরা সত্যিই আমাকে রাতে পায়ের তলায় শুইয়ে আমাকে দিয়ে পা টেপাবে ওই সময়ে। আমার ভাবতে এখন আর খারাপই লাগে না প্রায়, কোন ইগো এসে বাধাও দেয় না তেমন। মাধ্যমিকের পর ১০ দিন বোন আর দিদির চাকরের মত সেবা করতে হবে, সারারাত ওদের পায়ের তলায় শুয়ে পা টিপে দিতে হবে ভেবে কেন জানিনা দারুন ভাল লাগছে। আমি এত সুন্দরী বোন আর দিদির চাকর হওয়ারও যোগ্য নই ভেবে আনন্দ লাগছে বরং।
সামনে মাধ্যমিক। তাই বেশি অনুভুতি শেয়ার করতে পারব না এখন। তবে মাধ্যমিকের পর মার্চ মাসের শুরুতে দার্জিলিং যাচ্ছি। তারপর কি হল এখানে এসে শেয়ার করব। ততদিন সবাই নিজেদের অভিজ্ঞতা লেখ প্লিজ। সবার কথা শুনলে আমাদের পরিস্কার হবে কেন আমরা সুন্দরী ছোটবোনের চাকরের মত হয়ে ওদের সেবা করতে ভালবাসি।
( লেখক অঙ্কুশ, ছোট বোনের সেবা করা ফোরাম থেকে কপি করা)।

১)

 

পল্টু ও সাবিনা ( লেখক : পলাশ)
পল্টুদের বাড়িতে সাবিনা নামে একজন মুসলিম ১৫ বছর বয়েসি মেয়ে কাজ করত। পল্টুর বয়েস তখন ২৯ বছর।
যেহেতু মেয়েটি মুসলিম ছিল তাই পল্টু মেয়েটির সাথে খারাপ ব্যাবহার করতো।কিন্তু মেয়েটি পল্টুকে মনে মনে ভালবাসতো।পল্টুকে খুশী করার চেষ্টা করতো।কিন্তু পল্টুর ব্যাভহার আরো খারাপ হতে লাগলো।কি আর করবে সাবিনা মা বাবা মরা বেচারি সাবিনা।
সাবিনার খালা সে ইন্দোনেশীয়ায় থাকে তার বর ও দুই মেয়ে কে নিয়ে।
সাবিনার খালার নাম রুকসানা (৩৬)তার বরের নাম আব্দুল (৪০)আর দুই মেয়ে নাগমা(১৩) রোজিনা(১০)।

আব্দুল আগে রাজমিস্ত্রির কাজ করতো এখন বাড়িতেই থাকে। কারন রুকসানা গোপনে স্মাগলিং করে প্রচুর টাকা income করেছে।রুকসানা এখন ওখানকার বড়ো ব্যাবসায়ী, তার সাথে অনেক লোকের পরিচয় ও আছে।

রুকসানা একদিন India te এলো মা বাবা মরা মেয়েটাকে তাদের সাথেই নিয়ে যাবে বলে। সাবিনা তার খালাকে সব কষ্টের কথা খুলে বলল।রুকসানা খুব রেগে গেল আর বলল সে পল্টু কে খুন করিয়ে দিবে লোক লাগিয়ে এই কথা শুনে সাবিনা বলল না খালা আমি পল্টুকে ভালোবাসি তুমি অন্য কোন শাস্তি দাও ওকে।
রুকসানা বললো তুই বিয়ে করবি ওই শয়তানটাকে? সাবিনা বললো হ্যাঁ। কিন্তু আমার তো বিয়ের বয়েস হইনি এখনো।রুকসানা বললো ও তোকে চিন্তা করতে হবে না আমি যা করার করছি।তুই তোর ব্যাগ প্যাকিং কর।
সাবিনা বললো কেনো খালা ব্যাগ প্যাকিং করবো কেনো? রুকসানা বললো কারন তুই আমার সাথে ইন্দোনেশীয়ায় যাবি তাই। সাবিনা বললো কিন্তু খালা।কথা শেয না হতেই রুকসানা বললো তুই আমার উপরে বিশ্বাস রাখ আমি যা করার করছি কিন্তু তোকে শক্ত হতে হবে।বিয়ের পর ওই শয়তান পল্টুকে তোকে তোর বানাতে হবে।পারবি তো?
সাবিনা বললো হ্যাঁ খালা খুব পারবো কারন আমাকেউ তো প্রতিশোধ নিতে হবে ওর উপরে।এই কথা শুনে রুকসানা,সাবিনার কপালে চুমু খেয়ে বললো এই না হলে তুই আমাদের মেয়ে।
এরপর সাবিনা চলে গেল তার খালার সাথে খালার বাড়ি।
তার কিছুদিন পর পল্টুও নিখোঁজ হয়ে গেল।
পল্টু kidnap হয়েছে পরে জানা গেল।

পল্টুকে কিডন্যাপ করে ইন্দোনেশিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়।
ওখানকার কিডন্যাপার রা পল্টুকে বলে হয় সাবিনাকে বিয়ে করে ওর খালার বাড়িতেই থাকতে হবে না হলে তাকে সুট করে মেরে ফেলা হবে।পল্টু বললো যে সাবিনা মুসলিম আর under age মেয়ে তার সাথে বিয়ে কি ভাবে সম্ভব?
কিডন্যাপার রা বললো ও তোকে ভাবতে হবে না। তোর উত্তর বল।বিয়ে করবি কি না?পল্টু ভয়ে হ্যাঁ করলো
তারপর কিডন্যাপাররা রুকসানাকে ফোন করে বললো যে পল্টু বিয়ে করতে রাজী হয়েছে।
তার দুইদিন বাদে পল্টু আর সাবিনার বিয়ে হলো।বিয়ে করে সাবিনা পল্টুকে নিয়ে তার খালার বাড়িতে এলো।
এর কিছুক্ষণ পরে রুকসানা ডেকে পাঠালো পল্টুকে তার রুমে। পল্টু ভয়ে ভয়ে রুকসানার রুমে ঢুকে বললো খালা আমাকে ডেকেছেন আপনি?রুকসানা গম্ভীর গলায় বললো হ্যাঁ। শোন আজ থেকে তুই এই বাড়ির চাকর এই বাড়ির প্রত্যেক মহিলা তোর মনিব।পল্টু বললো কি বলছেন আপনি? হ্যাঁ ঠিকই শুনেছিস তুই। আজ তোর ফুলসজ্জার রাত আজ তোকে বেশি কিছু বলবো না কাল সকাল থেকে তোর নতুন জীবন শুরু হবে এখন যা সাবিনা তোর অপেক্ষা করছে। পল্টু বললো ঠিক আছে খালা বলা মাত্র গালে সজোরে একটা থাপ্পড় মারলো রুকসানা আর বললো মনিব বল কুত্তা।
পল্টু মাথা নিচু করে রুম থেকে বেরিয়ে এলো আর এগিয়ে গেল তার আর সাবিনার রুমের দিকে।
সে রুমে ঢুকেই সাবিনাকে দেখলো সাবিনা খাটের উপর পায়ের উপর পা রেখে বসে আছে।পল্টু রুমের দরজা লাগালো তারপর খাটের কাছে এসে সাবিনা কিছু একটা বলতে গেল তখনি সাবিনা বললো মনিবকে দেখলে পায়ে মাথা রেখে প্রনাম করতে হয় জানিস না কুত্তা। এই কথা শুনে পল্টু অবাক হলো আর ভাবতে লাগলো কয়েকদিন আগেই যে তার কাজের মেয়ে ছিল সে এখন তার মনিব।
পল্টু কথা না বাড়িয়ে প্রনাম করলো তখনি সাবিনা বললো স্যান্ডেলটাও চাট পল্টু বাধ্য কুকুরের মতো স্যান্ডেল টা চাটতে লাগলো।
স্যান্ডেল চাটা হয়ে গেল যখন তখন পল্টু বললো হয়ে গিয়েছে মালকিন। সাবিনা বললো স্যান্ডেল কে খুলবে রে কুত্তা এই বলে একটা লাথ মারলো সাবিনা। পল্টু ব্যালেন্স সামলাতে না পেরে চিত হয়ে পরে গেল আর বললো ভুল হয়ে গিয়েছে প্রভু আর তাড়াতাড়ি উঠেই স্যান্ডেল জোড়া খুলে দিল। তারপর সাবিনা হুকুম করলো আমার পা টিপে দে গোলাম।
পল্টু তার চেয়ে ১৪ বছরের ছোট তার বিবাহিত স্ত্রী যে কয়েকদিন আগে কাজের মেয়ে ছিল তার গোলামে পরিনত হয়েছে এই ভাবছে আর পা টিপছে এমন সময় সাবিনা একটা আলতো করে লাথি মেরে বললো এখনো তুই এতো দামী পোষাক পরে আছিস কুত্তা, তুই আজ থেকে এই বাড়িতে ল্যাংটা হয়ে থাকবি বুঝেচিস? পল্টু মাথা নিচু করে বললো হ্যাঁ মালকিন।
পল্টু কথা না বারিয়ে চুপচাপ ল্যাংটা হয়ে গেল আর মাথা নিচু করে দারালো তখন সাবিনা চিৎকার করে বললো হা করে দারিয়ে আছিস কেন রে গোলাম আমার পা চাট মুখ দিয়ে আর পা টেপ হাত দিয়ে শূয়র কোথাকার তাই শুনে পল্টুর চোখ দিয়ে জল বেরিয়ে এলো আর বাধ্য কুকুরের মতো হুকুম পালন করতে লাগলো।
কিছুক্ষণ পা টেপার পর সাবিনা হালকা লাথি মেরে বললো অনেক হয়েছে নে এবার শুতে যা তাই শুনে পল্টু সাবিনার পায়ে মাথা রেখে বললো ধন্যবাদ প্রভু বলেই সাবিনার পাশে সুতে গেলো পল্টু তখনি একটা লাথ মেরে খাট থেকে ফেলে দিলো পল্টুকে সাবিনা আর বললো জানিস না চাকরা মনিবের খাটে সয় না যা মাটিতে সো কুত্তা।
আর শোন কালকে তুই ভোর ৫ টার সময় উঠবি বুঝলি।

 

 

২)

 

 

 

রবিন ( লেখক : পলাশ)

১০-১২ বছর আগের কথা। বাংলার এক গ্রামে রবিন নামে একটা ছেলে ছিল। তখন ওর বয়স ২৩। হঠাত একদিন এক এক্সিডেন্টে ও ওর মা বাবাকে হারিয়েছিল। এরপর সে বয়সের দোষে খারাপ সঙ্গের পাল্লায় পরে, নেশাও করতে শুরু করে খারাপ বন্ধুদের পাল্লায় পরে।….

কিছুদিনের মধ্যেই তার নেশা নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে গেল। সে এলাকার কুখ্যাত মাতালে পরিনত হল। সেই সাথে নেশার প্রভাবে মেয়েদের উত্যক্ত করার মত আচরনও এসে যুক্ত হল তার মধ্যে।…

…ai vabe tar barite kaj kore komola (40) bidhoba o tar meye Ranu ( 14) keo charlo na….se tader k majhe majhei uttokto korte thaklo…ai khobor pouchalo gramer mohila Prodhan Sabita Debir ( 45) kache..Sabita Debi chilen oti naribadi.

Sabita Debi gram a salisi savar ayojon korlen…dak porlo Robin er…sathe kamola o Ranu keo daka holo..nirdisto dine sava te aslo sab nari badi ra savate somoy moto komola r tar meyeo alo kintu savate Robin alo na …savate thik holo Robin jehetu aseni take jor kore hajir korate hobe abong tar bichar hobe.
Sei moto 20 jon meye thik kora holo jader gaye valo sakti ache… R sejonyei oi 20 Jon mohila ratre Robin er barite chorao holo abong Robin k bandhe Sabita Debir hajir kora holo…Sabita Debi hukum dilen aisaitan janoar ta k tar barir samne j pole ta tate bandhe rakhar R buke likhe daoar j ai saitanta meyeder utokto Kore …tini bollen tomra pahara dao jeno palate na pare kal 11 tai bichar hobe….

Robin k sara rat kono Jol, khabar kichui deoa holo na …obosese oivabei ghumia porlo Robin….seta chilo gorom kal tai baire khub kosto holo na Robin er…

Sokale ghum vanglo jokhon dekhte pelo j meyera school a jache ( gorom kal bole school morning a) 3 te meye agia alo boyes 10 thake 12 hobe ….agia ase akti meye bollo ai kutta mod kheye sob meyeder apoman Kore.
ai kotha sune ekti meye tar juto pora paye Robin er mukhe ekta lathi marlo ar arekta meye or mukhe thutu diye dilo….ai dekhe rasta diye jaoa sob chatri ra haste laglo ….akti meye tar dada k bollo dekhechis meyeder apoman korar fol tokeo aivabe sasti dile tui sudhre jabi.

Ar por ghorite 10 ta bajlo ….Robin k bichar sthole niye asa holo …

Thik 1.10 tokhon bichar ses holo tate Robin k dosi sabosto korlen Sabita Debi…

Komolar mukhe hasi r mukh tipe haste laglo tar meye Ranu…..komola Robin k bollo Ami k Janis tor? Robin bollo amar monib..komola: hmmm..ta hole Amar meye Ranu k hoi tor? Robin: monib..komola: aj thake tui ama k Debi bolbi r Ranu k Malkin bole dakbi bujhli re kutta….Robin matha nichu Kore bollo ha debi…..abar Ranu Robin er samne ase bollo aj thake tui jokhon barite thakbi tokhon jama pant er darkar nai langto thakbi bujhli re chakor …..ai sune komola haste laglo …Robin matha nichu Kore bollo ha Malkin… Ranu Robin k thapad mere bollo ta hole daria achis keno jama pant khol..

 

৩)

 

 

মা ও মেয়ের গোলাম ( লেখক ; পলাশ)

আমার নাম পলাশ, বয়স ৩২, আমি ব্যবসা করি। …akdin business er akta new project korar jonye amar 20 lakh taka darkar …amar bank a 7 lakh chilo r ekta land plot chilo ja bikri kore 5 lakh taka holo tobuo amar 8 lakh taka short hochilo Ami bank a loan er apply korlam kintu holo na …aidike taratari ache j project jeno hat chara na hoi…tai heavy interest a taka dhar nilam Fatima age39 name ak mohilar kache .

Fatimar political dikta strong anek neta mantri sathae joga jog ache.
Tar akti meye ache 13 years r Fatima widow.

Tar Meyer nam saima sultana.
Kintu amar oi project flop hoye gelo Ami prai nisso hoye gelam.

Ami oi taka sodh korchilam na abar interest o dichilam na.

Anek din phone kore ami phone mithya boli aj dibo kal dibo na hole phone recived na hole phone recived kori na….akdin ama k humki diye phone korlo ami patta dilam na …..hotat Akdin hotat kichu lok ama k kidnap Kore niye akta andhokar ghare hat pa mukh bedhe fele rakhe phone bolte lago madam kaj hoye giyeche.

Ami gungrate laglam tara hase darja bandho Kore chole gelo …amar pochondo pipasa lageche ….motamati 4 ghonta por tara fire alo r ama hat pa badha abosthai garite tule niye anno r ak jaigai alo.
Tarpor abar akta ghore niye asa holo ama k …amar chokh badha chilo Ami kichui dekhte pachi na …..kichukhon por hotat payer awaz sunte pelam keo jeno as he….se amar sarir sporso korlo Ami voye atke uthlam …..se amar chokher badhan khule dilo ….hotat alo te kichui dekhte pelam na …tar por dekhlam hijab pora bochor 40 er ak hijab pora mohila…se amar mukher badhan tao khule dilo abong khaoar jonye aktu jol dilo ….Ami jol ta kheye jeno notun jibon fire pelam…..tarpor oi oporichito mohila k jiges korlam apni k? Se uttor dilo tar nam Pervin se akhane kaj Kore ….se head maid….ami abar jiges korlam apni kar kaj koren? Ama k akhane keno ana hoyeche? Se hase bollo kichu khon pore sob jante parbe.

Bole se abar amar mukhta badhe dia chole gelo..kichu khon por akta lok alo amar samne 2 chair rakhe chole gelo..tarpor kichu mohilar awaz vese aste laglo ……Ami takia dekhi Fatima o tar meye asche songe chilo pervin ar akta aporichito meye boyes 16 hobe ….Fatima amar mukher badhata khule dilo tar por se akta chair a r onnotai tar meye boslo tader pa amar buker rakhlo.

Tarpor Fatima ama k bollo amar taka koi ? Ami kichu bolar agei se tar 13 bochorer meye Saimar dike takia bollo ata amader barir meyeder kutta kritodas tor pochondo hoyeche? Ai kotha bola matro sobai hase uthlo …Ami protibad kore bolte jaoar agei saima amar mukhe ak lat Marlo r bollo taka neoar somoy mone thake na taka sodh korte hobe…..Ami bollam Ami 2 maser modhye diye dibo ….se bollo taka aj k dite hobe nahole sarajibon amar kukur hoye thakte hobe….Ami police er kotha bole tader voi dekhanor chesta korlam tara hase bollo kothai police amader keo kichu korte parbe na….

Fatima ishara korlo oi 16 bochorer meye ti k ar bollo Ayesha ai kuttar badhon gulo khule de….Ami tokhon bujhlam meyetir nam Ayesha…se bollo Madam badhon khule dile ai kutta paliye jabe . .tokhon Fatima bollo jabe koto dur tar age amar lok ok guli kore mere felba ai kutta khub valoi Jane….ai kotha sune sobai haste laglo…

Ami pran er voye Fatima pa joria kadte laglam r anurodh korlam ama k chere deoar jonye …..kintu kono fall holo na…..Saima Pervin er dike takia ishara korlo ….tokhon Pervin ama k hukum korlo Kutta jama pant khol …Ami chup chap matha nichu Kore daria thaklam ….hotat Pervin ama k thapad mere bollo kotha kane dhoke ni……Ami voye jama r pant khullam r jangia pore daralam….abar thapad Marlo kintu abar Ayesha kutta jangia ta khular jonye toke nimontrono korte hobe…..Ami lojjai more jaoar upokrom tobuo pran er voye khullam jangia…abar ghar jure hasir role uthlo….Pervin kan dhore multe multe bollo aj thake tui langtoi thakbi tor baki jibon ta ….ne abar choto madam er paye dhore anurodh kar toke jeno tar property baniye nai r tui jeno tar kukur hoye thakte paris…..Ami agota Saimar samne kneel down hoye tar pa dhore bollam madam please ama k apnar kukur baniye rakhun sara jibon….ai kotha bola te se amar mukhe thutu dilo ar amar mukhe ak lat marlo Ami pore gelam …..tokhon Ayesha bollo kutta chkto madam k choto provu r boro madam k boro provu bolbi …..amader k Malkin bole dakbi bujhli kutta

Ami abar saimar pa dhore bollam choto provu ama k apnar kukur baniye nin please Ami kukur hoye sara jibon apnar payer tolai thakte chai bole amar nak ta tar jutoi ghoste laglam….amar nak ghosa dekhe sobai haste laglo….Saima hukum dilo jutor tola chate poriskar korar jonye Ami chate chate tar juto poriskar korlam …saima khusi hoye bollo thik ache aj thake tui amar kukur ai bole amar golai dog collar badhe dilo r chain diye jure dilo…tar por se bollo abar tar maa Fatimar paye chumu kheye dhonyobad dite Ami Fatima Provur jutoi chumu diye bollam dhonyobad Boro Provu ama k apnader kritodas bananor jonye …..se hmmm….bollo …tarp or tini bollen pervin r ayeshar o tui kukur oder payeo chumu khate ….Ami tai korlam …

Tarpor Salma ama k bollo ja giye hat pa dhuye tiffin Kore ne ….Ami hat pa dhuye alam Fatima r rozina tiffin kache Salma amakeo tiffin dilo amra tiffin khate khate golpo korlam tarpor khaoa ses holo tokhon Fatima ama k bollo bason gulo dhuye tar songe ghore dhekha korte ….Ami bollam tar mane ? Tokhon Fatima gomvir golai bollo aj thake 2 month tui amader chakor tor maa baba ama k dayitto diyeche tor …akhon thake amra ja bolbo tai korbi amra 3 Jon e tor monib ai kotha sune Rozina muchki muchki haste laglo…tar por Rozina english tution porte chole gelo….Ami agotta bason gulo majlam abong dhuye fatimar kache gelam…..

Ami fatimar ghore dhuklam r bollam ha apu ki bolchilen? Fatima uthe ase ama k akta thapad mere bollo aj thake amader Provu bole dakbi….jokhon dekhbi tokhone amader paye chumu khabi amader sandel chaste poriskar korbi bujhli lutta
Ami matha nichu Kore daria thaklam tokhon e R akta thapad porlo amar gale Ami voye bollam bujhechi ….aibar amar chuler moti dhore dui thapad mare bollo puro kotha bol kutta…Ami bollam bujhechi provu…
Salma akta chair a bose dekhche r hasche
Fatima bollo ki re meyeder bole eve teasing koris?

Ami voye kichu bollam na ….chup Kore matha nichu Kore dariye thaklam …aibar kan dhore mule thapad mere bollo kire kutta Kane kotha jaina janoar kothakar…Ami amta amta Kore bollam na mane…aibar amar mukhe thutu dilo tokhon Salma bollo bon khub ragi ja jiges korche bol …Ami bollam bhul hoye giyeche Provu…Fatima bollo ai bhuler sasti toke petei hobe Rozina alei toke er sasti dibo …ne aibar amar ar Salma apur jutoi matha rekhe pronam kor…Ami dui provu k pronam korlam tokhon e Salma Fatima k bollo amar pa ta na khub batha korche…Fatima sune hase bollo ai kutta chakor ta ki korte ache

Fatima bollo Boro Provu pa tip kutta …Ami bollam ji Provu bole pa tipte laglam Salmar ….Fatima sandel pora Dan pa ta amar thote lagiye bollo chat kutta ….Ami Fatima pa chatchi r salmar pa tipte laglam ……ta kortei Rozina tution pore ase ama k ai abosthai dekhe haste laglo r bollo darun chakor peyechi khub moja hobe.
Fatima bollo ha tor jonyei opekha korchilam…Rozina bollo keno khala ? Janis ai kutta meyeder mod kheye eve teasing Kore …Rozina bollo bolo ki khala? Fatima bollo ha re …Rozina rage giye amar mukhe ak lat Marlo …Ami pore gelam amar thot ta aktu kate gelo …..salma Rozina k dhore bollo oi vabe maris na….rozina bollo na ammu ai kutta k aj amon sikha dibo Sara jibon mone rakhbe.
Fatima bollo na maris na tobe sikha to diboi ….sei jonyei to tor apekha korchilam …..ki sikha khala ? Fatima amar chuler moti dhore tullo ne abar langto ho….Ami paye porlam fatimar provu ai saja diben na please..abar ak lat Marlo amar pithe rozina …ai kutta sunte pachis na ….nahole toke rastai langto korbo sobar samne …Ami rozinar ragi mukh dekhe voi holo …Ami voi a pant jama khule jangia pore daralam ….rozina thapad mere bollo langto hote bolechi toke kutta…Ami jangia khule daralam ….tai dekhe sobai jore jore haste laglo…Salma haste haste bollo tui ai dui mas langto hoyei thakbi….Ami lojja r apomane lal hoye gelam.
Ratre khaoa daoa ses holo Salma sab poriskar korte gelo tokhon badha dilo Fatima r bollo akhon kichu korte hobe na anek rat hoyeche..kal sokale oi kutta dhube oi bason gulo
Khaoa daoar por ama k mati te sute dilo ranna ghorer pase.
Sokal holo amar mukhe ak jog jol diye Rozina bollo uth kutta lat Saheb moto sue ache ….Ami dhor poriye uthlam …Rozina bollo bathroom Kore ne tara tari …Ami Rozinar paye chumu kheye bollam thik ache Provu…bathroom thake asar por Rozina cha khete bollo rater sob bason gulo maj…Ami bollam thik ache provu.
Age cha kheye ni Rozina hasite fete porlo r bollo kuttara cha khai naki ai kotha sune slama o Fatima o haste laglo…tokhon rozina deke bollo air dike ai kutta r kutta moto ho…Ami tai korlam …..tar por aktu cha mejhe te fele dilo r sandel diye ghoste laglo r bollo ne kutta kha moniber choronamito cha….abar sune sobai haste laglo kintu aibar Ami apomane kede fellam …tai dekhe Salma r attachar koris na chale ta k …Rozina bollo tumi chup korba ammu ….

Tarpor Fatima bollo ha apu …..ai kukur ta sikhuk ki vabe meyeder sonman korte hoi…

Ami badho hoye kukurer moto cha chate laglam tokhon Fatima ama k bollo tu tu chu ai ai dike biscuit khete Ami kukirer moto gelam fatima mati te biscuit ta sandeler tolai maria bollo kha kutta Ami tai khate laglam tar por bollo amar sandel a biscuit er guro lege acge ogulo chate Kha. ..Ami chate khelam….tar por Fatima bollo cha khaoa hoye giyeche aibar kaje lage por ….Ami tin provu PAYE chumu kheye bollam thik ache provu.

Ami langto hoye bason majlam ….tarpor ghar jhar r ghar muchlam jeno Ami sotti chakor..tarpor Fatima r Rozina Madrasha jaoar jonye kheye ready hochilo tokhon ama k daklo bollo kutta amar r Rozinar juta niye ai kintu hate Kore na kukurer moto mukhe Kore Ami tai korlam abong poriye dilam ….Tara beralo madrashar uddese tar age Salma k bollo dupure ai kutta k mati to khaoa atho khabar dibi …ai bole tara chole gelo.

 

 

৪)

 

আন্দামানের এক দ্বীপে
( লেখক; পলাশ)

Amar nam polash, boyes 28. choto bela thakei barate jaoar khub sokh tai akdin beriye porlam ghurte ….Ami jahaje Kore Andaman a ase pouchalam ….okhan thake sob jaiga ghure berate laglam….barate barate Andaman er ak jangle a alam…..okhankar sthanio lokera bollo ai jangle er vitore jaben na….ai jangle a bosobaskari adibasi ra khub sanghatik….

Ami ghorar nesai tader patta na diye gobhir jangle probes korlam …..probes korar por sandhye neme aseche charidik andhokar….Ami jangle a ferar rasta hariye fellam.

Ami rasta khujte khujte Ami hapiye gelam ….amar mone khub voi lagte suru korlo ….jangle a prochur jantu janoar ..ai vabte vabte kokhon jeno Ami ghumia porlam…..sakale hotat amar ghum vanglo ..ghum thake uthe nijer chokh k kichutei biswas korte parchilam na ….amar hat pa badha Ami baser tairi akta khachai vora……tarpor jeta dekhlam seta dekhe Ami aro aschorjo hoye gelam …protek purusher golai collar o langto tara kritodas er moto sob kaj korche….Ami voi peye khub jore chitkar korlam….keo amar dike taka lo na…amar voye gola sukiye jache ……Ami abar chitkar korlam keo ama k jol dao.
Kichu khon pore ak mohila alo …..se ama k khakia bollo ki hoyeche re kutta…Ami abak holam se banglai bollo bole….Ami take bollam …ak glass jol deaoar kotha.
Oi mohila akta patre jol ane felte laglo amar samne ami khaoar chesta korlam kintu parlam na….mohila haste laglo r bollo …..aj tor bichar hobe ….tarpor Jol…..Ami take jiges korlam kiser bichar ….Ami kothai? Akhane purush ra langto keno? Tar uttore se bollo akhane Meyera Rani r purush ra tader golam….tui o golam…..ai bole mohila chole gelo.

Kichu khon por 2 meye boyes 14 hobe r 1 jon mohila boyes 38 moto …tinjon mile amar khacha khule ama k bar korlo khachar baire tarpor tante tante niye jete laglo …Ami voye chitkar korte laglam tokhon pichon thake por por 4 ta chabuk er bari achre porlo amar body te ….prai 10 minute hatar por akta jhupri ghorer uthane pouchalam…ak 50 years er mohila kather gurir chair a bose ache 2 Jon purush matite bose tar pa chatche r 2 jon buro tal pata niye haoa korche….bichar suru holo amar …ami dosi promanito holam.
Amake tara golam hisbe ghosona korlo abong amar nilam er babostha kora holo. .. ….ama k langto kora holo snan korano holo….abong bazar a niye asa holo okhane amar moto aro 6 jon golam chilo nilami suru holo 1 no golam k 3 ta goru( cow) binimoye kinlo ak mohila boyes 45 hobe….2 no slave k 2 goru r 1 ta chagol er binimoye kinlo 27 boyes hobe sei mohilar …..aivabe sob golam bikri hoye gelo kintu ama k keo kinlo na…..kichukhon por boyes 40 er ek mohila sathe tar 2 meye 1st 15 bochor 2nd ta 12 bochor amar dam korte laglo oi mohila bikreta der bollo se khub gorib r ai golam tao keo keneni tai take jeno matro 2 ta chagol er binimoye diye deoa hoi…anek dar kasa kasir r raji holo bikreta ra ….Ami bikri holam matro 2 ta chagol er binimoye.

Tarpor 12 years er meyeta agia alo r amar kan dhore tanlo muchki hasi hase bollo kire kutta tui janis na amra tor natun monib..se akta collar lagalo amar golai r chain lagia tante laglo ….Ami hatchilam na kintu pichon thake tar 14 years old didi sojore lathi Marlo r bollo, chal kutta….barite chol.

Ama k tante tante niye jete laglo r tar pase pase jachilo tar maa o didi sobai dekhche kintu tader kache ata natun kichu chilo na kintu Ami natun lojja lagchilo…motamoti 20 minute por ami amar natun monib er bari pouchalam ….

Barite pouche dekhi 2 Jon golam kaj korche …Ami kichuta abak holam jokhon tara ama k kine bazar thake tokhon Tara bolechilo tara gorib….kintu gorib der 3 ta golam…..amar uttar kichu khon por pelam akjon 50 bochorer golam seta tader baba r 19 bochor boyes er golam ta tader dada.
Amake daklo Tara abong baki 2 golam keo daklo.

Ama k porichoy koriye dilo amar boro monib tader sathe….r 2 golam k bollo toder proti doya Kore ai kutta k kinechi

Ai kutta k barir niyom kanun sikhabi tora ….ora matha nichu Kore bollo thik ache Provu bole paye chumu khelo tin provur r kneel down hoye bose gelo ek side a . tarpor amar choto monib amar kache aslo r ek thappor mare bollo monib der somman ki vabe korte hoy janis na? ei bolei amar mukhe thutu dilo …r hukum korlo tar mayer paye kiss korar jonye…Ami badho hoye tai korlam…amar boro monib ishara Kore dekhalo tar meyeder dike Ami tader payeo chumu khelam…tar por mejo monib hukum korlo tar baba k …ai buro kutta jol gamla niye ai anekta hate asechi amader pa dhuiye dite hobe janis na kutta kothakar.

Jol r ar gamla niye alo tader baba …tar dada pa duiye dite laglo tin monib er r ama k bollo kutta tui natun tui sikh ki vabe monib k seba korte hoi…

Tarpor tin monib oi gamlai thutu fello….tar dada ama k oi jol khate kukur er moto chate chate ami asikar korlam r bollam Ami khabo na oi nongra jol …tar baba ama k akta thapad mere bollo tor ato boro sahos ekjon kritodas hoye provuder pa dhoa jol khabi na
Ami voye voye jol khate laglam amar monib ra haste laglo….r tara kaje chole gelo r bollo ai natun kutta sikha Tara tari sasti dite holeo sasti deoar permission diye gelo.

Tarpor tar baba bollo …1. Sob meyera provu tader dekhlei salam korte hobe tar baba Kore dekhalo salam ki vabe ki Kore thik jeno Muslim style motamoti 2 minute korrte hobe.

  1. Monib ja bolbe songe songe korte hobel
    3. Monib kono karon charai sasti dite pare
    4. Toke sara jibon langto thakte hobe
    5. Monib er atho bacha khabar mati thake khate hobe
    R son Ami r amar chale ranna gharer kaj korbo ranna banna …Baki bason dhoa, kapor kacha , ghar mocha, juto poriskar kora to k korte hobe r ha juto jiv diye poriskar korte hobe.
    Ami protibad Kore bollam ato kaj Ami aka korbo ar apnra 2 Jon sudhu ranna korben..thapad mere bollo karon tui kritodas.

Choto monib hotat Kore daklo amra tinjon e doure gelam r salam korte laglam tinjona eksathe….choto monib haste laglo aito natun kuukur kaj sikhche.
( লেখক পলাশ,… চলবে)

 

 

 

 

রনি ( লেখক : লাড্ডু / উজ্জ্বল)

আমি মেদিনীপুরের ছেলে, নাম রনি। ২৪ বছর বয়সে আমি স্কুল শিক্ষকের চাকরি পেলাম জলপাইগুড়ি জেলায়। শহরতলির এক স্কুলের গনিত শিক্ষক হয়ে কাজে যোগ দিলাম । নতুন জায়গায় এসে আমি স্বভাবতই প্রথমে থাকার জন্য বাড়ি ভাড়া খুঁজতে লাগলাম । তিনটে বাড়ি আমার পছন্দ হল। শেষ পর্যন্ত আমি যে বাড়িটা ভাড়া নিলাম সেটা স্কুল থেকে দূরে, জায়গাটাও একটু ভিতরে, ঘরের মানও অন্য বাড়ি দুটির চেয়ে খারাপ। ভাড়াও চেয়েছে অনেক বেশি। তবু আমি রাজি হয়ে গেলাম বাড়িওয়ালার জন্য। এই বাড়ির বাড়িওয়ালা এক বিধবা মহিলা, নাম অদিতি । বয়স ৩০-৩২ হবে হয়ত। ফর্শা, সুন্দরী বিধবা মহিলা বাড়িতে থাকেন তার দুই মেয়ে প্রিয়া ( ভাল নাম অঙ্গনা, বয়স ১৪) ও রিয়া( ভাল নাম অহনা, বয়স ১০) কে নিয়ে । দুই মেয়েও মায়ের মতই ভয়ানক ফর্শা ও সুন্দরী। এক বছর আগে স্বামীর মৃত্যুর পর তাদের সংসার চলে জমানো টাকা আর বাড়ি ভাড়ার টাকাতেই। আমার মনে হল, এরা অনেক বেশি টাকা চাইছে এটাই স্বাভাবিক, নাহলে এরা চালাবে কি করে? আর এত সুন্দর ৩ টে মেয়ে কষ্ট করে থাকবে এটাও আমাকে পীড়া দিচ্ছিল।
অদিতি বলল, – তোমাকে এখনই রান্নার গ্যাস, বাসন এইসবের ঝামেলা করতে হবে না। আপাতত তুমি বাজার করবে, আমি রান্না করব। তুমি আমাদের সাথেই খাবে।
দুই একদিন পরেই আমি বুঝতে পারলাম, অদিতি দেবী কৌশলে বাজারের খরচটাও আমার ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়েছে। কিন্তু সেটাও আমি ঘাড় থেকে ঝেড়ে ফেলার কোন ইচ্ছা প্রকাশ করলাম না। খরচ হচ্ছে, হোক না! অদিতি, প্রিয়া আর রিয়া আমার টাকায় আরামে থাকবে ভেবেও আমার মনে একটা দারুন আনন্দ হতে লাগল। আর এর মধ্যেই অদিতি ও বিশেষ করে তার দুই মেয়ে আমাকে বাড়িতে ডমিনেট করতে শুরু করেছে। আমি সেটাও ভিশন উপভোগ করছিলাম কোন এক অজানা কারনে! সুন্দরী মেয়েদের কাছে অপমানও আমার খুবই ভাল লাগতে শুরু করেছিল!!
:
:
সেটা ছিল জলপাইগুড়িতে আমার প্রথম রবিবার। স্কুল ছুটি ছিল স্বভাবতই। আমি সকাল ৭.৩০ টায় উঠে বাজারে গেলাম। নিজের টাকায় অনেক বাজার করে আনলাম। বাজার রান্নাঘরে নামিয়ে দেওয়ার পর অদিতি বৌদি মিষ্টি করে বলল- উপরের ঘর গুলো মেয়েরা খুব নোংরা করে। তুমি ওদের একটু সাহায্য কর তো আজ পরিষ্কার করার জন্য।
আমি বললাম, – নিশ্চয়ই বৌদি, ওরা তো ছোট, ওরা পারবেনা। আমিই পরিষ্কার করে দেব।
এই বলে আমি ঝাঁটা নিয়ে উপরে গেলাম। বাড়িটা দোতলা। নিচের তলায় রান্নাঘর, খাওয়ার ঘর, বসার ঘর আর বৌদির ঘর। উপরে প্রিয়া আর রিয়ার ঘর আর পাশে ভাড়া দেওয়ার ঘর, যেটাতে আমি ভাড়া আছি। আমি ভাল করে প্রথমে নিজের ঘর ঝাঁট দিলাম। তারপর রিয়া আর প্রিয়ার ঘরে ঢুকলাম ঝাঁট দিতে। আসলে ওদের একটাই ঘর, আর আমি দুটো ঘর ভাড়া নিয়েছি। কিন্তু আমি একা বলে দুই বোন আমাকে বলে একটা ঘর দখল করে নিয়েছে যদিও সেটার ভাড়া আমাকে দিতেই হবে! ওরা আমার স্কুলেরই ছাত্রী। দুই ছোট সুন্দরী ছাত্রীর হাতে এই ডমিনেশন আমাকে কিরকম অবর্ননীয় সুখ দিতে শুরু করেছে ইতিমধ্যেই!
যেই ঘরটা আমার ছিল সেটা দখল করে রিয়া থাকছে। আমি যখন ওর ঘর ঝাঁট দিতে গেলাম তখন ও ঘরে নেই। ঝাঁট দিয়ে আমি ওর দিদির ঘরে ঢুকলাম।
ওই ঘরে ওরা দুই বোনই আছে। আমাকে ঝাঁটা হাতে ওদের ঘরে ঢুকতে দেখে প্রিয়া মুচকি হেসে বলল,- কি, মা আমাদের ঘর ঝাঁট দিতে অর্ডার করল?
আসলে ওর মা প্রায় রিকোয়েস্টই করেছিল। বাড়ির ভাড়াটেকে দিয়ে নিজেদের ঘর ঝাঁট দেওয়ানোর রিকোয়েস্টও যদিও যথেস্টই ডমিনেশন। আর ১৪ বছর বয়সী আমার ছাত্রী প্রিয়া সেটাকে অর্ডার বলে চালাচ্ছে!
আমি মাথা নিচু করে বললাম- হ্যাঁ। ঝাঁট দিয়ে দিই প্লিজ?
আসলে রিয়া, প্রিয়া আর বৌদি আমাকে ডমিনেট করুক এটা আমি গত কয়েক দিন সর্বক্ষন চাইছি। আমার কাছে নেশার মত হয়ে উঠেছে ওদের ডমিনেশন।
প্রিয়া চেয়ারে বসে পড়ছিল। ও বলল, ঠিক আছে। ঝাঁট দেওয়া হয়ে গেলে আমাকে একটু অংক দেখিয়ে দিও।
কালকে প্রিয়াকে অংক দেখানোর সময় আমি চেয়ারে বসা ওর পায়ের কাছে মেঝেতে বসেছিলাম। আর ও আমার কোলের উপর ওর চটি পরা পা দুটো তুলে দিয়েছিল নিজে থেকেই। আমি ওকে অংক বোঝাতে বোঝাতে ওর পা টিপে দিচ্ছিলাম আর তাই দেখে ওর ছোট বোন রিয়া খুক খুক করে হাসছিল। সেই কথা মনে পড়তেই এক তীব্র আনন্দে ভরা নেশায় মন ভরে গেল। আমার মুখ থেকে আপনা থেকেই বেড়িয়ে গেল – নিশ্চয়ই ম্যাডাম।
আমি ঘর ঝাঁট দেওয়া শেষ করে হাত ধুয়ে এসে প্রিয়ার পায়ের কাছে মেঝেতে এসে বসলাম। উত্তেজনায় আমার হৃতপিন্ড তখন আমার বুকে যেন হাতুড়ি পেটাচ্ছে!!
প্রিয়ার পরনে তখন লাল সাদা চুড়িদার, পায়ে লাল চটি। প্রিয়া একবার আমার দিকে তাকালো, তারপর ওর পায়ের কাছে বসা আমার কোলের উপরে ওর লাল চটি পরা পা দুটো তুলে দিয়ে বলল – এই উপপাদ্যটা বুঝতে পারছি না।
আমি আজকেও নিজে থেকেই রিয়ার সামনেই ওর দিদির পা দুটো চাকরের মত টিপতে লাগলাম। প্রিয়াকে উপপাদ্য বোঝাতে বোঝাতে ঠিক চাকরের মত টিপতে লাগলাম ওর পা দুটো। একবার ওর বাঁ পা, তারপর ডান পা, এইভাবে ওর লাল চটি পরা দুটো পাই টিপতে লাগলাম আমি। আমার ছাত্রী ২০ মিনিট পর বলল,- ঠিক আছে, বুঝেছি। দেখি প্রয়োগ গুলো করতে পারি কিনা।
এইবলে ও পা থেকে চটিটা খুলে নিচে মেঝেতে রাখল। ওর পা দুটো আবার আমার কোলের উপর তুলে দিয়ে ও বইয়ের পাতায় চোখ রাখল। কিন্তু ও কোথায় পা রেখেছে এবার? ওর ডান পা আমার পুরুষাঙ্গের উপর এসে পরেছে সরাসরি! হয়ত ভুল করে রেখেছে, খেয়াল করেনি। তবু কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই আমার চেয়ে ১০ বছরের ছোট ১৪ বছর বয়সী সুন্দরী ছাত্রীর পায়ের স্পর্শে আমার যৌনাঙ্গ উত্তেজনায় দৃঢ় হয়ে কাঁপতে লাগল ওর পায়ের তলায়। এক তীব্র ভাললাগা আর নেশাকর অনুভুতির সাথে লজ্জাজনক এক অনুভুতি হল আমার। প্রিয়া ভুল করে আমার নুনুর উপরে পা রেখেছে ভেবে আমি ওর ডান পা টা হাত দিয়ে সরিয়ে আমার থাইয়ের উপরে রাখলাম। কিন্তু এ কি? প্রিয়া প্রায় সাথে সাথে ওর ডান পা টা তুলে এনে আমার নুনুর উপরে রাখল আবার! কয়েক সেকেন্ডের জন্য আমার চোখের দিকে চেয়ে একটা ইঙ্গিতপুর্ন হাসি দিল ও, তারপর ওর খালি ডান পায়ের তলা দিয়ে আমার নুনুটা ঘসতে লাগল ও।
আমি এবার আর বাধা দিলাম না ওকে, আমার বাধা দেওয়ার মত কোন শক্তিও অবশিষ্ট ছিল না আর। প্রিয়ার পায়ের তলায় আমার নুনু তখন বিশালাকার ধারন করে উত্তেজনায় ফুঁসছে। উফ, কি যে আনন্দ হচ্ছে শরীরে! রিয়া বড় বড় চোখ করে বোঝার চেষ্টা করছে কি হচ্ছে ব্যাপারটা! ওর দিদি ওটা কিসের উপরে পা রেখেছে সেটা ওর ১০ বছর বয়সী মস্তিস্কে সম্পুর্ন পরিষ্কার না হওয়ারই কথা!
প্রিয়া ততক্ষনে বইয়ের উপর থেকে চোখ সরিয়ে আমার চোখের দিকেই চেয়ে আছে হাসিমুখে। আর ওর ডান পা আমার নুনুর উপর ঘর্ষন চালিয়ে যাচ্ছে। প্রবল আরামে ভেসে যাচ্ছে আমার শরীর। আমি কি করব বুঝতে না পেরে এই অবস্থাতেই হাত বাড়িয়ে প্রিয়ার দুই পা পালা করে টিপে দিতে লাগলাম। আর প্রিয়া আমার নুনুর উপরে ওর খালি ডান পা ঘসা চালিয়ে যেতে লাগল।
হঠাত আমার পিঠে কিসের স্পর্শ পেয়ে ফিরে তাকালাম। দেখি ১০ বছর বয়সী রিয়া আমার ঠিক পিছনে চেয়ারে বসে ওর লাল চটি পরা পা দুটো আমার পিঠে তুলে দিয়েছে। আমি একটুও বাধা দিলাম না। ভক্তিভরে আমার কোলে রাখা প্রিয়ার পা দুটো টিপতে লাগলাম আর রিয়া আমার পিঠে নিজের চটির তলা দুটো ঘসতেএ লাগল।
ততক্ষনে প্রবল উত্তেজনায় আমার নুনু থরথর করে কাঁপছিল প্রিয়ার পায়ের তলায়। আর সেই সাথে প্রিয়ার প্রতি ভক্তি যেন উথলে উঠছিল আমার মনে। আমি প্রিয়ার দুটো পাই পালা করে টিপে চলেছিলাম ভক্তিভরে। আর সেই সাথে প্রবল চেষ্টা করে সংযত করার চেষ্টা করছিলাম নিজের যৌন অনুভুতি। প্রিয়ার পায়ের স্পর্শে যেন আমার যৌনাঙ্গ বীর্যক্ষরন না করে সেই চেষ্টায় প্রানপনে সংযত করার চেষ্টা করে চলেছিলাম নিজেকে। কিন্তু বৃথা চেষ্টা। আমার চোখে ওর সুন্দর দুটো চোখ রেখে আমার নুনুর উপরে ওর ডান পা ঘসছে আমার চেয়ে ১০ বছরের ছোট ছাত্রী প্রিয়া। যত সময় যাচ্ছে তত আরো জোরে আমার নুনুর উপর নিজের পা ঘসে চলেছে প্রিয়া। আর ১০ বছর বয়সী রিয়া পিছন থেকে আমার পিঠের উপর চটি পরা পা রেখে বসে বোঝার চেষ্টা করছে ওর দিদি আমার সাথে কি করছে। ৮-১০ মিনিট পর আমি আর সহ্য করতে পারলাম না যৌন উত্তেজনা। প্রিয়ার পায়ের তলায় আমার নুনুটা থরথর করে কাঁপতে লাগল, আর সারাদেহে ছড়িয়ে পরল এক উত্তেজনাকর আনন্দ। এক অপুর্ব হালকা অনুভুতি ফুটে উঠল মস্তিস্কে, আর প্রিয়ার ডান পায়ের তলায় আমার নুনু কম্পিত অবিস্থায় বির্যপাত করে দিল। প্রিয়া কিছুই বলল না, আমার চোখে চোখ রেখে শুধু একটা অপুর্ব মিষ্টি হাসি উপহার দিল। আমার পুরুষাঙ্গ বীর্যপাত ক্রমে শান্ত ও ছোট হয়ে এল। বীর্যপাতে ক্লান্ত ছোট্ট নুনুটার উপর তখনও পা বুলিয়ে আদর করতে লাগল প্রিয়া। আর আমি আরো বেশি ভক্তিভরে টিপে দিতে লাগলাম ওর পা দুটো। প্রিয়া পড়ায় মন দিল আর মাঝে মাঝে মুখ তুলে কথা বলতে লাগল ওর বোন রিয়ার সাথে। প্রায় ৩০ মিনিট এইভাবে আমি প্রিয়ার পা টিপে দিলাম। হঠাত রিয়া বলল- দিদি তোর স্কুলের স্যার তো পুরো তোর পা টেপা চাকরই হয়ে গিয়েছে দিদি, হো হো!
প্রিয়া সেই শুনে আমার বুকে ওর পা দিয়ে একটা খোঁচা মেরে বলল, – কি গো, আমার পা টিপে সেবা করতে কেমন লাগছে তোমার?
আমি মাথা নিচু করে উত্তর দিলাম – খুব ভাল।
তারপর ইতস্তত করে বলেই দিলাম – রিয়া ঠিকই বলেছে। আমি তোমাদের পা টেপা চাকরই। প্লিজ, আমাকে তোমরা নাম ধরে তুই করে ডেকো, আর তোমাদের যখন যা দরকার নির্দ্বিধায় অর্ডার করো আমাকে।
তাই শুনে প্রিয়া হাসিমুখে বলল, – নিশ্চয়ই। তুই তো আমাদের চাকরই এখন থেকে।
রিয়া পাশ থেকে বলল, – দিদি এবার আমি একটু পা টেপাই চাকরটাকে দিয়ে?
প্রিয়া বলল, – নিশ্চয়ই বোন। ও আমাদের সবারই চাকর। এই বলে প্রিয়া উঠে রিয়ার চেয়ারের দিকে গেল। আর রিয়া সামনে এসে ওর চটি পরা পা দুটো আমার কোলে তুলে দিয়ে হুকুম করল, – আমার পা টেপ চাকর। আমি আমার ১০ বছর বয়সী প্রভুর দুটো পা ভক্তিভরে টিপে দিতে লাগলাম। আর প্রিয়া পিছনের চেয়ারটায় বসে ওর চটি পরা পা দুটো আমার কাঁধের উপরে তুলে দিল। আমি মাথা নিচু করে আরো মন দিয়ে রিয়ার পা দুটো টিপতে লাগলাম। আর একটু পরেই টের পেলাম আমার প্রভু প্রিয়া ওর চটি পরা ডান পা টা পিছন থেকে আমার মাথার উপরে তুলে দিয়েছে।

আমি মাথাটা অনেক নিচু করে প্রায় কোলের কাছাকাছি নামিয়ে এনেছিলাম। আমার কোলের উপরে রাখা রিয়ার চটি পরা পা দুটো আমার মাথা থেকে মাত্র ৬ ইঞ্চি দূরে ছিল। আমি সেই অবস্থায় ভক্তিভরে রিয়ার পা দুটো টিপতে লাগলাম। আর প্রিয়া ওর চটি পরা বাঁ পা টা আমার কাঁধে আর চটি পরা ডান পা টা আমার মাথার উপরে রেখে বসে ওর বোন কিভাবে আমাকে দিয়ে সেবা করাচ্ছে সেটা দেখতে লাগল। আমার পিছনের চেয়ারে বসে আমার মাথার উপরে চটি পরা ডান পা দিয়ে রিয়া মাঝে মাঝেই জোরে চাপ দিচ্ছিল আর আমি নিজের মাথা আরো নিচে নামিয়ে দিচ্ছিলাম যাতে আমার প্রভু প্রিয়ার আরো সুবিধা হয় আমার মাথার উপরে পা রাখতে। প্রিয়া মাঝে মাঝে আমার মাথার উপর ওর চটি পরা ডান পায়ের তলাটা ঘসছিল আর আমি সেই অবস্থায় ওর বোন রিয়ার চটি পরা পা দুটো টিপে দিচ্ছিলাম।
একটু পরে টের পেলাম রিয়া ওর চটি পরা বাঁ পা টা আমার নুনুর উপরে তুলে দিল। আমি এবার আর বাধা দিলাম না। ও দেখেছে প্রিয়াকে প্যান্টের উপর দিয়ে আমার নুনু নিয়ে খেলতে। ওর ১০ বছরের মনে যে কৌতুহল জেগেছে বুঝতে পারলাম। আমি ওকে কোন বাধা না দিয়ে আমার নুনু নিয়ে যা খুশি করার অধিকার দিয়ে মন দিয়ে ওর ডান পা টা টিপতে লাগলাম।
২ মিনিট আমার নুনুর উপরে ওর চটি পরা বাঁ পায়ের তলাটা ঘসল রিয়া। ততক্ষনে আমার নুনু প্যান্টের মধ্যে আবার শক্ত হয়ে বিরাট আকার ধারন করেছে রিয়ার চটি পরা পায়ের ঘসা খেয়ে। একটু আগেই প্রিয়ার পায়ের স্পর্শে বির্যক্ষরন করে আমার প্যান্টের সামনেটা ভিজিয়ে দিয়েছিল আমার নুনু। তার উপর দিয়েই চটি পরা বাঁ পা দিয়ে আমার নুনুটা ঘসছিল রিয়া।
কিন্তু চটি পরা পা দিয়ে আমার নুনু ঘসে ওর ঠিক কৌতুহল মিটল না। রিয়া ওর দিদির মতই পা থেকে চটি দুটো খুলে মেঝেতে রাখল। তারপর চটি পরা পা দুটো আবার আমার কোলের উপরে তুলে দিল আমার প্রভু। এবার ওর খালি ডান পা টা রাখল আমার পুরুষাঙ্গের উপরে। বেশ জোরে জোরে আমার নুনুর উপরে ওর ডান পায়ের তলা ঘসতে লাগল রিয়া। উফ কি আরাম! একটু আগেই বির্যপাত না করলে এতক্ষনে আমার আবার বির্যক্ষরন হয়ে যেত! প্রবল সুখে দুই প্রভুর উপরেই আমার ভক্তি আরো বাড়তে লাগল। আমি আরো ভক্তি সহকারে রিয়ার বাঁ পা টা টিপে দিতে লাগলাম।
২-৩ মিনিট আমার নুনুর উপরে নিজের খালি ডান পা টা ঘসল রিয়া। তারপরে কৌতুহলী হয়ে আমার নুনুর উপরে ডান পা ঘসতে ঘসতেই আমাকে জিজ্ঞাসা করল, – তোর প্যান্টের ভিতরে এটা কি রে চাকর? একটু আগেই নরম ছিল, আমার পায়ের ঘসায় শক্ত হয়ে গেল কি করে?
নুনুটা যে আসলে কি সেটা যে ১০ বছর বয়সী রিয়া ঠিক বুঝতে পারেনি সেটা বুঝতে পারলাম। কিন্তু আমি কি জবাব দেব সেটা মাথায় এল না। আমি মাথা নিচু করে রিয়ার বাঁ পা টিপে দিতে লাগলাম উত্তর না দিয়ে।
কিছুক্ষন চুপ করে থেকে রিয়া একটু নিচু হয়ে আমার বাঁ গালে ওর ডান হাত দিয়ে একটা থাপ্পর মারল।
– কি রে চাকর, প্রভু প্রশ্ন করলে উত্তর দিতে হয় এটুকুও শিখিস নি?
সাথে সাথেই পিছন থেকে আমার মাথার উপরে জুতো পরা পায়ে লাথি মারল প্রিয়া- প্রভুর সব আদেশ সাথে সাথে মানতে হয় মনে রাখিস। আর যেন ভুল না হয় কখনও।
আমাকে এইভাবে আমার দুই ছাত্রী চড় আর লাথি মারছে, নিজেদের আমার প্রভু বলে দাবী করছে বলে ভয়ানক আনন্দ হতে লাগল আমার। রিয়ার বাঁ পা টিপে দিতে দিতে জবাব দিলাম- সরি প্রভু। আর এরকম ভুল হবে না। এটা আমার নুনু। এটা শুধু ছেলেদের থাকে, এটা দিয়ে ছেলেরা পেচ্ছাপ করে। এই কথা গুলো বলতেও আমার কিরকম লজ্জা করতে লাগল।
পিছন থেকে আবার আমার মাথায় একটা লাথি মারল প্রিয়া।
– শুধু পেচ্ছাপই করিস নাকি ওটা দিয়ে? আর কি করিস সেটাও বল ছোট প্রভুকে।
১০ বছর বয়সী রিয়াকে ওসব কি করে বলব? কি বলব ভাবতে ভাবতেই পিছন থেকে আমার মাথায় ভিশন জোরে আবার একটা লাথি মারল প্রিয়া।
আবার প্রভুদের আদেশ পালনে দেরী করছিস?
আমি প্রিয়ার দিকে তাকিয়ে বললাম- সরি প্রভু। কিন্তু রিয়া তো ছোট, ওসব ওকে কি করে বোঝাব?
আমার উত্তর শুনে প্রিয়ার মুখে চওড়া হাসি ফুটে উঠল। – থাক, তোকে কিছু বোঝাতে হবে না। তুই শুধু উঠে দাঁড়া। আমিই রিয়াকে বোঝাব সব। তুই শুধু দাঁড়িয়ে থেকে আমাদের আদেশ পালন করবি। আমাদের কোন কাজে বাধা দিবি না।
আমি সাথে সাথে উঠে দাঁড়ালাম প্রিয়ার আদেশে। প্রিয়া ওর চেয়ারটা টেনে ঠিক রিয়ার পাশে বসল আর আমাকে বলল ঠিক ওদের সামনে এসে দাঁড়াতে। আমি প্রভুর আদেশ মেনে তাই দাঁড়ালাম। আর প্রিয়া ওর মুখে হাসি ঝুলিয়ে একটানে আমার প্যান্টের চেনটা নামিয়ে দিল। তারপর আমাকে কিছু ভাবারও সময় না দিয়ে সাথে সাথে চেনের ভিতর দিয়ে হাত ঢুকিয়ে প্যান্টের ভিতর থেকে আমার নুনু টাকে বার করে আনল প্রিয়া। আমার নুনুটাকে ডান হাতের তালুতে ঘসতে ঘসতে প্রিয়া বলল,- রিয়া, এটা হচ্ছে ছেলেদের নুনু। এটা দিয়ে ছেলেরা পেচ্ছাপ করে, আর সাদা সাদা যেটা এখন নুনুর ডগায় লেগে আছে এটা হচ্ছে বির্য। বীর্য কি জিনিস জানিস তুই?
রিয়া মাথা নেড়ে বলল, – না জানি না।
প্রিয়া বলল, -বলছি, আগে তুই নিজে হাতে ধরে দেখ নুনুটা, বুঝতে সুবিধা হবে।
আমার নুনু ততক্ষনে প্রিয়া রিয়ার পায়ের ঘসা খাওয়ার পর আবার প্রিয়ার হাতের তালুর ঘসা খেয়ে আবার বিশাল আকার ধারন করে ফুঁসছে!
প্রিয়ার হাত থেকে আমার নুনুটা নিজের দুই হাতে তালুর মাঝে নিয়ে রিয়া নুনুটাকে জোরে জোরে ঘসতে লাগল অবাক চোখে। মিনিট খানেক নুনুটা ঘসে রিয়া অবাক চোখে বলল,- কি আশ্চর্য! বড় অদ্ভুত জিনিস এই নুনুটা। দিদি, এবার তুই বল পেচ্ছাপ ছাড়া এটা দিয়ে আর কি করে ছেলেরা!

 আমার অফিসের অভিজ্ঞতা ( খোকা )

ছোট থেকেই আমার ২ বছরের বড় দিদি আমাকে দিয়ে চাকরের মত সেবা করাত নিজের। দিদি ওর বান্ধবীদের সামনে আমাকে দিয়ে নিজের সেবা করিয়ে মজা পেত। কখন বান্ধবীদের সামনে আমাকে দিয়ে ঘরের বা নিজের কাজ করাত, কখনও পা টেপাত। ইচ্ছা হলে সামান্য অজুহাতে আমাকে চড় বা লাথিও মারত। তাই দেখে দিদির বান্ধবীরা হাসত। ছোট থেকেই দিদির কাছে এরকম ব্যবহার পেয়ে আমার মেয়েদের অনেক সুপিরিয়র ভাবার অভ্যাস হয়ে গিয়েছিল। চাকরের মত মেয়েদের সেবা করার সুযোগ পেলে আমি মানসিক শান্তি পেতাম।
ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করার পর আমি একটা প্রাইভেট কম্পানির নতুন ব্রাঞ্চে চাকরি পেলাম। আমিই একমাত্র ইঞ্জিনিয়ার আর ওই ব্রাঞ্চের হেড। নতুন অফিসে আমারই দায়িত্ব পরল ইন্টারভিউ নিয়ে স্টাফ সিলেক্ট করার।
আমি এর সম্পুর্ন সুযোগ নিলাম। আমার মতই দুইজন ছেলে যারা মেয়েদের সেবা করতে ভালবাসে, যাদের সাথে অনলাইনে পরিচয়, তাদের স্টাফ হিসাবে নিলাম। আর দারোয়ান হিসাবে নিলাম এক আধবুড়ো অতি গরিব লোককে। সেই সাথে অতি সুন্দরী কম বয়সী তিনটে মেয়েকেও সিলেক্ট করলাম। ওদের নাম পৃথা, সুনন্দা আর সোহিনী। আমরা ৩ জন পুরুষ স্টাফ, আমি, উজ্জ্বল আর রাজা ওদের ৩ প্রভু বলে ডাকতাম। অফিসে মোট এই ৭ জনই স্টাফ।
প্রথম দিনই আমি ৩ প্রভুকে বলে দিলাম খাতায় কলমে আমি বস হলেও আসলে তোমরা মেয়েরাইএখানে আসল বস। তোমরা যা বলবে তাই হবে এখানে। ওরা একইসাথে আশ্চর্য আর খুব খুশি হল।
ওরা যা বলত মেনে নিতাম, ওদের কাজে অসুবিধা হলেই আমি করে দিতাম। ওদের দেখলে উঠে দাঁড়িয়ে সম্মান দিতাম আমি, রাজা আর উজ্জ্বলও তাই করত।
একদিন বর্ষাকালে পৃথা ওর নোংরা জুতো পালিশ করে এনে দেওয়ার জন্য বলেছিল দারোয়ানকে। সে রাজি হচ্ছিল না। আমি শুনে দারোয়ানকে তিন দিনের জন্য সাস্পেন্ড করে নিজে হাতে পৃথার পা থেকে জুতো খুলে পালিশ করে এনে দিয়েছিলাম।
ও প্রথমে স্বভাবতই অবাক হয়ে না না বলছিল। কিন্তু রাজা আর উজ্জ্বল বলেছিল দারোয়ান সাস্পেন্ড হওয়ায় এটা আমাদেরই কারো করতে হবে। আর এই অফিসের আসল বস মেয়েরা, তাই এখানে ছেলেরা এভাবেই মেয়েদের সেবা করবে। এটাই এখানকার কালচার হবে।

পৃথা অবাক হয়েছিল। অন্য ২ প্রভুও। তারপর ও টুকটাক হুকুম করত আমাকে। ৩ প্রভু অফিসে ঢুকলে আমরা ছেলেরা ওদের পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে ওদের জুতো পালিশ করে দিতে শুরু করলাম। ৩ প্রভু অবাক হলেও বুঝে গেল ওরা এর সুযোগ নিতে পারে। ওরা ক্রমে আরো বেশি হুকুম করতে লাগল আমাদের ছেলেদের। মাঝে মাঝেই কোন অজুহাত দিয়ে আমাদের গালে থাপ্পর মারত ৩ প্রভু, আর আমরা ওদের জুতো পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে ক্ষমা চেয়ে নিতাম ওদের কাছে। আর ওরা অফিসে যখন খুশি ঢুকত, যেদিন খুশি কামাই করত। আমরা ছেলেরা ৩ প্রভুর অফিসের প্রায় সব কাজই করে দিতাম। সেই সাথে অফিসে চাকরের মত সেবা করতাম ৩ প্রভুর।
যত দিন যাচ্ছে আমরা তত আরো বেশি করে সেবা করছি আমাদের ৩ প্রভুর, আর ওরা আরো বেশি করে সুযোগ নিচ্ছে তার। অফিসে সবার ঢোকার কথা ১০ টায়। আমরা ছেলেরা সাড়ে ৮ টায় ঢুকে কাজ শুরু করি। আর ৩ প্রভু ঢোকে ১২ টার পর। আমরা সাথে সাথে সম্মান দেখিয়ে উঠে দাড়াই। তারপর ৩ প্রভুর জুতো পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করি আমরা ৩ জন ছেলে, দারোয়ানকেও বাধ্য করি ৩ প্রভুকে প্রনাম করতে। এরপর আমরা ৩ জন ৩ প্রভুর পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে ওদের জুতো পালিশ করে দিই। ৩ প্রভু মাঝে মাঝেই জুতো পরা পায়ে আমাদের মুখে লাথি মারে তুচ্ছ অজুহাতে, আর হো হো করে হাসে। আমরা ৩ প্রভুর জুতো পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে ওদের কাছে ক্ষমা চেয়ে আবার জুতো পালিশ করতে থাকি। এরপর আমরা আবার উঠে কাজে বসি, ৩ প্রভু ফোন খুলে চ্যাটে বিজি হয়ে পরে। মাঝে মাঝেই ৩ প্রভু আমাদের হুকুম করে, আর আমরা চাকরের মত কাজ ফেলে উঠে সবার আগে ৩ প্রভুর হুকুম পালন করি। ৩ প্রভু অফিসে ১০ মিনিট কাজ করলে ১ ঘন্টা ফোনে চ্যাট করে বা নিজেরা গল্প করে আর অন্তত ৩০ মিনিট আমাদের হুকুম করে বা আমাদের দিয়ে নিজেদের সেবা করায়। আর ওদের এই হুকুম করা বা আমাদের দিয়ে নিজেদের সেবা করানো দিন দিন বাড়ছে। ৩ প্রভুও খুব আনন্দে প্রায় কাজ না করে মাইনে পাচ্ছে, আর আমরা ৩ চাকরও খুব আনন্দে আছি ওদের সেবা করার সুযোগ পেয়ে। শুধু একটাই ভয়, অফিসের উপরওয়ালার এখানকার আসল পরিস্থিতি জানলে কি যে করবেন আমাদের নিয়ে!!

LikeShow more reactions

Comment