Introduction ;

( This is a fantasy story site containing female domination stories .

THIS IS A STRICTLY ADULT BLOG ONLY FOR ADULT (18+) PEOPLE though there is no sex related subject present in this blog . Minor male nudity may be present in some stories with warning .

This blog is a femdom fantasy blog for those adult people who can differentiate between fantasy and reality . we neither encouraging nor discouraging anyone about femdom relationship between consentual adult but strongly discouraging any type of femdom / sexual relation with any minor .

Each and every stories and comment of this site/ blog is a reflection of our femdom fantasy . we are not encouraging anyone in any kind of femdom / Violent activities.

We will be not responsible for your action. )

ভূমিকা ;

( ভূমিকা না পরে কেউ ব্লগে ঢুকবেন না । সম্পুর্ন ভূমিকা পড়ে তবেই গল্প, কমেন্ট পড়বেন বা নিজে কমেন্ট করবেন । অন্যথায় , আপনার কোন ভুল ধারনার জন্য আমি/ আমরা দায়ী থাকব না । )

শুধুমাত্র প্রাপ্তবয়স্ক ( ১৮ +) ও প্রাপ্তমনস্ক ব্যক্তিদের জন্য , যদিও এই ব্লগের কোন গল্পই যৌনতামূলক নয় ।

অপ্রাপ্তবয়স্ক ( ১৮ বছরের কম বয়সী ), অপ্রাপ্তমনস্ক ( যারা প্রাপ্ত বয়স্ক হয়েও ফ্যান্টাসি আর বাস্তবের পার্থক্য বোঝেন না ) ও  যাদের শুধুমাত্র ফ্যান্টাসি হিসাবে লেখা ফেমডম গল্প নিয়েও সিরিয়াস সমস্যা আছে তাদের প্রবেশ সম্পুর্ন নিষেধ ।

এই সাইটের যেকোন গল্পের উপর বা কমেন্টে তাকে  আকর্ষনীয় করে তুলতে যতবার খুশী তাকে সত্যি বলে দাবী করা হতে পারে । সেটাকে সিরিয়াসলি নেওয়ার কিছু নেই । ভূতের গল্পের শুরুতে লেখক যেমন গল্পকে আকর্ষনীয় করে তুলতে সেটাকে সত্যি বলে দাবী করেন এখানেও ঠিক তাই করা হয়েছে । এই ব্লগের এডমিন ও অন্যান্য নিয়মিত পাঠকেরা অনেক গল্পেই গল্প ও পরবর্তী কমেন্ট এমনভাবে করেছে যাতে সেটা অনেকটা সত্যি মনে করানো যায় , যেটা ফ্যান্টাসির মাত্রা বাড়াতেই শুধু করা হয়েছে ।

আপনি যদি এই সাইটের যাবতীয় গল্প ও প্রতিটি কমেন্টকে শুধু ফ্যান্টাসি হিসাবে নিতে পারেন শুধুমাত্র তাহলেই সাইটে প্রবেশ করবেন ।

আমরা পারস্পরিক সম্মতিতে হওয়া প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে ফেমডম সম্পর্কে উতসাহিত বা নিরুতসাহিত কোনটাই করছি না । আপনি প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি হিসাবে , আরেকজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির সম্মতিতে যা করবেন নিজেদের ইচ্ছায়, নিজেদের বুদ্ধিতে করবেন ।

বাস্তব জীবনে যে কোন অপ্রাপ্তবয়স্কর ( ১৮ বছরের কম বয়সী )  সাথে কোনরকম ফেমডম / যৌনতামুলক সম্পর্ককে আমরা চুড়ান্ত ঘৃনা করি । কোন সুস্থ সমাজেই তা গ্রহনযোগ্য না । আমাদের সাইটে ফ্যান্টাসি গল্প হিসাবে টিন এজ ছেলে / মেয়েদের মধ্যে ফেমডম কিছু ক্ষেত্রে রয়েছে । ফ্যান্টাসি আর বাস্তবের পার্থক্য না জানলে আপনি এই ব্লগ এখনই পরিত্যাগ করুন । আপনি কোন অপ্রাপ্তবয়স্ক /  সম্মতি না নিয়ে কোন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির সাথে বিকৃত কোন আচরন করলে আমরা কোনভাবেই দায়ী হব না ।

১। এই ব্লগে খুব সামান্য কিছু গল্পে মেল নুডিটি / পুরুষের নগ্নতা রয়েছে ( CFNM ) , যা শুধু ছেলেদের হিউমিলিয়েশনের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে , সরাসরি যৌনতামুলক কিছুর জন্য না । CFNM যুক্ত গল্পের শুরুতেই ওয়ার্নিং ও দেওয়া আছে । ফিমেল নুডিটি ( নারী – নগ্নতা )কোন গল্পেই নেই ।  নারীদের যৌনভাবে উপস্থাপনও কোন গল্পেই করা হয়নি ।

২। কোন গল্পেই স্টুল ফেটিশ, ইউরিন ফেটিশ ইত্যাদি এক্সট্রিম কিছু নেই ।

৩। এই ব্লগের বেশিরভাগ গল্পের মুল চরিত্ররা বন্ধু-বান্ধবী , স্কুল কলেজের সিনিয়র জুনিয়র অথবা এক পরিবারের সদস্য ( দিদি- ভাই , দাদা- বোন, বাবা – মেয়ে,  দেওর- বৌদি  ইত্যাদি ) ।

৪। বেশিরভাগ গল্পে ফিমেল ডমিনেশন হিসাবে উঠে এসেছে মেয়েটির মানসিকভাবে ছেলেটিকে সম্পুর্ন নিয়ন্ত্রন, তাকে দিয়ে নিজের যাবতীয় কাজ করানো , তার টাকায় ফুর্তি করা । ছেলেটিকে দিয়ে দেবী হিসাবে নিজের পুজো করানো , মুখে থাপ্পর মারা ,  মুখে লাথি মারা , মুখের উপর পা রেখে বসে পা টেপানো, জিভে জুতোর তলা মোছা ইত্যাদি আচরন । নায়িকার পায়ে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে জুতো বা চটি পরা আছে । মেয়েদের প্রায় সব জায়গায় সুন্দরী বলে বর্ননা করা হয়েছে । বেশিরভাগ গল্পে নায়িকা মেক আপ হীন ।  বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ছেলেরা স্বেচ্ছায় মেয়েটির কাছে নিজেকে সাবমিট করেছে ও মেয়েটিকে অনেক সুপিরিয়র ভেবে স্বেচ্ছায় তার সেবা করেছে, তার হাতে অত্যাচারিত হয়েছে ।

বাংলার সবচেয়ে বড় ফেমডম্ সাইটে আপনাকে স্বাগত । এই সাইটের গল্পগুলো সবই কাল্পনিক । পড়ুন , আর উপভোগ করুন ।
বাস্তবে কেউ এর প্রয়োগ করতে যাবেন না ।

এই সাইটে female superiority আর female domination নিয়ে অনেক গল্প পাবেন। ফ্যামিলি ফেমডম গল্প  ও পাবেন অনেক। কার কাছে ভাল কোন টপিক থাকলে জানাতে পারেন,আমি গল্প লিখে পোস্ট করব। আর কেউ নিজে গল্প লিখতে চাইলে আমাকে etaami11@gmail.com  এ গল্প পাঠিয়ে দেবেন।

এখানকার অনেক গল্প অনেকের হাস্যকর বা কুরুচিকর মনে হতে পারে। তাদের বলব, প্লিজ আ্পনার ভাল না লাগলে পড়বেন না ।গল্পগুলো ফ্যান্টাসি ছাড়া আর কিছুই না । আমরা কেউ বাস্তব জগতে এর প্রয়োগ করতে যাচ্ছি না। কোন গল্পকে আকর্ষণীয় করতে সত্যি ঘটনা বলে দাবি করা হতে পারে, তাই ভুমিকাতেই বলে রাখি এখানে পোস্ট করা সব গল্পই ফ্যান্টাসি ।

বাংলায় দুর্দান্ত ফেমডম গল্প পড়ার অভিজ্ঞতার জন্য ভিজিট করতে থাকুন,

http://www.banglafemdom.wordpress.com ( হিন্দি, ইংরেজি গল্প সহ বাংলা ও ইংরেজি হরফে বাংলা গল্পের জন্য)
and
http://www.banglafemdoms.blogspot.com ( শুধু বাংলা হরফে বাংলা গল্পের জন্য । )
http://www.facebook.com/familyfemdom ( for family femdom stories in english )

 

Thank you .

( ডিটেইলসে কিছু কথা বলছি শেষে । এটা আপনি নাও পড়তে পারেন ।  ধরুন আমি , এই ব্লগের এডমিন, নিজের জীবনে খুব বেশি চাপ না থাকলে গড়ে সপ্তাহে ৩ থেকে ৪ ঘন্টা সময় আমার একমাত্র ফ্যান্টাসি ফেমডমের কাল্পনিক দুনিয়ায় কাটাই । ধরুন , প্রতি সপ্তাহে শনিবার রাত ৯ টা থেকে ১ টা আমি ফেমডম ফ্যান্টাসি জগতে কাটাই । আমার ফেমডম গল্প পড়া , লেখা, কমেন্ট করা , ফেমডম ছবি ও ভিডিও দেখা সবই এই সময়ে । এই সময় টুকু নিজের ফ্যান্টাসি, ও কিছুটা ইরোটিক ফিলিং বাড়াতে বেশ কিছু গল্পকে আমি (ও আমরা, এই ব্লগের অন্যান্য নিয়মিত পাঠকেরা ) সত্যি হিসাবে ভাবার চেষ্টা করি। যদিও এই ফ্যান্টাসির জগতে ঢুকি এটাকে মাত্র কয়েক ঘন্টা স্থায়ী করার উদ্দেশ্যেই ।  কয়েক ঘন্টার ইরোটিক ফ্যান্টাসির জগতে কাটিয়ে আমি পরদিন সকালে দেহ – মনে সম্পুর্ন সুস্থতা নিয়ে বাস্তব জগতে ফিরে আসি , যেখানে এই হাস্যকর ফ্যান্টাসি কে কখনই বাস্তবের সাথে গুলিয়ে ফেলি না । এই পার্থক্যটা বুঝে নেওয়া খুব জরুরি । ফেমডম ফ্যান্টাসি আমাদের সপ্তাহের শেষে কয়েক ঘন্টা ইরোটিক দুনিয়ায় কাটাতে সাহায্য করে , টেস্টোস্টেরন লেভেল বাড়িয়ে দেহে এক অসাধারন অনুভুতি এনে দেয় । সঠিক মাত্রায় খাদ্য গ্রহন , শরীরচর্চা, ঘুম  ইত্যাদির সাথে পরিমিত মাত্রায়  ফেমডম ফ্যান্টাসি কখনই ক্ষতিকর নয়, বরং সুস্থ্য দেহ ও মনে বেঁচে থাকার পক্ষে খুবই জরুরি । আর আমার মতো যাদের ছোটবেলা থেকেই জীবনের চাপ কমাতে ডিফেন্স মেকানিসম ফেমডম ফ্যান্টাসির সাহায্য নিয়ে আসছে, তাদের জন্য সপ্তাহ শেষে মানসিক চাপ কাটিয়ে স্বাভাবিক হয়ে ওঠার জন্যও খুবই প্রয়োজনীয় এই ফেমডম ফ্যান্টাসি ।

শুধু একটা কথাই বলছি ফেমডম ফ্যান্টাসির জন্য মনে অকারনে কোন পাপ বোধ নেবেন না । আপনার যদি এই ফ্যান্টাসি থেকে বেড়িয়ে আসার ক্ষমতা থাকে তাহলে খুবই ভাল । নাহলেও অকারনে মনে চাপ নেবেন না । পরিমিত মাত্রায় বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে নিজের মানসিকতা ও চাহিদা বুঝে, অন্যের কোন ক্ষতি না করে দিব্যি আপনি নিজের জীবনের আর পাঁচটা গুরুত্বপুর্ন বিষয়ের সঙ্গে মিশিয়ে নিরাপদেই এই ফ্যান্টাসি প্র্যাক্টিস করতে পারেন । তবে চেষ্টা করবেন সম্পুর্ন একা থাকার সময়ে  এই ফ্যান্টাসি জগতে কাটানোর জন্য । আর প্রতি সপ্তাহে সর্বোচ্চ কতটা সময় এর পিছনে দেবেন , সেটাও ঠিক করে রাখা খুব গুরুত্বপুর্ন । এটা পারলেই আপনার ফেমডম ফ্যান্টাসি কখনই নিয়ন্ত্রনহীন নেশায় পরিনত হবে না ।

কষ্ট করে ভূমিকা সম্পুর্ন পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ । ফেমডম ফ্যান্টাসি কোন সমস্যা না, হোক নির্মল আনন্দের উৎস ।  )

রিয়া……

 

এক…

 

রিয়ার মনটা খুব ভাল এখন। নিজের ভাগ্যকে সে কিছুদিন থেকেই বিশ্বাস করতে পারছে না। ছোট থেকেই সে দেখে এসেছে বাবা মা তার চেয়ে দাদাকেই বেশি ভালবাসে। অবশ্য তার দাদা পড়াশোনায় এত ভাল যে সেটা অস্বাভাবিক কিছু না। রিয়ার চেহারা খুবই মিষ্টি, সুন্দরী, কিন্তু পড়াশোনায় সে চিরদিনই ফাঁকিবাজ। সে কারণে বাবা মা তার চেয়ে তার চার বছরের বড় দাদাকে একটু বেশিই ভালবাসে।
অবশ্য ওর দাদা রাজা যে এই অতিরিক্ত ভালবাসার সুযোগ নিয়েছে কখনও এমন না। নিজের ছোট বোন রিয়াকে সে চিরদিনই খুব ভালবাসে। হয়ত নিজের থেকেও একটু বেশি। বাবা মা চিরদিন রাজাকে রিয়ার চেয়ে বেশি হাতখরচ দিত, রিয়া চাইলেই তা থেকে ভাগ দিত রাজা। কেউ কোন উপহার দিলেও ছোট বোনের সংগে ভাগ করে নিত। এমনকি বোন কোন কিছু চাইলে যেভাবেই হোক সেটা পূর্ন করত রাজা।
তবু, বাবা মায়ের দাদার প্রতি পক্ষপাতিত্বপূর্ন আচরন এর পরও খুব ব্যথা দিত রিয়াকে। ক্রমশ রিয়া যখন বুঝল, দাদা তাকে খুব ভালবাসে, এবং সে যা চাইবে তাই তাকে দেবে দাদা, সে তখন এর প্রতিশোধ নিতে শুরু করল দাদার উপর। বাবা মার সামনে সে আসতে আসতে দাদার উপর ছোটখাট হুকুম করতে শুরু করল। রাজা হাসিমুখে চার বছরের ছোট সুন্দরী মিষ্টি বোন রিয়ার সব হুকুম পালন করত। রিয়া তখন ক্লাস ৭ এ উঠেছে সবে। “দাদা, টিভির রিমোট এনে দে, দাদা জল নিয়ে আয়, দাদা স্কুল থেকে ফেরার সময় আমার জন্য চকোলেট আনবি, নাহলে মার খাবি”, এইভাবেই দাদার উপর হুকুম করত রিয়া। তার বাধ্য দাদা বিনা প্রশ্নে হাসিমুখে তার সব আদেশ পালন করত। আর বাবা মা কে দেখিয়ে তাদের সামনে দাদাকে হুকুম করতে দারুন লাগত রিয়ার। বাবা মা যে দাদাকে বেশি ভালবাসে, তাকে কম, এর দারুন প্রতিশোধ সে নিচ্ছে এই ভেবে দারুন খুশি হত তার মন।
তবে তার বাবা মা স্বাভাবিকভাবেই দাদার সাথে তার এই আচরন পছন্দ করত না। তাকে বকতো দাদার সাথে এই আচরনের জন্য। অথচ, দাদাই বলত কি হয়েছে মা এতে, দাদা কি বোনের জন্য এটুকু করতে পারে না?

তার দাদা তখন সদ্য মাধ্যমিক পাশ করে ১১ এ উঠেছে। বাবা মার বাধ্য ভাল ছেলে রাজা দারুন রেজাল্ট করেছিল, রাজ্যের মধ্যে প্রথম ২০ র মধ্যে স্থান পেয়েছিল সে। তার বাবা মা ভয়ানক খুশি হয়েছিল রেজাল্ট বেরনোর দিন। বাবা মার সব মনযোগ দাদার দিকে যাওয়া রিয়ার মনে হিংসার উদ্রেক করছিল। সে মনমরা হয়ে বসেছিল পাশের ঘরে। দাদা রেজাল্ট নিয়ে সবে ঘরে ফিরেছে। বাবা তাকে জড়িয়ে ধরে বলল,” আমি আজ দারুন খুশি রে রাজা। আমাদের মুখ উজ্জ্বল করেছিস তুই। কি চাস বল তুই।”
রাজা বলল, ” প্রমিস কর আমি যা চাই তাই দেবে। না করবে না।”
ওদের বাবা খুশি গলায় বলল, ” নিশ্চয়ই দেব। প্রমিস।”
রাজা দু:খ মিশ্রিত স্বরে বলল, ” আমি পড়াশোনায় ভাল আর রিয়া একটু খারাপ বলে তোমরা রিয়াকে অবহেলা কর এটা কি ঠিক? তোমরা আমাকে নিয়ে আনন্দ করছ আর আমার বোনটা পাশের ঘরে মন খারাপ করে বসে আছে। তোমাদের কি একটুও খারাপ লাগে না। আমার আর কিছু চাই না। শুধু কথা দাও ওকে তোমরা আর বকবে না। ওর দায়িত্ব আমার, ওর খারাপ কিছু হলে আমাকে বল। আর ও আমাকে হুকুম করুক, যা খুশি বলুক, তোমরা বাধা দেবে না। আর আমাকে তোমরা এখন থেকে যা উপহার বা হাতখরচ দেবে, রিয়াকে অন্তত তার দ্বিগুণ দেবে। প্রমিস করেছিলে কিন্তু আমি যা চাইব দেবে বাবা।”
দাদার কথা শুনে অবাক হয়ে গিয়েছিল রিয়া। এ কি চাইছে তার দাদা? এরকম কেউ চাইতে পারে? পাশের ঘরের পর্দার ফাঁক দিয়ে সে উঁকি মেরে তাকিয়েছিল বাবা আর দাদার দিকে। বাবার চোখের চাউনি অদ্ভুত হয়ে গিয়েছিল ওর দাদার কথায়। ” এটা আবার কি অদ্ভুত কথা। কোথায় নিজের জন্য ভাল কিছু চাইবি, একটা ল্যাপটপ, বাইক বা অন্তত ভাল মোবাইল। তার বদলে তুই নিজের চেয়ে বোনকে বেশি জিনিস দেওয়ার জন্য রিকোয়েস্ট করছিস? পাগলামি ছাড়, ওকেও নাহয় তোর সমান হাতখরচ দেব। এখন তুই কি নিবি বল।”
রাজার গলার স্বর শক্ত হল” তুমি প্রমিস করেছিলে বাবা, আমি যা চাই তাই দেবে। আর আমি রিয়াকে কতটা ভালবাসি, তোমরা কল্পনাও করতে পারবে না। আমার গালে একটা থাপ্পর মারার পর যদি রিয়ার মুখে হাসি ফুটে ওঠে, তাহলে সেই হাসির দাম আমার কাছে কোটি টাকার চেয়েও বেশি।”
” ঠিক আছে, তাই হবে যা তুই চাইছিস। এখন থেকে তোকে ১০ টাকা দিলে রিয়াকে ২০ টাকা দেব। ওর ভবিষ্যতের চিন্তাও তোর উপর ছেড়ে দিলাম।” ওদের বাবার গলার স্বর একটু ভারি শোনাল।

” আরও একটা কথা দেওয়া বাকি রইল কিন্তু। ও যদি আমাকে হুকুম করে কখনও, বা তোমাদের মনে হয় ও আমার সংগে খারাপ ব্যবহার করছে, তাও তোমরা কিছু বলবে না। ওকে তোমরা আর কখনও শাসন করবে না। ওর ভবিষ্যত খারাপ হবে না কথা দিলাম।”
” ঠিক আছে, কথা দিলাম। তুই যা চাস তাই হবে। আর তুই দায়িত্ব নিয়ে বলছিস যখন তখন তুই দেখলে   রিয়ার ভবিষ্যত খারাপ হবে না সেই বিশ্বাস তোর উপর আছে আমার। কিন্তু ছোট বোন হয়ে ও কিছুদিন হল মাঝে মাঝেই বড় দাদার উপর হুকুম করছে দেখছি। এটা কি ঠিক? তুইই বল।”
” বাবা, সবচেয়ে বড় বেঠিক হল তোমরা ওর সাথে যা করেছ। একটা ছোট মেয়েকে পটাশোনার কারনে বাধ্য করেছ বড় দাদাকে হিংসা করতে। ওর মনের উপর কত বড় আঘাত তুমি দিয়েছ তোমার কোন ধারনা নেই। ও আমাকে হুকুম করে তাতে খারাপ কি আছে? ও খুশি হয় এতে। আর আমিও খুশি হই তাতে। ও আমার ছোট বোন, ওকে আমি নিজের চেয়ে অনেক বেশি ভালবাসি। আর যেই আচরনে কারও কোন ক্ষতি হয় না, বরং সবাই খুশি হয় তা কখনই খারাপ না। বরং সেটাই হওয়া উচিত।”
” ঠিক আছে, তুই যা বলছিস তাই হবে। আমরা আর কিছু বলব না তোদের। তোর উপর আমার ভরসা আছে।”
রিয়ার অবাক লাগছিল ভিশন। বাবা মা কেউই যেখানে তাকে ভালবাসে না, সেখানে দাদা এত ভাল হয় কি করে? এত এত বেশি ভাল? কি করে নিজের চেয়েও এত বেশি ভালবাসে তাকে যে সে হুকুম করলেও হাসিমুখে সহ্য করে? তার মুখে হাসি ফোটানোর জন্য নিজের গাল পেতে দিতে পারে থাপ্পর খাওয়ার জন্য? এক অদ্ভুত আনন্দে রিয়ার ভিতরটা গুমড়ে উঠছিল। সে আর পারল না। দরজার পর্দাটা আঁকড়ে তার মধ্যে মুখটা অর্ধেক গুঁজে ফুঁপিয়ে কাদতে লাগল আনন্দে। ঠিক সেই সময় ওর দাদা রাজা ওর পাশে এসে দাঁড়াল্ল। তারপর ওর পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে ওরদিকে হাতজোড় করে বলল, ” জানি রে রিয়া, আমার জন্য অনেক কষ্ট পেয়েছিস তুই জীবনে। বিশ্বাস কর, আমি জীবনে কখনও চাইনি বাবা মা আমাকে বেশি ভালবাসুক। কখনও চাইনি তোর চেয়ে আমাকে বেশি গিফট দিক। তোকে খুব ভালবাসি রে বোন, আমি শুধু চেয়েছি তুই খুশি থাক। তোর মুখে হাসি দেখলে আমার যত ভাল লাগে, ততটা আর কিছুতেই লাগে না। তবু, আমাকে বেশি ভালবেসে আর তোকে উপেক্ষা করে বাবা মা তোকে যে কষ্ট দিয়েছে তার জন্য আমিও দায়ী। প্লিজ, এবারের মত ক্ষমা করে দে রিয়া, দেখ আর কোনদিন কেউ তোর সঙ্গে কেউ এরকম করবে না। আর আমি এখন থেকে তাই করব, যা আমার ছোট্ট বোনটা হুকুম করবে।”
এই বলে রাজা যা করল রিয়া তার জন্য প্রস্তুত ছিল না। তার পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসা দাদা রাজা তার নীল চটি পরা পা দুটোর উপর নিজের মাথাটা নামিয়ে দিল। ছোট্ট বোনের পায়ের উপর নিজের মাথাটা রেখে রাজা বলল,” প্লিজ বোন। আজ পর্যন্ত আমার ভুলে অনেক কষ্ট পেয়েছিস তুই। আজও পেয়েছিস। আর কখনও এরকম হবে না। প্লিজ, এবারের মত ক্ষমা করে দে আমাকে, প্লিজ।”
বাবা আর মা অবাক চোখে দেখছে তাকে আর দাদাকে। আর তার দাদা তার চটি পরা পায়ের উপর মাথা রেখে তার কাছে ক্ষমা চাইছে! এক অদ্ভুত আনন্দ রিয়ার দেহে ঝড় তুলল যেন। সে নিজে যা করল এরপর তার জন্য যেন সে নিজেও প্রস্তুত ছিল না। চটি পরা ডান পা টা তুলে সে দাদার মাথার উপর রাখল। চটির তলাটা কয়েক সেকেন্ড ঘসল নিজের দাদার মাথার উপর। তারপর চটি পরা ডান পা টা দাদার মাথার উপর স্থির করে রেখে সে বলল,” ঠিক আছে দাদা। তোকে ক্ষমা করে দিলাম যা। তবে এখন থেকে আমার সব কথা শুনে চলবি কিন্তু।”
রাজা রিয়ার বাঁ পায়ের পাতায় আলতো একটা চুম্বন করে বলল, ” নিশ্চয়ই বোন। এখন থেকে তোর প্রত্যেকটা হুকুম মানবো আমি।”
রিয়া তাকিয়ে দেখল বাবা মা হতবাক হয়ে তাদের দিকে তাকিয়ে দেখছে। আর সে চটি পরা ডান পা দাদার মাথার উপর রেখে দাঁড়িয়ে আছে বাবা মার সামনে। রিয়ার মন এক অদ্ভুত খুশিতে ভরে উঠেছিল। সে সংগে সংগে দাদার মাথার উপর থেকে পা সরাল না, চটি পরা ডান পা টা দাদার মাথার উপর রেখে দাঁড়িয়ে রইল। দাদা মাথার দুই পাশে হাত ছড়িয়ে তার চটি পরা বাঁ পায়ের উপর মাথা রেখে যেন নিজের ছোট বোনকে ভক্তিভরে শাষ্টাংগে প্রনাম করছিল বাবা মায়ের সামনেই। রিয়া প্রায় ২ মিনিট দাদার মাথার উপর চটি পরা ডান পা রেখে দাঁড়িয়ে রইল। তারপর দাদার মাথার উপর থেকে পা নামিয়ে বলল,” দাদা আমার ঘরে আয়। তোর সাথে কথা আছে।” এইবলে রিয়া একবার বাবা মায়ের দিকে তাকিয়ে দেখে নিজের ঘরে চলে এল। রাজাও বোনের পায়ের তলা থেকে উঠে বোনের আদেশ মত বোনের পিছু পিছু বোনের ঘরে ঢুকল।

 

 

দুই……

 

 

নিজের ঘরে ঢুকে রিয়া নিজের খাটে পা ঝুলিয়ে বসল। আর রাজা আবার বোনের ঠিক পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসল। হাতজোড় করে বোনের সুন্দর মুখের দিকে তাকাল রাজা।

রিয়া রাজার দিকে চেয়ে মুচকি হাসল, তারপর দাদার দুই গালে হঠাতই পরপর দুটো থাপ্পর মারল বেশ জোরে । রাজা অবাক হয়ে তাকাল নিজের বোনের দিকে, কিন্তু একবারও বাধা দিল না। বোন দুটো থাপ্পর মেরে থামতেই রাজা ওর চার বছরের ছোট বোন রিয়ার নীল চটি পড়া দুই পায়ের উপর মাথা ঠেকিয়ে বোনকে প্রনাম করল একবার, তারপর আবার বোনের সামনে হাটুগেড়ে হাতজোড় করে বসে বোনের সুন্দর মুখের দিকে তাকাল।

রিয়া কয়েক সেকেন্ডের জন্য গম্ভীর ভাব আনার চেষ্টা করল মুখে, তারপর হাসিতে ফেটে পরল। প্রায় এক মিনিট পর হাসি থামিয়ে রিয়া দাদার দিকে তাকিয়ে বলল, “ তুই এরকম কেন রে দাদা। আমাকে ভালবাসিস বলে আমি তোর গালে জোরে থাপ্পর মারলেও বাধা দিবি না আমাকে? উল্টে আমার পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করবি? তুই কি পাগল রে দাদা?”

জবাবে মাথা নিচু করে ফেলল রাজা। প্রায় বোনের পায়ের দিকে তাকিয়ে উত্তর দিল, “ তোকে আমি খুব ভালবাসি রে রিয়া। বাবা মা যখন তোর থেকে আমাকে বেশি ভালবাসা দেয় তখন আমার খারাপ লাগে খুব, চিরদিনই। আমি চাই সব আদর, ভালবাসা, উপহার তুই পাস। আমি তোকে খুশি দেখে আর তোর সেবা করেই খুশি থাকব রে বোন”।

রিয়া অবাক অয়ে দাদার দিকে তাকাল। ডান হাতের পাতা দিয়ে দাদার মুখটা তুলে দাদার চোখের দিকে চাইল। “ আমি তোর চেয়ে ছোট। আমি তোকে হুকুম করলে , মারলে, তোর কি একটুও খারাপ লাগে না? তুই বড় হয়ে আমার পায়ে মাথা রেখে প্রনাম করলি, তাতেও খারাপ লাগল না তোর?”

“ না রে বোন। আমি তোকে শুধু ভালই বাসি না, তোকে ভক্তিও করি। তোকে দেখলেই কেন জানি না দেবী বা আমার প্রভু বলে ভাবতে ইচ্ছা করে। তোর পায়ের উপর মাথা রাখলে মনে হয় স্বয়ং ঈশ্বরের চরনে নিজেকে সমর্পন করেছি। তুই হুকুম করলে বা আমাকে মারলে কি যে আনন্দ পাই তোকে আমি বলে বোঝাতে পারব না রে বোন। আমি এরকমই রে বোন , প্লিজ আমার উপর রাগ করিস না, প্লিজ”। এই বলে রাজা আবার নিজের মাথাটা বোনের চটি পড়া পায়ের উপর নামিয়ে দিল। চার বছরের ছোট সুন্দরী বোন রিয়ার নীল চটি পরা পায়ের উপর মাথা রেখে ভক্তিভরে প্রনামরত অবস্থায় শুয়ে রইল রাজা।

প্রায় ২ মিনিট রিয়ার পায়ের উপর মাথা রেখে পরে রইল রাজা। তার পায়ের উপর মাথা রেখে শুয়ে থাকা দাদার দিকে একদৃষ্টে তাকিয়ে রয়েছিল রিয়া। তার খারাপ তো লাগছিলই না, এক অদ্ভুত শান্তিতে মন ভরে গিয়েছিল। এত ভাল একটা দাদা পাওয়ার জন্য নিজেকে তার সত্যিই ভাগ্যবান বলে মনে হচ্ছিল।

প্রায় দুই মিনিট পর রিয়া নিচু হয়ে ঝুকে দাদার কাঁধ দুটো ধরে দাদাকে উঠিয়ে বসাল, তারপর মাথাটা নামিয়ে দাদার কপালে একটা চুমু একে দিল। “ তোকেও আমি খুব ভালবাসি রে দাদা, এবার খাটে উঠে বস তুই”।

রাজা হাতজোড় করে বোনের দিকে চেয়ে বলল “ প্লিজ বোন, আমাকে তোর পায়ের কাছে বসতে দে”।

হাসিমুখে দাদার গালে ডান হাত দিয়ে একটা থাপ্পর মারল রিয়া, “ আমার আদেশ অমান্য করছিস তুই?”

“ না প্রভু, আমি সরি। তোমার কোন আদেশ আমি কখনও অমান্য করব না”। এই বলে আবার রিয়ার চটি পড়া পায়ের উপর মাথা রেখে প্রনাম করল রাজা, তারপর খাটে উঠে বোনের পাশে বসল।

রাজার ডান হাতটা নিজের হাতের মুঠোয় টেনে নিল রিইয়া, “ দাদা , আমি সরি। তুই এত্ত ভাল রেজাল্ট করলি আর আমি তোর খুশিতে খুশি না হয়ে হিংশুটে বোনের মতো মনে হিংসা নিয়ে পাশের ঘরে বসে ছিলাম। আর কনগ্র্যাটস এত্ত ভাল রেজাল্ট করার জন্য। আশির্বাদ কর আমিও যেন তোর মতো ভাল রেজাল্ট করতে পারি”।

“ না রে বোন, তোত কোন দোষ নেই। দোষ আমার আর বাবা মার, তোর মতো এত্ত ভাল একটা মেয়েকে ছোট থেকে এত্ত দুঃখ দেওয়ার জন্য। তবে প্রমিস করছি, আর কখনও আমি তোকে হিংসা করার সুযোগই দেব না। আর আশির্বাদ তো তুই আমাকে করবি এখন থেকে রোজ, আমার মাথার উপর পা রেখে”।

রিয়ার মুখ হাসিতে উজ্জ্বল হয়ে উঠল দাদার কথায়। “ একদম, লাভ ইউ দাদা”, বলে দাদার হাতটা নিজের হাতের মুঠোয় চেপে ধরল রিয়া । আর রাজা বোনের দিকে ঝুকে বোনের কপালে একটা চুম্বন করল।

“ চল দাদা, দুজনে মিলে কম্পিউটারে গেম খেলি”, রিয়া বলল খাট থেকে নিচে নামতে নামতে।

“চল”, রাজাও খাট থেকে নেমে বলল, তারপর দুজনে পাশের ঘরে গিয়ে কম্পিউটার খুলে গ্রেম খেলতে লাগল।

 

ওদের বাড়িতে সবাই খুশি আজ। পাড়ার অনেক লোকেই এসে অভিনন্দন জানিয়ে গেছে রাজাকে। ওদের বাবা মা  ভিশন খুশি রাজার রেজাল্টে। রাজাও খুশি ভাল রেজাল্ট করতে পেরে, আর তার চেয়েও অনেক বেশি খুশি বোনের মুখে হাসি ফোটাতে পেরে, আর বোনকে তার উপর যা খুশি হুকুম করার অধিকার দিতে পেরে। আর রিয়াও খুব খুশি বহুদিন পর, তার সুন্দর মুখ খুশিতে ঝলমল করছে আজ। সত্যি, রাজার মতো ভাল দাদা যেই বোনের থাকে সে কি খুশি না থেকে পারে?

ঘড়ির কাটা ১০ টা ছুলে ওদের মা খেত্যে ডাকল ওদের। রাজার দুর্দান্ত রেজাল্টের খুশিতে ওর মা আজ মটন বিরিয়ানি আর চিলি চিকেন বানিয়েছেন, সঙ্গে মিষ্টি, কোল্ড ড্রিংক্স আর আইস ক্রিম তো আছেই। ৪ জনে ডাইনিং টেবিলে বসে খেতে থাকল। রান্নাটা সত্যিই ভাল করে ওদের মা তনয়া। ওরা সবাই তৃপ্তি করে বিরিয়ানি খাচ্ছিল। ওদের বাবা তরুনবাবু রাজাকে ওর ভবিষ্যত পরিকল্পনা নিয়ে জিজ্ঞেস করছিল। রিয়া দাদার কথাকে ভেঙ্গিয়ে ছোট বোন সুলভ ব্যাঙ্গ করছিল মাঝে মাঝে। তরুনবাবু খুব সিরিয়াস মানুষ, আর ক্লাস ৭ এ পরা রিয়া একটু ফাজিল। রিয়ার এত ফাজলামি করার প্রবনতা কোনদিনই সহ্য করতে পারে না ওদের বাবা। আশ্চর্য হয়ে রিয়া লক্ষ্য করছিল ওর বাবা আজ মোটেই রেগে যাচ্ছে না ।

পেটভরে ডিনার শেষ করে একসাথেই উঠল দুই ভাই বোন। রিয়া লক্ষ্য করল দাদার খাওয়া আগে শেষ হয়ে গেলেও তার আগে দাদা উঠল না। ও খাওয়া সেরে উঠলে তবেই দাদা চেয়ার ছেড়ে উঠল।

হাত ধুয়ে রিয়া চেয়ারটা ঘরের মাঝখানে টেনে বসল। একবার বাবা মায়ের দিকে আড়চোখে চেয়ে দেখল, তার চোখে মুখে এখন দুষ্টুমি ভরা হাসি।

“ দাদা, টিভিটা অন করে রিমোট টা আমায় দে তো”, বাবা মায়ের সামনেই দাদাকে দিয়ে আবার কাজ করান শুরু করল রিয়া।

“ এক্ষুনি দিচ্ছি বোন”, বলে রাজা সঙ্গে সঙ্গে টিভি অন করে রিমোট বোনের হাতে তুলে দিল।

“ এবার আমার জন্য এক গ্লাস থামস আপ নিয়ে আয়”, দাদাকে আবার হুকুম করল রিয়া।

“দিচ্ছি বোন”, বলে সুন্দর কাঁচের গ্লাসে এক গ্লাস থামস আপ এনে বোনের হাতে দিল রাজা।

“ আর কিছু করতে হবে রে বোন?”

দাদার প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার আগে হাসিমুখে একবার বাবা মায়ের দিকে আড়চোখে তাকিয়ে নিল রিয়া। তারপর বলল, “হবেই তো। চুপচাপ আমার পায়ের কাছে বস আগে”।

“ নিশ্চয়ই বোন”, এই বলে রাজা ঠিক রিয়ার পায়ের কাছে বসে পরল।

দাদার কোলের উপর নীল চটি পড়া পা দুটো তুলে দিল রিয়া। “ আমার পা দুটো খুব ব্যাথা করছে। এবার ভাল দাদার মতো ছোট বোনের পা টিপতে থাক।

“ অবশ্যই বোন। যখনই তোর পায়ে ব্যাথা করবে আমাকে বলিস, আমি তোর পা টিপে দেব”, রিয়ার পা টিপতে টিপতে উত্তর দিল রাজা।

রিয়া অবাক হয়ে দেখল ওদের বাবা মা কেউই ওকে বারন করল না আজ। বোধহয় দাদাকে বাবা কথা দিয়েছে বলেই কিভহু বলল না। এর মানে এখন থেকে সে সত্যিই বাবা মার সামনেই দাদাকে যা খুশি হুকুম করতে পারবে! ভাবতেই দারুন আনন্দে ভেসে যেতে লাগল রিয়া।

রিয়ার পরনে ছিল একটা কাল টপ আর ধুসর লেগিন্স, পায়ে নীল চটি। ওর নীল চটি পরা পা দুটো রাখা ওর দাদা রাজার কোলে। আর দাদা যত্ন করে ওর পা দুটো পালা করে টিপে দিচ্ছিল। একবার বাঁ পায়ের পাতা থেকে শুরু করে পায়ের কাফ অবধি টিপছিল, তারপর আবার নেমে আসছিল পায়ের পাতায়। তারপর পা বদলে একইভাবে ছোট বোন রিয়ার ডান পা টা টিপছিল রাজা। তারপর আবার অন্য পা টিপছিল। এইভাবে বাবা মার সামনে ভক্তিভরে ছোট বোন রিয়ার পা টিপে যাচ্ছিল রাজা। আর সিনেমা দেখতে দেখতে দাদাকে দিয়ে পা টেপাচ্ছিল রিয়া আর কোল্ড ড্রিংক্সের গ্লাসে ছোট ছোট চুমুক দিচ্ছিল । পা টেপানোয় সত্যিই আরাম বোধ করছিল সে, তবে তার চেয়েও ভাল লাগছিল বাবা মায়ের সামনে এইভাবে দাদাকে দিয়ে পা টেপানোর ক্ষমতা পেয়ে। ওর বাবা মা চিরদিন দাদাকে তার চেয়ে অনেক বেশি ভালবাসা দিয়ে এসেছে, দাদা পড়াশোনায় বেশি ভাল বলে। আর সেই দাদা যেদিন মাধ্যমিকে এত ভাল রেজাল্ট করল সেইদিনই সে বাবা মায়ের সামনে সেই দাদাকে দিয়ে পা টেপাতে পারছে! এটা ঠিক এই ক্ষমতা সে দাদার জন্যই পেয়েছে, তবু এইভাবে বাবা মার সামনে দাদাকে দিয়ে পা টেপাতে পেরে এক অদ্ভুত আনন্দ পাচ্ছিল রিয়া। সে মনে মনে ভাবল, সিনেমাটা শেষ হতে আরও প্রায় দুই ঘন্টা বাকি। এই পুরো সময় সে দাদাকে দিয়ে পা টেপাবে। আর এরপর থেকে রোজই রাতে খাওয়ার পর এভাবেই বাবা মার সামনে দাদাকে দিয়ে পা টেপাবে সে। বাবা মা দাদাকে মাথায় তুলে তাকে অবহেলা করতে চেয়েছিল, এখন দেখুক সেই দাদা তার পায়ের কাছে বসে চাকরের মতো তার পা টিপে দেয় রোজ। রিয়া আড়চোখে দেখল বাবা মা খাওয়া শেষ করে ঘরের কোনে পাতা সোফায় বসে এক দৃষ্টে ওদের দেখছে। কিন্তু দাদাকে কথা দেওয়ায় ওকে আর বাধা দিতে পারছে না।

 

 

 

 

 

রিত্বিকা…

 

চটি পরা ডান পায়ে রিত্বিকা আমার মুখে লাথি মারতেই আমি ওর পায়ে পরে গেলাম । ওর দুই পায়ের পাতার উপর মাথা ঘসতে ঘসতে ওর কাছে ক্ষমা চাইতে লাগলাম আমি। একটু দূরে মা মুখে হাসি নিয়ে দেখতে লাগল আমাদের।

আমি আমার মাসতুতো বোন রিত্বিকার চটি পড়া দুই পায়ের উপর মাথা ঘষে ক্ষমা চাইতে লাগলাম বারবার। আর রিত্বিকা টিভি দেখতে দেখতে মাঝে মাঝেই চটি পড়া পায়ে লাথি মারতে লাগ্অল আমার মাথার উপরে। প্রায় ১০ মিনিট এইভাবে মাথার উপর রিত্বিকার লাথি খেতে খেতে আমি ওর কাছে ক্ষমা চাওয়া চালিয়ে গেলাম। তারপর রিত্বিকা ওর চটি পড়া দুটো পাই তুলে আমার মাথার উপরে রেখে বলল, ‘ ঠিক আছে। এবারের মতো তোকে ক্ষমা করে দিলাম। এরপর এরকম ভুল করলে লাথি মেরে তোর নাক ভেঙ্গে দেব আমি’।

আমি রিত্বিকার চটি পরা পায়ের তলায় মাথা রেখে হাটুগেড়ে শুয়ে রইলাম। আমার মাথা মেঝের উপর রাখা আর আমার মাথার উপর চটি পড়া পা দুটো রেখে বসে আছে আমার চেয়ে ৯ বছরের ছোট ক্লাস ৯ এ পড়া সুন্দরী মাসতুতো বোন রিত্বিকা। আমার হাত দুটো মাথার দুপাশে মেঝেতে রাখা। যেন রিত্বিকার চটি পড়া পায়ের তলায় মাথা রেখে ওকে ভক্তিভরে শাষ্টাঙ্গে প্রনাম করছি আমি।

ছেলে হিসাবে জন্মানোয় সেই ছোট থেকেই একটা হিনম্মন্যতায় ভুগি আমি। মধ্যবিত্ত বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান আমি। কিন্তু আমার মা কখনোই পুত্র সন্তান চাননি, চেয়েছিলেন কন্যা সন্তান। আমার পরে যখন আর কোন কন্যা সন্তান হল না, তখন মায়ের রাগ মাঝে মাঝেই আমার উপর এসে পরত। ছোটবেলায় কারনে অকারনে মা আমাকে মারত। আর বারবার মায়ের মুখে শুনতে হত ‘ ইশ, কেন যে আমার ছেলে না হয়ে একটা মেয়ে হল না’। মায়ের বিভিন্ন কথায় সেই ছোটবেলাতেই আমার মাথায় ঢুকে গিয়েছিল ছেলেদের থেকে মেয়েদের দাম অনেক বেশি। আর বাবা বাইরে চাকরি করায় আমি মায়ের কাছেই কোলকাতাতে বড় হয়েছিলাম। ফলে মায়ের এই চিন্তার প্রভাব আমার উপর পড়েছিল মারাত্বক রকম।

পড়াশোনাতে আমি চিরকালই ভালছিলাম। ছেলেদের স্কুলে পড়ায় আমার কোন মেয়ে বন্ধু হয়নি কোনদিনই। তবে মনে মনে মেয়েদের ভিশন শ্রদ্ধা করতাম । কোন মেয়েকে দেখলেই মনে মনে তাকে দেবীর আসনে বসিয়ে কেন জানি অদ্ভুত এক সুখ পেতাম।

রিত্বিকা ওর মা বাবার সঙ্গে থাকত হুগলী জেলার এক ছোট শহরে। ওরা দুই ভাই, এক বোন। ও দুই ভাইয়ের মাঝখানে। ওর বাবা সামান্য এক দোকান চালায়। অভাবের সংসারে ৩ ছেলে মেয়ের লেখাপড়া চালাতে কষ্ট হত। আর ওর বাবা বেশিরভাগ সাধারন লোকের মতই ছেলেদের শিক্ষাকে মেয়ের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিত। এই কথা জানতে পেরে মা মাসিকে বলে রিত্বিকাকে আমাদের বাড়িতে পাঠিয়ে দিতে । মা ওকে নিজের মেয়ের মতো রাখবে। কোলকাতায় স্কুলে পড়াবে। মাসি তার দিদির কথায় খুব খুশি হয়ে আগের বছর ওকে কোলকাতায় আমাদের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। রিত্বিকা কোলকাতায় একটা ভাল স্কুলে ক্লাস ৮ এ ভর্তি হয়।

রিত্বিকাকে আমি তার আগে শেষবার দেখেছি তার ৩ বছর আগে। ও তখন ক্লাস ৫ এ পড়ে। আমি তখন যাদবপুরে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ছি,  দ্বিতীয় বর্ষে। অপরুপা সুন্দরী রিত্বিকা মায়ের সাথে প্রথমবার আমাদের বাড়ি এসেছিল। অপরুপা সুন্দরী রিত্বিকাকে দেখে মেয়েরা যে দেবী সেই চিন্তা আবার আমার মাথায় এসে জড় হয়ে আমাকে এক অদ্ভুত অপার্থিব সুখে আচ্ছন্ন করতে থাকে। মা আমাকে সম্পুর্ন অগ্রাহ্য করে ভয়ানক ভালবাসা দিতে থাকে রিত্বিকাকে। বারবার রিত্বিকাকে জড়িয়ে ধরে আদর করে বলতে থাকে, ‘ ইশ, তুই যদি আমার মেয়ে হতিস আমি আর কিচ্ছু চাইতাম না জীবনে’।  আমাকে দিয়ে রিত্বিকার টুকটাক ফাইফরমাশ খাটাত মা। যা, বোনের জামা কেচে আন। বোনের জুতো পালিশ করে দে। একদিন কলেজ থেকে ফেরার সময় ওর জন্যে চকলেট আনতে ভুলে যাওয়ায় মা আমাকে মাসির সামনেই রিত্বিকার চটি পড়া পায়ের উপর মাথা রেখে ক্ষমা চাইয়েছিল। আমার কিরকম এক অদ্ভুত ভাল লাগায় মন ভরে গিয়েছিল। মা তখন রিত্বিকার মাথায় হাত বোলাতে বোলাতে বলেছিল “ তুই আমাদের এখানে থেকে যা । আমার মেয়ের মতো থাকবি তুই। আর তোর দাদা তোর চাকরের মতো তোর সেবা করবে”।

রিত্বিকা মা কে জড়িয়ে ধরে বলেছিল “ সত্যি মাসি, আমি এখানে থেকে যেতে পারলে দারুন খুশি হতাম। তুমি খুব ভাল। আমাকে নিজের ছেলের চেয়েও বেশি ভালবাস। আর বাড়িতে বাবা মা ভাই আর দাদাকে আমার চেয়ে বেশি ভালবাসে”। মা আর রিত্বিকার এই কথা বলার পুরো সময় জুড়ে আমি ক্লাস ৫ এ পড়া বোন রিত্বিকার চটি পরা পায়ের উপর মাথা রেখে শুয়ে ওকে শাষ্টাঙ্গে প্রনাম করছিলাম।

তার ৩ বছর পর রিত্বিকা সত্যিই আমাদের বাড়িতে থাকতে চলে এল। মা ভয়ানক খুশি হল। মায়ের সারাজীবনের একটা মেয়ের সখ মিটল যেন সেদিন। আমি তখন সদ্য ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করে সেক্টর ৫ এ একটা বহুজাতিক কম্পানিতে চাকরি নিয়েছি। রিত্বিকাকে মা একটা ভাল স্কুলে ক্লাস ৮ এ ভর্তি করে দিল। আর রিত্বিকাকে ৩ বছর আগে দেওয়া কথা মা প্রথম দিন থেকেই রাখা শুরু করল।

রিত্বিকাকে নিয়ে প্রথমদিন ঘরে ঢুকেই মা আমাকে বলেছিল, ‘ আজ থেকে ও আমার মেয়ে। তুই ওর দাদা হলেও আজ থেকে ওর চাকর। তোর জীবনের মুল উদ্দেশ্য এখন থেকে তোর ছোট বোনকে খুশি রাখা। ও যা আদেশ করবে সঙ্গে সঙ্গে বিনা প্রশ্নে পালন করবি তুই। ওকে প্রভু জ্ঞানে শ্রদ্ধা করবি। নে, এখন ওর পায়ে মাথা রেখে প্রনাম কর ওকে’।

মায়ের কথা শুনে আমার একটুও খারাপ লাগল না। বড় হওয়ার সময় আমার বহুবার মনে হয়েছিল , ইশ, আমার যদি একটা ছোট বোন থাকত তাহলে রোজ দেবী জ্ঞানে তার সেবা করতে পারতাম আমি! আর আজ আমার এতদিনের সেই স্বপ্ন যেন পূর্ন হতে চলেছে!!

রিত্বিকা মায়ের পাশে বসার ঘরের সোফায় বসেছিল। ওর পরনে ছিল সাদা টপ, গাঢ় নীল জিন্স , পায়ে সাদা মোজা , সাদা স্নিকার। মা রিত্বিকার মাথায় স্নেহভরে হাত বুলিয়ে দিতে দিতে বলল , ‘ আজ থেকে তোর দাদা তোর চাকর। তোর যা খুশি অর্ডার করবি ওকে। ইচ্ছা হলে যখন খুশি মারবি”।

মায়ের কথা শুনে রিত্বিকার মিষ্টি মুখে চওড়া হাসি ফুটে উঠল। আমি ততক্ষনে ওর পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে পড়েছি। ছোট বোনের প্রতি শ্রদ্ধায় আমি হাতজোড় করে বসে আছি ওর পায়ের কাছে । রিত্বিকা হাসিমুখে আমার দিকে তাকাল, তারপর পরপর আমার দুই গালে দুটো থাপ্পর মেরে বলল, ‘ আমার পায়ের উপর মাথা রেখে প্রনাম কর আমাকে’।

আমার চেয়ে ৯ বছরের ছোট সুন্দরী বোনের হাতে থাপ্পর খেয়ে আমি ওর জুতো পরা পায়ের উপর নিজের মাথাটা নামিয়ে দিলাম। ছোট বোনের সাদা স্নিকারের উপর নিজের কপালটা ঘসতে লাগলাম ভক্তিভরে। একটু পরে বোন ওর জুতো পরা ডান পা টা আমার মাথার উপর তুলে দিল। আমার মাথার উপর ওর জুতোর তলাটা আসতে আসতে ঘসতে লাগল বোন । আর আমি ওর বাঁ জুতোর উপর আমার কপাল ঘষা চালিয়ে গেলাম।

১০ মিনিট পর বোন ওর জুতো পড়া ডান পা দিয়ে আমার মাথার উপর একটা লাথি মেরে বলল, “ এবার ওঠ দাদা”।

আমি উঠে আবার হাটুগেড়ে বসলাম আমার সুন্দরী ছোট বোন রিত্বিকার পায়ের কাছে।

“ মাসি, আমি কি রনিদার সাথে যা খুশি করতে পারি?” রিত্বিকা মায়ের দিকে তাকিয়ে প্রশ্ন করল।

জবাবে মা রিত্বিকার দিকে ঝুকে ওর কপালে চুম্বন করে বলল, “ হ্যাঁ রে মা, নিশ্চয়ই পারিস। ও তোর দাদা হলে?ও তোর চাকর, তোর দাস। তুই যা খুশি করতে পারিস ওর সাথে। যা খুশি শাস্তি দিতে পারিস ওকে”।

“ বাড়িতে এতদিন দাদা আর ভাইকে বেশি ভালবাসা পেতে দেখে আমার খুব হিংসা আর রাগ হত ছেলেদের উপর। এখন থেকে রনিদার উপর রোজ আমি তার প্রতিশোধ নেব”। এই বলে রিত্বিকা জুতো পড়া ডান পা তুলে আমার মুখের উপর খুব জোরে একটা লাথি মারল। ওর জুতো পড়া ডান পায়ের তলাটা আঘাত করল ঠিক আমার নাকের উপর। আমার নাক থেকে কয়েক ফোঁটা রক্ত গড়িয়ে পড়ল আমার ঠোঁটের উপর দিয়ে। ভয়ানক যন্ত্রনায় ককিয়ে উঠলাম আমি, কয়েক সেকেন্ডের জন্য চোখে অন্ধকার দেখলাম। উল্টে পরে যাচ্ছিলাম প্রায় , কোনরকমে সামলে নিলাম নিজেকে।

‘ চুপ করে বসে থাক দাদা, আমি তোর মুখে লাথি মারব এখন। চুপচাপ বসে আমার লাথি খা এখন। এখন থেকে রোজ তুই মুখে এইভাবে আমার লাথি খাবি’।

রিত্বিকার কথা শেষ হওয়ার আগেই এবার ওর জুতো পরা বাঁ পা আমার নাকের উপর আছড়ে পড়ল।

ছোট বোনের ডমিন্যান্ট আচরনে আমি ততক্ষনে মুগ্ধ হয়ে গেছি । ওর জুতো পড়া দুই পা একের পর এক আঘাত করে চলেছে আমার মুখের সর্বত্র। আর আমি ভক্তিভরে মুখের সর্বত্র আমার প্রভু মাসতুতো বোন রিত্বিকার লাথি খেতে খেতে গুনে চলেছি লাথির সংখ্যা।

আমার মুখের উপর ঠিক মোট ৫৬ টা লাথি মেরে থামল রিত্বিকা। ও থামতেই আমি মন্ত্রমুগ্ধ পুতুলের মতো ওর জুতো পরা দুই পায়ের উপর চুম্বন করতে করতে ওকে ধন্যবাদ দিতে লাগলাম আমার মুখে লাথি মারার জন্য। তারপর রিত্বিকা আমার মাথার উপর আবার লাথি মেরে আমাকে আদেশ করল ওর পায়ের তলায় শুয়ে পরতে।

আমি আমার প্রভুর আদেশ পালন করতেই প্রভু ওর জুতো পরা পা দুটো আমার মুখের উপর তুলে দিল। আমার মুখের উপর ওর জুতোর তলা দুটো ঘসল কিছুক্ষন। তারপর আমার নাকের উপর লাথি মেরে আদেশ করল আমার জিভটা বার করে দিতে। আমি ততক্ষনাত আমার প্রভু রিত্বিকার আদেশ পালন করলাম। আমার ৯ বছরের ছোট সুন্দরী বোন আমার বার করা জিভের উপর ওর বাঁ জুতোর তলা নামিয়ে দিল। আমার জিভের উপর ঘসতে লাগল ওর ধুলো কাদা লাগা বাঁ জুতোর তলা। প্রায় ১০ মিনিট আমার জিভের উপর ঘষে নিজের বাঁ জুতোর তলা নতুনের মতো চকচকে করে নিল বোন। তারপর মায়ের সামনেই একইভাবে আমার জিভের উপর জুতো পড়া ডান পায়ের তলা নামিয়ে দিল। আমি বোনের বাঁ জুতোর তলার সব ময়লা ভক্তিভরে গিলে খেয়ে একইরকম ভক্তিভরে ওর ডান জুতোর তলার ময়লা গিলে খেতে লাগলাম।

আরও ১০ মিনিট ধরে আমার বার করা জিভের উপর নিজের ডান জুতোর তলা ঘষে নতুনের মতো পরিষ্কার করে ফেলল বোন। তারপর পরিষ্কার ডান জুতো পরা পা দিয়ে আমার নাকের উপর একটা জোরে লাথি মেরে বলল, ‘ এখন থেকে আমি এই বাড়ির মেয়ে। আর তুই আমার দাস। এখন থেকে আমি যা আদেশ করব তুই তাই করবি। প্রত্যেক মাসে মাইনে পেয়ে পুরো টাকা তুলে দিবি আমার হাতে। আরোজ এইভাবে আমি তোর মুখে যতখুশি লাথি মারব, তোর জিভের উপর ঘষে আমার জুতোর তলা পরিষ্কার করব। আর তুই তার জবাবে আমার পায়ে মাথা ঠেকিয়ে আমাকে প্রনাম করে আমাকে ধন্যবাদ দিবি। নে, এখন ভক্তিভরে আমার পা টিপতে থাক। এই বলে বোন ওর জুতো পড়া বাঁ পা টা আমার কপালের উপর আর ডান পা টা আমার ঠোঁটের উপর রেখে মায়ের সাথে গল্প করতে লাগল। আর আমি ভক্তিভরে আমার চেয়ে ৯ বছরের ছোট আমার মাসতুতো বোন, আমার প্রভুর পা দুটো পালা করে টিপতে থাকলাম।

সেই থেকে রোজই আমি একইরকম ভক্তিভরে আমার বোন, আমার প্রভু রিত্বিকার সেবা করি।

 

 

দিদি পুজো (By SLAVE/ মেয়েদের কুকুর)

আমি খুব ছোট থাকতেই এক এক্সিডেন্টে আমার মা বাবা মারা যান। আমার বয়স তখন ১১ । আর আমার দিদির বয়স ১৫। পুরো পৃথিবীতে শুধু আমি আর দিদি। দিদি খুব ভালো ছাত্রী ছিলো।
সে টিউশনি করে সংসার চালাতে লাগলো। আমার দিদির রক্ত পানি করা পরিশ্রমের টাকায় আমি পড়াশোনা করতে থাকি। আমার দিদিই আমাকে খাইয়ে পড়িয়ে মানুষ করে তোলে।
এখন আমি কলেজে উঠেছি। এস.এস.সি তে এ+ পেয়েছি। আর দিদি চাকরি পেয়েছে পুলিশে। সরকারের দেওয়া কোয়ার্টারে উঠেছি আমরা ভাই বোন। জীবন যাত্রা উন্নত হয়েছে। আমার দিদি এখন
এক সুন্দরী যুবতী। নামকরা পুলিশ অফিসার। গাড়িতে করে চলাচল করে। ছোট থাকতে খুব বেশী বুঝতাম না,কিন্তু এখন বুঝতে পারি দিদি না থাকলে আমার কি যে হত। আমার দিদির কারনেই আজ
মানুষ হতে পেরেছি। কষ্টের দিনগুলোর কথা ভাবলেই দিদির প্রতি শ্রদ্ধায় মাথা নুইয়ে আসে।
আজকেও শুয়ে শুয়ে আগের দিনের কথা ভাবছিলাম। কত কষ্টই না করেছে আমার দিদি টা! কিন্তু আমি কি কখনো আমার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে পেরেছি ঠিকমত? হ্যা আমি বাধ্য ছেলের মত চলেছি,বখে
যাইনি,কিন্তু শুধু এটুকুই যথেস্ট না। আমার দিদি মানুষ না,আমার দিদি দেবী। আর দেবীকে পুজো করেই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে হয়। তাই মনে মনে ঠিক করলাম আজ থেকে দিদিকে দেবী জ্ঞ্যান করে চলবো।
দিদির ডিউটি শেষ হয় রাত ৮টায়। সাড়ে আটটার দিকে দিদি চলে এলো বাসায়। আমি দরজা খুলে দিলাম। আমার সামনে দাঁড়িয়ে আছে আমার অনিন্দ্য সুন্দরী দিদি। ৫ ফিট ৩ ইঞ্চি লম্বা,গরমে লাল হয়ে যাওয়া
গায়ের রঙ (দিদি খুবই ফর্সা),চুল খোপা করে রাখা,পুলিশের টাইট ইউনিফর্ম পরা এক দেবী। এতো সুন্দর লাগছে,এমন সুন্দর কেবল দেবীরাই হতে পারে।
আমাকে দেখে মিস্টি হাসলো দিদি। আমার গাল টিপে দিয়ে ঘরে ঢুকে সোফায় ধপ করে বসলো দিদি। অনেক ক্লান্ত হয়ে আছে। আমি গিয়ে দিদির পায়ের সামনে বসে পরলাম। দিদির বুট পরা একটা পা আমার
কোলে তুলে নিলাম। অবাক হয়ে গেলো দিদি,’কি রে শুভ,কি হয়েছে তোর? পা ধরে আছিস যে?’
আমার মনে পরে গেলো দিদির কস্টের কথা। নিজে না খেয়ে আমাকে ভালো ভালো খাবার খাইয়েছে আমার দিদি। গরমের সময় সারা রাত না ঘুমিয়ে আমাকে বাতাশ দিয়েছে। এইসব ভেবে টপ টপ করে আমার
চোখ দিয়ে পানি পরতে লাগলো।দিদি অবাক হয়ে গেলো। আমার গালে হাত দিয়ে বললো ‘কি হয়েছে তোর লক্ষ্মী সোনাটা? বল আমাকে’
আমি দিদির বুট পরা পায় আমার মুখ চেপে ধরলাম। চুমু দিতে লাগলাম দিদির বুটে। আর বললাম ‘দিদি,কত কস্ট করেই না আমাকে মানুষ করেছো তুমি। নিজে না খেয়ে খেয়ে আমাকে খাইয়েছো। না ঘুমিয়ে
ঘুমিয়ে আমার সেবা করেছো। কিন্তু আমি কি করলাম তোমার জন্যে? কিছুই না! কত কস্ট করে আসো সারাদিন। একটুও সেবা করিনা তোমার। তুমি আমার দেবী গো দিদি। তোমার সেবা না করতে পারলে
আমি মরে যাবো। আমার চামড়া কেটে জুতা বানিয়ে দিলেও তোমার ঋণ শোধ হবেনা। আমাকে শুধু একটু সেবা করতে দাও তোমার দিদি। আমার চেয়ে সুখী আর কেউ হবেনা।তুমি ই পৃথিবীতে আমার সব।
আমার আপন। আমার আর কেই নেই। তোমার সেবায় নিজের জীবন উৎসর্গ করে একটু হলেও তোমার ঋণ টা শোধ করতে চাই দিদি।’ বলে দিদির বুট পরা পায়ে নাক মুখ ঘষতে লাগলাম
দিদির চোখেও পানি চলে আসলো। আমাকে পা থেকে টেনে বুকে জড়িয়ে ধরলো,বললো ‘সোনা আমার লক্ষ্মী আমার,তোকে অনেক ভালোবাসি আমি। আমাকে সেবা করে যদি তুই সুখি হস,তাহলে কর তোর যত
ইচ্ছা। লক্ষ্মী সোনা ভাই আমার’ বলে আমার কপালে চুমু দিলো দিদি। তারপর চোখ মুছিয়ে দিলো।
হাসিতে ভরে গেলো আমার মুখ। বললাম ‘সারাদিন ডিউটি করে এসেছো। একটু ফ্যানের নিচে জিরিয়ে নাও। আমি তোমার পা টিপে দিচ্ছি। তারপর গোসলে ঢুকিও। তখন আমি খাবার রেডি করে ফেলবো’।
মিষ্টি হাসলো দিদি। বললো ‘ঠিকাছে দে।আমারো পা দুটোয় অনেক ব্যাথা করে প্রতিদিন। এখন থেকে আমার সোনা ভাইটা টিপে দিয়ে দিদির ব্যাথা দূর করে দিবে,তাইনারে সোনা?’
ততক্ষনে আমি দিদির ডান পা থেকে বুট টা খুলে এনেছি। জুতা মোজার গন্ধে ঘরের বাতাস ভারী হয়ে গেলো। দিদির কালো মোজা পরা ডান পাটার নিচে একটা গভীর চুম্বন করে আমি বললাম ‘অবশ্যই
দিদি। প্রতিদিন টিপে দিবো আমার দিদির পা’। খুব খুশি হলো দিদি। হাসিতে ভরে গেলো সুন্দর ফর্সা মুখটা। বললো ‘পায়ে অনেক গন্ধ রে শুভ’।আমি বললাম ‘একটুও না। এগুলা কোন সাধারণ পা না।
আমার দেবী দিদির স্বর্গীয় পা এগুলো।দেবীর পায়ের গন্ধ ও যেকোন সুগন্ধির চেয়ে ভালো’। বলে দিদির মোজা পরা পা টা আমার নাকে চেপে ধরে গভীর ভাবে শ্বাস নিলাম একটা। হাহাহা করে হেসে উঠলো
দিদি। ‘পাগল ভাই তুই আমার’ বলে কালো মোজা পরা ডান পা টা বেশ করে আমার মুখে ঘসে দিয়ে আদর করে দিলো। ততক্ষনে বা পায়ের বুটটাও খুলে এনেছি। দুটি পাই এবার কোলে নিয়ে বেশ করে
টিপে দিতে থাকলাম। আরামে চোখ বন্ধ হয়ে গেলো দিদির। কিছুক্ষন পর পা দুটো আমার মুখের সামনে এনে মোজা খুলে দিতে ইশারা করলো দিদি। আমি আসতে করা মোজা গুলো খুলে আনলাম। দিদির
ফর্সা পা দুটো এখন আমার মুখের সামনে। গভীর ভাবে চুম্বন করলাম দুটি পায়ের নিচেই। দিদি পায়ের তলা আমার গালে লাগিয়ে বললো ‘সোনা ভাই আমার’।তারপর বললো ‘যাই গোসল করে আসি। তুই মোজা
গুলো ধুয়ে দে। জুতাটা সাফ করে রাখ। আর খাবার গরম কর।’ বলে উঠে দাড়ালো দিদি। আমি দিদির পায়ে নিজের মাথা নামিয়ে এনে চুমু দিতে লাগলাম। চুপচাপ দাঁড়িয়ে ভাইয়ের কান্ড দেখতে লাগলো দিদি।
আর মুচকি মুচকি হাসতে লাগলো। আমি চুমু দিতেই লাগলাম দিতেই লাগলাম। দিদি আমার মাথার উপর একটি পা তুলে দাঁড়ালো। চুল গুলো পা দিয়ে এলোমেলো করে দিয়ে বললো ‘হয়েছে,পরে সেবা করিস,
এখন গোসলে ঢুকি’,বলে মিস্টি হাসলো। আমি বললাম ‘ঠিকাছে দিদি’
দিদি গোসলে ঢুকলো। আমি দিদির মোজা ধুয়ে দিলাম। বুটগুলো পরিস্কার করে রাখলাম। খাবারো গরম করলাম। ২০ মিনিট পর দিদি বেরিয়ে এলো। নিজের রুমে ঢুকে লোশন মাখতে লাগলো
হাতে পায়ে। আমি দিদির চটি জোড়া হাতে নিয়ে দিদির পায়ের সামনে মাথা নুইয়ে বসে পরলাম। নিজ হাতে পরিয়ে দিলাম চটি জোড়া। তারপর বললাম ‘খাবার রেডি দিদি’। দিদি আমার গালে
হাত বুলিয়ে দিয়ে বললো ‘চল খেয়ে ফেলি’।
একসাথে রাতের খাবার খেলাম আমরা। খাওয়া শেষ করে দিদি টিভি দেখতে বসলো পায়ের উপর পা তুলে।আমি দিদির পায়ের সামনে বসে পরলাম। বললাম ‘তুমি টিভি দেখো দিদি। আমি পা
টিপে দেই’।মিস্টি হাসলো দিদি। আমি প্রায় এক ঘন্টা দিদির পা টিপে দিলাম। আর ফাকে ফাকে চুমু দিতে লাগলাম পায়ের নিচে।নাক মুখ ঘষতে লাগলাম। দিদি বললো ‘আমার ভাই আমাকে এত
ভালোবাসে তা আগে বুঝিনি। তুই এইভাবে আমার সেবা করছিস,নিজের কাছেই ভালো লাগছে ব্যাপারটা।তোকে আরও বেশী আপন মনে হচ্ছে রে সোনা’।আমি দিদির পায়ের নিচে গভীর চুম্বন করে
বললাম ‘তুমি আমার দেবী দিদি। তোমার পায়ের নিচেই আমার প্রকৃত স্থান দিদি।আমি তোমার পা ধোয়া পানি খেতে চাই প্রতিদিন। তাহলে আমার জীবন সাফল্য ভরে যাবে।আমার দিদির স্বর্গীয়
পায়ের ধোয়া জল আমার জন্যে এক স্বর্গীয় প্রসাদসম’ বলে চুমুর পর চুমু দিতে লাগলাম দিদির ফর্সা পায়ের নিচে
দিদির চোখে খুশিতে পানি চলে এলো। ‘ওরে আমার সোনা’ বলে পায়ের তলা আমার পুরো মুখে ঘষতে লাগলো দিদি,বললো ‘কর আমাকে পুজা ভাই আমার।তুই সুখী হলেই আমি সুখী। যা পানি
আর গামলা নিয়ে আয়’।আমি তাড়াতাড়ি পানি আর গামলা নিয়ে এলাম। আমার দিদির ফর্সা পবিত্র পা দুটি সযত্নে ধুইয়ে দিলাম। তারপর ঢকঢক করে খেয়ে নিলাম দিদির পা ধোয়া পানি।
তারপর দিদির পায়ের সামনে মাথা নামিয়ে দিলাম। বললাম ‘আমাকে আশীর্বাদ করে দাও দিদি,যাতে অনেক বড় হতে পারি জীবনে আর সারা জীবন তোমার সেবা করতে পারি’।ছলছল চোখে
উঠে দাড়াল দিদি।পায়ে চটি পরে নিলো। তারপর চটি পরা একটি পা আমার মাথার উপর রাখলো। চটির তলা ঘসে আমাকে আদর করতে করতে বললো ‘আশীর্বাদ দিলাম তোকে লক্ষ্মী সোনা,
জীবনে অনেক বড় হবি তুই।আজ তোকে নিয়ে আমি অনেক গর্বিত। এমন ভাই যেন দুনিয়ার প্রতিটি দিদি পায়’।তারপর আমাকে পা থেকে টেনে তুললো। বুকের মধ্যে আমার মাথাটা চেপে ধরে
আদর করতে লাগলো দিদি। তারপর কপালে চুমু দিয়ে বললো ‘এখন ঘুমিয়ে যাই চল। সকালে আবার ডিউটি আছে।৬টায় উঠে যাবো আমি।তোর কলেজ তো ৯ টায় তাইনা?তুই টাইমলি উঠে
কলেজে চলে যাস’। আমি বললাম ঠিকাছে দিদি
সকালে ঘুম থেকে উঠে দিদি অবাক। অন্যদিন ঘুম থেকে উঠে নিজে নিজে নাস্তা রেডি করে খেতো দিদি। আমার জন্যেও বানিয়ে রেখে যেতো। আজ দিদি দেখছে টেবিলে নাস্তা রেডি!বিছানার পাশে
দিদির পুলিশ ইউনিফর্ম ইস্ত্রি করে রাখা! চকচক করছে বুট জোড়া! দিদি খাবার টেবিলে এসে দেখলো আমি ব্রেডে জেলি মাখিয়ে দিচ্ছি। অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলো দিদি ‘কি রে শুভ! তুই
এত সকালে জেগে গেছিস যে! আর নাস্তা রেডি,কাপড় ইস্ত্রি এগুলো কে করেছে রে?’। আমি ব্রেড প্লেইটে রেখে দিদির পায়ের সামনে এসে বসে পরলাম। দিদির পায়ে চুমু দিয়ে বললাম ‘আমি
খুব ভোরে উঠে সব করে রেখেছি দিদি।তোমার গোসলের পানিও রেডি করে রেখেছি।এখন থেকে তোমাকে আর কস্ট করতে হবেনা। তুমি রানীর মত থাকবে। সারা জীবন অনেক কস্ট করেছো
আমার জন্যে। এখন প্রতিদানের সময় আমার’।
খুশিতে দিদির চোখ ভিজে গেলো।চটি পরা ডান পা টা আমার মাথার উপর তুলে ঘষতে ঘষতে বললো ‘সোনা ভাই আমার,তোকে অনেক আশীর্বাদ করে দিলাম,অনেক বড় হ’। আমি দিদির পায়ে
এমন ভাবে মাথা ঘষতে লাগলাম যেন কুকুর তার মনিবের পায়ে মাথা ঘসছে।দিদি গোসল করে আসার পর বললাম ‘তুমি রেডি হয়ে খেতে বসে পর দিদি। লেইট হয়ে যাবে শেষে। জুতা আমি
পড়িয়ে দিবো।তুমি জাস্ট কাপড় পরে ফেলো’। দিদি আমার গাল টিপে দিয়ে মিস্টি হেসে বললো ‘ঠিকাছে আমি আসছি’। তারপর পুলিশের ইউনিফর্ম পরে এসে নাস্তা খেতে বস্লো।আমি দিদির বুট
জোড়া আর একজোড়া পরিস্কার নীল মোজা নিয়ে এসে টেবিলের নিচে ঢুকে গেলাম।দিদির পায়ে প্রথমে মোজা গুলো পড়িয়ে দিলাম। ডান পায়ে মোজা পড়িয়ে পা টা আমার মুখের উপর এনে
রাখলাম। তারপর অন্য পায়ে মোজা পড়িয়ে দিলাম। দিদি খেতে খেতে হাসি মুখে দেখতে লাগলো ভাইয়ের সেবা করা।এবার বুট গুলো পড়িয়ে দিলাম। ঘষে চকচকে করে ফেলেছি আগের রাতে।
বুট পড়িয়ে দিয়ে আমার কপাল মাটিতে লাগিয়ে সিজদাহর মত শুয়ে থাকলাম দিদির সামনে। আর দিদির বুট পরা পা গুলো আমার মাথার উপর রাখলাম
সে এক অপরূপ দৃশ্য। দেবীর কাছে নিজেকে সমর্পণ করার এক দৃশ্য। আমার মাথার উপর বুট পরা পা রেখে আমার দেবী দিদি নাস্তা খাচ্ছে,আর আমি দিদির পায়ের নিচে দিদিকে সেজদাহ করছি,
আমার জীবন টাই আজ সার্থক মনে হচ্ছে।এখানেই তো আমার আসল স্থান। এতদিন কেন বুঝিনি তা ভেবে আফসোস হচ্ছে
দিদির খাওয়া শেষ হলে চোখা বুটের আগা দিয়ে আমার মাথায় আলতো করে টোকা দিয়ে বললো ‘হয়েছে,এবার ওঠ। আমি গেলাম। তুই কলেজে যাস,কেমন?’। আমি উঠে দাড়িয়ে বললাম ‘ঠিক আছে
দিদি’। দিদি মিস্টি হেসে আমার গালে হাত বুলিয়ে দিয়ে চলে গেলো।দিদি চলে যাওয়ার পর আমি একটু রেস্ট নিলাম। তারপর সময় হলে কলেজে গেলাম। বিকালে বাসায় ফিরে আসলাম। এসে
কোন বিশ্রাম নেই,কিভাবে আমার দেবীর সেবা করা যায় সেটা ভাবতে লাগলাম। দিদির ঘর খুব সুন্দর করে অনেকক্ষণ সময় নিয়ে গুছিয়ে রাখলাম। দিদির জন্যে নুডুলস বানিয়ে রাখলাম। দিদির
পা ধুইয়ে দেওয়ার জন্যে দোকান থেকে স্পঞ্জ কিনে আনলাম। দিদি আসবে রাত ৮ঃ৩০ এর দিকে। ভাবলাম মাত্র ৬টা বাজে।কিছুক্ষন ঘুমিয়ে নেই।
৭টার সময় কলিংবেলের আওয়াজে ঘুম ভেঙে গেলো। এই অসময়ে আবার কে এলো? ধুর। মেজাজটাই বিগড়ে গেলো। দিয়ে দরজা খুললাম। দেখি দিদি দাঁড়িয়ে আছে। সাথে সুন্দরী এক মেয়ে,দিদির
বয়সী ই হবে। আমি অবাক হয়ে বললাম ‘দিদি তুমি এত তাড়াতাড়ি যে?’। দিদিকে একটু বিরক্ত মনে হলো। বললো ‘আমরা ১০ মিনিট ধরে দাঁড়িয়ে আছি। কোথায় ছিলি শুভ?’আমি সাথে
সাথে দিদির পায়ে পরে গেলাম। দিদির বুটে নাক মুখ ঘষতে ঘষতে বললাম ‘আমি ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। প্লিজ দিদি আমাকে ক্ষমা করে দাও। আমার দিদিকে দাড় করিয়ে রেখে এত কস্ট দিয়েছি
আমি। আর কখনো এমন হবেনা প্লিজ প্লিজ প্লিজ আমাকে মাফ করে দাও’। দিদি হাসিমুখে তাকালো পাশের মেয়েটির দিকে। বললো ‘দেখেছিস,বলেছি না আমার সোনা ভাইটা আমাকে দেবীর মত
পুজা করে? এবার বিশ্বাস হলো তো?’। মেয়েটি অবাক হয়ে বললো ‘আমিতো প্রথমে বিশ্বাস ই করিনি। আসলেই তো!’। অইদিকে আমি দিদির বুটে মাথা ঘষা চালিয়ে যাচ্ছি। দিদি হাসিমুখে আমার
মাথার উপর বুট পরা একটি পা রেখে দাড়ালো’। বললো ‘আমার সোনা ভাইয়ের উপর কি আমি রাগ করতে পারি? দিদি তোকে ক্ষমা করে দিয়েছি।ওঠ এবার’ বলে বুটের তলা আমার মাথায়
ঘষে ঘষে আদর করতে লাগলো।দিদির বুটের ময়লা আমার চুলে লাগতে লাগলো। আমি উঠে দাঁড়ালাম। দিদির পাশের মেয়েকে দেখিয়ে বললো ‘ও আমার বান্ধবী প্রিয়াঙ্কা। আমাকে দেখতে এসেছে
অনেকদিন পর। তাই আগে আগে ছুটি নিয়ে চলে এসেছি’। আমি তাকালাম প্রিয়াঙ্কা দির দিকে। দিদির চেয়েও লম্বা,দারুন স্মার্ট। টাইট জিন্স,নিল টপস আর লাল হাই হীল পরনে। আমি প্রিয়াঙ্কা দির
পায়ের কাছে মাথা নিচু করে বসে লাল হাই হীল পরা পায়ে চুমু দিলাম। বললাম ‘নমস্কার দিদি। কেমন আছেন?’।প্রিয়াঙ্কা দি খুব খুশি হলো। বললো ‘এভাবে কেউ আমাকে কখনো এত সম্মান
দেয়নি। অনেক ভালো আছিরে ভাই। তুই ভালো আছিস তো? সেই ছোটবেলা দেখেছিলাম তোকে।’ আমি বললাম জি ভালো। আপনারা আসুন।
দিদিরা বাসায় ঢুকে সোফায় বসলো। আমি দিদির পায়ের কাছে বসে পরলাম। দিদি হেসে আমার কাধের ওপর বুট পরা একটা পা রাখলো। বললো ‘এইভাবে সারাদিন আমার পায়ের সামনে
পরে থেকে দিদির সেবা করে আমার সোনা ভাইটা। দিদির সেবা করাই ওর এক মাত্র ধ্যান জ্ঞ্যান’। প্রিয়াঙ্কা দি বললো ‘আমার খুব হিংসা হচ্ছেরে তোর উপর। এমন ভাই কয়জনের আছে যে
দিদিকে দেবীর মত পুজো করে! সত্যি তুই লাকি রে’। গর্বে দিদির বুক ফুলে উঠলো। ততক্ষনে আমি দিদির বুট খুলে ফেলেছি। সারাদিন কাজ করে দিদির পরিস্কার আকাশী নীল মোজাটা ময়লা
হয়ে গিয়েছে।দিদি মোজা পরা ডান পা টা আমার মুখের উপর রেখে ঘষতে ঘষতে বললো ‘ঠিক বলেছিস,এমন লক্ষ্মী ভাই খালি আমারি আছে’। প্রিয়াঙ্কা দি বললো ‘ইশ! আমার ভাইটা যদি এভাবে
আমার সেবা করতো!’। দিদি বললো ‘আফসোস করিস না। তুই আমার বেস্ট ফ্রেন্ড। আমার ভাই মানে তোর ভাই। এখন থেকে শুভ কেই নিজের ভাই মনে করে ইচ্ছামত সেবা করাস। যা তো
শুভ,তোর প্রিয়াঙ্কা দিদির সেবা করে দে একটু’। আমি দিদির মোজা পরে পায়ে চুমু দিয়ে প্রিয়াঙ্কা দির পায়ের কাছে গিয়ে বসলাম। হীল পরা পা দুটো আমার কোলে নিয়ে টিপতে লাগলাম।
বললাম ‘আপনাকেও দেবীর মত সেবা করবো আমি প্রিয়াঙ্কা দি’ বলে প্রিয়াঙ্কা দির লাল হাই হীলের নিচে চুমু দিলাম। হাসিতে ভরে গেলো প্রিয়াঙ্কা দির সুন্দর ফর্সা মুখটা। আমার গালে হাত বুলিয়ে
দিলো।দিদি বললো ‘তুই বস। আমি নাস্তা বানিয়ে আনি’। আমি বললাম ‘আমি নুডুলস বানিয়ে রেখেছি দিদি। গরম করলেই চলবে’। দিদি বললো ‘ঠিকাছে আমি গরম করে আনি। আর একটু ফ্রেশ
হই। ১৫ মিনিট লাগবে।তুই তোর প্রিয়াঙ্কা দির সেবা করতে থাক’। বলে চলে গেলো
দিদি চলে গেলে প্রিয়াঙ্কা দি বললো ‘আমার জুতার নিচে অনেক ময়লা লেগে আছেরে শুভ। কি করি বলতো?’। আমি বললাম ‘দিদি,আপনার চরনের ময়লা আমার কাছে প্রসাদসম। আপনি অনুমুতি
দিলে আমি চেটে পরিস্কার করে দিতে চাই’। প্রিয়াঙ্কা দি খিলখিল করে হেসে উঠলো। আমার মুখের সামনে হিল পরা পা দুটো এনে বললো ‘ঠিকাছে। দে’। আমি কুকুরের মত প্রিয়াঙ্কা দির লাল হাই
হিলের নিচটা চেটে পরিস্কার করতে থাকলাম। একদম চকচকে করে ফেললাম। প্রিয়াঙ্কা দি হাসতে লাগলো। বললো ‘তোর মুখ তো ময়লায় ভরে গেছেরে। দে পরিস্কার করে দেই। হা কর’। আমি
হা করতেই আমার মুখের ভেতর একদলা থুথু ফেললো প্রিয়াঙ্কা দি। হাসতে হাসতে বললো ‘গিল’। আমি গিলে ফেললাম। প্রিয়াঙ্কা দি বললো ‘আমার জুতা খোল। পায়ের নিচটাও ময়লা হয়ে আছে।
একটু চেটে দে না ভাই আমার’। আমি বিনা বাক্যে দিদির জুতা খুলে পায়ের নিচের ময়লা চেটে খেতে লাগলাম।
ততখনে নাস্তা নিয়ে দিদি এসে গেছে। এসে দেখে আমি প্রিয়াঙ্কা দির পা চাটছি। দিদি বললো ‘দেখেছিস আমার ভাই কিভাবে তার দিদিদের দেবীদের মত পুজা করে?’। প্রিয়াঙ্কা দি আমার মুখে
তার ফর্সা পায়ের তলা ঘষতে ঘষতে বললো ‘হ্যা রে দেখছি সবই। আমার নিজেকে আসলেই দেবী মনে হচ্ছে। কিভাবে কুকুরের মত চাটছে দেখ। মনে হচ্ছে কুকুর তার প্রভুর পায়ের তলা
চেটে দিচ্ছে’। দুই দিদি একসাথে খিলখিলিয়ে হেসে উঠলো। তারপর দুজনই নুডুলস খেতে লাগলো। দিদি আমাকে বললো ‘যা সোনা তুই একটা বাটি নিয়ে আয়। আমাদের সাথে বসে খা’। আমি
বললাম ‘তোমরা আমার দেবী। তোমাদের সাথে বসে খাওয়া আমার মানায়না। আমি তোমাদের পায়ের নিচ থেকে খেতে চাই দিদি। এ আমার জন্যে অনেক বড় সম্মানের ব্যাপার। প্লিজ দিদি
আমাকে তোমাদের পবিত্র পায়ের তলা থেকে খাওয়ার একটা সুযোগ দাও’।দিদিরা হাসতে লাগলো। দিদি আমার মুখে তার ফর্সা পায়ের তলা ঘষে আদর করতে করতে বললো ‘তুই তো সত্যি আমাকে
এক দেবী বানিয়ে দিলিরে। অনেক বেশি গর্বিত আমি’ ঠিক আছে,তোর মনের আশা পূরণ করবো’। বলে দিদি কিছু নুডুলস মাটিতে ফেলে দিলো। তারপর দিদি আর প্রিয়াঙ্কা দি দুজনই তাদের পা
দিয়ে বেশ করে মাড়িয়ে নিলো। তারপর আমার মুখের আমার তাদের পা এনে বললো ‘নে সোনা,খেয়ে নে’। আমি দুই দিদির পায়ের তলা চেটে চেটে কুকুরের মত খেতে লাগলাম

(সমাপ্ত)

নভেম্বারের এক সন্ধ্যা সেটা, টিভি রুমের ঘড়ির কাটা সন্ধ্যা ৬ টা ছুঁইছুঁই প্রায়। বাতাসে শীতের ছোয়া লেগেছে অল্প অল্প। তখন আমার ক্লাস ১১। বাবা মার অফিস থেকে ফিরতে তখনও ঘন্টা দুয়েক দেরী। বাড়িতে শুধু আমি আর আমার ক্লাস ৮ এ পড়া বোন স্বাগতা। আমার সুন্দরী ছোট বোন পায়ের উপর উপর পা তুলে চেয়ারে বসে টিভি দেখছে। স্কুল থেকে প্রায় দুই ঘন্টা আগে ফিরেছে ও, অথচ ওর পরনে এখনও স্কুলের সাদা জামা, সবুজ স্কার্ট, পায়ে সাদা মোজা ও জুতো। সকালে ওর কথা মতো পিজ্জা এনে ওকে টিফিনে দিতে ভুলে গিয়েছিলাম, তাই রাগ করে আমার সঙ্গে বোন কথা বলছে না বাড়ি ফেরার পর থেকে। একটু পরে বাবা মা বাড়ি ফিরে যদি দেখে বোন আমার সঙ্গে ঝগড়া করে রাগ করে এখনও স্কুলের জামা- জুতো পরে বসে আছে, তাহলে আমি খুব বকা খাব। কারন বোনের পা থেকে জুতো খুলে দেওয়াটা সেই ছোটো থেকেই আমার ডিউটির মধ্যে পরে!
হ্যাঁ, ছোট থেকেই আমার আর বোনের সম্পর্ক এরকম । রোজ ওর পায়ে জুতো পরিয়ে দেওয়া, পা থেকে জুতো খুলিয়ে দেওয়া, স্কুল থেকে ফেরার পর নিয়ম করে ওর পা টিপে দেওয়া, ওর জামা কাচা, ঘর ঝাট দেওয়া। ওর জন্য টিফিন বানানো, ওর জুতো পরিষ্কার সহ ওর হাজারটা কাজ রোজ আমাকে করতে হয়। আমি বোনের চেয়ে ৩ বছরের বড় হওয়া সত্বেও আমার সুন্দরী ছোট বোন ওর যা খুশি অর্ডার করে আমাকে। বাবা, মা চিরদিনই ওকে আমার চেয়ে অনেক বেশি ভালবাসে, বাবা মাও তাই বোনকে আমাকে অর্ডার করতে দেখে খুশি হয়, ওকে উতসাহিত করে আরও এই ব্যাপারে। আমারও কেন জানি চিরদিনই খারাপ তো লাগেই না, বরং কেমন যেন ভাল লাগে ছোট বোনের এই শাসন । আসলে ছোট্ট বোনটাকে আমি চিরদিনই বড্ড বেশি ভালবাসি।
সেই ছোট্ট থেকেই রোজ বিকালে বোন স্কুল থেকে ফিরলে আমি প্রথমে ওর জন্য বানানো টিফিন প্লেটে করে ওর হাতে দিই। তারপর ও টিভি দেখতে দেখতে বা কম্পিউটারে গেম খেলতে খেলতে টিফিন খায়। আর আমি ওর পায়ের কাছে মেঝেতে বসে প্রথমে যত্ন করে আমার সুন্দরী ছোট বোন স্বাগতার পা থেকে জুতো মোজা খুলে দিয়ে ওর পায়ে ঘরে পরার চটি পরিয়ে দিই। তারপর সারা বিকেল বোনের পায়ের কাছে ঠিক চাকরের মতো বসে ওর পা টিপে দিই। বোন প্রায় রোজ রাতেই একইভাবে বাবা মার সামনে আমাকে দিয়ে পা টেপায়। বাবা মা ওদের আদরের মেয়েকে আমাদের সম্পর্ক নিয়ন্ত্রন করতে দেখে খুশি হয়।
অথচ আজ ও স্কুল থেকে ফেরার পর এতক্ষন হয়ে গেছে, এখনও ও আমার সঙ্গে কথা বলেনি। নিজে জুতো পড়া পায়ে রান্না ঘরে গিয়ে আমার বানানো টিফিন প্লেটে নিয়ে টিফিন করেছে অবশ্য। কিন্তু আমার সাথে কথা বলেনি একবারও, আমাকে ওর জুতো খুলতেও দেয়নি। একবার আমি ওর পায়ের কাছে হাটুগেরে বসে ওকে বলেছিলাম, “ আমার ভুল হয়ে গেছে বোন, এবারের মতো ক্ষমা করে দে। এবার তোর জুতো খুলতে দে প্লিজ”।
জবাবে বোন মুখে কিছু বলেনি, তবে আমার মুখে জুতো পড়া ডান পা দিয়ে আলতো করে একটা লাথি মেরে আমাকে সরিয়ে দিয়ে অন্যদিকে মুখ ফিরিয়ে আবার টিভি দেখতে শুরু করেছিল।
আমার তখন আর কিছু বলার সাহস হয়নি। অথচ, বোনের রাগ আমাকে ভাঙ্গাতেই হবে। ওর জন্য পছন্দের টিফিন দিতে ভুলে গেছি, আমারই তো দোষ। তাছাড়া, বাবা মা ফিরে যদি বোনকে তখনও স্কুলের জামা-জুতো পড়া অবস্থায় দেখে, আর বোন আমার নামে অভিযোগ করে তাহলে আমি ভয়ানক বকা খাব।
আমি বুঝতে পারছিলাম যেভাবেই হোক আমাকে সুন্দরী ছোট বোন স্বাগতার কাছে ক্ষমা চাইতেই হবে । আমি ভয়ে ভয়ে এগিয়ে গিয়ে বোনের পায়ের কাছে মেঝেতে হাটুগেড়ে বসলাম। হাত জোড় করে বললাম, “ আমার ভুল হয়ে গিয়েছিল বোন। এরকম আর কোনোদিনও হবে না। তোর যা খুশি শাস্তি দিতে পারিস আমাকে। শুধু প্লিজ, ক্ষমা করে দে আমাকে, প্লিজ”।
আমি কাতর কন্ঠে বোনের কাছে অনুরোধ করতে লাগলাম হাতজোড় করে। অথচ বোন আমার অনুরোধে পাত্তাও দিচ্ছে না এবার, ও আগের মতো টিভি দেখে যেতে লাগল মন দিয়ে। আমার খুব অসহায় লাগছিল, বুঝতে পারছিলাম না কিভাবে আমার সুন্দরী ছোটবোন স্বাগতার কাছে ক্ষমা চাইলে ও আমাকে ক্ষমা করে দেবে। আমি অসহায় হয়ে অবশেষে বোনের সাদা স্নিকার পড়া দুই পায়ের উপর নিজের মাথাটা নামিয়ে দিলাম । বোনের জুতো পড়া দুই পায়ের উপর নিজের মাথাটা ঘষতে ঘষতে কাতর কন্ঠে ওকে অনুরোধ করতে লাগলাম, “ আমি সরি বোন। প্লিজ বোন, এবারের মতো ক্ষমা করে দে আমাকে, প্লিজ বোন,প্লিজ”।
আমি অসহায় হয়ে বোনের জুতো পড়া দুই পায়ের উপর নিজের মাথাটা ঘষে যেতে লাগলাম। বোন মুখে কিছুই বলল না, আমাকে বাধাও দিল না। আগের মতো ট্রিভি দেখতে দেখতে মাঝে মাঝে আড়চোখে দেখতে লাগল কিভাবে ওর ৩ বছরের বড় দাদা অসহায় ভাবে ওর জুতো পড়া পায়ের উপর নিজের মাথা ঘষতে ঘষতে ক্ষমা চাইছে ওর কাছে।
প্রায় ১০-১৫ মিনিট আমি এইভাবে বোনের জুতো পড়া পায়ের উপর মাথা ঘষতে লাগলাম। তারপর হঠাত বোন ওর জুতো পড়া ডান পা টা তুলে নিল, তারপর জুতো পড়া পা টা তুলে আমার মাথার উপর রাখল। আমি বুঝতে পারছিলাম না কি করব। বোনের জুতো পড়া ডান পা টা এখন রাখা আমার মাথার উপর। আর আমি অসহায়ভাবে ওর জুতো পড়া বাঁ পায়ের উপর একের পর এক চুম্বন করতে শুরু করলাম। ছোট বোন স্বাগতার জুতো পরা বাঁ পায়ের উপর একের পর এক চুম্বন করতে করতে আমি কাতর কন্ঠে ওর কাছে অনুরোধ করতে লাগলাম, “ আমি সরি বোন। দেখ তোর দাদা তোর পায়ে মাথা রেখে ক্ষমা চাইছে। আমাকে যা খুশি শাস্তি দে বোন, শুধু প্লিজ এবারের মতো আমাকে ক্ষমা করে দে। প্লিজ বোন, প্লিজ”।
আমি বোনের জুতো পড়া বাঁ পায়ের উপর চুম্বন করতে করতে ওর কাছে ক্ষমা চাওয়া চালিয়ে যেতে লাগলাম। বোন তখনও মুখে কিছু বলল না, শুধু আমার মাথার উপর ওর জুতো পরা ডান পায়ের তলাটা বোলাতে লাগল।
( চলবে…)

ADORER CHOTO BON (by meyeder kukur)
payer upor pa tule sofay boshe ache amar onindo shundori choto bon
Proma.tight shada leggings porone,r paye neel choti.Golper boi porche amar
adorer choto
bonta.Ar ami boshe achi or payer kache,choti pora payer upor ektu por por
chumu dicchi.Bon majhe majhe ar chokhe takiye amake dekhche,but badha
dicchena.
O jane ami oke prithibite shobcheye beshi valobashi.Ar shobshomoy or sheba
korte chai
Protodin amar bon school theke ashar por pori ami or payer shamne boshe
pori.Alto kore khule ani or keds jora.Tarpor shada moja pora pa duto amar
buker shathe
chepe dhore tipe dite thaki.Boli ‘sharadin school sheshe amar bontar
nischoi onek betha korche shundor pa duto te? Dada tipe dicchi darao’.Bole
khub aram
kore tipe dite thaki amar boner shorgio pa duto.Arame chokh bondho hoe jay
amar choto bontar.Nongra moja wala dan pa ta amar gale lagiye besh kore
ghoshe
ador kore dey amake.Bole ‘amar shona dada’.Jobabe ami or nongra shada moja
pora pa duto amar mukher upor rekhe chumur por chumute voriye dite
thaki.amar
mukher upor pa duto rekhe kichukhon rest ney amar bon.Tarpor bole ‘dada ami
fresh hoe ashi.Tui amar khabar gorom kor’,Bole uthe daray.ami matha namiye
dei
or paye.chumu kheye boli ‘thikache bon,tumi fresh how,ami shob gorom kore
rakhchi’.Mishti hashe amar bon.Or cheye 4 bochorer boro dada or payer niche
shue
ache,eto shomman kolponao korena keu.Nijeke vaggoboti vabe amar bon emon
ekta dada peye.Moja pora dan pa ta amar mathay tule daray amar bon.Kichukhon
ghoshe amar chul gulo elomelo kore diye bole ‘amar shona dada tui.Moja gula
khule de ebar’ bole amar naker shamne moja pora ba pa ta ene angul gulo
narte thake.
ami moja khule ani.Bon bathroom a chole jay fresh hote.Ami mukhe pure nei
moja gulo.amar boner pobitro payer moyla lege ache ei mojay.Gile khete
thaki ami
gosol kore fresh hoe ashe amar bon.Khabar table a boshe.Gorom gorom khabar
poribeshon kore dei oke.tarpor chole jai table er niche.O jotokkhon
khay,ami or
pa duto tipte thaki.Bon bole ‘bah,murgi ta onek moja hoeche re
dada.Khabi
tui?’.ami boli ‘amar bon chaile ami obosshoi khabo’.Mishti hashe amar
bon.Murgir ran
chabiye haddi ta fele dey matite.Bole ‘kheye ne dada’.ami kukurer moto
matite pore thaka amar boner ucchishto gulo kheye nei.Evabei cholche amar
jibon.Amar
chotoboner shebai amar ekmatro dhormo.

(bangla femdom story DEBI DIDI. written by Meyeder kukur. unedited banglish version is here. I will post a bangla edited version with bangla font of this story later.)

DEBI DIDI (by meyeder kukur)

( ওয়ার্নিং; সম্পুর্ন ১৮+ গল্প, গল্পের শেষাংশে মেল নুডিটি আছে।

Amar nam poritosh, boyos 16. amar didir nam priyanka.Boyosh 18,forsha gayer rong.5 feet 4 inch lomba ek shundori
meye amar didi.shorirer gothon o model der moto.Dighol kalo lomba chul.Elakar emon kono
chele nei je didir preme poreni.Preme porar e kotha!
amader shomporko normal vai bonder motoi.Tobe didi keno jani amake ottachar korte valobashto.
Chance pelei amake chor thappor dito.dhakka diye fele diye amar buker upor choti pora pa tule
darato.amar khub vallagto didi jokhon evabe darato.janina keno jani didir payer nichei nijeke
valo lagto amar.iccha korto didir sheba kori.kintu shahosh kore bolte partamna kokhono.
ekdin ami sofay boshe wrestling dekhchilam.Wrestling amar khub valo lage.oi shomoy kauke ami
tv remote deina.Hotat didi eshe bollo ‘ei ontu.remote de to,ami tv dekhbo’.
ami bollam ‘shara din e to tomra tv dekho didi.please ami ektu wrestling dekhi??’.
jobabe didi thash kore ekta chor dilo amar gale.bollo ‘boroder kotha kane jayna? remote dite
bolechi,de’
khub vallagchilo didir hate tortured hote.iccha korei bollam ‘na dibona’ jate didi aro mare amake
jobabe didi amake kan dhore tene dar koralo.2ta thappor marlo.tarpor pa diye leng mere amake
matir moddhe fele dilo.tarpor amar buker upor pa tule dariye jore chap dite laglo amar buke.
bollo ‘ar beyadobi korbi kokhono? bol!’.ami bollam na didi r kokhono korbona.jobabe didi amar mukher
upor choto pora dan pa rekhe bollo ‘maf cha amar kache thikmoto’.
ami shoja hoe boshlam.tarpor didir 2 payer moddhe amar matha namiye dilam.mathata didir
forsha paye ghoshte laglam r chumu khete laglam.bollam ‘ar kokhono beyadobi korbona didi.vul
hoe geche please amake maf kore dao’.Didi khub enjoy korchilo evabe amake nijer payer niche dekhe.
ami didir ba paye chumu khete laglam ar didi tar choti pora dan pa ta amar mathar upor rekhe ghoshte
ghoshte bollo ‘thikache ja,ebarer moto maf korlam’.besh kichukhon choti pora pa diye amar mathay ador
kore ghoshe diye didi tv dekhte boshlo.ami amar room a chole gelam
tar por thekei ami fondi khujte laglam kivabe didir hate aro tortured howa jay.Kono ekta boro vul korte
hobe jate didi onek mare.kintu vebe pacchilamna ki kora jay.Hotat ekdin mathay ekta buddhi ashlo.ami
jantam didi cigarette khawa khub ghrina kore.vablam didike dekhie cigarette khabo.
ekdin ma baba bashay nei.ami matro school theke firechi bashay.didir o college theke ashar time hoe gieche
pray.ami tori ghori kore ek shathe 2-3 ta ciggerate kheye nilam jate amar mukhe valo gondho hoy.hotat calling
bell a awaj holo.ami giye dorja khule dilam.dekhi didi eshe poreche
didir porone college er navy blue and white dress.tight dress a didir deher gothon clearly fute utheche.didir buk
gulo khub tan tan abong uchu.chokhe choshma poreche didi.paye shada adidas companyr keds.oporup lagche
didike
dorja khulle bollam ‘oh eshe porecho didi’.boltei amar mukher cigarette er gondho didir nake laglo.chokh mukh kuchkhe
gelo didir.’Ontu,tui cigarette kheyechish taina?’ chokh gorom kore bollo didi.ami amta amta kore bollam ‘na to didi,khaini
to’.didi bashay dhukei thash kore prochondo jore ekta chor marlo amake.bollo ‘amar kache kichui lukate parbina tui.aj
tor khobor ache kutta’.bole kane dhore tene amake sofar shamne niye eshe hatu gere boshalo didi.tarpor payer upor pa tule
sofay boshlo didi.ami bollam ‘didi amar vul hoe geche’.boltei keds pora pa diye dhum kore ekta lathi dilo didi amar mukhe.
bollo ‘tui eto kharap hoechish ami shopneo vabte parina.aj toke onek shashti dibo kutta kothakar’.bolei amar mukhe ek dola
thuthu fello didi.chuler muthite dhore amar matha nijer payer kache niye gelo didi.tarpor keds pora ekti pa amar mathar upor
tule chap dilo matite.chule dhore amar matha abar tullo didi.bollo ‘aj sharadin ei keds jora pore chilam.paye mojao ache.onek
durgondho hoeche paye.aj tui amar payer gondho shukbi.amar juta khol kukur’.ami baddho cheler moto didir juta aste kore
khule anlam.amar hat theke keds ta kere neye amar naker moddhe chepe dhorlo didi.bollo ‘shok kutta’.ami jore jore didir pobitro
payer gondho shukte laglam.kichukhon por keds ta matite fele dilo didi.uler mota kalo moja pore chilo didi.moja pora pa ta amar
mukher shamne niye eshe angul gulo narate laglo didi.tarpor naker
moddhe chepe dhore bollo shok.ami didir moja pora pa ta amar mukhe chepe dhore pagoler moto shukte laglam.didi hahaha kore haste
hashte bollo ‘tor moto kuttader sthan amar payer nichei’.kichukhon por didi 2 pa thekei moja khule anlo.ene amar mukher moddhe
dhukie dilo.Tarpor ek dola thuthu fello amar mukhe.amar nak mukh beye didir pobitro thutu porte laglo niche.Didi tar dhobdhobe forsha
dan pa ta amar mathay rekhe chap diye matite lagalo.tarpor dan payer upor ba pa tule tv dekhte laglo. ar ami matha nuiye chupchap amar
debi didir payer tolay shue roilam.eikhanei to amar ashol sthan.kichukhon por didi pa diye amar mathay ekta lathi mere bollo ‘ei kutta uth’.
ami hatu gere uthe boshlam.didi amar thutnite dhore amar mukh upore tule bollo ‘ar kokhono cigarette khabi kutta?’ bolei thu fello amar mukhe.
ami bollam ‘r kokhono khabona didi’. didi amar mukhe ekta lathi mere bollo ‘mone thake jeno.ja akhon’.

porer din didir friends der ekta party chilo.Didi khub shundor kore shajlo.ekta neel tight genji porle lomba hater.ato tight je didir buk duto khub uchu
dekhacchilo.shada tight jeans er pant porlo. ar kalo ankel boot.amar matha ghuracchilo didir rup dekhe.iccha korchilo didir payer shamne matha namiye
shue thaki.kintu kal didi jaa rag koreche amar upor,didir shamne jete shahosh pacchilamna.didi jokhon tar forsha mukhe hasi jhuliye ghorer mejhete boot jutor chap felte felte aynar samne elo, ,ami ar parlamna.jekono mullei amake didir sheba korte hobe ekhoni.didi lipstic makhchilo,ami pichone giye hatu gere
boshe didike dak dilam ‘didi’.didi ghure daralo.daratei ami didir paye pore gelam.ektar por ekta chumu khete laglam didir chokchoke sharp ankle boot
er upor.r nak mukh ghoshte laglam didir boot a .kadte kadte bollam ‘didi ar kokkhono cigarette khabona.amar shikkha hoeche.nijer vul bujhte perechi.
amake khoma kore dao please didi please.shara jibon tomar kukur hoe thakbo’.didi khub khushi holo amake evabe or payer niche dekhe.kichu bollona.
chupchap dariye amake matha ghosha chaliye jete dilo or boot er moddhe.ektu por hashi mukhe amar mathar upor boot pora ekti pa tule dilo didi.boot
er tola ghoshte laglo amar mathay.bollo ‘ami khub khushi hoechi tui je nijer vul bujhte perechish abong eivabe amar kache nijeke shomorpon korechish.
eito tui valo chele hoye jacchish’ bole boot er tola ghoshe ghoshe amake ador korte laglo.ami didir boot a chumbon korte korte bollam ‘I love u didi.thank
u’.didi amar mathar upor theke nijer boot namiye bollo ‘ami party te gelam.tui ja porte bosh’.ami bollam ‘kichu kheye nei age didi.tarpor porte boshchi’.didi
muchki heshe bollo ‘khide peyeche amar kukur tar? ahare.ja ek packet biscuit niye ay’ bole amar gal chapre dilo.amar nijeke kukur mone hocchilo shotti
shotti.ami giye ek packet biscuit niye eshe didir hat dilam.didi packet chire ekta biscuit matite fele heshe bollo ‘kha kukur vai amar’.ami mukh diye biscuit
ta tulte jabo,didi biscuit er upor boot pora pa diye para dilo.bollo ‘uhu,kukur tar moniber jutar tola theke khay’.bole biscuit ta valo kore chure dilo.tarpor boot
pora pa amar mathar upor ene bollo ‘ay ay chu chu.kha kutta’.ami didir boot er nich theke khete laglam.pura packet biscuit amake evabe khawalo.tarpor
didi bollo ‘ki re kutta?gola shukie geche?pani khabi?’.ami matha narlam.didi bollo ‘ha kor’.ami ha kortei amar mukher vitor besh koekbar thuthu fello didi.
bollo ‘gil kukur’.ami didir pobitro thuthu gile nilam,niye kopal matite thekiye boshe roilam.didi boot pora pa amar mathay rekhe ghoshe ador korte korte
bollo ‘toke niye ami onek gorbito re ontu.tui pura amar kukur hoe gechish.toke onek ador korbo protidin.ekhon gelam party te.rate ashbo.amar bedroom
guchiye rakhbi.gosoler pani ready rakhbi.kapor istree korbi.ok?’.ami didir boot a chumu kheye bollam ‘obosshoi didi.tomar sheba korai to amar jiboner
lokkho’.didi khushi hoye amar gale haat bulie dilo.tarpor party te chole gelo

didi jawar por didir shob kaj kore fellam taratari.kapor istree korlam.room shundor kore guchiye rakhlam.didir high heels ar boot gulo ghoshe chokhchoke kore
fellam.chumur por chumute voriye dilam.r purota shomoy didir nongra moja amar nake bedhe rakhlam.didir shorgio payer gondho shukte shukte kaj kore gelam.
mone mone vablam didike shob shomoy khushi kore cholte hobe.taholei didir sheba korar shujog milbe.

raat 11 tar dike didi ashlo.baba ma tokhon ghumie poreche.didi tar room a dhukar shathe shathe amio dhuke gelam.didi ghure takalo amar dike.ami didir paye pore
gelam.didir boot jorar upor chumbon kore bollam ‘ami khule dicchi didi’.didi khub khushi holo.bollo ‘bah! amar kukur ta to dekhchi shikhe geche kivabe tar provuke
khushi korte hoy! accha khol’.Didi bichanay boshlo.ami didir 2 pa amar kole tule nilam.ankle boot gulo khub aste kore khule anlam pa theke.didike khushi korar jonne
bollam ‘didi,ei kukurer ki shouvaggo hobe tar provur jutar shorgio gondho shukar?’.didi khub beshi khushi holo.hahaha kore heshe uthe bollo ‘thikache shok’.ami boot
gulo mati te rekhe amar mukh dhukiye dilam boot er vetor.didi tar shada nongra moja pora dan pa amar mathay rekhe chap diye amar matha aro dhukie dilo jutar
vitor.kichukhon por amar mukher shamne shada nongra moja pora ba pa ta ene bollo ‘ne tipe de’.ami prothome ekta chumu dilam didir payer niche.tarpor mon diye
tipte laglam.didi dan pa ta amar thigh er upor rakhlo.bollo ‘moja gula khol’.ami moja gule boot er vetor guje rekhe didir forsha pa duto pala kore tipe dite laglam.didir
ba pa jokhon tipchilam,daan pa ta tokhon amar urute rekhechilo didi.amar shokto dhon ta arektu holei didir paye lagbe.khub voy lagchilo.didi ter peye gele vishon lojja
pabo.Hotat didi tar pa ta ektu shoralo ar didir pa amar shokto dhone bari khelo
didi bollo ‘ei tor pant a ota ki re? pockete ki lukie rekhechish kutta? dekhi ber kor’.kane dhore didi amake dar koralo.ami lojjay kukre gelam,bollam ‘na didi kichui na
pockete’.didi tar hat diye amar pocket hatate hatate bollo ‘ei je eikhane shokto ki ekta ter peyechi age…peyechi’ bolei pant er upor amar barata shokto kore dhorlo
didi.shathe shathe didi o ter peye gelo jinishta ki.muchki muchki hashte laglo didi. ar ami lojjay matha nichu kore dariye roilam.didi adesh korlo ‘pant khol kutta.tor
provu dekhte chay ki lukie rekhechish’.ami lojjay more jacchilam but provur adesh ki kukur omanno korte pare? pant ta aste kore khule matite namie dilam
amar 8 inch lomba abong 3 inch prosther bara dekhe didir chokh boro boro hoe gelo.kichukhon chup kore barar dike takiye roilo didi.tarpor hotat didi or forsha
shundor hat diye amar shokto gorom barata mutho kore dhorlo.bollo ‘ummmm…pant er vitor shap niye ghurchish ar ami jani e na’.amar bara tar norom hater vitor
pure aste aste ghoshte laglo didi.uttejonay barar aga fule onek boro hoe gelo and lal hoe gelo.uttejonay kapte laglam ami.Khilkhiliye heshe uthlo didi.forsha norom
hat diye amar bara ta ghoshte ghoshte bollo ‘ki re kukur? kapchish keno?’.ami bollam ‘didi amar beriye jabe’.Didi muchki hashlo,’ummm…ghor nongra korbe shap ta.
ay amar shathe ay’.didi amar barata muthote vore shokhto kore muth kore dhorlo.tar por amake baray dhore tene bathroome niye gelo.comoder kache nie giye ghoshe
dite laglo barata aste aste.ami kapte laglam.Didi ek dola thuthu fello abar baray.pisla kore ebar jore jore ghoshte laglo hashi mukhe.kichu bujhe uthar agei pochak
pochak kore amar shada mal fowarar moto berote laglo.didi hahaha kore hashte hashte ghosha chaliye gelo.ami shorgo shukhe pagol hoe gelam

(The End)

আমার দিদি সায়নী ( Original story sent by Sayan. Edited and extended version written by Khoka.)

আমার নাম সায়ন। আমার বয়স এখন ১৯, কলেজে পড়ি। আমার দিদির নাম সায়নী, বয়স ২১ । দিদি দেখতে অসাধারন সুন্দরী, লম্বা ও ফর্শা। সেই সাথে ছোট থেকেই দিদি খুব ডমিনেটিং। আমাকে মারতে আর হুকুম করতে ছোট থেকেই দিদি খুব পছন্দ করে ।

আমার বাবা বেশ বদরাগী ও মেজাজি, তবে চাকরির সুত্রে বাইরে থাকত । মাসে একবারের বেশি বাড়ি আসত না। মাই আমাদের দুই ভাই বোনকে বড় করেছিল। ছোটবেলায়, আমার যখন ৪ বছর বয়স, তখন খেলার সময় দিদি একবার আমাকে ল্যাং মেরে ফেলে দেয়, ফলে আমার দুধের দাঁত পরে যায়। পরে যখন দাঁত উঠল, তখন ওইখানে বড় বড় দাঁত উঠল। দিদি ক্ষেপিয়ে বলত , “ ইশ ভাই, তোর দাতের যা অবস্থা, তোর আর কোনদিন বিয়ে হবে না”।

আমি মুখ কাচুমাচু করে দিদিকে বলতাম, ‘তুমি লাথি মেরে ফেলে দিয়েছিলে বলেই তো এরকম হল আমার”।

দিদি জবাবে আমাকে চড় বাঁ লাথি মেরে বলত, “ বেশ করেছিলাম।আমি তোর দিদি, তোকে যখন খুশি মারব আমি”।

আমার খারাপ চেহারা নিয়ে আমি খুব দুশ্চিন্তায় পরে গিয়েছিলাম। আমার এক দাতের ডাক্তার দূর সম্পর্কের মামা একদিন আমাকে দেখে বলল, “ ওর দাঁতে ক্লিপ পরালে দাঁত সোজা হয়ে যাবে”।

কিন্তু বাবা বাড়ি ফিরে আমার কথা শুনেই উড়িয়ে দিল। “ হ, পোলাগো চেহারা দিয়া কি হইব। পোলারা শুধু ট্যাকা কামাইতে ফারলেই হল, ওগো চেহারা দিয়া কিছু যায় আসে না”।

বাবার ইচ্ছার বিরুদ্ধে তো ক্লিপ লাগাতে পারব না । ১০ বছর বয়সী আমি খারাপ চেহারার দুঃখে মুখ শুকনো করে ঘুরে বেড়াতে লাগলাম। তাই দেখে দিদি ইচ্ছা করে আমাকে ক্ষেপিয়ে আরও দুঃখ বাড়িয়ে দিতে লাগল আমার ।

সেই মামা যখন শুনল বাবা ক্লিপ পরাতে দেবে না, তখন বলল, “ কি আর করবি। তুই বরং আঙ্গুল দিয়ে জোরে চেপে দাঁত মাজবি। আসতে আসতে দাঁত একটু নিচু হয়ে যাবে”।

তাই শুনে দিদি বলল, “ ও কতক্ষন ধরেই বা রোজ দাঁত মাজবে? তাছাড়া ওর আঙ্গুলে জোর ও নেই। আমার মাথায় একটা ভাল বুদ্ধি আছে”।

“ কি বুদ্ধি?” মামা জিজ্ঞাসা করল।

দিদি চেয়ারে বসে টিভি দেখছিল। দিদির পরনে ছিল নীল টপ, সাদা প্যান্ট, পায়ে নীল চটি। আমার ১২ বছর বয়সী সুন্দরী দিদিকে ঘরের পোশাকেও দারুন সুন্দরী লাগছিল।

দিদি বলল,” বলছি । তার আগে ভাই , তুই এসে আমার পায়ের কাছে মাথা রেখে শুয়ে পর তো”।

দিদি কেন আমাকে ওর পায়ের কাছে মাথা রেখে শুতে বলছে বুঝতে পারলাম না। তবে আমি ছিলাম দিদির বাধ্য ভাই, আমার সুন্দরী দিদি যা করতে বলত, ছোট থেকেই বিনা প্রশ্নে তা পালন করতাম আমি । তাই আমি প্রশ্ন না করে দিদির চটি পরা পায়ের ঠিক পাশে নিজের মাথা রেখে শুয়ে পরলাম।

“ দেখ ভাই, মামা তোকে জোরে চাপ দিয়ে দাঁত মাজতে বলছে যাতে হাতের চাপে তোর দাঁত মুখেরভিতর ঢুকে যায় আসতে আসতে । কিন্তু তোর হাতে কতটুকু জোর আছে? তার চেয়ে আমি যখন টিভি দেখব বাঁ পড়ব, তুই এসে আমার পায়ের কাছে শুবি”।

এই বলে দিদি মামার চোখের সামনেই আমার ঠোঁটের উপর ওর নীল চটি পরা ডান পা টা তুলে দিল।

এইভাবে আমি তোর মুখের উপর চটি বাঁ জুতো পড়া পা রেখে বসে থাকলে আমার পায়ের চাপে তোর দাঁত আরও তাড়াতাড়ি ভিতরে ঢুকে নর্মাল হয়ে যাবে”।

দিদি আমার ঠোঁটের উপর ওর ডান চটির তলাটা ঘষতে লাগল।

“ এভাবে তোর ঠোঁটের উপর চটির তলা ঘষলে আরও বেশি চাপ পরবে । তাতে তোর দাঁত আরও তাড়াতাড়ি ঠিক হয়ে যাবে”। তারপর দিদি চটি পড়া ডান পা দিয়ে পরপর ৮-১০ টা লাথি মারল আমার ঠোঁটের উপর , বেশ জোরে ।

“এইভাবে তোর ঠোঁটের উপর জোরে জোরে রোজ লাথি মারলে আরও চাপ পরবে তোর দাতের উপর । তাতে তাড়াতাড়ি তোর দাঁত সমান হয়ে যাবে’।

দিদি এরপর ওর চটি পড়া বাঁ পা টা আমার কপালের উপর রাখল। তারপর চেয়ার ধরে উঠে দাঁড়াল আমার মুখের উপর। ২ মিনিট ধরে আমার মুখের উপর মামার সামনেই চটি পড়া পায়ে দাঁড়িয়ে থেকে দিদি বলল, “ এভাবে রোজ তোর মুখের উপর চটি বা জুতো পড়া পায়ে দাঁড়িয়ে থাকব। তাতে আরও তাড়াতাড়ি তোর দাঁত সমান হয়ে যাবে”।

দিদি ওর চটি পরা পায়ে আরও প্রায় ১০ মিনিট দাঁড়িয়ে রইল আমার মুখে । তারপর আবার চেয়ারে বসে আমার ঠোঁটের উপর চটি পরা ডান পা দিয়ে একটা লাথি মেরে বলল, “ তোর জন্য অনেক খাটতে হচ্ছে আমাকে। তুইও খাট আমার জন্য। চুপচাপ শুয়ে না থেকে পা টিপে দে আমার”। দিদির মুখের মিষ্টি হাসি বুঝিয়ে দিচ্ছিল দিদি খুব এঞ্জয় করছে এই ঘটনা।

মামা আমার সঙ্গে দিদির ব্যবহারকে বাচ্চাদের খেলা ভেবে হাসি মুখে দেখছিল আমাদের । ততক্ষনে মাও এই ঘরে চলে এসেছে । মামা মাকে বুঝিয়ে বলল আমরা কি করছি । শুনে মাও হাসি মুখে আমাদের দেখতে লাগল। কিন্তু মা আর মামার সামনে দিদির সেবা করছি ভাবতেই একটা অদ্ভুত সুখ পেতে লাগলাম আমার হৃদয়ে । আমি দুই হাত দিয়ে দিদির বাঁ পা টা টিপতে লাগলাম চাকরের মতো। আর দিদি মা আর আমার সামনেই আমার ঠোঁটের উপর ওর ডান চটির তলা ঘষতে লাগল। আমি প্রবল ভক্তিভরে মা আর মামার সামনে আমার পুজনীয় সুন্দরী দিদির পা টিপে সেবা করতে লাগলাম ।

“ আচ্ছা, এভাবে কি সত্যি ওর দাঁত ঠিক হয়ে যাবে? মা মামাকে সিরিয়াস গলায় জিজ্ঞাসা করল”।

“ হ্যা, রোজ যদি ও কয়েক ঘন্টা করে এভাবে দিদির চটি পড়া পায়ের তলায় শুয়ে থাকে তাহলে ওর দিদির পায়ের চাপে ওর দাঁত আসতে আসতে সমান হয়ে যাবে । ক্লিপ লাগালেও তো দাঁত এইভাবে চাপে পরেই সমান হয় । ওর বাবা যখন ক্লিপ লাগাতে ইচ্ছে না তখন এভাবেও দাঁত সমান হবে। তবে ওকে রোজ অন্তত ৩-৪ ঘন্টা এভাবে দিদির পায়ের তলায় শুয়ে থাকতে হবে রোজ। তাহলে ৩-৪ বছরে দাঁত প্রায় সমান হয়ে যাবে । সাথে ওর দিদি ওর মুখে জুতো পড়া পায়ে রোজ কিছুক্ষন উঠে দাঁড়িয়ে থাকলে বা জুতো পড়া পায়ে ওর মুখে লাথি মারলে আরও ভাল হবে”।

এই শুনে মা বলল, “ তাহলে তো ভালই। রোজ বিকেলে খোকা এইভাবে ওর দিদির টিভি দেখার সময় দিদির পায়ের তলায় শুয়ে পা টিপে দেবে, মুখে দিদির লাথি খাবে । ও বাইরে না বেরলে আমিও একটু নিশ্চিন্ত থাকি” ।

আমি মন দিয়ে দিদির বাঁ পা টা টিপছিলাম তখনও, আর দিদি ওর  চটি পরা ডান পা টা আমার ঠোটের উপর ঘসছিল, মাঝে মাঝে লাথিও মারছিল। আশ্চর্যজনক ভাবে, দিদি মাঝে মাঝেই আমার ঠোঁট ছাড়া  নাক, কপাল সহ মুখের অন্যান্য জায়গাতেও লাথি মারছিল। তাতেও মা বাঁ মামা কিছু বলছিল না। হাসিমুখে আমাদের দেখছিল। আমিও ভক্তিভরে আমার পুজনীয় দেবী, আমার প্রভুর দুটো পা পালা করে টিপে দিচ্ছিলাম।

একটু পরে মামা চলে গেল। দিদি বলল, “ আজ থেকে বিকেলে আর বাইরে খেলতে যাবি না । আমার পায়ের তলায় শুয়ে থাকবি আমার চটি পরা পা মুখের উপর নিয়ে । আমার পা টিপতে টিপতে মুখে আমার লাথি খাবি । তাতে তোর দাঁত পায়ের চাপে আসতে আসতে সমান হয়ে যাবে । সারাদিনে যখনই সময় পাবি এসে আমার পায়ের তলায় শুয়ে পরবি । কি মা, আমি ঠিক বলছি না?” মায়ের দিকে তাকিয়ে হেসে জিজ্ঞাসা করে দিদি।

“একদম ঠিক”, মাও হেসে জবাব দেয় দিদিকে।

সেই দিন থেকে রোজ সবার সামনে যখনই সময় পাই, আমি এসে দিদির চটি বাঁ জুতো পরা পায়ের তলায় শুয়ে পরি। দিদি আমার মুখের উপর চটি পরা পা রেখে আমার মুখের সর্বত্র চটির তলা ঘষতে ঘষতে টিভি দেখতে থাকে । আর আমি ভক্তিভরে আআর প্রভু দিদির দুই পা টিপতে থাকি পালা করে ।  মা আমাদের এই অবস্থায় দেখে খুব খুশি হয় ।  বলে এরফলে দাঁত সোজা হওয়ার সাথে সাথে মেয়েদের সেবা করায় আমি মেয়েদের সম্মান করতেও শিখব।

দিদি ওর জুতো পড়া পায়ে মা বা অনেক আত্মীয় বন্ধুর সামনেই আমার মুখের সর্বত্র জোরে জোরে লাথিও মারে রোজ। দিদি যেমন আমার মুখে জোরে জোরে লাথি মারতে ভালবাসে, আমারও দারুন ভাল লাগে মুখের সর্বত্র দিদির জুতো পড়া পায়ের লাথি খেতে। লাথি খাওয়ার দৈহিক যন্ত্রনা ছাপিয়ে হৃদয়ে ফুটে ওঠে প্রভু দিদিকে সেবা করতে পারার এক অসাধারন আনন্দ।

সেই সাথে রোজ দিদি মায়ের সামনেই আমার জিভের উপর ঘষে নিজের সব জুতোর তলা পরিষ্কার করে । এর সঙ্গে আমার দাঁত সমান হওয়ার কোন সম্পর্ক নেই, তবুও। মা বলে এরফলে আমি মেয়েদের সম্মান করতে শিখব। দিদি রোজ স্কুল থেকে ফিরে স্কুলে পরার সাদা স্নিকারের উপর আর তলা দুটোই আমাকে দিয়ে  চাটিয়ে পরিষ্কার করে । দিদি স্কুল থেকে ফিরে এসে টিভি রুমে চেয়ারে বসে। আমি দিদির পায়ের উপর মাথা রেখে উপুড় হয়ে শুয়ে জিভ দিয়ে চেটে দিদির জুতোর উপরটা পরিষ্কার করে দিই। তারপর দিদির পায়ের তলায় চিত হয়ে শুয়ে পরি আমি। দিদি আমার মুখের উপর জুতো পরা পা রেখে চেয়ারটা ধরে ব্যালেন্স করে উঠে দাঁড়ায়। আমার মুখের উপর জুতো পড়া পা রেখে মায়ের সামনেই ১০-১৫ মিনিট দাঁড়িয়ে থাকে দিদি। এরপর দিদি নেমে চেয়ারে বসলে আমি দিদির জুত্লেপরা পায়ের উপর মাথা ঠেকিয়ে দিদিকে প্রনাম করে ধন্যবাদ দিই। তারপর দিদির পায়ের কাছে হাটুগেড়ে হাতজোর করে বসি । দিদি তখন জুতো পরা দুই পায়ে আমার মুখের সর্বত্র একের পর এক লাথি মারতে থাকে। আমার মুখে অন্তত ১০০ টা লাথি মেরে থামে দিদি। এরপর আমি আবার চিত হয়ে শুই দিদির পায়ের কাছে মাথা রেখে । দিদি ওর জুতো পড়া পা দুটো আমার মুখের উপর তুলে দিয়ে আমাকে জিভ বার করতে আদেশ দেয় । আমি জিভ বার করলে দিদি স্কুলে পরার জুতোর তলা আমার জিভের উপর ঘষে পরিষ্কার করে নেয় মায়ের সামনেই । আমি আমার প্রভু দিদির জুতোর তলার সব ময়লা গিলে খেয়ে নিই।

এরপর আমি দিদির পা থেকে জুতো খুলে দিদির পায়ে ঘরে পরার চটি পরিয়ে দিই। দিদি ওর চটি পরা পা দুটো আমার মুখের উপর রেখে চটির তলা দুটো আমার মুখের সর্বত্র ঘষতে থাকে , মাঝে মাঝে লাথি মারতে থাকে আমার মুখে। আমিও দিদির চটির তলা চাটতে চাটতে ভক্তিভরে প্রভু দিদির পা টিপতে থাকি। পরের ৩-৪ ঘন্টা আমি এইভাবে দিদির পায়ের তলায় শুয়ে দিদির পা টিপি। আর সারাদিনে যখনই সময় পাই এইভাবে দিদির পায়ের তলায় শুয়ে পরে দিদির পা মুখে নিয়ে পা টিপে দিই।

এইভাবে দিদির সাহায্য পেয়ে মাত্র ৩ বছর পরেই আমার সামনে দাঁত সমান হয়ে যায় । কিন্তু মা বলে, একইভাবে দিদির সেবা করা চালিয়ে যেতে , যাতে আমি মেয়েদের সম্মান করা শিখি।

শুধু আমার স্কুলে পরার সময় বাবা এসবের কিছু জানত না । বাবা বাড়ি থাকলে আমরা উপর তলায় আমাদের ঘরে চলে যেতাম আর আমি দিদির সেবা করতাম। কিন্তু আমি কলেজে উঠতে মা বলল এবার বাবার সামনেও দিদির সেবা করবি ওইভাবে”।

প্রথমদিন আমাকে ওইভাবে দিদির সেবা করতে দেখে বাবা আতকে উঠে বলেছিল, “ ওই পুলা, এইডা কি করস তুই? পাগল হইছস নাকি?”

কিন্তু মা সামলে নিয়েছিল ব্যাপারটা। বাবাকে ধমকে বলেছিল,” যা করে বেশ করে। আমাদের ৩ জনের সম্মতি আছে এতে । তোমার ভাল না লাগলে এই বাড়িতে আর আসতে হবে না”। বাবা শুনে চুপ করে গিয়েছিল। আর আপত্তি করে নি । সেই থেকে বাবা মা সহ সবার সামনেই আমি ক্রীতদাসের মতো আমার প্রভু দিদির সেবা করি। বাকি জীবনটাও তাই করে যাব।

Follow

Get every new post delivered to your Inbox.

Join 32 other followers