Introduction ;

( This is a fantasy story site containing female domination stories .

THIS IS A STRICTLY ADULT BLOG ONLY FOR ADULT (18+) PEOPLE though there is no sex related subject present in this blog . Minor male nudity may be present in some stories with warning .

This blog is a femdom fantasy blog for those adult people who can differentiate between fantasy and reality . we neither encouraging nor discouraging anyone about femdom relationship between consentual adult but strongly discouraging any type of femdom / sexual relation with any minor .

Each and every stories and comment of this site/ blog is a reflection of our femdom fantasy . we are not encouraging anyone in any kind of femdom / Violent activities.

We will be not responsible for your action. )

ভূমিকা ;

( ভূমিকা না পরে কেউ ব্লগে ঢুকবেন না । সম্পুর্ন ভূমিকা পড়ে তবেই গল্প, কমেন্ট পড়বেন বা নিজে কমেন্ট করবেন । অন্যথায় , আপনার কোন ভুল ধারনার জন্য আমি/ আমরা দায়ী থাকব না । )

শুধুমাত্র প্রাপ্তবয়স্ক ( ১৮ +) ও প্রাপ্তমনস্ক ব্যক্তিদের জন্য , যদিও এই ব্লগের কোন গল্পই যৌনতামূলক নয় ।

অপ্রাপ্তবয়স্ক ( ১৮ বছরের কম বয়সী ), অপ্রাপ্তমনস্ক ( যারা প্রাপ্ত বয়স্ক হয়েও ফ্যান্টাসি আর বাস্তবের পার্থক্য বোঝেন না ) ও  যাদের শুধুমাত্র ফ্যান্টাসি হিসাবে লেখা ফেমডম গল্প নিয়েও সিরিয়াস সমস্যা আছে তাদের প্রবেশ সম্পুর্ন নিষেধ ।

এই সাইটের যেকোন গল্পের উপর বা কমেন্টে তাকে  আকর্ষনীয় করে তুলতে যতবার খুশী তাকে সত্যি বলে দাবী করা হতে পারে । সেটাকে সিরিয়াসলি নেওয়ার কিছু নেই । ভূতের গল্পের শুরুতে লেখক যেমন গল্পকে আকর্ষনীয় করে তুলতে সেটাকে সত্যি বলে দাবী করেন এখানেও ঠিক তাই করা হয়েছে । এই ব্লগের এডমিন ও অন্যান্য নিয়মিত পাঠকেরা অনেক গল্পেই গল্প ও পরবর্তী কমেন্ট এমনভাবে করেছে যাতে সেটা অনেকটা সত্যি মনে করানো যায় , যেটা ফ্যান্টাসির মাত্রা বাড়াতেই শুধু করা হয়েছে ।

আপনি যদি এই সাইটের যাবতীয় গল্প ও প্রতিটি কমেন্টকে শুধু ফ্যান্টাসি হিসাবে নিতে পারেন শুধুমাত্র তাহলেই সাইটে প্রবেশ করবেন ।

আমরা পারস্পরিক সম্মতিতে হওয়া প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে ফেমডম সম্পর্কে উতসাহিত বা নিরুতসাহিত কোনটাই করছি না । আপনি প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি হিসাবে , আরেকজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির সম্মতিতে যা করবেন নিজেদের ইচ্ছায়, নিজেদের বুদ্ধিতে করবেন ।

বাস্তব জীবনে যে কোন অপ্রাপ্তবয়স্কর ( ১৮ বছরের কম বয়সী )  সাথে কোনরকম ফেমডম / যৌনতামুলক সম্পর্ককে আমরা চুড়ান্ত ঘৃনা করি । কোন সুস্থ সমাজেই তা গ্রহনযোগ্য না । আমাদের সাইটে ফ্যান্টাসি গল্প হিসাবে টিন এজ ছেলে / মেয়েদের মধ্যে ফেমডম কিছু ক্ষেত্রে রয়েছে । ফ্যান্টাসি আর বাস্তবের পার্থক্য না জানলে আপনি এই ব্লগ এখনই পরিত্যাগ করুন । আপনি কোন অপ্রাপ্তবয়স্ক /  সম্মতি না নিয়ে কোন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির সাথে বিকৃত কোন আচরন করলে আমরা কোনভাবেই দায়ী হব না ।

১। এই ব্লগে খুব সামান্য কিছু গল্পে মেল নুডিটি / পুরুষের নগ্নতা রয়েছে ( CFNM ) , যা শুধু ছেলেদের হিউমিলিয়েশনের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে , সরাসরি যৌনতামুলক কিছুর জন্য না । CFNM যুক্ত গল্পের শুরুতেই ওয়ার্নিং ও দেওয়া আছে । ফিমেল নুডিটি ( নারী – নগ্নতা )কোন গল্পেই নেই ।  নারীদের যৌনভাবে উপস্থাপনও কোন গল্পেই করা হয়নি ।

২। কোন গল্পেই স্টুল ফেটিশ, ইউরিন ফেটিশ ইত্যাদি এক্সট্রিম কিছু নেই ।

৩। এই ব্লগের বেশিরভাগ গল্পের মুল চরিত্ররা বন্ধু-বান্ধবী , স্কুল কলেজের সিনিয়র জুনিয়র অথবা এক পরিবারের সদস্য ( দিদি- ভাই , দাদা- বোন, বাবা – মেয়ে,  দেওর- বৌদি  ইত্যাদি ) ।

৪। বেশিরভাগ গল্পে ফিমেল ডমিনেশন হিসাবে উঠে এসেছে মেয়েটির মানসিকভাবে ছেলেটিকে সম্পুর্ন নিয়ন্ত্রন, তাকে দিয়ে নিজের যাবতীয় কাজ করানো , তার টাকায় ফুর্তি করা । ছেলেটিকে দিয়ে দেবী হিসাবে নিজের পুজো করানো , মুখে থাপ্পর মারা ,  মুখে লাথি মারা , মুখের উপর পা রেখে বসে পা টেপানো, জিভে জুতোর তলা মোছা ইত্যাদি আচরন । নায়িকার পায়ে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে জুতো বা চটি পরা আছে । মেয়েদের প্রায় সব জায়গায় সুন্দরী বলে বর্ননা করা হয়েছে । বেশিরভাগ গল্পে নায়িকা মেক আপ হীন ।  বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ছেলেরা স্বেচ্ছায় মেয়েটির কাছে নিজেকে সাবমিট করেছে ও মেয়েটিকে অনেক সুপিরিয়র ভেবে স্বেচ্ছায় তার সেবা করেছে, তার হাতে অত্যাচারিত হয়েছে ।

বাংলার সবচেয়ে বড় ফেমডম্ সাইটে আপনাকে স্বাগত । এই সাইটের গল্পগুলো সবই কাল্পনিক । পড়ুন , আর উপভোগ করুন ।
বাস্তবে কেউ এর প্রয়োগ করতে যাবেন না ।

এই সাইটে female superiority আর female domination নিয়ে অনেক গল্প পাবেন। ফ্যামিলি ফেমডম গল্প  ও পাবেন অনেক। কার কাছে ভাল কোন টপিক থাকলে জানাতে পারেন,আমি গল্প লিখে পোস্ট করব। আর কেউ নিজে গল্প লিখতে চাইলে আমাকে etaami11@gmail.com  এ গল্প পাঠিয়ে দেবেন।

এখানকার অনেক গল্প অনেকের হাস্যকর বা কুরুচিকর মনে হতে পারে। তাদের বলব, প্লিজ আ্পনার ভাল না লাগলে পড়বেন না ।গল্পগুলো ফ্যান্টাসি ছাড়া আর কিছুই না । আমরা কেউ বাস্তব জগতে এর প্রয়োগ করতে যাচ্ছি না। কোন গল্পকে আকর্ষণীয় করতে সত্যি ঘটনা বলে দাবি করা হতে পারে, তাই ভুমিকাতেই বলে রাখি এখানে পোস্ট করা সব গল্পই ফ্যান্টাসি ।

বাংলায় দুর্দান্ত ফেমডম গল্প পড়ার অভিজ্ঞতার জন্য ভিজিট করতে থাকুন,

http://www.banglafemdom.wordpress.com ( হিন্দি, ইংরেজি গল্প সহ বাংলা ও ইংরেজি হরফে বাংলা গল্পের জন্য)
and
http://www.banglafemdoms.blogspot.com ( শুধু বাংলা হরফে বাংলা গল্পের জন্য । )
http://www.facebook.com/familyfemdom ( for family femdom stories in english )

 

Thank you .

( ডিটেইলসে কিছু কথা বলছি শেষে । এটা আপনি নাও পড়তে পারেন ।  ধরুন আমি , এই ব্লগের এডমিন, নিজের জীবনে খুব বেশি চাপ না থাকলে গড়ে সপ্তাহে ৩ থেকে ৪ ঘন্টা সময় আমার একমাত্র ফ্যান্টাসি ফেমডমের কাল্পনিক দুনিয়ায় কাটাই । ধরুন , প্রতি সপ্তাহে শনিবার রাত ৯ টা থেকে ১ টা আমি ফেমডম ফ্যান্টাসি জগতে কাটাই । আমার ফেমডম গল্প পড়া , লেখা, কমেন্ট করা , ফেমডম ছবি ও ভিডিও দেখা সবই এই সময়ে । এই সময় টুকু নিজের ফ্যান্টাসি, ও কিছুটা ইরোটিক ফিলিং বাড়াতে বেশ কিছু গল্পকে আমি (ও আমরা, এই ব্লগের অন্যান্য নিয়মিত পাঠকেরা ) সত্যি হিসাবে ভাবার চেষ্টা করি। যদিও এই ফ্যান্টাসির জগতে ঢুকি এটাকে মাত্র কয়েক ঘন্টা স্থায়ী করার উদ্দেশ্যেই ।  কয়েক ঘন্টার ইরোটিক ফ্যান্টাসির জগতে কাটিয়ে আমি পরদিন সকালে দেহ – মনে সম্পুর্ন সুস্থতা নিয়ে বাস্তব জগতে ফিরে আসি , যেখানে এই হাস্যকর ফ্যান্টাসি কে কখনই বাস্তবের সাথে গুলিয়ে ফেলি না । এই পার্থক্যটা বুঝে নেওয়া খুব জরুরি । ফেমডম ফ্যান্টাসি আমাদের সপ্তাহের শেষে কয়েক ঘন্টা ইরোটিক দুনিয়ায় কাটাতে সাহায্য করে , টেস্টোস্টেরন লেভেল বাড়িয়ে দেহে এক অসাধারন অনুভুতি এনে দেয় । সঠিক মাত্রায় খাদ্য গ্রহন , শরীরচর্চা, ঘুম  ইত্যাদির সাথে পরিমিত মাত্রায়  ফেমডম ফ্যান্টাসি কখনই ক্ষতিকর নয়, বরং সুস্থ্য দেহ ও মনে বেঁচে থাকার পক্ষে খুবই জরুরি । আর আমার মতো যাদের ছোটবেলা থেকেই জীবনের চাপ কমাতে ডিফেন্স মেকানিসম ফেমডম ফ্যান্টাসির সাহায্য নিয়ে আসছে, তাদের জন্য সপ্তাহ শেষে মানসিক চাপ কাটিয়ে স্বাভাবিক হয়ে ওঠার জন্যও খুবই প্রয়োজনীয় এই ফেমডম ফ্যান্টাসি ।

শুধু একটা কথাই বলছি ফেমডম ফ্যান্টাসির জন্য মনে অকারনে কোন পাপ বোধ নেবেন না । আপনার যদি এই ফ্যান্টাসি থেকে বেড়িয়ে আসার ক্ষমতা থাকে তাহলে খুবই ভাল । নাহলেও অকারনে মনে চাপ নেবেন না । পরিমিত মাত্রায় বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে নিজের মানসিকতা ও চাহিদা বুঝে, অন্যের কোন ক্ষতি না করে দিব্যি আপনি নিজের জীবনের আর পাঁচটা গুরুত্বপুর্ন বিষয়ের সঙ্গে মিশিয়ে নিরাপদেই এই ফ্যান্টাসি প্র্যাক্টিস করতে পারেন । তবে চেষ্টা করবেন সম্পুর্ন একা থাকার সময়ে  এই ফ্যান্টাসি জগতে কাটানোর জন্য । আর প্রতি সপ্তাহে সর্বোচ্চ কতটা সময় এর পিছনে দেবেন , সেটাও ঠিক করে রাখা খুব গুরুত্বপুর্ন । এটা পারলেই আপনার ফেমডম ফ্যান্টাসি কখনই নিয়ন্ত্রনহীন নেশায় পরিনত হবে না ।

কষ্ট করে ভূমিকা সম্পুর্ন পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ । ফেমডম ফ্যান্টাসি কোন সমস্যা না, হোক নির্মল আনন্দের উৎস ।  )

দিদি থেকে দেবী…

১…

রবিবার দুপুরে বাবা আর মা বেড়িয়ে পরল হরিদ্বারে গুরুর আশ্রমের উদ্দেশ্যে, ফিরবে সেই শুক্রবার সকালে।  গুরু, ভক্তি এইসব আমার একদম ভাল না লাগলেও আমার যাওয়ার ইচ্ছা ছিল। বাইরে ঘোরা, নতুন জায়গা দেখা এইসব আমার বয়সে সবারই ভাল লাগে। তাই যেতে না পারায় মন খারাপ হয়ে গেল। এই কয়েকটা দিন বাড়িতে আমার দুই বছরের বড় ক্লাস ১১ এ পড়া দিদির সাথে বাড়িতেই কাটাতে হবে, আর বাবা মা বাইরে ঘুরে আসবে।

যাওয়ার আগে মা বলে গেল আমাকে , “ বাবু, দিদি যা বলে শুনবি এই কয়দিন, কোন ঝামেলা করবি না। দিদি যদি ফোন করে কোন কমপ্লেন করে আমি কার দোষ শুনব না, এসে প্রথমেই তোকে শাস্তি দেব। মনে থাকে যেন”।

তারপর দিদিকে বলল, “ তিথি, যা যা লাগার এমনিতে সবই ঘরে আছে। প্রায় এক সপ্তাহের বাজারও করা আছে। তবে কোন কারনে টাকা লাগলে আলমারির লকারে প্রায় কুড়ি হাজার টাকা আছে। তোকে আমার বিশ্বাস আছে, কোন প্রয়োজন হলে খরচ করিস। আমরা আসি তাহলে”।

এই বলে মা আর বাবা বেড়িয়ে গেল। দিদি বাবা আর মা কে এগিয়ে দিতে গেল। আমি বসার ঘরে দুঃখী মনে বসে রইলাম। দোষটা আসলে দিদির। কাল অব্দি ঠিক ছিল আমরাও যাচ্ছি। দিদি আজ সকালে মা কে ডেকে বলল ওর অনেক পড়া আছে, ও যেতে পারবে না। একটা মেয়ে একা থেকে যাবে এটা হতে পারে না, মা তাই আমাকেও যেতে দিল না। লাভের মধ্যে , আমরা থাকছি না বলে যে কাজের মাসি ঘর ঝাঁট দেয় আর বাসন মাজে তাকে এই কয়দিন আসতে বারন করেছে। ফলে এই কয়দিন এই সব কাজই আমাকেই করতে হবে। দিদি এমনিতেই কিছু কাজ করে না ঘরের, তার উপর এই কয়দিন মা ওকে ক্ষমতা দিয়ে গেছে। আমার কপাল খারাপ বুঝতে পারছিলাম।

দিদি মিনিট কুড়ির মধ্যেই ফিরে এল। নিজের স্বভাব মতো পায়ে জুতো পরেই বসার ঘরে ঢুকে আমার পাশে সোফায় বসে পরল। তারপর আমার চুলের মুঠি ধরে ঝাকিয়ে বলল, “ বসে আছিস কেন? সোমা মাসি বাসন মাজতে আসবে না এই কয়দিন জানিস তো। যা গিয়ে বাসন মেজে ফেল। তারপর উপর নিচের সব ঘর ভাল করে ঝাঁট দিয়ে মুছে ফেল”। কয়েক মাস আগে মাধ্যমিকের রেজাল্ট বেরনোর পর থেকে দিদির হম্বিতম্বি আর আমাকে শাসন করা অনেক বেড়েছে, যদিও চিরদিনই অল্প সল্প করতে ভালবাসত। আসলে দিদি মাধ্যমিকে অসাধারন রেজাল্ট করেছে, আমাদের শহরে হায়েস্ট পেয়েছে। আমাদের পরিবার ব্যাবসায়ী পরিবার, কয়েক পুরুষ ধরে আমাদের কাপড়ের ব্যবসা, পরিবারে কেউ কখনও ভাল রেজাল্ট করেনি। একেই আমার দিদিকে দেখতে ভিশন সুন্দরী, সেই নিয়ে দিদির মতো বাবা মায়েরও গর্ব আছে। তার উপর পরিবারে প্রথম কারও এত ভাল রেজাল্ট। বাবা মা দিদিকে প্রায় মাথায় করে রেখেছে এরপর থেকে। ওদিকে আমি চিরদিনই খারাপ পড়াশোনায় , ক্লাস নাইনে ওঠার পর আরও হাল খারাপ হয়েছে। দিদি সেই সুযোগে আরও শাসন বাড়িয়েছে আমার উপরে। নিজের অনেক কাজ আমার উপরে চাপিয়ে দেয়। এতদিন আমাদের উপর বাবা মায়ের হুকুম ছিল যাতে আমরা নিজেদের জামা কাচা, ইস্ত্রি করা , নিজেদের ঘর পরিষ্কার সহ নিজেদের যাবতীয় কাজ নিজেদের হাতে করি। এই আদেশের উদ্দেশ্য ছিল যাতে আমরা নিজেদের কাজ নিজে হাতে করতে শিখি। দিদি চিরদিনই নিজের কাজ আমার ঘাড়ে চাপানোর চেষ্টা করত। মাধ্যমিকে ভাল রেজাল্ট করার পর বাবা মায়ের অতিরিক্ত ভালবাসার সুযোগ নিয়ে দিদি এর পুরোটাই আমার ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়েছে।  আমি প্রতিবাদ করলেও লাভ হয়নি। বাবা মা দিদির পাশেই থেকেছে।

আমি দিদির দিকে তাকিয়ে বললাম, “ আমি একা সব কাজ করব, আর তুই কি বসে আনন্দ করবি? সব একা আমি করতে পারব না”।

দিদি আমার পেটে কনুই দিয়ে একটা খোঁচা দিয়ে বলল, “ আমি যে বাবা মা কে ছেড়ে এলাম স্টেশানে, তুই গিয়েছিলি?মা যাওয়ার সময় কি বলে গিয়েছিল মনে নেই? আবার অবাধ্য হলে মা কে ফোন করে বলব কিন্তু। যা গিয়ে কাজ কর”।

আমি কি আর করি, উঠে ডাঁই করে রাখা বাসনের স্তুপ মাজতে লাগলাম এক এক করে। প্রায় ৩০-৪০ মিনিট পরে বাসন মাজা শেষ করে বসার ঘরে গিয়ে চমকে উঠলাম। দেখি দিদি আমার স্কুলে যাওয়ার ব্যাগ খুলে আমার পরীক্ষার খাতাগুলো এক এক করে দেখছে। আমাকে দেখে দিদি হাসিমুখে জোরে জোরে নাম্বার গুলো পড়তে লাগল, “ বাংলায় ১০০ তে ৩৫, ইংরেজিতে ০৯, ইতিহাসে ১২, ভূগোলে ১৫, জীবন বিজ্ঞানে ২১, ভৌতবিজ্ঞানে ১০, অংকে ০৪ ! বাহ, দারুন রেজাল্ট!! আমাদের বলিস নি কেন?”

আমি সোফায় বসা দিদির পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে হাতজোড় করে বললাম, “ প্লিজ দিদি, বাবা মা কে বল না এখন। এক সপ্তাহ পরেই তো স্কুলে পুজোর ছুটি পরে যাচ্ছে, আমি ছুটি শেষ হলে বলব। নাহলে পূজোর সময়ে বাবা মা আমাকে বাড়ি থেকে বেরোতে দেবে না। প্লিজ দিদি”।

দিদির মুখে হাসিটা চওড়া হল। এই কয়দিন সব কাজ তুই একা করবি, আমি যা বলব মেনে চলবি। নাহলে সাথে সাথে মা কে ফোন করে তার গুনধর ছেলের রেজাল্ট জানিয়ে দেব”।

“ আমি সত্যি খুব ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। আমি আলতো কর নিজের হাতের পাতা দুটো দিদির সাদা স্নিকার পরা পায়ের উপরে রেখে বললাম, “ তোমার সব কথা শুনব দিদি, প্লিজ বল না”।

আমাকে এভাবে পায়ের কাছে বসে ওকে তুমি সম্বোধন করে অনুরোধ করতে দেখে দিদি বলল, “ ঠিক আছে। তুই আমাকে মেনে চললে আমিও বলব না। নে, আমার পা থেকে জুতোটা খুলে দিয়ে রেখে আয় আর আমার ঘরে পরার একটা চটি নিয়ে আয়। তারপর উপর নিচের সব ঘর ঝাঁট দিয়ে মুছে ফেল”।

আমি কি আর করি, দিদির পায়ের কাছে বসে থাকা অবস্থায় ওর পা থেকে সাদা মোজা আর স্নিকার খুলে জুতোর র‍্যাকে রেখে এলাম। তারপর দিদির ঘরে পরার চটিটা এনে আবার দিদির পায়ের কাছে হাটুগেড়ে  বসে দিদির পায়ে নীল চটিটা পরিয়ে দিলাম।

“ টিভির রিমোটটা এনে আমার হাতে দে। তারপর কাজে লেগে পর বসে না থেকে”, দিদি হুকুম করল আমাকে। আমি টিভির রিমোট এনে দিদির হাতে দিয়ে ঝাঁটা হাতে উপর তলায় চলে এলাম। এই কটা দিন যে আমার কপালে শনি নাচছে ভাল করেই বুঝতে পারলাম।

উপর তলায় এখন টয়লেট ছাড়া মোট তিনটে ঘর। একটা আমাদের দুজনের স্টাডি রুম, অনেক বড় হলঘর এটা। দিদি ভাল রেজাল্ট করার পর বাবা কম্পিউটার বসিয়ে দিয়েছে। ঘরটা এসি। পাশের দিদির ঘরটাও অনেক বড় । এই রুমে দিদির নিজের টিভি, ল্যাপটপ সবই আছে। নিজের দামী মোবাইল ও আছে দিদির। এই ঘরটাতে দামী খাট, চেয়ারও আছে, এই ঘরটাও এসি। এর পাশে নিচের গ্যারেজের উপরের ছোট্টো ঘরটা আমার । মেঝে থেকে আমার ঘরের ছাদের উচ্চতা  মাত্র ৭ ফুট, ঘরটাও মাত্র ১০ ফুট বাই ৮ ফুট, দিদির ঘরের মাত্র ৩ ভাগের একভাগ আয়তনে। এসি তো দূর ঘরে একটা চেয়ারও নেই। ছাদ নিচু হওয়ায় সিলিং ফ্যানও নেই। মেঝেতে বিছানা করে টেবিল ফ্যান চালিয়ে শুতে হয় এই গুমোট ঘরে। দিদি আরামার সৌভাগ্যের এত পার্থক্যের কারন সেই পড়াশোনা। বাবা বলে তুইও ভাল রেজাল্ট কর, তোকেও দিদির মতো সব দেব। না করলে এরকম কষ্টেই থাকতে হবে তোকে।

এমনিতেও উপরে সোমা মাসি ঝাঁট দিতে আসে না। দায়িত্বটা আমার আর দিদির ভাগ করার কথা ছিল। কিন্তু ভাল ছাত্রী হওয়াতে দিদি নিজের ঘাড় থেকে দায়িত্বটা আমার ঘাড়ে চাপিয়ে দিতে পেরেছে। আর এই কয়দিন তো ঘরের সব কাজের দায়িত্বই আমার। আমি এক এক করে সব ঘরে ঝাঁট দিয়ে নিচে এলাম। নিচে এসে দেখি দিদি তখনও মন দিয়ে টিভি দেখছে। আমাকে কাজ করতে দেখে আমার দিকে তাকিয়ে দিদি মিটিমিট হাসতে লাগল।

দুতলা অসম্পুর্ন হওয়ায় ঘর কম, একতলায় মোট ৫ টা ঘর, সাথে রান্নাঘর ও টয়লেট তো আছেই। আমি এক এক করে সব ঘরে ঝাঁট দিতে লাগলাম। ঝাঁট দেওয়া শেষ করে দিদিকে জিজ্ঞাসা করলাম , “ রোজ সব ঘর না মুছলে হয়না দিদি? অনেক কাজ তো করলাম আজ”।

দিদি মুখে হাসি ঝুলিয়ে বলল, “ ঠিক আছে মুছিস না। আমি বরং মা কে একটা ফোন করি”।

দিদি আমাকে ডমিনেট করে আনন্দ পাচ্ছে বুঝতে পারছিলাম। আমি সাথে সাথে বললাম, “ সরি দিদি, আমি এখুনি মুছছি”।

উপর নিচের সব ঘর মোছা শেষ করে আমি নিচে এসে দেখি দিদি টিভি দেখতে দেখতে কার সাথে ফোনে গল্প করছে। ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখি বিকেল চারটে বাজে। আমি গত দুই ঘন্টা ধরে খাটছি আর দিদি নিজের ক্ষমতা ব্যবহার করে আরামজ করছে ভাবতে দিদিকে একটু ঈর্শা হতে লাগল। আমি দিদির দিকে তাকালাম। দিদি নিজের দামী আইফোনটা কানে ধরে কোন বন্ধুর সাথে গল্প করছে। দিদির পরনে নীল-সবুজ চুড়িদার, পায়ে নীল চটি। আমার ফর্শা দিদি তিথিকে সব সময়ের মতই অপরুপা সুন্দরী লাগছে। তার উপর দিদি পড়াশোনাতেও এত ভাল! দিদির উপর সত্যিই কি হিংসা করা উচিত আমার? দিদি সব দিক থেকেই আমার চেয়ে অনেক উপরে। এইটুকু আরাম করার অধিকার তো থাকতেই পারে দিদির!

কিরকম ঘোরের মধ্যে চলে গিয়েছিলাম আমি। একটু পরেই ঘোর কাটতে নিজেই অবাক হয়ে গেলাম আমি। দিদি নিজের ক্ষমতা কাজে লাগিয়ে আমাকে খাটাচ্ছে সে এক ব্যাপার। কিন্তু আমি সেটাকে স্বাভাবিক বলে ব্যাখ্যা করতে চাইছি কেন? হল কি আমার?

“ওই ছেলে, চুপ করে দাঁড়িয়ে থাকলে চলবে? উপরে গিওয়ে আমার রুম আর স্টাডি রুমটা ভাল করে গুছিয়ে ফেল। তারপর বিকালের টিফিন বানিয়ে পরতে বস। সময় মতো উঠে রাতের রান্না করে নিস তোর জন্য। আমি বাইরে খাবার অর্ডার দেব নিজের”।

আমি আর তর্ক করলাম না। দিদির রুমে উঠে দিদির অগোছাল রুম গোছাতে শুরু করলাম। তারপর স্টাডি রুম গোছাতে গোছাতে প্রায় সাড়ে পাঁচটা বাজল। আমি নিচে গিয়ে টিফিন বানিয়ে নিজে খেলাম, দিদিকেও দিলাম। দিদি তারপর নিজের রুমে বসে ল্যাপটপ খুলে বন্ধুদের সাথে চ্যাট করতে লাগল। আর আমি স্টাডি রুমে বসে পড়তে লাগলাম। পড়াশোনা না করার জন্যই আজ বাবা মা দিদিকে আমার থেকে এত বেশি অধিকার দিয়েছে আর দিদি আমাকে ইচ্ছামত খাটাতে পারছে। ঠিক করলাম এবার থেকে ভাল করে পড়তে হবে। রাত সাড়ে নটায় উঠে নিজের জন্য সিদ্ধ ভাত বসালাম। একটু পরে দিদির জন্য রেস্টুরেন্ট থেকে প্যাকেট করা খাবার দিয়ে গেল। আমি যখন রাতে সিদ্ধ ভাত নিয়ে বসলাম, দিদি আমার উল্টোদিকে বসে আমাকে দেখিয়ে দেখিয়ে ফ্রায়েড রাইস আর চিলি চিকেন খেতে লাগল। খাওয়া শেষ করে আমি আবার সব বাসন মেজে রাখলাম। তারপর নিজের ঘরে গিয়ে গুমোট ছোট্টো নিচু ঘরে গিয়ে মেঝেতে পাতা বিছানায় টেবিল ফ্যান চালিয়ে শুয়ে পড়লাম। দিদি তখন নিজের ঘরে এসি চালিয়ে আরাম করে শুয়ে বক্সে হাই ভলিউমে গান শুনছে।

পরের তিনদিন আমার ভয়ানক কষ্টে কাটল। সারাদিনে এক মিনিটও ফ্রি টাইম পেতাম না। সকালে উঠে ঘর ঝাঁট দেওয়া, মোছা, বাসন মাজা, রান্না করা সামলে স্কুলে যেতে হত। বিকালে স্কুল থেকে ফেরার পর দিদি কিছু না কিছু কাজ বার করে আমাকে ধরিয়ে দিত। দিদি মা কে আমার রেজাল্টের কথা বলে দেবে বলার পর আমি এতটাই ভয় পেয়েছিলাম, তারপর থেকে আমাকে আর ভয়ও দেখাতে হত না দিদিকে। আমি স্বেচ্ছায় সব কাজ করে দিতাম প্রায়। ঘর গোছানো থেকে জামা কাচা সবই দিদি আমাকে দিয়ে করাত।

দিদি ক্রমে নিজের সব কাজই আমার ঘাড়ে চাপাতে লাগল। প্র্যাকটিক্যল খাতা কপি করানো থেকে দিদিকে খাবার সার্ভ করা সবই আমি বিনা প্রতিবাদে করতে লাগলাম। এমনকি দিদি বাইরে যাওয়ার সময় দিদির পায়ে মোজা জুতো পরিয়ে দেওয়া আর বাইরে থেকে ফিরলে পা থেকে মোজা জুতো খুলে দেওয়ার দায়িত্বও আমার উপরে পরল। এমনকি দিদির প্রতিটা জুতো পালিশ করে চকচকে করে রাখার দায়িত্বও দিদি স্বচ্ছন্দে আমার ঘাড়ে চাপিয়ে দিল। আমি কিরকম অবাক হয়ে যাচ্ছিলাম নিজেকে দেখেই, সব কাজ এমনভাবে করছিলাম যেন আমি দিদির চাকর।

 

২…

 

বৃহস্পতিবার সকালে উঠেই দিদি আমাকে বলল ,” আজ স্কুল যেতে হবে না, আমি বাড়িতে পার্টি দিয়েছি। পৃথা, সোহিনী আর সুনন্দা আসবে। তুই বাড়িতে থেকে আমাদের সার্ভ করবি সারাদিন।

দিদি আমাকে চাকরের মতো ব্যবহার করছে বুঝেও আমার ভিতর থেকে কোন প্রতিবাদ এল না। আমি ঘাড় নেড়ে বললাম, “ ঠিক আছে দিদি। তুমি যা বলবে তাই করব”। দিদির মুখের মুচকি হাসি বুঝিয়ে দিচ্ছিল ভাইয়ের এই চাকরের মতো আচরন ও খুব এঞ্জয় করছে”।

সারাদিন তুমুল পার্টি চালাল ওরা। বক্স থাকা সত্বেও আরও ভাল সাউন্ড বক্স ভাড়া করল। রেস্টুরেন্ট থেকে ভাল খাবার এল। ওরা সবাই জুতো পরা পায়েই তুমুল হুল্লোর করল স্টাডি রুম ফাকা করে। আমি দরজার সামনে দাঁড়িয়ে ছিলাম পুরো সময়। মাঝে মাঝেই ওরা কেউ স্ন্যাক বা কোল্ড ড্রিংক্স চাইছিল। আমি ঠিক চাকরের মতো ছুটে গিয়ে সেটা এনে ওদের হাতে দিচ্ছিলাম। দুপুরে ওদের জন্য রেস্টুরেন্টের দামী খাবার সার্ভ করলাম। অথচ আমাকে তা থেকে একটুও ভাগ দিল না। আমাকে সেই তাড়াতাড়ি সেদ্ধভাত করে খেতে হল। সন্ধ্যায় ওদের অর্ডার মতো এক প্যাকেট সিগারেট আর কয়েকটা বিয়ারের বোতলও আনতে হল। সারা সন্ধ্যা ওদের ফাই ফরমাশ মত এটা ওটা এনে দিতে হচ্ছিল। সন্ধ্যার পর ওদের সবার পা থেকে জুতো খুলে ঘরে পরার চটি পরিয়ে দিলাম ওদের পায়ে। রাত একটা অব্দি ওদের পার্টি চলল। ততক্ষন চাকরের মতো ওদের ফাই ফরমাশ খাটার পর নিচে গিয়ে সকালের করা সিদ্ধভাত খেয়ে নিজের ছোট্ট গুমোট ঘরে ঢুকে মনে পরল আমার টেবিল ফ্যানটাও দিদির আদেশে স্টাডি রুমে দিয়ে এসেছিলাম।  নিচে গিয়ে শুতে সাহস হল না। কি জানি, রাতে যদি দিদিদের কিছু প্রয়োজন হয়! আমি গুমোট গরমে নিজের মেঝেতে পাতা বিছানায় এসে শুলাম। দিদি আর তার বান্ধবীরা তখন সারাদিন পার্টিতে হৈ হুল্লোর করে পাশের দুটো ঘরে এসি চালিয়ে নরম গদিতে শুয়ে ঘুমাচ্ছে। আর আমি? গুমোট গরম ঘরে একটা ফ্যানও জোটেনি আমার !! গুমোট গরমে রাতে আমার ঘুম বারবার ভেঙ্গে যাচ্ছিল। আধো ঘুমের মধ্যে বারবার সারাদিন দিদিদের চাকরের মতো খাটার কথা মনে পরে যাচ্ছিল। যত ভাবছিলাম দিদির আমাকে চাকরের মতো ব্যবহারের কথা, দিদির আরামে থাকা আর আমার ভয়ানক কষ্টে থাকা, কিরকম এক নেশাচ্ছন্ন হয়ে পড়ছিলাম আমি। মনকে বারবার যেন বোঝাতে চাইছিলাম আমাকে এইভাবে ব্যবহার করার সম্পুর্ন অধিকার দিদির আছে। আমি কি সত্যিই দিদির হাতে এইভাবে ব্যবহৃত হওয়া এঞ্জয় করতে শুরু করেছি?

সকালের দিকে একটা অদ্ভুত স্বপ্ন দেখলাম। দিদি বসার ঘরের মেঝেতে ফেলে আমার মুখের উপর পা রেখে দাঁড়িয়ে আছে। দিদির পরনে স্কুলের সাদা জামা, সবুজ স্কার্ট। পায়ে সাদা মোজা আর স্নিকার। মা বলছে, লাথি মার ভাইকে, মেরে মেরে ওর মুখ ভেঙ্গে দে। দিদিও তাই শুনে আমার মুখের উপর জুতো পরা দুই পা দিয়ে একের পর এক লাথি মারতে লাগল। আমার মুখে অবশ্য যন্ত্রনা হচ্ছে, মনে হচ্ছে নাকটা ভেঙ্গে যাবে দিদির লাথি খেয়ে। আমি দিদির জুতো পরা পা জড়িয়ে ধরে ক্ষমা চাইতে লাগলাম দিদির কাছে। কিন্তু দিদি বা মা কেউই আমাকে ক্ষমা করছে না, দিদি একের পর এক লাথি মেরেই যাচ্ছে আমার মুখের উপরে জুতো পরা পা দিয়ে।

“ এই ছেলে, ওঠ । আরাম করে ঘুমাচ্ছিস নিজে, আমাদের টিফিন বানাতে হবে খেয়াল নেই?” দিদির গলার আওয়াজ শুনে স্বপ্ন ভেঙ্গে চোখ মেললাম। তাকিয়ে দেখি দিদি আমার মাথার কাছে এসে দাড়িয়েছে। মেঝেতে শোয়া আমার গালটার উপরে চটি পরা ডান পা দিয়ে টোকা দিয়ে আমাকে ডাকছে দিদি।

“ সরি দিদি, আমি এখুনি গিয়ে টিফিন বানিয়ে দিচ্ছি তোমাদের”। আমি দিদি ডান পা টা দুই হাত দিয়ে ধরে বললাম, তারপর উঠে বসলাম।

দিদি কোমরে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে বলল, “ তাড়াতাড়ি। তোর জন্য আমরা খালি পেটে বসে থাকতে পারব না”। দিদি এমনভাবে বলছিল যেন আমি সত্যিই ওর ভাই না, চাকর। দিদির মুখের হাসি বুঝিয়ে দিচ্ছিল ছোট ভাইকে চাকরের মতো ব্যবহার করা ও কতটা এঞ্জয় করছে।

আমি বোধহয় তারচেয়েও বেশি এঞ্জয় করছি দিদির হাতে এই ডমিনেশন। কেন আমি নিজেও জানিনা। আমার সত্যিই মনে হচ্ছে যেন আমার সুন্দরী মেধাবী দিদিকে বাবা মায়ের সামনে চাকরের মতো সেবা করতে পারলে আমি আর কিছু চাই না। আর যে স্বপ্নটা দেখলাম সেটা যদি সত্যি হয়? মায়ের সামনে যদি কোনদিন  দিদি ওইভাবে জুতো পরা পায়ে লাথি মারে আমার মুখে? কি যে হয়েছে আমার নিজেও জানি না। দিদির সেবা করার চিন্তা, দিদির হাতে অত্যাচারিত হওয়ার চিন্তা এত আনন্দ দিচ্ছে কেন আমাকে?

আর দিদি তো সত্যিই আজ চটি পরা পা দিয়ে মেঝেতে শোয়া আমার গালে টোকা দিচ্ছিল। ভাবতেই যেন নিজের দেহের কোষে কোষে কি এক অনাবিল সুখের স্রোত টের পাচ্ছিলাম যেন।

আমি বেসিনের আয়নার সামনে এসে দাঁড়ালাম মুখ ধোওয়ার জন্য। কিন্তু একি দেখছি আমি? নিজের চোখকেও বিশ্বাস হচ্ছে না আমার। আমার ঠোঁট, নাক আর কপালের উপর দিদির চটির তলার ছাপ স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে যে! দিদি কি তাহলে আমার গালে শুধু চটি পরা পা দিয়ে টোকাই মারে নি, ভোররাতের পর গাঢ় ঘুমে আচ্ছন্ন হওয়া আমার ঘুমের সুযোগ নিয়ে মুখের উপর এত জোরে নিজের চটির তলা ঘসেছে যে আমার মুখের উপর দিদির চটির তলার ছাপ পরে গেছে? নাকি দেয়াল ধরে আমার মুখের উপর চটি পরা পায়ে উঠে দাড়িয়েই পড়েছিল দিদি? সেরকমই তো মনে হচ্ছে। দুটো আলাদা চটির তলা দাগ  স্পস্টই দেখা যাচ্ছে আমার মুখের উপরে, একটা নাক আর ঠোঁটের উপরে, অন্যটা কপালের উপরে। দিদি তাহলে সত্যিই গাঢ় ঘুমে আচ্ছন্ন আমার মুখের উপর চটি পরা পায়ে উঠে দাঁড়িয়েছিলো আমার ঘুমের সুযোগ নিয়ে। আর ঘুমে আচ্ছন্ন অবস্থায় মুখের উপর সেই ব্যথার অনুভুতিকে স্বপ্ন অন্যভাবে ব্যখ্যা করিয়ে আমাকে দেখাচ্ছিল দিদি মায়ের সামনেই আমার মুখের উপরে জুতো পরা পায়ে জোরে জোরে লাথি মারছে। উফ, দিদি আমার মুখের উপর চটির তলা ঘসছিল, আমার মুখের উপর চটি পরা পায়ে আমার মুখের উপর উঠে দাঁড়িয়েছিলো  ভাবতেই আমার কোষে কোষে আনন্দের ঢেউ উঠতে লাগল যেন। ঠিকই তো করেছিল দিদি। আমার জায়গা তো আমার দিদির জুতোর তলাতেই! কিন্তু আমার ঘুম ভাংতেই দিদি আমার মুখ থেকে নেমে দাড়াল কেন? জেগে থাকা অবস্থায় সবার সামনেই আমার সাথে এরকম করতে পারে তো দিদি। দিদি কি ভাবে আমি বাধা দেব? ছি, দিদি আমার প্রভু হয়, আমাকে নিয়ে যা খুশি করতে পারে দিদি। আমার মনে আর কোন দ্বন্দও কাজ করছিল না যেন। আমি যেন শুধু দিদির চাকর না, মনে মনে দিদির দাস হয়ে গিয়েছিলাম। আমি মনে মনে শুধু ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করতে লাগলাম যাতে ঘুমের মধ্যে দিদি যেভাবে আমার মুখের উপর চটি পরা পায়ে উঠে দাঁড়িয়েছিলো, সেরকম যেন সবার সামনেই করে আমার জেগে থাকা অবস্থাতেই।

আমি দিদিদের জন্য টিফিন প্রস্তুত করে স্টাডি রুমে গিয়ে ওদের হাতে টিফিন তুলে দিলাম। তারপর ফ্রেশ হয়ে রান্না বসালাম। দিদির বান্ধবীরা টিফিন করে বাড়ি চলে গেল। দিদি খেয়ে নিয়ে স্কুলে চলে গেল। আমিই দিদির পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে দিদির পায়ে জুতো মোজা পরিয়ে দিলাম। দিদি বেরিয়ে যাওয়ার পরই ল্যান্ডলাইনে ফোন এল। মা ,বাবা গুরুকে নিয়ে আধ ঘন্টার মধ্যে স্টেশনে পৌছাবে। আমি যেন আনতে যাই। আমার খেয়াল হল স্টাডি রুমের অবস্থা দিদিরা ভিশন খারাপ করে রেখেছে। কিন্তু তখন আর গোছানোর সময় নেই। আমি শুধু বিয়ারের বোতল তিনটে ফেলে দিয়ে রেডি হয়ে স্টেশনের দিকে চললাম মা বাবা আর গুরুকে নিয়ে আসতে।

 

৩…

 

স্টেশান থেকে যখন বাবা মা আর গুরুকে নিয়ে ফিরলাম তখন বেলা প্রায় ১২ টা। এতদিন যে বয়স্ক গুরুকে বাড়িতে আসতে দেখেছি তিনি নাকি বয়সজনিত কারনে খুব অসুস্থ। যিনি এসেছেন তিনি তার ছেলে, দেখে মনে হয় বছর ৩৫ বয়স। পারিবারিক ঐতিহ্যে ইনিই এখন আমাদের বাড়ির গুরু হবেন, পরামর্শ দেবেন বাবাকে। ইনাকে আমার আগের গুরুর মতো খারাপ লাগল না। ইনি অনেক হাসিখুশি স্বাভাবিক মানুষ।

বাড়ি পৌছেই মা বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত হয়ে পরল, বাবা একটু বেরলো ব্যবসার কাজে। দুপুরে মা গুরুর কাছে অভিযোগ করল, “ আমার ছেলেটা দিন দিন খারাপ হয়ে যাচ্ছে গুরুদেব। আমার মেয়েটা এত ভাল, অথচ ছেলেটা ওর দিদিকে দেখে কিছুই শিখল না। পড়াশোনা করে না, বদ্মাইশি করে বেড়ায়। দেব-দেবীতে ভক্তি নেই। সরস্বতী পুজোর সময় বলে দেবীর মুর্তি দেখে ওর প্রানে ভক্তি জাগে না। আপনি এঁকে মানুষ করার উপায় বলুন গুরুদেব, বড় চিন্তায় আছি”।

গুরু হেসে বলল, “ চিন্তা কোর না। আমি আছি, ঠিক একটা ব্যবস্থা করব। এই বয়সে এরকম হয়। আর মুর্তি দেখেই ভক্তি জাগতে হবে এরকম কোন নিয়ম নেই। দেবীর উপস্থিতি উপলব্ধি করার জন্যই তো দেবী মুর্তির কল্পনা। দেখতে হবে  কি বা কাকে দেখে ওর প্রানে ভক্তি জাগে। তারপর সেটাকে সঠিকভাবে ব্যবহার করলেই ও দেবী সরস্বতীর মাহাত্ম অনুভব করতে পারবে, পড়াশোনায় মন বসবে, স্বভাবও শান্ত হবে। আমি তো আছি, ওর সাথে ভাল করে পরে কথা বলে দেখব ওর সমস্যা কি”।

গুরুর কথা শুনেই আমার দেহের মধ্যে যেন বিদ্যুৎ খেলে গেল। সত্যি, দেবী সরস্বতীর মুর্তি দেখে আমার প্রানে ভক্তি জাগে না, কিন্তু আমার সুন্দরী দিদিকে দেখে জাগে। দিদিকে কোন দেবী আর নিজেকে দিদির ভক্ত মনে হয়। মনে হয় সবার সামনে দিদির পায়ের উপর মাথা রেখে শুয়ে থাকি, দিদির নরম পায়ের পাতায় চুম্বন করে আশির্বাদ প্রার্থনা করি”।

বাকি দিনটা স্বাভাবিক নিয়মেই কাটল। দিদি বিকালে স্কুল থেকে ফিরল, তারপর আবার আগের মতো টিফিন করেই পড়তে বসে গেল। আমিও একটু পড়ার চেষ্টা করলাম। রাতে গুরু কিসের একটা যজ্ঞ করবে, তার প্রস্তুতিতে মা কে সাহায্য করলাম।

ঝামেলা বাধল রাত ৯ টার দিকে। কি একটা আনার জন্য টাকা বের করতে গিয়ে মা দেখল লকারে মাত্র ৩০০ টাকা পরে আছে। রবিবার আমাদের দুজনকে রেখে বেড়াতে যাওয়ার আগে লকারে মা ২০০০০ টাকা রেখে গিয়েছিল। মা আকাশ থেকে পরল তাই দেখে। আমাকে আগে সামনে পেয়ে  জিজ্ঞাসা করল,” ৫ দিনে তোরা ২০০০০ টাকা খরচ করলি কি করে? কি করেছিস টাকা দিয়ে?”

আমি দিদিকে দোষ দিতে চাইনি, কিন্তু নর্মাল রিফ্লেক্সে আমার মুখ দিয়ে বেড়িয়ে গেল, “ আমি তো এক টাকাও ধরিনি মা। আলমারির চাবি কোথায় রেখেছিলে তুমি তাই জানি না আমি”।

মা ভুরু কুঁচকে বলল, “ চল উপরে তোর দিদিকে জিজ্ঞাসা করি”।

ভয়ে আমার বুক ধুকধুক করছিল। দিদির এই কয়দিন রোজ রেস্টুরেন্টে দামীদামী খাওয়া, পার্টি করার টাকা কোথা থেকে এসেছে আমি বুঝতে পারছিলাম। বুধবার দিন দিদি তো অনেক কিছু শপিং ও করে এনেছিল।

মা দিদিকে টাকার কথা জিজ্ঞাসা করতেই দিদি ঠোঁট উলটে এমন ভাব করল যেন মা কি বলছে কিছুই বুঝতে পারছে না। তারপর দিদি বলল, “ ঘরে তো সব বাজারই করা ছিল। আমি একবারও আলমারি খুলিনি। তবে ভাইকে রোজই দেখেছি ঘরের খাবার না খেয়ে বাইরের রেস্টুরেন্ট থেকে খাবার আনিয়ে খেতে। ভাই তো কাল অনেক বন্ধু এনে ঘরে পার্টিও দিয়েছিল। ওই বলতে পারবে, কত টাকা সরিয়েছে আলমারি থেকে”।

দিদির এই কথায় আমি হতভম্ব হয়ে গেলাম। দিদিকে আমি মনে প্রানে দেবীর মতো শ্রদ্ধা করি এখন, দিদি আমার উপর নিজের অপরাধের দায় নিশ্চয়ই চাপাতে পারে, সেই অধিকার দিদির আছে। কিন্তু মায়ের প্রশ্নের জবাবে কি বলব, কিভাবে পরিস্থিতে সামলাব বুঝতে পারছিলাম না। মা- বাবা- দিদি এরপর একসাথে যখন আক্রমন করবে তখন কি করব বুঝতে না পেরে বলে ফেললাম, “ না মা, আমি এসব কিছু করিনি”।

“ দিদি খাট থেকে নেমে মায়ের সামনেই আমার বাঁ গালে ডাব হাত দিয়ে বেশ জোরে একটা থাপ্পর মেরে বলল, “ কি , আমি মিথ্যা বলছি? ঠিক আছে মা, তাহলে তোমার গুনধর ছেলের কির্তী নিজেই দেখে যাও” এই বলে মাকে নিয়ে স্টাডি রুমে আসল। আমিও মা আর দিদির পিছু পিছু এলাম।

এই দেখ মা, কাল এই ঘরে ভাই পার্টি করেছিল। এখনও মেঝেতে খাবারের টুকর পরে আছে দেখ। এই দেখ, সিগারেটের ছাই আর ফিল্টারও আছে। আর এই গ্লাস গুলো দেখ, শুঁকলেই বুঝতে পারবে এতে করে কি খেয়েছে। তোমার গুনধর ছেলে এই বয়সেই বন্ধুদের নিয়ে পার্টি করছে, মদ সিগারেট খাচ্ছে। এবার ওর ঘরে আস, আরেকটা জিনিস দেখাই”।

এই বলে দিদি মা কে নিয়ে আমার ঘরে এল। আমার স্কুল ব্যাগ খুলে পরীক্ষার খাতাগুলো বের করে মা কে বলল,” ওর যে রেজাল্ট বেড়িয়েছে স্কুলে সেটা কাউকে বলেনি। স্বভাব তো গেছেই, এবার কিরকম নাম্বার পেয়েছে দেখ। বাংলায় ১০০ তে ৩৫, ইংরেজিতে ০৯, ইতিহাসে ১২, ভূগোলে ১৫, জীবন বিজ্ঞানে ২১, ভৌতবিজ্ঞানে ১০, অংকে ০৪ । এবার টাকা কে কেন সরিয়েছে বুঝতে পারছ নিশ্চয়ই। এই বয়সেই যত অধঃপতনে যাওয়া সম্ভব ও চলে গিয়েছে। কি করে সামলাবে ওকে এখনই ভাব মা। আমাকে দায়িত্ব দিলে চাবকে সোজা করে দেব ভাইকে”।

দিদির কথায় আমি চমকে উঠছিলাম। পরীক্ষার নম্বর এখন মা বাবাকে বলবে না সেই শর্তে এই কয়দিন সম্পুর্ন চাকরের মতো আমি দিদির সেবা করলাম। আর তার পরও সেটা মা কে বলে দিল দিদি! এমনকি , নিজে আলমারি থেকে টাকা সরিয়ে যা যা করেছে সব দোষ আমার ঘাড়ে চাপিয়ে দিল। আমি বুঝতে পারছিলাম ভয়ানক শাস্তির খাড়া নেমে আসতে চলেছে আমার উপরে। কিন্তু আমার উপরে আমার সুন্দরী ২ বছরের বড় দিদির নিষ্ঠুরতা কোন এক অজ্ঞাত কারনে ভয়ানক ভাল লাগছিল আমার। মনে মনে নিজেকে ধিক্কার দিলাম প্রথমে দোষ অস্বীকার করায়। ঠিক করলাম আমার যাই শাস্তি হোক, সব শাস্তি আমি মাথা পেতে নেব। দিদির করা অপরাধের শাস্তি আমি পাব ভাবতেও কেন যেন অদ্ভুত আনন্দ হচ্ছিল।

মার মুখ থমথমে হয়ে গিয়েছিল রাগে, বুঝতে পারছিলাম ভয়ানক কিছু আসতে চলেছে প্রতিক্রিয়ায়। তখনই বাবা নিচ থেকে ডাক দিল। যজ্ঞের সময় হয়ে এসেছে প্রায়। আয়োজন সম্পুর্ন করতে হবে।

মা আমার দিকে তাকিয়ে গম্ভীর গলায় বলল, “ তোর শাস্তি পরে হবে। এখন চল, যজ্ঞের কাজ সাহায্য করবি”।

যজ্ঞ শেষ হতে রাত প্রায় দেড়টা বাজল। ফলে তখন আর আমার শাস্তি নিয়ে আলোচনা হল না বেশি, শুধু বাবা মাকে বলল কাল সকালে গুরুর সাথে কথা বলতে কি করে আমাকে ঠিক পথে আনা যায়। আমি ভয়ে ভয়ে উপরে এসে আমার ঘরে শুয়ে পরলাম। আজও টেবিল ফ্যানটা আনা হয়নি পাশের ঘর থেকে। আমি সেই ভ্যাবসা গরমেই মনে ভয়ানক ভয় নিয়ে ঘুমানোর চেষ্টা করতে লাগলাম। আর আমার সুন্দরী দিদি নিজের সব অপরাধের দায় আমার উপরে চাপিয়ে এসি ঘরে তার অনেক আগে থেকেই আরাম করে ঘুমাচ্ছিল।

ভোররাতে স্বপ্নে দেখলাম গুরু আমাকে জিজ্ঞাসা করছেন , “ সরস্বতী্ মূর্তি দেখলে তোমার মনে ভক্তি জাগে না?”

“না”, আমি বললাম।

“ কি দেখলে ভক্তি জাগে তাহলে”।

আমি বললাম, “ আমার দিদি তিথিকে । দিদিকে দেখলেই মনে হয় স্বয়ং দেবী সরস্বতী। তাই দিদির এত রুপ, এত ভাল পড়াশোনায়। দিদিকে দেখলেই ভক্তিতে দিদির পায়ের উপর মাথা নামিয়ে দিতে ইচ্ছা করে”।

“ তাহলে তোমার দিদিকেই দেবী রুপে ভক্তিভরে পুজা কর এখন থেকে, এতেই তোমার উন্নতি হবে”।

তারপর দেখলাম দিদি শাড়ি পরে খালি পায়ে একটা চেয়ারে বসে আছে দেবী সরস্বতী রুপে। আমি মন্ত্র পরে দিদিকে পুজা করছি দেবী সরস্বতী রুপে মা বাবার সামনেই। তারপর দিদির পা দুটো হাতের পাতায় রেখে তার উপর নিজের মাথাটা নামিয়ে দিলাম আমি। সুন্দরী দিদির নরম ফর্শা পায়ের পাতায় কপালটা ঘসতে লাগলাম , বারবার দিদির পায়ের পাতায় চুম্বন করতে লাগলাম ভক্তিভরে। জবাবে দিদি নিজের পা দুটো আমার মাথার উপরে রেখে আমাকে আশির্বাদ করল দেবীর মতো।

উফ, কি অদ্ভুত নেশা এই স্বপ্নে। আমি আরও গভীর ঘুমে তলিয়ে গেলাম স্বন দেখতে দেখতে।

ঘুমা ভাঙল মুখের উপর শক্ত কোন কিছুর স্পর্শে । চোখ খুলে দেখি কালকের মতো দিদি আমার মাথার পাশে দাঁড়িয়ে আছে। দিদির পরনে কাল টি শার্ট আর ধুসর বারমুডা, পায়ে নীল চটি। দিদি চটি পরা ডান পায়ের তলাটা আমার মুখের উপর ঘসছিল বেশ জোরে। আমি জাগার পরেও কয়েক সেকেন্ড আমার মুখের উপর চটির তলাটা ঘসা চালিয়ে গেল দিদি। তারপর, আমি জেগে চোখ খুলেছি বুঝতে পেরে আমার মুখের উপর থেকে চটি পরা ডান পা টা সরিয়ে দিদি বলল, “ কাল তুই মাকে বললি কেন টাকা তুই নিসনি? এখন থেকে আমার সব অপরাধের দায় নিজে থেকে মাথা পেতে নিবি তুই। আর কাল আমি যা বলেছি মা কে তুইও সেটাই বলবি। সত্যিটা মা জানতে পারলে তোর বিপদ আছে কিন্তু। মনে রাখিস, মা বাবা তোর মতো অপদার্থ ছেলের কথা বিশ্বাস করবে না, আমি যেটা বলব সেটাই মেনে নেবে। তারপর তোকে আমি দেখে নেব”। দিদি চটি পরা পা দিয়ে আমার গালে টোকা দিয়ে বলল।

দিদির উপর একটুও রাগ হচ্ছিল না আমার, সত্যিই তো আমি অপদার্থ ছেলে, স্বপ্নের মতো দিদিকে সবার সামনে পুজো করতে পারলে আমার জীবনটা ধন্য হয়ে যেত। কিন্তু আমাকে জাগতে দেখে দিদি আমার মুখের উপর থেকে নিজের চটি পরা পা টা সরিয়ে নিল কেন? আমার জায়গা তো ওখানেই, দিদির চটির তলায়। দিদির প্রতি প্রবল ভক্তি উথলে উঠল আমার মনে। নিজে থেকে দুই হাতে দিদির চটি পরা ডান পা টা টেনে এনে আমার ঠোঁটের উপরে রাখলাম। দিদির চটির তলায় একটা গাঢ় চুম্বন করে বলল, “ সরি দিদি। কাল ভুল করে মা কে বলে ফেলেছি ওই কথা। এখন থেকে তুমি যা বলবে আমি তাই করব, তুমি তোমার যত অপরাধের দায় আমার উপরে চাপাবে সব আমি মাথা পেতে নেব। আমার জায়গা এখন থেকে তোমার এই চটির তলায়”।

এই বলে আমি একের পর চুম্বনে ভরিয়ে দিতে লাগলাম দিদির চটির তলা। দিদি একটু অবাক চোখে দেখছিল আমার দিকে। দিদির প্রতি আমার এই অসহায় আত্মসম্পর্পনের কারনটা বুঝতে পারছিল না বোধহয়। আমি দিদি চটির তলায় একের পর এক গাঢ় চুম্বন চালিয়ে যাচ্ছিলাম, হঠাত দিদি চটি পরা ডান পা টা তুলে আমার মুখের উপর বেশ জোরেই একটা লাথি মারল। “ আমার সাথে চালাকি করার চেষ্টা করবি না কিন্তু, ফল ভাল হবে না। মা , বাবা আর ওই গুরু আজ তোর বিচারে বসবে, তুই তাই বলবি যা আমি বলতে বললাম। নাহলে আর এত আসতে লাথি মারব না, জুতো পরা পায়ে সপাতে তোর মুখে লাথি মারতে মারতে তোর নাক মুখ দাঁত সব ভেঙ্গে দেব আমি”। দিদি আমার মুখের উপর আরও কয়েকটা লাথি মারতে মারতে বলল।

আমি দিদির লাথি খেতে খেতেই দিদির চটির তলায় আরেকটা গাঢ় চুম্বন করে বললাম, “ আমাকে তুমি ইচ্ছা করলেই যত খুশি লাথি মারতে পার দিদি, সেই অধিকার তোমার আছে। তুমি এত মেধাবী, এত সুন্দরী দিদি আর আমি তোমার অপদার্থ ভাই একটা। মুখে তোমার লাথি খেলেও আমার উন্নতি হবে দিদি।

দিদি বোধহয় ওর প্রতি আমার ভক্তিটা বুঝতে পারছিল না, ভাবছিল আমি কোন চালাকি করার চেষ্টায় আছি। দিদি আমার মুখের উপর রাখা চটি পরা ডান পাটায় ভর দিয়ে উঠে দাঁড়াল, দিদির চটি পরা পায়ের তলার চাপে আমার নাকটা ফ্ল্যাট হয়ে মুখের সাথে লেগে গেল। দিদি ওর চটি পরা বাঁ পা টা আমার ঠিক গলার উপর রেখে দাঁড়াল। দিদির চটি পরা বাঁ পা টা আমার গলার উপরে রাখা, আর চটি পরা ডান পা টা আমার ঠোঁট আর নাকের উপরে। আমি নিশ্বাস নিতে পারছিলাম না, একটু বাতাসের জন্য বুকটা পাগলের মতো ওঠা নামা করছিল। ভিশন কষ্ট হচ্ছিল আমার। কিন্তু এই কষ্ট আমার সুন্দরী দিদি দিচ্ছে এই চিন্তা সেই প্রবল কষ্টকেও উপভোগ্য করে তুলেছিল। আমি সেই অবস্থাতেই দুই হাত বাড়িয়ে ক্রীতদাসের মতো দিদির পা দুটো টিপে দিতে লাগলাম।

দিদি একটু পরে বাঁ পা টা বাড়িয়ে আমার কপালের উপরে রাখল। আমার মুখের উপর চটি পরা পায়ে পায়ে প্রায় ১০ মিনিট দাঁড়িয়ে রইল দিদি, দেয়ালটা ধরে রইল ব্যালেন্সের জন্য। আমি এই পুরো সময়টা প্রভুজ্ঞানে ভক্তিভরে দিদির পা দুটো পালা করে টিপে চললাম। দিদি নিজে থেকে এইভাবে আমার উপর অত্যাচার করছে ভাবতেই প্রবল আনন্দে আচ্ছন্ন হয়ে পরছিলাম আমি।

প্রায় ১০ মিনিট পর দিদি আমার মুখের উপর থেকে নেমে দাঁড়াল। আমার দিকে তাকিয়ে গম্ভীর গলায় বলল, “ যা বললাম সেটা মনে থাকে যেন”। তারপর আমার উত্তরের অপেক্ষায় না থেকেই মুখ ঘুরিয়ে ঘর থেকে বেরনোর জন্য পা বাড়াল।

আমি উঠে মেঝেতে বসে পরেছিলাম ততক্ষনে, দিদির কথার উত্তরে স্বতস্ফুর্তভাবে আমার মুখ থেকে বেরিয়ে গেল, “ নিশ্চয়ই প্রভু, তুমি যা বলবে আমি তাই করব এখন থেকে। এখন থেকে তুমি আমার আরাধ্যা দেবী, তোমার জুতোর তলায় আমার স্থান”।

দিদি ঘুরে দাঁড়াল হঠাত, তারপর চটি পরা ডান পা দিয়ে প্রবল জোরে একটা লাথি মারল আমার চোয়ালের উপরে। আমি সহ্য করতে পারলাম না, দিদির লাথি খেয়ে উল্টে পরলাম, আমার মাথাটা দেয়ালে ঠুকে গেল ভিশন জোরে।

“ তোর কি মনে হচ্ছে আমি ইয়ার্কির মুডে আছি? আমার সাথে তুই ইয়ার্কি মারার চেষ্টা করছিস? আমার কথা না শুনলে ফল ভাল হবে না, শেষবার বলে দিলাম তোকে।”

দিদির লাথি খেয়ে আমি উল্টে পরেছিলাম কিছুটা, আমার পিঠ আর মুখ দেয়ালে লেগেছিল ধাক্কা খাওয়ার পর। সেই অবস্থায় আমার মুখের উপর দুই চটি পরা পা দিয়েই একের পর এক লাথি মারতে লাগল দিদি। দিদির প্রতি আমার স্বাভাবিক অতি ভক্তিকে দিদি ইয়ার্কি বলে ভেবে ভিশন রেগে গেছে বুঝতে পারছিলাম। আমি হাতজোড় করে বসে মুখে দিদির লাথি খেতে লাগলাম, কি বলব বুঝতে পারছিলাম না। দিদি ওর চটি পরা দুই পা দিয়ে আমার মুখের সর্বত্র জোরে জোরে লাথি মারা চালিয়ে গেল। আমার মুখের উপর চটি পরা পায়ে অন্তত ৩০ টা লাথি মেরে থামল দিদি। তারপর আমার মুখের উপর চটি পরা ডান পায়ের তলা ঘসতে ঘসতে বলল, “ কথাটা মনে থাকে যেন”। তারপর আগের মতো আমার উত্তরের অপেক্ষা না করে মুখ ঘুরিয়ে চলে গেল। এবার আর আমি কিছু বলার চেষ্টা করলাম না আমার দিদিকে।

দিদি ওর প্রতি আমার স্বাভাবিক অতি ভক্তিকে ইয়ার্কি করছি ভাবায় আমার খারপ লেগেছিল। সেই সাথে আমারে প্রতি দিদির এই ভয়ানক নিষ্ঠুরতা ভিশন খুশি করে দিয়েছিল আমার মনকে। দিদি এইভাবে এত জোরে জোরে আমার মুখে চটি পরা পায়ে কোনদিন লাথি মারবে তা আমি স্বপ্নেও ভাবিনি কোনদিন। এক অদ্ভুত খুশিতে মন আচ্ছন্ন হয়ে পরেছিল আমার । আমি চভাইছিলাম এখন থেকে দিদি আমার সাথে এরকমই ব্যবহার করুক। আমাকে ক্রীতদাসের মতো ব্যবহার করুক আমার সুন্দরী দিদি, সবার সামনে জুতো পরা পায়ে আমার মুখের উপর যত জোরে খুশি লাথি মারুক।

আমি বিছানা ছেড়ে উঠে মুখ ধোব বলে বেসিনের সামনে এলাম, আয়নায় মুখ দেখলাম। আমার মুখের উপর দিদির চটির তলার দাগ আজও স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে। খেয়াল করিনি, দিদির লাথি খেয়ে আমার নাক দিয়ে অল্প অল্প রক্ত পরছে। আমার ফর্শা মুখটা লাল হয়ে গেছে দিদির অত্যাচারে, দিদির দুই পায়ের এত গুলো লাথি খেয়ে। আমার মনটা আনন্দে ভরে গেল এই দেখে। আমি আয়নার সামনে হাতজোড় করে দাঁড়িয়ে মনে মনে প্রতিজ্ঞা করলাম, দিদি , আমি যেভাবেই হোক আজকে তোমাকে বিশ্বাস করাবোই আমি এখন তোমাকে সত্যিই দেবী সরস্বতীর মতো শ্রদ্ধা করি, দেবী সরস্বতীর মুর্তীর বদলে তোমাকেই পুজো করতে চাই দেবীজ্ঞানে। সারাদিন তোমার সেবা করতে চাই প্রভুজ্ঞানে , সব্র সামনে। এটাই আমার জীবনের একমাত্র উদ্দেশ্য দিদি, তোমার সেবা করা, তোমার ভক্ত ক্রীতদাস হওয়া”।

মুখ ধুয়ে নিচে যেতেই মা একগাদা কাজ ধরিয়ে দিল। সব শেষ করতে সাড়ে দশটা বেজে গেল। তারপরই দিদি হাঁক দিল সামনের ঘর থেকে, “ ভাই, এদিকে আয়”।

আমি গিয়ে দেখি দিদি স্কুল ইউনিফর্ম পরে সামনের ঘরের সোফায় বসে বই খুলে পড়ছিল। আমাকে দেখে দিদি বলল, “ নে, আমার পায়ে জুতো পরিয়ে দে”।

মা, বাবা, গুরু প্রায়ই আশে পাশে ঘুরছে। আমি দিদির মোজা জুতো নিয়ে এসে দিদির পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসলাম। দিদির পায়ে সাদা মোজা আর সাদা স্নিকার পরিয়ে দিলাম চাকরের মতো। তারপর দিদির আদেশের অপেক্ষায় না থেকেই দিদির পায়ে পরা জুতো দুটো পালিশ করে দিতে লাগলাম, মাও তখন কি একটা দরকারে এই ঘরে এসেছে লক্ষ্য করলাম। আমার এই অতি সেবা আবার দিদি সন্দেহের চোখে দেখল। আমার মুখের উপর জুতো পরা ডান পা দিয়ে মায়ের সামনেই একটা লাথি মেরে দিদি বলল, “ স্কুল থেকে এসে যেন শুনি তুই সব অপরাধ স্বীকার করেছিস। নাহলে তোর কপালে দুঃখ আছে মনে  রাখিস”। এই বলে দিদি বেরিয়ে চলে গেল স্কুলের উদ্দেশ্যে। মা দিদিকে আমার মুখের উপর জুতো পরা পায়ে লাথি মারতে দেখেও কিছু বলল না। অবশ্য আমি যা অপরাধ করেছি বলে মায়ের ধারনা, এই শাস্তি সেই তুলনায় কিছুই না।

মায়ের সারা সকাল রান্নাবান্না, পুজোর যোগাড় সহ নানা ব্যস্ততায় কাটল, বাবাও বেড়িয়ে গিয়েছিল ব্যবসার কাজে। নিচের বিশাল হলঘরটায় গুরুজির থাকার ব্যবস্থা হয়েছিল। দুপুরে খাওয়ার পর সেই ঘরে আমাকে নিয়ে ঢুকল মা- বাবা। গুরুকে মা বলল, “ গুরুদেব, এই ছেলেকে নিয়ে আমি আর পারছি না”। এই বলে দিদির মুখে আমার অপরাধের যেই গল্প মা শুনেছিল তা গুরুদেবের কাছে হতাশ গলায় উগড়ে দিল। তার মধ্যে আমার অতি খারাপ রেজাল্টের সত্যি ঘটনাও অবশ্য ছিল।

সব শুনেও গুরুর মুখের হাসি মুছল না। মা কে বলল, “ তোমরা এত চিন্তা কর না। সব ঠিক হয়ে যাবে, আমি আছি তো। তোমরা দুজন একটু বাইরে যাও, আমি আগে খোকার সাথে একটু কথা বলি একা”।

গুরুর কথায় মা আর বাবা ঘর থেকে বেরিয়ে চলে গেল। বিশাল হলঘরের মেঝেতে বসে গুরুর মুখের দিকে অসহায় দৃষ্টিতে তাকালাম আমি”।

 

৪…

গুরুদেবের ঘর থেকে হতাশ হয়ে বেড়িয়ে এলাম আধঘন্টা পরে। নিজের উপর কিরকম একটা রাগ হচ্ছিল আমার। এত করে ভেবে রেখেছিলাম যে গুরু্র কাছে অসহায়ের মতো নিজের সব অপরাধ স্বীকার করে নেব। সেই সাথে বলব আমি খুব খারাপ, খারাপ কাজ করতে ইচ্ছা হয় আমার প্রায়ই, পড়াশোনা করতে ভাল লাগে না, দেবী সরস্বতীর মূর্তি দেখলেও প্রানে ভক্তি জাগে না। কিন্তু আমার মেধাবী সুন্দরী দিদিকে দেখলে সেই খারাপ আমার প্রানেও ভক্তি জাগে, কেন জানি না মনে হয় দিদিই দেবী সরস্বতী। আমার মনে হয় যদি আমি দিদিকে দেবী সরস্বতী রুপে পুজো করতে পারতাম, দিদি যদি আমার মাথার উপর চটি পরা পা রেখে আশীর্বাদ করে দিত , তাহলে আমারও পড়ায় মন বসত, স্বভাবও ভাল হয়ে যেত ধীরে ধীরে।

কিন্তু আফশোষ, এত করে গুছিয়ে রাখা কথা গুলো কি করে যেন মুখ থেকে বেরলই না গুরুর সামনে। কিরকম এক লজ্জায় আড়ষ্ট হয়ে গেলাম কথাগুলো বলার আগেই। নিজের দোষ স্বীকার করলাম, কিন্তু তার প্রতিকার যে দিদির পুজো করলে হতে পারে, সেইদিকে কথা ঘোরানোর সাহস হল না। গুরু সব শুনে বলল, “অশুভ চিন্তা তোকে ভর করেছে, তোর প্রায়শ্চিত্ত আর চিত্তশুদ্ধি দরকার। কি করে তোকে করা যায় ঠিক করার আগে এই নিয়ে তোর বাবা, মা আর দিদির সাথে কথা বলা দরকার”।

 

আমি গুরুর ঘর থেকে বেরনোর মাত্র ১৫-২০ মিনিট পরেই আমার দিদি তিথি ( ভাল নাম অন্মেষা ) স্কুল থেকে বাড়ি ঢুকল। বসার ঘরে ঢুকেই দিদি  ডাক দিল আমাকে, “ এই রনি, এদিকে আয়”।

দিদি বসার ঘরের সোফায় স্কুলের পোশাক পরে বসে আছে, দিদির পরনে স্কুলের সাদা জামা, সবুজ স্কার্ট, পায়ে সাদা মোজা, সাদা স্নিকার। আমি ঠিক দিদির পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসলাম।

দিদি কঠিন দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকাল। “সবার সামনে নিজের দোষ স্বীকার করেছিস তুই?”

আমি মাথা নেড়ে বললাম, “ হ্যাঁ দিদি, গুরুর সামনে স্বীকার করেছি”।

দিদির মুখে একটা মুচকি হাসি ফুটে উঠল আমার কথা শুনে। আমার বাঁ গালে ডান হাত দিয়ে সজোরে একটা থাপ্পর মারল আমার দুই বছরের বড় দিদি তিথি, তারপরেই আমার ডান গালে বাঁ হাত দিয়ে আরেকটা।

“ শুনে গুরু কি বলল?”

“ বলল আমাকে অশুভ চিন্তায় ভর করেছে। আমার প্রায়শ্চিত্ত আর চিত্তশুদ্ধি দরকার। সেটা কি করে হবে গুরু সেটা তোমাদের সাথে কথা বলে ঠিক করবে”।

 

আমি আড়চোখে দেখলাম মা ততক্ষনে আবার এই ঘরের দরজার সামনে এসে দাড়িয়েছে, সম্ভবত পাশের ঘর থেকে আমাকে দিদির থাপ্পর মারার আওয়াজ শুনে।

দিদির মুখে আবার একটা চওড়া হাসি ফুটে উঠল। “ কি করলে তোর প্রায়শ্চিত্ত আর চিত্তশুদ্ধি সবচেয়ে ভাল হবে জানিস?”

আমি মাথা নেড়ে বললাম, “ না দিদি, জানি না”।

“ তোকে শোধরানোর দায়িত্ব আমার উপর ছেড়ে দিলে। আর আমি সেই সুযোগ পেলে তোকে কি করে শোধরাবো জানিস?”

“ জানি না দিদি”, আমি বললাম।

দিদি প্রথমে আমার দুই গালে তিনটে করে পরপর থাপ্পর মারল জোরে জোরে। তারপর আমাকে সামলানোর সুযোগ না দিয়েই জুতো পরা ডান পা দিয়ে সকালের মতই বেশ জোরে আমার মুখের উপর একটা লাথি মারল। আমি সামলাতে না পেরে উল্টে পরে গেলাম। তারপর আবার হাটুগেড়ে দিদির পায়ের কাছে বসতেই দিদি মুখে হাসি ফুটিয়ে জিজ্ঞাসা করল, “ এবার বুঝতে পারলি কিভাবে শোধরাবো তোকে?”

জবাবে আমি দিদির জুতো পরা দুই পায়ের উপর মাথা ঠেকিয়ে প্রথমে ভক্তিভরে প্রনাম করলাম একবার। তারপর জবাব দিলাম,” হ্যাঁ দিদি, আমাকে মেরে মেরে ঠিক করবে তুমি। শুধু তুমিই চেষ্টা করলে আমাকে শোধরাতে পারবে। প্লিজ দিদি, আমাকে যতখুশি মার, এইভাবে আমার মুখে চড় , লাথি মেরে আমাকে ভাল হওয়ার সুযোগ করে দাও প্লিজ”।

আড়চোখে দেখলাম মা পাশের ঘরের দরজার পাশ থেকে অবিশ্বাসে ভরা চোখ নিয়ে আমাদের দিকে তাকিয়ে তার খারাপ ছেলের ভাল হতে চাওয়ার আকুতি শুনছে।

দিদি একবার চোখ তুলে মায়ের দিকে তাকাল। মায়ের সামনে আমার স্বীকারোক্তি , আর দিদির কাছে আত্মসমর্পনের অসহায় ইচ্ছা যে দিদি খুব উপভোগ করছিল সেটা দিদির ভাবভঙ্গীতে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল। দিদি হয়ত এবার বিশ্বাস করতে শুরু করেছে দিদির প্রতি আমার ভক্তি আমার অন্তরের ভাবের প্রকাশ, এরমধ্যে কোন চালাকি লুকিয়ে নেই।

মায়ের দিক থেকে চোখ ফিরিয়ে দিদি আমার দিকে তাকিয়ে বলল, “ চুপ করে বসে থাক তুই, আমি তোর মুখে জুতো পরা পায়ে পরপর লাথি মারব এখন। এটা তোর প্রায়শ্চিত্তের প্রথম ধাপ”।

দিদির কথা সেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই দিদির জুতো পরা বাঁ পায়ের তলা আমার নাকের উপর সজোরে আছড়ে পরল, আর তার সঙ্গে সঙ্গেই দিদির জুতো পরা ডান পায়ের তলা আঘাত করল আমার কপালের উপর। আমি উল্টে পরে গেলাম আবার। উঠে বসতে বসতে তাকিয়ে দেখলাম মা অবিশ্বাস্য দৃষ্টিতে আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে।

আমি উঠে বসার সঙ্গে সঙ্গেই দিদির জুতো পরা বাঁ পায়ের তলা আমার ডান গালে আর তারপরই জুতো পরা ডান পায়ের তলা আমার ঠোঁট ও নাকের উপর আছড়ে পরল। দিদির জুতো পরা দুই পায়ের তলাই একের পর এক তীব্র জোরে আঘাত হানতে লাগল আমার মুখের সর্বত্র। আমি ভক্তিভরে হাতজোড় করে বসে মায়ের সামনেই মুখের সর্বত্র আমার সুন্দরী দুই বছরের বড় দিদি তিথির জুতো পরা পায়ের লাথি খেতে লাগলাম। মা তখনও অবিশ্বাস্য দৃষ্টিতে আমাদের দেখতে লাগল, একবারের জন্যও দিদিকে বারন করল না আমার মুখে জুতো পরা পায়ে লাথি মারতে!!

 

৫…

ঘড়িতে বিকেল পাঁচটা। বাইরের ঘরের পাশের বিশাল হল ঘরটায় বাড়ির সবাই জড় হয়েছি। উদ্দেশ্য, আমার বিচার। বাবা, মা লম্বা সোফাটায় পাশাপাশি বসে, তার পাশেই একটা চেয়ারে গুরু। দিদি আরেকটা চেয়ারে ঠিক উল্টোদিকে বসে আছে বাব-মায়ের দিকে ফিরে। দিদির পরনে এখন একটা গোলাপী-সাদা চুড়িদার , পায়ে গোলাপী চটি, যেটা কয়েক ঘন্টা আগে মুখে দিদির ৩০-৪০ টা লাথি খেয়ে দিদির পা থেকে জুতো মোজা খুলে দেওয়ার পর নিজে হাতে পরিয়ে দিয়েছি আমি। আমি আজ আসামী, তাই আমি ঘরের ঠিক মাঝখানে মেঝেতে বসে আছি। স্বাভাবিকভাবেই গুরু কথা শুরু করল দুপুরে আমার স্বীকারক্তির কথা সবাইকে বলে। তারপর গুরু বলল আমাকে অশুভ চিন্তায় আচ্ছন্ন করেছে। আমার কঠিন প্রায়শ্চিত্তের মাধ্যমে চিত্তশুদ্ধি দরকার। তারপর বাবা , মা আর দিদির কাছে জানতে চাইল ওদের মতে কিভাবে আমার চিত্তশুদ্ধি সম্ভব”।

প্রথমে বাবা বলল, “ আপনি থাকতে আমি আর কি বলব গুরুদেব।  আপনিই ভাল বুঝবেন কি করে ওর মঙ্গল হয়। আমার তো মনে হয় এসব অসভ্য বাঁদর ছেলেকে মেরে সোজা করা ছাড়া রাস্তা নেই। তবে আমরা আর কি বুঝি? আপনি যা ভাল বুঝবেন সেটাই হবে। তাতেই ওর ভাল হবে”।

“ দিদি সঙ্গে সঙ্গে বলে উঠল, “ ঠিক বলেছ বাবা। এসব ছেলেকে পিটিয়েই সোজা করতে হয়। ওকে ঠিক করার দায়িত্ব আমার উপর দিয়ে দেখ, পিঠিয়ে দশ দিনে ভাল বানিয়ে দেব। কথা না শুনলে লাথি মেরে ওর দাঁত মুখ ভেঙ্গে দেব আমি”।

গুরু এরপর মায়ের মত জানতে চাইল।

মা কিছুক্ষণ চুপ করে রইল। তারপর বলল, “আপনি গুরুদেব,  আপনিই ভাল বুঝবেন কিসে ওর ভাল হবে। কিন্তু আজ আমার মনে হচ্ছে রনিকে যেরকম খারাপ ভাবতাম ও ঠিক সেরকম খারাপ না। ওর মধ্যে শোধরানোর ইচ্ছা আছে।  কিন্তু এমন কিছু আশ্চর্য ব্যাপার ওর মধ্যে আছে যা আমি ঠিক বুঝতে পারছি না”।

এই বলে মা সকালে দিদির আমার মুখে জুতো পরা পায়ে লাথি মারার ঘটনা থেকে শুরু করে বিকালের আমাকে থাপ্পর আর লাথি মারার ঘটনা আর তার জবাবে আমার দিদির পায়ে মাথা রেখে প্রনাম করে  মেরে মেরে আমাকে ভাল করার আকুতির কথা সম্পুর্ন বলল। তারপর মা বলল, “ ও এরকম ব্যবহার করতে পারে আমি কখন ভাবিইনি। ওর দেবী সরস্বতীর প্রতি ভক্তি আসেনা, পড়াশোনা করেনা, খারাপ ছেলেদের সাথে মেশে ভেবে ওকে খারাপ ভাবতাম। অথচ আজ মুখে দিদির জুতো পরা পায়ের লাথি খেয়ে উল্টে নিজের দিদিকে ও যেরকম ভক্তিভরে প্রনাম করল সেরকম ভক্তি আমরাও জীবনে কোন দেব-দেবীকে দেখাতে পারিনি। ওর মধ্যে ঠিক কি চলছে, কিসে ওর ভাল হবে এবার আপনিই ঠিক করুন গুরুদেব”।

গুরু এতক্ষন অবাক হয়ে মায়ের কথা শুনছিল। মায়ের কথা শেষ হলে গুরু বলল, “ তিথির প্রতি ওর ভক্তি আমি নিজে চোখে দেখতে চাই। রনি, দিদির পায়ের কাছে গিয়ে দুপুরের মতো হাটুগেড়ে বস”।

সবার সামনে আমার সুন্দরী দিদির পদতলে আত্মসমর্পন করতে পারব ভেবে এক তীব্র উত্তেজনা আমার দেহের কোষ থেকে কোষে ছড়িয়ে পরতে শুরু করেছিল ততক্ষনে। আমি বাবা, মা আর গুরুর সামনেই দিদির পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসলাম। কাউকে কিছু বলতে হল না, সাথে সাথেই দিদির গোলাপী চটি পরা দুই পা আমার মুখের উপর পরপর দুইবার সজোরে আছড়ে পরল সবার চোখের সামনে। আমার মুখের উপর পরপর দুটো লাথি মেরে দিদি বলল, “ এইভাবে এসব ছেলেকে লাথি মেরে মেরে সোজা করতে হয়”।

সবার সামনে মুখের উপর সুন্দরী দিদির চটি পরা পায়ের লাথি খেয়ে দিদির প্রতি ভক্তি যেন উথলে উঠছিল আমার। আমি সবার সামনেই দিদির চটি পরা পায়ের উপর মাথা ঠেকিয়ে সুন্দরী দুই বছরে বড় দিদিকে প্রনাম করে বললাম, “ নিশ্চয়ই দিদি। আমাকে যতখুশি তত মার তুমি। তোমার কাছে মার না খেলে , তোমার দয়া না পেলে আমি যে কোনদিন ভাল হতে পারব না দিদি। প্লিজ দিদি, আমাকে এখন থেকে রোজ এইভাবে যতখুশি লাথি মের তুমি”।

এইবলে বাবা-মা আর গুরুর সামনেই আমি দিদির চটি পরা দুই পায়ের উপর নিজের মাথা ঘসতে লাগলাম ভক্তিভরে। আর আমার ক্লাস ১১ এ পড়া সুন্দরী দিদি তিথি আমার মাথার উপর চটি পরা ডান পা টা তুলে দিয়ে আমার মাথার উপর চটির তলা ঘসতে ঘসতে আমাকে আদর করতে লাগল।

প্রায় পাঁচ মিনিট ধরে দিদির প্রতি আমার ভক্তি অবাক চোখে দেখতে লাগল বাবা মা আর গুরু। যে ছেলের দেবী সরস্বতীর মুর্তি দেখেও প্রানে ভক্তি জাগে না, নিজের মাত্র দুই বছরের বড় দিদির প্রতি তার এই ভক্তি বোধুহয় কিছুতেই বিশ্বাস হচ্ছিল না ওদের।

পাঁচ মিনিট পর গুরু জিজ্ঞাসা করল, “ তিথিকে দেখে ঠিক কি মনে হয় তোর রনি?”

আমি মেঝেতে বসে আছি মেঝের উপর রাখা দিদির চটি পরা বাঁ পায়ের উপর  মাথা ঠেকিয়ে। আমার মাথার উপর দিদি তখনও নিজের চটি পরা ডান পায়ের তলা বুলিয়ে চলেছে। আমি সেই অবস্থাতেই উত্তর দিলাম, “ আমি খারাপ ছেলে হয়ত খুব। এমনকি দেবী সরস্বতীর মুর্তি দেখেও আমার মনে ভক্তি জাগেনি কোনদিন। কিন্তু আমার সুন্দরী, মেধাবী দিদিকে দেখলেই চিরদিন আমার মনে প্রবল ভক্তি জেগে ওঠে, মনে হয় দিদি আসলে দেবী। মনে হয় দিদিকে প্রভু বলে, দেবী বলে ডেকে এইভাবে দিদির পায়ের উপর মাথা ঠেকিয়ে ভক্তিভরে প্রনাম করি, দিদির সেবা করি যেভাবে দিদি চায়। কিন্তু এরকম তো কেউ করে না। তাই আমি উদ্ভট চিন্তা করছি ভেবে যত এইচিন্তা দমিয়ে রাখতে চাই তত অশুভ খারাপ চিন্তা মনকে আচ্ছন্ন করতে থাকে। এই কয়দিনে কত খারাপ চিন্তা এসেছে মনে। অথচ আজ দিদি আমার মুখে জুতো পরা পায়ে লাথি মারার পর থেকে একবারও আর এরকম হয়নি। এখন আমি যে দিদির পায়ে মাথা রেখে শুয়ে আছি, তাতে আমার মনে হচ্ছে আমি সাধু, আমার আত্মা অতি পবিত্র। জানি না, এই চিন্তা ঠিক কিনা, তবে আমার মনে হয় দিদিকে যদি এইভাবে দেবীর মতো ভক্তি দেখাতে পারি, আমি তাহলে সৎ পথে চলতে পারব, পড়াশোনাতেও ভাল হতে পারব। আর নাহলে ভয় হয়, আগের চেয়েও খারাপ হয়ে যাব হয়ত”।

দিদি আমার মাথার উপর থেকে চটি পরা ডান পা সরাতে আমি দিদির বাঁ পায়ের উপর থেকে মাথা তুলে গুরুর দিকে তাকালাম।

গুরু বলল, “ এরকম কোন কথা নেই ভক্তি সরস্বতী মুর্তিকেই করতে হবে। দেবী তো সর্বত্র বিরাজমান ,আমাদের সুবিধা হবে বলে আমরা মুর্তির মধ্যে তার উপস্থিতি ধরে নিই মাত্র। তোমার যদি দিদির প্রতি সেই স্বাভাবিক ভক্তি আসে তাহলে তুমি দিদিকেই মুর্তির বদলে একইরকম ভক্তিভরে পুজো করলেও েকই ফল হওয়ার কথা”। আপাতত তুমি এক সপ্তাহের জন্য দিদিকে দেবী হিসাবে গ্রহন কর। এই এক সপ্তাহের জন্য দিদি তোমার প্রভু, ভগবান, দেবী সরস্বতী। এই এক সপ্তাহে দিদি তোমাকে যা খুশি হুকুম করতে পারে, তোমাকে যত খুশি মারতে পারে, তোমাকে নিয়ে যা খুশি করতে পারে। বদলে তুমি দিদিকে দেবীজ্ঞানে সেবা করবে ভক্তিভরে। এর ফলে তোমার চরিত্রের কি পরিবর্তন হয় দেখা যাক আগে। দরকার হলে আরও কয়েক সপ্তাহ এরকম চলুক । এরফলে যদি তোমার চরিত্রের উন্নতি ঘটের, পড়ায় মনযোগ আসে তাহলে তো হয়েই গেল। এক বিশেষ যজ্ঞের মাধ্যমে তিথিকে পুজো করে তোমার দেবী রুপে সারাজীবনের জন্য প্রতিষ্ঠা করে দেব তাহলে, সারজীবন দিদিকে দেবীজ্ঞানে পুজো করবে তুমি। আর নাহলে তখন অন্যপথ ভাবতে হবে। আপাতত এক সপ্তাহের জন্য তিথি তোমার প্রভু, দেবী। তুমি ওর ভক্ত, ক্রীতদাস। এখন আবার তিথির পায়ে মাথা ঠেকিয়ে ওকে ভক্তিভরে প্রনাম কর তুমি”।

নিজের সৌভাগ্যকে নিজেরই যেন বিশ্বাস হচ্ছিল না আমার! সবার সামনে এখন থেকে সত্যিই আমার সুন্দরী দিদি তিথিকে দেবীজ্ঞানে সেবা করতে পারব!! প্রবল ভক্তিভরে দিদির গোলাপী চটি পরা পা দুটো নিজের দুই হাতের তালুতে তুলে নিলাম আমি। তারপর দিদির পায়ের উপর নিজের মাথাটা নামিয়ে দিলাম। দিদির চটি পরা পায়ের উপর ভক্তিভরে নিজের মাথাটা আসতে আসতে ঘসতে ঘসতে বললাম, “ আমাকে ক্রীতদাস হিসাবে গ্রহন কর প্রভু। কিভাবে তোমার সেবা করতে পারি আদেশ কর”।

দিদি এবার আমার মাথার উপর কিছুক্ষণ নিজের চটি পরা বাঁ পায়ের তলাটা ঘসল। তারপর আদেশ করল, “ আমার পায়ের কাছে মাথা রেখে সোজা হয়ে শুয়ে পর”।

আমি দিদির দুই পায়ের পাতায় একবার করে চুম্বন করে বললাম, “ যথা আজ্ঞা প্রভু”। তারপর দিদির ঠিক পায়ের কাছে মাথা রেখে শুয়ে পরলাম প্রভু দিদির আদেশ মতো।

দিদি একবার বাবা-মা আর গুরুর দিকে তাকিয়ে দেখল। তারপর হাসিমুখে ওদের সবার সামনেই আমার মুখের উপর নিজের চটি পরা পা দুটো তুলে দিল। আমার কপালের উপর বাঁ চটির তলা আর ঠোঁটের উপর ডান চটির তলা ঘসল কিছুক্ষণ দিদি। তারপর আমার নাকের উপর চটি পরা ডান পা দিয়ে একটা লাথি মেরে আদেশ দিল, “ জিভটা বার করে দে। তোর পুজনীয় দেবী তোর জিভে চটির তলা মুছবে”।

আমি প্রবল ভক্তিভরে আমার জিভটা বার করে দিলাম। আমার দুই বছরের বড় সুন্দরী দিদি তিথি বাবা মা আর গুরুর সামনেই আমার বার  করা জিভের উপর নিজের চটি পরা ডান পায়ের তলা ঘষে চটির তলা পরিষ্কার করতে লাগল।

 

 

 

 

 

 

দিদির সাথে ফেমডম
– SLAVE
দিদির সাথে আমার ফেমডম জীবনের সুচনা সেই কৈশোরে পা রাখার পর থেকেই।দিদি আমার ৫
বছরের বড়।যে ঘটনা গুলো এখন
বলবো তা কোন বানানো ঘটনা নয়,আমার জীবনের সত্য ঘটনা
হটাত করেই আমি আবিস্কার করি যে আমি
দিদির সুন্দর পা জোড়ার প্রতি আকর্ষণ ফিল করছি। ইচ্ছা করতো দিদির পা দুটোর নিচে
আমার নাক মুখ ঘষি,কিবা একটা চুমু
দেই। কিন্তু কিভাবে কি করবো বুজছিলাম না। জিনিষটা দিদির কাছে বিব্রতকর হতে
পারে,তাই আর আগ বাড়িনি সে পথে
একদিন হটাত করেই সব কিছু বদলে গেলো। দিদি ওর বিছানায় আধ শোয়া হয়ে গল্পের বই
পড়ছিলো। পা দুটি ভাজ করে রাখা।
আমি ঠিক দিদির পা দুটোর সামনে মাথা রেখে আড়াআড়ি ভাবে শুয়ে পড়লাম মোবাইল টিপতে
টিপতে
দিদির পায়ের বুড়ো আঙুল আমার গালে ঘষা খাচ্ছিলো। দিদি একমনে গল্পের বই পড়ছে।
এদিকে ওর খেয়ালই নেই। হটাত খেয়াল
করলাম দিদি তাঁর ২ পায়ের বুড়ো আঙুল দুটো আমার গালে ঘসছে। আমার বুকের ধুকপুকানি
বেড়ে গেলো। স্বর্গ সুখে পাগল হয়ে
গেলাম। আস্তে আস্তে দিদি তাঁর পায়ের অন্যান্য আঙুলগুলোও আমার গালে তুলে দিয়ে
ঘসতে লাগলো।আমার হার্ট মনে হলো ফেটে
বাইরে বেড়িয়ে আসবে।
একটু পর দিদি মুখের সামনে থেকে বই সরিয়ে আমাকে বললো ‘অন্তু,আমি পা সটান করে
বসবো,তুই তোর বিছানায় যা’
– না যাবোনা
– যা বলছি
– প্লিজ দিদি একটু থাকি
– যা,নাহলে মুখের উপর পা তুলে দিবো
কিছু বুঝে উঠার আগেই আমার মুখের উপর দিদি তাঁর ডান পা তুলে দিলো!দিদির ফর্সা
নরম পায়ের তলা আমার পুরা মুখ ঢেকে
ফেললো। খিলখিলিয়ে হাসতে লাগলো দিদি। আমার মনে হলো স্বর্গে আছি। সে এক অনন্য
অনুভুতি। কোন কিছুর সাথেই তাঁর
তুলনা চলেনা। একটু পরে দিদি আমার মুখের উপর ২-৩ বার তাঁর পায়ের তলা ঘষে পা
সরিয়ে নিয়ে আবার বই পড়তে লাগলো।
আমি সরলাম না। খুব আশা করছিলাম দিদি আবার আমার মুখে পা তুলে রাখবে। কিন্তু আর
রাখলোনা
সেদিনই বুঝতে পারলাম,ফেমডম শুধু আমার রক্তে না,দিদির রক্তেও আছে। নাহলে দিদি
এমন করতোনা আজ।তারপর থেকেই সুযোগ
খুজতে লাগলাম কিভাবে দিদির পায়ের কাছে কাছে থাকা যায়। সেদিন রাতে দিদি সোফায়
একইভাবে আধ শোয়া হয়ে বসে টিভি
দেখতে লাগলো। আমিও দিদির পায়ের কাছে এসে বসলাম। দিদি কিছুই বললোনা। আমি মনে
প্রানে প্রার্থনা করতে লাগলাম যেন
দিদি পা দিয়ে কিছু একটা করে আমার সাথে।
ঈশ্বর আমার প্রার্থনা শুনলেন। দিদি হটাত করেই তাঁর ডান পা আমার মুখের একদম
সামনে নিয়ে এসে আঙুল গুলো নাড়াতে
লাগলো। আমি নিজেকে ধরে রাখতে পারলাম না। দিদির পাটা হাত দিয়ে ধরে আমার গাল
পায়ের নিচে লাগিয়ে ঘষে দিলাম।
এই জিনিসের জন্যে সম্ভবত দিদিও প্রস্তুত ছিলোনা। সে পা সরিয়ে নিলো। আমিও লজ্জা
পেয়ে গেলাম
তারপর এক মাস আমি দিদির পায়ের কাছে বসিনি লজ্জায়। মনে মনে নিজেকে দুষতে
লাগলাম। আগ বাড়িয়ে পায়ে নাক মুখ
ঘসতে না গেলে হয়তো এখনো দিদি তাঁর পবিত্র পা দুটো দিয়ে আমার সাথে খেলা করতো
প্রতিনিয়ত। খুব আফসোস করতে
লাগলাম আমি। আর প্রতিদিন প্রার্থনা করতাম যেন আবার দিদি তাঁর পায়ের নিচে আমাকে
স্থান দেয়
ঈশ্বর আবারো আমার কথা শুনলেন। শীতকাল এসে গেছে তখন। একদিন সন্ধ্যা বেলা
কারেন্ট নাই। দিদির ঘরে মোমবাতি জ্বালানো।
একইভাবে আধ শোয়া হয়ে বসে আছে দিদি। দিদির পরনে নিল সোয়েটার,হাতে কালো
হাতমোজা,পায়ে কালো প্যান্ট,আর সাদা
একজোড়া মোজা। দিদির পেট থেকে পা পর্যন্ত কম্বল দিয়ে ঢাকা ছিলো। আমি দিদির ঘরে
আসতেই দিদি বললো ‘অন্তু এখানে আয়।
গল্প করি’।
আমি বিছানায় উঠতেই দিদি কম্বলের ভিতর থেকে তাঁর সাদা মোজা পরা একটি পা বের করে
ঠিক আমার মুখের সামনে এনে
বললো ‘এই দেখ ভুত’। আমার হার্টবিট বেড়ে গেলো। কিন্তু একইসাথে নিজেকে কন্ট্রোলে
রাখলাম। নিজেকে বুঝালাম যে দিদি
যেভাবে আমার সাথে খেলা করছে,আমাকেও সেভাবে খেলতে হবে,সিরিয়াস ফেমডমে চলে গেলে
এখানে হবেনা। তাই আমি ভুত
দেখার ভান করে হেসে বলে উঠলাম ‘ওরে বাবা!’
দিদি খিলখিলিয়ে হেসে উঠে মোজা পরা পায়ের তলা আমার মুখে ভালোভাবে ঘষে দিলো। আমি
বললাম ‘প্লিজ ভুত আমাকে মেরোনা।’
দিদি আবারো হেসে উঠে মোজা পরা পা দিয়ে আমার মুখে আস্তে আস্তে লাথি মারতে
লাগ্লো।আমি দিদির দুই মোজা পরা পা হাত দিয়ে
ধরে আমার মাথা নামিয়ে দিলাম,বললাম ‘প্লিজ ভুত,ক্ষমা চাচ্ছি তোমার কাছে,এইবারের
মত মাফ করে দাও’,বলে আমার কপাল
নিয়ে লাগালাম দিদির পায়ের উপর
দিদি মুচকি হেসে তাঁর মোজা পরা ডান পা টা আমার মাথার উপর নিয়ে রাখলো। ঘষতে
ঘসতে বললো ‘ঠিকাছে যা,এবারের মত
মাফ করে দিলাম’। আমি ‘ধন্যবাদ ভুত’ বলে দিদির মোজা পরা পায়ের আদর খেতে লাগলাম।
হটাত কারেন্ট চলে আসলো। কাজেই
আমি উঠে পড়তে চলে গেলাম।
পরের দিন সকালে দেখলাম দিদি তাঁর পায়ে আকাশী নীল রঙের এক জোড়া মোজা পরে আছে।
আমি বারবার দিদির রুমে যেতে
লাগলাম এই আশায় যে হয়তো কালকের মত আমাকে ডেকে বসতে বলে পা দিয়ে খেলা করবে।
কিন্তু দিদি একবারো ডাকলোনা
আমাকে। মন খারাপ হয়ে গেলো আমার।
সন্ধার পরই আমার ভাগ্য খুলে গেলো। আমার রুমে আমি ফ্লোরিং করে শুতাম।এভাবে
ঘুমাতেই আমার ভালো লাগ্লতো।সন্ধার পর
আমি আমার রুমে বিছানায় শুয়ে মোবাইল টিপছিলাম। হটাত কারেন্ট চলে গেলো। আমি
উঠলাম না। শুয়ে শুয়ে মোবাইল টিপতে
লাগলাম। হটাত দিদির গলার আওয়াজ পেলাম। দিদি তাঁর রুম থেকে আমাকে বললো
‘অন্তু,কি করছিস রে?’
– কিছুনা দিদি,শুয়ে আছি। দরকার কিছু?
– না,কাজ না থাকলে আয় গল্প করি
– এখনি আসছি দিদি
– না তুই থাক,আমি আসি। একটু সরে বস। নাহলে অন্ধকারের মধ্যে আবার তোর মুখের উপর
পারা দিয়ে দিবো আমি
আনন্দের জোয়ারে আমার মন ভেসে গেলো। বুঝলাম দিদি এখন ফেমডম মুডে আছে।আমি চুপচাপ
শুয়ে থাকলাম। দিদি আমার
রুমে এসে ঢুকলো। এমন না যে রুম ঘুটঘুটে অন্ধকার। সামান্য দেখা যাচ্ছে সবই। সেই
আলোয় আমি দেখলাম দিদি আকাশী
নীল মোজা পরে আছে। দিদি কিন্তু আবছা ভাবে দেখছে আমি কোথায় শুয়ে আছি।কিন্তু এমন
ভান করতে লাগলো যেনো কিছুই
দেখছেনা। ঠিক আমার মাথার সামনে এসে দুই পা আমার মাথার দুই পাশে রেখে দাড়ালো
দিদি।
– অন্তু, কোথায় গেলি? কিছুই দেখছিনা তো। দেখিস আবার পারা দিয়ে দেই নাকি তোর উপর
এটা বলেই দিদি তাঁর নীল মোজা পরা বাম পাটা আমার ঠিক মুখের উপর তুলে দিলো। আমি
স্বর্গে চলে গেলাম। দিদির মোজা
পরা পা আমার পুরো মুখ ঢেকে ফেললো। প্রায় ১২ ঘন্টা ধরে এই মোজা জোড়া পরে আছে
দিদি। তাই মোজায় গন্ধ হয়ে গেছে।
আনন্দে আমি তখন পাগল প্রায়
-কি হলো? কথা বলছিস না কেনো? কোথায় তুই?… আরে,আমার পায়ের নিচে এটা কি রে?
দেখিতো
মুচকি হাসতে হাসতে দিদি তাঁর নীল মোজা পরা পা আমার মুখের উপর ঘসতে লাগলো।

(পার্ট ২)

আমার মুখের উপর নীল মোজা পরা ডান পা রেখে দাড়িয়ে আছে আমার সুন্দরী দিদি। পায়ের
গোড়ালিটা আমার ঠোটের উপর রেখে ঘষতে ঘসতে আমার কপাল পর্যন্ত
নিয়ে আসছে। দিদির আঙুলের অংশটা এসে স্থির হচ্ছে আমার নাকের উপর। দিদির মোজার
মোহনীয় গন্ধ প্রান ভরে শুকছি আমি,আর ভাবছি আমার মত ভাগ্যবান
ভাই পৃথিবীতে কয়জন আছে যে নিজের দিদির মোজা পরা পায়ের আদর খেতে পারছে!
কিছুক্ষণ ঘসার পর দিদি তার মোজা পরা ২পা আমার মাথার ২ পাশে রেখে দাড়িয়ে নিচের
দিকে তাকালো। ‘আরে,এটা তোর মাথা ছিলো? একদমই খেয়াল করিনি রে।
ব্যাথা পেয়েছিস?’। ঠোটের কোনে মুচকি হাসি রেখে জিগ্যেস করলো আমাকে দিদি। আমি
বললাম ‘কি যে বলো। ব্যাথা কেনো পাবো হু? তুমি মাত্র ৪৫ কেজি। তুমি
আমার মুখের উপর উঠে দাড়িয়ে গেলেও আমার কিছু হবেনা’। দিদি খিলখিলিয়ে হেসে বললো
‘আচ্ছা তাই বুঝি? এতো শক্তি হয়েছে তোর? দাড়াবো তোর মুখের
উপর?’। আমার মনে হলো আমার হার্ট বাইরে বেড়িয়ে আসবে। উত্তেজনায় কান দিয়ে গরম
ধোয়া বেরোতে লাগলো। বললাম ‘হ্যা হয়েছেই তো। দাড়াও। কিছুই
হবেনা আমার’। বলতেই দিদি আমার মুখের উপর তার নীল মোজা পরা ডান পাটা রেখে
শরীরের সমস্ত ভর দিয়ে দাড়িয়ে গেলো। আমার মনে হলো আমার
নাক ভেঙ্গে যাবে,কিন্তু এই ব্যাথার মধ্যেও এক অদ্ভুত সুখ পেতে লাগলাম। মনে হলো
আমার দিদির পায়ের নিচে আমার জীবন চলে গেলেও আমার কিছু
যায় আসেনা। আমি শক্ত হয়ে শুয়ে রইলাম। দিদি মুখ থেকে এবার আমার বুকের উপর এসে
দাড়ালো। উপর থেকে আমার দিকে তাকিয়ে বললো ‘কি রে? কেমন
লাগলো?’। আমি বললাম ‘খুব আরাম লেগেছে। কি নরম তোমার পা’। দিদি হাহাহা করে
হাসতে লাগলো। মোজা পরা বাম পা টা আমার মুখের উপর রেখে
দুই তিনবার ঘষে বললো ‘এবার লাগছে আরাম? হা?’ তারপর হাসতে হাসতে আমার উপর থেকে
নেমে গেলো। বললো ‘আমার বিছানায় আয়। গল্প করবো’।
আমি আর দিদি ওর বিছানায় গিয়ে বসলাম।
বিছানায় সেই একই ভাবে দিদি আধশোয়া হয়ে হাটু ভাজ করে বসলো। আমি বসলাম দিদির
পায়ের কাছে। দিদি মোজা পরা ডান পাটা আমার কাধের উপর রেখে
আমার কাধ ঝাকাতে লাগলো। বুঝলাম দিদি আজ ১০০% ফেমডম মুডে আছে। এই সুযোগ মিস করা
যাবেনা। আমি দিদির বাম পাটা আমার কোলের উপর নিয়ে
টিপে দিতে লাগলাম। দিদি ভ্রু কুচকে বললো ‘কি হলো?’। বললাম ‘দিদির সেবা করছি।
শুনেছি দিদির সেবা করলে স্বর্গে যাওয়া যায়’। দিদি মুচকি হেসে তার নীল
মোজা পরা ডান পা আমার গালে লাগিয়ে আস্তে করে একটা ধাক্কা দিয়ে বললো ‘খুব
লক্ষ্মী হয়েছিস না? কবে তুই আমার সেবা করলি বলতো?’। আমি দিদির বাম
পা আমার বুকের উপর চেপে ধরে টিপে দিতে দিতে বললাম ‘বাহ,আগেতো ছোট ছিলাম। অনেক
কিছু বুঝতাম না। এখন বড় হয়েছি। এখন বুঝি যে দিদি আর
মায়ের সেবা করলে আমি স্বর্গে যেতে পারবো। আর তাদের কস্ট দিলে নরকে যেতে হবে।
তাই এখন থেকে শুধু দিদি আর মায়ের সেবা করতে থাকবো’। দিদি
মিস্টি হেসে ওর মোজা পরা ডান পায়ের তলা আমার মুখে একটু ঘষে দিয়ে বললো ‘খুব
লক্ষ্মী হয়েছিস তুই।’।
ঐদিন থেকে দিদি আর ইতস্ততবোধ করতোনা। আমি দিদির পায়ের কাছে বসলেই কথাচ্ছলে
আমার মুখে কাধে পা লাগাতো। আমিও দিদির পা টিপে দিতাম
ইচ্ছামতো। কোন অনুমতি লাগতোনা। দিদি স্কুল থেকে আসার পর ওর জুতা মোজা খুলে
বাথরুমে গোসলে ঢুকতো আর আমি চুপি চুপি ওর রুমে এসে
ওর নোংরা মোজা আমার নাকে চেপে ধরে গন্ধ শুকতাম। ওর জুতোজোড়ায় চুমু দিতাম। আমার
গালে ঘষতাম। দিদি বিছানায় আধশোয়া হয়ে গল্পের বই
পড়ার সময় আমি দিদির পা টিপে দিতে দিতে মাঝে মধ্যে আমার গালে এনে লাগাতাম।
বলতাম ‘কি নরম। একটু গালে ঘষি দিদি?’। দিদি মুচকি হেসে গালে আস্তে
করে একটা লাথি মেরে গল্পের বইয়ে মনোনিবেশ করতো। আমি দিদির পায়ের নিচে নাক মুখ
পাগলের মত ঘষতে থাকতাম। দিদি বাধা দিতোনা।
কয়েক বছর হলো দিদির বিয়ে হয়েছে। শ্বশুরবাড়ি আমাদের শহরেই। দিদি আর আমার ফেমডম
লাইফ বন্ধ বললেই চলে। শ্বশুরবাড়িতে সবার সামনে
এসব করা সম্ভব না। খুব মিস করি দিদির পায়ের স্পর্শ,দিদির মোজার ঘ্রান। তবু
সবসময় ঈশ্বরকে ধন্যবাদ জানাই আমাকে আমার সুন্দরী দিদির
সেবা করার সুযোগ দেওয়ার জন্যে।

 

অনুষ্কা…

 

১……

 

আমার,আর মুড বহুবছর ধরেই ভাল নেই,বিশেষ করে গত মাস দেড়েক, আর উতসবের দিন এলে আরও খারাপ হয়ে যায়। বোধহয় যেকোন একাকিত্বে ভোগা লোকেরই তাই হয়। দিনটা ছিল কালীপুজার, সব লোকে হয় বন্ধু-বান্ধবীর সাথে প্যান্ডেলে ঘুরছে বা বাজি ফাটিয়ে দিওয়ালি পালন করছে। উতসবের দিনগুলোয় আমার সেরকম কিছুই করার থাকে না, আমি সারাদুপুর কিন্ডলে কেনা ফেমডম উপন্যাস শেষ করে কখন যেন ঘুমিয়ে পরেছিলাম। ঘুম ভাঙল বেলের শব্দে। ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখি সন্ধ্যা ৬ টা ১০। “এখন আবার কে এল?” ভাবতে ভাবতে আমি একটু বিরক্তি নিয়েই দরজা খুলতে উঠলাম। দরজা খুলে একটু অবাকই হলাম। দরজার সামনে দাঁড়িয়ে অনুষ্কা আর তনুষ্কা ।

“ তাড়াতাড়ি দরজা খোল”, অনুষ্কা আমাকে তাড়া দিল।

আমি তাড়াতাড়ি দরজা খুলে দিলাম, তবু অনুষ্কা মুখে হাসি ঝুলিয়ে আমাকে মৃদু ধমক দিল,” দরজা খুলতে এত সময় লাগে?”

“ সরি,” বলে আমি ওদের পিছন পিছন ঘরে ঢুকলাম।

ওরা দুইবোনই আমাদের পাশের বাড়িতে থাকে অনুষ্কা সবে ১৫ পূর্ন করেছে, ক্লাস ১০ এ পড়ে ও। আর তনুষ্কা ওর থেকে সাড়ে চার বছরের ছোট, এখন ওর বয়স সাড়ে ১০, ওর এখন ক্লাস ৫। অনুষ্কার ডাক নাম অনু আর তনুষ্কার তনু। তনুষ্কার গায়ের রঙ খুব ফর্শা , আর এই বয়সেই অপরুপ সুন্দরী হবে ও সেটা বেশ বোঝা যায়। অনুষ্কা ওর ছোট বোনের মতো অত ফর্শা না, ওর গায়ের রঙ অল্প ফর্শা বলা যায়। তবে ওর মুখ অসাধারন সুন্দর, যেন সৌন্দর্যের দেবী নিজে হাতে অনেক পরিশ্রম করে ওর মুখ সৃষ্টি করেছে। ওর উচ্চতা প্রায় ৫’৩”, গড়ন রোগার দিকে। ওকে দেখে ওর সৌন্দর্যে মোহিত হয়ে যায় না এমন ছেলে খুব কম আছে।

ছোটথেকেই ও প্রায় রোজ আমাদের বাড়িতে আসে। ওর প্রতি চিরকালই আমি ভিশন সাবমিসিভ ব্যবহার করে এসেছি।  ও কখনও কিছু আবদার করলে চেষ্টা করেছি সঙ্গে সঙ্গে সেটা কিনে দেওয়ার। সেই সাথে মাঝে মাঝেই ওকে প্রনাম করে বা অন্য কোন ভাবে ওর প্রতি আমার ভক্তি প্রকাশ করার চেষ্টা করেছি কিছুটা।  কখনও ও সেটা স্বাভাবিক ভাবে নিত, কখনও অল্প বাধাও দিত। তবে শেষ ১-২ বছর ও সেটাকে অনেক স্বাভাবিকভাবে নিত। তবে মন যতই চাক, ওর পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করা বা ওর পা টিপে দেওয়ার চেয়ে বেশি সেবা করতে চাওয়ার অনুরোধ করারও সাহস হয়নি কখনও। ফলে ওকে এর বেশি সেবা করার সৌভাগ্যও হয়নি কখনও। তবে স্বপ্নে বহুবছর ধরেই ওর চাকর, ওর ক্রীতদাস হয়ে ওকে সেবা করে আসছি আমি।

ওদের বাবা একটা প্রাইভেট কম্পানিতে অফিসার র‍্যাংকে চাকরি করত। মাস দেড়েক আগে হঠাত একদিন ভোরে ওর বাবা হার্ট এটাকে মারা যান।  ওদের পরিবারের সদস্য বলতে ছিল ওদের বাবা, মা সীমা আর ওরা দুই বোন। হঠাত ওদের বাবার মৃত্যুতে স্বভাবতই মা আর ওরা দুইবোন বেশ ভেঙ্গে পড়ে। ফলে আগে ওরা , বিশেষ করে অনুষ্কা রোজ কয়েক ঘন্টা আমাদের বাড়িতে কাটালেও এই দেড় মাসে একবারও আসেনি। আমি অনুষ্কাকে অল্প যেটুকু সেবা করার সুযোগ পেতাম, যেটুকু সাবমিসিভনেস দেখাতে পারতাম আমার প্রায় অর্ধেক বয়সী এই মেয়েটাকে, সেটা স্বভাবতই খুব এঞ্জয় করতাম। এই মাস দেড়েক সেটা জীবন থেকে চলে যাওয়ায় স্বভাবতই আমি খুব ডিপ্রেসড হয়ে পরেছিলাম। ডিপ্রেশন কমানোর জন্য আমি অফিসের সময় বাদে বাকি বেশিরভাগটা ফেমডম গল্প লিখে বা পড়ে কাটাতে শুরু করেছিলাম।  আমার জীবনে করার মতো আর বিশেষ কিছু ছিলও না অবশ্য। আমার বন্ধু বান্ধব চিরকালই কম, আর এখন তাদের কেউই এই শহরে থাকে না। আমার পরিবারেও কাছের বলতে কেউ ছিল না। বড় বাড়িতে আমি আর আমার সৎ মা , শুধু দুজন বাস করতাম। তার সাথে আমার প্রায় কোনই কথা হত না বহুদিন, বাড়ির দুজনের অংশও আলাদা করা ছিল। আমার নিজের মা আমার ছোটবেলাতেই মারা যান, আর আমার বাবা বছর দুয়েক আগে। আমার একমাত্র দাদা বিয়ের পর জার্মানিতে পার্মানেন্টলি সেটল্ড। ফলে সাবমিসিভনেসের অতলে তলিয়ে যাওয়া ছাড়া আমার আর বিশেষ কোন অপশন ছিল না।আমার বয়স এখন ২৯, আমার চাকরিতে স্যালারি খুবই ভাল, কিন্তু দিনে মাত্র চার সাড়ে চার ঘন্টা ডিউটি করতে হত রোজ। ফলে বাড়ি থেকে রোজ ১১ টায় বেড়িয়ে ৪ টের মধ্যেই বাড়ি ফিরে আসতাম। একা বন্ধুহীন জীবনে অনুষ্কার অনুপস্থিতিতে এই দেড়মাস ওই সময়টাকে সুদীর্ঘ মনে হত। একাকিত্ব কাটাতে যত আমি ফেমডমের রঙ্গীন নেশার জগতে ডুবে যেতাম তত মন আরও সাবমিসিভ হয়ে পরত সুন্দরী মেয়েদের প্রতি।

তারমধ্যেই এই দেড় মাস মাঝে মাঝেই মনে হত অনুষ্কা আর ওদের ৩ জনের পরিবারে কথা। ওর মা সীমার বয়স এখন ৩৬-৩৭ হবে । এখনও যথেষ্ট সুন্দরী, দেখলে আরও কম বয়স মনে হয়। কিন্তু সাধারন একজন গ্রেজুয়েট মহিলার পক্ষে এতদিন পর চাকরি যোগাড় করা খুব কঠিন। ওদের বাবার মৃত্যু ছাড়াও ওরা যে গভীর আর্থিক সমস্যায় পড়তে চলেছে সেটা বুঝে ভিশন খারাপ লাগত। বিশেষ করে বহু বছর যেই মেয়েকে অল্প সেবা করেছি, মনে মনে প্রভুর স্থানে বসিয়ে তাদের কষ্ট দিনদিন মেয়েদের প্রতি আরও সাবমিসিভ হয়ে ওঠা আমি একদমই মেনে নিতে পারতাম না। ঈশ, জীবনটা যদি ফেমডম গল্পের মতো হত, আর আমি যদি নিজের মাইনের সব টাকা ওদের হাতে তুলে দিয়ে পরিবর্তে ওদের বিনা মাইনের চকরের মতো ওদের ফাই ফরমাশ খাটতে পারতাম কি ভালই না হত !

অনুষ্কার পরনে একটা সাদা টপ, পায়ে নীল; লেগিন্স, পায়ে সাদা মোজা আর স্নিকার। ওর বোন তনুষ্কার পরনে গোলাপী-সাদা ফ্রক, পায়ে ছাই রঙের কিটো। দুই বোনকেই অপুর্ব সুন্দরী লাগছে দেখতে।

“  কি করছিলে রনিদা?”, অনু সোফায় বসে জিজ্ঞাসা করল আমাকে। তনুও ওর পাশে বসল।

“ ঘুমাচ্ছিলাম”, আমি ওদের পায়ের থেকে ফুট দুয়েক দূরে মেঝেতে বসে বললাম। বহুদিন বাদে অনুকে দেখে ভিশন ভাল লাগছিল আমার। ইচ্ছা করছিল একবার ওর জুতো পরা পায়ের উপর মাথা রেখে প্রনাম করতে। তনুষ্কার সামনে কয়েকবার ওর দিদির পায়ে হাত দিয়ে প্রনাম করেছি আমি, কিন্তু অনেকদিন পরে দেখা হওয়ায় সাহস পেলাম না।

“ কালীপুজার দিন ঘরে শুয়ে ঘুমাচ্ছ? রেডি হও, চলো একটু ঘুরে আসি আর বাজি কিনে নিয়ে আসি”।

“ চল, আমি এক্ষুনি আসছি”, বলে আমি রেডি হতে গেলাম। বাবার মৃত্যু কাটিয়ে দুইবোন স্বাভাবিক হওয়ার চেষ্টা করছে দেখে ভাল লাগল।

প্রায় ঘন্টা দেড়েক পরে কিছুটা ঘুরে, বাইরে খেয়ে , অনেক বাজি আর মোমবাতি কিনে ফিরলাম। ওদের জন্য চকোলেট , আইস্ক্রীম, কোল্ড ড্রিংক্স সহ আরও অনেককিছুও কেনা হল। প্রায় হাজার খানেক টাকার বাজি, বাকি খরচও হল প্রায় কাছাকাছি। আমি খুশি মনে খরচ করলাম, মনে মনে যাকে প্রভু বলে ডাকি তার জন্য খরচ করব না তো কার জন্য করব?

 

 

২……

 

বাড়ি ঢুকতেই অনু বলল, “রনিদা, আইস্ক্রীম দাও আমাদের”।

ওরা দুই বোন সোফাতে বসল। আমি “ এক্ষুনি দিচ্ছি” বলে ব্যাগ থেকে ওদের হাতে আইস্ক্রীম দিয়ে জুতো খুলে ভিতরে ঘরে গিয়ে ওদের বাকি খাওয়ার জিনিস ফ্রিজে রেখে ফিরে এলাম বাইরের ঘরে। আবার আগের মতো ওদের পায়ের থেকে ফুট দুয়েক দূরে মেঝেতে বসলাম আমি।

অনুষ্কা আইসক্রীম খেতে খেতে কিরকম এক দুষ্টুমিতে ভরা চোখে আমার দিকে তাকিয়ে রইল কিছুক্ষণ। তারপর আমার চোখের দিকে তাকিয়ে প্রশ্ন করল, “ রনিদা, প্রনাম করবে না আমাকে?”

অনুষ্কার কথায় আমি ঘাবড়ে গেলাম কিছুটা। আমি কি ঠিক শুনলাম। অনু একা থাকলে আমি ওর পায়ে মাথা রেখে আগে প্রায়ই প্রনাম করতাম, শেষ বছর দুয়েক ও তাতে বাধাও দিত না ঠিকই। এমনকি , তনুর সামনেও ওর পায়ে হাত দিয়ে প্রয়াম করেছি কয়েকবার। কিন্তু আজ অব্দি কখনও অনু নিজে থেকে ওকে প্রনাম করতে বলেনি। আর আজ কি ও সত্যিই নিজে থেকে আমার প্রনাম নিতে চাইছে? তাও ওর ছোট বোন তনুর সামনেই? আমার মুখ থেকে বেরিয়ে গেল, “ কি?”

অনু আইসক্রীমটা শেষ করে ফাঁকা বাটিটা টেবিলের উপরে রেখে মুখে যেন একটু রাগ ফুটিয়ে  বলল,

“ আমাকে প্রনাম করে বললাম । থাক, ইচ্ছা না করলে করতে হবে না। চল বোন বাড়ি যাই”।

আমার যেন নিজের কানকে এখনও বিশ্বাস হচ্ছিল না । সত্যি কি অনু নিজে থেকে আমাকে বলছে ওকে প্রনাম করতে? তাও ওর ছোট বোন তনুর সামনেই? আমি দেরী করলাম না, তনুর সামনেই ওর দিদি অনুর জুতো পরা পায়ের উপর মাথা রেখে ওকে শাষ্টাঙ্গে প্রনাম করলাম। ওর জুতো পরা পায়ের উপর মাথা রেখে ভক্তিভরে ওকে প্রনামরত অবস্থায় শুয়ে রইলাম আমি। প্রায় পাঁচ মিনিট এইভাবে অনুর জুতো পরা পায়ের উপর নিজের মাথা রেখে পরে রইলাম আমি। আমার হৃৎপিণ্ড উত্তেজনায় যেন ফেটে দেহ থেকে বেড়িয়ে আসতে চাইছে! উফ, কি যে আনন্দ হচ্ছে আমার! এভাবে অনু ওর ছোট বোনের সামনে আমার টাকায় কেনা দামী আইসক্রীম খেতে খেতে নিজে থেকে আমাকে দিয়ে ওর জুতো পরা পায়ের উপর মাথা রাখিয়ে আমার প্রনাম নেবে , আমি সেটা স্বপ্নেও ভাবতে পারিনি কোনদিন।

পাঁচমিনিট ধরে আমি অনুর জুতো পরা দুই পায়ের উপর মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করলাম। অনু আমাকে এরমধ্যে একবারও ওর পা থেকে মাথা সরাতে তো বলেওনি বরং মাঝে মাঝেই জুতো পরা একটা পা তুলে ওর সাদা স্নিকারের তলাটা আমার মাথার উপরে বোলাচ্ছিল আর  কালীপুজোর কোন ঠাকুর আর কোন মূর্তিটা ভাল হয়েছে তাই নিয়ে কথা বলছিল ওর বোন তনুর সাথে । আর আমি শুয়ে ছিলাম আমার থেকে সাড়ে চোদ্দ বছরের ছোট পরমা সুন্দরী অনুষ্কার জুতো পরা পায়ের উপরে মাথা রেখে! আমার মনে হচ্ছিল আমি বুঝি স্বর্গ্বে আছি!! আমি ভক্তিভরে আমার প্রভু অনুষ্কার জুতো পরা পায়ের উপর মাথা রেখে ওকে প্রনামরত অবস্থায় শুয়ে ছিলাম। উপর থেকে দুই বোনের কথার ফাঁকে ফাঁকে মাঝে মাঝেই খুক খুক হাসির আওয়াজে বুঝতে পারছিলাম অনুষ্কার কাছে আমার হিউমিলিএশন ওরা দুই বোনই খুব এঞ্জয় করছে।

প্রায় ৫ মিনিট পর তনু পাশ থেকে ওর কিটো পরা পা দিয়ে আমার মাথায় একটা খোঁচা দিয়ে বলল, “ এবার আমাকে প্রনাম কর”।

আমি অনুষ্কার জুতোর উপর থেকে মুখ তুলে ওর মুখের দিকে তাকালাম ওরে উত্তরের আশায়। অনু মুখে কিছু বলল না, জুতো পরা ডান পায়ের তলা দিয়ে আমার মাথাটা ঠেলে দিল ওর বোনের পায়ের দিকে। বুঝলাম, আমার ‘ প্রভু’ চায় আমি ওর বোনকেও প্রনাম করি। আমি অনুর পা থেকে মাথা তুলে তনুর কিটো পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে ওকে প্রনাম করে মেঝেতে হাটুগেড়ে বসলাম ওদের পায়ের কাছে।

“ আমার ডান গালে আলতো একটা চড় মেরে অনুষ্কা বলল, “ রনিদা, চল ছাদে গিয়ে মোমবাতি লাগিয়ে তারপর বাজি ফাটাই।

আমি নিজে থেকেই অনুষ্কার জুতো পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে আরেকবার ওকে প্রনাম করে বললাম, “ চল”। অনুষ্কা সত্যিই নিজের বোনের সামনে এইভাবে আমাকে দিয়ে ওর জুতো পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করাল আমাকে দিয়ে? তারপর সত্যিই নিজের বাইরে পরার স্নিকারের তলা আমার চুলের উপর ঘষল ইচ্ছামতো? হঠাত করে এসব কি করে হচ্ছে? আমার বিষ্ময় যেন তখনও কাটছিল না।

 

৩……

 

অনুষ্কা আমার দিকে তাকিয়ে দুষ্টুমিতে ভরা চোখে তাকাল, “ কিন্তু রনিদা, আমরা তোপ এখনই বাইরে থেকে এলাম। জুতোর তলায় নোংরা লেগে আছে। তোমাদের সিঁড়ি আর ঘর তো নোংরা হয়ে যাবে”।

এতক্ষন এই জুতোর তলাই হাসিমুখে আমার মাথার উপরে ঘষছিল অনুষ্কা আর এখন ভাবছে এই জুতো পরে উপরে গেলে ঘর নোংরা হয়ে যাবে? আমি বুঝতে পারছিলাম অনুষ্কা আসলে অন্য কিছু চাইছে।

কিছু হবে না ম্যাডাম, আর তুমি তো তোমার জুতোর তলা আমার মাথায় ঘষে পরিষ্কার করে নিয়েছ”। অনুষ্কার প্রতি অত্যধিক শ্রদ্ধায় ওর পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে থাকা অবস্থায় আমার হাতজোড় হয়ে গেল।

“ না রনিদা, তুমি বরং এক কাজ কর। আমার পায়ের তলায় হাত পেতে দাও। আমি যেখানে পা দেব সেখানে তার আগেই তুমি হাত পেতে দেবে, আমি তার উপরে আবার আবার পা রাখব। তাহলে আর তোমার ঘর নোংরা হবে না”, মুচকি হাসি দিয়ে বলল অনুষ্কা। আর অনুষ্কার এমন সহজ সমাধান শুনে ওর বোন তনুষ্কা হো হো করে হাসতে লাগল।

“নিশ্চয়ই ম্যাডাম, তুমি যা বলবে”, বলে আমি অনুষ্কার পায়ের সামনে ডান হাতের পাতে পেতে দিলাম। অনু তার উপরে জুতো পরা বাঁ পা রাখল। আমি আর একটু সামনে আমার বাঁ হাতের পাতাপেতে দিলে অনু তার উপরে নিজের জুতো পরা ডান পা টা রাখল। আমি ভক্তিভরে অনুর দুই জুতো পরা পায়ের উপরেই মাথা রেখে প্রনাম করলাম একবার করে, শ্রদ্ধা ভরে চুম্বন করলাম ওর জুতোর উপরে। তারপর ডান হাতের পাতা একটু সামনে পেতে দিলাম, অনু তার উপরে বাঁ পা রাখতে ওর বাঁ জুতোর উপর চুম্বন করে বাঁ হাত তুলে পাতাটা পেতে দিলাম ওর ডান পা রাখার জন্য। তারপর একইভাবে ওর ডান জুতোর উপরে ভক্তিভরে চুম্বন করে ডান হাতের পাতাটা সামনে পেতে দিলাম অনুর বাঁ পা রাখার জন্য।  এইভাবে আমার হাতের পাতায় জুতো পরা পা রেখে অনু সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠতে লাগল। অনুকে এইভাবে আমাকে ডমিনেট করতে দেখে খুক খুক করে হাসতে হাসতে বাজির প্যাকেট হাতে নিয়ে আমাদের একটু সামনে দিয়ে উঠতে লাগল অনুর ছোট বোন তনু। আমার হাতে বেশ যন্ত্রনা করছিল বারবার অনুর জুতোর তলা আর শক্ত সিমেন্টের মাঝে পিষ্ট হওয়ার জন্য। তবু সেই যন্ত্রনাও ভিশন ভাল লাগছিল তার উৎস আমার চিরকালীন কল্পনার প্রভু অনুষ্কার হওয়ায়।  সত্যি তো, অনুর মতো সুন্দরী মেয়ের কাছ থেকে যন্ত্রনা নেওয়া, তাকে এইভাবে সেবা করতে পারাও গর্বের বিষয়। অনু আমার হাতের উপর পা রেখে উপরে উঠতে লাগল আর আমি বারবার ওর জুতো পরা পায়ের উপরে ভক্তিভরে চুম্বন এঁকে দিতে লাগলাম তনুর সামনেই। তিনতলার ছাদে পৌঁছে অনু আমার হাতের উপর থেকে নামল। আমি প্রবল ভক্তিভরে খোলা ছাদেই অনুর জুতো পরা পায়ের উপর মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করলাম ওকে, ওর জুতোর উপর আবার ভক্তিভরে চুম্বন এঁকে দিলাম।

ছাদে পৌছে আমি কিছু মোমবাতি পরপর ছাদের পাঁচিলে লাগালাম আর ওরা দুই বোন বাজির প্যাকেট খুলে একের পর এক বাজি ফাটাতে ফাটাতে নিজেদের মধ্যে গল্প করতে লাগল। ওদের হাবভাব দেখে মনে হচ্ছিল যেন ছাদে ওরা দুজনেই আছে, আমি নেই। আমাকে অনুর এইভাবে ডমিনেট করার পর আনন্দের মুহুর্তে এইভাবে আমাকে উপেক্ষা করা ওর প্রতি আমার সাবমিসিভনেস, আমার ভক্তি আরও বাড়িয়ে তুলছিল। ইচ্ছা করছিল আবার ওর জুতো পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করতে । কিন্তু অনেক মোমবাতির আলোয় ছাদ আলোকিত অনেক, আশেপাশের বাড়ির ছাদেও অনেকেই আছে। তারা দেখলে কি ভাববে আর অনুও সবার সামনে আমাকে এতটা হিউমিলিয়েট করতে রাজি হবে কিনা বুঝতে না পেরে আমি চুপ করে ওদের পায়ের কাছে ছাদের মেঝেতে বসে রইলাম। ওরা বাজি ফাটানো শেষ করতে অনু আর আগের মতো আমার হাতের পাতার উপর পা রেখে নামতে উতসাহ দেখাল না। দুই বোনই জুতো পরা পায়ে সিঁড়ি দিয়ে নিচে নেমে গেল। ওরা বাড়ি যাওয়ার আগে অনু হাসিমুখে বলল, “ কাল সন্ধ্যায় আবার আসব কিন্তু রনিদা, রেডি থাকিস”। “ নিশ্চয়ই ম্যাডাম বলে আমি প্রায় আমার অর্ধেক বয়সী অনুষ্কার জুতো পরা পায়ের উপর মাথা রেখে প্রনাম করলাম। অনু জীবনে প্রথমবার আমাকে ‘তুই’ করে বলায় ভিশন ভাল লাগল আমার।

“ আর আমার প্রনাম?” , পাশ থেকে তনুষ্কা বলল। অনুষ্কা ওর জুতো পরা ডান পা দিয়ে আমার গালে আলতো একটা লাথি মেরে বলল বোনকেও প্রনাম কর।

“ নিশ্চয়ই ম্যাডাম”, বলে আমি তনুষ্কার কিটো পরা পায়ে মাথা রেখে প্রায় একইরকম ভক্তিভরে ওকেও প্রনাম করলাম। তারপর ওদের সাথে বেরোলাম ঘর থেকে। আমাদের ঠিক পাশের বাড়িটাই ওদের , মাঝের পাঁচিলে মাত্র ৪-৫ টা ইঁট গাথা হওয়ায় সহজেই যে কেউ টপকে যেতে পারে। অনু- তনু পাঁচিল টপকে ওদের বাড়িতে ঢুকে গেলো। আর আমি ঘরে ঢুকে খাটে শুয়ে পরলাম সোজা হয়ে। আমি কি স্বপ্ন দেখলাম এতক্ষন?   নাকি সত্যিই অনু ছোট বোন তনুর সামনেই এইভাবে আমাকে ডমিনেট করল এতক্ষন? হঠাত করে অনু এত ডমিনেটিং হয়ে গেল কেন? কোন বিশেষ কারনের জন্য কি অনু আজকের জন্য ডমিনেটিং হয়ে গিয়েছিল? কাল থেকে কি আবার আগের মতো আচরন করতে শুরু করবে? নাকি অনু বুঝতে পেরেছে আমাকে ডমিনেট করে নিয়ন্ত্রন করলে আমি ওদের এই জটিল আর্থিক পরিস্থিতিতে অনেক কাজে আসতে পারি? নাকি তার বিকল্প ব্যবস্থা ওরা করে ফেলেছে , অনু শুধুই ডোমিনেশন এঞ্জয় করতে চায় এখন থেকে? আমি পুরও নিশ্চিত হতে পারছিলাম না, কিন্তু মন বলছিল অনু বুঝতে পেরেছে ওদের এই আর্থিক শোচনীয়তা থেকে বেরনোর অস্ত্র হতে পারি আমি , আর সেই জন্যই ও আমাকে এইভাবে ডমিনেট করে নিয়ন্ত্রন করতে চাইছে। এবং সেটা হয়ত ওর বোন তনুর মতো ওর মা সীমাও জানে!! তাহলে কি খুব তাড়াতাড়ি ওর মায়ের সামনেও এইভাবে আমাকে ডমিনেট করবে অনু? উফ, ভাবতেই কি আনন্দ!!

পরের দুইদিনও অনেকটা একইরকম স্বপ্নের ঘোরেই কাটল। এই দুইদিনও অনু আর তনু সন্ধ্যাবেলায় আমার বাড়িতে উপস্থিত হয়েছিল। এই দুই দিনও অনু আর তনু প্রথমে আমার পয়াসায় ভাল রেস্টুরেন্টে খেল, তারপর অনেক বাজি কিনল। পরের দিন তো শপিং মলে ঢুকে অনেক শপিংও করল ওরা। তারপর বাড়ি ফিরে সেই একভাবে আমাকে দিয়ে প্রনাম করাল ওরা। অনু যথারীতি আমার মাথার উপর জুতো পরা পায়ের তলাও ঘষল কিছুক্ষণ। সাথে আমার জন্য ওদের অনেক হাঁটতে হয়েছে আর তার ফলে ওদের পায়ে ব্যাথা হয়েছে এই অজুহাত দিয়ে আমাকে দিয়ে পাও টেপাল ওরা দুই বোন। আমি ভক্তিভরেই ওদের দুই বোনের পা টিপে দিলাম দুই দিনই। তারপর সেই একইভাবে আমার হাতের উপর জুতো পরা পা রেখে তিনতলার ছাদে বাজি ফাটাতে উঠল অনুষ্কা। আর ওরা বাড়ি ফেরার আগে একইরকম ভক্তিভরে ওদের পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করলাম আমি। শেষদিন বাড়ি যাওয়ার আগে অনু বলল, “ কাল সকালে দামী চকোলেট আর গিফট নিয়ে আমাদের বাড়িতে ভাইফোঁটা নিতে যাবি রনিদা। মনে রাখিস, গিফট খারাপ হলে মুখে লাথি খাবি”। এইবলে ওরা দুইবোন বাড়ি চলে গেল। আর আমি বেরলাম ওদের জন্য দামী গিফট আর চকোলেট কিনতে। কাল কি ভাইফোঁটার পর ওর মার সামনেও অনু আমাকে বলবে ওর পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করতে? উফ, ভাবতেই যা সুখ! আমি গিফট কিনতে মার্কেটে ঢুকলাম আর আমার মন স্বপ্ন দেখতে লাগল একদিন পাড়ার সবার চোখের সামনে অনুর জুতো পরা পায়ের উপর মাথা ঠেকিয়ে ভক্তিভরে প্রনাম করব আমি , আর তার জবাবে অনু আমার মাথার উপর জুতো পরা পা রেখে হাসিমুখে আমাকে আশীর্বাদ করবে!!

( চলবে)…

 

 

রিয়া……

 

এক…

 

রিয়ার মনটা খুব ভাল এখন। নিজের ভাগ্যকে সে কিছুদিন থেকেই বিশ্বাস করতে পারছে না। ছোট থেকেই সে দেখে এসেছে বাবা মা তার চেয়ে দাদাকেই বেশি ভালবাসে। অবশ্য তার দাদা পড়াশোনায় এত ভাল যে সেটা অস্বাভাবিক কিছু না। রিয়ার চেহারা খুবই মিষ্টি, সুন্দরী, কিন্তু পড়াশোনায় সে চিরদিনই ফাঁকিবাজ। সে কারণে বাবা মা তার চেয়ে তার চার বছরের বড় দাদাকে একটু বেশিই ভালবাসে।
অবশ্য ওর দাদা রাজা যে এই অতিরিক্ত ভালবাসার সুযোগ নিয়েছে কখনও এমন না। নিজের ছোট বোন রিয়াকে সে চিরদিনই খুব ভালবাসে। হয়ত নিজের থেকেও একটু বেশি। বাবা মা চিরদিন রাজাকে রিয়ার চেয়ে বেশি হাতখরচ দিত, রিয়া চাইলেই তা থেকে ভাগ দিত রাজা। কেউ কোন উপহার দিলেও ছোট বোনের সংগে ভাগ করে নিত। এমনকি বোন কোন কিছু চাইলে যেভাবেই হোক সেটা পূর্ন করত রাজা।
তবু, বাবা মায়ের দাদার প্রতি পক্ষপাতিত্বপূর্ন আচরন এর পরও খুব ব্যথা দিত রিয়াকে। ক্রমশ রিয়া যখন বুঝল, দাদা তাকে খুব ভালবাসে, এবং সে যা চাইবে তাই তাকে দেবে দাদা, সে তখন এর প্রতিশোধ নিতে শুরু করল দাদার উপর। বাবা মার সামনে সে আসতে আসতে দাদার উপর ছোটখাট হুকুম করতে শুরু করল। রাজা হাসিমুখে চার বছরের ছোট সুন্দরী মিষ্টি বোন রিয়ার সব হুকুম পালন করত। রিয়া তখন ক্লাস ৭ এ উঠেছে সবে। “দাদা, টিভির রিমোট এনে দে, দাদা জল নিয়ে আয়, দাদা স্কুল থেকে ফেরার সময় আমার জন্য চকোলেট আনবি, নাহলে মার খাবি”, এইভাবেই দাদার উপর হুকুম করত রিয়া। তার বাধ্য দাদা বিনা প্রশ্নে হাসিমুখে তার সব আদেশ পালন করত। আর বাবা মা কে দেখিয়ে তাদের সামনে দাদাকে হুকুম করতে দারুন লাগত রিয়ার। বাবা মা যে দাদাকে বেশি ভালবাসে, তাকে কম, এর দারুন প্রতিশোধ সে নিচ্ছে এই ভেবে দারুন খুশি হত তার মন।
তবে তার বাবা মা স্বাভাবিকভাবেই দাদার সাথে তার এই আচরন পছন্দ করত না। তাকে বকতো দাদার সাথে এই আচরনের জন্য। অথচ, দাদাই বলত কি হয়েছে মা এতে, দাদা কি বোনের জন্য এটুকু করতে পারে না?

তার দাদা তখন সদ্য মাধ্যমিক পাশ করে ১১ এ উঠেছে। বাবা মার বাধ্য ভাল ছেলে রাজা দারুন রেজাল্ট করেছিল, রাজ্যের মধ্যে প্রথম ২০ র মধ্যে স্থান পেয়েছিল সে। তার বাবা মা ভয়ানক খুশি হয়েছিল রেজাল্ট বেরনোর দিন। বাবা মার সব মনযোগ দাদার দিকে যাওয়া রিয়ার মনে হিংসার উদ্রেক করছিল। সে মনমরা হয়ে বসেছিল পাশের ঘরে। দাদা রেজাল্ট নিয়ে সবে ঘরে ফিরেছে। বাবা তাকে জড়িয়ে ধরে বলল,” আমি আজ দারুন খুশি রে রাজা। আমাদের মুখ উজ্জ্বল করেছিস তুই। কি চাস বল তুই।”
রাজা বলল, ” প্রমিস কর আমি যা চাই তাই দেবে। না করবে না।”
ওদের বাবা খুশি গলায় বলল, ” নিশ্চয়ই দেব। প্রমিস।”
রাজা দু:খ মিশ্রিত স্বরে বলল, ” আমি পড়াশোনায় ভাল আর রিয়া একটু খারাপ বলে তোমরা রিয়াকে অবহেলা কর এটা কি ঠিক? তোমরা আমাকে নিয়ে আনন্দ করছ আর আমার বোনটা পাশের ঘরে মন খারাপ করে বসে আছে। তোমাদের কি একটুও খারাপ লাগে না। আমার আর কিছু চাই না। শুধু কথা দাও ওকে তোমরা আর বকবে না। ওর দায়িত্ব আমার, ওর খারাপ কিছু হলে আমাকে বল। আর ও আমাকে হুকুম করুক, যা খুশি বলুক, তোমরা বাধা দেবে না। আর আমাকে তোমরা এখন থেকে যা উপহার বা হাতখরচ দেবে, রিয়াকে অন্তত তার দ্বিগুণ দেবে। প্রমিস করেছিলে কিন্তু আমি যা চাইব দেবে বাবা।”
দাদার কথা শুনে অবাক হয়ে গিয়েছিল রিয়া। এ কি চাইছে তার দাদা? এরকম কেউ চাইতে পারে? পাশের ঘরের পর্দার ফাঁক দিয়ে সে উঁকি মেরে তাকিয়েছিল বাবা আর দাদার দিকে। বাবার চোখের চাউনি অদ্ভুত হয়ে গিয়েছিল ওর দাদার কথায়। ” এটা আবার কি অদ্ভুত কথা। কোথায় নিজের জন্য ভাল কিছু চাইবি, একটা ল্যাপটপ, বাইক বা অন্তত ভাল মোবাইল। তার বদলে তুই নিজের চেয়ে বোনকে বেশি জিনিস দেওয়ার জন্য রিকোয়েস্ট করছিস? পাগলামি ছাড়, ওকেও নাহয় তোর সমান হাতখরচ দেব। এখন তুই কি নিবি বল।”
রাজার গলার স্বর শক্ত হল” তুমি প্রমিস করেছিলে বাবা, আমি যা চাই তাই দেবে। আর আমি রিয়াকে কতটা ভালবাসি, তোমরা কল্পনাও করতে পারবে না। আমার গালে একটা থাপ্পর মারার পর যদি রিয়ার মুখে হাসি ফুটে ওঠে, তাহলে সেই হাসির দাম আমার কাছে কোটি টাকার চেয়েও বেশি।”
” ঠিক আছে, তাই হবে যা তুই চাইছিস। এখন থেকে তোকে ১০ টাকা দিলে রিয়াকে ২০ টাকা দেব। ওর ভবিষ্যতের চিন্তাও তোর উপর ছেড়ে দিলাম।” ওদের বাবার গলার স্বর একটু ভারি শোনাল।

” আরও একটা কথা দেওয়া বাকি রইল কিন্তু। ও যদি আমাকে হুকুম করে কখনও, বা তোমাদের মনে হয় ও আমার সংগে খারাপ ব্যবহার করছে, তাও তোমরা কিছু বলবে না। ওকে তোমরা আর কখনও শাসন করবে না। ওর ভবিষ্যত খারাপ হবে না কথা দিলাম।”
” ঠিক আছে, কথা দিলাম। তুই যা চাস তাই হবে। আর তুই দায়িত্ব নিয়ে বলছিস যখন তখন তুই দেখলে   রিয়ার ভবিষ্যত খারাপ হবে না সেই বিশ্বাস তোর উপর আছে আমার। কিন্তু ছোট বোন হয়ে ও কিছুদিন হল মাঝে মাঝেই বড় দাদার উপর হুকুম করছে দেখছি। এটা কি ঠিক? তুইই বল।”
” বাবা, সবচেয়ে বড় বেঠিক হল তোমরা ওর সাথে যা করেছ। একটা ছোট মেয়েকে পটাশোনার কারনে বাধ্য করেছ বড় দাদাকে হিংসা করতে। ওর মনের উপর কত বড় আঘাত তুমি দিয়েছ তোমার কোন ধারনা নেই। ও আমাকে হুকুম করে তাতে খারাপ কি আছে? ও খুশি হয় এতে। আর আমিও খুশি হই তাতে। ও আমার ছোট বোন, ওকে আমি নিজের চেয়ে অনেক বেশি ভালবাসি। আর যেই আচরনে কারও কোন ক্ষতি হয় না, বরং সবাই খুশি হয় তা কখনই খারাপ না। বরং সেটাই হওয়া উচিত।”
” ঠিক আছে, তুই যা বলছিস তাই হবে। আমরা আর কিছু বলব না তোদের। তোর উপর আমার ভরসা আছে।”
রিয়ার অবাক লাগছিল ভিশন। বাবা মা কেউই যেখানে তাকে ভালবাসে না, সেখানে দাদা এত ভাল হয় কি করে? এত এত বেশি ভাল? কি করে নিজের চেয়েও এত বেশি ভালবাসে তাকে যে সে হুকুম করলেও হাসিমুখে সহ্য করে? তার মুখে হাসি ফোটানোর জন্য নিজের গাল পেতে দিতে পারে থাপ্পর খাওয়ার জন্য? এক অদ্ভুত আনন্দে রিয়ার ভিতরটা গুমড়ে উঠছিল। সে আর পারল না। দরজার পর্দাটা আঁকড়ে তার মধ্যে মুখটা অর্ধেক গুঁজে ফুঁপিয়ে কাদতে লাগল আনন্দে। ঠিক সেই সময় ওর দাদা রাজা ওর পাশে এসে দাঁড়াল্ল। তারপর ওর পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে ওরদিকে হাতজোড় করে বলল, ” জানি রে রিয়া, আমার জন্য অনেক কষ্ট পেয়েছিস তুই জীবনে। বিশ্বাস কর, আমি জীবনে কখনও চাইনি বাবা মা আমাকে বেশি ভালবাসুক। কখনও চাইনি তোর চেয়ে আমাকে বেশি গিফট দিক। তোকে খুব ভালবাসি রে বোন, আমি শুধু চেয়েছি তুই খুশি থাক। তোর মুখে হাসি দেখলে আমার যত ভাল লাগে, ততটা আর কিছুতেই লাগে না। তবু, আমাকে বেশি ভালবেসে আর তোকে উপেক্ষা করে বাবা মা তোকে যে কষ্ট দিয়েছে তার জন্য আমিও দায়ী। প্লিজ, এবারের মত ক্ষমা করে দে রিয়া, দেখ আর কোনদিন কেউ তোর সঙ্গে কেউ এরকম করবে না। আর আমি এখন থেকে তাই করব, যা আমার ছোট্ট বোনটা হুকুম করবে।”
এই বলে রাজা যা করল রিয়া তার জন্য প্রস্তুত ছিল না। তার পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসা দাদা রাজা তার নীল চটি পরা পা দুটোর উপর নিজের মাথাটা নামিয়ে দিল। ছোট্ট বোনের পায়ের উপর নিজের মাথাটা রেখে রাজা বলল,” প্লিজ বোন। আজ পর্যন্ত আমার ভুলে অনেক কষ্ট পেয়েছিস তুই। আজও পেয়েছিস। আর কখনও এরকম হবে না। প্লিজ, এবারের মত ক্ষমা করে দে আমাকে, প্লিজ।”
বাবা আর মা অবাক চোখে দেখছে তাকে আর দাদাকে। আর তার দাদা তার চটি পরা পায়ের উপর মাথা রেখে তার কাছে ক্ষমা চাইছে! এক অদ্ভুত আনন্দ রিয়ার দেহে ঝড় তুলল যেন। সে নিজে যা করল এরপর তার জন্য যেন সে নিজেও প্রস্তুত ছিল না। চটি পরা ডান পা টা তুলে সে দাদার মাথার উপর রাখল। চটির তলাটা কয়েক সেকেন্ড ঘসল নিজের দাদার মাথার উপর। তারপর চটি পরা ডান পা টা দাদার মাথার উপর স্থির করে রেখে সে বলল,” ঠিক আছে দাদা। তোকে ক্ষমা করে দিলাম যা। তবে এখন থেকে আমার সব কথা শুনে চলবি কিন্তু।”
রাজা রিয়ার বাঁ পায়ের পাতায় আলতো একটা চুম্বন করে বলল, ” নিশ্চয়ই বোন। এখন থেকে তোর প্রত্যেকটা হুকুম মানবো আমি।”
রিয়া তাকিয়ে দেখল বাবা মা হতবাক হয়ে তাদের দিকে তাকিয়ে দেখছে। আর সে চটি পরা ডান পা দাদার মাথার উপর রেখে দাঁড়িয়ে আছে বাবা মার সামনে। রিয়ার মন এক অদ্ভুত খুশিতে ভরে উঠেছিল। সে সংগে সংগে দাদার মাথার উপর থেকে পা সরাল না, চটি পরা ডান পা টা দাদার মাথার উপর রেখে দাঁড়িয়ে রইল। দাদা মাথার দুই পাশে হাত ছড়িয়ে তার চটি পরা বাঁ পায়ের উপর মাথা রেখে যেন নিজের ছোট বোনকে ভক্তিভরে শাষ্টাংগে প্রনাম করছিল বাবা মায়ের সামনেই। রিয়া প্রায় ২ মিনিট দাদার মাথার উপর চটি পরা ডান পা রেখে দাঁড়িয়ে রইল। তারপর দাদার মাথার উপর থেকে পা নামিয়ে বলল,” দাদা আমার ঘরে আয়। তোর সাথে কথা আছে।” এইবলে রিয়া একবার বাবা মায়ের দিকে তাকিয়ে দেখে নিজের ঘরে চলে এল। রাজাও বোনের পায়ের তলা থেকে উঠে বোনের আদেশ মত বোনের পিছু পিছু বোনের ঘরে ঢুকল।

 

 

দুই……

 

 

নিজের ঘরে ঢুকে রিয়া নিজের খাটে পা ঝুলিয়ে বসল। আর রাজা আবার বোনের ঠিক পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসল। হাতজোড় করে বোনের সুন্দর মুখের দিকে তাকাল রাজা।

রিয়া রাজার দিকে চেয়ে মুচকি হাসল, তারপর দাদার দুই গালে হঠাতই পরপর দুটো থাপ্পর মারল বেশ জোরে । রাজা অবাক হয়ে তাকাল নিজের বোনের দিকে, কিন্তু একবারও বাধা দিল না। বোন দুটো থাপ্পর মেরে থামতেই রাজা ওর চার বছরের ছোট বোন রিয়ার নীল চটি পড়া দুই পায়ের উপর মাথা ঠেকিয়ে বোনকে প্রনাম করল একবার, তারপর আবার বোনের সামনে হাটুগেড়ে হাতজোড় করে বসে বোনের সুন্দর মুখের দিকে তাকাল।

রিয়া কয়েক সেকেন্ডের জন্য গম্ভীর ভাব আনার চেষ্টা করল মুখে, তারপর হাসিতে ফেটে পরল। প্রায় এক মিনিট পর হাসি থামিয়ে রিয়া দাদার দিকে তাকিয়ে বলল, “ তুই এরকম কেন রে দাদা। আমাকে ভালবাসিস বলে আমি তোর গালে জোরে থাপ্পর মারলেও বাধা দিবি না আমাকে? উল্টে আমার পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করবি? তুই কি পাগল রে দাদা?”

জবাবে মাথা নিচু করে ফেলল রাজা। প্রায় বোনের পায়ের দিকে তাকিয়ে উত্তর দিল, “ তোকে আমি খুব ভালবাসি রে রিয়া। বাবা মা যখন তোর থেকে আমাকে বেশি ভালবাসা দেয় তখন আমার খারাপ লাগে খুব, চিরদিনই। আমি চাই সব আদর, ভালবাসা, উপহার তুই পাস। আমি তোকে খুশি দেখে আর তোর সেবা করেই খুশি থাকব রে বোন”।

রিয়া অবাক অয়ে দাদার দিকে তাকাল। ডান হাতের পাতা দিয়ে দাদার মুখটা তুলে দাদার চোখের দিকে চাইল। “ আমি তোর চেয়ে ছোট। আমি তোকে হুকুম করলে , মারলে, তোর কি একটুও খারাপ লাগে না? তুই বড় হয়ে আমার পায়ে মাথা রেখে প্রনাম করলি, তাতেও খারাপ লাগল না তোর?”

“ না রে বোন। আমি তোকে শুধু ভালই বাসি না, তোকে ভক্তিও করি। তোকে দেখলেই কেন জানি না দেবী বা আমার প্রভু বলে ভাবতে ইচ্ছা করে। তোর পায়ের উপর মাথা রাখলে মনে হয় স্বয়ং ঈশ্বরের চরনে নিজেকে সমর্পন করেছি। তুই হুকুম করলে বা আমাকে মারলে কি যে আনন্দ পাই তোকে আমি বলে বোঝাতে পারব না রে বোন। আমি এরকমই রে বোন , প্লিজ আমার উপর রাগ করিস না, প্লিজ”। এই বলে রাজা আবার নিজের মাথাটা বোনের চটি পড়া পায়ের উপর নামিয়ে দিল। চার বছরের ছোট সুন্দরী বোন রিয়ার নীল চটি পরা পায়ের উপর মাথা রেখে ভক্তিভরে প্রনামরত অবস্থায় শুয়ে রইল রাজা।

প্রায় ২ মিনিট রিয়ার পায়ের উপর মাথা রেখে পরে রইল রাজা। তার পায়ের উপর মাথা রেখে শুয়ে থাকা দাদার দিকে একদৃষ্টে তাকিয়ে রয়েছিল রিয়া। তার খারাপ তো লাগছিলই না, এক অদ্ভুত শান্তিতে মন ভরে গিয়েছিল। এত ভাল একটা দাদা পাওয়ার জন্য নিজেকে তার সত্যিই ভাগ্যবান বলে মনে হচ্ছিল।

প্রায় দুই মিনিট পর রিয়া নিচু হয়ে ঝুকে দাদার কাঁধ দুটো ধরে দাদাকে উঠিয়ে বসাল, তারপর মাথাটা নামিয়ে দাদার কপালে একটা চুমু একে দিল। “ তোকেও আমি খুব ভালবাসি রে দাদা, এবার খাটে উঠে বস তুই”।

রাজা হাতজোড় করে বোনের দিকে চেয়ে বলল “ প্লিজ বোন, আমাকে তোর পায়ের কাছে বসতে দে”।

হাসিমুখে দাদার গালে ডান হাত দিয়ে একটা থাপ্পর মারল রিয়া, “ আমার আদেশ অমান্য করছিস তুই?”

“ না প্রভু, আমি সরি। তোমার কোন আদেশ আমি কখনও অমান্য করব না”। এই বলে আবার রিয়ার চটি পড়া পায়ের উপর মাথা রেখে প্রনাম করল রাজা, তারপর খাটে উঠে বোনের পাশে বসল।

রাজার ডান হাতটা নিজের হাতের মুঠোয় টেনে নিল রিইয়া, “ দাদা , আমি সরি। তুই এত্ত ভাল রেজাল্ট করলি আর আমি তোর খুশিতে খুশি না হয়ে হিংশুটে বোনের মতো মনে হিংসা নিয়ে পাশের ঘরে বসে ছিলাম। আর কনগ্র্যাটস এত্ত ভাল রেজাল্ট করার জন্য। আশির্বাদ কর আমিও যেন তোর মতো ভাল রেজাল্ট করতে পারি”।

“ না রে বোন, তোত কোন দোষ নেই। দোষ আমার আর বাবা মার, তোর মতো এত্ত ভাল একটা মেয়েকে ছোট থেকে এত্ত দুঃখ দেওয়ার জন্য। তবে প্রমিস করছি, আর কখনও আমি তোকে হিংসা করার সুযোগই দেব না। আর আশির্বাদ তো তুই আমাকে করবি এখন থেকে রোজ, আমার মাথার উপর পা রেখে”।

রিয়ার মুখ হাসিতে উজ্জ্বল হয়ে উঠল দাদার কথায়। “ একদম, লাভ ইউ দাদা”, বলে দাদার হাতটা নিজের হাতের মুঠোয় চেপে ধরল রিয়া । আর রাজা বোনের দিকে ঝুকে বোনের কপালে একটা চুম্বন করল।

“ চল দাদা, দুজনে মিলে কম্পিউটারে গেম খেলি”, রিয়া বলল খাট থেকে নিচে নামতে নামতে।

“চল”, রাজাও খাট থেকে নেমে বলল, তারপর দুজনে পাশের ঘরে গিয়ে কম্পিউটার খুলে গ্রেম খেলতে লাগল।

 

ওদের বাড়িতে সবাই খুশি আজ। পাড়ার অনেক লোকেই এসে অভিনন্দন জানিয়ে গেছে রাজাকে। ওদের বাবা মা  ভিশন খুশি রাজার রেজাল্টে। রাজাও খুশি ভাল রেজাল্ট করতে পেরে, আর তার চেয়েও অনেক বেশি খুশি বোনের মুখে হাসি ফোটাতে পেরে, আর বোনকে তার উপর যা খুশি হুকুম করার অধিকার দিতে পেরে। আর রিয়াও খুব খুশি বহুদিন পর, তার সুন্দর মুখ খুশিতে ঝলমল করছে আজ। সত্যি, রাজার মতো ভাল দাদা যেই বোনের থাকে সে কি খুশি না থেকে পারে?

ঘড়ির কাটা ১০ টা ছুলে ওদের মা খেত্যে ডাকল ওদের। রাজার দুর্দান্ত রেজাল্টের খুশিতে ওর মা আজ মটন বিরিয়ানি আর চিলি চিকেন বানিয়েছেন, সঙ্গে মিষ্টি, কোল্ড ড্রিংক্স আর আইস ক্রিম তো আছেই। ৪ জনে ডাইনিং টেবিলে বসে খেতে থাকল। রান্নাটা সত্যিই ভাল করে ওদের মা তনয়া। ওরা সবাই তৃপ্তি করে বিরিয়ানি খাচ্ছিল। ওদের বাবা তরুনবাবু রাজাকে ওর ভবিষ্যত পরিকল্পনা নিয়ে জিজ্ঞেস করছিল। রিয়া দাদার কথাকে ভেঙ্গিয়ে ছোট বোন সুলভ ব্যাঙ্গ করছিল মাঝে মাঝে। তরুনবাবু খুব সিরিয়াস মানুষ, আর ক্লাস ৭ এ পরা রিয়া একটু ফাজিল। রিয়ার এত ফাজলামি করার প্রবনতা কোনদিনই সহ্য করতে পারে না ওদের বাবা। আশ্চর্য হয়ে রিয়া লক্ষ্য করছিল ওর বাবা আজ মোটেই রেগে যাচ্ছে না ।

পেটভরে ডিনার শেষ করে একসাথেই উঠল দুই ভাই বোন। রিয়া লক্ষ্য করল দাদার খাওয়া আগে শেষ হয়ে গেলেও তার আগে দাদা উঠল না। ও খাওয়া সেরে উঠলে তবেই দাদা চেয়ার ছেড়ে উঠল।

হাত ধুয়ে রিয়া চেয়ারটা ঘরের মাঝখানে টেনে বসল। একবার বাবা মায়ের দিকে আড়চোখে চেয়ে দেখল, তার চোখে মুখে এখন দুষ্টুমি ভরা হাসি।

“ দাদা, টিভিটা অন করে রিমোট টা আমায় দে তো”, বাবা মায়ের সামনেই দাদাকে দিয়ে আবার কাজ করান শুরু করল রিয়া।

“ এক্ষুনি দিচ্ছি বোন”, বলে রাজা সঙ্গে সঙ্গে টিভি অন করে রিমোট বোনের হাতে তুলে দিল।

“ এবার আমার জন্য এক গ্লাস থামস আপ নিয়ে আয়”, দাদাকে আবার হুকুম করল রিয়া।

“দিচ্ছি বোন”, বলে সুন্দর কাঁচের গ্লাসে এক গ্লাস থামস আপ এনে বোনের হাতে দিল রাজা।

“ আর কিছু করতে হবে রে বোন?”

দাদার প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার আগে হাসিমুখে একবার বাবা মায়ের দিকে আড়চোখে তাকিয়ে নিল রিয়া। তারপর বলল, “হবেই তো। চুপচাপ আমার পায়ের কাছে বস আগে”।

“ নিশ্চয়ই বোন”, এই বলে রাজা ঠিক রিয়ার পায়ের কাছে বসে পরল।

দাদার কোলের উপর নীল চটি পড়া পা দুটো তুলে দিল রিয়া। “ আমার পা দুটো খুব ব্যাথা করছে। এবার ভাল দাদার মতো ছোট বোনের পা টিপতে থাক।

“ অবশ্যই বোন। যখনই তোর পায়ে ব্যাথা করবে আমাকে বলিস, আমি তোর পা টিপে দেব”, রিয়ার পা টিপতে টিপতে উত্তর দিল রাজা।

রিয়া অবাক হয়ে দেখল ওদের বাবা মা কেউই ওকে বারন করল না আজ। বোধহয় দাদাকে বাবা কথা দিয়েছে বলেই কিভহু বলল না। এর মানে এখন থেকে সে সত্যিই বাবা মার সামনেই দাদাকে যা খুশি হুকুম করতে পারবে! ভাবতেই দারুন আনন্দে ভেসে যেতে লাগল রিয়া।

রিয়ার পরনে ছিল একটা কাল টপ আর ধুসর লেগিন্স, পায়ে নীল চটি। ওর নীল চটি পরা পা দুটো রাখা ওর দাদা রাজার কোলে। আর দাদা যত্ন করে ওর পা দুটো পালা করে টিপে দিচ্ছিল। একবার বাঁ পায়ের পাতা থেকে শুরু করে পায়ের কাফ অবধি টিপছিল, তারপর আবার নেমে আসছিল পায়ের পাতায়। তারপর পা বদলে একইভাবে ছোট বোন রিয়ার ডান পা টা টিপছিল রাজা। তারপর আবার অন্য পা টিপছিল। এইভাবে বাবা মার সামনে ভক্তিভরে ছোট বোন রিয়ার পা টিপে যাচ্ছিল রাজা। আর সিনেমা দেখতে দেখতে দাদাকে দিয়ে পা টেপাচ্ছিল রিয়া আর কোল্ড ড্রিংক্সের গ্লাসে ছোট ছোট চুমুক দিচ্ছিল । পা টেপানোয় সত্যিই আরাম বোধ করছিল সে, তবে তার চেয়েও ভাল লাগছিল বাবা মায়ের সামনে এইভাবে দাদাকে দিয়ে পা টেপানোর ক্ষমতা পেয়ে। ওর বাবা মা চিরদিন দাদাকে তার চেয়ে অনেক বেশি ভালবাসা দিয়ে এসেছে, দাদা পড়াশোনায় বেশি ভাল বলে। আর সেই দাদা যেদিন মাধ্যমিকে এত ভাল রেজাল্ট করল সেইদিনই সে বাবা মায়ের সামনে সেই দাদাকে দিয়ে পা টেপাতে পারছে! এটা ঠিক এই ক্ষমতা সে দাদার জন্যই পেয়েছে, তবু এইভাবে বাবা মার সামনে দাদাকে দিয়ে পা টেপাতে পেরে এক অদ্ভুত আনন্দ পাচ্ছিল রিয়া। সে মনে মনে ভাবল, সিনেমাটা শেষ হতে আরও প্রায় দুই ঘন্টা বাকি। এই পুরো সময় সে দাদাকে দিয়ে পা টেপাবে। আর এরপর থেকে রোজই রাতে খাওয়ার পর এভাবেই বাবা মার সামনে দাদাকে দিয়ে পা টেপাবে সে। বাবা মা দাদাকে মাথায় তুলে তাকে অবহেলা করতে চেয়েছিল, এখন দেখুক সেই দাদা তার পায়ের কাছে বসে চাকরের মতো তার পা টিপে দেয় রোজ। রিয়া আড়চোখে দেখল বাবা মা খাওয়া শেষ করে ঘরের কোনে পাতা সোফায় বসে এক দৃষ্টে ওদের দেখছে। কিন্তু দাদাকে কথা দেওয়ায় ওকে আর বাধা দিতে পারছে না।

 

 

 

 

 

রিত্বিকা…

 

চটি পরা ডান পায়ে রিত্বিকা আমার মুখে লাথি মারতেই আমি ওর পায়ে পরে গেলাম । ওর দুই পায়ের পাতার উপর মাথা ঘসতে ঘসতে ওর কাছে ক্ষমা চাইতে লাগলাম আমি। একটু দূরে মা মুখে হাসি নিয়ে দেখতে লাগল আমাদের।

আমি আমার মাসতুতো বোন রিত্বিকার চটি পড়া দুই পায়ের উপর মাথা ঘষে ক্ষমা চাইতে লাগলাম বারবার। আর রিত্বিকা টিভি দেখতে দেখতে মাঝে মাঝেই চটি পড়া পায়ে লাথি মারতে লাগ্অল আমার মাথার উপরে। প্রায় ১০ মিনিট এইভাবে মাথার উপর রিত্বিকার লাথি খেতে খেতে আমি ওর কাছে ক্ষমা চাওয়া চালিয়ে গেলাম। তারপর রিত্বিকা ওর চটি পড়া দুটো পাই তুলে আমার মাথার উপরে রেখে বলল, ‘ ঠিক আছে। এবারের মতো তোকে ক্ষমা করে দিলাম। এরপর এরকম ভুল করলে লাথি মেরে তোর নাক ভেঙ্গে দেব আমি’।

আমি রিত্বিকার চটি পরা পায়ের তলায় মাথা রেখে হাটুগেড়ে শুয়ে রইলাম। আমার মাথা মেঝের উপর রাখা আর আমার মাথার উপর চটি পড়া পা দুটো রেখে বসে আছে আমার চেয়ে ৯ বছরের ছোট ক্লাস ৯ এ পড়া সুন্দরী মাসতুতো বোন রিত্বিকা। আমার হাত দুটো মাথার দুপাশে মেঝেতে রাখা। যেন রিত্বিকার চটি পড়া পায়ের তলায় মাথা রেখে ওকে ভক্তিভরে শাষ্টাঙ্গে প্রনাম করছি আমি।

ছেলে হিসাবে জন্মানোয় সেই ছোট থেকেই একটা হিনম্মন্যতায় ভুগি আমি। মধ্যবিত্ত বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান আমি। কিন্তু আমার মা কখনোই পুত্র সন্তান চাননি, চেয়েছিলেন কন্যা সন্তান। আমার পরে যখন আর কোন কন্যা সন্তান হল না, তখন মায়ের রাগ মাঝে মাঝেই আমার উপর এসে পরত। ছোটবেলায় কারনে অকারনে মা আমাকে মারত। আর বারবার মায়ের মুখে শুনতে হত ‘ ইশ, কেন যে আমার ছেলে না হয়ে একটা মেয়ে হল না’। মায়ের বিভিন্ন কথায় সেই ছোটবেলাতেই আমার মাথায় ঢুকে গিয়েছিল ছেলেদের থেকে মেয়েদের দাম অনেক বেশি। আর বাবা বাইরে চাকরি করায় আমি মায়ের কাছেই কোলকাতাতে বড় হয়েছিলাম। ফলে মায়ের এই চিন্তার প্রভাব আমার উপর পড়েছিল মারাত্বক রকম।

পড়াশোনাতে আমি চিরকালই ভালছিলাম। ছেলেদের স্কুলে পড়ায় আমার কোন মেয়ে বন্ধু হয়নি কোনদিনই। তবে মনে মনে মেয়েদের ভিশন শ্রদ্ধা করতাম । কোন মেয়েকে দেখলেই মনে মনে তাকে দেবীর আসনে বসিয়ে কেন জানি অদ্ভুত এক সুখ পেতাম।

রিত্বিকা ওর মা বাবার সঙ্গে থাকত হুগলী জেলার এক ছোট শহরে। ওরা দুই ভাই, এক বোন। ও দুই ভাইয়ের মাঝখানে। ওর বাবা সামান্য এক দোকান চালায়। অভাবের সংসারে ৩ ছেলে মেয়ের লেখাপড়া চালাতে কষ্ট হত। আর ওর বাবা বেশিরভাগ সাধারন লোকের মতই ছেলেদের শিক্ষাকে মেয়ের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিত। এই কথা জানতে পেরে মা মাসিকে বলে রিত্বিকাকে আমাদের বাড়িতে পাঠিয়ে দিতে । মা ওকে নিজের মেয়ের মতো রাখবে। কোলকাতায় স্কুলে পড়াবে। মাসি তার দিদির কথায় খুব খুশি হয়ে আগের বছর ওকে কোলকাতায় আমাদের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। রিত্বিকা কোলকাতায় একটা ভাল স্কুলে ক্লাস ৮ এ ভর্তি হয়।

রিত্বিকাকে আমি তার আগে শেষবার দেখেছি তার ৩ বছর আগে। ও তখন ক্লাস ৫ এ পড়ে। আমি তখন যাদবপুরে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ছি,  দ্বিতীয় বর্ষে। অপরুপা সুন্দরী রিত্বিকা মায়ের সাথে প্রথমবার আমাদের বাড়ি এসেছিল। অপরুপা সুন্দরী রিত্বিকাকে দেখে মেয়েরা যে দেবী সেই চিন্তা আবার আমার মাথায় এসে জড় হয়ে আমাকে এক অদ্ভুত অপার্থিব সুখে আচ্ছন্ন করতে থাকে। মা আমাকে সম্পুর্ন অগ্রাহ্য করে ভয়ানক ভালবাসা দিতে থাকে রিত্বিকাকে। বারবার রিত্বিকাকে জড়িয়ে ধরে আদর করে বলতে থাকে, ‘ ইশ, তুই যদি আমার মেয়ে হতিস আমি আর কিচ্ছু চাইতাম না জীবনে’।  আমাকে দিয়ে রিত্বিকার টুকটাক ফাইফরমাশ খাটাত মা। যা, বোনের জামা কেচে আন। বোনের জুতো পালিশ করে দে। একদিন কলেজ থেকে ফেরার সময় ওর জন্যে চকলেট আনতে ভুলে যাওয়ায় মা আমাকে মাসির সামনেই রিত্বিকার চটি পড়া পায়ের উপর মাথা রেখে ক্ষমা চাইয়েছিল। আমার কিরকম এক অদ্ভুত ভাল লাগায় মন ভরে গিয়েছিল। মা তখন রিত্বিকার মাথায় হাত বোলাতে বোলাতে বলেছিল “ তুই আমাদের এখানে থেকে যা । আমার মেয়ের মতো থাকবি তুই। আর তোর দাদা তোর চাকরের মতো তোর সেবা করবে”।

রিত্বিকা মা কে জড়িয়ে ধরে বলেছিল “ সত্যি মাসি, আমি এখানে থেকে যেতে পারলে দারুন খুশি হতাম। তুমি খুব ভাল। আমাকে নিজের ছেলের চেয়েও বেশি ভালবাস। আর বাড়িতে বাবা মা ভাই আর দাদাকে আমার চেয়ে বেশি ভালবাসে”। মা আর রিত্বিকার এই কথা বলার পুরো সময় জুড়ে আমি ক্লাস ৫ এ পড়া বোন রিত্বিকার চটি পরা পায়ের উপর মাথা রেখে শুয়ে ওকে শাষ্টাঙ্গে প্রনাম করছিলাম।

তার ৩ বছর পর রিত্বিকা সত্যিই আমাদের বাড়িতে থাকতে চলে এল। মা ভয়ানক খুশি হল। মায়ের সারাজীবনের একটা মেয়ের সখ মিটল যেন সেদিন। আমি তখন সদ্য ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করে সেক্টর ৫ এ একটা বহুজাতিক কম্পানিতে চাকরি নিয়েছি। রিত্বিকাকে মা একটা ভাল স্কুলে ক্লাস ৮ এ ভর্তি করে দিল। আর রিত্বিকাকে ৩ বছর আগে দেওয়া কথা মা প্রথম দিন থেকেই রাখা শুরু করল।

রিত্বিকাকে নিয়ে প্রথমদিন ঘরে ঢুকেই মা আমাকে বলেছিল, ‘ আজ থেকে ও আমার মেয়ে। তুই ওর দাদা হলেও আজ থেকে ওর চাকর। তোর জীবনের মুল উদ্দেশ্য এখন থেকে তোর ছোট বোনকে খুশি রাখা। ও যা আদেশ করবে সঙ্গে সঙ্গে বিনা প্রশ্নে পালন করবি তুই। ওকে প্রভু জ্ঞানে শ্রদ্ধা করবি। নে, এখন ওর পায়ে মাথা রেখে প্রনাম কর ওকে’।

মায়ের কথা শুনে আমার একটুও খারাপ লাগল না। বড় হওয়ার সময় আমার বহুবার মনে হয়েছিল , ইশ, আমার যদি একটা ছোট বোন থাকত তাহলে রোজ দেবী জ্ঞানে তার সেবা করতে পারতাম আমি! আর আজ আমার এতদিনের সেই স্বপ্ন যেন পূর্ন হতে চলেছে!!

রিত্বিকা মায়ের পাশে বসার ঘরের সোফায় বসেছিল। ওর পরনে ছিল সাদা টপ, গাঢ় নীল জিন্স , পায়ে সাদা মোজা , সাদা স্নিকার। মা রিত্বিকার মাথায় স্নেহভরে হাত বুলিয়ে দিতে দিতে বলল , ‘ আজ থেকে তোর দাদা তোর চাকর। তোর যা খুশি অর্ডার করবি ওকে। ইচ্ছা হলে যখন খুশি মারবি”।

মায়ের কথা শুনে রিত্বিকার মিষ্টি মুখে চওড়া হাসি ফুটে উঠল। আমি ততক্ষনে ওর পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে পড়েছি। ছোট বোনের প্রতি শ্রদ্ধায় আমি হাতজোড় করে বসে আছি ওর পায়ের কাছে । রিত্বিকা হাসিমুখে আমার দিকে তাকাল, তারপর পরপর আমার দুই গালে দুটো থাপ্পর মেরে বলল, ‘ আমার পায়ের উপর মাথা রেখে প্রনাম কর আমাকে’।

আমার চেয়ে ৯ বছরের ছোট সুন্দরী বোনের হাতে থাপ্পর খেয়ে আমি ওর জুতো পরা পায়ের উপর নিজের মাথাটা নামিয়ে দিলাম। ছোট বোনের সাদা স্নিকারের উপর নিজের কপালটা ঘসতে লাগলাম ভক্তিভরে। একটু পরে বোন ওর জুতো পরা ডান পা টা আমার মাথার উপর তুলে দিল। আমার মাথার উপর ওর জুতোর তলাটা আসতে আসতে ঘসতে লাগল বোন । আর আমি ওর বাঁ জুতোর উপর আমার কপাল ঘষা চালিয়ে গেলাম।

১০ মিনিট পর বোন ওর জুতো পড়া ডান পা দিয়ে আমার মাথার উপর একটা লাথি মেরে বলল, “ এবার ওঠ দাদা”।

আমি উঠে আবার হাটুগেড়ে বসলাম আমার সুন্দরী ছোট বোন রিত্বিকার পায়ের কাছে।

“ মাসি, আমি কি রনিদার সাথে যা খুশি করতে পারি?” রিত্বিকা মায়ের দিকে তাকিয়ে প্রশ্ন করল।

জবাবে মা রিত্বিকার দিকে ঝুকে ওর কপালে চুম্বন করে বলল, “ হ্যাঁ রে মা, নিশ্চয়ই পারিস। ও তোর দাদা হলে?ও তোর চাকর, তোর দাস। তুই যা খুশি করতে পারিস ওর সাথে। যা খুশি শাস্তি দিতে পারিস ওকে”।

“ বাড়িতে এতদিন দাদা আর ভাইকে বেশি ভালবাসা পেতে দেখে আমার খুব হিংসা আর রাগ হত ছেলেদের উপর। এখন থেকে রনিদার উপর রোজ আমি তার প্রতিশোধ নেব”। এই বলে রিত্বিকা জুতো পড়া ডান পা তুলে আমার মুখের উপর খুব জোরে একটা লাথি মারল। ওর জুতো পড়া ডান পায়ের তলাটা আঘাত করল ঠিক আমার নাকের উপর। আমার নাক থেকে কয়েক ফোঁটা রক্ত গড়িয়ে পড়ল আমার ঠোঁটের উপর দিয়ে। ভয়ানক যন্ত্রনায় ককিয়ে উঠলাম আমি, কয়েক সেকেন্ডের জন্য চোখে অন্ধকার দেখলাম। উল্টে পরে যাচ্ছিলাম প্রায় , কোনরকমে সামলে নিলাম নিজেকে।

‘ চুপ করে বসে থাক দাদা, আমি তোর মুখে লাথি মারব এখন। চুপচাপ বসে আমার লাথি খা এখন। এখন থেকে রোজ তুই মুখে এইভাবে আমার লাথি খাবি’।

রিত্বিকার কথা শেষ হওয়ার আগেই এবার ওর জুতো পরা বাঁ পা আমার নাকের উপর আছড়ে পড়ল।

ছোট বোনের ডমিন্যান্ট আচরনে আমি ততক্ষনে মুগ্ধ হয়ে গেছি । ওর জুতো পড়া দুই পা একের পর এক আঘাত করে চলেছে আমার মুখের সর্বত্র। আর আমি ভক্তিভরে মুখের সর্বত্র আমার প্রভু মাসতুতো বোন রিত্বিকার লাথি খেতে খেতে গুনে চলেছি লাথির সংখ্যা।

আমার মুখের উপর ঠিক মোট ৫৬ টা লাথি মেরে থামল রিত্বিকা। ও থামতেই আমি মন্ত্রমুগ্ধ পুতুলের মতো ওর জুতো পরা দুই পায়ের উপর চুম্বন করতে করতে ওকে ধন্যবাদ দিতে লাগলাম আমার মুখে লাথি মারার জন্য। তারপর রিত্বিকা আমার মাথার উপর আবার লাথি মেরে আমাকে আদেশ করল ওর পায়ের তলায় শুয়ে পরতে।

আমি আমার প্রভুর আদেশ পালন করতেই প্রভু ওর জুতো পরা পা দুটো আমার মুখের উপর তুলে দিল। আমার মুখের উপর ওর জুতোর তলা দুটো ঘসল কিছুক্ষন। তারপর আমার নাকের উপর লাথি মেরে আদেশ করল আমার জিভটা বার করে দিতে। আমি ততক্ষনাত আমার প্রভু রিত্বিকার আদেশ পালন করলাম। আমার ৯ বছরের ছোট সুন্দরী বোন আমার বার করা জিভের উপর ওর বাঁ জুতোর তলা নামিয়ে দিল। আমার জিভের উপর ঘসতে লাগল ওর ধুলো কাদা লাগা বাঁ জুতোর তলা। প্রায় ১০ মিনিট আমার জিভের উপর ঘষে নিজের বাঁ জুতোর তলা নতুনের মতো চকচকে করে নিল বোন। তারপর মায়ের সামনেই একইভাবে আমার জিভের উপর জুতো পড়া ডান পায়ের তলা নামিয়ে দিল। আমি বোনের বাঁ জুতোর তলার সব ময়লা ভক্তিভরে গিলে খেয়ে একইরকম ভক্তিভরে ওর ডান জুতোর তলার ময়লা গিলে খেতে লাগলাম।

আরও ১০ মিনিট ধরে আমার বার করা জিভের উপর নিজের ডান জুতোর তলা ঘষে নতুনের মতো পরিষ্কার করে ফেলল বোন। তারপর পরিষ্কার ডান জুতো পরা পা দিয়ে আমার নাকের উপর একটা জোরে লাথি মেরে বলল, ‘ এখন থেকে আমি এই বাড়ির মেয়ে। আর তুই আমার দাস। এখন থেকে আমি যা আদেশ করব তুই তাই করবি। প্রত্যেক মাসে মাইনে পেয়ে পুরো টাকা তুলে দিবি আমার হাতে। আরোজ এইভাবে আমি তোর মুখে যতখুশি লাথি মারব, তোর জিভের উপর ঘষে আমার জুতোর তলা পরিষ্কার করব। আর তুই তার জবাবে আমার পায়ে মাথা ঠেকিয়ে আমাকে প্রনাম করে আমাকে ধন্যবাদ দিবি। নে, এখন ভক্তিভরে আমার পা টিপতে থাক। এই বলে বোন ওর জুতো পড়া বাঁ পা টা আমার কপালের উপর আর ডান পা টা আমার ঠোঁটের উপর রেখে মায়ের সাথে গল্প করতে লাগল। আর আমি ভক্তিভরে আমার চেয়ে ৯ বছরের ছোট আমার মাসতুতো বোন, আমার প্রভুর পা দুটো পালা করে টিপতে থাকলাম।

সেই থেকে রোজই আমি একইরকম ভক্তিভরে আমার বোন, আমার প্রভু রিত্বিকার সেবা করি।

 

 

দিদি পুজো (By SLAVE/ মেয়েদের কুকুর)

আমি খুব ছোট থাকতেই এক এক্সিডেন্টে আমার মা বাবা মারা যান। আমার বয়স তখন ১১ । আর আমার দিদির বয়স ১৫। পুরো পৃথিবীতে শুধু আমি আর দিদি। দিদি খুব ভালো ছাত্রী ছিলো।
সে টিউশনি করে সংসার চালাতে লাগলো। আমার দিদির রক্ত পানি করা পরিশ্রমের টাকায় আমি পড়াশোনা করতে থাকি। আমার দিদিই আমাকে খাইয়ে পড়িয়ে মানুষ করে তোলে।
এখন আমি কলেজে উঠেছি। এস.এস.সি তে এ+ পেয়েছি। আর দিদি চাকরি পেয়েছে পুলিশে। সরকারের দেওয়া কোয়ার্টারে উঠেছি আমরা ভাই বোন। জীবন যাত্রা উন্নত হয়েছে। আমার দিদি এখন
এক সুন্দরী যুবতী। নামকরা পুলিশ অফিসার। গাড়িতে করে চলাচল করে। ছোট থাকতে খুব বেশী বুঝতাম না,কিন্তু এখন বুঝতে পারি দিদি না থাকলে আমার কি যে হত। আমার দিদির কারনেই আজ
মানুষ হতে পেরেছি। কষ্টের দিনগুলোর কথা ভাবলেই দিদির প্রতি শ্রদ্ধায় মাথা নুইয়ে আসে।
আজকেও শুয়ে শুয়ে আগের দিনের কথা ভাবছিলাম। কত কষ্টই না করেছে আমার দিদি টা! কিন্তু আমি কি কখনো আমার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে পেরেছি ঠিকমত? হ্যা আমি বাধ্য ছেলের মত চলেছি,বখে
যাইনি,কিন্তু শুধু এটুকুই যথেস্ট না। আমার দিদি মানুষ না,আমার দিদি দেবী। আর দেবীকে পুজো করেই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে হয়। তাই মনে মনে ঠিক করলাম আজ থেকে দিদিকে দেবী জ্ঞ্যান করে চলবো।
দিদির ডিউটি শেষ হয় রাত ৮টায়। সাড়ে আটটার দিকে দিদি চলে এলো বাসায়। আমি দরজা খুলে দিলাম। আমার সামনে দাঁড়িয়ে আছে আমার অনিন্দ্য সুন্দরী দিদি। ৫ ফিট ৩ ইঞ্চি লম্বা,গরমে লাল হয়ে যাওয়া
গায়ের রঙ (দিদি খুবই ফর্সা),চুল খোপা করে রাখা,পুলিশের টাইট ইউনিফর্ম পরা এক দেবী। এতো সুন্দর লাগছে,এমন সুন্দর কেবল দেবীরাই হতে পারে।
আমাকে দেখে মিস্টি হাসলো দিদি। আমার গাল টিপে দিয়ে ঘরে ঢুকে সোফায় ধপ করে বসলো দিদি। অনেক ক্লান্ত হয়ে আছে। আমি গিয়ে দিদির পায়ের সামনে বসে পরলাম। দিদির বুট পরা একটা পা আমার
কোলে তুলে নিলাম। অবাক হয়ে গেলো দিদি,’কি রে শুভ,কি হয়েছে তোর? পা ধরে আছিস যে?’
আমার মনে পরে গেলো দিদির কস্টের কথা। নিজে না খেয়ে আমাকে ভালো ভালো খাবার খাইয়েছে আমার দিদি। গরমের সময় সারা রাত না ঘুমিয়ে আমাকে বাতাশ দিয়েছে। এইসব ভেবে টপ টপ করে আমার
চোখ দিয়ে পানি পরতে লাগলো।দিদি অবাক হয়ে গেলো। আমার গালে হাত দিয়ে বললো ‘কি হয়েছে তোর লক্ষ্মী সোনাটা? বল আমাকে’
আমি দিদির বুট পরা পায় আমার মুখ চেপে ধরলাম। চুমু দিতে লাগলাম দিদির বুটে। আর বললাম ‘দিদি,কত কস্ট করেই না আমাকে মানুষ করেছো তুমি। নিজে না খেয়ে খেয়ে আমাকে খাইয়েছো। না ঘুমিয়ে
ঘুমিয়ে আমার সেবা করেছো। কিন্তু আমি কি করলাম তোমার জন্যে? কিছুই না! কত কস্ট করে আসো সারাদিন। একটুও সেবা করিনা তোমার। তুমি আমার দেবী গো দিদি। তোমার সেবা না করতে পারলে
আমি মরে যাবো। আমার চামড়া কেটে জুতা বানিয়ে দিলেও তোমার ঋণ শোধ হবেনা। আমাকে শুধু একটু সেবা করতে দাও তোমার দিদি। আমার চেয়ে সুখী আর কেউ হবেনা।তুমি ই পৃথিবীতে আমার সব।
আমার আপন। আমার আর কেই নেই। তোমার সেবায় নিজের জীবন উৎসর্গ করে একটু হলেও তোমার ঋণ টা শোধ করতে চাই দিদি।’ বলে দিদির বুট পরা পায়ে নাক মুখ ঘষতে লাগলাম
দিদির চোখেও পানি চলে আসলো। আমাকে পা থেকে টেনে বুকে জড়িয়ে ধরলো,বললো ‘সোনা আমার লক্ষ্মী আমার,তোকে অনেক ভালোবাসি আমি। আমাকে সেবা করে যদি তুই সুখি হস,তাহলে কর তোর যত
ইচ্ছা। লক্ষ্মী সোনা ভাই আমার’ বলে আমার কপালে চুমু দিলো দিদি। তারপর চোখ মুছিয়ে দিলো।
হাসিতে ভরে গেলো আমার মুখ। বললাম ‘সারাদিন ডিউটি করে এসেছো। একটু ফ্যানের নিচে জিরিয়ে নাও। আমি তোমার পা টিপে দিচ্ছি। তারপর গোসলে ঢুকিও। তখন আমি খাবার রেডি করে ফেলবো’।
মিষ্টি হাসলো দিদি। বললো ‘ঠিকাছে দে।আমারো পা দুটোয় অনেক ব্যাথা করে প্রতিদিন। এখন থেকে আমার সোনা ভাইটা টিপে দিয়ে দিদির ব্যাথা দূর করে দিবে,তাইনারে সোনা?’
ততক্ষনে আমি দিদির ডান পা থেকে বুট টা খুলে এনেছি। জুতা মোজার গন্ধে ঘরের বাতাস ভারী হয়ে গেলো। দিদির কালো মোজা পরা ডান পাটার নিচে একটা গভীর চুম্বন করে আমি বললাম ‘অবশ্যই
দিদি। প্রতিদিন টিপে দিবো আমার দিদির পা’। খুব খুশি হলো দিদি। হাসিতে ভরে গেলো সুন্দর ফর্সা মুখটা। বললো ‘পায়ে অনেক গন্ধ রে শুভ’।আমি বললাম ‘একটুও না। এগুলা কোন সাধারণ পা না।
আমার দেবী দিদির স্বর্গীয় পা এগুলো।দেবীর পায়ের গন্ধ ও যেকোন সুগন্ধির চেয়ে ভালো’। বলে দিদির মোজা পরা পা টা আমার নাকে চেপে ধরে গভীর ভাবে শ্বাস নিলাম একটা। হাহাহা করে হেসে উঠলো
দিদি। ‘পাগল ভাই তুই আমার’ বলে কালো মোজা পরা ডান পা টা বেশ করে আমার মুখে ঘসে দিয়ে আদর করে দিলো। ততক্ষনে বা পায়ের বুটটাও খুলে এনেছি। দুটি পাই এবার কোলে নিয়ে বেশ করে
টিপে দিতে থাকলাম। আরামে চোখ বন্ধ হয়ে গেলো দিদির। কিছুক্ষন পর পা দুটো আমার মুখের সামনে এনে মোজা খুলে দিতে ইশারা করলো দিদি। আমি আসতে করা মোজা গুলো খুলে আনলাম। দিদির
ফর্সা পা দুটো এখন আমার মুখের সামনে। গভীর ভাবে চুম্বন করলাম দুটি পায়ের নিচেই। দিদি পায়ের তলা আমার গালে লাগিয়ে বললো ‘সোনা ভাই আমার’।তারপর বললো ‘যাই গোসল করে আসি। তুই মোজা
গুলো ধুয়ে দে। জুতাটা সাফ করে রাখ। আর খাবার গরম কর।’ বলে উঠে দাড়ালো দিদি। আমি দিদির পায়ে নিজের মাথা নামিয়ে এনে চুমু দিতে লাগলাম। চুপচাপ দাঁড়িয়ে ভাইয়ের কান্ড দেখতে লাগলো দিদি।
আর মুচকি মুচকি হাসতে লাগলো। আমি চুমু দিতেই লাগলাম দিতেই লাগলাম। দিদি আমার মাথার উপর একটি পা তুলে দাঁড়ালো। চুল গুলো পা দিয়ে এলোমেলো করে দিয়ে বললো ‘হয়েছে,পরে সেবা করিস,
এখন গোসলে ঢুকি’,বলে মিস্টি হাসলো। আমি বললাম ‘ঠিকাছে দিদি’
দিদি গোসলে ঢুকলো। আমি দিদির মোজা ধুয়ে দিলাম। বুটগুলো পরিস্কার করে রাখলাম। খাবারো গরম করলাম। ২০ মিনিট পর দিদি বেরিয়ে এলো। নিজের রুমে ঢুকে লোশন মাখতে লাগলো
হাতে পায়ে। আমি দিদির চটি জোড়া হাতে নিয়ে দিদির পায়ের সামনে মাথা নুইয়ে বসে পরলাম। নিজ হাতে পরিয়ে দিলাম চটি জোড়া। তারপর বললাম ‘খাবার রেডি দিদি’। দিদি আমার গালে
হাত বুলিয়ে দিয়ে বললো ‘চল খেয়ে ফেলি’।
একসাথে রাতের খাবার খেলাম আমরা। খাওয়া শেষ করে দিদি টিভি দেখতে বসলো পায়ের উপর পা তুলে।আমি দিদির পায়ের সামনে বসে পরলাম। বললাম ‘তুমি টিভি দেখো দিদি। আমি পা
টিপে দেই’।মিস্টি হাসলো দিদি। আমি প্রায় এক ঘন্টা দিদির পা টিপে দিলাম। আর ফাকে ফাকে চুমু দিতে লাগলাম পায়ের নিচে।নাক মুখ ঘষতে লাগলাম। দিদি বললো ‘আমার ভাই আমাকে এত
ভালোবাসে তা আগে বুঝিনি। তুই এইভাবে আমার সেবা করছিস,নিজের কাছেই ভালো লাগছে ব্যাপারটা।তোকে আরও বেশী আপন মনে হচ্ছে রে সোনা’।আমি দিদির পায়ের নিচে গভীর চুম্বন করে
বললাম ‘তুমি আমার দেবী দিদি। তোমার পায়ের নিচেই আমার প্রকৃত স্থান দিদি।আমি তোমার পা ধোয়া পানি খেতে চাই প্রতিদিন। তাহলে আমার জীবন সাফল্য ভরে যাবে।আমার দিদির স্বর্গীয়
পায়ের ধোয়া জল আমার জন্যে এক স্বর্গীয় প্রসাদসম’ বলে চুমুর পর চুমু দিতে লাগলাম দিদির ফর্সা পায়ের নিচে
দিদির চোখে খুশিতে পানি চলে এলো। ‘ওরে আমার সোনা’ বলে পায়ের তলা আমার পুরো মুখে ঘষতে লাগলো দিদি,বললো ‘কর আমাকে পুজা ভাই আমার।তুই সুখী হলেই আমি সুখী। যা পানি
আর গামলা নিয়ে আয়’।আমি তাড়াতাড়ি পানি আর গামলা নিয়ে এলাম। আমার দিদির ফর্সা পবিত্র পা দুটি সযত্নে ধুইয়ে দিলাম। তারপর ঢকঢক করে খেয়ে নিলাম দিদির পা ধোয়া পানি।
তারপর দিদির পায়ের সামনে মাথা নামিয়ে দিলাম। বললাম ‘আমাকে আশীর্বাদ করে দাও দিদি,যাতে অনেক বড় হতে পারি জীবনে আর সারা জীবন তোমার সেবা করতে পারি’।ছলছল চোখে
উঠে দাড়াল দিদি।পায়ে চটি পরে নিলো। তারপর চটি পরা একটি পা আমার মাথার উপর রাখলো। চটির তলা ঘসে আমাকে আদর করতে করতে বললো ‘আশীর্বাদ দিলাম তোকে লক্ষ্মী সোনা,
জীবনে অনেক বড় হবি তুই।আজ তোকে নিয়ে আমি অনেক গর্বিত। এমন ভাই যেন দুনিয়ার প্রতিটি দিদি পায়’।তারপর আমাকে পা থেকে টেনে তুললো। বুকের মধ্যে আমার মাথাটা চেপে ধরে
আদর করতে লাগলো দিদি। তারপর কপালে চুমু দিয়ে বললো ‘এখন ঘুমিয়ে যাই চল। সকালে আবার ডিউটি আছে।৬টায় উঠে যাবো আমি।তোর কলেজ তো ৯ টায় তাইনা?তুই টাইমলি উঠে
কলেজে চলে যাস’। আমি বললাম ঠিকাছে দিদি
সকালে ঘুম থেকে উঠে দিদি অবাক। অন্যদিন ঘুম থেকে উঠে নিজে নিজে নাস্তা রেডি করে খেতো দিদি। আমার জন্যেও বানিয়ে রেখে যেতো। আজ দিদি দেখছে টেবিলে নাস্তা রেডি!বিছানার পাশে
দিদির পুলিশ ইউনিফর্ম ইস্ত্রি করে রাখা! চকচক করছে বুট জোড়া! দিদি খাবার টেবিলে এসে দেখলো আমি ব্রেডে জেলি মাখিয়ে দিচ্ছি। অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলো দিদি ‘কি রে শুভ! তুই
এত সকালে জেগে গেছিস যে! আর নাস্তা রেডি,কাপড় ইস্ত্রি এগুলো কে করেছে রে?’। আমি ব্রেড প্লেইটে রেখে দিদির পায়ের সামনে এসে বসে পরলাম। দিদির পায়ে চুমু দিয়ে বললাম ‘আমি
খুব ভোরে উঠে সব করে রেখেছি দিদি।তোমার গোসলের পানিও রেডি করে রেখেছি।এখন থেকে তোমাকে আর কস্ট করতে হবেনা। তুমি রানীর মত থাকবে। সারা জীবন অনেক কস্ট করেছো
আমার জন্যে। এখন প্রতিদানের সময় আমার’।
খুশিতে দিদির চোখ ভিজে গেলো।চটি পরা ডান পা টা আমার মাথার উপর তুলে ঘষতে ঘষতে বললো ‘সোনা ভাই আমার,তোকে অনেক আশীর্বাদ করে দিলাম,অনেক বড় হ’। আমি দিদির পায়ে
এমন ভাবে মাথা ঘষতে লাগলাম যেন কুকুর তার মনিবের পায়ে মাথা ঘসছে।দিদি গোসল করে আসার পর বললাম ‘তুমি রেডি হয়ে খেতে বসে পর দিদি। লেইট হয়ে যাবে শেষে। জুতা আমি
পড়িয়ে দিবো।তুমি জাস্ট কাপড় পরে ফেলো’। দিদি আমার গাল টিপে দিয়ে মিস্টি হেসে বললো ‘ঠিকাছে আমি আসছি’। তারপর পুলিশের ইউনিফর্ম পরে এসে নাস্তা খেতে বস্লো।আমি দিদির বুট
জোড়া আর একজোড়া পরিস্কার নীল মোজা নিয়ে এসে টেবিলের নিচে ঢুকে গেলাম।দিদির পায়ে প্রথমে মোজা গুলো পড়িয়ে দিলাম। ডান পায়ে মোজা পড়িয়ে পা টা আমার মুখের উপর এনে
রাখলাম। তারপর অন্য পায়ে মোজা পড়িয়ে দিলাম। দিদি খেতে খেতে হাসি মুখে দেখতে লাগলো ভাইয়ের সেবা করা।এবার বুট গুলো পড়িয়ে দিলাম। ঘষে চকচকে করে ফেলেছি আগের রাতে।
বুট পড়িয়ে দিয়ে আমার কপাল মাটিতে লাগিয়ে সিজদাহর মত শুয়ে থাকলাম দিদির সামনে। আর দিদির বুট পরা পা গুলো আমার মাথার উপর রাখলাম
সে এক অপরূপ দৃশ্য। দেবীর কাছে নিজেকে সমর্পণ করার এক দৃশ্য। আমার মাথার উপর বুট পরা পা রেখে আমার দেবী দিদি নাস্তা খাচ্ছে,আর আমি দিদির পায়ের নিচে দিদিকে সেজদাহ করছি,
আমার জীবন টাই আজ সার্থক মনে হচ্ছে।এখানেই তো আমার আসল স্থান। এতদিন কেন বুঝিনি তা ভেবে আফসোস হচ্ছে
দিদির খাওয়া শেষ হলে চোখা বুটের আগা দিয়ে আমার মাথায় আলতো করে টোকা দিয়ে বললো ‘হয়েছে,এবার ওঠ। আমি গেলাম। তুই কলেজে যাস,কেমন?’। আমি উঠে দাড়িয়ে বললাম ‘ঠিক আছে
দিদি’। দিদি মিস্টি হেসে আমার গালে হাত বুলিয়ে দিয়ে চলে গেলো।দিদি চলে যাওয়ার পর আমি একটু রেস্ট নিলাম। তারপর সময় হলে কলেজে গেলাম। বিকালে বাসায় ফিরে আসলাম। এসে
কোন বিশ্রাম নেই,কিভাবে আমার দেবীর সেবা করা যায় সেটা ভাবতে লাগলাম। দিদির ঘর খুব সুন্দর করে অনেকক্ষণ সময় নিয়ে গুছিয়ে রাখলাম। দিদির জন্যে নুডুলস বানিয়ে রাখলাম। দিদির
পা ধুইয়ে দেওয়ার জন্যে দোকান থেকে স্পঞ্জ কিনে আনলাম। দিদি আসবে রাত ৮ঃ৩০ এর দিকে। ভাবলাম মাত্র ৬টা বাজে।কিছুক্ষন ঘুমিয়ে নেই।
৭টার সময় কলিংবেলের আওয়াজে ঘুম ভেঙে গেলো। এই অসময়ে আবার কে এলো? ধুর। মেজাজটাই বিগড়ে গেলো। দিয়ে দরজা খুললাম। দেখি দিদি দাঁড়িয়ে আছে। সাথে সুন্দরী এক মেয়ে,দিদির
বয়সী ই হবে। আমি অবাক হয়ে বললাম ‘দিদি তুমি এত তাড়াতাড়ি যে?’। দিদিকে একটু বিরক্ত মনে হলো। বললো ‘আমরা ১০ মিনিট ধরে দাঁড়িয়ে আছি। কোথায় ছিলি শুভ?’আমি সাথে
সাথে দিদির পায়ে পরে গেলাম। দিদির বুটে নাক মুখ ঘষতে ঘষতে বললাম ‘আমি ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। প্লিজ দিদি আমাকে ক্ষমা করে দাও। আমার দিদিকে দাড় করিয়ে রেখে এত কস্ট দিয়েছি
আমি। আর কখনো এমন হবেনা প্লিজ প্লিজ প্লিজ আমাকে মাফ করে দাও’। দিদি হাসিমুখে তাকালো পাশের মেয়েটির দিকে। বললো ‘দেখেছিস,বলেছি না আমার সোনা ভাইটা আমাকে দেবীর মত
পুজা করে? এবার বিশ্বাস হলো তো?’। মেয়েটি অবাক হয়ে বললো ‘আমিতো প্রথমে বিশ্বাস ই করিনি। আসলেই তো!’। অইদিকে আমি দিদির বুটে মাথা ঘষা চালিয়ে যাচ্ছি। দিদি হাসিমুখে আমার
মাথার উপর বুট পরা একটি পা রেখে দাড়ালো’। বললো ‘আমার সোনা ভাইয়ের উপর কি আমি রাগ করতে পারি? দিদি তোকে ক্ষমা করে দিয়েছি।ওঠ এবার’ বলে বুটের তলা আমার মাথায়
ঘষে ঘষে আদর করতে লাগলো।দিদির বুটের ময়লা আমার চুলে লাগতে লাগলো। আমি উঠে দাঁড়ালাম। দিদির পাশের মেয়েকে দেখিয়ে বললো ‘ও আমার বান্ধবী প্রিয়াঙ্কা। আমাকে দেখতে এসেছে
অনেকদিন পর। তাই আগে আগে ছুটি নিয়ে চলে এসেছি’। আমি তাকালাম প্রিয়াঙ্কা দির দিকে। দিদির চেয়েও লম্বা,দারুন স্মার্ট। টাইট জিন্স,নিল টপস আর লাল হাই হীল পরনে। আমি প্রিয়াঙ্কা দির
পায়ের কাছে মাথা নিচু করে বসে লাল হাই হীল পরা পায়ে চুমু দিলাম। বললাম ‘নমস্কার দিদি। কেমন আছেন?’।প্রিয়াঙ্কা দি খুব খুশি হলো। বললো ‘এভাবে কেউ আমাকে কখনো এত সম্মান
দেয়নি। অনেক ভালো আছিরে ভাই। তুই ভালো আছিস তো? সেই ছোটবেলা দেখেছিলাম তোকে।’ আমি বললাম জি ভালো। আপনারা আসুন।
দিদিরা বাসায় ঢুকে সোফায় বসলো। আমি দিদির পায়ের কাছে বসে পরলাম। দিদি হেসে আমার কাধের ওপর বুট পরা একটা পা রাখলো। বললো ‘এইভাবে সারাদিন আমার পায়ের সামনে
পরে থেকে দিদির সেবা করে আমার সোনা ভাইটা। দিদির সেবা করাই ওর এক মাত্র ধ্যান জ্ঞ্যান’। প্রিয়াঙ্কা দি বললো ‘আমার খুব হিংসা হচ্ছেরে তোর উপর। এমন ভাই কয়জনের আছে যে
দিদিকে দেবীর মত পুজো করে! সত্যি তুই লাকি রে’। গর্বে দিদির বুক ফুলে উঠলো। ততক্ষনে আমি দিদির বুট খুলে ফেলেছি। সারাদিন কাজ করে দিদির পরিস্কার আকাশী নীল মোজাটা ময়লা
হয়ে গিয়েছে।দিদি মোজা পরা ডান পা টা আমার মুখের উপর রেখে ঘষতে ঘষতে বললো ‘ঠিক বলেছিস,এমন লক্ষ্মী ভাই খালি আমারি আছে’। প্রিয়াঙ্কা দি বললো ‘ইশ! আমার ভাইটা যদি এভাবে
আমার সেবা করতো!’। দিদি বললো ‘আফসোস করিস না। তুই আমার বেস্ট ফ্রেন্ড। আমার ভাই মানে তোর ভাই। এখন থেকে শুভ কেই নিজের ভাই মনে করে ইচ্ছামত সেবা করাস। যা তো
শুভ,তোর প্রিয়াঙ্কা দিদির সেবা করে দে একটু’। আমি দিদির মোজা পরে পায়ে চুমু দিয়ে প্রিয়াঙ্কা দির পায়ের কাছে গিয়ে বসলাম। হীল পরা পা দুটো আমার কোলে নিয়ে টিপতে লাগলাম।
বললাম ‘আপনাকেও দেবীর মত সেবা করবো আমি প্রিয়াঙ্কা দি’ বলে প্রিয়াঙ্কা দির লাল হাই হীলের নিচে চুমু দিলাম। হাসিতে ভরে গেলো প্রিয়াঙ্কা দির সুন্দর ফর্সা মুখটা। আমার গালে হাত বুলিয়ে
দিলো।দিদি বললো ‘তুই বস। আমি নাস্তা বানিয়ে আনি’। আমি বললাম ‘আমি নুডুলস বানিয়ে রেখেছি দিদি। গরম করলেই চলবে’। দিদি বললো ‘ঠিকাছে আমি গরম করে আনি। আর একটু ফ্রেশ
হই। ১৫ মিনিট লাগবে।তুই তোর প্রিয়াঙ্কা দির সেবা করতে থাক’। বলে চলে গেলো
দিদি চলে গেলে প্রিয়াঙ্কা দি বললো ‘আমার জুতার নিচে অনেক ময়লা লেগে আছেরে শুভ। কি করি বলতো?’। আমি বললাম ‘দিদি,আপনার চরনের ময়লা আমার কাছে প্রসাদসম। আপনি অনুমুতি
দিলে আমি চেটে পরিস্কার করে দিতে চাই’। প্রিয়াঙ্কা দি খিলখিল করে হেসে উঠলো। আমার মুখের সামনে হিল পরা পা দুটো এনে বললো ‘ঠিকাছে। দে’। আমি কুকুরের মত প্রিয়াঙ্কা দির লাল হাই
হিলের নিচটা চেটে পরিস্কার করতে থাকলাম। একদম চকচকে করে ফেললাম। প্রিয়াঙ্কা দি হাসতে লাগলো। বললো ‘তোর মুখ তো ময়লায় ভরে গেছেরে। দে পরিস্কার করে দেই। হা কর’। আমি
হা করতেই আমার মুখের ভেতর একদলা থুথু ফেললো প্রিয়াঙ্কা দি। হাসতে হাসতে বললো ‘গিল’। আমি গিলে ফেললাম। প্রিয়াঙ্কা দি বললো ‘আমার জুতা খোল। পায়ের নিচটাও ময়লা হয়ে আছে।
একটু চেটে দে না ভাই আমার’। আমি বিনা বাক্যে দিদির জুতা খুলে পায়ের নিচের ময়লা চেটে খেতে লাগলাম।
ততখনে নাস্তা নিয়ে দিদি এসে গেছে। এসে দেখে আমি প্রিয়াঙ্কা দির পা চাটছি। দিদি বললো ‘দেখেছিস আমার ভাই কিভাবে তার দিদিদের দেবীদের মত পুজা করে?’। প্রিয়াঙ্কা দি আমার মুখে
তার ফর্সা পায়ের তলা ঘষতে ঘষতে বললো ‘হ্যা রে দেখছি সবই। আমার নিজেকে আসলেই দেবী মনে হচ্ছে। কিভাবে কুকুরের মত চাটছে দেখ। মনে হচ্ছে কুকুর তার প্রভুর পায়ের তলা
চেটে দিচ্ছে’। দুই দিদি একসাথে খিলখিলিয়ে হেসে উঠলো। তারপর দুজনই নুডুলস খেতে লাগলো। দিদি আমাকে বললো ‘যা সোনা তুই একটা বাটি নিয়ে আয়। আমাদের সাথে বসে খা’। আমি
বললাম ‘তোমরা আমার দেবী। তোমাদের সাথে বসে খাওয়া আমার মানায়না। আমি তোমাদের পায়ের নিচ থেকে খেতে চাই দিদি। এ আমার জন্যে অনেক বড় সম্মানের ব্যাপার। প্লিজ দিদি
আমাকে তোমাদের পবিত্র পায়ের তলা থেকে খাওয়ার একটা সুযোগ দাও’।দিদিরা হাসতে লাগলো। দিদি আমার মুখে তার ফর্সা পায়ের তলা ঘষে আদর করতে করতে বললো ‘তুই তো সত্যি আমাকে
এক দেবী বানিয়ে দিলিরে। অনেক বেশি গর্বিত আমি’ ঠিক আছে,তোর মনের আশা পূরণ করবো’। বলে দিদি কিছু নুডুলস মাটিতে ফেলে দিলো। তারপর দিদি আর প্রিয়াঙ্কা দি দুজনই তাদের পা
দিয়ে বেশ করে মাড়িয়ে নিলো। তারপর আমার মুখের আমার তাদের পা এনে বললো ‘নে সোনা,খেয়ে নে’। আমি দুই দিদির পায়ের তলা চেটে চেটে কুকুরের মত খেতে লাগলাম

(সমাপ্ত)