সেদিন ছিল বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনাল। আমি ফুটবল দেখ্তে খুব ভালবাসতাম। সারাদিন অপেক্ষা করেছিলাম কখন খেলা শুরু হবে। কিন্তু খেলা শুরু হওয়ার সময় হলেও আমার ৩ বছরের বর দিদি আর মা tv তে সিনেমা দেখ্তে লাগ্লো। মা খাটে আর দিদি চেয়ারে বসে ছিল। আমি আমার ক্লাস ১১ এ পরা দিদির পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে হাতজোর করে বললাম “দিদি, প্লিজ আজ এক্টু খেলা দেখ্তে দিবি আমাকে?” এক্জন ছোটো ভাই হিসাবে বড় দিদির কাছে অনুরোধ ছারা আর কি কর্তে পারি আমি? দিদি কিছু বল্লো না, TV দেখে যেতে লাগ্লো। আমি আমার সুন্দরী দিদির লাল চটি পরা সুন্দর পায়ের ওপর মাথা নামিয়ে ঘস্তে থাকলাম, “প্লিজ দিদি, এক্টা দিন, আমার অপর এক্টু দয়া কর আজ।” অনেক্ষণ ওর পায়ে মাথা ঘসার পর দিদি মুখে হাসি ঝুলিয়ে বল্ল, “ একটু পা টিপে দে আমার , তার পর দেব।” আমি দিদির সুন্দর পা দুটো কোলে তুলে যত্ন করে টিপ্তে থাকলাম। ৩০ মিনিট পর দিদিকে বল্লাম,”দিদি, প্লিজ এবার এক্টু দে, ৩০ মিনিট খেলা হয়ে গেল। ছোট ভাইয়ের ওপর এক্টু দয়া কর আজ।” দিদি ওর চটি পরা ডান পা তুলে আমার মুখে সজোরে লাথি মার্লো এক্টা। “ দিদির কিভাবে সেবা কর্তে হয় জানিস না জানোয়ার ? এভাবে উদাসীন হয়ে পা টিপবি আর তার জন্য তোকে খেলা দেখ্তে দিতে হবে ? ভাল করে ভক্তি ভরে পা টেপ, এমন ভাবে যেন মনে হয় তুই তোর প্রভুর পা টিপছিস। ” আমি দিদির পায়ে মাথা ঠেকিয়ে বলি, “নিস্চয় দিদি, তুই তো আমার প্রভুই।” আমি দিদির পায়ের তলায় শুয়ে পরি, দিদি বিনা দ্বিধায় আমাদের মায়ের সাম্নেই আমার মুখের ওপর ওর লাল চটি পরা পা দুটো তুলে দেয়। মা বলে, “ ভাল ভাইয়ের মত বড় দিদির সেবা কর।” আমি বলি “কর্ছি মা।” দিদি ওর চটি পরা ডান পা টা রাখে আমার ঠোঁটের ওপর, আমার ঠোঁটজোড়া নিয়ে খেল্তে থাকে ওর চটির তলা দিয়ে। আর ওর চটি পরা বাঁ পায়ের তলাটা ঘস্তে থাকে আমার চোখ আর কপালের ওপর। আমি দিদির পা বেশ মন দিয়ে টিপ্তে থাকি। দিদি খেল্তে থাকে আমার ঠোঁটজোড়া নিয়ে, ওর চটি পরা পায়ের তলা দিয়ে । ওর চটির তলাটা বেশ ময়্লা। আমার ঠোঁটের ফাক দিয়ে দিদির চটির তলার ময়্লা মুখে ঢুকে যেতে থাকে। আমার কেনো জানিনা অদ্ভুত ভাল লাগ্তে থাকে মায়ের সাম্নে এভাবে দিদির সেবা কর্তে। আমি আরো মন দিয়ে টিপ্তে থাকি দিদির পা, আর চুম্বন কর্তে থাকি দিদির ডান চটি পরা পায়ের তলায়। ঠিক সেই সময় টিভির আওয়াজ শুনে বুঝ্তে পারি দিদি খেলা দিয়েছে, কিন্তু দিদির বাঁ পা টা ঠিক আমার চোখের ওপরে থাকায় আমি কিছু দেখ্তে পাইনা। দিদির দয়া পাওয়ার আশায় আরো মন দিয়ে ওর পা টিপতে থাকি, ওর ডান চটির তলায় আর গভীর ভাবে চুম্বন কর্তে থাকি। দিদি খেলা দেখ্তে দেখ্তে আমার মুখ নিয়ে খেল্তে থাকে ওর চটি পরা পায়ের তলা দিয়ে। হঠাৎ এভাবে দিদির সেবা কর্তে পারার জন্য কেমন এক্টা অদ্ভুত ভালোলাগা ঘিরে ধরে আমাকে। আমার সামনের টিভি তে আমার প্রিয় দল স্পেন ওয়াল্ড কাপ খেল্ছে, কিন্তু আমি দেখ্তে পারছি না, কারন আমার ৩ বছরের বড় দিদি ওর চটি পরা পা দিয়ে আমার চোখ ঢেকে রেখেছে, আর ওর অন্য পা দিয়ে খেল্ছে আমার ঠোঁট নিয়ে । একথা ভাব্তেই এক অপূর্ব আনন্দে মন ভরে যায়, পরম ভক্তিতে দিদির পা টিপ্তে থাকি আমি। দিদি ওর ডান পা দিয়ে আমার ঠোঁট টা খুব জোরে ঘস্তে থাকে। আমার দিদি ওর চটির তলা দিয়ে একবার আমার ঠোঁট একদিকে বেঁকাতে থাকে, আর তারপর অন্যদিকে। আমার এই খেলা দেখ্তে না পাওয়া আর সেই অবস্থায় এভাবে দিদির সেবা কর্তে কেন জানিনা অপুর্ব লাগ্তে থাকে। এই না পাওয়ার মধ্যেই কি এক অনন্ত পাওয়াকে আবিস্কার করি আমি। মা বলে দিদিকে, ” tv র ছেয়ে তুই ভাইয়ের মাথাকে বল বানিয়ে তোর পা দিয়ে যেই ফুটবলটা খেলছিস, সেটা দেখ্তে অনেক বেশী ভালো লাগ্ছে। দিদি বলে, আমি ওদের চেয়ে অনেক ভাল ফুটবলার, দেখ্বে কেমন কিক মারবো এই বলটায় ? এই বলে দিদি ওর ডান পা তুলে আমার গালের ওপর সজোরে এক্টা কিক মারে, ঠিক এমন ভাবে যেন ও ফুটবলার দের মত বলে কিক কর্ছে।
মা হেসে ওঠে দিদিকে আমার মুখে কিক মার্তে দেখে। আমার দিদি আমার মুখ নিয়ে ফুটবল খেলা চালিয়ে যেতে থাকে। কানে শুনতে পাই টিভির football কমে্ট্রি, কিন্তু চোখে দেখতে পাই আমার মুখ্কে বল বানিয়ে দিদির ফুটবল খেলা। আমার মুখ আর মাথার সর্বত্র দিদি লাথি মার্তে থাকে জোরে জোরে, আমি খেলার কমেন্ট্রির সাথে শুনতে পাই মা আর দিদির হাসি। এক্টু পরে মা বলে কিন্তু খেলোয়াড়রা তো চটি পরে খেলে না, জুতো পরে খেলে। দিদি বলে, “তাই তো।” তারপর আমার মাথার ওপর লাথি মেরে বলে, “যা, আমার জুতোটা নিয়ে আয়।” আমার মন তখন দিদির হাতে অপমানিত হওয়ার আনন্দে পরিপুর্ন, আমি দিদির পায়ে মাথা ঠেকিয়ে দিদিকে প্রনাম করি। তারপর ৪ হাত পায়ে গিয়ে জুতোর তাক থেকে দিদির সাদা স্নিকার টা মুখে করে নিয়ে আসি। আমাকে ৪ হাত পায়ে দিদির জুতো মুখে করে আন্তে দেখে মা আর দিদি হাসিতে ফেটে পরে। আমি দিদির পায়ের সাম্নে হাটুগেড়ে বস্তে দিদি আমার মুখে লাথি মেরে বলে “আমার পায়ে জুতো পরিয়ে দে।” আমি মাথা নিচু করে দিদির পায়ে জুতো পরিয়ে দি। “আগের মত শুয়ে পর আমার পায়ের তলায়। এখন তুই ফুটবল আর আমি ফুটবলার। এখুনি world cup final শুরু হবে।” এক অদ্ভুত আনন্দ আমার দেহ মন্কে ঘিরে ধরলো । আমি দিদির জুতো পরা পায়ের তলায় শুয়ে পরলাম । দিদি আমার মুখে জুতো পরা

ডান পা টা রেখে জুতোর তলাটা আমার মুখে ঘস্তে ঘস্তে বলে, “মা, তুমি কমেন্ট্রী দাও ।” মা কমেন্ট্রী দিতে থাকে, আপনারা দেখছেন বিশ্ব কাপ ফুটবলের ফাইনাল ম্যাচ, এখুনি খেলা শুরু হবে। আপনারা দেখ্তে পাচ্ছেন বিশ্বের শ্রেষ্ঠ খেলোয়ার সহেলি(আমার দিদির নাম ) তার জুতো পরা ডান পা তটা বলের ওপর রেখে দাড়িয়ে আছেন আর বলের ওপর নিজের জুতোর তলাটা ঘসছেন। আম্রা অনুভব কর্তে পারি বলটা নিজেকে কত ভাগ্যবান ভাব্ছে। প্রিথিবীতে বোধহয় এমন কোন ছেলে নেই যে ওই বলটার জায়্গায় থাক্লে খুশী হত না।” মায়ের কমেন্ট্রী চলতে থাকে। দিদি ওর জুতোর তলা আমার মুখের সর্বত্র ঘস্তে থাকে। হঠাত দিদি পা তুলে আমার মাথার এক্পাশে লাথি মারে। শুনতে পাই মা কমেন্ট্রী কর্ছে , “দেখ্তে দেখ্তে খেলা শুরু , বলে লাথি মেরে খেলা শুরু করলেন প্রিথিবির শ্রেষ্ঠ খেলোয়ার সহেলী। বলটা এক মেয়ের পা থেকে আরেক মেয়ের পায়ে ঘুর্ছে। অনবদ্য পাসিং আর কিকিং আম্রা দেখ্তে পাচ্ছি খেলার শুরু থেকেই। আজি প্রিথিবির প্রথম ম্যাচ যেখানে মেয়েরা বলের বদলে এক্টা জীবন্ত ছেলেকে ফুটবল হিসাবে ব্যাবহার কর্ছে। মান্তেই হবে এই খেলা অনেক বেশী আকর্ষনীয় । ” মায়ের কমেন্ট্রী চলতে থাকে আর দিদির স্নিকার পরা দুই পাই আমার মুখ আর মাথার সর্বত্র আছ্ড়ে পর্তে লাগ্লো। আমার নাক, মুখ, ঠোঁট ,গাল, কপাল, চোখ সর্বত্র লাথি মার্তে লাগ্লো আমার দিদি জোরে জোরে, ওর জুতো পরা পা দিয়ে, এমন ভাবে যেন সত্যিই ও আমাকে বল বানিয়ে football খেল্ছে। ব্যাথা লাগা সত্যেও আমি মোহিত হয়ে গেলাম এই খেলায়, বুঝলাম মেয়েরা যখন ছেলেদের মুখ্কে বল বানিয়ে ওদের পবিত্র পা দিয়ে ছেলেদের মুখে লাথি মেরে খেলে, সেটাই আসল ফুটবল খেলা।
দিদির পা আমার মুখের সর্বত্র আছ্ড়ে পর্তে লাগ্লো আর এক গভীর ভাল লাগা আমাকে আচ্ছন্ন করে তুল্লো। এক্টু পরে দিদি চেয়ারে বসে পরলো, মা বল্তে লাগ্লো ‘ এখন হাফ টাইম । সব মেয়ে খেলোয়াড়ের জুতো খেল্তে খেল্তে নোংরা হয়ে গেছে। তাই এই জিবন্ত বল এখন চেটে পরিস্কার করে দেবে মেয়েদের জুতো।” দিদি আমার মুখে লাথি মেরে বল্লো “ জিভ বার কর কুত্তা ।” আমার বুঝ্তে অসুবিধা হলনা কেন দিদি আমাকে জিভ বার কর্তে বল্ছে। আমি যতটা সম্ভব বার করে দিলাম আমার জিভ। দিদি ওর ডান জুতোর তলাটা নামিয়ে দিল আমার সম্পুর্ন বার করে দেওয়া জিভের ওপর, জুতোর তলাতা ঘস্তে লাগ্লো আমার জিভের ওপরে। দিদি অর ডান জুতোর তলাটা ঘষে চললো আমার জিভে, একবার দিদির জুতোর হীল আমার জিভ স্পর্শ করছিল , পরমুহুর্তেই ওর জুতোর সামনের অংশ আমার জিভ ছুচ্ছিল। এই জুতো পরে দিদি স্কুলে যায়, মাঠে খেলে। জুতোর তলাটা কাদা, আর মাটিতে ভরা। মুখ জুড়ে কাদা আর মাটির অস্বস্তিকর স্বাদ পাচ্ছিলাম আমি, কিন্তু সেটা আমার পবিত্র দেবীসম দিদির জুতোর তলা থেকে আস্ছে এই চিন্তা ওই স্বাদকেই অমৃত করে তুলেছিল আমার কাছে। দিদির জুতর তলা থেকে ওই ময়্লায় আমার মুখ ভরে যেতে লাগ্লো, আর নিজের দিদির জুতোর তলার ময়্লা পরম আনন্দে গিলে খেতে থাকলাম আমি। শুনলাম মা কমেন্ট্রী কর্ছে , আপনারা দেখ্তে পাচ্ছেন জীবন্ত এই চরম ভাগ্যবান বলের জিভে নিজের জুতোর তলা মুছে পরিস্কার করছেন বিশ্বের শ্রেষ্ঠ খেলোয়ার সহেলি। দেখুন কিভাবে বলের জিভ্টা লাল থেকে পুরো কালো হয়ে যাচ্ছে আর সহেলির জুতোর তলা কালো থেকে হয়ে উঠছে চকচকে সাদা। আমাদের স্বীকার করতেই হবে এই বলটা অতি সৌভাগ্যবান যে তার অতি তুচ্ছ জিভে নিজের জুতোর তলা মুচ্ছেন সহেলির মত খেলোয়ার।”
মায়ের কমেন্ট্রী চলতে লাগ্লো । আর ডান জুতো পরিস্কার হয়ে গেলে দিদি ওর বাঁ জুতোর তলাও আমার জিভে ঘষে পরিস্কার কর্তে লাগ্লো। আমি চেটে খেতে লাগলাম দিদির জুতোর তলার ময়্লা, পুজোর প্রসাদের মত ভক্তি করে। মেয়েদের হাতে অপমানিত হতে এত মজা আগে বুঝিনি কেন আমি ? আমার জিভে দিদি ওর পবিত্র জুতোর তলা ঘষে চললো আর টিভির কমেন্ট্রীতে অস্পষ্ট শুনতে পেলাম খেলার শেষ মুহুর্তে গোল কর্লো স্পেন। কিন্তু ওই খেলায় তখন আমার আর কোন আগ্রহ নেই। আমি জেনে গেছি আসল ফুটবল খেলা সেটাই যেটা দিদি আমাকে বল বানিয়ে খেল্ছে।