( online translator দিয়ে translate করায় অনেক ভূল থাকতে পারে বাংলা বানানে । time পেলে পরে edit করবো । )

তখন আমি ১১ এ পরি। সকালে উঠে সবে একটা সিগারেটে ধরিয়েছি ছাদে গিয়ে, হঠাৎ পাশ থেকে শুনি ‘ ক্লিক’ করে একটা শব্দ, সঙ্গে হাসির আওয়াজ । তাকিয়ে দেখি আমার বোন ছাদের দরজার ফাঁক দিয়ে মোবাইল বার করে আমার সিগারেট খাওয়ার ছবি তুল্ছে আর খুক খুক করে হাস্ছে। আমি সিগারেত ফেলে ওর দিকে তেরে গেলাম।’ এই কি কর্ছিস ?’ ও মবাইল নিয়ে নিছে পালাল। মা বাবার সাম্নে ওকে কিছু বল্তেও পার্লাম না। পরে ওকে একা পেয়ে বল্লাম, ‘ ওই ছবিটা ডিলিট কর সিগ্গির।’ অ বল্ল কেন ডিলিট কর্ব ? মা দেখ্লে খুব খুসি হবে ত … আমি বাধ্য হয়ে বল্লাম অমন করিস না বন, তুই যা বল্বি করবো । প্লিজ ওই ফোটো টা দেখাস না কাউকে। বোন সুনে হাস্তে হাস্তে বল্ল , জা বল্ব তাই কর্বি?’ বলে হি হি করে হাস্তে লাগ্ল। এক্তু পরে মা বাবা কাজে বেরিএ গেল। আমাদের স্কুলে তখন গরমের ছুটি । এক্তু পরে আমার কাকুর মেয়ে সিমা এল। বন এর মত অ ৯ এ পরে। বন রিমা , সিমার কানে কানে কিছু বল্ল, সুনে অরা দুজনেই খিক খিক করে হাস্তে লাগ্ল। বুঝ্লাম আমাকে নিএ কিছু এক্তা করার প্লান করেছে দুজনে। আমি ভাব্লাম বাইরে যাব। কিন্তু ঘর থেকে বেরতে যেতেই বন বল্ল ‘ কথায় জাচ্ছিস?’ আমি বল্লাম মাঠে । বন রিমা তাই সুনে হাসি মুখে বল্ল , বেশ জা, আমিও তোর চিগারেট খাওআর ফটো তা বাবার মবাইল এ সেন্দ করি। আমি ভয় পেয়ে গেলাম। বল্লাম ‘please এরকম করিস না । তুই না চাইলে আমি জাব না। কি কর্তে হবে বল।’ বন বল্ল’ মা বলে গেছে ঘর পরিস্কার করে রাখ্তে। তুই ঘর ঝাট দে, তার্পর ঘর মোছ্। আমি আর সিমা বসে বসে tv দেখি। আমি পর্লাম মহা ফেসাদে। ছেলে হয়ে আমি ঘর মুছবো আর বন বসে বসে দেখ্বে ? কিন্তু কি আর করা জাবে ? নাহলে আমার চিগারেট খাঅআর ছবি বন বাবাকে দেখালেই আমি মরেছি।
অগত্তা কি আর কর্ব, নিম্রাজি হয়ে হাতে ঝাটা নিয়ে ঘর ঝাত দিতে লাগ্লাম। শোওয়ার ২ টো ঘর ঝাত দিএ tv র ঘরে এসে দেখি আমার দুই বন tv দেখ্ছে। সিমা পায়ে সাদা স্নিকার পরে এসেছিল, সেতা পরেই চেয়ার এ বসে আছে। রিমার পায়ে ঘরে পরার চটি। দুজনেরি পরনে স্কার্ট আর টপ। আমি ঝাত দিতে লাগ্লাম আর ওরা পায়ের অপর পা তুলে বসে আমাকে ঘর ঝাত দিতে দেখ্তে লাগ্ল আর মিতি মিতি হাস্তে লাগ্ল। আমার বহুত রাগ হতে লাগ্ল দুই বোন এর অপর। tv র ঘরে ঝাত দিয়ে রান্না ঘর ঝাত দিতে গেলাম। ফিরে এসে দেখি সিমা জুতো পরে সারা ঘরে ঘুর্ছে। ফলে সারা ঘরের মেঝেতে অর জুতর ছাপ পরেছে। ফলে আমাকে আবার ঝাত দিতে হবে। আমি ওর দিকে তাকিএ বল্লাম ‘ এতা কি কর্লি?’ ও মুখে হাসি ঝুলিয়ে বল্ল ‘ তুই ঘর ঝাত দিবি বলে কি আম্রা হাটা বন্ধ করে দেব?’ আমি বল্লাম, ‘ হাট, কিন্তু জুত টা ত খুল্তে পারিস।’
রিমা পাশ থেকে বল্ল,’ না, photo তা বাবাকে পাঠাতেই হবে দেখ্ছি।’ কি আর কর্ব আমি , ছোট বোন আমাকে blackmail কর্ছে। আমি বল্লাম, please বলিস না বোন। রিমা বল্ল ‘ ওত সহজে হবেনা। তুই আমাদের অসম্মান করেছিস। ভাল করে ক্ষমা চা ।’ সিমা এসে অর পাসে chair এ বসে পর্ল। আমি কি আর করি, ওদের দুজনের পায়ের কাছে হাটুগেরে বসে পরলাম। হাতজোর করে বল্লাম ‘ আমার ভূল হয়ে গেছে। এরকম আর কখন হবেনা। please, এবারের মত ক্ষমা করে দাও। ‘ আমাকে ওদের পায়ের সাম্নে হাটুগেরে বসে ক্ষমা চাইতে দেখে ওরা হাসিতে ফেটে পর্ল। দুজনে দুজনকে জরিয়ে ধরে হো হো করে হাস্তে লাগ্ল। আমি ক্ষমা চেয়ে যেতে লাগ্লাম। একটু পরে ওরা উঠে বাইরে চলে গেল। আমি সিমার জুতর ছাপ গুলো একটা কাপড় দিয়ে ঘসে তুল্তে লাগ্লাম। তোলা হলে ঘর মুছতে জাব, আমার দুই বোন ঘরে ফিরে এল। ওরা কি কর্তে গিএছিল বুঝ্তে পার্লাম। আর কিছু না, আমার কাজ বারিয়ে মজা করা উদ্দেস্শ ওদের। বাইরে ধুল মাটিতে ঘুরে জুতো ভর্তি ময়্লা নিয়ে সব ঘর মারিয়ে ভেতরের tv এর রুম এ আমার সাম্নে এল। আমি রাগ আর অসহায় ভাব মেসান দৃষ্টি তে ওদের দিকে তাকালাম। ওরা আবার হাসিতে ফেটে পর্ল আমার দিকে তাকিয়ে।
ওরা দুজনে আমার দিকে তাকিয়ে হাস্তে হাস্তে সার ঘর জুত পরা পায়ে মারাতে লাগ্ল। ধুর ছাই, কি কর্তে জে ছাদের দর্জা না লাগিএ ফুকছিলাম সকালে? নিজেকেই নিজে গাল দিলাম। কি আর করি, আবার আগের মত ওদের সাম্নে হাটু গেরে বস্লাম। দুই বোন এর পায়ের দিকে তাকিয়ে কান্না ভেজা গলায় বল্লাম ‘ please, এরকম করিস না। আমি তো তোদের কন ক্ষতি করিনি। কতবার ঘর পরিস্কার কর্ব বল? তোরা যা বল্বি সব শুনবো । সুধু এভাবে ঘর নংরা করিস না।’ আমি কাদতে কাদতে ওদের পায়ের কাছে মেঝেতে মাথা নামিয়ে দিলাম। সিমা চোখ পাকিয়ে বল্ল’ জা বল্ব সুনবি ত?’ আমি বল্লাম’ হা, প্লিজ সুধু এরকম কর না।’ সিমা বল্ল, ঠিক আছে, আমরা চুপ করে chair এ বসে যাচ্ছি। তুই শুধু তোর হাফ প্যান্ট এর চেন টা খুলে ঘর ঝাট দে এবার।’ আমি যেন আকাশ থেকে পর্লাম।
‘ কি, তদের সাম্নে আমি pant এর chain খুলবো কিভাবে? please আমার সাথে এরকম মজা করিস না, তোরা আমার ছোট বোন হস।’ রিমা চোখ পাকিয়ে বল্ল ‘ আর বোন এর কর্তব্ব হল দাদা পেকে গিয়ে ফুকতে সিখলে বাবাকে সে খবর জানিএ মার খাইয়ে তাকে আবার ঠিক পথে আনা। আমি সেতা কর্ব, না তুই আমার কথা সুন্বি ? আমি ত তোকে pant খুল্তে বল্ছিনা। সুধু চেন খুল্লে তার ফাক দিএ কিছু দেখা জায় নাকি ?’ বাবার হাতে মার খাওআর ছেয়ে বন এর কথা মেনে নেওআ অনেক ভাল বলে মনে হল। আর বোন ঠিক এ বলেছে। আমার নুনু সাহেব betray না কর্লে শুধু প্যান্ট এর চেন খুল্লে ওরা কিছুই দেখ্তে পাবেনা। আমাকে নিয়ে ওরা এক্তু মজা কর্তে চাইছে, কি আর কর্ব ? আমি মাথা নিছু করে বল্লাম ঠিক আছে, তোরা জা চাইছিস তাই করবো আমি। সুনে ওরা এ ওর মুখের দিকে চেয়ে হাসলো। তারপর সিমা আমার কাছে এসে আমার pant এর চেন টা ডান হাতে ধরে এক্তানে নামিএ দিল। অহ, ওদের সে কি হাসি !!! ওরা পাগলের মত হাস্তে লাগ্ল আর আমি মনে মনে আমার নুনু বাবাজি কে বল্তে লাগ্লাম please, বাইরে বেরিয়ে ছোট বোন দের সাম্নে আমার শেষ সম্মান টুকু নষ্ট কর না।

এক্তু পরে হাসি থামিএ রিমা বল্ল,’ জা, এবার ঘর টা ঝাট দিয়ে মুছে ফেল।’ আমি ওদের সাম্নে থেকে অন্য ঘরে গিয়ে বাঁচলাম। ৩০ মিনিট পর সব ঘর ঝাট দেওআ, মোছা সেরে ওদের সাম্নে গিয়ে দারালাম। সিমা ‘ আমার গাল টিপে দিয়ে বল্ল “গুড বয়”, যেন আমি একটা বাচ্চা ছেলে, এমন ভাবে। সিমা বল্ল চিগারেট খাওআ ছেলে ভাল ছেলে হয়ে গেছে। তাই ছোট ছেলে টা কে আমি এখন একটা prise দেব । বলে অ chair এর ওপর উঠে দারাল। অর ডান হাতে নিজের মোবাইল টা ধরে বল্ল,’ কি রে বাচচা, mobile টা চাই নাকি?’
ওটা পেলে আর আমাকে পায় কে? ওই photo টা ডিলিট কর্তে পার্লে আমি বাচি। রিমা বল্ল, ‘ লাফিয়ে উঠে নিতে হবে। ‘ আমার মাথা থেকে অনেক উচুতে মোবাইল ট। আমি সব ভুলে জতটা সম্ভব বেসি লাফ দিলাম। হায় রে, আমি ভুলেই গিএছিলাম আমার pant এর চেন খোলা !! আমি লাফালাম, আর আমার নুনুও লাফের সাথে চেন এর ফাক দিয়ে বেরিয়ে গেল। আমি নিচে নামতে দেখি নুনু বাবাজি লজ্জা সরমের মাথা খেয়ে চেন এর বাইরে বেরিএ আছেন। তাই দেখে দুই বন এর সে কি হাসি !!!! লজ্জায় আমার মুখ পুর লাল হয়ে গেল। আমি নুনুটা হাত দিয়ে আবার pant এর ভেতরে চালান কর্তে গেলাম। রিমা মুখ ট গম্ভির করে বল্ল, ” লেংটু খোকা, তোর mobile তা চাই না তাহলে?” বোন আমাকে লেংটু বলে ডাকলো ? লজ্জায় আমি আরো লাল হয়ে গেলাম, নুনু টা কেন জানিনা বোন এর কাছে অপমানিত হয়ে আর সক্ত আর লম্বা হয়ে মাথা উচিয়ে দারাল। আমি বন দের সামনে আর ওটাকে pant এ ঢোকাতে সাহস পেলাম না। আমার গুপ্ত সম্পদ চোখের সাম্নে দেখে রিমা আর সিমা হ হ করে হাস্তে লাগ্ল। আমি লজ্জা সরমের মাথা খেয়ে আবার মবাইল তা ধরার জন্নে লাফ দিলাম। আমার হাত mobile তার গা ছুয়ে বেরিএ গেল, লাভের মধ্ধে আমার নুনু লাফের সঙ্গে লাফিয়ে উঠলো আমার দুই বোন এর সাম্নে। সে কি হাসি ওদের আমার নুনুকে লাফের সঙ্গে নাচতে দেখে !
আমি লজ্জায় লাল হয়ে যাওয়া মুখ নিয়ে একের পর এক লাফ দিতে লাগ্লাম mobile তা ধরার জন্নে। আমি যতই উচুতে লাফাই, রিমা mobile টা তার চেয়ে একটু উচুতে তুলে ধরে। লাভের মধ্ধে লাফের সঙ্গে আমার নুনুটা লাফিএ দুল্তে থাকে। দুই বোন তাই দেখে পাগলের মত হাস্তে থাকে। প্রায় ৩০ বার লাফ দেওআর পর আমি লাফ দিয়ে বা হাতে বোন এর ডান হাত টা ধরে ডান হাত দিয়ে বোনের ডান হাতে ধরে থাকা mobile তা ছিনিএ নিলাম। ব্যাশ, আমাকে আর পায় কে !
আমি photo galary খুলে প্রথমেই আমার cigarette খাওআর photo তা delete কর্লাম, তার্পর নুনু বাবাজিকে pant এর ভেতরে চালান কর্লাম। উফ্, অবসেশে সান্তি পেলাম তাহলে !!
কিন্তু কথায় শান্তি ?
রিমা আর সিমার দিকে তাকিয়ে দেখি ওরা তখন আমাকে দেখে হাস্ছে। হাসি থামতে সিমা বল্ল “ওরে গাধা, তোর কি ধারনা আমার mobile এ তোর ওই photo transfer না করেই রিমা তোকে ওটা delete কর্তে দিয়েছে? সত্তি, তোরা ছেলেরা গরুর ও অধম। ”
মুহুর্তে সব আনন্দ উবে গেল আমার। সিমা এগিয়ে এল আমার দিকে। আমার সাম্নে দারিয়ে একটানে আমার প্যান্ট এর চেন টা খুলে দিল। তারপর বাঁ হাতের তালু বন্দি করে বের করলো আমার নুনুটা। ওর সুন্দর ফরসা হাত দিয়ে নাড়তে লাগ্ল আমার নুনুতা।
humiliation তখন ভুলে গেছিলাম আমি, আমার সারা দেহ জুরে ছরিয়ে পর্ছিল এক দারুন সুখ। সিমার হাত আমার অঙ্গ বরাবর ওপর নিচ কর্ছিল। একবার ওর হাত নেমে আস্ছিল আমার অঙ্গের গোড়ায়, পরক্ষনেই ওর হাত আমার নুনুর গোড়ায় এসে পউচাচ্ছিল। উফ্ফ্ফ্ফ্ফ, সে জে কি সুখ, বলে বোঝান যাবেনা। রিমা ততখনে chair থেকে নেমে আমার পাশে এসে দারিয়েছে। হঠাৎ রিমা ওর ডান হাত দিয়ে আমার বা গালে বেশ জোরে এক্তা থাপ্পর মার্ল। আমি কিছু বঝার আগেই ওর বা হাত আমার ডান গালে আঘাত করলো আবার। আমার ছোট বোন আমাকে এভাবে চড় মারলো ?
আমি ভেবাচেকা খেয়ে দারিয়ে গালে হাত বলাতে লাগ্লাম। আমার নুনুটা সিমার হাত থেকে নিয়ে রিমা আমার নুনুটা ওর ডান হাত দিয়ে আস্তে আস্তে নাড়তে নাড়তে বল্ল, ” আমি তোকে মোবাইল direct নিতে বলেছিলাম। লাফানোর পর আমার হাত ধরে টেনে তুই cheat করেছিস। তাই তোকে আমাদের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।” এই বলে বোন আমার হাতে থাকা ওর mobile টা নিয়ে নিল। আমার নুনুটা তখন রিমার হাতের তালুতে বন্দি, আস্তে আস্তে আমার নুনুটা ডান হাত দিয়ে ঘস্ছে আমার বোন। ওর চোখে মুখে একটা অদ্ভুত হাসি।
এই অপমান, সঙ্গে যৌনাঙ্গ জুরে আমার ফরসা, সুন্দরি বোন এর স্পর্শ, সব মিলিয়ে আমার কেন জানিনা বেশ ভালই লাগ্তে লাগ্ল। আমি মাথা নিচু করে বল্লাম, “sorry বোন, আমার ভুল হয়ে গেছে। আমাকে ক্ষমা করে দাও।” পাশ থেকে সিমা বল্ল, “এতে হবেনা। আমাদের দুজনের পায়ে মাথা রেখে কষমা চা ।”
আমি বিনা তর্কে ওর কথা মেনে নিলাম। রিমা আমার নুনু ছেরে দিতে আমি ওর পায়ের কাছে হাটুগেরে বসে ওর চটি পরা পায়ের অপর মাথা ঠেকালাম। নিজের ছোট বোন এর পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করছি আমি, অথচ কেন জানিনা, আমার একটুও খারাপ লাগ্ছিল না। সত্যি বল্তে আমার বেশ ভালই লাগ্ছিল এভাবে ছোট বোনকে প্রনাম করতে। প্রায় ৫ মিনিট রিমার পায়ের ওপর মাথা রেখে পরে থাকলাম আমি । তারপর রিমা অর চটি পরা ডান পা আমার মাথার অপর রেখে আমাকে আশির্বাদ করলো । পা দিয়ে আমার মাথা সিমার দিকে ঠেলে বল্ল “এবার সিমাকে প্রনাম কর। আমি বোন এর দুপায়ের অপর চুম্বন করে ওকে ধন্যবাদ দিলাম। তারপর সিমার কাছে গিয়ে সিমার স্নিকার পরা পায়ের ওপর মাথা ঠেকিয়ে দিলাম। কেন জানিনা , খুব ভাল লাগছিল এভাবে সিমাকে প্রনাম করতে ।
মনে মনে কল্পনা করতে লাগলাম সিমা কোন স্বর্গের দেবী আর আমি দেবীর পায়ে মাথা রেখে প্রনাম করছি । একটু পরে রিমার মত সিমাও ওর জুতো পরা ডান পা আমার মাথার ওপর রেখে আমাকে আশির্বাদ করলো । আমি ওর স্নিকার এর অপর চুম্বন করে ওকে ধন্যবাদ দিলাম। আমি উঠে দেখি হাতে মোবাইল নিয়ে দারিয়ে সিমার দিকে চেয়ে রিমা হাসছে । আমাকে উঠতে দেখে সিমাকে রিমা বললো , ” সিগারেট খাওয়ার চেয়ে বাচ্চাটার ল্যাংটো হয়ে আমাদের পায়ে মাথা রেখে প্রনাম করার ভিডিও টাই বেশী ভাল হয়েছে। কি বলিস তুই?” ওরা দুজনে একে অপরকে জরিয়ে ধরে ধরে হাসতে লাগলো হো হো করে । তার মানে আমার প্যান্ট থেকে নুনু বার করে রেখে ওদের পায়ে মাথা রেখে প্রণাম করাটা ওরা ভিডিও করেছে ????