। আমি কলকাতা থেকে রাত এর ট্রেনে শিলিগুড়ি তে আমার বাড়ি ফিরছিলাম। রাতে খেয়ে সবাই শুয়ে পরল। আমার সীট নিচে। উল্টো দিকের সীটে আমাদের কলেজের একটা জুনিয়র মেয়ের সীট পরেছিল, অর নাম অপরুপা। নামের মতই অপরুপ দেখ্তে ওকে, সারা কলেজের ড্রিম গার্ল। আমি একবার কথা বলার চেষ্টা কর্লাম, ও পাত্তা দিল না, শুয়ে পরল। আমিও শুয়ে পরেছিলাম। একটু পরে এক station থেকে ৩ টে মেয়ে উঠলো ।দেখে মনে হয় ১৮ মত বয়েস ওদের। ৩ জনের এ পরনে টপ ,জিন্স আর টেনিস শু । ওরা আমাকে উঠিয়ে দিয়ে বল্ল ওরা বসবে ওই সীটে । আমি অবাক হয়ে বললাম , – এটা আমার সীট। আমি তোমাদের সীট ছেড়ে দিলে আমি বসব কোথায় ?

একটা মেয়ে হাসি মুখে মেঝের দিকে আঙ্গুল দেখিয়ে বলল, – কেন, নিচেই তো শুতে পারিস।

আমার অপরিচিত ৩ তে মেয়ে, আমার চেয়ে ছোট, আমাকে তুই বলছে? আমার কি যে হল, আমি আমার বিছানা নিচে মেঝেতে নামিয়ে দিয়ে ওদের বল্লাম, – ঠিক আছে, তোমরা মেয়ে, তোমরা বস। আমি নিচে শুয়ে পরছি। ওরা ৩ জনেই গল্প করতে করতে বসে পরল। আমাকে এক্বার thanx ও বল্ল না। আমি ওদের ৩ জনের ঠিক পায়ের কাছে বিছানা করে শুয়ে পরলাম । মেয়ে ৩ টের পায়ের কাছে শুয়ে একটু ঘুমিয়ে পরেছিলাম। ঘুম ভাঙ্গল বুক আর পেটে কিছুর স্পর্শে। তাকিয়ে দেখি ওদের মধ্যে ২ জন মেয়ে আমার পেটে আর বুকে নিজেদের জুতো পরা পা দুটো তুলে বসে গল্প করছে। ওরা আমাকে তাকাতে দেখে হাসল । . যে মেয়েটা আমার বুকে পা রেখে বসেছিল  সে বল্ল – তুই যখন আমাদের পায়ের কাছেই শুয়ে আছিস তখন ভাবলাম তোকে footrest  হিসাবে ব্যবহার করি।

জানালার পাশে যে মেয়েটা বসেছিল সে পা দুটো রেখেছিল আমার মাথার পাশে। সে আমার চোখে চোখ রেখে বল্ল, – আমিও তোর মুখে পা রাখব ভাবছি। তুই তো এখন আমাদের ফুটরেস্ট।

আমি বাধা দিতে চাইছিলাম। কিন্তু কি যে হল, মেয়েটার সুন্দর মুখের দিকে তাকিয়ে আমার মুখ থেকে বেরিয়ে এল – নিষ্চয় প্রভু। আমার মুখে তুমি পা রাখবে এ তো আমার পরম সৌভাগ্য। আমার মুখে প্রভু ডাক শুনে ওরা হাসিতে ফেটে পরল। তারপর আমার প্রভু ওর ২ টো পাই আমার মুখের অপর রেখে ওর জুতোর তলা দুটো আমার সারামুখে ঘসতে লাগল।

আশ্চর্যের ব্যাপার, খারাপ লাগার বদলে এক দারুন ভাল লাগায় মন ভরে গেল।প্রভু কিছুক্ষন পর আমার মুখে জুতোর তলা ঘসা থামিয়ে আমার মুখে ডান পা দিয়ে একটা লাথি মেরে বল্ল, – প্রভুর জুতোর তলায় ময়্লা লাগলে পোষা কুকুর কিভাবে পরিস্কার করে জানিস ?

আমি মুখে কিছু না বলে জিভ টা লম্বা করে বার করে দিলাম। ওপরে হাসির রোল উঠলো আর আমার প্রভু আমার জিভে জুতোর তলা ঘসে পরিস্কার কর্তে লাগল। যেটা আমার জিভ, সেটা আমার অপরিচিত এই মেয়েটির কাছে পাপোশের বেশি কিছু না। ও আমার জিভে ঘষে প্রথমে ওর বাঁ জুতোর তলা , তারপর ওর ডান জুতোর তলা একদম নতুনের মত  পরিস্কার করে ফেলল। তারপর অন্য ২ টো মেয়েও এক এক করে ওর সাথে জায়্গা বদল করে আমার জিভ আর মুখ কে পাপোশ হিসাবে ব্যাবহার করল। সকাল হতে ওরা মালদা তে নেমে গেল। আমাকে যাওয়ার আগে বল্ল্ল, – গুড বাই ডগি , তারপর পা দিয়ে আমার মাথা ঘষে আদর করে চলে গেল ওরা ৩ জনে।

আমি এই ঘটনার ঘোর কাটিয়ে উঠে বসতে যাব আমার সীটে ,
দেখি ঘুম ভেঙ্গে উঠে অপরুপা আমার দিকে তাকিয়ে আছে। আমাকে ওর দিকে তাকাতে দেখে গম্ভীর গলায় বলল, – উঠে কোথায় যা্চ্ছিস কুত্তা, আমার ফুটরেস্ট দরকার।

আমার কি যে হল, হামাগুড়ি দিয়ে অপরুপার কাছে গিয়ে ওর জুতোর অপর চুমু খেতে লাগলাম। ওর পরনে টপ আর জিন্স , পায়ে মিলিটারী স্টাইলের কালো বুট জুতো। আমি আমার কলেজের জুনিয়র মেয়ে অপরুপার একটা বুটের ওপর চুম্বন করতে লাগলাম, ও অন্য বুট জুতো পরা পা টা আমার মাথায় ঘষে আমায় আদর করতে লাগল।

একটু পরে অপরুপা হুকুম করল, – সোজা হয়ে শো।

আমি সোজা হয়ে অপরুপ সুন্দরী অপরুপার পায়ের তলায় শুলাম আর জিভটা বার করে দিলাম যতটা সম্ভব। অপরুপা আমার মুখ আর জিভে বুট জুতোর তলা বুলিয়ে আদর করতে লাগল আমাকে। আমার প্রভু অপরুপার জুতোর তলা, জুতোর তলার প্রতিটা খাজ ও আমার জিভের সাহায্যে চেটে নতুনের চেয়েও বেশি পরিস্কার করে দিলাম। আমার গলায়  ট্রেনে ব্যাগ বাধার লোহার চেন টা পরিয়ে দিয়ে অপরুপা  বলল, – আজ থেকে তুই আমার পোষা কুত্তা। সবসময় আমার পায়ের কাছে থাকবি, এমনকি কলেজে ফিরেও। নিজের সৌভাগ্যকে বিশ্বাস হচ্ছিল না আমার। যে মেয়ের পাশে বসার সৌভা্গ্য কতো ব্রিলিয়ান্ট ছেলের ও পুরণ হয় না, আমি এখন থেকে রোজ তার পায়ের স্পর্শ পাব ? আমি আনন্দে ডাক ছাড়লাম, ভঊউ।  ট্রেন স্টেশনে এসে পৌছালে অপরুপা আমার গলার চেন ধরে টানতে টানতে নিয়ে চললো। পিছনে ওর সব মাল বইতে বইতে চললাম আমি, ওর গর্বীত ক্রীতদাস।