সেটা ছিল একটা শীতের সন্ধ্যা । আমার আদরের বোন অনন্যা ঘরে বসে টিভি দেখছিল । ওর পরনে ছাই রং এর জ্যাকেট আর কালো প্যান্ট, পায়ে নীল চটি । একটু আগে আমার করা টিফিন শেষ করে ও এখন পায়ের ওপর পা তুলে চেয়ার এ বসে টিভি দেখছে। আমি ওর স্কুলের জুতো পরিস্কার করে এখন ওর স্কুল ড্রেস আয়রন করছিলাম। হঠাৎ বোন ডাকলো , “দাদা, শোন।” আমি ওর কাছে গিয়ে বল্লাম, “বলো”। এমন না যে সবসময় আমি ওকে “তুমি “ বলে সম্বোধন করি। তবে ও আমার ৪ বছরের ছোট আদরের বোন, ভালবেসে ওর সব কাজ করে দিই আমি। ওর জন্য টিফিন করি, ওর জামা কাচি,আয়রন করি,ঘর ঝাট দিই,জুতো পরিস্কার করে দিই । অতিরিক্ত ভালবাসাতেই ওকে বেসিরভাগ সময়ে “তুমি” বলে ডেকে ফেলি। বোন কিন্তু সব সময়ে আমাকে তুই বলেই ডাকে।
“দাদা,পায়ে খুব ব্যাথা করছে, একটু টিপে দে না রে ।” মুখে হাসি ঝুলিয়ে বললো বোন। বোন যখন হাসে ওর গালে টোল পরে, ফলে ওর সুন্দর ফরসা মুখটা আরো সুন্দর দেখায়। আমি ওর পায়ের কাছে বসে পরলাম। বোন ওর চটি পরা পা দুটো আমার কোলে তুলে দিলে আমি যত্ন করে আমার আদরের বোনের পা দুটৌ টিপতে লাগ্লাম। এমন না যে আজি প্রথম বোনের পা টিপছি আমি। বোন এই “অনুরোধ” টা প্রায় রোজই করে, আর আমি ভাল দাদার মত ওর পায়ের কাছে বসে ওর পা টিপে দি। বন পা থেকে চটি খোলেনি, চটির ওপর দিয়েই ওর পা টিপে দিচ্ছিলাম। চটি পরা পায়ের পাতা থেকে ওর প্যান্টের ওপর দিয়ে ওর কাফ পর্যন্ত টিপছিলাম,আবার নেমে আসছিলাম ওর চটি পরা পায়ের পাতায় । মাঝে মাঝে ওর চটির ফাক দিয়ে হাত ঢুকিয়ে ওর খালি পায়ের পাতা টিপছিলাম । ছোট বোনের সেবা করতে কেন জানিনা ভীষন ভাল লাগে আমার। ওকে ভাল টিফিন করে খাওয়ানোই হোক,ওর জামা জুতো পরিস্কার করাই হোক, বা ওর পায়ের কাছে বসে মন দিয়ে ওর পা টেপাই হোক, আমাকে এক অদ্ভুত আনন্দ দেয়।
“দাদা,তোকে একটা কথা বলবো ? রাগ করবি না তো ?” আমি ওর ডান পা টা তুলে ওর পায়ের পাতায় চুমু খেয়ে বল্লাম, আমি কখনো তোমার ওপরে রাগ করেছি?” বোন মুখটা বিসন্ন করে বল্ল, “না দাদা,বন্ধুদের সাথে মজা করতে গিয়ে আমি একটা ভুল করে ফেলেছি।” বোনের মুখে বিশাদের ছায়া দেখে আমার মনট খারাপ হয়ে গেল। আমি ওর বাঁ পা তুলে ওর চটির তলায় চুম্বন করে বল্লাম, “কি ভুল বোন?” । “তোর আর আমার ব্যাপারে বারিয়ে বলে ফেলেছিলাম বন্ধুদের। তুই আমার কতটা সেবা করিস সেটা অনেক বারিয়ে বলে ফেলেছি। এখন ওরা বাজি ধরেছে আমার সাথে। আমি যা বলেছি সেতা সত্যি না দেখাতে পারলে ওদের কাছে আমি ছোট হয়ে যাব।” আমি বোনের পা টিপতে টিপতে বল্লাম,” তাতে কি হয়েছে বোন? তোমার বন্ধুদের সাম্নে আমি সেভাবেই তোমার সেবা করবো ,জেভাবে সেবা করার কথা তোমার বন্ধুদের বলেছ তুমি।” “না রে দাদা,আমি ত মজা করে খুব বারিয়ে বলেছিলাম। ওভাবে আমার সেবা কর্লে তোর সম্মান থাকবে না।”,বোন করুন মুখ করে বল্ল।
আমি বোনের ডান চটির তলায় চুম্বন করে বল্লাম,”বোনের সেবা করাতেই তো দাদার সম্মান। বোনের সেবা করলে দাদার আসম্মান হয় নাকি কখন? আমি ঠিক সেভাবেই তোমার সেবা করবো বোন যেভাবে তুমি বন্ধুদের বলেছ। ঠিক কি বলেছ তুমি ওদের?”
“বলছি, তার আগে কথা দে ঠিক ওভাবেই আমার বান্ধবীদের সামনে আমার সেবা করে আমার সম্মান রাখবি?” “হ্যাঁ বোন, আমি কথা দিচ্ছি। তুমি বল।” বোনের পা টিপতে টিপ্তে বলি আমি। “আমার ৩ বান্ধবি, রাই,সুচেতনা আর লিপি কে আমি বলেছি আমি স্কুল থেকে ফেরার আগে তুই আমার জন্নে টিফিন করে রাখিস। আমি বাড়ি ফিরলে তুই দরজার সামনে আমার পায়ের কাছে শুয়ে পরিস।আমি তোর বুকে উঠে দাড়িয়ে তোর শার্ট এ আমার জুতোর তলা মুছতে ঘরে ঢুকি। ঘরে ঢুকে আমি সোফায় বসি,আর তুই দরজা লক করে আমার জুতো পরা পায়ে মাথা রেখে আমাকে প্রনাম করিস। তারপর তুই শুয়ে পরিস আমার পায়ের তলায়।আমি তোর বুকের ওপর পা তুলে, পায়ের ওপর পা রেখে বসি। ওপরে থাকা পা টা তোর মুখের মাত্র ২ ইন্চি অপরে দোলাতে থাকি,আর তুই আমার অন্য পা টিপতেথাকিস। আমার দোলাতে থাকা পা তা মাঝে মাঝে তোর মুখে ,থতে লাগে,তুই কিছু বলিসনা তবু।আমার পা থেকে জুতো মোজা খুলে তুই এর্পর আমার পায়ে চটি পরিয়ে দিস। আমাকে সুস্সাদু টিফিন খেতে দিস এর্পর আর আমি টিভি দেখতে দেখতে টিফিন খাই। তুই গামলায় করে জল এনে আমার পা ধুয়ে দিস,আমার পা মুছে দিস। আমার জুতো পরিস্কার করে জত্ন করে তুলে রাখিস তুই, তারপরআমার পায়ের কাছে বসে আমার পা টিপিস। পা টেপা বা টিফিন ভাল নাহলে আমি তোকে থাপ্পর আর লাথি মারি। তুই কিছু বলিস্না, বরং আমার পায়ে মাথা রেখে ক্ষমা চেয়ে আর ভাল ভাবে পা টিপতে থাকিস। ঐ গল্প শুনে ওরা বিস্সাস করতে চায়নি। আমি ভুল করে শেষে চ্যালেন্জ করে ফেলি।ওরা ৩ জন কাল স্কুলের পর আমাদের বারি আসবে বলেছে। এখন তুই যদি এভাবে সেবা করতে না চাস ওরা আমাকে মিথ্যুক বলবে,আমাকে নিয়ে হাসাহাসি করবে।” বলতে বলতে বোনের মুখ আর করুণ হয়ে গেল,অর চোখ দিয়ে জল পরতে লাগলো।” আমি বোনের চটি পরা পা দুটো ২ হাতে ধরে তার ওপর নিজের মাথা টা নামিয়ে দিলাম। আমার দেবীর মত সুন্দরী বোনের পায়ে মাথা ঘষতে ঘষতেবল্লাম, “এভাবে বোনের সেবা করা ত যেকোন দাদার স্বপ্ন। বোনের সেবা করার জন্নেই তো দাদারা বেঁচে থাকে। তুমি কেঁদনা প্লিজ বোন। ঐভাবে তোমার সেবা করতে পারলে আমার জীবন ধন্য হয়ে যাবে।” বোন হাতের তালু দিয়ে চোখের জল মুছে বল্ল, “সত্তি বল্ছিস দাদা তুই রাজি? আমার বান্ধবিদের সামনে জদি তোর জামায় জুতোর ময়্লা মুছি বা তোর মুখে লাথি মারি তাও কিছু বলবি না তুই?” “না বোন, যতবার আমার মুখে লাথি মারবে তুমি ততবার তোমার পায়ে মাথা ঠেকিয়ে তোমাকে ধন্যবাদ জানাব।”
“আমার বান্ধবীরা কিন্তু বলেছে ওরাও তোর সাথে আমার মত আচরন কর্বে। ওরা লাথি মারলেও তুই কিছু মনে করবি না?” লিপি,রাই আর সুচেতনা কে চিনি আমি। ৩ জন এ আমার বোনের মতই সুন্দরী। আত সুন্দর ৪ জন মেয়ের সেবা করা তো ভাগ্যের ব্যাপার। “না প্রভু, মেয়েদের লাথি খাওয়া তো ছেলেদের কাছে চরম সৌভাগ্যের ব্যাপার।” আমি অনন্যার পায়ে মাথা ঘষতে ঘষতেবল্লাম। বোনের মুখে আবার হাসি ফিরে এল,আমার মাথায় আলতো করে একটা লাথি মেরে বল্ল, “কি বলে ডাকলি আমাকে?” “প্রভু বলে,তুমি তো আমার প্রভূই, আমার মালকিন,আমার আরাধ্য দেবী । তোমার সেবা করার চেয়ে বড় সৌভাগ্য আর কি হতে পারে আমার জীবনে?”
“শুয়ে পর দাদা, তোর বুকে পা রেখে বসে একটু টিভি দেখি।” আমি আমার প্রভুর পায়ের তলায় শুয়ে পরলাম। বোন ওর চটি পরা বাঁ পা টা রাখ্ল আমার গলার কাছে, আর বাঁ পায়ের ওপরে রাখা ওর ডানপা টা আমার মুখের ১ ইঞ্চি ওপরে দোলাতে লাগলো। আমি ভাল দাদার মত যত্ন করে বোনের বাঁ পা টা টিপতে লাগলাম। আর বোন ওর ডানপা দোলাতে লাগলো আমার মুখের ওপর, ওর চটির তলা বারবার আমার ঠোঁট স্পর্শ করতে লাগলো। আমি স্বপ্নেও ভাবিনি কখন এভাবে আমার বোনের সেবা করতে পারবো । যতবার ওর চটির তলা আমার ঠোঁট স্পর্শ করছিল ততবার আমি ওর চটির তলায় একে দিচ্ছিলাম গাঢ় চুম্বন। একটু পরে বোন ওর ডানপা টা আমার মুখের ওপর নামিয়ে দিল। আমার মুখ নিয়ে খেলতে লাগলো চটির তলা দিয়ে। আর আমি বাধ্য চাকরের মত ওর বাঁ পা টিপে চল্লাম। একটু পরে বোন ওর দুটো পাই আমার মুখে নামিয়ে দিল। আস্তে আস্তে ঘষতে লাগলো আমার মুখ, ওর চটির তলা দিয়ে। আর আমি ওর পা দুটো মন দিয়ে টিপে চললাম……………………………
পরদিন বিকেল ৪ টে ।আমি কলেজে যাইনি আজ। সারা দুপুর বোন আর তার বান্ধবীদের জন্য অনেক ভাল আইটেম রান্না করেছি, ঘর সাজিয়ে রেখেছি। আর এখন দরজার সামনে হাঁটুগেরে বসে আমার প্রভুদের জন্য অপেক্ষা করছি। অবশেষে অপেক্ষার অবসান হল। ওরা ৪ বান্ধবী ঘরে ঢুকলো। ঘরে ঢুকেই বোন দরজা লক করে দিল। ওরা ৪ জন ক্লাস ৯ এ পরে। ওদের পরনে স্কুলের সাদা শার্ট, সবুজ স্কার্ট, পায়ে মোজা আর জুতো। আমার বোন আর লিপির পায়ে সাদা স্নিকার আর রাই আর সুচেতনার পায়ে কালো মেরি জেন সু । আমি ওদের সবার পায়ে মাথা ঠেকিয়ে ভক্তিভরে প্রনাম করলাম। ওরা ৪ জন ই এত সুন্দর দেখতে যে ওদের দেখলেই আপনা আপনি মনে ভক্তি জেগে ওঠে ।
তারপর বোনের পায়ের কাছে শুয়ে পরলাম। বোন আমার বুকে উঠে দাঁড়াল। আমি আশা করেছিলাম আমার জামার ওপর বোন ওর জুতোর তলা মুছবে, কিন্তু ও আমার মুখের ওপর ওর জুতো পরা ডান পা টা রাখলো ।তারপরআস্তে আস্তে আমার মুখের ওপর ঘষতে লাগলো ওর ডান জুতোর তলা। এই জুতো পরেই বোন রাস্তা দিয়ে হেটে স্কুলে গেছে, স্কুল থেকে ফিরেছে। আর এখন রাস্তার ধুলো ময়্লা লাগা সেই জুতোর তলা বোন আমার সারা মুখে আমন ভাবে ঘসছে যেন এটা ওর দাদার মুখ না, কোন পাপোশ ! আমি অবাক হয়ে তাকিয়ে দেখতে লাগ্লাম আমার সুন্দরী বোন অনন্যা আমার বুকে জুতো পড়া পায়ে দাড়িয়ে,ওর বা পা আমার বুকে রাখা,আর ডানপা তুলে জুতোর তলার ময়্লা ওর নিজের দাদার মুখে ঘশে পরিস্কার করছে !!
আমার কপাল,নাক গাল,ঠোঁট, সর্বত্র ঘশে চলেছে ওর জুতোর তলা। ডান জুতোর তলা পরিস্কার হয়ে গেলে ডানপা টা আমার বুকে নামিয়ে রাখ্ল অনন্যা ,আর আমার মুখে বাঁ পা রেখে বাঁ পায়ের জুতোর তলা আমার মুখে ঘশে পরিস্কার করতে লাগলো। বোনের জুতোর তলার ময়্লা লেগে জেতে লাগ্ল আমার মুখের সর্বত্র। ঐকটু পরে আমার কপালের ওপর ওর বাঁ পা রেখে আমার চোখে চোখ রাখলো বোন, “সবার সামনে বের করতে লজ্জা পাচ্ছিস?”
“কি বার করবো প্রভু?”,আমি বল্লাম। “যেটা রোজ বার করিস”, বলে বোন মুখে হাসি ঝুলিয়ে জিভ বার করে দেখাল। আমি বুঝতে পারছিলাম না বোন কি চাইছে। আমি আমার জিভটা যতটা সম্ভব বার করে দিলাম, আর অবাক হয়ে দেখলাম বোন আমার জিভে ওর জুতোর তলা মুছতে শুরু করেছে !!! ও আমার জিভের ওপর এমন ভাবে ওর বা জুতোর তলা ঘসছে যেন এটা ভীষন নর্মাল ব্যাপার। ওর বন্ধুরা অবাক হয়ে দেখছে আমাদের। বাঁ জুতোর তলা আমার জিভে ঘশে নতুনের মত চকচকে করে ফেললো আমার বোন। জিভ শুকিয়ে গেলে আমি জিভটা মুখে ঢুকিয়ে ভিজিয়ে নিচ্ছিলাম আর বোনের জুতোর তলার “পবিত্র” ময়্লা গিলে খেয়ে নিচ্ছিলাম। তারপরবোনের জুতোর তলা মোছার জন্য আবার বার করে দিছ্ছিলাম আমার জিভ। বাঁ জুতোর তলা পরিস্কার হয়ে গেলে বোন ওর ডানজুতোর তলাও আমার জিভে ঘশে পরিস্কার করে ফেললো।
এরপর বোন নেমে দাড়াল আমার বুক থেকে আর রাই উঠে দারাল আমার বুকে।মুহুর্তের মধ্যে ওর ব্ল্যাক স্কুল জুতোর তলা আমার মুখ স্পর্শ করলো।আমার মুখের সর্বত্র ঘষতে লাগলো ওর জুতোর তলা। হঠাৎ আমার নাকের ওপর প্রবল জোরে লাথি মারলো প্রভু রাই, আমার চোখ ঝাপশা হয়ে গেল, কানে অস্পষ্ট শুনলাম “জিভ বার কর কুত্তা”। আমি পোষা কুকুরের মতই জিভ বার করে দিলাম, আর আমার ৪ বছরের ছোট বোনের বান্ধবী আমার জিভে ওর জুতোর তলার ময়লা মুছতে লাগলো। আমার কিনতু একটুও অপমানিত লাগছিল না, ওদের মত সুন্দরী মেয়ের সেবা করতে পেরে নিজের জীবন ধন্য মনে হচ্ছিল আমার।
সুচেতনা এরপর ওর বাঁ জুতোর তলাও আমার মুখে আর জিভে ঘশে পরিস্কার করে ফেললো ।তারপরআমার মুখের ওপর থুতু ফেলে ও নেমে দারালে সুচেতনা আমার বুকে উঠে দাড়াল। আমার মুখ আর জিভ কে এক ই ভাবে পাপোশের মত ইউস করে ও যখন নেমে দাড়াল তখন ওর কাল জুতো নতুনের মত চকচক করছে । এরপর লিপিও ওর সাদা স্নিকার এক ই ভাবে পরিস্কার করে নিল। পরিস্কার করা হয়ে গেলেও ও নেমে দাড়াল না, ওর বাঁ পা টা আমার নাকের ওপর রেখে চাপ দিল আর একই সাথে ওর ডানপা আমার গলার ওপরে রাখলো। আমার নিস্সাস বন্ধ হওয়ার উপক্রম হল, বুকটা হাপরের মত ওঠা নামা করতে লাগলো। আর আমার প্রভু লিপি আমাকে ওর্ডার দিল “পা টেপ”। ণিজের সব কষ্ট উপেক্ষা করে আমি লিপির বাঁ পা টা টিপতে লাগলাম। লিপি ওর বাঁ পা এমন ভাবে আমার নাকের ওপর চেপে ধরে আছে যাতে আমি নিষ্সাস না নিতে পারি, আর সেই অবস্থায় বাধ্য চাকরের মত আমি লিপির বাঁ পা টা টিপে চলেছি। আক্সিজেন এর অভাবে আমার জ্ঞান হারাবার উপক্রম হল, তবু আমি মনের সব জোর একত্রিত করে প্রভু লিপির পা টিপে চল্লাম।কতক্ষন টিপলাম মনে নেই,আস্তে আস্তে হাত অবশ হয়ে এল,আমি জ্ঞান হারিয় ফেল্লাম।
যখন জ্ঞান ফিরলো তখন দেখলাম আমি বাইরের ঘর থেকে টিভি রুম এ চলে এসেছি। আমার গলায় একটা ডগ কলার বাঁধা। ষেটা বোনের একহাতে ধরা, আর বোন ওর জুতো পরা পা ২ টো আমার মুখে রেখে টিভি দেখছে। লিপি,রাই আর সুচেতনা আমার বুকে আর পেটে জুতো পরা পা রেখে বসে আছে। ওরা ৪ জন নিজেদের মধ্যে গল্প করতে করতে টিভি দেখছে।
আমার জ্ঞান এসেছে বুঝতে পেরে বোন ওর জুতো পরা ডানপা দিয়ে সজরে আমার নাকের ওপর একটা লাথি মেরে বললো,”কি রে কুত্তা,প্রভুদের সেবা করতে কেমন লাগছে?” বোন এতজোরে লাথিটা মেরেছিল যে আমার আবার জ্ঞান হারানোর উপক্রম হল। তবু আমি বোনের ডানজুতোর তলায় গাঢ় চুম্বন করে বললাম “খুব ভাল লাগছে প্রভু,এভাবে তোমাদের সেবা করতে দেবার জন্য ধন্যবাদ।” বোন এবার বাঁ পা দিয়ে আমার কপালে লাথি মেরে বললো, ”যা ,এবার আমাদের জন্য খাবার নিয়ে আয়।”আমি ৪ প্রভুর পায়ে চুম্বন করে বল্লাম,”যথা আজ্ঞা প্রভু”। আমি উঠে গিয়ে ওদের জন্য খাবার এনে পরিবেশন করলাম ওদের। ওরা যখন খেতে লাগলো আমি ওদের পায়ে পরপর চুমু খেয়ে চললাম।ওরা ৪ জন পরপর বসে খাচ্ছিল আর আমি ওদের প্রত্যেকের প্রতি জুতো পরা পায়ের ওপর ৩ বার করে চুম্বন করছিলাম।সবার পায়ে চুম্বন করা শেষ হলে আবার প্রথম থেকে শুরু করছিলাম। প্রভুদের খাওয়া হয়ে গেলে ওরা ওদের প্লেট নামিয়ে রাখলো মেঝেতে। ”নে কুত্তা,যা পরে আছে খেয়ে নে”,সুচেতনা বললো । ওরা সবাই প্লেটে থুতু ফেললো,তারপর জুতো পরা পা থালার ওপর তুলে দিল।
আমি হাত দিয়ে খেতে গেলে রাই আমার গালে থাপ্পর মেরে বল্ল, ”কুত্তা রা হাত দিয়ে খায়্না,মুখ দিয়ে খা। আমি “ভোউ ভোউ” বলে জবাব দিলাম আর কুকুরের মত প্রভুদের পা রাখা থালা থেকে ওদের আধ খাওয়া খাবার খেতে লাগলাম। আমার গলার ডগ কলার ধরে লিপি মাঝে মাঝে টান্তে লাগ্ল। খাওয়া হয়ে গেলে আমি প্লেট তুলে ধুয়ে রাখলাম। প্লেট ধোয়া হলে ওদের পায়ের কাছে হাঁটু গেরে বসে বল্লাম “এবার কি করবো প্রভু?” বোন গালে চড় মেরে বললো সোফার তলায় শুয়ে পর। আমি শুয়ে পরলাম। আমি ভেবেছিলাম প্রভুরা আমার মুখে বুকে পা রেখে টিভি দেখবে ।কিন্তু বোন সোফার ওপরে উঠে দাড়াল,আর তারপর…… আমার মুখের ওপর……। লাফিএ পরলো সোফা থেকে !!! ওর বাঁ জুতোর তলাটা পরলো আমার কপাল আর চোখের ওপর আর ডান জুতোর তলাটা আমার নাক আর মুখের ওপর। আমার মনে হল আমার নাকটা বুঝি ভেঙ্গে গেছে।কিছু বোঝার আগেই রাই আমার নাকের ওপর পা রেখে সোফায় উঠে দাড়াল, আর লাফ দিয়ে নামলো আমার মুখে। ততক্ষনে সুচেতনা,লিপি আর বোন ও আমার বুকে পা দিয়ে সোফায় উঠে দাড়িয়েছে। আমাকে সামলে নেওয়ার বিন্দুমাত্র সময় না দিয়ে সুচেতনা,লিপি আর বোন আমার মুখের ওপর জুতো পরা পা দিয়ে লাফিয়ে নামলো। ওদের এই লাফ দেওয়া চক্রাকারে চলতেই থাকলো। আমাকে পায়ের তলায় মারিয়ে ওরা উঠে যাচ্ছিল সোফায় আর আমার বুকে,মুখে গলায় নির্বিচারে লাফিয়ে নামছিল। আমার কষ্ট হচ্ছিল ভীষন কিনতু জে প্রবল আনন্দ পাচ্ছিলাম তার কাছে কষ্টটা কিছুই না।
১ ঘন্টা ধরে ওদের এই খেলা চল্লো । তারপর ওরা হাফিয়ে গেলে আমি উঠে সোফাটা মুছে পরিস্কার করে দিলাম। আমার ৪ প্রভু বসলে ওদের ৪ জনের পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করলাম,ওদের জুতো পরা পায়ে চুম্বন করে ধন্যবাদ দিলাম আমার মত এক ক্ষুদ্র জীব কে ওদের পবিত্র পায়ের তলায় স্থান দেওয়ার জন্য। এরপর আমি হাতজোর করে ওদের পায়ের সামনে হাঁটু গেরে বসলাম আর ওরা আমার মুখে লাথি মারতে লাগলো । ৮ টা বাজলে রাই,সুচেতনা আর লিপি উঠে পরলো বাড়ি যাওয়ার জন্য । আমার বাবা মা র অফিস থেকে ফিরতে তখন ১ ঘনটা দেরি। আমি ওদের জুতো পরা পায়ে চুম্বন করে বিদায় জানালাম।ওরা বললো এখন থেকে রোজ বিকেলে ওরা আসবে “আমাকে নিয়ে খেলতে।” শুনে আনন্দে আমার ২ চোখ জলে ভিজে গেল। ওরা চলে যেতে বোন দরজা লক করে আমার কলার ধরে টানতে টানতে আমাকে ভিতরের ঘরে নিয়ে এল। আমি ৪ হাত পায়ে বোনের জুতোয় চুম্বন করতে করতে টিভি রুমে ফিরে এলাম। বন সোফায় বসে টিভি চালাল আর আমি ওর পায়ের ওপর উপুড় হয়ে ওর জুতোর ওপর চুম্বন করতে লাগলাম। বোন আমার মাথায় জুতো পরা পা বোলাতে বোলাতে বললো , “কাল তোকে যা বলেছিলাম সব বানানো গল্প রে কুত্তা। আমরা ৪ বন্ধু মিলে তোকে আমাদের কুকুর বানানোর প্ল্যান করেছিলাম। আমি জানতাম তুই আমাকে কতটা ভালবাসিস, আমার কোন অনুরোধ তুই ফেরাতে পারবি না। তাই এই প্লান করেছিলাম।” আমি বোনের জুতোয় চুমু খেতে খেতে বল্লাম “ঠিক করেছ প্রভু। আমার জায়গা তোমাদের জুতোর তলাতেই ।”