মেয়েরা আমার প্রভু

সেদিনের কলেজ এর ক্লাস সবে শেষ হয়েছে। নেহা, লিপি, দেবরুপা রা ক্লাস থেকে বেরিয়ে ক্লাস রোম এর বাইরে দাঁড়িয়ে গল্প কর্ছিল। আমি অন্য দিনের মতই ওদের দিকে আড়চোখে তাকিয়ে ছিলাম। আমার চোখ সবথেকে বেশি যেত নেহার দিকে। যদিও জানতাম ও আমাকে কখনই পাত্তা দেবে না, তবু ওর দিকে না তাকিয়ে পার্তাম না। অত সুন্দর কোন মেয়ে কি করে হয় বুঝতে পার্তাম না আমি। ওর সুন্দর মুখের দিকে বেশিক্ষন তাকানর সাহষ হত না, আপনা থেকেই আমার চোখ ওর পায়ের দিকে নেমে যেত। হঠাৎ আমার ভাব্নায় ছেদ পর্ল নেহার গলার আওয়াজে।“ এই ছেলে শোন। “ নেহা বল্ল আমার দিকে তাকিয়ে। আমি হতভম্ব হয়ে গেলাম। আমাকে ডাকছো ?? ভেবাচেকা খেয়ে ওকে জিগ্গাশা কর্লাম কাপা গলায়। ‘ হা, তকেই ডাকছে কুত্তা।এদিকে আয়।’ লিপি বল্ল আমাকে। লিপি আমাকে কুত্তা বলে ডাক্ল ? নিজের কানকেই বিশ্বাস হচ্ছিল না আমার। লিপি চেচিয়ে উঠলো এবার, ‘ কি রে কুত্তা, কথা কানে যাচ্ছে না ? কান ধরে নিয়ে আস্তে হবে ?’ আমি ওদের দিকে এগিয়ে গেলাম। লিপির কথায় আমি কিরকম কুঁকড়ে গিয়েছিলাম ভয়ে। হাতজোর করে ওদের বল্লাম ‘বল, কি বল্বে আমাকে।নেহা এগিয়ে এল আমার দিকে। কোন কথা না বলেই আমার ডান গালে সপাটে চড় মার্ল এক্টা। ১স্ট ইয়ার থেকে দেখে আস্ছি, রোজ তুই আমার দিকে তাকিয়ে থাকিস। কি ভাবিস তুই নিজেকে? আমার বয়ফ্রেন্ড হওয়ার স্বপ্ন দেখিস ?
আমি জবাবে কোন কথা বললাম না । ওদের পায়ের কাছে হাটুগেরে বসে পড়লাম । ওদের ৩ জনের দিকে তাকালাম, ওদের পায়ের কাছে হাতজোর করে হাটুগেরে বসা অবস্থায়। ওদের ৩ জনের মুখেই আমাকে এই অবস্থায় দেখে হাসি ফুটে উঠেছে। মুখ্ভরা সুন্দর হাসি ওদের ৩ জনের সৌন্দর্যই বারিয়ে তুলেছে। নেহার পরনে কালো টপ, নীল জিন্স, পায়ে সাদা স্নিকার। ৫’৩” এর ফর্শা মেয়েটাকে এই সাধারন পোশাক এও দারুন সুন্দর লাগ্ছে। লিপির পরনে ন
নীল শার্ট, সাদা প্যান্ট, পায়ে চামড়ার কাল বুট জুত। ৫’৬” এর লিপির গায়ের রং মাঝারি, কিন্তু কলেজ এর মদ্ধ্যে সবচেয়ে বেশি ছেলে ওর জন্নে ফিদা। দেবরুপার পরনে চুরিদার, পায়ে কাল স্নিকার, ওকেও বাকি দুজনের মত অপরুপ সুন্দরী মনে হছ্ছিল। ঘর ভাংলো পেটে হঠাৎ প্রবল আঘাতে । লিপি আমার পেটে প্রবল জোরে লাথি মেরেছে। কিছু বোঝার আগেই দেবরুপা পাশ থেকে মাথার পাশে লাথি মার্ল। আমি উল্টে পরে গেলাম মাটিতে। নেহা এগি্যে এল আমার দিকে। আমার বুকের ওপর ওর সাদা স্নিকার পরা ডান পাটা তুলে দি্যে দাড়াল। তার্পর মুখ নিচু করে থুতু ছেটাল আমার মুখে। একরাশ থুতু আমার মুখটা ভিজিয়ে দিল। বেশ বুঝতে পারলাম মাঠভরা ছেলে মেয়ে হাসছে আমাকে দেখে। অরা কেউ আমার সহপাঠী, কেউ জুনিয়র। আমাকে এই অবস্থায় পরে থাকতে দেখে ওরা হাসিতে ফেটে পরেছে। আমারো কেন জানিনা খুব একটা খারাপ লাগ্ছিল না। কিরকম একটা অদ্ভুত নেশার মধ্যে ছিলাম আমি। নেহার হাতে অপমানিত হয়ে খারাপ লাগ্ছিল যতটা, তার চেয়ে অনেক বেশি ভাল লাগছিল নেহার স্পর্শ পেয়ে, সেটা ওর জুত পরা পা বা থুতু হওয়া সত্তেও সেই স্পর্শই আমাকে অদ্ভুত ভাবে উত্তেজিত করে তুলছিল। নেহা অর ডান পাটা আমার বুকের অপর থেকে তুলে আমার মুখের অপর রাখলো। আমার মুখজুড়ে পরে থাকা ওর থুতুটা ও সারামুখে ঘশে দিতে লাগ্ল ওর জুতর তলা দিয়ে। ওর মুখে এক অদ্ভুত মিস্টি হাসি। ওর জুতোর তলা আমার সারা মুখে ঘুর্তে লাগ্ল। ‘ এটাই তোর যোগ্য স্থান ।আমার পায়ের তলায়। বুঝলি জানোয়ার?’ মুখে হাসি ঝুলিয়ে বল্ল নেহা। আমি নেশাচ্ছন্নের মত গোটা কলেজ এর সামনে ওর জুতোর তলায় ‘ চুম্বন করে বল্লাম, ‘ হ্যাঁ প্রভু । “
নেহা আমার সারামুখে ওর জুতোর তলা ঘষতে লাগল । আমি নিজে থেকেই কেন জানিনা আসতে আসতে চুম্বন করছিলাম অর জুতোর তলায় । নেহা হঠাত বেশ জোরে একটা লাথি মারল আমার নাকের ওপর , ওর জুতো পরা ডান পা দিয়ে । “ জিভটা বার কর কুত্তা, আমি জুতোর তলাটা পরিস্কার করে নিই । আমি আমার জিভটা জতটা সম্ভব বার করে দিলাম । আমার বার করা জিভে গোটা কলেজের সামনে জুতোর তলা মুছতে লাগল আমার প্রভু নেহা ।