আমি আমার ছোট বোন অদিতির পায়ের উপর মাথা রেখে ওর জুতোর উপর চুমু খেয়ে যাচ্ছিলাম। ওর জুতো পরা পা দুটো আমার হাতের উপর রেখে ও চেয়ার এ বসে আছে, আর আমি অদিতির পায়ের কাছে শুয়ে ওর পায়ে মাথা রেখে ওর কাল জুতোর উপর চুম্বন করে চলেছি। অদিতি,আমার ক্লাস ১১ এ পরা ৪ বছরের ছোট বোন, একটু পরে একটা পা তুলে আমার মাথার উপরে রাখ্ল, তারপর মাথায় পা দিয়ে চাপ দিয়ে আমাকে সোজা হয়ে শুতে ইঙ্গিত করল। আমি সোজা হয়ে শুতেই অদিতি ওর পা দুটো তুলে দিল আমার মুখে। ওর বা পা রাখ্ল আমার ঠোঁটের অপর আর ডান পা টা কপালে। আমার মুখে ঘসতে থাকল ওর জুতোর তলা দুটো। ওর জুতোর তলার সব ময়্লা লেগে যেতে লাগল আমার মুখের সর্বত্র। আমার কপাল, নাক, ঠোঁট , সব নিয়ে খেলতে লাগল ওর মেরী জেন শু পরা পায়ের তলা দিয়ে।

ও স্কুল থেকে বাড়ি ফিরেছে একটু আগে, এখন স্কুল ড্রেস খোলেনি। ওর পরনে স্কুল এর শার্ট আর স্কার্ট, পায়ে মোজা আর স্কুল এর কাল মেরী জেন জুতো। ও আজ বাড়ি ফিরেই সোজা ঢোকে আমার ঘরে। কিন্তু কি আশ্চর্য ! ঘরে ধগঢুকে “দাদা”  বলে না ডেকে আজ আমাকে ডাকে “কুত্তা, আ আ তু তু “ বলে। আমি অবাক হয়ে তাকাই ওর দিকে,নিজের কানকে বিশ্বাস করতে পারিনা। অদিতি, আমার ৪ বছরের ছোট বোন, আবার ওর সুন্দর মুখটা হাসিতে ভরিয়ে বলে, “ আয় কুত্তা,আমার পায়ের কাছে আয়।”
ও এসে একটা চেয়ার এ বসে,আমি খাট থেকে উঠে ওর দিকে এগই,অবাক হয়ে দেখি আমি ৪ হাত পায়ে চলেছি !! গিয়ে সোজা বোনের জুতোয় মাথা ঘস্তে সুরু করি, যেভাবে কুকুরেরা প্রভুর পায়ে মাথা ঘশে,সেভাবেই। আস্তে আস্তে ডাকতে থাকি, আর অদিতি আমার মাথায় আদর করে ওর জুতো পরা পা বোলাতে থাকে। আমি কিরকম নেশাচ্ছন্ন হয়ে পরি তখন। নিজেকে সত্যি একটা কুকুর বলে মনে হতে থাকে, বোনের পায়ের উপর উপুড় হয়ে শুয়ে ওর জুতোর উপর চুম্বন করতে থাকি। মা আর বাবা ঘরে এসে দেখে যায় আমাদের,বোনের সাথে স্বাভাবিক ভাবে কথাও বলে, কিন্তু কোন রিআকশন দেখায় না। যেন বোনের জুতো পরা পায়ে দাদার চুমু খাওয়া অ্ত্যন্ত স্বাভাবিক !
অদিতি আমার মুখে ওর জুতোর তলা ঘস্তে থাকে আর আমি ভাবতে থাকি আমার সাথে কি হচ্ছে এসব আজ ! আমন না যে যা হচ্ছে তা আমার অপছন্দ বলে  এমন ভাবছি। কাল অবদি আমার জীবন ছিল একদম নর্মাল। যদিও আমার মনের গভিরে মেয়েদের পুজো করার ইচ্ছা চিরদিন এ ছিল, বিশেষ করে ছোট বোন অদিতি কে, তবে তা মনের গোপনে সযত্নে লোকানোই ছিল। সবার চোখে আমি ছিলাম স্বাভাবিক মানুষ,আর অদিতি ছিল আমার ছোট বোন। ছোটবেলায় বোন আমাকে তুমি বলে ডাকত। পরে,আমার এ আপত্তিতে “তুই” বলে ডাকা শুরু করে। তবু বেসির্ভাগ ছোট বোনের মত ও আমাকে অনেক সম্মান দেখাত, নর্মাল গুরুজন দের ছোটরা যেরকম সম্মান দেয় , সেরকম। আমার মনে খুব ইছ্ছা হত ও আমাকে নিয়ে ঠাট্টা ই ইয়ার্কি করুক, একটু হুকুম করুক, অপমান করুক। কিন্তু সেই ইচ্ছা আজকের আগে কখন পুরন হয়নি।নিজের মনেই সুধু ওকে সম্মান করেছি, ওর খুলে রাখা জুতোয় চুম্বন করে মনের ইচ্ছা মিটিয়েছি । অথছ আজ এসব কি হছ্ছে ? কি করে হচ্ছে !!

আজ আমার ২০ তম জন্মদিনের দিন হঠাত সেই ছোট বোন অদিতি আমাকে “কুত্তা” বলে ডাকছে ! সুধু তাই নয়,  এমন ভাব কর্ছে জান সত্তি এ আমি ওর বহুদিনের পোশা কুকুর। আমার বাবা মা কে দেখেও মনে হছ্ছে আমি বোধহয় সত্তি ওর দাদা না, ওর পোশা কুকুর,ওরা এতই স্বাভাবিক ভাবে নিয়েছে আমার সাথে অদিতির আজকের আচরন।

“ কুত্তা, তোকে এখন রিয়া দের বাড়ি নিয়ে যাব। তুই আমার আর রিয়ার সেবা কর্বি একসাথে।আর আজ রাতে তুই বাড়ি পাহারা দিবি। পারার কুকুর গুল রাতে খুব বিরক্ত করে চেঁচিয়ে, তুই থামাবি ওদের।”,
অদিতি বল্ল , আমার মুখে পা ঘস্তে ঘস্তে। অদিতি মায়ের সাথে গল্প করতে লাগল,আর আমি জিভ বার করে চাটতে লাগ্লাম অদিতির জুতোর তলা, আমাদের মায়ের সাম্নেই। রাতে আমি আমাদের বাড়ি পাহারা দেব? কিন্তু আমি ত সত্যি কুকুর না। আমি চেঁচালে কুকুরেরা থামবে কেন? বরং উল্টে কামড়ে দেবে হয়্ত আমাকে। আমার ভয় ভয় করতে লাগ্ল। ভয় কমানোর জন্যে আমি আর মন দিয়ে আমার নতুন মাল্কিন অদিতির জুতোর তলা চাটতে লাগ্লাম। একটু চাটার পর আশ্চর্য ভাবে দেখ্লাম মন থেকে ভয় প্রায় কেটে গেছে।

শরীরে এক অদ্ভুত শক্তি অনুভব কর্লাম, যেন ছোট বোনের জুতোর তলার ময়্লা না, আমি কন বলবর্ধক ড্রিংক্স খেয়েছি। অদিতি ওর ব্যাগ থেকে একটা বেল্ট বার কর্ল, কুকুরের গলায় বাধার কলার ওটা। আমার গলায় বাঁধতে বাঁধতে বল্ল “চল কুত্তা,তোর আরেক প্রভু রিয়ার বাড়ি চল।” আমি ৪ হাত পায়ে উঠে দারালাম বিনা প্রতিবাদে। অদিতি আমার পিঠে উঠে বসে বল্ল, তুই সুধু আমার কুকুর ই না, ঘোড়াও। চল,আমাকে রিয়াদের বাড়ি নিয়ে চল পিঠে করে।” আমি পোশা ঘোড়ার মত অদিতিকে পিঠে করে রাস্তা দিয়ে আমার ছোট কাকুর বাড়ির দিকে যেতে লাগ্লাম।

রিয়া আমার ছোট কাকুর মেয়ে, ও এখন ক্লাস ১২ এ পরে, অদিতির সাথে এক ই স্কুল এ। আমার হাতে পায়ে ব্যাথা লাগ্লেও যতটা ব্যাথা করবে ভেবেছিলাম, ততটা কর্লনা, বরং প্রভুকে পিঠে করে রাস্তা দিয়ে নিয়ে জাছ্ছি ভেবে অদ্ভুত একটা আনন্দ হল।

আমার মুখ ,হাত,পায়ের গঠন মানুশের মত থাক্লেও শরীরের মধ্যে বেশ বরং একটা পরিবর্তন ঘটে গেছে বেশ বুঝতে পার্লাম। অদিতি আমার গলার কলারটা হাতে ধরে  আমার পিঠে চরে যাচ্ছে সবাই দেখছিল,  কিন্তু কেউ আশ্চর্য হচ্ছিল না। সবাই এমন ভাব কর্ছিল অদিতি যেন সত্তিই ঘোড়ার পিঠে চরে যাচ্ছে । কোন মানুশ ,তাও আবার নিজের ৪ বছরের বড় দাদার পিঠে চেপে নয় ! অদিতিকে পিঠে চড়িয়ে যেতে যেতেই ভাবার ছেস্তা করছিলাম কি হল হঠাত আমার ?

কিছুই বুঝতে পার্ছিলাম না। আমাকে দেখতে তো মানুশের মতই আছে, তবে অদিতি আমাকে কুকুর বলে ভাবছে কেন ?? হঠাত ৬ মাশ আগের একটা ঘটনা মনে পরে গেল। আমাদের পারায় ১ সন্নাশি এসে বট গাছের তলায় আস্তানা গেরেছিলেন। আমি গিয়ে  ওনার পায়ে পরেছিলাম। ষারারাত সাধু ধ্যান করেছিলেন আর আমি ওর পাশে হাত জোর করে বসে ছিলাম। ভোরে সাধু আমাকে  ওইভাবে দেখে খুসি হয়ে জিগ্গাসা করেছিলেন “তোর মনে খুব দুক্খ,তাই না?”

আমি মাথা নেড়ে হা বলেছিলাম। তারপর  ওনাকে বলতে গিয়েছিলাম আমার জিবনের সব দুঃখের কথা। ঊনি মাথা নেরে বলেছিলেন, “রে পাগল,আমি সব জানি তোর দুঃখর কারন তুই নিজেই জানিস না”।

আমার মাথায় হাত রেখে বলেছিলেন তারপর, “তোকে আশির্বাদ কর্ছি, তোর সব দুক্খ দুর হয়ে জাবে একদিন,হঠাত ই, একদম ম্যাজিক এর মত।তুই তাই পাবি, জা সারাজীবন সুধু চেয়ে এসেছিস তুই অবচেতন মনে, অথছ নিজেই জানিস না। ঐরকম আশ্চর্য ঘটনা কেউ দেখেনি কনদিন,কল্পনাও করতে পারেনি। তুই সেদিন থেকে সেখানেই থাকবি , যেটা তোর যোগ্য স্থান। পাবি সেই সুখ, ব্রহ্ম জ্ঞান হওয়া মহা পুরুশেরা ব্রম্হের সেবা করে যেই সুখ পান। তুই খুব ভাগ্যবান,আ এমন আশ্চর্য ঘতনা তোর সাথে হবে যা প্রিথিবিতে কোনদিন কার সাথে হয়নি।
তারপর কিছুদিন আমি খুব ভেবেছিলাম সন্নাশির কথা নিয়ে। কি পাব আমি? আদউ কি কিছু পাব? আমার কোথায় থাকার কথা বঝাছ্ছিলেন উনি? কোনটা আমার যোগ্য স্থান?ভেবে পাইনি। আর কয়েকদিন পর যখন আমার জীবনে আশ্চর্য কিছু ঘটলনা তখন অই নিয়ে ভাবা ছেরে দিয়েছিলাম। ষেদিনের কথাটা ভুলেই গেছিলাম প্রায়। আজ তবে কি এইসব এ হচ্ছে অই সাধুর আসির্বাদে? আমি তাহলে সারাজীবন সুধু কুকুরচ ই হতে চেয়েছিলাম? আমার প্রভু ছোট বোন অদিতির পোশা কুকুর?
রিয়াদের বাড়ি এসে পৌছালে অদিতি আমার গলায় বাধা বেল্ট তা বাড়ির গেট এর সাথে বেধে দিয়ে আমার মাথায় পা বুলিয়ে আদর করতে লাগ্ল। আমি প্রভুর আদুরে কুকুরের মত আদর খেতে লাগ্লাম। অদিতি আমার মাথায় ,মুখে,কপালে, গালে, ঘারে,গলায়, ওর জুতো পরা পা বুলিয়ে আদর করতে লাগ্ল। তারপর আমার মুখের সামনে পা ধরে মিষ্টি হেসে বল্ল, “প্রভুর জুতো পরিস্কার করে দে এবার।”

আমি আমার প্রভু অদিতির জুতো চাটতে লাগ্লাম মন দিয়ে। কাকু, কাকিমা বাইরে কোথাও গিয়েছিল বোধহয়। অদিতি বেল্ বাজাতে রিয়া দরজা খুলে দিল। আমাকে অদিতির পা চাটতে দেখে রিয়া অদিতিকে জিগ্গাসা কর্ল “কি রে, এই কুত্তা তা কথা থেকে আনলি?’

অদিতি আদর করে আমার মুখে একটা আলতো লাথি মেরে বল্ল , “ স্কুল থেকে ফেরার পথে দেখতে পেলাম,ভাল লাগ্ল, তাই নিয়ে এলাম।”

রিয়া নাক কুচকে বল্ল “দেখে ত কিছু বঝা যাচ্ছেনা। কি জাতের কুত্তা এটা?? নেড়ি কুত্তা নাকি??”

“জানিনা দিদি, তবে নেড়ি বোধহয় না।”…”এই কুত্তা, তোর জাত কি?” অদিতি আমার মুখে এবার বেশ জোরে একটা লাথি মেরে জিজ্ঞাসা করল।

“জানিনা প্রভু”,আমি অদিতির জুতোর তলা চাটতে চাটতে বল্লাম। অবাক হলাম দেখে যে আমার খুড়তুতো বোন রিয়া আমাকে চিনতেও পারছে না আর।

“ ওয়াওও…কুত্তা তা কথা বলতে পারে !” রিয়া অবাক হয়ে বল্ল। “হা দিদি,এটা মাল্টী পারপাস কুত্তা, সব পারে। এইটাকে কিছু খেতে দিতে হয়্না, সুধু মেয়েদের জুতোর তলা চেটে খায় এটা, আর কিছু খায়্না। রাতে ঘুমানর দরকার হয়্না এর, ২৪ ঘন্টা ইউজ করা যায় একে। কুত্তার মত জুতো চেটে পরিস্কার করতে পারে, বাড়ি পাহারা দিতে পারে, আবার ঘোড়ার মত পিঠে করে ঘোরাতেও পারে এটা। চাকরের মত বাড়ি পরিস্কার আর রান্না করতে পারে আবার পা ও টিপতেও পারে ক্রিতদাসের মত। তোর ইচ্ছা হলে যত খুসি বেত বা চাবুক মারতে পারিস  ওকে, ও চুপ করে সহ্য করবে। তাছারা, ও খুব ইন্টেলিজেন্ট কুত্তা, পড়িয়েও দিতে পারে টিচার এর মত ! দারুন কুত্তা, তাই না রে দিদি?”

রিয়া খুসি হল আমার গুন সুনে,আমার শুনে ভাল লাগ্ল “নতুন আমি” র গুনাবলি। রিয়া তখন স্কুল ড্রেস ছারেনি, ওর পায়ে সাদা মোজা আর সাদা স্নিকার। আমার মুখের সামনে এসে দাঁড়িয়ে বল্ল, “দেখি কেমন জুতো চাটতে পারিস তুই কুত্তা”। আমি বাধ্য কুত্তার মত চাটতে লাগ্লাম আমার ৩ বছরের ছোট খুড়তুতো বোনের জুতো। তারপর ওরা আমাকে নিয়ে ঘরে ঢুকল । রিয়া প্রথমেই ওর স্নিকার এর তলা দুটো আমাকে দিয়ে চাটিয়ে নতুনের মত চকচকে করে ফেল্ল। তারপর রিয়া আর অদিতি পালা করে আমার মুখে লাথি মারতে লাগ্ল, আমি হাত্জোর করে আমার মুখে দুই ছোট বোনের লাথি খেতে লাগ্লাম।

ততখনে কাকু আর কাকিমা ফিরে এসেছে। আমার মুখে দুই বোনের লাথি মারা দেখে ওরা একটুও অবাক হল না। ওরাও হয়্ত আমাকে কোন কুকুর ই ভেবেছিল ! অদিতি আর রিয়া পালা করে লাথি মারছিল আমার মুখে। আমার চোখ, মুখ, নাক, ঠোঁট সর্বত্র ওদের জুতো পরা পা আছড়ে পরছিল। আর আমি ভক্তিভরে হাত্জোর করে মুখে আমার দুই বোনের লাথি খাচ্ছিলাম। মাঝে মাঝে উল্টে পরে যাচ্ছিলাম, আবার উঠে হাত্জোর করে বসে  ওদের লাথি খাওয়া শুরু করছিলাম।

ওরা লাথি মারছিল, সেই সংগে একটা চাবুক দিয়ে আমাকে পালা করে মারছিল দুজন। একটু পরে ওরা ক্লান্ত হয়ে বসে টিভি দেখতে লাগ্ল। কাকিমা  ওদের টিফিন করে খেতে দিল। অদিতি ওর জুতো পরা পা দুটো আমার মুখের অপর রেখে আমার মুখটাকে ফুটস্টুল হিসাবে ব্যাবহার করতে লাগ্ল। রিয়া ওর দেখাদেখি আমার বুক আর গলার ওপর ওর জুতো পরা পা দুটো তুলে দিল। আমি পালা করে  ওদের দুজনের পা টিপে দিতে লাগ্লাম আর ওরা সুস্সাদু টিফিন খেতে খেতে টিভি দেখতে দেখতে আমার সেবা নিতে লাগ্ল।

রাত ৯ তায় অদিতি আবার আমার পিঠে চরে বাড়ি ফিরে এল। পরদিন সকালে অদিতি মর্নিং ওয়াক এ বেরল আমাকে নিয়ে। আমার গলায় বাধা বেল্ট ওর হাতে ধরা। ওর পরনে লাল জগিং টি-শার্ট আর কাল প্যান্ট, পায়ে সাদা মোজা আর নাইক এর সোনালি লগ ওআলা সাদা স্নিকার। ওর চুল গুল খপা করে পিছনে বাধা। ভোরের প্রথম আলোয় আমার বোন অদিতির ফর্শা মুখটা অপরূপ সুন্দর লাগ্ছিল। আমি ৪ হাত পায়ে বোনের পিছনে পিছনে দৌড়াতে লাগ্লাম আর ওর জুতোর অপরে চুমু খেতে লাগলাম। আমি প্রভুর পায়ে চুম্বন করতে করতে দৌড়াচ্ছিলাম আর ভাব্ছিলাম আমার আশ্চর্য পরিবর্তনের কথা।

কাল থেকে আমি কোন খাবার খাইনি, এমনকি এক বিন্দু জলও না। রাতে ঘুমাইনি পর্জন্ত। তবু আমার ঘুম পাছ্ছেনা,খিদেও না। কি আশ্চর্য ! আমি চলার শক্তি পাছ্ছি কোথা থেকে? অদিতির জুতোর তলার ময়্লা থেকেই কি শক্তি উত্পন্ন কর্ছে আমার শরীর? কি জানি,এই অদ্ভুত রহস্যের কোন কুল কিনারা পেলাম না আমি, যদিও এসব ই আমাকে ঘিরেই ঘটে চলেছে।

কাল রাতে পারার কুকুর গুল রাস্তায় ঝগড়া করতে সুরু কর্লে আমি নিজের ডিউটির খাতিরে এক্বার ভয় ভয়ে ডাক ছারি। আশ্চর্য হয়ে দেখি,সব কুত্তা ভয়ে লেজ গুটিয়ে পালাল !!!!
মাঠে পউছে অদিতি ব্যায়াম করতে লাগ্ল। একটু পরে এক দম্পতি এল, অদের হাতে চেন দিয়ে বাধা দুটো বিশাল গ্রে হাউন্ড কুকুর,একটা ছেলে আর একটা মেয়ে। ওরা বল ছুরে দিচ্ছিল আর কুত্তা গুল দউরে মুখে করে বল নিয়ে আসছিল। একবার বল ছুরে দিতেই বোন বল্ল, “জা কুত্তা,বল তা নিয়ে আয় তুই।”

ওই কুকুর দুটো আমার অনেক সামনে,অদের তুলনায় আমি অনেক পিছনে, তার উপর ওরা প্রানপনে ছুটছে ।
তবু প্রভু অদিতির আদেশ মানার জন্য আমি ছুট লাগালাম। ঐক্দম শেষ মুহুর্তে ছেলে কুত্তাতার প্রায় মুখের কাছ থেকে বল তা আমি কেড়ে মুখে পুরে নিলাম। কুত্তাতার বোধহয় সম্মানে লা্গল ,ও  আমার ঘাড় লক্ষ্য করে লাফিযে পরল।

আমার মুখে তো বল, তাই বিশাল গ্রে হাউন্ডটাকে লক্ষ্য করে আমি থাবা চালালাম একটা ( যদিও আমার থাবা মানুষের হাতের মতই দেখতে তখন।) আশ্চর্য হয়ে দেখলাম এতবড় গ্রে হাউন্ডটা মাটিতে পরে গোঙ্গাতে লাগল আমার থাবা খেয়ে ! বোন আর কুকুর দুটোর মালিক দম্পতি তা দেখে এগিয়ে এল আমাদের দিকে। আমার প্রভু ছোট বোন অদিতির হাতে আমি বল তা তুলে দিলাম, বোন আমার মাথায় পা বুলিয়ে আদর করতে লাগ্ল। পাশের মহিলাটি অদিতিকে বল্লেন, “দারুন তেজি কুকুর ত তোমার, কি জাতের কুকুর এটা?”

অদিতি মাথা নেড়ে বল্ল “জানিনা,তবে দারুন কুকুর এটা।” হঠাত দেখি মেয়ে কুকুরটা আমার কাছে এসে গায়ে গা ঘসছে। আমি সরে এলাম, দেখি তাও কুকুরটা আমার কাছে এসে গা ঘস্তে লাগ্ল।

মহিলাতি হেসে বল্ল, “তোমার কুকুরের বিরত্ত দেখে আমার ডলি ওর প্রেমে পরে গেছে বোধহয়।”

বোন আমার দিকে তাকিয়ে হেসে বল্ল ,”কিরে কুত্তা,প্রেম করবি নাকি এই কুত্তি তার সাথে। তুই তো জাত পরিচয়হীন কুত্তা, তাও দেখ,আমি তোকে পুসেছি বলে কত সুন্দর গ্রে হাউন্ডও তোর প্রেমে পরে যাচ্ছে।”

আমি আমার ছোট বোন অদিতির জুতো পরা পায়ের ওপর চুম্বন করতে করতে বল্লাম, “না প্রভু।আমি প্রেম করতে চাইনা। আমার কাজ শুধু তোমার সেবা করা, তোমার জুতোর তলা চেটে পরিস্কার করে দেওয়া।”
মহিলা আর তার সঙ্গী দুজনেই অবাক হয়ে গেল আমাকে কথা বলতে দেখে। বোন গর্বের সাথে আমার কলার ধরে বাড়ি নিয়ে এল আমাকে।

বাড়ি ফিরে আমি অদিতির স্নিকার এর ওপর টা চেটে পরিস্কার করে দিলাম প্রথমে। তারপর ও আরাম করে সোফায় বসে কাগজ পড়তে লাগলে আমি ওর পায়ের তলায় শুয়ে ওর জুতোর তলা দুটো জিভ দিয়ে চেটে নতুন করে দিলাম। ওর জুতো মাঠের তলার কাদায় ভরে ছিল, আমি ভক্তি ভরে বোনের জুতোর তলার ময়্লা গিলে খেলাম। এরপর আমি কুকুর থেকে চাকর হয়ে গেলাম। অদিতির জুতো মোজা খুলে ওর পায়ের তলায় শুয়ে অনেক্ষন ওর পা টিপে দিলাম। তারপর ঘর পরিস্কার কর্লাম, কাপর কাচলাম,রান্না করলাম। তারপর স্কুল এর সময় হতে অদিতি আমার পিঠে চড়ে স্কুলে চলল, মানে চাকর থেকে ছোট বোনের ঘোড়া হয়ে গেলাম আমি।

স্কুল এর গেট এর সাম্নে পৌঁছে অদিতি আমার পিঠ থেকে নেমে পরল, ‘ এখন তুই ঘোড়া থেকে পাপোশ হয়ে গেলি। পা মোছা পাপোশ। ঐখানে চুপটি করে পরে থাক। আমার স্কুল এর মেয়েরা সবাই জুতোর তলা মুছবে তোর মুখে। অদিতি আমার মুখে ওর জুতোর তলা দুটো কয়েকবার ঘশে স্কুল এর ভিতরে চলে গেল। আমি এখন গার্লস স্কুল এর সব মেয়ের পাপোশ ? কথাতা শুনে দারুন ভাল লাগ্ল আমার। গার্লস স্কুল এর সব মেয়ে আমার মুখে পা মুছবে ।

যখন স্কুল এ পড়তাম এই স্কুল এর পাশ দিয়েই আমাকে স্কুল এ যেতে হত। আমি স্বপ্ন দেখতাম গার্লস স্কুল এর সুন্দরী মেয়েদের সাথে বন্ধুত্ব হবে আমার। ওরা আমাকে শাসন করবে, আমাকে দিয়ে পা টেপাবে। আর আজ এই স্কুল এর সব মেয়ে আমাকে শাসনি শুধু না, আমাকে পাপোশ হিসাবে ইউস করতে চলেছে !

ঘোর ভাংল মুখের উপর জুতোর তলার স্পর্শে। ২ টো মেয়ে,  ৭ কি ৮ এ পরে ,আমার সামনে দাঁড়িয়ে, একজন বুকে একটা পা রেখে অন্য জুতোর তলা আমার মুখে মুচ্ছে। অন্যজন অপেক্ষা কর্ছে। একটু পরে মেয়েটা বল্ল “জিভ বার কর পাপোশ”। আমি তাই করলাম। আমার চেয়ে ৭-৮ বছরের ছোট সুন্দরী মেয়েটা আমার জিভে নিজের জুতোর তলা মুছতে লাগ্ল। প্রথম জনের হয়ে গেলে অন্য জন ও আমার জিভে জুতো পরিস্কার করল,তারপর চলে গেল। আমি জুতোর তলার সব ময়্লা খেয়ে নিলাম। এখন ত এটাই আমার খাদ্য, অদিতি ত তাই বলেছিল রিয়াকে। একের পর এক মেয়ে ঢুকতে লাগ্ল স্কুলে , ক্লাস ৫ থেকে ১২, সব ক্লাস এর । সবাই আমার জিভে ,মুখে জুতো মুছে ভেতরে ঢুকল। কেউ কেউ আবার থেমে আমার মুখে লাথি মারছিল জোরে জোরে। ওদের জুতো পরা পবিত্র পা যতজোরে আঘাত করছিল আমাকে তত ভাল লাগ্ছিল আমার। আমার অপুর্ব লাগ্ছিল এভাবে ওদের জুতোর তলার ময়্লা আর লাথি খেতে। আর মেয়েদের পায়ের তলায় শুয়ে অদের জুতো চাটার মত মজা সত্যি  আর কিছু নেই পৃথিবীতে।

৫ মিনিট পর প্রথম চেনা মেয়ের দেখা পেলাম। সঞ্চালিতা ঢুকেই আমার গলার উপর দাড়াল, তারপর বা জুতোর তলাটা আমার জিভে ঘসে পরিস্কার করতে লাগ্ল। বা জুতোর তলা পরিস্কার হয়ে গেলে ডান জুতোর তলাও একই ভাবে আমার জিভে পরিস্কার করল। সঞ্চালিতা ক্লাস ৬ এ পরে, আমাদের পাশের বাড়িতে থাকে।আমাকে ও চিনতে পেরেছে বলে মনে হলনা। একবার এই ভেবে খারাপ লাগল যে পাশের বাড়ির বাচ্চা মেয়ে আমার মুখে পা মুচ্ছে, পরখনেই নিজেকে বঝালাম আমার স্থান ই হল মেয়েদের পায়ের তলায়,তা সে যেই হোক না কেন, আর তার বয়েস যত কমই হোক না কেন। জুতো পরিস্কার করা হয়ে গেলে সঞ্চালিতা আমার মুখে বেশ কয়েকটা লাথি মারল, তারপর চলে গেল স্কুল এর ভিতরে।

এরপর ই ঢুকল আমার কাজিন রিয়া। আমার বুকে উঠে দাঁড়িয়েই প্রছন্দ জোরে একটা লাথি মারল আমার নাকের ওপর। আমি চোখে অন্ধকার দেখলাম। মনে হল আমার নাকটা বুঝি ভেংগে গেছে। কিন্তু রিয়া থামল না, একের পরে এক লাথি মেরে চলল আমার নাকের ওপর। মাঝে মাঝে কপাল, ঠোঁটের ওপরেও ওর পবিত্র পায়ের লাথি পরতে লাগ্ল। ৫ মিনিট পর ও জুতোর তলা দুটো আমার মুখে ঘসতে লাগল। ও অর্ডার করার আগেই আমি আমার জিভটা লম্বা করে বার করে দিলাম। আমার ৩ বছরের ছোট খুড়তুতো বোন আমার জিভের অপরে প্রথমে ওর বাঁ জুতোর তলা, তারপর ডান জুতোর তলা ঘশে পরিস্কার করল। এরপর ও স্কুল এর ভিতরে চলে গেল। পরবর্তী ৩০ মিনিট এ অনেক মেয়েই আমাকে পাপোশ হিসাবে ইউজ করল। ওদের মধ্যে কয়েক জনকে আমি চিনি।
ক্লাস ৭ এর জয়ীতা, ৮ এর দেবশ্রী,রুবাইনা, ৯ এর অরুনিমা,১০ এর দেবলিনা,১২ এর সুভশ্রী, অনিন্দিতা। ওরা সবাই ই আমার জিভে জুতোর তলা পরিস্কার করল, আমার মুখে লাথি মারল জোরে জোরে। আমি ভক্তিভরে ওদের জুতোর ময়্লা খেয়ে নিলাম। একদম স্কুল বসার আগে ঢুকল রাই, ১১ বিজ্ঞান এর ছাত্রী ও,, মানে আমার বোন অদিতির ই সহপাঠী। ও আমার বোনের বেস্ট ফ্রেন্ড, আমাদের বাড়িতে প্রায় ই আসে। ও এসে অন্য সবার মতই প্রথমে আমার মুখে কয়েকটা লাথি মারল, আমার জিভে জুতোর তলা মুছল, তারপর মুখ নিচু করে আমার কানের কাছে মুখ এনে বল্ল “কেমন লাগ্ল আমার জুতোর তলা চাটতে, রনি?’ আমি অবাক হয়ে জিজ্ঞাসা করলাম, “ আমাকে চিনলে কি করে প্রভু?”
রাই হেসে বল্ল,” আমি সব জানি।” তারপর আমার কলার ধরে তুলে আমার পিঠে বসে ক্লাস এর দিকে চলল। ক্লাসে গিয়ে ও অদিতির পাশেই বসল। আমি আমার ছোট বোন অদিতির পায়ের তলায় শুলাম। অদিতি আমার মুখের অপর ওর জুতো পরা পা দুটো রেখে আমার সারামুখে ওর জুতোর তলা ঘসতে লাগল আর আমি ওর পা টিপতে লাগলাম ভক্তিভরে। রাই ওর ডান পা টা রেখেছিল আমার গলার উপরে আর বাঁ পাটা আমার বুকে। পাশের মেয়েটা ওর পা দুটো রেখেছিল আমার পেটের উপর। ক্লাস শুরু হয়ে গেল। শিক্ষিকা এসে পড়াতে লাগলেন। আমার মুখে জুতো পরা পা ঘসতে ঘসতে ক্লাস করতে লাগল আমার প্রভু অদিতি , যে জন্মসুত্রে আমার ছোট বোন হয় !!