( banglaboy6’s blog theke neoa story. edited by laddu .)

বিশ্রী দেখতে চালচুলোহীন বেকার ছেলেটাকে ফর্শা , সুন্দরী, কলেজ গার্ল রচনা ওর মুখের মতই বিশ্রীভাবে অপমান করবে এই রকমি ভেবে রেখেছিল আজ। সত্যি কি অসভ্য ছেলে,ফ্যা-ফ্যা করে ঘরা বস্তির কুকুরের মত ওর পেছনে রোজ লাইন মারছিল,সিটি দিত,কুকথা বলত। ছেলেটা  সম্ভবত থার্ড ইয়ারে পড়ে । ওর নাম কি তাও জানেনা ফার্স্ট ইয়ারে পড়া রচনা আর রাইমা । জুনিয়ার মেয়ে দুজনের দিকে এমন ভাবে তাকিয়ে থাক্ত ছেলেটা যেন জীবনে প্রথম কোন মেয়ে দেখছে ।কিন্তু আজ একটু আগে  ও একেবারে জব্দ হয়ে গেছে ।হয়্ত ও কনদিন ই নিজেকে মানুষ ভাব্তে পারবে না। ঘটনা হল এই- রচনা আর গ ওর সুন্দরী বান্ধবি রাইমা আজকে এক্সাথে মিলে ছেলেটাকে কলেজ ছুটির পর চেপে ধরার প্লান কর্ল কলেজ এর পেছনে এক্তা পরিত্যক্ত বাড়ি আছে,তার সাম্নে মাঠ,জায়্গাতা একচদম নির্জন,তাই সেখানেই বেহায়া ছেলেটাকে উচিত শিক্ষা দেবে বলে ঠিক কর্ল তারা। কয়্দিন ধরেই  ওদের দুজনেরি সর্দি লেগেছিল,সব ক্লাস এ ওরা এত নাক ঝার্ত রুমালে জে রুমাল কাদা-কাদা হয়ে থাক্ত ঘন সাদা আর সুগন্ধি মেয়েদের শিক্নিতে। আজ  ও তাদের নাক ঝাড়ায় ভাটা পরে নি। কাজেই যখন ছুটির পর কলেজ গেট এর সাম্নে হতভাগা ছেলেটা রচনা কে লক্ষ্য করে সিটি মার্ল,রচনা একটুও না ক্ষেপে বল্ল তাকেঃ ‘ এই শোন না, আমাদের সাথে  ওই কলেজ মাঠে চল,কিছু কথা আছে।’ ছেলেটা বেশ অবাক হলেও লোভ সাম্লাতে পার্ল না। মাঠে গিয়ে বেশ করে মিন্সেটাকে ভার্বাল  অ্যাবিউস  করার পর রচনারা বুঝ্ল ছেলেটা আসলে এক নম্বরের ভিতু। ওরা বল্লঃ ‘নিজের মুখ্টা আয়্নাতে দ্যাখ , পুরো ঘ্নুটে’ ছেলেটা দ্নাত বার করে হাস্ল। ওরা ছেলেটার ঢিলা প্যান্ট টেনে নামাল শুধু,জাঙ্গিয়া পড়ে মাথা নিচু করে দুটো জুনিয়ার মেয়ের সামনে দাঁড়িয়ে রইল ছেলেটা।  যখন মেয়েদুটো  ওকে জোর জিভ ভেংচি দিয়ে নিজেদের জিন্স থেকে সদ্য শিক্নি-মাখান রুমাল দুটো বার করে  ওর সাম্নে মেলে ধরল। ছেলেটার জিভ থেকে নাল গরাতে থাকল তাই দেখে, রচনা ওর নাক মোছার নরম নীল রুমালটা জন্তুটার মুখের কাছ্ ধরে বল্লঃ’ নে, এটা চেটে সাফ কর, এটা তোর বিকেলের জলখাবার,খেয়ে দ্যাখ,পুরো পায়েস।

 

 

 

রচনার স্লেভ  অম্নি বাধ্য হয়ে তার রুমালের কফ-শিক্নি চেটে খেতে শুরু কর্ল। রাইমা-রচনা দুজনেই ফেটে পর্ল হাসিতে।তাদের মন তখন চরম এক আনন্দে উদ্ভাসিত। রচনার রুমালের মাঝ্খানটা সারাদিন ধরে ঝারা সর্দিতে আর শিক্নিতে ভারী হয়ে  গিয়েছিল,এবার তা হাল্কা হল। ছেলেটার ভালই লাগ্ল প্রথম দফার কফগুলো,তার জিভ থেকে তখন লালা ঝরছিল,সেটাই গঙ্গা নদীর মত নিচে ঝাপ দিল যখন রচনা পরিশ্হ্কার হয়ে  যাওয়া নিজের রুমালে মেয়েলি কায়্দায় হেচে, নাক ঝার্ল আবার, আর সেটা খেতে দিল বকা বনে যাওয়া,মেয়েদের কাছে হেরে যাওয়া শুওরটাকে। ছেলেটিও তার সত কাজের ধারাবাহিকতা জারি রাখ্ল। রচনার শিক্নি তা দেখ্ল ও অন্য চোখে,আনারসের মত মিস্টি,ভানিল্লা ক্রিম এর মত লাগ্ল তার সেই তরল টাকে। তবু কথাও তার খারাপ   লাগ্ল একটু,হাজার হোক সে-জিনিস শিক্নি ছাড়া কিছু নয়! রাইমা কিন্তু তখন তার ফুল-কাটা পাতলা হলদে সুতির রুমালটা বের করেনি। এবার সে তার নাকের কফে ভর্তি পবিত্র রুমাল যেই  গোলামের মুখের কাছে আনলো,অম্নি সেই গোলাম ক্নেদে উঠলো’, আর অসভ্যতা কর্ব না,দিদিমনিরা, ছেড়ে দাও প্লিজ ।’ বোঝা গেল শুওরের বিক্রিত চাহিদার জারিজুরি শেষ,সে আর জন্জাল হজম করতে পারছে না । কিন্তু রাইমা ছারবে কেন কুত্তা টাকে ? কোনরকম নিস্তার না দিয়ে মাটিতে পেরে-ফেলা জন্তুতার সারা মুখে সে বুলিয়ে দিল নিজের রসমালাই-রুমাল,তারপর ওকে হা  করিয়ে সোজা ওর মুখের ভেতরে ঘোঁত শব্দে নিজের দেবী সরস্বতীর  মতন ফর্সা নাক ঝেরে দিল। রচনা ,রাইমা খুব আনন্দ পেল এতে। ।রচনার রুমালের আত্যাচার থেকে অবশেষে মুক্তি পেল  নোংরা ছেলেটা। কিন্তু অত্ত্যাচার তখন বাকি ছিল ।

-এই কুত্তা, তোর নাম কি ? ফার্স্ট ইয়ার এর ফরশা সুন্দরী মেয়ে রাইমা জিজ্ঞাসা করল ছেলেটাকে ।

–  কুনাল, ছেলেটা মাথা নিচু করে জবাব দিল ।

– কোন ইয়ারে পড়িস ? … কোন কারন ছারাই ছেলেটার গালে ডান হাত দিয়ে সজরে একটা থাপ্পর মেরে জিজ্ঞাসা করল রচনা ।

– থার্ড ইয়ারে ।

– তোকে আমরা আমাদের পোশা কুত্তা বানাবো ঠিক করেছি । কুনালের গালে বেশ জোরে একটা থাপ্পর মেরে বলল রাইমা ।

  কুনাল কিছু বলল না । চুপ করে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে রইল । তার খুব অপমানিত লাগছিল, তবে একিসাথে কোন অজ্ঞাত কারনে সে নিজের হিউমিলিয়েশন  উপভগ করছিল।

–      আমাদের পায়ের কাছে হাটুগেরে বোস । … আবার কুনালের গালে চড় মেরে বলল রচনা ।

কুনাল বিনা প্রতিবাদে তাই করল । হাটুগেরে বসতে ওর চোখ চলে গেল ওর জুনিয়ার মেয়ে দুজনের পায়ের দিকে । সাদা টপ আর জিন্স পরা রচনার পায়ে সোনালী লোগো ওয়ালা সাদা স্নিকার । গোলাপি টপ আর জিন্স পরা রাইমার পায়ে সাদা- গোলাপি স্নিকার ।

হঠাত রচনা ওর জুতো পরা পা দিয়ে কুনালের কুশ্রী কালো মুখে সজরে লাথি মারল । কুনাল উলটে পরে গেল ।

–      ওঠ কুত্তা, আমি লাথি মারব এবার । রাইমা হাসতে হাসতে বলল ।

–       কুনাল মুখে ব্যাথা নিয়ে উঠে দাড়াল । আর সঙ্গে সঙ্গে প্রবল জোরে ওর মুখের ওপর আছড়ে পড়ল রাইমার জুত পড়া ডান পা ।  নাক চেপে শুয়ে পরল কুনাল । যন্ত্রনায় কাতরাতে লাগল । তারপর রচনার জুতো পরা পা জড়িয়ে ধরে কাতর গলায়  অনুরোধ  করতে লাগ্ল

–      – প্লিজ প্রভু , তোমার দাসের ওপর একটু দয়া কর । আর আমার মুখে লাথি মের না এখন । প্লিজ । এই বলে রছনার জুতোর ওপর পশা কুত্তার মত চুমু খেতে লাগ্ল কুনাল ।

–      কুনালের মুখের ওপর আরেকটা লাথি মারল রচনা ।

–      -আর তোর মুখে লাথি মারব না যদি তুই মেনে নিস যে ভগবান তোর জিভ সৃষ্টি করেছে মেয়েদের জুতোর তলা মোছার জন্যে । – হ্যাঁ প্রভু , ভগবান আমার জিভ সৃষ্টি করেছে যাতে এর ওপর ঘষে সব মেয়ে জুতোর তলা মুছতে পারে ।

–      নে, এবার তুই তোর জিভটা বার করে দে ।

–      কুনাল তাই করল । রাইমার কাঁধে ভর দিয়ে  রচনা কুনালের বুকের ওপরে উঠে দাড়াল । তারপর কুনালের বের করে দেওয়া জিভের  ওপর এমনভাবে জুতোর তলা ঘষতে লাগ্ল যেন ও পাপোষে পা মুচ্ছে ।

–      কুনাল তার সমস্ত জিভ জুরে কাদা আর মাতির অস্বস্তিকর স্বাদ পাচ্ছিল । তার জিভটা সুকিয়ে শুকনো খটখটে হয়ে জাচ্ছিল রচনার জুতোর ময়লায় । তবু কি যেন এক অদ্ভুত কারনে তার ভিশন ভাল লাগছিল । তার কলেজের ২ বছরের জুনিয়ার দুটো সুন্দরী মেয়ের কাছে এই অপমান সেও উপভোগ করতে শুরু করেছিল । তার মুখের লালা ক্রমে শুকিয়ে আসছিল ।   শুকনো জিভে রচনার ময়লা জুতোর তলা তাকে এক অপূর্ব স্বর্গসুখ দিচ্ছিল ।

–      রচনার জুতোর তলা নতুনের মত পরিস্কার হয়ে গেলে রচনা নেমে দাঁড়াল কুনালের বুক থেকে । তার জায়গায় উঠে দাড়াল রাইমা । রচনার কাধে ভর রেখে জুতো পরা পায়ে উঠে দাঁড়াল কুনালের বুকে । কুনালের সুকনো ক্ষটখটে জিভের ওপরে প্রথমে থুতু ফেলল রাইমা । রাইমার থুতু দিয়ে নিজের মুখ ভিজিয়ে নিল কুনাল । তারপর রাইমা নিজের জুতোর তলা নামিয়ে দিল তার ২ বছরের সিনিয়ার কুনালের জিভের ওপরে ।

–      জুতোর তলা নতুনের মত পরিস্কার করে রাইমা নেমে দাড়াল কুনালের বুক থেকে । কুনালের মুখে জুতো পরা ডান পা দিয়ে লাথি মেরে রচনা বলল – এবার আমাদের দুজনকে পিঠে করে ঘোড়ার মত কলেজ অব্দি নিয়ে চল । বিন্দুমাত্র আপত্তি না করে ৪ হাত পায়ে উঠে দাড়াল কুনাল । ওর পিঠে উঠে বসল ওর দুই প্রভু । পোশা ঘোড়ার মতই দুই প্রভুকে পিঠে বসিয়ে কলেজের দিকে নিয়ে চলল কুনাল । কলেজের সবাই দেখুক, এখন সে সবার সামনেই অপমানিত হতে চায় তার দুই প্রভুর কাছে ।