শীতের সকাল । আমি ছাদে মাদুর পেতে বসে রোদ পোয়াচ্ছি । হঠাত গালে একজোড়া ঠাণ্ডা কনকনে হাতের স্পর্শ পেলাম । সঙ্গে বোনের খুকখুক হাসি । তাকিয়ে দেখি সদ্য স্নান সেরে বোন আমার পিছনে এসে দাড়িয়েছে । ঠান্ডা জলে স্নান করে ওর হাতদুটো কনকনে ঠান্ডা হয়ে গেছে । সেই ঠান্ডা হাতদুটো আমার গালে ঠেকিয়ে আমার ক্লাস ৮এ পড়া বোন বলল ,
– দ্যাখ দাদা , স্নান করে হাতদুটো কি ঠান্ডা হয়ে গেছে । তোর গালে ঘষে একটু গরম করে নি । এই বলে ও আমার গালে ওর হাতদুটো ঘষে গরম করতে লাগ্ল ।
– কয়েকদিন ধরে কেন জানিনা , বোনের কাছ থেকে কষ্ট পেতে খুব ভাল লাগছে আমার । আমি চুপচাপ বোনকে আমার গালে হাত ঘষে গরম করতে দিলাম । এতে বোনের আরাম হচ্ছে , আর আমার কষ্ট , এই অনুভুতিটা খুব ভাল লাগতে লাগল আমার ।
– হাত গরম করা হয়ে গেলে বোন আমার গাল টিপে দিয়ে বলল,
– এই তো , এই জন্যেই তোকে আমি এত্ত ভালবাসি । তোর মোবাইলটা দে এবার ।
– আমি মোবাইলে চ্যাট করছিলাম , অফ করে মোবাইলটা বোনের হাতে তুলে দিলাম ।
– বোন ছাদের কোন থেকে একটা চেয়ার টেনে এনে বসল আমার ঠিক সামনে । চটি খুলে পা দুটো তুলে দিল আমার কোলে । আমার হাতে একটা পা ঘষে বলল,
– দ্যাখ দাদা, পা দুটোও হাতের মত ঠান্ডা হয়ে গেছে ।
– আমি বললাম , দে আমি ঘষে তোর পা গরম করে দিচ্ছি । তুই গেম খেল ।
– এই বলে আমি বোনের পা দুটো হাত দিয়ে আসতে আসতে ঘষতে লাগলাম । বোন ডান পাটা তুলে আমার নাকটা পায়ের বুড়ো আঙ্গুল আর তার পাশের আঙ্গুলের মাঝে চেপে ধরে আমার মাথাটা এপাশ থেকে ওপাশে নাড়িয়ে বলল ,
– – ওয়াহ, বেশ আরাম লাগছে । তুই আমার পা টেপ , আমি তোর মোবাইলে একটু গেম খেলি ।
– আমি আমার ৪ বছরের ছোট ক্লাস ৮ এ পড়া ফর্শা , সুন্দরী বোনের পা দুটো আসতে আসতে টিপতে লাগলাম ওর পায়ের কাছে বসে । আর আমার বোন আমার কোলের ওপর ওর পা দুটো রেখে আমার মোবাইলে গেম খেলতে খেলতে আমার সেবা নিতে লাগল । উল্টোদিকের ফ্ল্যাটের ছাদ থেকে বোনের বয়সী একটা মেয়ে চোখ বড় বড় করে আমাদের দেখতে লাগল ।
– বেশ কিছুক্ষণ বোনের ডান পাটা টেপার পর বোন ওর বাঁ পাটা আমার হাতে তুলে দিয়ে বলল ,
– -এবার এই পা টা টেপ । তার আগে আমার পায়ে মোজা দুটো পরিয়ে দে তো । খুব ঠান্ডা লাগছে নাহলে ।
এই বলে বোন ওর পকেট থেকে দুটো নীল মজা বার করে আমার হাতে দিল। মোজা দুটো বোন সারাদিন ঘরে পরে থাকে , রবারের চটির সাথে । তাই মোজা দুটোয় ওর পা আর চটির সেন্ট মিশে অদ্ভুত এক গন্ধ তৈরি করেছে ।
-আমার মোজাটায় খুব গন্ধ হয়েছে , না রে দাদা ? বোন গেম খেলতে খেলতে জিজ্ঞাসা করল ।
আমি মাথা নেড়ে বললাম ,
– না তো বোন ।
– ও নিজের দুটো মোজা পরা পাই আমার মুখের উপর তুলে দিল জবাবে ।
– এবার দেখ , এখন বলবি গন্ধ নেই ?
– খোলা ছাদে বোন ওর পা দুটো আমার মুখের উপরে তুলে দিয়েছে ! আমি জোরে নিশ্বাস নিলাম বোনের মোজা পরা পায়ের ভিতর দিয়ে । ওর মোজা থেকে ওর পায়ের গন্ধ এসে আমার বুক ভরিয়ে দিল । এ যেন পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ গন্ধ , মনে হল আমার ।
– বেশ সুন্দর গন্ধ রে বোন , আমি প্রানভরে বোনের মোজার গন্ধ বুকে নিতে নিতে বললাম।
– হা হা , তুই একটা পাগল দাদা । নাহলে বোনের মোজা পরা পায়ের গন্ধ কারো ভাল লাগে ? এই বলে বোন ওর নীল মোজা পরা ডান পাটা আমার কাধে তুলে দিল । আর বাঁ পাটা আবার আমার কোলে নামিয়ে দিল । আমার পদসেবা নেওয়ার জন্যে ।
উল্টোদিকের ফ্ল্যাটের ছাদে দাঁড়িয়ে থাকা মেয়েটার দিকে তাকিয়ে দেখি ওর মুখ হাঁ হয়ে গেছে আমাদের কান্ড দেখে । বোন এমনভাবে ওর মোজা পরা ডান পা আমার কাধে রেখে গেম খেলতে লাগল যেন এটা ভীষণ স্বাভাবিক । ওর ঠোঁটের কোনে লেগে থাকা আলতো হাসি বুঝিয়ে দিচ্ছিল ও ভীষণ উপভোগ করছে এই ঘটনা ।
– আমি মাথা নিচু করে বোনের বাঁ পাটা টিপতে লাগলাম।
– তোরা কি করছিস ? হঠাত ছাদের দরজার মুখ থেকে মায়ের গলার আওয়াজে আমরা দুজনেই চমকে উঠলাম । মা কখন এসে দরজার সামনে দাড়িয়েছে কেউ লক্ষ করিনি ।
– স্নান করে পা দুটো ঠান্ডা হয়ে গেছে মা , তাই দাদাকে দিয়ে একটু পা টেপাচ্ছিলাম। বোন বলল ।
– আর অন্য পাটা দাদার কাধে রেখেছিস কেন ?
– আমার কি দোষ , দাদাই তো রাখতে বলল । বোন ঠোঁট উলটে বলল । মা অবাক চোখে আমার দিকে তাকাল ।
– বোন এখন আমার কাঁধে মোজা পরা ডান পাটা রেখে বসে আছে । মায়ের সামনে বোনের পায়ের তলায় বসে থাকতে কেন জানিনা আর বেশী ভাল লাগছিল আমার ।
– বোনের এভাবে বসতে আরাম হবে ,তাই বলেছিলাম । আমি বললাম মাকে ।
– তুই যেভাবে বসে ওর পা টিপছিস , দেখে মনে হচ্ছে ও তোর বোন না , মনিব । আর তুই ওর চাকর । তোর কিছুদিন থেকে কি হয়েছে বলতো ? বোন যা বলে তাই শুনছিস , নিজের সব জিনিস ওকে দিয়ে দিচ্ছিস । ব্যাপার টা কি তোর ?
– বা রে , ও আমার একমাত্র আদরের ছোট বোন , ওকে দেব না তো কাকে দেব ? এই বলে মায়ের সামনেই বোনের নীল মোজা পরা ডান পাটা ধরে মুখের সামনে এনে বোনের পায়ের পাতায় একটা চুমু খেলাম ।
– নাহ , তোদের সামলানো আমার কম্ম না , তোদের বাবাকে বলতে হবে । এই বলে মা হাল ছেড়ে দিয়ে ছাদে কাপড় মেলতে লাগল । মায়ের সামনেই আমি বোনের ডান পা কাধে নিয়ে ওর বাঁ পাটা টিপতে লাগলাম ।
মা কাপড় মেলে নিচে চলে গেল । আমি বোনের পা টিপে যেতে লাগলাম । প্রায় একঘন্টা পর বোন উঠে পড়ল আমার কোলের উপর থেকে পা সরিয়ে ।
-নিচে আয় দাদা , এই বলে বোন নিচে চলে গেল । আমিও আমার ‘মালকিন’ এর আদেশ পালন করে নিচে নেমে এলাম ।
নিচে নামতে বোন চোখ পাকিয়ে বলল
– যা , চান করে নিয়ে পড়তে বস ভাল ছেলের মত । আমার তখন ইচ্ছা করছিল বোনের পা টিপে ওর সেবা করতে । কিন্তু বোন আমাকে হুকুম করছে , এটাও বেশ ভাল লাগল ।
– যাচ্ছি বোন , বলে আমি চান করতে চলে গেলাম । চান করে এসে বোনকে ঘরে দেখতে পেলাম না । আমার পড়তে ইচ্ছা করছিল না , তাই টিভি খুলে বসলাম ।
– তোর সামনে h.s., আর তুই বসে বসে টিভি দেখছিস ? মা রাগ দেখিয়ে বলল ।
– একটু দেখি মা , তারপর পড়তে বসছি । আমি বললাম । যদিও আমার পড়তে বসার কোন ইচ্ছা ছিল না । আমি টিভি দেখে যেতে লাগলাম ।
– ২০ মিনিট পর বাইরে থেকে বোন ঘরে ঢুকল । মা বোনকে ঘরে ঢুকতে দেখে বলল
– – তোর দাদা তো এখন আর কার কথা শোনে না , তোর কথা ছাড়া । দেখ তো টিভি ছেড়ে ওকে পড়তে পাঠাতে পারিস কিনা ?
– এটা আবার একটা ব্যাপার হল ? এই বলে বোন আমার দিকে এগিয়ে এল । ওর মুখে আলতো হাসি । আমার পাশে এসে আমার কান ধরে আলতো মোচড় দিল বোন ,
– – এই ছেলে , তোর না সামনে h.s.? আর তুই এখন টিভি দেখছিস ? যা পড়তে বস গিয়ে । আমি টিভি দেখব এখন ।
এই বলে বোন আমার কানে বেশ জোরে একটা মোচড় দিল ।
– সরি বোন, আমি যাচ্ছি পড়তে ।
– এই বলে আমি উঠে পড়লাম । আর বোন চেয়ারটা দখল করে ওর পছন্দের চ্যানেল চালিয়ে দিল ।
মা অবাক হয়ে ব্যাপারটা হজম করার চেস্টা করতে লাগল । কি হচ্ছে বলতো তোদের মধ্যে ? তুই ৪ বছরের বড় দাদার কানমুলে ওকে পড়তে যেতে বললি , আর ও তোকে সরি বলে পড়তে চলে গেল ? আশ্চর্য তো !
বোন মুচকি হাসতে লাগল মায়ের কথা শুনে , কোন উত্তর দিল না।
আমি পাশের ঘরে পড়তে চলে গেলাম । পড়তে ভাল না লাগলেও আমার ৪ বছরের ছোট বোনের হুকুমে পড়তে বসেছি এই অনুভূতিটা খুব ভাল লাগছিল আমার ।
ঘন্টা দুয়েক পড়ার পর মা খেতে ডাকল । আমি খাওয়া হয়ে গেলে আবার ভুল করে টিভি ঘরে গিয়ে টিভি খুলে ফেললাম । মা আর বোন তখন পাশের ঘরে খাচ্ছে । মা পাশের ঘর থেকেই চেঁচিয়ে বলল ,
-তুই আবার টিভি খুলেছিস ?
– আমি বললাম , প্লিজ , একটু দেখি মা । অনেকক্ষন তো পরলাম ।
মা হতাশ হয়ে বোনকে বলল , দ্যাখ , তুই যদি কিছু করতে পারিস ।
– আমি বোনের গলা শুনতে পেলাম , চল মা , আমি দেখছি ।
– বোন এই ঘরে ঢুকে আমার দিকে এগিয়ে এল , পিছনে মা । ও এসেই ওর এঠো ডান হাত দিয়ে সজোরে আমার বাঁ গালে একটা থাপ্পর মারল । আমি ভেবাচেকা খেয়ে গালে হাত বোলাতে বোলাতে বোনের মুখের দিকে তাকালাম । ওর মুখে আলতো হাসি বুঝিয়ে দিচ্ছিল ও ব্যাপারটা খুব উপভোগ করছে ।
– তুই আবার টিভি খুলেছিস ? বোন রাগী ভাব ফোটাল গলায় ।
– সরি বোন ।
– বারবার ভুল হয় কেন? এবার শুধু সরিতে হবেনা , ক্ষমা চাইতে হবে ।
– কিভাবে বোন ? আমি জিজ্ঞাসা করি । মায়ের সামনে ছোট বোনের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে ভেবে বেশ আনন্দ হতে থাকে আমার ।
– মা আর আমার দুজনের কাছেই ক্ষমা চা । যেভাবে চাওয়া তোর ঠিক মনে হয় সেভাবে ।
– আমি প্রথমে মায়ের দিকে এগিয়ে যাই । মায়ের পায়ের কাছে হাটুগেরে বসে মাকে বলি ,
– আমি সরি মা , এরকম ভুল আর হবে না । এই বলে মায়ের পায়ে হাত দিয়ে প্রনাম করি ।
– ঠিক আছে , এরকম ভুল যেন আর না হয় । এই বলে মা আমার মাথায় হাত রেখে আশীর্বাদ করে । আমি উঠে একইভাবে বোনের কাছে ক্ষমা চাওয়ার জন্যে ওরদিকে এগিয়ে যাই । ওর পায়ের কাছে হাটুগেরে বসে হাতজোড় করে বলি ,
– আমার ভুল হয়ে গেছে বোন , আমাকে ক্ষমা করে দে ।
– এই বলে ওর পায়ে হাত দিয়ে প্রনাম করব ভাবেছিলাম , কিন্তু কেন জানিনা তার বদলে নিজের মাথাটা বোনের খালি পায়ের উপর নামিয়ে দিলাম। ওর পায়ের উপর নিজের কপালটা ঘষতে ঘষতে বারবার ওর কাছে ক্ষমা চাইতে থাকি । মা বেশ বড় বড় চোখ করে আমাদের কান্ড দেখতে থাকে ।
– একটু পরে বোন ওর খালি পা আমার মাথার উপর রেখে বলে , যা ক্ষমা করে দিলাম এবারের মত । গিয়ে পড়তে বস । আমি যা বলি সেভাবে চল , তোরই ভাল হবে দাদা ।
– আমি ওর পায়ে আলতো একটা চুমু খেয়ে বলি ,
– -সেটা আমি জানি বোন । এখন থেকে আমি তোর সব কথা শুনব । এই বলে আমি উঠে পড়তে চলে যাই । মা আর বোন খুশী মনে আবার খেতে যায় ।
– যা হল এক্ষুনি আমার কিছুতেই বিশ্বাস হচ্ছিল না । সত্যি আমি মায়ের সামনে নিজের ছোট বোনের পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করলাম ? ভাবতেই দারুন ভাল লাগছিল আমার ।
– সন্ধ্যা ৬ টায় মা টিফিন করতে ডাকল । টানা ৪ ঘন্টা পড়ে আমি উঠলাম। মন ভাল থাকলে পড়া যে সত্যি ভাল হয় সেটা আজ বুঝতে পারছিলাম। আজ ৪ ঘন্টায় আমি যা পড়েছি অন্যদিন ৪০ ঘণ্টায়ও তা পড়া হয়না আমার । বোন আমার মাথায় পা রেখে আশীর্বাদ করাতেই আমার এত উন্নতি হয়েছে , মনে মনে এটাই ভাবছিলাম , আর মন খুশিতে ভরে উঠছিল ।
– টিভির ঘরে খাটে বাবা বসে আর মেঝেতে চেয়ারে বোন । বাবা যে কখন অফিস থেকে ফিরেছে খেয়ালই করিনি আমি । মা সবার হাতে টিফিন দিল । আমি নিজে থেকেই বোনের পায়ের কাছে মেঝেতে বসে পরলাম ।
– তোকে এভাবে মন দিয়ে পড়তে দেখে খুব ভাল লাগল । এভাবে পড়লে দেখবি h.s এ খুব ভাল রেসাল্ট করবি । বাবা বলল ।
– এর ক্রেডিটটা কিন্তু তোমার মেয়ে রিয়ারই পাওয়া উচিত । আজকেও খাওয়ার পর টিভি খুলেছিল রাজু । আমি বললাম , রাজু শুনল না । রিয়া গিয়ে থাপ্পর মারতে কাজ হয়েছে । সেই থেকে টানা ৪ ঘন্টা পরেছে ও । বললে বিশ্বাস করবে না , রিয়া রাজুকে নিজের পায়ে মাথা রেখে ক্ষমাও চাইয়েছে । এখন বুঝছি ভালই করেছে ।
– বাবার মুখ দেখে বুঝলাম, যা শুনছে, বিশ্বাস করতে পারছে না । অফিস থেকে ফিরে এসে যদি কোন বাবা শোনে তার ছেলে ছোট বোনকে প্রনাম করে একদম ভাল ছেলে হয়ে গেছে , কারই বা বিশ্বাস হবে?
– যাক গে , ও ঠিক ঠাক পড়ছে , এটাই বড় কথা । রিয়া , তোর দাদা যখন তোর কথা শোনে , তখন ও না পরলে এখন থেকে তোর যা ইচ্ছা শাস্তি দিবি তুই ওকে ।
– বোনের মুখে হাসি ফুটে উঠল বাবার কথা শুনে ।
– সে তো দেবই বাবা । ছেলেদের মানুষ করতে হলে একটু শাস্তি দিতে হয় । ওর কথা শুনে আমার মনে হল যেন ও আমার ৪ বছরের বড় দিদি ।
– দাদা, আমার পা টিপে দে তোএকটু খেতে খেতে । এই বলে বোন ওর চটি পরা পা দিয়ে আমাকে একটু খোচা দিল ।
– আমি ঘুরে বসলাম বোনের পায়ের কাছে । বোন চটি খুলে ওর খালি পা দুটো আমার কোলে তুলে দিল ।
– মা বাবাকে বলল , এদের ব্যাপারটা কি তুমি একটু বোঝার চেস্টা কর তো? রাজু হঠাত রিয়ার এত বাধ্য হয়ে গেল কেন ?
– আমি বোনের পা দুটো বেশ মন দিয়ে টিপতে লাগলাম । বাবা , মা ভুরু কুচকে দেখতে লাগল আমাদের ।
– আর একটু জোরে টেপ দাদা , বেশ আরাম হচ্ছে ।
– বোনের কথায় আমি আরো মন দিয়ে ওর পা টিপতে লাগলাম , আর মাঝে মাঝে ওর পা থেকে হাত সরিয়ে পাশে রাখা থালা থেকে টিফিন খেতে লাগলাম ।
– বোন হঠাত ওর ডান পাটা আমার কোল থেকে তুলে আমার কাঁধে রাখল ।
– মন দিয়ে আমার সেবা কর দাদা , এতে তোর মনঃসংযোগ বাড়বে , আরো ভাল পড়া মনে রাখতে পারবি ।
– বোনের ডান খালি পা আমার কাধে রাখা, আর আমি ওর বাঁ পা টা মন দিয়ে টিপছি , বাবা মায়ের সামনেই ।
– তোদের ব্যাপারটা কি বলতো ? বাবা ভুরু কুচকে আমাকে জিজ্ঞাসা করল ।
– কিছু না বাবা , আমার সেবা করলে দাদার পড়ায় মন বসে , তাই না দাদা ? রিয়া আমার দিকে তাকিয়ে প্রশ্ন করল ।
– আমি রিয়ার পা টিপতে টিপতে উত্তর দিলাম ,
– হ্যাঁ বাবা ।
– বেশ , এতে তো খারাপ কিছু নেই । এতে তোর পড়াশোনায় উন্নতি হলে তো ভালই । কিন্তু ব্যাপারটা বড় অদ্ভুত লাগছে । বাবা বলল ।
– আমি কোন উত্তর দিলাম না । বোন ওর বাঁ পাটা আমার কাধে তুলে দিয়েছে এখন । আর আমি ওর ডান পাটা টিপে দিচ্ছি । আমি বোনের ডান পাটা নিজের বুকের মাঝখানে চেপে ধরে মন দিয়ে টিপতে লাগলাম । বোন ঠোটের কোনে হাসি ঝুলিয়ে আমার সেবা নিতে নিতে টিভি দেখতে লাগল । আর বাবা মা আশ্চর্য হয়ে আমাদের অদ্ভুত কান্ড দেখে যেতে লাগল ।
প্রায় ৩০ মিনিট বোনের পা টেপার পর বোন ওর খালি ডান পাটা আমার মুখে রাখল । আমি অবাক হয়ে বোনের দিকে তাকালাম । আলতো করে একটা চুমুও খেলাম ওর পায়ের তলায় । বোন ওর পায়ের তলাটা আমার মুখে একটু ঘষল , তারপর আমার মুখটা পায়ের তলা দিয়ে ঠেলে বলল,
এই ছেলে , এবার গিয়ে পড়তে বস । মন দিয়ে পড়বি , নাহলে কিন্তু মার খাবি আমার কাছে ।
আমি বোনের খালি পাদুটো দুহাতে ধরলাম । তারপর নিজের মাথাটা নামিয়ে দিলাম ওর পায়ের উপর । ওর পায়ের পাতায় নিজের মাথা ঠেকিয়ে বললাম ,
আমার মাথায় পা রেখে একবার আমাকে আশীর্বাদ করে দে বোন, আমার পড়া খুব ভাল হয় তোর আশীর্বাদ পেলে । তারপরও যদি তোর যদি মনে হয় আমি মন দিয়ে পরছি না তুই আমাকে যত খুশি মারতে পারিস ।
– বোন মুখে হাসি ফুটিয়ে ওর ডান পাটা আমার মাথার উপর রাখল
– ভাল করে পড় দাদা , আমার আশীর্বাদ তোর সাথে রইল ।
– বাবা মা চোখ বড় বড় করে আমাদের দেখতে লাগল । হয়তো আমাদের বাধা দিত অন্য সময়ে , কিন্তু যেহেতু এই আচরণের মাধ্যমে বোন আমাকে পড়তে পাঠাচ্ছে , তাই আর কিছু বলল না বাবা মা ।
– আমি নিজের ঘরে গিয়ে পড়তে বসলাম । মন আজ অসম্ভব খুশি । নিজেকে বোঝাতে লাগলাম যেভাবেই হোক ভাল রেসাল্ট করতে হবে । আমার ছোট বোন আমার মাথায় ওর পা রেখে আমাকে আশীর্বাদ করেছে । এই আশীর্বাদ বৃথা হতে দেওয়া যায়না । আর রেসাল্ট ভাল হলে চিরদিন এভাবে বাবা মায়ের সামনে ছোট বোনের সেবা করতে পারব । বোনের সেবা করে আমার উন্নতি হচ্ছে বুঝতে পারলে বাবা মা আমাকে কিছু বলবে না বুঝতে পারছিলাম ।
– আমি বেশ মন দিয়ে পড়ছিলাম । হঠাত চুলে টান পড়ায় তাকিয়ে দেখি আমার বোন রিয়া আমার পাশে দাঁড়িয়ে বাঁ হাত দিয়ে আমার চুল মুঠো করে ধরে টানছে । আমার বেশ ব্যাথা লাগছিল , তবু কিছু বললাম না বোনকে । আমার উপর অত্যাচার চালিয়ে যেতে দিলাম ওকে ।
– বেশ কিছুক্ষণ আমার চুল টেনে যেতে লাগল বোন । একটু পড়ে খুব ব্যাথা লাগতে তাকিয়ে দেখি আমার মাথা থেকে অনেকটা চুল ছিঁড়ে বোনের হাতে চলে গেছে ।
– বোন চোখ বড় বড় করে বলল , তোর এতগুল চুল টেনে ছিড়ে দিলাম, তুই কিছু বললি না ? তোর কি ব্যাথাও লাগে না ?
– বোন খাটের পাশে দাঁড়িয়ে ছিল । আমি খাট থেকে উঠে ওর পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে পড়লাম । ওর সামনে হাত জোড় করে বললাম , সে তো লাগেই । কিন্তু আমার ছোট্ট বোনটা আমার উপর অত্যাচার করে একটু মজা নিচ্ছে । আমার কি অধিকার আছে এতে বাধা দেওয়ার ?
– শুনে বোন খাটে বসে পরে হো হো করে হাসতে লাগল । আমি ওর পা দুটো দুহাতে ধরে আবার নিজের মাথাটা ওর পায়ের উপর নামিয়ে দিলাম ।
– একটু পরে বোন হাসি থামিয়ে চটি পরা বাঁ পাটা আমার মাথায় বোলাতে বোলাতে বলল ,
– ওরে বুদ্ধু , তুই ব্যাথা পাচ্ছিস আর তোর বাধা দেওয়ার অধিকার নেই ? তুই আমার দাদা ,আমি তোর ছোট বোন । অন্য বোনেরা বড় দাদাদের ভয় পায় ,আর তুই আমার পায়ে মাথা ঘষিস । তোর মাথাটা একদম গেছে রে দাদা । যদি আমি তোকে পিটিয়ে মেরে ফেলতে যাই , তাও আমাকে বাধা দিবি না ?
– আমি ওর চোখের দিকে দুষ্টুমি ভরা দৃষ্টিতে তাকাই ।
– তুই আমার মনিব , আমি তোকে বাধা দিতে পারি ? তুই মেরেই দেখ।
– বোনের পায়ে এখন সকালের নীল মোজাটা পরা , মোজা পরা পায়ে ও পা তুলে আমার মুখে পরপর লাথি মারতে থাকে ।
– আমি বলি, প্লিজ বোন , তোর যত খুশি লাথি মার আমার মুখে । আমার খুব ভাল লাগে তোকে নিজের মনিব বলে ভাবতে , তোর সেবা করতে, তোর লাথি খেতে । প্লিজ বোন ,আমাকে তোর সেবা করতে দিস রোজ এভাবে । তোর সেবা করতে পেলে আমি জীবনে সব করতে পারব । প্লিজ বোন , আমার উপর একটু দয়া কর ।
– এই বলে আমি বোনের পায়ে একের পর এক চুমু খেতে থাকি । বোন বাধা দেয়না । আমার মাথায় অন্য পাটা বোলাতে বোলাতে বলে ,
– আমার তো ভালই লাগছে রে দাদা । সবার সামনে বড় দাদাকে এভাবে কন্ট্রোল করার মজাই আলাদা ।
– আমি বোনের পায়ের তলায় শুয়ে পরি । ওর নীল মোজা পরা পা দুটো নিজের মুখের উপর তুলে নিয়ে ওর মোজার তলায় চুম্বন করতে করতে বলি থ্যাঙ্ক ইউ বোন । তোকে আমি খুব ভালবাসি । আমি ওর পা টিপতে টিপতে আসতে আসতে চুমু খেতে থাকি ওর মোজা পরা পায়ের তলায় ।
– আমিও তোকে খুব ভালবাসি দাদা , বোন বলে , আমার মুখের উপর ওর নীল মোজার তলা ঘষতে ঘষতে ।
– আমি মন দিয়ে বোনের পা টিপতে টিপতে ওর মোজা পরা পায়ের আদর খেতে থাকি ,আর চুমু খেতে থাকি ওর মোজার তলায় । মাঝে মাঝে জিভ বার করে আসতে আসতে চাটতে থাকি ওর মোজার তলা । জবাবে বোন আমার মুখে আলতো করে একটা লাথি মেরে আমার দিকে তাকিয়ে মিটিমিটি হাসতে থাকে । তারপর ওর বাঁ পাটা ঠিক আমার নাকে উপর চেপে ধরে । আমি ওর মোজা পরা পায়ের মধ্যে দিয়ে নিশ্বাস নিতে থাকি । ওর পায়ের গন্ধ , ওর মোজাতে লেগে থাকা ঘামের গন্ধ আমার নিশ্বাসের সাথে আমার ফুসফুসে গিয়ে মিশতে থাকে । সেখান থেকে সেই মোহময় গন্ধ গিয়ে মিশতে থাকে আমার হৃদয়ে । আমি প্রাণভরে বড় বড় শ্বাস নিতে থাকি বোনের মোজা পরা পায়ের মধ্যে দিয়ে ।
– হঠাত দেখি আমার ঘরের দরজা ঠেলে বাবা ঘরে ঢোকে । আমি তখন নিজের ঘরে খাটে বসা বোনের পায়ের তলায় শুয়ে বোনের মোজা পরা পায়ের তলায় চুমু খেতে খেতে ওর পা টিপে দিচ্ছি ।
– আমাদের এই অবস্থায় দেখে বাবার চোখ কপালে উঠে যায় ।
– এসব কি করছিস তোরা ? বাবা একটু সামলে নিয়ে প্রশ্ন করে ।
– কিছু না বাবা , এএ… আমার ঠোঁট জোড়া বোন নীল মোজা পরা ডান পা দিয়ে চেপে ধরায় আমার উত্তর আটকে যায় । বাবার সামনেই বোন আমার ঠোঁট দুটো মোজা পরা ডান পা দিয়ে ঘষতে থাকে । আমার ঠোঁট দুটো বোন মোজা পরা পা দিয়ে একবার বাঁদিকে , একবার ডানদিকে ঘষতে থাকে । এক তীব্র আনন্দ আমার সাড়া শরীরে যেন ঝঙ্কার তুলতে থাকে । বাবার সামনেই আমার ছোট বোন আমার কপাল আর ঠোঁট পা দিয়ে ঘষতে থাকে । বাবা যেন কথা বলার শক্তি হারিয়ে ফেলেছে । চুপ করে এক দৃষ্টিতে দেখতে থাকে আমাদের ।
– কিছু না বাবা , দাদার মুখে পা রেখে একটু আশীর্বাদ করছি দাদাকে । এভাবে রোজ আমার আশীর্বাদ পেলে দেখবে ও খুব ভাল রেসাল্ট করবে ।
– তুই তো রাজুর থেকে ছোট , তোর আশীর্বাদে ওর কি করে এত ভাল হবে ? বাবা প্রশ্ন করে ।
– আমি ছোট তো কি হয়েছে ? মেয়ে তো । খারাপ ছেলেরা মেয়েদের পায়ের আশীর্বাদ পেলে খুব ভাল হয়ে যায় । দেখছ না দাদা আজ কি সুন্দর পড়াশোনা করছে ? বোন ভুরু নাচিয়ে বলে বাবাকে , ওর ডান মোজা পরা পায়ের তলা আমার ঠোঁট দুটোকে নিয়ে খেলা চালিয়ে যায় । আমিও বোনের পা টিপতে টিপতে ওর পায়ের তলায় আসতে আসতে চুমু খেতে থাকি আমাদের বাবার সামনেই ।
– তাই তো দেখছি । কি জানি , কি যে হচ্ছে, আমার মাথায় কিছু ঢুকছে না । বাবা হতাশ গলায় বলে ।
– তুমি ছেলেকে ইঞ্জিনিয়ার বানাতে চাওনা ? দেখবে , আমার সেবা করে কিরকম ও ইঞ্জিনিয়ারিঙে চান্স পেয়ে যাবে ।
– তাহলে তো খুবই ভাল হয় । কিন্তু রাজুর পড়াশোনার যা অবস্থা ! ও কি পারবে ?
– তুমি শুধু দেখে যাও বাবা । না পেলে আমাকে বল । এখন থেকে ওর সাথে আমার আশীর্বাদ থাকবে । ও এখন সব পারবে ।
– এই বলে বোন আমার মুখে আলতো করে একটা লাথি মারল মোজা পরা পা দিয়ে ,
– কি রে গাধা , পারবি না?
– আমি আমার বোন রিয়ার মোজা পরা পায়ের তলায় চুমু খেয়ে উত্তর দিলাম,
– তোমার আশীর্বাদ সাথে থাকলে আমি সব পারব প্রভু ।
– যা , একটা বাটি আর জল নিয়ে এসে আমার পা ধুয়ে জল খা এখন । মা কেও ডেকে আন , মাও দেখুক কি করে তার ছেলের উন্নতি হচ্ছে । বোন মুখে হাসি ঝুলিয়ে বলে ।
– যো হুকুম মালকিন , বলে আমি বোনের অন্য পায়ের তলায় একটা চুমু খেয়ে উঠে পড়ি বোনের পা ধুয়ে জল খাওয়ার জন্য বাটি আর জল আনতে । আমার বুকের মধ্যে তখন যেন কেউ হাজারটা ঢাক পেটাচ্ছে একসাথে ! উফফ, কি যে আনন্দ হচ্ছে আমার !!
– আমি বাটি আর জল নিয়ে মাকে ডাকতে গেলাম ।
– মা, একটু আমার ঘরে এস প্লিজ ।
– কেন ? মা রান্না করতে করতে আমার দিকে না তাকিয়েই প্রশ্ন করল ।
– আমি বোনের পা ধুয়ে জল খাব । বাবা মায়ের সামনে ছোট বোনের পা ধুয়ে জল খেলে ছেলেদের পড়াশোনার উন্নতি হয় ,তাই । আমি বললাম ।
– মা আমার দিকে ফিরে জবাব দিল , আজ সকাল থেকে তুই কি শুরু করেছিস বলতো? পাগল হয়ে গেলি নাকি তুই ?
– মা , তুমি তো দেখছ বোনের সেবা করে আজ সকাল থেকে কি সুন্দর টানা পড়ে যাচ্ছি আমি । পড়া খুব ভাল মনে থাকছে বোনের সেবা করে । ছোট বোনের সেবা করলে সত্যি খারাপ ছেলেদের উন্নতি হয় মা । রোজ এভাবে বোনের সেবা করতে পেলে আমি ঠিক ইঞ্জিনিয়ারিঙে চান্স পেয়ে যাব , তুমি দেখে নিও ।
– ঠিক আছে , বোনের সেবা করলে যদি তোর উন্নতি হয় তাহলে তাই কর । চল । এই বলে মা আমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিল একবার ।
– আমি মাকে নিয়ে আমার ঘরে ঢুকলাম । বোন এখন একটা চেয়ার টেনে টেবিলের পাশে বসেছে । বাবা বসে আছে খাটে । মাও গিয়ে বাবার পাশে বসল । আমি গিয়ে আমার ছোট বোন রিয়ার পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসলাম ।
– বোন মোজা পরা পা দুটো আমার মুখের উপর তুলে দিয়ে মোজার তলা দুটো আমার সারামুখে ঘষতে ঘষতে বলল ,
– বাটিটা আমার পায়ের কাছে রেখে জল দিয়ে আমার পা দুটো ধুয়ে দে । আমি বাটিটা বোনের পায়ের কাছে রাখলাম । তারপর বোনের পা দুটো দুহাত দিয়ে ধরে সযত্নে ওর্পা থেকে মোজা দুটো খুলে রাখলাম । এরপর আসতে আসতে ভক্তিভরে ছোট বোনের পা ধুয়ে দিতে লাগলাম বাটিতে থাকা জল দিয়ে । পা ধুয়ে দিয়ে গামছা দিয়ে সযত্নে ওর পা মুছিয়ে দিলাম । তারপর ওর পা দুটো নিজের কোলের উপর রাখলাম ।
– বোন হাসিমুখে বলল , এবার আমার পা ধোয়া জলটা খেয়ে নে । এখন থেকে রোজ তুই আমার পা ধুয়ে জল খাবি । এতে তোর উন্নতি হবে । এই বলে বোন ওর খালি পাদুটো আমার কোল থেকে কাধে তুলে দিল ।
– আমি বাবা মার দিকে তাকালাম । ওরা গভীর মনোযোগ দিয়ে আমাদের কান্ড দেখছে । কতজন ছেলের সৌভাগ্য হয় বাবা মার সামনে ছোট বোনের পা ধুয়ে জল খাওয়ার ? ভাবতেই প্রবল আনন্দে আমার মনটা ভরে উঠল ।
– কি হল , দেরী করছিস কেন ? ছোট বোনের পা ধোয়া জল খেতে লজ্জা করছে নাকি তোর ? বোন ওর খালি ডান পা দিয়ে আমার নাক আর ঠোটের উপর একটা লাথি মেরে জিজ্ঞাসা করল ।
– না প্রভু , তোমার পা ধোয়া জল খাব , এ তো আমার চরম সৌভাগ্য। আমি বোনের পায়ের তলায় চুমু খেয়ে বললাম ।
– বোন আবার ওর ডান পাটা আমার বাঁ কাঁধে তুলে দিল । আর আমি ওর পা ধোয়া জলটা মুখের সামনে তুলে এক চুমুকে পুরোটা খেয়ে নিলাম । মনে হল এত সুস্বাদু পানীয় আমি জীবনে কখন খাইনি ।
– আমি বাটিটা নিচে নামিয়ে রাখলাম । বোন দুপা দিয়ে আমার কাধ দুটো ঝাকাতে ঝাকাতে বলল , গুড বয় । এবার আবার আমার পায়ের তলায় শুয়ে পরতো ভাল ছেলের মত ।
– আমি তাই করলাম । আমার ছোট বোন , আমার প্রভুর পায়ের তলায় শুয়ে পড়লাম বাবা মার সামনেই । বোন ওর খালি পা দুটো আমার মুখের উপর রেখে বলল , এবার জিভটা বার করে দে তো ভাল দাদার মত ।
– আমি তাই করলাম । বাবা মায়ের অবাক দৃষ্টির সামনে আমার ছোট বোন রিয়া আমার বার করে দেওয়া জিভে নিজের খালি ডান পায়ের তলা নামিয়ে দিল । একটু আগেই আমি ওর পা ধুয়ে জল খেয়েছি। তাই পা দুটো একদম পরিষ্কার।
– বোন ওর পরিষ্কার ডান পায়ের তলা আমার বার করে দেওয়া জিভের উপর মুচ্ছিল । বাবা মা অবাক হয়ে দেখছিল আমাদের । আর আমি পুজোর প্রসাদের মত ভক্তি করে ছোট বোনের পায়ের তলা চেটে খাচ্ছিলাম । আমার প্রানে এক অদ্ভুত আনন্দ তখন । বোন আমার জিভের উপর ওর পায়ের তলা একটানা ঘষে চলল । একটু পরে ডান পায়ের তলা

– আমার কপালের উপর রেখে বোন ওর বাঁ পায়ের তলাটা আমার জিভের উপর নামিয়ে দিল ।
বাবা মায়ের সামনে আমি নিজের ৪ বছরের ছোট বোন রিয়ার পায়ের তলা স্বেচ্ছায় চাটতে লাগলাম ।