সূচনা……

ছয় বছর আগের ডিসেম্বর মাসের এক শীতের সকাল । সেদিন হঠাতই আমার জীবন সম্পুর্ন বদলে গিয়েছিল । মেয়েদের সেবা করার , তাদের ক্রীতদাস হয়ে জীবন কাটানোর স্বপ্ন পুরন হয়ে গিয়েছিল আমার । আমার বাবা মার সামনেইয়ামার ছোট বোন রিয়া আমাকে তার ক্রীতদাস করে তুলেছিল । এখনও আমি রিয়ার ক্রীতদাস , ওর পোষা কুত্তা । ও আমার প্রভু , আমার আরাধ্যা দেবী ।  আমার মাইনের পুরোটাই আমি তুলে দিই ওর হাতে । ও রোজ কলেজ থেকে ফেরার সময় দামী দামী জিনিস শপিং করে ফেরে । আমি অফিস থেকে ফিরে বাবা মার চোখের সামনেই ওর পা টিপতে টিপতে ওর জুতোর তলা চাটতে থাকি জবাবে , ওর জুতোর তলায় চুম্বন করে ধন্যবাদ দিই আমাকে ওর ক্রীতদাসে পরিণত করার জন্য ।

এক……

সেটা ছিল ছয় বছর আগের একটা শীতের সকাল । আমি ছাদে মাদুর পেতে বসে রোদ পোয়াচ্ছি । হঠাত গালে একজোড়া ঠাণ্ডা কনকনে হাতের স্পর্শ পেলাম । সঙ্গে বোনের খুকখুক হাসি । তাকিয়ে দেখি সদ্য স্নান সেরে বোন আমার পিছনে এসে দাড়িয়েছে । ঠান্ডা জলে স্নান করে ওর হাত দুটো কনকনে ঠান্ডা হয়ে গেছে । সেই ঠান্ডা হাত দুটো আমার গালে ঠেকিয়ে আমার ক্লাস এইটে পড়া  সুন্দরী বোন রিয়া  বলল ,
– দ্যাখ দাদা , স্নান করে হাত দুটো কি ঠান্ডা হয়ে গেছে । তোর গালে ঘষে একটু গরম করে নি । এই বলে ও আমার গালে ওর হাতদুটো ঘষে গরম করতে লাগল ।
– কয়েকদিন ধরে কেন জানিনা , বোনের কাছ থেকে কষ্ট পেতে খুব ভাল লাগছে আমার । আমি চুপচাপ বোনকে আমার গালে হাত ঘষে গরম করতে দিলাম । এতে বোনের আরাম হচ্ছে , আর আমার কষ্ট , এই অনুভুতিটা খুব ভাল লাগতে লাগল আমার ।
– হাত গরম করা হয়ে গেলে বোন আমার গাল টিপে দিয়ে বলল,
– এই তো , এই জন্যেই তোকে আমি এত্ত ভালবাসি । তোর মোবাইলটা দে এবার ।
– আমি মোবাইলে চ্যাট করছিলাম , অফ করে মোবাইলটা বোনের হাতে তুলে দিলাম ।
– বোন ছাদের কোন থেকে একটা চেয়ার টেনে এনে বসল আমার ঠিক সামনে । চটি খুলে পা দুটো তুলে দিল আমার কোলে । আমার হাতে একটা পা ঘষে বলল
– দ্যাখ দাদা, পা দুটোও হাতের মত ঠান্ডা হয়ে গেছে ।
– আমি বললাম , দে আমি ঘষে তোর পা গরম করে দিচ্ছি । তুই গেম খেল ।
– এই বলে আমি বোনের পা দুটো হাত দিয়ে আসতে আসতে ঘষতে লাগলাম । বোন আমার নাকটা ডান হাতে ধরে আমার মাথাটা এপাশ থেকে ওপাশে নাড়িয়ে বলল ,
– – ওয়াহ, বেশ আরাম লাগছে । তুই আমার পা টেপ , আমি তোর মোবাইলে একটু গেম খেলি ।
– আমি আমার ৪ বছরের ছোট ক্লাস ৮ এ পড়া ফর্শা , সুন্দরী বোনের পা দুটো আসতে আসতে টিপতে লাগলাম ওর পায়ের কাছে বসে । আর আমার বোন আমার কোলের ওপর ওর পা দুটো রেখে আমার মোবাইলে গেম খেলতে খেলতে আমার সেবা নিতে লাগল । উল্টোদিকের ফ্ল্যাটের ছাদ থেকে বোনের বয়সী একটা মেয়ে চোখ বড় বড় করে আমাদের দেখতে লাগল ।
– বেশ কিছুক্ষণ বোনের ডান পাটা টেপার পর বোন ওর বাঁ পাটা আমার হাতে তুলে দিয়ে বলল ,
– -এবার এই পা টা টেপ । এই বলে ডান পাটা তুলে নিয়ে চটিটা পরে নিল পায়ে । তারপর চটি পরা ডান পা টা আমার কাঁধে তুলে দিল । উল্টোদিকের ফ্ল্যাটের ছাদে দাঁড়িয়ে থাকা মেয়েটার মুখ হাঁ হয়ে গেল তাই দেখে । বোন এমনভাবে ওর চটি পরা ডান পা আমার কাধে রেখে গেম খেলতে লাগল যেন এটা ভীষণ স্বাভাবিক । ওর ঠোঁটের কোনে লেগে থাকা আলতো হাসি বুঝিয়ে দিচ্ছিল ও ভীষণ উপভোগ করছে এই ঘটনা ।
– আমি মাথা নিচু করে বোনের বাঁ পাটা টিপতে লাগলাম।
– তোরা কি করছিস ? হঠাত ছাদের দরজার মুখ থেকে মায়ের গলার আওয়াজে আমরা দুজনেই চমকে উঠলাম । মা কখন এসে দরজার সামনে দাড়িয়েছে কেউ লক্ষ করিনি ।
– স্নান করে পা দুটো ঠান্ডা হয়ে গেছে মা , তাই দাদাকে দিয়ে একটু পা টেপাচ্ছিলাম। বোন বলল ।
– আর অন্য পাটা দাদার কাধে রেখেছিস কেন ?
– আমার কি দোষ , দাদাই তো রাখতে বলল । বোন ঠোঁট উলটে বলল । মা অবাক চোখে আমার দিকে তাকাল ।
– বোন এখন আমার কাঁধে চটি পরা ডান পাটা রেখে বসে আছে । মায়ের সামনে বোনের পায়ের তলায় বসে থাকতে কেন জানিনা আরো বেশী ভাল লাগছিল আমার ।
– বোনের এভাবে বসতে আরাম হবে ,তাই বলেছিলাম । আমি বললাম মাকে ।
– তুই যেভাবে বসে ওর পা টিপছিস , দেখে মনে হচ্ছে ও তোর বোন না , মনিব । আর তুই ওর চাকর । তোর কিছুদিন থেকে কি হয়েছে বলতো ? বোন যা বলে তাই শুনছিস , নিজের সব জিনিস ওকে দিয়ে দিচ্ছিস । ব্যাপার টা কি তোর ?
– বা রে , ও আমার একমাত্র আদরের ছোট বোন , ওকে দেব না তো কাকে দেব ? এই বলে মায়ের সামনেই বোনের লাল চটি পরা ডান পাটা ধরে মুখের সামনে এনে বোনের পায়ের পাতায় একটা চুমু খাই ।
– নাহ , তোদের সামলানো আমার কম্ম না , তোদের বাবাকে বলতে হবে । এই বলে মা হাল ছেড়ে দিয়ে ছাদে কাপড় মেলতে লাগল । মায়ের সামনেই আমি বোনের ডান পা কাধে নিয়ে ওর বাঁ পাটা টিপতে লাগলাম ।
মা কাপড় মেলে নিচে চলে গেল । আমি বোনের পা টিপে যেতে লাগলাম । প্রায় একঘন্টা পর বোন উঠে পড়ল আমার কোলের উপর থেকে পা সরিয়ে ।
-নিচে আয় দাদা , এই বলে বোন নিচে চলে গেল । আমিও আমার ‘মালকিন’ এর আদেশ পালন করে নিচে নেমে এলাম ।
নিচে নামতে বোন চোখ পাকিয়ে বলল
– যা , চান করে নিয়ে পড়তে বস ভাল ছেলের মত । আমার তখন ইচ্ছা করছিল বোনের পা টিপে ওর সেবা করতে । কিন্তু বোন আমাকে হুকুম করছে , এটাও বেশ ভাল লাগল ।
– যাচ্ছি বোন , বলে আমি চান করতে চলে গেলাম । চান করে এসে বোনকে ঘরে দেখতে পেলাম না । আমার পড়তে ইচ্ছা করছিল না , তাই টিভি খুলে বসলাম ।
– তোর সামনে h.s., আর তুই বসে বসে টিভি দেখছিস ? মা রাগ দেখিয়ে বলল ।
– একটু দেখি মা , তারপর পড়তে বসছি । আমি বললাম । যদিও আমার পড়তে বসার কোন ইচ্ছা ছিল না । আমি টিভি দেখে যেতে লাগলাম ।
– ২০ মিনিট পর বাইরে থেকে বোন ঘরে ঢুকল । মা বোনকে ঘরে ঢুকতে দেখে বলল
– – তোর দাদা তো এখন আর কার কথা শোনে না , তোর কথা ছাড়া । দেখ তো টিভি ছেড়ে ওকে পড়তে পাঠাতে পারিস কিনা ?
– এটা আবার একটা ব্যাপার হল ? এই বলে বোন আমার দিকে এগিয়ে এল । ওর মুখে আলতো হাসি । আমার পাশে এসে আমার কান ধরে আলতো মোচড় দিল বোন ,
– – এই ছেলে , তোর না সামনে h.s.? আর তুই এখন টিভি দেখছিস ? যা পড়তে বস গিয়ে । আমি টিভি দেখব এখন ।
এই বলে বোন আমার কানে বেশ জোরে একটা মোচড় দিল ।
– সরি বোন, আমি যাচ্ছি পড়তে ।
– এই বলে আমি উঠে পড়লাম । আর বোন চেয়ারটা দখল করে ওর পছন্দের চ্যানেল চালিয়ে দিল ।
মা অবাক হয়ে ব্যাপারটা হজম করার চেস্টা করতে লাগল । কি হচ্ছে বলতো তোদের মধ্যে ? তুই ৪ বছরের বড় দাদার কানমুলে ওকে পড়তে যেতে বললি , আর ও তোকে সরি বলে পড়তে চলে গেল ? আশ্চর্য তো !
বোন মুচকি হাসতে লাগল মায়ের কথা শুনে , কোন উত্তর দিল না।
আমি পাশের ঘরে পড়তে চলে গেলাম । পড়তে ভাল না লাগলেও আমার ৪ বছরের ছোট বোনের হুকুমে পড়তে বসেছি  এই অনুভূতিটা খুব ভাল লাগছিল আমার ।

দুই……
ঘন্টা দুয়েক পড়ার পর মা খেতে ডাকল । আমি খাওয়া হয়ে গেলে আবার ভুল করে টিভি ঘরে গিয়ে টিভি খুলে ফেললাম । মা আর বোন তখন পাশের ঘরে খাচ্ছে । মা পাশের ঘর থেকেই চেঁচিয়ে বলল ,
-তুই আবার টিভি খুলেছিস ?
– আমি বললাম , প্লিজ , একটু দেখি মা । অনেকক্ষন তো পরলাম ।
মা হতাশ হয়ে বোনকে বলল , দ্যাখ , তুই যদি কিছু করতে পারিস ।
– আমি বোনের গলা শুনতে পেলাম , চল মা , আমি দেখছি ।
– বোন এই ঘরে ঢুকে আমার দিকে এগিয়ে এল , পিছনে মা । ও এসেই ওর এঁটো ডান হাত দিয়ে সজোরে আমার বাঁ গালে একটা থাপ্পর মারল ।  আমি ভেবাচেকা খেয়ে গালে হাত বোলাতে বোলাতে বোনের মুখের দিকে তাকালাম । ওর মুখে আলতো হাসি বুঝিয়ে দিচ্ছিল ও ব্যাপারটা খুব উপভোগ করছে ।
– তুই আবার টিভি খুলেছিস ? বোন রাগী ভাব ফোটাল গলায় ।
– সরি বোন ।
– বারবার ভুল হয় কেন? এবার শুধু সরিতে হবেনা , ক্ষমা চাইতে হবে ।
– কিভাবে বোন ? আমি জিজ্ঞাসা করি । মায়ের সামনে ছোট বোনের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে ভেবে বেশ আনন্দ হতে থাকে আমার ।
– মা আর আমার দুজনের কাছেই ক্ষমা চা । যেভাবে চাওয়া তোর ঠিক মনে হয় সেভাবে ।
– আমি প্রথমে মায়ের দিকে এগিয়ে যাই । মায়ের পায়ের কাছে হাটুগেরে বসে মাকে বলি ,
– আমি সরি মা , এরকম ভুল আর হবে না । এই বলে মায়ের পায়ে হাত দিয়ে প্রনাম করি ।
– ঠিক আছে , এরকম ভুল যেন আর না হয় । এই বলে মা আমার মাথায় হাত রেখে আশীর্বাদ করে । আমি উঠে একইভাবে বোনের কাছে ক্ষমা চাওয়ার জন্যে ওরদিকে এগিয়ে যাই । ওর লাল চটি পরা পায়ের কাছে হাটুগেরে বসে হাতজোড় করে বলি ,
– আমার ভুল হয়ে গেছে বোন , আমাকে ক্ষমা করে দে ।
– এই বলে ওর পায়ে হাত দিয়ে প্রনাম করব ভেবেছিলাম , কিন্তু কেন জানিনা তার বদলে নিজের মাথাটা বোনের চটি পরা পায়ের উপর নামিয়ে দিলাম। ওর পায়ের উপর নিজের কপালটা ঘষতে ঘষতে বারবার ওর কাছে ক্ষমা চাইতে থাকি । মা বেশ বড় বড় চোখ করে আমাদের কান্ড দেখতে থাকে ।
– একটু পরে বোন ওর লাল চটি পরা ডান পা আমার মাথার উপর রেখে বলে , যা ক্ষমা করে দিলাম এবারের মত । গিয়ে পড়তে বস । আমি যা বলি সেভাবে চল , তোরই ভাল হবে দাদা ।
– আমি ওর পায়ে আলতো একটা চুমু খেয়ে বলি ,
– -সেটা আমি জানি বোন । এখন থেকে আমি তোর সব কথা শুনব । এই বলে আমি উঠে পড়তে চলে যাই । মা আর বোন খুশী মনে আবার খেতে যায় ।
– যা হল এক্ষুনি আমার কিছুতেই বিশ্বাস হচ্ছিল না । সত্যি আমি মায়ের সামনে নিজের ছোট বোনের চটি পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করলাম ? ভাবতেই দারুন ভাল লাগছিল আমার ।
– সন্ধ্যা ৬ টায় মা টিফিন করতে ডাকল । টানা ৪ ঘন্টা পড়ে আমি উঠলাম। মন ভাল থাকলে পড়া যে সত্যি ভাল হয় সেটা আজ বুঝতে পারছিলাম। আজ ৪ ঘন্টায় আমি যা পড়েছি অন্যদিন ৪০ ঘণ্টায়ও তা পড়া হয়না আমার । বোন আমার মাথায় চটি পরা পা রেখে আশীর্বাদ করাতেই আমার এত উন্নতি হয়েছে , মনে মনে এটাই ভাবছিলাম , আর মন খুশিতে ভরে উঠছিল ।
– টিভির ঘরে খাটে বাবা বসে আর মেঝেতে চেয়ারে বোন । বাবা যে কখন অফিস থেকে ফিরেছে খেয়ালই করিনি আমি । মা সবার হাতে টিফিন দিল । আমি নিজে থেকেই বোনের পায়ের কাছে মেঝেতে বসে পরলাম । ওর পরনে ছাই রঙের জ্যাকেট , কালো প্যান্ট , পায়ে লাল চটি । ফরসা মুখে হাসি ঝুলিয়ে বাঁ পায়ের উপর ডান পা তুলে বসে ছিল আমার বোন রিয়া , যাকে দেখলেই প্রভু বলে ডাক ছেড়ে পা জড়িয়ে ধরতে ইচ্ছা করে আমার ।
– তোকে এভাবে মন দিয়ে পড়তে দেখে খুব ভাল লাগল । এভাবে পড়লে দেখবি h.s এ খুব ভাল রেসাল্ট করবি । বাবা বলল ।
– এর ক্রেডিটটা কিন্তু তোমার মেয়ে রিয়ারই পাওয়া উচিত । আজকেও খাওয়ার পর টিভি খুলেছিল রাজু । আমি বললাম , রাজু শুনল না । রিয়া গিয়ে থাপ্পর মারতে কাজ হয়েছে । সেই থেকে টানা ৪ ঘন্টা পরেছে ও । বললে বিশ্বাস করবে না , রিয়া রাজুকে নিজের পায়ে মাথা রেখে ক্ষমাও চাইয়েছে । এখন বুঝছি ভালই করেছে , মা বলল বাবাকে ।
– বাবার মুখ দেখে বুঝলাম, যা শুনছে, বিশ্বাস করতে পারছে না । অফিস থেকে ফিরে এসে যদি কোন বাবা শোনে তার ছেলে ছোট বোনকে প্রনাম করে একদম ভাল ছেলে হয়ে গেছে , কারই বা বিশ্বাস হবে?
– যাক গে , ও ঠিক ঠাক পড়ছে , এটাই বড় কথা । রিয়া , তোর দাদা যখন তোর কথা শোনে , তখন ও না পড়লে এখন থেকে তোর যা ইচ্ছা শাস্তি দিবি তুই ওকে ।
– বোনের মুখে হাসি ফুটে উঠল বাবার কথা শুনে ।
– সে তো দেবই বাবা । ছেলেদের মানুষ করতে হলে একটু শাস্তি দিতে হয় । ওর কথা শুনে আমার মনে হল যেন ও আমার ৪ বছরের বড় দিদি ।
– দাদা, আমার পা টিপে দে তোএকটু খেতে খেতে । এই বলে বোন ওর চটি পরা পা দিয়ে আমাকে একটু খোচা দিল ।
– আমি ঘুরে বসলাম বোনের পায়ের কাছে । বোন চটি খুলল না , চটি পরা পা দুটোই আমার কোলে তুলে দিল ।
– মা বাবাকে বলল , এদের ব্যাপারটা কি তুমি একটু বোঝার চেস্টা কর তো? রাজু হঠাত রিয়ার এত বাধ্য হয়ে গেল কেন ?
– আমি বোনের লাল চটি পরা পা দুটো বেশ মন দিয়ে টিপতে লাগলাম । বাবা , মা ভুরু কুচকে দেখতে লাগল আমাদের ।
– আর একটু জোরে টেপ দাদা , বেশ আরাম হচ্ছে ।
– বোনের কথায় আমি আরো মন দিয়ে ওর পা টিপতে লাগলাম , আর মাঝে মাঝে ওর পা থেকে হাত সরিয়ে পাশে রাখা থালা থেকে টিফিন খেতে লাগলাম । ফলে বোনের চটির তলার ময়লা আমার হাত থেকে লুচি তরকারিতে লেগে যেতে লাগল । আমি বোনের চটির তলার ময়লা মেশা খাবার খাচ্ছি, এই অনুভূতি টাও দারুন ভাল লাগতে লাগল।
– বোন হঠাত ওর চটি পরা ডান পাটা আমার কোল থেকে তুলে আমার কাঁধে রাখল ।
– মন দিয়ে আমার সেবা কর দাদা , এতে তোর মনঃসংযোগ বাড়বে , আরো ভাল পড়া মনে রাখতে পারবি ।
– বোনের লাল চটি পরা ডান পা আমার কাধে রাখা, আর আমি ওর বাঁ পা টা মন দিয়ে টিপছি , বাবা মায়ের সামনেই ।
– তোদের ব্যাপারটা কি বলতো ? বাবা ভুরু কুচকে আমাকে জিজ্ঞাসা করল ।
– কিছু না বাবা , আমার সেবা করলে দাদার পড়ায় মন বসে , তাই না দাদা ? রিয়া আমার দিকে তাকিয়ে প্রশ্ন করল ।
– আমি রিয়ার চটি পরা পা টিপতে টিপতে উত্তর দিলাম ,
– হ্যাঁ বাবা ।
– বেশ , এতে তো খারাপ কিছু নেই । এতে তোর পড়াশোনায় উন্নতি হলে তো ভালই । কিন্তু ব্যাপারটা বড় অদ্ভুত লাগছে । বাবা বলল ।
– আমি কোন উত্তর দিলাম না । বোন ওর চটি পরা বাঁ পাটা আমার কাধে তুলে দিয়েছে এখন । আর আমি ওর ডান পাটা টিপে দিচ্ছি । আমি বোনের লাল চটি পরা ডান পাটা নিজের বুকের মাঝখানে চেপে ধরে মন দিয়ে টিপতে লাগলাম । বোন ঠোটের কোনে হাসি ঝুলিয়ে আমার সেবা নিতে নিতে টিভি দেখতে লাগল । আর বাবা মা আশ্চর্য হয়ে আমাদের অদ্ভুত কান্ড দেখে যেতে লাগল ।

প্রায় ৩০ মিনিট বোনের পা টেপার পর বোন ওর চটি পরা ডান পাটা আমার মুখে রাখল । আমি অবাক হয়ে বোনের দিকে তাকালাম । আলতো করে একটা চুমুও খেলাম ওর লাল চটির তলায় । বোন ওর চটির তলাটা আমার মুখে একটু ঘষল , তারপর আমার মুখটা চটি পরা পায়ের তলা দিয়ে ঠেলে বলল,

এই ছেলে , এবার গিয়ে পড়তে বস । মন দিয়ে পড়বি , নাহলে কিন্তু মার খাবি আমার কাছে ।

আমি বোনের চটি পরা পাদুটো দুহাতে ধরলাম । তারপর নিজের মাথাটা নামিয়ে দিলাম ওর পায়ের উপর । ওর পায়ের পাতায় নিজের মাথা ঠেকিয়ে বললাম ,

আমার মাথায় পা রেখে একবার আমাকে আশীর্বাদ করে দে বোন, আমার পড়া খুব ভাল হয় তোর আশীর্বাদ পেলে । তারপরও যদি তোর যদি মনে হয় আমি মন দিয়ে পরছি না তুই আমাকে যত খুশি মারতে পারিস ।
– বোন মুখে হাসি ফুটিয়ে ওর চটি পরা ডান পাটা আমার মাথার উপর রাখল,

  • ভাল করে পড় দাদা , আমার আশীর্বাদ তোর সাথে রইল ।
  • বাবা মা চোখ বড় বড় করে আমাদের দেখতে লাগল । হয়তো আমাদের বাধা দিত অন্য সময়ে , কিন্তু যেহেতু এই আচরণের মাধ্যমে বোন আমাকে পড়তে পাঠাচ্ছে , তাই আর কিছু বলল না বাবা মা ।

তিন……

আমি নিজের ঘরে গিয়ে পড়তে বসলাম । মন আজ অসম্ভব খুশি । নিজেকে বোঝাতে লাগলাম যেভাবেই হোক ভাল রেসাল্ট করতে হবে । আমার ছোট বোন আমার মাথায় চটি পরা পা রেখে আমাকে আশীর্বাদ করেছে । এই আশীর্বাদ বৃথা হতে দেওয়া যায়না । আর রেসাল্ট ভাল হলে চিরদিন এভাবে বাবা মায়ের সামনে ছোট বোনের সেবা করতে পারব । বোনের সেবা করে আমার উন্নতি হচ্ছে বুঝতে পারলে বাবা মা আমাকে কিছু বলবে না বুঝতে পারছিলাম । তখন অবশ্য বুঝতে পারিনি , বোন শুধু আমাকে দিয়ে ওর সেবাই করাতে চায় না , আমাকে ওর ক্রীতদাস করে রাখতে চায় বরং !

আমি বেশ মন দিয়ে পড়ছিলাম । হঠাত চুলে টান পড়ায় তাকিয়ে দেখি আমার বোন রিয়া আমার পাশে দাঁড়িয়ে বাঁ হাত দিয়ে আমার চুল মুঠো করে ধরে টানছে । আমার বেশ ব্যাথা লাগছিল , তবু কিছু বললাম না বোনকে । আমার উপর অত্যাচার চালিয়ে যেতে দিলাম ওকে ।

বেশ কিছুক্ষণ আমার চুল টেনে যেতে লাগল বোন । একটু পড়ে খুব ব্যাথা লাগতে তাকিয়ে দেখি আমার মাথা থেকে অনেকটা চুল ছিঁড়ে বোনের হাতে চলে গেছে ।

বোন চোখ বড় বড় করে বলল , তোর এতগুল চুল টেনে ছিড়ে দিলাম, তুই কিছু বললি না ? তোর কি ব্যাথাও লাগে না ?

বোন খাটের পাশে দাঁড়িয়ে ছিল । আমি খাট থেকে উঠে ওর পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে পড়লাম । ওর সামনে হাত জোড় করে বললাম , সে তো লাগেই । কিন্তু তুমি আমার মালকিন, আমার প্রভু । তুমি আমাকে যত খুশি ব্যাথা দিতে পার । আমার কোন অধিকার নেই তোমাকে বাধা দেওয়ার ।

শুনে বোন খাটে বসে পরে হো হো করে হাসতে লাগল । আমি ওর পা দুটো দুহাতে ধরে আবার নিজের মাথাটা ওর পায়ের উপর নামিয়ে দিলাম ।

একটু পরে বোন হাসি থামিয়ে চটি পরা বাঁ পাটা আমার মাথায় বোলাতে বোলাতে বলল ,

ওরে বুদ্ধু , আমি তোর প্রভু হতে যাব কেন ? তুই আমার দাদা ,আমি তোর ছোট বোন । অন্য বোনেরা বড় দাদাদের ভয় পায় ,আর তুই আমার পায়ে মাথা ঘষিস । তোর মাথাটা একদম গেছে রে দাদা ।

আমি ওর চোখের দিকে কাতর দৃষ্টিতে তাকাই । প্লিজ বোন ,আমার খুব ভাল লাগে তোকে নিজের মনিব বলে ভাবতে , তোর সেবা করতে । প্লিজ বোন ,আমাকে তোর সেবা করতে দিস রোজ এভাবে । তোর সেবা করতে পেলে আমি জীবনে সব করতে পারব । প্লিজ বোন , আমার উপর একটু দয়া কর ।

এই বলে আমি বোনের পায়ে একের পর এক চুমু খেতে থাকি । বোন বাধা দেয়না । আমার মাথায় অন্য পাটা বোলাতে বোলাতে বলে ,

‘আমার তো ভালই লাগছে রে দাদা । সবার সামনে বড় দাদাকে এভাবে কন্ট্রোল করার মজাই আলাদা’ ।

আমি বোনের পায়ের তলায় শুয়ে পরি । ওর চটি পরা পা দুটো নিজের মুখের উপর তুলে নিয়ে ওর চটির তলায় চুম্বন করতে করতে বলি ‘থ্যাঙ্ক ইউ বোন । তোকে আমি খুব ভালবাসি’ । আমি ওর পা টিপতে টিপতে আসতে আসতে চুমু খেতে থাকি ওর চটির তলায় ।

‘আমিও তোকে খুব ভালবাসি দাদা । আর তুই যখন আমার সেবা করতে এত ভালবাসিস , তখন আমার উচিৎ তোকে আমার ক্রীতদাস বানানো । এতে আমাদের দুজনেরই লাভ দাদা’ । বোন বলে , আমার মুখের উপর ওর লাল চটির তলা ঘষতে ঘষতে ।

আমি মন দিয়ে বোনের পা টিপতে টিপতে ওর চটি পরা পায়ের আদর খেতে থাকি ,আর চুমু খেতে থাকি ওর চটির তলায় । মাঝে মাঝে জিভ বার করে আসতে আসতে চাটতে থাকি ওর চটির তলা । জবাবে বোন আমার মুখে আলতো করে একটা লাথি মেরে আমার দিকে তাকিয়ে মিটিমিটি হাসতে থাকে ।

হঠাত দেখি আমার ঘরের দরজা ঠেলে বাবা ঘরে ঢোকে ।

চার……

আমি তখন নিজের ঘরে খাটে বসা বোনের পায়ের তলায় শুয়ে  বোনের চটির তলায় চুমু খেতে খেতে ওর  পা টিপে দিচ্ছি ।

আমাদের এই অবস্থায় দেখে বাবার চোখ কপালে উঠে যায় ।

‘এসব কি করছিস তোরা ?’  বাবা একটু সামলে নিয়ে প্রশ্ন করে ।

‘কিছু না বাবা , এএ…’ আমার ঠোঁট জোড়া বোন চটি পরা ডান পা দিয়ে চেপে ধরায় আমার উত্তর আটকে যায় । বাবার সামনেই বোন আমার ঠোঁট দুটো চটি পরা ডান পা দিয়ে ঘষতে থাকে । আমার ঠোঁট দুটো বোন চটি পরা পা দিয়ে একবার বাঁদিকে , একবার ডানদিকে ঘষতে থাকে । এক তীব্র আনন্দ আমার সাড়া শরীরে যেন ঝঙ্কার তুলতে থাকে । বাবার সামনেই আমার ছোট বোন আমার কপাল আর ঠোঁট চটি পরা পা দিয়ে ঘষতে থাকে । বাবা যেন কথা বলার শক্তি হারিয়ে ফেলেছে । চুপ করে এক দৃষ্টিতে দেখতে থাকে আমাদের ।

  • কিছু না বাবা , দাদার মুখে পা রেখে একটু আশীর্বাদ করছি দাদাকে । এভাবে রোজ আমার আশীর্বাদ পেলে দেখবে ও খুব ভাল রেসাল্ট করবে ।

‘তুই তো রাজুর থেকে ছোট , তোর আশীর্বাদে ওর কি করে এত ভাল হবে ?’ বাবা প্রশ্ন করে ।

‘আমি ছোট তো কি হয়েছে ? মেয়ে তো । খারাপ ছেলেরা মেয়েদের পায়ের আশীর্বাদ পেলে খুব ভাল হয়ে যায় । দেখছ না দাদা আজ কি সুন্দর পড়াশোনা করছে ?’ বোন ভুরু নাচিয়ে বলে বাবাকে , ওর ডান চটির তলা আমার ঠোঁট দুটোকে নিয়ে খেলা চালিয়ে যায় । আমিও বোনের পা টিপতে টিপতে ওর চটির তলায় আসতে আসতে চুমু খেতে থাকি আমাদের বাবার সামনেই ।

‘তাই তো দেখছি । কি জানি , কি যে হচ্ছে, আমার মাথায় কিছু ঢুকছে না’ । বাবা হতাশ গলায় বলে ।

‘তুমি ছেলেকে ইঞ্জিনিয়ার বানাতে চাওনা ? দেখবে , আমার সেবা করে কিরকম ও ইঞ্জিনিয়ারিঙে চান্স পেয়ে যাবে’ ।

‘তাহলে তো খুবই ভাল হয় । কিন্তু রাজুর পড়াশোনার যা অবস্থা ! ও কি পারবে ?’

‘তুমি শুধু দেখে যাও বাবা । না পেলে আমাকে বল । এখন থেকে ওর সাথে আমার আশীর্বাদ থাকবে । ও এখন সব পারবে’ ।

এই বলে বোন আমার মুখে আলতো করে একটা লাথি মারল চটি পরা পা দিয়ে ,

‘কি রে গাধা , পারবি না?’

আমি আমার বোন রিয়ার চটি পরা পায়ের তলায় চুমু খেয়ে উত্তর দিলাম,

‘তোমার আশীর্বাদ সাথে থাকলে আমি সব পারব প্রভু’ ।

‘যা , একটা বাটি আর জল নিয়ে এসে আমার পা ধুয়ে জল খা এখন । মা কেও ডেকে আন , মাও দেখুক কি করে তার ছেলের উন্নতি হচ্ছে’ । বোন মুখে হাসি ঝুলিয়ে বলে ।

‘যো হুকুম মালকিন’ , বলে আমি বোনের অন্য চটির তলায় একটা চুমু খেয়ে উঠে পরি বোনের পা ধুয়ে জল খাওয়ার জন্য বাটি আর জল আনতে । আমার বুকের মধ্যে তখন যেন কেউ হাজারটা ঢাক পেটাচ্ছে একসাথে ! উফফ, কি যে আনন্দ হচ্ছে আমার !!

আমি বাটি আর জল নিয়ে মাকে ডাকতে গেলাম ।

‘মা, একটু আমার ঘরে এস প্লিজ’ ।

‘কেন ? মা রান্না করতে করতে আমার দিকে না তাকিয়েই প্রশ্ন করল’ ।

‘আমি বোনের পা ধুয়ে জল খাব । বাবা মায়ের সামনে ছোট বোনের পা ধুয়ে জল খেলে ছেলেদের পড়াশোনার উন্নতি হয় ,তাই’ । আমি বললাম ।

মা আমার দিকে ফিরে জবাব দিল , ‘আজ সকাল থেকে তুই কি শুরু করেছিস বলতো? পাগল হয়ে গেলি নাকি তুই’ ?

‘মা , তুমি তো দেখছ বোনের সেবা করে আজ সকাল থেকে কি সুন্দর টানা পড়ে যাচ্ছি আমি । পড়া খুব ভাল মনে থাকছে বোনের সেবা করে । ছোট বোনের সেবা করলে সত্যি খারাপ ছেলেদের উন্নতি হয় মা । রোজ এভাবে বোনের সেবা করতে পেলে আমি ঠিক ইঞ্জিনিয়ারিঙে চান্স পেয়ে যাব , তুমি দেখে নিও’ ।

‘ঠিক আছে , বোনের সেবা করলে যদি তোর উন্নতি হয় তাহলে তাই কর । চল । এই বলে মা আমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিল একবার’ ।

আমি মাকে নিয়ে আমার ঘরে ঢুকলাম । বোন এখন একটা চেয়ার টেনে টেবিলের পাশে বসেছে । বাবা বসে আছে খাটে । মাও গিয়ে বাবার পাশে বসল । আমি গিয়ে আমার ছোট বোন রিয়ার পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসলাম ।

পাঁচ……

বোন চটি পরা পা দুটো আমার মুখের উপর তুলে দিয়ে চটির তলা দুটো আমার সারামুখে ঘষতে ঘষতে বলল ,

‘বাটিটা আমার পায়ের কাছে রেখে জল দিয়ে আমার পা দুটো ধুয়ে দে’ । আমি বাটিটা বোনের পায়ের কাছে রাখলাম । তারপর বোনের পা দুটো দুহাত দিয়ে ধরে সযত্নে ওর চটি দুটো খুলে রাখলাম । এরপর আসতে আসতে ভক্তিভরে ছোট বোনের পা ধুয়ে দিতে লাগলাম বাটিতে থাকা জল দিয়ে । পা ধুয়ে দিয়ে গামছা দিয়ে সযত্নে ওর পা মুছিয়ে দিলাম । তারপর ওর পায়ে মুখ দিয়ে চটি পরিয়ে দিলাম ।

বোন হাসিমুখে বলল , ‘এবার আমার পা ধোয়া জলটা খেয়ে নে । এখন থেকে রোজ তুই আমার পা ধুয়ে জল খাবি । এতে তোর উন্নতি হবে । এই বলে বোন ওর চটি পরা পাদুটো আমার কাধে তুলে দিল’ ।

আমি বাবা মার দিকে তাকালাম । ওরা গভীর মনোযোগ দিয়ে আমাদের কান্ড দেখছে । কতজন ছেলের সৌভাগ্য হয় বাবা মার সামনে ছোট বোনের পা ধুয়ে জল খাওয়ার ? ভাবতেই প্রবল আনন্দে আমার মনটা ভরে উঠল ।

‘কি হল , দেরী করছিস কেন ? ছোট বোনের পা ধোয়া জল খেতে লজ্জা করছে নাকি তোর ? বোন ওর চটি পরা ডান পা দিয়ে আমার নাক আর ঠোটের উপর একটা লাথি মেরে জিজ্ঞাসা করল’ ।

‘না প্রভু , তোমার পা ধোয়া জল খাব , এ তো আমার চরম সৌভাগ্য’। আমি বোনের চটির তলায় চুমু খেয়ে বললাম ।

বোন আবার ওর ডান পাটা আমার বাঁ কাঁধে তুলে দিল । আর আমি ওর পা ধোয়া জলটা মুখের সামনে তুলে এক চুমুকে পুরোটা খেয়ে নিলাম । মনে হল এত সুস্বাদু পানীয় আমি জীবনে কখন খাইনি ।

আমি বাটিটা নিচে নামিয়ে রাখলাম । বোন চটি পরা পা দিয়ে আমার কাধ দুটো ঝাকাতে ঝাকাতে বলল , ‘গুড বয় । এবার আবার আমার পায়ের তলায় শুয়ে পরতো ভাল ছেলের মত’ ।

আমি তাই করলাম । আমার ছোট বোন , আমার প্রভুর পায়ের তলায় শুয়ে পড়লাম বাবা মার সামনেই । বোন ওর লাল চটি পরা পা দুটো আমার মুখের উপর রেখে বলল , ‘এবার জিভটা বার করে দে তো ভাল দাদার মত’ ।

আমি তাই করলাম । বাবা মায়ের অবাক দৃষ্টির সামনে আমার ছোট বোন রিয়া আমার বার করে দেওয়া জিভে নিজের ডান চটির তলা নামিয়ে দিল । এটা ঘরে পরার চটি হলেও মাঝে মাঝেই এটা পরে বোন বাইরে চলে যায় । ফলে , চটির তলায় বেশ ময়লা লেগে আছে । বোন সেই ময়লা চটির তলা আমার বার করে দেওয়া জিভের উপর মুছছিল । বাবা মা অবাক হয়ে দেখছিল আমাদের । আর আমি পুজোর প্রসাদের মত ভক্তি করে ছোট বোনের চটির তলার ময়লা গিলে খাচ্ছিলাম । আমার মুখজুড়ে নোংরার স্বাদ , কিন্তু প্রানে এক অদ্ভুত আনন্দ । বোন আমার জিভের উপর ওর চটির তলা একটানা ঘষে চলল । একটু পরে ডান চটির তলা নতুনের মত পরিষ্কার হয়ে গেলে বোন ওর বাঁ চটির তলাটা আমার জিভের উপর নামিয়ে দিল ।

বাবা মায়ের সামনে আমি নিজের ৪ বছরের ছোট বোন রিয়ার চটির তলা স্বেচ্ছায় চাটতে লাগলাম ।

ছয়……

বোন আমার জিভের উপর ঘষে ওর বাঁ জুতোর তলাও নতুনের মতো পরিষ্কার করে ফেলল । আমি বোনের লাল চটি পরা দুই পায়ের তলায় বারবার পাগলের মতো চুম্বন করতে করতে বলতে থাকলাম, ‘হে প্রভু , হে দেবী , আমাকে আশীর্বাদ কর যাতে আমি ভাল রেসাল্ট করতে পারি’ ।

বাবা মার সামনে এইভাবে বোনের চটির তলায় চুম্বন করতে এক অদ্ভুত আনন্দ হতে লাগল । বোন জবাবে ওর চটির তলা দুটো আবার আমার সারামুখে ঘষতে লাগল । ও এত জোরে আমার কপালের উপর ওর বাঁ চটির তলা আর ঠোঁটের উপর ওর ডান চটির তলা ঘসছিল যে আমার মনে হচ্ছিল আমার মুখের চামড়া ছিড়ে বোনের চটির তলায় আটকে যাবে । আমার চার বছরের ছোট সুন্দরী বোনের কাছ থেকে ব্যাথা পাচ্ছি এই চিন্তা অবশ্য ওই প্রবল ব্যাথাকেও উপভোগ্য করে তুলছিল ।

প্রায় ৩০ মিনিট পর বোন আমার নাকের উপর ওর বাঁ পা দিয়ে একটা লাথি মেরে  বলল ‘ আমার পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বস আবার ।

আমি বোনের চটি পরা দুই পায়ের তলায় আরো একবার করে ভক্তিভরে চুম্বন করে বললাম, ‘ বসছি প্রভু ‘।

বাবা মার সামনে এইভাবে ছোট বোন রিয়ার সেবা করতে পারার জন্য , ওকে প্রভু আর দেবী বলে ডাকতে পারার জন্য এক প্রবল আনন্দে আমার মন ভরে ঊঠেছিল ।

আমি আমার আরাধ্যা দেবী , আমার চার বছরের ছোট ফর্শা , সুন্দরী বোন রিয়ার পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসলাম । রিয়া ওর লাল চটি পরা পা দুটো আমার দুই কাধের উপর তুলে দিল । ভক্তিভরে হাতজোড় করে আমি বোনের পায়ের কাছে বসে রইলাম ।

‘ আমি এখন চটি পরা পা দিয়ে তোর মুখে লাথি মারব । আমি যতবার লাথি মারব তুই ততবার আমার চটি পরা পায়ে চুম্বন করে আমাকে ধন্যবাদ দিবি । বুঝলি কুত্তা ?’

বাবা মার সামনে আমার ছোট বোন রিয়া আমাকে কুত্তা বলে ডাকছে ? বাবা মার সামনেই আমার বোন আমার মুখে চটি পরা পা দিয়ে লাথি মারবে আর তার জন্য আমাকে ধন্যবাদ দিতে হবে ওকে ?  ছোট বোন রিয়ার প্রতি প্রবল ভক্তিতে মন ভরে উঠল আমার । আমি বোনের উদ্দেশ্যে হাতজোড় করে বললাম , ‘ যথা আজ্ঞা প্রভু’।

পরক্ষনেই আমার মুখের বাঁদিকে বোনের চটি পরা ডান পা টা বেশ জোরে আছড়ে পরল । আমি প্রবল ভক্তিতে জবাবে বোনের ডান পায়ের পাতায় একটা চুম্বন করলাম । এবার বোনের বাঁ পা আঘাত করল আমার মুখের ডান দিকে । আমি আবার বোনের বাঁ পায়ের পাতায় চুম্বন করে বললাম , ‘ধন্যবাদ প্রভু’।

বোনের পরের লাথিটা আছড়ে পরল ঠিক আমার নাকের উপর , তার পরেরটা কপালে ।

‘কি রে কুত্তা , তোর কৃতজ্ঞতা বোধ বলে কিছু নেই? তোর প্রভু তোর মুখের উপর চটি পরা পা দিয়ে লাথি মারছে আর তুই প্রভুর পায়ে চুমু খেয়ে প্রভুকে ধন্যবাদ দিচ্ছিস না?’

আমি প্রতিটা লাথি আমার মুখের উপর পরার পরই বোনের পায়ের উপর চুম্বন করে বোনকে ধন্যবাদ দিতে চাইছিলাম । কিন্তু বোন সেই সময় দিচ্ছিল না আমাকে , তার আগেই ওর চটি পরা অন্য পা আবার আমার মুখের উপর সজোরে আঘাত করছিল । বাবা মার সামনেই আমার ছোট বোন আমাকে কুত্তা বলে ডাকছে , আমার মুখের উপর লাল চটি পরা পা দিয়ে একের পর এক লাথি মারছে । বোনের প্রতি প্রবল ভক্তিতে ভরে উঠেছিল আমার মন ।

রাত্রে খাওয়ার সময় হতে বোন আমাকে বলল , ‘ এই কুত্তা , আমাকে খাবার সার্ভ কর আগে , আর আমি যখন খাব , তুই আমার পা টিপে দিবি’।

; যথা আজ্ঞা প্রভু’ বলে আমি বোনের চটি পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে ওকে প্রনাম করলাম একবার । তারপর খাবার এনে বোনকে সার্ভ করলাম টেবিলে । বোন চেয়ারে এসে বসতে আমি টেবিলের তলায় ঢুকে ঠিক ওর পায়ের কাছে মাথা রেখে শুয়ে পরলাম ।

আমার সুন্দরী বোন রিয়া ওর চটি পরা পা দুটো আমার মুখের উপর তুলে দিল । ওর চটির তলা দুটো আমার মুখের উপর ঘষতে ঘষতে ডিনার করতে লাগল ।

আমি ভক্তিভরে আমার বোনের পা দুটো টিপে দিতে লাগলাম ।

খাওয়া শেষ হতে আমি বোনের হাত ধোওয়ার জন্য জল এনে দিলাম । বোন হাত ধুয়ে বলল , ‘আমার খাওয়া থালায় তুই খাবার নিয়ে আয় যা’ ।

আমি বোনের আদেশে ওর থালাটা টেবিল থেকে তুলতে গেলাম , জবাবে বোন আমার দিকে তাকিয়ে হাসল একবার , তারপর আমার গালে ডান হাত দিয়ে জোরে একটা থাপ্পর মেরে  থালাটার উপর পরপর দুবার থুতু ফেলে বলল , ‘ যা , এবার এই থালায় খাবার আন’ ।

বোনের এঁটো থালায় ওর থুতু মেশানো খাবার আমাকে খেতে হবে, তাও বাবা মার সামনেই ? সুন্দরী বোনের ডমিনেটিং আচরনে ওর প্রতি ভক্তি প্রতি মুহুর্তে আরো বেড়ে উঠছিল আমার । আমি আবার ওর চটি পরা পায়ের উপর মাথা ঠেকিয়ে ওকে প্রনাম করলাম , ভক্তিভরে চুম্বন করলাম ওর দুই পায়ের পাতায় । তারপর বোনের থুতু ফেলা এঁটো থালায় করে খাবার নিয়ে এসে থালাটা হাতে নিয়ে বোনের পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসলাম ।

বাবা মার খাওয়া হয়ে গেছে ততক্ষনে । একই ঘরে একটু দূরে বসে আমাদের দেখছে বাবা মা । আমি রিয়ার পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসতে ও বলল ‘ থালাটা আমার পায়ের কাছে রাখ । আমি থালাটা বোনের পায়ের কাছে রাখতে বোন ওর লাল চটি পরা পা দুটো আমার থালার উপর নামিয়ে দিল । ওর চটির তলা দুটো আমার খাবারের উপর ঘষতে লাগল । কয়েক মিনিট পর বলল , ‘ খাওয়ার আগে আমার ঘর থেকে আমার বেল্টটা নিয়ে আয় , চার হাত পায়ে যাবি কুত্তার মতো’ ।

আমি চার হাত পায়ে বোনের ঘরে গিয়ে বোনের চামড়ার বেল্টটা মুখে করে নিয়ে এসে বোনের হাতে দিলাম । বোন সেটা আমার গলায় পড়িয়ে দিয়ে বলল, ‘ তুই এখন থেকে আমার পোষা কুত্তা । নে , আমার পায়ের কাছ থেকে মুখ দিয়ে কুত্তার মতো খাবার খা’ ।

বোনের হাতে আমার গলায় বাঁধা চামড়ার বেল্টটা ধরা । বোনের লাল চটি পরা পা দুটো রাখা আমার খাবার থালার উপর । বাবা মা অবাক হয়ে আমাদের দেখে চলেছে । আমি তখন বোনের প্রতি ভক্তিতে মোহাচ্ছন্ন । আমি মাথাটা নামিয়ে দিলাম বোনের পা রাখা থালা থেকে মুখ দিয়ে খাবার খাওয়ার জন্য । বোন ওর লাল চটি পরা ডান পা টা তুলে আমার মাথার উপর রাখল । পা দিয়ে ঠেলে আমার মাথাটাকে থালার উপরে নিয়ে গেল । আমার সুন্দরী বোন রিয়ার হাতে আমার গলায় বাঁধা চামড়ার বেল্টটা ধরা , ওর লাল চটি পরা ডান পা আমার মাথার উপরে রাখা । ওর চটি পরা বাঁ পা আমার খাবার থালার উপরে , আর আমি সেই অবস্থায় বাবা মার চোখের সামনে বোনের চটির তলায় মাড়ানো খবার খাচ্ছি !! বোনের প্রতি ভক্তি প্রতি মুহুর্তে বেড়ে উঠতে লাগল আমার । ভগবানের কাছে প্রার্থনা করতে লাগলাম যেন  এইভাবে সারাজীবন প্রভুর মতো নিজের সুন্দরী ছোট বোনের সেবা করতে পারি ।

আমার খাওয়া শেষ হতে বোন আমার মুখের উপর চটি পরা বাঁ পায়ে লাথি মেরে বলল , ‘ জিভ বার কর কুত্তা’।

আমি বোনের পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে থাকা অবস্থায় আমার জিভটা যতটা সম্ভব বার করে দিলাম মুখের বাইরে । বোন আমার বার করা জিভের উপর ওর খাবার লেগে থাকা লাল চটির তলা দুটো মুছে পরিষ্কার করতে লাগল ।

আমার জিভের উপর ঘষে বোন প্রথমে ওর বাঁ চটির তলা , তারপর ডান চটির তলা পরিষ্কার করে ফেলল । তারপর আমার গলায় বাঁধা বেল্টটা ছেড়ে দিয়ে বলল, ‘ যা, বাসন মেজে আমার ঘরে আসবি’। এই বলে আমার প্রভু ছোট বোন রিয়া নিজের ঘরে চলে গেল ।

আমি বাসন মেজে বোনের ঘরে গেলাম । বোন একটা চেয়ারে বসে মোবাইলে গেম খেলছে । আমি ভক্তিভরে ওর লাল চটি পরা পায়ের উপর মাথা রেখে প্রনাম করলাম ওকে । বোন গেম খেলতে লাগল । আমার দিকে তাকিয়েও দেখল না । আমি আমার সুন্দরী বোনের চটি পরা পায়ের উপর মাথা রেখে পরে রইলাম , আমার কপালটা ঘষতে লাগলাম বোনের পায়ের উপর । মাঝে মাঝে চুম্বন করতে লাগলাম পায়ের পাতায় ।

প্রায় ২০ মিনিট পর বোন ওর চটি পরা ডান পা টা তুলে আমার মাথার উপরে রাখল । আমার মাথার উপর চটির তলা বোলাতে লাগল । আমি বোনের চটি পরা বাঁ পায়ের উপর মাথা রেখে শুয়ে ওর ডান পায়ের আদর খেতে লাগলাম ।

আরো ১০ মিনিট পর বোন বলল , ‘ এবার চিত হয়ে আমার পায়ের তলায় শুয়ে পর’।

আমি তাই করলাম । বোন ওর চটি পরা ডান পা টা রাখল আমার ঠোঁটের উপর । আর বাঁ পা টা আমার কপালের উপর । আমি ওর পা দুটো টিপে দিতে লাগলাম আবার । বোন আমার কপাল আর ঠোঁটের উপর ওর চটির তলা দুটো ঘষতে ঘষতে বলল , ‘ তোকে কিন্তু সারাজীবন এইভাবেই আমার চাকর , আমার কুত্তা হয়ে কাটাতে হবে । আজ থেকে তোর আর কোন ব্যক্তিগত জীবন নেই । এখন থেকে আমি তোর প্রভু , তোর জীবনের একমাত্র লক্ষ্য তোর প্রভুর সেবা করা । আমার সেবা করার সাথে সাথে তোকে তাই মন দিয়ে পড়তে হবে এখন , যাতে তুই পরে ভাল চাকরি পেতে পারিস । তুই সকালে অফিসে গিয়ে চাকরি করবি, আর সন্ধ্যা থেকে শুধু আমার সেবা করবি । তোর মাইনের টাকা পুরোটা দিবি আমার হাতে । আমি তোর টাকায় রোজ বিকেলে শপিং করব , আর আমি ফিরলে তুই আমার জুতোর তলা চেটে পরিষ্কার করে দিবি । সেটাই হবে তোর পুরষ্কার । আমি জীবনে কোন কষ্ট করব না , রানীর হালে থাকব । আর তুই আমার ক্রীতদাসের মতো সারাজীবন সবার সামনে আমার সেবা করে যাবি । বুঝলি কুত্তা?’  বোন আমার ঠোঁটের উপর চটি পরা ডান পা দিয়ে একটা লাথি মেরে বলল ।

বোনের কথা শুনে প্রবল আনন্দে আমার মন ভরে উঠল । আমি থাকতে বোন কেন কষ্ট করবে জীবনে ? ও তো আমার প্রভু , আমার কষ্টের টাকায় ও জীবনে ফুর্তি করবে , আমি ক্রীতদাসের মতো সারাজীবন সেবা করব ওর । আমি বোনের চটি পরা ডান পায়ের তলায় চুম্বন করলাম জবাবে , ‘ ধন্যবাদ প্রভু , এইভাবে সারাজীবন তোমার সেবা করতে পারলে আমার জীবন ধন্য হয়ে যাবে’ ।

আমি বললাম , আমার মুখের উপর রাখা  বোনের চটি পরা পা দুটো টিপতে টিপতে ।

সাত……

পরদিন খুব সকালে উঠেই পড়তে বসে গেলাম আমি । আমি স্বাধীন মানুষ না , আমার সুন্দরী বোন রিয়ার ক্রীতদাস । আমাকে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভাল র‍্যাঙ্ক করতেই হবে , ভাল মাইনের চাকরি পেতে হবে যাতে আমার প্রভু বোন আমার টাকায় ফুর্তি করতে পারে । এই চিন্তা মাথায় আসতেই অপুর্ব আনন্দ হতে লাগল । আমি মন দিয়ে পড়তে লাগলাম ।

বোন সাড়ে আটটায় ঘুম থেকে উঠল । ও ফ্রেশ হয়ে আসতে মা ওকে টিফিন খেতে দিল । আর আমি ওর পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসলাম ওকে পুজো করব বলে । ওর পরনে নীল টপ , সাদা প্যান্ট, পায়ে আজ নীল চটি । ও চেয়ারে বসে টিভি দেখতে দেখতে টিফিন খেতে লাগল,  আর আমি ওর পা ধুয়ে দিয়ে ভক্তিভরে ওর পা ধোয়া জল খেয়ে ওর পায়ে মাথা ঠেকিয়ে ওকে প্রনাম করলাম ।

এরপর বাবার অফিসে বেরনোর টাইম হল । বাবা বাড়ি থেকে বেরনোর সময় মা বাবাকে বলল, ‘ রিয়ার সেবা করে কাল থেকে রাজুর কি উন্নতি হয়েছে দেখ’ ।

রিয়া মুচকি হেসে বলল, ‘ মেয়েদের সেবা করলে যে কোন ছেলের উপকার হয় । তুমিও আজ থেকে আমার সেবা করবে বাবা । এখন আমাকে প্রনাম করে যাও’ ।

অবাক হয়ে দেখলাম রিয়ার পায়ের কাছে শুয়ে বাবা সাষ্টাঙ্গে প্রনাম করল ওকে । মিনিট দুয়েক নিজের ১৩ বছর বয়সী সুন্দরী মেয়ে রিয়ার পায়ের উপর মাথা রেখে পরে রইল বাবা । দুই মিনিট পর বাবার মাথার উপর চটি পরা ডান পা রেখে আশীর্বাদ করল বোন ।

‘আজ বিকেলে ফেরার পর থেকে তুমিও আমার সেবা করবে দাদার মতো । দাদার তো সামনে পরীক্ষা , তাই তোমাকেই বেশি সেবা করতে হবে এখন । আমি এখন তোমার আর দাদার প্রভু , তোমাদের আরাধ্যা দেবী । যাও এখন’ ।

বাবা হাতজোড় করে বোনকে বলল , ‘ তোমার সেবা করতে পারবো সে তো আমার সৌভাগ্য দেবী’। বাবা আবার বোনের পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করে বেড়িয়ে গেল তারপর ।

বোনের ব্রেকফাস্ট কমপ্লিট হয়ে গিয়েছিল ততক্ষনে । ওর পায়ের কাছে বসে থাকা আমার মুখের উপর চটি পরা ডান পা দিয়ে বেশ জোরে একটা লাথি মেরে বোন বলল ‘ ছাদে আয় গাধা । সবার সামনে আমার সেবা করবি’।

শীতের সকাল বলে রোদ পোয়াতে আশে পাশের সব বাড়ির ছাদেই অনেকেই বসে আছে । বোন এসে ছাদে রাখা একটা চেয়ারে বসল । আমি এসে ঠিক ওর পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসলাম ।

সঙ্গে সঙ্গে বোনের চটি পরা বাঁ পা আমার নাকের উপর আছড়ে পরল ।

‘ আমার পায়ের তলায় শুয়ে পর গাধা’ ।

আশে পাশের সব বাড়ির ছাদে অন্তত ১৫ জন রয়েছে । বোনকে ওইভাবে আমার মুখে লাথি মারতে দেখে সবাই অবাক হয়ে আমাদের দেখতে লাগল । পাশের বাড়ির যে মেয়েটা কাল আমাকে বোনের পা টিপতে দেখে অবাক হয়ে তাকিয়ে ছিল , সে বিষ্ময়ে ভরা চোখে আজও আমাদের দেখতে লাগল ।

আমি ‘ যথা আজ্ঞা প্রভু’ বলে সবার সামনেই বোনের নীল চটি পরা পায়ের উপর মাথা ঠেকিয়ে একবার প্রনাম করলাম । সত্যি , রিয়াকে এত সুন্দর যে দেখলেই ওর পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করতে ইচ্ছা হয় । ফর্শা অপরুপ সুন্দর মুখ , ঘাড় পর্যন্ত ছাঁটা চুল । রোগাটে গড়ন , এখন ওর উচ্চতা ৫’২” । ও একেবারেই মেকআপ ইউজ করে না , ওর মতো সুন্দরীদের কখনই অবশ্য মেকআপ করার দরকার পরে না । ওকে কখন লিপ্সটিক বাঁ নেল পালিশ পর্যন্ত ব্যবহার করতে দেখিনি । তবে প্রচুর জামা , জুতো শপিং করে ও , আর সিম্পল থেকেও কিভাবে নিজেকে স্টাইলিশ করে তুলতে হয় সেটা ও খুব ভাল করে জানে । এখন যেমন , নীল টপ , সাদা প্যান্ট আর পায়ে নীল চটি পরা ওকে দেখলেই কোন দেবী বলে ভাবতে ইচ্ছা করছিল । আমিও ওকে দেবীর মতো ভক্তি করে বেশ কিছুক্ষন সময় ওর চটি পরা পায়ের উপর আমার মাথা রেখে ভক্তিভরে প্রনাম করলাম । তারপর ঠিক ওর পায়ের কাছে শুয়ে পরলাম ।

বোন দেরী করল না । সাথে সাথেই ওর চটি পরা পা দুটো আমার মুখের উপর তুলে দিল । ওর চটি পরা বাঁ পা টা আমার ঠোঁটের উপর রাখা , আর ডান পা টা আমার কপালের উপর । ওকে বলতে হল না । আমি নিজে থেকেই ভক্তিভরে ওর ডান পা টা টিপতে লাগলাম ।

আশে পাশের বাড়ির সবাই অবাক হয়ে আমাদের দেখতে লাগল ।

আশে পাশের বাড়ির অবাক হওয়া লোকেদের দিকে তাকিয়ে আমার অপরুপ সুন্দরী বোন একবার মুচকি হাসল । তারপর ডান পা দিয়ে আমার নাকের উপর লাথি মেরে বেশ জোরেই বলল , ‘জিভ বার কর কুত্তা । তোর প্রভু চটির তলা মুছবে তোর জিভের উপর’ ।

আমি সঙ্গে সঙ্গে আমার জিভটা যতটা সম্ভব বার করে দিলাম । আমার বোন আমার জিভের উপর ওর বাঁ চটির তলাটা নামিয়ে দিল । বোন চটি পরে প্রায়ই বাইরে চলে যায় বলে চটির তলা বেশ ময়লা । বোন ওর সেই ধুলো ময়লা লাগা চটির তলা ছাদে বসে আশে পাশের সব লোকের চোখের সামনেই আমার জিভের উপর ঘষে পরিষ্কার করতে লাগল । আশেপাশের প্রত্যেকটা লোকের মুখই বিষ্ময়ে হাঁ হয়ে গেল আমার সাথে বোনের আচরন দেখে ।

বোন ওর বাঁ চটির তলা আমার জিভের উপর সবার চোখের সামনেই ঘষে চলল । আমি ওর ডান পা টা ভক্তিভরে টিপে দিতে লাগলাম আর বাঁ চটির তলার ময়লা গিলে খেতে লাগলাম । প্রায় ১৫ মিনিট পর নিজের বাঁ চটির তলা নতুনের মতো চকচকে করে এরপর বোন ওর ডান চটির তলা আমার জিভের উপর ঘষতে লাগল । আমি ওর বাঁ পা টিপতে টিপতে ওর ডান চটির তলার ময়লা ভক্তিভরে গিলে খেতে লাগলাম । আশেপাশের বাড়ির ছাদে উপস্তিত প্রত্যেকটা লোক তখনও হাঁ করে আমাদের দেখে চলেছে ।

নয়……

আমার জিভের উপর প্রায় ১৫ মিনিট ডান চটির তলা ঘষে বোন পরিষ্কার করে ফেলল । তারপর আমার ঠোঁটের উপর একটা লাথি মেরে বলল , ‘আমি একটু বেরব , তনুশ্রীর বাড়ি যাব । তুই নিচে আয় , আমি রেডি হলে আমার পায়ে জুতো পরিয়ে দিবি’ ।

আমি রিয়ার দুই চটির তলায় একবার করে ভক্তিভরে চুম্বন করে বললাম , ‘চলুন দেবী’।

নিচে নেমে রিয়া ড্রেস চেঞ্জ করতে চলে গেল । আমি বসার ঘরের সোফার সামনে মেঝেতে হাটুগেড়ে বসে রিয়ার জন্য অপেক্ষা করতে লাগলাম ।

প্রায় ১৫ মিনিট পর রিয়া এসে ঘরে ঢুকে সোফায় বসল । সিম্পল ড্রেস , একটা পিঙ্ক টপ আর নীল জিন্স । তবু, কি সুন্দরী যে লাগছে ওকে ! আমি পারলাম না , ও এসে সোফায় বসতেই আমি আবার ওর নীল চটি পরা পায়ের উপর মাথা ঠেকিয়ে ভক্তিভরে প্রনাম করলাম ওকে । জবাবে আমার মাথার উপর বেশ জোরে একটা লাথি মারল আমার চার বছরের ছোট বোন রিয়া ।

‘যা , আমার জুতোটা মুখে করে নিয়ে আয় কুত্তা’ ।

‘ কোন জুতোটা আনব প্রভু ?’ আমি হাতজোড় করে বোনকে জিজ্ঞাসা করলাম ।

জবাবে ডান পা দিয়ে আমার নাকের উপর বেশ জোরে একটা লাথি মারল রিয়া । ‘ প্রভুকে কোন ড্রেসের সাথে কোন জুতো পরলে মানাবে তোর কোন ধারনা নেই কুত্তা ? তোকে এত কষ্ট করে পুশেছি কেন তাহলে ? যা, যেটা মানাবে নিয়ে আয় । আমার ভাল না লাগলে আবার মুখে লাথি খাবি তুই’ ।

;যো হুকুম মালকিন’ বলে আমি জুতো রাখার র‍্যাকের দিকে চার হাত পায়ে এগিয়ে গেলাম । বোনের অন্তত ৩০ জোড়া জুতো আছে । স্নিকারই আছে ১৫ জোড়া । বোনের পরনে পিঙ্ক টপ এখন , তাই বুদ্ধি করে ওর ২ জোড়া পিঙ্ক স্নিকারের মধ্যে একটা মুখে করে কুত্তার মতো নিয়ে এলাম’ ।

আমার চয়েস পছন্দ হল বোনের । আমার মাথার উপর চটি পরা বাঁ পা বুলিয়ে বোন বলল , ‘ গুড ডগি । এবার ভাল কুত্তার মতো মুখ দিয়ে প্রভুর পায়ে মোজা আর জুতো পরিয়ে দে’ ।

মুখ দিয়ে মোজা আর জুতো পরানো কি সোজা কথা ? অনেক কষ্টে আমার প্রভু বোনের পায়ে মুখ  দিয়ে সাদা মোজা আর পিঙ্ক স্নিকার পরিয়ে দিলাম আমি ।

বোনের পায়ে জুতো পরানো হতেই আমার মুখের উপর জুতো পরা ডান পা দিয়ে সপাটে লাথি মারল বোন । ‘ তোকে কি জন্য পুশেছি কুত্তা? আমার জুতোয় নোংরা লেগে আছে কেন? চেটে সাফ কর এক্ষুনি’ ।

আমার অপরুপা সুন্দরী ছোট বোনের ডমিনেটিং আচড়নে আমি একদম মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম । ‘সরি প্রভু , এরকম ভুল আর হবে না’ বলে আমি ওর জুতো পরা দুই পায়ের উপর উপুড় হয়ে শুয়ে ওর জুতোর উপরটা জিভ দিয়ে চেটে পরিষ্কার করতে লাগলাম । প্রায় ১০-১৫ মিনিট ওর জুতোর উপর দুটো চেটে পরিষ্কার করে দেওয়ার পর বোন আমার মাথায় লাথি মেরে আমাকে চিত হয়ে শুয়ে জিভ বার করে দিতে বলল । আমি তাই করলাম । বোন আমার বার করা জিভের উপর প্রথমে ওর বাঁ জুতোর তলাটা নামিয়ে দিল । এটা বাইরে পরার জুতো, তাই জুতোর তলাটা বেশ ময়লা, কাদা শুকিয়ে লেগে আছে জুতোর তলায় । বোন জুতোর তলার ধুলো, কাদা , ময়লা আমার জিভের উপর ঘষে পরিষ্কার করতে লাগল । আর আমি পুজোর প্রসাদের মতো ভক্তি করে গিলে খেতে লাগলাম আমার বোনের জুতোর তলার ময়লা ।

বাঁ জুতোর তলাটা প্রায় ১০ মিনিট ধরে আমার জিভের উপর ঘষে একদম পরিষ্কার করে ফেলল বোন । তারপর বোন ওর ডান জুতোর তলাটাও আমার জিভের উপর ঘষে পরিষ্কার করতে লাগল একইভাবে । ঘরের দরজার সামনে দাঁড়িয়ে হাসিমুখে আমাদের মা আমার জিভের উপর ঘষে বোনের জুতোর তলা পরিষ্কার করা দেখতে লাগল ।

প্রায় ১৫ মিনিট ডান জুতোর তলা আমার জিভের উপর ঘষে পরিষ্কার করে ফেলল বোন ।  তারপর আমার মাথার উপর লাথি মেরে বলল, ‘ আমি বেরোচ্ছি গাধা । তুই এখন মন দিয়ে পর যা’।

মা কে বলে বোন বেরিয়ে গেল । আমি গিয়ে আয়নার সামনে দাড়ালাম । বোনের জুতোর তলার ময়লায় আমার মুখটা বেশ কালো লাগছে । সবচেয়ে খারাপ অবস্থা হয়েছে আমার জিভটার । একদম কুচকুচে কালো হয়ে গেছে আমার প্রভু রিয়ার জুতোর তলার ময়লায় । আমার জিভের উপর এটা আমার ছোট বোন রিয়ার জুতোর তলার ময়লা, এটা ভাবতেই এক অদ্ভুত আনন্দে আমার মন ভরে উঠল । আমি মুখ ধুলাম না । আমার জিভে লেগে থাকা বোনের জুতোর তলার ময়লা আয়নার সামনে দাড়িয়েই গিলে খেতে লাগলাম । তারপর মুখে জল নিয়ে বাকি ময়লাটুকু গিলে খেয়ে নিলাম ।

আমি এখন বোনের ক্রীতদাস । বোন যাতে সারাজীবন বিনা পরিশ্রমে ফুর্তি করতে পারে সেই ব্যবস্থা আমাকে করতেই হবে । তাই আমি আর দিবা স্বপ্ন না দেখে বোনের নির্দেশে পড়ায় মন দিলাম ।

দশ……

বাবা বিকেল সাড়ে পাচটার দিকে ঘরে ঢুকল । বাবা ফ্রেশ হয়ে বসতে না বসতেই বোন ফিরল । বোন ঘরে ঢুকে বসার ঘরের সোফাটায় এসে বসল । আমি আবার আমার প্রভুর সেবা করব বলে এসে বোনের পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসলাম । বাবা ফ্রিজ থেকে একগ্লাস কোল্ডড্রিঙ্কস এনে বোনের হাতে দিল ।

বোন গ্লাসটা ডান হাতে নিল । তারপর বাঁ হাত দিয়ে আমার গালে একটা থাপ্পর মেরে বলল , ‘ এখন তোকে আমার সেবা করতে হবে না , বাবা আমার সেবা করবে এখন । তোর সামনে পরীক্ষা , তুই একা বেশি সেবাও করতে পারবি না এখন আমার । তাই বাবাকেও আমার সেবা করা সেখাতে হবে । তুই উঠে  একটু পাশে বস , দেখ বাবা কিরকম সেবা করে আমার’ ।

আমি একটু পাশে সরে বসলাম । বাবা নিজের মেয়ের ঠিক পাআয়ের কাছে হাটুগেড়ে বসল । তারপর সকালের মতো বোনের পায়ের উপর মাথা রেখে প্রনাম করল বোনকে । বোন আবার নিজের বাবার মাথার উপর পিঙ্ক স্নিকার পরা ডান পা রেখে আশীর্বাদ করল বাবাকে ।

‘আমার পায়ের তলায় শুয়ে পর লালু’, তোর মুখের উপর পা রাখব আমি ।

বোন বাবাকে দিয়ে শুফহু সেবাই করাচ্ছে না , বাবার ডাক নাম ধরে আর তুই বলে ডাকছে ! বাবাও আমার মতো ভক্তিভরে ‘ যথা আজ্ঞা দেবী’ বলে নিজের মেয়ের জুতো পরা পায়ের তলায় শুয়ে পরল । বোন ওর জুতো পরা ডান পা টা বাবার ঠোঁটের উপর আর বাঁ পা টা কপালে তুলে দিল । বাবার নাকের উপর জুতো পরা বা পা দিয়ে লাথি মেরে বলল, ‘ জিভ বার কর বুড়ো, আমি জুতোর তলা মুছব’ ।

বোন এই জুতোটা পরে সারাদিন বাইরে ঘুরেছে । জুতোর তলাটা ধুলো ময়লায় পুরো কালো হয়ে গেছে ।নিজের ১৩ বছর বয়সী সুন্দরী মেয়ের সেই ধুলো ময়লায় ভরা পিঙ্ক স্নিকারের তলা মোছার জন্য বাবা জিভটা লম্বা করে বার করে দিল । বোন বাবার জিভের উপর নিজের ডান জুতোর তলাটা নামিয়ে দিল । আমার আর মার চোখের সামনেই নিজের বাবার জিভের উপর জুতোর তলা ঘষে পরিষ্কার করতে লাগল আমার বোন , আমাদের বাড়ির পুজনীয় দেবী রিয়া ।

বাবা ভক্তিভরে বোনের বাঁ পা টা টিপতে লাগল,  আর বোনের ডান জুতোর তলার ময়লা গিলে খেতে লাগল । বোন এমনভাবে নিজের বাবার জিভের উপর জুতোর তলা ঘষে চলল যেন ও কোন পাপোশে পা মুছছে !

প্রায় ৩০ মিনিট বাবার জিভের উপর ডান জুতোর তলা মুছে নতুনের মতো পরিষ্কার করে ফেলল বোন । তারপর নিজের বাঁ জুতোর তলা নামিয়ে দিল বাবার জিভের উপর । একইভাবে বাবার জিভের উপর ঘষে নিজের বাঁ জুতোর তলা পরিষ্কার করতে লাগল তার নিজের মেয়ে । আর বাবা রিয়ার ডান পা টা ভক্তিভরে টিপতে লাগল ।

আরো ৩০ মিনিট বাবার বাঁ জিভের উপর জুতোর তলা ঘষে চকচকে করে ফেলে বোন উঠে দাড়াল । বাবার মুখের উপর জুতো পরা ডান পা টা রেখে কোমরে হাত দিয়ে দাড়াল রিয়া । তারপর বেশ কিছুক্ষন বাবার ঠোঁটদুটো নিজের ডান জুতোর তলা দিয়ে ঘষল রিয়া । তারপর জুতো পরা ডান পা তুলে বেশ জোরে একটা লাথি মারল বাবার নাকের উপর , পরক্ষনেই আরেকটা লাথি মারল বাবার কপালে । তারপর কখনও বাঁ পা , কখনও ডান পা , পিঙ্ক স্নিকার পরা দুই পা দিয়েই বাবার মুখের সর্বত্র একের পর এক লাথি মেরে চলল রিয়া , যত জোরে খুশি । বাবার মুখে অন্তত ১০০ টা লাথি মেরে যখন থামল রিয়া তখন ওর প্রতি ভক্তিতে আমি আড় বাবা আচ্ছণ্ণ । রিয়া আবার সোফায় বসে পরল । আমি আর বাবা যথাক্রমে রিয়ার জুতো পরা ডান পা আর বাঁ পায়ের উপর মাথা রেখে নিজেদের কয়াল ভক্তিভরে ওর জুতোর উপর ঘষতে ঘষতে ওর জুতোর উপর চুম্বন করতে লাগলাম । রিয়ার মতো একজন দেবীকে এইভাবে পুজো করার সুযোগ পেয়ে মনে মনে নিজেদের ভাগ্যকে ধন্যবাদ দিতে লাগলাম আমরা ।

( চলবে ) …