ক্লাস ১১ এর প্রথম দিন । প্রথম পিরিয়ড চলছিল । নতুন স্কুলে আমার প্রথম পিরিয়ড । আমি বসেছিলাম ফার্স্ট বেঞ্চের ঠিক নিচে মেঝেতে । হ্যাঁ , মেঝেতেই । ক্লাস শুরু হওয়ার পর ও মেয়েরা একের পর এক ঢুকছিল । ম্যাডাম কিছুই বলছিল না তাদের । অথচ ক্লাস শুরু হওয়ার মাত্র ২ মিনিট পর একটা ছেলে ঢুকেছিল , ম্যাডাম তাকে কান ধরে দাড় করিয়ে রেখেছেন ।
ক্লাস শুরুর প্রায় ৩০ মিনিট পর যে মেয়েটা ঢুকল তাকে দেখে আমি চমকে গেলাম । ওর নাম সোনালী । সার্থক নাম । ওর গায়ের রঙ সত্যিই সোনালী । বেশ লম্বা , একমাথা কালো চুল , চোখের মণি নীল । আজ ৬ বছর পর ওকে দেখছি । তাও চিনতে অসুবিধা হল না । আমার খুব ইচ্ছা করতে লাগল ক্লাসের সবার সামনে ছুটে গিয়ে ওর কালো জুতো পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রণাম করতে ।
ও এসে ফার্স্ট বেঞ্চেই বসল , আমি এখন ঠিক ওর পায়ের কাছে বসে ।
এতক্ষন ফার্স্ট বেঞ্চ ৩ টে মেয়ে দখল করে বসেছিল । সব বেঞ্চই অবশ্য মেয়েরা এভাবে দখল করে বসেছিল । ছেলেরা সবাই তাই মেঝেতে বসতে বাধ্য হচ্ছিল । কোন মেয়ে ক্লাসে ঢুকলে অবশ্য তার বসার জায়গার অভাব হচ্ছিল না ।
আমরা অবশ্য মানসিক ভাবে এর জন্য প্রস্তুত হয়েই এসেছিলাম । এটা আগে একটা গার্লস স্কুল ছিল , ক্লাস ১০ পর্যন্ত । ৩ বছর আগে এখানে উচ্চ মাধ্যমিক চালু হয় । তখন থেকে ১১ আর ১২ এ ১০ % সীটে ছেলেদের নেওয়া হয় । ১১ আর ১২ মিলিয়ে সায়েন্স ও আর্টস এ মোট ৩৪ টা ছেলে । আর স্কুলে মেয়েদের সংখ্যা ১২০০ এর বেশী ।
ভর্তির দিন আমাদের ভর্তি করার আগে হেডমিস্ট্রেস আমাদের ডেকে বলেছিলেন , দ্যাখো , এই স্কুলে মেয়েদের সংখ্যা অনেক বেশী হওয়ায় ওরা তোমাদের ছেলেদের অল্প র্যা গিং করতে পারে । খুব বেশী কিছু হলে আমাদের অবশ্যই বলতে পার । কিন্তু একটু আধটু র্যা গিং সহ্য করতে হবে এটা মেনে নিয়েই ভর্তি হতে হবে এখানে । বাইরের পৃথিবীতে তো মেয়েরা সবসময়ই র্যাহগিং সহ্য করছে । এখানে তাই উল্টো নিয়ম । সহ্য করতে পারবে না মনে হলে এখানে ভর্তি হবে না । তবে তোমরাও যদি মেয়েদের মত এই র্যামগিং এঞ্জয় করার চেষ্টা কর , দেখবে ছেলে হয়ে মেয়েদের হাতে র্যাএগড হওয়ার মজাই আলাদা ।
আমি তো শুধু মেয়েদের হাতে র্যাহগড হওয়ার জন্যেই অন্য ভাল স্কুল ছেড়ে এখানে পড়তে এসেছি । আমার এসব শুনে খুব ভাল লেগেছিল । অন্য ছেলেরাও কেউ এসব শুনে স্কুল ছাড়ল না । প্রায় সবাই ভর্তি হয়ে গিয়েছিল ।
আমি পিঠে হঠাত কিসের যেন স্পর্শ পেলাম । তাকিয়ে দেখি সোনালী ওর জুতো পরা পা দুটো আমার কাঁধে তুলে দিয়েছে গোটা স্কুলের সামনে । ও কি আমাকে চিনতে পেরেছে । স্কুলের সাদা শার্ট , নীল স্কার্ট , সাদা মোজা আর কালো জুতো তেও ওকে অপরূপ সুন্দরী লাগছে । ও আমার কাঁধে জুতো পরা পা রেখে বসে খুব স্বাভাবিক ভাবে ক্লাস করতে লাগল । ম্যাডাম পড়াতে পড়াতে মাঝে মাঝে সোনালীর দিকে তাকিয়ে হাসতে লাগল । সোনালী মাঝে মাঝে ওর জুতোর তলা দুটো আমার গালে ঘষছিল । উফ , আমার স্বপ্নের দেবী সোনালী এতদিন পর আবার গোটা স্কুলের সামনে আমার কাঁধে জুতো পরা পা রেখে বসে ! এক অদম্য আনন্দে আমার মন ভরে উঠল , আমি গোটা ক্লাসের সামনেই মাঝে মাঝে সোনালীর জুতো পরা পায়ের উপর চুম্বন করতে লাগলাম । তাকিয়ে দেখলাম সোনালীর দেখাদেখি ফার্স্ট বেঞ্চের অন্য মেয়েরাও তাদের পায়ের কাছে বসা ছেলেদের কাঁধে জুতো পরা পা তুলে দিয়েছে । ক্লাসে আমরা ৬ জন ছেলে এমন ভাবে মেয়েদের পায়ের তলায় এমন ভাবে বসে আছি যেন এটা অত্যন্ত স্বাভাবিক ।
আমার মন স্মৃতির সিঁড়ি বেয়ে চলে গেল পুরন দিনে । সেই প্রাইমারী স্কুল জীবনে , যখন প্রথম আমার দেবী সোনালীর সেবা করার সুযোগ হয় আমার ।
তখন আমাদের ক্লাস ৪ । আমাদের প্রাইমারী স্কুলটা ছিল একটা গার্লস হাই স্কুলের লাগোয়া , ওখানেও তাই গার্লস স্টুডেন্ট অনেক বেশী ছিল । আমাদের ক্লাসে আমরা মোট ৮ জন ছেলে আর ৩৩ জন মেয়ে ছিলাম । ক্লাস ৪ এ কয়েক মাস পর থেকে খুব কম স্টুডেন্ট ক্লাসে যেত , বাড়িতে থেকে ক্লাস ৫ এর অ্যাডমিশন টেস্টের প্রস্তুতি নিত সবাই । রোজ ২-৩ জন ছেলে আর ১৪-১৫ জন মেয়ে আসত ।
সোনালী ছিল স্কুলের সেকেন্ড গার্ল , আমি ফার্স্ট হতাম বরাবর । সোনালী আমাকে এজন্য হিংসা করত বুঝতে পারতাম । তবে আমার কখন ওকে হারাতে ভাল লাগত না । মনে মনে রোজ হাজার বার ক্ষমা চাইতাম ওর কাছে ।
সেদিন স্কুলে ছেলেদের মধ্যে আমি ছাড়া কেউ যায়নি । মেয়ে এসেছে ৮ জন । টিফিন টাইমে ছেলে আর মেয়েরা আলাদা খেলতাম । ফলে মেয়েরা সেদিন খেলছিল । আমি একা একা মনমরা হয়ে বসেছিলাম ।
হঠাত সায়নী নামে একটা মেয়ে আমাকে ডাকল
– এই রাজু , আমাদের সাথে খেলবি ?
– আমি ঘাড় নাড়লাম, হ্যাঁ ।
– আয় তাহলে ।
– আমি গেলাম ওর সাথে । সোনালী বলল , আমরা রানি রানি খেলছি । আমি রানি হয়েছি । ওরা কেউ মন্ত্রি , কেউ সেনাপতি , কেউ রাজকন্যা । কিন্তু রানির চাকর সাজার কাউকে পাওয়া যাচ্ছে না । তুই চাকর সাজ ।
– এক অদ্ভুত আনন্দে আমার মন ভরে উঠল । নিজেকে সোনালীর চাকর ভেবে এক অদ্ভুত আনন্দ পেলাম আমি ।
– আমি ঘাড় নেড়ে বললাম , ঠিক আছে , তুমি রানি , আমি তোমার চাকর ।
এই বলে আমি ঠিক ওর পায়ের কাছে মেঝেতে বসে পড়লাম ।
আমার পা টিপে দে । সোনালী হুকুম করল । আমি ওর জুতো পরা পা দুটো নিজের কোলের উপর তুলে টিপতে লাগলাম । আমার নীল প্যান্ট ওর জুতোর ধুলোয় প্রায় সাদা হয়ে গেল । সোনালী একটা পা আমার কাঁধে রাখল । আমি ওর অন্য পা টা টিপতে লাগলাম ।
একটু পরে সোনালী গম্ভীর মুখে হুকুম করল , -এবার আমি রাজসভায় যাব , আমার জুতো পরিষ্কার করে দে ।
আমি পকেট থেকে আমার সাদা রুমাল টা বার করে সোনালীর জুতো পরিষ্কার করতে লাগলাম । আমার ইচ্ছা করছিল জিভ দিয়ে চেটে সবার সামনে আমার প্রভুর জুতো পরিষ্কার করে দিই । কিন্তু সাহস হল না ।
রাজসভায় পৌঁছে সোনালী বলল , রাজসভায় রানি সিঙ্ঘাসনে বসেছে , কিন্তু রানির পায়ের কাছে পাদানি নেই কেন ? রানি কি মেঝেতে পা রাখবে না কি ?
-না প্রভু , এই যে আপনার পাদানি । এই বলে আমি সবার সামনে সোনালীর জুতো পরা পায়ের তলায় নিজের বুক পেতে শুয়ে পড়লাম ।
সোনালী আমার বুকের উপর নিজের জুতো পরা পা দুটো তুলে দিয়ে বলল , -আমি যতক্ষন রাজসভায় আছি , আমার পা টিপতে থাক ।
সোনালী আমার বুকের উপর বাঁ পায়ের উপর ডান পা রেখে বসে আছে । ওর ডান পা টা আমার মুখের থেকে মাত্র কয়েক ইঞ্চি ওপরে । আমি প্রবল ভক্তিভরে সোনালীর পা দুটো টিপছি । আর ক্লাসের সব মেয়ে আমার দিকে তাকিয়ে হাসছে ।
সোনালী ওর জুতো পরা ডান পা টা আসতে আসতে আমার ঠোঁটের দিকে নামাচ্ছিল । একটু পরেই ওর জুতোর তলা আমার ঠোঁট স্পর্শ করল । সবার সামনেই আমার ঠোঁটজোড়া নিয়ে জুতোর তলা দিয়ে খেলতে লাগল সোনালী । আমি সম্মোহিতের মতো আমার জিভটা বার করে দিলাম । আমার বার কা জিভে সবার সামনে জুতোর তলা মুছতে লাগল আমার প্রভু সোনালী । ওর জুতোর তলার ময়লা প্রবল ভক্তিভরে গিলে খেতে লাগলাম আমি ।
( চলবে… )