মেয়েদের স্কুলের সামনে দিয়ে যাচ্ছিলাম। আমার একটু সামনে ৪ জন ক্লাস ১১-১২ এর সুন্দরী মেয়ে স্কুলে ঢুকছিল। হঠাৎ আমার ঠিক পাশ থেকে কে একজন জোরে সিটি দিয়ে উঠলো। ‘কে রে?’ বলে মেয়েরা একসাথে ঘুরে দাড়ালো। আমি ভয়ে থতমত খেয়ে গেলাম। একটা মেয়ে আমার দিকে আঙ্গুল তুলে বলল, এই ছেলেটাই সিটি দিয়েছে। দুটো মেয়ে একসাথে এগিয়ে এল আমার দিকে। কিছু বোঝার আগেই একজন আমার চুলের মুঠি ধরলো। অন্যজন খুব জোরে চড় মারল আমার বাঁ গালে। মেয়েদের দেখলেই অসভ্যতা করতে ইচ্ছা করে তোর, না রে জানোয়ার ? তোর মত জানোয়ার কে কি করে মানুষ করতে হয় আমার জানা আছে। একটা মেয়ে বলল। তারপর এগিয়ে এসে আমার গালে একের পর এক চড় মারতে লাগলো। আমার চোখে জল এসে গেল। লজ্জায় আর অপমানে। মার তবু সহ্যকরা যায়, কিন্তু এই অপমান ? আমি তো কিছুই করিনি, মেয়েদের আমি খুব সম্মান করি। মেয়েদের সাথে এরকম অসভ্যতা করার কথা আমি স্বপ্নেওভাবতে পারিনা। কিন্তু ওরা ধরেই নিয়েছে সিটি আমি মেরেছি। একের পর একচড়মেরে চলেছে ফরশা, সুন্দরি মেয়েটা আমার গালে। আর পাশ থেকে একজন পিঠে, বুকে লাথি মারছে জুতো পরা পা দিয়ে। আরেকজন শক্ত করে আমার চুলের মুঠি ধরে রেখেছে।

একটা মেয়ে ততক্ষণে আমার প্যান্ট থেকে বেলটটা খুলে নিয়েছে। আমার হাত দুটো পিছমোড়া করে বেলট দিয়ে শক্ত করে বেধে দিল সে। তারপর অন্য মেয়েদের বলল,  ওকে স্কুল এর গেট এর মুখে মাটিতে ফেলে গেটের সাথে বেধে রাখি। সব মেয়ে ওকে পায়ের তলায় মারিয়ে স্কুলে ঢুকবে। আর  ওর মুখে যতখুশিলাথি মারবে। রাস্তার সব লোক দেখুক eveteasing এর শাস্তি কি হয়। বাকি মেয়েরাও রাজি হয়ে গেল। আমাকে স্কুলের গেটের সামনে মেঝেতে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিল  ওরা। ততক্ষনেআমাদের চারিদিকে অনেক স্কুল এর মেয়ে জমে গেছে। রাস্তার লোকেরাও মজা নিচ্ছে। একটা মেয়ে অনেকটা দড়ি এগিয়ে দিল। মেয়েরা মিলে আমার হাত ,পা গেট এর সাথে শক্ত করে বাঁধলো। যে মেয়েটা আমাকে এতক্ষণচড়মারছিল সে এসে আমার মুখের উপর জু্তো পরা ডান পা টারেখে বলল, সবাই যত খুশি লাথি মার এটাকে। ওর মুখ, নাক, দাঁত, লাথি মেরে ভেঙ্গে দে। ওর মুখে, জিভে ঘসে জুতোর তলা পরিষ্কার কর। যা খুশি কর জন্তু টাকে নিয়ে। সবাই দেখুক eveteasing এর শাস্তি কি হয়। মেয়েটা বলতে বলতে ওর সাদা স্নিকারপরা ডান পা দিয়ে বেশ জোরে জোরে লাথি মারতে লাগলো আমার মুখের সর্বত্র। আমার নাক, ঠোট, কপালে একের পর এক আছরে পরতে লাগলো  ওর জুতো পরা পা। অন্য মেয়েরাও উৎসাহ নিয়ে এগিয়ে এল। আমার মাথায়, বুকে, পেটে লাথি মারতে লাগলো সবাই মিলে। প্রবল ব্যাথায় আচ্ছন্ন হয়ে আমি ভাবতে লাগলাম একটু পরে যখন আমার নিজের ছো্ট বোন, যে এই স্কুলেই  ৯ এ পরে, এসে আমায় এই অবস্থায় দেখবে, তখন আমার কি হবে ? আর যাকে দেখার জন্য আমি রোজ এসে দাড়িয়ে থাকি? আমার ড্রিম গার্ল, ক্লাস ১১ এর ঐশী ? ও আমাকে এই অবস্থায়দেখে কি ভাববে ?

আমার ভাবনা বেশী দূর এগোতে পারল না । মুখে প্রবল জোরে এক আঘাতে আবার বাস্তব জগতে ফিরে এলাম আমি । আমার মুখে যে মেয়েটা লাথি মেরেছে সে আমার বোনের বন্ধু । ক্লাস ৯ এ পড়ে । ফরশা , সুন্দর দেখতে । ওর নাম সুনন্দা । আমাকে চিনতে পারেনি বুঝতে পারছি । আমার বুকে বাঁ পা রেখে দাঁড়িয়ে জুতো পরা ডান পা দিয়ে আমার মুখে লাথি মারছে । আমার নাক টাকেই ও বেশি করে টারগেট করেছে । ওর কালো জুতো পরা পা দিয়ে একের পর এক লাথি মারছে আমার নাকে । ওর মুখে মিষ্টি হাসি , বোঝা যাচ্ছে ও বেশ এঞ্জয় করছে ।

ও শুধু একা মারছে না । আমার মুখে লাথি মারার জন্য মেয়েদের মধ্যে বেশ হুড়োহুড়ি পরে গেছে । অন্তত ৮ থেকে ১০ জন এখন লাথি মারছে আমার মুখ আর মাথায় । আরো অনেকে লাথি মারছে আমার বুকে , পেটে । একজন একটা পোস্টার লিখে গেটের কাছে সাঁটিয়ে দিয়েছে , ইভ টিজার কে লাথি মেরে উপযুক্ত শাস্তি দাও মেয়েরা ।

আমার সারা শরীরে এতজন মেয়ের পায়ের আঘাত আর সহ্য হচ্ছিল না আমার । বিশেষ করে সুনন্দা একের পর এক লাথি মেরে চলেছে আমার নাকের উপর । আমার মনে হচ্ছিল নাকটা বুঝি ভেঙ্গে কয়েক টুকরো হয়ে যাবে । আমি আর পারলাম না । হাতজোর করে মেয়েদের বললাম , “ আমাকে ছেরে দাও প্রভু , আমি কিছু করিনি । সিটিটা আমি মারিনি , বিশ্বাস কর” ।

আমার মুখে প্রভু ডাক শুনে মেয়েরা হো হো করে হাসতে লাগল । সুনন্দা আমার মুখে জুতোর তলা ঘসতে ঘসতে বলল , – দেখ সবাই , ৫ মিনিট লাথি খেয়েই ইভ টিজার মেয়েদের প্রভু বলে ডাকছে । ৫ ঘন্টা লাথি খেলে ও সারাজীবন সব মেয়েকে প্রভু বলে ডাকবে ।

এই বলে আমার মুখের উপর ডান জুতোর তলাটা ধরে বলল , – নে কুত্তা , তোর প্রভুর জুতোর তলায় চুমু খা ।

আমি বিনা প্রতিবাদে আমার থেকে ৫ বছরের ছোট , আমার ছোট বোনের বান্ধবী সুনন্দার জুতোর তলায় চুম্বন করলাম । সুনন্দার শক্ত জুতোর তলায় আমার ঠোঁট জোড়া ঠেকালাম , তারপর চোখ বন্ধ করে ছুমু খেলাম । সুনন্দা তখন আমার ঠোঁট জোড়া ওর জুতোর তলা দিয়ে একটু ঘসে বলল , -এই তো ভাল কুত্তার মতো চুমু খেলি । নে , পর পর চুমু খেতে থাক তোর প্রভুর জুতোর তলায় । 

স্কুলের কয়েক শ মেয়ে , রাস্তার লোক সবাই সুনন্দার কাছে আমার অপমান দেখতে লাগল । আমি একের পর এক চুম্বন করতে লাগলাম ওর জুতোর তলায় । কেন জানিনা আমার মনে হচ্ছিল সুনন্দা আমার থেকে অনেক সুপিরিওর , ওর জুতোর তলায় চুমু খাওয়া টাকেও কেন জানিনা আমার সৌভাগ্য বলে মনে হচ্ছিল । আমি বেশ আবেগের সাথে সুনন্দার জুতোর তলায় চুম্বন করছিলাম ।

সুনন্দা এরপর আমার মুখে ওর জুতোর তলা দুটো ঘসে পরিষ্কার করতে লাগল । ওর জুতোর তলার ময়লা ওর জুতোর তলা থেকে আমার মুখে লেগে যেতে লাগল । তারপর আবার আমার মুখে লাথি মেরে সুনন্দা বলল , -এবার তোর জিভটা বার কর কুত্তা। তোর প্রভু জুতোর তলা মুছবে ।

আমি যতটা সম্ভব বার করে দিলাম আমার জিভ । আর সুনন্দা আমার বার করে দেওয়া জিভে ওর কালো জুতোর তলা ঘসে পরিষ্কার করতে লাগল । প্রথমে বাঁ জুতোর তলা , তারপর ডান জুতোর তলা আমার জিভে ঘসে পরিষ্কার করে ফেলল আমার প্রভু সুনন্দা ।

এরপর সুনন্দা আমার বুক থেকে নেমে দাড়ালে অন্য মেয়েরা আমাকে ব্যবহার করার জন্য হুড়োহুড়ি জুড়ে দিল । একসঙ্গে ৩,৪ জন মেয়ে আমার মুখে জুতোর তলা ঘসতে লাগল , আর একজন আমার বার করা জিভে জুতোর তলা মুছতে লাগল । কয়েকটা নিচু ক্লাসের মেয়ে আমার বুকে , পেটে উঠে আমার গায়ের উপর লাফাতে লাগল জুতো পরা পায়ে ।

আমার মুখের ভিতর টা কাদা মাটিতে ভরে গেল কিছুক্ষনের মধ্যেই । আমার জিভটা পরিষ্কার করার জন্য মুখের ভিতর ঢোকালেই আমার প্রভুরা অধৈর্য হয়ে আমার মুখে লাথি মারতে শুরু করছিল । আমি জিভটা ভিজিয়েই আবার বার করে আনছিলাম যাতে প্রভু আবার জুতোর তলা মুছতে পারে । প্রভুদের জুতোর তলার ঘর্ষণে আমার জিভ শুকিয়ে যাচ্ছিল প্রথমে , তারপর শুকনো জিভ ঘর্ষণের ফলে কেটে যাচ্ছিল । তবু আমি চেষ্টা করছিলাম যাতে আমার প্রভুরা বেশ শান্তিতে আমার জিভের উপর জুতোর তলা মুছতে পারে ।

সবাই আমার জিভে জুতোর তলা ঘসার সুযোগ পাচ্ছিল না । ফলে তারা আমার মুখ আর চুলের উপর জোরে জোরে জুতোর তলা ঘসে জুতোর তলা পরিষ্কার করার চেষ্টা করছিল । এতক্ষণে আমার মুখের উপর কাদা আর মাটির পুরু স্তর পরে গেছে বুঝতে পারছিলাম । ঐশী কেন , আমার ছোট বোন সঞ্চারী এলেও হয়তো আমাকে চিনতে পারবে না আর ।

একটু পরে দেখতে পেলাম ঐশী আসছে । ও এসে গেটে ঝোলান নোটিস টা পরল , তারপর আমার বুকের উপর বাঁ পা টা রেখে ডান পা টা নামিয়ে দিল আমার মুখের উপর । আমাকে পায়ের তলায় পাড়িয়ে ঢুকে গেল স্কুলের ভিতর । একবার ফিরেও তাকাল না । বুঝলাম ওর জীবনে আমার অবস্থান টা এরকমই , ওর পায়ের তলায় পরে থাকা ধুলোর মতো , যারদিকে ও কখনো ফিরেও তাকাবেনা ।

স্কুলের প্রার্থনার ঘন্টা পরে যাওয়ার পর ঢুকল আমার বোন সঞ্চারী । তখন বেশীরভাগ মেয়ে স্কুলে ঢুকে গেছে । শুধু অল্প কয়েকটা মেয়ে আমাকে ঘিরে ধরে আমার মুখে লাথি মারছে । সুনন্দা তাদের একজন । বোনকে দেখে সুনন্দা বলল , – তুই এত দেরী করে এসে অনেক মজা মিস করলি । এই রেপিস্ট টা আজ স্কুলের সামনে ধরা পরেছে । আমি এক ঘন্টা ধরে এটার মুখে লাথি মারছি । আমাকে দেখে বোন চিনতে পারেনি দেখে হাফ ছেড়ে বাচলাম । আমার মুখের কাদা মাটিতে যে অবস্থা হয়েছে, আর মেয়েদের লাথি খেয়ে ফুলে , বেঁকে মুখের এমন অবস্থা হয়েছে যে চেনার কথাও না ।

আমার নিজের ৫ বছরের ছোট বোন সঞ্চারী আমার মুখের উপর ওর জুতো পরা ডান পা টা রেখে আমার মুখের উপর জুতোর তলা ঘসতে ঘসতে বলল , এই রেপিস্ট গুলোর জ্বালায় আমরা ঘর থেকে বেরতে পারিনা । এটাকে এমন শাস্তি দিতে হবে যেন সাড়া জীবন মনে থাকে ।

সুনন্দা হাসিমুখে বলল , অলরেডি এমন শাস্তি পেয়েছে যে সব মেয়েকেই প্রভু বলে ডাকছে ।

শুনে আমার বোন আমার মুখের উপর আলতো করে একটা লাথি মেরে বলল , -এই কুত্তা , আমি তোর কে হই ?

আমি প্রবল আবেগের সঙ্গে আমার ফরসা ছোট বোন সঞ্চারীর জুতোর তলায় চুমু খেয়ে বললাম , -তুমি আমার প্রভু ।

শুনে বোন হো হো করে হাসতে লাগল । তারপর সুনন্দা কে বলল , দাড়া , রেপিস্ট টার মুখে কয়েকটা লাথি মেরে নিই । এই বলে আমার বোন ওর জুতো পরা দু পা দিয়েই আমার মুখে একের পর এক লাথি মারতে লাগল । আমি চুপ করে নিজের বোনের জুতো পরা পায়ের লাথি খেতে লাগলাম।

প্রায় ৩০ টা লাথি মেরে আমার বোন থামল । আমার মুখে জুতোর তলা ঘসে পরিষ্কার করতে লাগল । আমার ঠোঁট দুটো জুতোর তলা দিয়ে ঘষে খেলতে লাগল আমার বোন ।

সুনন্দা বোনকে বলল ,- কুত্তাটার জিভে ঘসে তোর জুতো দুটো পরিষ্কার করে নে ।

– ঠিক বলেছিস । এই কুত্তা , জিভ বার কর । বোন বলল ।

 আমি নিজের জিভটা স্বেচ্ছায় বার করে দিলাম যাতে আমার ছোট বোন আমার জিভের উপর ঘসে ওর জুতোর তলা মুছতে পারে । বোন প্রথমে ওর বাঁ জুতোর তলা তারপর ডান জুতোর তলা আমার জিভের উপর ঘসে পরিষ্কার করে ফেলল । আমি বোনের সাদা স্নিকারের প্রতিটা খাঁজের ফাকে জিভ ঢুকিয়ে চেটে পরিষ্কার করে দিলাম । আর বোন আমার বার করা জিভে আসতে আসতে ঘসতে থাকল ওর পবিত্র জুতোর তলা। বোনের জুতোর তলার ময়লা স্বেচ্ছায় গিলে খেতে লাগলাম আমি ।

-চল ,  কুত্তা টাকে ক্লাসে নিয়ে গিয়ে মজা করি । এই বলে বোন গেটে বাঁধা আমার হাত দুটো খুলে দিল । তারপর আমার হাত বাঁধা ছিল যে বেল্ট টা দিয়ে সেতা খুলে আমার গলায় বেধে দিয়ে বলল ,- কুত্তা , চল , তোর প্রভুদের পিঠে করে ক্লাসে নিয়ে চল ।

 আমি বিনা প্রতিবাদে প্রভুদের আদেশ পালন করলাম । আমি ৪ হাত পায়ে উঠে দাঁড়ালে আমার পিথে প্রথমে সঞ্চারী , তারপর সুনন্দা উঠে বসল । বোন পা দিয়ে আমার হাতে লাথি মেরে বলল , চল কুত্তা , হ্যাট , হ্যাট । আমার গলায় বাঁধা বেল্ট টেনে বোন আমার দিক নির্ণয় করতে লাগল । আমি আমার দুই প্রভুকে পিঠে বসিয়ে সিঁড়ি দিয়ে উঠে দোতলায় ওদের ক্লাস রুমে নিয়ে গেলাম । আমার পিঠে ২ জোন মেয়ে উঠেছে দেখে গোটা স্কুল হাসিতে ফেটে পরল ।

ওদের ক্লাস রুমে পৌঁছানোর পর ওরা আমার পিঠ থেকে নেমে বেঞ্চে বসল । আমি ওদের পায়ের সামনে চার হাত পায়ে দাঁড়িয়ে রইলাম । বোন আমার মুখে জুতো পরা পায়ে লাথি মেরে বলল , – আমাদের পায়ের  তলায় শুয়ে পর ।

আমি তাই করলাম । আমার ছোট বোন সঞ্চারী আমার মুখের উপর ওর জুতো পরা পা দুটো তুলে দিয়ে জুতোর তলা দিয়ে আমার ঠোঁট দুটো ঘসে খেলতে লাগল । আমার খুব ভাল লাগতে লাগল গোটা স্কুলের সামনে নিজের ছোট বোনের জুতো পরা পায়ের তলায় শুয়ে বোনকে আমার মুখ নিয়ে ওর জুতো পরা পা দিয়ে খেলতে দেখে । সুনন্দা ওর জুতো পরা পা দুটো আমার বুকের উপর তুলে দিয়ে আমার বুকে লাথি মেরে বলল , – আমাদের পা টিপে দে জানোয়ার ।

আমি তাই করলাম । গোটা ক্লাসের সামনে পালা করে টিপতে লাগলাম ছোট বোন আর তার বান্ধবীর পা । আর ওরা আমার মুখে আর বুকে জুতো পরা পা রেখে ক্লাস করতে লাগল ।