প্রভু সোহিনী…

 

আমার প্রভু সোহিনী কলেজে আমার ৩ বছরের জুনিয়র । ওকে প্রথম যেদিন দেখি সেদিন থেকেই ওর সেবা করতে  চাওয়ার বেশী কিছু  আমি চাইনি  । আমি অন্তর্মুখী হওয়া সত্যেও আশ্চর্যজনক ভাবে ওর সাথে আমার বেশ ভাব হয়ে যায় । আমি কলেজে টেবিল টেনিসে চ্যাম্পিয়ন ছিলাম ।

একদিন ও আমার সঙ্গে খেলতে এলে আমি বলি, “তোর সঙ্গে আর কি খেলব ? তুই তো এমনিই হারবি।”  

সোহিনী বলে “ ঠিক আছে , চ্যালেঞ্জ । তুমি জিতলে আমি আর কোনদিন কলেজে টি টি খেলব না । আর আমি জিতলে তুমি কি করবে”?

আমি বলি “ তুই যেখানে বলবি সেখানে নিয়ে গিয়ে খাওয়াব তোকে” ।

ও ভুরু কুঁচকে বলে “আর কিছু না?”

আমি হেসে বলি , “ঠিক আছে , তোর পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রণাম করব তুই জিতলে”।

সোহিনী হেসে বলে – চল , খেলা শুরু করি ।

ও খুব একটা ভাল খেলেনা , আমি ইচ্ছা করলেই জিতে যেতাম । কিন্তু সোহিনীর পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রণাম করার সুযোগ কে হারাতে চায় ? আমি ইচ্ছা করেই হেরে গেলাম । সোহিনী ভুরু নাচিয়ে বলল – আজ বিকেলে পার্কে গিয়ে সবার সামনে আমাকে প্রণাম করবে । তারপর বিকেলে মুভি দেখিয়ে রাতে খাইয়ে তবে তোমার ছুটি । উফফ, আমার যে কি আনন্দ হচ্ছিল !

সেটা ছিল জানুয়ারি মাস , সোহিনীর পরনে সাদা  জ্যাকেট , ছাই রঙের জিন্স , আর পায়ে সাদা স্নিকার । আমার ইচ্ছা করছিল রাস্তাতেই ওর পায়ে লুটিয়ে পরতে ।

পার্কে পৌঁছে ও সুন্দর ভঙ্গীতে গালে হাত দিয়ে বসল এক জায়গায় । আমাকে বলল একটা ফটো তুলতে । আমি তুললাম । ও মুখে হাসি ফুটিয়ে বলল – এবার তোমার আমাকে প্রণাম করার পালা ।

তখন বিকেল ৫ টা । পার্ক ভর্তি অনেক লোক ।  তাদের সামনেই আমি এগিয়ে গিয়ে সোহিনীর পায়ের সামনে হাটুগেরে বসলাম । সোহিনী একটা সিঁড়ির উপরের ধাপে বসে ছিল। ওর জুতো পরা বাঁ পা ও যেই সিড়িতে বসে তার নিচের ধাপে রাখা । ডান পা রাখা তার আরও একধাপ নিচে । আমি সোহিনীর সামনে হাটুগেরে বসায় অনেকেই কৌতূহলী দৃষ্টিতে আমাদের দেখতে লাগল । আমার ভীষণ ভাল লাগছিল এত লোকের সামনে সোহিনীকে প্রণাম করব ভেবে । আমি আসতে আসতে নিজের মাথাটা সোহিনীর জুতো পরা ডান পায়ের উপর রাখলাম । হাত বাড়িয়ে সোহিনীর পা টা জড়িয়ে ধরে ওর জুতোর উপর মাথা ঘসতে লাগলাম ।

একটা অপরিচিত মেয়ে কৌতূহলী হয়ে এগিয়ে এসে সোহিনী কে জিজ্ঞাসা করল – ও তোমাকে প্রণাম করছে কেন ?

সোহিনী ওকে আমাদের বেটের কথা বলে মেয়েটাকে বলল – ও আমাকে প্রণাম করছে এই অবস্থার একটা ভিডিও তুলে দেবে তুমি , প্লিজ ?

মেয়েটা বলল –  ঠিক আছে, দিচ্ছি । কিন্তু ওকে আমাকেও প্রণাম করতে হবে এরপর ।

সোহিনী হেসে বলল – ওকে, নো প্রব্লেম । এই বলে ও মেয়েটির দিকে নিজের স্মার্ট ফোনটা বাড়িয়ে দিল ছবি তোলার জন্য । আমি তখন সোহিনীর জুতো পরা ডান পায়ের উপর পরম ভক্তিতে মাথা ঘষে চলেছি । অপরিচিত মেয়েটি আমাদের ভিডিও তুলতে লাগল । আর সোহিনী নিজের জুতো পরা বাঁ পাটা  আমার মাথার উপর রেখে ওর জুতোর তলাটা আমার মাথায় ঘসতে ঘসতে বলল, – এই তো , আরো ভক্তিভরে প্রণাম কর আমাকে ।

সোহিনী আমার মাথার উপর ওর বাঁ জুতোর তলা ঘষতে লাগল, আরআমিপরম ভক্তিভরে ওর ডান জুতোর উপর নিজের মাথা ঘসতে লাগলাম।মাঝে মাঝে চুম্বন করতে লাগলাম ওরডান জুতোর উপর ।
পার্ক ভর্তি লোক অবাক হয়ে আমাদের দেখতে লাগল।
কেউ কেউ আমাকে নিয়ে হাসাহাসি শুরু করল । সোহিনী ওর বাঁ পাটা আমার মাথার উপর স্থির করে বলল– নে তোকে আশীর্বাদ করছি , আর কখন পরীক্ষায় ফেল করবি না তুই। ওঠএবার।

আমি ওর দুটো পা দুই হাতে ধরে ওর জুতোর উপর চুম্বন করে বললাম , – থ্যাঙ্ক ইউ সোহিনী । তারপর উঠে দাড়ালাম । যে মেয়েটা এতক্ষণ ভিডিও তুলছিল সে ফোনটা সোহিনীর হাতে দিয়ে বলল , এবার আমাকে প্রণাম করার পালা । মেয়েটা গিয়ে সোহিনীর পাশে বসে পরল । আমি তাকিয়ে দেখলাম মেয়েটা ফরসা আর খুব সুন্দরী । আমি ওর সামনে হাটুগেরে বসে নিজের মাথাটা মেয়েটার পিঙ্ক স্নিকার পরা পায়ের উপর নামিয়ে দিলাম । নিজের মাথাটা ঘসতে লাগলাম অপরিচিত এই মেয়েটার জুতো পরা পায়ে ।

সেদিন ওদের দুজনকে মাল্টিপ্লেক্স এ সিনেমা দেখিয়ে রেস্টুরেন্টে খাইয়ে তবে ছাড়া পেলাম আমি । অন্য মেয়েটির নাম জাগ্রীতি, ইঞ্জিনিয়ারিং এর স্টুডেন্ট । সোহিনী আমাকে বলল , এবার থেকে যখনি আমরা বলব , আমাদের খাওয়াতে বা সিনেমা দেখাতে , তখনি নিয়ে যেতে হবে । আর রোজ আমাদের পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রণাম করতে হবে । আমরা টায়ার্ড হলে আমাদের পা টিপে দিতে হবে । নাহলে তোমার প্রণাম করার ভিডিও ফেসবুকে আপলোড করে দেব ।  আমি রাস্তার মাঝখানে ওদের পায়ে মাথা ঠেকিয়ে বললাম , এখন থেকে তোমরা যা বলবে , আমি তাই করব ।