প্রভু দিদি…

তখন আমি ক্লাস ৯ এ পড়ি । বাবা মা কয়েকদিনের জন্য বাইরে ঘুরতে যাবে ঠিক করলো । আমার ক্লাস ১১ এ পড়া দিদি যেতে রাজি হল না , আমিও দিদির সাথে থেকে গেলাম বাড়িতে । মা বলে গেল আমি যেন দিদির কথামতো চলি ।
সেটা ছিল জুলাই মাস । বাবা মা দুজনে সকাল ৬ টায় বেরিয়ে গেল । আমি সাড়া সকাল ঘর ঝাট দিলাম , মুছলাম । আমার আর দিদির জন্য ব্রেকফাস্ট তৈরি করে একটু টিভি দেখলাম । তারপর সকাল ৯টায় দিদিকে ডাকলাম । আমার সুন্দরি দিদি ঘুম থেকে উঠে আমার দিকে তাকিয়ে মিষ্টি হেসে বলল,- আমার জন্য একটু ব্রেকফাস্ট বানাবি প্লিজ ?
আমি বললাম – তোমার ব্রেকফাস্ট তৈরি আছে দিদি ।
শুনে দিদি খুশি হয়ে আমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে বলল , – ওয়াহ , গুড বয় । পুরো ছুটিটা কিন্তু তুই বাড়ির সব কাজ করবি এরকম , আমার কথা শুনে চলবি । ঠিক আছে ?
দিদি খাটের ধারে পা ঝুলিয়ে বসেছিল । আমি দিদির পায়ের কাছে হাটুগেরে বসলাম । দিদির পায়ে ওর নীল চটিটা পরিয়ে দিলাম । দিদির পায়ে হাত ঠেকিয়ে সেই হাত মাথায় ছুঁয়ে দিদিকে প্রণাম করে বললাম , – নিশ্চয় দিদি । তুমি যা বলবে তাই করব আমি ।
দিদি ওর সুন্দর মুখে হাসি ফুটিয়ে বলল , – টিফিন টিভি রুমে নিয়ে আয় , আমি ফ্রেশ হয়ে আসছি ।
আমি দিদির টিফিন নিয়ে টিভি রুমে ওয়েট করতে লাগলাম । একটু পরে দিদি এলে আমি টিভি চালিয়ে রিমোট টা দিদির হাতে দিলাম । তারপর চেয়ারে বসা দিদির পায়ের কাছে হাটুগেরে বসে টিফিনটা দিদির হাতে তুলে দিতে গেলাম । দিদি প্লেটটা নিজের হাতে নিল না । প্লেটটা আমার হাতে ধরা আর দিদি প্লেট থেকে টিফিন তুলে খেতে লাগল ।
দিদি পায়ের উপর পা তুলে বসে টিফিন খেতে লাগল । আর আমি দিদির পায়ের কাছে হাটুগেরে প্লেটটা ধরে বসে রইলাম । দিদি টিভি দেখতে দেখতে খুব আসতে আসতে খাচ্ছিল আর মাঝে মাঝে আমার দিকে তাকিয়ে হাসছিল। আমি দিদির পায়ের কাছে হাটুগেরে প্লেটটা ধরে বসে ছিলাম । আমার কেন জানিনা খুব ভাল লাগছিল এইভাবে দিদির পায়ের কাছে হাটুগেরে বসে থাকতে ।
একটু পরে দিদি ওর চটি পড়া পা দুটো আমার থাইয়ের উপর তুলে দিল । একবার আমার দিকে তাকিয়ে হাসল আমার ২ বছরের বড় অপরূপ সুন্দরী দিদি , তারপর আবার খেতে খেতে টিভি দেখতে লাগল । আমি দিদির চটি পরা পা দুটো কলে নিয়ে দিদির টিফিনের প্লেট ধরে দিদির পায়ের কাছে হাটুগেরে বসে রইলাম ।
প্রায় ৩০ মিনিট পর দিদি খাওয়া সেরে উঠে বলল, – আমি বেরচ্ছি , বিকেলে ফিরবো । তুই ঘর পরিষ্কার করে রাখিস, আমার ঘরটা খুব অগোছালো হয়ে আছে, একটু গুছিয়ে রাখিস । আমার কিছু জামা কাচার আছে । ওগুলো কেচে কিছু রান্না করে খেয়ে নিস । বাই ।
দিদি ওর কাচার জন্য কিছু জামা দিয়ে গেল আর ওর জুতো গুলো পালিশ করে রাখতে বলল বেরোনোর আগে । আমি নিজে থেকেই দিদির পায়ের কাছে হাটুগেরে বসে দিদির পায়ে সাদা মোজা আর সাদা স্নিকার পরিয়ে দিলাম ।
দিদি চলে গেলে আমি ভাবতে লাগলাম কি দিয়ে কাজ শুরু করা যায় । ঘর ঝাট তো দেওয়াই আছে, তাই প্রথমে দিদির জামা গুলো কাচতে গেলাম । জামা কেচে মেলে দিয়ে দিদির ঘর গোছাতে লাগলাম । দিদি অনেক দিন ঘর গোছায় নি । মা প্রায় রোজই বলে , কিন্তু দিদি গোছায় না ।
দিদির ঘর গোছাতে বেশ অনেক্ষন লাগল । তারপর আমি দিদির জুতো পালিশ করতে বসলাম । দিদির মোট ৭ টা জুতো রয়েছে । আমি পরিষ্কার কাপড় আর জল নিয়ে প্রথমে জুতো পরিষ্কার করতে লাগলাম। দিদির জুতো পালিশ করতে করতে কেন জানিনা আমার সুন্দরী দিদির প্রতি শ্রধ্যায় মন ভরে উঠল । আমি বার বার দিদির জুতোর উপর কপাল ঠেকিয়ে দিদির জুতোকে প্রণাম করতে লাগলাম । চুমু খেতে লাগলাম বার বার দিদির জুতোর উপর । যত দিদির জুতোয় প্রণাম করছিলাম ততো মনে হচ্ছিল আমার সুন্দরী দিদির জুত আরও বেশী সম্মানের যোগ্য । আমি জিভ বার করে চেটে দিদির জুতো পরিষ্কার করতে লাগলাম । জুতোর উপর , জুতোর তলা সব চেটে পরিষ্কার করতে লাগলাম । আমার দিদির জুতোর তলার ময়লা গিলে খেতে লাগলাম আমি । দিদির সব জুতো চেটে পরিষ্কার করার পর সব জুতো সুন্দর করে পালিশ করে যত্ন করে তুলে রাখলাম ।
এরপর আমি স্নান করে সামান্য রান্না করে লাঞ্চ সেরে নিলাম । তারপর যত্ন করে দিদির বিকেলের টিফিন বানিয়ে একটু শুলাম । কখন ঘুমিয়ে পরেছি খেয়াল নেই । ঘুম ভাংল কলিংবেল এর আওয়াজে । চমকে উঠে দরজা খুলে দেখি দিদি দাঁড়িয়ে আছে । আমি দিদিকে সরি বলে দরজা খুলে দিলাম ।
দিদি ঘরে ঢুকে আমার গালে একটা আলতো করে থাপ্পর মেরে বলল- তোর দরজা খুলতে কতক্ষন লাগে ?
আমি সঙ্গে সঙ্গে দিদির পায়ে পরে গেলাম । দিদির জুতোর উপর কপাল ঘষতে লাগলাম । বারবার দিদির জুতোর উপর চুম্বন করে দরজা খুলতে দেরী হওয়ার জন্য ক্ষমা চাইতে লাগলাম দিদির কাছে ।
দিদি একটু পরে আমার মাথার উপর জুতো পড়া ডান পা টা রেখে বলল , – ঠিক আছে যা , ক্ষমা করে দিলাম তোকে এইবারের মতো ।
আমি দিদির জুতো পরা দুই পায়ের উপর একবার করে চুম্বন করে বললাম ,- থ্যাঙ্ক ইউ দিদি ।
দিদি এরপর আমার হাতে শপিং এর ব্যাগটা ধরিয়ে দিয়ে টিভি রুমে গিয়ে টিভি চালিয়ে বসে বলল ,- আমার জন্য একটু কোল্ড ড্রিঙ্কস নিয়ে আয় , তারপর আমার জুতো খুলে দে । সারাদিন শপিং করে খুব ক্লান্ত লাগছে ।
আমি দিদির শপিং এর ব্যাগ টা রেখে দিদির জন্য ফ্রিজ থেকে এক গ্লাস থামস আপ এনে দিলাম । তারপর দিদির পায়ের কাছে বসে দিদির জুতো পরা পা দুটো নিজের কোলে তুলে নিলাম । দিদির পা থেকে স্নিকার আর মোজা খুলে দিদির পায়ে ঘরে পরার নীল চটিটা পরিয়ে দিলাম ।
দিদি আমার দিকে তাকিয়ে বলল, – এবার ভালো করে আমার পা টিপে দে ভাই , সারাদিন ঘুরে পায়ে ব্যাথা হয়েছে ।
সারাদিন শপিং করে ক্লান্ত আমার সুন্দরী দিদির পা টিপে সেবা করতে পারব ভেবে খুব ভাল লাগল আমার । আমি মন দিয়ে দিদির পা দুটো এক এক করে টিপতে লাগলাম । একটু পরে দিদি ওর চটি পরা ডান পাটা আমার বাঁ কাঁধে তুলে দিল । আমি দিদির দিকে তাকিয়ে দেখলাম , দিদি এমনভাবে টিভি দেখছে যেন কিছুই হয়নি । আমার সুন্দরী দিদির এমন ডমিনেটিং আচরনে দিদির প্রতি ভক্তি আরও বেড়ে গেল আমার । দিদির চটি পরা ডান পাটা আমি বুকের সাথে চেপে ধরে দিদির ডান পা টা টিপতে লাগলাম আমি । দিদির চটি পড়া পায়ের তলায় আমার হৃৎপিণ্ড দ্বিগুন গতিতে স্পন্দিত হতে লাগল । একটু পরে দিদি চটি পরা ডান পাটা আমার কাঁধে তুলে দিল । আমি দিদির চটি পরা বাঁ পা টা আমার হৃদয়ের সঙ্গে চেপে ধরে আসতে আসতে টিপে দিতে লাগলাম ।
একটু পরে দিদি ফ্রেশ হতে নিজের ঘরে ঢুকল । আমি দিদির চেয়ারের তলাতেই শুয়ে পরে খুশি মনে ভাবতে লাগলাম আর কত সেবা করতে পাব আমার দিদির ?
একটু পরে দিদি ঘরে ঢুকে আবার চেয়ারে বসে পরল । মেঝেতে শুয়ে থাকা আমার বুকের উপর দিদি চটি পরা ডান পা টা রাখল । আর চটি পরা বাঁ পাটা রাখলো আমার গলার উপর । তারপর খুব স্বাভাবিক গলায় বলল , – আরেকটু পা টিপে দে ভাই ।
আমার যেন বিশ্বাস হচ্ছিল না , এইভাবে আমার পুজনীয় দিদির সেবা করছি আমি । প্রবল ভক্তিভরে দিদির দুটো পা পালা করে টিপতে লাগলাম আমি । একটু পরে দিদি বাঁ পায়ের উপর ডান পা টা তুলে দিল । দিদির চটি পরা ডান পাটা আমার ঠোঁটের থেকে মাত্র কয়েক ইঞ্চি উপরে তখন । আমি দিদির বাঁ পা টা ভক্তিভরে টিপতে টিপতে খেয়াল করলাম , দিদি আসতে আসতে ওর পবিত্র ডান পা আমার মুখের দিকে নামাচ্ছে । একটু পরে আমার স্বপ্নপুরন হল , দিদির ডান চটির তলা আমার ঠোঁট স্পর্শ করল , আসতে আসতে দিদি ওর নীল চটির তলা দিয়ে আমার ঠোঁট দুটো ঘষতে লাগল । আমার মনে হল আমি বুঝি স্বর্গে চলে এসেছি । আমি দিদির বাঁ পা টিপতে টিপতে দিদির ডান চটির তলায় ভক্তিভরে চুম্বন করতে লাগলাম । আর দিদি ওর ডান চটি পরা পা দিয়ে খেলতে লাগল আমার ঠোটজোড়া নিয়ে ।
একটু পরে দিদি ওর দুটো পাই আমার মুখের উপর তুলে দিল । ডান পা টা রাখল আমার ঠোঁটের উপর , আর বাঁ পাটা কপালে । ছটি পড়া পায়ের তলা দিয়ে ঘষতে লাগল আমার মুখ । আমার মুখের সর্বত্র আমি পেতে লাগলাম আমার প্রভু দিদির চটির তলার স্পর্শ । আর আমি ভক্তিভরে পালা করে টিপতে লাগলাম দিদির পা দুটো । দিদি এরপর আমার মুখে ডান পা দিয়ে একটা লাথি মেরে বলল,
– আমার পায়ে আবার জুতো দুটো পরিয়ে দে ।
আমি খুশি মনে আমার প্রভু দিদির আদেশ পালন করলাম ।
দিদির পায়ে জুতো পরিয়ে দিদির পায়ের উপর উপুড় হয়ে শুয়ে পাগলের মতো চুম্বন করতে লাগলাম দিদির জুতোর উপর ।
দিদি আমার মাথায় বেশ জোরে একটা লাথি মেরে বলল, – আবার শুয়ে পড় আমার পায়ের তলায় ।
আমি তাই করলাম । দিদি ওর জুতো পরা পা দুটো আমার মুখের উপর তুলে দিল । জুতোর তলা দুটো বেশ ময়লা বুঝতে পারলাম আমি ।
দিদি আমার মুখের উপর জুতোর তলা দুটো ঘষল কিছুক্ষণ । তারপর আমার নাকের উপর বাঁ পা দিয়ে বেশ জোরে একটা লাথি মেরে বলল,
– জিভটা বার করে দে ।
। আমি জিভটা যতটা সম্ভব বার করে দিলাম মুখের বাইরে । আমার প্রভু আমার বের করে দেওয়া জিভে জুতো পরা পায়ের তলা কয়েকবার বুলিয়ে বলল ,
“ তোর মতো ভাইদের দিদিদের পায়ের তলাতেই ভাল মানায় । দিদিদের চাকর হিসাবে”।
আমি প্রভু দিদির জুতো পরা পায়ের তলায় চুমু খেতে খেতে বললাম , “ তোমার চাকর হওয়ার যোগ্যতা আমার নেই প্রভু । আমি তোমার ক্রীতদাস । প্রভু দিদি মুখে হাসি ফুটিয়ে বেশ জোরে আমার মুখে একটা লাথি মেরে বলল ,
– ঠিক বলেছিস । তুই আমার ক্রীতদাস, আমার পোশা কুত্তা ।
, নে কুত্তা।
প্রভুর জুতোর তলা চাট ।
আমার প্রভু দিদির সাদা জুতোর তলা ময়লা লেগে প্রায় কাল হয়ে গিয়েছিল । প্রভু প্রথমে ওর ডান জুতোর তলা আমার ঠোঁটের উপরে রাখল । আমি প্রবল ভক্তিভরে আমার প্রভুর জুতোর তলা চাটতে লাগলাম। প্রভুর জুতোর তলার ময়লা ভক্তিভরে
গিলে খেতে লাগলাম আমি। আমি জিভটা যতটা সম্ভব বের করে জুতোর হিল থেকে টো পর্যন্ত একবারে লম্বালম্বি চাটছিলাম । তারপর জিভটা মুখে ঢুকিয়ে প্রভুর জুতোর তলার ময়লা গিলে ফেলে আবার আগের চাটা অংশের একটু পাশে
একি ভাবে লম্বালম্বি চাটছিলাম। একটু পরে জুতোর তলা মোটামুটি পরিস্কার হয়ে গেলে জুতোর তলার প্রতিটা খাজে জিভ ঢুকিয়ে চেটে পরিষ্কার করতে লাগলাম। যখন থামলাম তখন প্রভুর ডান জুতোর তলা নতুনের মতো চকচক করছে । প্রভু দিদি তখন ওর বাঁ জুতোর তলা আমার ঠোটের উপর রাখতে একইরকম ভক্তিভরে প্রভুর বাঁ জুতোর তলা চেটে পরিষ্কার করে দিলাম।
প্রভুর দুটো জুতোর তলাই চেটে নতুনের মতো পরিষ্কার করে দেওয়ার পর আমি প্রভুর জুতো পরা পায়ের উপর মাথা রেখে উপুর হয়ে শুলাম । দিদির জুতোর উপর চুম্বন করতে করতে বারবার বলতে লাগলাম
“ তুমি আমার প্রভু, আমি তোমার ক্রীতদাস” ।
তারপর দিদি আমাকে হাটুগেড়ে ওর পায়ের কাছে হাতজোর কর বসতে বলে আমার মুখে জুতো পরা পা দিয়ে জোরে জোরে লাথি মারতে লাগল । আমার যতো ব্যাথা লাগছিল দিদি তত মজা পাচ্ছিল । আরো বেশী জোরে দিদি লাথি মারছিল আমার মুখে । প্রভু দিদির প্রতি প্রবল ভক্তিতে আমার মন ভরে উঠেছিল। লাথি মারা শেষ হতে প্রভু নিজের বেল্টটা খুলে আমার গলায় কলারের মতো পরিয়ে দিল । তারপর আমাকে আবার ওর পায়ের তলায় শুতে বলল । আমি শুয়ে পড়লাম । আমার গলায় বাঁধা কলারটা তখনও আমার প্রভু দিদির হাতে ধরা । দিদি আমার মুখের উপর জুতো পড়া পা দুটো তুলে দিল , আমার মুখের উপর জুতোর তলা বোলাতে বোলাতে বলল , তোর গলায় এখন থেকে এই কলার বাঁধা থাকবে । তুই যে আমার ক্রীতদাস এটা তার প্রতীক । বাবা মা ফিরে এলেও সবার সামনে তুই আমার গোলামী করবি । তোর জীবনের এখন একটাই লক্ষ্য , তোর প্রভুকে সুখে রাখা ।
জবাবে আমি আবার প্রভু দিদির জুতোর তলায় চুম্বন করতে করতে প্রভু দিদিকে ধন্যবাদ দিতে লাগলাম।