আমার হাত দুটো পিছমোড়া করে বাঁধা । আমাকে মেঝেতে ঠেলে ফেলে দিয়ে আমার সামনে দাঁড়ানো মহিলা পুলিস অফিসার টি বলল , – শেষবারের মতো ভাল করে জিজ্ঞাসা করছি , উত্তর দে । মেয়েটাকে কিডন্যাপ করে কোথায় রেখেছিস ?
কি যে ঘটে চলেছে আজ সকাল থেকে আমি বুঝে উঠতে পারছি না । কলেজ পড়ুয়া একটি মেয়ে কিডন্যাপ হয়েছে , নাম সুনন্দা । আর কেউ রিপোর্ট করেছে যে গাড়িতে কিডন্যাপ করা হয়েছে সেই গাড়ির নাম্বারটা । সে হয়তো নম্বর দেখতে ভুল করেছিল , তাই আমার গাড়ির নম্বরটি সে থানায় জানিয়েছে । সাধারন থানা না , স্পেসাল ফিমেল ফোরসে , যাদের লক্ষ্য নারীদের প্রতি অপরাধ কমান । এই বিভাগের সবাই মহিলা ।
মহিলা অফিসারটি আমার বুকের উপর একটা লাথি মারল , – বল কোথায় রেখেছিস ওকে কিডন্যাপ করে ? লাথি মেরে অফিসার আমার বুকের উপর জুতো পরা ডান পাটা রেখে দাঁড়াল ।
অফিসারটির বয়েস ২৩-২৪ এর বেশি হবে না । ফরসা সুন্দর মুখ , রোগা কিন্তু স্বাস্থ্যবান চেহারা , উচ্চতা প্রায় সাড়ে ৫ ফুট । এই অবস্থাতেও আমার মনে হল এত সুন্দরী একজন মেয়ের পায়ের তলায় স্থান পাওয়াও কম ভাগ্যের কথা না ।
– আমি জানি না , বিশ্বাস করুন । আমি সাধাসিধে একজন ব্যবসায়ী মানুষ , কারো সাতে পাচেও থাকি না । আমি কাউকে কিডন্যাপ করাইনি । প্লিজ বিশ্বাস করুন ।
অফিসার উত্তর টা মুখের বদলে বুট জুতো পরা পা দিয়ে দেয় । ওর ডান জুতোর তলা আমার বুক থেকে উঠে এসে সজরে পরপর আঘাত করে চলে আমার মুখে । কখনো নাকে, কখনো ঠোঁটে , কখন কপালে আঘাত করতে থাকে অফিসারের জুতো পরা ডান পা । অসহ্য যন্ত্রনায় গঙ্গিয়ে উঠি আমি ।
আমার মুখে পরপর ১০ -১২ টা লাথি মেরে অফিসার থামে । তখন অসহ্য যন্ত্রনায় চোখে প্রায় অন্ধকার দেখছি আমি । আমার নাকটা সম্ভবত ভেঙ্গে গেছে । মুখ দিয়ে রক্ত গড়িয়ে পড়ছে বুঝতে পারছি ।
কি রে কুত্তা , উত্তর দে । এটা স্পেসাল সেল , তোকে পিটিয়ে মেরে ফেললেও কেউ কিছু বলবে না । উত্তর দে । আমার মাথার পাশে সজরে আরেকটা লাথি মেরে বলে লেডি অফিসার ।
আমি পাশ ফিরে লেডি অফিসার বুটজুতো পরা পায়ের উপর মাথা ঘষতে থাকি জবাবে । জুতোর উপর চুম্বন করে বলি , -আমি কিছু জানি না , প্লিজ বিশ্বাস করুন ম্যাডাম ।
অফিসার আমার মুখের দিকে তাকিয়ে হাসল একবার , – দেখি কতক্ষন তুই সত্যি না বলে থাকতে পারিস ।
এই বলে অফিসার জুতো পরা বাঁ পা দিয়ে আমার মুখে প্রবল জোরে আবার একটা লাথি মারল । ভয়ানক ব্যাথায় ককিয়ে উঠলাম আমি । অফিসার নিজের চামড়ার বেল্টটা খুলে নিল । তারপর আমার মুখের উপর জুতো পরা ডান পাটা তুলে দিয়ে আমার বুকে একের পর এক বেল্ট দিয়ে মারতে লাগল । উফফ , কি অসহ্য সে যন্ত্রনা ! আমি বলার চেষ্টা করতে লাগলাম, – আমি নির্দোষ , আমাকে ছেড়ে দিন প্লিজ । কিন্তু লেডি অফিসারের বুট জুতো পরা ডান পাটা ঠিক আমার ঠোঁটের উপর চেপে ধরা , ফলে আমার কাতর অনুরোধ অস্পষ্ট অর্থহীন শব্দ সৃষ্টি করতে লাগল শুধু । আর সেই শব্দ কে ছাপিয়ে যেতে লাগল আমার সাড়া দেহে অফিসারের বেল্টের আঘাতের ফলে উৎপন্ন শব্দ, সপাৎ ,সপাৎ ।
আমি মারের চোটে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিলাম । জ্ঞান ফিরল মুখে ঠান্ডা জলের ঝাপ্টায় । আমার মুখে জলের ঝাপটা দিচ্ছে অন্য এক লেডি অফিসার । ওর বয়েস আমার কাছাকাছি হবে , ৩০ এর আশেপাশে , গায়ের রঙ মাঝারি , কিন্তু খুব সুন্দর চেহারা ।
আমি চোখ মেলে তাকাতে এই অফিসার বলল, – স্বাগতা ম্যাডাম খুবই রাগী , ভালয় ভালয় এখনই সব বলে দে, নাহলে তোর এমন অবস্থা করবে , জীবনে আর নিজের পায়ে দাড়াতে পারবি না ।
আমার হাত দুটো খুলে দিয়েছে দেখলাম । আমি অসহায় ভাবে এই অফিসারের পা দুটো দুহাত দিয়ে জড়িয়ে ধরে বললাম , – প্লিজ ম্যাডাম , আমি কিছু জানিনা , বিশ্বাস করুন ।
জবাবে ম্যাডাম আমার মুখে বুটজুতো পরা পা দিয়ে একটা লাথি মারল, – স্পেসাল ফোরস কাউকে এমনি এমনি তুলে আনে না । ফালতু সময় নষ্ট না করে বলে দে মেয়েটাকে কোথায় রেখেছিস ?
এই সময় পাশের ঘর থেকে আবার স্বাগতা ম্যাডাম ঢুকল । ম্যাডামের হাতে এখন একটা জ্বলন্ত সিগারেট ।
স্বাগতা ম্যাডাম অন্য অফিসার কে জিজ্ঞাসা করল , – ও কিছু বলল অঙ্গনাদি ?
অঙ্গনা ম্যাডাম মাথা নেড়ে বলল- না ।
স্বাগতা ম্যাডাম বলল, – বুঝতে পারছি , মৃত্যুই লেখা আছে এর ভাগ্যে ।
তারপর চুলের মুঠি ধরে টেনে তুলল আমাকে । ম্যাডাম নিজে চেয়ারে বসা , আমাকে হাটুগারা অবস্থায় রেখে সিগারেটটা ঠোটে ঝুলিয়ে আমার দুইগালে একের পর এক থাপ্পর মারতে লাগল । আমার মনে হচ্ছিল আমি আবার বুঝি চেতনা হারাব । উফফ , কি যন্ত্রনা !!
প্রায় ৫ মিনিট পর ম্যাডাম চড় বৃষ্টি থামাল । আমার গাল দুটো ডান হাতের পাতায় চেপে বলল,
– এবার কি বলবি সত্যিটা ?
– আমি কাতর গলায় বললাম , – আমি কিছু জানি না ম্যাডা…
– আমার কথা শেষ করতেও দিল না স্বাগতা ম্যাডাম । আমার কপালের উপর জ্বলন্ত সিগারেট টা চেপে ধরল । আর পিছন থেকে আমার পিঠের উপর একের পর এক বেল্ট দিয়ে মারতে লাগল অঙ্গনা ম্যাডাম । স্বাগতা ম্যাডাম দাঁতে দাঁত চেপে বলল , না বললে তোর রেহাই নেই রে জানোয়ার । যন্ত্রনায় আমি পাগল হয়ে যাচ্ছিলাম প্রায় । একটু একটু করে আমার চেতনা লোপ পেতে লাগল , একসময় জ্ঞান হারিয়ে আবার মেঝেতে লুটিয়ে পড়লাম আমি ।
– জ্ঞান ফিরল মুখের উপর সক্ত কোনকিছুর স্পর্শে । আসতে আসতে চোখ মেলে তাকিয়ে দেখলাম আমার মুখের উপর বুট জুতো পরা বাঁ পায়ের তলাটা ঘসছে স্বাগতা ম্যাডাম । তার পাশেই চেয়ার নিয়ে বসে অঙ্গনা ম্যাডাম , ওর জুতো পরা পা দুটো আমার বুকের উপর রাখা ।
– আমার গলাটা শুকিয়ে যেন কাঠ হয়ে গেছে । ঢোঁক পর্যন্ত গিলতে পারছিলাম না । অস্ফুট স্বরে বললাম ,- জল, একটু জল দিন প্লিজ ।
– টেবিলের উপর থেকে বোতল এনে আমার মুখে ঠিক এক ছিপি জল ঢেলে দিল অঙ্গনা ম্যাম ।
– প্লিজ ম্যাম , আরেকটু জল দিন , প্লিজ । আমি কাতর স্বরে বললাম ।
– জবাবে আমার মুখের উপর জুতো পরা ডান পাটা তুলে আমার ঠোঁট দুটো জুতোর তলা দিয়ে ঘষতে লাগল অঙ্গনা ম্যাম ।
– মেয়েদের তোরা কি ভাবিস বলতো ? যখন খুশী খারাপ কথা বলিস , মারিস , কিডন্যাপ করিস । সত্যি টা কি জানিস ? তোদের ছেলেদের জায়গা মেয়েদের পায়ের তলায় । ঠিক এখন যেমন তুই আছিস, ঠিক তেমন ।
– আমি অঙ্গনা ম্যাম এর জুতোর তলায় প্রানভয়ে চুম্বন করে বললাম , – ঠিক প্রভু ।
– তোর জল চাই , তাই তো ?
– হ্যাঁ প্রভু । আমি বলি ।
– মেয়েদের স্থান তোদের কতটা উপরে আগে ঠিক করে বুঝে নে , তারপর জল পাবি । আগে জিভটা বার কর ।
আমি বাধ্য দাসের মতো হুকুম তামিল করি । আমার জিভটা বার করে দি যতটা সম্ভব । অবাক হয়ে দেখি , আমার বার করা জিভে নিজের ডান জুতোর তলা ঘষে মুছতে শুরু করেছে অঙ্গনা ম্যাম । আমার শুকনো জিভ জুড়ে অঙ্গনা ম্যামের কাদাভরা শক্ত জুতোর তলার স্পর্শ পাচ্ছি আমি । ম্যামের জুতোর তলার ময়লায় আমার মুখ ভরে যেতে থাকে । আমি বাধ্য দাসের মতো প্রভুর জুতোর তলার ময়লা গিলে খেতে থাকি । জেলে বন্দি অবস্থায় এর চেয়ে বেশী কি করতে পারি আমি ?
ডান জুতোর তলা পরিষ্কার হয়ে গেলে অঙ্গনা ম্যাম বাঁ জুতোর তলাও আমার জিভে ঘষে পরষ্কার করে নেয় । তারপর স্বাগতা ম্যাম ওর জায়গা নেয় । দয়া করে প্রথমে আমার জিভে এক ছিপি জল ঢালে স্বাগতা ম্যাডাম । তারপর আমার জিভের উপর নামিয়ে দেয় নিজের বুট জুতো পরা বাঁ পায়ের তলা । বাঁ জুতোর তলা পরিষ্কার হয়ে গেলে ডান জুতোর তলাও একইভাবে আমার জিভের উপর ঘষে পরিষ্কার করে নেন ম্যাডাম । তারপর দয়া করে অনেকটা জল ঢেলে দেয় আমার মুখে । দুই ম্যাডামের জুতোর তলার ময়লা সেই জলের সঙ্গে আমার পেটে চলে যায় ।