নিশা মালকিনের পা দুটো কোলের উপর নিয়ে রোজকার মত পা টিপে দিচ্ছিলাম আমি । হঠাত নিশা মালকিন আমার মুখে বেশ জোরে একটা লাথি মেরে বলল,”এই কুত্তা, লাথি মেরে তোর মুখ ভেঙ্গে দেব ঠিক করে পা না টিপলে ।” আমি মাথা নিচু করে বললাম ” জি মালকিন ।” তারপর আবার মন দিয়ে আমার মালকিনের পা দুটো টিপতে লাগলাম । নিশা মুখে হাসি ঝুলিয়ে আবার টিভি দেখতে লাগল ।
নিশাদের ড্রাইভারের চাকরি নিয়ে আমি ওদের বাড়িতে এসেছি দু সপ্তাহ আগে । নিশার বাবা বেশ বড় বিজনেসম্যান । আমাকে তিনি বলেছিলেন নিশার ড্রাইভার হওয়ার পাশাপাশি ওর ছোট খাটো ফাই ফরমাশও খাটতে হবে ও বললে । আমি রাজি হয়ে গিয়েছিলাম । ফরশা, সুন্দরী ক্লাস ১১ এ পড়া নিশা কি আর এমন ফাই ফরমাশ খাটাবে, মনে মনে ভেবেছিলাম । তাছাড়া সদ্য গ্র্যাজুয়েট আমার শহরে থাকা বা রোজগার করার অন্য কোন উপায় ছিল না । তাই রাজি না হয়ে কোন উপায়ও ছিল না আমার ।
সেপ্টেম্বার মাসের ১ তারিখ আমি ওদের বাড়িতে জয়েন করেছিলাম । আমার মূল ডিউটি নিশাকে স্কুলে দিয়ে আসা আর নিয়ে আনা । প্রথম দিনই নিশা আমাকে অবাক করে দিয়ে হুকুম করেছিল, ” আমার পায়ে জুতো পরিয়ে দে অমিত ।” আমি অবাক হয়েছিলাম ঠিকই, তবে আমার ১৬ বছর বয়সী সুন্দরী মালকিনের আদেশ অমান্য করার সাহস পাই নি। ওর পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে ওর পায়ে সাদা মোজা আর স্নিকার পরিয়ে দিয়েছিলাম । ও বুঝিয়ে দিয়েছিল ওর ব্যাগ গাড়ি অবদি বয়ে নিয়ে যাওয়া, ওর জন্য গাড়ির দরজা খুলে দাড়ান, এসবই আমার ডিউটি ।
আমি একবারও আপত্তি করি নি । এসবই আমার রোজকার রুটিন হয়ে গিয়েছিল । নিশার পায়ে জুতো পরিয়ে দেওয়া, স্কুল থেকে ফিরলে ওর জুতো খুলে দেওয়া, জুতো পরিষ্কার করে রাখা, এসবই আমি দু সপ্তাহ ধরে করছি । এক সপ্তাহ হল নিশার পা ধুয়ে দেওয়া, তারপর ওর পা টেপাও আমার রুটিনে যোগ হয়েছে । তাই বলে এভাবে আমার মুখে লাথি মারবে নিজের মায়ের সামনে ?
নিশার মাও একটু দূরে বসে টিভি দেখছে । আমার মুখে নিশাকে লাথি মারতে দেখে এখন হাসিমুখে আমাদের দিকেই তাকিয়ে আছে । আমার কিছু বলা উচিত, বুঝতে পারছিলাম , কিন্তু সাহস হচ্ছিল না । এভাবে চললে আমি ড্রাইভার থেকে চাকর বা ক্রীতদাস হয়ে যাব নিশার বুঝতে পারছিলাম ।
আমি একটু অন্যমনস্ক হয়ে পরেছিলাম । ঘোর ভাঙ্গল মুখের উপর সজরে লাথি পরতে । নিশা এবার ওর নীল চটি পরা ডান পা দিয়ে সজরে লাথি মেরেছে আমার ঠোটের উপর । আমার ঠোট কেটে রক্ত বেরতে লাগল ।
“মনিবের সেবা করার ইচ্ছা নেই যখন, তোকে আর এই চাকরি করতে হবে না । তুই আসতে পারিস ।” আমি বুঝতে পারলাম ঘোর বিপদে পরতে চলেছি । যত অপমানই করুক নিশা, আমার এই চাকরিটা রাখতেই হবে । আর নিশার মত এত সুন্দরী মেয়ের হাতে একটু অপমান তো মেনে নেওয়াই যায় । আমি নিশার নীল চটি পরা পা দুটোর উপর নিজের মাথা নামিয়ে দিলাম । ওর পায়ের উপর নিজের মাথা ঘষতে ঘষত্র বললাম, ” দয়া কর প্রভু । তুমি আমার আরাধ্য দেবী, আমার মালকিন । চাকরি চলে গেলে আমি না খেতে পেয়ে মারা যাব । এরকম শাস্তি দিও না প্রভু । প্লিজ। ”
আমি নিশার চটি পরা পায়ের উপর আমার মাথা ঘষতে লাগলাম পাগলের মত । আমার চেয়ে প্রায় ৬ বছরের ছোট নিশাকে আমার কোন দেবী বলে মনে হতে লাগল । ওর দয়া না পেলে আমার জীবন আবার অনিশ্চিত হয়ে যাবে । একটু পরে নিশা ওর চটি পরা ডান পা টা তুলে আমার মাথার উপর রাখল । আমার মাথার উপর ওর চটির তলা কিছুক্ষন বুলিয়ে বলল , “আগে দেখতে হবে তুই ক্ষমা পাওয়ার যোগ্য কিনা । আমি তোর মুখে পরপর ১০ টা লাথি মারব । আর তুই প্রত্যেকটা লাথি খেয়ে আমার পায়ে চুমু খেয়ে আমাকে ধন্যবাদ দিবি । বল, তুই রাজি ?”
হ্যা বলা ছাড়া আমার আর কোন উপায় ছিল না । নিশার মায়ের দিকে তাকিয়ে দেখলাম তিনিও তার মেয়ের হাতে আমার অপমান উপভোগ করছেন হাসিমুখে । আমি মাথা নিচু করে ঘাড় নেড়ে নিশাকে বললাম আমি রাজি । নিশার মুখে হাসি ফুটে উঠল । পরক্ষনেই ওর নীল চটি পরা ডান পা প্রবল বেগে আঘাত করল আমার ঠোটের উপর । আমার মুখের ভিতর নিজের রক্তের স্বাদ পেলাম, মনে হল সামনের দাত দুটো বোধহয় ভেঙ্গে গেছে নিশার লাথি খেয়ে । তবু আমি সামনে ঝুকে নিশার ডান পায়ের পাতায় একবার চুম্বন করে বললাম, ” ধন্যবাদ প্রভু, আমার মুখে লাথি মারার জন্য ।