রাখি… ( খোকা )

আমি তখন  1st  ইয়ারে  পড়ি ।  আমাদের পাশের বাড়িতে একটা মেয়ে থাকত ।  মেয়েটার নাম রাখি । ক্লাস ৯ এ পড়ত , খুব সুন্দরী দেখতে । কিন্তু পড়াশোনায় ভাল না । ওর মা বলল আমি যেন ওকে একটু পড়িয়ে দি ।

আমি রাজি হয়ে গেলাম । সুন্দরী মেয়েকে পড়ানোর সুযোগ কেই বা হাতছাড়া করে ?

তা ও পড়তে এলে ওকে চেয়ারে বসিয়ে আমি ওর পায়ের কাছে বসে পড়াতে লাগলাম। আমার পড়ার ঘরে আর কেউ ঢোকে না, তাই সেদিক থেকে নিশ্চিন্ত । অ একটু অবাক হলেও আমাকে কিছু বলল না।  প্রথম কয়েকদিন আমি বিশেষ কিছু করলাম না। শুধু মাঝে মাঝে ওর পায়ের উপর আলতো করে হাত বলানো ছাড়া ।

একমাস পর ও আমার ওর পায়ের কাছে বসাতে মোটামুটি অভ্যস্ত হয়ে গেল । আমি ঠিক করলাম এবার একটু এগোতে হবে । ও পড়তে এলে ওকে একটু পরালাম । তারপর ওকে বললাম , – আমার ডান হাতটায় জিম করে খুব ব্যাথা হয়েছে । তুই তোর পা দুটো আমার হাতের ওপর একটু রাখবি প্লিজ ? চাপ লাগলে একটু আরাম পাবো । এই বলে আমি ওর পায়ের কাছে ডান হাতটা রেখে শুয়ে পরলাম।

রাখি একবার আমার চোখের দিকে তাকাল, তারপর নিজে থেকেই ওর পা দুটো তুলে আমার ডান হাতের বাইসেপ এর উপরে রাখল ।

পা দিয়ে আমার হাতটা একটু ঘষে দিবি প্লিজ ? রাখিকে অনুরোধ করলাম আমি।

ও আমার হাতের বাইসেপটা ওর দুপায়ের তলায় আসতে আসতে ঘষতে লাগল । ওর মুখে হালকা হাসি ফুটে উঠেছে দেখলাম ।

১০- ১৫ মিনিট পর ওর পাদুটো টেনে আমার হাত আর বুকের সংযোগস্থলে রাখলাম।

-এবার এখানে একটু চাপ দে প্লিজ ।

ওর মুখের হাসি যেন আরেকটু চওড়া হল । মুখে হাসি ঝুলিয়ে আমার কাঁধ আর বুকের সংযোগস্থলে চাপ দিতে লাগল ।

আমি ওর বাঁ পাটা ধরে বললাম – এই পা টা দিয়ে একটু জোরে চাপ দে প্লিজ ।

এই বলে আমি ওর ডান পাটা সরিয়ে ঠিক আমার বুকের মাঝখানে রাখলাম । রাখি বাঁ পা দিয়ে আমার কাধে চাপ দিতে লাগল । আর আমি আমার সুন্দরী ছাত্রীর পায়ের তলায় শুয়ে ওর ডান পাটা দুহাত দিয়ে বুকের সাথে চেপে ধরলাম ।

রাখি কিছু বলল না , মুখে মুচকি হাসি ঝুলিয়ে বাঁ পা দিয়ে আমার হাতটায় চাপ দিতে থাকল । আমি ওর ডান পাটা আমার বুকের মাঝখানে জড়িয়ে ধরলাম । ওর ফর্শা খালি ডান পা টাকে আসতে আসতে টেনে নিজের গলার উপর নিয়ে এলাম ।

রাখি তখন ওর বাঁ পা দিয়ে আমার হাতে চাপ দেওয়া ছেড়ে হঠাত ওর বাঁ পাটা ডান পায়ের উপর তুলে বসল । ফলে ওর খালি বাঁ পাটা আমার মুখের একটু ওপরে দুলতে লাগল । ওর মুখে মুচকি হাসি লেগে । আমি আর পারলাম না । আমার সুন্দরী ছাত্রীর প্রতি ভক্তিতে মন ভরে উঠল আমার । আমি মাথা তুলে ওর বাঁ পায়ের তলায় একটা গাঢ় চুম্বন করলাম ।

রাখি মুখে হাসি ফুটিয়ে বলল – আবার ।

তার মানে আমার সুন্দরী ছাত্রী রাখি আমাকে ডমিনেট করা এঞ্জয় করছে ?

উফফ, প্রবল আনন্দে আমি রাখির বাঁ পায়ের তলায় একের পর এক চুম্বন করতে লাগলাম । একটু পরে রাখি ওর দুটো খালি পাই আমার মুখের উপর নামিয়ে দিল । আমার ঠোঁট আর কপালের উপর ওর ফর্শা নরম পায়ের তলা ঘষতে লাগল। আমি বারবার গাঢ় চুম্বন করতে লাগলাম ওর পায়ের তলায় । আর হাত বাড়িয়ে ওর পা দুটো এমনভাবে টিপতে লাগলাম যেন আমি ওর চাকর আর ও আমার প্রভু ।

হঠাত রাখি ওর খালি ডান পা দিয়ে আমার নাকের উপর একটা লাথি মারল । আমি আর পারলাম না । ওর ডান পায়ের তলায় গভীর আবেগে একটা চুম্বন করে বললাম , – প্রভু, আমাকে তুমি যতখুশি লাথি মারতে পার , আমাকে নিয়ে যা খুশি তাই করতে পার তুমি । আমি তোমার ক্রীতদাস প্রভু ।

আমার কথা শুনে রাখির মুখের হাসি চওড়া হল । রাখি ওর ফর্শা নরম খালি পা দিয়ে আমার মুখের সর্বত্র জোরে জোরে লাথি মারতে লাগল । জবাবে আমি ওর পায়ের তলায় চুম্বন করতে করতে ওকে ধন্যবাদ দিতে লাগলাম ।

একটু পরে রাখি আমার নাকের উপর বাঁ পা দিয়ে একটা লাথি মেরে বলল , – তোর জিভটা লম্বা করে বার করে দে ।

আমি তাই করলাম । রাখি ওর পরিষ্কার ফর্শা দুটো পায়ের তলা পালা করে আমার জিভে ঘষতে লাগল ।

প্রায় ৩০ মিনিট আমার জিভের উপর খালি পা ঘষার পর রাখি আবার আমার মুখে একটা লাথি মেরে বলল – যা, আমার চটি দুটো নিয়ে আয় । তোকে দিয়ে এবার আমার চটির তলা চাটাব । জবাবে আমি রাখির পায়ে আবার চুম্বন করে বললাম, – এক্ষুনি আনছি প্রভু ।

আমি রাখির নীল চটি দুটো মাথায় করে নিয়ে এসে মুখ দিয়ে আমার প্রভু রাখির পায়ে পড়িয়ে দিলাম । রাখি সঙ্গে সঙ্গে বেশ জোরে চটি পরা ডান পা দিয়ে আমার মুখে একটা লাথি মেরে বলল, – আমার পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে থাক । আমি তোর মুখে চটি পরা পায়ে লাথি মারব এখন ।

আমি প্রবল ভক্তিভরে হাটুগেড়ে আমার প্রভুর পায়ের কাছে বসে রইলাম । আর আমার ক্লাস ৯ এ পড়া সুন্দরী ছাত্রী রাখি আমার মুখে একের পর এক লাথি মারতে লাগল ওর চটি পরা দুই পা দিয়ে। আমার প্রবল ব্যাথা লাগছিল , তা সত্বেও এক প্রচন্ড আনন্দ অনুভব করছিলাম আমার হৃদয়ে  ।

আমাকে প্রায় ১০০ টা লাথি মেরে থামল আমার প্রভু রাখি । তারপর আমাকে আদেশ করল , – আমার পায়ের তলায় শুয়ে পর ।

আমি তখনই প্রভুর আদেশ পালন করলাম ।

  • আবার তোর জিভটা লম্বা করে বার করে দে কুত্তা । আমি এবার আমার চটির তলা মুছব তোর জিভে ।

আমি সঙ্গে সঙ্গে লম্বা করে বার করে দিলাম আমার জিভ । আর আমার প্রভু রাখি আমার বার করা জিভের উপর নিজের চটি পরা ডান পায়ের তলা নামিয়ে দিল । রাখির চটির তলা বেশ ময়লা। আমি প্রবল ভক্তিভরে রাখির চটির তলার ময়লা গিলে খেতে লাগলাম । রাখি প্রথমে ডান চটির তলা তারপর বাঁ চটির তলাও আমার জিভের উপর ঘষে নতুনের মত চকচকে করে ফেলল । আমি তারপর উঠে বসে প্রবল ভক্তিভরে রাখির পায়ের উপর মাথা রেখে ওকে প্রনাম করলাম ।

রাখি আমার মাথার উপর চটি পরা ডান পা রেখে আশীর্বাদ করল আমাকে । তারপর বলল , – আজ থেকে আমি তোর প্রভু , তুই আমার ক্রীতদাস । কাল থেকে আমি আমার বান্ধবীদেরও নিয়ে আসব । তুই আমাদের সবার সেবা করবি এভাবে ।

একথা শুনে আমার আরও আনন্দ হল । আমি রাখির চটি পরা পায়ের উপর চুম্বন করতে করতে ওকে ধন্যবাদ দিতে লাগলাম ।