( ভূমিকা না পরে কেউ ব্লগে ঢুকবেন না । সম্পুর্ন ভূমিকা পড়ে তবেই গল্প, কমেন্ট পড়বেন বা নিজে কমেন্ট করবেন । অন্যথায় , আপনার কোন ভুল ধারনার জন্য আমি/ আমরা দায়ী থাকব না । )

স্কুলে শাস্তি

আমি যখন ক্লাস ৮ এ পড়তাম তখন আমাদের ক্লাস এর ফার্স্ট গার্ল স্বাগতা কেপ্রপোস করেছিলাম।   আমি পড়াশোনায় খারাপ ছিলাম ,দেখতেও ভালো ছিলামনা। স্বাগতা রেগে গিয়ে ম্যাডাম কে রিপোর্ট করে দিয়েছিল। ম্যাডামের  নামমধুমিতা ,  আমাদের  ইংলিশ পড়াতেন,  বয়স আন্দাজ  ২৮. উনি খুব রাগীছিলেন। তবে অদ্ভুত  ব্যাপার হল উনি মেয়েদের অপর সহজে রাগতেন না।কখনো  কোন মেয়ে কে মারেননি । আর ছেলে রা পড়া না  পারলে বা  দুষ্টুমিকরলে উনি বেত দিয়ে মেরে পিঠের চামড়া তুলে নিতেন।  মধুমিতা ম্যাডামটিফিনের পর ক্লাস এ ঢুকলেন।  সেটা ফিফথ পিরিয়ড।  ঢুকেই ডাকলেন আমাকে,  -’সুমন , এদিকে আয়।’

আমি জানতাম স্বাগতা নালিশ করেছে ওনাকে . আমি ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে বেরিয়েএলাম . ঊনি ফার্স্ট বেঞ্চের  ঠিক সামনে আঙ্গুল দিয়ে দেখালেন, ‘এখানে কান ধরে নিলডাউন  হ’।  আমি ভয়ে ভয়ে তখনই  নিল ডাউন হলাম।  আমাদের ক্লাসেরবাঁ  দিকে মেয়েরা বসে, আর ডান দিকে ছেলেরা  । এটা বাঁ দিক , আর আমিযেখানে কান ধরে নিলডাউন হলাম তার ঠিক সামনে ১ ফুট দূরে বসে আছেস্বাগতা। ওর জুতো পরা বাঁ  পা ডান পায়ের উপর রাখা  । আর কালো জুতোপরা বাঁ পাটা ও আসতে আসতে নাচাচ্ছে । ওর মুখে মিষ্টি হাসি।  ম্যাডামচেয়ার  টেনে আমার সামনে বসে  বললেন , আর এগিয়ে নিল ডাউন হ , ঠিকবেঞ্চ টার সামনে।

আমি ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে স্বাগতার পায়ের সামনে নিল ডাউন হলাম।  ও ডানপায়ের ওপর বাঁ  পা তুলে নাচাচ্ছে,ওর বাঁ  পাটা আমার মুখ থেকে কয়েক ইঞ্চিদূরে মাত্র।  ফার্স্ট বেঞ্চে স্বাগতার সাথে বসে আছে আফসানা, পায়েল আরঅনামিকা  ।  অরা সবাই আমার দিকে তাকিয়ে হাসছে। মধুমিতা ম্যাডাম আমারপাশে চেয়ার টেনে পায়ের ওপর পা তুলে বসল। ম্যাডাম বাঁ পায়ের ওপর তলা ডানপাটা তুলে নাড়াতে লাগল। পা নাড়ানোর সময় ম্যাডামের স্যান্ডেলের তলার ময়লাআমার জামায় লেগে যেতে লাগলো । আমার ভিশন লজ্জা করছিলো গোটা ক্লাসেরসামনে এভাবে নিল ডাউন  হওয়ার  জন্যে। লজ্জায় আমি মাথা নিচু করলাম, ফলেআমার দৃষ্টি গিয়ে পড়ল আমার ড্রিম গার্ল স্বাগতার কালো স্কুল সু পরা পায়েরদিকে। ও পা নাড়াতে লাগল আর আমি কান ধরে নিল ডাউন হয়ে তাই দেখতেলাগলাম।

“ তোর বাবা মা তোকে স্কুলে কি জন্য পাঠিয়েছে? পড়াশোনা করার জন্য নাকিভালো মেয়েদের ডিস্টার্ব করার জন্য?”  ম্যাডামের কথায় আমি অবাক হয়েম্যাডামের দিকে তাকালাম, আমতা আমতা করে বলতে চেষ্টা করলাম ,”আমিকাউকে ডিস্টার্ব করিনি ম্যাডাম, ওকে আমার খুব ভাল লাগে ,তাই অঁকে শুধুসেটা…….”.

ম্যাডাম আমাকে কথা শেষ করতে দিল না, প্রবল জোরে একটা লাথি মারল আমারপিঠের পাশের দিকে। আমি স্বাগতার বা পাশে বসে থাকা আফসানার পায়ের ওপরউলটে পরে গেলাম। আমার ঠোঁট নাক আর কপাল আফসানার জুতো পরা পা স্পর্শকরল । আমি উঠতে যাচ্ছিলাম, তার আগেই ম্যাডামের বেত আমার পিঠে সজোরেআছড়ে পরলো, “ উঠবিনা  একদম,  যেভাবে আছিস পরে থাক।  এটা স্কুল, প্রেমকরার যায়গা না। আর তুই তো ক্লাসের সব মেয়েকেই এভাবে ডিস্টার্ব করিস।

“আমি বলার চেষ্টা করলাম, “না ম্যাডাম, আর কাউকে কখনো আমি….”,আমার কথা শেষ করার আগেই আফসানা বলে উঠল, “ ও আমাকেও অনেকদিনথেকে ডিস্টার্ব করে ম্যাডাম।”

পায়েল আর অনামিকা ওর সুরে সুর মেলাল, ‘আমাদেরও ডিস্টার্ব করে ও’।

আমি কি বলব বুঝতে পারছিলাম না . আমার মাথা তখন আফসানার জুতো পরাপায়ের ওপর রাখা , আর আমার মাথার বাঁ দিকে স্বাগতা আর ডানদিকে পায়েলওদের জুতো পরা পা তুলে আমার চুলের ওপর ওদের জুতোর তলা বোলাচ্ছে।ম্যাডাম আমার পিঠে বেতের বারি মারতে লাগলেন,  “ছি,কি নির্লজ্জ ছেলে !ক্লাসের সব মেয়েকে ডিস্টার্ব করে বেড়ায়।  এক্সাম ফেল করা ছেলে হয়ে ক্লাসেরফার্স্ট গার্লকে প্রপোস করছে ! লজ্জা শরম কিছুই নেই।” আমি মাথা নিছু করে পরেরইলাম আফসানার জুতো পরা পায়ে মাথা রেখে। স্বাগতা আর পায়েল আমার চুলনিয়ে খেলতে লাগল জুতো পরা পা দিয়ে। আর ম্যাডাম আমার  পিঠে  চটি পরাডান পা তুলে আমার পিঠে বেত মারতে লাগল গোটা ক্লাসের সামনে।

মিনিট পাঁচেক পরে ম্যাডাম থামল । তোর  জন্য চরম শাস্তি অপেক্ষা করে আছে। তবে তার আগে ওদের ৪ জনের পা ধরে ক্ষমা চা  । আমি  ততক্ষনে  ভয়েআর লজ্জায় থরথর করে কাপছি ।  আমি এক এক করে ওদের কাছে ক্ষমা চাইতেলাগলাম।  প্রথমে পায়েল, তাঁরপর আফসানা,  স্বাগতা,  সবশেষে অনামিকারপায়ে মাথা রেখে ক্ষমা চাইলাম, গোটা ক্লাসের সামনে ওদের জুতোয় চুম্বন করলাম।

ম্যাডাম তখনও চেয়ারে বসে আমার সামনেই । ওদের কাচে ক্ষমা চেয়ে ম্যাডামেরপায়ের কাছে  হাটুগেড়ে হাতজোড়  করে বললাম ,  “ম্যাডাম, প্লিজ আমাকে ক্ষমাকরে দিন এবার , এরকম ভুল আর কখনও  করবনা । নিজেকে মেয়েদের পায়েরতলার ধুলোর সমান ভাববো , মেয়েরা আমার থেকে অনেক সুপিরিয়র,  ওদেরপ্রপোস করার কথা স্বপ্নেও  ভাববনা  আর  । প্লিজ  ম্যাডাম, আজ  ক্ষমা করেদিন  আমাকে।”  বলতে বলতে আমার চোখ দিয়ে জল পরতে লাগলো, আমিম্যাডামের পায়ের ওপর মাথা নামিয়ে দিলাম।  ক্লাসের মেয়েরা মুখে হাসি ঝুলিয়েআমার  হিউমিলিয়েশন  দেখতে লাগলো  ।

ম্যাডাম লাথি মেরে আমার মাথা সরিয়ে দিল ওর পায়ের ওপর থেকে। “ তুইযাকরেছিস তাতে টিসি    দেওয়াটা  খুব কম শাস্তি। তবু যাদের কাছে অপরাধকরেছিস তাদের কাছে ক্ষমা চেয়ে যা বাকি ক্লাস টুকু। ওরা ক্ষমা করে দিলে আমারকিছু বলার নেই।  নাহলে তোর টিসির ব্যাবস্থা করতে আমি  বাধ্য  হব।  আজআমি ২ পিরিয়ড  জুড়ে ক্লাস নেব। তোর হাতে সময় আছে  ।   দেখ, ওরা ক্ষমাকরে কিনা।”  আমার চোখ দিয়ে বন্যার মত জল বয়ে চলল।  আমি স্বাগতার জুতো পরা পায়ে মাথা নামিয়ে ওর জুতোয় চুম্বন করতে করতে ওকে বলতেলাগলাম,  “প্লিজ প্রভু, আমাকে ক্ষমা করে দাও। প্লিজ ”.

মধুমিতা ম্যাডাম বাকি ক্লাস কে পরাতে লাগলো । আর আমি ,ক্লাসের লাস্ট বয়সুমন, ক্লাসের ফার্স্ট গার্ল স্বাগতার জুতো পরা পায়ে চুম্বন করতে লাগলাম গোটা ক্লাসের সামনে। একটু পরে স্বাগতা আমাকে চিত হয়ে অর পায়ের তলায় শুয়েপরতে বলল। আমি ওকে খুশি করতে তাই করলাম।  স্বাগতা ওর বাঁ  পা রাখলআমার গলায়, ডান পা আমার ঠোঁটের  ওপর। অনামিকা ওর পা দুটো রাখলআমার নাক আর কপালের ওপর। আফসানা ওর পা রাখল আমার বুকে, আরপায়েল আমার পেটে ।  আমি স্বাগতার ডান জুতোর তলাচাটতে  লাগলাম গোটাক্লাসের সামনে , তারপর ও ডান পা আমার গলায় রেখে ডান পায়ের ওপর বা পারাখল , আমি ওর বা জুতোর তলাও চেটে পরিষ্কার করে দিলাম।

আমি মানসিক ভাবে  ততক্ষণে  পুরোপুরি ভেঙ্গে পরেছিলাম ।  ওদের  জুতো চেটেশুধু  ওদের খুশি করতে চাইছিলাম , যাতে আমার টিসি না হয়।  স্বাগতার  জুতোচেটে পরিষ্কার করে দিলে ও প্রথমে অনামিকা, তারপর পায়েল আর আফসানারসাথে জায়গা বদল করল। আমি ওদের জুতোর তলাও চেটে পরিষ্কার করে দিলাম।আমি ওদের জুতো চাটতে চাটতে আর পা টিপতে টিপতে ওদের কাছে অনুরোধ করেচললাম,  “প্লিজ  প্রভু, আমার ভুল হয়ে গেছে । আমাকে এবারের মত ক্ষমা করেদিন।” ক্লাস শেষ হতে স্বাগতা মুখে হাসি ঝুলিয়ে ম্যাডামকে বলল, “ওকে আমরাএকটা শর্তে ক্ষমা করতে পারি।” ম্যাডাম বলল, “কি শর্ত?”

স্বাগতা বলল রোজ স্কুল শুরু হুয়ার  আগে আর স্কুল শেষের  পর ক্লাসের সবমেয়ের জুতো পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে ওকে প্রণাম করতে হবে, স্কুলের সব মেয়েকেপ্রভু বলে ডাকতে হবে। স্কুলের  যেকোন মেয়ের  যেকোন আদেশ সঙ্গে সঙ্গে পালনকরতে হবে।  আর আপনার পিরিয়ডে  ওকে আমাদের  পায়ের তলায় শুয়েআমাদের জুতোর তলা চাটতে হবে । আমাদের লাথি খেতে হবে । ও রাজি হলে আমরা ওকে ক্ষমা করতে পারি” ।

আমি স্বাগতার পায়ে  চুমু  খেয়ে বললাম,  “আমি রাজি প্রভু । থ্যাঙ্ক ইউ আমাকেক্ষমা করার জন্য ”। এই   বলে স্বাগতাকে   সাষ্টাঙ্গে  প্রণাম করলাম । ম্যাডামআমাকে  বলল “আমি তোকে এবারের মত ক্ষমা করে দিলাম তাহলে । তবে স্কুলেরকোন মেয়ে তোর নামে নালিশ করলে সঙ্গে সঙ্গে তোকে টিসি দিয়ে দেব। আরক্লাসের অন্য ছেলেরা, তোরাও জেনে রাখ , কখনও  কোন মেয়েকে ডিস্টার্ব করলেবা প্রপোস করলে তোদেরও সুমনের মত একি শাস্তি পেতে হবে।”

সেদিন থেকে আমার  ক্লাস ৮ থেকে ১২ অবধি আমি রোজ ক্লাস এর সব মেয়েরজুতো পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রণাম করতাম। আর মধুমিতা ম্যাডামের ক্লাসেস্বাগতা , অনামিকা, আফসানা,  আর পায়েলের  জুতো পরা পায়ের তলায় শুয়েওদের পা টিপতাম, ওদের জুতো চাটতাম। ওরা ওদের জুতো পরা পায়ে যত খুশি লাথি মারত আমার মুখে । জবাবে আমি ওদের জুতোর তলায় চুম্বন করে ধন্যবাদ দিতাম ওদের ।  আশ্চর্য ব্যাপার হল, কিছুদিন পর থেকে এইকাজটা করতে আমার খারাপ তো লাগতই না , বরং ভিশন ভাল লাগত। এতসুন্দরী  ৪ জন প্রভুর সেবা করতে পেরে আমি গর্বিত ছিলাম।  আর আমাদেরক্লাসের কোন ছেলের কোনদিন কোন মেয়েকে প্রপোস  করার সাহস হয়নি  তারপর ।

স্বাগতা আমার গলায় কলার বেধে ওদের বাড়িতেও নিয়ে যেত । আমাকে দিয়ে ওদের বাড়ির সব কাজ করাত । ওর বাবা মার সামনে আমার মুখে লাথি মারত যত খুশি । স্বাগতার ৩ বছরের ছোট বোন প্রথমাও আমার মুখে জুতো পরা পায়ে লাথি মারত, আমাকে দিয়ে ওর জুতোর তলা চাটাত । ওদের পাড়ার সবাই জানত আমি ওদের দুই বোনের পোশা কুত্তা । পাড়ার রাস্তায় ফেলে আমার মুখে জুতো পরা পায়ে লাথি মারত ওরা দুই বোন , আমার জিভে ঘষে ওদের জুতোর তলা পরিষ্কার করত । আমি প্রভুভক্ত ক্রীতদাসের মত আমার দুই সুন্দরী প্রভুর সেবা করতাম ।

( khoka/ খোকা )