( ভূমিকা না পরে কেউ ব্লগে ঢুকবেন না । সম্পুর্ন ভূমিকা পড়ে তবেই গল্প, কমেন্ট পড়বেন বা নিজে কমেন্ট করবেন । অন্যথায় , আপনার কোন ভুল ধারনার জন্য আমি/ আমরা দায়ী থাকব না । )

মহাপ্রভু সীমা   ( খোকা )

আমার নাম সীমা, আমি ক্লাস ৮ এ পড়ি এখন । ছোট থেকেই আমার দাদাকে একটু অদ্ভুত লাগে । সারাদিনে ওর একমাত্র চিন্তা যেন কিভাবে আমাকে খুশি করবে । দাদা আমার চেয়ে মাত্র ২ বছরের বড়, তবু অন্য পিঠোপিঠি ভাই বোনদের মত আমাদের মধ্যে কখনও ঝগড়া হত না । দাদা নিজে থেকেই ওর পছন্দের সব জিনিস আমাকে দিয়ে দিত । আমি চিরোদিনই একটু সেলফিশ , বাবা মাও ছোট মেয়ে বলে আমাকে একটু বেশিই ভালবাসত । তাই নিয়েও দাদার কোন আপত্তি ছিল না । পুজোর সময় আমার ১০ টা জামা হলে দাদার ১ টা হত , বাবা রোজ আমাকে ৫০ টাকা হাত খরচ দিলে দাদাকে দিত ৫ টাকা । আমি সেটাও বেশিরভাগ দিন দাদার কাছ থেকে চেয়ে নিতাম , দাদা হাসিমুখে দিয়ে দিত আমাকে। আমার ঘর গোছান, হোমটাস্ক , জামা কাচা , জুতো পরিষ্কার সহ বেশিরভাগ কাজ দাদা স্বেচ্ছায় করে দিত । আর রোজ রাতে নিয়ম করে আমার পা টিপে দিত দাদা , একদম ছোটবেলা থেকেই । আমি মাঝে মাঝে রেগে গেলে ওকে থাপ্পর মারতাম , মাঝে মাঝে লাথিও মারতাম । দাদা উলটে আমার পায়ে মাথা ঠেকিয়ে ক্ষমা চেয়ে নিত । বাবা মাও এতে কোন আপত্তি করত না , বাবা বলত আমি এই বাড়ির রাজকন্যা ।

আমাদের খেলার সময় দাদা এমন খেলা খেলতে চাইত যাতে ও আমার সেবা করতে পারে বা আমার হাতে মার খেতে পারে । যেমন , আমি রাজকন্যা আর ও চাকর , বা আমি পুলিশ ও চোর ।

আজ থেকে একমাস আগের এক রাত ছিল সেটা । রাতে খাওয়ার পর আমি বাবা মার সাথে বসে টিভি দেখছিলাম । আমি লাল সাদা রঙের একটা চুড়িদার আর পায়ে লাল চটি পরে একটা চেয়ারে বসেছিলাম । দাদা বসেছিল আমার পায়ের কাছে , আমার চটি পরা পা দুটো কোলে নিয়ে ও মন দিয়ে আমার পা টিপে দিচ্ছিল । ও এমনভাবে আমার পা টেপে যেন ও চাকর আর আমি ওর মনিব । আমি পা তুলে ওর বুকের উপর একটা লাথি মারলাম আমার চটি পরা ডান পা দিয়ে । দাদা একবার আমার মুখের দিকে তাকাল , তারপর আবার পা টেপায় মন দিল । এবার আমি পরপর দুটো লাথি মারলাম দাদার বুকে । আমি হঠাত অনুভব করলাম কিরকম একটা অদ্ভুত ভাল লাগছে দাদাকে লাথি মারতে। ও কি সত্যিই ভালবাসে আমার হাতে মার খেতে ? আমি যতই মারি ও কি কখনই আমাকে বাধা দেবে না ? আমার ভীষন জানতে ইচ্ছা করতে লাগল , ও কতটা মার সহ্য করতে পারে , সেই সঙ্গে ভয়ানক ইচ্ছা করতে লাগল আরো বেশি বেশি করে দাদাকে মারতে ।

আমি মুখে মিষ্টি হাসি ঝুলিয়ে দাদাকে বললাম , ‘ চল, আমরা চোর পুলিশ খেলি” । তুই একটা গয়না চুরি করবি । আমি তোকে মারতে থাকব ধরে এনে যতক্ষন তুই গয়না কোথায় লুকিয়ে রেখেছিস না বলিস” ।

দাদার মুখেও যেন অল্প হাসি ফুটে উঠল , “ আমার পা টিপতে টিপতে বলল , ‘ চল বোন’ ।

আমি মুখে আবার হাসি ফুটিয়ে ওর মুখের উপর চটি পরা ডান পা দিয়ে আলতো করে একটা লাথি মেরে বললাম , “ আজ কিন্তু তোকে ভীষন জোরে জোরে মারব” । জবাবে দাদা আমার ডান পায়ের পাতায় একটা চুম্বন করে বলল , “ পুলিশ তো চোরকে মারবেই”।

“ যা , একটা সিটি গোল্ডের হার নিয়ে আয় আমার ঘর থেকে , যেটা তুই চুরি করে লুকাবি । আর চামড়ার মোটা বেল্টটা নিয়ে আয় , যেটা দিয়ে তোকে মারব” । আমি দাদাকে বললাম ।

“এখুনি নিয়ে আসছি” । বলে দাদা আমার চটি পরা পায়ের উপর মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করে পাশের ঘরে চলে গেল । দাদা ছোট থেকেই রোজ সকালে ঘুম থেকে উঠে আর রাতে আমার পা টেপার পর আমার পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করে ।

একটু পরে দাদা একটা হার আর চামড়ার বেল্টটা এনে আমার পায়ের কাছে হাটুগেরে বসে বলল , “ কোথায় খেলবে সীমা?” দাদা আমাকে মাঝে মাঝে তুমি বলে , আমি দাদাকে সবসময়ই তুই বলি । আমি বাবা মার সামনেই দাদাকে মারতে চাইছিলাম । দাদার হাত থেকে বেল্টটা নিয়ে আমি অকারনেই ওর বাঁ গালে বেস জোরে একটা থাপ্পর মেরে বললাম , ‘ এই ঘরেই খেলব । আমি চোখ বন্ধ করছি , তুই গয়নাটা চুরি করে লুকিয়ে রাখ’ ।

“ জ্বী , রাখছি” । বলে দাদা অকারনেই আবার আমার চটি পরা পায়ের উপর মাথা রেখে প্রনাম করল । আমি চোখ বন্ধ করার ভান করে দেখলাম দাদা উঠে গিয়ে গয়নাটা বাবা মা যেই খাটে বসে আছে তার গদির তলায় ঢুকিয়ে রাখল । তারপর নিচু গলায় বলল , “ রেখে দিয়েছি” ।

আমি  উঠে দাড়ালাম । বাবা মা খাটে বসে টিভি দেখছিল , এখন টিভি ছেড়ে আমাদের দিকেই দেখছে । খাটের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা দাদার পাশে গিয়ে দাদার চুলের মুঠি ধরলাম ।

‘তুই নাকি কাল রাতে কালী মন্দির থেকে দেবির গলার সোনার হার চুরি করেছিস ?’

বলেই যত জোরে সম্ভব একটা থাপ্পর মারলাম দাদার বাঁ গালে । দাদা উল্টে পরে যাছিল প্রায়, খাটটা ধরে কোনক্রমে সামলাল । আমি তৎক্ষণাৎ ওর ডান গালে একই রকম জোরে আরেকটা থাপ্পর মারলাম  । বাবা মার সামনে এইভাবে আমার ২ বছরের বড় দাদাকে এইভাবে মারতে কেন জানিনা ভীষন ভাল লাগছিল আজ ।

দাদা মাথা নিচু করে বলল , “ না ম্যাডাম ,আমি চোর না । আমি কোন হার চুরি করিনি বিশ্বাস করুন” ।

আমি দাদার গালের উপর আরেকটা থাপ্পর মারলাম । তারপর ওর চুলের মুঠি ধরে টেনে ওর মাথাটা কাছে এনে ওর মুখের উপর একদলা থুতু ছেটালাম,

“ অফিসার সীমাকে ভুল বোঝানর ক্ষমতা কারো নেই । সত্যি কথা না বললে আজ তোকে মারতে মারতে মেরেই ফেলব” । আমি আড়চোখে তাকিয়ে বাবা মার দিকে দেখলাম । ওরা এমনভাবে আমাদের দেখছে যেন আমরা কোন স্বাভাবিক খেলা খেলছি । আমি জানতাম ,আমি দাদাকে মারতে মারতে মেরে ফেললেও বাবা মা বাধা দেবে না ।

থুতুটা দাদার কপালে পরে ওর নাকের দুপাশ দিয়ে নেমে এসে ওর ঠোঁটের সামনে আসতে দাদা জিভ বার করে আমার থুতুটা চাটতে লাগল । আমি ডান হাত দিয়ে দাদার বাঁ গালে আরেকটা জোরে থাপ্পর মেরে ওর চুলের মুঠিটা ছেড়ে দিলাম ।

‘বল। গয়না কোথায় রেখেছিস?’

দাদা সঙ্গে সঙ্গে আমার পায়ের উপর ঝাপিয়ে পরল । আমার পায়ের উপর মাথা ঘষতে ঘষতে আমার চটি পরা পায়ের উপর চুম্বন করতে করতে বলল , “ বিশ্বাস করুন ম্যাডাম , আমি কোন গয়না চুরি করিনি” । উফফ, বাবা মার সামনে আমার ২ বছরের বড় দাদা আমার পায়ের উপর চুম্বন করছে ! আমার দারুন লাগছিল । আমি চটি পরা ডান পা টা দাদার মাথার উপর রেখে দাদার মাথার উপর পা দিয়ে চাপ দিয়ে বললাম , “ সত্যি না বললে আজ তোকে পিটিয়ে মেরেই ফেলব কুত্তা” ।

‘প্লিজ ম্যাডাম, আমি সত্যি বলছি, বিশ্বাস করুন’। দাদা আমার চটি পরা বাঁ পায়ের উপর চুম্বন করতে করতে বলল ।

আমি দাদার মাথার উপর চটি পরা ডান পা দিয়ে একের পর এক লাথি মারতে লাগলাম । দাদা আমার বাঁ পায়ের উপর চুম্বন করতে করতে বলতে লাগল , ‘ প্লিজ ম্যাডাম, আমি চুরি করিনি, বিশ্বাস করুন” ।

একটু পরে আমি লাথি মেরে দাদাকে সোজা করে শুইয়ে দিলাম । তারপর দাদার ঠোঁটের উপর চটি পরা বাঁ পা টা তুলে চটির তলাটা দাদার ঠোটের উপর ঘষতে লাগলাম । দাদা দুহাত বাড়িয়ে আমার চটি পরা বাঁ পা টা ঠোঁটের উপর চেপে ধরে বাবা মার সামনেই আমার চটির তলায় চুমু খেতে খেতে ক্ষমা চাইতে লাগল ।

আমি পা টা দাদার হাত থেকে ছাড়িয়ে নিলাম একটু পরে , তারপর চটি পরা বাঁ পা দিয়ে প্রবল  জোরে একটা লাথি মারলাম দাদার নাকের উপ । উফফ, দাদা কি কখনই আমাকে বাধা দেবে না ? বাবা মার সামনে আমি কি এভাবেই রোজ দাদাকে যতখুশি লাথি মারতে পারব ? এক অদ্ভুত আনন্দে আমার মন ভরে গেল । আমি চটি পরা দুই পা দিয়ে দাদার নাক, কপাল, গাল, ঠোঁট সর্বত্র একের পর এক লাথি মারতে লাগল । দাদা যন্ত্রনায় মাঝে মাঝে গোঙ্গাতে লাগল । উফফ, কি রাশ অফ পাওয়ার ! এক অদ্ভুত আনন্দে আমি দুই পা দিয়ে দাদার মুখের সর্বত্র একের পর এক লাথি মারতে লাগলাম । আর দাদা আমার কাছে ক্ষমা চাইতে লাগল ।

এই সময় প্রথম বাধাটা এল । না দাদার কাছ থেকে না , বাবার কাছ থেকে । বাবা নিচু গলায় আমাকে রিকোয়েস্ট করল “ প্লিজ , ওকে একটু আসতে মার সীমা , ওর লেগে যাবে” ।

রাশ অফ পাওয়ারের আনন্দে আমি তখন মত্ত । এই বাধা আমার মোটেই ভাল লাগল না । দাদার মুখের উপর থেকে পা তুলে আমি এগিয়ে গেলাম বাবার দিকে । তারপর মায়ের সামনেই খাটে বসা বাবার দুইগালে সজোরে দুটো থাপ্পর মারলাম ।

পুলিশকে তদন্তে বাধা দিতে এসেছিস ? এর ফল কি হবে টের পাবি এখুনি”।

মায়ের মুখে হাসি দেখে বুঝলাম মা এঞ্জয় করছে আমার হাতে বাবার মার খাওয়া । মা চিরদিন আমাদের দুই ভাই বোনকে বুঝিয়ে এসেছে ছেলেদের স্থান মেয়েদের অনেক নিচে । আজ মেয়ের হাতে তার বাবার মার খাওয়া দেখেও মার হাসিতে বুঝলাম মা কথাটা সত্যি বিশ্বাস করে ।

আমার হাতে থাপ্পর খেয়ে বাবা থতমত খেয়ে গেল । হাতজোর করে আমাকে বলল , “সরি”।

আমি বাবার কান ধরে জোরে টান দিলাম । “ নেমে আয় জানোয়ার , পুলিশের তদন্তে বাধা দেওয়ার ফল কি আজ টের পাবি তুই” ।

আমি কান ধরে টেনে বাবাকে নিচে নামালাম । তারপর বাবার পেটে খুব জোরে মারলাম আমার ডান পায়ের হাটু দিয়ে । মুখ দিয়ে একটা অস্ফুট শব্দ করে বাবা উলটে পরে গেল ঠিক দাদার পাশেই ।

আমি চটি পরা বাঁ পা দাদার মুখে আর চটি পরা ডান পা বাবার মুখে রেখে উঠে দাড়ালাম । উফফ, কি যে আনন্দ লাগছে আমার । আমি চটি পরা দুটো পা বাবা আর দাদার মুখের উপর রেখে দাঁড়িয়ে আছি ভাবতেই এক অপুর্ব আনন্দে মন ভরে উঠছিল ।  আর তাতে আমার মায়ের সমর্থন আছে এটা সেই আননদকে আরও বহুগুন বাড়িয়ে দিচ্ছিল । আমি মনে মনে ঠিক করে নিলাম বাবা আর দাদাকে আজ থেকে আমার ক্রীতদাস করে রাখব ।

দাদার মুখের উপর রাখা পায়ের উপর ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে আমি চটি প্রা ডান পা দিয়ে বাবার মুখের উপর একের পর এক জোরে জোরে লাথি মারতে লাগলাম, আমি । বাবার নাক ,গাল, কপাল , ঠোঁট, যেখানে খুশি আঘাত করতে লাগল আমার চটিপরা পা । মা পাশ থেকে হাসিমুখে বলল , “ ঠিক হচ্ছে , পুলিশকে বাধা দেওয়ার এটাই শাস্তি”।

একটু পরে আমি ওদের মুখ থেকে নেমে দাড়ালাম । পাশে রাখা চেয়ারটায় বসে পড়ে বাবার মুখের উপর চটি পরা পা দুটো রেখে বেল্ট দিয়ে দাদাকে সজোরে একবার মেরে বললাম , “ তুইও ঠিক এই জানোয়ারটার মাথায় মাথা ঠেকিয়ে শুয়ে পর”।

দাদা তাই করল । আমি চটি পরা দুটো পা দাদা আর বাবার মুখের উপর রেখে বললাম, “ কুত্তা আর জানোয়ার, তোদের জিভ বার কর” । বাবা আর দাদা বিন্দুমাত্র আপত্তি না করে ওদের জিভ মুখের বাইরে যতটা সম্ভব বার করে দিল । আমি আমার বাঁ চটির তলা বাবার জিভের উপর আর ডান চটির তলা দাদার জিভের উপর নামিয়ে দিলাম । এমনভাবে বাবা আর দাদার জিভের উপর আমার চটির তলা মুছতে লাগলাম যেন আমি কোন পাপোশে পা মুছছি ।

বিন্দুমাত্র আপত্তি না করে আমার চটির তলার ময়লা গিলে খেতে লাগল আমার বাবা আর দাদা । পাওয়ারের এক অদ্ভুত আনন্দ আমার কোশে কোশে ঢেউ তুলতে লাগল । সেই সাথেই আমি দাদার বুকে একের পর এক বেল্ট দিয়ে মারতে লাগলাম , “ বল কোথায় রেখেছিস গয়না” ।

প্রায় ৩০ মিনিট আমি আমার জুতোর তলা ঘষলাম বাবা আর দার জিভে ।যখন আমি থামলাম তখন আমার জুতোর তলা নতুনের মত চকচক করছিল । আমি পা দুটো ওদের কপালের উপর রাখলাম । আমি তখনও দাদার বুকে বেল্ট দিয়ে জোরে জোরে মেরে চলেছি । দাদার বুক দিয়ে একটু একটু রক্ত বেরচ্ছিল, দাদা আমার চটি পরা ডান পা টা ঠোটের উপর টেনে এনে চটির তলায় বারবার চুম্বন করে বলছিল , “ আমি চুরি করিনি প্রভু, বিশ্বাস করুন” । আমি তবু চাবুক মারা চালিয়ে গেলাম । মাঝে মাঝে চটি পরা পা দিয়ে দাদার মুখে লাথি মারতে লাগলাম ।

১০ মিনিট পর আমি উঠে দাড়ালাম । চাবুক রেখে একের পর এক লাথি মারতে লাগলাম দাদার মুখের সর্বত্র । দাদার উপর এক্টুও দয়া করছিলাম না , যত জোরে খুশি লাথি মারছিলাম দাদার মুখে । দাদা কাতরাচ্ছিল ব্যাথায় , আমার চটির তলায় চুমু খেয়ে ক্ষমা চাইছিল । তবু আমি দাদার মুখে চটি পরা পায়ে লাথি মারার আনন্দে একের পর এক লাথি মারছিলাম দাদার মুখে ।

বুম !

বুম !

বুম !

বুম !!

আমি লাথি মারা চালিয়ে যেতে লাগলাম । আমার মনে হচ্ছিল আমরা বুঝি ২০০ বছর আগের আমেরিকায় ফিরে গেছি । আমি শ্বেতাঙ্গ প্রভু , আর দাদা আমার কৃষ্ণাঙ্গ ক্রীতদাস । আমি জুতো পরা পায়ে দাদার মুখে লাথি মারতে মারতে ওকে মেরে ফেললেও ওর বাধা দেওয়ার কোন অধিকার নেই । উফফ, এই ভাবনাতেই কি আনন্দ ! আমি আরও জোরে দাদার মুখে লাথি মারা চালিয়ে গেলাম । আমি বুঝতে পারছিলাম , আমি সেই যুগের শ্বেতাঙ্গ প্রভুদের মত হতে চাই । আমার বাবা আর দাদাকে আমার ক্রীতদাস করে অত্যাচার করতে চাই সারাজীবন ।

আরও ৩০ মিনিট পর দাদা আমার চটির তলায় চুমু খেতে খেতে বলল, ‘ আমি অপরাধ স্বীকার করছি প্রভু । গয়না ফিরিয়ে দিচ্ছি । প্লিজ আর মারবেন না আমাকে” ।

আমি দাদার নাকের উপর সজোরে একটা লাথি মেরে বললাম, “ যেখানে গয়না লুকিয়ে রেখেছিস সেখানে আমাকে পিঠে করে নিয়ে চল কুত্তা”।

দাদা ৪  পায়ে কুত্তার মত দাড়ালে আমি ওর পিঠে উঠে বসলাম । ওর গলায় বেল্টটা বেধে দিলাম, যেভাবে কুত্তাদের গলায় বেল্ট বাধে । তারপর ওর হাতে লাথি মেরে বললাম , “চল কুত্তা”।

দাদা আমাকে পিঠে করে খাটের সামনে এনে বলল, “ এই গদির তলায় লুকিয়ে রেখেছি প্রভু”। আমি হাত ঢুকিয়ে গয়না বের করে আনলাম ।

তারপর দাদার পিঠ থেকে নেমে দাড়ালাম ।

দাদা বোধহয় আর সহ্য করতে পারছিল না । মাথা নিচু করে ও বলল , “ খেলা শেষ তো সীমা?”

আমি উত্তর দেওয়ার আগেই পাশ থেকে মা হাসিমুখে উত্তর দিল , “ হ্যাঁ , খেলা শেষ । তবে আজ থেকে তুই আর তোর বাবা খেলার বাইরেও সীমার চাকর আর পোশা কুত্তা , সীমা শুধু তোদের প্রভু না , মহাপ্রভু । আজ থেকে সীমা তোদের মালকীন । সীমার যখন ইচ্ছা হবে তোদের এভাবে মারবে । তোদের একমাত্র উদ্দেশ্য হবে সীমাকে খুশি রাখা ।

এই কথা শুনে আনন্দে আমার চোখ দিয়ে জল বেড়িয়ে এল । আমি মাকে জড়িয়ে ধরে বললাম , আই লাভ ইউ মম ।

আর বাবা আর দাদা জবাবে আমার দুটো পা জড়িয়ে ধরে আমার পায়ে মাথা ঘষতে লাগল ।