aaratrika . jpg

Aratrika ( by Mr. K )
( আরত্রিকা )

( গ্রামের ছেলে তপন বি কম পাশ করার পর সল্টলেকের এক MNC তে চাকরি পেল । তাদের অফিসেই কাজ করে অসাধারন সুন্দরী আরত্রিকা । ছোট থেকেই তপন মেয়েদের প্রতি সাবমিসিভ । অসাধারন সুন্দরী আরত্রিকাকে দেখে তাকে পুজো করার তার পায়ের তলায় নিজেকে সমর্পন করার ইচ্ছা প্রবল হয়ে উঠল তপনের । এক শনিবার অফিসের জেরক্স মেশিনের সামনে নিজের পেপার জেরক্স করতে এসে সে দেখল আরত্রিকাও পেপার জেরক্স করতে এসেছে । সে ইচ্ছা করে নিজের মোবাইলটা ফেলে দিল জেরক্স মেশিনের তলায় , তারপর ফোন তুলতে চিত হয়ে মেশিনের সামনে শুয়ে পড়ল। আরত্রিকা কাছে আসতে বলল,- আমার মোবাইলটা নিচে পড়ে গেছে । আমি ওটা তুলতে তুলতে তুমি জেরক্স করে নাও ।
আরত্রিকা ঠিক তপনের সামনে দাঁড়িয়ে জেরক্স করতে লাগল । কিন্তু তপন শুয়ে থাকায় ওর অসুবিধা হচ্ছিল । তপন বলল, – তোমার অসুবিধা হলে আমার গায়ের উপর পা দিতে পার, কোন সমস্যা নেই । ফর্শা, সুন্দরী আরত্রিকার পরনে ছিল সাদা টপ, জিন্স আর সাদা স্নিকার । বিন্দুমাত্র আপত্তি না করে আরত্রিকা উঠে দাড়াল তপনের বুকের উপর, জুতো পরা পায়ে । আরত্রিকার হাতে অন্তত ১০০ টা পেপার , ধীরে ধীরে সে তপনের বুকের উপর জুতো পরা পায়ে দাঁড়িয়ে জেরক্স করে যেতে লাগল । আসে পাশে থাকা অফিসের কয়েক জন অবাক হয়ে ওদের দেখতে লাগল ।
আরত্রিকা জেরক্স করতে করতে স্থান পরিবর্তন করছিল । কখনও তপনের পেটে , কখনও বুকে , কখনও বা গলার উপর নিজের জুতো পরা পা রেখে দাড়াচ্ছিল আরত্রিকা । একটু পরে নিজের জুতো পরা বাঁ পা টা ঠিক তপনের ঠোঁটের উপর তুলে দিল আরত্রিকা । তার মুখের উপর জুতো পরা বাঁ পা রেখে খুব স্বাভাবিকভাবে জেরক্স করে চলল পরমা সুন্দরী আরত্রিকা । তপনের সারাজীবনের স্বপ্ন সত্যি হয়ে গিয়েছিল । আশেপাশে অফিসের ২-৩ জন সহকর্মীর সামনে আরত্রিকা তার মুখের উপর জুতো পরা পা রেখে দাঁড়িয়ে আছে ? তপন আর পারল না । দুইহাত দিয়ে আরত্রিকার জুতো পরা বাঁ পা টা ধরে ভক্তিভরে একটা গাঢ় চুম্বন করল আরত্রিকার জুতোর তলায় । আরত্রিকা দেখে মুচকি হাসল । তারপর ডান পা টাও তুলে দিল তপনের মুখের উপর । আরত্রিকার সাদা স্নিকার পরা ডান পা এখন তপনের ঠোঁটের উপর । আর স্নিকার পরা বাঁ পা তপনের কপালের উপর । অফিসের সহকর্মীদের সামনেই তপনের মুখের উপর জুতো পরা পায়ে দাঁড়িয়ে জেরক্স করে চলল আরত্রিকা । জবাবে আরত্রিকার জুতো পরা ডান পায়ের তলায় ভক্তিভরে চুম্বন করতে করতে তাকে ধন্যবাদ দিতে লাগল তপন ।
প্রায় ১ ঘন্টা এইভাবে তপনের মুখের উপর জুতো পরা পায়ে দাঁড়িয়ে জেরক্স করে গেল আরত্রিকা । তারপর তপনের মুখের উপর থেকে নেমে দাঁড়িয়ে হাসিমুখে তপনকে বলল, – শক্ত মেঝেতে দাঁড়িয়ে জেরক্স করতে কষ্ট হয় আমার । এখন থেকে এভাবেই রোজ তোর মুখের উপর দাঁড়িয়ে জেরক্স করব আমি, সবার সামনেই । জেরক্স করার দরকার হলেই রোজ তোকে ডেকে আনব আমি , যাতে জুতো পরা পায়ে তোর মুখের উপর দাঁড়িয়ে জেরক্স করতে পারি আমি ।
জবাবে তপন আরত্রিকার জুতো পরা পায়ের উপর মাথা রেখে ওকে প্রনাম করল, ওর জুতো পরা দুই পায়ের উপর চুম্বন করে বলল, – নিশ্চয় দেবী ।
আরত্রিকা নিজের পেপার নিয়ে চলে গেল । তপন উঠে নিজের পেপার জেরক্স করতে লাগল । নিজের সৌভাগ্যকে তার তখনও বিশ্বাস হচ্ছিল না । শুধু আজকেই যে সবার সামনে তার মুখের উপর জুতো পরা পরা পায়ে দাঁড়িয়ে অসাধারন সুন্দরী আরত্রিকা জেরক্স করেছে তাই না, এখন থেকে রোজ তাই করবে ! জেরক্স করতে করতে নিজের অসাধারন সৌভাগ্যের জন্য তপন উপরওয়ালাকে ধন্যবাদ দিতে লাগল ।)

My story is of tapan and aratrika (name changed). Tapan is a village boy, did his B. Com and got job in a mnc at salt lake sector 5. In the same company, aratrika was employed as a software developer. She is an IT engineer. Stunningly beautiful and attractive. Tapan never seen such a beauty before. She used to wear formal shirt, mini pencil skirt and killer heels. Tapan was mesmerised by her apparels. From childhood, he was very submissive to girls and had a immense crush on female feets. His dream is to serve a lady as goddess. Want to trampled by her brutally, want to lick her heels clean, want to kiss her feet. When he first saw aratrika at the office verandah, he was just got blown. He just dreamt of her.
He wanted to be under her feet by any chance. Chance came. Tapan shifted his seat beside her. He used to stare at her while working. Aratrika noticed but didn’t bother anything. The day was Saturday. Most ot the workers had an off-day. Few were there those who have pending work. Aratrika was there, and also, tapan. Aratrika was dressed in a white formal shirt, navy blue short skirt, showing off the butter smooth legs and decorating them with a killer strapped sandals, whose heel height is not less than 3 inches.Tapan was determined that today he should do something and was finding the right chance. He saw her going to xerox room with a bunch of paper. He followed him with some pages in hand. Tapan thought that this is the best area. Chances to get caught by anyone is very low. Aratrika saw him and said ‘hi’.
‘hi Aratrika , I’m tapan” . Suddenly aratrika asked, “why do you look at me like that? ” Tapan felt unready but promptly answered “coz you are so much beautiful ” “really” she smiled “yes” ” you do first” No, no, it’s okay No, I have a lot of paper, it will take a long time. Aratrika said Then ok. Tapan started copying. He just wanted to get lied on the floor to have a better view of her feet. He got an idea. He took his phone, did something and kept that on the machine lid. When he lifted the lid, the phone slipped under the machine. “oh my god” he said and lie in front of the machine blocking the front position of it. He said her ” I am getting it, you start with yours.” Aratrika started copying. Clearly she was facing trouble as tapan lie there. She said “got that?” “can’t reach , trying hard” “please make it fast. I can’t stand here properly ” Tapan then applied his plan. He said, “if you feel uncomfortable I have a way out ” “what?” “if you don’t mind, you can stand on me as a step “.
“are you crazy? Why should I stand on you? ”
“for you ease”.
“could you bear my weight?” .
“you are not much heavy, it will be ok for me. Don’t worry, stand up”
“it can hurt you “.
“I don’t think so, you carry on “.
Aratrika was going to put off her shoes. Seeing that tapan resisted “what are you doing? You do not need to put off those.” Aratrika astonished “are you mad? I will probably kill you if I climb on you with those. See how sharp those heels are. ” “don’t think so much. I bet you can’t hurt me with those. ” actually tapan eagerly wanted that her goddess should trample him with heels, causing an unbearable amount of pain. “I will not do this, I am ready to get barefoot. “.
“why should you do when you are not wanted to do so? Believe me and stand upon “.
“you are taking too much risk “.
“don’t worry, stand up”. Aratrika did so. She tenderly put her one feet on tapan’s upper back and applied a little bit pressure. Then she ask “can you take it?” Tapan was in heaven. This is for the first time in his life dreams are becoming true. He is getting trampled by a goddess. He was just enjoying every single moment of being trampled. He said “it’s absolutely ok. Stand on me with both of your feets.”

Aratrika put her another feet on his back and now she was completely standing on tapan, balancing herself holding the xerox machine. She bounced a little on his back and then asked “doesn’t the heel hurt? “.
Actually is was causing a good amount of pain as the narrow heels were getting dig into the flesh but tapan said with a lot of smile “they don’t have the power to hurt me. But my back is getting massaged by those.”
“oh really?”
“yes it is. But it would be better if you move your position on my back by time. ”
Aratrika did the same. While doing xerox, she was trampling all the back of his, applying pressure. She came to his upper back and put her one feet on his neck. That was clamped like a pipe by the arch or her shoe between the sole and the heel. That hurt a lot. Then tapan said, “the neck is not the right option for standing. You can step on my head instead of neck.”
Aratrika laughed a lot.”on your head!” she repeated.
“yes”,tapan said. “what make you laughter? ”
“if I stand on your head, then it will going to be exploded “.
“it won’t. Our skull is enough hard to take load than neck. So you can freely stand on it”.
Tapan heard somewhere that head is the most important and holy organ of our body. For that he wanted that her goddess should trample his head to accept his slavery. “ok let’s see how much can your head tolerate “. She put her right foot on his head and applied almost full body weight. The sole of the shoe was squeezing his temple and the sharp heel was getting dig into his chin. Some cracking sounds made and pain was just unbearable. As tapan was lying on his belly, so he couldn’t enjoy the scene but imagined how it’s looking like. Aratrika, standing with one foot on his head and another on his back, was making the xeroxes. After 5 minutes she completed and got down from tapan. He already got the mobile and stood up.
“thanks to you for massaging my back” Tapan said with a big smile. ” you also deserve a thanks for helping me in such a way.” Aratrika replied. “now get finished with yours. ” Aratrika left the room. Tapan, standing alone in the room, was trying to remember the time he spent with Aratrika.