বৌদি আর শ্রীতমা ( খোকা )

( ভূমিকা না পরে কেউ ব্লগে ঢুকবেন না । সম্পুর্ন ভূমিকা পড়ে তবেই গল্প, কমেন্ট পড়বেন বা নিজে কমেন্ট করবেন । অন্যথায় , আপনার কোন ভুল ধারনার জন্য আমি/ আমরা দায়ী থাকব না । )

সেদিন রোজকার মতো বৌদির পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে বৌদির পা দুটো পালা করে টিপে দিচ্ছিলাম আমি । বৌদির নাম সীমা, আমাদের ঠিক পাশের বাড়িতে থাকে । বৌদির  বয়স এখন প্রায় ৩৪-৩৫ হবে, আমার থেকে প্রায় ১০ বছরের বড় । দাদা চাকরি সূত্রে দীর্ঘদিন বাইরে থাকে, বছরে ২-৩ বার আসে । সীমা বৌদি বিয়ের পর এইবাড়িতে আসার পরই আমার সাথে বৌদির খুব ভাব হয়ে যায় । আমি তখন ৯-১০ বছরের বাচ্চা । বৌদি আমাকে খুব ভালবাসত, এটা ওটা খাওয়াত , আবার বাড়ির কাজও করাত । আমার কেন জানিনা খুব ভাল লাগত বৌদির কাজ করে দিতে , সেই ছোটবেলা থেকেই । যেভাবে হোক বৌদিকে খুশি করতে চাইতাম । বৌদির ফর্শা , অসাধারন সুন্দর মুখে আমি হাসি ফুটিয়ে তুলতে চাইতাম সবসময় ।

বৌদিদের তুলনায় আমাদের আর্থিক অবস্থা অনেক ভাল ছিল । তবু অসাধারন সুন্দরী বউদিকে দেখলেই আমার যেভাবে হোক বৌদির সেবা করতে ইচ্ছা করত । বউদিদের ঘর ঝাট দেওয়া, ঘর মোছা , বাসন মাজা , কাপড় কাচা, ইত্যাদি সব কাজই ক্রমে বৌদি আমাকে দিয়ে করাতে লাগল। একদিন বৌদি শপিং করতে বাইরে বেরবে, তাই জুতো পরতে যাচ্ছিল। আমি দেখতে পেয়েই ছুটে এসে বৌদির পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসেছিলাম । আমি থাকতে তুমি নিজে হাতে জুতো পরবে কেন ? শুনে বৌদি মুচকি হেসে বলেছিল, “ঠিক আছে । আমি বাড়ি ফিরলে আমার জুতো পরিষ্কারও তোকে দিয়ে করাব”।

আমি বৌদির পায়ে জুতো পরাতে পরাতে বলেছিলাম, “ নিশ্চয় বৌদি। এখন থেকে তোমার সব জুতো আমি পরিষ্কার করে দেব” । বৌদি শপিং থেকে ফিরতে সেদিন আমি বৌদির পায়ের কাছে বসে বৌদির পা থেকে জুতো খুলে দিতে বৌদি বলেছিল, “ জুতো একটু পড়ে পরিষ্কার করবি । হেঁটে হেঁটে পায়ে ব্যাথা হয়ে গেছে, একটু পা টিপে দে এখন” ।

আমি ঠিক চাকরের মতো সোফায় বসা বৌদির পা টিপে দিয়েছিলাম। প্রায় ১ ঘন্টা ধরে । তারপর বৌদির জুতো পরিষ্কার করেছিলাম । সেই থেকে এগুলোও আমার রোজকার রুটিন হয়ে গিয়েছিল । বাড়িতে থাকলেও বৌদি আমাকে দিয়ে রোজ পা টেপাত ।

বৌদির একটাই মেয়ে , শ্রীতমা । ওর বয়স এখন ১৪ । ও ছোট থেকেই দেখেছে ওর মা আমাকে চাকরের মতো খাটায় ।  ফলে আগে ও আমাকে কাকু বলে ডাকলেও ( এখন নাম ধরে, তুই করে ডাকে ) ও চিরদিন আমার সঙ্গে এমন ব্যবহার করে যেন আমি ওর চাকর । কথায় কথায় আমার সঙ্গে অকারনে দুর্ব্যবহার করে শ্রীতমা । শ্রীতমাকে দেখতে একদম বৌদির মতো, একইরকম ফর্শা আর সুন্দরী । কেন জানিনা, এত ছোট একটা মেয়ের হাতেও আমার অপমান্ত হতে খারাপ লাগে না, বরং ভীষণ ভাল লাগে । আমার মন চায় বৌদির সামনেই শ্রীতমা আমাকে যেভাবে খুশি অপমান করুক ।

আমি সেদিন বৌদির পায়ের কাছে বসে বৌদির পা টিপে দিচ্ছিলাম । বৌদির নীলচটি পরা পা দুটো কোলের উপর নিয়ে আমি যত্ন করে টিপে দিচ্ছিলাম । বৌদি একটা বই পড়তে পড়তে আমার সেবা নিচ্ছিল। হঠাত কলিং বেল বেজে উঠল , পরপর ৩ বার । শ্রীতমা স্কুল থেকে ফিরল ।

আমি ছুটে গিয়ে দরজা খুলে দিলাম । ঘরে ঢুকেই সম্পুর্ন অকারনে শ্রীতমা পরপর আমার দুইগালে দুটো থাপ্পর বসিয়ে দিল। “ দরজা খুলতে তোর কত সময় লাগে?”

আমি ভেবাচেকা খেয়ে গালে হাত বোলাতে লাগলাম । ও বেল বাজানোর ২০-৩০ সেকেন্ডের মধ্যেই আমি দরজা খুলে দিয়েছি । আর কত তাড়াতাড়ি দরজা খুলব? তবে শ্রীতমার সাথে তর্ক করার সাহস হল না আমার । আমি গালে হাত বোলাতে বোলাতে বললাম, “ সরি ম্যাডাম , ভূল হয়ে গেছে”।

আবার আমার বাঁ গালে বেশ জোরে একটা থাপ্পর মারল শ্রীতমা, “ গাল থেকে হাত সরা”। আমি হতভম্ব হয়ে আমার ডান গাল থেকে হাত সরালাম।

ঠাস !

ঠাস !!

ঠাস !!!

ডান গাল, বাঁ গাল, ডান গালে পরপর ৩ টে সজোরে থাপ্পর মারল শ্রীতমা।

“কি করিস তুই? দুপুরবেলা নাক ডাকিয়ে ঘুমানোর জন্য তোকে এই বাড়িতে রাখা হয়েছে ? রোজ দরজা খুলতে এত টাইম লাগাস কেন?”

বৌদিও এইঘরে এসে মুখে মুচকি হাসি ঝুলিয়ে তার মেয়ের হাতে আমার অপমান দেখছে । এই ছোট্ট মেয়েটার হাতে অপমানিত হতে চিরদিনই খুব ভাল লাগে আমার । আজও এই কমবয়সী সুন্দরী মেয়েটির হাতে অপমানিত হওয়ায় এক অসাধারন সুখে মন ভরে উঠেছিল আমার । শ্রীতমা এমনভাবে কথা বলছে যেন আমি ওদের মাইনে দিয়ে রাখা চাকর । আমার গালে অকারনে পরপর ৬ টা থাপ্পর মেরেছে ! তার জবাবে ওর প্রতি ভক্তিতে মন ভরে উঠল আমার । বৌদির সামনেই তার মেয়ের পায়ের উপর মাথা রেখে ওর জুতোর উপর মাথা ঘষতে লাগলাম। “ আমার ভূল হয়ে গিয়েছে ম্যাডাম । আর কোনদিন এরকম ভূল হবে না । প্লিজ, এবারের মতো ক্ষমা করে দাও আমাকে”।

জবাবে আমার মাথার উপর জুতো পরা ডান পা টা তুলে দিয়ে জুতোর তলাটা আমার মাথার উপর কিছুক্ষন বোলাল শ্রীতমা । তারপর, আমাকে অবাক করে দিয়ে আমার মাথার উপর জুতো পরা ডান পা দিয়ে পর পর দুটো লাথি মারল।

“ কিসের ক্ষমা? ভূলের কোন ক্ষমা নেই আমার কাছে । তোর জন্য কঠর শাস্তি অপেক্ষা করে আছে । ঘরে আয়’।

শ্রীতমা ওর স্কুলব্যাগটা নামিয়ে দিয়ে ভিতরের ঘরে চলে গেল। আমি ওর ব্যাগটা ওর টেবিলে রেখে ফ্রিজ থেকে একগ্লাস জল এনে শোফায় বৌদির ঠিক পাশে বসা শ্রীতমার হাতে দিলাম । তারপর শ্রীতমার পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসলাম । সঙ্গে সঙ্গেই ওর সাদা স্নিকার পরা ডান পা তুলে আমার মুখের উপর সজোরে একটা লাথি মারল শ্রীতমা ।

আমি টাল সামলাতে না পেরে উলটে পড়ে গেলাম । বৌদি একটুও আপত্তি করল না ওর মেয়েকে এইভাবে আমাক্র মুখে লাথি মারতে দেখে । উল্টে মেয়ের মাথায় হাত বুলিয়ে বলল, ‘আরও মার, এরকম অপদার্থ চাকরেরা মনিবের মার না খেলে ঠিক হয় না”।

আমি উঠে আবার শ্রীতমার পায়ের কাছে হাটুগেরে বসলাম । শ্রীতমা এবার আমার মুখের উপর জুতো পরা বাঁ পা দিয়ে একটা লাথি মারল। আমি আবার উলটে পড়ে গেলাম নিচে।

আমার একটুও খারাপ লাগছিল না শ্রীতমার কাছে আমার এই অপমান ।শ্রীতমা আমার চেয়ে প্রায় ১০ বছরের  ছোট তাতে কি হয়েছে ? শ্রীতমার মতো সুন্দরী মেয়ে আমার মতো সাধারন চেহারার ছেলের মুখে লাথি মারবে এটাই তো স্বাভাবিক ।

‘ আমার পায়ের তলায় শুয়ে পর কুত্তা’ ।  অপরুপা সুন্দরী শ্রীতমা হুকুম করল আমাকে ।

আমার আর একটুও খারাপ লাগছিল না । শ্রীতমার হাতে মার খাওয়ার আনন্দ মনকে এক অদম্য সুখ দিচ্ছিল । বৌদির সামনে আমার মুখে জুতো পরা পায়ে লাথি মারার জন্য শ্রীতমাকে আমি মনে মনে ধন্যবাদ দিলাম । শ্রীতমার আদেশ মেনে শুয়ে পরলাম ঠিক শ্রীতমার পায়ের কাছে মাথা রেখে ।

আমার সুন্দরী প্রভু শ্রীতমা ওর সাদা স্নিকার পরা পা দুটো আমার মুখের উপর তুলে দিল । শ্রীতমার ডান পা টা আমার ঠোঁটের উপর , আর বাঁ পা টা আমার কপালের উপর রাখা । নিজের জুতো পরা পায়ের তলা আমার মুখের উপর ঘষতে ঘষতে শ্রীতমা বৌদিকে বলল, ‘ মা, তুমিও ওর বুকের উপর পা তুলে দাও । ও তো আমাদের চাকর , আমাদের ক্রীতদাস । ওর জায়গা আমাদের পায়ের তলাতেই’।

বৌদি একবার আপত্তিও করল না ! শ্রীতমার কথায় ওর নীল চটি পরা পা দুটো তুলে দিল আমার বুকের উপর । শ্রীতমা আমার মুখের উপর ওর জুতোর তলা ঘষতে লাগল । জুতো পরা ডান পায়ের তলা দিয়ে আমার ঠোঁট একবার বাঁ দিকে , একবার ডান দিকে বেকিয়ে খেলতে লাগল আমার আরাধ্যা দেবী , আমার ফর্শা সুন্দরী প্রভু শ্রীতমা  । যাবতীয় খারাপ লাগা ছাপিয়ে এক অপরুপ আনন্দে ভরে উঠল আমার মন ।

শ্রীতমা একটু পরে জুতো পরা বাঁ পা দিয়ে আমার নাকের উপর জোরে একটা লাথি মেরে বলল, ‘ এই কুত্তা , আমার পা টিপে দে’।

প্রবল আনন্দে আমি দুই হাত দিয়ে শ্রীতমার বাঁ পা টা টিপতে লাগলাম যত্ন করে । আর শ্রীতমা ওর ডান জুতোর তলাটা আমার ঠোটে ঘষে খেলতে লাগল ।

একটু পরে শ্রীতমা ডান পা দিয়ে লাথি মারল আমার নাকের উপর । ‘জিভ বার কর, তোর প্রভু জুতোর তলা মুছবে’ ।

আমার জিভের উপর শ্রীতমা নিজের জুতোর তলা মুছবে ? আমার জিভ কি শ্রীতমার কাছে একটা পাপোশ ? যে জুতো পড়ে এক্ষুনি বাইরে থেকে এল শ্রীতমা , যার তলাটা ধুলো ময়লায় কালচে হয়ে আছে , সেই জুতোর তলা শ্রীতমা আমার জিভের উপর মুছবে ? প্রবল আনন্দে আমি নিজের জিভটা যতটা সম্ভব বার করে দিলাম । আমার মুখের বাইরে বার করা জিভের উপর শ্রীতমা নিজের ডান জুতোর তলাটা নামিয়ে দিল । আসতে আসতে আমার জিভে ঘষতে লাগল নিজের ডান জুতোর তলা । আমি সারা মুখ জুড়ে ধুলো কাদার অস্বস্তিকর স্বাদ পাচ্ছিলাম । কিন্তু এই ধুলোর উৎস আমার প্রভু , আমার আরাধ্যা দেবী শ্রীতমার জুতোর তলা থেকে আসছে, এই চিন্তা সেই স্বাদকেই অমৃত করে তুলেছিল । আমি গিলে খাচ্ছিলাম শ্রীতমার জুতোর তলার ময়লা , আর মাঝে মাঝে জিভটা মুখে ঢুকিয়ে জিভটা ভিজিয়ে নিয়ে আবার পরিষ্কার জিভটা বার করে দিচ্ছিলাম শ্রীতমার জুতোর তলা মোছার জন্য । বৌদি আমার বুকের উপর ওর চটি পরা দুই পা রেখে বসে নিজের মেয়ের কান্ড দেখছিল । শ্রীতমা আমার জিভের উপর ওর ডান জুতোর তলা ঘষছিল , আর আমি পরম ভক্তিতে আমার কপালের উপর রাখা শ্রীতমার জুতো পরা বাঁ পা টা টিপে দিচ্ছিলাম । শ্রীতমা প্রায় ১৫-২০ মিনিট আমার জিভের উপর নিজের ডান জুতোর তলা  ঘষল ।  ততক্ষনে শ্রীতমার ডান জুতোর তলা আয়নার মত চকচক করছে,  শ্রীতমার জুতোর তলায় আমি আমার মুখের অস্পষ্ট প্রতিবিম্ব দেখতে পাচ্ছি ।

এরপর শ্রীতমা ওর জুতো পরা ডান পা টা আমার গলার উপর রাখল । আমি জিভটা মুখের ভিতর ঢুকিয়ে শ্রীতমার ডান জুতোর তলার পুরো ময়লাটা ভক্তিভরে গিলে খেয়ে আবার জিভটা যতদূর সম্ভব বার করে দিলাম । শ্রীতমা এবার আমার জিভের উপর নিজের জুতো পরা বাঁ পায়ের তলাটা নামিয়ে দিল । আমার জিভের উপর নিজের নোংরা সাদা স্নিকারের তলাটা ঘষতে লাগল শ্রীতমা । আমি মাঝে মাঝে জিভটা মুখে ঢুকিয়ে প্রবল ভক্তিভরে আমার দেবী শ্রীতমার বাঁ জুতোর তলার ময়লা গিলে খেতে লাগলাম । তারপর আবার পরিষ্কার জিভটা বার করে দিতে লাগলাম যাতে আমার সুন্দরী ১০ বছরের ছোট প্রভু শ্রীতমা তার উপর নিজের জুতোর তলা মুছে পরিষ্কার করতে পারে । সেই সাথে আমি ভক্তিভরে শ্রীতমার জুতো পরা ডান পা টা টিপতে লাগলাম ।

প্রায় ১৫ মিনিট পর বাঁ জুতোর তলা নতুনের মত পরিষ্কার করে শ্রীতমা নিজের বাঁ পা আবার আমার কপালের উপর রাখল । আমি শ্রীতমার জুতোর তলার প্রতিটা ময়লার দানাও ভক্তিভরে গিলে খেয়ে নিলাম।

‘ওয়াও ! ও শুধু আর আমাদের চাকর নেই , পুরো স্লেভ হয়ে গেছে । তুই ওর মুখে জুতো পরা পা দিয়ে লাথি মারলি, ওর জিভের উপর জুতোর তলা ঘষে পরিষ্কার করলি , ও একটুও আপত্তিও করল না । আমি তো ১০ বছর ধরে ওকে চাকর বানিয়ে রেখেছি । তবু এতটা আমিও বিশ্বাস করতে পারছি না” । বিস্ময় চেপে রাখতে না পেরে বৌদি বলল ।

শ্রীতমা হেসে বলল, ‘এখন থেকে তো ও আমার স্লেভই । এইভাবেই রোজ ও আমার সেবা করাবে । তুমিও এখন থেকে এভাবেই ওকে দিয়ে সেবা করিও মা, দারুন মজা পাবে’।

শ্রীতমার কথা শুনে মুখে হাসি ঝুলিয়ে বৌদি উঠে দাড়াল । শ্রীতমা একটু সরে বসে আমার বুকের উপর ওর জুতো পরা পা দুটো রাখল । বৌদি আমার মুখের সামনে এসে কোমরে হাত দিয়ে দাড়াল , তারপর আমার মুখের উপর ওর নীল চটি পরা ডান পা টা তুলে দিয়ে চটির তলা দিয়ে আমার ঠোঁট দুটো ঘষতে লাগল ।গত ১০ বছর ধরে আমাকে দিয়ে পা টেপানোর বেশি কিছু বৌদি কখনও করেনি । একটা চড়ও আমাকে মারেনি আজ পর্যন্ত ! আর এখন , সেই বৌদিই  আমার মুখের উপর নিজের চটির তলা ঘষছে ! আমার খারাপ লাগাকে অনেক গুনে ছাড়িয়ে গেল এক তীব্র ভাল লাগা । দুই হাতে বৌদির চটি পরা ডান পা টা ধরে ওর চটির তলায় একটা গাঢ় চুম্বন করলাম আমি ।

জবাবে হাসিমুখে আমার মুখে আলতো একটা লাথি মারল বৌদি । আমি নিজে থেকেই দুই হাতে ওর চটি পরা ডান পা টা ধরে ওর চটির তলাটা জিভ দিয়ে চেটে পরিষ্কার করে দিতে লাগলাম । বৌদি হাসিমুখে কোমরে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে আমাকে দিয়ে ওর চটির তলা চাটাতে লাগল । ৫ মিনিট পর ডান পা নামিয়ে আমার ঠোঁটের উপর চটি পরা বাঁ পা রেখে এবার বৌদি নিজেই বলল, ‘ নে রনি, কুত্তার মতো তোর প্রভু বৌদির চটির তলা  চাট’।

এই বলে বৌদি হাসতে লাগল । আমি কুত্তার মতই জিভ বার করে বৌদির বাঁ চটির তলা চেটে নতুনের মত চকচকে করে দিলাম । ৫ মিনিট পর আমার মুখে চটি পরা বাঁ পায়ে একটা লাথি মেরে বৌদি শ্রীতমাকে বলল, ‘ এখন আমি রান্নাঘরে যাই, তোর টিফিন বানাতে হবে । পড়ে আবার তোর এই কুত্তাটাকে নিয়ে অনেক মজা করা যাবে । এই বলে বৌদি হাসতে হাসতে রান্নাঘরে ঘরে চলে গেল ।

শ্রীতমা আবার ওর জুতো পরা পা দুটো আমার মুখের উপর তুলে দিল । আমার মুখটা জুতোর তলা দিয়ে ঘষল কিছুক্ষন , তারপর আমার মুখের সর্বত্র একের পর এক জোরে জোরে লাথি মারতে লাগল জুতো পরা পা দিয়ে । আমার নাক, ঠোঁট, কপাল , গাল , সর্বত্র আছড়ে পড়তে লাগল আমার সুন্দরী প্রভু  শ্রীতমার পা । আমার ব্যথা লাগা সত্বেও এক প্রবল ভাল লাগায় আমার মন আচ্ছন্ন হয়ে গিয়েছিল ।  শ্রীতমা আমার প্রভু , আমার আরাধ্যা দেবী। আমাকে যখন খুশি, যত খুশি লাথি মারবে আমার প্রভু, আমার মালকিন শ্রীতমা । ইচ্ছা হলে আমার মুখে লাথি মারতে মারতে আমাকে মেরেও ফেলতে পারে শ্রীতমা । আমার বাধা দেওয়ার কোন অধিকার নেই ।

একটু পড়ে লাথি মারা থামিয়ে শ্রীতমা বলল, ‘ আমার জুতো খুলে দে এবার । তারপর পা ধুয়ে পা ধোয়া জল খা । তারপর রান্নাঘরে গিয়ে মায়ের কাছ থেকে টিফিন বানানো শেখ। এরপর থেকে আমাদের বাড়ির রান্নাও তোকে করতে হবে ।

‘ যথা আজ্ঞা প্রভু’, বলে আমার মুখের উপর রাখা শ্রীতমার জুতো পরা পা থেকে জুতো খুলে দিতে লাগলাম আমি ।