দেবী ঐশী

( ভূমিকা না পরে কেউ ব্লগে ঢুকবেন না । সম্পুর্ন ভূমিকা পড়ে তবেই গল্প, কমেন্ট পড়বেন বা নিজে কমেন্ট করবেন । অন্যথায় , আপনার কোন ভুল ধারনার জন্য আমি/ আমরা দায়ী থাকব না । )

দেবী ঐশী ( খোকা )

অজয় আর ঐশী দুই ভাই বোন । অজয়ের বয়স ২০, আর ঐশীর ১৬ । অজয় এখন কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র আর ঐশী পড়ে ক্লাস ১১ এ । ওরা দুজনেই মেধাবী ছাত্র ছাত্রী , কিন্তু অজয় দেখতে সাধারন আর ঐষী দারুন সুন্দরী । ফর্শা , সুন্দরী বোনের সুন্দর চেহারার পাশে নিজের সাধারন চেহারা নিয়ে ছোট থেকেই হিনমন্যতায় ভোগে অজয় , নিজেকে বোনের থেকে অনেক ছোট মনে করে । তবে একটু বড় হওয়ার পর থেকেই এই চিন্তা অজয়কে কখনও দুঃখ দেয় না । ছোট বোনকে দেবীজ্ঞানে সেবা করে সে এক অপূর্ব সুখ পায় । দাদাকে দিয়ে নিজের সেবা করিয়ে, কারনে অকারনে দাদাকে মেরে, অপমান করে ঐশীও চিরকাল এক অনাবীল আনন্দ পায় ।
সেটা ছিল এক শনিবারের সকাল । ওদের বাবা রোজকার মতো সেদিনও তাড়াতাড়ি অফিস চলে যায় । সকাল ৭.৩০ টার সময় ঐশী ঢোকে দাদার ঘরে । ছোট বোনকে দেখেই অজয় তাড়াতাড়ি উঠে এসে ভক্তিভরে বোনের নীল চটি পড়া পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করে । অজয় উঠলে অকারনেই ঐশী দাদার গালে বেশ জোরে একটা থাপ্পর মারে, “ এই গাধা, আমি একটু শপিংয়ে যাচ্ছি । তুই গিয়ে আমার ব্রেকফাস্ট রেডি কর”।
“ নিশ্চয় বোন”, বলে আবার ছোট বোনের পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করে বোনকে ধন্যবাদ দেয় অজয়, তাকে থাপ্পর মারার জন্য । এরপর বোনের পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে সাদা-কালো টপ আর কালো স্কার্ট পরা বোনের পায়ে কালো স্নিকারটা পড়িয়ে দেয় । পরম ভক্তিতে আবার বোনের জুতো পরা পায়ের উপর নিজের মাথা রেখে তাকে প্রনাম করে অজয় । জবাবে দাদার মুখে জুতো পরা ডান পা দিয়ে একটা লাথি মেরে বেড়িয়ে যায় ঐশী । ওদের মা পাশে বসে দেখতে থাকেন ওদের , কিছু বলে্ন না ।কারন উনি জানেন , অজয় আর ওর বোনের সম্পর্ক দেবী আর তার ভক্তের মতো ।
ঐশী শপিং করতে বেড়িয়ে যায় । আর অজয় বোনের জন্য একের পর এক সুস্বাদু খাবার বানাতে থাকে রান্নাঘরে গিয়ে । প্রায় ১ ঘন্টা পর ঐশী ফেরে । তার হাত থেকে শপিং ব্যাগ নিয়ে যত্ন করে তুলে রাখে অজয় । সোফায় বসা বোনের হাতে টিভি রিমোট আর টিফিন তুলে দেয় ওর পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে । তারপর অজয় শুয়ে পড়ে বোনের পায়ের তলায় । ঐশী নিজের জুতো পরা পা দুটো দাদার মুখের উপর তুলে দেয় । দাদার কপালের উপর বাঁ জুতোর তলা আর ঠোঁটের উপর ডান জুতোর তলা ঘষতে ঘষতে টিফিন খেতে থাকে । বোন যতক্ষন খায় ততক্ষন অজয় বোনের পায়ের তলায় শুয়ে ওর জুতো পড়া পা দুটো ভক্তিভরে টিপতে থাকে ।
প্রায় ৩০ মিনিট পর ঐশীর খাওয়া শেষ হলে অজয় ওর হাত থেকে প্লেটটা নিয়ে রান্নাঘরে আসে । তখন প্রায় ৯.৩০ টা বাজে । নিজের জন্য কয়েক পিস শুকনো পাউরুটি সেঁকে বোনের খাওয়া থালায় নিয়ে খাবে ঠিক করে । কিন্তু সে পাউরুটি সেঁকতে শুরু করার পরই দেখে বোন এসে রান্নাঘরে ঢুকল । সে সাথে সাথে পরমাসুন্দরী বোনের জুতো পরা পায়ের উপর মাথা রেখে বোনকে ভক্তিভরে প্রনাম করে আবার । অজয় উঠে দাড়াতেই ঐশীর দুই হাতের থাপ্পর পরপর তার দুইগালে আছড়ে পরে ।
“ সবসময় শুধু নিজে গেলার ধান্দা, তাই না ? আমার পা থেকে জুতো কে খুলবে ?”
অজয় সঙ্গে সঙ্গে ছোট বোনের পায়ের উপর মাথা রেখে শুয়ে পড়ে । বোনের জুতো পরা দুই পায়ের উপর চুম্বন করতে করতে ক্ষমা চাইতে থাকে ছোট বোনের কাছে ।
জবাবে দাদার মাথার উপর জুতো পরা পায়ে বেশ কয়েকটা লাথি মেরে ঐশী আদেশ দেয় , “ সোজা হয়ে আমার পায়ের তলায় শুয়ে পর”।
“ শুচ্ছি প্রভু” বলে বোনের জুতো পরা পায়ের কাছে মাথা রেখে চিত হয়ে শোয় অজয় । দরজার দিকে তাকিয়ে দেখে ওদের মা দরজার কাছে দাঁড়িয়ে হাসি মুখে বোনের হাতে ওর ডমিনেটেড হওয়া দেখছে ।
ঐশী ঘরের দেওয়ালে হেলান দিয়ে দাঁড়ায় , তারপর জুতো পরা বাঁ পা টা নিজের দাদার মুখের উপর রেখে দাদার মুখের উপর উঠে দাঁড়ায় , ডান পা টা দেওয়ালে ঠেকিয়ে । বোনের দেহের সমস্ত ভর এখন অজয়ের মুখের উপর রাখা বাঁ পায়ের উপর । প্প্রবল ব্যথা সত্বেও তাদের মায়ের সামনেই তার সাথে দেবীর মতো সুন্দরী বোনের এই ডমিনেটিং আচরনে বোনের প্রতি ভক্তিতে মন ভরে ওঠে অজয়ের ।
একটু পড়ে বোন তার জুতো পরা ডান পা টা দাদার মুখের উপর নামিয়ে বাঁ পা টা দেওয়ালে ঠেকিয়ে দাঁড়ায় ।তার কিছুক্ষন পর জুতো পরা দুটো পাই দাদার মুখের উপর রেখে দাঁড়ায় । প্রায় ১০ মিনিট দাদার মুখের উপর কালো স্নিকার পরা দুই পায়ে দাঁড়িয়ে থাকে ১৬ বছর বয়সী পরমা সুন্দরী ঐশী ।
এরপর ঐশী নেমে দাঁড়ায় দাদার বুকে, জুতো পরা বা পা দাদার বুকে রেখে জুতো পরা ডান পা দিয়ে দাদার মুখের উপর একের পর এক লাথি মারতে থাকে সে । দাদার মুখ, নাক্‌, গাল, ঠোঁট্‌, কপালে একের পর এক জুতো পরা ডান পায়ে লাথি মারতে থাকে সে । মাঝে মাঝে তার জুতো পরা বাঁ পাও আছড়ে পরতে থাকে দাদার মুখে । দাদার মুখে মায়ের সামনেই জুতো পরা পায়ে যত জোরে খুশি লাথি মারতে পারার প্রবল আনন্দে সে উদ্বেল হতে থাকে । পরমা সুন্দরী ছোট বোনের কাছে এভাবে অত্যাচারিত হতে পেরে অজয়ও এক অপূর্ব সুখ সাগরে ভাসতে থাকে । মাঝে মাঝেই বোনের জুতোর তলায় চুম্বন করে সে ধন্যবাদ জানাতে থাকে তার মুখে জুতো পরা পায়ে লাথি মারার জন্য ।
দাদার মুখে জুতো পরা দুই পা দিয়ে অন্তত ১০০ টা লাথি মেরে থামে ঐশী । শেষবারের মতো দাদার নাকের উপর ডান পা দিয়ে েকটা লাথি মেরে দাদাকে হুকুম করে, “ জিভটা বার করে দে এবার । আমি জুতোর তলা মুছব”।
সুন্দরী বোনের ডমিনেটিং আচরনে অজয় তখন মন্ত্রমুগ্ধ । সে যতটা পারে লম্বা করে নিজের জিভটা বার করে দেয়, যাতে তার উপর ঐশী নিজের জুতোর তলা মুছতে পারে ।
ঐশী প্রথমে দাদার জিভের উপর নিজের বাঁ জুতোর তলা নামিয়ে দেয় । নিজের নোংরা বাঁ জুতোর তলা দাদার জিভের উপর ঘষে পরিষ্কার করতে থাকে । আর অজয় ভক্তিভরে ছোটবোনের জুতোর তলার ময়লা গিলে খেতে থাকে । বাঁ জুতোর তলা নতুনের মতো পরিষ্কার হয়ে গেলে ঐশী একইভাবে ডান জুতোর তলা দাদার জিভের উপর ঘষে পরিষ্কার করতে থাকে ।
দুটো জুতোর তলাই দাদার জিভের উপর ঘষে নতুনের মতো পরিষ্কার করে ঐশী অজয়ের বুকের উপর থেকে নেমে দাঁড়ায় । অজয় বোনের জুতো পরা পায়ের উপর আবার মাথা নামিয়ে দেয় । ছোট বোনক দেবীজ্ঞানে তার জুতো পরা দুই পায়ের উপর ভক্তিভরে বারবার চুম্বন করতে করতে বলতে থাকে, ‘হে দেবী , এইভাবে রোজ আমাকে সবার সামনে তোমার সেবা করার সুযোগ দিয়’।
জবাবে ঐশী নিজের জুতো পরা ডান পা টা দাদার মাথার উপর তুলে দাদার মাথার উপর জুতোর তলা বুলিয়ে দাদাকে আদর করতে থাকে । ওদের মাও এগিয়ে আসে ওদের কাছে । ঐশীর পাশে দাঁড়িয়ে ওর মাথায় হাত বুলিয়ে বলে, “ তুই এভাবেই রোজ আমাদের সবার সামনে দাদাকে ডমিনেট করিস । তুই যখন ওকে ডমিনেট করিস আমার দেখতে খুব ভাল লাগে । ছেলেদের এভাবেই মেয়েদের সেবা করা উচিৎ । আজ থেকে অজয় তোর চাকর , তোর ক্রীতদাস । ওর জীবনের একমাত্র উদ্দেশ্য এখন তোকে খুশি রাখা । সারাজীবন ওকে তুই যেভাবে খুশি ব্যবহার করিস । তোর বাবাকেও তুই চাকরের মতো ব্যবহার করতে পারিস এখন থেকে”।
মায়ের কথা শুনে প্রবল আনন্দে মন ভরে ওঠে ঐশীর । “ থ্যাঙ্ক ইউ মা” বলে মাকে জড়িয়ে ধরে সে । আর ওর দাদা অজয় খালি পেটে সুন্দরী ছোট বোনের জুতো পরা দুই পায়ের উপর একের পর এক চুম্বন করে যেতে থাকে ভক্তিভরে ।