প্রভু রিয়া ( খোকা )

আমি বৌদির পায়ের কাছে বসে বৌদির পা টিপে দিচ্ছিলাম । হঠাত বৌদির মেয়ে রিয়া ঘরে ঢুকল । বৌদি ওর চটি পরা পা দিয়ে আমার মুখের উপর একটা লাথি মেরে বলল, ‘ যা গিয়ে রিয়ার সেবা কর’।

আমি বৌদির সবুজ চটি পরা পায়ের উপর নিজের মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করে বললাম, ‘ যথা আজ্ঞা প্রভু’।

তারপর ৪ হাত পায়ে হেঁটে পাশের চেয়ারে বসা ক্লাস ৯ এ পড়া রিয়ার পায়ের কাছে গিয়ে হাটুগেড়ে বসলাম । রিয়া তখনই স্কুল থেকে ফিরল । ওর পরনে স্কুলের শার্ট- স্কার্ট, পায়ে সাদা মোজা কালো জুতো । আমি রিয়ার পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসতেই রিয়া জুতো পরা বাঁ পায়ে বেশ জোরে একটা লাথি মারল আমার মুখে ।

“ এই কুত্তা , এটুকু আসতে কত সময় লাগে তোর ? তোকে দিয়ে সেবা করানোর জন্য তোর মালকিনকে অপেক্ষা করতে হবে নাকি ?” এই বলে রিয়া আবার আমার মুখে জুতো প্রা পায়ে জোরে লাথি মারল, এবার আমার নাকের উপর ।

আমি সঙ্গে সঙ্গে রিয়ার পায়ে পরে গেলাম । রিয়ার কালো জুতো পরা পা দুটো নিজের দুই হাতের পাতার উপর তুলে নিয়ে ওর দুই জুতোর উপর একের পর এক চুম্বন করতে করতে ওর কাছে ক্ষমা চাইতে লাগলাম । “ প্লিজ প্রভু, আমার ভুল হয়ে গেছে, এবারের মত প্লিজ আমাকে ক্ষমা করে দাও”। রিয়ার জুতো দুটোই বর্ষার কাদা লেগে নোংরা হয়ে আছে । সেই নোংরা জুতোর উপর আমি একের পর এক চুম্বন করে ওর কাছে ক্ষমা চাইতে লাগলাম ।

রিয়া একটু পরে ওর জুতো পরা ডান পা টা তুলে আমার মাথার উপরে রাখল । আমার মাথার উপর ওর জুতোর তলা বোলাতে বোলাতে বলল, ‘ ঠিক আছে কুত্তা । এবারের মতো তোকে কশমা করে দিলাম । এরপর এরকম ভুল করলে লাথি মেরে তোর নাক ফাটিয়ে দেব আমি ।“

আমি রিয়ার জুতো পরা বাঁ পায়ের উপর একের পর এক চুম্বন করতে করতে বলতে লাগলাম, “ ধন্যবাদ প্রভু । আর কখন এরকম ভুল করব না আমি” ।

রিয়া তখনও আমার মাথার উপর ওর জুতো পরা ডান পায়ের তলাটা বোলাচ্ছিল ।  হঠাত আমার মাথার উপর জুতো পরা পায়ে লাথি মেরে আমার ভাইঝি রিয়া বলল, “ নে কুত্তা, এবার তোর প্রভুর পায়ের কাছে মাথা রেখে সোজা হয়ে শুয়ে পরে প্রভুর পা টিপে দে, সারাদিন স্কুল করে তোর প্রভু ক্লান্ত হয়ে গেছে”।

আমি সঙ্গে সঙ্গে আমার ক্লাস ৯ এ পড়া সুন্দরী ভাইঝি রিয়ার জুতো পড়া বাঁ পায়ের উপর চুম্বন করে বললাম “ নিশ্চয় প্রভু”। তারপর বউদির সামনেই সোজা হয়ে রিয়ার পায়ের সামনে মাথা রেখে শুয়ে পরলাম । রিয়া একবার ওর মায়ের দিকে তাকিয়ে হাসল, তারপর ওর জুতো পড়া পা দুটো আমার মুখের উপর তুলে দিল । ওর জুতো পড়া ডান পা টা রাখল আমার ঠোঁটের উপর , আর বাঁ পা টা আমার কপালে । আমি আসতে আসতে আমার সুন্দরী ভাইঝি রিয়ার পা দুটো মন দিয়ে টিপতে লাগলাম আর রিয়া ওর জুতোর তলা দুতো আমার সারামুখে ঘসতে লাগল। ওর জুতো পড়া ডান পায়ের তলা আমার ঠোটের উপর ঘসে খেলতে লাগল আমার ভাইঝি রিয়া । আমি ভক্তিভরে রিয়ার পা টিপতে টিপতে ওর জুতর তলায় গাঢ় চুম্বন করতে লাগলাম । রিয়া আমার সেবা নিতে নিতে ওর মায়ের সাথে গল্প করতে লাগল, আর মাঝে মাঝে ওর জুতো পড়া একটা পা তুলে আমার মুখের সর্বত্র লাথি মারতে লাগল । ওর জুতো পড়া বাঁ আর ডান পা পালাক্রমে আমার ঠোঁট , নাক, গাল, কপালে আঘাত করতে লাগল । আর আমি আরও বেশি ভক্তিভরে আমার ভাইঝি রিয়ার সেবা করতে লাগলাম ।

একটু পরে রিয়া আদেশ করল, “ এই কুত্তা, এবার তোর জিভটা বার করে দে তো । তোর প্রভু জুতোর তলা মুছবে”।

আমি প্রবল ভক্তিভরে আমার জিভটা বার করে দিলাম যাতে আমার অর্ধেকেরও কম বয়সী ভাইঝি আমার বার করা জিভের উপর ঘসে নিজের জুতোর তলা পরিষ্কার করতে পারে । রিয়া একটুও দেরী করল না । আমি জিভ বার করতেই আমার বার করা জিভের উপর নিজের জুতো পড়া ডান পায়ের তলা নামিয়ে দিল । আমার জিভের উপর ঘষে নিজের জুতোর তলা পরিষ্কার করতে লাগল আমার ১৪ বছর বয়সী সুন্দরী ভাইঝি রিয়া । আর আমি প্রবল ভক্তিভরে রিয়ার জুতোর তলা থেকে গিলে খেতে লাগলাম পুরু কাদার স্তর ।

প্রায় ১৫ মিনিট আমার জিভের উপর ঘসে নিজের কাদাভর্তি জুতোর তলা নতুনের মত পরিষ্কার করে ফেলল রিয়া । আমি ভক্তিভরে গিলে খেয়ে নিলাম ওর জুতোর তলার সব ময়লা । তারপর আমার নাকের উপর একটা লাথি মেরে আমার বার করা জিভের উপর বাঁ জুতোর তলা নামিয়ে দিল রিয়া । আমি একই রকম ভক্তিভরে রিয়ার বাঁ জুতোর তলার কাদা গিলে খেতে লাগলাম ।