ঘরজামাই… ( খোকা )

আমার ঘুম ভাঙল মুখের উপর শক্ত কোন জিনিসের স্পর্শে । তাকিয়ে দেখি মেঝেতে শুয়ে থাকা আমার মুখের উপর নীল চটি পরা ডান পা টা তুলে দিয়ে আমার মুখের উপর চটির তলাটা ঘষছে আমার চেয়ে ৫ বছরের ছোট বউ রিমা, আমি যার চাকর হয়ে শ্বশুরবাড়িতে আছি ।

“ এই ছেলে, অনেক ঘুমিয়েছিস । তোর মালকিনকে ঘুম থেকে উঠে তোকে ঘুম থেকে তুলতে হচ্ছে, লজ্জা করে না তোর ? ছোট মালকিনের চোখে পরলে জুতো পড়া পায়ে লাথি মেরে তোর নাক , মুখ, দাঁত ভেঙ্গে দিত আজ । যা, এবার উঠে চা – জলখাবার রেডি কর আমাদের জন্য”। বউ নীল চটি পরা ডান পা দিয়ে আমার মুখের  উপর একটা আলতো লাথি মেরে বলল।

জবাবে আমি বউয়ের নীল চটির তলায় একটা গাঢ় চুম্বন করে বললাম, “ সরি ম্যাডাম, ভুল হয়ে গেছে । আর কখনও এরকম ভুল হবে না । প্লিজ তোমার চাকরকে এবারের মত ক্ষমা করে দাও”। তারপর উপুড় হয়ে শুয়ে বউয়ের নরম , ফর্শা দুই পায়ের পাতার উপর একের পর এক চুম্বন করতে করতে ক্ষমা চাইতে লাগলাম।

একটু পরে বউ ওর চটি পড়া বাঁ পায়ের পাতা আমার মাথার উপর রেখে বলল, “ ঠিক আছে যা । এবারের মত তোকে ক্ষমা করে দিলাম”।

আমি বউয়ের দুই পায়ের পাতায় চুম্বন করে ওকে ধন্যবাদ দিলাম । তারপর উঠে তাড়াতাড়ি ফ্রেশ হয়ে বউ, শালী আর শ্বাশুড়ির জন্য জলখাবার বানাতে লাগলাম । ঘড়িতে এখন ভোর সাড়ে ৬ টা, তবু এই বাড়িতে সবাই এর আগেই উঠে পড়ে । আজ শনিবার, আমার ছুটি । ফলে আজ বাড়ির সব কাজই আমাকে করতে হবে, রাজু হেল্প করবে সাথে । অন্যদিন তো আমি অফিস চলে গেলে ওকেই সব করতে হয় ।

রাজু আমার শালা, আমার বউ রিমা আর শালী সীমার ভাই, তবে এই বাড়ির রীতি অনুযায়ী ওকে বোনেদের চাকর হয়েই চলতে হয় । আমিও যেমন , ভাল চাকরি করা মোটা মাইনে পাওয়া জামাই হয়েও এই বাড়ির চাকরের বেশি কিছু না । বিশেষ করে আমার ছোট শালী সীমা যেভাবে আমাকে আর ওর দাদা রাজুকে ট্রিট করে, মনে হয় ক্রীতদাসের সাথেও কেউ কোনদিন এত খারাপ ব্যবহার করে নি । তবে সত্যি কথা বলতে, আমাদের সাথে যতই খারাপ ব্যবহার করুক পরমা সুন্দরী সীমা, আমাদের সেটা আসলে খুব ভাল লাগে !

আমার বয়স এখন ২৭, আমি একজন ইঞ্জিনিয়ার, একটি সফটওয়্যার কম্পানিতে মোটা মাইনের চাকরি করি ।  প্রায় ৬ মাস আগে আমার সাথে রিমার বিয়ে হয়েছিল । কাগজে বিজ্ঞাপন দেখে আমিই যোগাযোগ করেছিলাম । “বউ, শ্বাশুড়ি, শালীর সেবা করতে আগ্রহী ঘর জামাই চাই” লেখা বিজ্ঞাপনটা দেখে কৌতুহল বশেই যোগাযোগ করেছিলাম । ফেমডম লাভার হিসাবে মনে এক আশাও জেগে উঠেছিল । রাজুকে চাকরের মত বোন , দিদি আর মায়ের সেবা করতে দেখে দারুন ভাল লেগেছিল । বুঝেছিলাম বিয়ে হয়ে গেলে আমিও এই ৩ জন মেয়ের চাকরের হয়ে থাকতে পারব । তখন বুঝিনি, ওই ৩ জনের, বিশেষ করে ছোট শালী সীমার শুধু চাকর না , ক্রীতদাস হয়ে দিন কাটাতে হবে আমাকে !

আমার শ্বাশুড়ী নিভা দেবীর বয়স ৪০ এর কাছাকাছি, এখনও যথেস্ট সুন্দরী ও আকর্ষনীয়া । ১৫ বছর আগে স্বামীর সঙ্গে ডিভোর্স হয়ে যাওয়ার পর উনি একাই ৩ ছেলে মেয়েকে মানুষ করেছেন । উনার স্বামী বড় চাকরি করতেন, ডিভোর্সের পর যে মোটা টাকা খোরপোশ বাব্দ প্রতি মাসে পান, তাতেই সংসার ভাল ভাবে চলে যেত, সঙ্গে পার্ট টাইম বিভিন্ন কাজ করতেন তিনি । উনি একজন সম্পুর্ন ফিমেল সুপিরিওরিটি বিশ্বাসী মহীলা, ছেলে মেয়েকে সেই ভাবেই বড় করেছেন । ফলে তার দুই মেয়েও তার মত ডমিনেটিং হয়ে উঠেছে, আর ছেলে রাজু সাবমিসিভ । মা, দিদি আর ছোট বোনকে সারাজীবন ভক্তিভরে সেবা করে এসেছে রাজু ।

আমার বউ রিমার বয়স এখন ২২, সদ্য গ্র্যাজুয়েট হয়ে স্থানীয় এক স্কুলে পার্ট টাইম পড়ায় ।  রাজু ওর ২ বছরের ছোট ২০ বছর বয়স, কলেজে তৃতীয় বর্ষে পড়ে । আর সীমা রাজুর থেকে ৪ বছরের ছোট , এখন ওর বয়স ১৬, ক্লাস ১১ এ পড়ে ।

রিমা আর সীমা দুজনেই অপরুপ সুন্দরী দেখতে । আর মায়ের শিক্ষার ফলে দুজনেই প্রবল ডমিনেটিং, বিশেষ করে সীমা । সীমাকে দেখলে আমার যেরকম ভক্তি হয়, সেরকম ভয়ও পাই । উফফ, এত জোরে জোরে মারে ও, সহ্য করা যায় না !!

চা- জলখাবার রেডি করে আমি প্লেটে করে নিয়ে টিভি রুমে হাজির হলাম । আমার শ্বাশুড়ি আর স্ত্রী নরম সোফায় গা এলিয়ে বসে টিভি দেখছে । সীমা রাজুকে নিয়ে মর্নিং ওয়াকে গেছে । আমি ওদের হাতে টিফিন দিলাম । তারপর ওদের পায়ের কাছে মেঝেতে বসে পড়লাম । শ্বাশুড়ির পা থেকে চটি খুলে খালি পা দুটো কোলে তুলে তীপে দিলাম ১০-১৫ মিনিট । তারপর শ্বাশুড়ি পা দিয়ে আমার বুকে আলতো ঠেলা দিয়ে বলল, যা এবার বউয়ের সেবা কর ।

আমি একটু সরে এসে শ্বাশুড়ির বাঁ দিকে বসা আমার বউ রিমার পায়ের কাছে বসলাম । ওর নীল চটি পড়া পা দুটো থেকে সযত্নে চটি দুটো খুলে ওর পা দুটো কোলে তুলে নিলাম । তারপর সযত্নে ওর পা দুটো পালা করে চাকরের মত টিপতে লাগলাম আমি । আমার বউ বাঁ পায়ের উপর ডান পা তুলে বসে আমাকে দিয়ে পা টেপাতে টেপাতে আমার তৈরি টিফিন খেতে লাগল । আমি বউয়ের পা টিপতে টিপতে মাঝে মাঝে ওর ফর্শা, নরম ডান পায়ের পাতায় আর তলায় চুম্বন করে ওর প্রতি আমার ভক্তি প্রকাশ করতে লাগলাম । বউ জলখাবার শেষ করে চায়ের কাপটা হাতে নিল ।

ঠাস!!

হঠাত আমার বাঁ গালে বউয়ের ডান হাতের একটা থাপ্পর আছড়ে পরল । আমি ভেবাচেকা খেয়ে বউয়ের দিকে তাকালাম ।

“চায়ে কত চিনি দিয়েছিস গাধা? একটা কাজ ঠিক মত করতে পারিস না, তোকে বিয়ে করে আমার কি লাভ হল? সীমা এসে যখন এই চা খাবে তখন বুঝবি মজা কাকে বলে”।

আমি বউয়ের পায়ের পাতায় চুমু খেতে খেতে বারবার বলতে লাগলাম, “ ভুল হয়ে গেছে ম্যাডাম । প্লিজ ক্ষমা করে দিন আমাকে”।

আর তখনই বাইরের গেট খোলার শব্দ পেলাম । সীমা মর্নিং ওয়াক করে ফিরে এসেছে !

একটু পরেই রাজু আর সীমাকে ঘরের মধ্যে দেখা গেল । সীমা রাজুর পিঠের উপর উঠে বসে আছে, যেন ও ঘোড়ায় চড়েছে, এমন স্বাভাবিক ভাবে ! আর রাজু ছোট বোনকে পিঠে বসিয়ে ঘোড়ার মতই নিয়ে এসে একটা চেয়ারের সামনে দাড়াল । এইভাবেই বাড়ির সামনের গলি থেকে ছোট বোন সীমাকে রোজ পিঠে করে নিয়ে আসে রাজু । আশেপাশের সব লকই জানে এই বাড়িতে ছেলেরা চাকর, আর মেয়েরা মালকিন । সবাই রোজ এই কান্ড দেখতে দেখতে এখন অভ্যস্ত হয়ে গেছে, আর কিছু মনে করে না ।

সীমা দাদার পিঠের উপর থেকে নেমে চেয়ারে বসল । ওর পরনে জগিং করার ড্রেস । গায়ে নীল টি শার্ট , সাদা ট্রাউজার, পায়ে নীল মোজা, সাদা স্নিকার । প্রায় ঘন্টাখানেক জগিং করায় ওর ফর্শা দেহ ঘামে ভিজে একাকার হয়ে গেছে ।

সীমা চেয়ারে বসতে ওর দাদা রাজু ওর পায়ের কাছে শুয়ে শাষ্টাঙ্গে প্রনাম করল ওর জুতো পরা দুই পায়ের উপর মাথা ঠেকিয়ে । তারপর উঠে সীমার জন্য বাটিতে করে সাবান জল এনে ওর হাত ধুয়ে দিল যত্ন করে, গামছা এনে হাত মুছে দিল । তারপর আমার তৈরি করা চা – জলখাবার এনে ছোট বোনকে সার্ভ করল । সীমা ওর দিদি আর মায়ের সাথে গল্প করতে করতে আসতে আসতে টিফিন খেতে লাগল। রাজু ছোট বোনের জুতো পরা পা দুটো নিজের দুই হাতের তালুর উপর তুলে নিয়ে উপুড় হয়ে শুয়ে পপ্রে ৪ বছরের ছোট বোনের জুতো পড়া দুই পায়ের উপর পালা করে চুম্বন করতে লাগল । আমি তখনও আমার বউয়ের পা টিপতে টিপতে ওর পায়ের পাতায় চুম্বন করে চলেছি ।

একটু পরে রাজুর মাথায় বেশ জোরে একটা লাথি মেরে সীমা বলল “ আমার পায়ের তলায় শুয়ে পর কুত্তা”।

রাজু সিমার জুতোর উপর চুম্বন করে বলল, “জো হুকুম মালকিন”। তারপর সীমার জুত প্রা পায়ের কাছে মাথা রেখে সোজা হয়ে শুল ।

সীমা নির্দিধায় দিদি আর মায়ের চোখের সামনেই ৪ বছরের দাদার মুখের উপর নিজের জুতো পরা পা দুটো তুলে দিল । সীমা নিজের জুতো পড়া ডান পা টা রাখল দাদার ঠোঁটের উপর আর বাঁ পা টা কপালে ।

রাজু আসতে আসতে ওর সুন্দরী বোন রিয়ার পা দুটো মন দিয়ে টিপতে লাগল আর সীমা ওর জুতোর তলা দুতো রাজুর সারামুখে ঘসতে লাগল। ওর জুতো পড়া ডান পায়ের তলা রাজুর ঠোটের উপর ঘসে খেলতে লাগল ওর বোন সীমা । রাজু ভক্তিভরে সীমার পা টিপতে টিপতে ওর জুতোর তলায় গাঢ় চুম্বন করতে লাগল । সীমা ওর দাদার সেবা নিতে নিতে ওর দিদির সাথে গল্প করতে লাগল, আর মাঝে মাঝে ওর জুতো পড়া একটা পা তুলে রাজুর মুখের সর্বত্র লাথি মারতে লাগল । ওর জুতো পড়া বাঁ আর ডান পা পালাক্রমে রাজুর ঠোঁট , নাক, গাল, কপালে আঘাত করতে লাগল । আর রাজু আরও বেশি ভক্তিভরে ওর বোন সীমার সেবা করতে লাগল ।

একটু পরে সীমা আদেশ করল, “ এই কুত্তা, এবার তোর জিভটা বার করে দে তো । তোর প্রভু জুতোর তলা মুছবে”।

রাজু প্রবল ভক্তিভরে ওর জিভটা বার করে দিল যাতে ওর ৪ বছরের ছোট বোন সীমা ওর বার করা জিভের উপর ঘসে নিজের জুতোর তলা পরিষ্কার করতে পারে । সীমা একটুও দেরী করল না । রাজু জিভ বার করতেই ওর বার করা জিভের উপর নিজের জুতো পড়া ডান পায়ের তলা নামিয়ে দিল । আমার বানানো জলখাবার খেতে খেতে রাজুর জিভের উপর ঘষে নিজের জুতোর তলা পরিষ্কার করতে লাগল ওর ১৬ বছর বয়সী সুন্দরী ছোট বোন সীমা । আর রাজু প্রবল ভক্তিভরেসীমার জুতোর তলা থেকে গিলে খেতে লাগল পুরু কাদার স্তর ।

প্রায় ১৫ মিনিট রাজুর জিভের উপর ঘসে নিজের কাদাভর্তি জুতোর তলা নতুনের মত পরিষ্কার করে ফেলল সীমা। রাজু ভক্তিভরে গিলে খেয়ে নিল ওর জুতোর তলার সব ময়লা । তারপর রাজুর নাকের উপর একটা লাথি মেরে ওর বার করা জিভের উপর বাঁ জুতোর তলা নামিয়ে দিল সীমা। রাজু একই রকম ভক্তিভরে রিয়ার বাঁ জুতোর তলার কাদা গিলে খেতে লাগল ।

বউয়ের নির্দেশে আমিও তখন একইভাবে বউয়ের পায়ের তলায় শুয়ে পড়েছি । আমার বউ রিমা আমার মুখের উপর ওর নীল চটি পড়া পা দুটো তুলে দিয়ে আমার মুখের সর্বত্র ওর চটির তলা দুটো ঘষছে ।  আমি বউয়ের চটির তলায় একের পর এক চুম্বন করতে করতে আমার মুখের উপর রাখা বউয়ের পা দুটো ভক্তিভরে টিপছি । হঠাত সীমা হুঙ্কার ছাড়ল, “ এই বড় কুত্তা, এদিকে আয়, ছোট কুত্তা, তুই উঠে গিয়ে দিদির সেবা কর ততক্ষন ”।

আমি আর রাজু এক ঘরে থাকলে সীমা আমাকে বড়ো কুত্তা আর রাজুকে ছোট কুত্তা বলে ডাকে । আমি ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে তাকিয়ে দেখি সীমার হাতে চায়ের কাপ ধরা । আমি যে তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে চায়ে বেশি চিনি দিয়ে ফেলেছি আজ !! আমি আসতে আসতে কাঁপতে কাঁপতে উঠে গিয়ে আমার প্রভু সীমার পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসলাম ।

রাউ ততক্ষনে উঠে এসে ওর দুই বছরের বড় দিদি আমার বউ রিমার পায়ের তপ্লায় শুয়ে পড়েছে ।  রিমার চটি পড়া পা দুটো মুখের উপর রেখে ও ভক্তিভরে ২ বছরের বড় দিদির পদসেবা করছে আর রিমা ছোটো ভাইয়ের মুখের উপর নিজের চটির তলা দুটো ঘষছে ।

আমি হাতজোড় করে আমার ছোটো শালী সীমার পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসলাম ।

আমার বাঁ গালের উপর একটা সজোরে থাপ্পর মেরে সীমা বলল, “ বলত কুত্তা, কি ভুল করেছিস তুই?” সীমা ওর জুতো পড়া ডান পা টা আমার কোলের উপর রাখল, আর জুতো পড়া বাঁ পা টা আমার ডান কাঁধের উপর তুলে দিল ।

আমি মাথা নিচু করে বললাম “ তোমাদের চায়ে বেশি চিনি দিয়ে ফেলেছি প্রভু । এবারের মত ক্ষমা করে দাও প্রভু, এরকম ভুল আর কখনও হবে না । আমি এক্ষুনি তোমাদের জন্য আবার চা করে আনছি”।

সীমার জুতো পড়া ডান পা আমার কোলের উপর থেকে সপাটে আছড়ে পড়ল আমার নাক আর ঠোঁটের উপর । সীমার জুতো পড়া বাঁ পা আমার কাধ শক্ত করে চেপে ধরে না থাকলে আমি উলটে পরে যেতাম”।

“ক্ষমা ? এখনও ক্ষমা চাস ? তোর লজ্জা করে না?” সীমার জুতো পড়া বাঁ পা আমার ডান গালের উপর আছড়ে পড়ল একবার তারপর আবার আমার কাঁধের উপর এসে থামল আগের মত।

“ ক্রীতদাস হয়ে প্রভুর সেবায় গাফিলতি করলে কোন ক্ষমা হয় না । আজ লাথি মারতে মারতে মেরেই ফেলব তোকে”।

সীমার ডান পায়ের লাথি প্রবল জোরে আছড়ে পড়ল আমার বাঁ গালে, আমি উল্টে মাটিতে পরে গেলাম এবার , তাকিয়ে দেখি মন দিয়ে রাজু নিজের ২ বছরের বড় দিদি রিমার বাঁ পা টা টিপছে, আর রাজুর বার করা জিভের উপর রিমা নিজের নীল ডান চটির তলাটা ঘষে পরিষ্কার করছে ।

আমার থেকে ১১ বছরের ছোট ফর্শা সুন্দরী শালী সীমা এগিয়ে এসে আমার বুকের উপর ওর জুতো পড়া বাঁ পা টা রেখে দাড়াল, তারপর বাঁ পায়ের উপর ভর দিয়ে উঠে দাড়াল আমার বুকের উপর । পরপমুহুর্তেই ওর জুতো পড়া ডান পা টা প্রবল জোরে আঘাত করল নাকের উপর ।  সীমা থামল না, একের পর এক লাথি মেরে চলল ওর জুতো পড়া ডান পা দিয়ে , আমার মুখের সর্বত্র , বিশেষত নাক আর ঠোঁটের উপর । ২০-২৫ টা লাথি খাওয়ার পর আমি আর সহ্য করতে পারলাম না । আমার পরম আরাধ্যা প্রভু সীমার লাথি খেতে খেতে জ্ঞান হারিয়ে ফেললাম ।

( চলবে )