দিদি পুজো (By SLAVE/ মেয়েদের কুকুর)

আমি খুব ছোট থাকতেই এক এক্সিডেন্টে আমার মা বাবা মারা যান। আমার বয়স তখন ১১ । আর আমার দিদির বয়স ১৫। পুরো পৃথিবীতে শুধু আমি আর দিদি। দিদি খুব ভালো ছাত্রী ছিলো।
সে টিউশনি করে সংসার চালাতে লাগলো। আমার দিদির রক্ত পানি করা পরিশ্রমের টাকায় আমি পড়াশোনা করতে থাকি। আমার দিদিই আমাকে খাইয়ে পড়িয়ে মানুষ করে তোলে।
এখন আমি কলেজে উঠেছি। এস.এস.সি তে এ+ পেয়েছি। আর দিদি চাকরি পেয়েছে পুলিশে। সরকারের দেওয়া কোয়ার্টারে উঠেছি আমরা ভাই বোন। জীবন যাত্রা উন্নত হয়েছে। আমার দিদি এখন
এক সুন্দরী যুবতী। নামকরা পুলিশ অফিসার। গাড়িতে করে চলাচল করে। ছোট থাকতে খুব বেশী বুঝতাম না,কিন্তু এখন বুঝতে পারি দিদি না থাকলে আমার কি যে হত। আমার দিদির কারনেই আজ
মানুষ হতে পেরেছি। কষ্টের দিনগুলোর কথা ভাবলেই দিদির প্রতি শ্রদ্ধায় মাথা নুইয়ে আসে।
আজকেও শুয়ে শুয়ে আগের দিনের কথা ভাবছিলাম। কত কষ্টই না করেছে আমার দিদি টা! কিন্তু আমি কি কখনো আমার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে পেরেছি ঠিকমত? হ্যা আমি বাধ্য ছেলের মত চলেছি,বখে
যাইনি,কিন্তু শুধু এটুকুই যথেস্ট না। আমার দিদি মানুষ না,আমার দিদি দেবী। আর দেবীকে পুজো করেই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে হয়। তাই মনে মনে ঠিক করলাম আজ থেকে দিদিকে দেবী জ্ঞ্যান করে চলবো।
দিদির ডিউটি শেষ হয় রাত ৮টায়। সাড়ে আটটার দিকে দিদি চলে এলো বাসায়। আমি দরজা খুলে দিলাম। আমার সামনে দাঁড়িয়ে আছে আমার অনিন্দ্য সুন্দরী দিদি। ৫ ফিট ৩ ইঞ্চি লম্বা,গরমে লাল হয়ে যাওয়া
গায়ের রঙ (দিদি খুবই ফর্সা),চুল খোপা করে রাখা,পুলিশের টাইট ইউনিফর্ম পরা এক দেবী। এতো সুন্দর লাগছে,এমন সুন্দর কেবল দেবীরাই হতে পারে।
আমাকে দেখে মিস্টি হাসলো দিদি। আমার গাল টিপে দিয়ে ঘরে ঢুকে সোফায় ধপ করে বসলো দিদি। অনেক ক্লান্ত হয়ে আছে। আমি গিয়ে দিদির পায়ের সামনে বসে পরলাম। দিদির বুট পরা একটা পা আমার
কোলে তুলে নিলাম। অবাক হয়ে গেলো দিদি,’কি রে শুভ,কি হয়েছে তোর? পা ধরে আছিস যে?’
আমার মনে পরে গেলো দিদির কস্টের কথা। নিজে না খেয়ে আমাকে ভালো ভালো খাবার খাইয়েছে আমার দিদি। গরমের সময় সারা রাত না ঘুমিয়ে আমাকে বাতাশ দিয়েছে। এইসব ভেবে টপ টপ করে আমার
চোখ দিয়ে পানি পরতে লাগলো।দিদি অবাক হয়ে গেলো। আমার গালে হাত দিয়ে বললো ‘কি হয়েছে তোর লক্ষ্মী সোনাটা? বল আমাকে’
আমি দিদির বুট পরা পায় আমার মুখ চেপে ধরলাম। চুমু দিতে লাগলাম দিদির বুটে। আর বললাম ‘দিদি,কত কস্ট করেই না আমাকে মানুষ করেছো তুমি। নিজে না খেয়ে খেয়ে আমাকে খাইয়েছো। না ঘুমিয়ে
ঘুমিয়ে আমার সেবা করেছো। কিন্তু আমি কি করলাম তোমার জন্যে? কিছুই না! কত কস্ট করে আসো সারাদিন। একটুও সেবা করিনা তোমার। তুমি আমার দেবী গো দিদি। তোমার সেবা না করতে পারলে
আমি মরে যাবো। আমার চামড়া কেটে জুতা বানিয়ে দিলেও তোমার ঋণ শোধ হবেনা। আমাকে শুধু একটু সেবা করতে দাও তোমার দিদি। আমার চেয়ে সুখী আর কেউ হবেনা।তুমি ই পৃথিবীতে আমার সব।
আমার আপন। আমার আর কেই নেই। তোমার সেবায় নিজের জীবন উৎসর্গ করে একটু হলেও তোমার ঋণ টা শোধ করতে চাই দিদি।’ বলে দিদির বুট পরা পায়ে নাক মুখ ঘষতে লাগলাম
দিদির চোখেও পানি চলে আসলো। আমাকে পা থেকে টেনে বুকে জড়িয়ে ধরলো,বললো ‘সোনা আমার লক্ষ্মী আমার,তোকে অনেক ভালোবাসি আমি। আমাকে সেবা করে যদি তুই সুখি হস,তাহলে কর তোর যত
ইচ্ছা। লক্ষ্মী সোনা ভাই আমার’ বলে আমার কপালে চুমু দিলো দিদি। তারপর চোখ মুছিয়ে দিলো।
হাসিতে ভরে গেলো আমার মুখ। বললাম ‘সারাদিন ডিউটি করে এসেছো। একটু ফ্যানের নিচে জিরিয়ে নাও। আমি তোমার পা টিপে দিচ্ছি। তারপর গোসলে ঢুকিও। তখন আমি খাবার রেডি করে ফেলবো’।
মিষ্টি হাসলো দিদি। বললো ‘ঠিকাছে দে।আমারো পা দুটোয় অনেক ব্যাথা করে প্রতিদিন। এখন থেকে আমার সোনা ভাইটা টিপে দিয়ে দিদির ব্যাথা দূর করে দিবে,তাইনারে সোনা?’
ততক্ষনে আমি দিদির ডান পা থেকে বুট টা খুলে এনেছি। জুতা মোজার গন্ধে ঘরের বাতাস ভারী হয়ে গেলো। দিদির কালো মোজা পরা ডান পাটার নিচে একটা গভীর চুম্বন করে আমি বললাম ‘অবশ্যই
দিদি। প্রতিদিন টিপে দিবো আমার দিদির পা’। খুব খুশি হলো দিদি। হাসিতে ভরে গেলো সুন্দর ফর্সা মুখটা। বললো ‘পায়ে অনেক গন্ধ রে শুভ’।আমি বললাম ‘একটুও না। এগুলা কোন সাধারণ পা না।
আমার দেবী দিদির স্বর্গীয় পা এগুলো।দেবীর পায়ের গন্ধ ও যেকোন সুগন্ধির চেয়ে ভালো’। বলে দিদির মোজা পরা পা টা আমার নাকে চেপে ধরে গভীর ভাবে শ্বাস নিলাম একটা। হাহাহা করে হেসে উঠলো
দিদি। ‘পাগল ভাই তুই আমার’ বলে কালো মোজা পরা ডান পা টা বেশ করে আমার মুখে ঘসে দিয়ে আদর করে দিলো। ততক্ষনে বা পায়ের বুটটাও খুলে এনেছি। দুটি পাই এবার কোলে নিয়ে বেশ করে
টিপে দিতে থাকলাম। আরামে চোখ বন্ধ হয়ে গেলো দিদির। কিছুক্ষন পর পা দুটো আমার মুখের সামনে এনে মোজা খুলে দিতে ইশারা করলো দিদি। আমি আসতে করা মোজা গুলো খুলে আনলাম। দিদির
ফর্সা পা দুটো এখন আমার মুখের সামনে। গভীর ভাবে চুম্বন করলাম দুটি পায়ের নিচেই। দিদি পায়ের তলা আমার গালে লাগিয়ে বললো ‘সোনা ভাই আমার’।তারপর বললো ‘যাই গোসল করে আসি। তুই মোজা
গুলো ধুয়ে দে। জুতাটা সাফ করে রাখ। আর খাবার গরম কর।’ বলে উঠে দাড়ালো দিদি। আমি দিদির পায়ে নিজের মাথা নামিয়ে এনে চুমু দিতে লাগলাম। চুপচাপ দাঁড়িয়ে ভাইয়ের কান্ড দেখতে লাগলো দিদি।
আর মুচকি মুচকি হাসতে লাগলো। আমি চুমু দিতেই লাগলাম দিতেই লাগলাম। দিদি আমার মাথার উপর একটি পা তুলে দাঁড়ালো। চুল গুলো পা দিয়ে এলোমেলো করে দিয়ে বললো ‘হয়েছে,পরে সেবা করিস,
এখন গোসলে ঢুকি’,বলে মিস্টি হাসলো। আমি বললাম ‘ঠিকাছে দিদি’
দিদি গোসলে ঢুকলো। আমি দিদির মোজা ধুয়ে দিলাম। বুটগুলো পরিস্কার করে রাখলাম। খাবারো গরম করলাম। ২০ মিনিট পর দিদি বেরিয়ে এলো। নিজের রুমে ঢুকে লোশন মাখতে লাগলো
হাতে পায়ে। আমি দিদির চটি জোড়া হাতে নিয়ে দিদির পায়ের সামনে মাথা নুইয়ে বসে পরলাম। নিজ হাতে পরিয়ে দিলাম চটি জোড়া। তারপর বললাম ‘খাবার রেডি দিদি’। দিদি আমার গালে
হাত বুলিয়ে দিয়ে বললো ‘চল খেয়ে ফেলি’।
একসাথে রাতের খাবার খেলাম আমরা। খাওয়া শেষ করে দিদি টিভি দেখতে বসলো পায়ের উপর পা তুলে।আমি দিদির পায়ের সামনে বসে পরলাম। বললাম ‘তুমি টিভি দেখো দিদি। আমি পা
টিপে দেই’।মিস্টি হাসলো দিদি। আমি প্রায় এক ঘন্টা দিদির পা টিপে দিলাম। আর ফাকে ফাকে চুমু দিতে লাগলাম পায়ের নিচে।নাক মুখ ঘষতে লাগলাম। দিদি বললো ‘আমার ভাই আমাকে এত
ভালোবাসে তা আগে বুঝিনি। তুই এইভাবে আমার সেবা করছিস,নিজের কাছেই ভালো লাগছে ব্যাপারটা।তোকে আরও বেশী আপন মনে হচ্ছে রে সোনা’।আমি দিদির পায়ের নিচে গভীর চুম্বন করে
বললাম ‘তুমি আমার দেবী দিদি। তোমার পায়ের নিচেই আমার প্রকৃত স্থান দিদি।আমি তোমার পা ধোয়া পানি খেতে চাই প্রতিদিন। তাহলে আমার জীবন সাফল্য ভরে যাবে।আমার দিদির স্বর্গীয়
পায়ের ধোয়া জল আমার জন্যে এক স্বর্গীয় প্রসাদসম’ বলে চুমুর পর চুমু দিতে লাগলাম দিদির ফর্সা পায়ের নিচে
দিদির চোখে খুশিতে পানি চলে এলো। ‘ওরে আমার সোনা’ বলে পায়ের তলা আমার পুরো মুখে ঘষতে লাগলো দিদি,বললো ‘কর আমাকে পুজা ভাই আমার।তুই সুখী হলেই আমি সুখী। যা পানি
আর গামলা নিয়ে আয়’।আমি তাড়াতাড়ি পানি আর গামলা নিয়ে এলাম। আমার দিদির ফর্সা পবিত্র পা দুটি সযত্নে ধুইয়ে দিলাম। তারপর ঢকঢক করে খেয়ে নিলাম দিদির পা ধোয়া পানি।
তারপর দিদির পায়ের সামনে মাথা নামিয়ে দিলাম। বললাম ‘আমাকে আশীর্বাদ করে দাও দিদি,যাতে অনেক বড় হতে পারি জীবনে আর সারা জীবন তোমার সেবা করতে পারি’।ছলছল চোখে
উঠে দাড়াল দিদি।পায়ে চটি পরে নিলো। তারপর চটি পরা একটি পা আমার মাথার উপর রাখলো। চটির তলা ঘসে আমাকে আদর করতে করতে বললো ‘আশীর্বাদ দিলাম তোকে লক্ষ্মী সোনা,
জীবনে অনেক বড় হবি তুই।আজ তোকে নিয়ে আমি অনেক গর্বিত। এমন ভাই যেন দুনিয়ার প্রতিটি দিদি পায়’।তারপর আমাকে পা থেকে টেনে তুললো। বুকের মধ্যে আমার মাথাটা চেপে ধরে
আদর করতে লাগলো দিদি। তারপর কপালে চুমু দিয়ে বললো ‘এখন ঘুমিয়ে যাই চল। সকালে আবার ডিউটি আছে।৬টায় উঠে যাবো আমি।তোর কলেজ তো ৯ টায় তাইনা?তুই টাইমলি উঠে
কলেজে চলে যাস’। আমি বললাম ঠিকাছে দিদি
সকালে ঘুম থেকে উঠে দিদি অবাক। অন্যদিন ঘুম থেকে উঠে নিজে নিজে নাস্তা রেডি করে খেতো দিদি। আমার জন্যেও বানিয়ে রেখে যেতো। আজ দিদি দেখছে টেবিলে নাস্তা রেডি!বিছানার পাশে
দিদির পুলিশ ইউনিফর্ম ইস্ত্রি করে রাখা! চকচক করছে বুট জোড়া! দিদি খাবার টেবিলে এসে দেখলো আমি ব্রেডে জেলি মাখিয়ে দিচ্ছি। অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলো দিদি ‘কি রে শুভ! তুই
এত সকালে জেগে গেছিস যে! আর নাস্তা রেডি,কাপড় ইস্ত্রি এগুলো কে করেছে রে?’। আমি ব্রেড প্লেইটে রেখে দিদির পায়ের সামনে এসে বসে পরলাম। দিদির পায়ে চুমু দিয়ে বললাম ‘আমি
খুব ভোরে উঠে সব করে রেখেছি দিদি।তোমার গোসলের পানিও রেডি করে রেখেছি।এখন থেকে তোমাকে আর কস্ট করতে হবেনা। তুমি রানীর মত থাকবে। সারা জীবন অনেক কস্ট করেছো
আমার জন্যে। এখন প্রতিদানের সময় আমার’।
খুশিতে দিদির চোখ ভিজে গেলো।চটি পরা ডান পা টা আমার মাথার উপর তুলে ঘষতে ঘষতে বললো ‘সোনা ভাই আমার,তোকে অনেক আশীর্বাদ করে দিলাম,অনেক বড় হ’। আমি দিদির পায়ে
এমন ভাবে মাথা ঘষতে লাগলাম যেন কুকুর তার মনিবের পায়ে মাথা ঘসছে।দিদি গোসল করে আসার পর বললাম ‘তুমি রেডি হয়ে খেতে বসে পর দিদি। লেইট হয়ে যাবে শেষে। জুতা আমি
পড়িয়ে দিবো।তুমি জাস্ট কাপড় পরে ফেলো’। দিদি আমার গাল টিপে দিয়ে মিস্টি হেসে বললো ‘ঠিকাছে আমি আসছি’। তারপর পুলিশের ইউনিফর্ম পরে এসে নাস্তা খেতে বস্লো।আমি দিদির বুট
জোড়া আর একজোড়া পরিস্কার নীল মোজা নিয়ে এসে টেবিলের নিচে ঢুকে গেলাম।দিদির পায়ে প্রথমে মোজা গুলো পড়িয়ে দিলাম। ডান পায়ে মোজা পড়িয়ে পা টা আমার মুখের উপর এনে
রাখলাম। তারপর অন্য পায়ে মোজা পড়িয়ে দিলাম। দিদি খেতে খেতে হাসি মুখে দেখতে লাগলো ভাইয়ের সেবা করা।এবার বুট গুলো পড়িয়ে দিলাম। ঘষে চকচকে করে ফেলেছি আগের রাতে।
বুট পড়িয়ে দিয়ে আমার কপাল মাটিতে লাগিয়ে সিজদাহর মত শুয়ে থাকলাম দিদির সামনে। আর দিদির বুট পরা পা গুলো আমার মাথার উপর রাখলাম
সে এক অপরূপ দৃশ্য। দেবীর কাছে নিজেকে সমর্পণ করার এক দৃশ্য। আমার মাথার উপর বুট পরা পা রেখে আমার দেবী দিদি নাস্তা খাচ্ছে,আর আমি দিদির পায়ের নিচে দিদিকে সেজদাহ করছি,
আমার জীবন টাই আজ সার্থক মনে হচ্ছে।এখানেই তো আমার আসল স্থান। এতদিন কেন বুঝিনি তা ভেবে আফসোস হচ্ছে
দিদির খাওয়া শেষ হলে চোখা বুটের আগা দিয়ে আমার মাথায় আলতো করে টোকা দিয়ে বললো ‘হয়েছে,এবার ওঠ। আমি গেলাম। তুই কলেজে যাস,কেমন?’। আমি উঠে দাড়িয়ে বললাম ‘ঠিক আছে
দিদি’। দিদি মিস্টি হেসে আমার গালে হাত বুলিয়ে দিয়ে চলে গেলো।দিদি চলে যাওয়ার পর আমি একটু রেস্ট নিলাম। তারপর সময় হলে কলেজে গেলাম। বিকালে বাসায় ফিরে আসলাম। এসে
কোন বিশ্রাম নেই,কিভাবে আমার দেবীর সেবা করা যায় সেটা ভাবতে লাগলাম। দিদির ঘর খুব সুন্দর করে অনেকক্ষণ সময় নিয়ে গুছিয়ে রাখলাম। দিদির জন্যে নুডুলস বানিয়ে রাখলাম। দিদির
পা ধুইয়ে দেওয়ার জন্যে দোকান থেকে স্পঞ্জ কিনে আনলাম। দিদি আসবে রাত ৮ঃ৩০ এর দিকে। ভাবলাম মাত্র ৬টা বাজে।কিছুক্ষন ঘুমিয়ে নেই।
৭টার সময় কলিংবেলের আওয়াজে ঘুম ভেঙে গেলো। এই অসময়ে আবার কে এলো? ধুর। মেজাজটাই বিগড়ে গেলো। দিয়ে দরজা খুললাম। দেখি দিদি দাঁড়িয়ে আছে। সাথে সুন্দরী এক মেয়ে,দিদির
বয়সী ই হবে। আমি অবাক হয়ে বললাম ‘দিদি তুমি এত তাড়াতাড়ি যে?’। দিদিকে একটু বিরক্ত মনে হলো। বললো ‘আমরা ১০ মিনিট ধরে দাঁড়িয়ে আছি। কোথায় ছিলি শুভ?’আমি সাথে
সাথে দিদির পায়ে পরে গেলাম। দিদির বুটে নাক মুখ ঘষতে ঘষতে বললাম ‘আমি ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। প্লিজ দিদি আমাকে ক্ষমা করে দাও। আমার দিদিকে দাড় করিয়ে রেখে এত কস্ট দিয়েছি
আমি। আর কখনো এমন হবেনা প্লিজ প্লিজ প্লিজ আমাকে মাফ করে দাও’। দিদি হাসিমুখে তাকালো পাশের মেয়েটির দিকে। বললো ‘দেখেছিস,বলেছি না আমার সোনা ভাইটা আমাকে দেবীর মত
পুজা করে? এবার বিশ্বাস হলো তো?’। মেয়েটি অবাক হয়ে বললো ‘আমিতো প্রথমে বিশ্বাস ই করিনি। আসলেই তো!’। অইদিকে আমি দিদির বুটে মাথা ঘষা চালিয়ে যাচ্ছি। দিদি হাসিমুখে আমার
মাথার উপর বুট পরা একটি পা রেখে দাড়ালো’। বললো ‘আমার সোনা ভাইয়ের উপর কি আমি রাগ করতে পারি? দিদি তোকে ক্ষমা করে দিয়েছি।ওঠ এবার’ বলে বুটের তলা আমার মাথায়
ঘষে ঘষে আদর করতে লাগলো।দিদির বুটের ময়লা আমার চুলে লাগতে লাগলো। আমি উঠে দাঁড়ালাম। দিদির পাশের মেয়েকে দেখিয়ে বললো ‘ও আমার বান্ধবী প্রিয়াঙ্কা। আমাকে দেখতে এসেছে
অনেকদিন পর। তাই আগে আগে ছুটি নিয়ে চলে এসেছি’। আমি তাকালাম প্রিয়াঙ্কা দির দিকে। দিদির চেয়েও লম্বা,দারুন স্মার্ট। টাইট জিন্স,নিল টপস আর লাল হাই হীল পরনে। আমি প্রিয়াঙ্কা দির
পায়ের কাছে মাথা নিচু করে বসে লাল হাই হীল পরা পায়ে চুমু দিলাম। বললাম ‘নমস্কার দিদি। কেমন আছেন?’।প্রিয়াঙ্কা দি খুব খুশি হলো। বললো ‘এভাবে কেউ আমাকে কখনো এত সম্মান
দেয়নি। অনেক ভালো আছিরে ভাই। তুই ভালো আছিস তো? সেই ছোটবেলা দেখেছিলাম তোকে।’ আমি বললাম জি ভালো। আপনারা আসুন।
দিদিরা বাসায় ঢুকে সোফায় বসলো। আমি দিদির পায়ের কাছে বসে পরলাম। দিদি হেসে আমার কাধের ওপর বুট পরা একটা পা রাখলো। বললো ‘এইভাবে সারাদিন আমার পায়ের সামনে
পরে থেকে দিদির সেবা করে আমার সোনা ভাইটা। দিদির সেবা করাই ওর এক মাত্র ধ্যান জ্ঞ্যান’। প্রিয়াঙ্কা দি বললো ‘আমার খুব হিংসা হচ্ছেরে তোর উপর। এমন ভাই কয়জনের আছে যে
দিদিকে দেবীর মত পুজো করে! সত্যি তুই লাকি রে’। গর্বে দিদির বুক ফুলে উঠলো। ততক্ষনে আমি দিদির বুট খুলে ফেলেছি। সারাদিন কাজ করে দিদির পরিস্কার আকাশী নীল মোজাটা ময়লা
হয়ে গিয়েছে।দিদি মোজা পরা ডান পা টা আমার মুখের উপর রেখে ঘষতে ঘষতে বললো ‘ঠিক বলেছিস,এমন লক্ষ্মী ভাই খালি আমারি আছে’। প্রিয়াঙ্কা দি বললো ‘ইশ! আমার ভাইটা যদি এভাবে
আমার সেবা করতো!’। দিদি বললো ‘আফসোস করিস না। তুই আমার বেস্ট ফ্রেন্ড। আমার ভাই মানে তোর ভাই। এখন থেকে শুভ কেই নিজের ভাই মনে করে ইচ্ছামত সেবা করাস। যা তো
শুভ,তোর প্রিয়াঙ্কা দিদির সেবা করে দে একটু’। আমি দিদির মোজা পরে পায়ে চুমু দিয়ে প্রিয়াঙ্কা দির পায়ের কাছে গিয়ে বসলাম। হীল পরা পা দুটো আমার কোলে নিয়ে টিপতে লাগলাম।
বললাম ‘আপনাকেও দেবীর মত সেবা করবো আমি প্রিয়াঙ্কা দি’ বলে প্রিয়াঙ্কা দির লাল হাই হীলের নিচে চুমু দিলাম। হাসিতে ভরে গেলো প্রিয়াঙ্কা দির সুন্দর ফর্সা মুখটা। আমার গালে হাত বুলিয়ে
দিলো।দিদি বললো ‘তুই বস। আমি নাস্তা বানিয়ে আনি’। আমি বললাম ‘আমি নুডুলস বানিয়ে রেখেছি দিদি। গরম করলেই চলবে’। দিদি বললো ‘ঠিকাছে আমি গরম করে আনি। আর একটু ফ্রেশ
হই। ১৫ মিনিট লাগবে।তুই তোর প্রিয়াঙ্কা দির সেবা করতে থাক’। বলে চলে গেলো
দিদি চলে গেলে প্রিয়াঙ্কা দি বললো ‘আমার জুতার নিচে অনেক ময়লা লেগে আছেরে শুভ। কি করি বলতো?’। আমি বললাম ‘দিদি,আপনার চরনের ময়লা আমার কাছে প্রসাদসম। আপনি অনুমুতি
দিলে আমি চেটে পরিস্কার করে দিতে চাই’। প্রিয়াঙ্কা দি খিলখিল করে হেসে উঠলো। আমার মুখের সামনে হিল পরা পা দুটো এনে বললো ‘ঠিকাছে। দে’। আমি কুকুরের মত প্রিয়াঙ্কা দির লাল হাই
হিলের নিচটা চেটে পরিস্কার করতে থাকলাম। একদম চকচকে করে ফেললাম। প্রিয়াঙ্কা দি হাসতে লাগলো। বললো ‘তোর মুখ তো ময়লায় ভরে গেছেরে। দে পরিস্কার করে দেই। হা কর’। আমি
হা করতেই আমার মুখের ভেতর একদলা থুথু ফেললো প্রিয়াঙ্কা দি। হাসতে হাসতে বললো ‘গিল’। আমি গিলে ফেললাম। প্রিয়াঙ্কা দি বললো ‘আমার জুতা খোল। পায়ের নিচটাও ময়লা হয়ে আছে।
একটু চেটে দে না ভাই আমার’। আমি বিনা বাক্যে দিদির জুতা খুলে পায়ের নিচের ময়লা চেটে খেতে লাগলাম।
ততখনে নাস্তা নিয়ে দিদি এসে গেছে। এসে দেখে আমি প্রিয়াঙ্কা দির পা চাটছি। দিদি বললো ‘দেখেছিস আমার ভাই কিভাবে তার দিদিদের দেবীদের মত পুজা করে?’। প্রিয়াঙ্কা দি আমার মুখে
তার ফর্সা পায়ের তলা ঘষতে ঘষতে বললো ‘হ্যা রে দেখছি সবই। আমার নিজেকে আসলেই দেবী মনে হচ্ছে। কিভাবে কুকুরের মত চাটছে দেখ। মনে হচ্ছে কুকুর তার প্রভুর পায়ের তলা
চেটে দিচ্ছে’। দুই দিদি একসাথে খিলখিলিয়ে হেসে উঠলো। তারপর দুজনই নুডুলস খেতে লাগলো। দিদি আমাকে বললো ‘যা সোনা তুই একটা বাটি নিয়ে আয়। আমাদের সাথে বসে খা’। আমি
বললাম ‘তোমরা আমার দেবী। তোমাদের সাথে বসে খাওয়া আমার মানায়না। আমি তোমাদের পায়ের নিচ থেকে খেতে চাই দিদি। এ আমার জন্যে অনেক বড় সম্মানের ব্যাপার। প্লিজ দিদি
আমাকে তোমাদের পবিত্র পায়ের তলা থেকে খাওয়ার একটা সুযোগ দাও’।দিদিরা হাসতে লাগলো। দিদি আমার মুখে তার ফর্সা পায়ের তলা ঘষে আদর করতে করতে বললো ‘তুই তো সত্যি আমাকে
এক দেবী বানিয়ে দিলিরে। অনেক বেশি গর্বিত আমি’ ঠিক আছে,তোর মনের আশা পূরণ করবো’। বলে দিদি কিছু নুডুলস মাটিতে ফেলে দিলো। তারপর দিদি আর প্রিয়াঙ্কা দি দুজনই তাদের পা
দিয়ে বেশ করে মাড়িয়ে নিলো। তারপর আমার মুখের আমার তাদের পা এনে বললো ‘নে সোনা,খেয়ে নে’। আমি দুই দিদির পায়ের তলা চেটে চেটে কুকুরের মত খেতে লাগলাম

(সমাপ্ত)