রিত্বিকা…

 

চটি পরা ডান পায়ে রিত্বিকা আমার মুখে লাথি মারতেই আমি ওর পায়ে পরে গেলাম । ওর দুই পায়ের পাতার উপর মাথা ঘসতে ঘসতে ওর কাছে ক্ষমা চাইতে লাগলাম আমি। একটু দূরে মা মুখে হাসি নিয়ে দেখতে লাগল আমাদের।

আমি আমার মাসতুতো বোন রিত্বিকার চটি পড়া দুই পায়ের উপর মাথা ঘষে ক্ষমা চাইতে লাগলাম বারবার। আর রিত্বিকা টিভি দেখতে দেখতে মাঝে মাঝেই চটি পড়া পায়ে লাথি মারতে লাগ্অল আমার মাথার উপরে। প্রায় ১০ মিনিট এইভাবে মাথার উপর রিত্বিকার লাথি খেতে খেতে আমি ওর কাছে ক্ষমা চাওয়া চালিয়ে গেলাম। তারপর রিত্বিকা ওর চটি পড়া দুটো পাই তুলে আমার মাথার উপরে রেখে বলল, ‘ ঠিক আছে। এবারের মতো তোকে ক্ষমা করে দিলাম। এরপর এরকম ভুল করলে লাথি মেরে তোর নাক ভেঙ্গে দেব আমি’।

আমি রিত্বিকার চটি পরা পায়ের তলায় মাথা রেখে হাটুগেড়ে শুয়ে রইলাম। আমার মাথা মেঝের উপর রাখা আর আমার মাথার উপর চটি পড়া পা দুটো রেখে বসে আছে আমার চেয়ে ৯ বছরের ছোট ক্লাস ৯ এ পড়া সুন্দরী মাসতুতো বোন রিত্বিকা। আমার হাত দুটো মাথার দুপাশে মেঝেতে রাখা। যেন রিত্বিকার চটি পড়া পায়ের তলায় মাথা রেখে ওকে ভক্তিভরে শাষ্টাঙ্গে প্রনাম করছি আমি।

ছেলে হিসাবে জন্মানোয় সেই ছোট থেকেই একটা হিনম্মন্যতায় ভুগি আমি। মধ্যবিত্ত বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান আমি। কিন্তু আমার মা কখনোই পুত্র সন্তান চাননি, চেয়েছিলেন কন্যা সন্তান। আমার পরে যখন আর কোন কন্যা সন্তান হল না, তখন মায়ের রাগ মাঝে মাঝেই আমার উপর এসে পরত। ছোটবেলায় কারনে অকারনে মা আমাকে মারত। আর বারবার মায়ের মুখে শুনতে হত ‘ ইশ, কেন যে আমার ছেলে না হয়ে একটা মেয়ে হল না’। মায়ের বিভিন্ন কথায় সেই ছোটবেলাতেই আমার মাথায় ঢুকে গিয়েছিল ছেলেদের থেকে মেয়েদের দাম অনেক বেশি। আর বাবা বাইরে চাকরি করায় আমি মায়ের কাছেই কোলকাতাতে বড় হয়েছিলাম। ফলে মায়ের এই চিন্তার প্রভাব আমার উপর পড়েছিল মারাত্বক রকম।

পড়াশোনাতে আমি চিরকালই ভালছিলাম। ছেলেদের স্কুলে পড়ায় আমার কোন মেয়ে বন্ধু হয়নি কোনদিনই। তবে মনে মনে মেয়েদের ভিশন শ্রদ্ধা করতাম । কোন মেয়েকে দেখলেই মনে মনে তাকে দেবীর আসনে বসিয়ে কেন জানি অদ্ভুত এক সুখ পেতাম।

রিত্বিকা ওর মা বাবার সঙ্গে থাকত হুগলী জেলার এক ছোট শহরে। ওরা দুই ভাই, এক বোন। ও দুই ভাইয়ের মাঝখানে। ওর বাবা সামান্য এক দোকান চালায়। অভাবের সংসারে ৩ ছেলে মেয়ের লেখাপড়া চালাতে কষ্ট হত। আর ওর বাবা বেশিরভাগ সাধারন লোকের মতই ছেলেদের শিক্ষাকে মেয়ের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিত। এই কথা জানতে পেরে মা মাসিকে বলে রিত্বিকাকে আমাদের বাড়িতে পাঠিয়ে দিতে । মা ওকে নিজের মেয়ের মতো রাখবে। কোলকাতায় স্কুলে পড়াবে। মাসি তার দিদির কথায় খুব খুশি হয়ে আগের বছর ওকে কোলকাতায় আমাদের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। রিত্বিকা কোলকাতায় একটা ভাল স্কুলে ক্লাস ৮ এ ভর্তি হয়।

রিত্বিকাকে আমি তার আগে শেষবার দেখেছি তার ৩ বছর আগে। ও তখন ক্লাস ৫ এ পড়ে। আমি তখন যাদবপুরে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ছি,  দ্বিতীয় বর্ষে। অপরুপা সুন্দরী রিত্বিকা মায়ের সাথে প্রথমবার আমাদের বাড়ি এসেছিল। অপরুপা সুন্দরী রিত্বিকাকে দেখে মেয়েরা যে দেবী সেই চিন্তা আবার আমার মাথায় এসে জড় হয়ে আমাকে এক অদ্ভুত অপার্থিব সুখে আচ্ছন্ন করতে থাকে। মা আমাকে সম্পুর্ন অগ্রাহ্য করে ভয়ানক ভালবাসা দিতে থাকে রিত্বিকাকে। বারবার রিত্বিকাকে জড়িয়ে ধরে আদর করে বলতে থাকে, ‘ ইশ, তুই যদি আমার মেয়ে হতিস আমি আর কিচ্ছু চাইতাম না জীবনে’।  আমাকে দিয়ে রিত্বিকার টুকটাক ফাইফরমাশ খাটাত মা। যা, বোনের জামা কেচে আন। বোনের জুতো পালিশ করে দে। একদিন কলেজ থেকে ফেরার সময় ওর জন্যে চকলেট আনতে ভুলে যাওয়ায় মা আমাকে মাসির সামনেই রিত্বিকার চটি পড়া পায়ের উপর মাথা রেখে ক্ষমা চাইয়েছিল। আমার কিরকম এক অদ্ভুত ভাল লাগায় মন ভরে গিয়েছিল। মা তখন রিত্বিকার মাথায় হাত বোলাতে বোলাতে বলেছিল “ তুই আমাদের এখানে থেকে যা । আমার মেয়ের মতো থাকবি তুই। আর তোর দাদা তোর চাকরের মতো তোর সেবা করবে”।

রিত্বিকা মা কে জড়িয়ে ধরে বলেছিল “ সত্যি মাসি, আমি এখানে থেকে যেতে পারলে দারুন খুশি হতাম। তুমি খুব ভাল। আমাকে নিজের ছেলের চেয়েও বেশি ভালবাস। আর বাড়িতে বাবা মা ভাই আর দাদাকে আমার চেয়ে বেশি ভালবাসে”। মা আর রিত্বিকার এই কথা বলার পুরো সময় জুড়ে আমি ক্লাস ৫ এ পড়া বোন রিত্বিকার চটি পরা পায়ের উপর মাথা রেখে শুয়ে ওকে শাষ্টাঙ্গে প্রনাম করছিলাম।

তার ৩ বছর পর রিত্বিকা সত্যিই আমাদের বাড়িতে থাকতে চলে এল। মা ভয়ানক খুশি হল। মায়ের সারাজীবনের একটা মেয়ের সখ মিটল যেন সেদিন। আমি তখন সদ্য ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করে সেক্টর ৫ এ একটা বহুজাতিক কম্পানিতে চাকরি নিয়েছি। রিত্বিকাকে মা একটা ভাল স্কুলে ক্লাস ৮ এ ভর্তি করে দিল। আর রিত্বিকাকে ৩ বছর আগে দেওয়া কথা মা প্রথম দিন থেকেই রাখা শুরু করল।

রিত্বিকাকে নিয়ে প্রথমদিন ঘরে ঢুকেই মা আমাকে বলেছিল, ‘ আজ থেকে ও আমার মেয়ে। তুই ওর দাদা হলেও আজ থেকে ওর চাকর। তোর জীবনের মুল উদ্দেশ্য এখন থেকে তোর ছোট বোনকে খুশি রাখা। ও যা আদেশ করবে সঙ্গে সঙ্গে বিনা প্রশ্নে পালন করবি তুই। ওকে প্রভু জ্ঞানে শ্রদ্ধা করবি। নে, এখন ওর পায়ে মাথা রেখে প্রনাম কর ওকে’।

মায়ের কথা শুনে আমার একটুও খারাপ লাগল না। বড় হওয়ার সময় আমার বহুবার মনে হয়েছিল , ইশ, আমার যদি একটা ছোট বোন থাকত তাহলে রোজ দেবী জ্ঞানে তার সেবা করতে পারতাম আমি! আর আজ আমার এতদিনের সেই স্বপ্ন যেন পূর্ন হতে চলেছে!!

রিত্বিকা মায়ের পাশে বসার ঘরের সোফায় বসেছিল। ওর পরনে ছিল সাদা টপ, গাঢ় নীল জিন্স , পায়ে সাদা মোজা , সাদা স্নিকার। মা রিত্বিকার মাথায় স্নেহভরে হাত বুলিয়ে দিতে দিতে বলল , ‘ আজ থেকে তোর দাদা তোর চাকর। তোর যা খুশি অর্ডার করবি ওকে। ইচ্ছা হলে যখন খুশি মারবি”।

মায়ের কথা শুনে রিত্বিকার মিষ্টি মুখে চওড়া হাসি ফুটে উঠল। আমি ততক্ষনে ওর পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে পড়েছি। ছোট বোনের প্রতি শ্রদ্ধায় আমি হাতজোড় করে বসে আছি ওর পায়ের কাছে । রিত্বিকা হাসিমুখে আমার দিকে তাকাল, তারপর পরপর আমার দুই গালে দুটো থাপ্পর মেরে বলল, ‘ আমার পায়ের উপর মাথা রেখে প্রনাম কর আমাকে’।

আমার চেয়ে ৯ বছরের ছোট সুন্দরী বোনের হাতে থাপ্পর খেয়ে আমি ওর জুতো পরা পায়ের উপর নিজের মাথাটা নামিয়ে দিলাম। ছোট বোনের সাদা স্নিকারের উপর নিজের কপালটা ঘসতে লাগলাম ভক্তিভরে। একটু পরে বোন ওর জুতো পরা ডান পা টা আমার মাথার উপর তুলে দিল। আমার মাথার উপর ওর জুতোর তলাটা আসতে আসতে ঘসতে লাগল বোন । আর আমি ওর বাঁ জুতোর উপর আমার কপাল ঘষা চালিয়ে গেলাম।

১০ মিনিট পর বোন ওর জুতো পড়া ডান পা দিয়ে আমার মাথার উপর একটা লাথি মেরে বলল, “ এবার ওঠ দাদা”।

আমি উঠে আবার হাটুগেড়ে বসলাম আমার সুন্দরী ছোট বোন রিত্বিকার পায়ের কাছে।

“ মাসি, আমি কি রনিদার সাথে যা খুশি করতে পারি?” রিত্বিকা মায়ের দিকে তাকিয়ে প্রশ্ন করল।

জবাবে মা রিত্বিকার দিকে ঝুকে ওর কপালে চুম্বন করে বলল, “ হ্যাঁ রে মা, নিশ্চয়ই পারিস। ও তোর দাদা হলে?ও তোর চাকর, তোর দাস। তুই যা খুশি করতে পারিস ওর সাথে। যা খুশি শাস্তি দিতে পারিস ওকে”।

“ বাড়িতে এতদিন দাদা আর ভাইকে বেশি ভালবাসা পেতে দেখে আমার খুব হিংসা আর রাগ হত ছেলেদের উপর। এখন থেকে রনিদার উপর রোজ আমি তার প্রতিশোধ নেব”। এই বলে রিত্বিকা জুতো পড়া ডান পা তুলে আমার মুখের উপর খুব জোরে একটা লাথি মারল। ওর জুতো পড়া ডান পায়ের তলাটা আঘাত করল ঠিক আমার নাকের উপর। আমার নাক থেকে কয়েক ফোঁটা রক্ত গড়িয়ে পড়ল আমার ঠোঁটের উপর দিয়ে। ভয়ানক যন্ত্রনায় ককিয়ে উঠলাম আমি, কয়েক সেকেন্ডের জন্য চোখে অন্ধকার দেখলাম। উল্টে পরে যাচ্ছিলাম প্রায় , কোনরকমে সামলে নিলাম নিজেকে।

‘ চুপ করে বসে থাক দাদা, আমি তোর মুখে লাথি মারব এখন। চুপচাপ বসে আমার লাথি খা এখন। এখন থেকে রোজ তুই মুখে এইভাবে আমার লাথি খাবি’।

রিত্বিকার কথা শেষ হওয়ার আগেই এবার ওর জুতো পরা বাঁ পা আমার নাকের উপর আছড়ে পড়ল।

ছোট বোনের ডমিন্যান্ট আচরনে আমি ততক্ষনে মুগ্ধ হয়ে গেছি । ওর জুতো পড়া দুই পা একের পর এক আঘাত করে চলেছে আমার মুখের সর্বত্র। আর আমি ভক্তিভরে মুখের সর্বত্র আমার প্রভু মাসতুতো বোন রিত্বিকার লাথি খেতে খেতে গুনে চলেছি লাথির সংখ্যা।

আমার মুখের উপর ঠিক মোট ৫৬ টা লাথি মেরে থামল রিত্বিকা। ও থামতেই আমি মন্ত্রমুগ্ধ পুতুলের মতো ওর জুতো পরা দুই পায়ের উপর চুম্বন করতে করতে ওকে ধন্যবাদ দিতে লাগলাম আমার মুখে লাথি মারার জন্য। তারপর রিত্বিকা আমার মাথার উপর আবার লাথি মেরে আমাকে আদেশ করল ওর পায়ের তলায় শুয়ে পরতে।

আমি আমার প্রভুর আদেশ পালন করতেই প্রভু ওর জুতো পরা পা দুটো আমার মুখের উপর তুলে দিল। আমার মুখের উপর ওর জুতোর তলা দুটো ঘসল কিছুক্ষন। তারপর আমার নাকের উপর লাথি মেরে আদেশ করল আমার জিভটা বার করে দিতে। আমি ততক্ষনাত আমার প্রভু রিত্বিকার আদেশ পালন করলাম। আমার ৯ বছরের ছোট সুন্দরী বোন আমার বার করা জিভের উপর ওর বাঁ জুতোর তলা নামিয়ে দিল। আমার জিভের উপর ঘসতে লাগল ওর ধুলো কাদা লাগা বাঁ জুতোর তলা। প্রায় ১০ মিনিট আমার জিভের উপর ঘষে নিজের বাঁ জুতোর তলা নতুনের মতো চকচকে করে নিল বোন। তারপর মায়ের সামনেই একইভাবে আমার জিভের উপর জুতো পড়া ডান পায়ের তলা নামিয়ে দিল। আমি বোনের বাঁ জুতোর তলার সব ময়লা ভক্তিভরে গিলে খেয়ে একইরকম ভক্তিভরে ওর ডান জুতোর তলার ময়লা গিলে খেতে লাগলাম।

আরও ১০ মিনিট ধরে আমার বার করা জিভের উপর নিজের ডান জুতোর তলা ঘষে নতুনের মতো পরিষ্কার করে ফেলল বোন। তারপর পরিষ্কার ডান জুতো পরা পা দিয়ে আমার নাকের উপর একটা জোরে লাথি মেরে বলল, ‘ এখন থেকে আমি এই বাড়ির মেয়ে। আর তুই আমার দাস। এখন থেকে আমি যা আদেশ করব তুই তাই করবি। প্রত্যেক মাসে মাইনে পেয়ে পুরো টাকা তুলে দিবি আমার হাতে। আরোজ এইভাবে আমি তোর মুখে যতখুশি লাথি মারব, তোর জিভের উপর ঘষে আমার জুতোর তলা পরিষ্কার করব। আর তুই তার জবাবে আমার পায়ে মাথা ঠেকিয়ে আমাকে প্রনাম করে আমাকে ধন্যবাদ দিবি। নে, এখন ভক্তিভরে আমার পা টিপতে থাক। এই বলে বোন ওর জুতো পড়া বাঁ পা টা আমার কপালের উপর আর ডান পা টা আমার ঠোঁটের উপর রেখে মায়ের সাথে গল্প করতে লাগল। আর আমি ভক্তিভরে আমার চেয়ে ৯ বছরের ছোট আমার মাসতুতো বোন, আমার প্রভুর পা দুটো পালা করে টিপতে থাকলাম।

সেই থেকে রোজই আমি একইরকম ভক্তিভরে আমার বোন, আমার প্রভু রিত্বিকার সেবা করি।