অনুষ্কা…

 

১……

 

আমার,আর মুড বহুবছর ধরেই ভাল নেই,বিশেষ করে গত মাস দেড়েক, আর উতসবের দিন এলে আরও খারাপ হয়ে যায়। বোধহয় যেকোন একাকিত্বে ভোগা লোকেরই তাই হয়। দিনটা ছিল কালীপুজার, সব লোকে হয় বন্ধু-বান্ধবীর সাথে প্যান্ডেলে ঘুরছে বা বাজি ফাটিয়ে দিওয়ালি পালন করছে। উতসবের দিনগুলোয় আমার সেরকম কিছুই করার থাকে না, আমি সারাদুপুর কিন্ডলে কেনা ফেমডম উপন্যাস শেষ করে কখন যেন ঘুমিয়ে পরেছিলাম। ঘুম ভাঙল বেলের শব্দে। ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখি সন্ধ্যা ৬ টা ১০। “এখন আবার কে এল?” ভাবতে ভাবতে আমি একটু বিরক্তি নিয়েই দরজা খুলতে উঠলাম। দরজা খুলে একটু অবাকই হলাম। দরজার সামনে দাঁড়িয়ে অনুষ্কা আর তনুষ্কা ।

“ তাড়াতাড়ি দরজা খোল”, অনুষ্কা আমাকে তাড়া দিল।

আমি তাড়াতাড়ি দরজা খুলে দিলাম, তবু অনুষ্কা মুখে হাসি ঝুলিয়ে আমাকে মৃদু ধমক দিল,” দরজা খুলতে এত সময় লাগে?”

“ সরি,” বলে আমি ওদের পিছন পিছন ঘরে ঢুকলাম।

ওরা দুইবোনই আমাদের পাশের বাড়িতে থাকে অনুষ্কা সবে ১৫ পূর্ন করেছে, ক্লাস ১০ এ পড়ে ও। আর তনুষ্কা ওর থেকে সাড়ে চার বছরের ছোট, এখন ওর বয়স সাড়ে ১০, ওর এখন ক্লাস ৫। অনুষ্কার ডাক নাম অনু আর তনুষ্কার তনু। তনুষ্কার গায়ের রঙ খুব ফর্শা , আর এই বয়সেই অপরুপ সুন্দরী হবে ও সেটা বেশ বোঝা যায়। অনুষ্কা ওর ছোট বোনের মতো অত ফর্শা না, ওর গায়ের রঙ অল্প ফর্শা বলা যায়। তবে ওর মুখ অসাধারন সুন্দর, যেন সৌন্দর্যের দেবী নিজে হাতে অনেক পরিশ্রম করে ওর মুখ সৃষ্টি করেছে। ওর উচ্চতা প্রায় ৫’৩”, গড়ন রোগার দিকে। ওকে দেখে ওর সৌন্দর্যে মোহিত হয়ে যায় না এমন ছেলে খুব কম আছে।

ছোটথেকেই ও প্রায় রোজ আমাদের বাড়িতে আসে। ওর প্রতি চিরকালই আমি ভিশন সাবমিসিভ ব্যবহার করে এসেছি।  ও কখনও কিছু আবদার করলে চেষ্টা করেছি সঙ্গে সঙ্গে সেটা কিনে দেওয়ার। সেই সাথে মাঝে মাঝেই ওকে প্রনাম করে বা অন্য কোন ভাবে ওর প্রতি আমার ভক্তি প্রকাশ করার চেষ্টা করেছি কিছুটা।  কখনও ও সেটা স্বাভাবিক ভাবে নিত, কখনও অল্প বাধাও দিত। তবে শেষ ১-২ বছর ও সেটাকে অনেক স্বাভাবিকভাবে নিত। তবে মন যতই চাক, ওর পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করা বা ওর পা টিপে দেওয়ার চেয়ে বেশি সেবা করতে চাওয়ার অনুরোধ করারও সাহস হয়নি কখনও। ফলে ওকে এর বেশি সেবা করার সৌভাগ্যও হয়নি কখনও। তবে স্বপ্নে বহুবছর ধরেই ওর চাকর, ওর ক্রীতদাস হয়ে ওকে সেবা করে আসছি আমি।

ওদের বাবা একটা প্রাইভেট কম্পানিতে অফিসার র‍্যাংকে চাকরি করত। মাস দেড়েক আগে হঠাত একদিন ভোরে ওর বাবা হার্ট এটাকে মারা যান।  ওদের পরিবারের সদস্য বলতে ছিল ওদের বাবা, মা সীমা আর ওরা দুই বোন। হঠাত ওদের বাবার মৃত্যুতে স্বভাবতই মা আর ওরা দুইবোন বেশ ভেঙ্গে পড়ে। ফলে আগে ওরা , বিশেষ করে অনুষ্কা রোজ কয়েক ঘন্টা আমাদের বাড়িতে কাটালেও এই দেড় মাসে একবারও আসেনি। আমি অনুষ্কাকে অল্প যেটুকু সেবা করার সুযোগ পেতাম, যেটুকু সাবমিসিভনেস দেখাতে পারতাম আমার প্রায় অর্ধেক বয়সী এই মেয়েটাকে, সেটা স্বভাবতই খুব এঞ্জয় করতাম। এই মাস দেড়েক সেটা জীবন থেকে চলে যাওয়ায় স্বভাবতই আমি খুব ডিপ্রেসড হয়ে পরেছিলাম। ডিপ্রেশন কমানোর জন্য আমি অফিসের সময় বাদে বাকি বেশিরভাগটা ফেমডম গল্প লিখে বা পড়ে কাটাতে শুরু করেছিলাম।  আমার জীবনে করার মতো আর বিশেষ কিছু ছিলও না অবশ্য। আমার বন্ধু বান্ধব চিরকালই কম, আর এখন তাদের কেউই এই শহরে থাকে না। আমার পরিবারেও কাছের বলতে কেউ ছিল না। বড় বাড়িতে আমি আর আমার সৎ মা , শুধু দুজন বাস করতাম। তার সাথে আমার প্রায় কোনই কথা হত না বহুদিন, বাড়ির দুজনের অংশও আলাদা করা ছিল। আমার নিজের মা আমার ছোটবেলাতেই মারা যান, আর আমার বাবা বছর দুয়েক আগে। আমার একমাত্র দাদা বিয়ের পর জার্মানিতে পার্মানেন্টলি সেটল্ড। ফলে সাবমিসিভনেসের অতলে তলিয়ে যাওয়া ছাড়া আমার আর বিশেষ কোন অপশন ছিল না।আমার বয়স এখন ২৯, আমার চাকরিতে স্যালারি খুবই ভাল, কিন্তু দিনে মাত্র চার সাড়ে চার ঘন্টা ডিউটি করতে হত রোজ। ফলে বাড়ি থেকে রোজ ১১ টায় বেড়িয়ে ৪ টের মধ্যেই বাড়ি ফিরে আসতাম। একা বন্ধুহীন জীবনে অনুষ্কার অনুপস্থিতিতে এই দেড়মাস ওই সময়টাকে সুদীর্ঘ মনে হত। একাকিত্ব কাটাতে যত আমি ফেমডমের রঙ্গীন নেশার জগতে ডুবে যেতাম তত মন আরও সাবমিসিভ হয়ে পরত সুন্দরী মেয়েদের প্রতি।

তারমধ্যেই এই দেড় মাস মাঝে মাঝেই মনে হত অনুষ্কা আর ওদের ৩ জনের পরিবারে কথা। ওর মা সীমার বয়স এখন ৩৬-৩৭ হবে । এখনও যথেষ্ট সুন্দরী, দেখলে আরও কম বয়স মনে হয়। কিন্তু সাধারন একজন গ্রেজুয়েট মহিলার পক্ষে এতদিন পর চাকরি যোগাড় করা খুব কঠিন। ওদের বাবার মৃত্যু ছাড়াও ওরা যে গভীর আর্থিক সমস্যায় পড়তে চলেছে সেটা বুঝে ভিশন খারাপ লাগত। বিশেষ করে বহু বছর যেই মেয়েকে অল্প সেবা করেছি, মনে মনে প্রভুর স্থানে বসিয়ে তাদের কষ্ট দিনদিন মেয়েদের প্রতি আরও সাবমিসিভ হয়ে ওঠা আমি একদমই মেনে নিতে পারতাম না। ঈশ, জীবনটা যদি ফেমডম গল্পের মতো হত, আর আমি যদি নিজের মাইনের সব টাকা ওদের হাতে তুলে দিয়ে পরিবর্তে ওদের বিনা মাইনের চকরের মতো ওদের ফাই ফরমাশ খাটতে পারতাম কি ভালই না হত !

অনুষ্কার পরনে একটা সাদা টপ, পায়ে নীল; লেগিন্স, পায়ে সাদা মোজা আর স্নিকার। ওর বোন তনুষ্কার পরনে গোলাপী-সাদা ফ্রক, পায়ে ছাই রঙের কিটো। দুই বোনকেই অপুর্ব সুন্দরী লাগছে দেখতে।

“  কি করছিলে রনিদা?”, অনু সোফায় বসে জিজ্ঞাসা করল আমাকে। তনুও ওর পাশে বসল।

“ ঘুমাচ্ছিলাম”, আমি ওদের পায়ের থেকে ফুট দুয়েক দূরে মেঝেতে বসে বললাম। বহুদিন বাদে অনুকে দেখে ভিশন ভাল লাগছিল আমার। ইচ্ছা করছিল একবার ওর জুতো পরা পায়ের উপর মাথা রেখে প্রনাম করতে। তনুষ্কার সামনে কয়েকবার ওর দিদির পায়ে হাত দিয়ে প্রনাম করেছি আমি, কিন্তু অনেকদিন পরে দেখা হওয়ায় সাহস পেলাম না।

“ কালীপুজার দিন ঘরে শুয়ে ঘুমাচ্ছ? রেডি হও, চলো একটু ঘুরে আসি আর বাজি কিনে নিয়ে আসি”।

“ চল, আমি এক্ষুনি আসছি”, বলে আমি রেডি হতে গেলাম। বাবার মৃত্যু কাটিয়ে দুইবোন স্বাভাবিক হওয়ার চেষ্টা করছে দেখে ভাল লাগল।

প্রায় ঘন্টা দেড়েক পরে কিছুটা ঘুরে, বাইরে খেয়ে , অনেক বাজি আর মোমবাতি কিনে ফিরলাম। ওদের জন্য চকোলেট , আইস্ক্রীম, কোল্ড ড্রিংক্স সহ আরও অনেককিছুও কেনা হল। প্রায় হাজার খানেক টাকার বাজি, বাকি খরচও হল প্রায় কাছাকাছি। আমি খুশি মনে খরচ করলাম, মনে মনে যাকে প্রভু বলে ডাকি তার জন্য খরচ করব না তো কার জন্য করব?

 

 

২……

 

বাড়ি ঢুকতেই অনু বলল, “রনিদা, আইস্ক্রীম দাও আমাদের”।

ওরা দুই বোন সোফাতে বসল। আমি “ এক্ষুনি দিচ্ছি” বলে ব্যাগ থেকে ওদের হাতে আইস্ক্রীম দিয়ে জুতো খুলে ভিতরে ঘরে গিয়ে ওদের বাকি খাওয়ার জিনিস ফ্রিজে রেখে ফিরে এলাম বাইরের ঘরে। আবার আগের মতো ওদের পায়ের থেকে ফুট দুয়েক দূরে মেঝেতে বসলাম আমি।

অনুষ্কা আইসক্রীম খেতে খেতে কিরকম এক দুষ্টুমিতে ভরা চোখে আমার দিকে তাকিয়ে রইল কিছুক্ষণ। তারপর আমার চোখের দিকে তাকিয়ে প্রশ্ন করল, “ রনিদা, প্রনাম করবে না আমাকে?”

অনুষ্কার কথায় আমি ঘাবড়ে গেলাম কিছুটা। আমি কি ঠিক শুনলাম। অনু একা থাকলে আমি ওর পায়ে মাথা রেখে আগে প্রায়ই প্রনাম করতাম, শেষ বছর দুয়েক ও তাতে বাধাও দিত না ঠিকই। এমনকি , তনুর সামনেও ওর পায়ে হাত দিয়ে প্রয়াম করেছি কয়েকবার। কিন্তু আজ অব্দি কখনও অনু নিজে থেকে ওকে প্রনাম করতে বলেনি। আর আজ কি ও সত্যিই নিজে থেকে আমার প্রনাম নিতে চাইছে? তাও ওর ছোট বোন তনুর সামনেই? আমার মুখ থেকে বেরিয়ে গেল, “ কি?”

অনু আইসক্রীমটা শেষ করে ফাঁকা বাটিটা টেবিলের উপরে রেখে মুখে যেন একটু রাগ ফুটিয়ে  বলল,

“ আমাকে প্রনাম করে বললাম । থাক, ইচ্ছা না করলে করতে হবে না। চল বোন বাড়ি যাই”।

আমার যেন নিজের কানকে এখনও বিশ্বাস হচ্ছিল না । সত্যি কি অনু নিজে থেকে আমাকে বলছে ওকে প্রনাম করতে? তাও ওর ছোট বোন তনুর সামনেই? আমি দেরী করলাম না, তনুর সামনেই ওর দিদি অনুর জুতো পরা পায়ের উপর মাথা রেখে ওকে শাষ্টাঙ্গে প্রনাম করলাম। ওর জুতো পরা পায়ের উপর মাথা রেখে ভক্তিভরে ওকে প্রনামরত অবস্থায় শুয়ে রইলাম আমি। প্রায় পাঁচ মিনিট এইভাবে অনুর জুতো পরা পায়ের উপর নিজের মাথা রেখে পরে রইলাম আমি। আমার হৃৎপিণ্ড উত্তেজনায় যেন ফেটে দেহ থেকে বেড়িয়ে আসতে চাইছে! উফ, কি যে আনন্দ হচ্ছে আমার! এভাবে অনু ওর ছোট বোনের সামনে আমার টাকায় কেনা দামী আইসক্রীম খেতে খেতে নিজে থেকে আমাকে দিয়ে ওর জুতো পরা পায়ের উপর মাথা রাখিয়ে আমার প্রনাম নেবে , আমি সেটা স্বপ্নেও ভাবতে পারিনি কোনদিন।

পাঁচমিনিট ধরে আমি অনুর জুতো পরা দুই পায়ের উপর মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করলাম। অনু আমাকে এরমধ্যে একবারও ওর পা থেকে মাথা সরাতে তো বলেওনি বরং মাঝে মাঝেই জুতো পরা একটা পা তুলে ওর সাদা স্নিকারের তলাটা আমার মাথার উপরে বোলাচ্ছিল আর  কালীপুজোর কোন ঠাকুর আর কোন মূর্তিটা ভাল হয়েছে তাই নিয়ে কথা বলছিল ওর বোন তনুর সাথে । আর আমি শুয়ে ছিলাম আমার থেকে সাড়ে চোদ্দ বছরের ছোট পরমা সুন্দরী অনুষ্কার জুতো পরা পায়ের উপরে মাথা রেখে! আমার মনে হচ্ছিল আমি বুঝি স্বর্গ্বে আছি!! আমি ভক্তিভরে আমার প্রভু অনুষ্কার জুতো পরা পায়ের উপর মাথা রেখে ওকে প্রনামরত অবস্থায় শুয়ে ছিলাম। উপর থেকে দুই বোনের কথার ফাঁকে ফাঁকে মাঝে মাঝেই খুক খুক হাসির আওয়াজে বুঝতে পারছিলাম অনুষ্কার কাছে আমার হিউমিলিএশন ওরা দুই বোনই খুব এঞ্জয় করছে।

প্রায় ৫ মিনিট পর তনু পাশ থেকে ওর কিটো পরা পা দিয়ে আমার মাথায় একটা খোঁচা দিয়ে বলল, “ এবার আমাকে প্রনাম কর”।

আমি অনুষ্কার জুতোর উপর থেকে মুখ তুলে ওর মুখের দিকে তাকালাম ওরে উত্তরের আশায়। অনু মুখে কিছু বলল না, জুতো পরা ডান পায়ের তলা দিয়ে আমার মাথাটা ঠেলে দিল ওর বোনের পায়ের দিকে। বুঝলাম, আমার ‘ প্রভু’ চায় আমি ওর বোনকেও প্রনাম করি। আমি অনুর পা থেকে মাথা তুলে তনুর কিটো পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে ওকে প্রনাম করে মেঝেতে হাটুগেড়ে বসলাম ওদের পায়ের কাছে।

“ আমার ডান গালে আলতো একটা চড় মেরে অনুষ্কা বলল, “ রনিদা, চল ছাদে গিয়ে মোমবাতি লাগিয়ে তারপর বাজি ফাটাই।

আমি নিজে থেকেই অনুষ্কার জুতো পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে আরেকবার ওকে প্রনাম করে বললাম, “ চল”। অনুষ্কা সত্যিই নিজের বোনের সামনে এইভাবে আমাকে দিয়ে ওর জুতো পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করাল আমাকে দিয়ে? তারপর সত্যিই নিজের বাইরে পরার স্নিকারের তলা আমার চুলের উপর ঘষল ইচ্ছামতো? হঠাত করে এসব কি করে হচ্ছে? আমার বিষ্ময় যেন তখনও কাটছিল না।

 

৩……

 

অনুষ্কা আমার দিকে তাকিয়ে দুষ্টুমিতে ভরা চোখে তাকাল, “ কিন্তু রনিদা, আমরা তোপ এখনই বাইরে থেকে এলাম। জুতোর তলায় নোংরা লেগে আছে। তোমাদের সিঁড়ি আর ঘর তো নোংরা হয়ে যাবে”।

এতক্ষন এই জুতোর তলাই হাসিমুখে আমার মাথার উপরে ঘষছিল অনুষ্কা আর এখন ভাবছে এই জুতো পরে উপরে গেলে ঘর নোংরা হয়ে যাবে? আমি বুঝতে পারছিলাম অনুষ্কা আসলে অন্য কিছু চাইছে।

কিছু হবে না ম্যাডাম, আর তুমি তো তোমার জুতোর তলা আমার মাথায় ঘষে পরিষ্কার করে নিয়েছ”। অনুষ্কার প্রতি অত্যধিক শ্রদ্ধায় ওর পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে থাকা অবস্থায় আমার হাতজোড় হয়ে গেল।

“ না রনিদা, তুমি বরং এক কাজ কর। আমার পায়ের তলায় হাত পেতে দাও। আমি যেখানে পা দেব সেখানে তার আগেই তুমি হাত পেতে দেবে, আমি তার উপরে আবার আবার পা রাখব। তাহলে আর তোমার ঘর নোংরা হবে না”, মুচকি হাসি দিয়ে বলল অনুষ্কা। আর অনুষ্কার এমন সহজ সমাধান শুনে ওর বোন তনুষ্কা হো হো করে হাসতে লাগল।

“নিশ্চয়ই ম্যাডাম, তুমি যা বলবে”, বলে আমি অনুষ্কার পায়ের সামনে ডান হাতের পাতে পেতে দিলাম। অনু তার উপরে জুতো পরা বাঁ পা রাখল। আমি আর একটু সামনে আমার বাঁ হাতের পাতাপেতে দিলে অনু তার উপরে নিজের জুতো পরা ডান পা টা রাখল। আমি ভক্তিভরে অনুর দুই জুতো পরা পায়ের উপরেই মাথা রেখে প্রনাম করলাম একবার করে, শ্রদ্ধা ভরে চুম্বন করলাম ওর জুতোর উপরে। তারপর ডান হাতের পাতা একটু সামনে পেতে দিলাম, অনু তার উপরে বাঁ পা রাখতে ওর বাঁ জুতোর উপর চুম্বন করে বাঁ হাত তুলে পাতাটা পেতে দিলাম ওর ডান পা রাখার জন্য। তারপর একইভাবে ওর ডান জুতোর উপরে ভক্তিভরে চুম্বন করে ডান হাতের পাতাটা সামনে পেতে দিলাম অনুর বাঁ পা রাখার জন্য।  এইভাবে আমার হাতের পাতায় জুতো পরা পা রেখে অনু সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠতে লাগল। অনুকে এইভাবে আমাকে ডমিনেট করতে দেখে খুক খুক করে হাসতে হাসতে বাজির প্যাকেট হাতে নিয়ে আমাদের একটু সামনে দিয়ে উঠতে লাগল অনুর ছোট বোন তনু। আমার হাতে বেশ যন্ত্রনা করছিল বারবার অনুর জুতোর তলা আর শক্ত সিমেন্টের মাঝে পিষ্ট হওয়ার জন্য। তবু সেই যন্ত্রনাও ভিশন ভাল লাগছিল তার উৎস আমার চিরকালীন কল্পনার প্রভু অনুষ্কার হওয়ায়।  সত্যি তো, অনুর মতো সুন্দরী মেয়ের কাছ থেকে যন্ত্রনা নেওয়া, তাকে এইভাবে সেবা করতে পারাও গর্বের বিষয়। অনু আমার হাতের উপর পা রেখে উপরে উঠতে লাগল আর আমি বারবার ওর জুতো পরা পায়ের উপরে ভক্তিভরে চুম্বন এঁকে দিতে লাগলাম তনুর সামনেই। তিনতলার ছাদে পৌঁছে অনু আমার হাতের উপর থেকে নামল। আমি প্রবল ভক্তিভরে খোলা ছাদেই অনুর জুতো পরা পায়ের উপর মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করলাম ওকে, ওর জুতোর উপর আবার ভক্তিভরে চুম্বন এঁকে দিলাম।

ছাদে পৌছে আমি কিছু মোমবাতি পরপর ছাদের পাঁচিলে লাগালাম আর ওরা দুই বোন বাজির প্যাকেট খুলে একের পর এক বাজি ফাটাতে ফাটাতে নিজেদের মধ্যে গল্প করতে লাগল। ওদের হাবভাব দেখে মনে হচ্ছিল যেন ছাদে ওরা দুজনেই আছে, আমি নেই। আমাকে অনুর এইভাবে ডমিনেট করার পর আনন্দের মুহুর্তে এইভাবে আমাকে উপেক্ষা করা ওর প্রতি আমার সাবমিসিভনেস, আমার ভক্তি আরও বাড়িয়ে তুলছিল। ইচ্ছা করছিল আবার ওর জুতো পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করতে । কিন্তু অনেক মোমবাতির আলোয় ছাদ আলোকিত অনেক, আশেপাশের বাড়ির ছাদেও অনেকেই আছে। তারা দেখলে কি ভাববে আর অনুও সবার সামনে আমাকে এতটা হিউমিলিয়েট করতে রাজি হবে কিনা বুঝতে না পেরে আমি চুপ করে ওদের পায়ের কাছে ছাদের মেঝেতে বসে রইলাম। ওরা বাজি ফাটানো শেষ করতে অনু আর আগের মতো আমার হাতের পাতার উপর পা রেখে নামতে উতসাহ দেখাল না। দুই বোনই জুতো পরা পায়ে সিঁড়ি দিয়ে নিচে নেমে গেল। ওরা বাড়ি যাওয়ার আগে অনু হাসিমুখে বলল, “ কাল সন্ধ্যায় আবার আসব কিন্তু রনিদা, রেডি থাকিস”। “ নিশ্চয়ই ম্যাডাম বলে আমি প্রায় আমার অর্ধেক বয়সী অনুষ্কার জুতো পরা পায়ের উপর মাথা রেখে প্রনাম করলাম। অনু জীবনে প্রথমবার আমাকে ‘তুই’ করে বলায় ভিশন ভাল লাগল আমার।

“ আর আমার প্রনাম?” , পাশ থেকে তনুষ্কা বলল। অনুষ্কা ওর জুতো পরা ডান পা দিয়ে আমার গালে আলতো একটা লাথি মেরে বলল বোনকেও প্রনাম কর।

“ নিশ্চয়ই ম্যাডাম”, বলে আমি তনুষ্কার কিটো পরা পায়ে মাথা রেখে প্রায় একইরকম ভক্তিভরে ওকেও প্রনাম করলাম। তারপর ওদের সাথে বেরোলাম ঘর থেকে। আমাদের ঠিক পাশের বাড়িটাই ওদের , মাঝের পাঁচিলে মাত্র ৪-৫ টা ইঁট গাথা হওয়ায় সহজেই যে কেউ টপকে যেতে পারে। অনু- তনু পাঁচিল টপকে ওদের বাড়িতে ঢুকে গেলো। আর আমি ঘরে ঢুকে খাটে শুয়ে পরলাম সোজা হয়ে। আমি কি স্বপ্ন দেখলাম এতক্ষন?   নাকি সত্যিই অনু ছোট বোন তনুর সামনেই এইভাবে আমাকে ডমিনেট করল এতক্ষন? হঠাত করে অনু এত ডমিনেটিং হয়ে গেল কেন? কোন বিশেষ কারনের জন্য কি অনু আজকের জন্য ডমিনেটিং হয়ে গিয়েছিল? কাল থেকে কি আবার আগের মতো আচরন করতে শুরু করবে? নাকি অনু বুঝতে পেরেছে আমাকে ডমিনেট করে নিয়ন্ত্রন করলে আমি ওদের এই জটিল আর্থিক পরিস্থিতিতে অনেক কাজে আসতে পারি? নাকি তার বিকল্প ব্যবস্থা ওরা করে ফেলেছে , অনু শুধুই ডোমিনেশন এঞ্জয় করতে চায় এখন থেকে? আমি পুরও নিশ্চিত হতে পারছিলাম না, কিন্তু মন বলছিল অনু বুঝতে পেরেছে ওদের এই আর্থিক শোচনীয়তা থেকে বেরনোর অস্ত্র হতে পারি আমি , আর সেই জন্যই ও আমাকে এইভাবে ডমিনেট করে নিয়ন্ত্রন করতে চাইছে। এবং সেটা হয়ত ওর বোন তনুর মতো ওর মা সীমাও জানে!! তাহলে কি খুব তাড়াতাড়ি ওর মায়ের সামনেও এইভাবে আমাকে ডমিনেট করবে অনু? উফ, ভাবতেই কি আনন্দ!!

পরের দুইদিনও অনেকটা একইরকম স্বপ্নের ঘোরেই কাটল। এই দুইদিনও অনু আর তনু সন্ধ্যাবেলায় আমার বাড়িতে উপস্থিত হয়েছিল। এই দুই দিনও অনু আর তনু প্রথমে আমার পয়াসায় ভাল রেস্টুরেন্টে খেল, তারপর অনেক বাজি কিনল। পরের দিন তো শপিং মলে ঢুকে অনেক শপিংও করল ওরা। তারপর বাড়ি ফিরে সেই একভাবে আমাকে দিয়ে প্রনাম করাল ওরা। অনু যথারীতি আমার মাথার উপর জুতো পরা পায়ের তলাও ঘষল কিছুক্ষণ। সাথে আমার জন্য ওদের অনেক হাঁটতে হয়েছে আর তার ফলে ওদের পায়ে ব্যাথা হয়েছে এই অজুহাত দিয়ে আমাকে দিয়ে পাও টেপাল ওরা দুই বোন। আমি ভক্তিভরেই ওদের দুই বোনের পা টিপে দিলাম দুই দিনই। তারপর সেই একইভাবে আমার হাতের উপর জুতো পরা পা রেখে তিনতলার ছাদে বাজি ফাটাতে উঠল অনুষ্কা। আর ওরা বাড়ি ফেরার আগে একইরকম ভক্তিভরে ওদের পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করলাম আমি। শেষদিন বাড়ি যাওয়ার আগে অনু বলল, “ কাল সকালে দামী চকোলেট আর গিফট নিয়ে আমাদের বাড়িতে ভাইফোঁটা নিতে যাবি রনিদা। মনে রাখিস, গিফট খারাপ হলে মুখে লাথি খাবি”। এইবলে ওরা দুইবোন বাড়ি চলে গেল। আর আমি বেরলাম ওদের জন্য দামী গিফট আর চকোলেট কিনতে। কাল কি ভাইফোঁটার পর ওর মার সামনেও অনু আমাকে বলবে ওর পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করতে? উফ, ভাবতেই যা সুখ! আমি গিফট কিনতে মার্কেটে ঢুকলাম আর আমার মন স্বপ্ন দেখতে লাগল একদিন পাড়ার সবার চোখের সামনে অনুর জুতো পরা পায়ের উপর মাথা ঠেকিয়ে ভক্তিভরে প্রনাম করব আমি , আর তার জবাবে অনু আমার মাথার উপর জুতো পরা পা রেখে হাসিমুখে আমাকে আশীর্বাদ করবে!!

( চলবে)…