দিদির সাথে ফেমডম
– SLAVE
দিদির সাথে আমার ফেমডম জীবনের সুচনা সেই কৈশোরে পা রাখার পর থেকেই।দিদি আমার ৫
বছরের বড়।যে ঘটনা গুলো এখন
বলবো তা কোন বানানো ঘটনা নয়,আমার জীবনের সত্য ঘটনা
হটাত করেই আমি আবিস্কার করি যে আমি
দিদির সুন্দর পা জোড়ার প্রতি আকর্ষণ ফিল করছি। ইচ্ছা করতো দিদির পা দুটোর নিচে
আমার নাক মুখ ঘষি,কিবা একটা চুমু
দেই। কিন্তু কিভাবে কি করবো বুজছিলাম না। জিনিষটা দিদির কাছে বিব্রতকর হতে
পারে,তাই আর আগ বাড়িনি সে পথে
একদিন হটাত করেই সব কিছু বদলে গেলো। দিদি ওর বিছানায় আধ শোয়া হয়ে গল্পের বই
পড়ছিলো। পা দুটি ভাজ করে রাখা।
আমি ঠিক দিদির পা দুটোর সামনে মাথা রেখে আড়াআড়ি ভাবে শুয়ে পড়লাম মোবাইল টিপতে
টিপতে
দিদির পায়ের বুড়ো আঙুল আমার গালে ঘষা খাচ্ছিলো। দিদি একমনে গল্পের বই পড়ছে।
এদিকে ওর খেয়ালই নেই। হটাত খেয়াল
করলাম দিদি তাঁর ২ পায়ের বুড়ো আঙুল দুটো আমার গালে ঘসছে। আমার বুকের ধুকপুকানি
বেড়ে গেলো। স্বর্গ সুখে পাগল হয়ে
গেলাম। আস্তে আস্তে দিদি তাঁর পায়ের অন্যান্য আঙুলগুলোও আমার গালে তুলে দিয়ে
ঘসতে লাগলো।আমার হার্ট মনে হলো ফেটে
বাইরে বেড়িয়ে আসবে।
একটু পর দিদি মুখের সামনে থেকে বই সরিয়ে আমাকে বললো ‘অন্তু,আমি পা সটান করে
বসবো,তুই তোর বিছানায় যা’
– না যাবোনা
– যা বলছি
– প্লিজ দিদি একটু থাকি
– যা,নাহলে মুখের উপর পা তুলে দিবো
কিছু বুঝে উঠার আগেই আমার মুখের উপর দিদি তাঁর ডান পা তুলে দিলো!দিদির ফর্সা
নরম পায়ের তলা আমার পুরা মুখ ঢেকে
ফেললো। খিলখিলিয়ে হাসতে লাগলো দিদি। আমার মনে হলো স্বর্গে আছি। সে এক অনন্য
অনুভুতি। কোন কিছুর সাথেই তাঁর
তুলনা চলেনা। একটু পরে দিদি আমার মুখের উপর ২-৩ বার তাঁর পায়ের তলা ঘষে পা
সরিয়ে নিয়ে আবার বই পড়তে লাগলো।
আমি সরলাম না। খুব আশা করছিলাম দিদি আবার আমার মুখে পা তুলে রাখবে। কিন্তু আর
রাখলোনা
সেদিনই বুঝতে পারলাম,ফেমডম শুধু আমার রক্তে না,দিদির রক্তেও আছে। নাহলে দিদি
এমন করতোনা আজ।তারপর থেকেই সুযোগ
খুজতে লাগলাম কিভাবে দিদির পায়ের কাছে কাছে থাকা যায়। সেদিন রাতে দিদি সোফায়
একইভাবে আধ শোয়া হয়ে বসে টিভি
দেখতে লাগলো। আমিও দিদির পায়ের কাছে এসে বসলাম। দিদি কিছুই বললোনা। আমি মনে
প্রানে প্রার্থনা করতে লাগলাম যেন
দিদি পা দিয়ে কিছু একটা করে আমার সাথে।
ঈশ্বর আমার প্রার্থনা শুনলেন। দিদি হটাত করেই তাঁর ডান পা আমার মুখের একদম
সামনে নিয়ে এসে আঙুল গুলো নাড়াতে
লাগলো। আমি নিজেকে ধরে রাখতে পারলাম না। দিদির পাটা হাত দিয়ে ধরে আমার গাল
পায়ের নিচে লাগিয়ে ঘষে দিলাম।
এই জিনিসের জন্যে সম্ভবত দিদিও প্রস্তুত ছিলোনা। সে পা সরিয়ে নিলো। আমিও লজ্জা
পেয়ে গেলাম
তারপর এক মাস আমি দিদির পায়ের কাছে বসিনি লজ্জায়। মনে মনে নিজেকে দুষতে
লাগলাম। আগ বাড়িয়ে পায়ে নাক মুখ
ঘসতে না গেলে হয়তো এখনো দিদি তাঁর পবিত্র পা দুটো দিয়ে আমার সাথে খেলা করতো
প্রতিনিয়ত। খুব আফসোস করতে
লাগলাম আমি। আর প্রতিদিন প্রার্থনা করতাম যেন আবার দিদি তাঁর পায়ের নিচে আমাকে
স্থান দেয়
ঈশ্বর আবারো আমার কথা শুনলেন। শীতকাল এসে গেছে তখন। একদিন সন্ধ্যা বেলা
কারেন্ট নাই। দিদির ঘরে মোমবাতি জ্বালানো।
একইভাবে আধ শোয়া হয়ে বসে আছে দিদি। দিদির পরনে নিল সোয়েটার,হাতে কালো
হাতমোজা,পায়ে কালো প্যান্ট,আর সাদা
একজোড়া মোজা। দিদির পেট থেকে পা পর্যন্ত কম্বল দিয়ে ঢাকা ছিলো। আমি দিদির ঘরে
আসতেই দিদি বললো ‘অন্তু এখানে আয়।
গল্প করি’।
আমি বিছানায় উঠতেই দিদি কম্বলের ভিতর থেকে তাঁর সাদা মোজা পরা একটি পা বের করে
ঠিক আমার মুখের সামনে এনে
বললো ‘এই দেখ ভুত’। আমার হার্টবিট বেড়ে গেলো। কিন্তু একইসাথে নিজেকে কন্ট্রোলে
রাখলাম। নিজেকে বুঝালাম যে দিদি
যেভাবে আমার সাথে খেলা করছে,আমাকেও সেভাবে খেলতে হবে,সিরিয়াস ফেমডমে চলে গেলে
এখানে হবেনা। তাই আমি ভুত
দেখার ভান করে হেসে বলে উঠলাম ‘ওরে বাবা!’
দিদি খিলখিলিয়ে হেসে উঠে মোজা পরা পায়ের তলা আমার মুখে ভালোভাবে ঘষে দিলো। আমি
বললাম ‘প্লিজ ভুত আমাকে মেরোনা।’
দিদি আবারো হেসে উঠে মোজা পরা পা দিয়ে আমার মুখে আস্তে আস্তে লাথি মারতে
লাগ্লো।আমি দিদির দুই মোজা পরা পা হাত দিয়ে
ধরে আমার মাথা নামিয়ে দিলাম,বললাম ‘প্লিজ ভুত,ক্ষমা চাচ্ছি তোমার কাছে,এইবারের
মত মাফ করে দাও’,বলে আমার কপাল
নিয়ে লাগালাম দিদির পায়ের উপর
দিদি মুচকি হেসে তাঁর মোজা পরা ডান পা টা আমার মাথার উপর নিয়ে রাখলো। ঘষতে
ঘসতে বললো ‘ঠিকাছে যা,এবারের মত
মাফ করে দিলাম’। আমি ‘ধন্যবাদ ভুত’ বলে দিদির মোজা পরা পায়ের আদর খেতে লাগলাম।
হটাত কারেন্ট চলে আসলো। কাজেই
আমি উঠে পড়তে চলে গেলাম।
পরের দিন সকালে দেখলাম দিদি তাঁর পায়ে আকাশী নীল রঙের এক জোড়া মোজা পরে আছে।
আমি বারবার দিদির রুমে যেতে
লাগলাম এই আশায় যে হয়তো কালকের মত আমাকে ডেকে বসতে বলে পা দিয়ে খেলা করবে।
কিন্তু দিদি একবারো ডাকলোনা
আমাকে। মন খারাপ হয়ে গেলো আমার।
সন্ধার পরই আমার ভাগ্য খুলে গেলো। আমার রুমে আমি ফ্লোরিং করে শুতাম।এভাবে
ঘুমাতেই আমার ভালো লাগ্লতো।সন্ধার পর
আমি আমার রুমে বিছানায় শুয়ে মোবাইল টিপছিলাম। হটাত কারেন্ট চলে গেলো। আমি
উঠলাম না। শুয়ে শুয়ে মোবাইল টিপতে
লাগলাম। হটাত দিদির গলার আওয়াজ পেলাম। দিদি তাঁর রুম থেকে আমাকে বললো
‘অন্তু,কি করছিস রে?’
– কিছুনা দিদি,শুয়ে আছি। দরকার কিছু?
– না,কাজ না থাকলে আয় গল্প করি
– এখনি আসছি দিদি
– না তুই থাক,আমি আসি। একটু সরে বস। নাহলে অন্ধকারের মধ্যে আবার তোর মুখের উপর
পারা দিয়ে দিবো আমি
আনন্দের জোয়ারে আমার মন ভেসে গেলো। বুঝলাম দিদি এখন ফেমডম মুডে আছে।আমি চুপচাপ
শুয়ে থাকলাম। দিদি আমার
রুমে এসে ঢুকলো। এমন না যে রুম ঘুটঘুটে অন্ধকার। সামান্য দেখা যাচ্ছে সবই। সেই
আলোয় আমি দেখলাম দিদি আকাশী
নীল মোজা পরে আছে। দিদি কিন্তু আবছা ভাবে দেখছে আমি কোথায় শুয়ে আছি।কিন্তু এমন
ভান করতে লাগলো যেনো কিছুই
দেখছেনা। ঠিক আমার মাথার সামনে এসে দুই পা আমার মাথার দুই পাশে রেখে দাড়ালো
দিদি।
– অন্তু, কোথায় গেলি? কিছুই দেখছিনা তো। দেখিস আবার পারা দিয়ে দেই নাকি তোর উপর
এটা বলেই দিদি তাঁর নীল মোজা পরা বাম পাটা আমার ঠিক মুখের উপর তুলে দিলো। আমি
স্বর্গে চলে গেলাম। দিদির মোজা
পরা পা আমার পুরো মুখ ঢেকে ফেললো। প্রায় ১২ ঘন্টা ধরে এই মোজা জোড়া পরে আছে
দিদি। তাই মোজায় গন্ধ হয়ে গেছে।
আনন্দে আমি তখন পাগল প্রায়
-কি হলো? কথা বলছিস না কেনো? কোথায় তুই?… আরে,আমার পায়ের নিচে এটা কি রে?
দেখিতো
মুচকি হাসতে হাসতে দিদি তাঁর নীল মোজা পরা পা আমার মুখের উপর ঘসতে লাগলো।

(পার্ট ২)

আমার মুখের উপর নীল মোজা পরা ডান পা রেখে দাড়িয়ে আছে আমার সুন্দরী দিদি। পায়ের
গোড়ালিটা আমার ঠোটের উপর রেখে ঘষতে ঘসতে আমার কপাল পর্যন্ত
নিয়ে আসছে। দিদির আঙুলের অংশটা এসে স্থির হচ্ছে আমার নাকের উপর। দিদির মোজার
মোহনীয় গন্ধ প্রান ভরে শুকছি আমি,আর ভাবছি আমার মত ভাগ্যবান
ভাই পৃথিবীতে কয়জন আছে যে নিজের দিদির মোজা পরা পায়ের আদর খেতে পারছে!
কিছুক্ষণ ঘসার পর দিদি তার মোজা পরা ২পা আমার মাথার ২ পাশে রেখে দাড়িয়ে নিচের
দিকে তাকালো। ‘আরে,এটা তোর মাথা ছিলো? একদমই খেয়াল করিনি রে।
ব্যাথা পেয়েছিস?’। ঠোটের কোনে মুচকি হাসি রেখে জিগ্যেস করলো আমাকে দিদি। আমি
বললাম ‘কি যে বলো। ব্যাথা কেনো পাবো হু? তুমি মাত্র ৪৫ কেজি। তুমি
আমার মুখের উপর উঠে দাড়িয়ে গেলেও আমার কিছু হবেনা’। দিদি খিলখিলিয়ে হেসে বললো
‘আচ্ছা তাই বুঝি? এতো শক্তি হয়েছে তোর? দাড়াবো তোর মুখের
উপর?’। আমার মনে হলো আমার হার্ট বাইরে বেড়িয়ে আসবে। উত্তেজনায় কান দিয়ে গরম
ধোয়া বেরোতে লাগলো। বললাম ‘হ্যা হয়েছেই তো। দাড়াও। কিছুই
হবেনা আমার’। বলতেই দিদি আমার মুখের উপর তার নীল মোজা পরা ডান পাটা রেখে
শরীরের সমস্ত ভর দিয়ে দাড়িয়ে গেলো। আমার মনে হলো আমার
নাক ভেঙ্গে যাবে,কিন্তু এই ব্যাথার মধ্যেও এক অদ্ভুত সুখ পেতে লাগলাম। মনে হলো
আমার দিদির পায়ের নিচে আমার জীবন চলে গেলেও আমার কিছু
যায় আসেনা। আমি শক্ত হয়ে শুয়ে রইলাম। দিদি মুখ থেকে এবার আমার বুকের উপর এসে
দাড়ালো। উপর থেকে আমার দিকে তাকিয়ে বললো ‘কি রে? কেমন
লাগলো?’। আমি বললাম ‘খুব আরাম লেগেছে। কি নরম তোমার পা’। দিদি হাহাহা করে
হাসতে লাগলো। মোজা পরা বাম পা টা আমার মুখের উপর রেখে
দুই তিনবার ঘষে বললো ‘এবার লাগছে আরাম? হা?’ তারপর হাসতে হাসতে আমার উপর থেকে
নেমে গেলো। বললো ‘আমার বিছানায় আয়। গল্প করবো’।
আমি আর দিদি ওর বিছানায় গিয়ে বসলাম।
বিছানায় সেই একই ভাবে দিদি আধশোয়া হয়ে হাটু ভাজ করে বসলো। আমি বসলাম দিদির
পায়ের কাছে। দিদি মোজা পরা ডান পাটা আমার কাধের উপর রেখে
আমার কাধ ঝাকাতে লাগলো। বুঝলাম দিদি আজ ১০০% ফেমডম মুডে আছে। এই সুযোগ মিস করা
যাবেনা। আমি দিদির বাম পাটা আমার কোলের উপর নিয়ে
টিপে দিতে লাগলাম। দিদি ভ্রু কুচকে বললো ‘কি হলো?’। বললাম ‘দিদির সেবা করছি।
শুনেছি দিদির সেবা করলে স্বর্গে যাওয়া যায়’। দিদি মুচকি হেসে তার নীল
মোজা পরা ডান পা আমার গালে লাগিয়ে আস্তে করে একটা ধাক্কা দিয়ে বললো ‘খুব
লক্ষ্মী হয়েছিস না? কবে তুই আমার সেবা করলি বলতো?’। আমি দিদির বাম
পা আমার বুকের উপর চেপে ধরে টিপে দিতে দিতে বললাম ‘বাহ,আগেতো ছোট ছিলাম। অনেক
কিছু বুঝতাম না। এখন বড় হয়েছি। এখন বুঝি যে দিদি আর
মায়ের সেবা করলে আমি স্বর্গে যেতে পারবো। আর তাদের কস্ট দিলে নরকে যেতে হবে।
তাই এখন থেকে শুধু দিদি আর মায়ের সেবা করতে থাকবো’। দিদি
মিস্টি হেসে ওর মোজা পরা ডান পায়ের তলা আমার মুখে একটু ঘষে দিয়ে বললো ‘খুব
লক্ষ্মী হয়েছিস তুই।’।
ঐদিন থেকে দিদি আর ইতস্ততবোধ করতোনা। আমি দিদির পায়ের কাছে বসলেই কথাচ্ছলে
আমার মুখে কাধে পা লাগাতো। আমিও দিদির পা টিপে দিতাম
ইচ্ছামতো। কোন অনুমতি লাগতোনা। দিদি স্কুল থেকে আসার পর ওর জুতা মোজা খুলে
বাথরুমে গোসলে ঢুকতো আর আমি চুপি চুপি ওর রুমে এসে
ওর নোংরা মোজা আমার নাকে চেপে ধরে গন্ধ শুকতাম। ওর জুতোজোড়ায় চুমু দিতাম। আমার
গালে ঘষতাম। দিদি বিছানায় আধশোয়া হয়ে গল্পের বই
পড়ার সময় আমি দিদির পা টিপে দিতে দিতে মাঝে মধ্যে আমার গালে এনে লাগাতাম।
বলতাম ‘কি নরম। একটু গালে ঘষি দিদি?’। দিদি মুচকি হেসে গালে আস্তে
করে একটা লাথি মেরে গল্পের বইয়ে মনোনিবেশ করতো। আমি দিদির পায়ের নিচে নাক মুখ
পাগলের মত ঘষতে থাকতাম। দিদি বাধা দিতোনা।
কয়েক বছর হলো দিদির বিয়ে হয়েছে। শ্বশুরবাড়ি আমাদের শহরেই। দিদি আর আমার ফেমডম
লাইফ বন্ধ বললেই চলে। শ্বশুরবাড়িতে সবার সামনে
এসব করা সম্ভব না। খুব মিস করি দিদির পায়ের স্পর্শ,দিদির মোজার ঘ্রান। তবু
সবসময় ঈশ্বরকে ধন্যবাদ জানাই আমাকে আমার সুন্দরী দিদির
সেবা করার সুযোগ দেওয়ার জন্যে।