দিদি থেকে দেবী…

১…

রবিবার দুপুরে বাবা আর মা বেড়িয়ে পরল হরিদ্বারে গুরুর আশ্রমের উদ্দেশ্যে, ফিরবে সেই শুক্রবার সকালে।  গুরু, ভক্তি এইসব আমার একদম ভাল না লাগলেও আমার যাওয়ার ইচ্ছা ছিল। বাইরে ঘোরা, নতুন জায়গা দেখা এইসব আমার বয়সে সবারই ভাল লাগে। তাই যেতে না পারায় মন খারাপ হয়ে গেল। এই কয়েকটা দিন বাড়িতে আমার দুই বছরের বড় ক্লাস ১১ এ পড়া দিদির সাথে বাড়িতেই কাটাতে হবে, আর বাবা মা বাইরে ঘুরে আসবে।

যাওয়ার আগে মা বলে গেল আমাকে , “ বাবু, দিদি যা বলে শুনবি এই কয়দিন, কোন ঝামেলা করবি না। দিদি যদি ফোন করে কোন কমপ্লেন করে আমি কার দোষ শুনব না, এসে প্রথমেই তোকে শাস্তি দেব। মনে থাকে যেন”।

তারপর দিদিকে বলল, “ তিথি, যা যা লাগার এমনিতে সবই ঘরে আছে। প্রায় এক সপ্তাহের বাজারও করা আছে। তবে কোন কারনে টাকা লাগলে আলমারির লকারে প্রায় কুড়ি হাজার টাকা আছে। তোকে আমার বিশ্বাস আছে, কোন প্রয়োজন হলে খরচ করিস। আমরা আসি তাহলে”।

এই বলে মা আর বাবা বেড়িয়ে গেল। দিদি বাবা আর মা কে এগিয়ে দিতে গেল। আমি বসার ঘরে দুঃখী মনে বসে রইলাম। দোষটা আসলে দিদির। কাল অব্দি ঠিক ছিল আমরাও যাচ্ছি। দিদি আজ সকালে মা কে ডেকে বলল ওর অনেক পড়া আছে, ও যেতে পারবে না। একটা মেয়ে একা থেকে যাবে এটা হতে পারে না, মা তাই আমাকেও যেতে দিল না। লাভের মধ্যে , আমরা থাকছি না বলে যে কাজের মাসি ঘর ঝাঁট দেয় আর বাসন মাজে তাকে এই কয়দিন আসতে বারন করেছে। ফলে এই কয়দিন এই সব কাজই আমাকেই করতে হবে। দিদি এমনিতেই কিছু কাজ করে না ঘরের, তার উপর এই কয়দিন মা ওকে ক্ষমতা দিয়ে গেছে। আমার কপাল খারাপ বুঝতে পারছিলাম।

দিদি মিনিট কুড়ির মধ্যেই ফিরে এল। নিজের স্বভাব মতো পায়ে জুতো পরেই বসার ঘরে ঢুকে আমার পাশে সোফায় বসে পরল। তারপর আমার চুলের মুঠি ধরে ঝাকিয়ে বলল, “ বসে আছিস কেন? সোমা মাসি বাসন মাজতে আসবে না এই কয়দিন জানিস তো। যা গিয়ে বাসন মেজে ফেল। তারপর উপর নিচের সব ঘর ভাল করে ঝাঁট দিয়ে মুছে ফেল”। কয়েক মাস আগে মাধ্যমিকের রেজাল্ট বেরনোর পর থেকে দিদির হম্বিতম্বি আর আমাকে শাসন করা অনেক বেড়েছে, যদিও চিরদিনই অল্প সল্প করতে ভালবাসত। আসলে দিদি মাধ্যমিকে অসাধারন রেজাল্ট করেছে, আমাদের শহরে হায়েস্ট পেয়েছে। আমাদের পরিবার ব্যাবসায়ী পরিবার, কয়েক পুরুষ ধরে আমাদের কাপড়ের ব্যবসা, পরিবারে কেউ কখনও ভাল রেজাল্ট করেনি। একেই আমার দিদিকে দেখতে ভিশন সুন্দরী, সেই নিয়ে দিদির মতো বাবা মায়েরও গর্ব আছে। তার উপর পরিবারে প্রথম কারও এত ভাল রেজাল্ট। বাবা মা দিদিকে প্রায় মাথায় করে রেখেছে এরপর থেকে। ওদিকে আমি চিরদিনই খারাপ পড়াশোনায় , ক্লাস নাইনে ওঠার পর আরও হাল খারাপ হয়েছে। দিদি সেই সুযোগে আরও শাসন বাড়িয়েছে আমার উপরে। নিজের অনেক কাজ আমার উপরে চাপিয়ে দেয়। এতদিন আমাদের উপর বাবা মায়ের হুকুম ছিল যাতে আমরা নিজেদের জামা কাচা, ইস্ত্রি করা , নিজেদের ঘর পরিষ্কার সহ নিজেদের যাবতীয় কাজ নিজেদের হাতে করি। এই আদেশের উদ্দেশ্য ছিল যাতে আমরা নিজেদের কাজ নিজে হাতে করতে শিখি। দিদি চিরদিনই নিজের কাজ আমার ঘাড়ে চাপানোর চেষ্টা করত। মাধ্যমিকে ভাল রেজাল্ট করার পর বাবা মায়ের অতিরিক্ত ভালবাসার সুযোগ নিয়ে দিদি এর পুরোটাই আমার ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়েছে।  আমি প্রতিবাদ করলেও লাভ হয়নি। বাবা মা দিদির পাশেই থেকেছে।

আমি দিদির দিকে তাকিয়ে বললাম, “ আমি একা সব কাজ করব, আর তুই কি বসে আনন্দ করবি? সব একা আমি করতে পারব না”।

দিদি আমার পেটে কনুই দিয়ে একটা খোঁচা দিয়ে বলল, “ আমি যে বাবা মা কে ছেড়ে এলাম স্টেশানে, তুই গিয়েছিলি?মা যাওয়ার সময় কি বলে গিয়েছিল মনে নেই? আবার অবাধ্য হলে মা কে ফোন করে বলব কিন্তু। যা গিয়ে কাজ কর”।

আমি কি আর করি, উঠে ডাঁই করে রাখা বাসনের স্তুপ মাজতে লাগলাম এক এক করে। প্রায় ৩০-৪০ মিনিট পরে বাসন মাজা শেষ করে বসার ঘরে গিয়ে চমকে উঠলাম। দেখি দিদি আমার স্কুলে যাওয়ার ব্যাগ খুলে আমার পরীক্ষার খাতাগুলো এক এক করে দেখছে। আমাকে দেখে দিদি হাসিমুখে জোরে জোরে নাম্বার গুলো পড়তে লাগল, “ বাংলায় ১০০ তে ৩৫, ইংরেজিতে ০৯, ইতিহাসে ১২, ভূগোলে ১৫, জীবন বিজ্ঞানে ২১, ভৌতবিজ্ঞানে ১০, অংকে ০৪ ! বাহ, দারুন রেজাল্ট!! আমাদের বলিস নি কেন?”

আমি সোফায় বসা দিদির পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে হাতজোড় করে বললাম, “ প্লিজ দিদি, বাবা মা কে বল না এখন। এক সপ্তাহ পরেই তো স্কুলে পুজোর ছুটি পরে যাচ্ছে, আমি ছুটি শেষ হলে বলব। নাহলে পূজোর সময়ে বাবা মা আমাকে বাড়ি থেকে বেরোতে দেবে না। প্লিজ দিদি”।

দিদির মুখে হাসিটা চওড়া হল। এই কয়দিন সব কাজ তুই একা করবি, আমি যা বলব মেনে চলবি। নাহলে সাথে সাথে মা কে ফোন করে তার গুনধর ছেলের রেজাল্ট জানিয়ে দেব”।

“ আমি সত্যি খুব ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। আমি আলতো কর নিজের হাতের পাতা দুটো দিদির সাদা স্নিকার পরা পায়ের উপরে রেখে বললাম, “ তোমার সব কথা শুনব দিদি, প্লিজ বল না”।

আমাকে এভাবে পায়ের কাছে বসে ওকে তুমি সম্বোধন করে অনুরোধ করতে দেখে দিদি বলল, “ ঠিক আছে। তুই আমাকে মেনে চললে আমিও বলব না। নে, আমার পা থেকে জুতোটা খুলে দিয়ে রেখে আয় আর আমার ঘরে পরার একটা চটি নিয়ে আয়। তারপর উপর নিচের সব ঘর ঝাঁট দিয়ে মুছে ফেল”।

আমি কি আর করি, দিদির পায়ের কাছে বসে থাকা অবস্থায় ওর পা থেকে সাদা মোজা আর স্নিকার খুলে জুতোর র‍্যাকে রেখে এলাম। তারপর দিদির ঘরে পরার চটিটা এনে আবার দিদির পায়ের কাছে হাটুগেড়ে  বসে দিদির পায়ে নীল চটিটা পরিয়ে দিলাম।

“ টিভির রিমোটটা এনে আমার হাতে দে। তারপর কাজে লেগে পর বসে না থেকে”, দিদি হুকুম করল আমাকে। আমি টিভির রিমোট এনে দিদির হাতে দিয়ে ঝাঁটা হাতে উপর তলায় চলে এলাম। এই কটা দিন যে আমার কপালে শনি নাচছে ভাল করেই বুঝতে পারলাম।

উপর তলায় এখন টয়লেট ছাড়া মোট তিনটে ঘর। একটা আমাদের দুজনের স্টাডি রুম, অনেক বড় হলঘর এটা। দিদি ভাল রেজাল্ট করার পর বাবা কম্পিউটার বসিয়ে দিয়েছে। ঘরটা এসি। পাশের দিদির ঘরটাও অনেক বড় । এই রুমে দিদির নিজের টিভি, ল্যাপটপ সবই আছে। নিজের দামী মোবাইল ও আছে দিদির। এই ঘরটাতে দামী খাট, চেয়ারও আছে, এই ঘরটাও এসি। এর পাশে নিচের গ্যারেজের উপরের ছোট্টো ঘরটা আমার । মেঝে থেকে আমার ঘরের ছাদের উচ্চতা  মাত্র ৭ ফুট, ঘরটাও মাত্র ১০ ফুট বাই ৮ ফুট, দিদির ঘরের মাত্র ৩ ভাগের একভাগ আয়তনে। এসি তো দূর ঘরে একটা চেয়ারও নেই। ছাদ নিচু হওয়ায় সিলিং ফ্যানও নেই। মেঝেতে বিছানা করে টেবিল ফ্যান চালিয়ে শুতে হয় এই গুমোট ঘরে। দিদি আরামার সৌভাগ্যের এত পার্থক্যের কারন সেই পড়াশোনা। বাবা বলে তুইও ভাল রেজাল্ট কর, তোকেও দিদির মতো সব দেব। না করলে এরকম কষ্টেই থাকতে হবে তোকে।

এমনিতেও উপরে সোমা মাসি ঝাঁট দিতে আসে না। দায়িত্বটা আমার আর দিদির ভাগ করার কথা ছিল। কিন্তু ভাল ছাত্রী হওয়াতে দিদি নিজের ঘাড় থেকে দায়িত্বটা আমার ঘাড়ে চাপিয়ে দিতে পেরেছে। আর এই কয়দিন তো ঘরের সব কাজের দায়িত্বই আমার। আমি এক এক করে সব ঘরে ঝাঁট দিয়ে নিচে এলাম। নিচে এসে দেখি দিদি তখনও মন দিয়ে টিভি দেখছে। আমাকে কাজ করতে দেখে আমার দিকে তাকিয়ে দিদি মিটিমিট হাসতে লাগল।

দুতলা অসম্পুর্ন হওয়ায় ঘর কম, একতলায় মোট ৫ টা ঘর, সাথে রান্নাঘর ও টয়লেট তো আছেই। আমি এক এক করে সব ঘরে ঝাঁট দিতে লাগলাম। ঝাঁট দেওয়া শেষ করে দিদিকে জিজ্ঞাসা করলাম , “ রোজ সব ঘর না মুছলে হয়না দিদি? অনেক কাজ তো করলাম আজ”।

দিদি মুখে হাসি ঝুলিয়ে বলল, “ ঠিক আছে মুছিস না। আমি বরং মা কে একটা ফোন করি”।

দিদি আমাকে ডমিনেট করে আনন্দ পাচ্ছে বুঝতে পারছিলাম। আমি সাথে সাথে বললাম, “ সরি দিদি, আমি এখুনি মুছছি”।

উপর নিচের সব ঘর মোছা শেষ করে আমি নিচে এসে দেখি দিদি টিভি দেখতে দেখতে কার সাথে ফোনে গল্প করছে। ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখি বিকেল চারটে বাজে। আমি গত দুই ঘন্টা ধরে খাটছি আর দিদি নিজের ক্ষমতা ব্যবহার করে আরামজ করছে ভাবতে দিদিকে একটু ঈর্শা হতে লাগল। আমি দিদির দিকে তাকালাম। দিদি নিজের দামী আইফোনটা কানে ধরে কোন বন্ধুর সাথে গল্প করছে। দিদির পরনে নীল-সবুজ চুড়িদার, পায়ে নীল চটি। আমার ফর্শা দিদি তিথিকে সব সময়ের মতই অপরুপা সুন্দরী লাগছে। তার উপর দিদি পড়াশোনাতেও এত ভাল! দিদির উপর সত্যিই কি হিংসা করা উচিত আমার? দিদি সব দিক থেকেই আমার চেয়ে অনেক উপরে। এইটুকু আরাম করার অধিকার তো থাকতেই পারে দিদির!

কিরকম ঘোরের মধ্যে চলে গিয়েছিলাম আমি। একটু পরেই ঘোর কাটতে নিজেই অবাক হয়ে গেলাম আমি। দিদি নিজের ক্ষমতা কাজে লাগিয়ে আমাকে খাটাচ্ছে সে এক ব্যাপার। কিন্তু আমি সেটাকে স্বাভাবিক বলে ব্যাখ্যা করতে চাইছি কেন? হল কি আমার?

“ওই ছেলে, চুপ করে দাঁড়িয়ে থাকলে চলবে? উপরে গিওয়ে আমার রুম আর স্টাডি রুমটা ভাল করে গুছিয়ে ফেল। তারপর বিকালের টিফিন বানিয়ে পরতে বস। সময় মতো উঠে রাতের রান্না করে নিস তোর জন্য। আমি বাইরে খাবার অর্ডার দেব নিজের”।

আমি আর তর্ক করলাম না। দিদির রুমে উঠে দিদির অগোছাল রুম গোছাতে শুরু করলাম। তারপর স্টাডি রুম গোছাতে গোছাতে প্রায় সাড়ে পাঁচটা বাজল। আমি নিচে গিয়ে টিফিন বানিয়ে নিজে খেলাম, দিদিকেও দিলাম। দিদি তারপর নিজের রুমে বসে ল্যাপটপ খুলে বন্ধুদের সাথে চ্যাট করতে লাগল। আর আমি স্টাডি রুমে বসে পড়তে লাগলাম। পড়াশোনা না করার জন্যই আজ বাবা মা দিদিকে আমার থেকে এত বেশি অধিকার দিয়েছে আর দিদি আমাকে ইচ্ছামত খাটাতে পারছে। ঠিক করলাম এবার থেকে ভাল করে পড়তে হবে। রাত সাড়ে নটায় উঠে নিজের জন্য সিদ্ধ ভাত বসালাম। একটু পরে দিদির জন্য রেস্টুরেন্ট থেকে প্যাকেট করা খাবার দিয়ে গেল। আমি যখন রাতে সিদ্ধ ভাত নিয়ে বসলাম, দিদি আমার উল্টোদিকে বসে আমাকে দেখিয়ে দেখিয়ে ফ্রায়েড রাইস আর চিলি চিকেন খেতে লাগল। খাওয়া শেষ করে আমি আবার সব বাসন মেজে রাখলাম। তারপর নিজের ঘরে গিয়ে গুমোট ছোট্টো নিচু ঘরে গিয়ে মেঝেতে পাতা বিছানায় টেবিল ফ্যান চালিয়ে শুয়ে পড়লাম। দিদি তখন নিজের ঘরে এসি চালিয়ে আরাম করে শুয়ে বক্সে হাই ভলিউমে গান শুনছে।

পরের তিনদিন আমার ভয়ানক কষ্টে কাটল। সারাদিনে এক মিনিটও ফ্রি টাইম পেতাম না। সকালে উঠে ঘর ঝাঁট দেওয়া, মোছা, বাসন মাজা, রান্না করা সামলে স্কুলে যেতে হত। বিকালে স্কুল থেকে ফেরার পর দিদি কিছু না কিছু কাজ বার করে আমাকে ধরিয়ে দিত। দিদি মা কে আমার রেজাল্টের কথা বলে দেবে বলার পর আমি এতটাই ভয় পেয়েছিলাম, তারপর থেকে আমাকে আর ভয়ও দেখাতে হত না দিদিকে। আমি স্বেচ্ছায় সব কাজ করে দিতাম প্রায়। ঘর গোছানো থেকে জামা কাচা সবই দিদি আমাকে দিয়ে করাত।

দিদি ক্রমে নিজের সব কাজই আমার ঘাড়ে চাপাতে লাগল। প্র্যাকটিক্যল খাতা কপি করানো থেকে দিদিকে খাবার সার্ভ করা সবই আমি বিনা প্রতিবাদে করতে লাগলাম। এমনকি দিদি বাইরে যাওয়ার সময় দিদির পায়ে মোজা জুতো পরিয়ে দেওয়া আর বাইরে থেকে ফিরলে পা থেকে মোজা জুতো খুলে দেওয়ার দায়িত্বও আমার উপরে পরল। এমনকি দিদির প্রতিটা জুতো পালিশ করে চকচকে করে রাখার দায়িত্বও দিদি স্বচ্ছন্দে আমার ঘাড়ে চাপিয়ে দিল। আমি কিরকম অবাক হয়ে যাচ্ছিলাম নিজেকে দেখেই, সব কাজ এমনভাবে করছিলাম যেন আমি দিদির চাকর।

 

২…

 

বৃহস্পতিবার সকালে উঠেই দিদি আমাকে বলল ,” আজ স্কুল যেতে হবে না, আমি বাড়িতে পার্টি দিয়েছি। পৃথা, সোহিনী আর সুনন্দা আসবে। তুই বাড়িতে থেকে আমাদের সার্ভ করবি সারাদিন।

দিদি আমাকে চাকরের মতো ব্যবহার করছে বুঝেও আমার ভিতর থেকে কোন প্রতিবাদ এল না। আমি ঘাড় নেড়ে বললাম, “ ঠিক আছে দিদি। তুমি যা বলবে তাই করব”। দিদির মুখের মুচকি হাসি বুঝিয়ে দিচ্ছিল ভাইয়ের এই চাকরের মতো আচরন ও খুব এঞ্জয় করছে”।

সারাদিন তুমুল পার্টি চালাল ওরা। বক্স থাকা সত্বেও আরও ভাল সাউন্ড বক্স ভাড়া করল। রেস্টুরেন্ট থেকে ভাল খাবার এল। ওরা সবাই জুতো পরা পায়েই তুমুল হুল্লোর করল স্টাডি রুম ফাকা করে। আমি দরজার সামনে দাঁড়িয়ে ছিলাম পুরো সময়। মাঝে মাঝেই ওরা কেউ স্ন্যাক বা কোল্ড ড্রিংক্স চাইছিল। আমি ঠিক চাকরের মতো ছুটে গিয়ে সেটা এনে ওদের হাতে দিচ্ছিলাম। দুপুরে ওদের জন্য রেস্টুরেন্টের দামী খাবার সার্ভ করলাম। অথচ আমাকে তা থেকে একটুও ভাগ দিল না। আমাকে সেই তাড়াতাড়ি সেদ্ধভাত করে খেতে হল। সন্ধ্যায় ওদের অর্ডার মতো এক প্যাকেট সিগারেট আর কয়েকটা বিয়ারের বোতলও আনতে হল। সারা সন্ধ্যা ওদের ফাই ফরমাশ মত এটা ওটা এনে দিতে হচ্ছিল। সন্ধ্যার পর ওদের সবার পা থেকে জুতো খুলে ঘরে পরার চটি পরিয়ে দিলাম ওদের পায়ে। রাত একটা অব্দি ওদের পার্টি চলল। ততক্ষন চাকরের মতো ওদের ফাই ফরমাশ খাটার পর নিচে গিয়ে সকালের করা সিদ্ধভাত খেয়ে নিজের ছোট্ট গুমোট ঘরে ঢুকে মনে পরল আমার টেবিল ফ্যানটাও দিদির আদেশে স্টাডি রুমে দিয়ে এসেছিলাম।  নিচে গিয়ে শুতে সাহস হল না। কি জানি, রাতে যদি দিদিদের কিছু প্রয়োজন হয়! আমি গুমোট গরমে নিজের মেঝেতে পাতা বিছানায় এসে শুলাম। দিদি আর তার বান্ধবীরা তখন সারাদিন পার্টিতে হৈ হুল্লোর করে পাশের দুটো ঘরে এসি চালিয়ে নরম গদিতে শুয়ে ঘুমাচ্ছে। আর আমি? গুমোট গরম ঘরে একটা ফ্যানও জোটেনি আমার !! গুমোট গরমে রাতে আমার ঘুম বারবার ভেঙ্গে যাচ্ছিল। আধো ঘুমের মধ্যে বারবার সারাদিন দিদিদের চাকরের মতো খাটার কথা মনে পরে যাচ্ছিল। যত ভাবছিলাম দিদির আমাকে চাকরের মতো ব্যবহারের কথা, দিদির আরামে থাকা আর আমার ভয়ানক কষ্টে থাকা, কিরকম এক নেশাচ্ছন্ন হয়ে পড়ছিলাম আমি। মনকে বারবার যেন বোঝাতে চাইছিলাম আমাকে এইভাবে ব্যবহার করার সম্পুর্ন অধিকার দিদির আছে। আমি কি সত্যিই দিদির হাতে এইভাবে ব্যবহৃত হওয়া এঞ্জয় করতে শুরু করেছি?

সকালের দিকে একটা অদ্ভুত স্বপ্ন দেখলাম। দিদি বসার ঘরের মেঝেতে ফেলে আমার মুখের উপর পা রেখে দাঁড়িয়ে আছে। দিদির পরনে স্কুলের সাদা জামা, সবুজ স্কার্ট। পায়ে সাদা মোজা আর স্নিকার। মা বলছে, লাথি মার ভাইকে, মেরে মেরে ওর মুখ ভেঙ্গে দে। দিদিও তাই শুনে আমার মুখের উপর জুতো পরা দুই পা দিয়ে একের পর এক লাথি মারতে লাগল। আমার মুখে অবশ্য যন্ত্রনা হচ্ছে, মনে হচ্ছে নাকটা ভেঙ্গে যাবে দিদির লাথি খেয়ে। আমি দিদির জুতো পরা পা জড়িয়ে ধরে ক্ষমা চাইতে লাগলাম দিদির কাছে। কিন্তু দিদি বা মা কেউই আমাকে ক্ষমা করছে না, দিদি একের পর এক লাথি মেরেই যাচ্ছে আমার মুখের উপরে জুতো পরা পা দিয়ে।

“ এই ছেলে, ওঠ । আরাম করে ঘুমাচ্ছিস নিজে, আমাদের টিফিন বানাতে হবে খেয়াল নেই?” দিদির গলার আওয়াজ শুনে স্বপ্ন ভেঙ্গে চোখ মেললাম। তাকিয়ে দেখি দিদি আমার মাথার কাছে এসে দাড়িয়েছে। মেঝেতে শোয়া আমার গালটার উপরে চটি পরা ডান পা দিয়ে টোকা দিয়ে আমাকে ডাকছে দিদি।

“ সরি দিদি, আমি এখুনি গিয়ে টিফিন বানিয়ে দিচ্ছি তোমাদের”। আমি দিদি ডান পা টা দুই হাত দিয়ে ধরে বললাম, তারপর উঠে বসলাম।

দিদি কোমরে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে বলল, “ তাড়াতাড়ি। তোর জন্য আমরা খালি পেটে বসে থাকতে পারব না”। দিদি এমনভাবে বলছিল যেন আমি সত্যিই ওর ভাই না, চাকর। দিদির মুখের হাসি বুঝিয়ে দিচ্ছিল ছোট ভাইকে চাকরের মতো ব্যবহার করা ও কতটা এঞ্জয় করছে।

আমি বোধহয় তারচেয়েও বেশি এঞ্জয় করছি দিদির হাতে এই ডমিনেশন। কেন আমি নিজেও জানিনা। আমার সত্যিই মনে হচ্ছে যেন আমার সুন্দরী মেধাবী দিদিকে বাবা মায়ের সামনে চাকরের মতো সেবা করতে পারলে আমি আর কিছু চাই না। আর যে স্বপ্নটা দেখলাম সেটা যদি সত্যি হয়? মায়ের সামনে যদি কোনদিন  দিদি ওইভাবে জুতো পরা পায়ে লাথি মারে আমার মুখে? কি যে হয়েছে আমার নিজেও জানি না। দিদির সেবা করার চিন্তা, দিদির হাতে অত্যাচারিত হওয়ার চিন্তা এত আনন্দ দিচ্ছে কেন আমাকে?

আর দিদি তো সত্যিই আজ চটি পরা পা দিয়ে মেঝেতে শোয়া আমার গালে টোকা দিচ্ছিল। ভাবতেই যেন নিজের দেহের কোষে কোষে কি এক অনাবিল সুখের স্রোত টের পাচ্ছিলাম যেন।

আমি বেসিনের আয়নার সামনে এসে দাঁড়ালাম মুখ ধোওয়ার জন্য। কিন্তু একি দেখছি আমি? নিজের চোখকেও বিশ্বাস হচ্ছে না আমার। আমার ঠোঁট, নাক আর কপালের উপর দিদির চটির তলার ছাপ স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে যে! দিদি কি তাহলে আমার গালে শুধু চটি পরা পা দিয়ে টোকাই মারে নি, ভোররাতের পর গাঢ় ঘুমে আচ্ছন্ন হওয়া আমার ঘুমের সুযোগ নিয়ে মুখের উপর এত জোরে নিজের চটির তলা ঘসেছে যে আমার মুখের উপর দিদির চটির তলার ছাপ পরে গেছে? নাকি দেয়াল ধরে আমার মুখের উপর চটি পরা পায়ে উঠে দাড়িয়েই পড়েছিল দিদি? সেরকমই তো মনে হচ্ছে। দুটো আলাদা চটির তলা দাগ  স্পস্টই দেখা যাচ্ছে আমার মুখের উপরে, একটা নাক আর ঠোঁটের উপরে, অন্যটা কপালের উপরে। দিদি তাহলে সত্যিই গাঢ় ঘুমে আচ্ছন্ন আমার মুখের উপর চটি পরা পায়ে উঠে দাঁড়িয়েছিলো আমার ঘুমের সুযোগ নিয়ে। আর ঘুমে আচ্ছন্ন অবস্থায় মুখের উপর সেই ব্যথার অনুভুতিকে স্বপ্ন অন্যভাবে ব্যখ্যা করিয়ে আমাকে দেখাচ্ছিল দিদি মায়ের সামনেই আমার মুখের উপরে জুতো পরা পায়ে জোরে জোরে লাথি মারছে। উফ, দিদি আমার মুখের উপর চটির তলা ঘসছিল, আমার মুখের উপর চটি পরা পায়ে আমার মুখের উপর উঠে দাঁড়িয়েছিলো  ভাবতেই আমার কোষে কোষে আনন্দের ঢেউ উঠতে লাগল যেন। ঠিকই তো করেছিল দিদি। আমার জায়গা তো আমার দিদির জুতোর তলাতেই! কিন্তু আমার ঘুম ভাংতেই দিদি আমার মুখ থেকে নেমে দাড়াল কেন? জেগে থাকা অবস্থায় সবার সামনেই আমার সাথে এরকম করতে পারে তো দিদি। দিদি কি ভাবে আমি বাধা দেব? ছি, দিদি আমার প্রভু হয়, আমাকে নিয়ে যা খুশি করতে পারে দিদি। আমার মনে আর কোন দ্বন্দও কাজ করছিল না যেন। আমি যেন শুধু দিদির চাকর না, মনে মনে দিদির দাস হয়ে গিয়েছিলাম। আমি মনে মনে শুধু ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করতে লাগলাম যাতে ঘুমের মধ্যে দিদি যেভাবে আমার মুখের উপর চটি পরা পায়ে উঠে দাঁড়িয়েছিলো, সেরকম যেন সবার সামনেই করে আমার জেগে থাকা অবস্থাতেই।

আমি দিদিদের জন্য টিফিন প্রস্তুত করে স্টাডি রুমে গিয়ে ওদের হাতে টিফিন তুলে দিলাম। তারপর ফ্রেশ হয়ে রান্না বসালাম। দিদির বান্ধবীরা টিফিন করে বাড়ি চলে গেল। দিদি খেয়ে নিয়ে স্কুলে চলে গেল। আমিই দিদির পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে দিদির পায়ে জুতো মোজা পরিয়ে দিলাম। দিদি বেরিয়ে যাওয়ার পরই ল্যান্ডলাইনে ফোন এল। মা ,বাবা গুরুকে নিয়ে আধ ঘন্টার মধ্যে স্টেশনে পৌছাবে। আমি যেন আনতে যাই। আমার খেয়াল হল স্টাডি রুমের অবস্থা দিদিরা ভিশন খারাপ করে রেখেছে। কিন্তু তখন আর গোছানোর সময় নেই। আমি শুধু বিয়ারের বোতল তিনটে ফেলে দিয়ে রেডি হয়ে স্টেশনের দিকে চললাম মা বাবা আর গুরুকে নিয়ে আসতে।

 

৩…

 

স্টেশান থেকে যখন বাবা মা আর গুরুকে নিয়ে ফিরলাম তখন বেলা প্রায় ১২ টা। এতদিন যে বয়স্ক গুরুকে বাড়িতে আসতে দেখেছি তিনি নাকি বয়সজনিত কারনে খুব অসুস্থ। যিনি এসেছেন তিনি তার ছেলে, দেখে মনে হয় বছর ৩৫ বয়স। পারিবারিক ঐতিহ্যে ইনিই এখন আমাদের বাড়ির গুরু হবেন, পরামর্শ দেবেন বাবাকে। ইনাকে আমার আগের গুরুর মতো খারাপ লাগল না। ইনি অনেক হাসিখুশি স্বাভাবিক মানুষ।

বাড়ি পৌছেই মা বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত হয়ে পরল, বাবা একটু বেরলো ব্যবসার কাজে। দুপুরে মা গুরুর কাছে অভিযোগ করল, “ আমার ছেলেটা দিন দিন খারাপ হয়ে যাচ্ছে গুরুদেব। আমার মেয়েটা এত ভাল, অথচ ছেলেটা ওর দিদিকে দেখে কিছুই শিখল না। পড়াশোনা করে না, বদ্মাইশি করে বেড়ায়। দেব-দেবীতে ভক্তি নেই। সরস্বতী পুজোর সময় বলে দেবীর মুর্তি দেখে ওর প্রানে ভক্তি জাগে না। আপনি এঁকে মানুষ করার উপায় বলুন গুরুদেব, বড় চিন্তায় আছি”।

গুরু হেসে বলল, “ চিন্তা কোর না। আমি আছি, ঠিক একটা ব্যবস্থা করব। এই বয়সে এরকম হয়। আর মুর্তি দেখেই ভক্তি জাগতে হবে এরকম কোন নিয়ম নেই। দেবীর উপস্থিতি উপলব্ধি করার জন্যই তো দেবী মুর্তির কল্পনা। দেখতে হবে  কি বা কাকে দেখে ওর প্রানে ভক্তি জাগে। তারপর সেটাকে সঠিকভাবে ব্যবহার করলেই ও দেবী সরস্বতীর মাহাত্ম অনুভব করতে পারবে, পড়াশোনায় মন বসবে, স্বভাবও শান্ত হবে। আমি তো আছি, ওর সাথে ভাল করে পরে কথা বলে দেখব ওর সমস্যা কি”।

গুরুর কথা শুনেই আমার দেহের মধ্যে যেন বিদ্যুৎ খেলে গেল। সত্যি, দেবী সরস্বতীর মুর্তি দেখে আমার প্রানে ভক্তি জাগে না, কিন্তু আমার সুন্দরী দিদিকে দেখে জাগে। দিদিকে কোন দেবী আর নিজেকে দিদির ভক্ত মনে হয়। মনে হয় সবার সামনে দিদির পায়ের উপর মাথা রেখে শুয়ে থাকি, দিদির নরম পায়ের পাতায় চুম্বন করে আশির্বাদ প্রার্থনা করি”।

বাকি দিনটা স্বাভাবিক নিয়মেই কাটল। দিদি বিকালে স্কুল থেকে ফিরল, তারপর আবার আগের মতো টিফিন করেই পড়তে বসে গেল। আমিও একটু পড়ার চেষ্টা করলাম। রাতে গুরু কিসের একটা যজ্ঞ করবে, তার প্রস্তুতিতে মা কে সাহায্য করলাম।

ঝামেলা বাধল রাত ৯ টার দিকে। কি একটা আনার জন্য টাকা বের করতে গিয়ে মা দেখল লকারে মাত্র ৩০০ টাকা পরে আছে। রবিবার আমাদের দুজনকে রেখে বেড়াতে যাওয়ার আগে লকারে মা ২০০০০ টাকা রেখে গিয়েছিল। মা আকাশ থেকে পরল তাই দেখে। আমাকে আগে সামনে পেয়ে  জিজ্ঞাসা করল,” ৫ দিনে তোরা ২০০০০ টাকা খরচ করলি কি করে? কি করেছিস টাকা দিয়ে?”

আমি দিদিকে দোষ দিতে চাইনি, কিন্তু নর্মাল রিফ্লেক্সে আমার মুখ দিয়ে বেড়িয়ে গেল, “ আমি তো এক টাকাও ধরিনি মা। আলমারির চাবি কোথায় রেখেছিলে তুমি তাই জানি না আমি”।

মা ভুরু কুঁচকে বলল, “ চল উপরে তোর দিদিকে জিজ্ঞাসা করি”।

ভয়ে আমার বুক ধুকধুক করছিল। দিদির এই কয়দিন রোজ রেস্টুরেন্টে দামীদামী খাওয়া, পার্টি করার টাকা কোথা থেকে এসেছে আমি বুঝতে পারছিলাম। বুধবার দিন দিদি তো অনেক কিছু শপিং ও করে এনেছিল।

মা দিদিকে টাকার কথা জিজ্ঞাসা করতেই দিদি ঠোঁট উলটে এমন ভাব করল যেন মা কি বলছে কিছুই বুঝতে পারছে না। তারপর দিদি বলল, “ ঘরে তো সব বাজারই করা ছিল। আমি একবারও আলমারি খুলিনি। তবে ভাইকে রোজই দেখেছি ঘরের খাবার না খেয়ে বাইরের রেস্টুরেন্ট থেকে খাবার আনিয়ে খেতে। ভাই তো কাল অনেক বন্ধু এনে ঘরে পার্টিও দিয়েছিল। ওই বলতে পারবে, কত টাকা সরিয়েছে আলমারি থেকে”।

দিদির এই কথায় আমি হতভম্ব হয়ে গেলাম। দিদিকে আমি মনে প্রানে দেবীর মতো শ্রদ্ধা করি এখন, দিদি আমার উপর নিজের অপরাধের দায় নিশ্চয়ই চাপাতে পারে, সেই অধিকার দিদির আছে। কিন্তু মায়ের প্রশ্নের জবাবে কি বলব, কিভাবে পরিস্থিতে সামলাব বুঝতে পারছিলাম না। মা- বাবা- দিদি এরপর একসাথে যখন আক্রমন করবে তখন কি করব বুঝতে না পেরে বলে ফেললাম, “ না মা, আমি এসব কিছু করিনি”।

“ দিদি খাট থেকে নেমে মায়ের সামনেই আমার বাঁ গালে ডাব হাত দিয়ে বেশ জোরে একটা থাপ্পর মেরে বলল, “ কি , আমি মিথ্যা বলছি? ঠিক আছে মা, তাহলে তোমার গুনধর ছেলের কির্তী নিজেই দেখে যাও” এই বলে মাকে নিয়ে স্টাডি রুমে আসল। আমিও মা আর দিদির পিছু পিছু এলাম।

এই দেখ মা, কাল এই ঘরে ভাই পার্টি করেছিল। এখনও মেঝেতে খাবারের টুকর পরে আছে দেখ। এই দেখ, সিগারেটের ছাই আর ফিল্টারও আছে। আর এই গ্লাস গুলো দেখ, শুঁকলেই বুঝতে পারবে এতে করে কি খেয়েছে। তোমার গুনধর ছেলে এই বয়সেই বন্ধুদের নিয়ে পার্টি করছে, মদ সিগারেট খাচ্ছে। এবার ওর ঘরে আস, আরেকটা জিনিস দেখাই”।

এই বলে দিদি মা কে নিয়ে আমার ঘরে এল। আমার স্কুল ব্যাগ খুলে পরীক্ষার খাতাগুলো বের করে মা কে বলল,” ওর যে রেজাল্ট বেড়িয়েছে স্কুলে সেটা কাউকে বলেনি। স্বভাব তো গেছেই, এবার কিরকম নাম্বার পেয়েছে দেখ। বাংলায় ১০০ তে ৩৫, ইংরেজিতে ০৯, ইতিহাসে ১২, ভূগোলে ১৫, জীবন বিজ্ঞানে ২১, ভৌতবিজ্ঞানে ১০, অংকে ০৪ । এবার টাকা কে কেন সরিয়েছে বুঝতে পারছ নিশ্চয়ই। এই বয়সেই যত অধঃপতনে যাওয়া সম্ভব ও চলে গিয়েছে। কি করে সামলাবে ওকে এখনই ভাব মা। আমাকে দায়িত্ব দিলে চাবকে সোজা করে দেব ভাইকে”।

দিদির কথায় আমি চমকে উঠছিলাম। পরীক্ষার নম্বর এখন মা বাবাকে বলবে না সেই শর্তে এই কয়দিন সম্পুর্ন চাকরের মতো আমি দিদির সেবা করলাম। আর তার পরও সেটা মা কে বলে দিল দিদি! এমনকি , নিজে আলমারি থেকে টাকা সরিয়ে যা যা করেছে সব দোষ আমার ঘাড়ে চাপিয়ে দিল। আমি বুঝতে পারছিলাম ভয়ানক শাস্তির খাড়া নেমে আসতে চলেছে আমার উপরে। কিন্তু আমার উপরে আমার সুন্দরী ২ বছরের বড় দিদির নিষ্ঠুরতা কোন এক অজ্ঞাত কারনে ভয়ানক ভাল লাগছিল আমার। মনে মনে নিজেকে ধিক্কার দিলাম প্রথমে দোষ অস্বীকার করায়। ঠিক করলাম আমার যাই শাস্তি হোক, সব শাস্তি আমি মাথা পেতে নেব। দিদির করা অপরাধের শাস্তি আমি পাব ভাবতেও কেন যেন অদ্ভুত আনন্দ হচ্ছিল।

মার মুখ থমথমে হয়ে গিয়েছিল রাগে, বুঝতে পারছিলাম ভয়ানক কিছু আসতে চলেছে প্রতিক্রিয়ায়। তখনই বাবা নিচ থেকে ডাক দিল। যজ্ঞের সময় হয়ে এসেছে প্রায়। আয়োজন সম্পুর্ন করতে হবে।

মা আমার দিকে তাকিয়ে গম্ভীর গলায় বলল, “ তোর শাস্তি পরে হবে। এখন চল, যজ্ঞের কাজ সাহায্য করবি”।

যজ্ঞ শেষ হতে রাত প্রায় দেড়টা বাজল। ফলে তখন আর আমার শাস্তি নিয়ে আলোচনা হল না বেশি, শুধু বাবা মাকে বলল কাল সকালে গুরুর সাথে কথা বলতে কি করে আমাকে ঠিক পথে আনা যায়। আমি ভয়ে ভয়ে উপরে এসে আমার ঘরে শুয়ে পরলাম। আজও টেবিল ফ্যানটা আনা হয়নি পাশের ঘর থেকে। আমি সেই ভ্যাবসা গরমেই মনে ভয়ানক ভয় নিয়ে ঘুমানোর চেষ্টা করতে লাগলাম। আর আমার সুন্দরী দিদি নিজের সব অপরাধের দায় আমার উপরে চাপিয়ে এসি ঘরে তার অনেক আগে থেকেই আরাম করে ঘুমাচ্ছিল।

ভোররাতে স্বপ্নে দেখলাম গুরু আমাকে জিজ্ঞাসা করছেন , “ সরস্বতী্ মূর্তি দেখলে তোমার মনে ভক্তি জাগে না?”

“না”, আমি বললাম।

“ কি দেখলে ভক্তি জাগে তাহলে”।

আমি বললাম, “ আমার দিদি তিথিকে । দিদিকে দেখলেই মনে হয় স্বয়ং দেবী সরস্বতী। তাই দিদির এত রুপ, এত ভাল পড়াশোনায়। দিদিকে দেখলেই ভক্তিতে দিদির পায়ের উপর মাথা নামিয়ে দিতে ইচ্ছা করে”।

“ তাহলে তোমার দিদিকেই দেবী রুপে ভক্তিভরে পুজা কর এখন থেকে, এতেই তোমার উন্নতি হবে”।

তারপর দেখলাম দিদি শাড়ি পরে খালি পায়ে একটা চেয়ারে বসে আছে দেবী সরস্বতী রুপে। আমি মন্ত্র পরে দিদিকে পুজা করছি দেবী সরস্বতী রুপে মা বাবার সামনেই। তারপর দিদির পা দুটো হাতের পাতায় রেখে তার উপর নিজের মাথাটা নামিয়ে দিলাম আমি। সুন্দরী দিদির নরম ফর্শা পায়ের পাতায় কপালটা ঘসতে লাগলাম , বারবার দিদির পায়ের পাতায় চুম্বন করতে লাগলাম ভক্তিভরে। জবাবে দিদি নিজের পা দুটো আমার মাথার উপরে রেখে আমাকে আশির্বাদ করল দেবীর মতো।

উফ, কি অদ্ভুত নেশা এই স্বপ্নে। আমি আরও গভীর ঘুমে তলিয়ে গেলাম স্বন দেখতে দেখতে।

ঘুমা ভাঙল মুখের উপর শক্ত কোন কিছুর স্পর্শে । চোখ খুলে দেখি কালকের মতো দিদি আমার মাথার পাশে দাঁড়িয়ে আছে। দিদির পরনে কাল টি শার্ট আর ধুসর বারমুডা, পায়ে নীল চটি। দিদি চটি পরা ডান পায়ের তলাটা আমার মুখের উপর ঘসছিল বেশ জোরে। আমি জাগার পরেও কয়েক সেকেন্ড আমার মুখের উপর চটির তলাটা ঘসা চালিয়ে গেল দিদি। তারপর, আমি জেগে চোখ খুলেছি বুঝতে পেরে আমার মুখের উপর থেকে চটি পরা ডান পা টা সরিয়ে দিদি বলল, “ কাল তুই মাকে বললি কেন টাকা তুই নিসনি? এখন থেকে আমার সব অপরাধের দায় নিজে থেকে মাথা পেতে নিবি তুই। আর কাল আমি যা বলেছি মা কে তুইও সেটাই বলবি। সত্যিটা মা জানতে পারলে তোর বিপদ আছে কিন্তু। মনে রাখিস, মা বাবা তোর মতো অপদার্থ ছেলের কথা বিশ্বাস করবে না, আমি যেটা বলব সেটাই মেনে নেবে। তারপর তোকে আমি দেখে নেব”। দিদি চটি পরা পা দিয়ে আমার গালে টোকা দিয়ে বলল।

দিদির উপর একটুও রাগ হচ্ছিল না আমার, সত্যিই তো আমি অপদার্থ ছেলে, স্বপ্নের মতো দিদিকে সবার সামনে পুজো করতে পারলে আমার জীবনটা ধন্য হয়ে যেত। কিন্তু আমাকে জাগতে দেখে দিদি আমার মুখের উপর থেকে নিজের চটি পরা পা টা সরিয়ে নিল কেন? আমার জায়গা তো ওখানেই, দিদির চটির তলায়। দিদির প্রতি প্রবল ভক্তি উথলে উঠল আমার মনে। নিজে থেকে দুই হাতে দিদির চটি পরা ডান পা টা টেনে এনে আমার ঠোঁটের উপরে রাখলাম। দিদির চটির তলায় একটা গাঢ় চুম্বন করে বলল, “ সরি দিদি। কাল ভুল করে মা কে বলে ফেলেছি ওই কথা। এখন থেকে তুমি যা বলবে আমি তাই করব, তুমি তোমার যত অপরাধের দায় আমার উপরে চাপাবে সব আমি মাথা পেতে নেব। আমার জায়গা এখন থেকে তোমার এই চটির তলায়”।

এই বলে আমি একের পর চুম্বনে ভরিয়ে দিতে লাগলাম দিদির চটির তলা। দিদি একটু অবাক চোখে দেখছিল আমার দিকে। দিদির প্রতি আমার এই অসহায় আত্মসম্পর্পনের কারনটা বুঝতে পারছিল না বোধহয়। আমি দিদি চটির তলায় একের পর এক গাঢ় চুম্বন চালিয়ে যাচ্ছিলাম, হঠাত দিদি চটি পরা ডান পা টা তুলে আমার মুখের উপর বেশ জোরেই একটা লাথি মারল। “ আমার সাথে চালাকি করার চেষ্টা করবি না কিন্তু, ফল ভাল হবে না। মা , বাবা আর ওই গুরু আজ তোর বিচারে বসবে, তুই তাই বলবি যা আমি বলতে বললাম। নাহলে আর এত আসতে লাথি মারব না, জুতো পরা পায়ে সপাতে তোর মুখে লাথি মারতে মারতে তোর নাক মুখ দাঁত সব ভেঙ্গে দেব আমি”। দিদি আমার মুখের উপর আরও কয়েকটা লাথি মারতে মারতে বলল।

আমি দিদির লাথি খেতে খেতেই দিদির চটির তলায় আরেকটা গাঢ় চুম্বন করে বললাম, “ আমাকে তুমি ইচ্ছা করলেই যত খুশি লাথি মারতে পার দিদি, সেই অধিকার তোমার আছে। তুমি এত মেধাবী, এত সুন্দরী দিদি আর আমি তোমার অপদার্থ ভাই একটা। মুখে তোমার লাথি খেলেও আমার উন্নতি হবে দিদি।

দিদি বোধহয় ওর প্রতি আমার ভক্তিটা বুঝতে পারছিল না, ভাবছিল আমি কোন চালাকি করার চেষ্টায় আছি। দিদি আমার মুখের উপর রাখা চটি পরা ডান পাটায় ভর দিয়ে উঠে দাঁড়াল, দিদির চটি পরা পায়ের তলার চাপে আমার নাকটা ফ্ল্যাট হয়ে মুখের সাথে লেগে গেল। দিদি ওর চটি পরা বাঁ পা টা আমার ঠিক গলার উপর রেখে দাঁড়াল। দিদির চটি পরা বাঁ পা টা আমার গলার উপরে রাখা, আর চটি পরা ডান পা টা আমার ঠোঁট আর নাকের উপরে। আমি নিশ্বাস নিতে পারছিলাম না, একটু বাতাসের জন্য বুকটা পাগলের মতো ওঠা নামা করছিল। ভিশন কষ্ট হচ্ছিল আমার। কিন্তু এই কষ্ট আমার সুন্দরী দিদি দিচ্ছে এই চিন্তা সেই প্রবল কষ্টকেও উপভোগ্য করে তুলেছিল। আমি সেই অবস্থাতেই দুই হাত বাড়িয়ে ক্রীতদাসের মতো দিদির পা দুটো টিপে দিতে লাগলাম।

দিদি একটু পরে বাঁ পা টা বাড়িয়ে আমার কপালের উপরে রাখল। আমার মুখের উপর চটি পরা পায়ে পায়ে প্রায় ১০ মিনিট দাঁড়িয়ে রইল দিদি, দেয়ালটা ধরে রইল ব্যালেন্সের জন্য। আমি এই পুরো সময়টা প্রভুজ্ঞানে ভক্তিভরে দিদির পা দুটো পালা করে টিপে চললাম। দিদি নিজে থেকে এইভাবে আমার উপর অত্যাচার করছে ভাবতেই প্রবল আনন্দে আচ্ছন্ন হয়ে পরছিলাম আমি।

প্রায় ১০ মিনিট পর দিদি আমার মুখের উপর থেকে নেমে দাঁড়াল। আমার দিকে তাকিয়ে গম্ভীর গলায় বলল, “ যা বললাম সেটা মনে থাকে যেন”। তারপর আমার উত্তরের অপেক্ষায় না থেকেই মুখ ঘুরিয়ে ঘর থেকে বেরনোর জন্য পা বাড়াল।

আমি উঠে মেঝেতে বসে পরেছিলাম ততক্ষনে, দিদির কথার উত্তরে স্বতস্ফুর্তভাবে আমার মুখ থেকে বেরিয়ে গেল, “ নিশ্চয়ই প্রভু, তুমি যা বলবে আমি তাই করব এখন থেকে। এখন থেকে তুমি আমার আরাধ্যা দেবী, তোমার জুতোর তলায় আমার স্থান”।

দিদি ঘুরে দাঁড়াল হঠাত, তারপর চটি পরা ডান পা দিয়ে প্রবল জোরে একটা লাথি মারল আমার চোয়ালের উপরে। আমি সহ্য করতে পারলাম না, দিদির লাথি খেয়ে উল্টে পরলাম, আমার মাথাটা দেয়ালে ঠুকে গেল ভিশন জোরে।

“ তোর কি মনে হচ্ছে আমি ইয়ার্কির মুডে আছি? আমার সাথে তুই ইয়ার্কি মারার চেষ্টা করছিস? আমার কথা না শুনলে ফল ভাল হবে না, শেষবার বলে দিলাম তোকে।”

দিদির লাথি খেয়ে আমি উল্টে পরেছিলাম কিছুটা, আমার পিঠ আর মুখ দেয়ালে লেগেছিল ধাক্কা খাওয়ার পর। সেই অবস্থায় আমার মুখের উপর দুই চটি পরা পা দিয়েই একের পর এক লাথি মারতে লাগল দিদি। দিদির প্রতি আমার স্বাভাবিক অতি ভক্তিকে দিদি ইয়ার্কি বলে ভেবে ভিশন রেগে গেছে বুঝতে পারছিলাম। আমি হাতজোড় করে বসে মুখে দিদির লাথি খেতে লাগলাম, কি বলব বুঝতে পারছিলাম না। দিদি ওর চটি পরা দুই পা দিয়ে আমার মুখের সর্বত্র জোরে জোরে লাথি মারা চালিয়ে গেল। আমার মুখের উপর চটি পরা পায়ে অন্তত ৩০ টা লাথি মেরে থামল দিদি। তারপর আমার মুখের উপর চটি পরা ডান পায়ের তলা ঘসতে ঘসতে বলল, “ কথাটা মনে থাকে যেন”। তারপর আগের মতো আমার উত্তরের অপেক্ষা না করে মুখ ঘুরিয়ে চলে গেল। এবার আর আমি কিছু বলার চেষ্টা করলাম না আমার দিদিকে।

দিদি ওর প্রতি আমার স্বাভাবিক অতি ভক্তিকে ইয়ার্কি করছি ভাবায় আমার খারপ লেগেছিল। সেই সাথে আমারে প্রতি দিদির এই ভয়ানক নিষ্ঠুরতা ভিশন খুশি করে দিয়েছিল আমার মনকে। দিদি এইভাবে এত জোরে জোরে আমার মুখে চটি পরা পায়ে কোনদিন লাথি মারবে তা আমি স্বপ্নেও ভাবিনি কোনদিন। এক অদ্ভুত খুশিতে মন আচ্ছন্ন হয়ে পরেছিল আমার । আমি চভাইছিলাম এখন থেকে দিদি আমার সাথে এরকমই ব্যবহার করুক। আমাকে ক্রীতদাসের মতো ব্যবহার করুক আমার সুন্দরী দিদি, সবার সামনে জুতো পরা পায়ে আমার মুখের উপর যত জোরে খুশি লাথি মারুক।

আমি বিছানা ছেড়ে উঠে মুখ ধোব বলে বেসিনের সামনে এলাম, আয়নায় মুখ দেখলাম। আমার মুখের উপর দিদির চটির তলার দাগ আজও স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে। খেয়াল করিনি, দিদির লাথি খেয়ে আমার নাক দিয়ে অল্প অল্প রক্ত পরছে। আমার ফর্শা মুখটা লাল হয়ে গেছে দিদির অত্যাচারে, দিদির দুই পায়ের এত গুলো লাথি খেয়ে। আমার মনটা আনন্দে ভরে গেল এই দেখে। আমি আয়নার সামনে হাতজোড় করে দাঁড়িয়ে মনে মনে প্রতিজ্ঞা করলাম, দিদি , আমি যেভাবেই হোক আজকে তোমাকে বিশ্বাস করাবোই আমি এখন তোমাকে সত্যিই দেবী সরস্বতীর মতো শ্রদ্ধা করি, দেবী সরস্বতীর মুর্তীর বদলে তোমাকেই পুজো করতে চাই দেবীজ্ঞানে। সারাদিন তোমার সেবা করতে চাই প্রভুজ্ঞানে , সব্র সামনে। এটাই আমার জীবনের একমাত্র উদ্দেশ্য দিদি, তোমার সেবা করা, তোমার ভক্ত ক্রীতদাস হওয়া”।

মুখ ধুয়ে নিচে যেতেই মা একগাদা কাজ ধরিয়ে দিল। সব শেষ করতে সাড়ে দশটা বেজে গেল। তারপরই দিদি হাঁক দিল সামনের ঘর থেকে, “ ভাই, এদিকে আয়”।

আমি গিয়ে দেখি দিদি স্কুল ইউনিফর্ম পরে সামনের ঘরের সোফায় বসে বই খুলে পড়ছিল। আমাকে দেখে দিদি বলল, “ নে, আমার পায়ে জুতো পরিয়ে দে”।

মা, বাবা, গুরু প্রায়ই আশে পাশে ঘুরছে। আমি দিদির মোজা জুতো নিয়ে এসে দিদির পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসলাম। দিদির পায়ে সাদা মোজা আর সাদা স্নিকার পরিয়ে দিলাম চাকরের মতো। তারপর দিদির আদেশের অপেক্ষায় না থেকেই দিদির পায়ে পরা জুতো দুটো পালিশ করে দিতে লাগলাম, মাও তখন কি একটা দরকারে এই ঘরে এসেছে লক্ষ্য করলাম। আমার এই অতি সেবা আবার দিদি সন্দেহের চোখে দেখল। আমার মুখের উপর জুতো পরা ডান পা দিয়ে মায়ের সামনেই একটা লাথি মেরে দিদি বলল, “ স্কুল থেকে এসে যেন শুনি তুই সব অপরাধ স্বীকার করেছিস। নাহলে তোর কপালে দুঃখ আছে মনে  রাখিস”। এই বলে দিদি বেরিয়ে চলে গেল স্কুলের উদ্দেশ্যে। মা দিদিকে আমার মুখের উপর জুতো পরা পায়ে লাথি মারতে দেখেও কিছু বলল না। অবশ্য আমি যা অপরাধ করেছি বলে মায়ের ধারনা, এই শাস্তি সেই তুলনায় কিছুই না।

মায়ের সারা সকাল রান্নাবান্না, পুজোর যোগাড় সহ নানা ব্যস্ততায় কাটল, বাবাও বেড়িয়ে গিয়েছিল ব্যবসার কাজে। নিচের বিশাল হলঘরটায় গুরুজির থাকার ব্যবস্থা হয়েছিল। দুপুরে খাওয়ার পর সেই ঘরে আমাকে নিয়ে ঢুকল মা- বাবা। গুরুকে মা বলল, “ গুরুদেব, এই ছেলেকে নিয়ে আমি আর পারছি না”। এই বলে দিদির মুখে আমার অপরাধের যেই গল্প মা শুনেছিল তা গুরুদেবের কাছে হতাশ গলায় উগড়ে দিল। তার মধ্যে আমার অতি খারাপ রেজাল্টের সত্যি ঘটনাও অবশ্য ছিল।

সব শুনেও গুরুর মুখের হাসি মুছল না। মা কে বলল, “ তোমরা এত চিন্তা কর না। সব ঠিক হয়ে যাবে, আমি আছি তো। তোমরা দুজন একটু বাইরে যাও, আমি আগে খোকার সাথে একটু কথা বলি একা”।

গুরুর কথায় মা আর বাবা ঘর থেকে বেরিয়ে চলে গেল। বিশাল হলঘরের মেঝেতে বসে গুরুর মুখের দিকে অসহায় দৃষ্টিতে তাকালাম আমি”।

 

৪…

গুরুদেবের ঘর থেকে হতাশ হয়ে বেড়িয়ে এলাম আধঘন্টা পরে। নিজের উপর কিরকম একটা রাগ হচ্ছিল আমার। এত করে ভেবে রেখেছিলাম যে গুরু্র কাছে অসহায়ের মতো নিজের সব অপরাধ স্বীকার করে নেব। সেই সাথে বলব আমি খুব খারাপ, খারাপ কাজ করতে ইচ্ছা হয় আমার প্রায়ই, পড়াশোনা করতে ভাল লাগে না, দেবী সরস্বতীর মূর্তি দেখলেও প্রানে ভক্তি জাগে না। কিন্তু আমার মেধাবী সুন্দরী দিদিকে দেখলে সেই খারাপ আমার প্রানেও ভক্তি জাগে, কেন জানি না মনে হয় দিদিই দেবী সরস্বতী। আমার মনে হয় যদি আমি দিদিকে দেবী সরস্বতী রুপে পুজো করতে পারতাম, দিদি যদি আমার মাথার উপর চটি পরা পা রেখে আশীর্বাদ করে দিত , তাহলে আমারও পড়ায় মন বসত, স্বভাবও ভাল হয়ে যেত ধীরে ধীরে।

কিন্তু আফশোষ, এত করে গুছিয়ে রাখা কথা গুলো কি করে যেন মুখ থেকে বেরলই না গুরুর সামনে। কিরকম এক লজ্জায় আড়ষ্ট হয়ে গেলাম কথাগুলো বলার আগেই। নিজের দোষ স্বীকার করলাম, কিন্তু তার প্রতিকার যে দিদির পুজো করলে হতে পারে, সেইদিকে কথা ঘোরানোর সাহস হল না। গুরু সব শুনে বলল, “অশুভ চিন্তা তোকে ভর করেছে, তোর প্রায়শ্চিত্ত আর চিত্তশুদ্ধি দরকার। কি করে তোকে করা যায় ঠিক করার আগে এই নিয়ে তোর বাবা, মা আর দিদির সাথে কথা বলা দরকার”।

 

আমি গুরুর ঘর থেকে বেরনোর মাত্র ১৫-২০ মিনিট পরেই আমার দিদি তিথি ( ভাল নাম অন্মেষা ) স্কুল থেকে বাড়ি ঢুকল। বসার ঘরে ঢুকেই দিদি  ডাক দিল আমাকে, “ এই রনি, এদিকে আয়”।

দিদি বসার ঘরের সোফায় স্কুলের পোশাক পরে বসে আছে, দিদির পরনে স্কুলের সাদা জামা, সবুজ স্কার্ট, পায়ে সাদা মোজা, সাদা স্নিকার। আমি ঠিক দিদির পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসলাম।

দিদি কঠিন দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকাল। “সবার সামনে নিজের দোষ স্বীকার করেছিস তুই?”

আমি মাথা নেড়ে বললাম, “ হ্যাঁ দিদি, গুরুর সামনে স্বীকার করেছি”।

দিদির মুখে একটা মুচকি হাসি ফুটে উঠল আমার কথা শুনে। আমার বাঁ গালে ডান হাত দিয়ে সজোরে একটা থাপ্পর মারল আমার দুই বছরের বড় দিদি তিথি, তারপরেই আমার ডান গালে বাঁ হাত দিয়ে আরেকটা।

“ শুনে গুরু কি বলল?”

“ বলল আমাকে অশুভ চিন্তায় ভর করেছে। আমার প্রায়শ্চিত্ত আর চিত্তশুদ্ধি দরকার। সেটা কি করে হবে গুরু সেটা তোমাদের সাথে কথা বলে ঠিক করবে”।

 

আমি আড়চোখে দেখলাম মা ততক্ষনে আবার এই ঘরের দরজার সামনে এসে দাড়িয়েছে, সম্ভবত পাশের ঘর থেকে আমাকে দিদির থাপ্পর মারার আওয়াজ শুনে।

দিদির মুখে আবার একটা চওড়া হাসি ফুটে উঠল। “ কি করলে তোর প্রায়শ্চিত্ত আর চিত্তশুদ্ধি সবচেয়ে ভাল হবে জানিস?”

আমি মাথা নেড়ে বললাম, “ না দিদি, জানি না”।

“ তোকে শোধরানোর দায়িত্ব আমার উপর ছেড়ে দিলে। আর আমি সেই সুযোগ পেলে তোকে কি করে শোধরাবো জানিস?”

“ জানি না দিদি”, আমি বললাম।

দিদি প্রথমে আমার দুই গালে তিনটে করে পরপর থাপ্পর মারল জোরে জোরে। তারপর আমাকে সামলানোর সুযোগ না দিয়েই জুতো পরা ডান পা দিয়ে সকালের মতই বেশ জোরে আমার মুখের উপর একটা লাথি মারল। আমি সামলাতে না পেরে উল্টে পরে গেলাম। তারপর আবার হাটুগেড়ে দিদির পায়ের কাছে বসতেই দিদি মুখে হাসি ফুটিয়ে জিজ্ঞাসা করল, “ এবার বুঝতে পারলি কিভাবে শোধরাবো তোকে?”

জবাবে আমি দিদির জুতো পরা দুই পায়ের উপর মাথা ঠেকিয়ে প্রথমে ভক্তিভরে প্রনাম করলাম একবার। তারপর জবাব দিলাম,” হ্যাঁ দিদি, আমাকে মেরে মেরে ঠিক করবে তুমি। শুধু তুমিই চেষ্টা করলে আমাকে শোধরাতে পারবে। প্লিজ দিদি, আমাকে যতখুশি মার, এইভাবে আমার মুখে চড় , লাথি মেরে আমাকে ভাল হওয়ার সুযোগ করে দাও প্লিজ”।

আড়চোখে দেখলাম মা পাশের ঘরের দরজার পাশ থেকে অবিশ্বাসে ভরা চোখ নিয়ে আমাদের দিকে তাকিয়ে তার খারাপ ছেলের ভাল হতে চাওয়ার আকুতি শুনছে।

দিদি একবার চোখ তুলে মায়ের দিকে তাকাল। মায়ের সামনে আমার স্বীকারোক্তি , আর দিদির কাছে আত্মসমর্পনের অসহায় ইচ্ছা যে দিদি খুব উপভোগ করছিল সেটা দিদির ভাবভঙ্গীতে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল। দিদি হয়ত এবার বিশ্বাস করতে শুরু করেছে দিদির প্রতি আমার ভক্তি আমার অন্তরের ভাবের প্রকাশ, এরমধ্যে কোন চালাকি লুকিয়ে নেই।

মায়ের দিক থেকে চোখ ফিরিয়ে দিদি আমার দিকে তাকিয়ে বলল, “ চুপ করে বসে থাক তুই, আমি তোর মুখে জুতো পরা পায়ে পরপর লাথি মারব এখন। এটা তোর প্রায়শ্চিত্তের প্রথম ধাপ”।

দিদির কথা সেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই দিদির জুতো পরা বাঁ পায়ের তলা আমার নাকের উপর সজোরে আছড়ে পরল, আর তার সঙ্গে সঙ্গেই দিদির জুতো পরা ডান পায়ের তলা আঘাত করল আমার কপালের উপর। আমি উল্টে পরে গেলাম আবার। উঠে বসতে বসতে তাকিয়ে দেখলাম মা অবিশ্বাস্য দৃষ্টিতে আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে।

আমি উঠে বসার সঙ্গে সঙ্গেই দিদির জুতো পরা বাঁ পায়ের তলা আমার ডান গালে আর তারপরই জুতো পরা ডান পায়ের তলা আমার ঠোঁট ও নাকের উপর আছড়ে পরল। দিদির জুতো পরা দুই পায়ের তলাই একের পর এক তীব্র জোরে আঘাত হানতে লাগল আমার মুখের সর্বত্র। আমি ভক্তিভরে হাতজোড় করে বসে মায়ের সামনেই মুখের সর্বত্র আমার সুন্দরী দুই বছরের বড় দিদি তিথির জুতো পরা পায়ের লাথি খেতে লাগলাম। মা তখনও অবিশ্বাস্য দৃষ্টিতে আমাদের দেখতে লাগল, একবারের জন্যও দিদিকে বারন করল না আমার মুখে জুতো পরা পায়ে লাথি মারতে!!

 

৫…

ঘড়িতে বিকেল পাঁচটা। বাইরের ঘরের পাশের বিশাল হল ঘরটায় বাড়ির সবাই জড় হয়েছি। উদ্দেশ্য, আমার বিচার। বাবা, মা লম্বা সোফাটায় পাশাপাশি বসে, তার পাশেই একটা চেয়ারে গুরু। দিদি আরেকটা চেয়ারে ঠিক উল্টোদিকে বসে আছে বাব-মায়ের দিকে ফিরে। দিদির পরনে এখন একটা গোলাপী-সাদা চুড়িদার , পায়ে গোলাপী চটি, যেটা কয়েক ঘন্টা আগে মুখে দিদির ৩০-৪০ টা লাথি খেয়ে দিদির পা থেকে জুতো মোজা খুলে দেওয়ার পর নিজে হাতে পরিয়ে দিয়েছি আমি। আমি আজ আসামী, তাই আমি ঘরের ঠিক মাঝখানে মেঝেতে বসে আছি। স্বাভাবিকভাবেই গুরু কথা শুরু করল দুপুরে আমার স্বীকারক্তির কথা সবাইকে বলে। তারপর গুরু বলল আমাকে অশুভ চিন্তায় আচ্ছন্ন করেছে। আমার কঠিন প্রায়শ্চিত্তের মাধ্যমে চিত্তশুদ্ধি দরকার। তারপর বাবা , মা আর দিদির কাছে জানতে চাইল ওদের মতে কিভাবে আমার চিত্তশুদ্ধি সম্ভব”।

প্রথমে বাবা বলল, “ আপনি থাকতে আমি আর কি বলব গুরুদেব।  আপনিই ভাল বুঝবেন কি করে ওর মঙ্গল হয়। আমার তো মনে হয় এসব অসভ্য বাঁদর ছেলেকে মেরে সোজা করা ছাড়া রাস্তা নেই। তবে আমরা আর কি বুঝি? আপনি যা ভাল বুঝবেন সেটাই হবে। তাতেই ওর ভাল হবে”।

“ দিদি সঙ্গে সঙ্গে বলে উঠল, “ ঠিক বলেছ বাবা। এসব ছেলেকে পিটিয়েই সোজা করতে হয়। ওকে ঠিক করার দায়িত্ব আমার উপর দিয়ে দেখ, পিঠিয়ে দশ দিনে ভাল বানিয়ে দেব। কথা না শুনলে লাথি মেরে ওর দাঁত মুখ ভেঙ্গে দেব আমি”।

গুরু এরপর মায়ের মত জানতে চাইল।

মা কিছুক্ষণ চুপ করে রইল। তারপর বলল, “আপনি গুরুদেব,  আপনিই ভাল বুঝবেন কিসে ওর ভাল হবে। কিন্তু আজ আমার মনে হচ্ছে রনিকে যেরকম খারাপ ভাবতাম ও ঠিক সেরকম খারাপ না। ওর মধ্যে শোধরানোর ইচ্ছা আছে।  কিন্তু এমন কিছু আশ্চর্য ব্যাপার ওর মধ্যে আছে যা আমি ঠিক বুঝতে পারছি না”।

এই বলে মা সকালে দিদির আমার মুখে জুতো পরা পায়ে লাথি মারার ঘটনা থেকে শুরু করে বিকালের আমাকে থাপ্পর আর লাথি মারার ঘটনা আর তার জবাবে আমার দিদির পায়ে মাথা রেখে প্রনাম করে  মেরে মেরে আমাকে ভাল করার আকুতির কথা সম্পুর্ন বলল। তারপর মা বলল, “ ও এরকম ব্যবহার করতে পারে আমি কখন ভাবিইনি। ওর দেবী সরস্বতীর প্রতি ভক্তি আসেনা, পড়াশোনা করেনা, খারাপ ছেলেদের সাথে মেশে ভেবে ওকে খারাপ ভাবতাম। অথচ আজ মুখে দিদির জুতো পরা পায়ের লাথি খেয়ে উল্টে নিজের দিদিকে ও যেরকম ভক্তিভরে প্রনাম করল সেরকম ভক্তি আমরাও জীবনে কোন দেব-দেবীকে দেখাতে পারিনি। ওর মধ্যে ঠিক কি চলছে, কিসে ওর ভাল হবে এবার আপনিই ঠিক করুন গুরুদেব”।

গুরু এতক্ষন অবাক হয়ে মায়ের কথা শুনছিল। মায়ের কথা শেষ হলে গুরু বলল, “ তিথির প্রতি ওর ভক্তি আমি নিজে চোখে দেখতে চাই। রনি, দিদির পায়ের কাছে গিয়ে দুপুরের মতো হাটুগেড়ে বস”।

সবার সামনে আমার সুন্দরী দিদির পদতলে আত্মসমর্পন করতে পারব ভেবে এক তীব্র উত্তেজনা আমার দেহের কোষ থেকে কোষে ছড়িয়ে পরতে শুরু করেছিল ততক্ষনে। আমি বাবা, মা আর গুরুর সামনেই দিদির পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসলাম। কাউকে কিছু বলতে হল না, সাথে সাথেই দিদির গোলাপী চটি পরা দুই পা আমার মুখের উপর পরপর দুইবার সজোরে আছড়ে পরল সবার চোখের সামনে। আমার মুখের উপর পরপর দুটো লাথি মেরে দিদি বলল, “ এইভাবে এসব ছেলেকে লাথি মেরে মেরে সোজা করতে হয়”।

সবার সামনে মুখের উপর সুন্দরী দিদির চটি পরা পায়ের লাথি খেয়ে দিদির প্রতি ভক্তি যেন উথলে উঠছিল আমার। আমি সবার সামনেই দিদির চটি পরা পায়ের উপর মাথা ঠেকিয়ে সুন্দরী দুই বছরে বড় দিদিকে প্রনাম করে বললাম, “ নিশ্চয়ই দিদি। আমাকে যতখুশি তত মার তুমি। তোমার কাছে মার না খেলে , তোমার দয়া না পেলে আমি যে কোনদিন ভাল হতে পারব না দিদি। প্লিজ দিদি, আমাকে এখন থেকে রোজ এইভাবে যতখুশি লাথি মের তুমি”।

এইবলে বাবা-মা আর গুরুর সামনেই আমি দিদির চটি পরা দুই পায়ের উপর নিজের মাথা ঘসতে লাগলাম ভক্তিভরে। আর আমার ক্লাস ১১ এ পড়া সুন্দরী দিদি তিথি আমার মাথার উপর চটি পরা ডান পা টা তুলে দিয়ে আমার মাথার উপর চটির তলা ঘসতে ঘসতে আমাকে আদর করতে লাগল।

প্রায় পাঁচ মিনিট ধরে দিদির প্রতি আমার ভক্তি অবাক চোখে দেখতে লাগল বাবা মা আর গুরু। যে ছেলের দেবী সরস্বতীর মুর্তি দেখেও প্রানে ভক্তি জাগে না, নিজের মাত্র দুই বছরের বড় দিদির প্রতি তার এই ভক্তি বোধুহয় কিছুতেই বিশ্বাস হচ্ছিল না ওদের।

পাঁচ মিনিট পর গুরু জিজ্ঞাসা করল, “ তিথিকে দেখে ঠিক কি মনে হয় তোর রনি?”

আমি মেঝেতে বসে আছি মেঝের উপর রাখা দিদির চটি পরা বাঁ পায়ের উপর  মাথা ঠেকিয়ে। আমার মাথার উপর দিদি তখনও নিজের চটি পরা ডান পায়ের তলা বুলিয়ে চলেছে। আমি সেই অবস্থাতেই উত্তর দিলাম, “ আমি খারাপ ছেলে হয়ত খুব। এমনকি দেবী সরস্বতীর মুর্তি দেখেও আমার মনে ভক্তি জাগেনি কোনদিন। কিন্তু আমার সুন্দরী, মেধাবী দিদিকে দেখলেই চিরদিন আমার মনে প্রবল ভক্তি জেগে ওঠে, মনে হয় দিদি আসলে দেবী। মনে হয় দিদিকে প্রভু বলে, দেবী বলে ডেকে এইভাবে দিদির পায়ের উপর মাথা ঠেকিয়ে ভক্তিভরে প্রনাম করি, দিদির সেবা করি যেভাবে দিদি চায়। কিন্তু এরকম তো কেউ করে না। তাই আমি উদ্ভট চিন্তা করছি ভেবে যত এইচিন্তা দমিয়ে রাখতে চাই তত অশুভ খারাপ চিন্তা মনকে আচ্ছন্ন করতে থাকে। এই কয়দিনে কত খারাপ চিন্তা এসেছে মনে। অথচ আজ দিদি আমার মুখে জুতো পরা পায়ে লাথি মারার পর থেকে একবারও আর এরকম হয়নি। এখন আমি যে দিদির পায়ে মাথা রেখে শুয়ে আছি, তাতে আমার মনে হচ্ছে আমি সাধু, আমার আত্মা অতি পবিত্র। জানি না, এই চিন্তা ঠিক কিনা, তবে আমার মনে হয় দিদিকে যদি এইভাবে দেবীর মতো ভক্তি দেখাতে পারি, আমি তাহলে সৎ পথে চলতে পারব, পড়াশোনাতেও ভাল হতে পারব। আর নাহলে ভয় হয়, আগের চেয়েও খারাপ হয়ে যাব হয়ত”।

দিদি আমার মাথার উপর থেকে চটি পরা ডান পা সরাতে আমি দিদির বাঁ পায়ের উপর থেকে মাথা তুলে গুরুর দিকে তাকালাম।

গুরু বলল, “ এরকম কোন কথা নেই ভক্তি সরস্বতী মুর্তিকেই করতে হবে। দেবী তো সর্বত্র বিরাজমান ,আমাদের সুবিধা হবে বলে আমরা মুর্তির মধ্যে তার উপস্থিতি ধরে নিই মাত্র। তোমার যদি দিদির প্রতি সেই স্বাভাবিক ভক্তি আসে তাহলে তুমি দিদিকেই মুর্তির বদলে একইরকম ভক্তিভরে পুজো করলেও েকই ফল হওয়ার কথা”। আপাতত তুমি এক সপ্তাহের জন্য দিদিকে দেবী হিসাবে গ্রহন কর। এই এক সপ্তাহের জন্য দিদি তোমার প্রভু, ভগবান, দেবী সরস্বতী। এই এক সপ্তাহে দিদি তোমাকে যা খুশি হুকুম করতে পারে, তোমাকে যত খুশি মারতে পারে, তোমাকে নিয়ে যা খুশি করতে পারে। বদলে তুমি দিদিকে দেবীজ্ঞানে সেবা করবে ভক্তিভরে। এর ফলে তোমার চরিত্রের কি পরিবর্তন হয় দেখা যাক আগে। দরকার হলে আরও কয়েক সপ্তাহ এরকম চলুক । এরফলে যদি তোমার চরিত্রের উন্নতি ঘটের, পড়ায় মনযোগ আসে তাহলে তো হয়েই গেল। এক বিশেষ যজ্ঞের মাধ্যমে তিথিকে পুজো করে তোমার দেবী রুপে সারাজীবনের জন্য প্রতিষ্ঠা করে দেব তাহলে, সারজীবন দিদিকে দেবীজ্ঞানে পুজো করবে তুমি। আর নাহলে তখন অন্যপথ ভাবতে হবে। আপাতত এক সপ্তাহের জন্য তিথি তোমার প্রভু, দেবী। তুমি ওর ভক্ত, ক্রীতদাস। এখন আবার তিথির পায়ে মাথা ঠেকিয়ে ওকে ভক্তিভরে প্রনাম কর তুমি”।

নিজের সৌভাগ্যকে নিজেরই যেন বিশ্বাস হচ্ছিল না আমার! সবার সামনে এখন থেকে সত্যিই আমার সুন্দরী দিদি তিথিকে দেবীজ্ঞানে সেবা করতে পারব!! প্রবল ভক্তিভরে দিদির গোলাপী চটি পরা পা দুটো নিজের দুই হাতের তালুতে তুলে নিলাম আমি। তারপর দিদির পায়ের উপর নিজের মাথাটা নামিয়ে দিলাম। দিদির চটি পরা পায়ের উপর ভক্তিভরে নিজের মাথাটা আসতে আসতে ঘসতে ঘসতে বললাম, “ আমাকে ক্রীতদাস হিসাবে গ্রহন কর প্রভু। কিভাবে তোমার সেবা করতে পারি আদেশ কর”।

দিদি এবার আমার মাথার উপর কিছুক্ষণ নিজের চটি পরা বাঁ পায়ের তলাটা ঘসল। তারপর আদেশ করল, “ আমার পায়ের কাছে মাথা রেখে সোজা হয়ে শুয়ে পর”।

আমি দিদির দুই পায়ের পাতায় একবার করে চুম্বন করে বললাম, “ যথা আজ্ঞা প্রভু”। তারপর দিদির ঠিক পায়ের কাছে মাথা রেখে শুয়ে পরলাম প্রভু দিদির আদেশ মতো।

দিদি একবার বাবা-মা আর গুরুর দিকে তাকিয়ে দেখল। তারপর হাসিমুখে ওদের সবার সামনেই আমার মুখের উপর নিজের চটি পরা পা দুটো তুলে দিল। আমার কপালের উপর বাঁ চটির তলা আর ঠোঁটের উপর ডান চটির তলা ঘসল কিছুক্ষণ দিদি। তারপর আমার নাকের উপর চটি পরা ডান পা দিয়ে একটা লাথি মেরে আদেশ দিল, “ জিভটা বার করে দে। তোর পুজনীয় দেবী তোর জিভে চটির তলা মুছবে”।

আমি প্রবল ভক্তিভরে আমার জিভটা বার করে দিলাম। আমার দুই বছরের বড় সুন্দরী দিদি তিথি বাবা মা আর গুরুর সামনেই আমার বার  করা জিভের উপর নিজের চটি পরা ডান পায়ের তলা ঘষে চটির তলা পরিষ্কার করতে লাগল।