Archives for category: Uncategorized

Rima…..

Ami khub gorib manush. Serial er shooting er somoy actress der chakorer kaj kori . Eta ota ene dite hoy, juto porie dite hoy paye. Kothay kothay amake gali day ora. Amake sob mukh buje sojjo korte hoy. Ei somoy hothat jeno akasher chand hate pelam. Ek director ese bollo toke ekta serial e role debo vabchi . Chakorer role but boro part. Rima bole ekta meyer familyr chakorer role. Tui to ar actking janis na. Tai serial surur age toke 10 din oder barite chakor seje thakte hobe. Tate tui nijeke oder chakor vabte parbi. Ovinoy ta natural hobe. Ki re, korbi to ? Serial e kintu rima toke ottachar korbe erokom onek drisso thakbe… Actress Rima ke ke na chene ? 16 bochorei choto pordar rani hoye geche. Tar chakorer part kharap ki ? Ami ghar nere raji hoye gelam. Amake sedini rimader bari gie oder chakorer kaje join korte bollo director. Ami address ta nie chole gelam. Gie bell bajalam. Porichoy dite ghore dhokalo. Ektu pore rima ese ghore dhuklo. Uff, ki opurbo dekhte meye take. Ami gie or paye hat die pronam korlam, jodio o amar cheye 8 bochorer choto. Rima hese bollo tui tahole akhon theke amar chakor? Ami ghar nere bollam ha. Obak hoye delhlam, rima ekta chor marlo amar gale- ghar narchis keno? Mukhe bolte paris na. Ja ranna ghore gie amar jonno cha kore an. Ami obak hoye gelam eto choto meyer dominant achorone. Cha kore ene or payer kache hatugere bose cha egie die bollam -ei nin cha, malkin. Rima cup ta hate nie or choti pora pa duto amar kole tule die bollo valo chakorer moto pa tep. Tepa kharap hole kintu lathi marbo… Nischoy marben malkin, bole ami rimar choti khule or forsha pa duto mon die tipte laglam.

Koyel di…..
Koyel dir er gaye argentinar sada nil genji, porone kalo pant. Paye kalo sneaker, golden logo wala. Ami koyeldir hate joler glass ta diye koyeldir paye matha thekie pronam korlam. Koyeldi amar mathay juto pora ba payer tola ta bolate laglo. Ami nijer kopal ta koyeldir jutor upor ghoste laglam. Ami koyeldir chakor, tokhono jeno bissas korte parchil na. Ektu pore koyeldi amar mathay lathi mere bollo glass ta rekhe aste. Ami glass rekhe chair e bosa koyeldir juto pora payer tolay suye porlam. Koyeldi pa duto amar mukhe tule dile ami koyeldir pa tipte tipte koyeldir jutor tola jiv die chatte laglam. Koyeldir jutor tola besh moyla. Ami amar araddho debi koyel dir jutor tola porom voktite chatte laglam. Amar golay porano collar ta haate dhore koyeldi majhe majhe amar mukhe lathi marte laglo.
Bou ar Sali…..
Amar nam amal, boyesh 28. Amar bou rimi,boyesh 24 ar sali simi ,boyesh 19. Amar bou ar sali khub sundori. Salio amader sathe flat e thake. Amar sali ar bou dujonei amar upor ottachar korte khub valobase. Kothay kothay amake thappor ar lathi mare. Pan theke chun khosle jote punishment. Ami office kori, fire ese ranna, bason maja, ghor poriskar sob amake korte hoy. Amar bou ar sali thake ranir haale , kono kaj kore na . Amar sob kak sesh hole oder payer kache bose pa tipte hoy. Ora ichcha moto oder pa amar kadhe ba mathar upor tule day. Ami kichu bolte pari na. Kono vul korle oder paye matha thekie khwama chaite hoy.
প্রভু ক্যাটরিনা…
হে প্রভু ক্যাটরিনা, আমার স্থান তোমার ওই জুতোর তলায় । আমি তোমার চাকর, তুমি আমার প্রভু । আমি রোজ তোমার পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করব, তুমি আমার মাথায় পা রেখে আশীরবাদ করবে । আমি তোমার সব কাজ করে দেব, তোমার জুতোর তলা জিভ দিয়ে চেটে পরিষ্কার করে দেব, তোমার পা টিপে দেব । তোমার যখন ইচ্ছা , যতখুশী লাথি মারবে আমার মুখে । হে প্রভু, তোমার এই ক্রীতদাসকে গ্রহন কর দয়া করে ।

Elder sis…
Elder sis

My elder sister loved to kick my face like a football. She wear football boots with football jersey and took me to the roof everyday. She was 2 years older than me and very beautiful. She told me to laid down after she attached a dog leash on my neck. I did, and she started to play football by kicking my face and head with her football boots. She kicked as heard as she can. It was very painful. Sometimes ahe stands on my face with those football boots on. My cousin sister, who is 1 year younger than me, sometimes join with my sister and played football with my face. Then they take me to the house and use me as their slave, even in front of my parents. I love to serve both of them. They are my goddess.
My elder sister also liked to kick my face with football boots. She kicked as hard as she can. It is painful, but i let her do it because i worship her as a goddess. I lick clean all her shoes, sandals, sneakers and football boot. She used my face as her footstool in front of every one. She is 2 years elder than me and very good looking. She called me servant or slave. I called her goddess.

প্রভু সোহিনী…

 

আমার প্রভু সোহিনী কলেজে আমার ৩ বছরের জুনিয়র । ওকে প্রথম যেদিন দেখি সেদিন থেকেই ওর সেবা করতে  চাওয়ার বেশী কিছু  আমি চাইনি  । আমি অন্তর্মুখী হওয়া সত্যেও আশ্চর্যজনক ভাবে ওর সাথে আমার বেশ ভাব হয়ে যায় । আমি কলেজে টেবিল টেনিসে চ্যাম্পিয়ন ছিলাম ।

একদিন ও আমার সঙ্গে খেলতে এলে আমি বলি, “তোর সঙ্গে আর কি খেলব ? তুই তো এমনিই হারবি।”  

সোহিনী বলে “ ঠিক আছে , চ্যালেঞ্জ । তুমি জিতলে আমি আর কোনদিন কলেজে টি টি খেলব না । আর আমি জিতলে তুমি কি করবে”?

আমি বলি “ তুই যেখানে বলবি সেখানে নিয়ে গিয়ে খাওয়াব তোকে” ।

ও ভুরু কুঁচকে বলে “আর কিছু না?”

আমি হেসে বলি , “ঠিক আছে , তোর পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রণাম করব তুই জিতলে”।

সোহিনী হেসে বলে – চল , খেলা শুরু করি ।

ও খুব একটা ভাল খেলেনা , আমি ইচ্ছা করলেই জিতে যেতাম । কিন্তু সোহিনীর পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রণাম করার সুযোগ কে হারাতে চায় ? আমি ইচ্ছা করেই হেরে গেলাম । সোহিনী ভুরু নাচিয়ে বলল – আজ বিকেলে পার্কে গিয়ে সবার সামনে আমাকে প্রণাম করবে । তারপর বিকেলে মুভি দেখিয়ে রাতে খাইয়ে তবে তোমার ছুটি । উফফ, আমার যে কি আনন্দ হচ্ছিল !

সেটা ছিল জানুয়ারি মাস , সোহিনীর পরনে সাদা  জ্যাকেট , ছাই রঙের জিন্স , আর পায়ে সাদা স্নিকার । আমার ইচ্ছা করছিল রাস্তাতেই ওর পায়ে লুটিয়ে পরতে ।

পার্কে পৌঁছে ও সুন্দর ভঙ্গীতে গালে হাত দিয়ে বসল এক জায়গায় । আমাকে বলল একটা ফটো তুলতে । আমি তুললাম । ও মুখে হাসি ফুটিয়ে বলল – এবার তোমার আমাকে প্রণাম করার পালা ।

তখন বিকেল ৫ টা । পার্ক ভর্তি অনেক লোক ।  তাদের সামনেই আমি এগিয়ে গিয়ে সোহিনীর পায়ের সামনে হাটুগেরে বসলাম । সোহিনী একটা সিঁড়ির উপরের ধাপে বসে ছিল। ওর জুতো পরা বাঁ পা ও যেই সিড়িতে বসে তার নিচের ধাপে রাখা । ডান পা রাখা তার আরও একধাপ নিচে । আমি সোহিনীর সামনে হাটুগেরে বসায় অনেকেই কৌতূহলী দৃষ্টিতে আমাদের দেখতে লাগল । আমার ভীষণ ভাল লাগছিল এত লোকের সামনে সোহিনীকে প্রণাম করব ভেবে । আমি আসতে আসতে নিজের মাথাটা সোহিনীর জুতো পরা ডান পায়ের উপর রাখলাম । হাত বাড়িয়ে সোহিনীর পা টা জড়িয়ে ধরে ওর জুতোর উপর মাথা ঘসতে লাগলাম ।

একটা অপরিচিত মেয়ে কৌতূহলী হয়ে এগিয়ে এসে সোহিনী কে জিজ্ঞাসা করল – ও তোমাকে প্রণাম করছে কেন ?

সোহিনী ওকে আমাদের বেটের কথা বলে মেয়েটাকে বলল – ও আমাকে প্রণাম করছে এই অবস্থার একটা ভিডিও তুলে দেবে তুমি , প্লিজ ?

মেয়েটা বলল –  ঠিক আছে, দিচ্ছি । কিন্তু ওকে আমাকেও প্রণাম করতে হবে এরপর ।

সোহিনী হেসে বলল – ওকে, নো প্রব্লেম । এই বলে ও মেয়েটির দিকে নিজের স্মার্ট ফোনটা বাড়িয়ে দিল ছবি তোলার জন্য । আমি তখন সোহিনীর জুতো পরা ডান পায়ের উপর পরম ভক্তিতে মাথা ঘষে চলেছি । অপরিচিত মেয়েটি আমাদের ভিডিও তুলতে লাগল । আর সোহিনী নিজের জুতো পরা বাঁ পাটা  আমার মাথার উপর রেখে ওর জুতোর তলাটা আমার মাথায় ঘসতে ঘসতে বলল, – এই তো , আরো ভক্তিভরে প্রণাম কর আমাকে ।

সোহিনী আমার মাথার উপর ওর বাঁ জুতোর তলা ঘষতে লাগল, আরআমিপরম ভক্তিভরে ওর ডান জুতোর উপর নিজের মাথা ঘসতে লাগলাম।মাঝে মাঝে চুম্বন করতে লাগলাম ওরডান জুতোর উপর ।
পার্ক ভর্তি লোক অবাক হয়ে আমাদের দেখতে লাগল।
কেউ কেউ আমাকে নিয়ে হাসাহাসি শুরু করল । সোহিনী ওর বাঁ পাটা আমার মাথার উপর স্থির করে বলল– নে তোকে আশীর্বাদ করছি , আর কখন পরীক্ষায় ফেল করবি না তুই। ওঠএবার।

আমি ওর দুটো পা দুই হাতে ধরে ওর জুতোর উপর চুম্বন করে বললাম , – থ্যাঙ্ক ইউ সোহিনী । তারপর উঠে দাড়ালাম । যে মেয়েটা এতক্ষণ ভিডিও তুলছিল সে ফোনটা সোহিনীর হাতে দিয়ে বলল , এবার আমাকে প্রণাম করার পালা । মেয়েটা গিয়ে সোহিনীর পাশে বসে পরল । আমি তাকিয়ে দেখলাম মেয়েটা ফরসা আর খুব সুন্দরী । আমি ওর সামনে হাটুগেরে বসে নিজের মাথাটা মেয়েটার পিঙ্ক স্নিকার পরা পায়ের উপর নামিয়ে দিলাম । নিজের মাথাটা ঘসতে লাগলাম অপরিচিত এই মেয়েটার জুতো পরা পায়ে ।

সেদিন ওদের দুজনকে মাল্টিপ্লেক্স এ সিনেমা দেখিয়ে রেস্টুরেন্টে খাইয়ে তবে ছাড়া পেলাম আমি । অন্য মেয়েটির নাম জাগ্রীতি, ইঞ্জিনিয়ারিং এর স্টুডেন্ট । সোহিনী আমাকে বলল , এবার থেকে যখনি আমরা বলব , আমাদের খাওয়াতে বা সিনেমা দেখাতে , তখনি নিয়ে যেতে হবে । আর রোজ আমাদের পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রণাম করতে হবে । আমরা টায়ার্ড হলে আমাদের পা টিপে দিতে হবে । নাহলে তোমার প্রণাম করার ভিডিও ফেসবুকে আপলোড করে দেব ।  আমি রাস্তার মাঝখানে ওদের পায়ে মাথা ঠেকিয়ে বললাম , এখন থেকে তোমরা যা বলবে , আমি তাই করব । 

আগের বছর জন্মাষ্টমীর দিন হওয়া একটা ছো্ট অভিজ্ঞতাশেয়ার করছি। আমি আমার ২ বন্ধুর সাথে ইস্কনএর মন্দিরে গেছিলাম। বন্ধু দুজন ইস্কনএর মেম্বার। ওরা মন্দিরে ঢুকে গেছিল স্বেচ্ছা সেবক এর কাজে। আমি প্রসাদ এর জন্য বাইরে লাইন দিয়েছিলাম। তখনও প্রসাদ দেওয়া শুরু হয়নি,বেশ লম্বা লাইন পরেছিল। মন্দির এর ভেতর থেকে লাইন চলে এসেছিল গেট অব্দি। দুটো ছেলে মেয়ে মন্দির এর গেট এর সামনে খেলছিল। ওরা ভাই বোন , একটু আগে বাবা মার সঙ্গে এসেছে। ওর বাবার পরনে সাদা ধুতি পাঞ্জাবি, ছেলেটার ও তাই। ওর মা শাড়ি পরে এসেছিল,নর্মাল।আর মেয়েটি টপ আর প্যান্ট পরে ছিল। ছেলেটির বয়েস  ১৩ মত হবে,আর মেয়েটার আন্দাজ বছর ১১ । ওর বাবা আর কিছু টেম্পল মেম্বার এর সাথে কথা বলছিল।ওর মা পাশে দাড়িয়ে ছিল। গেট এর সামনে ওরা দুই ভাই বোন খেলছিল।মন্দিরের ভেতরে বলে ওদের খালি পা। ছেলেটা মেঝেতে হাত রাখছিল,আর ওর বোন লাফিয়ে ওর হাত টাপাড়ানোর চেষ্টা করছিলো,এটাই খেলা। মেয়েটা লাফালেই প্রথমে ছেলেটা হাত সরিয়ে নিচ্ছিল,আর মেয়েটার অন্যদিকে অপর হাতটা পেতে দিচ্ছিল,আর মেয়েটা আবার লাফাচ্ছিল। কিন্তু,একটু পরে ছেলেটা  এমন ভাব করছিলো যেন  ও হাত সরানোর সময় পাচ্ছেনা। প্রায় প্রতিবার মেয়েটা লাফিয়ে ওর হাতের উপর পা রাখছিল . তারপরছেলেটা  অন্য হাত রাখলে মেয়েটা লাফিয়ে ঐ হাতের উপর পা রাখছিল। বেশ উচু হয়ে লাফাচ্ছিল  ও,ছেলেটার ব্যাথা লাগার কথা কিন্তু সে কিছু বলছিল না।

একটু পরে গেট এর সামনেও লাইন চলে এলে  ওদের মা ওদের বাইরে গিয়ে খেলতে বলল। ওরা বাইরে চলে গেল।আমিও ওদের খেলা দেখার জন্য বাইরে এসে দাঁড়ালাম। ছেলেটা শু র‍্যাক থেকে নিজের চটি নিয়ে পরলো। তাঁরপর বোনের পায়ের কাছে হাঁটু গেরে বসে ওর পায়ে প্রথমে মোজা, তারপর স্নিকারপরিয়ে দিল। তারপর মন্দিরের উলটো দিকে একই খেলা খেলতে লাগলো। ছেলেটা হাঁটু গেরে বসে মেয়েটার এক পাশে একটা হাত পেতে দিচ্ছিল,মেয়েটা লাফিয়ে ওর স্নিকারপরা একটা পা রাখছিল প্রথমে দাদার হাতে। তারপর অন্য পাও হাতের উপর রেখে হাতটা  জুতোর তলায় ঘষছিল একটু। ওর দাদা অন্য হাতটাপেতে দিচ্ছিল আবার। ওর বোন আবার ওর ঐ হাতে লাফিয়ে পা রাখছিল।

একটু পরে প্রসাদ দেওয়া শুরু হলে ওরা চলে গেল প্রসাদ খেতে ,আমিও। ওরা প্রসাদ নিয়ে একটু ফাঁকায় দাড়িয়ে খাচ্ছিল।আমিও প্রসাদ নিয়ে ওদের পাশে দাঁড়ালাম। মেয়েটা ছেলেটার পাত থেকে যে সব প্রসাদ তার ভাল লাগে সব তুলে নিয়ে খেল। আর যেগুলো ভাল লাগেনা সেগুলো দাদার পাতে তুলে দিল। আঁখ গুল ও চিবিয়ে দাদার পাতে ফেলল। অবাক হয়ে দেখলাম,বোনের চেবান আঁখ ছেলেটা হাসিমুখে খেল।

খাওয়া হয়ে গেলে ওদের মা ওদের উপরে কৃষ্ণ মূর্তি প্রণাম করতে নিয়ে গেল। কির্তন হয়ে যাওয়ারপর সবাই সাষ্টাঙ্গে রাধা- কৃষ্ণ কে প্রণাম করতে শুয়ে পরলো। সবাই বড় ঘরের সামনের দিকে ছিল, ওরা ভাই বোন অনেক পেছনে,আমিও তাই। সবাই হাত দুটো মাথার উপরে দুপাশে রেখে মাথা মেঝেতে ঠেকিয়ে অনেকক্ষণশুয়ে রইলো প্রণাম করে। ছেলেটাও তাই করলও,কিন্তু মেয়েটা করলনা । ওর দাদা যখন মেঝেতে মাথা ঠেকিয়ে শুল তখন  ও এসে ওর দাদার সামনে দাড়াল ,ওর মাথা ঘেঁষে। আর ওর দাদা নিজের মাথাটা সামান্য তুলে বোনের পায়ের উপরে রাখলো !!!! ওহ,কি ধারুন দৃশ্য!!

 মন্দিরে ,এত লোকের উপস্থিতিতে একটা ছেলে তার বোনের পায়ে মাথা রেখে শুয়ে !! ওর পরনে বৈষ্ণব সাধুদের মত সাদা ধুতি পাঞ্জাবি,কপালে টিকা। ওর বোনের পরনে সেখানে সুন্দর দামি টপ আর প্যান্ট। ওর হাত দুটো বোনের পায়ের দুপাশে রাখা ,আর মাথাটা বোনের পায়ের উপরে। মন্দিরে দাড়িয়ে পরম ভক্তিতে ও নিজের বোনের পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রণাম করছিলো ! মিনিট তিনেক বোধহয় ঐ অবস্থায় ছিল ওরা । তারপর,ছেলেটা বোনের দুই পায়ে আলতো চুম্বন করল। ওর বোন নিজের ডান পা টা দাদার মাথায় রেখে দাদাকে আশীর্বাদ করল । তারপর ও পাশে সরে দাড়াল । ছেলেটাও উঠে পরলো। ওরা বাইরে চলে গেল,আমিও। বাকি সবাই তখন মেঝেতে মাথা রেখে ঠাকুরকে প্রণাম করছিলো।

বাইরে এসে আমার সাথে ছেলেটার চোখাচুখি হলে আমি হাসলাম, ছেলেটাও হাসল। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, কাকে প্রণাম করছিলে?? ছেলেটা  হেসে বলল ‘দেবীকে’ ।আমি হেসে বললাম ‘কৃষ্ণ মন্দিরে কোন দেবীকে প্রণাম করছিলে?’  ও বলল ‘তুমি তো দেখেছ,জানই তো কোন দেবীকে প্রণাম করলাম। আমি রোজ ঐ দেবীকে প্রণাম করি”।

এই বলে ও বোনের হাত ধরে বাইরে চলে গেল ।আবার বোনের পায়ের কাছে হাঁটু গেরে বসে ওকে জুতো পরিয়ে দিল। তারপর বোনের জুতো পরা পায়ে নিজের মাথা ঠেকিয়ে আবার প্রণাম করল নিজের বোনকে । মেয়েটাও নিজের দাদার মাথায় জুতো পরা পা রেখে হাসিমুখে আশীর্বাদ করল দাদাকে । একটু পরে ওর বাবা মা ফিরলে  ওরা চলে গেল। আমিও ফিরে এলাম দারুন একটা অভিজ্ঞতা নিয়ে।

 

পুনেতে গোলামি…

 

Ami Bisu….Amar boyesh ekhon 37
Office kaajer sutre, 2 masher jonne amake Maharashtra r Pune te jete hoy.
Ami as per reporting date, office giye hajir holam.
Tarpor jatharithi nijer kaaj shuru korlam
Office beshi lok chilo na. Kichu field executive chilo aar tin jon MIS executive chilo. MIS executive ra tin joni meye.
Tin jon meye holo – Heta, Bhumika, Harsha
Field executive ra maximum baireyi thakto. Office thaktam sudhu ami aar oi tin jon MIS er meye ra.
Meye tin ter modhem bhumika ta chilo khub chebla. Heta chilo khub sundor aar nijer kaj niye beshto thakto. Harsha chilo bibahito kintu khub frank.
Jai hok kaaj korte korte ek saptaher modhe amar sobar songe besh bhalo terms hoye gelo.
Ei boli ashol kotha….
Kaajer chape ekbar MIS er meyeder sunday ashte bola holo. Being their boss, amakeo jete holo.
Sunday giye office kaaj shuru korlam.
Dekhlam bhumika ekta knee height skirt pore eseche. Ek paye abar ekta anklet. Pa gulo sundor pedicure kore eseche with proper nail enamel.
Ami – Kyu hua bhumika, aaj bahut saj dhaj ke ai ho? Oh ho…payon mei anklet.
Ei bole ami or paye hath dilam anklet dekhar jonne.
Bhumka – Acha to aapko anklet acha laga. Lo to achi tarah dekho.
Ei bole bhumika nijer pa ta amar thigh er opore rekhe dilo.
Ami bhalo kore or paye hath buliye dilam. tarpor o pa shoriye nilo.
Kichukhon por dekhi o table e matha nichu kore shuye ache.
Ami – Kya hua bhumika…r u alright?
Bhumika – Nehi Sir. Payon mein bahut dard kar raha hai
Ami – Ek kaam karo…sofa pe let jao.
Bhumika omni giye sofa te shuye porlo.
Ami or payer samne giye boshlam.
Ami – Bhumika, thora feet massage kar doon, shayed tumhe aram lage
Bhumika – Kya Sir…aap mera payon dabaoge?
Ami – Haan..to kya hua
Bhumika – Thik hain
Ami ashte bhumika pa tipte rakhlam
Paas theke Heta aar Harsha dekhe obak
Harsha – Kya Sir….humse koi dushmani hai? Hamara bhi to itna kaam hai…we are also stressed. Humara bhi to stress relief kar do.
Bhumika pa tepa hoye gele, ami harshar pa tipte shuru korlam.

-Harsha – Bah Sir. Aap to bahut acha payon dabate hon.
Bahut aram mil raha hai.
Heta – Aur Sir main?
Ami – Aree tum to mere khaas hon…how do i miss u?
Heta – Ha Ha Ha
Heta r pa gulo eto sundor je mone hochilo kole niye pujo kori.
Jai hok ebar heta r pa tipte shuru korlam.
Heta to aram peye chair e boshe ghumiyei porlo.
Tarpor dekhi bhumika sofa te shuye royeche aar harsha o nijer kaaje beshto.
Ami heta r pa tipte tipte or pa duto chatte shuru korlam. Kintu tobu heta kichu bujhte pare ni.
Ami moner anande or pa chatchi….ki mishti laagche.
Thik sei somoy….
Harsha – Areeee Sir! Yeh aap kya kar rahe hon?
Ei bole chechiye uthlo.
Heta aar bhumika harsha jor gola peye uthe gelo
Bhumika – Kya hua harsha….kiyun chilla rahi hai
Harsha – Aree bhumika…Sir Heta ka payon chaat rahe the
Heta – Kya?
Heta – Sir…aap mere payon kyun chat rahe the
Amar kono jobab chilo na deoar
Harsh & Bhumika – To Sir….humara bhi thora seba karo….humbhi to gulam rakhne ka maaja le
Harsha – Chaliye Sir…shuru kijiye…mere dahine payon se.
Ami harsha dan pa chat te shuru korlam. Tarpor ba pa chatlam.
Erpor bhumika r pa gulo mukhe niye chatlam.

Ei korte korte…amar pant er nich nunu ta almost khara hochilo.

Harsha ei ta lokho kore…ebon heta ke kaane kaane bole.

Tarpor pechon theke eshe soja amar panter opor theke nunu hath dey
Harsha – Yeh kiya Sir…Aapka halat bahut kharap hain kya?
Ami – Nehi kyun
Bhumika – Tu aisa kyun kah rahi Sir ko?
Harsha omni bhumika hath ta niye amar pant er opore rekhe dey
Bhumika pant er opore amar nunur sporsho peye…jore jore hashte thake
Bhumika – Sir…you are already aroused
Ami – Yes Ma’am
Harsha – Koi baat nehi Sir.. We will help you
Ami – Matlab?
Heta – Aree Sir..kyun ghabra rahe hon?…hum sab to aapke apne log hain…
Ami – Tum kiya bol rahe hon heta…mujhe kuch samajh mein nehi a raha
Harsha – Kuch samajhne ki jarurat nehi..
Ei bole harsha amar pant khulte gelo
Ami – Ei yeh kya kar rahe hon?
Harsha – Kya humare samne sharam kaisa…
Ei bole bhumika aar heta amake sofa te shuyiey dilo. Tarpor Heta amar hath aar bhumika amar pa jore dhore rakhlo. Aar harsha ashte amar pant ta khule dilo.
Ami puro udum langta hoye gelam.
Sei dekhe….tin joner ki hashi….
Harsha omni nir didhaye amar nunu niye khelte laglo.
Bhumika nijer pa diye amar nunu ta narate laglo.
Heta – Kya Sir…maja a raha hai?
Ami — hhhhh
Harsh nijer pa ta abar amar mukhe dhukiye dilo.
Bhumika nijer pa diye amar buke bolate laglo
Heta nijer dui pa diye amar nunu narate laglo.
Er por harsha amar nunu nariye diye release koriye dey.

Er por theke protidin amake oder golami korte hoy .

 

Ami amar jibone besh koekbar femdom er obhiggota labh korechi.amar prothom exprence amar jokhon age 14.ami tokhon ninth standard.ami ekbar ek dorkar e chillam jethimar barite.besh koekdiner jonno pray ek maas chilam okhane.sei somoy jethima r tar meye j amar theke 4 Bochorer choto.ami jama kapor pack kore chole elam thakte.amar exam sesh hoe gachilo.tai esei khela suru korlam.prothome kichu na bolleo pore jethima birokto holo ar ghorer modhe khelte na korlo.ami na suneo khelchikam.takhon baddho hoe jethima chade gie khelte bollo.kintu jhamela holo porpor tin bar paser barite ball jaoate r sesh bar janlar kach bhanglo.songe songe paser barir mohila elen r bujhlen j doshta amar e.erpor nijera thik korlen j amake shasti die kacher dam tulben.ami bhablam j mar khete hobe.thik holo porer din sokale suru hobe punisment.
Ami porer din jethima r boner sathe gelam oder bari.oder barite boner bandhobi r 12 bochorer kajer meye chilo.sobai motamuti regei chilo.ebar sobai sofa te boslo r jethima bolllo j ne ebar tui sobar samne jama kapor khule fel.ami to sune pray pagol hoe gelam.eta ki kore sombhob.jethima r paser barir jethima bollo je, ha etai sasti. toke amra marbona but onno rokom bhabe treat korbo.takhon bomma bollo j haa tor lojja paoar kichu nei.karon ami toke onekbar langto kore snan koriechi.toke tor bon o to du ek bar langto dekheche.r sobai to ghorer lok tai kiser lojja.ami er por ar kichu na bhabte pere jama r pant namie dilam r bon sob nie gelo r bomma bollo j ei ek mass tui langto hoye dui barir kaj korbi.arthat puro chakor hoe gelam.

Jethi erpor bollo amader sobaike pronam kor. Ami prothome jethi ar paser barir kakimar paye hat die pronam korlam . erpor bonke pronam korte gele bon bollo or paye matha thekie pronam korte . jethi bollo, bon ja bolche son. Ami bon, or bandhobi ar oder kajer meyekeo paye matha thekie pronam korlam.
Er por boner bondhu hotath bollo er naam ki deoa jay.takhon sobai thik korlo amay lengtu bole dakbe. sobai haste laglo.tarpor jethima bollo j ja tui ekhon sob bason meje fel. er por langto hoei lojjay amar ek din katlo.porer din sokale bomma bollo j ja langto hoye paser barite ja.

ami khub bhoy pelam karon rastar lok dekhbe.bomma bollo tor abar lojja kiser re.tui to lengtu tor to lojja nei.ei bole jor kore barir baire ber korlo r ami bohu koste pouchalam jodio rastay tinjon mohila amay dekhe khub haslo.oi barite gie prothome sob ghoroa kaj korlam tar por boner bandhobi r kajer meyer paa chatte suru korlam oder kothay. karon jethimar aadesh oder adesh palon korar. Ektu pore bon ese amake die or chotir tola chatalo . tarpor amar mukhe lathi marte laglo bon..ei bhabe ek soptaho katlo.tar por amar lojja onek komlo.kintu erpor suru holo onno khela.bon or bandhobi der o ante laglo r eke eke sokole amay langto dekhlo.parar sob meye Kakima jethima boudi amay langto dekhlo.ami okhane pray famous hoye gelam lengtu hisebe. dekhte dekhte ek maas katlo r amar bari jaoar somoy elo bt takhon eto tai obhas hoeche j amar jama pant porar ichao kome gechilo.ar meyeder seba korteo vishon valo lagte suru korechilo.but sesh porjonto onek lojja bhoy sojjho kore onek kaj sikhe bari firlam.r asar somoy etao promiss kore elam j ami er por theke eka ele langto hoei thakbo ar meyeder seba korbo.

 

মেয়েদের স্কুলের সামনে দিয়ে যাচ্ছিলাম। আমার একটু সামনে ৪ জন ক্লাস ১১-১২ এর সুন্দরী মেয়ে স্কুলে ঢুকছিল। হঠাৎ আমার ঠিক পাশ থেকে কে একজন জোরে সিটি দিয়ে উঠলো। ‘কে রে?’ বলে মেয়েরা একসাথে ঘুরে দাড়ালো। আমি ভয়ে থতমত খেয়ে গেলাম। একটা মেয়ে আমার দিকে আঙ্গুল তুলে বলল, এই ছেলেটাই সিটি দিয়েছে। দুটো মেয়ে একসাথে এগিয়ে এল আমার দিকে। কিছু বোঝার আগেই একজন আমার চুলের মুঠি ধরলো। অন্যজন খুব জোরে চড় মারল আমার বাঁ গালে। মেয়েদের দেখলেই অসভ্যতা করতে ইচ্ছা করে তোর, না রে জানোয়ার ? তোর মত জানোয়ার কে কি করে মানুষ করতে হয় আমার জানা আছে। একটা মেয়ে বলল। তারপর এগিয়ে এসে আমার গালে একের পর এক চড় মারতে লাগলো। আমার চোখে জল এসে গেল। লজ্জায় আর অপমানে। মার তবু সহ্যকরা যায়, কিন্তু এই অপমান ? আমি তো কিছুই করিনি, মেয়েদের আমি খুব সম্মান করি। মেয়েদের সাথে এরকম অসভ্যতা করার কথা আমি স্বপ্নেওভাবতে পারিনা। কিন্তু ওরা ধরেই নিয়েছে সিটি আমি মেরেছি। একের পর একচড়মেরে চলেছে ফরশা, সুন্দরি মেয়েটা আমার গালে। আর পাশ থেকে একজন পিঠে, বুকে লাথি মারছে জুতো পরা পা দিয়ে। আরেকজন শক্ত করে আমার চুলের মুঠি ধরে রেখেছে।

একটা মেয়ে ততক্ষণে আমার প্যান্ট থেকে বেলটটা খুলে নিয়েছে। আমার হাত দুটো পিছমোড়া করে বেলট দিয়ে শক্ত করে বেধে দিল সে। তারপর অন্য মেয়েদের বলল,  ওকে স্কুল এর গেট এর মুখে মাটিতে ফেলে গেটের সাথে বেধে রাখি। সব মেয়ে ওকে পায়ের তলায় মারিয়ে স্কুলে ঢুকবে। আর  ওর মুখে যতখুশিলাথি মারবে। রাস্তার সব লোক দেখুক eveteasing এর শাস্তি কি হয়। বাকি মেয়েরাও রাজি হয়ে গেল। আমাকে স্কুলের গেটের সামনে মেঝেতে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিল  ওরা। ততক্ষনেআমাদের চারিদিকে অনেক স্কুল এর মেয়ে জমে গেছে। রাস্তার লোকেরাও মজা নিচ্ছে। একটা মেয়ে অনেকটা দড়ি এগিয়ে দিল। মেয়েরা মিলে আমার হাত ,পা গেট এর সাথে শক্ত করে বাঁধলো। যে মেয়েটা আমাকে এতক্ষণচড়মারছিল সে এসে আমার মুখের উপর জু্তো পরা ডান পা টারেখে বলল, সবাই যত খুশি লাথি মার এটাকে। ওর মুখ, নাক, দাঁত, লাথি মেরে ভেঙ্গে দে। ওর মুখে, জিভে ঘসে জুতোর তলা পরিষ্কার কর। যা খুশি কর জন্তু টাকে নিয়ে। সবাই দেখুক eveteasing এর শাস্তি কি হয়। মেয়েটা বলতে বলতে ওর সাদা স্নিকারপরা ডান পা দিয়ে বেশ জোরে জোরে লাথি মারতে লাগলো আমার মুখের সর্বত্র। আমার নাক, ঠোট, কপালে একের পর এক আছরে পরতে লাগলো  ওর জুতো পরা পা। অন্য মেয়েরাও উৎসাহ নিয়ে এগিয়ে এল। আমার মাথায়, বুকে, পেটে লাথি মারতে লাগলো সবাই মিলে। প্রবল ব্যাথায় আচ্ছন্ন হয়ে আমি ভাবতে লাগলাম একটু পরে যখন আমার নিজের ছো্ট বোন, যে এই স্কুলেই  ৯ এ পরে, এসে আমায় এই অবস্থায় দেখবে, তখন আমার কি হবে ? আর যাকে দেখার জন্য আমি রোজ এসে দাড়িয়ে থাকি? আমার ড্রিম গার্ল, ক্লাস ১১ এর ঐশী ? ও আমাকে এই অবস্থায়দেখে কি ভাববে ?

আমার ভাবনা বেশী দূর এগোতে পারল না । মুখে প্রবল জোরে এক আঘাতে আবার বাস্তব জগতে ফিরে এলাম আমি । আমার মুখে যে মেয়েটা লাথি মেরেছে সে আমার বোনের বন্ধু । ক্লাস ৯ এ পড়ে । ফরশা , সুন্দর দেখতে । ওর নাম সুনন্দা । আমাকে চিনতে পারেনি বুঝতে পারছি । আমার বুকে বাঁ পা রেখে দাঁড়িয়ে জুতো পরা ডান পা দিয়ে আমার মুখে লাথি মারছে । আমার নাক টাকেই ও বেশি করে টারগেট করেছে । ওর কালো জুতো পরা পা দিয়ে একের পর এক লাথি মারছে আমার নাকে । ওর মুখে মিষ্টি হাসি , বোঝা যাচ্ছে ও বেশ এঞ্জয় করছে ।

ও শুধু একা মারছে না । আমার মুখে লাথি মারার জন্য মেয়েদের মধ্যে বেশ হুড়োহুড়ি পরে গেছে । অন্তত ৮ থেকে ১০ জন এখন লাথি মারছে আমার মুখ আর মাথায় । আরো অনেকে লাথি মারছে আমার বুকে , পেটে । একজন একটা পোস্টার লিখে গেটের কাছে সাঁটিয়ে দিয়েছে , ইভ টিজার কে লাথি মেরে উপযুক্ত শাস্তি দাও মেয়েরা ।

আমার সারা শরীরে এতজন মেয়ের পায়ের আঘাত আর সহ্য হচ্ছিল না আমার । বিশেষ করে সুনন্দা একের পর এক লাথি মেরে চলেছে আমার নাকের উপর । আমার মনে হচ্ছিল নাকটা বুঝি ভেঙ্গে কয়েক টুকরো হয়ে যাবে । আমি আর পারলাম না । হাতজোর করে মেয়েদের বললাম , “ আমাকে ছেরে দাও প্রভু , আমি কিছু করিনি । সিটিটা আমি মারিনি , বিশ্বাস কর” ।

আমার মুখে প্রভু ডাক শুনে মেয়েরা হো হো করে হাসতে লাগল । সুনন্দা আমার মুখে জুতোর তলা ঘসতে ঘসতে বলল , – দেখ সবাই , ৫ মিনিট লাথি খেয়েই ইভ টিজার মেয়েদের প্রভু বলে ডাকছে । ৫ ঘন্টা লাথি খেলে ও সারাজীবন সব মেয়েকে প্রভু বলে ডাকবে ।

এই বলে আমার মুখের উপর ডান জুতোর তলাটা ধরে বলল , – নে কুত্তা , তোর প্রভুর জুতোর তলায় চুমু খা ।

আমি বিনা প্রতিবাদে আমার থেকে ৫ বছরের ছোট , আমার ছোট বোনের বান্ধবী সুনন্দার জুতোর তলায় চুম্বন করলাম । সুনন্দার শক্ত জুতোর তলায় আমার ঠোঁট জোড়া ঠেকালাম , তারপর চোখ বন্ধ করে ছুমু খেলাম । সুনন্দা তখন আমার ঠোঁট জোড়া ওর জুতোর তলা দিয়ে একটু ঘসে বলল , -এই তো ভাল কুত্তার মতো চুমু খেলি । নে , পর পর চুমু খেতে থাক তোর প্রভুর জুতোর তলায় । 

স্কুলের কয়েক শ মেয়ে , রাস্তার লোক সবাই সুনন্দার কাছে আমার অপমান দেখতে লাগল । আমি একের পর এক চুম্বন করতে লাগলাম ওর জুতোর তলায় । কেন জানিনা আমার মনে হচ্ছিল সুনন্দা আমার থেকে অনেক সুপিরিওর , ওর জুতোর তলায় চুমু খাওয়া টাকেও কেন জানিনা আমার সৌভাগ্য বলে মনে হচ্ছিল । আমি বেশ আবেগের সাথে সুনন্দার জুতোর তলায় চুম্বন করছিলাম ।

সুনন্দা এরপর আমার মুখে ওর জুতোর তলা দুটো ঘসে পরিষ্কার করতে লাগল । ওর জুতোর তলার ময়লা ওর জুতোর তলা থেকে আমার মুখে লেগে যেতে লাগল । তারপর আবার আমার মুখে লাথি মেরে সুনন্দা বলল , -এবার তোর জিভটা বার কর কুত্তা। তোর প্রভু জুতোর তলা মুছবে ।

আমি যতটা সম্ভব বার করে দিলাম আমার জিভ । আর সুনন্দা আমার বার করে দেওয়া জিভে ওর কালো জুতোর তলা ঘসে পরিষ্কার করতে লাগল । প্রথমে বাঁ জুতোর তলা , তারপর ডান জুতোর তলা আমার জিভে ঘসে পরিষ্কার করে ফেলল আমার প্রভু সুনন্দা ।

এরপর সুনন্দা আমার বুক থেকে নেমে দাড়ালে অন্য মেয়েরা আমাকে ব্যবহার করার জন্য হুড়োহুড়ি জুড়ে দিল । একসঙ্গে ৩,৪ জন মেয়ে আমার মুখে জুতোর তলা ঘসতে লাগল , আর একজন আমার বার করা জিভে জুতোর তলা মুছতে লাগল । কয়েকটা নিচু ক্লাসের মেয়ে আমার বুকে , পেটে উঠে আমার গায়ের উপর লাফাতে লাগল জুতো পরা পায়ে ।

আমার মুখের ভিতর টা কাদা মাটিতে ভরে গেল কিছুক্ষনের মধ্যেই । আমার জিভটা পরিষ্কার করার জন্য মুখের ভিতর ঢোকালেই আমার প্রভুরা অধৈর্য হয়ে আমার মুখে লাথি মারতে শুরু করছিল । আমি জিভটা ভিজিয়েই আবার বার করে আনছিলাম যাতে প্রভু আবার জুতোর তলা মুছতে পারে । প্রভুদের জুতোর তলার ঘর্ষণে আমার জিভ শুকিয়ে যাচ্ছিল প্রথমে , তারপর শুকনো জিভ ঘর্ষণের ফলে কেটে যাচ্ছিল । তবু আমি চেষ্টা করছিলাম যাতে আমার প্রভুরা বেশ শান্তিতে আমার জিভের উপর জুতোর তলা মুছতে পারে ।

সবাই আমার জিভে জুতোর তলা ঘসার সুযোগ পাচ্ছিল না । ফলে তারা আমার মুখ আর চুলের উপর জোরে জোরে জুতোর তলা ঘসে জুতোর তলা পরিষ্কার করার চেষ্টা করছিল । এতক্ষণে আমার মুখের উপর কাদা আর মাটির পুরু স্তর পরে গেছে বুঝতে পারছিলাম । ঐশী কেন , আমার ছোট বোন সঞ্চারী এলেও হয়তো আমাকে চিনতে পারবে না আর ।

একটু পরে দেখতে পেলাম ঐশী আসছে । ও এসে গেটে ঝোলান নোটিস টা পরল , তারপর আমার বুকের উপর বাঁ পা টা রেখে ডান পা টা নামিয়ে দিল আমার মুখের উপর । আমাকে পায়ের তলায় পাড়িয়ে ঢুকে গেল স্কুলের ভিতর । একবার ফিরেও তাকাল না । বুঝলাম ওর জীবনে আমার অবস্থান টা এরকমই , ওর পায়ের তলায় পরে থাকা ধুলোর মতো , যারদিকে ও কখনো ফিরেও তাকাবেনা ।

স্কুলের প্রার্থনার ঘন্টা পরে যাওয়ার পর ঢুকল আমার বোন সঞ্চারী । তখন বেশীরভাগ মেয়ে স্কুলে ঢুকে গেছে । শুধু অল্প কয়েকটা মেয়ে আমাকে ঘিরে ধরে আমার মুখে লাথি মারছে । সুনন্দা তাদের একজন । বোনকে দেখে সুনন্দা বলল , – তুই এত দেরী করে এসে অনেক মজা মিস করলি । এই রেপিস্ট টা আজ স্কুলের সামনে ধরা পরেছে । আমি এক ঘন্টা ধরে এটার মুখে লাথি মারছি । আমাকে দেখে বোন চিনতে পারেনি দেখে হাফ ছেড়ে বাচলাম । আমার মুখের কাদা মাটিতে যে অবস্থা হয়েছে, আর মেয়েদের লাথি খেয়ে ফুলে , বেঁকে মুখের এমন অবস্থা হয়েছে যে চেনার কথাও না ।

আমার নিজের ৫ বছরের ছোট বোন সঞ্চারী আমার মুখের উপর ওর জুতো পরা ডান পা টা রেখে আমার মুখের উপর জুতোর তলা ঘসতে ঘসতে বলল , এই রেপিস্ট গুলোর জ্বালায় আমরা ঘর থেকে বেরতে পারিনা । এটাকে এমন শাস্তি দিতে হবে যেন সাড়া জীবন মনে থাকে ।

সুনন্দা হাসিমুখে বলল , অলরেডি এমন শাস্তি পেয়েছে যে সব মেয়েকেই প্রভু বলে ডাকছে ।

শুনে আমার বোন আমার মুখের উপর আলতো করে একটা লাথি মেরে বলল , -এই কুত্তা , আমি তোর কে হই ?

আমি প্রবল আবেগের সঙ্গে আমার ফরসা ছোট বোন সঞ্চারীর জুতোর তলায় চুমু খেয়ে বললাম , -তুমি আমার প্রভু ।

শুনে বোন হো হো করে হাসতে লাগল । তারপর সুনন্দা কে বলল , দাড়া , রেপিস্ট টার মুখে কয়েকটা লাথি মেরে নিই । এই বলে আমার বোন ওর জুতো পরা দু পা দিয়েই আমার মুখে একের পর এক লাথি মারতে লাগল । আমি চুপ করে নিজের বোনের জুতো পরা পায়ের লাথি খেতে লাগলাম।

প্রায় ৩০ টা লাথি মেরে আমার বোন থামল । আমার মুখে জুতোর তলা ঘসে পরিষ্কার করতে লাগল । আমার ঠোঁট দুটো জুতোর তলা দিয়ে ঘষে খেলতে লাগল আমার বোন ।

সুনন্দা বোনকে বলল ,- কুত্তাটার জিভে ঘসে তোর জুতো দুটো পরিষ্কার করে নে ।

- ঠিক বলেছিস । এই কুত্তা , জিভ বার কর । বোন বলল ।

 আমি নিজের জিভটা স্বেচ্ছায় বার করে দিলাম যাতে আমার ছোট বোন আমার জিভের উপর ঘসে ওর জুতোর তলা মুছতে পারে । বোন প্রথমে ওর বাঁ জুতোর তলা তারপর ডান জুতোর তলা আমার জিভের উপর ঘসে পরিষ্কার করে ফেলল । আমি বোনের সাদা স্নিকারের প্রতিটা খাঁজের ফাকে জিভ ঢুকিয়ে চেটে পরিষ্কার করে দিলাম । আর বোন আমার বার করা জিভে আসতে আসতে ঘসতে থাকল ওর পবিত্র জুতোর তলা। বোনের জুতোর তলার ময়লা স্বেচ্ছায় গিলে খেতে লাগলাম আমি ।

-চল ,  কুত্তা টাকে ক্লাসে নিয়ে গিয়ে মজা করি । এই বলে বোন গেটে বাঁধা আমার হাত দুটো খুলে দিল । তারপর আমার হাত বাঁধা ছিল যে বেল্ট টা দিয়ে সেতা খুলে আমার গলায় বেধে দিয়ে বলল ,- কুত্তা , চল , তোর প্রভুদের পিঠে করে ক্লাসে নিয়ে চল ।

 আমি বিনা প্রতিবাদে প্রভুদের আদেশ পালন করলাম । আমি ৪ হাত পায়ে উঠে দাঁড়ালে আমার পিথে প্রথমে সঞ্চারী , তারপর সুনন্দা উঠে বসল । বোন পা দিয়ে আমার হাতে লাথি মেরে বলল , চল কুত্তা , হ্যাট , হ্যাট । আমার গলায় বাঁধা বেল্ট টেনে বোন আমার দিক নির্ণয় করতে লাগল । আমি আমার দুই প্রভুকে পিঠে বসিয়ে সিঁড়ি দিয়ে উঠে দোতলায় ওদের ক্লাস রুমে নিয়ে গেলাম । আমার পিঠে ২ জোন মেয়ে উঠেছে দেখে গোটা স্কুল হাসিতে ফেটে পরল ।

ওদের ক্লাস রুমে পৌঁছানোর পর ওরা আমার পিঠ থেকে নেমে বেঞ্চে বসল । আমি ওদের পায়ের সামনে চার হাত পায়ে দাঁড়িয়ে রইলাম । বোন আমার মুখে জুতো পরা পায়ে লাথি মেরে বলল , – আমাদের পায়ের  তলায় শুয়ে পর ।

আমি তাই করলাম । আমার ছোট বোন সঞ্চারী আমার মুখের উপর ওর জুতো পরা পা দুটো তুলে দিয়ে জুতোর তলা দিয়ে আমার ঠোঁট দুটো ঘসে খেলতে লাগল । আমার খুব ভাল লাগতে লাগল গোটা স্কুলের সামনে নিজের ছোট বোনের জুতো পরা পায়ের তলায় শুয়ে বোনকে আমার মুখ নিয়ে ওর জুতো পরা পা দিয়ে খেলতে দেখে । সুনন্দা ওর জুতো পরা পা দুটো আমার বুকের উপর তুলে দিয়ে আমার বুকে লাথি মেরে বলল , – আমাদের পা টিপে দে জানোয়ার ।

আমি তাই করলাম । গোটা ক্লাসের সামনে পালা করে টিপতে লাগলাম ছোট বোন আর তার বান্ধবীর পা । আর ওরা আমার মুখে আর বুকে জুতো পরা পা রেখে ক্লাস করতে লাগল ।

 

সকালবেলা আমি নিজের ঘরে বল নিয়ে খেলছিলাম । তখন আমার ক্লাস ১১ । সেদিন ঘরে বাবা , মা কেউ ছিল না । আমি ছিলাম , আর পাশের ঘরে বোন ওর বান্ধবী মায়ার সাথে খেলছিল । খেলতে খেলতে বল চলে গেল খাটের তলায় । বক্স খাটের তলায় বল আনতে ঢুকে আমার দেহ আটকে গেল । আমি কিছুতেই বেরতে পারছিলাম না । হঠাত ঘরে ঢুকল আমার ১৩ বছর বয়সী বোন পৃথা আর ওর বান্ধবী মায়া ।

আমাকে এই অবস্থায় দেখে ওরা হো হো করে হাসতে লাগল । মায়া বলল , ‘চল , ওকে নিয়ে মজা করি”। এই বলে মায়া উঠে দাঁড়াল আমার বুকে ।

মায়া আর পৃথা দুজনেরই পায়ে স্নিকার পরা । মায়া আমার বুকে উঠে দাড়াতে পৃথা আমার মাথার পাশে দাড়িয়ে জুতো পরা ডান পায়ের তলাটা আমার মুখের উপর রেখে আমার মুখটা জুতোর তলা দিয়ে ঘসতে লাগল ।

আমার ভীশন ভাল লাগতে লাগল । তবু মুখে বললাম , প্লিজ এরকম করিস না তোরা, আমাকে বের কর বাইরে” ।

বোন বলল , – বের করব , যদি আমরা যা বলব তাই করিস তবে ।

আমি নিজে থেকেই প্রিথার জুতোর তলায় চুমু খেয়ে বললাম – তোরা যা বলবি তাই করব । শুধু আমাকে বের কর এখান থেকে ।

আমার কথা শুনে পৃথা আমার মুখে জুতো পরা পায়ে উঠে দাঁড়িয়ে লাফাতে লাগল । আর মায়া লাফাতে লাগল আমার বুকে ।

তারপর পৃথা আমার মুখে জুতোর তলা চেপে ধরে বলল – আমার জুতোর তলায় চুমু খা ।

আমি তাই করলাম । আমার ছোট বোনের জুতো পরা পায়ের তলায় একের পর এক গাঢ় চুম্বন করতে লাগলাম ।

তারপর পৃথা আমার মুখে লাথি মেরে বলল – এবার তোর জিভটা বার করে দে ।

আমি তাই করলাম । আমার বার করা জিভের উপর বোন প্রথমে বাঁ জুতোর তলা , তারপর ডান জুতোর তলা ঘসে পরিষ্কার করে ফেলল ।

আমি জিভ টা মুখে ঢুকিয়ে বোনের জুতোর তলার সব ময়লা ভক্তিভরে গিলে ফেললাম । তারপর মায়া উঠে দাড়াল আমার মুখে । ও একইভাবে প্রথমে বাঁ জুতোর তলা , তারপর ডান জুতোর তলা আমার জিভে ঘসে পরিষ্কার করে ফেলল ।

মায়া এরপর জুতো খুলে ওর মোজা পরা পায়ে আমার মুখের উপর দাড়াল । আমি প্রাণভরে আমার প্রভু মায়ার মোজার গন্ধ শুঁকতে লাগলাম ।

মায়া এরপর ওর মজার তলা আমার ঠোঁটের উপর রেখে অর্ডার করল, “ চাট কুত্তা ”.”

আমিও মন্ত্রমুগ্ধর মতো চাটতে লাগলাম। কতক্ষন চেটেছিলাম ঠিক জানিনা,অন্তত ২০ মিনিট । সম্বিত ফিরলো বোনের কথায়,’এবার আমার পালা” ।  রাই ( মায়া) উঠে বোনকে সুযোগ দিল। বোন ওর জুতো মোজা খুলে খালি পায়ের তলা আমার মুখের উপর রেখে হুকুম করল, “ চাট দাদা ”.আমি হৃদয়ের সমস্থ ভালোবাসা উজাড় করে চাটতে লাগলাম বোনের খালি পায়ের তলা। ওর পায়ের তলার ধুলো আমার অমৃত মনে হচ্ছিলো। কতক্ষনও চাটাত জানিনা,তবে মিনিট পাঁচেক পরে গেটে  আওয়াজ হল,বোধহয় মা ফিরে এসেছে। মাকে আমার পরিত্রাতা মনে হলনা,মনে হল মা  এখন না এলেই ভাল হত। ওরা তাড়াতাড়ি আমাকে টেনে কিছুটা বার করল , তারপর “ বাই বাই রনি” বলে  ওরা দুজন  চলে গেল।আমি  কষ্ট করে বেরিয়ে এলাম খাটের তলা থেকে।

সেদিন সারা দুপুরটা যেন এক অদ্ভুত নেশায় কাটলো। মায়া আর পৃথা আমাকে সেই সুখ দিয়েছিল যা ছাড়া আমি আর কিছু চাইনি। আমার সারা জীবনের একমাত্র স্বপ্ন হল কোন মেয়ের হাতে  অপমানিত হয়ে  তাদের হুকুম তামিল করা। কোন মেয়ের জুতোর তলা কুকুরের মত চাটা আমার সারা জীবনের স্বপ্ন ছিল। আর আজ,আমি নিজের বোন আর তার বান্ধবীর হুকুমে পোশা কুকুরের মতো ওদের জুতোর তলা চাটলাম !

  বিকেলে মা আবার মার্কেট করতে বেরল।বোন সেই দুপুরে বেরিয়ে গেছিল মায়ার সাথে।বিকেল ৫  টায় ও ঘরে ঢুকল, একা। ও ওর চাবি দিয়ে গেট খুলে ঢুকেছিল,আমি উঠিনি। আমি বসার ঘরে মেঝেতে শুয়ে টিভি দেখছিলাম।  ও ফিরে এসে এই ঘরেই ঢুকল, আর, আমার মুখটা ডান পা দিয়ে মাড়িয়ে বাথরুম এ চলে গেল !! ওর জুতোর তলার ময়লা আমার মুখে লেগে গেছে,বেশ বুঝতে পারলাম। ফিরে এসে  ও একটা চেয়ার এনে আমার সামনে বসল,আমার হাত থেকে রিমোটটানিয়ে নিজের পছন্দের চ্যানেল চালিয়ে দিল তারপর,ওর জুতো পরা পা দুটো আমার মুখে তুলে দিল।প্রবল আনন্দে আমার মন ভরে গেল।  বোন ওর ডান পা টা রেখেছিল আমার মুখের উপর,আর বা পা টা কপালে। ও ওর জুতোর তলা আমার সারা মুখে ঘসতে লাগলো।

একটু পরে ও আমার মুখের উপর লাথি মেরে বলল “পা টিপে দে আমার”.আমি নিজের বোনের পা টিপতে লাগলাম আর  ও নিজের দাদার সারা মুখে জুতোর তলা ঘসতে লাগলো।একটু পরে অ হুকুম করলও,’ জিভ বের কর” । আমি জানতাম  ও কেন বলছে,আমি জিভ বার করে দিলাম। আর আমার বোন আমার বার করা জিভে প্রথমে বাঁ জুতোর তলা পরিষ্কার করল,তারপর ডান জুতোর তলা । তারপরও  জুতো পরা পা দুটো আমার মুখে রেখে টিভি দেখে চলল।আমি আমার প্রভু,আমার দেবীর পা টিপে চললাম, যে জন্মসূত্রে আমার বোন হয় !!!! 

আমি মন দিয়ে বোনের পা টিপে যাচ্ছিলাম। আমি ভীশন মন দিয়ে বোনের পা টিপছিলাম,  ওকে খুশি করা ছারা আর কিছু ভাবছিলাম না আমি। আমার বন্ধুরা সবাই মাঠে ফুটবল খেলছে এখন। আর আমি ঘরে বসে নিজের বোনের পা  টিপছি? বসেও না, শুয়ে ! আর আমার বোন ওর জুতো পরা পা দুটো আমার মুখে রেখেছে ! যতই নিজের অবস্থা সম্পর্কে ভাবছিলাম, কি এক অদ্ভুত আনন্দে মন ভরে উঠছিল আমার। আর আমি আরো মন দিয়ে টিপছিলাম আমার বোন,আমার প্রভু, পৃথার পা দুটো । আর পৃথা টিভি দেখতে দেখতে আমার মুখে জুতোর তলা দুটো ঘসে চলেছিল।

 ওর জুতোর তলা অবশ্য ও আমার মুখে আর জিভে ঘষে পরিষ্কার করে ফেলেছিল । আমার মুখে জুতোর তলা দুটো ঘষার ফলে বরং আমার মুখ থেকে ময়লা ওর জুতোর তলায় লেগে যাচ্চিলো। আমি মাঝে মাঝে তাই জিভ বার করে ওর জুতোর তলা চেটে পরিষ্কার করে দিচ্ছিলাম। এভাবে কতক্ষনকেটেছিল হিসেব রাখিনি। ঘর ভাঙল কলিং বেল এর আওয়াজে । পৃথা আমার মুখে আলতো করে একটা লাথি মেরে বলল, “যা, দরজা খুলে দিয়ে আয়।” আমি অবাক হয়ে ওর দিকে চাইলাম।ওর পায়ের তলা থেকে উঠে বললাম, “কিন্তু আমার মুখ যে তোমার জুতোর তলার ময়লায় ভর্তি, মা সব বুঝে  যাবে যে?”  

পৃথা মিষ্টি হেসে বলল ,” সে আমি বুঝব কি বলতে হবে। আর আজ থেকে তুই আমার চাকর। আমার কোন হুকুম অমান্য করবি না। যা ”।মা বাইরে থেকে একবার দরজা খোলার জন্য তাড়া দিল। আমি বোনের পায়ের কাছে উপুড় হয়ে ওর জুতো পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রণাম করলাম একবার। তারপর উঠে গেলাম দরজা খুলতে। দরজাটাখুলেই আমি ভেতরের ঘরে চলে এলাম। আশা করেছিলাম মা আমার মুখ দেখার আগেই আমি মুখ ধুয়ে ফেলব।

কিন্তু মা দেখতে পেয়ে গেল। অবাক হয়ে বলল, “কি রে, তোর মুখে  এত ময়লা কেন? কি করছিলি?” আমি কি বলব বুঝে উঠতে পারছিলাম না,পাশ থেকে বোন বলল, “ ও খেলতে গিয়েছিল, এখুনি ফিরলো মা।” আমি বোনের কথাটা ধরে নিয়ে বললাম,হাত পা ধুচ্ছিলাম, মুখ ধোয়ার আগেই তুমি চলে এলে।” মা আমার দিকে তাকিয়ে রাগ মেশান গলায় বলল, “ মাধ্যমিক হয়ে গেছে বলে কি সারাদিন খেলে বেড়াবি? পরা শুরু করতে পারছিস না?” আমি মাথা নিচু করে বললাম, “সরিমা ”, তারপর মুখ ধুতে লাগলাম বেসিনে । মা বোনের দিকে ফিরে বলল, “আর তুই ঘরের মধ্যে জুতো পরে বসে আছিস কেন? ঘরে ঢোকার সময় জুতো খুলতে পারিস না?”

 বোন বলল, “ মা, জুতোর ফিতাটা খুলছে না, ফাস পরে গেছে। তাই ভাবলাম দাদা ফিরলে খুলিয়ে নেব। আর আমার জুতোর তলা একদম পরিষ্কার। দাদার মুখ বা জিভের থেকেও বেশি। বলে জুতো তুলে তলাটা দেখাল মাকে।” আমার মুখ ধোয়া হয়ে গেলে বোন আমার দিকে তাকিয়ে নরম গলায় বলল, “দাদা, আমার জুতোর ফিতাটা খুলতে পারছিনা, ফাস লেগে গেছে। তুই একটু খুলে দিবি প্লিজ ?” আমি কিছু বললাম না মুখে ,বোনের পায়ের কাছে বসে ওর জুতো পরা পা দুটো কলে তুলে নিলাম। মা তখন এই ঘরেই খাটে বসে আমাদের দেখছে। আমার দারুন ভাল লাগছিল মার সামনে বোনের জুতো খুলে দেব ভাবতে। কিন্তু   এত সহজে জুতো খুলে দিতে ইচ্ছা করল না। আমি বোনের জুতোর ফিতেয় হাত দিয়ে এমন ভাব করতে লাগলাম যেন চেষ্টা করেও খুলতে পারছি না। চেষ্টা করার নামে বরং গিট ফেলে দিলাম ওর জুতোর ফিতেয়। তারপর মুখ উপরে তুলে বললাম, “খুলছে না তো রে বোন,কি করব ?” ও বলল “ভাল করে চেষ্টা কর দাদা, ঠিক খুলবে।”

আমি চেষ্টা করার নামে ওর জুতো পরা ডান পা তাকে নিজের বুকের সাথে চেপে ধরেছিলাম এক হাত দিয়ে, আর অন্য হাত দিয়ে চেষ্টা করছিলাম ফিতে খোলার। কিছুক্ষন চেষ্টা করার ভাণ করে ওকে বললাম, “খুলছে না, ফিতাটা কেটে দেব?”

 বোন বলল, “না না, ফিতে কেটে দিলে জুতো পরব কি করে এরপর?” তাঁরপর মিষ্টি হেসে বলল, “দাঁত দিয়ে একবার ট্রাই কর না, লক্ষ্মী দাদা আমার।” আমি একবার মায়ের দিকে তাকালাম । মা আমাদের দেখছে , কিন্তু কিছু বলল না। বোন আমার উত্তরের অপেক্ষায় না থেকে ওর জুতো পরা ডান পাটা আমার কাঁধের উপর রাখলো। ওর জুতোর টো টা আমার বা কাঁধের উপর রাখলো ও, আর আমি ডান হাতটাওর জুতোর হিলের তলায় রেখে দাঁত দিয়ে ওর জুতোর ফিতে খোলার চেষ্টা করতে লাগলাম। আমি ভাবতেই পারছিলাম না, মায়ের সামনে আমি নিজের বোনের জুতোর ফিতে দাঁত দিয়ে খুলছিলাম !! বেশ সময় নিলাম খুলতে আমি, ডান জুতোর ফিতে খুলে দিতে বোন বাঁ পা টাও তুলে দিল আমার ডান কাধে। আমি ওর বাঁ জুতোর ফিতেয় দাঁত দিয়ে খুলে দিলাম। বোন ওর সুন্দর মুখটা হাসিতে ভরিয়ে বলল, “থ্যাঙ্ক ইউদাদা।”, তাঁরপর ওর পা দুটো আমার কোলের উপর নামিয়ে রাখলো। আমি ওর জুতো দুটো ওর পা থেকে খুলে দিলাম, তারপর মোজাও খুলে দিলাম। কয়েক সেকেন্ড এর জন্য ওর পা টিপে দিলাম। বোন আবার মিষ্টি হেসে নরম গলায় বলল,” দাদা, আমার জুতো দুটো রেখে আমার ঘরের পরার চটিটা এনে দিবি please? আমি খুব টায়ার্ড।” আমি বিনা প্রতিবাদে বোনের আদেশ পালন করলাম।

বিকেলের টিফিনসেরে বোন ওর ঘরে ঢুকল। আমিও ওকে অনুসরন করলাম।ওর ঘরের দরজা ভিজিয়ে দিয়ে ওর চটি পরা পায়ের উপর উপুর হয়ে শুয়ে পড়লাম আমি। ওর চটি পরা পা দুটো নিজের দুই হাতের উপর রেখে পাগলের মত ওর দুই পায়ের উপর চুম্বন করে চললাম। ও উঠে দাড়াল আমার হাতের উপরে। আমার ব্যাথা লাগছিল হাতে, তবু আমি চুম্বন করা চালিয়ে গেলাম। ওর পায়ে একটা করে চুমু খাচ্ছিলাম, আর আমার মুখ থেকে ওর প্রতি “ প্রভু, ঈশ্বর ,ভগবান ,দেবী” এরকম একটা সম্ম্বোধন বেরিয়ে আসছিল, তাঁরপর আবার একই রকম আগ্রহে ওর অন্য পায়ে চুমু খাচ্ছিলাম। কিছুক্ষন পর বোন খাটে বসে পরলো আবার। ওর ডান পাটা তুলে আমার মাথার উপর ওর চটির তলাটা ঘসে আমাকে আদর করতে লাগল। আর আমি ওর বাঁ পায়ের উপর নিজের মাথা ঘসতে ঘসতে একটানা বলে চললাম, “প্রভু, ঈশ্বর,ভগবান, দেবী” ইত্যাদি। একটু পরে পৃথা বলল, “দাদা সোজা হয়ে শো।” আমি সোজা হয়ে শুতে  বোন ওর পা দুটো আমার মুখের উপর রাখলো, ডান পাটা ঠোঁটের উপর, আর বাঁ পাটাকপালে। আমি ওর পা দুটো ভক্তিভরে টিপতে লাগলাম। বোন হেসে বলল, “তুই খুব বাধ্য ছেলে হয়ে গেছিস দাদা।”. আমি ওর পা টিপতে টিপতে ওর চটির তলায় চুম্বন করে বললাম,” হ্যাঁ প্রভু। আজ থেকে তুমি আর মায়াই আমার প্রভু , আমার ভগবান । তোমরা যা বলবে তাই শুনব , তাই করব আমি প্রভু “ ।

 

 

Follow

Get every new post delivered to your Inbox.