Archives for category: Uncategorized

( ভূমিকা না পরে কেউ ব্লগে ঢুকবেন না । সম্পুর্ন ভূমিকা পড়ে তবেই গল্প, কমেন্ট পড়বেন বা নিজে কমেন্ট করবেন । অন্যথায় , আপনার কোন ভুল ধারনার জন্য আমি/ আমরা দায়ী থাকব না । )

রাই আর সঞ্চারী

সঞ্চারী আর আমি ক্লাসমেট ছিলাম ক্লাস ৫ থেকে । সঞ্চারী ছিল ভীষণ সুন্দরী, সঙ্গে ক্লাসের ফার্স্ট গার্লও । আমি ছিলাম বেশ কাল , অতি সাধারন চেহারার এক লাজুক ছেলে । সঞ্চারীর সাথে কথা বলার সাহসও হয় নি কখনও । দূর থেকেই ওকে দেখতাম , সেই বয়সেই ওকে ভয়ানক ভাল লাগত । বুকের ভিতর কিরকম যেন এক অজানা কষ্ট জেগে উঠত ওকে দেখে । ওর বন্ধু হওয়ার যোগ্যতা আমার নেই সেটা বড় হতে হতে যত আমি বুঝতে লাগলাম, ওর প্রতি আকর্শনটা ক্রমে ভক্তিতে রুপান্তরিত হতে লাগল । ওকে দেবী হিসাবে পুজো করার ইচ্ছা ক্রমে জেগে উঠতে শুরু করল আমার মনে ।

সেই সঞ্চারী যে আমার সঙ্গে সত্যিই বন্ধুত্ব করবে আমি কখনও ভাবতেও পারিনি । ক্লাস ১১ এ একসাথে একটা প্রোজেক্ট করতে গিয়ে প্রথম ওর সাথে কথা হয় আমার । ও এমন স্বাভাবিক ভাবে আমার সাথে মিশত যেন আমি আর ও একইমানের, আমি ওর বন্ধু হওয়ার যোগ্য । কিন্তু আমি কিছুতেই পারতাম না । আমি যে বহুদিন আগেই ওকে আমার আরাধ্যা দেবীর আসনে বসিয়েছি !

আমি ওর বাড়িতে মাঝে মাঝে যেতাম । ওর বাড়িতে ওর বাবা ,মা আর ওর ৪ বছরের ছোট বোন রাই থাকত । রাই তখন ক্লাস ৭ এ পড়ে । সঞ্চারীর বাবা মা আমাকে খুব একটা অপছন্দ করত না । তবে কোন এক অজানা কারনে রাই আমাকে অপমান করতে পছন্দ করত সবার সামনেই । আমাকে কেলেভূত , বাঁদরমুখো, গাধা যা খুশি তাই বলে ডাকত । ছোটখাটো হুকুমও করত আমাকে । ওর মা বলত –  আমাদের আদরের ছোট মেয়ে ও, প্লিজ ওর কথায় তুই কিছু মনে করিস না ।

মনে করা তো দুরের কথা , আমি চেষ্টা করতাম আমার ভয়ানক ভাল লাগাটা আড়াল করতে । রাইকে দেখতে একদম সঞ্চারীরই মত , একই রকম ফর্শা মিষ্টি চেহারা । আমার খুব ইচ্ছাহত সঞ্চারী আর রাই সারা পৃথিবীর সামনে আমাকে যতখুশি অপমান করুক, ধরে থাপ্পর আর লাথি মারুক ।

রাই আমাকে খেলাচ্ছলে ২-১ দিন মেরেছিল । একদিন আমি সঞ্চারী আর রাইয়ের সাথে স্কুলের পর ওদের বাড়ি গেলাম । ওদের দুজনের মনই কোন এক কারনে খারাপ ছিল , কি কারন আমাকে তখনও বলেনি । আমি ওদের সাথে বাড়িতে ঢুকতে রাই আমাকে অবাক করে দিয়ে আদেশ করল ওর জুতো খুলে দিতে । আমি একটু অবাক হলাম । তবু সঙ্গে সঙ্গে রাইয়ের পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসলাম ওর চাকরের মত । ওর পা থেকে জুতো খুলতে যাওয়ার আগেই রাই জুতো পরা ডান পায়ে পরপর দুটো লাথি মারল আমার মুখে । আমি অবাক হয়ে তাকালাম রাইয়ের মুখের দিকে ।

রাই কিছু বলল না । পিছন থেকে ওর মা বলল, – ওদের বাবার বাইরে ট্রান্সফার হয়ে যাচ্ছে । আমরা পরশু চলে যাচ্ছি ৩ জন । শুধু সঞ্চারী স্কুল চেঞ্জ করবে না বলে এখানে থেকে যাচ্ছে । তাই রাইয়ের মন খারাপ খুব । ওর মারার জন্য কিছু মনে করিস না ।

রাই আবার আমার মুখের উপর একটা লাথি মারল, – ওকে যখন খুশি আমি লাথি মারব । কেলেভূত একটা, ও আবার কি মনে করবে ?

রাইয়ের জুতো পরা পায়ের লাথি , সঙ্গে এই অপমান আমার ভীষণ ভাল লাগছিল । আমি সঞ্চারী আর ওর মায়ের সামনেই এই অপমানের জবাবে রাইয়ের জুতো পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করলাম একবার । তারপর রাইয়ের জুতো খুলে দিতে লাগলাম ।

– কালু , তুই কিন্তু আজ র কাল আমাদের সব জিনিস একা গুছিয়ে দিবি । রাই এবার আমার গালে আলতো একটা থাপ্পর মেরে বলল ।

নিশ্চয়ই রাই , আমি তো আছি তোমাদের সব কাজ করে দেওয়ার জন্য আমি বললাম রাইয়ের জুতো খুলতে খুলতে ।

রাইয়ের জুতো মোজা খুলে ওর পায়ে ঘরে পরার চটিটা পরিয়ে দিতে রাই ওর চটি পরা বাঁ পা দিয়ে আমার মাথাটা সঞ্চারীর দিকে ঠেলে দিয়ে বলল , – তাহলে  দিদির জুতোও খুলে দে কালু ।

আমার নাম রমেশ , ডাক নাম রনি । তাও আমার গায়ের রঙ কালো বলে আমাকে কালু বলে ডাকছে রাই ।আমার চেয়ে ৪ বছরের ছোট ফরশা , সুন্দরী এই মেয়েটার হাতে অপমানিত হতে দারুন ভাল লাগছিল আমার । আমি মাথায় রাইয়ের চটি পরা পায়েরঠেলা খেয়ে সঞ্চারীর পায়ের সামনে হাটুগেড়ে  বসলাম । সঞ্চারী বাঁ পায়ের উপর ডান পা তুলে বসে ছিল । আমি সঞ্চারীর চাকরের মত ওর পা থেকে জুতো খুলতে লাগলাম ।

–   আমি কিন্তু ঘরের কোন কাজ জানি না কালু  । আমার ঘর পরিষ্কার ,রান্না করা , সব তোকে করতে হবে ।

সঞ্চারীও আমাকে কালু বলে ডাকছে ? আমাকে দিয়ে এখন থেকে বিনা পয়সার চাকরের মত ও সব কাজ করাতে চায় ? প্রবল আনন্দে আমি সঞ্চারীর পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করলাম ওকে । ওর দুই জুতোর ওপরে একবার করে চুম্বন করে বললাম , – নিশ্চয় সঞ্চারী । তারপর আবার ওর জুতো খুলে দিতে লাগলাম ।

দুইদিন ধরে ওদের যাবতীয় জিনিস আমি একা হাতে গোছালাম চাকরের মত । রাই আর সঞ্চারী গোছানোর তদারকি করছিল । কোন কিছু বিন্দুমাত্র অপছন্দ হলেই রাই এগিয়ে এসে আমার গালে সপাটে থাপ্পর মারছিল । আমি বসে গোছানোর সময় ভুল হলে ওর নীল চটি পরা পা দিয়ে আমার মুখে লাথি মারছিল । জবাবে আমি ওর চটি পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছিলাম । সঞ্চারী আর ওর মা দেখে শুধু হাসছিল । কেউ ওকে বাধা দিচ্ছিল না । আমারও ভীষণ ভাল লাগছিল রাইয়ের কাছে থাপ্পর আর লাথি খেতে ।

২ দিন পর রাই ওর বাবা মার সঙ্গে ওদের নতুন ঠিকানায় চলে গেল । আমি খুব দুঃখ পেলাম মনে । ওরা যাওয়ার ঠিক আগে স্টেশনে সবার সামনে রাইয়ের জুতো পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করলাম আমি । জবাবে রাই সবার সামনেই আমার মাথার উপর পা রেখে আমাকে আশীর্বাদ করল । একজন অবাক হয়ে রাইকে জিজ্ঞাসা করল , – এই ছেলেটা তোমাকে প্রনাম করছে কেন ?

জবাবে রাই মুচকি হেসে বলল , – আমাদের চাকর হয়, তাই । তারপর ট্রেনে উঠে গেল । ট্রেন ছেড়ে দিল একটু পরে । আমি আর সঞ্চারী ওদের বাড়িতে ফিরে এলাম তারপর ।

ওদের বাড়িতে ফিরে এসে আমি সঞ্চারীর পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে বললাম , – আমি তোর চাকরের মত সব কাজ করে দেব এখন থেকে । তুই কিছু চিন্তা করিস না ।

জবাবে মুখে মুছকি হাসি ফুটিয়ে আমার গালে আলতো একটা থাপ্পর মারল সঞ্চারী । – তুই আমার চাকরের মত না , চাকরই এখন থেকে কালু । আর চাকরেরা কি মালকিনকে তুই বলে ডাকে ?

আমি সঙ্গে সঙ্গে সঞ্চারীর পায়ে মাথা ঠেকিয়ে বললাম, – প্লিজ আমাকে ক্ষমা করে দাও মালকিন ।

জবাবে আমার মাথায় জুতো পরা ডান পা রেখে আমাকে আশীর্বাদ করল সঞ্চারী, – ঠিক আছে , এবারের মত তোকে ক্ষমা করে দিলাম কালু ।নে, আমার জুতো খুলে দে এবার । তারপর ঘর ঝাট দিয়ে রান্না বসা ।

সেই থেকে আমি সঞ্চারীর বিনা পয়সার চাকর হয়ে কাটাচ্ছি । আমি সঞ্চারীর দোকান, বাজার , রান্না , ঘর পরিষ্কার সব করি । সঞ্চারীর জামা কাচা , জুতো পরিষ্কার , পা টিপে দেওয়া এসবও করি রোজ । সঞ্চারীকে আমি সবার সামনেই মালকিন বলে ডাকি আর ও আমাকে ডাকে কালু বলে । প্রায়ই আমি ওর পায়ে মাথা ঠেকিয়ে ওকে দেবীর মত ভক্তি করে প্রনাম করি । আমার আশৈশব আরাধ্যা দেবীকে এভাবে সেবা করতে পেরে আমি গর্বিত বোধ করি । সঞ্চারীর পা টেপার সময় সঞ্চারী কখনও পা রাহেয়ামাএ কোলে, কখনও বা চটি বা জুতো পরা পা আমার বুকে বা মুখের উপর তুলে দেয় । সঞ্চারী যখন পড়ে তখন ওর পায়ের তলায় শুয়ে ওর চটি পরা পা মুখের উপর নিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা টিপে দিই আমি । সঞ্চারী আমার ঠোঁট আর কপাল ওর চটির তলা দিয়ে ঘসে । আমি জিভ বার করে মাঝে মাঝে চেটে দিই আমার সুন্দরী আরাধ্যা দেবীর চটির তলা ।

জবাবে আমার দিকে তাকিয়ে মিষ্টি হাসি হাসে সঞ্চারী , প্রান জুড়িয়ে দেওয়া হাসি । তবে ও রাইয়ের মত অত মারতে ভালবাসে না । কখনও মারলেও খুব আসতে মারে । আর কালু বলে ডাকা ছাড়া আর কোনভাবে অপমানও করে না । এমনকি সবার সামনে আমার সাথে মোটামুটি বন্ধুর মতই ব্যবহার করে । যদিও আমার ইচ্ছা করে সবার সামনে সঞ্চারীর সেবা করতে, তবু সঞ্চারীকে নিজে থেকে সেটা বলার সাহস হয়না কখনও । এভাবেই আমার আরাধ্যা দেবী সঞ্চারীর সেবা করতে করতে কেটে যায় দুটো বছর । আমরা উচ্চমাধ্যমিক দিই একসাথে । তারপর হঠাতই একদিন সেই সুখবর শুনতে পাই সঞ্চারীর মুখে । ওর বাবার বদলি হয়ে আবার এখানে ফিরে আসছে সপরিবারে ।

আমি আনন্দে লাফিয়ে উঠি প্রায় । তার মানে আবার সবার সামনে সঞ্চারীর সাথে রাইয়েরও সেবা করতে পাব ?

নির্দিস্ট দিনে রাই আর ওর বাবা মার জন্য সঞ্চারীর সাথে স্টেশনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে থাকি আমি । ট্রেন এসে পৌছালে রাই এসে নামে ওর বাবা মায়ের সঙ্গে । এই দুবছরে রাই যেন আরও সুন্দরী হয়েছে । স্বর্গ থেকে কোন দেবী সামনে নেমে এলে কোন ভক্তের যেরকম অবস্থা হবে রাইকে দেখে আমার সেরকমই অবস্থা হয় । আমি রাইকে দেখে প্রবল ভক্তিভরে ওর পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসি প্ল্যাটফর্মের অত লোকের সামনেই ।

–   গ্রিট মি প্রপারলি স্লেভ। রাই ভুরু কুচকে আমার দিকে তাকিয়ে বলে । রাইয়ের মুখে প্রথমবার স্লেভ ডাক শুনে প্রবল আনন্দ হয়  আমার । সত্যিই আমি এই জীবনে শুধু রাই আর সঞ্চারীর ক্রীতদাসই হতে চাই , আর কিছু না। আমি প্ল্যাটফর্মে সবার সামনে রাইয়ের সাদা স্নিকার পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে ওকে ভক্তিভরে প্রনাম করি । জবাবে আমার মাথার উপর জুতো পরা বাঁ পা রেখে উঠে দাঁড়ায় রাই, তারপর জুতো পরা ডান পা টা রাখে আমার পিঠের উপর । উপুড় হয়ে ওকে প্রনাম করতে থাকা আমাকে পায়ের তলায় মাড়িয়ে গিয়ে পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ওর দিদিকে জড়িয়ে ধরে রাই । – আই লাভ ইউ দি , কেমন আছিস ?

–    ছোট্ট বোনটাকে ছেড়ে কি ভাল থাকা যায় ? তুই কেমন আছিস ?

–   ঠিক বলেছিস দি, তোকে ছাড়া আমারও একদম ভাল লাগছিল না । আচ্ছা , কালু কুত্তাটা তোর সব কাজ ঠিক ঠাক করত তো ? না ঝামেলা করত ?

–   না রে , কালু খুব বাধ্য চাকর  , আমার সব কথা শুনত ও । আমার মাথায় ওর ব্রাউন পাম্প শু পরা ডান পা বুলিয়ে বলে সঞ্চারী ।

–   এখন আমি এসে গেছি । ঝামেলা করলে লাথি মেরে ওর সব দাঁত ফেলে দেব আমি । দেখ , কুত্তাটার জন্য ডগ কলার নিয়ে এসেছি আমি । এই কালু কুত্তা, এদিকে আয় ।

–   আমি রাইয়ের ডাক শুনে ওর পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসি । স্টেশন ভর্তি লোকের সামনে আমার গলায় ডগ কলারটা পরিয়ে দেয় রাই । তারপর আমার মুখের উপর একদলা থুতু ছিটিয়ে দেয় । পরক্ষনেই প্ল্যাটফর্মের উপর আরেকদলা থুতু ছেটায় রাই ।

–    চাট কালু কুত্তা । তোর প্রভুর থুতু চাট । হাসিমুখে পাশ থেকে বলে সঞ্চারী । আমি রাইয়ের থুতুটা মাথা নিচু করে চাটতে গেলে আমার মাথাটা পাম্প শু পরা বাঁ পা দিয়ে থুতুর উপরে চেপে ধরে সঞ্চারী । আমি আমার দুই প্রভুর কাছে অপমানিত হওয়ার আনন্দে তখন আত্মহারা । স্টেশন ভর্তি লোক আমার দুই প্রভুর কাছে আমার অপমান দেখতে থাকে আমাদের ঘিরে ধরে । আর আমি রাইয়ের থুতু চাটতে থাকি প্ল্যাটফর্ম থেকে , আর সঞ্চারী ওর জুতো পা দিয়ে আমার মাথা চেপে ধরে থাকে থুতুর উপর ।

–   রাইয়ের পুরো থুতুটা চেটে খেয়ে নিলে রাই আদেশ করে , – কালু কুত্তা , এবার আমাদের সব ব্যাগ গুলো তোল , ঘরে ফিরতে হবে ।

–   আমি উঠতে যাই , আর তখনই রাইয়ের স্নিকার পরা ডান পা সজোরে আমার ঠোঁটের উপর আঘাত করে । আমি উলটে পরে যাই । তারপর আবার উঠতে যাই আমার আরাধ্যা দেবীর আদেশ পালনে । এবার পাম্প শু পরা ডান পা দিয়ে আমার নাকের উপর সপাটে লাথি মারে সঞ্চারী । আমি উলটে পরে যাই আবার । নাকজুড়ে অসহ্য যন্ত্রনা বোধহয় , চোখে অস্পষ্ট লাগে দৃষ্টি । তাকিয়ে দেখি রাই সঞ্চারীকে জড়িয়ে ধরে হো হো করে হাসছে । আমি কি করব বুঝতে পারিনা । অসহায় দৃষ্টিতে আমার দুই প্রভুর দিকে তাকিয়ে শুয়ে থাকি । রাই ওর জুতো পরা ডান পা টা আমার মুখের উপর তুলে দেয়  । আমার ঠোঁট দুটো ঘষতে থাকে ওর জুতো পরা ডান পায়ের তলায় , ওর বাবা মা সহ প্ল্যাটফর্ম ভর্তি লোকের সামনেই । আমি জবাবে দুহাত দিয়ে রাইয়ের জুতো পরা পা টা আমার মুখের সাথে চেপে ধরি , ভক্তিভরে গাঢ় চুম্বন করি আমার প্রভুর জুতোর তলায় ।

–   জিভটা বার কর কালু কুত্তা । রাই গম্ভীর গলায় আদেশ দেয় ।

–   আমি যতটা সম্ভব বার করে দিই আমার জিভটা । আমার চেয়ে ৪ বছরের ছোট আমার আরাধ্যা দেবী রাই আমার জিভের উপর ওর সাদা স্নিকার পরা পায়ের তলাটা নামিয়ে দেয় । ওর ধুলো ময়লা ভর্তি জুতোর তলাটা আমার জিভের উপর ঘসে পরিষ্কার করতে থাকে অসংখ্য লোকের সামনে । অনেকেই কয়ামেরা বার করে এই ঘটনার ভিডিও তুলতে থাকে । আর আমি আমার আরাধ্যা দেবীর জুতোর তলার ময়লা পরম ভক্তিভরে গিলে খেতে থাকি ।

–   ডান জুতোর তলা আমার জিভে ঘষে নতুনের মত চকচকে করে ফেললে ডান পা দিয়ে আমার নাকের উপর জোরে একটা লাথি মারে রাই । তারপর একই রকম ভাবে আমার জিভের উপর বাঁ জুতোর তলা ঘসতে থাকে । ওর বাঁ জুতোর তলাও নতুনের মত পরিষ্কার হয়ে গেলে আবার একটা লাথি মারে আমার ঠোঁটের উপর । এরপর এগিয়ে আসে সঞ্চারী । আমার জিভের উপর ঘসে প্রথমে ওর বাঁ জুতোর তলা , তারপর ডান জুতোর তলা পরিষ্কার করে নেয় । এরপর উৎসাহ পেয়ে আমাদের ঘিরে মজা দেখতে থাকা আরও ৩ জন ফর্শা সুন্দরী মেয়ে এগিয়ে আসে । ওদের একজনের বয়স ১৪-১৫, একজনের ১৮-১৯, আরেকজনের ২২-২৩ । ৩ জন মেয়েই আমার জিভের উপর ঘষে ওদের পবিত্র জুতোর তলা নতুনের মত পরিষ্কার করে ফেলে । তারপর ওরা রাই আর সঞ্চারীকে ধন্যবাদ দিয়ে আমার মুখে লাথি মেরে চলে যায় । রাই এগিয়ে এসে আমার গলায় বাঁধা ডগ কলারটা হাতে ধরে । সঞ্চারী বলে , – নে কালু কুত্তা , আমাদের জিনিসগুলো সব মাথায় আর পিঠে তুলে নিয়ে বাড়ির দিকে চল । স্টেশনের নিচেই ওদের গাড়ি দাঁড়িয়ে । ওরা চারজন গাড়িতে উঠে যায় মালপত্র আমাকে ধরিয়ে দিয়ে । ঠান্ডা এসি গাড়িতে চড়ে ওরা বাড়ির দিকে এগিয়ে যায় । রাই আর সঞ্চারীর জুতোর তলার ময়লা সারা মুখে মেখে আমি প্রবল রোদের মধ্যে সব মালপত্র মাথায় পিঠে তুলে হাটাপথে দেড়ঘন্টা দূরত্বের ওদের বাড়ির দিকে রওনা হই  আর মনে মনে ভগবানকে ধন্যবাদ দিই আমাকে এত সুন্দরী দুই প্রভুর ক্রীতদাস বানানোর জন্য ।

আমার প্রভু লিপি ( খোকা )

লিপির ডান হাতের থাপ্পরটা প্রবল জোরে আমার বা গালে আছড়ে পড়ল , গোটা ক্লাসের সামনে। ‘ what are you doing with my shoes idiot ?’ , লিপির গলায় তীব্র রাগ টের পেলাম । আমার হাতে লিপির সাদা স্নিকার জোড়া ধরা তখনও, আমি কি বলব বুঝতে না পেরে আমতা আমতা করতে লাগলাম , লজ্জায় আমার মাথা নিচু হয়ে গিয়েছিল । ফাকিং লুজার্স, লিপির পাশ থেকে বলল নিধি, লিপির বান্ধবী । লিপি আমার হাত থেকে একটা জুতো নিয়ে আমার গালে বেশ জোরে মারল এবার । কি করছিলি আমার জুতো নিয়ে জানোয়ার ?

ল্যাবের দরজার সামনে কোমরে হাত দিয়ে ক্রুদ্ধ মুখে দাড়িয়ে আছে আমার সুন্দরী ক্লাসমেট লিপি । স্কুল জীবন থেকেই আমরা ক্লাসমেট, অথচ আজ প্রথম ও আমার সঙ্গে কথা বলল, তাও আমার গালে থাপ্পর মারার পর ।আমি কি কৈফিয়ত দেব আমার ফরশা, সুন্দরী, বড়লোক ক্লাসমেট লিপিকে । ওকে নিজের প্রভূ বলে ভাবি, পূজনীয় দেবী হিসাবে দেখি । তাই রোজ ও ল্যাবে জুতো খুলে ঢুকলে ওর জুতো জিভ দিয়ে চেটে পরিষ্কার করে দিই । নিধি, প্রিথা আর লিপির অন্যান্য বান্ধবীদের জুতোও সময় পেলে চেটে পরিষ্কার করে দিই । ওরা এত সুন্দরী, বড়লোকের মেয়ে । আমার মত একটা সাধারন, গরীব ছেলের জায়গা তো ওদের জুতোর তলাতেই । কিন্তু লিপিকে এইকথা কি করে বোঝাই আমি ?

আমি কি বলব বুঝতে না পেরে মাথা নিচু করে চুপ করে দাড়িয়ে ছিলাম। ঘোর ভাঙল মুখের উপর থুতুর স্পর্শে । লিপি আমার মুখে থুতু ছিটিয়েছে, লিপির একরাশ পবিত্র থুতু আমার কপাল বেয়ে গাল দিয়ে নামতে লাগল । তাই দেখে লিপির পাশে দাড়ান নীধি আর পৃথা হো হো করে হাসতে লাগল । লিপি তখনও গম্ভীর । ডান হাতের আঙ্গুল পায়ের দিকে দেখিয়ে বলল, জুতোটা আমার পায়ে পড়িয়ে দে, তারপর ভাবছি তোকে নিয়ে কি করা যায় । আমি এক্টুও আপত্তি করলাম না নিজের সুন্দরী ক্লাসমেট লিপির পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে ওর পায়ে জুতো পরাতে লাগলাম।

লিপির পায়ের কাছে ঠিক চাকরের মত হাটুগেরে বসে ওর পায়ে জুতো পরিয়ে দিলাম আমি । মনে মনে আমি লিপিকে তখন আমার প্রভু বলে ভাবছিলাম, নিজেকে ওর কৃতদাস বলে কল্পনা করতে ভীশন ভাল লাগছিল আমার। লিপির সাদা মোজা পরা পায়ে সাদা স্নিকার পরিয়ে দিলে লিপি স্নিকার পরা ডান পা দিয়ে আমাকে নিধির দিকে ঠেলে বলল, এবার নিধি আর পৃথার পায়ে জুতো পরিয়ে দে। তুই থাকতে মেয়েরা কেন কষ্ট করে পায়ে জুতো পরতে যাবে ? আমি এক্টুও আপত্তি করলাম না, নিধির পায়ের কাছে হাটুগেরে বসে ওর পায়ে স্নিকার পরিয়ে দিলাম ।

নীধির পায়ে স্নিকার পরিয়ে দিয়ে আমি এগিয়ে গেলাম পৃথার দিকে । পৃথার পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে ওর পায়ে সাদা স্নিকার দুটো পরিয়ে দিলাম । পৃথার পায়ে জুতোজোড়া পরিয়ে দিয়ে ওর পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে থাকা অবস্থায় আমি ওর চোখের দিকে তাকালাম । পৃথা আমার দিকে তাকিয়ে একবার মৃদু হাসল, তারপর জুতো পরা ডান পা দিয়ে প্রবল জোরে লাথি মারল আমার গালের উপর । আমি টাল সামলাতে না পেরে উলটে পরে গেলাম । তাই দেখে পৃথা আর নীধি হো হো করে হাসতে লাগল । তবে লিপি গম্ভীর মুখে এগিয়ে এল আমার দিকে । আমার মুখের উপর জুতো পরা ডান পা টা তুলে দিয়ে আমার মুখের উপর জুতোর তলাটা ঘষতে লাগল আমার পরমা সুন্দরী ক্লাসমেট লিপি ।

হঠাত লিপি পা তুলে বেশ জোরে একটা লাথি মারল আমার নাক আর ঠোটের উপর , তারপর জুতোর তলা দিয়ে আবার আমার ঠোটদুটো ঘসতে ঘসতে বলল ,

“ এটাই তোর সঠিক জায়গা কুত্তা , আমার পায়ের তলায়’ ।

গোটা ক্লাসের সামনে অপমানিত হওয়া সত্বেও আমার ভীষন ভাল লাগছিল লিপির কাছে এই অপমান । আমি দুহাত বাড়িয়ে লিপির জুতো পরা ডান পা টা ঠোঁটের সঙ্গে চেপে ধরলাম । তারপর লিপির জুতোর তলায় একটা গাঢ় চুম্বন করে বললাম , “আমি জানি প্রভু , আমার জায়গা তোমার জুতোর তলায়” ।

লিপির মুখে হাসি ফুটে উঠল আমার কথা শুনে । আমার নাকের উপর বেশ জোরে একটা লাথি মেরে বলল, “ আজ থেকে সবার সামনে তুই আমাদের গোলামি করবি । সারা কলেজ জানবে তুই আমাদের গোলাম আর আমরা তোর মালকীন” ।

লিপি আমার জামার কলার ধরে আমাকে টেনে ওঠাল , তারপর আমাকে কলার ধরে টানতে টানতে ক্লাসরুমের দিকে নিয়ে চলল । আমাদের ক্লাসের অনেক ছেলে মেয়েই আশেপাশে ছিল, লিপির হাতে আমাকে ডমিনেটেড হতে দেখে ওরা সবাই হাসতে লাগল ।

তখন টিফিন ব্রেক চলছিল । ক্লাসরুমে আমরা ৪ জন ছাড়া ৭-৮ টা মেয়ে আর ২ জন ছেলে ছিল । লিপি আমার কলার ধরে টানতে টানতে নিয়ে এসে প্রথম বেঞ্চে বসল , তারপর কোন কারন ছাড়াই সজরে থাপ্পর মারল আমার বাঁ গালে ।

ক্লাসরুমে উপস্থিত সব ছেলে মেয়ে হাসতে লাগল লিপির হাতে আমার হিউমিলিয়েশন দেখে ।

লিপি এরপর আমার ডান গালে ওর বাঁ হাত দিয়ে আরও একটা থাপ্পর মারল জোরে ।

“ফ্রন্ট বেঞ্চটা সরিয়ে রাখ”।

আমি লিপির আদেশ পালন করে সামনের বেঞ্চটা সরিয়ে রাখলাম । বসার বেঞ্চটায় লিপি বসে আছে মাঝখানে । ওর বাঁদিকে নীধি , ডানদিকে পৃথা । আমি এগিয়ে গিয়ে লিপির পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসলাম ।

লিপি একমুহুর্তের জন্য ওর সুন্দর মুখে হাসি ফুটিয়েই গম্ভীর হয়ে গেল । তারপর জুতো পরা বাঁ পা দিয়ে বেশ জোরে একটা লাথি মারল আমার মুখের উপর ।

তারপর আমার মুখের উপর একদলা থুতু ছেটাল । থুতুটা এসে লাগল আমার কপালের ঠিক মাঝখানে ।  আমার নাকের পাশ দিয়ে গড়িয়ে পরতে লাগল আমার প্রভু লিপির পবিত্র থুতু । আমি জিভ বার করে আসতে আসতে লিপির থুতুটা চাটতে লাগলাম ।

“ ল্যাবের বাইরে আমার জুতো নিয়ে কি করছিলি ক্লাসের সবাইকে বল কুত্তা,” লিপি আবার আমার গালে থাপ্পর মেরে বলল ।

ক্লাসের সবার সামনে এভাবে অপপমানিত হতে আমার বেশ লজ্জা লাগছিল , একই সাথে ভালও লাগছিল ভীষন । লিপি তো আমার প্রভু আমাকে নিয়ে ও যা খুশি করতে পারে , আমার কোন অধিকার নেই বাধা দেওয়ার ।

আমি মাথা নিচু করে বললাম , “ তোমার জুতোর তলা জিভ দিয়ে চেটে পরিষ্কার করছিলাম প্রভু” ।

আমার কথা শুনে ক্লাসের মেয়েদের মধ্যে হাসির রোল উঠল । লিপি আবার আমার গালে জোরে একটা থাপ্পর মেরে বলল , “ আমার জুতো চাটছিলি কেন?”

আমি বললাম , “ তুমি আমার প্রভু , আমি তোমার ক্রীতদাস । তোমার জুতো জিভ দিয়ে চেটে পরিষকার করে দেওয়া আমার কর্তব্য প্রভু” ।

আমার কথা শুনে এবার নীধি পাশ থেকে আমার গালের উপর জুতো পরা ডান পায়ে জোরে একটা লাথি মেরে বলল , “ শুধু লিপি তোর প্রভু হয় ? তাহলে আমরা কে হই তোর ?”

আমি নীধির জুতো পরা দুই পায়ের উপর মাথা ঠেকিয়ে ওকে প্রনাম করে বললাম , “ তোমরাও আমার প্রভু হও । এই ক্লাসের , এই কলেজের সব মেয়েই আমার প্রভু হয়” ।

এই শুনে ক্লাসের সব মেয়ের মধ্যে আবার হাসির রোল উঠল । আমি তখনও আমার কপাল নীধির জুতো পরা দুই পায়ের উপর ঘসছি । লিপি আমার মাথার উপর জুতো পরা পা দুটো তুলে দিয়ে বলল , ক্লাসের সব মেয়ের জুতো আজ তুই জিভ দিয়ে চেটে পরিষ্কার করবি । আমার টা দিয়ে শুরু কর কুত্তা” ।

“নিশ্চয় প্রভু” বলে আমি লিপির পায়ের তলায় শুয়ে পরলাম । লিপি ওর পা দুটো আমার মুখের উপর তুলে দিল । আমার মুখের উপর লাথি মেরে বলল জিভটা বার করে দে কুত্তা”। আমি তাই করলাম । আমার বার করে দেওয়া জিভের উপর আমার প্রভু, মালকিন , আরাধ্য দেবী লিপি ওর জুতো পরা বাঁ পায়ের তলা ঘষতে লাগল । ক্লাসের বাকি সব মেয়ে তখন সামনে এসে আমাকে ঘিরে ধরেছে । পৃথা আর নীধির সাথে মিলে উপাসনা , রাই , সুচেতনা , অঙ্গনা , ঈশা , সোহিনী, সুনন্দা আর স্বাগতা আমাকে ঘিরে ধরে আমার সারা গায়ে জুতো পরা পায়ে জোরে জোরে লাথি মারতে লাগল । আর আমার বেরকরে দেওয়া জিভের উপর নিজের জুতোর তলা ঘষে পরিষ্কার করতে লাগল আমার প্রভু লিপি । আমি ভক্তিভরে আমার প্রভু লিপির জুতোর তলার সব ময়লা গিলে খেতে লাগলাম ।

লিপির দুটো জুতোর তলা নতুনের মত পরিষ্কার হয়ে গেলে ওর জায়গা নিল পৃথা । তারপর নীধি , উপাসনা , রাই , সুচেতনা , অঙ্গনা , ঈশা , সোহিনী, সুনন্দা আর স্বাগতাও একে একে আমার জিভের উপর ওদের পবিত্র জুতোর তলা ঘষে পরিষ্কার করে নিল । আমি আমার প্রভুদের জুতোর তলার ময়লা পুজোর প্রসাদের

মত ভক্তি করে গিলে খেয়ে নিলাম ।

মত ভক্তি করে গিলে খেয়ে নিলাম ।

বর্ষাকাল পরার পর থেকেই স্কুলের টিফিন পিরিওডে রোজ এই খেলাটা খেলছে সুনন্দা । প্রথমে ইচ্ছা করে মাঠে নেমে জুতোর তলায় কাদা লাগায় তারা । তারপর জুতো পরা পা দিয়ে স্কুলের দেওয়ালে জোরে জোরে লাথি মেরে জুতোর ছাপ ফেলে তারা । রোজই ওর সঙ্গে থাকে প্রথমা , প্রিয়া , আর লতিফা । কোন কোনদিন অন্য মেয়েরাও থাকে । এরফলে স্কুলের এই দেওয়ালটা এরমধ্যেই ক্লাস ৯ এর এই ৪ সুন্দরী মেয়ের জুতোর ছাপে ভরে উঠেছে ।
আজকেও অদের এই খেলার অন্যথা হল না । টিফিনের ঘন্টা বাজতেই ওরা কোনমতে টিফিন সেরে ওদের প্রিয় এইখেলা শুরু করে দিল । আসলে , স্কুলের দেওয়াল জুড়ে নিজেদের পায়ের ছাপ ফেলতে ওদের ৪ জনেরই কোন এক অজানা কারনে খুব ভাল লাগে । লাথি মারার সময় ওরা দেওয়ালের জায়গায় কলপনা করে নেয় কোন কাল্পনিক শত্রুর মুখ , তারপর জুতো পরা পা দিয়ে লাথি মারে সেই কাল্পনিক শত্রুর মুখে ।এই বেসরকারি স্কুলের মালিক সুনন্দার বাবা মা , প্রিন্সিপালও সুনন্দার মা । তাই ওরা নির্ভয়েই স্কুলের অনেক নিয়ম কানুন ভেঙ্গে বেড়াতে পারে ।
আজকে খেলাটা শুরু করেছিল লতিফা । তার দুপায়ের মোত ২৩ টা ছাপ ফুটেছিল দেওয়ালে । এরপর প্রিয়া মোট ২২ টা ছাপ ফেলেছিল । এরপর এল সুনন্দার পালা । সেসবে দেওয়ালে লাথি মারা শুরু করতে যাবে , তখনই বাধাটা এল । স্কুলের দারোয়ান রমেশের কাছ থেকে ।
রমেশ এই স্কুলের দারোয়ান হয়ে এসেছে প্রায় ১ বছর হয়ে গেল । বয়েশ প্রায় ২৫ এর কাছাকাছি, বেশ লম্বা , তাগড়াই চেহারা । প্রথম দিন থেকেই ওরা দেখে এসেছে, যেকোন মেয়ে স্কুলে ঢোকার সময়েই রমেশ উঠে দাঁড়ায়, মাথা নিচু করে তাকায় মেয়েদের পায়ের দিকে । এই সম্মান স্কুলের সব মেয়েই বেশ উপভোগ করে । দারোয়ান হওয়ার পাশাপাশি স্কুলের মেয়েদের জুতো পালিশ করে ও কিছু অতিরিক্ত পয়সা রোজগার করে । জুতো পালিশ করার সময় সে মেয়েদের জুতো পরা একটা পা বাঁ হাতের তালুতে তুলে নিয়ে ডান হাত দিয়ে জুতো পালিশ করে । সুনন্দা ওকে দিয়ে জুতো পালিশ করাতে গিয়ে রোজই ওর বাঁ হাতের তালুতে জুতো পরা পা দিয়ে ভর দেয়, কখনও কখনও উঠে দাড়ায় ওর হাতের উপর । রমেশ ব্যাথা পেলেও কখনও তাকে বাধা দেয়নি । বয়শে অনেক বড় এই ছেলেটিকে নিজের পায়ের তলায় কষ্ট পেতে দেখে বেশ ভাল লাগে সুনন্দার ।
আজ সে সবে দেওয়ালে লাথি মারতে শুরু করবে , এই সময় রমেশ এসে উপস্থিত হল তাদের সামনে । আন্তরিকভাবে , হাতজোড় করে ক্লাস ৯ এর ৪ টে মেয়েকে বলল সে , “ প্লিজ ম্যাডাম, এভাবে দেওয়াল নোংরা করবেন না ।আমার ডিউটি খেয়াল রাখা, প্রিন্সিপাল দেখতে পেলে আমার চাকরি থাকবে না । প্লিজ ম্যাডাম” ।
রমেশের অনুরোওধকে বিন্দুমাত্র পাত্তা না দিয়ে জুতো পরা বাঁ পায়ে দেওয়ালে জোরে একটা লাথি মারল সুনন্দা । তার সাদা স্নিকারের তলার কালো ছাপ দেওয়ালে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠল ।
তোর চাকরি গেলে আমাদের কি ? ভাগ এখান থেকে , বিরক্ত করলে লাথিটা দেওয়ালে না মেরে তোকে মারব” ।
সুনন্দার উত্তর শুনে তার পায়ের সামনে হাটুগেড়ে বসে পড়ল রমেশ । হাতজোড় করে বিনীত ভাবে বলল , “ প্লিজ ম্যাডাম , আর যাই করুন , এভাবে দেওয়ালে লাথি মারবেন না । প্লিজ” ।
রমেশকে বিন্দুমাত্র পাত্তা না দিয়ে দেওয়ালে আরও একটা সজোরে লাথি মেরে সুনন্দা বলল , “ এক্ষুনি না ভাগলে লাথি এবার তোর মুখে মারব”।
রমেশ এবার মরিয়া হয়ে দেওয়ালের সামনে এসে আবার হাটুগেড়ে বসে পড়ল । সুনন্দা এতক্ষন যেখানে লাথি মারছিল , রমেশের মাথাটা এখন ঠিক তার সামনে । রমেশ মাথা নিচু করে সুনন্দাকে বলল , “ আপনার ইচ্ছা হলে আমার মুখেই লাথি মারুন ম্যাডাম । শুধু প্লিজ, দেওয়ালে মারবেন না” ।
“ সুনন্দা , ব্যাটার সখ হয়েছে তোর লাথি খাওয়ার । জোড়ে একটা লাথি মার তো ব্যাটার মুখে”, পাশ থেকে প্রথমা বলল ।
সুনন্দার দারুন ভাল লাগছিল । তার চেয়ে প্রায় ১২ বছরের বড় একটা ছেলে তার পায়ের সামনে হাটুগেড়ে হাতজোড় করে বসে আছে, এমনকি ওর মুখে লাথি মারবে বলার পরেও ও তাতে কোন আপত্তি করছে না । দেওয়ালের বদলে সত্যিই কারো মুখে লাথি মারতে পাবে ভেবে এক অদ্ভুত আনন্দ হতে লাগল সুনন্দার ।
“আমি ঠিক ৩ গুনব , তারমধ্যে তুই না উঠলে তোর মুখে লাথি মারব আমি” , সুনন্দা কোমরে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে বলল । এক অদ্ভুত উত্তেজনার শিহরন বইতে লাগল তার কিশোরী দেহের কোষে কোষে ।
১ !
২!!
৩!!!
রমেশ একবারের জন্যও নড়ল না , ৩ উচ্চারনের সঙ্গে সঙ্গে সুনন্দার জুতো পরা ডান পা প্রবল জোড়ে আছড়ে পড়ল রমেশের নাক আর ঠোঁটের উপর । উফ , সে সত্যিই তার চেয়ে ১২ বছরের বড় এই ছেলেটার মুখে ৩ জন বান্ধবীর সামনেই জুতো পরা পায়ে লাথি মারল ? এক প্রবল উত্তেজনা আর আনন্দ ঘিরে ধরল সুনন্দাকে । সে একের পর এক লাথি মারতে লাগল রমেশের মুখে , তার জুতো পরা ডান পা দিয়ে । রমেশের প্রতি বিন্দুমাত্র মায়া দয়ার চিহ্ন ছিল না লাথিমারার মধ্যে , বয়সে অনেক বড় একটা ছেলের মুখে জুতো পরা পায়ে লাথি মারার আনন্দে সুনন্দা বিভোর হয়ে উঠেছিল । গায়ের সর্বশক্তি দিয়ে সে লাথি মারছিল দারোয়ান রমেশের মুখে । আর লতিফা জোরে জোরে গুনছিল লাথির সংখ্যা । রমেশের ঠোঁট , নাক , কপাল , গাল , সর্বত্র একের পর এক আছড়ে পরছিল সুনন্দার জুতো পরা ডান পা ।
১২ নম্বর লাথিটা সজোরে এসে আছড়ে পড়ল রমেশের নাকের উপর । সে আর পারল না । মাটির উপর উলটে পরে গেল । তার নাক আর ঠোটের পাশে চাপচাপ রক্ত লেগে আছে , আর গোটা মুখজুড়ে সুনন্দার জুতোর ছাপ। রমেশ মেঝেতে উলটে পড়তে সুনন্দা এগিয়ে এসে রমেশের মুখের উপর জুতো পরা ডান পা টা তুলে দিল । রমেশের ঠোঁটদুটো জুতোর তলা দিয়ে ঘসতে লাগল । রমেশ বাধা তো দিলই না , বরং একবার দুইহাত দিয়ে সুনন্দার জুটো পরা ডান পা টা মুখের সাথে চেপে ধরে সুনন্দার ডান জুতোর তলায় একটা গভীর চুম্বন করল ।
৫ ফুট ৩ ইঞ্চির ফর্শা, মিষ্টি মেয়ে সুনন্দা কোমরে হাত দিয়ে রমেশের নাকের উপর একটা লাথি মেরে বলল , আজ তুই জিভ দিয়ে আমাদের জুতো পালিশ করবি । জিভ বার কর কুত্তা” ।
বিনা প্রতিবাদে নিজের জিভটা মুখের বাইরে জতটা সম্ভব বার করে দিল রমেশ । সুনন্দা নিজের জুতোর তলা ওর জিভের উপরে নামাতে জেতেই লাফিয়ে সামনে চলে এল লতিফা ।
“সব তুই আগে করবি নাকি ? উহু , সেটা হবে না” ।
“ঠিক আছে , তোরাই আগে কর এবার” , সুনন্দা হেসে সরে দাড়াল । তার বান্ধবীদের সে খুব ভালবাসে ।
লতিফা নিজের কালো স্কুল শু পরা বাঁ পায়ের তলা রমেশের জিভের উপর নামিয়ে দিল । রমেশের জিভের উপর এমন ভাবে সে জুতোর তলা মুছতে লাগল যেন সে কোন পাপোশের উপর জুতোর তলা মুচ্ছে ।রমেশ এমনভাবে ওর জুতোর তলার ময়লা গিলে খেতে লাগল যেন এটা খুবই স্বাভাবিক । রমেশ মাঝে মাঝে জিভটা মুখের ভিতরে ঢুকিয়ে লতিফার জুতোর তলার ময়লা গিলে খেতে লাগল , তারপর আবার পরিষ্কার জিভ বাড়িয়ে দিতে লাগল লতিফার জুতোর তলা মোছার জন্য । লতিফার যেন এখনও বিশ্বাস হচ্ছিল না সে তারচেয়ে প্রায় ১২ বছরের বড় একটা ছেলের জিভে নিজের জুতোর তলা মুচ্ছে । মাঝে মাঝে সে রমেশের নাকে , কপালে বাঁ ঠোঁটের উপর জুতো পরাপায়ে লাথি মারছিল , তারপর আবার জুতোর তলা নামিয়ে দিচ্ছিল রমেশের জিভের উপর । প্রথমে বাঁ জুতোর তলা , তারপর ডান জুতোর তলা একইভাবে পরিষ্কার করে নিল লতিফা ।
লতিফার পর প্রথমা আর তারপর প্রিয়াও একইভাবে রমেশের জিভের উপর জুতোর তলা মুছে পরিষ্কার করে নিল । সবার শেষে সুনন্দার পালা আসতে সে জুতো পরা বাঁ পা টা রমেশের গলার উপর রেখে উঠে দাড়াল প্রিয়ার হাত ধরে , তারপর রমেশের বের করা জিভে জুতোর তলা মুছতে লাগল । প্রথমে বাঁ জুতোর তলা , তারপর ডান জুতোর তলা রমেশের জিভের উপর মুছে পরিষ্কার করল সে । রমেশের প্রবল শ্বাসকষ্ট হচ্ছিল সুনন্দা তার গলার উপর উঠে দাঁড়ানোয় , তবু সে সুনন্দার আদেশ মেনে তার সেবা চালিয়ে গেল কষ্টকে উপেক্ষা করে । সে চিরদিনই মেয়েদের কে প্রভু বলে ভাবতে পছন্দ করে , পছন্দ করে মেয়েদের সেবা করতে । আর আজ সে যেভাবে সুনন্দা ও তার ৩ বান্ধবীর সেবা করছিল তা ছিল তার স্বপনের অতীত । প্রথম যেদিন সে ওদের দেওয়ালে লাথি মারতে দেখেছিল সেদিন স্বপ্ন দেখেছিল ওরা দেওয়ালের বদলে তার মুখে লাথি মারছে । আর আজ তার সেই স্বপ্ন সত্যি হয়েছে , তা কিছুতেই বিশ্বাস হতে চাইছিল না তার । তার জিভের উপর জুতোর তলা মুছে চলা অপরুপ সুন্দরী সুনন্দাকে তার কোন স্বর্গের দেবী বলে মনে হচ্ছিল ।
সুনন্দা তার জুতোর তলা দুটো নতুনের মত পরিষ্কার করে রমেশের গলার উপর থেকে নেমে দাড়াল । রমেশের নাকের উপর লাথি মেরে আদেশ দিল , “ এবার আমাদের জুতোর উপরের দিক জিভ দিয়ে চেটে পালিশ করে দে” ।
রমেশ উঠে হাটুগেড়ে বসে সুনন্দার পায়ের কাছে , সুনন্দার জুতো পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে সাষ্টাঙ্গে প্রনাম করে সুনন্দাকে । তারপর সুনন্দার জুতো দুটো জিভ দিয়ে পালিশ করতে থাকে । এরপর একইরকম ভক্তিভরে সে প্রিয়া , প্রথমা আর লতিফাকে প্রথমে সাষ্টাঙ্গে প্রনাম করে ওদের জুতোও জিভ দিয়ে পালিশ করে দেয় । এরপর রমেশ আবার মেঝেতে চিত হয়ে শোয় , আর ওর ৪ প্রভু ওর মুখে আর বুকে জুতো পরা পায়ে একের পর এক লাথি মারতে থাকে ।
সুনন্দা প্রিন্সিপালের মেয়ে হওয়ায় ওদের কাউকেই স্কুলের কোন নিয়ম মানতে হয়না । একটু পরে ওরা ৪ জন স্কুলের প্রিন্সিপাল সুনন্দার মা জয়ার অফিসে আসে । সুনন্দার মুখে স্কুলের দারোয়ান রমেশের মার খাওয়ার ঘটনা শুনে তিনি মুচকি হেসে বলেন , “ তোরা এত সুন্দরী , সব ছেলেরই স্থান হওয়া উচিত তোদের পায়ের তলায় । চল রমেশকে নিয়ে আরেকটু মজা করি । জয়া ম্যডাম সেই দেওয়ালের সামনে গিয়ে দারোয়ানকে ডাক দেন । রমেশ আসতে বলেন , “ এই দেওয়ালে এত জুতোর ছাপ পড়ল কি করে? কে করেছে এসব ?”
সব জেনেও রমেশ মাথা নিচু করে বলে “ জানি না ম্যাডাম । “
সঙ্গে সঙ্গে তার গালে সপাটে থাপ্পর মারে সুনন্দা । বল কে করেছে । স্কুলের দেওয়াল কেউ লাথি মেরে নোংরা করলে তোর গায়ে লাগে না ? বলতে না পারলে এইভাবে তোর মুখে লাথি মারব । বল ।“
রমেশ সঙ্গে সঙ্গে সুনন্দার পায়ে পড়ে যায় । সুনন্দার জুতোর উপর চুম্বন করতে করতে বলে ‘ আমার ভুল হয়ে গেছে মাল্কিন । আমার মুখে ওইভাবে লাথি মেরে আপনার আমাকে শাস্তি দিন” ।
সুনন্দা পা দিয়ে ঠেলে রমেশকে সোজা করে । তারপর নিজের মায়ের সামনেই দারোয়ান রমেশের মুখের সর্বত্র আবার লাথি মারা শুরু করে সে । তার ৩ বান্ধবীও এসে যোগ দেয় তার সাথে ।

রাজকন্যা তনুশ্রী ( by Tanu Roy madam )

আমার নাম তনুশ্রী। আমি ক্লাস ১০ এ পড়ি । আমাদের বাড়িতে আমি, বাবা, মা আর আমার ৩ বছরের বড় দাদা থাকি । আমাকে দেবীর মত ভক্তি করে আমার বাবা আর দাদা । আমার বাবা আর দাদা রোজ সকালে উঠে আমাকে সাষ্টাঙ্গে প্রনাম করে, আমার পা ধুয়ে জল খায়, আমার পা টিপে দেয় । আমি বাবা, দাদার মুখে থাপ্পর বা লাথি মারলে ওরা সেটাকে নিজের সৌভাগ্য বলে মনে করে ।

কাল সকালে উঠেই দাদা আমার পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করল । তারপর আমি ফ্রেশ হয়ে আসার পর আমাকে টিফিন করে এনে দিল । আমি টিফিন খেতে লাগলাম, আর দাদা একটা গামলা আর জল এনে আমার পা ধুয়ে জল খেল । তারপর আমাকে সাষ্টাঙ্গে প্রনাম করে দাদা আমার চটি পরা পায়ের তলায় শুয়ে পরল , আমি আমার চটি পরা পা দুটো আমার ৩ বছরের বড় দাদার মুখের উপর রাখলাম ।
আমার পা টিপতে টিপতে দাদা আমার চটির তলা জিভ দিয়ে চেটে পরিষ্কার করে দিল ।

দুপুরে আমি স্কুল থেকে ফিরলাম আমার এক বান্ধবীকে নিয়ে । আমার দাদা আমাদের জুতো পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করল । আমি দাদার মাথায় লাথি মেরে ওকে আমার পায়ের তলায় শুয়ে পরতে বললাম । দাদা তাই করল ।

আমি চেয়ারে বসে আমার দাদার মুখের উপর আমার স্নিকার পরা পা দুটো তুলে দিলাম । আমার জুতোর তলা দাদার মুখের উপর ঘষতে লাগলাম । আমার বান্ধবী চৈতালী আমার দাদার বুকে জুতো পরা পা রেখে বসল ।
দাদা পালা করে আমাদের দুজনের পা টিপে দিতে লাগল । একটু পরে আমি দাদার নাকের উপর জোরে একটা লাথি মেরে দাদাকে বললাম ওর জিভটা বার করে দিতে । দাদা তাই করল । আমি দাদার জিভে আমার জুতোর তলার ময়লা মুছতে লাগলাম । দাদা আমার জুতোর তলার ময়লা পুরো গিলে খেয়ে নিল । প্রথমে ডান জুতোর তলা ,তারপর বা জুতোর তলা দাদার জিভে ঘষে পুরো পরিষ্কার করে ফেললাম । এরপর চৈতালী আমার জায়গায় বসে দাদার জিভে ঘষে ওর জুতোর তলা পরিষ্কার করে নিল ।

এরপর দাদার গলায় একটা বেল্ট পরিয়ে আমরা ওর পিঠে চড়ে ছাদে গেলাম । ছাদে গিয়ে আমরা মেঝেতে একটা একটা বিস্কুট ছুড়ে জুতোর তলায় মাড়িয়ে গুড়ো করে সেটা দাদাকে দিয়ে চাটাতে লাগলাম । দাদা জিভ বার করে আমাদের পায়ে মাড়ান বিস্কুট চেটে খাওয়ার চেষ্টা করতে লাগল, আর আমরা জুতো পরা পায়ে দাদার মুখে, মাথায় জোরে জোরে লাথি মারতে লাগলাম, যাতে দাদা সহজে চেটে বিস্কুট খেতে না পারে । এরপর আমরা ছাদে চেয়ারে বসলাম আর দাদা আমাদের পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসল । পাশের বাড়ির লোকেদের চোখের সামনেই আমরা দুই বান্ধবী আমাদের দাদার মুখে জুতো পরা পায়ে জোরে জোরে লাথি মারতে লাগলাম ।

কয়েক বছর আগের এক মহালয়ার সকাল । আমি তখন কলেজে প্রথম বর্ষে পড়ি । বেশ জোরে বৃষ্টি পরছিল বাইরে, আমি টিভির চ্যানেল ঘোরাতে ঘোরাতে বোর হচ্ছিলাম । হঠাত আমার ছোট বোন স্বাগতা এসে বলল, – দাদা, মহালয়া মহালয়া খেলবি ? আমি বোর হচ্ছিলাম, কিছু না করার চেয়ে বোনের সাথে খেলা ভাল । আর আমাদের সম্পর্ক ছোট থেকেই খুব ভাল । আমার ৫ বছরের ছোট ফরসা সুন্দরী বোনকে আমি খুব ভালবাসতাম ।
আমি বোনের দিকে তাকিয়ে বললাম ,- কিরকম হবে খেলাটা । বোন আমার দিকে তাকিয়ে ওর ফরশা মুখে মিষ্টি হাসি ফুটিয়ে বলল, – আমি দূর্গা হব, আর তুই অসুর । আমি তোকে যুদ্ধে হারাব, তুই হেরে গিয়ে আমার কাছে ক্ষমা চাইবি ।
আমার ক্লাস ৮ এ পরা বোন স্বাগতা আমার থেকে অনেক ছোট, ৫ বছরের। আমাদের সম্পর্ক খুব ভাল, একদম বন্ধুর মত । তবে আশ্চর্যের বিষয়, ও এত ছোট হওয়া সত্বেও আমি রাখি, বিজয়া, বা ভাইফোটায় ওকে প্রণাম করি , ওর পায়ে মাথা ঠেকিয়ে । বাবা মারা যাওয়ার পর মা আমাদের এভাবেই বড় করেছে, শিখিয়েছে, ছেলেদের উচিত সবসময় মেয়েদের সম্মান করা । আমার কখনই খারাপ লাগেনি বোনকে প্রনাম করতে , বরং ভালই লেগেছে । আজ ছোট বোন স্বাগতা দেবী দুর্গা সেজে আমাকে মারবে শুনেও আমার খুব ভালই লাগল ।
আমি টিভি বন্ধ করে উঠে দাড়িয়ে বল্লাম, -ঠিক আছে, চল, এই খেলাই খেলি । বোন ওর সুন্দর মুখে হাসি ফুটিয়ে বল্ল, – আমি দূর্গা, আর তুই অসুর । খেলার সময় আমি কিন্তু তোকে অনেক মারব, তুই আমাকে মারতে পারবি না, বাধাও দিতে পারবি না ।
আমি বললাম ,- সে তো বটেই, দেবী দুর্গা তো অসুরকে মারবেই । বোন কোথা থেকে একটা টিনের ত্রিশুল নিয়ে এসে বল্ল,- চল দাদা, খেলা শুরু করি । মা ততক্ষনে রান্না সেরে টিভির ঘরে বসেছে টিভি চালিয়ে । বোনকে ত্রিশুল হাতে দেখে বলল,- কি খেলবি তোরা ?

বোন স্বাগতা বলল,- মহালয়া খেলা, আমি দূর্গা সাজবো, আর দাদা হবে অসুর । মা বলল, – বেশ তোরা খেল, আমি টিভি দেখি । বোন বলল ,- ঠিক আছে মা । তারপর আমার দিকে তাকিয়ে মুচকি হেসে বলল,-নে, খেলা শুরুর আগে দেবী দুর্গাকে প্রণাম কর ।
বোনের পরনে লাল-সাদা চুরিদার, পায়ে নীল চটি । আমি বোনের পায়ের কাছে হাটুগেরে বসলাম । সত্যি দেবী দুর্গাকে প্রনাম করছি ভেবে মনে ভক্তি এনে নিজের ৫ বছরের ছোট বোন স্বাগতার পায়ে মাথা ঠেকিয়ে শুয়ে পরলাম । নিজের কপালটা আসতে আসতে ঘসতে লাগলাম ছোট বোনের পায়ের উপর । মা টিভি ছেড়ে আড়চোখে আমাদের দেখতে লাগল । কেন জানিনা, আমার খুব ভাল লাগছিল ছোট বোনকে দেবী হিসাবে ভাবতে, ওকে দেবী দূর্গার মত ভক্তিভরে প্রণাম করতে । প্রায় ৫ মিনিট বোনের পায়ের উপর মাথা রেখে পরে রইলাম আমি।
৫ মিনিট পর বোন ওর চটি পরা ডান পা টা আমার মাথার উপর রেখে বল্ল,- দেবী দূর্গার আশীর্বাদ তোর সঙ্গে রইল অসুর । আমি আমার বোন স্বাগতার দুই পায়ের উপর একবার করে চুম্বন করে বল্লাম,- ধন্যবাদ দেবী । মা পাশ থেকে বলল,দাদার সাথে এরকম খেলিস মাঝে মাঝে । ও তাহলে মেয়েদের শ্রদ্ধা করতে শিখবে । বোন বলল , – হ্যা মা আমরা প্রায়ই এরকম খেলব এবার থেকে । তারপর আমাকে বলল,- চল দাদা, এবার আসল খেলা শুরু করি । আমি মাথা নিচু করে বললাম,- চলো দেবী ।
শুরুতেই বোন আমাকে পরপর কয়েকটা চড় মারল, তারপর আমার চুলের মুঠি ধরে আমাকে হাটুগেরে বসিয়ে দিল । তারপর কিছুক্ষন যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা হল, দেবীরুপী বোন আমাকে মারল, আর আমি মার খেলাম, মাঝে ২ -১ টা মার আটকালাম। অসুর হয়ে দেবীকে মারতে যাওয়ার চেষ্টাও করলামনা । এরপর বোন ওর চটি পরা ডান পাটা আমার কোলের উপর তুলে দিয়ে , ত্রিশুলটা পাশে রেখে আমার দুই গালে একের পর এক জোরে জোরে থাপ্পর মারতে লাগল । আমার দুই গাল লাল হয়ে গেল বোনের থাপ্পর খেয়ে । মা হাসিমুখে টিভি ছেড়ে ছোট বোনের হাতে আমার মার খাওয়া দেখতে লাগল ।
এরপর বোন আমার কোলের উপর রাখা ডান পায়ে ভর দিয়ে উঠে দাড়াল , চটি পরা বা পা দিয়ে ঠেলে আমাকে নিচে ফেলে দিল । তারপর চটি পরা বা পাটা আমার দেহের পাশে রাখা ডান হাতের তালুর উপর রেখে চটি পরা ডান পাটা আমার বুকের উপর তুলে দিল। ত্রিশুলটা আমার বুকে স্পর্শ করে বলল, কি রে অসুর, বুঝতে পারলি তোর স্থান কোথায় ? এই বলে বোন স্বাগতা ওর চটি পরা ডান পাটা আমার মুখের উপর তুলে দিয়ে মায়ের সামনেই আমার ঠোটদুটো ওর চটি পরা পায়ের তলায় ঘসতে লাগল।
আমি গভীর আবেগে আমার ৫ বছরের ছোট বোন স্বাগতার চটি পরা ডান পায়ের তলায় চুমু খেলাম আমাদের মায়ের সামনেই , – হে দেবী , আমার স্থান, তোমার জুতোর তলায় । দয়া করে আমাকে প্রানে মের না , এভাবেই তোমার চটির তলায় থেকে পুজিত হতে দাও তোমার সঙ্গে । বোন মুখে হাসি ফুটিয়ে বল্ল ,- তোকে প্রাণে মারব না, কিন্তু তোকে তোর পাপের শাস্তি পেতেই হবে । এই বলে বোন চটি পরা ডান পাটা আমার নাকের উপর রেখে বা পাটা তুলে পুরো দেহের ভর আমার নাকের উপর রাখা চটি পরা ডান পায়ের উপর নিয়ে আসল ।

বোনের পায়ের চাপে আমার নাকটা প্রায় মুখের সাথে মিশে যাবার উপক্রম হল । প্রবল ভক্তিতে আমি বোনের উদ্দেশ্যে দেবী বন্দনার মন্ত্র পড়তে লাগলাম । ছোট বোন স্বাগতাকে সত্যি আমার স্বর্গের দেবী দূর্গা মনে হতে লাগল । প্রায় ৫ মিনিট পর বোন আবার ওর চটি পরা বা পাটা আমার ডান হাতের তালুতে নামিয়ে দিল , আর চটি পরা ডান দিয়ে আমার মুখের সর্বত্র একের পর এক লাথি মারতে লাগল । আমার কপাল, নাক , ঠোট সর্বত্র আছড়ে পরতে লাগল আমার দেবীসম ছোট বোনের চটি পরা ডান পা ।
একটু পরে আমার বোন ওর নীল চটি পরা দু পা দিয়েই আমার মুখের সর্বত্র লাথি মারতে লাগল, আমাদের মায়ের সামনেই । আমি বোন স্বাগতার উদ্দেশ্যে দেবী দুর্গা বন্দনার মন্ত্র পাঠ করে চল্লাম । প্রবল যন্ত্রনাহ আমি বারবার কুকড়ে যেতে লাগলাম । তবু বোন জোরে জোরে আমার মুখে লাথি মারা চালিয়ে গেল , আর মাঝে মাঝে চটি পরা পায়ে আমার মুখে উঠে দাড়াতে লাগল । বোনের প্রতি প্রবল ভক্তিতে মন ভরে গেল আমার । প্রায় ৩০ মিনিট আমার মুখের সর্বত্র লাথি মেরে বোন থামল, একটা চেয়ার টেনে ঠিক মায়ের পাশেই বসে পরল ।
আমি ৪ হাত পায়ে বোনের কাছে এগিয়ে গেলাম । বোনের নীল চটি পরা দুই পায়ে উপর একের পর এক চুম্বন করতে করতে বলতে লাগলাম, – হে দেবী দূর্গা, তোমার ভক্ত এই অসুরকে তোমার পদতলে স্থান দাও । আমি পাগলের মত চুমু খেতে লাগলাম বোনের দুই পায়ে, বোনকে সত্যি দেবী দুর্গা বলে মনে হতে লাগ্ল আমার । মা বল্ল, – ছোট বোন মানে দাদাদের কাছে দেবী দূর্গাই, এখন থেকে তুই বোনকে দেবী দুর্গার মতই ভক্তি করবি। আমি বোনের দুই পায়ে একের পর চুম্বন করতে করতে অস্ফুট স্বরে মাকে বললাম,- হ্যা মা ।
বোন একটা পা আমার মাথার উপর বোলাতে লাগল, আমি ওর অন্য পায়ে প্রবল ভক্তিতে চুম্বন করতে লাগলাম । এক্টু পরে আমি সোজা হয়ে বোনের পায়ের তলায় শুলাম । বোন ওর চটি পরা পা দুটো আমার মুখের উপর তুলে দিল । আমার ঠোটজোড়া প্রথমে ঘস্তে লাগল ওর চটি পরা পায়ের তলায় । তারপর দেবী স্বাগতা আদেশ করল আমাকে জিভ বার করে দেওয়ার জন্য । আমি জিভ বার করে দিতে দেবী আমাদের মায়ের সামনেই আমার জিভের উপর নিজের চটির তলা ঘষে মুছতে লাগল । প্রথমে বা চটির তলা, তারপর ডান চটির তলা, আমাদের মায়ের সামনেই আমার জিভের উপর ঘসে পরিষ্কার করে নিল স্বাগতা ।
এরপর স্বাগতা আদেশ করল ওর জুতোগুলো নিয়ে আসতে । আমি ওর জুতো গুল মাথায় তুলে নিয়ে এলাম । বোন আদেশ দিল, ওর পায়ের তলায় শুয়ে পরে জুতোগুলো একের পর এক ওর পায়ে পরিয়ে জুতোর তলা গুলো চেটে পরিষ্কার করে দিতে । আমি একের পর ওর জুতোগুলো ওর পায়ে পরিয়ে জুতোর তলাগুলো চেটে পরিষ্কার করে দিতে লাগলাম। আমার দেবী স্বাগতার জুতোর তলার ময়লা পরম ভক্তিতে গিলে খেতে লাগলাম আমি, আর বোন মাঝে মাঝে আমার মুখে ওর জুতো পরা পা দিয়ে লাথি মারতে লাগল ।
সেই থেকে আমার বোন স্বাগতা আমার দেবী দূর্গা, আমার প্রভূ। এখনও ও আমার ছোট বোন, ও অসুস্থ হলে আমি ওর মাথায় হাত বুলিয়র দিই ওর পাশে বসে । এখনও ও আমার প্রিয় বন্ধু, প্রাণের কথা আমাকে না বলে ও থাকতে পারে না । সেই সঙ্গেই ও আমার প্রভু । আমি দুবেলা ওর পায়ে মাথা ঠেকিয়ে ভক্তিভরে প্রনাম ওকে, ওর পা ধুয়ে জল খাই। বোন আমার গলায় পোশা কুকুরের মত কলার পরিয়ে রাখে। ও যখন টিভি দেখে , ওর চটি পরা পা দুটো রাখে আমার মুখের উপর । আমি ভক্তিভরে ওর পা টিপে দিই ঘণ্টার পর ঘণ্টা । স্বাগতার মন খারাপ হলে আমার মুখের উপর বুটজুতো পরা পা দিয়ে একের পর এক লাথি মেরে মন ভাল করে নেয় ও ।
আমার মা বলে, দাদা আর বোনের সম্পর্ক এরকমই হওয়া উচিত । দাদার কাছে ছোট বোন মানে একইসঙ্গে ছোট বোন, বন্ধু, প্রভু ও দেবী দুর্গা । ছোট বোনের সেবাই দাদাদের জীবনের একমাত্র লক্ষ হওয়া উচিত । আমিও বোন স্বাগতাকে ঠিক এই চোখেই দেখি । ওকে আর ওর সব বান্ধবীকে দেবী বলে ভাবি । আমি জানি , স্বাগতার পায়ের তলাতেই আমার স্বর্গ, ওর জুতোর তলার ময়লাই আমার জন্য অমৃত ।

নিশা মালকিনের পা দুটো কোলের উপর নিয়ে রোজকার মত পা টিপে দিচ্ছিলাম আমি । হঠাত নিশা মালকিন আমার মুখে বেশ জোরে একটা লাথি মেরে বলল,”এই কুত্তা, লাথি মেরে তোর মুখ ভেঙ্গে দেব ঠিক করে পা না টিপলে ।” আমি মাথা নিচু করে বললাম ” জি মালকিন ।” তারপর আবার মন দিয়ে আমার মালকিনের পা দুটো টিপতে লাগলাম । নিশা মুখে হাসি ঝুলিয়ে আবার টিভি দেখতে লাগল ।
নিশাদের ড্রাইভারের চাকরি নিয়ে আমি ওদের বাড়িতে এসেছি দু সপ্তাহ আগে । নিশার বাবা বেশ বড় বিজনেসম্যান । আমাকে তিনি বলেছিলেন নিশার ড্রাইভার হওয়ার পাশাপাশি ওর ছোট খাটো ফাই ফরমাশও খাটতে হবে ও বললে । আমি রাজি হয়ে গিয়েছিলাম । ফরশা, সুন্দরী ক্লাস ১১ এ পড়া নিশা কি আর এমন ফাই ফরমাশ খাটাবে, মনে মনে ভেবেছিলাম । তাছাড়া সদ্য গ্র্যাজুয়েট আমার শহরে থাকা বা রোজগার করার অন্য কোন উপায় ছিল না । তাই রাজি না হয়ে কোন উপায়ও ছিল না আমার ।
সেপ্টেম্বার মাসের ১ তারিখ আমি ওদের বাড়িতে জয়েন করেছিলাম । আমার মূল ডিউটি নিশাকে স্কুলে দিয়ে আসা আর নিয়ে আনা । প্রথম দিনই নিশা আমাকে অবাক করে দিয়ে হুকুম করেছিল, ” আমার পায়ে জুতো পরিয়ে দে অমিত ।” আমি অবাক হয়েছিলাম ঠিকই, তবে আমার ১৬ বছর বয়সী সুন্দরী মালকিনের আদেশ অমান্য করার সাহস পাই নি। ওর পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে ওর পায়ে সাদা মোজা আর স্নিকার পরিয়ে দিয়েছিলাম । ও বুঝিয়ে দিয়েছিল ওর ব্যাগ গাড়ি অবদি বয়ে নিয়ে যাওয়া, ওর জন্য গাড়ির দরজা খুলে দাড়ান, এসবই আমার ডিউটি ।
আমি একবারও আপত্তি করি নি । এসবই আমার রোজকার রুটিন হয়ে গিয়েছিল । নিশার পায়ে জুতো পরিয়ে দেওয়া, স্কুল থেকে ফিরলে ওর জুতো খুলে দেওয়া, জুতো পরিষ্কার করে রাখা, এসবই আমি দু সপ্তাহ ধরে করছি । এক সপ্তাহ হল নিশার পা ধুয়ে দেওয়া, তারপর ওর পা টেপাও আমার রুটিনে যোগ হয়েছে । তাই বলে এভাবে আমার মুখে লাথি মারবে নিজের মায়ের সামনে ?
নিশার মাও একটু দূরে বসে টিভি দেখছে । আমার মুখে নিশাকে লাথি মারতে দেখে এখন হাসিমুখে আমাদের দিকেই তাকিয়ে আছে । আমার কিছু বলা উচিত, বুঝতে পারছিলাম , কিন্তু সাহস হচ্ছিল না । এভাবে চললে আমি ড্রাইভার থেকে চাকর বা ক্রীতদাস হয়ে যাব নিশার বুঝতে পারছিলাম ।
আমি একটু অন্যমনস্ক হয়ে পরেছিলাম । ঘোর ভাঙ্গল মুখের উপর সজরে লাথি পরতে । নিশা এবার ওর নীল চটি পরা ডান পা দিয়ে সজরে লাথি মেরেছে আমার ঠোটের উপর । আমার ঠোট কেটে রক্ত বেরতে লাগল ।
“মনিবের সেবা করার ইচ্ছা নেই যখন, তোকে আর এই চাকরি করতে হবে না । তুই আসতে পারিস ।” আমি বুঝতে পারলাম ঘোর বিপদে পরতে চলেছি । যত অপমানই করুক নিশা, আমার এই চাকরিটা রাখতেই হবে । আর নিশার মত এত সুন্দরী মেয়ের হাতে একটু অপমান তো মেনে নেওয়াই যায় । আমি নিশার নীল চটি পরা পা দুটোর উপর নিজের মাথা নামিয়ে দিলাম । ওর পায়ের উপর নিজের মাথা ঘষতে ঘষত্র বললাম, ” দয়া কর প্রভু । তুমি আমার আরাধ্য দেবী, আমার মালকিন । চাকরি চলে গেলে আমি না খেতে পেয়ে মারা যাব । এরকম শাস্তি দিও না প্রভু । প্লিজ। ”
আমি নিশার চটি পরা পায়ের উপর আমার মাথা ঘষতে লাগলাম পাগলের মত । আমার চেয়ে প্রায় ৬ বছরের ছোট নিশাকে আমার কোন দেবী বলে মনে হতে লাগল । ওর দয়া না পেলে আমার জীবন আবার অনিশ্চিত হয়ে যাবে । একটু পরে নিশা ওর চটি পরা ডান পা টা তুলে আমার মাথার উপর রাখল । আমার মাথার উপর ওর চটির তলা কিছুক্ষন বুলিয়ে বলল , “আগে দেখতে হবে তুই ক্ষমা পাওয়ার যোগ্য কিনা । আমি তোর মুখে পরপর ১০ টা লাথি মারব । আর তুই প্রত্যেকটা লাথি খেয়ে আমার পায়ে চুমু খেয়ে আমাকে ধন্যবাদ দিবি । বল, তুই রাজি ?”
হ্যা বলা ছাড়া আমার আর কোন উপায় ছিল না । নিশার মায়ের দিকে তাকিয়ে দেখলাম তিনিও তার মেয়ের হাতে আমার অপমান উপভোগ করছেন হাসিমুখে । আমি মাথা নিচু করে ঘাড় নেড়ে নিশাকে বললাম আমি রাজি । নিশার মুখে হাসি ফুটে উঠল । পরক্ষনেই ওর নীল চটি পরা ডান পা প্রবল বেগে আঘাত করল আমার ঠোটের উপর । আমার মুখের ভিতর নিজের রক্তের স্বাদ পেলাম, মনে হল সামনের দাত দুটো বোধহয় ভেঙ্গে গেছে নিশার লাথি খেয়ে । তবু আমি সামনে ঝুকে নিশার ডান পায়ের পাতায় একবার চুম্বন করে বললাম, ” ধন্যবাদ প্রভু, আমার মুখে লাথি মারার জন্য ।

AMAR  JIBONER  SWPNOPURON

Amr jiboner ekti stti ghtona aj blbo…ami kno dno glpo likhi ni…tai amr lekha hyto khub-I baje hbe…bivinno website-e erkm ank glpo khuje paua jbe…tbe amr ei ktha glpo na…sudhumatro nam bad dye r ekti kthau ekhne mithye na…amr jibone ghte jaua ekti ghtonar ktha eta…
Ghotona ta ghote6lo 2011 saler December mase…Takhono amr didir biye hy ni…amr didir je hobu nanod(Ali) take nyei ghotona…ami jkhn class 8 tkhn didi 11…tkhn thekei didi prem kre…Ali(kalponik name) tkhn 6-e prto…ami jkhn 10-e uthi tkhn prothm jnte pri je Ali amr prti durbl…o mne mne amake vlobse…ami tkhn bpr ta patta dei ni…vebe6lam ota yrki 6ara k6u na…erpr jkhn cls 12-e pri tkhn bpr ta abr amr kane ase…Ali-r bndhura amake bpr ta ble…ami Ali ke dke bli amake vule jete…eta knodno smvb na…or bndhura amake erpr ank br bpr ta nye ble…kn2 ami prtibr-i bpr ta uriye dei…
Ali-r brain khub vlo…kn2 o prashna khub km krto…tai result tmn ekta krte prto na…r khub jedi 6lo…sei ghotona tar pr theke or jed aro bere g6ilo…amr khub kharap lgto…amr mne hto amr jnyo o njer carrier shes kre di6e…
Er prer-r ghotona 3yr pr…ami tkhn 3rd yr-e pri…sei smy brite ami ank dn eka 6lam…tkhn amr r Ali-r mdhye msg-e ank ktha hto…prothme ami vbtam ami oke thkmto bojhale o vlo mto prashuna krbe…but ami krte cheye6lam ek r hye g6ilo r ek… tbe tar age ble nei je ami meyedr paa khub vlobsi…any girl can control me totally by only her feet…
Ami misti khete khub vlobsi…ekdn or snge amr bet hy je ami ek snge 20ta rosogolla khte prle puro taka o dibe…na hle amake dite hbe…jai hok ami bet ta jite jai…sedin brite ese rate khauar pr amr sthe Ali-r msgng chl6lo…ami oke yrki kre ble6lam ekhn jdi tui amr pet-r upr daras tahle amr pet ta fete jbe…o tate ble je o je kno smy daralei amr pet fete jbe…ami snge snge abr or sthe bet kheli…o prothme raji na hleu pre raji hye jay…agei ble6i tkhn ami brite eka thaktam…o ekdn amr brite ase…kn2 k6utei amr upr darate raji hy na…ami tkhn bllam je tui bet-e harar voye amr upr darate cha6s na…Ali-r mdhye ekta bpr 6lo…o kakhono bet-e hara p6ndo krto na…oke oi ktha bltei o raji hye glo…o amr upr daralo…amr sei muhurte khub vlo lag6lo…kno meyer payer talay thakar mjai alada…ami tkhn vb6lam or prashuna te kharap hauar jnyo ami dayi…o jdi dkhe je o je 6ele take eksmy vlobsto se ekhn tar payer tlay a6e thle hyto o amake vule abr vlomto prbe…r ta6ara ami agei ble6i ami meyedr paa khub p6ndo kri…tai amio mne mne sujog khuj6ilam ki kre Ali-r paye mtha thekano jay…
Erpr amdr mdhye prtidin pray 2-3hr msgng hto…emni ek msgng-r smy ami intentionally oke bli je “tui namossyo meye”. Je kno meye ke kno 6ele ei ktha blle se vabbe 6eleta yrki kr6e…Ali-o er byaticrom 6lo na…o bllo “Pronam ta kbe pa6i?”…ami chance peye bllam je tui jbe blbi tbei krbo…tbe ekbre sastange…ete Ali-o yrki kre bllo je oke sastangei pronam krte hbe…erpr ekdn or brite keu 6lo na…ami oke pen drive deuar ajuhate or brite gye oke stti stti pronam krte jai…kn2 o k6utei pronam ney na…ami badhyo hye chle asi…ese abr oke msg-e bli tui amr pronam nite prbi na…ami jni ete o khepe jbe…r holou thik tai…erpr ekdn o amr brite aslo amr pronam nite…ami khub anonder sathe ali-r paye matha thekalam…amr tkhn khub vlo lg6lo…jai hk o erpr chle glo and amake ble glo je o parbe na emn k6u naki ei prithibi te nei…
Amr swpno puron h6ilo…ami tkhn saradin sudhu mne mne vbtam ki kre or sthe aro bet khela jay jate ami or payer ka6e abr aste pari…tkhn obdi ami kono meyer paa dhoya jol kakhono khai ni…amr khub i6a krto…ami mne mne ekta plam krlam…ekdn skal 5tar smy oke msg kre ghum vangiye bllam je ami advut ekta swpno dkhe6i…o jigyes krtei ami bllam je eta tui kono dino bsws krbi na…o tau jor krate ami tkhn bllam ami ei matro swpno dkhlam je or payer ekta angul amr mukher vitore…r anyo paa ta amr kpaler upre…o k6utei ei ktha bsws krte chailo na…
Jai hok amr swpno k6utei puron h6ilo na…ekdn amdr mdhye thik ki nye ktha h6ilo mne nei; ami oke bli tui blle ami sb kaj krte prbo…o etau k6utei bsws krte chai ni…ami tkhn oke bllam je tui blle ami tr paa dhoya jl kheteu raji a6i…o shune yrki kre blle thk a6e ami jdi or paa dhoya jl khete pari tbei o amr ktha bsws krbe…shune ami prochndo khushi hye6lam…erpr prtidn ami oke ei bpr-e jigs kray o bujhte pre6lo ami bprta te serious…o tkhn bllo je amr r paa dhoya jl khauar drkr nei…o emni-I bsws kr6e…esb shune ami bllam je se thk a6e kn2 tui k6utei amake tr paa dhoya jl knodno khte diti na…o karn jigs kray ami bllam je ami or thke boro tai…kn2 ami jni or ka6e 6to boro kno bpr na…o eta blay ami abr or sthe bet khellam je o k6utei amake or paa dhoya jl khte dite parbe na…
Ami jntam ekmatro ei ktha blle o raji hote pare…er k6udn pr ek bikele or sthe ei bishoy niye ktha h6ilo…o k6uta khepe gyei oidn sondhay amr barite chle aslo…o hyto vbe6lo ami puro bpr ta yrki kr6i…o astei ami oke amr ghrer bi6anar upr bste bllam…ami je thale vat khai sei thala r ekta jl-r bottle nye or payer ka6e mejhete  bslam…o k6uta abishasyo chokhe amake dkh6lo…bt mukhe k6u bl6lo na…ami or paa duto amr thalaer upr rekhe tate bottle thke jl dhele or paa duto vlo kre dhulam…trpr or paa duto thale rakha abosthay ami thalar jol ta chumuk dye kheye nlam…o thala thke paa duto sriye nitei ami dhre fellam…ami Ali ke bllam tr paa duto vije g6e…o duto shukiye deuar dayitto-o amr…amr tkhn ki hye6lo ami jni na…ami or paa duto nijer kole nye bslam…trpr ekta paa du hate tule jiv dye chete or paye lege thaka sb jl kheye nilam…r pagoler mto or payer tlay kiss kr6lam…trpr anyo paa takeu thk eki vabe chatlam and kiss krlam…trpr or duto paa amr mukher upr dhre bse roilam r kiss kre ja6ilam . Amar vishon valo lagchilo. Ami aste aste or pa duto tipchilam, ar or payer tolay chumu khachchilam. Majhe majhe jiv bar kore chatchilam or payer tola. Amar cheye 2 yr er choto forsha sundori ali amar mukher upor pa rekhe amar seba nichchilo. Or seba korte khub valo lagchilo amar. Nikrke or vokto, or chakor bole monr hochchilo. Mon diye alir seba korchilam ami, or pa tipchilam, or payer tola chatchilam. k6ukhn pr amr hush feray oke bllam tr paa duto shukiye g6e…o tkhn aste aste kre paa duto tene nye ghr thke beriye chle glo…ami ank khn okhane oivabe bse6lam…
Ami aj-o oi thale vat khai…oidn tar ktha kno dno vulte prbo na…

Follow

Get every new post delivered to your Inbox.