Archives for posts with tag: FAMILY FEMDOM

দিদি থেকে দেবী…

১…

রবিবার দুপুরে বাবা আর মা বেড়িয়ে পরল হরিদ্বারে গুরুর আশ্রমের উদ্দেশ্যে, ফিরবে সেই শুক্রবার সকালে।  গুরু, ভক্তি এইসব আমার একদম ভাল না লাগলেও আমার যাওয়ার ইচ্ছা ছিল। বাইরে ঘোরা, নতুন জায়গা দেখা এইসব আমার বয়সে সবারই ভাল লাগে। তাই যেতে না পারায় মন খারাপ হয়ে গেল। এই কয়েকটা দিন বাড়িতে আমার দুই বছরের বড় ক্লাস ১১ এ পড়া দিদির সাথে বাড়িতেই কাটাতে হবে, আর বাবা মা বাইরে ঘুরে আসবে।

যাওয়ার আগে মা বলে গেল আমাকে , “ বাবু, দিদি যা বলে শুনবি এই কয়দিন, কোন ঝামেলা করবি না। দিদি যদি ফোন করে কোন কমপ্লেন করে আমি কার দোষ শুনব না, এসে প্রথমেই তোকে শাস্তি দেব। মনে থাকে যেন”।

তারপর দিদিকে বলল, “ তিথি, যা যা লাগার এমনিতে সবই ঘরে আছে। প্রায় এক সপ্তাহের বাজারও করা আছে। তবে কোন কারনে টাকা লাগলে আলমারির লকারে প্রায় কুড়ি হাজার টাকা আছে। তোকে আমার বিশ্বাস আছে, কোন প্রয়োজন হলে খরচ করিস। আমরা আসি তাহলে”।

এই বলে মা আর বাবা বেড়িয়ে গেল। দিদি বাবা আর মা কে এগিয়ে দিতে গেল। আমি বসার ঘরে দুঃখী মনে বসে রইলাম। দোষটা আসলে দিদির। কাল অব্দি ঠিক ছিল আমরাও যাচ্ছি। দিদি আজ সকালে মা কে ডেকে বলল ওর অনেক পড়া আছে, ও যেতে পারবে না। একটা মেয়ে একা থেকে যাবে এটা হতে পারে না, মা তাই আমাকেও যেতে দিল না। লাভের মধ্যে , আমরা থাকছি না বলে যে কাজের মাসি ঘর ঝাঁট দেয় আর বাসন মাজে তাকে এই কয়দিন আসতে বারন করেছে। ফলে এই কয়দিন এই সব কাজই আমাকেই করতে হবে। দিদি এমনিতেই কিছু কাজ করে না ঘরের, তার উপর এই কয়দিন মা ওকে ক্ষমতা দিয়ে গেছে। আমার কপাল খারাপ বুঝতে পারছিলাম।

দিদি মিনিট কুড়ির মধ্যেই ফিরে এল। নিজের স্বভাব মতো পায়ে জুতো পরেই বসার ঘরে ঢুকে আমার পাশে সোফায় বসে পরল। তারপর আমার চুলের মুঠি ধরে ঝাকিয়ে বলল, “ বসে আছিস কেন? সোমা মাসি বাসন মাজতে আসবে না এই কয়দিন জানিস তো। যা গিয়ে বাসন মেজে ফেল। তারপর উপর নিচের সব ঘর ভাল করে ঝাঁট দিয়ে মুছে ফেল”। কয়েক মাস আগে মাধ্যমিকের রেজাল্ট বেরনোর পর থেকে দিদির হম্বিতম্বি আর আমাকে শাসন করা অনেক বেড়েছে, যদিও চিরদিনই অল্প সল্প করতে ভালবাসত। আসলে দিদি মাধ্যমিকে অসাধারন রেজাল্ট করেছে, আমাদের শহরে হায়েস্ট পেয়েছে। আমাদের পরিবার ব্যাবসায়ী পরিবার, কয়েক পুরুষ ধরে আমাদের কাপড়ের ব্যবসা, পরিবারে কেউ কখনও ভাল রেজাল্ট করেনি। একেই আমার দিদিকে দেখতে ভিশন সুন্দরী, সেই নিয়ে দিদির মতো বাবা মায়েরও গর্ব আছে। তার উপর পরিবারে প্রথম কারও এত ভাল রেজাল্ট। বাবা মা দিদিকে প্রায় মাথায় করে রেখেছে এরপর থেকে। ওদিকে আমি চিরদিনই খারাপ পড়াশোনায় , ক্লাস নাইনে ওঠার পর আরও হাল খারাপ হয়েছে। দিদি সেই সুযোগে আরও শাসন বাড়িয়েছে আমার উপরে। নিজের অনেক কাজ আমার উপরে চাপিয়ে দেয়। এতদিন আমাদের উপর বাবা মায়ের হুকুম ছিল যাতে আমরা নিজেদের জামা কাচা, ইস্ত্রি করা , নিজেদের ঘর পরিষ্কার সহ নিজেদের যাবতীয় কাজ নিজেদের হাতে করি। এই আদেশের উদ্দেশ্য ছিল যাতে আমরা নিজেদের কাজ নিজে হাতে করতে শিখি। দিদি চিরদিনই নিজের কাজ আমার ঘাড়ে চাপানোর চেষ্টা করত। মাধ্যমিকে ভাল রেজাল্ট করার পর বাবা মায়ের অতিরিক্ত ভালবাসার সুযোগ নিয়ে দিদি এর পুরোটাই আমার ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়েছে।  আমি প্রতিবাদ করলেও লাভ হয়নি। বাবা মা দিদির পাশেই থেকেছে।

আমি দিদির দিকে তাকিয়ে বললাম, “ আমি একা সব কাজ করব, আর তুই কি বসে আনন্দ করবি? সব একা আমি করতে পারব না”।

দিদি আমার পেটে কনুই দিয়ে একটা খোঁচা দিয়ে বলল, “ আমি যে বাবা মা কে ছেড়ে এলাম স্টেশানে, তুই গিয়েছিলি?মা যাওয়ার সময় কি বলে গিয়েছিল মনে নেই? আবার অবাধ্য হলে মা কে ফোন করে বলব কিন্তু। যা গিয়ে কাজ কর”।

আমি কি আর করি, উঠে ডাঁই করে রাখা বাসনের স্তুপ মাজতে লাগলাম এক এক করে। প্রায় ৩০-৪০ মিনিট পরে বাসন মাজা শেষ করে বসার ঘরে গিয়ে চমকে উঠলাম। দেখি দিদি আমার স্কুলে যাওয়ার ব্যাগ খুলে আমার পরীক্ষার খাতাগুলো এক এক করে দেখছে। আমাকে দেখে দিদি হাসিমুখে জোরে জোরে নাম্বার গুলো পড়তে লাগল, “ বাংলায় ১০০ তে ৩৫, ইংরেজিতে ০৯, ইতিহাসে ১২, ভূগোলে ১৫, জীবন বিজ্ঞানে ২১, ভৌতবিজ্ঞানে ১০, অংকে ০৪ ! বাহ, দারুন রেজাল্ট!! আমাদের বলিস নি কেন?”

আমি সোফায় বসা দিদির পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে হাতজোড় করে বললাম, “ প্লিজ দিদি, বাবা মা কে বল না এখন। এক সপ্তাহ পরেই তো স্কুলে পুজোর ছুটি পরে যাচ্ছে, আমি ছুটি শেষ হলে বলব। নাহলে পূজোর সময়ে বাবা মা আমাকে বাড়ি থেকে বেরোতে দেবে না। প্লিজ দিদি”।

দিদির মুখে হাসিটা চওড়া হল। এই কয়দিন সব কাজ তুই একা করবি, আমি যা বলব মেনে চলবি। নাহলে সাথে সাথে মা কে ফোন করে তার গুনধর ছেলের রেজাল্ট জানিয়ে দেব”।

“ আমি সত্যি খুব ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। আমি আলতো কর নিজের হাতের পাতা দুটো দিদির সাদা স্নিকার পরা পায়ের উপরে রেখে বললাম, “ তোমার সব কথা শুনব দিদি, প্লিজ বল না”।

আমাকে এভাবে পায়ের কাছে বসে ওকে তুমি সম্বোধন করে অনুরোধ করতে দেখে দিদি বলল, “ ঠিক আছে। তুই আমাকে মেনে চললে আমিও বলব না। নে, আমার পা থেকে জুতোটা খুলে দিয়ে রেখে আয় আর আমার ঘরে পরার একটা চটি নিয়ে আয়। তারপর উপর নিচের সব ঘর ঝাঁট দিয়ে মুছে ফেল”।

আমি কি আর করি, দিদির পায়ের কাছে বসে থাকা অবস্থায় ওর পা থেকে সাদা মোজা আর স্নিকার খুলে জুতোর র‍্যাকে রেখে এলাম। তারপর দিদির ঘরে পরার চটিটা এনে আবার দিদির পায়ের কাছে হাটুগেড়ে  বসে দিদির পায়ে নীল চটিটা পরিয়ে দিলাম।

“ টিভির রিমোটটা এনে আমার হাতে দে। তারপর কাজে লেগে পর বসে না থেকে”, দিদি হুকুম করল আমাকে। আমি টিভির রিমোট এনে দিদির হাতে দিয়ে ঝাঁটা হাতে উপর তলায় চলে এলাম। এই কটা দিন যে আমার কপালে শনি নাচছে ভাল করেই বুঝতে পারলাম।

উপর তলায় এখন টয়লেট ছাড়া মোট তিনটে ঘর। একটা আমাদের দুজনের স্টাডি রুম, অনেক বড় হলঘর এটা। দিদি ভাল রেজাল্ট করার পর বাবা কম্পিউটার বসিয়ে দিয়েছে। ঘরটা এসি। পাশের দিদির ঘরটাও অনেক বড় । এই রুমে দিদির নিজের টিভি, ল্যাপটপ সবই আছে। নিজের দামী মোবাইল ও আছে দিদির। এই ঘরটাতে দামী খাট, চেয়ারও আছে, এই ঘরটাও এসি। এর পাশে নিচের গ্যারেজের উপরের ছোট্টো ঘরটা আমার । মেঝে থেকে আমার ঘরের ছাদের উচ্চতা  মাত্র ৭ ফুট, ঘরটাও মাত্র ১০ ফুট বাই ৮ ফুট, দিদির ঘরের মাত্র ৩ ভাগের একভাগ আয়তনে। এসি তো দূর ঘরে একটা চেয়ারও নেই। ছাদ নিচু হওয়ায় সিলিং ফ্যানও নেই। মেঝেতে বিছানা করে টেবিল ফ্যান চালিয়ে শুতে হয় এই গুমোট ঘরে। দিদি আরামার সৌভাগ্যের এত পার্থক্যের কারন সেই পড়াশোনা। বাবা বলে তুইও ভাল রেজাল্ট কর, তোকেও দিদির মতো সব দেব। না করলে এরকম কষ্টেই থাকতে হবে তোকে।

এমনিতেও উপরে সোমা মাসি ঝাঁট দিতে আসে না। দায়িত্বটা আমার আর দিদির ভাগ করার কথা ছিল। কিন্তু ভাল ছাত্রী হওয়াতে দিদি নিজের ঘাড় থেকে দায়িত্বটা আমার ঘাড়ে চাপিয়ে দিতে পেরেছে। আর এই কয়দিন তো ঘরের সব কাজের দায়িত্বই আমার। আমি এক এক করে সব ঘরে ঝাঁট দিয়ে নিচে এলাম। নিচে এসে দেখি দিদি তখনও মন দিয়ে টিভি দেখছে। আমাকে কাজ করতে দেখে আমার দিকে তাকিয়ে দিদি মিটিমিট হাসতে লাগল।

দুতলা অসম্পুর্ন হওয়ায় ঘর কম, একতলায় মোট ৫ টা ঘর, সাথে রান্নাঘর ও টয়লেট তো আছেই। আমি এক এক করে সব ঘরে ঝাঁট দিতে লাগলাম। ঝাঁট দেওয়া শেষ করে দিদিকে জিজ্ঞাসা করলাম , “ রোজ সব ঘর না মুছলে হয়না দিদি? অনেক কাজ তো করলাম আজ”।

দিদি মুখে হাসি ঝুলিয়ে বলল, “ ঠিক আছে মুছিস না। আমি বরং মা কে একটা ফোন করি”।

দিদি আমাকে ডমিনেট করে আনন্দ পাচ্ছে বুঝতে পারছিলাম। আমি সাথে সাথে বললাম, “ সরি দিদি, আমি এখুনি মুছছি”।

উপর নিচের সব ঘর মোছা শেষ করে আমি নিচে এসে দেখি দিদি টিভি দেখতে দেখতে কার সাথে ফোনে গল্প করছে। ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখি বিকেল চারটে বাজে। আমি গত দুই ঘন্টা ধরে খাটছি আর দিদি নিজের ক্ষমতা ব্যবহার করে আরামজ করছে ভাবতে দিদিকে একটু ঈর্শা হতে লাগল। আমি দিদির দিকে তাকালাম। দিদি নিজের দামী আইফোনটা কানে ধরে কোন বন্ধুর সাথে গল্প করছে। দিদির পরনে নীল-সবুজ চুড়িদার, পায়ে নীল চটি। আমার ফর্শা দিদি তিথিকে সব সময়ের মতই অপরুপা সুন্দরী লাগছে। তার উপর দিদি পড়াশোনাতেও এত ভাল! দিদির উপর সত্যিই কি হিংসা করা উচিত আমার? দিদি সব দিক থেকেই আমার চেয়ে অনেক উপরে। এইটুকু আরাম করার অধিকার তো থাকতেই পারে দিদির!

কিরকম ঘোরের মধ্যে চলে গিয়েছিলাম আমি। একটু পরেই ঘোর কাটতে নিজেই অবাক হয়ে গেলাম আমি। দিদি নিজের ক্ষমতা কাজে লাগিয়ে আমাকে খাটাচ্ছে সে এক ব্যাপার। কিন্তু আমি সেটাকে স্বাভাবিক বলে ব্যাখ্যা করতে চাইছি কেন? হল কি আমার?

“ওই ছেলে, চুপ করে দাঁড়িয়ে থাকলে চলবে? উপরে গিওয়ে আমার রুম আর স্টাডি রুমটা ভাল করে গুছিয়ে ফেল। তারপর বিকালের টিফিন বানিয়ে পরতে বস। সময় মতো উঠে রাতের রান্না করে নিস তোর জন্য। আমি বাইরে খাবার অর্ডার দেব নিজের”।

আমি আর তর্ক করলাম না। দিদির রুমে উঠে দিদির অগোছাল রুম গোছাতে শুরু করলাম। তারপর স্টাডি রুম গোছাতে গোছাতে প্রায় সাড়ে পাঁচটা বাজল। আমি নিচে গিয়ে টিফিন বানিয়ে নিজে খেলাম, দিদিকেও দিলাম। দিদি তারপর নিজের রুমে বসে ল্যাপটপ খুলে বন্ধুদের সাথে চ্যাট করতে লাগল। আর আমি স্টাডি রুমে বসে পড়তে লাগলাম। পড়াশোনা না করার জন্যই আজ বাবা মা দিদিকে আমার থেকে এত বেশি অধিকার দিয়েছে আর দিদি আমাকে ইচ্ছামত খাটাতে পারছে। ঠিক করলাম এবার থেকে ভাল করে পড়তে হবে। রাত সাড়ে নটায় উঠে নিজের জন্য সিদ্ধ ভাত বসালাম। একটু পরে দিদির জন্য রেস্টুরেন্ট থেকে প্যাকেট করা খাবার দিয়ে গেল। আমি যখন রাতে সিদ্ধ ভাত নিয়ে বসলাম, দিদি আমার উল্টোদিকে বসে আমাকে দেখিয়ে দেখিয়ে ফ্রায়েড রাইস আর চিলি চিকেন খেতে লাগল। খাওয়া শেষ করে আমি আবার সব বাসন মেজে রাখলাম। তারপর নিজের ঘরে গিয়ে গুমোট ছোট্টো নিচু ঘরে গিয়ে মেঝেতে পাতা বিছানায় টেবিল ফ্যান চালিয়ে শুয়ে পড়লাম। দিদি তখন নিজের ঘরে এসি চালিয়ে আরাম করে শুয়ে বক্সে হাই ভলিউমে গান শুনছে।

পরের তিনদিন আমার ভয়ানক কষ্টে কাটল। সারাদিনে এক মিনিটও ফ্রি টাইম পেতাম না। সকালে উঠে ঘর ঝাঁট দেওয়া, মোছা, বাসন মাজা, রান্না করা সামলে স্কুলে যেতে হত। বিকালে স্কুল থেকে ফেরার পর দিদি কিছু না কিছু কাজ বার করে আমাকে ধরিয়ে দিত। দিদি মা কে আমার রেজাল্টের কথা বলে দেবে বলার পর আমি এতটাই ভয় পেয়েছিলাম, তারপর থেকে আমাকে আর ভয়ও দেখাতে হত না দিদিকে। আমি স্বেচ্ছায় সব কাজ করে দিতাম প্রায়। ঘর গোছানো থেকে জামা কাচা সবই দিদি আমাকে দিয়ে করাত।

দিদি ক্রমে নিজের সব কাজই আমার ঘাড়ে চাপাতে লাগল। প্র্যাকটিক্যল খাতা কপি করানো থেকে দিদিকে খাবার সার্ভ করা সবই আমি বিনা প্রতিবাদে করতে লাগলাম। এমনকি দিদি বাইরে যাওয়ার সময় দিদির পায়ে মোজা জুতো পরিয়ে দেওয়া আর বাইরে থেকে ফিরলে পা থেকে মোজা জুতো খুলে দেওয়ার দায়িত্বও আমার উপরে পরল। এমনকি দিদির প্রতিটা জুতো পালিশ করে চকচকে করে রাখার দায়িত্বও দিদি স্বচ্ছন্দে আমার ঘাড়ে চাপিয়ে দিল। আমি কিরকম অবাক হয়ে যাচ্ছিলাম নিজেকে দেখেই, সব কাজ এমনভাবে করছিলাম যেন আমি দিদির চাকর।

 

২…

 

বৃহস্পতিবার সকালে উঠেই দিদি আমাকে বলল ,” আজ স্কুল যেতে হবে না, আমি বাড়িতে পার্টি দিয়েছি। পৃথা, সোহিনী আর সুনন্দা আসবে। তুই বাড়িতে থেকে আমাদের সার্ভ করবি সারাদিন।

দিদি আমাকে চাকরের মতো ব্যবহার করছে বুঝেও আমার ভিতর থেকে কোন প্রতিবাদ এল না। আমি ঘাড় নেড়ে বললাম, “ ঠিক আছে দিদি। তুমি যা বলবে তাই করব”। দিদির মুখের মুচকি হাসি বুঝিয়ে দিচ্ছিল ভাইয়ের এই চাকরের মতো আচরন ও খুব এঞ্জয় করছে”।

সারাদিন তুমুল পার্টি চালাল ওরা। বক্স থাকা সত্বেও আরও ভাল সাউন্ড বক্স ভাড়া করল। রেস্টুরেন্ট থেকে ভাল খাবার এল। ওরা সবাই জুতো পরা পায়েই তুমুল হুল্লোর করল স্টাডি রুম ফাকা করে। আমি দরজার সামনে দাঁড়িয়ে ছিলাম পুরো সময়। মাঝে মাঝেই ওরা কেউ স্ন্যাক বা কোল্ড ড্রিংক্স চাইছিল। আমি ঠিক চাকরের মতো ছুটে গিয়ে সেটা এনে ওদের হাতে দিচ্ছিলাম। দুপুরে ওদের জন্য রেস্টুরেন্টের দামী খাবার সার্ভ করলাম। অথচ আমাকে তা থেকে একটুও ভাগ দিল না। আমাকে সেই তাড়াতাড়ি সেদ্ধভাত করে খেতে হল। সন্ধ্যায় ওদের অর্ডার মতো এক প্যাকেট সিগারেট আর কয়েকটা বিয়ারের বোতলও আনতে হল। সারা সন্ধ্যা ওদের ফাই ফরমাশ মত এটা ওটা এনে দিতে হচ্ছিল। সন্ধ্যার পর ওদের সবার পা থেকে জুতো খুলে ঘরে পরার চটি পরিয়ে দিলাম ওদের পায়ে। রাত একটা অব্দি ওদের পার্টি চলল। ততক্ষন চাকরের মতো ওদের ফাই ফরমাশ খাটার পর নিচে গিয়ে সকালের করা সিদ্ধভাত খেয়ে নিজের ছোট্ট গুমোট ঘরে ঢুকে মনে পরল আমার টেবিল ফ্যানটাও দিদির আদেশে স্টাডি রুমে দিয়ে এসেছিলাম।  নিচে গিয়ে শুতে সাহস হল না। কি জানি, রাতে যদি দিদিদের কিছু প্রয়োজন হয়! আমি গুমোট গরমে নিজের মেঝেতে পাতা বিছানায় এসে শুলাম। দিদি আর তার বান্ধবীরা তখন সারাদিন পার্টিতে হৈ হুল্লোর করে পাশের দুটো ঘরে এসি চালিয়ে নরম গদিতে শুয়ে ঘুমাচ্ছে। আর আমি? গুমোট গরম ঘরে একটা ফ্যানও জোটেনি আমার !! গুমোট গরমে রাতে আমার ঘুম বারবার ভেঙ্গে যাচ্ছিল। আধো ঘুমের মধ্যে বারবার সারাদিন দিদিদের চাকরের মতো খাটার কথা মনে পরে যাচ্ছিল। যত ভাবছিলাম দিদির আমাকে চাকরের মতো ব্যবহারের কথা, দিদির আরামে থাকা আর আমার ভয়ানক কষ্টে থাকা, কিরকম এক নেশাচ্ছন্ন হয়ে পড়ছিলাম আমি। মনকে বারবার যেন বোঝাতে চাইছিলাম আমাকে এইভাবে ব্যবহার করার সম্পুর্ন অধিকার দিদির আছে। আমি কি সত্যিই দিদির হাতে এইভাবে ব্যবহৃত হওয়া এঞ্জয় করতে শুরু করেছি?

সকালের দিকে একটা অদ্ভুত স্বপ্ন দেখলাম। দিদি বসার ঘরের মেঝেতে ফেলে আমার মুখের উপর পা রেখে দাঁড়িয়ে আছে। দিদির পরনে স্কুলের সাদা জামা, সবুজ স্কার্ট। পায়ে সাদা মোজা আর স্নিকার। মা বলছে, লাথি মার ভাইকে, মেরে মেরে ওর মুখ ভেঙ্গে দে। দিদিও তাই শুনে আমার মুখের উপর জুতো পরা দুই পা দিয়ে একের পর এক লাথি মারতে লাগল। আমার মুখে অবশ্য যন্ত্রনা হচ্ছে, মনে হচ্ছে নাকটা ভেঙ্গে যাবে দিদির লাথি খেয়ে। আমি দিদির জুতো পরা পা জড়িয়ে ধরে ক্ষমা চাইতে লাগলাম দিদির কাছে। কিন্তু দিদি বা মা কেউই আমাকে ক্ষমা করছে না, দিদি একের পর এক লাথি মেরেই যাচ্ছে আমার মুখের উপরে জুতো পরা পা দিয়ে।

“ এই ছেলে, ওঠ । আরাম করে ঘুমাচ্ছিস নিজে, আমাদের টিফিন বানাতে হবে খেয়াল নেই?” দিদির গলার আওয়াজ শুনে স্বপ্ন ভেঙ্গে চোখ মেললাম। তাকিয়ে দেখি দিদি আমার মাথার কাছে এসে দাড়িয়েছে। মেঝেতে শোয়া আমার গালটার উপরে চটি পরা ডান পা দিয়ে টোকা দিয়ে আমাকে ডাকছে দিদি।

“ সরি দিদি, আমি এখুনি গিয়ে টিফিন বানিয়ে দিচ্ছি তোমাদের”। আমি দিদি ডান পা টা দুই হাত দিয়ে ধরে বললাম, তারপর উঠে বসলাম।

দিদি কোমরে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে বলল, “ তাড়াতাড়ি। তোর জন্য আমরা খালি পেটে বসে থাকতে পারব না”। দিদি এমনভাবে বলছিল যেন আমি সত্যিই ওর ভাই না, চাকর। দিদির মুখের হাসি বুঝিয়ে দিচ্ছিল ছোট ভাইকে চাকরের মতো ব্যবহার করা ও কতটা এঞ্জয় করছে।

আমি বোধহয় তারচেয়েও বেশি এঞ্জয় করছি দিদির হাতে এই ডমিনেশন। কেন আমি নিজেও জানিনা। আমার সত্যিই মনে হচ্ছে যেন আমার সুন্দরী মেধাবী দিদিকে বাবা মায়ের সামনে চাকরের মতো সেবা করতে পারলে আমি আর কিছু চাই না। আর যে স্বপ্নটা দেখলাম সেটা যদি সত্যি হয়? মায়ের সামনে যদি কোনদিন  দিদি ওইভাবে জুতো পরা পায়ে লাথি মারে আমার মুখে? কি যে হয়েছে আমার নিজেও জানি না। দিদির সেবা করার চিন্তা, দিদির হাতে অত্যাচারিত হওয়ার চিন্তা এত আনন্দ দিচ্ছে কেন আমাকে?

আর দিদি তো সত্যিই আজ চটি পরা পা দিয়ে মেঝেতে শোয়া আমার গালে টোকা দিচ্ছিল। ভাবতেই যেন নিজের দেহের কোষে কোষে কি এক অনাবিল সুখের স্রোত টের পাচ্ছিলাম যেন।

আমি বেসিনের আয়নার সামনে এসে দাঁড়ালাম মুখ ধোওয়ার জন্য। কিন্তু একি দেখছি আমি? নিজের চোখকেও বিশ্বাস হচ্ছে না আমার। আমার ঠোঁট, নাক আর কপালের উপর দিদির চটির তলার ছাপ স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে যে! দিদি কি তাহলে আমার গালে শুধু চটি পরা পা দিয়ে টোকাই মারে নি, ভোররাতের পর গাঢ় ঘুমে আচ্ছন্ন হওয়া আমার ঘুমের সুযোগ নিয়ে মুখের উপর এত জোরে নিজের চটির তলা ঘসেছে যে আমার মুখের উপর দিদির চটির তলার ছাপ পরে গেছে? নাকি দেয়াল ধরে আমার মুখের উপর চটি পরা পায়ে উঠে দাড়িয়েই পড়েছিল দিদি? সেরকমই তো মনে হচ্ছে। দুটো আলাদা চটির তলা দাগ  স্পস্টই দেখা যাচ্ছে আমার মুখের উপরে, একটা নাক আর ঠোঁটের উপরে, অন্যটা কপালের উপরে। দিদি তাহলে সত্যিই গাঢ় ঘুমে আচ্ছন্ন আমার মুখের উপর চটি পরা পায়ে উঠে দাঁড়িয়েছিলো আমার ঘুমের সুযোগ নিয়ে। আর ঘুমে আচ্ছন্ন অবস্থায় মুখের উপর সেই ব্যথার অনুভুতিকে স্বপ্ন অন্যভাবে ব্যখ্যা করিয়ে আমাকে দেখাচ্ছিল দিদি মায়ের সামনেই আমার মুখের উপরে জুতো পরা পায়ে জোরে জোরে লাথি মারছে। উফ, দিদি আমার মুখের উপর চটির তলা ঘসছিল, আমার মুখের উপর চটি পরা পায়ে আমার মুখের উপর উঠে দাঁড়িয়েছিলো  ভাবতেই আমার কোষে কোষে আনন্দের ঢেউ উঠতে লাগল যেন। ঠিকই তো করেছিল দিদি। আমার জায়গা তো আমার দিদির জুতোর তলাতেই! কিন্তু আমার ঘুম ভাংতেই দিদি আমার মুখ থেকে নেমে দাড়াল কেন? জেগে থাকা অবস্থায় সবার সামনেই আমার সাথে এরকম করতে পারে তো দিদি। দিদি কি ভাবে আমি বাধা দেব? ছি, দিদি আমার প্রভু হয়, আমাকে নিয়ে যা খুশি করতে পারে দিদি। আমার মনে আর কোন দ্বন্দও কাজ করছিল না যেন। আমি যেন শুধু দিদির চাকর না, মনে মনে দিদির দাস হয়ে গিয়েছিলাম। আমি মনে মনে শুধু ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করতে লাগলাম যাতে ঘুমের মধ্যে দিদি যেভাবে আমার মুখের উপর চটি পরা পায়ে উঠে দাঁড়িয়েছিলো, সেরকম যেন সবার সামনেই করে আমার জেগে থাকা অবস্থাতেই।

আমি দিদিদের জন্য টিফিন প্রস্তুত করে স্টাডি রুমে গিয়ে ওদের হাতে টিফিন তুলে দিলাম। তারপর ফ্রেশ হয়ে রান্না বসালাম। দিদির বান্ধবীরা টিফিন করে বাড়ি চলে গেল। দিদি খেয়ে নিয়ে স্কুলে চলে গেল। আমিই দিদির পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে দিদির পায়ে জুতো মোজা পরিয়ে দিলাম। দিদি বেরিয়ে যাওয়ার পরই ল্যান্ডলাইনে ফোন এল। মা ,বাবা গুরুকে নিয়ে আধ ঘন্টার মধ্যে স্টেশনে পৌছাবে। আমি যেন আনতে যাই। আমার খেয়াল হল স্টাডি রুমের অবস্থা দিদিরা ভিশন খারাপ করে রেখেছে। কিন্তু তখন আর গোছানোর সময় নেই। আমি শুধু বিয়ারের বোতল তিনটে ফেলে দিয়ে রেডি হয়ে স্টেশনের দিকে চললাম মা বাবা আর গুরুকে নিয়ে আসতে।

 

৩…

 

স্টেশান থেকে যখন বাবা মা আর গুরুকে নিয়ে ফিরলাম তখন বেলা প্রায় ১২ টা। এতদিন যে বয়স্ক গুরুকে বাড়িতে আসতে দেখেছি তিনি নাকি বয়সজনিত কারনে খুব অসুস্থ। যিনি এসেছেন তিনি তার ছেলে, দেখে মনে হয় বছর ৩৫ বয়স। পারিবারিক ঐতিহ্যে ইনিই এখন আমাদের বাড়ির গুরু হবেন, পরামর্শ দেবেন বাবাকে। ইনাকে আমার আগের গুরুর মতো খারাপ লাগল না। ইনি অনেক হাসিখুশি স্বাভাবিক মানুষ।

বাড়ি পৌছেই মা বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত হয়ে পরল, বাবা একটু বেরলো ব্যবসার কাজে। দুপুরে মা গুরুর কাছে অভিযোগ করল, “ আমার ছেলেটা দিন দিন খারাপ হয়ে যাচ্ছে গুরুদেব। আমার মেয়েটা এত ভাল, অথচ ছেলেটা ওর দিদিকে দেখে কিছুই শিখল না। পড়াশোনা করে না, বদ্মাইশি করে বেড়ায়। দেব-দেবীতে ভক্তি নেই। সরস্বতী পুজোর সময় বলে দেবীর মুর্তি দেখে ওর প্রানে ভক্তি জাগে না। আপনি এঁকে মানুষ করার উপায় বলুন গুরুদেব, বড় চিন্তায় আছি”।

গুরু হেসে বলল, “ চিন্তা কোর না। আমি আছি, ঠিক একটা ব্যবস্থা করব। এই বয়সে এরকম হয়। আর মুর্তি দেখেই ভক্তি জাগতে হবে এরকম কোন নিয়ম নেই। দেবীর উপস্থিতি উপলব্ধি করার জন্যই তো দেবী মুর্তির কল্পনা। দেখতে হবে  কি বা কাকে দেখে ওর প্রানে ভক্তি জাগে। তারপর সেটাকে সঠিকভাবে ব্যবহার করলেই ও দেবী সরস্বতীর মাহাত্ম অনুভব করতে পারবে, পড়াশোনায় মন বসবে, স্বভাবও শান্ত হবে। আমি তো আছি, ওর সাথে ভাল করে পরে কথা বলে দেখব ওর সমস্যা কি”।

গুরুর কথা শুনেই আমার দেহের মধ্যে যেন বিদ্যুৎ খেলে গেল। সত্যি, দেবী সরস্বতীর মুর্তি দেখে আমার প্রানে ভক্তি জাগে না, কিন্তু আমার সুন্দরী দিদিকে দেখে জাগে। দিদিকে কোন দেবী আর নিজেকে দিদির ভক্ত মনে হয়। মনে হয় সবার সামনে দিদির পায়ের উপর মাথা রেখে শুয়ে থাকি, দিদির নরম পায়ের পাতায় চুম্বন করে আশির্বাদ প্রার্থনা করি”।

বাকি দিনটা স্বাভাবিক নিয়মেই কাটল। দিদি বিকালে স্কুল থেকে ফিরল, তারপর আবার আগের মতো টিফিন করেই পড়তে বসে গেল। আমিও একটু পড়ার চেষ্টা করলাম। রাতে গুরু কিসের একটা যজ্ঞ করবে, তার প্রস্তুতিতে মা কে সাহায্য করলাম।

ঝামেলা বাধল রাত ৯ টার দিকে। কি একটা আনার জন্য টাকা বের করতে গিয়ে মা দেখল লকারে মাত্র ৩০০ টাকা পরে আছে। রবিবার আমাদের দুজনকে রেখে বেড়াতে যাওয়ার আগে লকারে মা ২০০০০ টাকা রেখে গিয়েছিল। মা আকাশ থেকে পরল তাই দেখে। আমাকে আগে সামনে পেয়ে  জিজ্ঞাসা করল,” ৫ দিনে তোরা ২০০০০ টাকা খরচ করলি কি করে? কি করেছিস টাকা দিয়ে?”

আমি দিদিকে দোষ দিতে চাইনি, কিন্তু নর্মাল রিফ্লেক্সে আমার মুখ দিয়ে বেড়িয়ে গেল, “ আমি তো এক টাকাও ধরিনি মা। আলমারির চাবি কোথায় রেখেছিলে তুমি তাই জানি না আমি”।

মা ভুরু কুঁচকে বলল, “ চল উপরে তোর দিদিকে জিজ্ঞাসা করি”।

ভয়ে আমার বুক ধুকধুক করছিল। দিদির এই কয়দিন রোজ রেস্টুরেন্টে দামীদামী খাওয়া, পার্টি করার টাকা কোথা থেকে এসেছে আমি বুঝতে পারছিলাম। বুধবার দিন দিদি তো অনেক কিছু শপিং ও করে এনেছিল।

মা দিদিকে টাকার কথা জিজ্ঞাসা করতেই দিদি ঠোঁট উলটে এমন ভাব করল যেন মা কি বলছে কিছুই বুঝতে পারছে না। তারপর দিদি বলল, “ ঘরে তো সব বাজারই করা ছিল। আমি একবারও আলমারি খুলিনি। তবে ভাইকে রোজই দেখেছি ঘরের খাবার না খেয়ে বাইরের রেস্টুরেন্ট থেকে খাবার আনিয়ে খেতে। ভাই তো কাল অনেক বন্ধু এনে ঘরে পার্টিও দিয়েছিল। ওই বলতে পারবে, কত টাকা সরিয়েছে আলমারি থেকে”।

দিদির এই কথায় আমি হতভম্ব হয়ে গেলাম। দিদিকে আমি মনে প্রানে দেবীর মতো শ্রদ্ধা করি এখন, দিদি আমার উপর নিজের অপরাধের দায় নিশ্চয়ই চাপাতে পারে, সেই অধিকার দিদির আছে। কিন্তু মায়ের প্রশ্নের জবাবে কি বলব, কিভাবে পরিস্থিতে সামলাব বুঝতে পারছিলাম না। মা- বাবা- দিদি এরপর একসাথে যখন আক্রমন করবে তখন কি করব বুঝতে না পেরে বলে ফেললাম, “ না মা, আমি এসব কিছু করিনি”।

“ দিদি খাট থেকে নেমে মায়ের সামনেই আমার বাঁ গালে ডাব হাত দিয়ে বেশ জোরে একটা থাপ্পর মেরে বলল, “ কি , আমি মিথ্যা বলছি? ঠিক আছে মা, তাহলে তোমার গুনধর ছেলের কির্তী নিজেই দেখে যাও” এই বলে মাকে নিয়ে স্টাডি রুমে আসল। আমিও মা আর দিদির পিছু পিছু এলাম।

এই দেখ মা, কাল এই ঘরে ভাই পার্টি করেছিল। এখনও মেঝেতে খাবারের টুকর পরে আছে দেখ। এই দেখ, সিগারেটের ছাই আর ফিল্টারও আছে। আর এই গ্লাস গুলো দেখ, শুঁকলেই বুঝতে পারবে এতে করে কি খেয়েছে। তোমার গুনধর ছেলে এই বয়সেই বন্ধুদের নিয়ে পার্টি করছে, মদ সিগারেট খাচ্ছে। এবার ওর ঘরে আস, আরেকটা জিনিস দেখাই”।

এই বলে দিদি মা কে নিয়ে আমার ঘরে এল। আমার স্কুল ব্যাগ খুলে পরীক্ষার খাতাগুলো বের করে মা কে বলল,” ওর যে রেজাল্ট বেড়িয়েছে স্কুলে সেটা কাউকে বলেনি। স্বভাব তো গেছেই, এবার কিরকম নাম্বার পেয়েছে দেখ। বাংলায় ১০০ তে ৩৫, ইংরেজিতে ০৯, ইতিহাসে ১২, ভূগোলে ১৫, জীবন বিজ্ঞানে ২১, ভৌতবিজ্ঞানে ১০, অংকে ০৪ । এবার টাকা কে কেন সরিয়েছে বুঝতে পারছ নিশ্চয়ই। এই বয়সেই যত অধঃপতনে যাওয়া সম্ভব ও চলে গিয়েছে। কি করে সামলাবে ওকে এখনই ভাব মা। আমাকে দায়িত্ব দিলে চাবকে সোজা করে দেব ভাইকে”।

দিদির কথায় আমি চমকে উঠছিলাম। পরীক্ষার নম্বর এখন মা বাবাকে বলবে না সেই শর্তে এই কয়দিন সম্পুর্ন চাকরের মতো আমি দিদির সেবা করলাম। আর তার পরও সেটা মা কে বলে দিল দিদি! এমনকি , নিজে আলমারি থেকে টাকা সরিয়ে যা যা করেছে সব দোষ আমার ঘাড়ে চাপিয়ে দিল। আমি বুঝতে পারছিলাম ভয়ানক শাস্তির খাড়া নেমে আসতে চলেছে আমার উপরে। কিন্তু আমার উপরে আমার সুন্দরী ২ বছরের বড় দিদির নিষ্ঠুরতা কোন এক অজ্ঞাত কারনে ভয়ানক ভাল লাগছিল আমার। মনে মনে নিজেকে ধিক্কার দিলাম প্রথমে দোষ অস্বীকার করায়। ঠিক করলাম আমার যাই শাস্তি হোক, সব শাস্তি আমি মাথা পেতে নেব। দিদির করা অপরাধের শাস্তি আমি পাব ভাবতেও কেন যেন অদ্ভুত আনন্দ হচ্ছিল।

মার মুখ থমথমে হয়ে গিয়েছিল রাগে, বুঝতে পারছিলাম ভয়ানক কিছু আসতে চলেছে প্রতিক্রিয়ায়। তখনই বাবা নিচ থেকে ডাক দিল। যজ্ঞের সময় হয়ে এসেছে প্রায়। আয়োজন সম্পুর্ন করতে হবে।

মা আমার দিকে তাকিয়ে গম্ভীর গলায় বলল, “ তোর শাস্তি পরে হবে। এখন চল, যজ্ঞের কাজ সাহায্য করবি”।

যজ্ঞ শেষ হতে রাত প্রায় দেড়টা বাজল। ফলে তখন আর আমার শাস্তি নিয়ে আলোচনা হল না বেশি, শুধু বাবা মাকে বলল কাল সকালে গুরুর সাথে কথা বলতে কি করে আমাকে ঠিক পথে আনা যায়। আমি ভয়ে ভয়ে উপরে এসে আমার ঘরে শুয়ে পরলাম। আজও টেবিল ফ্যানটা আনা হয়নি পাশের ঘর থেকে। আমি সেই ভ্যাবসা গরমেই মনে ভয়ানক ভয় নিয়ে ঘুমানোর চেষ্টা করতে লাগলাম। আর আমার সুন্দরী দিদি নিজের সব অপরাধের দায় আমার উপরে চাপিয়ে এসি ঘরে তার অনেক আগে থেকেই আরাম করে ঘুমাচ্ছিল।

ভোররাতে স্বপ্নে দেখলাম গুরু আমাকে জিজ্ঞাসা করছেন , “ সরস্বতী্ মূর্তি দেখলে তোমার মনে ভক্তি জাগে না?”

“না”, আমি বললাম।

“ কি দেখলে ভক্তি জাগে তাহলে”।

আমি বললাম, “ আমার দিদি তিথিকে । দিদিকে দেখলেই মনে হয় স্বয়ং দেবী সরস্বতী। তাই দিদির এত রুপ, এত ভাল পড়াশোনায়। দিদিকে দেখলেই ভক্তিতে দিদির পায়ের উপর মাথা নামিয়ে দিতে ইচ্ছা করে”।

“ তাহলে তোমার দিদিকেই দেবী রুপে ভক্তিভরে পুজা কর এখন থেকে, এতেই তোমার উন্নতি হবে”।

তারপর দেখলাম দিদি শাড়ি পরে খালি পায়ে একটা চেয়ারে বসে আছে দেবী সরস্বতী রুপে। আমি মন্ত্র পরে দিদিকে পুজা করছি দেবী সরস্বতী রুপে মা বাবার সামনেই। তারপর দিদির পা দুটো হাতের পাতায় রেখে তার উপর নিজের মাথাটা নামিয়ে দিলাম আমি। সুন্দরী দিদির নরম ফর্শা পায়ের পাতায় কপালটা ঘসতে লাগলাম , বারবার দিদির পায়ের পাতায় চুম্বন করতে লাগলাম ভক্তিভরে। জবাবে দিদি নিজের পা দুটো আমার মাথার উপরে রেখে আমাকে আশির্বাদ করল দেবীর মতো।

উফ, কি অদ্ভুত নেশা এই স্বপ্নে। আমি আরও গভীর ঘুমে তলিয়ে গেলাম স্বন দেখতে দেখতে।

ঘুমা ভাঙল মুখের উপর শক্ত কোন কিছুর স্পর্শে । চোখ খুলে দেখি কালকের মতো দিদি আমার মাথার পাশে দাঁড়িয়ে আছে। দিদির পরনে কাল টি শার্ট আর ধুসর বারমুডা, পায়ে নীল চটি। দিদি চটি পরা ডান পায়ের তলাটা আমার মুখের উপর ঘসছিল বেশ জোরে। আমি জাগার পরেও কয়েক সেকেন্ড আমার মুখের উপর চটির তলাটা ঘসা চালিয়ে গেল দিদি। তারপর, আমি জেগে চোখ খুলেছি বুঝতে পেরে আমার মুখের উপর থেকে চটি পরা ডান পা টা সরিয়ে দিদি বলল, “ কাল তুই মাকে বললি কেন টাকা তুই নিসনি? এখন থেকে আমার সব অপরাধের দায় নিজে থেকে মাথা পেতে নিবি তুই। আর কাল আমি যা বলেছি মা কে তুইও সেটাই বলবি। সত্যিটা মা জানতে পারলে তোর বিপদ আছে কিন্তু। মনে রাখিস, মা বাবা তোর মতো অপদার্থ ছেলের কথা বিশ্বাস করবে না, আমি যেটা বলব সেটাই মেনে নেবে। তারপর তোকে আমি দেখে নেব”। দিদি চটি পরা পা দিয়ে আমার গালে টোকা দিয়ে বলল।

দিদির উপর একটুও রাগ হচ্ছিল না আমার, সত্যিই তো আমি অপদার্থ ছেলে, স্বপ্নের মতো দিদিকে সবার সামনে পুজো করতে পারলে আমার জীবনটা ধন্য হয়ে যেত। কিন্তু আমাকে জাগতে দেখে দিদি আমার মুখের উপর থেকে নিজের চটি পরা পা টা সরিয়ে নিল কেন? আমার জায়গা তো ওখানেই, দিদির চটির তলায়। দিদির প্রতি প্রবল ভক্তি উথলে উঠল আমার মনে। নিজে থেকে দুই হাতে দিদির চটি পরা ডান পা টা টেনে এনে আমার ঠোঁটের উপরে রাখলাম। দিদির চটির তলায় একটা গাঢ় চুম্বন করে বলল, “ সরি দিদি। কাল ভুল করে মা কে বলে ফেলেছি ওই কথা। এখন থেকে তুমি যা বলবে আমি তাই করব, তুমি তোমার যত অপরাধের দায় আমার উপরে চাপাবে সব আমি মাথা পেতে নেব। আমার জায়গা এখন থেকে তোমার এই চটির তলায়”।

এই বলে আমি একের পর চুম্বনে ভরিয়ে দিতে লাগলাম দিদির চটির তলা। দিদি একটু অবাক চোখে দেখছিল আমার দিকে। দিদির প্রতি আমার এই অসহায় আত্মসম্পর্পনের কারনটা বুঝতে পারছিল না বোধহয়। আমি দিদি চটির তলায় একের পর এক গাঢ় চুম্বন চালিয়ে যাচ্ছিলাম, হঠাত দিদি চটি পরা ডান পা টা তুলে আমার মুখের উপর বেশ জোরেই একটা লাথি মারল। “ আমার সাথে চালাকি করার চেষ্টা করবি না কিন্তু, ফল ভাল হবে না। মা , বাবা আর ওই গুরু আজ তোর বিচারে বসবে, তুই তাই বলবি যা আমি বলতে বললাম। নাহলে আর এত আসতে লাথি মারব না, জুতো পরা পায়ে সপাতে তোর মুখে লাথি মারতে মারতে তোর নাক মুখ দাঁত সব ভেঙ্গে দেব আমি”। দিদি আমার মুখের উপর আরও কয়েকটা লাথি মারতে মারতে বলল।

আমি দিদির লাথি খেতে খেতেই দিদির চটির তলায় আরেকটা গাঢ় চুম্বন করে বললাম, “ আমাকে তুমি ইচ্ছা করলেই যত খুশি লাথি মারতে পার দিদি, সেই অধিকার তোমার আছে। তুমি এত মেধাবী, এত সুন্দরী দিদি আর আমি তোমার অপদার্থ ভাই একটা। মুখে তোমার লাথি খেলেও আমার উন্নতি হবে দিদি।

দিদি বোধহয় ওর প্রতি আমার ভক্তিটা বুঝতে পারছিল না, ভাবছিল আমি কোন চালাকি করার চেষ্টায় আছি। দিদি আমার মুখের উপর রাখা চটি পরা ডান পাটায় ভর দিয়ে উঠে দাঁড়াল, দিদির চটি পরা পায়ের তলার চাপে আমার নাকটা ফ্ল্যাট হয়ে মুখের সাথে লেগে গেল। দিদি ওর চটি পরা বাঁ পা টা আমার ঠিক গলার উপর রেখে দাঁড়াল। দিদির চটি পরা বাঁ পা টা আমার গলার উপরে রাখা, আর চটি পরা ডান পা টা আমার ঠোঁট আর নাকের উপরে। আমি নিশ্বাস নিতে পারছিলাম না, একটু বাতাসের জন্য বুকটা পাগলের মতো ওঠা নামা করছিল। ভিশন কষ্ট হচ্ছিল আমার। কিন্তু এই কষ্ট আমার সুন্দরী দিদি দিচ্ছে এই চিন্তা সেই প্রবল কষ্টকেও উপভোগ্য করে তুলেছিল। আমি সেই অবস্থাতেই দুই হাত বাড়িয়ে ক্রীতদাসের মতো দিদির পা দুটো টিপে দিতে লাগলাম।

দিদি একটু পরে বাঁ পা টা বাড়িয়ে আমার কপালের উপরে রাখল। আমার মুখের উপর চটি পরা পায়ে পায়ে প্রায় ১০ মিনিট দাঁড়িয়ে রইল দিদি, দেয়ালটা ধরে রইল ব্যালেন্সের জন্য। আমি এই পুরো সময়টা প্রভুজ্ঞানে ভক্তিভরে দিদির পা দুটো পালা করে টিপে চললাম। দিদি নিজে থেকে এইভাবে আমার উপর অত্যাচার করছে ভাবতেই প্রবল আনন্দে আচ্ছন্ন হয়ে পরছিলাম আমি।

প্রায় ১০ মিনিট পর দিদি আমার মুখের উপর থেকে নেমে দাঁড়াল। আমার দিকে তাকিয়ে গম্ভীর গলায় বলল, “ যা বললাম সেটা মনে থাকে যেন”। তারপর আমার উত্তরের অপেক্ষায় না থেকেই মুখ ঘুরিয়ে ঘর থেকে বেরনোর জন্য পা বাড়াল।

আমি উঠে মেঝেতে বসে পরেছিলাম ততক্ষনে, দিদির কথার উত্তরে স্বতস্ফুর্তভাবে আমার মুখ থেকে বেরিয়ে গেল, “ নিশ্চয়ই প্রভু, তুমি যা বলবে আমি তাই করব এখন থেকে। এখন থেকে তুমি আমার আরাধ্যা দেবী, তোমার জুতোর তলায় আমার স্থান”।

দিদি ঘুরে দাঁড়াল হঠাত, তারপর চটি পরা ডান পা দিয়ে প্রবল জোরে একটা লাথি মারল আমার চোয়ালের উপরে। আমি সহ্য করতে পারলাম না, দিদির লাথি খেয়ে উল্টে পরলাম, আমার মাথাটা দেয়ালে ঠুকে গেল ভিশন জোরে।

“ তোর কি মনে হচ্ছে আমি ইয়ার্কির মুডে আছি? আমার সাথে তুই ইয়ার্কি মারার চেষ্টা করছিস? আমার কথা না শুনলে ফল ভাল হবে না, শেষবার বলে দিলাম তোকে।”

দিদির লাথি খেয়ে আমি উল্টে পরেছিলাম কিছুটা, আমার পিঠ আর মুখ দেয়ালে লেগেছিল ধাক্কা খাওয়ার পর। সেই অবস্থায় আমার মুখের উপর দুই চটি পরা পা দিয়েই একের পর এক লাথি মারতে লাগল দিদি। দিদির প্রতি আমার স্বাভাবিক অতি ভক্তিকে দিদি ইয়ার্কি বলে ভেবে ভিশন রেগে গেছে বুঝতে পারছিলাম। আমি হাতজোড় করে বসে মুখে দিদির লাথি খেতে লাগলাম, কি বলব বুঝতে পারছিলাম না। দিদি ওর চটি পরা দুই পা দিয়ে আমার মুখের সর্বত্র জোরে জোরে লাথি মারা চালিয়ে গেল। আমার মুখের উপর চটি পরা পায়ে অন্তত ৩০ টা লাথি মেরে থামল দিদি। তারপর আমার মুখের উপর চটি পরা ডান পায়ের তলা ঘসতে ঘসতে বলল, “ কথাটা মনে থাকে যেন”। তারপর আগের মতো আমার উত্তরের অপেক্ষা না করে মুখ ঘুরিয়ে চলে গেল। এবার আর আমি কিছু বলার চেষ্টা করলাম না আমার দিদিকে।

দিদি ওর প্রতি আমার স্বাভাবিক অতি ভক্তিকে ইয়ার্কি করছি ভাবায় আমার খারপ লেগেছিল। সেই সাথে আমারে প্রতি দিদির এই ভয়ানক নিষ্ঠুরতা ভিশন খুশি করে দিয়েছিল আমার মনকে। দিদি এইভাবে এত জোরে জোরে আমার মুখে চটি পরা পায়ে কোনদিন লাথি মারবে তা আমি স্বপ্নেও ভাবিনি কোনদিন। এক অদ্ভুত খুশিতে মন আচ্ছন্ন হয়ে পরেছিল আমার । আমি চভাইছিলাম এখন থেকে দিদি আমার সাথে এরকমই ব্যবহার করুক। আমাকে ক্রীতদাসের মতো ব্যবহার করুক আমার সুন্দরী দিদি, সবার সামনে জুতো পরা পায়ে আমার মুখের উপর যত জোরে খুশি লাথি মারুক।

আমি বিছানা ছেড়ে উঠে মুখ ধোব বলে বেসিনের সামনে এলাম, আয়নায় মুখ দেখলাম। আমার মুখের উপর দিদির চটির তলার দাগ আজও স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে। খেয়াল করিনি, দিদির লাথি খেয়ে আমার নাক দিয়ে অল্প অল্প রক্ত পরছে। আমার ফর্শা মুখটা লাল হয়ে গেছে দিদির অত্যাচারে, দিদির দুই পায়ের এত গুলো লাথি খেয়ে। আমার মনটা আনন্দে ভরে গেল এই দেখে। আমি আয়নার সামনে হাতজোড় করে দাঁড়িয়ে মনে মনে প্রতিজ্ঞা করলাম, দিদি , আমি যেভাবেই হোক আজকে তোমাকে বিশ্বাস করাবোই আমি এখন তোমাকে সত্যিই দেবী সরস্বতীর মতো শ্রদ্ধা করি, দেবী সরস্বতীর মুর্তীর বদলে তোমাকেই পুজো করতে চাই দেবীজ্ঞানে। সারাদিন তোমার সেবা করতে চাই প্রভুজ্ঞানে , সব্র সামনে। এটাই আমার জীবনের একমাত্র উদ্দেশ্য দিদি, তোমার সেবা করা, তোমার ভক্ত ক্রীতদাস হওয়া”।

মুখ ধুয়ে নিচে যেতেই মা একগাদা কাজ ধরিয়ে দিল। সব শেষ করতে সাড়ে দশটা বেজে গেল। তারপরই দিদি হাঁক দিল সামনের ঘর থেকে, “ ভাই, এদিকে আয়”।

আমি গিয়ে দেখি দিদি স্কুল ইউনিফর্ম পরে সামনের ঘরের সোফায় বসে বই খুলে পড়ছিল। আমাকে দেখে দিদি বলল, “ নে, আমার পায়ে জুতো পরিয়ে দে”।

মা, বাবা, গুরু প্রায়ই আশে পাশে ঘুরছে। আমি দিদির মোজা জুতো নিয়ে এসে দিদির পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসলাম। দিদির পায়ে সাদা মোজা আর সাদা স্নিকার পরিয়ে দিলাম চাকরের মতো। তারপর দিদির আদেশের অপেক্ষায় না থেকেই দিদির পায়ে পরা জুতো দুটো পালিশ করে দিতে লাগলাম, মাও তখন কি একটা দরকারে এই ঘরে এসেছে লক্ষ্য করলাম। আমার এই অতি সেবা আবার দিদি সন্দেহের চোখে দেখল। আমার মুখের উপর জুতো পরা ডান পা দিয়ে মায়ের সামনেই একটা লাথি মেরে দিদি বলল, “ স্কুল থেকে এসে যেন শুনি তুই সব অপরাধ স্বীকার করেছিস। নাহলে তোর কপালে দুঃখ আছে মনে  রাখিস”। এই বলে দিদি বেরিয়ে চলে গেল স্কুলের উদ্দেশ্যে। মা দিদিকে আমার মুখের উপর জুতো পরা পায়ে লাথি মারতে দেখেও কিছু বলল না। অবশ্য আমি যা অপরাধ করেছি বলে মায়ের ধারনা, এই শাস্তি সেই তুলনায় কিছুই না।

মায়ের সারা সকাল রান্নাবান্না, পুজোর যোগাড় সহ নানা ব্যস্ততায় কাটল, বাবাও বেড়িয়ে গিয়েছিল ব্যবসার কাজে। নিচের বিশাল হলঘরটায় গুরুজির থাকার ব্যবস্থা হয়েছিল। দুপুরে খাওয়ার পর সেই ঘরে আমাকে নিয়ে ঢুকল মা- বাবা। গুরুকে মা বলল, “ গুরুদেব, এই ছেলেকে নিয়ে আমি আর পারছি না”। এই বলে দিদির মুখে আমার অপরাধের যেই গল্প মা শুনেছিল তা গুরুদেবের কাছে হতাশ গলায় উগড়ে দিল। তার মধ্যে আমার অতি খারাপ রেজাল্টের সত্যি ঘটনাও অবশ্য ছিল।

সব শুনেও গুরুর মুখের হাসি মুছল না। মা কে বলল, “ তোমরা এত চিন্তা কর না। সব ঠিক হয়ে যাবে, আমি আছি তো। তোমরা দুজন একটু বাইরে যাও, আমি আগে খোকার সাথে একটু কথা বলি একা”।

গুরুর কথায় মা আর বাবা ঘর থেকে বেরিয়ে চলে গেল। বিশাল হলঘরের মেঝেতে বসে গুরুর মুখের দিকে অসহায় দৃষ্টিতে তাকালাম আমি”।

 

৪…

গুরুদেবের ঘর থেকে হতাশ হয়ে বেড়িয়ে এলাম আধঘন্টা পরে। নিজের উপর কিরকম একটা রাগ হচ্ছিল আমার। এত করে ভেবে রেখেছিলাম যে গুরু্র কাছে অসহায়ের মতো নিজের সব অপরাধ স্বীকার করে নেব। সেই সাথে বলব আমি খুব খারাপ, খারাপ কাজ করতে ইচ্ছা হয় আমার প্রায়ই, পড়াশোনা করতে ভাল লাগে না, দেবী সরস্বতীর মূর্তি দেখলেও প্রানে ভক্তি জাগে না। কিন্তু আমার মেধাবী সুন্দরী দিদিকে দেখলে সেই খারাপ আমার প্রানেও ভক্তি জাগে, কেন জানি না মনে হয় দিদিই দেবী সরস্বতী। আমার মনে হয় যদি আমি দিদিকে দেবী সরস্বতী রুপে পুজো করতে পারতাম, দিদি যদি আমার মাথার উপর চটি পরা পা রেখে আশীর্বাদ করে দিত , তাহলে আমারও পড়ায় মন বসত, স্বভাবও ভাল হয়ে যেত ধীরে ধীরে।

কিন্তু আফশোষ, এত করে গুছিয়ে রাখা কথা গুলো কি করে যেন মুখ থেকে বেরলই না গুরুর সামনে। কিরকম এক লজ্জায় আড়ষ্ট হয়ে গেলাম কথাগুলো বলার আগেই। নিজের দোষ স্বীকার করলাম, কিন্তু তার প্রতিকার যে দিদির পুজো করলে হতে পারে, সেইদিকে কথা ঘোরানোর সাহস হল না। গুরু সব শুনে বলল, “অশুভ চিন্তা তোকে ভর করেছে, তোর প্রায়শ্চিত্ত আর চিত্তশুদ্ধি দরকার। কি করে তোকে করা যায় ঠিক করার আগে এই নিয়ে তোর বাবা, মা আর দিদির সাথে কথা বলা দরকার”।

 

আমি গুরুর ঘর থেকে বেরনোর মাত্র ১৫-২০ মিনিট পরেই আমার দিদি তিথি ( ভাল নাম অন্মেষা ) স্কুল থেকে বাড়ি ঢুকল। বসার ঘরে ঢুকেই দিদি  ডাক দিল আমাকে, “ এই রনি, এদিকে আয়”।

দিদি বসার ঘরের সোফায় স্কুলের পোশাক পরে বসে আছে, দিদির পরনে স্কুলের সাদা জামা, সবুজ স্কার্ট, পায়ে সাদা মোজা, সাদা স্নিকার। আমি ঠিক দিদির পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসলাম।

দিদি কঠিন দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকাল। “সবার সামনে নিজের দোষ স্বীকার করেছিস তুই?”

আমি মাথা নেড়ে বললাম, “ হ্যাঁ দিদি, গুরুর সামনে স্বীকার করেছি”।

দিদির মুখে একটা মুচকি হাসি ফুটে উঠল আমার কথা শুনে। আমার বাঁ গালে ডান হাত দিয়ে সজোরে একটা থাপ্পর মারল আমার দুই বছরের বড় দিদি তিথি, তারপরেই আমার ডান গালে বাঁ হাত দিয়ে আরেকটা।

“ শুনে গুরু কি বলল?”

“ বলল আমাকে অশুভ চিন্তায় ভর করেছে। আমার প্রায়শ্চিত্ত আর চিত্তশুদ্ধি দরকার। সেটা কি করে হবে গুরু সেটা তোমাদের সাথে কথা বলে ঠিক করবে”।

 

আমি আড়চোখে দেখলাম মা ততক্ষনে আবার এই ঘরের দরজার সামনে এসে দাড়িয়েছে, সম্ভবত পাশের ঘর থেকে আমাকে দিদির থাপ্পর মারার আওয়াজ শুনে।

দিদির মুখে আবার একটা চওড়া হাসি ফুটে উঠল। “ কি করলে তোর প্রায়শ্চিত্ত আর চিত্তশুদ্ধি সবচেয়ে ভাল হবে জানিস?”

আমি মাথা নেড়ে বললাম, “ না দিদি, জানি না”।

“ তোকে শোধরানোর দায়িত্ব আমার উপর ছেড়ে দিলে। আর আমি সেই সুযোগ পেলে তোকে কি করে শোধরাবো জানিস?”

“ জানি না দিদি”, আমি বললাম।

দিদি প্রথমে আমার দুই গালে তিনটে করে পরপর থাপ্পর মারল জোরে জোরে। তারপর আমাকে সামলানোর সুযোগ না দিয়েই জুতো পরা ডান পা দিয়ে সকালের মতই বেশ জোরে আমার মুখের উপর একটা লাথি মারল। আমি সামলাতে না পেরে উল্টে পরে গেলাম। তারপর আবার হাটুগেড়ে দিদির পায়ের কাছে বসতেই দিদি মুখে হাসি ফুটিয়ে জিজ্ঞাসা করল, “ এবার বুঝতে পারলি কিভাবে শোধরাবো তোকে?”

জবাবে আমি দিদির জুতো পরা দুই পায়ের উপর মাথা ঠেকিয়ে প্রথমে ভক্তিভরে প্রনাম করলাম একবার। তারপর জবাব দিলাম,” হ্যাঁ দিদি, আমাকে মেরে মেরে ঠিক করবে তুমি। শুধু তুমিই চেষ্টা করলে আমাকে শোধরাতে পারবে। প্লিজ দিদি, আমাকে যতখুশি মার, এইভাবে আমার মুখে চড় , লাথি মেরে আমাকে ভাল হওয়ার সুযোগ করে দাও প্লিজ”।

আড়চোখে দেখলাম মা পাশের ঘরের দরজার পাশ থেকে অবিশ্বাসে ভরা চোখ নিয়ে আমাদের দিকে তাকিয়ে তার খারাপ ছেলের ভাল হতে চাওয়ার আকুতি শুনছে।

দিদি একবার চোখ তুলে মায়ের দিকে তাকাল। মায়ের সামনে আমার স্বীকারোক্তি , আর দিদির কাছে আত্মসমর্পনের অসহায় ইচ্ছা যে দিদি খুব উপভোগ করছিল সেটা দিদির ভাবভঙ্গীতে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল। দিদি হয়ত এবার বিশ্বাস করতে শুরু করেছে দিদির প্রতি আমার ভক্তি আমার অন্তরের ভাবের প্রকাশ, এরমধ্যে কোন চালাকি লুকিয়ে নেই।

মায়ের দিক থেকে চোখ ফিরিয়ে দিদি আমার দিকে তাকিয়ে বলল, “ চুপ করে বসে থাক তুই, আমি তোর মুখে জুতো পরা পায়ে পরপর লাথি মারব এখন। এটা তোর প্রায়শ্চিত্তের প্রথম ধাপ”।

দিদির কথা সেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই দিদির জুতো পরা বাঁ পায়ের তলা আমার নাকের উপর সজোরে আছড়ে পরল, আর তার সঙ্গে সঙ্গেই দিদির জুতো পরা ডান পায়ের তলা আঘাত করল আমার কপালের উপর। আমি উল্টে পরে গেলাম আবার। উঠে বসতে বসতে তাকিয়ে দেখলাম মা অবিশ্বাস্য দৃষ্টিতে আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে।

আমি উঠে বসার সঙ্গে সঙ্গেই দিদির জুতো পরা বাঁ পায়ের তলা আমার ডান গালে আর তারপরই জুতো পরা ডান পায়ের তলা আমার ঠোঁট ও নাকের উপর আছড়ে পরল। দিদির জুতো পরা দুই পায়ের তলাই একের পর এক তীব্র জোরে আঘাত হানতে লাগল আমার মুখের সর্বত্র। আমি ভক্তিভরে হাতজোড় করে বসে মায়ের সামনেই মুখের সর্বত্র আমার সুন্দরী দুই বছরের বড় দিদি তিথির জুতো পরা পায়ের লাথি খেতে লাগলাম। মা তখনও অবিশ্বাস্য দৃষ্টিতে আমাদের দেখতে লাগল, একবারের জন্যও দিদিকে বারন করল না আমার মুখে জুতো পরা পায়ে লাথি মারতে!!

 

৫…

ঘড়িতে বিকেল পাঁচটা। বাইরের ঘরের পাশের বিশাল হল ঘরটায় বাড়ির সবাই জড় হয়েছি। উদ্দেশ্য, আমার বিচার। বাবা, মা লম্বা সোফাটায় পাশাপাশি বসে, তার পাশেই একটা চেয়ারে গুরু। দিদি আরেকটা চেয়ারে ঠিক উল্টোদিকে বসে আছে বাব-মায়ের দিকে ফিরে। দিদির পরনে এখন একটা গোলাপী-সাদা চুড়িদার , পায়ে গোলাপী চটি, যেটা কয়েক ঘন্টা আগে মুখে দিদির ৩০-৪০ টা লাথি খেয়ে দিদির পা থেকে জুতো মোজা খুলে দেওয়ার পর নিজে হাতে পরিয়ে দিয়েছি আমি। আমি আজ আসামী, তাই আমি ঘরের ঠিক মাঝখানে মেঝেতে বসে আছি। স্বাভাবিকভাবেই গুরু কথা শুরু করল দুপুরে আমার স্বীকারক্তির কথা সবাইকে বলে। তারপর গুরু বলল আমাকে অশুভ চিন্তায় আচ্ছন্ন করেছে। আমার কঠিন প্রায়শ্চিত্তের মাধ্যমে চিত্তশুদ্ধি দরকার। তারপর বাবা , মা আর দিদির কাছে জানতে চাইল ওদের মতে কিভাবে আমার চিত্তশুদ্ধি সম্ভব”।

প্রথমে বাবা বলল, “ আপনি থাকতে আমি আর কি বলব গুরুদেব।  আপনিই ভাল বুঝবেন কি করে ওর মঙ্গল হয়। আমার তো মনে হয় এসব অসভ্য বাঁদর ছেলেকে মেরে সোজা করা ছাড়া রাস্তা নেই। তবে আমরা আর কি বুঝি? আপনি যা ভাল বুঝবেন সেটাই হবে। তাতেই ওর ভাল হবে”।

“ দিদি সঙ্গে সঙ্গে বলে উঠল, “ ঠিক বলেছ বাবা। এসব ছেলেকে পিটিয়েই সোজা করতে হয়। ওকে ঠিক করার দায়িত্ব আমার উপর দিয়ে দেখ, পিঠিয়ে দশ দিনে ভাল বানিয়ে দেব। কথা না শুনলে লাথি মেরে ওর দাঁত মুখ ভেঙ্গে দেব আমি”।

গুরু এরপর মায়ের মত জানতে চাইল।

মা কিছুক্ষণ চুপ করে রইল। তারপর বলল, “আপনি গুরুদেব,  আপনিই ভাল বুঝবেন কিসে ওর ভাল হবে। কিন্তু আজ আমার মনে হচ্ছে রনিকে যেরকম খারাপ ভাবতাম ও ঠিক সেরকম খারাপ না। ওর মধ্যে শোধরানোর ইচ্ছা আছে।  কিন্তু এমন কিছু আশ্চর্য ব্যাপার ওর মধ্যে আছে যা আমি ঠিক বুঝতে পারছি না”।

এই বলে মা সকালে দিদির আমার মুখে জুতো পরা পায়ে লাথি মারার ঘটনা থেকে শুরু করে বিকালের আমাকে থাপ্পর আর লাথি মারার ঘটনা আর তার জবাবে আমার দিদির পায়ে মাথা রেখে প্রনাম করে  মেরে মেরে আমাকে ভাল করার আকুতির কথা সম্পুর্ন বলল। তারপর মা বলল, “ ও এরকম ব্যবহার করতে পারে আমি কখন ভাবিইনি। ওর দেবী সরস্বতীর প্রতি ভক্তি আসেনা, পড়াশোনা করেনা, খারাপ ছেলেদের সাথে মেশে ভেবে ওকে খারাপ ভাবতাম। অথচ আজ মুখে দিদির জুতো পরা পায়ের লাথি খেয়ে উল্টে নিজের দিদিকে ও যেরকম ভক্তিভরে প্রনাম করল সেরকম ভক্তি আমরাও জীবনে কোন দেব-দেবীকে দেখাতে পারিনি। ওর মধ্যে ঠিক কি চলছে, কিসে ওর ভাল হবে এবার আপনিই ঠিক করুন গুরুদেব”।

গুরু এতক্ষন অবাক হয়ে মায়ের কথা শুনছিল। মায়ের কথা শেষ হলে গুরু বলল, “ তিথির প্রতি ওর ভক্তি আমি নিজে চোখে দেখতে চাই। রনি, দিদির পায়ের কাছে গিয়ে দুপুরের মতো হাটুগেড়ে বস”।

সবার সামনে আমার সুন্দরী দিদির পদতলে আত্মসমর্পন করতে পারব ভেবে এক তীব্র উত্তেজনা আমার দেহের কোষ থেকে কোষে ছড়িয়ে পরতে শুরু করেছিল ততক্ষনে। আমি বাবা, মা আর গুরুর সামনেই দিদির পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসলাম। কাউকে কিছু বলতে হল না, সাথে সাথেই দিদির গোলাপী চটি পরা দুই পা আমার মুখের উপর পরপর দুইবার সজোরে আছড়ে পরল সবার চোখের সামনে। আমার মুখের উপর পরপর দুটো লাথি মেরে দিদি বলল, “ এইভাবে এসব ছেলেকে লাথি মেরে মেরে সোজা করতে হয়”।

সবার সামনে মুখের উপর সুন্দরী দিদির চটি পরা পায়ের লাথি খেয়ে দিদির প্রতি ভক্তি যেন উথলে উঠছিল আমার। আমি সবার সামনেই দিদির চটি পরা পায়ের উপর মাথা ঠেকিয়ে সুন্দরী দুই বছরে বড় দিদিকে প্রনাম করে বললাম, “ নিশ্চয়ই দিদি। আমাকে যতখুশি তত মার তুমি। তোমার কাছে মার না খেলে , তোমার দয়া না পেলে আমি যে কোনদিন ভাল হতে পারব না দিদি। প্লিজ দিদি, আমাকে এখন থেকে রোজ এইভাবে যতখুশি লাথি মের তুমি”।

এইবলে বাবা-মা আর গুরুর সামনেই আমি দিদির চটি পরা দুই পায়ের উপর নিজের মাথা ঘসতে লাগলাম ভক্তিভরে। আর আমার ক্লাস ১১ এ পড়া সুন্দরী দিদি তিথি আমার মাথার উপর চটি পরা ডান পা টা তুলে দিয়ে আমার মাথার উপর চটির তলা ঘসতে ঘসতে আমাকে আদর করতে লাগল।

প্রায় পাঁচ মিনিট ধরে দিদির প্রতি আমার ভক্তি অবাক চোখে দেখতে লাগল বাবা মা আর গুরু। যে ছেলের দেবী সরস্বতীর মুর্তি দেখেও প্রানে ভক্তি জাগে না, নিজের মাত্র দুই বছরের বড় দিদির প্রতি তার এই ভক্তি বোধুহয় কিছুতেই বিশ্বাস হচ্ছিল না ওদের।

পাঁচ মিনিট পর গুরু জিজ্ঞাসা করল, “ তিথিকে দেখে ঠিক কি মনে হয় তোর রনি?”

আমি মেঝেতে বসে আছি মেঝের উপর রাখা দিদির চটি পরা বাঁ পায়ের উপর  মাথা ঠেকিয়ে। আমার মাথার উপর দিদি তখনও নিজের চটি পরা ডান পায়ের তলা বুলিয়ে চলেছে। আমি সেই অবস্থাতেই উত্তর দিলাম, “ আমি খারাপ ছেলে হয়ত খুব। এমনকি দেবী সরস্বতীর মুর্তি দেখেও আমার মনে ভক্তি জাগেনি কোনদিন। কিন্তু আমার সুন্দরী, মেধাবী দিদিকে দেখলেই চিরদিন আমার মনে প্রবল ভক্তি জেগে ওঠে, মনে হয় দিদি আসলে দেবী। মনে হয় দিদিকে প্রভু বলে, দেবী বলে ডেকে এইভাবে দিদির পায়ের উপর মাথা ঠেকিয়ে ভক্তিভরে প্রনাম করি, দিদির সেবা করি যেভাবে দিদি চায়। কিন্তু এরকম তো কেউ করে না। তাই আমি উদ্ভট চিন্তা করছি ভেবে যত এইচিন্তা দমিয়ে রাখতে চাই তত অশুভ খারাপ চিন্তা মনকে আচ্ছন্ন করতে থাকে। এই কয়দিনে কত খারাপ চিন্তা এসেছে মনে। অথচ আজ দিদি আমার মুখে জুতো পরা পায়ে লাথি মারার পর থেকে একবারও আর এরকম হয়নি। এখন আমি যে দিদির পায়ে মাথা রেখে শুয়ে আছি, তাতে আমার মনে হচ্ছে আমি সাধু, আমার আত্মা অতি পবিত্র। জানি না, এই চিন্তা ঠিক কিনা, তবে আমার মনে হয় দিদিকে যদি এইভাবে দেবীর মতো ভক্তি দেখাতে পারি, আমি তাহলে সৎ পথে চলতে পারব, পড়াশোনাতেও ভাল হতে পারব। আর নাহলে ভয় হয়, আগের চেয়েও খারাপ হয়ে যাব হয়ত”।

দিদি আমার মাথার উপর থেকে চটি পরা ডান পা সরাতে আমি দিদির বাঁ পায়ের উপর থেকে মাথা তুলে গুরুর দিকে তাকালাম।

গুরু বলল, “ এরকম কোন কথা নেই ভক্তি সরস্বতী মুর্তিকেই করতে হবে। দেবী তো সর্বত্র বিরাজমান ,আমাদের সুবিধা হবে বলে আমরা মুর্তির মধ্যে তার উপস্থিতি ধরে নিই মাত্র। তোমার যদি দিদির প্রতি সেই স্বাভাবিক ভক্তি আসে তাহলে তুমি দিদিকেই মুর্তির বদলে একইরকম ভক্তিভরে পুজো করলেও েকই ফল হওয়ার কথা”। আপাতত তুমি এক সপ্তাহের জন্য দিদিকে দেবী হিসাবে গ্রহন কর। এই এক সপ্তাহের জন্য দিদি তোমার প্রভু, ভগবান, দেবী সরস্বতী। এই এক সপ্তাহে দিদি তোমাকে যা খুশি হুকুম করতে পারে, তোমাকে যত খুশি মারতে পারে, তোমাকে নিয়ে যা খুশি করতে পারে। বদলে তুমি দিদিকে দেবীজ্ঞানে সেবা করবে ভক্তিভরে। এর ফলে তোমার চরিত্রের কি পরিবর্তন হয় দেখা যাক আগে। দরকার হলে আরও কয়েক সপ্তাহ এরকম চলুক । এরফলে যদি তোমার চরিত্রের উন্নতি ঘটের, পড়ায় মনযোগ আসে তাহলে তো হয়েই গেল। এক বিশেষ যজ্ঞের মাধ্যমে তিথিকে পুজো করে তোমার দেবী রুপে সারাজীবনের জন্য প্রতিষ্ঠা করে দেব তাহলে, সারজীবন দিদিকে দেবীজ্ঞানে পুজো করবে তুমি। আর নাহলে তখন অন্যপথ ভাবতে হবে। আপাতত এক সপ্তাহের জন্য তিথি তোমার প্রভু, দেবী। তুমি ওর ভক্ত, ক্রীতদাস। এখন আবার তিথির পায়ে মাথা ঠেকিয়ে ওকে ভক্তিভরে প্রনাম কর তুমি”।

নিজের সৌভাগ্যকে নিজেরই যেন বিশ্বাস হচ্ছিল না আমার! সবার সামনে এখন থেকে সত্যিই আমার সুন্দরী দিদি তিথিকে দেবীজ্ঞানে সেবা করতে পারব!! প্রবল ভক্তিভরে দিদির গোলাপী চটি পরা পা দুটো নিজের দুই হাতের তালুতে তুলে নিলাম আমি। তারপর দিদির পায়ের উপর নিজের মাথাটা নামিয়ে দিলাম। দিদির চটি পরা পায়ের উপর ভক্তিভরে নিজের মাথাটা আসতে আসতে ঘসতে ঘসতে বললাম, “ আমাকে ক্রীতদাস হিসাবে গ্রহন কর প্রভু। কিভাবে তোমার সেবা করতে পারি আদেশ কর”।

দিদি এবার আমার মাথার উপর কিছুক্ষণ নিজের চটি পরা বাঁ পায়ের তলাটা ঘসল। তারপর আদেশ করল, “ আমার পায়ের কাছে মাথা রেখে সোজা হয়ে শুয়ে পর”।

আমি দিদির দুই পায়ের পাতায় একবার করে চুম্বন করে বললাম, “ যথা আজ্ঞা প্রভু”। তারপর দিদির ঠিক পায়ের কাছে মাথা রেখে শুয়ে পরলাম প্রভু দিদির আদেশ মতো।

দিদি একবার বাবা-মা আর গুরুর দিকে তাকিয়ে দেখল। তারপর হাসিমুখে ওদের সবার সামনেই আমার মুখের উপর নিজের চটি পরা পা দুটো তুলে দিল। আমার কপালের উপর বাঁ চটির তলা আর ঠোঁটের উপর ডান চটির তলা ঘসল কিছুক্ষণ দিদি। তারপর আমার নাকের উপর চটি পরা ডান পা দিয়ে একটা লাথি মেরে আদেশ দিল, “ জিভটা বার করে দে। তোর পুজনীয় দেবী তোর জিভে চটির তলা মুছবে”।

আমি প্রবল ভক্তিভরে আমার জিভটা বার করে দিলাম। আমার দুই বছরের বড় সুন্দরী দিদি তিথি বাবা মা আর গুরুর সামনেই আমার বার  করা জিভের উপর নিজের চটি পরা ডান পায়ের তলা ঘষে চটির তলা পরিষ্কার করতে লাগল।

 

দিদি থেকে দেবী

৬……
দিদি আমার বার করা জিভের উপরে নিজের ডান চটির তলা মুছে যাওয়া চালিয়ে যেতে লাগল। আমি দিদির চটির তলার ময়লা প্রবল ভক্তিতে গিলে খেতে লাগলাম। আমি আড়চোখে একবার দিদির মুখের দিকে আর আরেকবার ঘরের অন্যপ্রান্তে বসা বাবা মা আর আমাদের গুরুর মুখের দিকে তাকাতে লাগলাম। দিদির মুখজোড়া হাসি বুঝিয়ে দিচ্ছিল ছোট ভাইকে এইভাবে বাবা মায়ের সামনে ডমিনেট করাটা সে কত এঞ্জয় করছে।
মা, বাবা অবাক চোখে দেখছিল আমাদের। তাদের অবাধ্য , দেব- দেবীর মূর্তিকেও ভক্তি না করা ছেলে যে এইভাবে নিজের দুই বছরের বড় সুন্দরী দিদিকে দেবীজ্ঞানে পুজো করতে পারে সেটা বোধহয় তাদের বিশ্বাস হচ্ছিল না এখনো।
“রনির তিথির প্রতি ভক্তি কিন্তু একটা জিনিস প্রমান করে দেয়, তিথি আর পাঁচটা মেয়ের মতো সাধারন মেয়ে নয়। ওর মধ্যে দেবীর অংশ মিশে আছে। মানে তিথির মধ্যের একটা অংশ স্বয়ং দেবী। দেবী হয়ত চান এইভাবে তার অংশ তিথির মাধ্যমে সরাসরি রনি তাকে পুজা নিবেদন করুক”, গুরু বাবা মা কে বলল। দিদি তখনো আমার বার করা জিভের উপরে নিজের গোলাপি চটির তলা ঘষে চলেছে।
কিন্তু তিথি দেবীর অংশ হলে তো আমাদের সবারই উচিত ওকে ভক্তি দেখানো। ও আমাদের মেয়ে হয়ে জন্মালেও যদি ওর মধ্যে স্বয়ং দেবীর একটা অংশ থাকে, তাহলে আমাদেরও কি উচিত না রনির মতো ওকে ভক্তিভরে পুজো করা?”
গুরুকে করা বাবার প্রশ্ন শুনে দিদির মুখে হাসি চওড়া হল। দিদি আমার জিভের উপরে ঘষে পরিষ্কার করে ফেলা ওর ডান চটির তলা আমার গলার উপরে রেখে আমার বার করা জিভের উপরে নিজের বাঁ চটির তলা নামিয়ে দিল।
বাবার প্রশ্ন শুনে গুরু একটু ভেবে জবাব দিল, “ ঠিকই বলেছ। তিথি যা আদেশ করবে আমাদের সবারই তা পালন করা উচিত। তার আগে শুধু এক সপ্তাহ দেখে নেওয়া যাক তিথির সেবা করে রনির পড়াশোনায় ও চরিত্রে কি উন্নতি ঘটে। উন্নতি ঘটলে ওকে পুজার মাধ্যমে দেবীর অংশ হিসাবে বরন করে নেব। তারপর আমরা সবাই তাই করব যা ও আদেশ করবে। আমার সব ভক্তও আমার কথায় তিথিকে দেবী সরস্বতী হিসাবে বরন করে নেবে”।
বাবা আর গুরুর এই কথপকথন আমার ভয়ানক ভাল লাগছিল। আমার সুন্দরী দিদি তিথি আমার বার করা জিভে নিজের বাঁ চটির তলা ঘষে চলেছিল ওর সুন্দর মুখে হাসি ফুটিয়ে। মাত্র এক সপ্তাহ পরে এই গুরু, আমার বাবা সহ গুরুর অজস্র শিষ্য আমার মতই ভক্তিভরে দিদির পুজো করবে ভাবতেও প্রবল আনন্দে হৃদয় ভরে উঠছিল আমার।
আমার জিভের উপরে ঘষে দিদি নিজের বাঁ চটির তলাও নতুনের মতো পরিষ্কার করে ফেলল। তারপর আমার মুখের সর্বত্র চটি পরা দুই পা দিয়ে একের পর এক্লাথি মারতে লাগল আমার পরম শ্রদ্ধেয় সুন্দরী দিদি। বাবা , মা আর গুরু অবাক চোখে দেখে চলল আমার উপর ‘দেবী দিদি’র অত্যাচার।
আমার মুখে চটি পরা দুই পা দিয়ে অন্তত ৫০ টা লাথি মেরে থামল দিদি। তারপর আমার মুখে একটা সেষ লাথি মেরে বলল, “ বসার ঘরের সোফার সামনে হাটুগেড়ে বসে থাক। আমি রেডি হয়ে বেরবো। আমি ড্রেস পরে এলে তুই আমার পায়ে জুতো পরিয়ে দিবি”।
আমি ভক্তিভরে দিদির চটি পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে দিদিকে প্রনাম করে বললাম, “ যথা আজ্ঞা প্রভু”।
তারপর উঠে গিয়ে বসার ঘরের সোফার সামনে হাটুগেড়ে বসলাম আমার প্রভু দিদির অপেক্ষায়। যেতে যেতে শুনলাম মা বলছে, “ আমার বিশ্বাস তিথির মধ্যে অল্প হলেও দেবীত্ব আছে। নাহলে তিথির কাছে ওইভাবে মার খেয়েও রনি কখনোই ওর প্রতি এত ভক্তি দেখাতে পারত না। একজন মানুষ যতই মহান হোক তার প্রতি কেউ এত ভক্তি দেখাতে পারে না সে দেবী নাহলে”।
দিদি প্রায় ১০ মিনিট পর রেডি হয়ে ফিরে এল। এখন দিদির পরনে সাদা টপ, কালো স্কার্ট, পায়ে নীল চটি। দিদি চটি পরা পায়ে আবার আমার মুখের উপরে বেশ জোরে একটা লাথি মেরে বলল, “ যা, জুতোর র্যাচক থেকে আমার কালো স্নিকার আর মোজা নিয়ে আয়”।
আমার যে কি আনন্দ হচ্ছিল সেটা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব না। এভাবে বাবা মায়ের সামনে আমার দুই বছরের বড় সুন্দরী দিদি তিথি আমার সাথে ক্রীতদাসের মতো ব্যবহার করছে সেটা যেন তখনো বিশ্বাস হচ্ছিল না আমার! আমি আবার ভক্তিভরে দিদির পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করে ৪ হাত পায়ে কুকুরের মতো গিয়ে দিদির মোজা আর জুতো মুখে করে নিয়ে আসার সময় দেখলাম এই ঘরের একপাশে মা, বাবা আর গুরু পাশাপাশি দাঁড়িয়ে আমার ‘দেবী দিদি’কে সেবা করা দেখছে! তারপর দিদির পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে দ্দির পায়ে প্রথমে কালো মোজা আর তারপর কালো স্নিকার পরিয়ে দিয়ে দিদির জুতো পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে আবার ভক্তিভরে প্রনাম করলাম আমার প্রভু দিদিকে।
জবাবে দিদি জুতো পরা ডান পা দিয়ে ভিশন জোরে একটা লাথি মারল আমার মুখের উপরে। “ আমার জুতোয় ময়লা লেগে আছে কেন? ক্রীতদাস হয়ে প্রভুর জুতো পরিষ্কার করার কথা তোর মনে থাকে না জানোয়ার?”]
আমার বিশ্বাসই হছিল না আমার দিদি সত্যিই এইভাবে আমার সাথে ক্রীতদাসের মতো ব্যবহার করছে।আমি সাথে সাথে দিদির পায়ে পরে দিদির জুতোর উপর বারবার চুম্বন করতে করতে ক্ষমা চাইতে লাগলাম দিদির কাছে। তারপর দিদির পায়ের উপরে মাথা রেখে উপুড় হয়ে শুয়ে জিভ দিয়ে চেটে পরিষ্কার করতে লাগলাম দিদির জুতোর উপরটা।
দিদির জুতোর উপরটা জিভ দিয়ে পালিশ করে নতুনের মতো চকচকে করে দিয়ে আমি দিদির মুখের দিকে তাকালাম। জবাবে দিদি জুতো পয়া বাঁ পা দিয়ে সজোরে একটা লাথি মারল আমার মাথায় । আমার কপালটা ভিশন জোরে ঠুকে গেল মেঝেতে।
“ জুতোর তলাটা কে পরিষ্কার করবে কুত্তা”?
আমি সাথে সাথে দিদির জুতো পরা পায়ের উপরে মাথা ঠেকিয়ে ক্ষমা চাইলাম। তারপর আবার দিদির জুতো পরা পায়ের কাছে মাথা রেখে চিত হয়ে শুয়ে পরলাম। দিদি নিজে থেকেই ওর জুতো পরা পা দুটো তুলে দিল আমার মুখের উপরে। এটা দিদির বাইরে পরার জুতো, ফলে জুতোর তলাটা ধুলো কাদায় ভর্তি। দিদি ওর জুতো পরা ডান পা টা আমার কপালের উপরে আর বাঁ পা টা আমার ঠোঁটের উপরে রেখে আমার মুখের উপরে নিজের জুতোর তলা দুটো একটু ঘসল। তারপর আমি নিজে থেকেই আমার জিভটা লম্বা করে বার করে দিলাম যাতে আমার প্রভু দিদি আমার বার করা জিভের উপরে ঘষে নিজের নোংরা স্নিকারের তলা পরিষ্কার করতে পারে।
দিদি হাসিমুখে আমার বার করা জিভের উপরে নিজের নোংরা বাঁ জুতোর তলাটা নামিয়ে দিল। একবার আমার মুখের দিকে, একবার বাবা মা আর গুরুর মুখের দিকে তাকাতে তাকাতে আমার বার করা জিভের উপরে নিজের বা জুতোর তলাটা ঘষে পরিষ্কার করতে লাগল আমার পরম আরাধ্যা দেবী দিদি।
আমি প্রবল ভক্তিভরে দিদির জুতোর তলার সব ময়লা গিলে খেতে লাগলাম। দিদি প্রথমে বাঁ জুতোর তলা, তারপর ডান জুতোর তলা আমার জিভের উপরে ঘষে মুছে নতুনের মতো চকচকে করে ফেলল। তারপর আমার মুখে জুতো পরা দুই পা দিয়ে একটা করে লাথি মেরে বলল, “ যা, এবার ভাল ছেলের মতো পড়তে বস। আমি না বলা পর্যন্ত উঠবি না। এই দেবীর আশির্বাদ তোর সাথে আছে। আজ যা পড়বি তা আর কোনদিন ভুলবি না তুই”। এইবলে আমার মাথার উপরে জুতো পরা ডান পা টা রেখে আমাকে আশীর্বাদ করে বেরিয়ে গেল আমার প্রভু দিদি।
আমার বিশ্বাসই হচ্ছিল না নিজের ভাগ্যকে । আমার ইচ্ছা করছিল চুপ করে শুয়ে এতক্ষনের সুখের স্মৃতিগুলো রোমন্থন করতে। কিন্তু আমি জানতাম বাবা মাকে বিশ্বাস করাতে হবে যে দিদির সেবা করে আমার দারুন উন্নতি হচ্ছে। তাহলেই আমি সুযোগ পাব সারাজীবন দিদিকে দেবীজ্ঞানে সেবা করার। হয়ত দিদিকে দেবী ভাবে বাবাও নিজের মাথা নামিয়ে দিতে পারে নিজের মেয়ের পায়ের তলায়! ভাবতেই প্রবল আনন্দে ভাসতে লাগলাম আমি।
আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে দেখি আমার মুখ দিদির জুতোর তলার ময়লায় ভর্তি, আমার জিভটা দিদির জুতোর তলার ময়লায় কুচকুচে কালো হয়ে আছে। আমি মুখ ধুলাম না, আমার প্রভুর জুতোর তলার ময়লা আমার সারা মুখে লেগে আছে এর চেয়ে বেশি গর্বের আর কি হতে পারে আমার কাছে? আমি মুখে জল নিয়ে আমার জিভে লেগে থাকা দিদির জুতোর তলার পবিত্র ময়লা গিলে খেয়ে ফেললাম। তারপর তাড়াতাড়ি সামান্য টিফিন খেয়ে পড়তে বসলাম। ঘড়িতে তখন সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টা।
আমি ঠিক ৪ ঘন্টা পড়ে সাড়ে ১০টায় উঠলাম। বাকিদের তখন রাতের খাওয়া হয়ে গেছে। দিদি তখন চেয়ারে বসে টিভি দেখছিল খাওয়ার ঘরে। আমি খাওয়ার থালা নিয়ে দিদির পায়ের কাছে বসলাম। দিদি ওর নীল চটি পরা পা আমার খাওয়ার থালার উপরে রাখল আর আমি দিদির চটির তলায় মাড়ানো খাবার বাবা মায়ের সামনেই ভক্তিভরে খেতে লাগলাম।
রাতের খাওয়া হলে আমি এসে দিদির চটি পরা পায়ের কাছে মাথা রেখে শুলাম। প্রথমে খাবার লেগে থাকা দিদির চটির তলা দুটো জিভ দিয়ে চেটে পরিষ্কার করে দিলাম ভক্তিভরে। তারপর দিদি আমার মুখের উপরে চটড়ি পরা পা রেখে বসে টিভি দেখতে লাগল আর আমি ভক্তিভরে আমার মুখের উপরে রাখা আমার প্রভু সুন্দরী দিদির চটি পরা পা দুটো ভক্তিভরে টিপে দিতে লাগলাম। দিদি মাঝে মাঝেই চটি পরা পা দিয়ে আমার মুখের সর্বত্র জোরে জোরে লাথি মারতে লাগল। আর আমি আমার সুন্দরী দিদির লাথি খেতে খেতে ভক্তিভরে তার পা টিপে দিতে লাগলাম বাবা মায়ের সামনেই।
প্রায় এক ঘন্টা পরে দিদি আমার মুখে লাথি মেরে আদেশ করল টিভিটা অফ করে একটা দড়ি এনে ওর ঘরে যেতে। আমি টিভি অফ করে একটা লম্বা দড়ি নিয়ে দিদির ঘরে যেতে দেখি দিদি নিজের ঘরে এসি চালিয়ে হাতে একটা চামড়ার বেল্ট নিয়ে বসে আছে। আমি যেতেই দিদি আমাকে ওর পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসতে বলল। আমি বসতে দিদি আমার মুখে চটি পরা প[আয়ে দুটো লাথি মারল প্রথমে। তারপর ব্রল্টটা আমার গলায় ডগ কলারের মতো পরিয়ে দিয়ে বলল, “ আজ থেকে তুই আমার পোষা কুত্তা”।
আমার প্রভু দিদি আমাকে নিজের পোষা কুত্তা বলে ঘোষনা করায় গর্বে আমার বুক ভরে উঠল। আমি দিদির চটি পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে দিদিকে ভক্তিভরে প্রনাম করে ধন্যবাদ দিলাম।
এরপর দিদি আদেশ করল , ‘ দড়িটা দিয়ে এবার নিজের পা দুটো শক্ত করে বেধে ফেল”।
আমি বিনা প্রশ্নে আমার সুন্দরী প্রভু দিদির আদেশ পালন করলাম।
পা বাধা হয়ে গেলে দিদি দঁড়ির অন্য প্রান্ত দিয়ে আমার হাতদুটোও শক্ত করে বেঁধে দিল। বাঁধন এত শক্ত হয়েছিল যে আমি এক ইঞ্চিও হাত পা নাড়াতে পারছিলাম না আর।
বাধা শেষ হলে দিদি একবার কয়েক সেকেন্ডের জন্য চটি পরা পায়ে আমার মুখের উপরে উঠে দাঁড়াল আমার গলায় বাধা ডগ কলারটা ধরে। “ গুড নাইট কুত্তা” বলে দিদি নেমে দাঁড়াল তারপর, আর আমার মুখের ভিতরে নিজের স্কুলে পরার একজোড়া সাদা মোজা গুঁজে দিল। তারপরে আমার মুখে চটি পরা পায়ে লাথি মারতে মারতে আর আমার গলার ডগ কলারটা ধরে টানতে টানতে দিদি আমাকে ঠিক ওর ঘরের দরজার বাইরে ফেলে দিল।
আমার মুখের উপর চটি পরা ডান পা টা রেখে একবার হাসিমুখে আমার দিকে তাকালো আমার প্রভু দিদি, তারপর আবার গুড নাইট কুত্তা বলে ঘরের দরজা বন্ধ করে লাইট অফ করে এসি ঘরে আরাম করে শুয়ে পরল দিদি।
আর আমি তখন দিদির এসি ঘরের ঠিক দরজার বাইরে অসম্ভব গরমে হাত পা বাঁধা অবস্থায় শুয়ে। সেই বাঁধন এত শক্ত যে এক ইঞ্চিও নাড়াতে পারছি না হাত পায়ের বাঁধন। গায়ের ঘামে ভিজে সপ্সপে হয়ে উঠছে শরীর, হাত তুলে ঘাম মুছব তার উপায় নেই। হাত যে বাঁধা। প্রবল গরমে গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে যেতে লাগল। জলের অভাবে আমি আমার মুখে গোঁজা দিদির মোজা জোড়া চুষতে লাগলাম অন্তত একফোঁটা দিদির পায়ের ঘামের আশায়! পিছমোড়া করে হাত বাধা থাকায় ভয়ানক কষ্ট হচ্ছিল আমার। গরমে ও জলের অভাবে কিরকম হ্যালুসিনেশন হতে লাগল আমার। তবু সেই অবস্থাতেও মনে ভাসতে লাগল সারাদিনের অবিস্মরণীয় ঘটনাগুলো। এখন থেকে দিদি সবার সামনেই আমাকে এইভাবে যত খুশি অত্যাচার করবে ক্রীতদাসের মতো, একথা ভাবতেই মন প্রান ভরে উঠছিল প্রবল উত্তেজনাতে। সত্যি, কষ্ট হতে পারে, তবু সুন্দরী দিদির হাতে এইভাবে অত্যাচারিত হওয়ার মতো সুখ আর কিছুতে নেই। আমার দিদি এখন থেকে আমার আরাধ্যা দেবীই। আমি নিজের জীবন উতসর্গ করেছি দিদির পায়ের তলায় । দিদির জুতো পরা পায়ের লাথি খেয়ে মারা গেলে তার মতো সৌভাগ্য আর কিছু হতে পারে না আমার কাছে!

 

 

 

 

 

 

Advertisements

দিদির সাথে ফেমডম
– SLAVE
দিদির সাথে আমার ফেমডম জীবনের সুচনা সেই কৈশোরে পা রাখার পর থেকেই।দিদি আমার ৫
বছরের বড়।যে ঘটনা গুলো এখন
বলবো তা কোন বানানো ঘটনা নয়,আমার জীবনের সত্য ঘটনা
হটাত করেই আমি আবিস্কার করি যে আমি
দিদির সুন্দর পা জোড়ার প্রতি আকর্ষণ ফিল করছি। ইচ্ছা করতো দিদির পা দুটোর নিচে
আমার নাক মুখ ঘষি,কিবা একটা চুমু
দেই। কিন্তু কিভাবে কি করবো বুজছিলাম না। জিনিষটা দিদির কাছে বিব্রতকর হতে
পারে,তাই আর আগ বাড়িনি সে পথে
একদিন হটাত করেই সব কিছু বদলে গেলো। দিদি ওর বিছানায় আধ শোয়া হয়ে গল্পের বই
পড়ছিলো। পা দুটি ভাজ করে রাখা।
আমি ঠিক দিদির পা দুটোর সামনে মাথা রেখে আড়াআড়ি ভাবে শুয়ে পড়লাম মোবাইল টিপতে
টিপতে
দিদির পায়ের বুড়ো আঙুল আমার গালে ঘষা খাচ্ছিলো। দিদি একমনে গল্পের বই পড়ছে।
এদিকে ওর খেয়ালই নেই। হটাত খেয়াল
করলাম দিদি তাঁর ২ পায়ের বুড়ো আঙুল দুটো আমার গালে ঘসছে। আমার বুকের ধুকপুকানি
বেড়ে গেলো। স্বর্গ সুখে পাগল হয়ে
গেলাম। আস্তে আস্তে দিদি তাঁর পায়ের অন্যান্য আঙুলগুলোও আমার গালে তুলে দিয়ে
ঘসতে লাগলো।আমার হার্ট মনে হলো ফেটে
বাইরে বেড়িয়ে আসবে।
একটু পর দিদি মুখের সামনে থেকে বই সরিয়ে আমাকে বললো ‘অন্তু,আমি পা সটান করে
বসবো,তুই তোর বিছানায় যা’
– না যাবোনা
– যা বলছি
– প্লিজ দিদি একটু থাকি
– যা,নাহলে মুখের উপর পা তুলে দিবো
কিছু বুঝে উঠার আগেই আমার মুখের উপর দিদি তাঁর ডান পা তুলে দিলো!দিদির ফর্সা
নরম পায়ের তলা আমার পুরা মুখ ঢেকে
ফেললো। খিলখিলিয়ে হাসতে লাগলো দিদি। আমার মনে হলো স্বর্গে আছি। সে এক অনন্য
অনুভুতি। কোন কিছুর সাথেই তাঁর
তুলনা চলেনা। একটু পরে দিদি আমার মুখের উপর ২-৩ বার তাঁর পায়ের তলা ঘষে পা
সরিয়ে নিয়ে আবার বই পড়তে লাগলো।
আমি সরলাম না। খুব আশা করছিলাম দিদি আবার আমার মুখে পা তুলে রাখবে। কিন্তু আর
রাখলোনা
সেদিনই বুঝতে পারলাম,ফেমডম শুধু আমার রক্তে না,দিদির রক্তেও আছে। নাহলে দিদি
এমন করতোনা আজ।তারপর থেকেই সুযোগ
খুজতে লাগলাম কিভাবে দিদির পায়ের কাছে কাছে থাকা যায়। সেদিন রাতে দিদি সোফায়
একইভাবে আধ শোয়া হয়ে বসে টিভি
দেখতে লাগলো। আমিও দিদির পায়ের কাছে এসে বসলাম। দিদি কিছুই বললোনা। আমি মনে
প্রানে প্রার্থনা করতে লাগলাম যেন
দিদি পা দিয়ে কিছু একটা করে আমার সাথে।
ঈশ্বর আমার প্রার্থনা শুনলেন। দিদি হটাত করেই তাঁর ডান পা আমার মুখের একদম
সামনে নিয়ে এসে আঙুল গুলো নাড়াতে
লাগলো। আমি নিজেকে ধরে রাখতে পারলাম না। দিদির পাটা হাত দিয়ে ধরে আমার গাল
পায়ের নিচে লাগিয়ে ঘষে দিলাম।
এই জিনিসের জন্যে সম্ভবত দিদিও প্রস্তুত ছিলোনা। সে পা সরিয়ে নিলো। আমিও লজ্জা
পেয়ে গেলাম
তারপর এক মাস আমি দিদির পায়ের কাছে বসিনি লজ্জায়। মনে মনে নিজেকে দুষতে
লাগলাম। আগ বাড়িয়ে পায়ে নাক মুখ
ঘসতে না গেলে হয়তো এখনো দিদি তাঁর পবিত্র পা দুটো দিয়ে আমার সাথে খেলা করতো
প্রতিনিয়ত। খুব আফসোস করতে
লাগলাম আমি। আর প্রতিদিন প্রার্থনা করতাম যেন আবার দিদি তাঁর পায়ের নিচে আমাকে
স্থান দেয়
ঈশ্বর আবারো আমার কথা শুনলেন। শীতকাল এসে গেছে তখন। একদিন সন্ধ্যা বেলা
কারেন্ট নাই। দিদির ঘরে মোমবাতি জ্বালানো।
একইভাবে আধ শোয়া হয়ে বসে আছে দিদি। দিদির পরনে নিল সোয়েটার,হাতে কালো
হাতমোজা,পায়ে কালো প্যান্ট,আর সাদা
একজোড়া মোজা। দিদির পেট থেকে পা পর্যন্ত কম্বল দিয়ে ঢাকা ছিলো। আমি দিদির ঘরে
আসতেই দিদি বললো ‘অন্তু এখানে আয়।
গল্প করি’।
আমি বিছানায় উঠতেই দিদি কম্বলের ভিতর থেকে তাঁর সাদা মোজা পরা একটি পা বের করে
ঠিক আমার মুখের সামনে এনে
বললো ‘এই দেখ ভুত’। আমার হার্টবিট বেড়ে গেলো। কিন্তু একইসাথে নিজেকে কন্ট্রোলে
রাখলাম। নিজেকে বুঝালাম যে দিদি
যেভাবে আমার সাথে খেলা করছে,আমাকেও সেভাবে খেলতে হবে,সিরিয়াস ফেমডমে চলে গেলে
এখানে হবেনা। তাই আমি ভুত
দেখার ভান করে হেসে বলে উঠলাম ‘ওরে বাবা!’
দিদি খিলখিলিয়ে হেসে উঠে মোজা পরা পায়ের তলা আমার মুখে ভালোভাবে ঘষে দিলো। আমি
বললাম ‘প্লিজ ভুত আমাকে মেরোনা।’
দিদি আবারো হেসে উঠে মোজা পরা পা দিয়ে আমার মুখে আস্তে আস্তে লাথি মারতে
লাগ্লো।আমি দিদির দুই মোজা পরা পা হাত দিয়ে
ধরে আমার মাথা নামিয়ে দিলাম,বললাম ‘প্লিজ ভুত,ক্ষমা চাচ্ছি তোমার কাছে,এইবারের
মত মাফ করে দাও’,বলে আমার কপাল
নিয়ে লাগালাম দিদির পায়ের উপর
দিদি মুচকি হেসে তাঁর মোজা পরা ডান পা টা আমার মাথার উপর নিয়ে রাখলো। ঘষতে
ঘসতে বললো ‘ঠিকাছে যা,এবারের মত
মাফ করে দিলাম’। আমি ‘ধন্যবাদ ভুত’ বলে দিদির মোজা পরা পায়ের আদর খেতে লাগলাম।
হটাত কারেন্ট চলে আসলো। কাজেই
আমি উঠে পড়তে চলে গেলাম।
পরের দিন সকালে দেখলাম দিদি তাঁর পায়ে আকাশী নীল রঙের এক জোড়া মোজা পরে আছে।
আমি বারবার দিদির রুমে যেতে
লাগলাম এই আশায় যে হয়তো কালকের মত আমাকে ডেকে বসতে বলে পা দিয়ে খেলা করবে।
কিন্তু দিদি একবারো ডাকলোনা
আমাকে। মন খারাপ হয়ে গেলো আমার।
সন্ধার পরই আমার ভাগ্য খুলে গেলো। আমার রুমে আমি ফ্লোরিং করে শুতাম।এভাবে
ঘুমাতেই আমার ভালো লাগ্লতো।সন্ধার পর
আমি আমার রুমে বিছানায় শুয়ে মোবাইল টিপছিলাম। হটাত কারেন্ট চলে গেলো। আমি
উঠলাম না। শুয়ে শুয়ে মোবাইল টিপতে
লাগলাম। হটাত দিদির গলার আওয়াজ পেলাম। দিদি তাঁর রুম থেকে আমাকে বললো
‘অন্তু,কি করছিস রে?’
– কিছুনা দিদি,শুয়ে আছি। দরকার কিছু?
– না,কাজ না থাকলে আয় গল্প করি
– এখনি আসছি দিদি
– না তুই থাক,আমি আসি। একটু সরে বস। নাহলে অন্ধকারের মধ্যে আবার তোর মুখের উপর
পারা দিয়ে দিবো আমি
আনন্দের জোয়ারে আমার মন ভেসে গেলো। বুঝলাম দিদি এখন ফেমডম মুডে আছে।আমি চুপচাপ
শুয়ে থাকলাম। দিদি আমার
রুমে এসে ঢুকলো। এমন না যে রুম ঘুটঘুটে অন্ধকার। সামান্য দেখা যাচ্ছে সবই। সেই
আলোয় আমি দেখলাম দিদি আকাশী
নীল মোজা পরে আছে। দিদি কিন্তু আবছা ভাবে দেখছে আমি কোথায় শুয়ে আছি।কিন্তু এমন
ভান করতে লাগলো যেনো কিছুই
দেখছেনা। ঠিক আমার মাথার সামনে এসে দুই পা আমার মাথার দুই পাশে রেখে দাড়ালো
দিদি।
– অন্তু, কোথায় গেলি? কিছুই দেখছিনা তো। দেখিস আবার পারা দিয়ে দেই নাকি তোর উপর
এটা বলেই দিদি তাঁর নীল মোজা পরা বাম পাটা আমার ঠিক মুখের উপর তুলে দিলো। আমি
স্বর্গে চলে গেলাম। দিদির মোজা
পরা পা আমার পুরো মুখ ঢেকে ফেললো। প্রায় ১২ ঘন্টা ধরে এই মোজা জোড়া পরে আছে
দিদি। তাই মোজায় গন্ধ হয়ে গেছে।
আনন্দে আমি তখন পাগল প্রায়
-কি হলো? কথা বলছিস না কেনো? কোথায় তুই?… আরে,আমার পায়ের নিচে এটা কি রে?
দেখিতো
মুচকি হাসতে হাসতে দিদি তাঁর নীল মোজা পরা পা আমার মুখের উপর ঘসতে লাগলো।

(পার্ট ২)

আমার মুখের উপর নীল মোজা পরা ডান পা রেখে দাড়িয়ে আছে আমার সুন্দরী দিদি। পায়ের
গোড়ালিটা আমার ঠোটের উপর রেখে ঘষতে ঘসতে আমার কপাল পর্যন্ত
নিয়ে আসছে। দিদির আঙুলের অংশটা এসে স্থির হচ্ছে আমার নাকের উপর। দিদির মোজার
মোহনীয় গন্ধ প্রান ভরে শুকছি আমি,আর ভাবছি আমার মত ভাগ্যবান
ভাই পৃথিবীতে কয়জন আছে যে নিজের দিদির মোজা পরা পায়ের আদর খেতে পারছে!
কিছুক্ষণ ঘসার পর দিদি তার মোজা পরা ২পা আমার মাথার ২ পাশে রেখে দাড়িয়ে নিচের
দিকে তাকালো। ‘আরে,এটা তোর মাথা ছিলো? একদমই খেয়াল করিনি রে।
ব্যাথা পেয়েছিস?’। ঠোটের কোনে মুচকি হাসি রেখে জিগ্যেস করলো আমাকে দিদি। আমি
বললাম ‘কি যে বলো। ব্যাথা কেনো পাবো হু? তুমি মাত্র ৪৫ কেজি। তুমি
আমার মুখের উপর উঠে দাড়িয়ে গেলেও আমার কিছু হবেনা’। দিদি খিলখিলিয়ে হেসে বললো
‘আচ্ছা তাই বুঝি? এতো শক্তি হয়েছে তোর? দাড়াবো তোর মুখের
উপর?’। আমার মনে হলো আমার হার্ট বাইরে বেড়িয়ে আসবে। উত্তেজনায় কান দিয়ে গরম
ধোয়া বেরোতে লাগলো। বললাম ‘হ্যা হয়েছেই তো। দাড়াও। কিছুই
হবেনা আমার’। বলতেই দিদি আমার মুখের উপর তার নীল মোজা পরা ডান পাটা রেখে
শরীরের সমস্ত ভর দিয়ে দাড়িয়ে গেলো। আমার মনে হলো আমার
নাক ভেঙ্গে যাবে,কিন্তু এই ব্যাথার মধ্যেও এক অদ্ভুত সুখ পেতে লাগলাম। মনে হলো
আমার দিদির পায়ের নিচে আমার জীবন চলে গেলেও আমার কিছু
যায় আসেনা। আমি শক্ত হয়ে শুয়ে রইলাম। দিদি মুখ থেকে এবার আমার বুকের উপর এসে
দাড়ালো। উপর থেকে আমার দিকে তাকিয়ে বললো ‘কি রে? কেমন
লাগলো?’। আমি বললাম ‘খুব আরাম লেগেছে। কি নরম তোমার পা’। দিদি হাহাহা করে
হাসতে লাগলো। মোজা পরা বাম পা টা আমার মুখের উপর রেখে
দুই তিনবার ঘষে বললো ‘এবার লাগছে আরাম? হা?’ তারপর হাসতে হাসতে আমার উপর থেকে
নেমে গেলো। বললো ‘আমার বিছানায় আয়। গল্প করবো’।
আমি আর দিদি ওর বিছানায় গিয়ে বসলাম।
বিছানায় সেই একই ভাবে দিদি আধশোয়া হয়ে হাটু ভাজ করে বসলো। আমি বসলাম দিদির
পায়ের কাছে। দিদি মোজা পরা ডান পাটা আমার কাধের উপর রেখে
আমার কাধ ঝাকাতে লাগলো। বুঝলাম দিদি আজ ১০০% ফেমডম মুডে আছে। এই সুযোগ মিস করা
যাবেনা। আমি দিদির বাম পাটা আমার কোলের উপর নিয়ে
টিপে দিতে লাগলাম। দিদি ভ্রু কুচকে বললো ‘কি হলো?’। বললাম ‘দিদির সেবা করছি।
শুনেছি দিদির সেবা করলে স্বর্গে যাওয়া যায়’। দিদি মুচকি হেসে তার নীল
মোজা পরা ডান পা আমার গালে লাগিয়ে আস্তে করে একটা ধাক্কা দিয়ে বললো ‘খুব
লক্ষ্মী হয়েছিস না? কবে তুই আমার সেবা করলি বলতো?’। আমি দিদির বাম
পা আমার বুকের উপর চেপে ধরে টিপে দিতে দিতে বললাম ‘বাহ,আগেতো ছোট ছিলাম। অনেক
কিছু বুঝতাম না। এখন বড় হয়েছি। এখন বুঝি যে দিদি আর
মায়ের সেবা করলে আমি স্বর্গে যেতে পারবো। আর তাদের কস্ট দিলে নরকে যেতে হবে।
তাই এখন থেকে শুধু দিদি আর মায়ের সেবা করতে থাকবো’। দিদি
মিস্টি হেসে ওর মোজা পরা ডান পায়ের তলা আমার মুখে একটু ঘষে দিয়ে বললো ‘খুব
লক্ষ্মী হয়েছিস তুই।’।
ঐদিন থেকে দিদি আর ইতস্ততবোধ করতোনা। আমি দিদির পায়ের কাছে বসলেই কথাচ্ছলে
আমার মুখে কাধে পা লাগাতো। আমিও দিদির পা টিপে দিতাম
ইচ্ছামতো। কোন অনুমতি লাগতোনা। দিদি স্কুল থেকে আসার পর ওর জুতা মোজা খুলে
বাথরুমে গোসলে ঢুকতো আর আমি চুপি চুপি ওর রুমে এসে
ওর নোংরা মোজা আমার নাকে চেপে ধরে গন্ধ শুকতাম। ওর জুতোজোড়ায় চুমু দিতাম। আমার
গালে ঘষতাম। দিদি বিছানায় আধশোয়া হয়ে গল্পের বই
পড়ার সময় আমি দিদির পা টিপে দিতে দিতে মাঝে মধ্যে আমার গালে এনে লাগাতাম।
বলতাম ‘কি নরম। একটু গালে ঘষি দিদি?’। দিদি মুচকি হেসে গালে আস্তে
করে একটা লাথি মেরে গল্পের বইয়ে মনোনিবেশ করতো। আমি দিদির পায়ের নিচে নাক মুখ
পাগলের মত ঘষতে থাকতাম। দিদি বাধা দিতোনা।
কয়েক বছর হলো দিদির বিয়ে হয়েছে। শ্বশুরবাড়ি আমাদের শহরেই। দিদি আর আমার ফেমডম
লাইফ বন্ধ বললেই চলে। শ্বশুরবাড়িতে সবার সামনে
এসব করা সম্ভব না। খুব মিস করি দিদির পায়ের স্পর্শ,দিদির মোজার ঘ্রান। তবু
সবসময় ঈশ্বরকে ধন্যবাদ জানাই আমাকে আমার সুন্দরী দিদির
সেবা করার সুযোগ দেওয়ার জন্যে।

রিত্বিকা…

 

চটি পরা ডান পায়ে রিত্বিকা আমার মুখে লাথি মারতেই আমি ওর পায়ে পরে গেলাম । ওর দুই পায়ের পাতার উপর মাথা ঘসতে ঘসতে ওর কাছে ক্ষমা চাইতে লাগলাম আমি। একটু দূরে মা মুখে হাসি নিয়ে দেখতে লাগল আমাদের।

আমি আমার মাসতুতো বোন রিত্বিকার চটি পড়া দুই পায়ের উপর মাথা ঘষে ক্ষমা চাইতে লাগলাম বারবার। আর রিত্বিকা টিভি দেখতে দেখতে মাঝে মাঝেই চটি পড়া পায়ে লাথি মারতে লাগ্অল আমার মাথার উপরে। প্রায় ১০ মিনিট এইভাবে মাথার উপর রিত্বিকার লাথি খেতে খেতে আমি ওর কাছে ক্ষমা চাওয়া চালিয়ে গেলাম। তারপর রিত্বিকা ওর চটি পড়া দুটো পাই তুলে আমার মাথার উপরে রেখে বলল, ‘ ঠিক আছে। এবারের মতো তোকে ক্ষমা করে দিলাম। এরপর এরকম ভুল করলে লাথি মেরে তোর নাক ভেঙ্গে দেব আমি’।

আমি রিত্বিকার চটি পরা পায়ের তলায় মাথা রেখে হাটুগেড়ে শুয়ে রইলাম। আমার মাথা মেঝের উপর রাখা আর আমার মাথার উপর চটি পড়া পা দুটো রেখে বসে আছে আমার চেয়ে ৯ বছরের ছোট ক্লাস ৯ এ পড়া সুন্দরী মাসতুতো বোন রিত্বিকা। আমার হাত দুটো মাথার দুপাশে মেঝেতে রাখা। যেন রিত্বিকার চটি পড়া পায়ের তলায় মাথা রেখে ওকে ভক্তিভরে শাষ্টাঙ্গে প্রনাম করছি আমি।

ছেলে হিসাবে জন্মানোয় সেই ছোট থেকেই একটা হিনম্মন্যতায় ভুগি আমি। মধ্যবিত্ত বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান আমি। কিন্তু আমার মা কখনোই পুত্র সন্তান চাননি, চেয়েছিলেন কন্যা সন্তান। আমার পরে যখন আর কোন কন্যা সন্তান হল না, তখন মায়ের রাগ মাঝে মাঝেই আমার উপর এসে পরত। ছোটবেলায় কারনে অকারনে মা আমাকে মারত। আর বারবার মায়ের মুখে শুনতে হত ‘ ইশ, কেন যে আমার ছেলে না হয়ে একটা মেয়ে হল না’। মায়ের বিভিন্ন কথায় সেই ছোটবেলাতেই আমার মাথায় ঢুকে গিয়েছিল ছেলেদের থেকে মেয়েদের দাম অনেক বেশি। আর বাবা বাইরে চাকরি করায় আমি মায়ের কাছেই কোলকাতাতে বড় হয়েছিলাম। ফলে মায়ের এই চিন্তার প্রভাব আমার উপর পড়েছিল মারাত্বক রকম।

পড়াশোনাতে আমি চিরকালই ভালছিলাম। ছেলেদের স্কুলে পড়ায় আমার কোন মেয়ে বন্ধু হয়নি কোনদিনই। তবে মনে মনে মেয়েদের ভিশন শ্রদ্ধা করতাম । কোন মেয়েকে দেখলেই মনে মনে তাকে দেবীর আসনে বসিয়ে কেন জানি অদ্ভুত এক সুখ পেতাম।

রিত্বিকা ওর মা বাবার সঙ্গে থাকত হুগলী জেলার এক ছোট শহরে। ওরা দুই ভাই, এক বোন। ও দুই ভাইয়ের মাঝখানে। ওর বাবা সামান্য এক দোকান চালায়। অভাবের সংসারে ৩ ছেলে মেয়ের লেখাপড়া চালাতে কষ্ট হত। আর ওর বাবা বেশিরভাগ সাধারন লোকের মতই ছেলেদের শিক্ষাকে মেয়ের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিত। এই কথা জানতে পেরে মা মাসিকে বলে রিত্বিকাকে আমাদের বাড়িতে পাঠিয়ে দিতে । মা ওকে নিজের মেয়ের মতো রাখবে। কোলকাতায় স্কুলে পড়াবে। মাসি তার দিদির কথায় খুব খুশি হয়ে আগের বছর ওকে কোলকাতায় আমাদের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। রিত্বিকা কোলকাতায় একটা ভাল স্কুলে ক্লাস ৮ এ ভর্তি হয়।

রিত্বিকাকে আমি তার আগে শেষবার দেখেছি তার ৩ বছর আগে। ও তখন ক্লাস ৫ এ পড়ে। আমি তখন যাদবপুরে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ছি,  দ্বিতীয় বর্ষে। অপরুপা সুন্দরী রিত্বিকা মায়ের সাথে প্রথমবার আমাদের বাড়ি এসেছিল। অপরুপা সুন্দরী রিত্বিকাকে দেখে মেয়েরা যে দেবী সেই চিন্তা আবার আমার মাথায় এসে জড় হয়ে আমাকে এক অদ্ভুত অপার্থিব সুখে আচ্ছন্ন করতে থাকে। মা আমাকে সম্পুর্ন অগ্রাহ্য করে ভয়ানক ভালবাসা দিতে থাকে রিত্বিকাকে। বারবার রিত্বিকাকে জড়িয়ে ধরে আদর করে বলতে থাকে, ‘ ইশ, তুই যদি আমার মেয়ে হতিস আমি আর কিচ্ছু চাইতাম না জীবনে’।  আমাকে দিয়ে রিত্বিকার টুকটাক ফাইফরমাশ খাটাত মা। যা, বোনের জামা কেচে আন। বোনের জুতো পালিশ করে দে। একদিন কলেজ থেকে ফেরার সময় ওর জন্যে চকলেট আনতে ভুলে যাওয়ায় মা আমাকে মাসির সামনেই রিত্বিকার চটি পড়া পায়ের উপর মাথা রেখে ক্ষমা চাইয়েছিল। আমার কিরকম এক অদ্ভুত ভাল লাগায় মন ভরে গিয়েছিল। মা তখন রিত্বিকার মাথায় হাত বোলাতে বোলাতে বলেছিল “ তুই আমাদের এখানে থেকে যা । আমার মেয়ের মতো থাকবি তুই। আর তোর দাদা তোর চাকরের মতো তোর সেবা করবে”।

রিত্বিকা মা কে জড়িয়ে ধরে বলেছিল “ সত্যি মাসি, আমি এখানে থেকে যেতে পারলে দারুন খুশি হতাম। তুমি খুব ভাল। আমাকে নিজের ছেলের চেয়েও বেশি ভালবাস। আর বাড়িতে বাবা মা ভাই আর দাদাকে আমার চেয়ে বেশি ভালবাসে”। মা আর রিত্বিকার এই কথা বলার পুরো সময় জুড়ে আমি ক্লাস ৫ এ পড়া বোন রিত্বিকার চটি পরা পায়ের উপর মাথা রেখে শুয়ে ওকে শাষ্টাঙ্গে প্রনাম করছিলাম।

তার ৩ বছর পর রিত্বিকা সত্যিই আমাদের বাড়িতে থাকতে চলে এল। মা ভয়ানক খুশি হল। মায়ের সারাজীবনের একটা মেয়ের সখ মিটল যেন সেদিন। আমি তখন সদ্য ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করে সেক্টর ৫ এ একটা বহুজাতিক কম্পানিতে চাকরি নিয়েছি। রিত্বিকাকে মা একটা ভাল স্কুলে ক্লাস ৮ এ ভর্তি করে দিল। আর রিত্বিকাকে ৩ বছর আগে দেওয়া কথা মা প্রথম দিন থেকেই রাখা শুরু করল।

রিত্বিকাকে নিয়ে প্রথমদিন ঘরে ঢুকেই মা আমাকে বলেছিল, ‘ আজ থেকে ও আমার মেয়ে। তুই ওর দাদা হলেও আজ থেকে ওর চাকর। তোর জীবনের মুল উদ্দেশ্য এখন থেকে তোর ছোট বোনকে খুশি রাখা। ও যা আদেশ করবে সঙ্গে সঙ্গে বিনা প্রশ্নে পালন করবি তুই। ওকে প্রভু জ্ঞানে শ্রদ্ধা করবি। নে, এখন ওর পায়ে মাথা রেখে প্রনাম কর ওকে’।

মায়ের কথা শুনে আমার একটুও খারাপ লাগল না। বড় হওয়ার সময় আমার বহুবার মনে হয়েছিল , ইশ, আমার যদি একটা ছোট বোন থাকত তাহলে রোজ দেবী জ্ঞানে তার সেবা করতে পারতাম আমি! আর আজ আমার এতদিনের সেই স্বপ্ন যেন পূর্ন হতে চলেছে!!

রিত্বিকা মায়ের পাশে বসার ঘরের সোফায় বসেছিল। ওর পরনে ছিল সাদা টপ, গাঢ় নীল জিন্স , পায়ে সাদা মোজা , সাদা স্নিকার। মা রিত্বিকার মাথায় স্নেহভরে হাত বুলিয়ে দিতে দিতে বলল , ‘ আজ থেকে তোর দাদা তোর চাকর। তোর যা খুশি অর্ডার করবি ওকে। ইচ্ছা হলে যখন খুশি মারবি”।

মায়ের কথা শুনে রিত্বিকার মিষ্টি মুখে চওড়া হাসি ফুটে উঠল। আমি ততক্ষনে ওর পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে পড়েছি। ছোট বোনের প্রতি শ্রদ্ধায় আমি হাতজোড় করে বসে আছি ওর পায়ের কাছে । রিত্বিকা হাসিমুখে আমার দিকে তাকাল, তারপর পরপর আমার দুই গালে দুটো থাপ্পর মেরে বলল, ‘ আমার পায়ের উপর মাথা রেখে প্রনাম কর আমাকে’।

আমার চেয়ে ৯ বছরের ছোট সুন্দরী বোনের হাতে থাপ্পর খেয়ে আমি ওর জুতো পরা পায়ের উপর নিজের মাথাটা নামিয়ে দিলাম। ছোট বোনের সাদা স্নিকারের উপর নিজের কপালটা ঘসতে লাগলাম ভক্তিভরে। একটু পরে বোন ওর জুতো পরা ডান পা টা আমার মাথার উপর তুলে দিল। আমার মাথার উপর ওর জুতোর তলাটা আসতে আসতে ঘসতে লাগল বোন । আর আমি ওর বাঁ জুতোর উপর আমার কপাল ঘষা চালিয়ে গেলাম।

১০ মিনিট পর বোন ওর জুতো পড়া ডান পা দিয়ে আমার মাথার উপর একটা লাথি মেরে বলল, “ এবার ওঠ দাদা”।

আমি উঠে আবার হাটুগেড়ে বসলাম আমার সুন্দরী ছোট বোন রিত্বিকার পায়ের কাছে।

“ মাসি, আমি কি রনিদার সাথে যা খুশি করতে পারি?” রিত্বিকা মায়ের দিকে তাকিয়ে প্রশ্ন করল।

জবাবে মা রিত্বিকার দিকে ঝুকে ওর কপালে চুম্বন করে বলল, “ হ্যাঁ রে মা, নিশ্চয়ই পারিস। ও তোর দাদা হলে?ও তোর চাকর, তোর দাস। তুই যা খুশি করতে পারিস ওর সাথে। যা খুশি শাস্তি দিতে পারিস ওকে”।

“ বাড়িতে এতদিন দাদা আর ভাইকে বেশি ভালবাসা পেতে দেখে আমার খুব হিংসা আর রাগ হত ছেলেদের উপর। এখন থেকে রনিদার উপর রোজ আমি তার প্রতিশোধ নেব”। এই বলে রিত্বিকা জুতো পড়া ডান পা তুলে আমার মুখের উপর খুব জোরে একটা লাথি মারল। ওর জুতো পড়া ডান পায়ের তলাটা আঘাত করল ঠিক আমার নাকের উপর। আমার নাক থেকে কয়েক ফোঁটা রক্ত গড়িয়ে পড়ল আমার ঠোঁটের উপর দিয়ে। ভয়ানক যন্ত্রনায় ককিয়ে উঠলাম আমি, কয়েক সেকেন্ডের জন্য চোখে অন্ধকার দেখলাম। উল্টে পরে যাচ্ছিলাম প্রায় , কোনরকমে সামলে নিলাম নিজেকে।

‘ চুপ করে বসে থাক দাদা, আমি তোর মুখে লাথি মারব এখন। চুপচাপ বসে আমার লাথি খা এখন। এখন থেকে রোজ তুই মুখে এইভাবে আমার লাথি খাবি’।

রিত্বিকার কথা শেষ হওয়ার আগেই এবার ওর জুতো পরা বাঁ পা আমার নাকের উপর আছড়ে পড়ল।

ছোট বোনের ডমিন্যান্ট আচরনে আমি ততক্ষনে মুগ্ধ হয়ে গেছি । ওর জুতো পড়া দুই পা একের পর এক আঘাত করে চলেছে আমার মুখের সর্বত্র। আর আমি ভক্তিভরে মুখের সর্বত্র আমার প্রভু মাসতুতো বোন রিত্বিকার লাথি খেতে খেতে গুনে চলেছি লাথির সংখ্যা।

আমার মুখের উপর ঠিক মোট ৫৬ টা লাথি মেরে থামল রিত্বিকা। ও থামতেই আমি মন্ত্রমুগ্ধ পুতুলের মতো ওর জুতো পরা দুই পায়ের উপর চুম্বন করতে করতে ওকে ধন্যবাদ দিতে লাগলাম আমার মুখে লাথি মারার জন্য। তারপর রিত্বিকা আমার মাথার উপর আবার লাথি মেরে আমাকে আদেশ করল ওর পায়ের তলায় শুয়ে পরতে।

আমি আমার প্রভুর আদেশ পালন করতেই প্রভু ওর জুতো পরা পা দুটো আমার মুখের উপর তুলে দিল। আমার মুখের উপর ওর জুতোর তলা দুটো ঘসল কিছুক্ষন। তারপর আমার নাকের উপর লাথি মেরে আদেশ করল আমার জিভটা বার করে দিতে। আমি ততক্ষনাত আমার প্রভু রিত্বিকার আদেশ পালন করলাম। আমার ৯ বছরের ছোট সুন্দরী বোন আমার বার করা জিভের উপর ওর বাঁ জুতোর তলা নামিয়ে দিল। আমার জিভের উপর ঘসতে লাগল ওর ধুলো কাদা লাগা বাঁ জুতোর তলা। প্রায় ১০ মিনিট আমার জিভের উপর ঘষে নিজের বাঁ জুতোর তলা নতুনের মতো চকচকে করে নিল বোন। তারপর মায়ের সামনেই একইভাবে আমার জিভের উপর জুতো পড়া ডান পায়ের তলা নামিয়ে দিল। আমি বোনের বাঁ জুতোর তলার সব ময়লা ভক্তিভরে গিলে খেয়ে একইরকম ভক্তিভরে ওর ডান জুতোর তলার ময়লা গিলে খেতে লাগলাম।

আরও ১০ মিনিট ধরে আমার বার করা জিভের উপর নিজের ডান জুতোর তলা ঘষে নতুনের মতো পরিষ্কার করে ফেলল বোন। তারপর পরিষ্কার ডান জুতো পরা পা দিয়ে আমার নাকের উপর একটা জোরে লাথি মেরে বলল, ‘ এখন থেকে আমি এই বাড়ির মেয়ে। আর তুই আমার দাস। এখন থেকে আমি যা আদেশ করব তুই তাই করবি। প্রত্যেক মাসে মাইনে পেয়ে পুরো টাকা তুলে দিবি আমার হাতে। আরোজ এইভাবে আমি তোর মুখে যতখুশি লাথি মারব, তোর জিভের উপর ঘষে আমার জুতোর তলা পরিষ্কার করব। আর তুই তার জবাবে আমার পায়ে মাথা ঠেকিয়ে আমাকে প্রনাম করে আমাকে ধন্যবাদ দিবি। নে, এখন ভক্তিভরে আমার পা টিপতে থাক। এই বলে বোন ওর জুতো পড়া বাঁ পা টা আমার কপালের উপর আর ডান পা টা আমার ঠোঁটের উপর রেখে মায়ের সাথে গল্প করতে লাগল। আর আমি ভক্তিভরে আমার চেয়ে ৯ বছরের ছোট আমার মাসতুতো বোন, আমার প্রভুর পা দুটো পালা করে টিপতে থাকলাম।

সেই থেকে রোজই আমি একইরকম ভক্তিভরে আমার বোন, আমার প্রভু রিত্বিকার সেবা করি।

 

 

দিদি পুজো (By SLAVE/ মেয়েদের কুকুর)

আমি খুব ছোট থাকতেই এক এক্সিডেন্টে আমার মা বাবা মারা যান। আমার বয়স তখন ১১ । আর আমার দিদির বয়স ১৫। পুরো পৃথিবীতে শুধু আমি আর দিদি। দিদি খুব ভালো ছাত্রী ছিলো।
সে টিউশনি করে সংসার চালাতে লাগলো। আমার দিদির রক্ত পানি করা পরিশ্রমের টাকায় আমি পড়াশোনা করতে থাকি। আমার দিদিই আমাকে খাইয়ে পড়িয়ে মানুষ করে তোলে।
এখন আমি কলেজে উঠেছি। এস.এস.সি তে এ+ পেয়েছি। আর দিদি চাকরি পেয়েছে পুলিশে। সরকারের দেওয়া কোয়ার্টারে উঠেছি আমরা ভাই বোন। জীবন যাত্রা উন্নত হয়েছে। আমার দিদি এখন
এক সুন্দরী যুবতী। নামকরা পুলিশ অফিসার। গাড়িতে করে চলাচল করে। ছোট থাকতে খুব বেশী বুঝতাম না,কিন্তু এখন বুঝতে পারি দিদি না থাকলে আমার কি যে হত। আমার দিদির কারনেই আজ
মানুষ হতে পেরেছি। কষ্টের দিনগুলোর কথা ভাবলেই দিদির প্রতি শ্রদ্ধায় মাথা নুইয়ে আসে।
আজকেও শুয়ে শুয়ে আগের দিনের কথা ভাবছিলাম। কত কষ্টই না করেছে আমার দিদি টা! কিন্তু আমি কি কখনো আমার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে পেরেছি ঠিকমত? হ্যা আমি বাধ্য ছেলের মত চলেছি,বখে
যাইনি,কিন্তু শুধু এটুকুই যথেস্ট না। আমার দিদি মানুষ না,আমার দিদি দেবী। আর দেবীকে পুজো করেই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে হয়। তাই মনে মনে ঠিক করলাম আজ থেকে দিদিকে দেবী জ্ঞ্যান করে চলবো।
দিদির ডিউটি শেষ হয় রাত ৮টায়। সাড়ে আটটার দিকে দিদি চলে এলো বাসায়। আমি দরজা খুলে দিলাম। আমার সামনে দাঁড়িয়ে আছে আমার অনিন্দ্য সুন্দরী দিদি। ৫ ফিট ৩ ইঞ্চি লম্বা,গরমে লাল হয়ে যাওয়া
গায়ের রঙ (দিদি খুবই ফর্সা),চুল খোপা করে রাখা,পুলিশের টাইট ইউনিফর্ম পরা এক দেবী। এতো সুন্দর লাগছে,এমন সুন্দর কেবল দেবীরাই হতে পারে।
আমাকে দেখে মিস্টি হাসলো দিদি। আমার গাল টিপে দিয়ে ঘরে ঢুকে সোফায় ধপ করে বসলো দিদি। অনেক ক্লান্ত হয়ে আছে। আমি গিয়ে দিদির পায়ের সামনে বসে পরলাম। দিদির বুট পরা একটা পা আমার
কোলে তুলে নিলাম। অবাক হয়ে গেলো দিদি,’কি রে শুভ,কি হয়েছে তোর? পা ধরে আছিস যে?’
আমার মনে পরে গেলো দিদির কস্টের কথা। নিজে না খেয়ে আমাকে ভালো ভালো খাবার খাইয়েছে আমার দিদি। গরমের সময় সারা রাত না ঘুমিয়ে আমাকে বাতাশ দিয়েছে। এইসব ভেবে টপ টপ করে আমার
চোখ দিয়ে পানি পরতে লাগলো।দিদি অবাক হয়ে গেলো। আমার গালে হাত দিয়ে বললো ‘কি হয়েছে তোর লক্ষ্মী সোনাটা? বল আমাকে’
আমি দিদির বুট পরা পায় আমার মুখ চেপে ধরলাম। চুমু দিতে লাগলাম দিদির বুটে। আর বললাম ‘দিদি,কত কস্ট করেই না আমাকে মানুষ করেছো তুমি। নিজে না খেয়ে খেয়ে আমাকে খাইয়েছো। না ঘুমিয়ে
ঘুমিয়ে আমার সেবা করেছো। কিন্তু আমি কি করলাম তোমার জন্যে? কিছুই না! কত কস্ট করে আসো সারাদিন। একটুও সেবা করিনা তোমার। তুমি আমার দেবী গো দিদি। তোমার সেবা না করতে পারলে
আমি মরে যাবো। আমার চামড়া কেটে জুতা বানিয়ে দিলেও তোমার ঋণ শোধ হবেনা। আমাকে শুধু একটু সেবা করতে দাও তোমার দিদি। আমার চেয়ে সুখী আর কেউ হবেনা।তুমি ই পৃথিবীতে আমার সব।
আমার আপন। আমার আর কেই নেই। তোমার সেবায় নিজের জীবন উৎসর্গ করে একটু হলেও তোমার ঋণ টা শোধ করতে চাই দিদি।’ বলে দিদির বুট পরা পায়ে নাক মুখ ঘষতে লাগলাম
দিদির চোখেও পানি চলে আসলো। আমাকে পা থেকে টেনে বুকে জড়িয়ে ধরলো,বললো ‘সোনা আমার লক্ষ্মী আমার,তোকে অনেক ভালোবাসি আমি। আমাকে সেবা করে যদি তুই সুখি হস,তাহলে কর তোর যত
ইচ্ছা। লক্ষ্মী সোনা ভাই আমার’ বলে আমার কপালে চুমু দিলো দিদি। তারপর চোখ মুছিয়ে দিলো।
হাসিতে ভরে গেলো আমার মুখ। বললাম ‘সারাদিন ডিউটি করে এসেছো। একটু ফ্যানের নিচে জিরিয়ে নাও। আমি তোমার পা টিপে দিচ্ছি। তারপর গোসলে ঢুকিও। তখন আমি খাবার রেডি করে ফেলবো’।
মিষ্টি হাসলো দিদি। বললো ‘ঠিকাছে দে।আমারো পা দুটোয় অনেক ব্যাথা করে প্রতিদিন। এখন থেকে আমার সোনা ভাইটা টিপে দিয়ে দিদির ব্যাথা দূর করে দিবে,তাইনারে সোনা?’
ততক্ষনে আমি দিদির ডান পা থেকে বুট টা খুলে এনেছি। জুতা মোজার গন্ধে ঘরের বাতাস ভারী হয়ে গেলো। দিদির কালো মোজা পরা ডান পাটার নিচে একটা গভীর চুম্বন করে আমি বললাম ‘অবশ্যই
দিদি। প্রতিদিন টিপে দিবো আমার দিদির পা’। খুব খুশি হলো দিদি। হাসিতে ভরে গেলো সুন্দর ফর্সা মুখটা। বললো ‘পায়ে অনেক গন্ধ রে শুভ’।আমি বললাম ‘একটুও না। এগুলা কোন সাধারণ পা না।
আমার দেবী দিদির স্বর্গীয় পা এগুলো।দেবীর পায়ের গন্ধ ও যেকোন সুগন্ধির চেয়ে ভালো’। বলে দিদির মোজা পরা পা টা আমার নাকে চেপে ধরে গভীর ভাবে শ্বাস নিলাম একটা। হাহাহা করে হেসে উঠলো
দিদি। ‘পাগল ভাই তুই আমার’ বলে কালো মোজা পরা ডান পা টা বেশ করে আমার মুখে ঘসে দিয়ে আদর করে দিলো। ততক্ষনে বা পায়ের বুটটাও খুলে এনেছি। দুটি পাই এবার কোলে নিয়ে বেশ করে
টিপে দিতে থাকলাম। আরামে চোখ বন্ধ হয়ে গেলো দিদির। কিছুক্ষন পর পা দুটো আমার মুখের সামনে এনে মোজা খুলে দিতে ইশারা করলো দিদি। আমি আসতে করা মোজা গুলো খুলে আনলাম। দিদির
ফর্সা পা দুটো এখন আমার মুখের সামনে। গভীর ভাবে চুম্বন করলাম দুটি পায়ের নিচেই। দিদি পায়ের তলা আমার গালে লাগিয়ে বললো ‘সোনা ভাই আমার’।তারপর বললো ‘যাই গোসল করে আসি। তুই মোজা
গুলো ধুয়ে দে। জুতাটা সাফ করে রাখ। আর খাবার গরম কর।’ বলে উঠে দাড়ালো দিদি। আমি দিদির পায়ে নিজের মাথা নামিয়ে এনে চুমু দিতে লাগলাম। চুপচাপ দাঁড়িয়ে ভাইয়ের কান্ড দেখতে লাগলো দিদি।
আর মুচকি মুচকি হাসতে লাগলো। আমি চুমু দিতেই লাগলাম দিতেই লাগলাম। দিদি আমার মাথার উপর একটি পা তুলে দাঁড়ালো। চুল গুলো পা দিয়ে এলোমেলো করে দিয়ে বললো ‘হয়েছে,পরে সেবা করিস,
এখন গোসলে ঢুকি’,বলে মিস্টি হাসলো। আমি বললাম ‘ঠিকাছে দিদি’
দিদি গোসলে ঢুকলো। আমি দিদির মোজা ধুয়ে দিলাম। বুটগুলো পরিস্কার করে রাখলাম। খাবারো গরম করলাম। ২০ মিনিট পর দিদি বেরিয়ে এলো। নিজের রুমে ঢুকে লোশন মাখতে লাগলো
হাতে পায়ে। আমি দিদির চটি জোড়া হাতে নিয়ে দিদির পায়ের সামনে মাথা নুইয়ে বসে পরলাম। নিজ হাতে পরিয়ে দিলাম চটি জোড়া। তারপর বললাম ‘খাবার রেডি দিদি’। দিদি আমার গালে
হাত বুলিয়ে দিয়ে বললো ‘চল খেয়ে ফেলি’।
একসাথে রাতের খাবার খেলাম আমরা। খাওয়া শেষ করে দিদি টিভি দেখতে বসলো পায়ের উপর পা তুলে।আমি দিদির পায়ের সামনে বসে পরলাম। বললাম ‘তুমি টিভি দেখো দিদি। আমি পা
টিপে দেই’।মিস্টি হাসলো দিদি। আমি প্রায় এক ঘন্টা দিদির পা টিপে দিলাম। আর ফাকে ফাকে চুমু দিতে লাগলাম পায়ের নিচে।নাক মুখ ঘষতে লাগলাম। দিদি বললো ‘আমার ভাই আমাকে এত
ভালোবাসে তা আগে বুঝিনি। তুই এইভাবে আমার সেবা করছিস,নিজের কাছেই ভালো লাগছে ব্যাপারটা।তোকে আরও বেশী আপন মনে হচ্ছে রে সোনা’।আমি দিদির পায়ের নিচে গভীর চুম্বন করে
বললাম ‘তুমি আমার দেবী দিদি। তোমার পায়ের নিচেই আমার প্রকৃত স্থান দিদি।আমি তোমার পা ধোয়া পানি খেতে চাই প্রতিদিন। তাহলে আমার জীবন সাফল্য ভরে যাবে।আমার দিদির স্বর্গীয়
পায়ের ধোয়া জল আমার জন্যে এক স্বর্গীয় প্রসাদসম’ বলে চুমুর পর চুমু দিতে লাগলাম দিদির ফর্সা পায়ের নিচে
দিদির চোখে খুশিতে পানি চলে এলো। ‘ওরে আমার সোনা’ বলে পায়ের তলা আমার পুরো মুখে ঘষতে লাগলো দিদি,বললো ‘কর আমাকে পুজা ভাই আমার।তুই সুখী হলেই আমি সুখী। যা পানি
আর গামলা নিয়ে আয়’।আমি তাড়াতাড়ি পানি আর গামলা নিয়ে এলাম। আমার দিদির ফর্সা পবিত্র পা দুটি সযত্নে ধুইয়ে দিলাম। তারপর ঢকঢক করে খেয়ে নিলাম দিদির পা ধোয়া পানি।
তারপর দিদির পায়ের সামনে মাথা নামিয়ে দিলাম। বললাম ‘আমাকে আশীর্বাদ করে দাও দিদি,যাতে অনেক বড় হতে পারি জীবনে আর সারা জীবন তোমার সেবা করতে পারি’।ছলছল চোখে
উঠে দাড়াল দিদি।পায়ে চটি পরে নিলো। তারপর চটি পরা একটি পা আমার মাথার উপর রাখলো। চটির তলা ঘসে আমাকে আদর করতে করতে বললো ‘আশীর্বাদ দিলাম তোকে লক্ষ্মী সোনা,
জীবনে অনেক বড় হবি তুই।আজ তোকে নিয়ে আমি অনেক গর্বিত। এমন ভাই যেন দুনিয়ার প্রতিটি দিদি পায়’।তারপর আমাকে পা থেকে টেনে তুললো। বুকের মধ্যে আমার মাথাটা চেপে ধরে
আদর করতে লাগলো দিদি। তারপর কপালে চুমু দিয়ে বললো ‘এখন ঘুমিয়ে যাই চল। সকালে আবার ডিউটি আছে।৬টায় উঠে যাবো আমি।তোর কলেজ তো ৯ টায় তাইনা?তুই টাইমলি উঠে
কলেজে চলে যাস’। আমি বললাম ঠিকাছে দিদি
সকালে ঘুম থেকে উঠে দিদি অবাক। অন্যদিন ঘুম থেকে উঠে নিজে নিজে নাস্তা রেডি করে খেতো দিদি। আমার জন্যেও বানিয়ে রেখে যেতো। আজ দিদি দেখছে টেবিলে নাস্তা রেডি!বিছানার পাশে
দিদির পুলিশ ইউনিফর্ম ইস্ত্রি করে রাখা! চকচক করছে বুট জোড়া! দিদি খাবার টেবিলে এসে দেখলো আমি ব্রেডে জেলি মাখিয়ে দিচ্ছি। অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলো দিদি ‘কি রে শুভ! তুই
এত সকালে জেগে গেছিস যে! আর নাস্তা রেডি,কাপড় ইস্ত্রি এগুলো কে করেছে রে?’। আমি ব্রেড প্লেইটে রেখে দিদির পায়ের সামনে এসে বসে পরলাম। দিদির পায়ে চুমু দিয়ে বললাম ‘আমি
খুব ভোরে উঠে সব করে রেখেছি দিদি।তোমার গোসলের পানিও রেডি করে রেখেছি।এখন থেকে তোমাকে আর কস্ট করতে হবেনা। তুমি রানীর মত থাকবে। সারা জীবন অনেক কস্ট করেছো
আমার জন্যে। এখন প্রতিদানের সময় আমার’।
খুশিতে দিদির চোখ ভিজে গেলো।চটি পরা ডান পা টা আমার মাথার উপর তুলে ঘষতে ঘষতে বললো ‘সোনা ভাই আমার,তোকে অনেক আশীর্বাদ করে দিলাম,অনেক বড় হ’। আমি দিদির পায়ে
এমন ভাবে মাথা ঘষতে লাগলাম যেন কুকুর তার মনিবের পায়ে মাথা ঘসছে।দিদি গোসল করে আসার পর বললাম ‘তুমি রেডি হয়ে খেতে বসে পর দিদি। লেইট হয়ে যাবে শেষে। জুতা আমি
পড়িয়ে দিবো।তুমি জাস্ট কাপড় পরে ফেলো’। দিদি আমার গাল টিপে দিয়ে মিস্টি হেসে বললো ‘ঠিকাছে আমি আসছি’। তারপর পুলিশের ইউনিফর্ম পরে এসে নাস্তা খেতে বস্লো।আমি দিদির বুট
জোড়া আর একজোড়া পরিস্কার নীল মোজা নিয়ে এসে টেবিলের নিচে ঢুকে গেলাম।দিদির পায়ে প্রথমে মোজা গুলো পড়িয়ে দিলাম। ডান পায়ে মোজা পড়িয়ে পা টা আমার মুখের উপর এনে
রাখলাম। তারপর অন্য পায়ে মোজা পড়িয়ে দিলাম। দিদি খেতে খেতে হাসি মুখে দেখতে লাগলো ভাইয়ের সেবা করা।এবার বুট গুলো পড়িয়ে দিলাম। ঘষে চকচকে করে ফেলেছি আগের রাতে।
বুট পড়িয়ে দিয়ে আমার কপাল মাটিতে লাগিয়ে সিজদাহর মত শুয়ে থাকলাম দিদির সামনে। আর দিদির বুট পরা পা গুলো আমার মাথার উপর রাখলাম
সে এক অপরূপ দৃশ্য। দেবীর কাছে নিজেকে সমর্পণ করার এক দৃশ্য। আমার মাথার উপর বুট পরা পা রেখে আমার দেবী দিদি নাস্তা খাচ্ছে,আর আমি দিদির পায়ের নিচে দিদিকে সেজদাহ করছি,
আমার জীবন টাই আজ সার্থক মনে হচ্ছে।এখানেই তো আমার আসল স্থান। এতদিন কেন বুঝিনি তা ভেবে আফসোস হচ্ছে
দিদির খাওয়া শেষ হলে চোখা বুটের আগা দিয়ে আমার মাথায় আলতো করে টোকা দিয়ে বললো ‘হয়েছে,এবার ওঠ। আমি গেলাম। তুই কলেজে যাস,কেমন?’। আমি উঠে দাড়িয়ে বললাম ‘ঠিক আছে
দিদি’। দিদি মিস্টি হেসে আমার গালে হাত বুলিয়ে দিয়ে চলে গেলো।দিদি চলে যাওয়ার পর আমি একটু রেস্ট নিলাম। তারপর সময় হলে কলেজে গেলাম। বিকালে বাসায় ফিরে আসলাম। এসে
কোন বিশ্রাম নেই,কিভাবে আমার দেবীর সেবা করা যায় সেটা ভাবতে লাগলাম। দিদির ঘর খুব সুন্দর করে অনেকক্ষণ সময় নিয়ে গুছিয়ে রাখলাম। দিদির জন্যে নুডুলস বানিয়ে রাখলাম। দিদির
পা ধুইয়ে দেওয়ার জন্যে দোকান থেকে স্পঞ্জ কিনে আনলাম। দিদি আসবে রাত ৮ঃ৩০ এর দিকে। ভাবলাম মাত্র ৬টা বাজে।কিছুক্ষন ঘুমিয়ে নেই।
৭টার সময় কলিংবেলের আওয়াজে ঘুম ভেঙে গেলো। এই অসময়ে আবার কে এলো? ধুর। মেজাজটাই বিগড়ে গেলো। দিয়ে দরজা খুললাম। দেখি দিদি দাঁড়িয়ে আছে। সাথে সুন্দরী এক মেয়ে,দিদির
বয়সী ই হবে। আমি অবাক হয়ে বললাম ‘দিদি তুমি এত তাড়াতাড়ি যে?’। দিদিকে একটু বিরক্ত মনে হলো। বললো ‘আমরা ১০ মিনিট ধরে দাঁড়িয়ে আছি। কোথায় ছিলি শুভ?’আমি সাথে
সাথে দিদির পায়ে পরে গেলাম। দিদির বুটে নাক মুখ ঘষতে ঘষতে বললাম ‘আমি ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। প্লিজ দিদি আমাকে ক্ষমা করে দাও। আমার দিদিকে দাড় করিয়ে রেখে এত কস্ট দিয়েছি
আমি। আর কখনো এমন হবেনা প্লিজ প্লিজ প্লিজ আমাকে মাফ করে দাও’। দিদি হাসিমুখে তাকালো পাশের মেয়েটির দিকে। বললো ‘দেখেছিস,বলেছি না আমার সোনা ভাইটা আমাকে দেবীর মত
পুজা করে? এবার বিশ্বাস হলো তো?’। মেয়েটি অবাক হয়ে বললো ‘আমিতো প্রথমে বিশ্বাস ই করিনি। আসলেই তো!’। অইদিকে আমি দিদির বুটে মাথা ঘষা চালিয়ে যাচ্ছি। দিদি হাসিমুখে আমার
মাথার উপর বুট পরা একটি পা রেখে দাড়ালো’। বললো ‘আমার সোনা ভাইয়ের উপর কি আমি রাগ করতে পারি? দিদি তোকে ক্ষমা করে দিয়েছি।ওঠ এবার’ বলে বুটের তলা আমার মাথায়
ঘষে ঘষে আদর করতে লাগলো।দিদির বুটের ময়লা আমার চুলে লাগতে লাগলো। আমি উঠে দাঁড়ালাম। দিদির পাশের মেয়েকে দেখিয়ে বললো ‘ও আমার বান্ধবী প্রিয়াঙ্কা। আমাকে দেখতে এসেছে
অনেকদিন পর। তাই আগে আগে ছুটি নিয়ে চলে এসেছি’। আমি তাকালাম প্রিয়াঙ্কা দির দিকে। দিদির চেয়েও লম্বা,দারুন স্মার্ট। টাইট জিন্স,নিল টপস আর লাল হাই হীল পরনে। আমি প্রিয়াঙ্কা দির
পায়ের কাছে মাথা নিচু করে বসে লাল হাই হীল পরা পায়ে চুমু দিলাম। বললাম ‘নমস্কার দিদি। কেমন আছেন?’।প্রিয়াঙ্কা দি খুব খুশি হলো। বললো ‘এভাবে কেউ আমাকে কখনো এত সম্মান
দেয়নি। অনেক ভালো আছিরে ভাই। তুই ভালো আছিস তো? সেই ছোটবেলা দেখেছিলাম তোকে।’ আমি বললাম জি ভালো। আপনারা আসুন।
দিদিরা বাসায় ঢুকে সোফায় বসলো। আমি দিদির পায়ের কাছে বসে পরলাম। দিদি হেসে আমার কাধের ওপর বুট পরা একটা পা রাখলো। বললো ‘এইভাবে সারাদিন আমার পায়ের সামনে
পরে থেকে দিদির সেবা করে আমার সোনা ভাইটা। দিদির সেবা করাই ওর এক মাত্র ধ্যান জ্ঞ্যান’। প্রিয়াঙ্কা দি বললো ‘আমার খুব হিংসা হচ্ছেরে তোর উপর। এমন ভাই কয়জনের আছে যে
দিদিকে দেবীর মত পুজো করে! সত্যি তুই লাকি রে’। গর্বে দিদির বুক ফুলে উঠলো। ততক্ষনে আমি দিদির বুট খুলে ফেলেছি। সারাদিন কাজ করে দিদির পরিস্কার আকাশী নীল মোজাটা ময়লা
হয়ে গিয়েছে।দিদি মোজা পরা ডান পা টা আমার মুখের উপর রেখে ঘষতে ঘষতে বললো ‘ঠিক বলেছিস,এমন লক্ষ্মী ভাই খালি আমারি আছে’। প্রিয়াঙ্কা দি বললো ‘ইশ! আমার ভাইটা যদি এভাবে
আমার সেবা করতো!’। দিদি বললো ‘আফসোস করিস না। তুই আমার বেস্ট ফ্রেন্ড। আমার ভাই মানে তোর ভাই। এখন থেকে শুভ কেই নিজের ভাই মনে করে ইচ্ছামত সেবা করাস। যা তো
শুভ,তোর প্রিয়াঙ্কা দিদির সেবা করে দে একটু’। আমি দিদির মোজা পরে পায়ে চুমু দিয়ে প্রিয়াঙ্কা দির পায়ের কাছে গিয়ে বসলাম। হীল পরা পা দুটো আমার কোলে নিয়ে টিপতে লাগলাম।
বললাম ‘আপনাকেও দেবীর মত সেবা করবো আমি প্রিয়াঙ্কা দি’ বলে প্রিয়াঙ্কা দির লাল হাই হীলের নিচে চুমু দিলাম। হাসিতে ভরে গেলো প্রিয়াঙ্কা দির সুন্দর ফর্সা মুখটা। আমার গালে হাত বুলিয়ে
দিলো।দিদি বললো ‘তুই বস। আমি নাস্তা বানিয়ে আনি’। আমি বললাম ‘আমি নুডুলস বানিয়ে রেখেছি দিদি। গরম করলেই চলবে’। দিদি বললো ‘ঠিকাছে আমি গরম করে আনি। আর একটু ফ্রেশ
হই। ১৫ মিনিট লাগবে।তুই তোর প্রিয়াঙ্কা দির সেবা করতে থাক’। বলে চলে গেলো
দিদি চলে গেলে প্রিয়াঙ্কা দি বললো ‘আমার জুতার নিচে অনেক ময়লা লেগে আছেরে শুভ। কি করি বলতো?’। আমি বললাম ‘দিদি,আপনার চরনের ময়লা আমার কাছে প্রসাদসম। আপনি অনুমুতি
দিলে আমি চেটে পরিস্কার করে দিতে চাই’। প্রিয়াঙ্কা দি খিলখিল করে হেসে উঠলো। আমার মুখের সামনে হিল পরা পা দুটো এনে বললো ‘ঠিকাছে। দে’। আমি কুকুরের মত প্রিয়াঙ্কা দির লাল হাই
হিলের নিচটা চেটে পরিস্কার করতে থাকলাম। একদম চকচকে করে ফেললাম। প্রিয়াঙ্কা দি হাসতে লাগলো। বললো ‘তোর মুখ তো ময়লায় ভরে গেছেরে। দে পরিস্কার করে দেই। হা কর’। আমি
হা করতেই আমার মুখের ভেতর একদলা থুথু ফেললো প্রিয়াঙ্কা দি। হাসতে হাসতে বললো ‘গিল’। আমি গিলে ফেললাম। প্রিয়াঙ্কা দি বললো ‘আমার জুতা খোল। পায়ের নিচটাও ময়লা হয়ে আছে।
একটু চেটে দে না ভাই আমার’। আমি বিনা বাক্যে দিদির জুতা খুলে পায়ের নিচের ময়লা চেটে খেতে লাগলাম।
ততখনে নাস্তা নিয়ে দিদি এসে গেছে। এসে দেখে আমি প্রিয়াঙ্কা দির পা চাটছি। দিদি বললো ‘দেখেছিস আমার ভাই কিভাবে তার দিদিদের দেবীদের মত পুজা করে?’। প্রিয়াঙ্কা দি আমার মুখে
তার ফর্সা পায়ের তলা ঘষতে ঘষতে বললো ‘হ্যা রে দেখছি সবই। আমার নিজেকে আসলেই দেবী মনে হচ্ছে। কিভাবে কুকুরের মত চাটছে দেখ। মনে হচ্ছে কুকুর তার প্রভুর পায়ের তলা
চেটে দিচ্ছে’। দুই দিদি একসাথে খিলখিলিয়ে হেসে উঠলো। তারপর দুজনই নুডুলস খেতে লাগলো। দিদি আমাকে বললো ‘যা সোনা তুই একটা বাটি নিয়ে আয়। আমাদের সাথে বসে খা’। আমি
বললাম ‘তোমরা আমার দেবী। তোমাদের সাথে বসে খাওয়া আমার মানায়না। আমি তোমাদের পায়ের নিচ থেকে খেতে চাই দিদি। এ আমার জন্যে অনেক বড় সম্মানের ব্যাপার। প্লিজ দিদি
আমাকে তোমাদের পবিত্র পায়ের তলা থেকে খাওয়ার একটা সুযোগ দাও’।দিদিরা হাসতে লাগলো। দিদি আমার মুখে তার ফর্সা পায়ের তলা ঘষে আদর করতে করতে বললো ‘তুই তো সত্যি আমাকে
এক দেবী বানিয়ে দিলিরে। অনেক বেশি গর্বিত আমি’ ঠিক আছে,তোর মনের আশা পূরণ করবো’। বলে দিদি কিছু নুডুলস মাটিতে ফেলে দিলো। তারপর দিদি আর প্রিয়াঙ্কা দি দুজনই তাদের পা
দিয়ে বেশ করে মাড়িয়ে নিলো। তারপর আমার মুখের আমার তাদের পা এনে বললো ‘নে সোনা,খেয়ে নে’। আমি দুই দিদির পায়ের তলা চেটে চেটে কুকুরের মত খেতে লাগলাম

(সমাপ্ত)

নভেম্বারের এক সন্ধ্যা সেটা, টিভি রুমের ঘড়ির কাটা সন্ধ্যা ৬ টা ছুঁইছুঁই প্রায়। বাতাসে শীতের ছোয়া লেগেছে অল্প অল্প। তখন আমার ক্লাস ১১। বাবা মার অফিস থেকে ফিরতে তখনও ঘন্টা দুয়েক দেরী। বাড়িতে শুধু আমি আর আমার ক্লাস ৮ এ পড়া বোন স্বাগতা। আমার সুন্দরী ছোট বোন পায়ের উপর উপর পা তুলে চেয়ারে বসে টিভি দেখছে। স্কুল থেকে প্রায় দুই ঘন্টা আগে ফিরেছে ও, অথচ ওর পরনে এখনও স্কুলের সাদা জামা, সবুজ স্কার্ট, পায়ে সাদা মোজা ও জুতো। সকালে ওর কথা মতো পিজ্জা এনে ওকে টিফিনে দিতে ভুলে গিয়েছিলাম, তাই রাগ করে আমার সঙ্গে বোন কথা বলছে না বাড়ি ফেরার পর থেকে। একটু পরে বাবা মা বাড়ি ফিরে যদি দেখে বোন আমার সঙ্গে ঝগড়া করে রাগ করে এখনও স্কুলের জামা- জুতো পরে বসে আছে, তাহলে আমি খুব বকা খাব। কারন বোনের পা থেকে জুতো খুলে দেওয়াটা সেই ছোটো থেকেই আমার ডিউটির মধ্যে পরে!
হ্যাঁ, ছোট থেকেই আমার আর বোনের সম্পর্ক এরকম । রোজ ওর পায়ে জুতো পরিয়ে দেওয়া, পা থেকে জুতো খুলিয়ে দেওয়া, স্কুল থেকে ফেরার পর নিয়ম করে ওর পা টিপে দেওয়া, ওর জামা কাচা, ঘর ঝাট দেওয়া। ওর জন্য টিফিন বানানো, ওর জুতো পরিষ্কার সহ ওর হাজারটা কাজ রোজ আমাকে করতে হয়। আমি বোনের চেয়ে ৩ বছরের বড় হওয়া সত্বেও আমার সুন্দরী ছোট বোন ওর যা খুশি অর্ডার করে আমাকে। বাবা, মা চিরদিনই ওকে আমার চেয়ে অনেক বেশি ভালবাসে, বাবা মাও তাই বোনকে আমাকে অর্ডার করতে দেখে খুশি হয়, ওকে উতসাহিত করে আরও এই ব্যাপারে। আমারও কেন জানি চিরদিনই খারাপ তো লাগেই না, বরং কেমন যেন ভাল লাগে ছোট বোনের এই শাসন । আসলে ছোট্ট বোনটাকে আমি চিরদিনই বড্ড বেশি ভালবাসি।
সেই ছোট্ট থেকেই রোজ বিকালে বোন স্কুল থেকে ফিরলে আমি প্রথমে ওর জন্য বানানো টিফিন প্লেটে করে ওর হাতে দিই। তারপর ও টিভি দেখতে দেখতে বা কম্পিউটারে গেম খেলতে খেলতে টিফিন খায়। আর আমি ওর পায়ের কাছে মেঝেতে বসে প্রথমে যত্ন করে আমার সুন্দরী ছোট বোন স্বাগতার পা থেকে জুতো মোজা খুলে দিয়ে ওর পায়ে ঘরে পরার চটি পরিয়ে দিই। তারপর সারা বিকেল বোনের পায়ের কাছে ঠিক চাকরের মতো বসে ওর পা টিপে দিই। বোন প্রায় রোজ রাতেই একইভাবে বাবা মার সামনে আমাকে দিয়ে পা টেপায়। বাবা মা ওদের আদরের মেয়েকে আমাদের সম্পর্ক নিয়ন্ত্রন করতে দেখে খুশি হয়।
অথচ আজ ও স্কুল থেকে ফেরার পর এতক্ষন হয়ে গেছে, এখনও ও আমার সঙ্গে কথা বলেনি। নিজে জুতো পড়া পায়ে রান্না ঘরে গিয়ে আমার বানানো টিফিন প্লেটে নিয়ে টিফিন করেছে অবশ্য। কিন্তু আমার সাথে কথা বলেনি একবারও, আমাকে ওর জুতো খুলতেও দেয়নি। একবার আমি ওর পায়ের কাছে হাটুগেরে বসে ওকে বলেছিলাম, “ আমার ভুল হয়ে গেছে বোন, এবারের মতো ক্ষমা করে দে। এবার তোর জুতো খুলতে দে প্লিজ”।
জবাবে বোন মুখে কিছু বলেনি, তবে আমার মুখে জুতো পড়া ডান পা দিয়ে আলতো করে একটা লাথি মেরে আমাকে সরিয়ে দিয়ে অন্যদিকে মুখ ফিরিয়ে আবার টিভি দেখতে শুরু করেছিল।
আমার তখন আর কিছু বলার সাহস হয়নি। অথচ, বোনের রাগ আমাকে ভাঙ্গাতেই হবে। ওর জন্য পছন্দের টিফিন দিতে ভুলে গেছি, আমারই তো দোষ। তাছাড়া, বাবা মা ফিরে যদি বোনকে তখনও স্কুলের জামা-জুতো পড়া অবস্থায় দেখে, আর বোন আমার নামে অভিযোগ করে তাহলে আমি ভয়ানক বকা খাব।
আমি বুঝতে পারছিলাম যেভাবেই হোক আমাকে সুন্দরী ছোট বোন স্বাগতার কাছে ক্ষমা চাইতেই হবে । আমি ভয়ে ভয়ে এগিয়ে গিয়ে বোনের পায়ের কাছে মেঝেতে হাটুগেড়ে বসলাম। হাত জোড় করে বললাম, “ আমার ভুল হয়ে গিয়েছিল বোন। এরকম আর কোনোদিনও হবে না। তোর যা খুশি শাস্তি দিতে পারিস আমাকে। শুধু প্লিজ, ক্ষমা করে দে আমাকে, প্লিজ”।
আমি কাতর কন্ঠে বোনের কাছে অনুরোধ করতে লাগলাম হাতজোড় করে। অথচ বোন আমার অনুরোধে পাত্তাও দিচ্ছে না এবার, ও আগের মতো টিভি দেখে যেতে লাগল মন দিয়ে। আমার খুব অসহায় লাগছিল, বুঝতে পারছিলাম না কিভাবে আমার সুন্দরী ছোটবোন স্বাগতার কাছে ক্ষমা চাইলে ও আমাকে ক্ষমা করে দেবে। আমি অসহায় হয়ে অবশেষে বোনের সাদা স্নিকার পড়া দুই পায়ের উপর নিজের মাথাটা নামিয়ে দিলাম । বোনের জুতো পড়া দুই পায়ের উপর নিজের মাথাটা ঘষতে ঘষতে কাতর কন্ঠে ওকে অনুরোধ করতে লাগলাম, “ আমি সরি বোন। প্লিজ বোন, এবারের মতো ক্ষমা করে দে আমাকে, প্লিজ বোন,প্লিজ”।
আমি অসহায় হয়ে বোনের জুতো পড়া দুই পায়ের উপর নিজের মাথাটা ঘষে যেতে লাগলাম। বোন মুখে কিছুই বলল না, আমাকে বাধাও দিল না। আগের মতো ট্রিভি দেখতে দেখতে মাঝে মাঝে আড়চোখে দেখতে লাগল কিভাবে ওর ৩ বছরের বড় দাদা অসহায় ভাবে ওর জুতো পড়া পায়ের উপর নিজের মাথা ঘষতে ঘষতে ক্ষমা চাইছে ওর কাছে।
প্রায় ১০-১৫ মিনিট আমি এইভাবে বোনের জুতো পড়া পায়ের উপর মাথা ঘষতে লাগলাম। তারপর হঠাত বোন ওর জুতো পড়া ডান পা টা তুলে নিল, তারপর জুতো পড়া পা টা তুলে আমার মাথার উপর রাখল। আমি বুঝতে পারছিলাম না কি করব। বোনের জুতো পড়া ডান পা টা এখন রাখা আমার মাথার উপর। আর আমি অসহায়ভাবে ওর জুতো পড়া বাঁ পায়ের উপর একের পর এক চুম্বন করতে শুরু করলাম। ছোট বোন স্বাগতার জুতো পরা বাঁ পায়ের উপর একের পর এক চুম্বন করতে করতে আমি কাতর কন্ঠে ওর কাছে অনুরোধ করতে লাগলাম, “ আমি সরি বোন। দেখ তোর দাদা তোর পায়ে মাথা রেখে ক্ষমা চাইছে। আমাকে যা খুশি শাস্তি দে বোন, শুধু প্লিজ এবারের মতো আমাকে ক্ষমা করে দে। প্লিজ বোন, প্লিজ”।
আমি বোনের জুতো পড়া বাঁ পায়ের উপর চুম্বন করতে করতে ওর কাছে ক্ষমা চাওয়া চালিয়ে যেতে লাগলাম। বোন তখনও মুখে কিছু বলল না, শুধু আমার মাথার উপর ওর জুতো পরা ডান পায়ের তলাটা বোলাতে লাগল।
( চলবে…)

ADORER CHOTO BON (by meyeder kukur)
payer upor pa tule sofay boshe ache amar onindo shundori choto bon
Proma.tight shada leggings porone,r paye neel choti.Golper boi porche amar
adorer choto
bonta.Ar ami boshe achi or payer kache,choti pora payer upor ektu por por
chumu dicchi.Bon majhe majhe ar chokhe takiye amake dekhche,but badha
dicchena.
O jane ami oke prithibite shobcheye beshi valobashi.Ar shobshomoy or sheba
korte chai
Protodin amar bon school theke ashar por pori ami or payer shamne boshe
pori.Alto kore khule ani or keds jora.Tarpor shada moja pora pa duto amar
buker shathe
chepe dhore tipe dite thaki.Boli ‘sharadin school sheshe amar bontar
nischoi onek betha korche shundor pa duto te? Dada tipe dicchi darao’.Bole
khub aram
kore tipe dite thaki amar boner shorgio pa duto.Arame chokh bondho hoe jay
amar choto bontar.Nongra moja wala dan pa ta amar gale lagiye besh kore
ghoshe
ador kore dey amake.Bole ‘amar shona dada’.Jobabe ami or nongra shada moja
pora pa duto amar mukher upor rekhe chumur por chumute voriye dite
thaki.amar
mukher upor pa duto rekhe kichukhon rest ney amar bon.Tarpor bole ‘dada ami
fresh hoe ashi.Tui amar khabar gorom kor’,Bole uthe daray.ami matha namiye
dei
or paye.chumu kheye boli ‘thikache bon,tumi fresh how,ami shob gorom kore
rakhchi’.Mishti hashe amar bon.Or cheye 4 bochorer boro dada or payer niche
shue
ache,eto shomman kolponao korena keu.Nijeke vaggoboti vabe amar bon emon
ekta dada peye.Moja pora dan pa ta amar mathay tule daray amar bon.Kichukhon
ghoshe amar chul gulo elomelo kore diye bole ‘amar shona dada tui.Moja gula
khule de ebar’ bole amar naker shamne moja pora ba pa ta ene angul gulo
narte thake.
ami moja khule ani.Bon bathroom a chole jay fresh hote.Ami mukhe pure nei
moja gulo.amar boner pobitro payer moyla lege ache ei mojay.Gile khete
thaki ami
gosol kore fresh hoe ashe amar bon.Khabar table a boshe.Gorom gorom khabar
poribeshon kore dei oke.tarpor chole jai table er niche.O jotokkhon
khay,ami or
pa duto tipte thaki.Bon bole ‘bah,murgi ta onek moja hoeche re
dada.Khabi
tui?’.ami boli ‘amar bon chaile ami obosshoi khabo’.Mishti hashe amar
bon.Murgir ran
chabiye haddi ta fele dey matite.Bole ‘kheye ne dada’.ami kukurer moto
matite pore thaka amar boner ucchishto gulo kheye nei.Evabei cholche amar
jibon.Amar
chotoboner shebai amar ekmatro dhormo.

(bangla femdom story DEBI DIDI. written by Meyeder kukur. unedited banglish version is here. I will post a bangla edited version with bangla font of this story later.)

DEBI DIDI (by meyeder kukur)

( ওয়ার্নিং; সম্পুর্ন ১৮+ গল্প, গল্পের শেষাংশে মেল নুডিটি আছে।

Amar nam poritosh, boyos 16. amar didir nam priyanka.Boyosh 18,forsha gayer rong.5 feet 4 inch lomba ek shundori
meye amar didi.shorirer gothon o model der moto.Dighol kalo lomba chul.Elakar emon kono
chele nei je didir preme poreni.Preme porar e kotha!
amader shomporko normal vai bonder motoi.Tobe didi keno jani amake ottachar korte valobashto.
Chance pelei amake chor thappor dito.dhakka diye fele diye amar buker upor choti pora pa tule
darato.amar khub vallagto didi jokhon evabe darato.janina keno jani didir payer nichei nijeke
valo lagto amar.iccha korto didir sheba kori.kintu shahosh kore bolte partamna kokhono.
ekdin ami sofay boshe wrestling dekhchilam.Wrestling amar khub valo lage.oi shomoy kauke ami
tv remote deina.Hotat didi eshe bollo ‘ei ontu.remote de to,ami tv dekhbo’.
ami bollam ‘shara din e to tomra tv dekho didi.please ami ektu wrestling dekhi??’.
jobabe didi thash kore ekta chor dilo amar gale.bollo ‘boroder kotha kane jayna? remote dite
bolechi,de’
khub vallagchilo didir hate tortured hote.iccha korei bollam ‘na dibona’ jate didi aro mare amake
jobabe didi amake kan dhore tene dar koralo.2ta thappor marlo.tarpor pa diye leng mere amake
matir moddhe fele dilo.tarpor amar buker upor pa tule dariye jore chap dite laglo amar buke.
bollo ‘ar beyadobi korbi kokhono? bol!’.ami bollam na didi r kokhono korbona.jobabe didi amar mukher
upor choto pora dan pa rekhe bollo ‘maf cha amar kache thikmoto’.
ami shoja hoe boshlam.tarpor didir 2 payer moddhe amar matha namiye dilam.mathata didir
forsha paye ghoshte laglam r chumu khete laglam.bollam ‘ar kokhono beyadobi korbona didi.vul
hoe geche please amake maf kore dao’.Didi khub enjoy korchilo evabe amake nijer payer niche dekhe.
ami didir ba paye chumu khete laglam ar didi tar choti pora dan pa ta amar mathar upor rekhe ghoshte
ghoshte bollo ‘thikache ja,ebarer moto maf korlam’.besh kichukhon choti pora pa diye amar mathay ador
kore ghoshe diye didi tv dekhte boshlo.ami amar room a chole gelam
tar por thekei ami fondi khujte laglam kivabe didir hate aro tortured howa jay.Kono ekta boro vul korte
hobe jate didi onek mare.kintu vebe pacchilamna ki kora jay.Hotat ekdin mathay ekta buddhi ashlo.ami
jantam didi cigarette khawa khub ghrina kore.vablam didike dekhie cigarette khabo.
ekdin ma baba bashay nei.ami matro school theke firechi bashay.didir o college theke ashar time hoe gieche
pray.ami tori ghori kore ek shathe 2-3 ta ciggerate kheye nilam jate amar mukhe valo gondho hoy.hotat calling
bell a awaj holo.ami giye dorja khule dilam.dekhi didi eshe poreche
didir porone college er navy blue and white dress.tight dress a didir deher gothon clearly fute utheche.didir buk
gulo khub tan tan abong uchu.chokhe choshma poreche didi.paye shada adidas companyr keds.oporup lagche
didike
dorja khulle bollam ‘oh eshe porecho didi’.boltei amar mukher cigarette er gondho didir nake laglo.chokh mukh kuchkhe
gelo didir.’Ontu,tui cigarette kheyechish taina?’ chokh gorom kore bollo didi.ami amta amta kore bollam ‘na to didi,khaini
to’.didi bashay dhukei thash kore prochondo jore ekta chor marlo amake.bollo ‘amar kache kichui lukate parbina tui.aj
tor khobor ache kutta’.bole kane dhore tene amake sofar shamne niye eshe hatu gere boshalo didi.tarpor payer upor pa tule
sofay boshlo didi.ami bollam ‘didi amar vul hoe geche’.boltei keds pora pa diye dhum kore ekta lathi dilo didi amar mukhe.
bollo ‘tui eto kharap hoechish ami shopneo vabte parina.aj toke onek shashti dibo kutta kothakar’.bolei amar mukhe ek dola
thuthu fello didi.chuler muthite dhore amar matha nijer payer kache niye gelo didi.tarpor keds pora ekti pa amar mathar upor
tule chap dilo matite.chule dhore amar matha abar tullo didi.bollo ‘aj sharadin ei keds jora pore chilam.paye mojao ache.onek
durgondho hoeche paye.aj tui amar payer gondho shukbi.amar juta khol kukur’.ami baddho cheler moto didir juta aste kore
khule anlam.amar hat theke keds ta kere neye amar naker moddhe chepe dhorlo didi.bollo ‘shok kutta’.ami jore jore didir pobitro
payer gondho shukte laglam.kichukhon por keds ta matite fele dilo didi.uler mota kalo moja pore chilo didi.moja pora pa ta amar
mukher shamne niye eshe angul gulo narate laglo didi.tarpor naker
moddhe chepe dhore bollo shok.ami didir moja pora pa ta amar mukhe chepe dhore pagoler moto shukte laglam.didi hahaha kore haste
hashte bollo ‘tor moto kuttader sthan amar payer nichei’.kichukhon por didi 2 pa thekei moja khule anlo.ene amar mukher moddhe
dhukie dilo.Tarpor ek dola thuthu fello amar mukhe.amar nak mukh beye didir pobitro thutu porte laglo niche.Didi tar dhobdhobe forsha
dan pa ta amar mathay rekhe chap diye matite lagalo.tarpor dan payer upor ba pa tule tv dekhte laglo. ar ami matha nuiye chupchap amar
debi didir payer tolay shue roilam.eikhanei to amar ashol sthan.kichukhon por didi pa diye amar mathay ekta lathi mere bollo ‘ei kutta uth’.
ami hatu gere uthe boshlam.didi amar thutnite dhore amar mukh upore tule bollo ‘ar kokhono cigarette khabi kutta?’ bolei thu fello amar mukhe.
ami bollam ‘r kokhono khabona didi’. didi amar mukhe ekta lathi mere bollo ‘mone thake jeno.ja akhon’.

porer din didir friends der ekta party chilo.Didi khub shundor kore shajlo.ekta neel tight genji porle lomba hater.ato tight je didir buk duto khub uchu
dekhacchilo.shada tight jeans er pant porlo. ar kalo ankel boot.amar matha ghuracchilo didir rup dekhe.iccha korchilo didir payer shamne matha namiye
shue thaki.kintu kal didi jaa rag koreche amar upor,didir shamne jete shahosh pacchilamna.didi jokhon tar forsha mukhe hasi jhuliye ghorer mejhete boot jutor chap felte felte aynar samne elo, ,ami ar parlamna.jekono mullei amake didir sheba korte hobe ekhoni.didi lipstic makhchilo,ami pichone giye hatu gere
boshe didike dak dilam ‘didi’.didi ghure daralo.daratei ami didir paye pore gelam.ektar por ekta chumu khete laglam didir chokchoke sharp ankle boot
er upor.r nak mukh ghoshte laglam didir boot a .kadte kadte bollam ‘didi ar kokkhono cigarette khabona.amar shikkha hoeche.nijer vul bujhte perechi.
amake khoma kore dao please didi please.shara jibon tomar kukur hoe thakbo’.didi khub khushi holo amake evabe or payer niche dekhe.kichu bollona.
chupchap dariye amake matha ghosha chaliye jete dilo or boot er moddhe.ektu por hashi mukhe amar mathar upor boot pora ekti pa tule dilo didi.boot
er tola ghoshte laglo amar mathay.bollo ‘ami khub khushi hoechi tui je nijer vul bujhte perechish abong eivabe amar kache nijeke shomorpon korechish.
eito tui valo chele hoye jacchish’ bole boot er tola ghoshe ghoshe amake ador korte laglo.ami didir boot a chumbon korte korte bollam ‘I love u didi.thank
u’.didi amar mathar upor theke nijer boot namiye bollo ‘ami party te gelam.tui ja porte bosh’.ami bollam ‘kichu kheye nei age didi.tarpor porte boshchi’.didi
muchki heshe bollo ‘khide peyeche amar kukur tar? ahare.ja ek packet biscuit niye ay’ bole amar gal chapre dilo.amar nijeke kukur mone hocchilo shotti
shotti.ami giye ek packet biscuit niye eshe didir hat dilam.didi packet chire ekta biscuit matite fele heshe bollo ‘kha kukur vai amar’.ami mukh diye biscuit
ta tulte jabo,didi biscuit er upor boot pora pa diye para dilo.bollo ‘uhu,kukur tar moniber jutar tola theke khay’.bole biscuit ta valo kore chure dilo.tarpor boot
pora pa amar mathar upor ene bollo ‘ay ay chu chu.kha kutta’.ami didir boot er nich theke khete laglam.pura packet biscuit amake evabe khawalo.tarpor
didi bollo ‘ki re kutta?gola shukie geche?pani khabi?’.ami matha narlam.didi bollo ‘ha kor’.ami ha kortei amar mukher vitor besh koekbar thuthu fello didi.
bollo ‘gil kukur’.ami didir pobitro thuthu gile nilam,niye kopal matite thekiye boshe roilam.didi boot pora pa amar mathay rekhe ghoshe ador korte korte
bollo ‘toke niye ami onek gorbito re ontu.tui pura amar kukur hoe gechish.toke onek ador korbo protidin.ekhon gelam party te.rate ashbo.amar bedroom
guchiye rakhbi.gosoler pani ready rakhbi.kapor istree korbi.ok?’.ami didir boot a chumu kheye bollam ‘obosshoi didi.tomar sheba korai to amar jiboner
lokkho’.didi khushi hoye amar gale haat bulie dilo.tarpor party te chole gelo

didi jawar por didir shob kaj kore fellam taratari.kapor istree korlam.room shundor kore guchiye rakhlam.didir high heels ar boot gulo ghoshe chokhchoke kore
fellam.chumur por chumute voriye dilam.r purota shomoy didir nongra moja amar nake bedhe rakhlam.didir shorgio payer gondho shukte shukte kaj kore gelam.
mone mone vablam didike shob shomoy khushi kore cholte hobe.taholei didir sheba korar shujog milbe.

raat 11 tar dike didi ashlo.baba ma tokhon ghumie poreche.didi tar room a dhukar shathe shathe amio dhuke gelam.didi ghure takalo amar dike.ami didir paye pore
gelam.didir boot jorar upor chumbon kore bollam ‘ami khule dicchi didi’.didi khub khushi holo.bollo ‘bah! amar kukur ta to dekhchi shikhe geche kivabe tar provuke
khushi korte hoy! accha khol’.Didi bichanay boshlo.ami didir 2 pa amar kole tule nilam.ankle boot gulo khub aste kore khule anlam pa theke.didike khushi korar jonne
bollam ‘didi,ei kukurer ki shouvaggo hobe tar provur jutar shorgio gondho shukar?’.didi khub beshi khushi holo.hahaha kore heshe uthe bollo ‘thikache shok’.ami boot
gulo mati te rekhe amar mukh dhukiye dilam boot er vetor.didi tar shada nongra moja pora dan pa amar mathay rekhe chap diye amar matha aro dhukie dilo jutar
vitor.kichukhon por amar mukher shamne shada nongra moja pora ba pa ta ene bollo ‘ne tipe de’.ami prothome ekta chumu dilam didir payer niche.tarpor mon diye
tipte laglam.didi dan pa ta amar thigh er upor rakhlo.bollo ‘moja gula khol’.ami moja gule boot er vetor guje rekhe didir forsha pa duto pala kore tipe dite laglam.didir
ba pa jokhon tipchilam,daan pa ta tokhon amar urute rekhechilo didi.amar shokto dhon ta arektu holei didir paye lagbe.khub voy lagchilo.didi ter peye gele vishon lojja
pabo.Hotat didi tar pa ta ektu shoralo ar didir pa amar shokto dhone bari khelo
didi bollo ‘ei tor pant a ota ki re? pockete ki lukie rekhechish kutta? dekhi ber kor’.kane dhore didi amake dar koralo.ami lojjay kukre gelam,bollam ‘na didi kichui na
pockete’.didi tar hat diye amar pocket hatate hatate bollo ‘ei je eikhane shokto ki ekta ter peyechi age…peyechi’ bolei pant er upor amar barata shokto kore dhorlo
didi.shathe shathe didi o ter peye gelo jinishta ki.muchki muchki hashte laglo didi. ar ami lojjay matha nichu kore dariye roilam.didi adesh korlo ‘pant khol kutta.tor
provu dekhte chay ki lukie rekhechish’.ami lojjay more jacchilam but provur adesh ki kukur omanno korte pare? pant ta aste kore khule matite namie dilam
amar 8 inch lomba abong 3 inch prosther bara dekhe didir chokh boro boro hoe gelo.kichukhon chup kore barar dike takiye roilo didi.tarpor hotat didi or forsha
shundor hat diye amar shokto gorom barata mutho kore dhorlo.bollo ‘ummmm…pant er vitor shap niye ghurchish ar ami jani e na’.amar bara tar norom hater vitor
pure aste aste ghoshte laglo didi.uttejonay barar aga fule onek boro hoe gelo and lal hoe gelo.uttejonay kapte laglam ami.Khilkhiliye heshe uthlo didi.forsha norom
hat diye amar bara ta ghoshte ghoshte bollo ‘ki re kukur? kapchish keno?’.ami bollam ‘didi amar beriye jabe’.Didi muchki hashlo,’ummm…ghor nongra korbe shap ta.
ay amar shathe ay’.didi amar barata muthote vore shokhto kore muth kore dhorlo.tar por amake baray dhore tene bathroome niye gelo.comoder kache nie giye ghoshe
dite laglo barata aste aste.ami kapte laglam.Didi ek dola thuthu fello abar baray.pisla kore ebar jore jore ghoshte laglo hashi mukhe.kichu bujhe uthar agei pochak
pochak kore amar shada mal fowarar moto berote laglo.didi hahaha kore hashte hashte ghosha chaliye gelo.ami shorgo shukhe pagol hoe gelam

(The End)

আমার দিদি সায়নী ( Original story sent by Sayan. Edited and extended version written by Khoka.)

আমার নাম সায়ন। আমার বয়স এখন ১৯, কলেজে পড়ি। আমার দিদির নাম সায়নী, বয়স ২১ । দিদি দেখতে অসাধারন সুন্দরী, লম্বা ও ফর্শা। সেই সাথে ছোট থেকেই দিদি খুব ডমিনেটিং। আমাকে মারতে আর হুকুম করতে ছোট থেকেই দিদি খুব পছন্দ করে ।

আমার বাবা বেশ বদরাগী ও মেজাজি, তবে চাকরির সুত্রে বাইরে থাকত । মাসে একবারের বেশি বাড়ি আসত না। মাই আমাদের দুই ভাই বোনকে বড় করেছিল। ছোটবেলায়, আমার যখন ৪ বছর বয়স, তখন খেলার সময় দিদি একবার আমাকে ল্যাং মেরে ফেলে দেয়, ফলে আমার দুধের দাঁত পরে যায়। পরে যখন দাঁত উঠল, তখন ওইখানে বড় বড় দাঁত উঠল। দিদি ক্ষেপিয়ে বলত , “ ইশ ভাই, তোর দাতের যা অবস্থা, তোর আর কোনদিন বিয়ে হবে না”।

আমি মুখ কাচুমাচু করে দিদিকে বলতাম, ‘তুমি লাথি মেরে ফেলে দিয়েছিলে বলেই তো এরকম হল আমার”।

দিদি জবাবে আমাকে চড় বাঁ লাথি মেরে বলত, “ বেশ করেছিলাম।আমি তোর দিদি, তোকে যখন খুশি মারব আমি”।

আমার খারাপ চেহারা নিয়ে আমি খুব দুশ্চিন্তায় পরে গিয়েছিলাম। আমার এক দাতের ডাক্তার দূর সম্পর্কের মামা একদিন আমাকে দেখে বলল, “ ওর দাঁতে ক্লিপ পরালে দাঁত সোজা হয়ে যাবে”।

কিন্তু বাবা বাড়ি ফিরে আমার কথা শুনেই উড়িয়ে দিল। “ হ, পোলাগো চেহারা দিয়া কি হইব। পোলারা শুধু ট্যাকা কামাইতে ফারলেই হল, ওগো চেহারা দিয়া কিছু যায় আসে না”।

বাবার ইচ্ছার বিরুদ্ধে তো ক্লিপ লাগাতে পারব না । ১০ বছর বয়সী আমি খারাপ চেহারার দুঃখে মুখ শুকনো করে ঘুরে বেড়াতে লাগলাম। তাই দেখে দিদি ইচ্ছা করে আমাকে ক্ষেপিয়ে আরও দুঃখ বাড়িয়ে দিতে লাগল আমার ।

সেই মামা যখন শুনল বাবা ক্লিপ পরাতে দেবে না, তখন বলল, “ কি আর করবি। তুই বরং আঙ্গুল দিয়ে জোরে চেপে দাঁত মাজবি। আসতে আসতে দাঁত একটু নিচু হয়ে যাবে”।

তাই শুনে দিদি বলল, “ ও কতক্ষন ধরেই বা রোজ দাঁত মাজবে? তাছাড়া ওর আঙ্গুলে জোর ও নেই। আমার মাথায় একটা ভাল বুদ্ধি আছে”।

“ কি বুদ্ধি?” মামা জিজ্ঞাসা করল।

দিদি চেয়ারে বসে টিভি দেখছিল। দিদির পরনে ছিল নীল টপ, সাদা প্যান্ট, পায়ে নীল চটি। আমার ১২ বছর বয়সী সুন্দরী দিদিকে ঘরের পোশাকেও দারুন সুন্দরী লাগছিল।

দিদি বলল,” বলছি । তার আগে ভাই , তুই এসে আমার পায়ের কাছে মাথা রেখে শুয়ে পর তো”।

দিদি কেন আমাকে ওর পায়ের কাছে মাথা রেখে শুতে বলছে বুঝতে পারলাম না। তবে আমি ছিলাম দিদির বাধ্য ভাই, আমার সুন্দরী দিদি যা করতে বলত, ছোট থেকেই বিনা প্রশ্নে তা পালন করতাম আমি । তাই আমি প্রশ্ন না করে দিদির চটি পরা পায়ের ঠিক পাশে নিজের মাথা রেখে শুয়ে পরলাম।

“ দেখ ভাই, মামা তোকে জোরে চাপ দিয়ে দাঁত মাজতে বলছে যাতে হাতের চাপে তোর দাঁত মুখেরভিতর ঢুকে যায় আসতে আসতে । কিন্তু তোর হাতে কতটুকু জোর আছে? তার চেয়ে আমি যখন টিভি দেখব বাঁ পড়ব, তুই এসে আমার পায়ের কাছে শুবি”।

এই বলে দিদি মামার চোখের সামনেই আমার ঠোঁটের উপর ওর নীল চটি পরা ডান পা টা তুলে দিল।

এইভাবে আমি তোর মুখের উপর চটি বাঁ জুতো পড়া পা রেখে বসে থাকলে আমার পায়ের চাপে তোর দাঁত আরও তাড়াতাড়ি ভিতরে ঢুকে নর্মাল হয়ে যাবে”।

দিদি আমার ঠোঁটের উপর ওর ডান চটির তলাটা ঘষতে লাগল।

“ এভাবে তোর ঠোঁটের উপর চটির তলা ঘষলে আরও বেশি চাপ পরবে । তাতে তোর দাঁত আরও তাড়াতাড়ি ঠিক হয়ে যাবে”। তারপর দিদি চটি পড়া ডান পা দিয়ে পরপর ৮-১০ টা লাথি মারল আমার ঠোঁটের উপর , বেশ জোরে ।

“এইভাবে তোর ঠোঁটের উপর জোরে জোরে রোজ লাথি মারলে আরও চাপ পরবে তোর দাতের উপর । তাতে তাড়াতাড়ি তোর দাঁত সমান হয়ে যাবে’।

দিদি এরপর ওর চটি পড়া বাঁ পা টা আমার কপালের উপর রাখল। তারপর চেয়ার ধরে উঠে দাঁড়াল আমার মুখের উপর। ২ মিনিট ধরে আমার মুখের উপর মামার সামনেই চটি পড়া পায়ে দাঁড়িয়ে থেকে দিদি বলল, “ এভাবে রোজ তোর মুখের উপর চটি বা জুতো পড়া পায়ে দাঁড়িয়ে থাকব। তাতে আরও তাড়াতাড়ি তোর দাঁত সমান হয়ে যাবে”।

দিদি ওর চটি পরা পায়ে আরও প্রায় ১০ মিনিট দাঁড়িয়ে রইল আমার মুখে । তারপর আবার চেয়ারে বসে আমার ঠোঁটের উপর চটি পরা ডান পা দিয়ে একটা লাথি মেরে বলল, “ তোর জন্য অনেক খাটতে হচ্ছে আমাকে। তুইও খাট আমার জন্য। চুপচাপ শুয়ে না থেকে পা টিপে দে আমার”। দিদির মুখের মিষ্টি হাসি বুঝিয়ে দিচ্ছিল দিদি খুব এঞ্জয় করছে এই ঘটনা।

মামা আমার সঙ্গে দিদির ব্যবহারকে বাচ্চাদের খেলা ভেবে হাসি মুখে দেখছিল আমাদের । ততক্ষনে মাও এই ঘরে চলে এসেছে । মামা মাকে বুঝিয়ে বলল আমরা কি করছি । শুনে মাও হাসি মুখে আমাদের দেখতে লাগল। কিন্তু মা আর মামার সামনে দিদির সেবা করছি ভাবতেই একটা অদ্ভুত সুখ পেতে লাগলাম আমার হৃদয়ে । আমি দুই হাত দিয়ে দিদির বাঁ পা টা টিপতে লাগলাম চাকরের মতো। আর দিদি মা আর আমার সামনেই আমার ঠোঁটের উপর ওর ডান চটির তলা ঘষতে লাগল। আমি প্রবল ভক্তিভরে মা আর মামার সামনে আমার পুজনীয় সুন্দরী দিদির পা টিপে সেবা করতে লাগলাম ।

“ আচ্ছা, এভাবে কি সত্যি ওর দাঁত ঠিক হয়ে যাবে? মা মামাকে সিরিয়াস গলায় জিজ্ঞাসা করল”।

“ হ্যা, রোজ যদি ও কয়েক ঘন্টা করে এভাবে দিদির চটি পড়া পায়ের তলায় শুয়ে থাকে তাহলে ওর দিদির পায়ের চাপে ওর দাঁত আসতে আসতে সমান হয়ে যাবে । ক্লিপ লাগালেও তো দাঁত এইভাবে চাপে পরেই সমান হয় । ওর বাবা যখন ক্লিপ লাগাতে ইচ্ছে না তখন এভাবেও দাঁত সমান হবে। তবে ওকে রোজ অন্তত ৩-৪ ঘন্টা এভাবে দিদির পায়ের তলায় শুয়ে থাকতে হবে রোজ। তাহলে ৩-৪ বছরে দাঁত প্রায় সমান হয়ে যাবে । সাথে ওর দিদি ওর মুখে জুতো পড়া পায়ে রোজ কিছুক্ষন উঠে দাঁড়িয়ে থাকলে বা জুতো পড়া পায়ে ওর মুখে লাথি মারলে আরও ভাল হবে”।

এই শুনে মা বলল, “ তাহলে তো ভালই। রোজ বিকেলে খোকা এইভাবে ওর দিদির টিভি দেখার সময় দিদির পায়ের তলায় শুয়ে পা টিপে দেবে, মুখে দিদির লাথি খাবে । ও বাইরে না বেরলে আমিও একটু নিশ্চিন্ত থাকি” ।

আমি মন দিয়ে দিদির বাঁ পা টা টিপছিলাম তখনও, আর দিদি ওর  চটি পরা ডান পা টা আমার ঠোটের উপর ঘসছিল, মাঝে মাঝে লাথিও মারছিল। আশ্চর্যজনক ভাবে, দিদি মাঝে মাঝেই আমার ঠোঁট ছাড়া  নাক, কপাল সহ মুখের অন্যান্য জায়গাতেও লাথি মারছিল। তাতেও মা বাঁ মামা কিছু বলছিল না। হাসিমুখে আমাদের দেখছিল। আমিও ভক্তিভরে আমার পুজনীয় দেবী, আমার প্রভুর দুটো পা পালা করে টিপে দিচ্ছিলাম।

একটু পরে মামা চলে গেল। দিদি বলল, “ আজ থেকে বিকেলে আর বাইরে খেলতে যাবি না । আমার পায়ের তলায় শুয়ে থাকবি আমার চটি পরা পা মুখের উপর নিয়ে । আমার পা টিপতে টিপতে মুখে আমার লাথি খাবি । তাতে তোর দাঁত পায়ের চাপে আসতে আসতে সমান হয়ে যাবে । সারাদিনে যখনই সময় পাবি এসে আমার পায়ের তলায় শুয়ে পরবি । কি মা, আমি ঠিক বলছি না?” মায়ের দিকে তাকিয়ে হেসে জিজ্ঞাসা করে দিদি।

“একদম ঠিক”, মাও হেসে জবাব দেয় দিদিকে।

সেই দিন থেকে রোজ সবার সামনে যখনই সময় পাই, আমি এসে দিদির চটি বাঁ জুতো পরা পায়ের তলায় শুয়ে পরি। দিদি আমার মুখের উপর চটি পরা পা রেখে আমার মুখের সর্বত্র চটির তলা ঘষতে ঘষতে টিভি দেখতে থাকে । আর আমি ভক্তিভরে আআর প্রভু দিদির দুই পা টিপতে থাকি পালা করে ।  মা আমাদের এই অবস্থায় দেখে খুব খুশি হয় ।  বলে এরফলে দাঁত সোজা হওয়ার সাথে সাথে মেয়েদের সেবা করায় আমি মেয়েদের সম্মান করতেও শিখব।

দিদি ওর জুতো পড়া পায়ে মা বা অনেক আত্মীয় বন্ধুর সামনেই আমার মুখের সর্বত্র জোরে জোরে লাথিও মারে রোজ। দিদি যেমন আমার মুখে জোরে জোরে লাথি মারতে ভালবাসে, আমারও দারুন ভাল লাগে মুখের সর্বত্র দিদির জুতো পড়া পায়ের লাথি খেতে। লাথি খাওয়ার দৈহিক যন্ত্রনা ছাপিয়ে হৃদয়ে ফুটে ওঠে প্রভু দিদিকে সেবা করতে পারার এক অসাধারন আনন্দ।

সেই সাথে রোজ দিদি মায়ের সামনেই আমার জিভের উপর ঘষে নিজের সব জুতোর তলা পরিষ্কার করে । এর সঙ্গে আমার দাঁত সমান হওয়ার কোন সম্পর্ক নেই, তবুও। মা বলে এরফলে আমি মেয়েদের সম্মান করতে শিখব। দিদি রোজ স্কুল থেকে ফিরে স্কুলে পরার সাদা স্নিকারের উপর আর তলা দুটোই আমাকে দিয়ে  চাটিয়ে পরিষ্কার করে । দিদি স্কুল থেকে ফিরে এসে টিভি রুমে চেয়ারে বসে। আমি দিদির পায়ের উপর মাথা রেখে উপুড় হয়ে শুয়ে জিভ দিয়ে চেটে দিদির জুতোর উপরটা পরিষ্কার করে দিই। তারপর দিদির পায়ের তলায় চিত হয়ে শুয়ে পরি আমি। দিদি আমার মুখের উপর জুতো পরা পা রেখে চেয়ারটা ধরে ব্যালেন্স করে উঠে দাঁড়ায়। আমার মুখের উপর জুতো পড়া পা রেখে মায়ের সামনেই ১০-১৫ মিনিট দাঁড়িয়ে থাকে দিদি। এরপর দিদি নেমে চেয়ারে বসলে আমি দিদির জুত্লেপরা পায়ের উপর মাথা ঠেকিয়ে দিদিকে প্রনাম করে ধন্যবাদ দিই। তারপর দিদির পায়ের কাছে হাটুগেড়ে হাতজোর করে বসি । দিদি তখন জুতো পরা দুই পায়ে আমার মুখের সর্বত্র একের পর এক লাথি মারতে থাকে। আমার মুখে অন্তত ১০০ টা লাথি মেরে থামে দিদি। এরপর আমি আবার চিত হয়ে শুই দিদির পায়ের কাছে মাথা রেখে । দিদি ওর জুতো পড়া পা দুটো আমার মুখের উপর তুলে দিয়ে আমাকে জিভ বার করতে আদেশ দেয় । আমি জিভ বার করলে দিদি স্কুলে পরার জুতোর তলা আমার জিভের উপর ঘষে পরিষ্কার করে নেয় মায়ের সামনেই । আমি আমার প্রভু দিদির জুতোর তলার সব ময়লা গিলে খেয়ে নিই।

এরপর আমি দিদির পা থেকে জুতো খুলে দিদির পায়ে ঘরে পরার চটি পরিয়ে দিই। দিদি ওর চটি পরা পা দুটো আমার মুখের উপর রেখে চটির তলা দুটো আমার মুখের সর্বত্র ঘষতে থাকে , মাঝে মাঝে লাথি মারতে থাকে আমার মুখে। আমিও দিদির চটির তলা চাটতে চাটতে ভক্তিভরে প্রভু দিদির পা টিপতে থাকি। পরের ৩-৪ ঘন্টা আমি এইভাবে দিদির পায়ের তলায় শুয়ে দিদির পা টিপি। আর সারাদিনে যখনই সময় পাই এইভাবে দিদির পায়ের তলায় শুয়ে পরে দিদির পা মুখে নিয়ে পা টিপে দিই।

এইভাবে দিদির সাহায্য পেয়ে মাত্র ৩ বছর পরেই আমার সামনে দাঁত সমান হয়ে যায় । কিন্তু মা বলে, একইভাবে দিদির সেবা করা চালিয়ে যেতে , যাতে আমি মেয়েদের সম্মান করা শিখি।

শুধু আমার স্কুলে পরার সময় বাবা এসবের কিছু জানত না । বাবা বাড়ি থাকলে আমরা উপর তলায় আমাদের ঘরে চলে যেতাম আর আমি দিদির সেবা করতাম। কিন্তু আমি কলেজে উঠতে মা বলল এবার বাবার সামনেও দিদির সেবা করবি ওইভাবে”।

প্রথমদিন আমাকে ওইভাবে দিদির সেবা করতে দেখে বাবা আতকে উঠে বলেছিল, “ ওই পুলা, এইডা কি করস তুই? পাগল হইছস নাকি?”

কিন্তু মা সামলে নিয়েছিল ব্যাপারটা। বাবাকে ধমকে বলেছিল,” যা করে বেশ করে। আমাদের ৩ জনের সম্মতি আছে এতে । তোমার ভাল না লাগলে এই বাড়িতে আর আসতে হবে না”। বাবা শুনে চুপ করে গিয়েছিল। আর আপত্তি করে নি । সেই থেকে বাবা মা সহ সবার সামনেই আমি ক্রীতদাসের মতো আমার প্রভু দিদির সেবা করি। বাকি জীবনটাও তাই করে যাব।