Archives for posts with tag: FEMDOM

Introduction ;

( This is a fantasy story site containing female domination stories .

THIS IS A STRICTLY ADULT BLOG ONLY FOR ADULT (18+) PEOPLE though there is no sex related subject present in this blog . Minor male nudity may be present in some stories with warning .

This blog is a femdom fantasy blog for those adult people who can differentiate between fantasy and reality . we neither encouraging nor discouraging anyone about femdom relationship between consentual adult but strongly discouraging any type of femdom / sexual relation with any minor .

Each and every stories and comment of this site/ blog is a reflection of our femdom fantasy . we are not encouraging anyone in any kind of femdom / Violent activities.

We will be not responsible for your action. )

ভূমিকা ;

( ভূমিকা না পরে কেউ ব্লগে ঢুকবেন না । সম্পুর্ন ভূমিকা পড়ে তবেই গল্প, কমেন্ট পড়বেন বা নিজে কমেন্ট করবেন । অন্যথায় , আপনার কোন ভুল ধারনার জন্য আমি/ আমরা দায়ী থাকব না । )

শুধুমাত্র প্রাপ্তবয়স্ক ( ১৮ +) ও প্রাপ্তমনস্ক ব্যক্তিদের জন্য , যদিও এই ব্লগের কোন গল্পই যৌনতামূলক নয় ।

অপ্রাপ্তবয়স্ক ( ১৮ বছরের কম বয়সী ), অপ্রাপ্তমনস্ক ( যারা প্রাপ্ত বয়স্ক হয়েও ফ্যান্টাসি আর বাস্তবের পার্থক্য বোঝেন না ) ও  যাদের শুধুমাত্র ফ্যান্টাসি হিসাবে লেখা ফেমডম গল্প নিয়েও সিরিয়াস সমস্যা আছে তাদের প্রবেশ সম্পুর্ন নিষেধ ।

এই সাইটের যেকোন গল্পের উপর বা কমেন্টে তাকে  আকর্ষনীয় করে তুলতে যতবার খুশী তাকে সত্যি বলে দাবী করা হতে পারে । সেটাকে সিরিয়াসলি নেওয়ার কিছু নেই । ভূতের গল্পের শুরুতে লেখক যেমন গল্পকে আকর্ষনীয় করে তুলতে সেটাকে সত্যি বলে দাবী করেন এখানেও ঠিক তাই করা হয়েছে । এই ব্লগের এডমিন ও অন্যান্য নিয়মিত পাঠকেরা অনেক গল্পেই গল্প ও পরবর্তী কমেন্ট এমনভাবে করেছে যাতে সেটা অনেকটা সত্যি মনে করানো যায় , যেটা ফ্যান্টাসির মাত্রা বাড়াতেই শুধু করা হয়েছে ।

আপনি যদি এই সাইটের যাবতীয় গল্প ও প্রতিটি কমেন্টকে শুধু ফ্যান্টাসি হিসাবে নিতে পারেন শুধুমাত্র তাহলেই সাইটে প্রবেশ করবেন ।

আমরা পারস্পরিক সম্মতিতে হওয়া প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে ফেমডম সম্পর্কে উতসাহিত বা নিরুতসাহিত কোনটাই করছি না । আপনি প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি হিসাবে , আরেকজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির সম্মতিতে যা করবেন নিজেদের ইচ্ছায়, নিজেদের বুদ্ধিতে করবেন ।

বাস্তব জীবনে যে কোন অপ্রাপ্তবয়স্কর ( ১৮ বছরের কম বয়সী )  সাথে কোনরকম ফেমডম / যৌনতামুলক সম্পর্ককে আমরা চুড়ান্ত ঘৃনা করি । কোন সুস্থ সমাজেই তা গ্রহনযোগ্য না । আমাদের সাইটে ফ্যান্টাসি গল্প হিসাবে টিন এজ ছেলে / মেয়েদের মধ্যে ফেমডম কিছু ক্ষেত্রে রয়েছে । ফ্যান্টাসি আর বাস্তবের পার্থক্য না জানলে আপনি এই ব্লগ এখনই পরিত্যাগ করুন । আপনি কোন অপ্রাপ্তবয়স্ক /  সম্মতি না নিয়ে কোন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির সাথে বিকৃত কোন আচরন করলে আমরা কোনভাবেই দায়ী হব না ।

১। এই ব্লগে খুব সামান্য কিছু গল্পে মেল নুডিটি / পুরুষের নগ্নতা রয়েছে ( CFNM ) , যা শুধু ছেলেদের হিউমিলিয়েশনের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে , সরাসরি যৌনতামুলক কিছুর জন্য না । CFNM যুক্ত গল্পের শুরুতেই ওয়ার্নিং ও দেওয়া আছে । ফিমেল নুডিটি ( নারী – নগ্নতা )কোন গল্পেই নেই ।  নারীদের যৌনভাবে উপস্থাপনও কোন গল্পেই করা হয়নি ।

২। কোন গল্পেই স্টুল ফেটিশ, ইউরিন ফেটিশ ইত্যাদি এক্সট্রিম কিছু নেই ।

৩। এই ব্লগের বেশিরভাগ গল্পের মুল চরিত্ররা বন্ধু-বান্ধবী , স্কুল কলেজের সিনিয়র জুনিয়র অথবা এক পরিবারের সদস্য ( দিদি- ভাই , দাদা- বোন, বাবা – মেয়ে,  দেওর- বৌদি  ইত্যাদি ) ।

৪। বেশিরভাগ গল্পে ফিমেল ডমিনেশন হিসাবে উঠে এসেছে মেয়েটির মানসিকভাবে ছেলেটিকে সম্পুর্ন নিয়ন্ত্রন, তাকে দিয়ে নিজের যাবতীয় কাজ করানো , তার টাকায় ফুর্তি করা । ছেলেটিকে দিয়ে দেবী হিসাবে নিজের পুজো করানো , মুখে থাপ্পর মারা ,  মুখে লাথি মারা , মুখের উপর পা রেখে বসে পা টেপানো, জিভে জুতোর তলা মোছা ইত্যাদি আচরন । নায়িকার পায়ে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে জুতো বা চটি পরা আছে । মেয়েদের প্রায় সব জায়গায় সুন্দরী বলে বর্ননা করা হয়েছে । বেশিরভাগ গল্পে নায়িকা মেক আপ হীন ।  বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ছেলেরা স্বেচ্ছায় মেয়েটির কাছে নিজেকে সাবমিট করেছে ও মেয়েটিকে অনেক সুপিরিয়র ভেবে স্বেচ্ছায় তার সেবা করেছে, তার হাতে অত্যাচারিত হয়েছে ।

বাংলার সবচেয়ে বড় ফেমডম্ সাইটে আপনাকে স্বাগত । এই সাইটের গল্পগুলো সবই কাল্পনিক । পড়ুন , আর উপভোগ করুন ।
বাস্তবে কেউ এর প্রয়োগ করতে যাবেন না ।

এই সাইটে female superiority আর female domination নিয়ে অনেক গল্প পাবেন। ফ্যামিলি ফেমডম গল্প  ও পাবেন অনেক। কার কাছে ভাল কোন টপিক থাকলে জানাতে পারেন,আমি গল্প লিখে পোস্ট করব। আর কেউ নিজে গল্প লিখতে চাইলে আমাকে etaami11@gmail.com  এ গল্প পাঠিয়ে দেবেন।

এখানকার অনেক গল্প অনেকের হাস্যকর বা কুরুচিকর মনে হতে পারে। তাদের বলব, প্লিজ আ্পনার ভাল না লাগলে পড়বেন না ।গল্পগুলো ফ্যান্টাসি ছাড়া আর কিছুই না । আমরা কেউ বাস্তব জগতে এর প্রয়োগ করতে যাচ্ছি না। কোন গল্পকে আকর্ষণীয় করতে সত্যি ঘটনা বলে দাবি করা হতে পারে, তাই ভুমিকাতেই বলে রাখি এখানে পোস্ট করা সব গল্পই ফ্যান্টাসি ।

বাংলায় দুর্দান্ত ফেমডম গল্প পড়ার অভিজ্ঞতার জন্য ভিজিট করতে থাকুন,

http://www.banglafemdom.wordpress.com
and
http://www.banglafemdoms.blogspot.com

Thank you .

( ডিটেইলসে কিছু কথা বলছি শেষে । এটা আপনি নাও পড়তে পারেন ।  ধরুন আমি , এই ব্লগের এডমিন, নিজের জীবনে খুব বেশি চাপ না থাকলে গড়ে সপ্তাহে ৩ থেকে ৪ ঘন্টা সময় আমার একমাত্র ফ্যান্টাসি ফেমডমের কাল্পনিক দুনিয়ায় কাটাই । ধরুন , প্রতি সপ্তাহে শনিবার রাত ৯ টা থেকে ১ টা আমি ফেমডম ফ্যান্টাসি জগতে কাটাই । আমার ফেমডম গল্প পড়া , লেখা, কমেন্ট করা , ফেমডম ছবি ও ভিডিও দেখা সবই এই সময়ে । এই সময় টুকু নিজের ফ্যান্টাসি, ও কিছুটা ইরোটিক ফিলিং বাড়াতে বেশ কিছু গল্পকে আমি (ও আমরা, এই ব্লগের অন্যান্য নিয়মিত পাঠকেরা ) সত্যি হিসাবে ভাবার চেষ্টা করি। যদিও এই ফ্যান্টাসির জগতে ঢুকি এটাকে মাত্র কয়েক ঘন্টা স্থায়ী করার উদ্দেশ্যেই ।  কয়েক ঘন্টার ইরোটিক ফ্যান্টাসির জগতে কাটিয়ে আমি পরদিন সকালে দেহ – মনে সম্পুর্ন সুস্থতা নিয়ে বাস্তব জগতে ফিরে আসি , যেখানে এই হাস্যকর ফ্যান্টাসি কে কখনই বাস্তবের সাথে গুলিয়ে ফেলি না । এই পার্থক্যটা বুঝে নেওয়া খুব জরুরি । ফেমডম ফ্যান্টাসি আমাদের সপ্তাহের শেষে কয়েক ঘন্টা ইরোটিক দুনিয়ায় কাটাতে সাহায্য করে , টেস্টোস্টেরন লেভেল বাড়িয়ে দেহে এক অসাধারন অনুভুতি এনে দেয় । সঠিক মাত্রায় খাদ্য গ্রহন , শরীরচর্চা, ঘুম  ইত্যাদির সাথে পরিমিত মাত্রায়  ফেমডম ফ্যান্টাসি কখনই ক্ষতিকর নয়, বরং সুস্থ্য দেহ ও মনে বেঁচে থাকার পক্ষে খুবই জরুরি । আর আমার মতো যাদের ছোটবেলা থেকেই জীবনের চাপ কমাতে ডিফেন্স মেকানিসম ফেমডম ফ্যান্টাসির সাহায্য নিয়ে আসছে, তাদের জন্য সপ্তাহ শেষে মানসিক চাপ কাটিয়ে স্বাভাবিক হয়ে ওঠার জন্যও খুবই প্রয়োজনীয় এই ফেমডম ফ্যান্টাসি ।

শুধু একটা কথাই বলছি ফেমডম ফ্যান্টাসির জন্য মনে অকারনে কোন পাপ বোধ নেবেন না । আপনার যদি এই ফ্যান্টাসি থেকে বেড়িয়ে আসার ক্ষমতা থাকে তাহলে খুবই ভাল । নাহলেও অকারনে মনে চাপ নেবেন না । পরিমিত মাত্রায় বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে নিজের মানসিকতা ও চাহিদা বুঝে, অন্যের কোন ক্ষতি না করে দিব্যি আপনি নিজের জীবনের আর পাঁচটা গুরুত্বপুর্ন বিষয়ের সঙ্গে মিশিয়ে নিরাপদেই এই ফ্যান্টাসি প্র্যাক্টিস করতে পারেন । তবে চেষ্টা করবেন সম্পুর্ন একা থাকার সময়ে  এই ফ্যান্টাসি জগতে কাটানোর জন্য । আর প্রতি সপ্তাহে সর্বোচ্চ কতটা সময় এর পিছনে দেবেন , সেটাও ঠিক করে রাখা খুব গুরুত্বপুর্ন । এটা পারলেই আপনার ফেমডম ফ্যান্টাসি কখনই নিয়ন্ত্রনহীন নেশায় পরিনত হবে না ।

কষ্ট করে ভূমিকা সম্পুর্ন পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ । ফেমডম ফ্যান্টাসি কোন সমস্যা না, হোক নির্মল আনন্দের উৎস ।  )

aaratrika . jpg

Aratrika ( by Mr. K )
( আরত্রিকা )

( গ্রামের ছেলে তপন বি কম পাশ করার পর সল্টলেকের এক MNC তে চাকরি পেল । তাদের অফিসেই কাজ করে অসাধারন সুন্দরী আরত্রিকা । ছোট থেকেই তপন মেয়েদের প্রতি সাবমিসিভ । অসাধারন সুন্দরী আরত্রিকাকে দেখে তাকে পুজো করার তার পায়ের তলায় নিজেকে সমর্পন করার ইচ্ছা প্রবল হয়ে উঠল তপনের । এক শনিবার অফিসের জেরক্স মেশিনের সামনে নিজের পেপার জেরক্স করতে এসে সে দেখল আরত্রিকাও পেপার জেরক্স করতে এসেছে । সে ইচ্ছা করে নিজের মোবাইলটা ফেলে দিল জেরক্স মেশিনের তলায় , তারপর ফোন তুলতে চিত হয়ে মেশিনের সামনে শুয়ে পড়ল। আরত্রিকা কাছে আসতে বলল,- আমার মোবাইলটা নিচে পড়ে গেছে । আমি ওটা তুলতে তুলতে তুমি জেরক্স করে নাও ।
আরত্রিকা ঠিক তপনের সামনে দাঁড়িয়ে জেরক্স করতে লাগল । কিন্তু তপন শুয়ে থাকায় ওর অসুবিধা হচ্ছিল । তপন বলল, – তোমার অসুবিধা হলে আমার গায়ের উপর পা দিতে পার, কোন সমস্যা নেই । ফর্শা, সুন্দরী আরত্রিকার পরনে ছিল সাদা টপ, জিন্স আর সাদা স্নিকার । বিন্দুমাত্র আপত্তি না করে আরত্রিকা উঠে দাড়াল তপনের বুকের উপর, জুতো পরা পায়ে । আরত্রিকার হাতে অন্তত ১০০ টা পেপার , ধীরে ধীরে সে তপনের বুকের উপর জুতো পরা পায়ে দাঁড়িয়ে জেরক্স করে যেতে লাগল । আসে পাশে থাকা অফিসের কয়েক জন অবাক হয়ে ওদের দেখতে লাগল ।
আরত্রিকা জেরক্স করতে করতে স্থান পরিবর্তন করছিল । কখনও তপনের পেটে , কখনও বুকে , কখনও বা গলার উপর নিজের জুতো পরা পা রেখে দাড়াচ্ছিল আরত্রিকা । একটু পরে নিজের জুতো পরা বাঁ পা টা ঠিক তপনের ঠোঁটের উপর তুলে দিল আরত্রিকা । তার মুখের উপর জুতো পরা বাঁ পা রেখে খুব স্বাভাবিকভাবে জেরক্স করে চলল পরমা সুন্দরী আরত্রিকা । তপনের সারাজীবনের স্বপ্ন সত্যি হয়ে গিয়েছিল । আশেপাশে অফিসের ২-৩ জন সহকর্মীর সামনে আরত্রিকা তার মুখের উপর জুতো পরা পা রেখে দাঁড়িয়ে আছে ? তপন আর পারল না । দুইহাত দিয়ে আরত্রিকার জুতো পরা বাঁ পা টা ধরে ভক্তিভরে একটা গাঢ় চুম্বন করল আরত্রিকার জুতোর তলায় । আরত্রিকা দেখে মুচকি হাসল । তারপর ডান পা টাও তুলে দিল তপনের মুখের উপর । আরত্রিকার সাদা স্নিকার পরা ডান পা এখন তপনের ঠোঁটের উপর । আর স্নিকার পরা বাঁ পা তপনের কপালের উপর । অফিসের সহকর্মীদের সামনেই তপনের মুখের উপর জুতো পরা পায়ে দাঁড়িয়ে জেরক্স করে চলল আরত্রিকা । জবাবে আরত্রিকার জুতো পরা ডান পায়ের তলায় ভক্তিভরে চুম্বন করতে করতে তাকে ধন্যবাদ দিতে লাগল তপন ।
প্রায় ১ ঘন্টা এইভাবে তপনের মুখের উপর জুতো পরা পায়ে দাঁড়িয়ে জেরক্স করে গেল আরত্রিকা । তারপর তপনের মুখের উপর থেকে নেমে দাঁড়িয়ে হাসিমুখে তপনকে বলল, – শক্ত মেঝেতে দাঁড়িয়ে জেরক্স করতে কষ্ট হয় আমার । এখন থেকে এভাবেই রোজ তোর মুখের উপর দাঁড়িয়ে জেরক্স করব আমি, সবার সামনেই । জেরক্স করার দরকার হলেই রোজ তোকে ডেকে আনব আমি , যাতে জুতো পরা পায়ে তোর মুখের উপর দাঁড়িয়ে জেরক্স করতে পারি আমি ।
জবাবে তপন আরত্রিকার জুতো পরা পায়ের উপর মাথা রেখে ওকে প্রনাম করল, ওর জুতো পরা দুই পায়ের উপর চুম্বন করে বলল, – নিশ্চয় দেবী ।
আরত্রিকা নিজের পেপার নিয়ে চলে গেল । তপন উঠে নিজের পেপার জেরক্স করতে লাগল । নিজের সৌভাগ্যকে তার তখনও বিশ্বাস হচ্ছিল না । শুধু আজকেই যে সবার সামনে তার মুখের উপর জুতো পরা পরা পায়ে দাঁড়িয়ে অসাধারন সুন্দরী আরত্রিকা জেরক্স করেছে তাই না, এখন থেকে রোজ তাই করবে ! জেরক্স করতে করতে নিজের অসাধারন সৌভাগ্যের জন্য তপন উপরওয়ালাকে ধন্যবাদ দিতে লাগল ।)

My story is of tapan and aratrika (name changed). Tapan is a village boy, did his B. Com and got job in a mnc at salt lake sector 5. In the same company, aratrika was employed as a software developer. She is an IT engineer. Stunningly beautiful and attractive. Tapan never seen such a beauty before. She used to wear formal shirt, mini pencil skirt and killer heels. Tapan was mesmerised by her apparels. From childhood, he was very submissive to girls and had a immense crush on female feets. His dream is to serve a lady as goddess. Want to trampled by her brutally, want to lick her heels clean, want to kiss her feet. When he first saw aratrika at the office verandah, he was just got blown. He just dreamt of her.
He wanted to be under her feet by any chance. Chance came. Tapan shifted his seat beside her. He used to stare at her while working. Aratrika noticed but didn’t bother anything. The day was Saturday. Most ot the workers had an off-day. Few were there those who have pending work. Aratrika was there, and also, tapan. Aratrika was dressed in a white formal shirt, navy blue short skirt, showing off the butter smooth legs and decorating them with a killer strapped sandals, whose heel height is not less than 3 inches.Tapan was determined that today he should do something and was finding the right chance. He saw her going to xerox room with a bunch of paper. He followed him with some pages in hand. Tapan thought that this is the best area. Chances to get caught by anyone is very low. Aratrika saw him and said ‘hi’.
‘hi Aratrika , I’m tapan” . Suddenly aratrika asked, “why do you look at me like that? ” Tapan felt unready but promptly answered “coz you are so much beautiful ” “really” she smiled “yes” ” you do first” No, no, it’s okay No, I have a lot of paper, it will take a long time. Aratrika said Then ok. Tapan started copying. He just wanted to get lied on the floor to have a better view of her feet. He got an idea. He took his phone, did something and kept that on the machine lid. When he lifted the lid, the phone slipped under the machine. “oh my god” he said and lie in front of the machine blocking the front position of it. He said her ” I am getting it, you start with yours.” Aratrika started copying. Clearly she was facing trouble as tapan lie there. She said “got that?” “can’t reach , trying hard” “please make it fast. I can’t stand here properly ” Tapan then applied his plan. He said, “if you feel uncomfortable I have a way out ” “what?” “if you don’t mind, you can stand on me as a step “.
“are you crazy? Why should I stand on you? ”
“for you ease”.
“could you bear my weight?” .
“you are not much heavy, it will be ok for me. Don’t worry, stand up”
“it can hurt you “.
“I don’t think so, you carry on “.
Aratrika was going to put off her shoes. Seeing that tapan resisted “what are you doing? You do not need to put off those.” Aratrika astonished “are you mad? I will probably kill you if I climb on you with those. See how sharp those heels are. ” “don’t think so much. I bet you can’t hurt me with those. ” actually tapan eagerly wanted that her goddess should trample him with heels, causing an unbearable amount of pain. “I will not do this, I am ready to get barefoot. “.
“why should you do when you are not wanted to do so? Believe me and stand upon “.
“you are taking too much risk “.
“don’t worry, stand up”. Aratrika did so. She tenderly put her one feet on tapan’s upper back and applied a little bit pressure. Then she ask “can you take it?” Tapan was in heaven. This is for the first time in his life dreams are becoming true. He is getting trampled by a goddess. He was just enjoying every single moment of being trampled. He said “it’s absolutely ok. Stand on me with both of your feets.”

Aratrika put her another feet on his back and now she was completely standing on tapan, balancing herself holding the xerox machine. She bounced a little on his back and then asked “doesn’t the heel hurt? “.
Actually is was causing a good amount of pain as the narrow heels were getting dig into the flesh but tapan said with a lot of smile “they don’t have the power to hurt me. But my back is getting massaged by those.”
“oh really?”
“yes it is. But it would be better if you move your position on my back by time. ”
Aratrika did the same. While doing xerox, she was trampling all the back of his, applying pressure. She came to his upper back and put her one feet on his neck. That was clamped like a pipe by the arch or her shoe between the sole and the heel. That hurt a lot. Then tapan said, “the neck is not the right option for standing. You can step on my head instead of neck.”
Aratrika laughed a lot.”on your head!” she repeated.
“yes”,tapan said. “what make you laughter? ”
“if I stand on your head, then it will going to be exploded “.
“it won’t. Our skull is enough hard to take load than neck. So you can freely stand on it”.
Tapan heard somewhere that head is the most important and holy organ of our body. For that he wanted that her goddess should trample his head to accept his slavery. “ok let’s see how much can your head tolerate “. She put her right foot on his head and applied almost full body weight. The sole of the shoe was squeezing his temple and the sharp heel was getting dig into his chin. Some cracking sounds made and pain was just unbearable. As tapan was lying on his belly, so he couldn’t enjoy the scene but imagined how it’s looking like. Aratrika, standing with one foot on his head and another on his back, was making the xeroxes. After 5 minutes she completed and got down from tapan. He already got the mobile and stood up.
“thanks to you for massaging my back” Tapan said with a big smile. ” you also deserve a thanks for helping me in such a way.” Aratrika replied. “now get finished with yours. ” Aratrika left the room. Tapan, standing alone in the room, was trying to remember the time he spent with Aratrika.

রাখি… ( খোকা )

আমি তখন  1st  ইয়ারে  পড়ি ।  আমাদের পাশের বাড়িতে একটা মেয়ে থাকত ।  মেয়েটার নাম রাখি । ক্লাস ৯ এ পড়ত , খুব সুন্দরী দেখতে । কিন্তু পড়াশোনায় ভাল না । ওর মা বলল আমি যেন ওকে একটু পড়িয়ে দি ।

আমি রাজি হয়ে গেলাম । সুন্দরী মেয়েকে পড়ানোর সুযোগ কেই বা হাতছাড়া করে ?

তা ও পড়তে এলে ওকে চেয়ারে বসিয়ে আমি ওর পায়ের কাছে বসে পড়াতে লাগলাম। আমার পড়ার ঘরে আর কেউ ঢোকে না, তাই সেদিক থেকে নিশ্চিন্ত । অ একটু অবাক হলেও আমাকে কিছু বলল না।  প্রথম কয়েকদিন আমি বিশেষ কিছু করলাম না। শুধু মাঝে মাঝে ওর পায়ের উপর আলতো করে হাত বলানো ছাড়া ।

একমাস পর ও আমার ওর পায়ের কাছে বসাতে মোটামুটি অভ্যস্ত হয়ে গেল । আমি ঠিক করলাম এবার একটু এগোতে হবে । ও পড়তে এলে ওকে একটু পরালাম । তারপর ওকে বললাম , – আমার ডান হাতটায় জিম করে খুব ব্যাথা হয়েছে । তুই তোর পা দুটো আমার হাতের ওপর একটু রাখবি প্লিজ ? চাপ লাগলে একটু আরাম পাবো । এই বলে আমি ওর পায়ের কাছে ডান হাতটা রেখে শুয়ে পরলাম।

রাখি একবার আমার চোখের দিকে তাকাল, তারপর নিজে থেকেই ওর পা দুটো তুলে আমার ডান হাতের বাইসেপ এর উপরে রাখল ।

পা দিয়ে আমার হাতটা একটু ঘষে দিবি প্লিজ ? রাখিকে অনুরোধ করলাম আমি।

ও আমার হাতের বাইসেপটা ওর দুপায়ের তলায় আসতে আসতে ঘষতে লাগল । ওর মুখে হালকা হাসি ফুটে উঠেছে দেখলাম ।

১০- ১৫ মিনিট পর ওর পাদুটো টেনে আমার হাত আর বুকের সংযোগস্থলে রাখলাম।

-এবার এখানে একটু চাপ দে প্লিজ ।

ওর মুখের হাসি যেন আরেকটু চওড়া হল । মুখে হাসি ঝুলিয়ে আমার কাঁধ আর বুকের সংযোগস্থলে চাপ দিতে লাগল ।

আমি ওর বাঁ পাটা ধরে বললাম – এই পা টা দিয়ে একটু জোরে চাপ দে প্লিজ ।

এই বলে আমি ওর ডান পাটা সরিয়ে ঠিক আমার বুকের মাঝখানে রাখলাম । রাখি বাঁ পা দিয়ে আমার কাধে চাপ দিতে লাগল । আর আমি আমার সুন্দরী ছাত্রীর পায়ের তলায় শুয়ে ওর ডান পাটা দুহাত দিয়ে বুকের সাথে চেপে ধরলাম ।

রাখি কিছু বলল না , মুখে মুচকি হাসি ঝুলিয়ে বাঁ পা দিয়ে আমার হাতটায় চাপ দিতে থাকল । আমি ওর ডান পাটা আমার বুকের মাঝখানে জড়িয়ে ধরলাম । ওর ফর্শা খালি ডান পা টাকে আসতে আসতে টেনে নিজের গলার উপর নিয়ে এলাম ।

রাখি তখন ওর বাঁ পা দিয়ে আমার হাতে চাপ দেওয়া ছেড়ে হঠাত ওর বাঁ পাটা ডান পায়ের উপর তুলে বসল । ফলে ওর খালি বাঁ পাটা আমার মুখের একটু ওপরে দুলতে লাগল । ওর মুখে মুচকি হাসি লেগে । আমি আর পারলাম না । আমার সুন্দরী ছাত্রীর প্রতি ভক্তিতে মন ভরে উঠল আমার । আমি মাথা তুলে ওর বাঁ পায়ের তলায় একটা গাঢ় চুম্বন করলাম ।

রাখি মুখে হাসি ফুটিয়ে বলল – আবার ।

তার মানে আমার সুন্দরী ছাত্রী রাখি আমাকে ডমিনেট করা এঞ্জয় করছে ?

উফফ, প্রবল আনন্দে আমি রাখির বাঁ পায়ের তলায় একের পর এক চুম্বন করতে লাগলাম । একটু পরে রাখি ওর দুটো খালি পাই আমার মুখের উপর নামিয়ে দিল । আমার ঠোঁট আর কপালের উপর ওর ফর্শা নরম পায়ের তলা ঘষতে লাগল। আমি বারবার গাঢ় চুম্বন করতে লাগলাম ওর পায়ের তলায় । আর হাত বাড়িয়ে ওর পা দুটো এমনভাবে টিপতে লাগলাম যেন আমি ওর চাকর আর ও আমার প্রভু ।

হঠাত রাখি ওর খালি ডান পা দিয়ে আমার নাকের উপর একটা লাথি মারল । আমি আর পারলাম না । ওর ডান পায়ের তলায় গভীর আবেগে একটা চুম্বন করে বললাম , – প্রভু, আমাকে তুমি যতখুশি লাথি মারতে পার , আমাকে নিয়ে যা খুশি তাই করতে পার তুমি । আমি তোমার ক্রীতদাস প্রভু ।

আমার কথা শুনে রাখির মুখের হাসি চওড়া হল । রাখি ওর ফর্শা নরম খালি পা দিয়ে আমার মুখের সর্বত্র জোরে জোরে লাথি মারতে লাগল । জবাবে আমি ওর পায়ের তলায় চুম্বন করতে করতে ওকে ধন্যবাদ দিতে লাগলাম ।

একটু পরে রাখি আমার নাকের উপর বাঁ পা দিয়ে একটা লাথি মেরে বলল , – তোর জিভটা লম্বা করে বার করে দে ।

আমি তাই করলাম । রাখি ওর পরিষ্কার ফর্শা দুটো পায়ের তলা পালা করে আমার জিভে ঘষতে লাগল ।

প্রায় ৩০ মিনিট আমার জিভের উপর খালি পা ঘষার পর রাখি আবার আমার মুখে একটা লাথি মেরে বলল – যা, আমার চটি দুটো নিয়ে আয় । তোকে দিয়ে এবার আমার চটির তলা চাটাব । জবাবে আমি রাখির পায়ে আবার চুম্বন করে বললাম, – এক্ষুনি আনছি প্রভু ।

আমি রাখির নীল চটি দুটো মাথায় করে নিয়ে এসে মুখ দিয়ে আমার প্রভু রাখির পায়ে পড়িয়ে দিলাম । রাখি সঙ্গে সঙ্গে বেশ জোরে চটি পরা ডান পা দিয়ে আমার মুখে একটা লাথি মেরে বলল, – আমার পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে থাক । আমি তোর মুখে চটি পরা পায়ে লাথি মারব এখন ।

আমি প্রবল ভক্তিভরে হাটুগেড়ে আমার প্রভুর পায়ের কাছে বসে রইলাম । আর আমার ক্লাস ৯ এ পড়া সুন্দরী ছাত্রী রাখি আমার মুখে একের পর এক লাথি মারতে লাগল ওর চটি পরা দুই পা দিয়ে। আমার প্রবল ব্যাথা লাগছিল , তা সত্বেও এক প্রচন্ড আনন্দ অনুভব করছিলাম আমার হৃদয়ে  ।

আমাকে প্রায় ১০০ টা লাথি মেরে থামল আমার প্রভু রাখি । তারপর আমাকে আদেশ করল , – আমার পায়ের তলায় শুয়ে পর ।

আমি তখনই প্রভুর আদেশ পালন করলাম ।

  • আবার তোর জিভটা লম্বা করে বার করে দে কুত্তা । আমি এবার আমার চটির তলা মুছব তোর জিভে ।

আমি সঙ্গে সঙ্গে লম্বা করে বার করে দিলাম আমার জিভ । আর আমার প্রভু রাখি আমার বার করা জিভের উপর নিজের চটি পরা ডান পায়ের তলা নামিয়ে দিল । রাখির চটির তলা বেশ ময়লা। আমি প্রবল ভক্তিভরে রাখির চটির তলার ময়লা গিলে খেতে লাগলাম । রাখি প্রথমে ডান চটির তলা তারপর বাঁ চটির তলাও আমার জিভের উপর ঘষে নতুনের মত চকচকে করে ফেলল । আমি তারপর উঠে বসে প্রবল ভক্তিভরে রাখির পায়ের উপর মাথা রেখে ওকে প্রনাম করলাম ।

রাখি আমার মাথার উপর চটি পরা ডান পা রেখে আশীর্বাদ করল আমাকে । তারপর বলল , – আজ থেকে আমি তোর প্রভু , তুই আমার ক্রীতদাস । কাল থেকে আমি আমার বান্ধবীদেরও নিয়ে আসব । তুই আমাদের সবার সেবা করবি এভাবে ।

একথা শুনে আমার আরও আনন্দ হল । আমি রাখির চটি পরা পায়ের উপর চুম্বন করতে করতে ওকে ধন্যবাদ দিতে লাগলাম ।

( ভূমিকা না পরে কেউ ব্লগে ঢুকবেন না । সম্পুর্ন ভূমিকা পড়ে তবেই গল্প, কমেন্ট পড়বেন বা নিজে কমেন্ট করবেন । অন্যথায় , আপনার কোন ভুল ধারনার জন্য আমি/ আমরা দায়ী থাকব না । )

স্কুলে শাস্তি

আমি যখন ক্লাস ৮ এ পড়তাম তখন আমাদের ক্লাস এর ফার্স্ট গার্ল স্বাগতা কেপ্রপোস করেছিলাম।   আমি পড়াশোনায় খারাপ ছিলাম ,দেখতেও ভালো ছিলামনা। স্বাগতা রেগে গিয়ে ম্যাডাম কে রিপোর্ট করে দিয়েছিল। ম্যাডামের  নামমধুমিতা ,  আমাদের  ইংলিশ পড়াতেন,  বয়স আন্দাজ  ২৮. উনি খুব রাগীছিলেন। তবে অদ্ভুত  ব্যাপার হল উনি মেয়েদের অপর সহজে রাগতেন না।কখনো  কোন মেয়ে কে মারেননি । আর ছেলে রা পড়া না  পারলে বা  দুষ্টুমিকরলে উনি বেত দিয়ে মেরে পিঠের চামড়া তুলে নিতেন।  মধুমিতা ম্যাডামটিফিনের পর ক্লাস এ ঢুকলেন।  সেটা ফিফথ পিরিয়ড।  ঢুকেই ডাকলেন আমাকে,  -’সুমন , এদিকে আয়।’

আমি জানতাম স্বাগতা নালিশ করেছে ওনাকে . আমি ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে বেরিয়েএলাম . ঊনি ফার্স্ট বেঞ্চের  ঠিক সামনে আঙ্গুল দিয়ে দেখালেন, ‘এখানে কান ধরে নিলডাউন  হ’।  আমি ভয়ে ভয়ে তখনই  নিল ডাউন হলাম।  আমাদের ক্লাসেরবাঁ  দিকে মেয়েরা বসে, আর ডান দিকে ছেলেরা  । এটা বাঁ দিক , আর আমিযেখানে কান ধরে নিলডাউন হলাম তার ঠিক সামনে ১ ফুট দূরে বসে আছেস্বাগতা। ওর জুতো পরা বাঁ  পা ডান পায়ের উপর রাখা  । আর কালো জুতোপরা বাঁ পাটা ও আসতে আসতে নাচাচ্ছে । ওর মুখে মিষ্টি হাসি।  ম্যাডামচেয়ার  টেনে আমার সামনে বসে  বললেন , আর এগিয়ে নিল ডাউন হ , ঠিকবেঞ্চ টার সামনে।

আমি ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে স্বাগতার পায়ের সামনে নিল ডাউন হলাম।  ও ডানপায়ের ওপর বাঁ  পা তুলে নাচাচ্ছে,ওর বাঁ  পাটা আমার মুখ থেকে কয়েক ইঞ্চিদূরে মাত্র।  ফার্স্ট বেঞ্চে স্বাগতার সাথে বসে আছে আফসানা, পায়েল আরঅনামিকা  ।  অরা সবাই আমার দিকে তাকিয়ে হাসছে। মধুমিতা ম্যাডাম আমারপাশে চেয়ার টেনে পায়ের ওপর পা তুলে বসল। ম্যাডাম বাঁ পায়ের ওপর তলা ডানপাটা তুলে নাড়াতে লাগল। পা নাড়ানোর সময় ম্যাডামের স্যান্ডেলের তলার ময়লাআমার জামায় লেগে যেতে লাগলো । আমার ভিশন লজ্জা করছিলো গোটা ক্লাসেরসামনে এভাবে নিল ডাউন  হওয়ার  জন্যে। লজ্জায় আমি মাথা নিচু করলাম, ফলেআমার দৃষ্টি গিয়ে পড়ল আমার ড্রিম গার্ল স্বাগতার কালো স্কুল সু পরা পায়েরদিকে। ও পা নাড়াতে লাগল আর আমি কান ধরে নিল ডাউন হয়ে তাই দেখতেলাগলাম।

“ তোর বাবা মা তোকে স্কুলে কি জন্য পাঠিয়েছে? পড়াশোনা করার জন্য নাকিভালো মেয়েদের ডিস্টার্ব করার জন্য?”  ম্যাডামের কথায় আমি অবাক হয়েম্যাডামের দিকে তাকালাম, আমতা আমতা করে বলতে চেষ্টা করলাম ,”আমিকাউকে ডিস্টার্ব করিনি ম্যাডাম, ওকে আমার খুব ভাল লাগে ,তাই অঁকে শুধুসেটা…….”.

ম্যাডাম আমাকে কথা শেষ করতে দিল না, প্রবল জোরে একটা লাথি মারল আমারপিঠের পাশের দিকে। আমি স্বাগতার বা পাশে বসে থাকা আফসানার পায়ের ওপরউলটে পরে গেলাম। আমার ঠোঁট নাক আর কপাল আফসানার জুতো পরা পা স্পর্শকরল । আমি উঠতে যাচ্ছিলাম, তার আগেই ম্যাডামের বেত আমার পিঠে সজোরেআছড়ে পরলো, “ উঠবিনা  একদম,  যেভাবে আছিস পরে থাক।  এটা স্কুল, প্রেমকরার যায়গা না। আর তুই তো ক্লাসের সব মেয়েকেই এভাবে ডিস্টার্ব করিস।

“আমি বলার চেষ্টা করলাম, “না ম্যাডাম, আর কাউকে কখনো আমি….”,আমার কথা শেষ করার আগেই আফসানা বলে উঠল, “ ও আমাকেও অনেকদিনথেকে ডিস্টার্ব করে ম্যাডাম।”

পায়েল আর অনামিকা ওর সুরে সুর মেলাল, ‘আমাদেরও ডিস্টার্ব করে ও’।

আমি কি বলব বুঝতে পারছিলাম না . আমার মাথা তখন আফসানার জুতো পরাপায়ের ওপর রাখা , আর আমার মাথার বাঁ দিকে স্বাগতা আর ডানদিকে পায়েলওদের জুতো পরা পা তুলে আমার চুলের ওপর ওদের জুতোর তলা বোলাচ্ছে।ম্যাডাম আমার পিঠে বেতের বারি মারতে লাগলেন,  “ছি,কি নির্লজ্জ ছেলে !ক্লাসের সব মেয়েকে ডিস্টার্ব করে বেড়ায়।  এক্সাম ফেল করা ছেলে হয়ে ক্লাসেরফার্স্ট গার্লকে প্রপোস করছে ! লজ্জা শরম কিছুই নেই।” আমি মাথা নিছু করে পরেরইলাম আফসানার জুতো পরা পায়ে মাথা রেখে। স্বাগতা আর পায়েল আমার চুলনিয়ে খেলতে লাগল জুতো পরা পা দিয়ে। আর ম্যাডাম আমার  পিঠে  চটি পরাডান পা তুলে আমার পিঠে বেত মারতে লাগল গোটা ক্লাসের সামনে।

মিনিট পাঁচেক পরে ম্যাডাম থামল । তোর  জন্য চরম শাস্তি অপেক্ষা করে আছে। তবে তার আগে ওদের ৪ জনের পা ধরে ক্ষমা চা  । আমি  ততক্ষনে  ভয়েআর লজ্জায় থরথর করে কাপছি ।  আমি এক এক করে ওদের কাছে ক্ষমা চাইতেলাগলাম।  প্রথমে পায়েল, তাঁরপর আফসানা,  স্বাগতা,  সবশেষে অনামিকারপায়ে মাথা রেখে ক্ষমা চাইলাম, গোটা ক্লাসের সামনে ওদের জুতোয় চুম্বন করলাম।

ম্যাডাম তখনও চেয়ারে বসে আমার সামনেই । ওদের কাচে ক্ষমা চেয়ে ম্যাডামেরপায়ের কাছে  হাটুগেড়ে হাতজোড়  করে বললাম ,  “ম্যাডাম, প্লিজ আমাকে ক্ষমাকরে দিন এবার , এরকম ভুল আর কখনও  করবনা । নিজেকে মেয়েদের পায়েরতলার ধুলোর সমান ভাববো , মেয়েরা আমার থেকে অনেক সুপিরিয়র,  ওদেরপ্রপোস করার কথা স্বপ্নেও  ভাববনা  আর  । প্লিজ  ম্যাডাম, আজ  ক্ষমা করেদিন  আমাকে।”  বলতে বলতে আমার চোখ দিয়ে জল পরতে লাগলো, আমিম্যাডামের পায়ের ওপর মাথা নামিয়ে দিলাম।  ক্লাসের মেয়েরা মুখে হাসি ঝুলিয়েআমার  হিউমিলিয়েশন  দেখতে লাগলো  ।

ম্যাডাম লাথি মেরে আমার মাথা সরিয়ে দিল ওর পায়ের ওপর থেকে। “ তুইযাকরেছিস তাতে টিসি    দেওয়াটা  খুব কম শাস্তি। তবু যাদের কাছে অপরাধকরেছিস তাদের কাছে ক্ষমা চেয়ে যা বাকি ক্লাস টুকু। ওরা ক্ষমা করে দিলে আমারকিছু বলার নেই।  নাহলে তোর টিসির ব্যাবস্থা করতে আমি  বাধ্য  হব।  আজআমি ২ পিরিয়ড  জুড়ে ক্লাস নেব। তোর হাতে সময় আছে  ।   দেখ, ওরা ক্ষমাকরে কিনা।”  আমার চোখ দিয়ে বন্যার মত জল বয়ে চলল।  আমি স্বাগতার জুতো পরা পায়ে মাথা নামিয়ে ওর জুতোয় চুম্বন করতে করতে ওকে বলতেলাগলাম,  “প্লিজ প্রভু, আমাকে ক্ষমা করে দাও। প্লিজ ”.

মধুমিতা ম্যাডাম বাকি ক্লাস কে পরাতে লাগলো । আর আমি ,ক্লাসের লাস্ট বয়সুমন, ক্লাসের ফার্স্ট গার্ল স্বাগতার জুতো পরা পায়ে চুম্বন করতে লাগলাম গোটা ক্লাসের সামনে। একটু পরে স্বাগতা আমাকে চিত হয়ে অর পায়ের তলায় শুয়েপরতে বলল। আমি ওকে খুশি করতে তাই করলাম।  স্বাগতা ওর বাঁ  পা রাখলআমার গলায়, ডান পা আমার ঠোঁটের  ওপর। অনামিকা ওর পা দুটো রাখলআমার নাক আর কপালের ওপর। আফসানা ওর পা রাখল আমার বুকে, আরপায়েল আমার পেটে ।  আমি স্বাগতার ডান জুতোর তলাচাটতে  লাগলাম গোটাক্লাসের সামনে , তারপর ও ডান পা আমার গলায় রেখে ডান পায়ের ওপর বা পারাখল , আমি ওর বা জুতোর তলাও চেটে পরিষ্কার করে দিলাম।

আমি মানসিক ভাবে  ততক্ষণে  পুরোপুরি ভেঙ্গে পরেছিলাম ।  ওদের  জুতো চেটেশুধু  ওদের খুশি করতে চাইছিলাম , যাতে আমার টিসি না হয়।  স্বাগতার  জুতোচেটে পরিষ্কার করে দিলে ও প্রথমে অনামিকা, তারপর পায়েল আর আফসানারসাথে জায়গা বদল করল। আমি ওদের জুতোর তলাও চেটে পরিষ্কার করে দিলাম।আমি ওদের জুতো চাটতে চাটতে আর পা টিপতে টিপতে ওদের কাছে অনুরোধ করেচললাম,  “প্লিজ  প্রভু, আমার ভুল হয়ে গেছে । আমাকে এবারের মত ক্ষমা করেদিন।” ক্লাস শেষ হতে স্বাগতা মুখে হাসি ঝুলিয়ে ম্যাডামকে বলল, “ওকে আমরাএকটা শর্তে ক্ষমা করতে পারি।” ম্যাডাম বলল, “কি শর্ত?”

স্বাগতা বলল রোজ স্কুল শুরু হুয়ার  আগে আর স্কুল শেষের  পর ক্লাসের সবমেয়ের জুতো পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে ওকে প্রণাম করতে হবে, স্কুলের সব মেয়েকেপ্রভু বলে ডাকতে হবে। স্কুলের  যেকোন মেয়ের  যেকোন আদেশ সঙ্গে সঙ্গে পালনকরতে হবে।  আর আপনার পিরিয়ডে  ওকে আমাদের  পায়ের তলায় শুয়েআমাদের জুতোর তলা চাটতে হবে । আমাদের লাথি খেতে হবে । ও রাজি হলে আমরা ওকে ক্ষমা করতে পারি” ।

আমি স্বাগতার পায়ে  চুমু  খেয়ে বললাম,  “আমি রাজি প্রভু । থ্যাঙ্ক ইউ আমাকেক্ষমা করার জন্য ”। এই   বলে স্বাগতাকে   সাষ্টাঙ্গে  প্রণাম করলাম । ম্যাডামআমাকে  বলল “আমি তোকে এবারের মত ক্ষমা করে দিলাম তাহলে । তবে স্কুলেরকোন মেয়ে তোর নামে নালিশ করলে সঙ্গে সঙ্গে তোকে টিসি দিয়ে দেব। আরক্লাসের অন্য ছেলেরা, তোরাও জেনে রাখ , কখনও  কোন মেয়েকে ডিস্টার্ব করলেবা প্রপোস করলে তোদেরও সুমনের মত একি শাস্তি পেতে হবে।”

সেদিন থেকে আমার  ক্লাস ৮ থেকে ১২ অবধি আমি রোজ ক্লাস এর সব মেয়েরজুতো পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রণাম করতাম। আর মধুমিতা ম্যাডামের ক্লাসেস্বাগতা , অনামিকা, আফসানা,  আর পায়েলের  জুতো পরা পায়ের তলায় শুয়েওদের পা টিপতাম, ওদের জুতো চাটতাম। ওরা ওদের জুতো পরা পায়ে যত খুশি লাথি মারত আমার মুখে । জবাবে আমি ওদের জুতোর তলায় চুম্বন করে ধন্যবাদ দিতাম ওদের ।  আশ্চর্য ব্যাপার হল, কিছুদিন পর থেকে এইকাজটা করতে আমার খারাপ তো লাগতই না , বরং ভিশন ভাল লাগত। এতসুন্দরী  ৪ জন প্রভুর সেবা করতে পেরে আমি গর্বিত ছিলাম।  আর আমাদেরক্লাসের কোন ছেলের কোনদিন কোন মেয়েকে প্রপোস  করার সাহস হয়নি  তারপর ।

স্বাগতা আমার গলায় কলার বেধে ওদের বাড়িতেও নিয়ে যেত । আমাকে দিয়ে ওদের বাড়ির সব কাজ করাত । ওর বাবা মার সামনে আমার মুখে লাথি মারত যত খুশি । স্বাগতার ৩ বছরের ছোট বোন প্রথমাও আমার মুখে জুতো পরা পায়ে লাথি মারত, আমাকে দিয়ে ওর জুতোর তলা চাটাত । ওদের পাড়ার সবাই জানত আমি ওদের দুই বোনের পোশা কুত্তা । পাড়ার রাস্তায় ফেলে আমার মুখে জুতো পরা পায়ে লাথি মারত ওরা দুই বোন , আমার জিভে ঘষে ওদের জুতোর তলা পরিষ্কার করত । আমি প্রভুভক্ত ক্রীতদাসের মত আমার দুই সুন্দরী প্রভুর সেবা করতাম ।

( khoka/ খোকা )

( ভূমিকা না পরে কেউ ব্লগে ঢুকবেন না । সম্পুর্ন ভূমিকা পড়ে তবেই গল্প, কমেন্ট পড়বেন বা নিজে কমেন্ট করবেন । অন্যথায় , আপনার কোন ভুল ধারনার জন্য আমি/ আমরা দায়ী থাকব না । )

রাই আর সঞ্চারী

সঞ্চারী আর আমি ক্লাসমেট ছিলাম ক্লাস ৫ থেকে । সঞ্চারী ছিল ভীষণ সুন্দরী, সঙ্গে ক্লাসের ফার্স্ট গার্লও । আমি ছিলাম বেশ কাল , অতি সাধারন চেহারার এক লাজুক ছেলে । সঞ্চারীর সাথে কথা বলার সাহসও হয় নি কখনও । দূর থেকেই ওকে দেখতাম , সেই বয়সেই ওকে ভয়ানক ভাল লাগত । বুকের ভিতর কিরকম যেন এক অজানা কষ্ট জেগে উঠত ওকে দেখে । ওর বন্ধু হওয়ার যোগ্যতা আমার নেই সেটা বড় হতে হতে যত আমি বুঝতে লাগলাম, ওর প্রতি আকর্শনটা ক্রমে ভক্তিতে রুপান্তরিত হতে লাগল । ওকে দেবী হিসাবে পুজো করার ইচ্ছা ক্রমে জেগে উঠতে শুরু করল আমার মনে ।

সেই সঞ্চারী যে আমার সঙ্গে সত্যিই বন্ধুত্ব করবে আমি কখনও ভাবতেও পারিনি । ক্লাস ১১ এ একসাথে একটা প্রোজেক্ট করতে গিয়ে প্রথম ওর সাথে কথা হয় আমার । ও এমন স্বাভাবিক ভাবে আমার সাথে মিশত যেন আমি আর ও একইমানের, আমি ওর বন্ধু হওয়ার যোগ্য । কিন্তু আমি কিছুতেই পারতাম না । আমি যে বহুদিন আগেই ওকে আমার আরাধ্যা দেবীর আসনে বসিয়েছি !

আমি ওর বাড়িতে মাঝে মাঝে যেতাম । ওর বাড়িতে ওর বাবা ,মা আর ওর ৪ বছরের ছোট বোন রাই থাকত । রাই তখন ক্লাস ৭ এ পড়ে । সঞ্চারীর বাবা মা আমাকে খুব একটা অপছন্দ করত না । তবে কোন এক অজানা কারনে রাই আমাকে অপমান করতে পছন্দ করত সবার সামনেই । আমাকে কেলেভূত , বাঁদরমুখো, গাধা যা খুশি তাই বলে ডাকত । ছোটখাটো হুকুমও করত আমাকে । ওর মা বলত –  আমাদের আদরের ছোট মেয়ে ও, প্লিজ ওর কথায় তুই কিছু মনে করিস না ।

মনে করা তো দুরের কথা , আমি চেষ্টা করতাম আমার ভয়ানক ভাল লাগাটা আড়াল করতে । রাইকে দেখতে একদম সঞ্চারীরই মত , একই রকম ফর্শা মিষ্টি চেহারা । আমার খুব ইচ্ছাহত সঞ্চারী আর রাই সারা পৃথিবীর সামনে আমাকে যতখুশি অপমান করুক, ধরে থাপ্পর আর লাথি মারুক ।

রাই আমাকে খেলাচ্ছলে ২-১ দিন মেরেছিল । একদিন আমি সঞ্চারী আর রাইয়ের সাথে স্কুলের পর ওদের বাড়ি গেলাম । ওদের দুজনের মনই কোন এক কারনে খারাপ ছিল , কি কারন আমাকে তখনও বলেনি । আমি ওদের সাথে বাড়িতে ঢুকতে রাই আমাকে অবাক করে দিয়ে আদেশ করল ওর জুতো খুলে দিতে । আমি একটু অবাক হলাম । তবু সঙ্গে সঙ্গে রাইয়ের পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসলাম ওর চাকরের মত । ওর পা থেকে জুতো খুলতে যাওয়ার আগেই রাই জুতো পরা ডান পায়ে পরপর দুটো লাথি মারল আমার মুখে । আমি অবাক হয়ে তাকালাম রাইয়ের মুখের দিকে ।

রাই কিছু বলল না । পিছন থেকে ওর মা বলল, – ওদের বাবার বাইরে ট্রান্সফার হয়ে যাচ্ছে । আমরা পরশু চলে যাচ্ছি ৩ জন । শুধু সঞ্চারী স্কুল চেঞ্জ করবে না বলে এখানে থেকে যাচ্ছে । তাই রাইয়ের মন খারাপ খুব । ওর মারার জন্য কিছু মনে করিস না ।

রাই আবার আমার মুখের উপর একটা লাথি মারল, – ওকে যখন খুশি আমি লাথি মারব । কেলেভূত একটা, ও আবার কি মনে করবে ?

রাইয়ের জুতো পরা পায়ের লাথি , সঙ্গে এই অপমান আমার ভীষণ ভাল লাগছিল । আমি সঞ্চারী আর ওর মায়ের সামনেই এই অপমানের জবাবে রাইয়ের জুতো পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করলাম একবার । তারপর রাইয়ের জুতো খুলে দিতে লাগলাম ।

– কালু , তুই কিন্তু আজ র কাল আমাদের সব জিনিস একা গুছিয়ে দিবি । রাই এবার আমার গালে আলতো একটা থাপ্পর মেরে বলল ।

নিশ্চয়ই রাই , আমি তো আছি তোমাদের সব কাজ করে দেওয়ার জন্য আমি বললাম রাইয়ের জুতো খুলতে খুলতে ।

রাইয়ের জুতো মোজা খুলে ওর পায়ে ঘরে পরার চটিটা পরিয়ে দিতে রাই ওর চটি পরা বাঁ পা দিয়ে আমার মাথাটা সঞ্চারীর দিকে ঠেলে দিয়ে বলল , – তাহলে  দিদির জুতোও খুলে দে কালু ।

আমার নাম রমেশ , ডাক নাম রনি । তাও আমার গায়ের রঙ কালো বলে আমাকে কালু বলে ডাকছে রাই ।আমার চেয়ে ৪ বছরের ছোট ফরশা , সুন্দরী এই মেয়েটার হাতে অপমানিত হতে দারুন ভাল লাগছিল আমার । আমি মাথায় রাইয়ের চটি পরা পায়েরঠেলা খেয়ে সঞ্চারীর পায়ের সামনে হাটুগেড়ে  বসলাম । সঞ্চারী বাঁ পায়ের উপর ডান পা তুলে বসে ছিল । আমি সঞ্চারীর চাকরের মত ওর পা থেকে জুতো খুলতে লাগলাম ।

–   আমি কিন্তু ঘরের কোন কাজ জানি না কালু  । আমার ঘর পরিষ্কার ,রান্না করা , সব তোকে করতে হবে ।

সঞ্চারীও আমাকে কালু বলে ডাকছে ? আমাকে দিয়ে এখন থেকে বিনা পয়সার চাকরের মত ও সব কাজ করাতে চায় ? প্রবল আনন্দে আমি সঞ্চারীর পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করলাম ওকে । ওর দুই জুতোর ওপরে একবার করে চুম্বন করে বললাম , – নিশ্চয় সঞ্চারী । তারপর আবার ওর জুতো খুলে দিতে লাগলাম ।

দুইদিন ধরে ওদের যাবতীয় জিনিস আমি একা হাতে গোছালাম চাকরের মত । রাই আর সঞ্চারী গোছানোর তদারকি করছিল । কোন কিছু বিন্দুমাত্র অপছন্দ হলেই রাই এগিয়ে এসে আমার গালে সপাটে থাপ্পর মারছিল । আমি বসে গোছানোর সময় ভুল হলে ওর নীল চটি পরা পা দিয়ে আমার মুখে লাথি মারছিল । জবাবে আমি ওর চটি পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছিলাম । সঞ্চারী আর ওর মা দেখে শুধু হাসছিল । কেউ ওকে বাধা দিচ্ছিল না । আমারও ভীষণ ভাল লাগছিল রাইয়ের কাছে থাপ্পর আর লাথি খেতে ।

২ দিন পর রাই ওর বাবা মার সঙ্গে ওদের নতুন ঠিকানায় চলে গেল । আমি খুব দুঃখ পেলাম মনে । ওরা যাওয়ার ঠিক আগে স্টেশনে সবার সামনে রাইয়ের জুতো পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করলাম আমি । জবাবে রাই সবার সামনেই আমার মাথার উপর পা রেখে আমাকে আশীর্বাদ করল । একজন অবাক হয়ে রাইকে জিজ্ঞাসা করল , – এই ছেলেটা তোমাকে প্রনাম করছে কেন ?

জবাবে রাই মুচকি হেসে বলল , – আমাদের চাকর হয়, তাই । তারপর ট্রেনে উঠে গেল । ট্রেন ছেড়ে দিল একটু পরে । আমি আর সঞ্চারী ওদের বাড়িতে ফিরে এলাম তারপর ।

ওদের বাড়িতে ফিরে এসে আমি সঞ্চারীর পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে বললাম , – আমি তোর চাকরের মত সব কাজ করে দেব এখন থেকে । তুই কিছু চিন্তা করিস না ।

জবাবে মুখে মুছকি হাসি ফুটিয়ে আমার গালে আলতো একটা থাপ্পর মারল সঞ্চারী । – তুই আমার চাকরের মত না , চাকরই এখন থেকে কালু । আর চাকরেরা কি মালকিনকে তুই বলে ডাকে ?

আমি সঙ্গে সঙ্গে সঞ্চারীর পায়ে মাথা ঠেকিয়ে বললাম, – প্লিজ আমাকে ক্ষমা করে দাও মালকিন ।

জবাবে আমার মাথায় জুতো পরা ডান পা রেখে আমাকে আশীর্বাদ করল সঞ্চারী, – ঠিক আছে , এবারের মত তোকে ক্ষমা করে দিলাম কালু ।নে, আমার জুতো খুলে দে এবার । তারপর ঘর ঝাট দিয়ে রান্না বসা ।

সেই থেকে আমি সঞ্চারীর বিনা পয়সার চাকর হয়ে কাটাচ্ছি । আমি সঞ্চারীর দোকান, বাজার , রান্না , ঘর পরিষ্কার সব করি । সঞ্চারীর জামা কাচা , জুতো পরিষ্কার , পা টিপে দেওয়া এসবও করি রোজ । সঞ্চারীকে আমি সবার সামনেই মালকিন বলে ডাকি আর ও আমাকে ডাকে কালু বলে । প্রায়ই আমি ওর পায়ে মাথা ঠেকিয়ে ওকে দেবীর মত ভক্তি করে প্রনাম করি । আমার আশৈশব আরাধ্যা দেবীকে এভাবে সেবা করতে পেরে আমি গর্বিত বোধ করি । সঞ্চারীর পা টেপার সময় সঞ্চারী কখনও পা রাহেয়ামাএ কোলে, কখনও বা চটি বা জুতো পরা পা আমার বুকে বা মুখের উপর তুলে দেয় । সঞ্চারী যখন পড়ে তখন ওর পায়ের তলায় শুয়ে ওর চটি পরা পা মুখের উপর নিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা টিপে দিই আমি । সঞ্চারী আমার ঠোঁট আর কপাল ওর চটির তলা দিয়ে ঘসে । আমি জিভ বার করে মাঝে মাঝে চেটে দিই আমার সুন্দরী আরাধ্যা দেবীর চটির তলা ।

জবাবে আমার দিকে তাকিয়ে মিষ্টি হাসি হাসে সঞ্চারী , প্রান জুড়িয়ে দেওয়া হাসি । তবে ও রাইয়ের মত অত মারতে ভালবাসে না । কখনও মারলেও খুব আসতে মারে । আর কালু বলে ডাকা ছাড়া আর কোনভাবে অপমানও করে না । এমনকি সবার সামনে আমার সাথে মোটামুটি বন্ধুর মতই ব্যবহার করে । যদিও আমার ইচ্ছা করে সবার সামনে সঞ্চারীর সেবা করতে, তবু সঞ্চারীকে নিজে থেকে সেটা বলার সাহস হয়না কখনও । এভাবেই আমার আরাধ্যা দেবী সঞ্চারীর সেবা করতে করতে কেটে যায় দুটো বছর । আমরা উচ্চমাধ্যমিক দিই একসাথে । তারপর হঠাতই একদিন সেই সুখবর শুনতে পাই সঞ্চারীর মুখে । ওর বাবার বদলি হয়ে আবার এখানে ফিরে আসছে সপরিবারে ।

আমি আনন্দে লাফিয়ে উঠি প্রায় । তার মানে আবার সবার সামনে সঞ্চারীর সাথে রাইয়েরও সেবা করতে পাব ?

নির্দিস্ট দিনে রাই আর ওর বাবা মার জন্য সঞ্চারীর সাথে স্টেশনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে থাকি আমি । ট্রেন এসে পৌছালে রাই এসে নামে ওর বাবা মায়ের সঙ্গে । এই দুবছরে রাই যেন আরও সুন্দরী হয়েছে । স্বর্গ থেকে কোন দেবী সামনে নেমে এলে কোন ভক্তের যেরকম অবস্থা হবে রাইকে দেখে আমার সেরকমই অবস্থা হয় । আমি রাইকে দেখে প্রবল ভক্তিভরে ওর পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসি প্ল্যাটফর্মের অত লোকের সামনেই ।

–   গ্রিট মি প্রপারলি স্লেভ। রাই ভুরু কুচকে আমার দিকে তাকিয়ে বলে । রাইয়ের মুখে প্রথমবার স্লেভ ডাক শুনে প্রবল আনন্দ হয়  আমার । সত্যিই আমি এই জীবনে শুধু রাই আর সঞ্চারীর ক্রীতদাসই হতে চাই , আর কিছু না। আমি প্ল্যাটফর্মে সবার সামনে রাইয়ের সাদা স্নিকার পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে ওকে ভক্তিভরে প্রনাম করি । জবাবে আমার মাথার উপর জুতো পরা বাঁ পা রেখে উঠে দাঁড়ায় রাই, তারপর জুতো পরা ডান পা টা রাখে আমার পিঠের উপর । উপুড় হয়ে ওকে প্রনাম করতে থাকা আমাকে পায়ের তলায় মাড়িয়ে গিয়ে পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ওর দিদিকে জড়িয়ে ধরে রাই । – আই লাভ ইউ দি , কেমন আছিস ?

–    ছোট্ট বোনটাকে ছেড়ে কি ভাল থাকা যায় ? তুই কেমন আছিস ?

–   ঠিক বলেছিস দি, তোকে ছাড়া আমারও একদম ভাল লাগছিল না । আচ্ছা , কালু কুত্তাটা তোর সব কাজ ঠিক ঠাক করত তো ? না ঝামেলা করত ?

–   না রে , কালু খুব বাধ্য চাকর  , আমার সব কথা শুনত ও । আমার মাথায় ওর ব্রাউন পাম্প শু পরা ডান পা বুলিয়ে বলে সঞ্চারী ।

–   এখন আমি এসে গেছি । ঝামেলা করলে লাথি মেরে ওর সব দাঁত ফেলে দেব আমি । দেখ , কুত্তাটার জন্য ডগ কলার নিয়ে এসেছি আমি । এই কালু কুত্তা, এদিকে আয় ।

–   আমি রাইয়ের ডাক শুনে ওর পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসি । স্টেশন ভর্তি লোকের সামনে আমার গলায় ডগ কলারটা পরিয়ে দেয় রাই । তারপর আমার মুখের উপর একদলা থুতু ছিটিয়ে দেয় । পরক্ষনেই প্ল্যাটফর্মের উপর আরেকদলা থুতু ছেটায় রাই ।

–    চাট কালু কুত্তা । তোর প্রভুর থুতু চাট । হাসিমুখে পাশ থেকে বলে সঞ্চারী । আমি রাইয়ের থুতুটা মাথা নিচু করে চাটতে গেলে আমার মাথাটা পাম্প শু পরা বাঁ পা দিয়ে থুতুর উপরে চেপে ধরে সঞ্চারী । আমি আমার দুই প্রভুর কাছে অপমানিত হওয়ার আনন্দে তখন আত্মহারা । স্টেশন ভর্তি লোক আমার দুই প্রভুর কাছে আমার অপমান দেখতে থাকে আমাদের ঘিরে ধরে । আর আমি রাইয়ের থুতু চাটতে থাকি প্ল্যাটফর্ম থেকে , আর সঞ্চারী ওর জুতো পা দিয়ে আমার মাথা চেপে ধরে থাকে থুতুর উপর ।

–   রাইয়ের পুরো থুতুটা চেটে খেয়ে নিলে রাই আদেশ করে , – কালু কুত্তা , এবার আমাদের সব ব্যাগ গুলো তোল , ঘরে ফিরতে হবে ।

–   আমি উঠতে যাই , আর তখনই রাইয়ের স্নিকার পরা ডান পা সজোরে আমার ঠোঁটের উপর আঘাত করে । আমি উলটে পরে যাই । তারপর আবার উঠতে যাই আমার আরাধ্যা দেবীর আদেশ পালনে । এবার পাম্প শু পরা ডান পা দিয়ে আমার নাকের উপর সপাটে লাথি মারে সঞ্চারী । আমি উলটে পরে যাই আবার । নাকজুড়ে অসহ্য যন্ত্রনা বোধহয় , চোখে অস্পষ্ট লাগে দৃষ্টি । তাকিয়ে দেখি রাই সঞ্চারীকে জড়িয়ে ধরে হো হো করে হাসছে । আমি কি করব বুঝতে পারিনা । অসহায় দৃষ্টিতে আমার দুই প্রভুর দিকে তাকিয়ে শুয়ে থাকি । রাই ওর জুতো পরা ডান পা টা আমার মুখের উপর তুলে দেয়  । আমার ঠোঁট দুটো ঘষতে থাকে ওর জুতো পরা ডান পায়ের তলায় , ওর বাবা মা সহ প্ল্যাটফর্ম ভর্তি লোকের সামনেই । আমি জবাবে দুহাত দিয়ে রাইয়ের জুতো পরা পা টা আমার মুখের সাথে চেপে ধরি , ভক্তিভরে গাঢ় চুম্বন করি আমার প্রভুর জুতোর তলায় ।

–   জিভটা বার কর কালু কুত্তা । রাই গম্ভীর গলায় আদেশ দেয় ।

–   আমি যতটা সম্ভব বার করে দিই আমার জিভটা । আমার চেয়ে ৪ বছরের ছোট আমার আরাধ্যা দেবী রাই আমার জিভের উপর ওর সাদা স্নিকার পরা পায়ের তলাটা নামিয়ে দেয় । ওর ধুলো ময়লা ভর্তি জুতোর তলাটা আমার জিভের উপর ঘসে পরিষ্কার করতে থাকে অসংখ্য লোকের সামনে । অনেকেই কয়ামেরা বার করে এই ঘটনার ভিডিও তুলতে থাকে । আর আমি আমার আরাধ্যা দেবীর জুতোর তলার ময়লা পরম ভক্তিভরে গিলে খেতে থাকি ।

–   ডান জুতোর তলা আমার জিভে ঘষে নতুনের মত চকচকে করে ফেললে ডান পা দিয়ে আমার নাকের উপর জোরে একটা লাথি মারে রাই । তারপর একই রকম ভাবে আমার জিভের উপর বাঁ জুতোর তলা ঘসতে থাকে । ওর বাঁ জুতোর তলাও নতুনের মত পরিষ্কার হয়ে গেলে আবার একটা লাথি মারে আমার ঠোঁটের উপর । এরপর এগিয়ে আসে সঞ্চারী । আমার জিভের উপর ঘসে প্রথমে ওর বাঁ জুতোর তলা , তারপর ডান জুতোর তলা পরিষ্কার করে নেয় । এরপর উৎসাহ পেয়ে আমাদের ঘিরে মজা দেখতে থাকা আরও ৩ জন ফর্শা সুন্দরী মেয়ে এগিয়ে আসে । ওদের একজনের বয়স ১৪-১৫, একজনের ১৮-১৯, আরেকজনের ২২-২৩ । ৩ জন মেয়েই আমার জিভের উপর ঘষে ওদের পবিত্র জুতোর তলা নতুনের মত পরিষ্কার করে ফেলে । তারপর ওরা রাই আর সঞ্চারীকে ধন্যবাদ দিয়ে আমার মুখে লাথি মেরে চলে যায় । রাই এগিয়ে এসে আমার গলায় বাঁধা ডগ কলারটা হাতে ধরে । সঞ্চারী বলে , – নে কালু কুত্তা , আমাদের জিনিসগুলো সব মাথায় আর পিঠে তুলে নিয়ে বাড়ির দিকে চল । স্টেশনের নিচেই ওদের গাড়ি দাঁড়িয়ে । ওরা চারজন গাড়িতে উঠে যায় মালপত্র আমাকে ধরিয়ে দিয়ে । ঠান্ডা এসি গাড়িতে চড়ে ওরা বাড়ির দিকে এগিয়ে যায় । রাই আর সঞ্চারীর জুতোর তলার ময়লা সারা মুখে মেখে আমি প্রবল রোদের মধ্যে সব মালপত্র মাথায় পিঠে তুলে হাটাপথে দেড়ঘন্টা দূরত্বের ওদের বাড়ির দিকে রওনা হই  আর মনে মনে ভগবানকে ধন্যবাদ দিই আমাকে এত সুন্দরী দুই প্রভুর ক্রীতদাস বানানোর জন্য ।

আমার প্রভু লিপি ( খোকা )

লিপির ডান হাতের থাপ্পরটা প্রবল জোরে আমার বা গালে আছড়ে পড়ল , গোটা ক্লাসের সামনে। ‘ what are you doing with my shoes idiot ?’ , লিপির গলায় তীব্র রাগ টের পেলাম । আমার হাতে লিপির সাদা স্নিকার জোড়া ধরা তখনও, আমি কি বলব বুঝতে না পেরে আমতা আমতা করতে লাগলাম , লজ্জায় আমার মাথা নিচু হয়ে গিয়েছিল । ফাকিং লুজার্স, লিপির পাশ থেকে বলল নিধি, লিপির বান্ধবী । লিপি আমার হাত থেকে একটা জুতো নিয়ে আমার গালে বেশ জোরে মারল এবার । কি করছিলি আমার জুতো নিয়ে জানোয়ার ?

ল্যাবের দরজার সামনে কোমরে হাত দিয়ে ক্রুদ্ধ মুখে দাড়িয়ে আছে আমার সুন্দরী ক্লাসমেট লিপি । স্কুল জীবন থেকেই আমরা ক্লাসমেট, অথচ আজ প্রথম ও আমার সঙ্গে কথা বলল, তাও আমার গালে থাপ্পর মারার পর ।আমি কি কৈফিয়ত দেব আমার ফরশা, সুন্দরী, বড়লোক ক্লাসমেট লিপিকে । ওকে নিজের প্রভূ বলে ভাবি, পূজনীয় দেবী হিসাবে দেখি । তাই রোজ ও ল্যাবে জুতো খুলে ঢুকলে ওর জুতো জিভ দিয়ে চেটে পরিষ্কার করে দিই । নিধি, প্রিথা আর লিপির অন্যান্য বান্ধবীদের জুতোও সময় পেলে চেটে পরিষ্কার করে দিই । ওরা এত সুন্দরী, বড়লোকের মেয়ে । আমার মত একটা সাধারন, গরীব ছেলের জায়গা তো ওদের জুতোর তলাতেই । কিন্তু লিপিকে এইকথা কি করে বোঝাই আমি ?

আমি কি বলব বুঝতে না পেরে মাথা নিচু করে চুপ করে দাড়িয়ে ছিলাম। ঘোর ভাঙল মুখের উপর থুতুর স্পর্শে । লিপি আমার মুখে থুতু ছিটিয়েছে, লিপির একরাশ পবিত্র থুতু আমার কপাল বেয়ে গাল দিয়ে নামতে লাগল । তাই দেখে লিপির পাশে দাড়ান নীধি আর পৃথা হো হো করে হাসতে লাগল । লিপি তখনও গম্ভীর । ডান হাতের আঙ্গুল পায়ের দিকে দেখিয়ে বলল, জুতোটা আমার পায়ে পড়িয়ে দে, তারপর ভাবছি তোকে নিয়ে কি করা যায় । আমি এক্টুও আপত্তি করলাম না নিজের সুন্দরী ক্লাসমেট লিপির পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে ওর পায়ে জুতো পরাতে লাগলাম।

লিপির পায়ের কাছে ঠিক চাকরের মত হাটুগেরে বসে ওর পায়ে জুতো পরিয়ে দিলাম আমি । মনে মনে আমি লিপিকে তখন আমার প্রভু বলে ভাবছিলাম, নিজেকে ওর কৃতদাস বলে কল্পনা করতে ভীশন ভাল লাগছিল আমার। লিপির সাদা মোজা পরা পায়ে সাদা স্নিকার পরিয়ে দিলে লিপি স্নিকার পরা ডান পা দিয়ে আমাকে নিধির দিকে ঠেলে বলল, এবার নিধি আর পৃথার পায়ে জুতো পরিয়ে দে। তুই থাকতে মেয়েরা কেন কষ্ট করে পায়ে জুতো পরতে যাবে ? আমি এক্টুও আপত্তি করলাম না, নিধির পায়ের কাছে হাটুগেরে বসে ওর পায়ে স্নিকার পরিয়ে দিলাম ।

নীধির পায়ে স্নিকার পরিয়ে দিয়ে আমি এগিয়ে গেলাম পৃথার দিকে । পৃথার পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে ওর পায়ে সাদা স্নিকার দুটো পরিয়ে দিলাম । পৃথার পায়ে জুতোজোড়া পরিয়ে দিয়ে ওর পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে থাকা অবস্থায় আমি ওর চোখের দিকে তাকালাম । পৃথা আমার দিকে তাকিয়ে একবার মৃদু হাসল, তারপর জুতো পরা ডান পা দিয়ে প্রবল জোরে লাথি মারল আমার গালের উপর । আমি টাল সামলাতে না পেরে উলটে পরে গেলাম । তাই দেখে পৃথা আর নীধি হো হো করে হাসতে লাগল । তবে লিপি গম্ভীর মুখে এগিয়ে এল আমার দিকে । আমার মুখের উপর জুতো পরা ডান পা টা তুলে দিয়ে আমার মুখের উপর জুতোর তলাটা ঘষতে লাগল আমার পরমা সুন্দরী ক্লাসমেট লিপি ।

হঠাত লিপি পা তুলে বেশ জোরে একটা লাথি মারল আমার নাক আর ঠোটের উপর , তারপর জুতোর তলা দিয়ে আবার আমার ঠোটদুটো ঘসতে ঘসতে বলল ,

“ এটাই তোর সঠিক জায়গা কুত্তা , আমার পায়ের তলায়’ ।

গোটা ক্লাসের সামনে অপমানিত হওয়া সত্বেও আমার ভীষন ভাল লাগছিল লিপির কাছে এই অপমান । আমি দুহাত বাড়িয়ে লিপির জুতো পরা ডান পা টা ঠোঁটের সঙ্গে চেপে ধরলাম । তারপর লিপির জুতোর তলায় একটা গাঢ় চুম্বন করে বললাম , “আমি জানি প্রভু , আমার জায়গা তোমার জুতোর তলায়” ।

লিপির মুখে হাসি ফুটে উঠল আমার কথা শুনে । আমার নাকের উপর বেশ জোরে একটা লাথি মেরে বলল, “ আজ থেকে সবার সামনে তুই আমাদের গোলামি করবি । সারা কলেজ জানবে তুই আমাদের গোলাম আর আমরা তোর মালকীন” ।

লিপি আমার জামার কলার ধরে আমাকে টেনে ওঠাল , তারপর আমাকে কলার ধরে টানতে টানতে ক্লাসরুমের দিকে নিয়ে চলল । আমাদের ক্লাসের অনেক ছেলে মেয়েই আশেপাশে ছিল, লিপির হাতে আমাকে ডমিনেটেড হতে দেখে ওরা সবাই হাসতে লাগল ।

তখন টিফিন ব্রেক চলছিল । ক্লাসরুমে আমরা ৪ জন ছাড়া ৭-৮ টা মেয়ে আর ২ জন ছেলে ছিল । লিপি আমার কলার ধরে টানতে টানতে নিয়ে এসে প্রথম বেঞ্চে বসল , তারপর কোন কারন ছাড়াই সজরে থাপ্পর মারল আমার বাঁ গালে ।

ক্লাসরুমে উপস্থিত সব ছেলে মেয়ে হাসতে লাগল লিপির হাতে আমার হিউমিলিয়েশন দেখে ।

লিপি এরপর আমার ডান গালে ওর বাঁ হাত দিয়ে আরও একটা থাপ্পর মারল জোরে ।

“ফ্রন্ট বেঞ্চটা সরিয়ে রাখ”।

আমি লিপির আদেশ পালন করে সামনের বেঞ্চটা সরিয়ে রাখলাম । বসার বেঞ্চটায় লিপি বসে আছে মাঝখানে । ওর বাঁদিকে নীধি , ডানদিকে পৃথা । আমি এগিয়ে গিয়ে লিপির পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসলাম ।

লিপি একমুহুর্তের জন্য ওর সুন্দর মুখে হাসি ফুটিয়েই গম্ভীর হয়ে গেল । তারপর জুতো পরা বাঁ পা দিয়ে বেশ জোরে একটা লাথি মারল আমার মুখের উপর ।

তারপর আমার মুখের উপর একদলা থুতু ছেটাল । থুতুটা এসে লাগল আমার কপালের ঠিক মাঝখানে ।  আমার নাকের পাশ দিয়ে গড়িয়ে পরতে লাগল আমার প্রভু লিপির পবিত্র থুতু । আমি জিভ বার করে আসতে আসতে লিপির থুতুটা চাটতে লাগলাম ।

“ ল্যাবের বাইরে আমার জুতো নিয়ে কি করছিলি ক্লাসের সবাইকে বল কুত্তা,” লিপি আবার আমার গালে থাপ্পর মেরে বলল ।

ক্লাসের সবার সামনে এভাবে অপপমানিত হতে আমার বেশ লজ্জা লাগছিল , একই সাথে ভালও লাগছিল ভীষন । লিপি তো আমার প্রভু আমাকে নিয়ে ও যা খুশি করতে পারে , আমার কোন অধিকার নেই বাধা দেওয়ার ।

আমি মাথা নিচু করে বললাম , “ তোমার জুতোর তলা জিভ দিয়ে চেটে পরিষ্কার করছিলাম প্রভু” ।

আমার কথা শুনে ক্লাসের মেয়েদের মধ্যে হাসির রোল উঠল । লিপি আবার আমার গালে জোরে একটা থাপ্পর মেরে বলল , “ আমার জুতো চাটছিলি কেন?”

আমি বললাম , “ তুমি আমার প্রভু , আমি তোমার ক্রীতদাস । তোমার জুতো জিভ দিয়ে চেটে পরিষকার করে দেওয়া আমার কর্তব্য প্রভু” ।

আমার কথা শুনে এবার নীধি পাশ থেকে আমার গালের উপর জুতো পরা ডান পায়ে জোরে একটা লাথি মেরে বলল , “ শুধু লিপি তোর প্রভু হয় ? তাহলে আমরা কে হই তোর ?”

আমি নীধির জুতো পরা দুই পায়ের উপর মাথা ঠেকিয়ে ওকে প্রনাম করে বললাম , “ তোমরাও আমার প্রভু হও । এই ক্লাসের , এই কলেজের সব মেয়েই আমার প্রভু হয়” ।

এই শুনে ক্লাসের সব মেয়ের মধ্যে আবার হাসির রোল উঠল । আমি তখনও আমার কপাল নীধির জুতো পরা দুই পায়ের উপর ঘসছি । লিপি আমার মাথার উপর জুতো পরা পা দুটো তুলে দিয়ে বলল , ক্লাসের সব মেয়ের জুতো আজ তুই জিভ দিয়ে চেটে পরিষ্কার করবি । আমার টা দিয়ে শুরু কর কুত্তা” ।

“নিশ্চয় প্রভু” বলে আমি লিপির পায়ের তলায় শুয়ে পরলাম । লিপি ওর পা দুটো আমার মুখের উপর তুলে দিল । আমার মুখের উপর লাথি মেরে বলল জিভটা বার করে দে কুত্তা”। আমি তাই করলাম । আমার বার করে দেওয়া জিভের উপর আমার প্রভু, মালকিন , আরাধ্য দেবী লিপি ওর জুতো পরা বাঁ পায়ের তলা ঘষতে লাগল । ক্লাসের বাকি সব মেয়ে তখন সামনে এসে আমাকে ঘিরে ধরেছে । পৃথা আর নীধির সাথে মিলে উপাসনা , রাই , সুচেতনা , অঙ্গনা , ঈশা , সোহিনী, সুনন্দা আর স্বাগতা আমাকে ঘিরে ধরে আমার সারা গায়ে জুতো পরা পায়ে জোরে জোরে লাথি মারতে লাগল । আর আমার বেরকরে দেওয়া জিভের উপর নিজের জুতোর তলা ঘষে পরিষ্কার করতে লাগল আমার প্রভু লিপি । আমি ভক্তিভরে আমার প্রভু লিপির জুতোর তলার সব ময়লা গিলে খেতে লাগলাম ।

লিপির দুটো জুতোর তলা নতুনের মত পরিষ্কার হয়ে গেলে ওর জায়গা নিল পৃথা । তারপর নীধি , উপাসনা , রাই , সুচেতনা , অঙ্গনা , ঈশা , সোহিনী, সুনন্দা আর স্বাগতাও একে একে আমার জিভের উপর ওদের পবিত্র জুতোর তলা ঘষে পরিষ্কার করে নিল । আমি আমার প্রভুদের জুতোর তলার ময়লা পুজোর প্রসাদের

মত ভক্তি করে গিলে খেয়ে নিলাম ।

মত ভক্তি করে গিলে খেয়ে নিলাম ।

বর্ষাকাল পরার পর থেকেই স্কুলের টিফিন পিরিওডে রোজ এই খেলাটা খেলছে সুনন্দা । প্রথমে ইচ্ছা করে মাঠে নেমে জুতোর তলায় কাদা লাগায় তারা । তারপর জুতো পরা পা দিয়ে স্কুলের দেওয়ালে জোরে জোরে লাথি মেরে জুতোর ছাপ ফেলে তারা । রোজই ওর সঙ্গে থাকে প্রথমা , প্রিয়া , আর লতিফা । কোন কোনদিন অন্য মেয়েরাও থাকে । এরফলে স্কুলের এই দেওয়ালটা এরমধ্যেই ক্লাস ৯ এর এই ৪ সুন্দরী মেয়ের জুতোর ছাপে ভরে উঠেছে ।
আজকেও অদের এই খেলার অন্যথা হল না । টিফিনের ঘন্টা বাজতেই ওরা কোনমতে টিফিন সেরে ওদের প্রিয় এইখেলা শুরু করে দিল । আসলে , স্কুলের দেওয়াল জুড়ে নিজেদের পায়ের ছাপ ফেলতে ওদের ৪ জনেরই কোন এক অজানা কারনে খুব ভাল লাগে । লাথি মারার সময় ওরা দেওয়ালের জায়গায় কলপনা করে নেয় কোন কাল্পনিক শত্রুর মুখ , তারপর জুতো পরা পা দিয়ে লাথি মারে সেই কাল্পনিক শত্রুর মুখে ।এই বেসরকারি স্কুলের মালিক সুনন্দার বাবা মা , প্রিন্সিপালও সুনন্দার মা । তাই ওরা নির্ভয়েই স্কুলের অনেক নিয়ম কানুন ভেঙ্গে বেড়াতে পারে ।
আজকে খেলাটা শুরু করেছিল লতিফা । তার দুপায়ের মোত ২৩ টা ছাপ ফুটেছিল দেওয়ালে । এরপর প্রিয়া মোট ২২ টা ছাপ ফেলেছিল । এরপর এল সুনন্দার পালা । সেসবে দেওয়ালে লাথি মারা শুরু করতে যাবে , তখনই বাধাটা এল । স্কুলের দারোয়ান রমেশের কাছ থেকে ।
রমেশ এই স্কুলের দারোয়ান হয়ে এসেছে প্রায় ১ বছর হয়ে গেল । বয়েশ প্রায় ২৫ এর কাছাকাছি, বেশ লম্বা , তাগড়াই চেহারা । প্রথম দিন থেকেই ওরা দেখে এসেছে, যেকোন মেয়ে স্কুলে ঢোকার সময়েই রমেশ উঠে দাঁড়ায়, মাথা নিচু করে তাকায় মেয়েদের পায়ের দিকে । এই সম্মান স্কুলের সব মেয়েই বেশ উপভোগ করে । দারোয়ান হওয়ার পাশাপাশি স্কুলের মেয়েদের জুতো পালিশ করে ও কিছু অতিরিক্ত পয়সা রোজগার করে । জুতো পালিশ করার সময় সে মেয়েদের জুতো পরা একটা পা বাঁ হাতের তালুতে তুলে নিয়ে ডান হাত দিয়ে জুতো পালিশ করে । সুনন্দা ওকে দিয়ে জুতো পালিশ করাতে গিয়ে রোজই ওর বাঁ হাতের তালুতে জুতো পরা পা দিয়ে ভর দেয়, কখনও কখনও উঠে দাড়ায় ওর হাতের উপর । রমেশ ব্যাথা পেলেও কখনও তাকে বাধা দেয়নি । বয়শে অনেক বড় এই ছেলেটিকে নিজের পায়ের তলায় কষ্ট পেতে দেখে বেশ ভাল লাগে সুনন্দার ।
আজ সে সবে দেওয়ালে লাথি মারতে শুরু করবে , এই সময় রমেশ এসে উপস্থিত হল তাদের সামনে । আন্তরিকভাবে , হাতজোড় করে ক্লাস ৯ এর ৪ টে মেয়েকে বলল সে , “ প্লিজ ম্যাডাম, এভাবে দেওয়াল নোংরা করবেন না ।আমার ডিউটি খেয়াল রাখা, প্রিন্সিপাল দেখতে পেলে আমার চাকরি থাকবে না । প্লিজ ম্যাডাম” ।
রমেশের অনুরোওধকে বিন্দুমাত্র পাত্তা না দিয়ে জুতো পরা বাঁ পায়ে দেওয়ালে জোরে একটা লাথি মারল সুনন্দা । তার সাদা স্নিকারের তলার কালো ছাপ দেওয়ালে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠল ।
তোর চাকরি গেলে আমাদের কি ? ভাগ এখান থেকে , বিরক্ত করলে লাথিটা দেওয়ালে না মেরে তোকে মারব” ।
সুনন্দার উত্তর শুনে তার পায়ের সামনে হাটুগেড়ে বসে পড়ল রমেশ । হাতজোড় করে বিনীত ভাবে বলল , “ প্লিজ ম্যাডাম , আর যাই করুন , এভাবে দেওয়ালে লাথি মারবেন না । প্লিজ” ।
রমেশকে বিন্দুমাত্র পাত্তা না দিয়ে দেওয়ালে আরও একটা সজোরে লাথি মেরে সুনন্দা বলল , “ এক্ষুনি না ভাগলে লাথি এবার তোর মুখে মারব”।
রমেশ এবার মরিয়া হয়ে দেওয়ালের সামনে এসে আবার হাটুগেড়ে বসে পড়ল । সুনন্দা এতক্ষন যেখানে লাথি মারছিল , রমেশের মাথাটা এখন ঠিক তার সামনে । রমেশ মাথা নিচু করে সুনন্দাকে বলল , “ আপনার ইচ্ছা হলে আমার মুখেই লাথি মারুন ম্যাডাম । শুধু প্লিজ, দেওয়ালে মারবেন না” ।
“ সুনন্দা , ব্যাটার সখ হয়েছে তোর লাথি খাওয়ার । জোড়ে একটা লাথি মার তো ব্যাটার মুখে”, পাশ থেকে প্রথমা বলল ।
সুনন্দার দারুন ভাল লাগছিল । তার চেয়ে প্রায় ১২ বছরের বড় একটা ছেলে তার পায়ের সামনে হাটুগেড়ে হাতজোড় করে বসে আছে, এমনকি ওর মুখে লাথি মারবে বলার পরেও ও তাতে কোন আপত্তি করছে না । দেওয়ালের বদলে সত্যিই কারো মুখে লাথি মারতে পাবে ভেবে এক অদ্ভুত আনন্দ হতে লাগল সুনন্দার ।
“আমি ঠিক ৩ গুনব , তারমধ্যে তুই না উঠলে তোর মুখে লাথি মারব আমি” , সুনন্দা কোমরে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে বলল । এক অদ্ভুত উত্তেজনার শিহরন বইতে লাগল তার কিশোরী দেহের কোষে কোষে ।
১ !
২!!
৩!!!
রমেশ একবারের জন্যও নড়ল না , ৩ উচ্চারনের সঙ্গে সঙ্গে সুনন্দার জুতো পরা ডান পা প্রবল জোড়ে আছড়ে পড়ল রমেশের নাক আর ঠোঁটের উপর । উফ , সে সত্যিই তার চেয়ে ১২ বছরের বড় এই ছেলেটার মুখে ৩ জন বান্ধবীর সামনেই জুতো পরা পায়ে লাথি মারল ? এক প্রবল উত্তেজনা আর আনন্দ ঘিরে ধরল সুনন্দাকে । সে একের পর এক লাথি মারতে লাগল রমেশের মুখে , তার জুতো পরা ডান পা দিয়ে । রমেশের প্রতি বিন্দুমাত্র মায়া দয়ার চিহ্ন ছিল না লাথিমারার মধ্যে , বয়সে অনেক বড় একটা ছেলের মুখে জুতো পরা পায়ে লাথি মারার আনন্দে সুনন্দা বিভোর হয়ে উঠেছিল । গায়ের সর্বশক্তি দিয়ে সে লাথি মারছিল দারোয়ান রমেশের মুখে । আর লতিফা জোরে জোরে গুনছিল লাথির সংখ্যা । রমেশের ঠোঁট , নাক , কপাল , গাল , সর্বত্র একের পর এক আছড়ে পরছিল সুনন্দার জুতো পরা ডান পা ।
১২ নম্বর লাথিটা সজোরে এসে আছড়ে পড়ল রমেশের নাকের উপর । সে আর পারল না । মাটির উপর উলটে পরে গেল । তার নাক আর ঠোটের পাশে চাপচাপ রক্ত লেগে আছে , আর গোটা মুখজুড়ে সুনন্দার জুতোর ছাপ। রমেশ মেঝেতে উলটে পড়তে সুনন্দা এগিয়ে এসে রমেশের মুখের উপর জুতো পরা ডান পা টা তুলে দিল । রমেশের ঠোঁটদুটো জুতোর তলা দিয়ে ঘসতে লাগল । রমেশ বাধা তো দিলই না , বরং একবার দুইহাত দিয়ে সুনন্দার জুটো পরা ডান পা টা মুখের সাথে চেপে ধরে সুনন্দার ডান জুতোর তলায় একটা গভীর চুম্বন করল ।
৫ ফুট ৩ ইঞ্চির ফর্শা, মিষ্টি মেয়ে সুনন্দা কোমরে হাত দিয়ে রমেশের নাকের উপর একটা লাথি মেরে বলল , আজ তুই জিভ দিয়ে আমাদের জুতো পালিশ করবি । জিভ বার কর কুত্তা” ।
বিনা প্রতিবাদে নিজের জিভটা মুখের বাইরে জতটা সম্ভব বার করে দিল রমেশ । সুনন্দা নিজের জুতোর তলা ওর জিভের উপরে নামাতে জেতেই লাফিয়ে সামনে চলে এল লতিফা ।
“সব তুই আগে করবি নাকি ? উহু , সেটা হবে না” ।
“ঠিক আছে , তোরাই আগে কর এবার” , সুনন্দা হেসে সরে দাড়াল । তার বান্ধবীদের সে খুব ভালবাসে ।
লতিফা নিজের কালো স্কুল শু পরা বাঁ পায়ের তলা রমেশের জিভের উপর নামিয়ে দিল । রমেশের জিভের উপর এমন ভাবে সে জুতোর তলা মুছতে লাগল যেন সে কোন পাপোশের উপর জুতোর তলা মুচ্ছে ।রমেশ এমনভাবে ওর জুতোর তলার ময়লা গিলে খেতে লাগল যেন এটা খুবই স্বাভাবিক । রমেশ মাঝে মাঝে জিভটা মুখের ভিতরে ঢুকিয়ে লতিফার জুতোর তলার ময়লা গিলে খেতে লাগল , তারপর আবার পরিষ্কার জিভ বাড়িয়ে দিতে লাগল লতিফার জুতোর তলা মোছার জন্য । লতিফার যেন এখনও বিশ্বাস হচ্ছিল না সে তারচেয়ে প্রায় ১২ বছরের বড় একটা ছেলের জিভে নিজের জুতোর তলা মুচ্ছে । মাঝে মাঝে সে রমেশের নাকে , কপালে বাঁ ঠোঁটের উপর জুতো পরাপায়ে লাথি মারছিল , তারপর আবার জুতোর তলা নামিয়ে দিচ্ছিল রমেশের জিভের উপর । প্রথমে বাঁ জুতোর তলা , তারপর ডান জুতোর তলা একইভাবে পরিষ্কার করে নিল লতিফা ।
লতিফার পর প্রথমা আর তারপর প্রিয়াও একইভাবে রমেশের জিভের উপর জুতোর তলা মুছে পরিষ্কার করে নিল । সবার শেষে সুনন্দার পালা আসতে সে জুতো পরা বাঁ পা টা রমেশের গলার উপর রেখে উঠে দাড়াল প্রিয়ার হাত ধরে , তারপর রমেশের বের করা জিভে জুতোর তলা মুছতে লাগল । প্রথমে বাঁ জুতোর তলা , তারপর ডান জুতোর তলা রমেশের জিভের উপর মুছে পরিষ্কার করল সে । রমেশের প্রবল শ্বাসকষ্ট হচ্ছিল সুনন্দা তার গলার উপর উঠে দাঁড়ানোয় , তবু সে সুনন্দার আদেশ মেনে তার সেবা চালিয়ে গেল কষ্টকে উপেক্ষা করে । সে চিরদিনই মেয়েদের কে প্রভু বলে ভাবতে পছন্দ করে , পছন্দ করে মেয়েদের সেবা করতে । আর আজ সে যেভাবে সুনন্দা ও তার ৩ বান্ধবীর সেবা করছিল তা ছিল তার স্বপনের অতীত । প্রথম যেদিন সে ওদের দেওয়ালে লাথি মারতে দেখেছিল সেদিন স্বপ্ন দেখেছিল ওরা দেওয়ালের বদলে তার মুখে লাথি মারছে । আর আজ তার সেই স্বপ্ন সত্যি হয়েছে , তা কিছুতেই বিশ্বাস হতে চাইছিল না তার । তার জিভের উপর জুতোর তলা মুছে চলা অপরুপ সুন্দরী সুনন্দাকে তার কোন স্বর্গের দেবী বলে মনে হচ্ছিল ।
সুনন্দা তার জুতোর তলা দুটো নতুনের মত পরিষ্কার করে রমেশের গলার উপর থেকে নেমে দাড়াল । রমেশের নাকের উপর লাথি মেরে আদেশ দিল , “ এবার আমাদের জুতোর উপরের দিক জিভ দিয়ে চেটে পালিশ করে দে” ।
রমেশ উঠে হাটুগেড়ে বসে সুনন্দার পায়ের কাছে , সুনন্দার জুতো পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে সাষ্টাঙ্গে প্রনাম করে সুনন্দাকে । তারপর সুনন্দার জুতো দুটো জিভ দিয়ে পালিশ করতে থাকে । এরপর একইরকম ভক্তিভরে সে প্রিয়া , প্রথমা আর লতিফাকে প্রথমে সাষ্টাঙ্গে প্রনাম করে ওদের জুতোও জিভ দিয়ে পালিশ করে দেয় । এরপর রমেশ আবার মেঝেতে চিত হয়ে শোয় , আর ওর ৪ প্রভু ওর মুখে আর বুকে জুতো পরা পায়ে একের পর এক লাথি মারতে থাকে ।
সুনন্দা প্রিন্সিপালের মেয়ে হওয়ায় ওদের কাউকেই স্কুলের কোন নিয়ম মানতে হয়না । একটু পরে ওরা ৪ জন স্কুলের প্রিন্সিপাল সুনন্দার মা জয়ার অফিসে আসে । সুনন্দার মুখে স্কুলের দারোয়ান রমেশের মার খাওয়ার ঘটনা শুনে তিনি মুচকি হেসে বলেন , “ তোরা এত সুন্দরী , সব ছেলেরই স্থান হওয়া উচিত তোদের পায়ের তলায় । চল রমেশকে নিয়ে আরেকটু মজা করি । জয়া ম্যডাম সেই দেওয়ালের সামনে গিয়ে দারোয়ানকে ডাক দেন । রমেশ আসতে বলেন , “ এই দেওয়ালে এত জুতোর ছাপ পড়ল কি করে? কে করেছে এসব ?”
সব জেনেও রমেশ মাথা নিচু করে বলে “ জানি না ম্যাডাম । “
সঙ্গে সঙ্গে তার গালে সপাটে থাপ্পর মারে সুনন্দা । বল কে করেছে । স্কুলের দেওয়াল কেউ লাথি মেরে নোংরা করলে তোর গায়ে লাগে না ? বলতে না পারলে এইভাবে তোর মুখে লাথি মারব । বল ।“
রমেশ সঙ্গে সঙ্গে সুনন্দার পায়ে পড়ে যায় । সুনন্দার জুতোর উপর চুম্বন করতে করতে বলে ‘ আমার ভুল হয়ে গেছে মাল্কিন । আমার মুখে ওইভাবে লাথি মেরে আপনার আমাকে শাস্তি দিন” ।
সুনন্দা পা দিয়ে ঠেলে রমেশকে সোজা করে । তারপর নিজের মায়ের সামনেই দারোয়ান রমেশের মুখের সর্বত্র আবার লাথি মারা শুরু করে সে । তার ৩ বান্ধবীও এসে যোগ দেয় তার সাথে ।

Follow

Get every new post delivered to your Inbox.